ব্যাখ্যা
পর্তুগিজ শব্দ : আনারস, আলপিন, আলমারি, গির্জা, গুদাম, চাবি, পাউরুটি, পাদ্রি, বালতি ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
Unlisted · ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০ · ৫০ প্রশ্ন
পর্তুগিজ শব্দ : আনারস, আলপিন, আলমারি, গির্জা, গুদাম, চাবি, পাউরুটি, পাদ্রি, বালতি ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
আবু ইসহাক রচিত বিখ্যাত ছোটগল্প হলো মহাপতঙ্গ, হারেম এবং জোঁক ৷ তার বিখ্যাত উপন্যাস সূর্য দীঘল বাড়ী।
সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
বাংলা একাডমি অভিধান অনুসারে,
** নাগ (বিশেষ্য) -- হাতি (দিঙ্নাগ);
সাপ (লম্ফঝম্ফ ভূমিকম্প নাগ কূর্ম্ম লড়িছে-ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর);
বাঙালি হিন্দুর উপাধিবিশেষ (মতিলাল নাগ)
** নাগ (অব্যয়) --লাগ; নাগাল; সঙ্গ (ও কুলত গেলেঁ যদি নাগ পাত্র কাহ্নে-বড়ু চণ্ডীদাস)।
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোন বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে, তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন-পঙ্কজ, রাজপুত, মহাযাত্রা, জলধি ইত্যাদি।
প্রবীণ, বাঁশি, তৈল, সন্দেশ ইত্যাদি শব্দগুলো হলো রূঢ়ি শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী।
বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রুপাত্নক প্রবন্ধ রচনাকারী,গদ্য সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক, ইতালীয় সনেটের প্রবর্তক হলেন প্রমথ চৌধুরী। জন্ম-৭ আগস্ট, ১৮৬৮,পিতার কর্মস্থল যশোরে।তার পৈতৃক নিবাস পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামে। তার ছদ্মনাম -বীরবল, নীললোহিত। চলিত রীতির প্রবর্তনে যে পত্রিকার অবদান বেশি-সবুজ পত্র (১৯১৪)। তার চলিত রীতির প্রথম গদ্য রচনা 'বীর বলের হালখাতা ' - ভারতী পত্রিকায় প্রকাশ হয়।
কাব্য গ্রন্থ -- সনেট পঞ্চাশৎ (১৯১৩), পদচারণ (১৯১৯)
গল্পগ্রন্থ-- চার ইয়ারি কথা (১৯১৬), আহুতি (১৯১৯)
নীললোহিত গল্প সংগ্রহ (১৯৪১)।
প্রবন্ধগ্রন্থ -- তেল- নুন -লাকড়ী (১৯০৬), বীর বলের হালখাতা (১৯১৬), নানাকথা (১৯১৯), আমাদের শিক্ষা (১৯২০), রায়তের কথা (১৯২৬), নানাচর্চা (১৯৩২), আত্নকথা (১৯৪৬)।
মাসিক সাহিত্য পত্রিকা -সবুজ পত্র (১৯১৪), বিশ্ব ভারতী পত্রিকা
বিখ্যাত উক্তি :--
- সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষত (বইপড়া)।
- ভাষা মানুষের মুখ হতে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে'-(ভাষার কথা)।
-জীবনে জ্যাঠামি, সাহিত্যে ন্যাকামি সহ্য করতে পারতেন না-প্রমথ চৌধুরী (সাহিত্যে খেলা)।
-মনোজগতে বাতি জ্বালানোর জন্যে সাহিত্যচর্চার বিশেষ প্রয়োজন
-জ্ঞানের প্রদীপ যেখানেই জ্বালো না কেন, তাহার আলোক চারদিক ছড়াইয়া পড়িবে।
-সাহিত্যের উদ্দেশ্যে সকলকে আনন্দ দান করা কারো মনোরঞ্জনের বিষয় নহে-সাহিত্যে খেলা।
-ব্যাধিই সংক্রামক স্বাস্থ্য নয়।
মৃত্যু- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ সালে শান্তি নিকেতনে।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী এবং শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসিনা নাজিলা।
কতগুলো শব্দের পুরুষবাচক হয় না। এদের নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলা হয়।
এগুলো হলো সতীন, সৎমা, সধবা, এয়ো, দাই, কুলটা, বিধবা, সপত্নি, অসূর্যস্পশ্যা, অর্ধাঙ্গিনী, অরক্ষণীয়া ইত্যাদি।
অন্যদিকে ঢাকী, কবিরাজ, কৃতদার, অকৃতদার ইত্যাদি হলো নিত্য পুরুষবাচক শব্দ৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
triumphant (adjective) বিজয়ী, বিজয়দৃপ্ত; বিজয়োন্মত্ত।
fragile (adjective) ভঙ্গুর; ঠুনকো; পলকা; ক্ষণভঙ্গুর; নশ্বর; নাজুক।
rigid (adjective) অনমনীয়; বাঁকানো যাবে না এমন; দৃঢ়; অপরিবর্তনীয়।
competent (adjective) (ব্যক্তি সম্বন্ধে) উপযুক্ত; সক্ষম; দক্ষ।
বাক্যটির অর্থঃ আপনি বিরোধ এবং বিরোধিতার সময়কালের পরে লড়াই/দ্বন্দ্ব গুলিতে বিজয়ী।
Source: Bangla Academy Dictionary & Oxford Dictionary.
predict (verb)- ভবিষ্যদ্বাণী করা।
present (verb)- পরিচয় করিয়ে দেওয়া, দেওয়া; দান/প্রদান করা; উপস্থাপন/পেশ করা; উপস্থিত/নিবেদন করা; উপহারস্বরূপ দেওয়া।
precinct (noun) বিশেষত গির্জার প্রাচীরবেষ্টিত অঙ্গন; প্রাঙ্গণ; পরিসর।
বাক্যটির অর্থ- আমি কি আমার স্ত্রীকে পরিচয় করিয়ে দিতে পারি?
Source: Bangla Academy Dictionary & Oxford Dictionary.
put together (একত্র করা)- assemble; unite; collect.
call something off (ক) সরিয়ে/ফিরিয়ে নেওয়া/ডেকে পাঠানো: I asked him to call his dog off.
(খ) প্রত্যাহার/বাতিল ঘোষণা করা: The meeting has been called off.
Irrational (adjective) (১) বিচারশক্তিহীন; বিচারবুদ্ধিরহিত।
(২) বিচারবুদ্ধির দ্বারা পরিচালিত নয় এমন, অযৌক্তিক, যুক্তিহীন।
Irresolute (adjective) অস্থিরমতি; চলচিত্ত; অস্থিরমনস্ক; অনবস্থিত।
Irrevocable (adjective) প্রত্যাহার করা যায় না এমন; চূড়ান্ত এবং অপরিবর্তনীয়; অপারবর্ত্য।
Irresponsible (adjective) (১) আচরণের জন্য দায়ী নয়; দায়িত্বহীন।
(২) দায়িত্ব-জ্ঞানহীন/শূন্য বেপরোয়া।
Malpractice- অসৎ আচরণ, কদাচার, অন্যায় পদ্ধতি।
Malnutrition- অপুষ্টি, অপর্যাপ্ত খাদ্যগ্রহণ।
Maladroit- আনাড়ি, অদক্ষ।
১৩ + ৪ = ১৭
১৭ + ৮ = ২৫
২৫ + ১৬ = ৪১
৪১ + ৩২ = ৭৩
৭৩ + ৬৪ = ১৩৭
সুতরাং ৪, ৮, ১৬, ৩২, ৬৪ ক্রম ঠিক রাখতে উত্তর ১৩৭ হবে।
ধরি, বনভোজনে পুরুষ ছিল x জন এবং মহিলা ছিল x-10 জন।
∴ বনভোজনে শিশু ছিল x+(x-10)-10 জন = 2x-20 জন।
শর্তমতে,
x+(x-10)+(2x-20) = 210
বা, x+x-10+2x-20 = 210
বা, 4x-30 = 210
বা, 4x = 210+30
বা, 4x = 240
বা, x = 240/4
বা, x = 60
অতএব, বনভোজনে পুরুষ ছিল 60 জন।
ধরি, ১ টি টিভির ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
৪৫% লাভে টিভি বিক্রির সংখ্যা 'ক' টি
১ টি টিভিতে লাভ করে ৪৫ টাকা
'ক' টি টিভিতে লাভ করে ৪৫ক টাকা
২০% বেশি বিক্রিতে টেলিভিশনের সংখ্যা (ক + ক এর ২০%)
= ৬ক/৫ টি
৪০% লাভে মোট লাভের পরিমাণ (৪০ X ৬ক/৫) টাকা
= ৪৮ক টাকা
নতুন লাভ : আগের লাভ = ৪৮ক : ৪৫ক = ৪৮ : ৪৫
ধরি, n = 2 (জোড় সংখ্যা)
3 X 2 + 5 = 11 ইহা জোড় সংখ্যা নয়।
NATO (North Atlantic Treaty Organization) 8 এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি আঞ্চলিক সামরিক জোট। NATO'র প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ - ১২টি ও বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র ৩০টি।
সর্বশেষ সদস্য দেশ - উত্তর মেসিডোনিয়া (সদস্যপদ প্রাপ্তি - ২৭ মার্চ, ২০২০)
উৎসঃ ন্যাটো ওয়েবসাইট।
উল্লেখিত অপশনগুলাের মধ্যে অস্ট্রিয়া NATO'র সদস্য নয়।
APEC (Asia Pacific Economic Co-operation) এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি বাণিজ্য জোট। এটি ১৯৮৯ সালের ৬ নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর সিঙ্গাপুর সিটিতে অবস্থিত। এর সদস্য ২১ টি। এপেকের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় ৬-৭ নভেম্বর ১৯৮৯। সর্বশেষ সম্মেলন ২০১৯ সালে চিলির সান্তিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
সূত্রঃ এপেক ওয়েবসাইট।
জাতিসংঘের ৬টি দাপ্তরিক ভাষা আছে। ভাষাগুলো হচ্ছে- আরবি, চীনা, ইংরেজি, ফরাসি, রুশ এবং স্প্যানিশ ভাষা। জাতিসংঘের সচিবালয়ে ইংরেজি ও ফরাসি/ফ্রেঞ্চ এই দুটি ভাষা ব্যবহৃত হয়।
উৎসঃ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
চর্যাপদের শ্রেষ্ঠ কবি - কাহ্নপা। তার প্রকৃত নাম - কৃষ্ণাচার্য পাদ। তার রচিত পদের সংখ্যা - ১৩টি; যা সর্বাধিক পদ। কিন্তু প্রাপ্ত পদের সংখ্যা ১২টি।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ ফসল - বৈষ্ণব পদাবলি। এর নায়ক নায়িকা - রাধা ও কৃষ্ণ।
উল্লেখযোগ্য বৈষ্ণব পদাবলি রচয়িতা - বিদ্যাপতি, চন্ডীদাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাস।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাংলায় রচিত প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী।
এছাড়াও তাঁর অন্যান্য উপন্যাসগুলো হলো- কপালকুণ্ডলা, মৃণালিনী, বিষবৃক্ষ, ইন্দিরা, যুগলাঙ্গুরীয়, চন্দ্রশেখর, রাধারানী, কৃষ্ণকান্তের উইল, রাজসিংহ, আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম।
উৎসঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা।
''গায়ত্রী সন্ধ্যা'' - সেলিনা হোসেন রচিত - ত্রয়ী উপন্যাস। এর তিনটি খন্ড যথাক্রমে - ১৯৯৪, ১৯৯৫ ও ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত হয়।
১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ আটাশ বছরের আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পটভূমিতে রচিত এ উপন্যাস।
তার রচিত অন্যান্য উপন্যাস -
- জলোচ্ছ্বাস
- হাঙর নদী গ্রেনেড (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক)
- যুদ্ধ (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক)
- যাপিত জীবন (ভাষা আন্দোলন বিষয়ক)
- কাঁটাতারে প্রজাপতি (নাচোলের তেভাগা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত)
- পোকা মাকড়ের ঘরবসতি (নাফনদীর তীরে শাহ পরীর দ্বীপের মানুষের জীবন সংগ্রাম)
- নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি (দেশভাগ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, ৪৩ এর দুর্ভিক্ষ প্রভৃতি বিষয় উঠে এসেছে) ইত্যাদি
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
কাজী নজরুল ইসলামের ৫ টি গ্রন্থ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত ঘোষিত হয়।
সেগুলো হলো - যুগবাণী, ভাঙ্গার গান, প্রলয় শিখা, বিষের বাঁশি এবং চন্দ্রবিন্দু।
সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
ক থেকে ম পর্যন্ত এ পঁচিশটি ব্যঞ্জনকে স্পর্শ ব্যঞ্জন বা স্পৃষ্ট ব্যঞ্জনধ্বনি বলে।
উচ্চারণ বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনিগুলােকে প্রথমত দুই ভাগে ভাগ করা যায়ঃ ১. অঘােষ এবং ২. ঘােষ।
১) যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণি্ত হয় না তাকে বলা হয় অঘােষ ধ্বনি। যেমন- ক, খ, চ, ছ ইত্যাদি।
২) যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয়, তাকে বলে ঘােষ ধ্বনি। যেমন- গ, ঘ, জ, ঝ ইত্যাদি।
এগুলােকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়ঃ ক. অল্পপ্রাণ এবং খ. মহাপ্রাণ
ক) যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের স্বল্পতা থাকে, তাকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি। যেমন- ক, গ, চ, জ ইত্যাদি।
খ) যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে, তাকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি। যেমন- খ, ঘ, ছ, ঝ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
পূর্বপদে ষষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ হয়ে যে সমাস হয়, তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমনঃ চায়ের বাগান = চাবাগান, ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।
আরও কিছু উদাহরণঃ পুষ্পের সৌরভ = পুষ্পসৌরভ, রাজার পুত্র = রাজপুত্র, খেয়ার ঘাট = খেয়াঘাট।
এছাড়াও ছাত্রসমাজ, দেশসেবা, দিল্লিশ্বর, বিড়ালছানা ইত্যাদি।
সূত্রঃ উচ্চতর স্বনির্ভর বিশুদ্ধ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
দেশের বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ কাউন্সিল হলো ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council)। এই কাউন্সিলে সরকারি খাতে ৫০ কোটি টাকার উর্ধ্বের প্রকল্প অনুমোদন, বিনিয়োগ প্রস্তাব পর্যালোচনা, উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা প্রভৃতি কার্যাবলি সম্পন্ন হয়। এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয়। এর প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারপার্সন অর্থমন্ত্রী।
সূত্রঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
বাংলাদেশ এবং ভারত অংশ মিলিয়ে সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৩৮৬০ বর্গমাইল বা ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার। এর মধ্যে বাংলাদেশ অংশের আয়তন ২৪০০ বর্গ মাইল বা ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ৬,০১,৭০০ হেক্টর। যা বাংলাদেশের মোট বনভূমির আয়তনের ৪.১৩% এবং বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির ৩৮.১২%।
সূত্রঃ বন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
চীনের উত্তর সীমান্ত জুড়ে অবস্থিত চীনের মহাপ্রাচীরের প্রকৃত দৈর্ঘ্য ৮,৮৫০ কিমি বা ৫,৫০০ মাইল।
উৎসঃ ব্রিটানিকা।
১০০তম টেস্ট ক্রিকেটে ৪টি দেশ জয়লাভ করেছে। অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর বিশ্বের চতুর্থ দল হিসেবে শততম টেস্ট জিতেছিল বাংলাদেশ।
উৎসঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
The English verbs let, make, have, get, and help are called causative verbs because they cause something else to happen.
a) LET = Permit Something To Happen.
Grammatical structure: LET + PERSON/THING + VERB (base form)
Examples: I don’t let my kids watch violent movies.
b) MAKE = Force Or Require Someone To Take An Action.
Grammatical structure: MAKE + PERSON + VERB (base form)
Examples: After Billy broke the neighbor’s window, his parents made him pay for it.
c) HAVE = Give Someone Else The Responsibility To Do Something.
Grammatical structure:
1) HAVE + PERSON + VERB (base form)
2) HAVE + THING + PAST PARTICIPLE OF VERB
Examples of grammatical structure-1:
I’ll have my assistant call you to reschedule the appointment.
Examples of grammatical structure-2:
My washing machine is broken; I need to have it repaired.
d) GET = Convince/Encourage Someone To Do Something.
Grammatical structure: GET + PERSON + TO + VERB
Examples: How can we get all the employees to arrive on time?
e) HELP = Assist Someone In Doing Something.
Grammatical structure:
1) HELP + PERSON + VERB (base form)
2) HELP + PERSON + TO + VERB
After “help,” you can use “to” or not – both ways are correct. In general, the form without “to” is more common:
He helped me carry the boxes.
He helped me to carry the boxes.
Lest [লেস্ট্] (conjunction)
(১) যাতে না-ঘটে (এজন্য): I grabbed the iron rail lest I should fall down.
(২) এই আশঙ্কায়: We hurried lest we should miss the train.
myriad (noun) [countable noun] myriad (of) বিপুল/অগণ্য সংখ্যা।
dialect (noun) ভাষার আঞ্চলিক রূপ; উপভাষা; আঞ্চলিক উচ্চারণপ্রণালি; স্থানিক ভাষা বা বাচন; সামাজিক শ্রেণিভেদে উচ্চারণ পার্থক্য।
ধরি, সংখ্যাদ্বয় x ও (x + 1)
প্রশ্নমতে,
(x + 1)² - x² = 199
⇒ x² + 2x + 1 - x² = 199
⇒ 2x = 199 - 1
⇒ x = 198/2 = 99
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2; এখানে r বৃত্তের ব্যাসার্ধ।
বৃত্তদ্বয়ের ক্ষেত্রফলের অনুপাত = π X ৩২ : π X ২২
= ৯ : ৪
∠B = ∠C = 75°
∴ ∠A = 180° - (∠B + ∠C)
= 180° - (75° + 75°)
= 30°
ধরি, ছোট টুকরোর দৈর্ঘ্য x একক।
∴ বড় টুকরোর দৈর্ঘ্য ৪x একক।
তাহলে সংযুক্ত টুকরো দৈর্ঘ্য হবে (x + ৪x) = ৫x একক।
অর্থাৎ, সংযুক্ত টুকরোটির দৈর্ঘ্য ছোট টুকরোর চেয়ে ৫ গুণ বড় হবে।
So + adjective + as অর্থাৎ so kind as.
এটিকে অন্যভাবেও ব্যাখ্যা করা যায়-
বাক্যে so থাকায় as ব্যবহৃত হবে; কারন would you be so kind as to একটি phrase.
অন্যদিকে বাক্যে so না থাকলে enough ব্যবহার করা যেতো; কারন would you be kind enough to আরেকটি phrase.
Source: Macmillan Dictionary.
Noun + ly = adjective.
Some adjectives are friendly, homely, brotherly, motherly, sisterly, manly, kingly etc
চ্যান্সেলর অস্ট্রিয়া ও জার্মানির প্রধানমন্ত্রী সমমর্যাদা সম্পন্ন পদ। বর্তমানে জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল। অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর সেবাস্তিয়ান কুয়র্ৎস।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটিনিকা।
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমে- চাঁপাইনবাবগঞ্জ(জেলা), শিবগঞ্জ(উপজেলা), মনাকাষা(স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব পূর্বে- বান্দরবান(জেলা), থানচি(উপজেলা), আখানইঠং(স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে- কক্সবাজার(জেলা), টেকনাফ(উপজেলা), সেন্টমার্টিন(ইউনিয়ন), ছেঁড়া দ্বীপ(স্থান)।
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরে- পঞ্চগড়(জেলা), তেতুলিয়া(উপজেলা), বাংলাবান্ধা(ইউনিয়ন), জায়গীর জোত(স্থান)।
সূত্রঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।