পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়55 minutes৭৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৭৯
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৭৪: Full Model Test - 7
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৭৯ প্রশ্ন

.
"চলোর্মি" এর সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. চল + উর্মি
  2. চলো + উর্মি
  3. চল + ঊর্মি
  4. চলা + ঊর্মি
সঠিক উত্তর:
চল + ঊর্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চল + ঊর্মি
ব্যাখ্যা
• 'চলোর্মি' - এর সথিক সন্ধি বিচ্ছেদ - চল + ঊর্মি = চলোর্মি।
- এটি স্বরসন্ধির উদাহরণ।

স্বরসন্ধি:
স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনির মিলনে স্বরসন্ধি গঠিত হয়। যেমন - নর + অধম = নরাধম।

- স্বরসন্ধি গঠনের নিয়ম অনুসারে,
• অ কিংবা আ ধ্বনির পর উ কিংবা ঊ থাকলে উভয় মিলে ও হয়। ও কার পুর্ব বর্ণে যুক্ত হয়।
যেমন -
- সূর্য + উদয় =সূর্যোদয়;
- চল + ঊর্মি = চলোর্মি;
- মহা+ ঊরমি = মহোর্মি।

উৎস: ভাষাশিক্ষা - ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'Blank verse' শব্দটি দিয়ে কী বোঝানো হয়?
  1. গদ্যছন্দ
  2. অক্ষরবৃত্ত ছন্দ
  3. স্বরবৃত্ত ছন্দ
  4. অমিত্রাক্ষর ছন্দ
সঠিক উত্তর:
অমিত্রাক্ষর ছন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমিত্রাক্ষর ছন্দ
ব্যাখ্যা
• 'Blank verse' শব্দটির বাংলা পরিভাষা - অমিত্রাক্ষর।

• Blank verse (অমিত্রাক্ষার ছন্দ):
- 'Blank Verse' in Literature is kind of verse having no rhyming ends.
- এর অর্থ হচ্ছে Blank verse বা অমিত্রাক্ষার ছন্দের কবিতায় ছন্দের কোনো অন্তমিল নেই।

উৎস: An ABC of English Literature - Dr. M Mofizar Rahman; ভাষাশিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'কপট' এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. মিত্র
  2. কর্কশ
  3. মোলায়েম
  4. সরল
সঠিক উত্তর:
সরল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরল
ব্যাখ্যা
• কপট (বিশেষণ):
- এর সঠিক উচ্চারণ হচ্ছে কপোট্‌।
- এর সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় হচ্ছে কপ্‌+অট।
- এর অর্থ হচ্ছে প্রতারক, শঠ, মিথ্যাচারী, ভণ্ড, পরিচয় গোপনকারী, ছদ্মবেশী।

অর্থ্যাৎ, 
'কপট' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = অকপট/ সরল।

অন্যদিকে, 
'কর্কশ' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = কোমল / মোলায়েম।
'শত্রু' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = মিত্র। 

উৎস:
১. আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২. বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
৩. ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
"জানতে হবে এমন" - এর এক কথায় প্রকাশ কোনটি?
  1. অবগত
  2. জ্ঞাতি
  3. জ্ঞাতব্য
  4. জ্ঞাতা
সঠিক উত্তর:
জ্ঞাতব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্ঞাতব্য
ব্যাখ্যা
• "জানতে হবে এমন" - এর এক কথায় প্রকাশ - জ্ঞাতব্য।

অন্যদিকে,
একই বংশে জাত ব্যক্তি - জ্ঞাতি।
• অবগত - অবহিত।
• জ্ঞাতা - পণ্ডিত; জ্ঞানী।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
'স্বর্ণময় পত্র' - এখানে কোন প্রকার বিশেষণ রয়েছে?
  1. গুণবাচক
  2. উপাদানবাচক
  3. অবস্থাবাচক
  4. বর্ণবাচক
সঠিক উত্তর:
উপাদানবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপাদানবাচক
ব্যাখ্যা
• 'স্বর্ণময় পত্র' - এখানে উপাদানবাচক বিশেষণ রয়েছে।

• বিশেষণ:
যে শব্দ দিয়ে সাধারণত বিশেষ্য ও সর্বনামের গুণ, দোষ, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি বোঝায়, তাকে বিশেষণ বলে।
যেমন - সুন্দর ফুল, বাজে কথা, পঞ্চাশ টাকা, হাজার সমস্যা, তাজা মাছ।

• উপাদানবাচক বিশেষণ:
যে বিশেষণ দিয়ে উপাদান নির্দেশ করে, তাকে উপাদানবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন -
- বেলে মাটি।
- পাথুরে মূর্তি।
- মেটে কলসি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।
.
''আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।'' - উক্তিটি কে করেছেন?
  1. মোতাহার হোসেন চৌধুরী
  2. কাজী মোতাহার হোসেন
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• উক্তিটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ''আমার পথ" প্রবন্ধ থেকে নেয়া।
 
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- নজরুল ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ  (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন মসজিদের  ইমাম ও মাযারের খাদেম।
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
 
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ - যুগবাণী।
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত অন্যান্য প্রবন্ধগ্রন্থ: 
- রাজবন্দীর জবানবন্দি,
- দুর্দিনের যাত্রী,
- রুদ্র মঙ্গল,
- মন্দির ও মসজিদ,
- আমি সৈনিক।
-----------
'আমার পথ' প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামের ‘রুদ্র-মঙ্গল’ প্রবন্ধগ্রন্থের দ্বিতীয় প্রবন্ধ।
- রুদ্র-মঙ্গল গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দে।
- গ্রন্থটিতে মোট ৮টি প্রবন্ধ রয়েছে।
 
‘আমার পথ’ প্রবন্ধের অংশবিশেষ:
‘আমার এই যাত্রা হল শুরু ওগো কর্ণধার, তোমারে করি নমস্কার ।
মাভৈঃ বাণীর ভরসা নিয়ে' ‘জয় প্রলয়ঙ্কর' বলে ‘ধূমকেতু’কে রথ করে আমার আজ নতুন পথে যাত্রা শুরু হল। আমার কর্ণধার আমি। আমায় পথ দেখাবে আমার সত্য। আমার যাত্রা শুরুর আগে আমি সালাম জানাচ্ছি—নমস্কার করছি আমার সত্যকে। যে-পথ আমার সত্যের বিরোধী, সে পথ ছাড়া আর কোনো পথই আমার বিপথ নয়! রাজভয়— লোকভয় কোনো ভয়ই আমায় বিপথে নিয়ে যাবে না। আমি যদি সত্যি করে আমার সত্যকে চিনে থাকি, আমার অন্তরে মিথ্যার ভয় না থাকে, তা হলে বাইরের কোন ভয়ই আমার কিছু করতে পারবে না । যার ভিতরে ভয়, সে-ই বাইরে ভয় পায়।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং কাজী নজরুল রচিত 'আমার পথ' প্রবন্ধ।
.
"মগজ > মজগ" কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. অপিনিহিতি
  2. প্রগত সমীভবন
  3. ধ্বনি-বিপর্যয়
  4. বিষমীভন
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি-বিপর্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি-বিপর্যয়
ব্যাখ্যা
• ধ্বনি-বিপর্যয়:
উচ্চারণের সময় কিছু কিছু শব্দস্থিত ধ্বনির স্থানপরিবর্তন ঘটে। আগের ধ্বনি পরে যায় ও পরের ধ্বনি আগে আসে-এরকম অবস্থানগত বিপর্যয় দেখা যায়। যেমন:
- পিশাচ > পিচাশ। ['শাচ' ধ্বনি দুটি (শা + চ) স্থান বদলে হয়েছে 'চাশ' (চা+শ)।]

• উচ্চারণের সময় শব্দস্থিত ধ্বনি স্থান পরিবর্তন করলে, তাকে ধ্বনিবিপর্যয় বা বর্ণবিপর্যয় বলে।
যেমন:
- করেণু > কণেরু,
- বাক্স > বাস্ক,
- তলোয়ার > তরোয়াল,
- মগজ > মজগ,
- রিকশা > রিশকা,
- লাফ > ফাল,
- ডেস্ক > ডেক্স ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'সবান্ধব' কোন ধরনের সমাস?
  1. তৎপুরুষ সমাস
  2. বহুব্রীহি সমাস
  3. কর্মধারয় সমাস
  4. দ্বন্দ্ব সমাস
সঠিক উত্তর:
বহুব্রীহি সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুব্রীহি সমাস
ব্যাখ্যা
• সহার্থক বহুব্রীহি সমাস: 
- সহার্থক নামে আরেক প্রকার বহুব্রীহি সমাস পাওয়া যায়।
- সহার্থক পূর্বপদের সঙ্গে বিশেষ্য পরপদের বহুব্রীহি সমাস হলে তাকে সহার্থক বহুব্রীহি সমাস বলে।

যেমন :
- সশিষ্য = শিষ্যের সহিত বর্তমান,
- সকর্দম = কর্দমের সহিত বর্তমান,
- সবান্ধব = বান্ধবের সহিত বর্তমান,
- সক্রিয় = ক্রিয়ার সহিত বর্তমান,
- সজল = জলের সহিত বর্তমান।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), বাংলা একাডেমি প্রমিত ব্যবহারিক ব্যাকরণ ও ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
.
'নূরলদীনের সারাজীবন' নাটকের প্রেক্ষাপট -
  1. সাঁওতাল বিদ্রোহ
  2. দেশভাগ
  3. কৃষক বিদ্রোহ
  4. নীল বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
কৃষক বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষক বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
'নূরলদীনের সারাজীবন' কাব্যনাট্য:
- 'নূরলদীনের সারাজীবন' সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যনাট্য।
- ১৭৮৩ এর কৃষক আন্দোলনের বিষয়বস্তু তুলে ধরেছেন।
- রংপুরের কৃষক বিদ্রোহের নেতা নূরলদীনের সামন্তবাদ বিরােধী সংগ্রাম অবলম্বনে রচিত নাটক- নূরলদীনের সারাজীবন (১৯৮২)।
- ব্রিটিশ বিরােধী আন্দোলনের নায়ক নূরলদীনের অবিস্মরণীয় আহবান- ‘জাগাে বাহে, কোনঠে সবাই'।
- ১৪ টি দৃশ্যে কাব্যনাটকটি রচিত।

সৈয়দ শামসুল হক: 
- তিনি ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত।

তাঁর রচিত কাব্যনাট্য:
- নুরুলদীনের সারাজীবন,
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়,
- এখানে এখন।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- তাস,
- শীত বিকেল,
- আনন্দের মৃত্যু,
- প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান,
- জলেশ্বরীর গল্পগুলো। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. অর্চ্ছনা
  2. হেঁয়ালী
  3. বাধাগ্রস্থ
  4. দূরীকরণ
সঠিক উত্তর:
দূরীকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দূরীকরণ
ব্যাখ্যা
বাংলা প্রমিত বানানের নিয়ম  অনুসারে,

• দূরত্ব বোঝায় এমন শব্দে ঊ-কার যোগে ‘দূর’ হবে। 
যেমন— দূর, দূরবর্তী, দূর-দূরান্ত, দূরীকরণ, অদূর, দূরত্ব, দূরবীক্ষণ ইত্যাদি।

• রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না৷ 
যেমন— অর্চনা, অর্জন, অর্থ, অর্ধ, কর্দম, কর্তন, কর্ম, কার্য, গর্জন, মূর্ছা, কার্তিক, বার্ধক্য, বার্তা, সূর্য৷

• বিশেষণবাচক আলি প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ই-কার হবে। 
যেমন— সোনালি, রুপালি, বর্ণালি, হেঁয়ালি, খেয়ালি, মিতালি ইত্যাদি।

• পদের শেষে’-গ্রস্থ’ নয় ‘-গ্রস্ত’ হবে। 
যেমন— বাধাগ্রস্ত, ক্ষতিগ্রস্ত, হতাশাগ্রস্ত, বিপদগ্রস্ত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, প্রমিত বাংলা বানানরীতি (বাংলা একাডেমি)।
১১.
He is blind _______ one eye.
  1. to
  2. on
  3. of
  4. at
সঠিক উত্তর:
of
উত্তর
সঠিক উত্তর:
of
ব্যাখ্যা
The correct answer is - গ) of.
Full sentence: He is blind of one eye..

• Blind of 
- Bangla meaning: দৃষ্টিশক্তিতে অন্ধ।
- Example sentence: He is blind of one eye.

• More -
• Blind to:
- Bangla meaning: দোষের প্রতি অন্ধ/ অজ্ঞ, অজানা বা অবহিত না হওয়া।
- Example sentence:
- He is blind to his own faults.
- She was blind to the risks.

• বাকি অপশনগুলো অপ্রাসঙ্গিক।

Source: Applied English Grammar & Composition, P.C. DAS.
১২.
He lives _______ honest means.
  1. beyond
  2. within
  3. for
  4. by
সঠিক উত্তর:
by
উত্তর
সঠিক উত্তর:
by
ব্যাখ্যা
The correct answer is - ঘ) Lives by.
Full sentence: He lives by honest means.

• Live by
- English Meaning: to follow a particular belief or set of principles.
- Bangla Meaning: কোন উপায়ে বেঁচে থাকা।
- Example sentence: He lives by honest means. 

• Other options: 
Live beyond, within (বাঁচা) - He lives beyond his means; He lives within his means. 
Live for (an ideal) (বেঁচে থাকা) - He lives for fame.

• More:
- Live on (food) (খেয়ে বাঁচা) - The cow lives on grass. 

Source: 1. Applied English Grammar & Composition, P.C. DAS.
2. Oxford Dictionary.
১৩.
Which of the following is a countable determiner?
  1. much
  2. many
  3. little
  4. least
সঠিক উত্তর:
many
উত্তর
সঠিক উত্তর:
many
ব্যাখ্যা
'Many' is a countable determiner.

• Determiners:
যেসব শব্দ Noun/Pronoun-এর নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে তাদেরকে Determiners বলা হয়। যেমন- a, an, many, much, few, little ইত্যাদি।

• Countable Determiners:
- কিছু কিছু Determiners আছে যেগুলো countable এবং এরা countable noun-এর সাথে ব্যবহৃত হয়।
- Countable Determiners: many, few, a few, the few, several, a, an, either, neither, each, every.

• Uncountable Determiners:
- Uncountable determiner সমূহ uncountable noun-এর সাথে বসে।
- Uncountable Determiners: much, little, a little, the littleless, least.

- কিছু কিছু Determiner আছে যেগুলো countable ও uncountable উভয় প্রকার Noun-এর সাথে বসতে পারে।
Countable + Uncountable Determiners: some, a lot of, no.

Source: A passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.
১৪.
Choose the correct sentence:
  1. The teacher and the principal has arrived.
  2. The teacher and the principal have arrived.
  3. The teacher and principal have arrived.
  4. None of them
সঠিক উত্তর:
The teacher and the principal have arrived.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The teacher and the principal have arrived.
ব্যাখ্যা
The correct sentence is - খ) The teacher and the principal have arrived.

- একই ব্যক্তিকে নির্দেশ করছে নাকি ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিকে সেটা বোঝার সহজ উপায় হচ্ছে দুইটি subject/ noun এর আগের article এর দিকে লক্ষ্য রাখা।
যদি noun দুটি দ্বারা ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় তবে উভয় noun এর পূর্বে the বসে।
- And দ্বারা যুক্ত subject গুলি যদি ভিন্ন ব্যক্তি বা বস্তুকে বুঝায় তবে তাদের পরবর্তী verb plural হয়।
- The teacher and the principal are present.

- কিন্তু দুটি noun and দ্বারা যুক্ত হয়ে একই ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করলে কেবল মাত্র প্রথম noun টির পূর্বে the বসে।
- And দ্বারা যুক্ত subject গুলি যদি একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বুঝায় তবে তাদের পরবর্তী verb এবং pronoun singular হয়।
- The teacher and principal is present.

Source: Advance Learner’s English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.
১৫.
The speaker _________ in the middle of his speech.
  1. broke out
  2. broke off
  3. broke in
  4. broke up
সঠিক উত্তর:
broke off
উত্তর
সঠিক উত্তর:
broke off
ব্যাখ্যা
The correct answer is - খ) broke off.
Full sentence: The speaker broke off in the middle of his speech.

Break off
- English Meaning: stop suddenly.
- Bangla Meaning: হঠাৎ থামিয়া যাওয়া।
- Example sentence: The speaker broke off in the middle of his speech.

• Other options:
- Break out (spread suddenly, হঠাৎ ছড়াইয়া পড়া) - Cholera broke out in the village.
- Break up (close, বন্ধ হওয়া)-Our school breaks up at 4. p.m.
- Break in, on (interrupt, বাঁধা দেওয়া) - You should not break in (on) our conversation.

• More: 
- Break away (get away, ভাঙ্গিয়া বাহির হইয়া আসা)-The convict broke away from the prison.
- Break down (decline, ভাঙিয়া পড়া বা দুর্বল হইয়া পড়া)-His health broke down for hard work.
- Break into (enter by force, ভাঙ্গিয়া প্রবেশ করা)-The robber broke into the house in midnight.
- Break through (get through by force, (জোর করে ঢোকা) - The soldier broke through the enemy's line.
- Break with (quarrel, ঝগড়া করা)- He has broken with his friend.

Source: Applied English Grammar & Composition, P.C. DAS.
১৬.
1 + 2 + 4 +................. 7 টি পদের সমষ্টি কত?
  1. 63
  2. 89
  3. 115
  4. 127
সঠিক উত্তর:
127
উত্তর
সঠিক উত্তর:
127
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1 + 2 + 4 +................. 7 টি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান: 
ধারাটির ১ম পদ, a = 1 
ধারাটির সাধারণ অনুপাত, r = 2/1 = 2  
এখানে, r এর মান 1 থেকে বড় তাই, 

∴ সমষ্টি, Sn = a(rn - 1)/r - 1 
= 1 × (27 - 1)/2 - 1 
= (128 - 1)/1 
= 127

∴ 7 টি পদের সমষ্টি = 127 ।
১৭.
নিচের কোনটি অধাতু?
  1. সালফার
  2. সোডিয়াম
  3. সিলভার
  4. আয়রন
সঠিক উত্তর:
সালফার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফার
ব্যাখ্যা
খনিজ পদার্থ: 
- খনিজ পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত। 
যথা- ধাতু ও অধাতু। 
- ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার, গোল্ড, কপার ও জিংক ইত্যাদি হচ্ছে ধাতু। 
- আবার কয়লা (কার্বন), সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন ইত্যাদি হচ্ছে অধাতু। 
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল খনিজ পদার্থই যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। 
- তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমান গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। 
- খনিতে প্রাপ্ত যে সকল যৌগিক পদার্থ থেকে লাভজনক ভাবে ধাতু বা অধাতু আহরণ বা নিস্কাশন করা যায় তাকে আকরিক বলে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
টাইম ম্যাগাজিন- ২০২৫ -এ বিশ্ব স্বাস্থ্যে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তিদের তালিকার মধ্যে কোন বাংলাদেশি অন্তর্ভুক্ত?
  1. ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা
  2. ডা. তাহমিদ আহমেদ
  3. ডা. মো. শামিউল ইসলাম
  4. ডা. মো. হারুন-অর-রশিদদ
সঠিক উত্তর:
ডা. তাহমিদ আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডা. তাহমিদ আহমেদ
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক খ্যাতনামা সাময়িকী ‘টাইম’ তাদের ২০২৫ সালের ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য খাতে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তি’র তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে ডা. তাহমিদ আহমেদকে।
- ডা. তাহমিদ আহমেদ আইসিডিডিআরবির নির্বাহী পরিচালক ।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতিমান টাইম সাময়িকীর করা ২০২৫ সালের বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় আছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- ‘টাইম–১০০’ শীর্ষক এই তালিকায় অধ্যাপক ইউনূসকে ‘লিডার বা নেতা’ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে।

উৎস : প্রথম আলো।
১৯.
বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ-
  1. সুলাওয়েসি
  2. বোর্নিও
  3. সুমাত্রা
  4. গ্রিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
গ্রিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- গ্রিনল্যান্ড হল বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ। 
- বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপটি তার বিশাল হিমবাহের জন্য পরিচিত।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত, 
- রাজধানী: নুউক।
- অফিসিয়াল ভাষা: গ্রিনল্যান্ডিক (ড্যানিশ এবং ইংরেজিও সাধারণত কথ্য)
- গ্রিনল্যান্ডের প্রায় অর্ধেক অংশ গ্রিনল্যান্ডের জাতীয় উদ্যান হিসেবে সুরক্ষিত।

অন্যদিকে,
ইন্দোনেশিয়ার বৃহত্তম দ্বীপ সমূহ হলো : 
- সুমাত্রা,
- জাভা,
- বোর্নিও 
- সুলাওয়েসি।

উৎস: National Geographic Kids,
২০.
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সর্বপ্রথম কোথায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেন?
  1. আগ্রা
  2. সুরাট
  3. আহমেদাবাদ
  4. কলকাতা
সঠিক উত্তর:
সুরাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরাট
ব্যাখ্যা
- ইংল্যান্ডের একদল বণিক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নামে একটি বণিক সংঘ গড়ে তোলে।
- ১৬০০ সালে রানি এলিজাবেথের কাছ থেকে ১৫ বছর মেয়াদি প্রাচ্যে একচেটিয়া বাণিজ্য করার সনদপত্র লাভ করে।
- এই সনদপত্র নিয়ে কোম্পানির প্রতিনিধি বাণিজ্যিক সুবিধা লাভের আশায় আকবরের দরবারে হাজির হন।
- ক্যাপ্টেন হকিন্স ১৬০৮ সালে রাজা প্রথম জেমসের সুপারিশপত্র নিয়ে বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সম্রাট জাহাঙ্গীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। 
-তাঁর অনুমতি নিয়ে সর্বপ্রথম ১৬১২ সালে সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেন।
- পরবর্তীকালে ১৬১৫ সালে প্রথম জেমসের দূত হয়ে জাহাঙ্গীরের দরবারে আসেন স্যার টমাস রো। সম্রাটের কাছ থেকে তিনি ইংরেজদের জন্য বাণিজ্যিক সুবিধা আদায় করে নেন।
- কোম্পানি সুরাট, আগ্রা, আহমেদাবাদ প্রভৃতি স্থানে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে তাদের ভিত্তি মজবুত করে।

উৎস : বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
২১.
’মানব উন্নয়ন সূচক- ২০২৫’ রিপোর্ট অনুসারে শীর্ষ দেশ-
  1. নরওয়ে
  2. ফিনল্যান্ড
  3. আইসল্যান্ড
  4. সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
আইসল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- ’মানব উন্নয়ন সূচক- ২০২৫’ 
- শীর্ষ দেশ - আইসল্যান্ড।

- সর্বনিম্ন দেশ - দক্ষিণ সুদান।
- বাংলাদেশের অবস্থান- ১৩০ তম।
- ’মানব উন্নয়ন সূচক- ২০২৫’ রিপোর্ট প্রকাশ করে - United Nations Development Programme (UNDP)
- UNDP -র  সদর দপ্তর - নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস : UNDP.
২২.
নিচের কোনটি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃত?
    অনির্ধারিত
    ব্যাখ্যা
    • ষাটগম্বুজ মসজিদ :
    - বাগেরহাট জেলার 'ষাটগম্বুজ মসজিদ' অবস্থিত।
    - তুর্কি সেনাপতি ও ইসলামের একনিষ্ঠ সাধক উলুখ খান জাহান এ মসজিদ নির্মাণ করেন।
    - পনেরো শতকের মাঝামাঝি সময়ে এটি নির্মিত হয়েছিল। 
    - মসজিদে গম্বুজ মোট, সাতাত্তরটি।
    - এই স্থাপত্য কর্মটি জাতিসংঘের ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্বসভ্যতার নিদর্শন 'ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ' সাইট হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে।

    অন্যদিকে,
    - খিজিরপুর দুর্গ নির্মাণ করেন - সুবাদার মীর জুমলা।
    - লালবাগ কেল্লা ও ছোট কাটরা নির্মাণ করেন - শায়েস্তা খান।

    উৎস : বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
    ২৩.
    ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র- (মে-২০২৫)
    1. ফিনল্যান্ড
    2. নরওয়ে
    3. সুইডেন
    4. এস্তোনিয়া
    সঠিক উত্তর:
    সুইডেন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সুইডেন
    ব্যাখ্যা
     NATO :
    - NATO এর পূর্ণরুপ হলো - North Atlantic Treaty Organization । 
    -উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো নামক সামরিক জোটটি ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হয়।
    - এর সদরদপ্তর- বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত। 
    • বর্তমানে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে। ( মে - ২০২৫)
    • ন্যাটোর প্রধান সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
    • ন্যাটোর সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র - সুইডেন। (মে-২০২৫)

    উৎস: NATO web.site এবং Britannica.
    ২৪.
    তাজিকিস্তানের রাজধানী কোনটি?
    1. আস্তানা
    2. দুশানবে
    3. বিশকেক
    4. আশাখাবাদ
    সঠিক উত্তর:
    দুশানবে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দুশানবে
    ব্যাখ্যা
    • তাজিকিস্তান,
     - রাজধানী- দুশানবে,
    - মুদ্রা : সোমোনি,

    • কাজাখস্তান-
    - রাজধানী- আস্তানা,
    - মুদ্রা- তেঙ্গে।

    • তুর্কমেনিস্তান :
    - রাজধানী- আশাখাবাদ,
    - মুদ্রা : মানাত,

    • কিরগিজিস্তান
    - রাজধানী- বিশকেক,
    - মুদ্রা: সোম।

    উৎস: britannica.
    ২৫.
    বিশ্ব পরিবেশ দিবস-
    1. ৭ জুন
    2. ৫ জুন
    3. ১৩ অক্টোবর
    4. ৯ ডিসেম্বর
    সঠিক উত্তর:
    ৫ জুন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৫ জুন
    ব্যাখ্যা
    • জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস সমূহ :
    - জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস - ২ অক্টোবর।
    - শিশু অধিকার দিবস- অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার।
    - আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস- ১৩ অক্টোবর।
     - বিশ্ব পরিবেশ দিবস - ৫ জুন।
    - বিশ্ব খাদ্য দিবস - ১৬ অক্টোবর।
    - জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস - ২২ অক্টোবর।
    - জাতীয় যুব দিবস - ১ নভেম্বর।
    - বিশ্ব এইডস দিবস - ১ ডিসেম্বর।
    - জাতীয় বস্ত্র দিবস - ৪ ডিসেম্বর।
    - আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস - ৯ ডিসেম্বর।
    - আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস - ১৮ ডিসেম্বর।
    - বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস-৭ এপ্রিল।
    - মুজিবনগর দিবস - ১৭ এপ্রিল।
    - নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস - ২৮ মে।

    উৎস: বাংলাদেশে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন /পালনের পরিপত্র ২০২৫
    ২৬.
    ২০-তম জি-২০ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে? (মে - ২৫)
    1. ভারত
    2. সাউথ আফ্রিকা
    3. ব্রাজিল
    4. রাশিয়া
    সঠিক উত্তর:
    সাউথ আফ্রিকা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সাউথ আফ্রিকা
    ব্যাখ্যা
    • জি২০ :
    •  G20 হল একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম যা বিশ্বের প্রধান উন্নতদেশ সমূহ নিয়ে গঠিত।
    - G-20 প্রতিষ্ঠিত হয় ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৯ সালে।
    - ১৯৯৯ সাল থেকে প্রতি বছর এই ফোরামের বৈঠক হয়ে আসছে ।
    - ১৯-তম জি-২০ সম্মেলন ১৮-১৯ নভেম্বর, ২০২৪; ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে অনুষ্ঠিত হয়।
    - ২০-তম জি-২০ সম্মেলন ২০২৫ সালে ২৭-২৮ নভেম্বরে সাউথ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হবে।

    উৎস : G20
    ২৭.
    ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৬ ধারায় অনুসন্ধানের আদেশ কে দিতে পারেন?
    1. দায়রা জজ
    2. হাইকোর্ট বিভাগ
    3. শুধুমাত্র জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
    4. ক বা খ
    সঠিক উত্তর:
    ক বা খ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক বা খ
    ব্যাখ্যা
    ⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৬ ধারার বিধান- অনুসন্ধানের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা:
    ৪৩৫ ধারা অনুসারে অথবা অন্যভাবে পরীক্ষা করে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ নির্দেশ দিতে পারবেন যে, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অথবা তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের দ্বারা ২০৩ ধারা বা ২০৪ ধারার (৩) উপধারা অনুসারে খারিজক্ত যেকোনো নালিশ বা কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে আরও তদন্ত করবেন, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ তদন্ত করতে পারবেন বা তার অধস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে এরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবেন।

    তবে শর্ত এই যে, কোন আদালত কোন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধারার অধীন নির্দেশ দিবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তিকে কোন উক্তরূপ আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শানোর সুযোগ দেয়া হয়।
    ২৮.
    আমল অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসার কখন তদন্ত করতে পারেন?
    1. স্বপ্রণোদিত হয়ে
    2. ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে
    3. সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ অনুসারে
    4. অভিযোগকারীর আবেদন অনুসারে
    সঠিক উত্তর:
    সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ অনুসারে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ অনুসারে
    ব্যাখ্যা
    The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৫৫ ধারা- আমল অযোগ্য মামলার সংবাদ:
    (১) যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঐরূপ থানার সীমার মধ্যে কোন আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পাদনের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়, তখন তিনি, এ ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট নিদর্শে ঐরূপ অফিসার কর্তৃক রক্ষিত বহিতে উক্ত সংবাদের সারাংশ লিখে রাখবেন বা রাখাবেন এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যাওয়ার নির্দেশ দিবেন।

    (২) আমল অযোগ্য মামলার তদন্ত-
    আমলঅযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোন পুলিশ অফিসার কোন আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।


    (৩) এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
    ২৯.
    রিনা তার ভাইকে যাবজ্জীবন দণ্ডযোগ্য একটি অপরাধ থেকে বাঁচাতে চায়, তাই তিনি মিথ্যা তথ্য দেন ও অপরাধের আলামত সরান। রিনার জন্য প্রযোজ্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
    1. ৭ বছর + অর্থদণ্ড
    2. ৫ বছর + অর্থদণ্ড
    3. ৩ বছর + অর্থদণ্ড
    4. ১ বছর + অর্থদণ্ড
    সঠিক উত্তর:
    ৩ বছর + অর্থদণ্ড
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩ বছর + অর্থদণ্ড
    ব্যাখ্যা
     দণ্ডবিধির ২০১ ধারা- অপরাধের সাক্ষ্য প্রমাণের বিলোপসাধন অথবা অপরাধীকে অব্যাহতি দেওয়ার মিথ্যা খবর দেওয়া:
    কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-

    যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়: 
    যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

    যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
    এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;

    যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
    এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের (সম্ভ্রম অথবা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
    ৩০.
    দণ্ডবিধির, ১৮৬০ এর ধারা ৩৩৪-এর অধীনে অপরাধ সংঘটিত হতে হলে নিম্নের কোনটি অবশ্যই থাকতে হবে?
    1. মারাত্মক আঘাত
    2. কোনো অস্ত্রের ব্যবহার
    3. ইচ্ছাকৃত খুনের চেষ্টা
    4. গুরুতর ও আকস্মিক প্ররোচনা
    সঠিক উত্তর:
    গুরুতর ও আকস্মিক প্ররোচনা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গুরুতর ও আকস্মিক প্ররোচনা
    ব্যাখ্যা
    দণ্ডবিধির, ১৮৬০ এর ধারা ৩৩৪- প্ররোচনার কারণে স্বেচ্ছায় আঘাত প্রদান:
    যে ব্যক্তি গুরুতর এবং আকস্মিক প্ররোচনার কারণে স্বেচ্ছায় আঘাত করে, যদি সে অন্য কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্য বা জ্ঞান না থাকে, কেবল সেই ব্যক্তিকে আঘাত করে যে প্ররোচনা দিয়েছে, তবে তাকে এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা উভয়ই দেওয়া যেতে পারে।

    তাই, দণ্ডবিধির, ১৮৬০ এর ধারা ৩৩৪-এর অধীনে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার অপরিহার্য উপাদান হলো: গুরুতর ও আকস্মিক প্ররোচনা।
    ৩১.
    ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারায় কোন পরিস্থিতিতে নতুন বিচারের নির্দেশ দেওয়া হয়?
    1. সাক্ষী অনুপস্থিত থাকলে
    2. সাক্ষ্য গ্রহণের ভুলের কারণে
    3. আসামি অনুপস্থিত থাকলে
    4. চার্জ গঠনে ভুল থাকলে
    সঠিক উত্তর:
    চার্জ গঠনে ভুল থাকলে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    চার্জ গঠনে ভুল থাকলে
    ব্যাখ্যা
    ⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩২ (চার্জে কৃত গুরুতর ভুলের ফলাফল)-
    ১) রিভিশন ক্ষমতা বা সপ্তবিংশ অধ্যায়ে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়ােগকালে আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, অভিযােগ গঠিত হওয়ায় কিংবা উহাতে ভুল থাকায় কোন অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়েছে তা হলে উক্ত আদালত যেইরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেইরূপভাবে অভিযােগ গঠন করে নতুন বিচারের নির্দেশ দিবেন।

    ২) আদালত যদি মনে করেন যে,মােকদ্দমার ঘটনাবলী এইরূপ যে প্রমাণিত তথ্যাবলীর ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে কোন বৈধ অভিযােগ প্রণয়ন করা যাবে না,তা হলে দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।

    Section- 232: Effect of material error:
    (1) If any Appellate Court, or the High Court Division in the exercise of its powers of revision or of its powers under Chapter XXVII, is of opinion that any person convicted of an offence was misled in his defence by the absence of a charge or by an error in the charge, it shall direct a new trial to be had upon a charge framed in whatever manner it thinks fit. 

    (2) If the Court is of opinion that the facts of the case are such that no valid charge could be preferred against the accused in respect of the facts proved, it shall quash the conviction.
    ৩২.
    একজন ব্যক্তি যদি নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে প্রার্থীর ব্যক্তিগত চরিত্র সম্পর্কে জেনেশুনে মিথ্যা বিবৃতি দেন, তবে তার শাস্তি কী?
    1. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
    2. ১ মাসের জেল
    3. ৩ মাসের জেল
    4. ৬ মাসের জেল
    সঠিক উত্তর:
    শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
    ব্যাখ্যা
    ধারা ১৭১ছ: নির্বাচনের সাথে সম্পর্কিত মিথ্যা বিবৃতি:
    যে কেউ, নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে, কোনো বিবৃতি যা প্রকৃতপক্ষে সত্য নয় এবং যা সে জানে বা বিশ্বাস করে যে মিথ্যা, অথবা যা সত্য বলে বিশ্বাস করে না, এমন কোনো বিবৃতি প্রকাশ করে বা প্রকাশের উদ্যোগ নেয় যা কোনো প্রার্থীর ব্যক্তিগত চরিত্র বা আচরণের সাথে সম্পর্কিত, তাকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

    Section 171G- False statement in connection with an election:
    Whoever with intent to affect the result of an election makes or publishes any statement purporting to be a statement of fact which is false and which he either knows or believes to be or does not believe to be true, in relation to the personal character or conduct of any candidate shall be punished with fine.
    ৩৩.
    ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১ অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির তল্লাশি কোন শর্তে করা যাবে?
    1. শুধু আদালতের নির্দেশে
    2. অপরাধ গুরুতর না হলে
    3. যখন পুলিশ চায় তখনই
    4. জামিন দিতে ব্যর্থ হলে
    সঠিক উত্তর:
    জামিন দিতে ব্যর্থ হলে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জামিন দিতে ব্যর্থ হলে
    ব্যাখ্যা
    ফৌজদারি কার্যবিধি ৫১ ধারা: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির তল্লাশি:
    যখন কোনো ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসার গ্রেফতার করেন এমন এক পরোয়ানায় যা জামিন দেওয়ার সুযোগ দেয় না, অথবা জামিন দেওয়ার সুযোগ থাকলেও গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি জামিন দিতে অক্ষম, এবং
    যখন কোনো ব্যক্তি গ্রেফতার হন কোনো পরোয়ানা ছাড়া, অথবা কোনো ব্যক্তিগত ব্যক্তি গ্রেফতার করেন পরোয়ানায়, এবং সেই ব্যক্তি আইনগতভাবে জামিন নিতে অক্ষম অথবা জামিন দিতে অক্ষম,
    তাহলে গ্রেফতারকারী অফিসার বা, যদি গ্রেফতারটি কোনো ব্যক্তিগত ব্যক্তি করে থাকে, তবে পুলিশ অফিসার, যাকে সেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি সোপর্দ করেন, সেই ব্যক্তি তল্লাশি করতে পারেন এবং তার কাছ থেকে সমস্ত জিনিসপত্র, প্রয়োজনীয় পরিধেয় কাপড় ছাড়া, নিরাপদ হেফাজতে রাখবেন।
    ৩৪.
    নিচের কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা প্রযোজ্য হবে না?
    1. উন্মাদ ব্যক্তি
    2. ১৫ বছর বয়সী ব্যক্তি
    3. নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি
    4. উল্লিখিত সকলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
    সঠিক উত্তর:
    উল্লিখিত সকলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উল্লিখিত সকলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
    ব্যাখ্যা
    দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
    যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

    দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে যে,
    নিম্নোক্ত ব্যক্তিরা যদি আত্মহত্যা করে এবং কেউ তাদেরকে প্ররোচনা বা সহায়তা করে, তবে সেই প্ররোচনাকারী বা সহায়তাকারীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা যেতে পারে।

    এই ব্যক্তিরা হলেন:
    - ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু/কিশোর
    - উন্মাদ (insane) ব্যক্তি
    - প্রলাপগ্রস্ত (delirious) ব্যক্তি
    - নির্বোধ (idiot/simpleton) ব্যক্তি
    - নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি (intoxicated)

    অর্থাৎ:
    প্রশ্নে উল্লিখিত ক) উন্মাদ, খ) ১৫ বছর বয়সী, গ) নেশাগ্রস্ত — সবাই এই ধারার আওতায় পড়ে। তাদের আত্মহত্যার ক্ষেত্রে সহায়তা বা প্ররোচনা দিলে ধারা ৩০৫ অনুযায়ী শাস্তি হবে।
    ৩৫.
    সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯ অনুযায়ী কোন ধরণের তথ্য ‘প্রাসঙ্গিক’ বলে গণ্য হবে?
    1. যে তথ্য অনুমান নির্ভর
    2. যে তথ্য অভিপ্রায় প্রকাশ করে
    3. যে তথ্য প্রাসঙ্গিক পরবর্তী কার্য উপস্থাপন করে
    4. যে তথ্য বিরোধপূর্ণ বিষয় ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করে
    সঠিক উত্তর:
    যে তথ্য বিরোধপূর্ণ বিষয় ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যে তথ্য বিরোধপূর্ণ বিষয় ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করে
    ব্যাখ্যা
    সাক্ষ্য আইন (ধারা ৯): প্রাসঙ্গিক তথ্য ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য:
    যে তথ্যগুলো প্রাসঙ্গিক তথ্য বা বিরোধপূর্ণ বিষয় ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করতে সহায়তা করে, অথবা- কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর পরিচয় নির্ধারণ করে, কোনো ঘটনা সংঘটিত হওয়ার সময় বা স্থান নির্ধারণ করে, যে পক্ষগুলোর মাধ্যমে ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে, তাদের সম্পর্ক স্পষ্ট করে, সেই সকল তথ্য প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে, যদি তা এই উদ্দেশ্যের জন্য অপরিহার্য হয়।

    উদাহরণ:
    (ক) প্রশ্ন হলো, একটি নির্দিষ্ট নথি A-এর উইল কিনা।
    উইল তৈরির সময় A-এর সম্পত্তি ও পরিবারের অবস্থা প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

    (খ) A, B-এর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছে। B দাবি করেছে যে অভিযোগ সত্য।
    মানহানির সময় A ও B-এর পারস্পরিক সম্পর্ক প্রাসঙ্গিক, কারণ এটি মূল বিষয়টি বোঝাতে সাহায্য করবে।
    কিন্তু A ও B-এর পূর্ববর্তী অপ্রাসঙ্গিক কোনো বিতর্ক প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না তা তাদের সম্পর্ককে প্রভাবিত করে থাকে।

    (গ) A একটি অপরাধের জন্য অভিযুক্ত।
    অপরাধ সংঘটনের পর A-এর আকস্মিকভাবে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়া প্রাসঙ্গিক। যদি প্রমাণিত হয় যে জরুরি ব্যবসার কারণে সে চলে গিয়েছিল, তাহলে সেটিও প্রাসঙ্গিক, কারণ এটি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে ব্যাখ্যা করতে পারে। তবে ব্যবসার বিস্তারিত বিবরণ প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না তা প্রমাণ করে যে ব্যবসাটি হঠাৎ ও জরুরি ছিল।
    ৩৬.
    দ্রুত বিচার আদালত বিজ্ঞপ্তি দ্বারা পলাতক আসামিকে সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে হাজির হতে নির্দেশ দিতে পারে?
    1. ৩ দিন
    2. ৫ দিন
    3. ৭ দিন
    4. ১০ দিন
    সঠিক উত্তর:
    ৭ দিন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৭ দিন
    ব্যাখ্যা
    • আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২

    ধারা ১১- আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার-

    যদি আদালতের এ মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,- 
    (ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন, এবং 
    (খ) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর সাত দিনের মধ্যে তাহার গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই- 
     
    তাহা হইলে আদালত অন্ততঃ একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা আদেশে উল্লিখিত সময় যাহা সাত দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হইতে ব্যর্থ হইলে আদালত তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে।
    ৩৭.
    শিশু আদালত কোন ধরনের মামলায় শিশুকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে?
    1. শুধুমাত্র গুরুতর অপরাধে
    2. শুধুমাত্র জামিনযোগ্য মামলায়
    3. শুধুমাত্র অজামিনযোগ্য মামলায়
    4. জামিনযোগ্য ও অজামিনযোগ্য উভয় মামলায়
    সঠিক উত্তর:
    জামিনযোগ্য ও অজামিনযোগ্য উভয় মামলায়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জামিনযোগ্য ও অজামিনযোগ্য উভয় মামলায়
    ব্যাখ্যা
    শিশু আইন, ২০১৩: ধারা ২৯ - শিশু-আদালত কর্তৃক আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুর জামিনে মুক্তি প্রদান:
    (১) এই আইনসহ ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালতে হাজিরকৃত কোন শিশুর মামলা বিকল্প পন্থায় পরিচালনা করা না হইলে, শিশু-আদালত সংশ্লিষ্ট শিশুকে, অপরাধটি জামিনযোগ্য বা অজামিনযোগ্য যাহাই হউক না কেন, জামানতসহ বা জামানত ছাড়াই জামিনে মুক্তি প্রদান করিতে পারিবে।

    (২) শিশুর নিজের মুচলেকায় অথবা শিশুর মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য, প্রবেশন কর্মকর্তা অথবা কোন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার, শিশু-আদালত যাহাকে উপযুক্ত বিবেচনা করিবে, তত্ত্বাবধানে জামানত প্রদান সাপেক্ষে অথবা জামানত ছাড়া শিশুকে জামিন প্রদান করা যাইবে।

    (৩) উপ-ধারা (১) এবং (২) এর অধীন জামিন মঞ্জুর করা না হইলে, শিশু আদালত উক্তরূপ নামঞ্জুরের কারণ লিপিবদ্ধ করিবে এবং সংশ্লিষ্ট শিশুকে কোনো প্রত্যায়িত প্রতিষ্ঠানে প্রেরণের জন্য আদেশ প্রদান করিবে।
    ৩৮.
    আইনে, শিক্ষায়, প্রশাসনে, বিচারে বা শৃঙ্খলা বাহিনীতে অন্যূন __________ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তি দুর্নীতি দমন কমিশনার হওয়ার যোগ্য হবেন। 
    1. ১০
    2. ১৫
    3. ২০
    সঠিক উত্তর:
    ২০
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২০
    ব্যাখ্যা
    দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪, ধারা- ৮ কমিশনারগণের যোগ্যতা, অযোগ্যতা, ইত্যাদি:
    (১) আইনে, শিক্ষায়, প্রশাসনে, বিচারে বা শৃঙ্খলা বাহিনীতে অন্যূন ২০ (বিশ) বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি কমিশনার হইবার যোগ্য হইবেন৷ 

    (২) কোন ব্যক্তি কমিশনার হিসাবে নিযুক্ত হইবার বা থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
    (ক) বাংলাদেশের নাগরিক না হন; 
    (খ) কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণ খেলাপী হিসাবে ঘোষিত বা চিহ্নিত হন; 
    (গ) আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দেউলিয়াত্বের দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করেন; 
    (ঘ) নৈতিক স্খলন বা দুর্নীতিজনিত কোন অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হইয়া আদালত কর্তৃক কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইয়াছেন; 
    (ঙ) সরকারী চাকুরীতে নিয়োজিত থাকেন; 
    (চ) দৈহিক বা মানসিক বৈকল্যের কারণে কমিশনের দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন; এবং 
    (ছ) বিভাগীয় মামলায় গুরুদণ্ড প্রাপ্ত হন৷
    ৩৯.
    সুমি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করে, যেখানে আসামিকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আসামি সিদ্ধান্ত নেয় যে, সে আপীল করবে। এক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক?
    1. ট্রাইব্যুনালে আপীল করতে হবে
    2. সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে পারবেন
    3. আপীল করার জন্য হাইকোর্টে অনুমতি চেয়ে আবেদন করতে হবে
    4. আপীল করার জন্য ট্রাইব্যুনালে অনুমতি চেয়ে আবেদন করতে হবে
    সঠিক উত্তর:
    সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে পারবেন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে পারবেন
    ব্যাখ্যা
    সঠিক উত্তর: খ) সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে পারবেন।

    নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৮ অনুযায়ী,
    ট্রাইব্যুনালের রায়, আদেশ বা দণ্ডে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি রায়ের তারিখ হইতে ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে পারেন। এতে কোনো পূর্বানুমতি বা অনুমতির প্রয়োজন নেই।
    ৪০.
    আইনগত সহায়তা নীতিমালা, ২০১৪ এর অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী, কে আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণে যোগ্য?
    1. কেবল আসামি
    2. যেকোনো ব্যক্তি
    3. শুধুমাত্র দরিদ্র ব্যক্তি
    4. কেবল নারী ও শিশু
    সঠিক উত্তর:
    যেকোনো ব্যক্তি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যেকোনো ব্যক্তি
    ব্যাখ্যা
    • আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪: অনুচ্ছেদ ৩: তথ্য সেবা গ্রহণ, ইত্যাদি-
    অনুচ্ছেদ ২ এ বর্ণিত বিধান সত্ত্বেও যে কোন ব্যক্তিতাহার আর্থিক সামর্থ্য যাই হোক না কেন, সরকারি আইনগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণ, আইনগত পরামর্শ গ্রহণ কিংবা বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির সেবা গ্রহণের জন্য যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন।
    ৪১.
    সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধে অন্যূন কত টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
    1. ৫০ হাজার টাকা
    2. ১ লক্ষ টাকা
    3. ২ লক্ষ টাকা
    4. ৫ লক্ষ টাকা
    সঠিক উত্তর:
    ৫ লক্ষ টাকা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৫ লক্ষ টাকা
    ব্যাখ্যা
    মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৭- সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড:
    কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্ত্তগত বা অবস্ত্তগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
    ৪২.
    চেক ডিজঅনারের নোটিশ পাঠানোর বৈধ মাধ্যম কোনটি নয়?
    1. পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে
    2. মৌখিকভাবে অবহিত করা
    3. রেজিস্টার্ড ডাকযোগে প্রেরণ
    4. ক এবং খ উভয়
    সঠিক উত্তর:
    মৌখিকভাবে অবহিত করা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মৌখিকভাবে অবহিত করা
    ব্যাখ্যা
    হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮ - চেক ডিজঅনার (প্রত্যাখ্যান) সংক্রান্ত:
    (১) যদি কোনো ব্যক্তি নিজের ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত অর্থ থেকে অন্য কোনো ব্যক্তিকে পরিশোধের জন্য একটি চেক প্রদান করেন এবং উক্ত চেকটি ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয় ওই হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার কারণে, অথবা উক্ত ব্যাংকের সাথে চুক্তি অনুযায়ী অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থ চেকের মাধ্যমে তোলা হয়েছে - তবে উক্ত ব্যক্তিকে একটি অপরাধে দোষী গণ্য করা হবে এবং তাকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা চেকের পরিমাণের তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

    শর্তাবলি:
    এই ধারা প্রযোজ্য হবে তখনই, যদি:
    (ক) চেকটি ইস্যুর তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে বা তার মেয়াদ থাকাকালীন, যেটি আগে ঘটে, ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়;
    (খ) চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার বিষয়ে ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, প্রাপ্য বা উপযুক্ত ধারক লিখিতভাবে টাকা চেয়ে নোটিশ প্রদান করেন;
    (গ) নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, চেকদাতা উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।

    (১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
    (ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
    (খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
    (গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।

    (২) যদি উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায় করা হয়, তবে চেকের মূল পরিমাণ পর্যন্ত অর্থ চেকধারককে প্রদান করা হবে (যতটুকু আদায় সম্ভব হয়)।

    (৩) উপ-ধারা (১) ও (২)-এর বিধান সত্ত্বেও, চেকধারক সিভিল আদালতের মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায়ের মামলা দায়ের করার অধিকার সংরক্ষণ করেন, যদি পুরো অর্থ বা আংশিক অর্থ আদায় না হয়।
    ৪৩.
    ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে সরকার কখন প্রদত্ত দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করতে পারে?
    1. যেকোনো সময়
    2. আপিল নিষ্পত্তির পর
    3. রায়ের ১ মাসের মধ্যে
    4. হাইকোর্টের অনুমতির পর
    সঠিক উত্তর:
    যেকোনো সময়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যেকোনো সময়
    ব্যাখ্যা
    ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ধারা ৩০(ক)- দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষেত্রে সরকারের ক্ষমতা:
    ফৌজদারী কার্যবিধির অধ্যায় ২৯ এর বিধানাবলি ক্ষুণ্ণ না করিয়া, সরকার যে কোনো সময় এই আইনের অধীন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত যে কোনো দণ্ড মওকুফ করিতে, সাময়িকভাবে স্থগিত করিতে বা হ্রাস করিতে পারিবে।

    [Without prejudice to the provisions of Chapter XXIX of the Code, the Government may at any time remit, suspend or commute any sentence passed by Special Tribunal under this Act.]
    ৪৪.
    যৌতুকের জন্য নারীকে মারাত্মক জখম করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
    1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
    2. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
    3. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
    4. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
    সঠিক উত্তর:
    যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
    ব্যাখ্যা
     • নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০, ধারা ১১- যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি-
    যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন, তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-

    (ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

    (খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

    (গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
    ৪৫.
    'ক'-তার প্রতিনিধি 'খ'-এর নিকট এক বাক্স সোনার গহনা জমা রাখে। 'গ'- অভিযোগ করে যে, 'ক'-তার নিকট থেকে অন্যায়ভাবে সোনার গহনাগুলো লাভ করেছে এবং 'খ'-এর নিকট থেকে তা দাবী করে। এক্ষেত্রে, 'খ' কার বিরুদ্ধে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারবে?
    1. শুধু 'গ' এর বিরুদ্ধে
    2. শুধু 'ক' এর বিরুদ্ধে
    3. 'ক' এবং 'গ' উভয়ের বিরুদ্ধে
    4. 'ক' বা 'গ' কারো বিরুদ্ধে নয়
    সঠিক উত্তর:
    'ক' বা 'গ' কারো বিরুদ্ধে নয়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    'ক' বা 'গ' কারো বিরুদ্ধে নয়
    ব্যাখ্যা
    আদেশ ৩৫ বিধি-৫: প্রতিনিধি বা প্রজাগণ স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না:
    এই আদেশের কোন বিধানই প্রতিনিধিগণকে তাদের প্রধান ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে কিংবা প্রজাগণকে তাদের ভূস্বামীর বিরুদ্ধে উক্ত প্রধান ব্যক্তি বা ভূ-স্বামীগণের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণ ব্যতীত অন্য কারো সাথে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে সমর্থ করতে বিবেচিত হবে না।

    উদাহরণ:
    ক) 'ক'-তার প্রতিনিধি 'খ'-এর নিকট এক বাক্স সোনার গহনা জমা রাখে। 'গ'- অভিযোগ করে যে, 'ক'-তার নিকট থেকে অন্যায়ভাবে সোনার গহনাগুলো লাভ করেছে এবং 'খ'-এর নিকট থেকে তা দাবী করে। 'খ', 'ক' এবং 'গ'-এর বিরুদ্ধে স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা রুজু করতে পারে না।
    ৪৬.
    দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৯ অনুসারে, কোন নিলাম বিক্রয় কত দিনের বেশি মেয়াদের জন্য মুলতুবি রাখা হলে নতুন করে ঘোষণা (proclamation) দিতে হবে?
    1. ৭ দিনের
    2. ১০ দিনের
    3. ৩০ দিনের
    4. ৬০ দিনের
    সঠিক উত্তর:
    ৩০ দিনের
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩০ দিনের
    ব্যাখ্যা
    Order 21, Rule 69 - বিক্রয় স্থগিত বা বন্ধ করার বিধান:
    (১) আদালত তার বিবেচনায়, নির্ধারিত কোনো দিন ও সময়ে নিলাম (বিক্রয়) স্থগিত (adjourn) করতে পারে। এবং যে কর্মকর্তা নিলাম পরিচালনা করছেন, তিনি তার নিজের বিবেচনায় নিলাম স্থগিত করতে পারেন, তবে এর জন্য তাকে স্থগিত করার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
    শর্ত: যদি বিক্রয়টি আদালতের চত্বরে বা আদালতের সীমার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে আদালতের অনুমতি ব্যতীত নিলাম স্থগিত করা যাবে না।

    (২) যদি উপ-নিয়ম (১) অনুযায়ী বিক্রয় ৩০ দিনের বেশি সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়, তবে রুল ৬৭ অনুযায়ী নতুন করে ঘোষণা (proclamation) দিতে হবে- তবে শর্ত এই যে, যদি দায়গ্রস্ত ব্যক্তি (judgment-debtor) এই পুনঃ ঘোষণার প্রয়োজন মাফ করে দেন (consent to waive), তাহলে তা প্রযোজ্য হবে না।

    (৩) প্রতিটি বিক্রয় তৎক্ষণাৎ বন্ধ করে দেওয়া হবে, যদি:
    - নিলাম চূড়ান্ত হওয়ার আগে,
    - ঋণ ও খরচ (বিক্রয়ের খরচসহ) পরিশোধ করা হয়, বা
    - নিলাম পরিচালনাকারী কর্মকর্তার সন্তুষ্টির জন্য প্রমাণ দেওয়া হয় যে, উক্ত অর্থ আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে— যে আদালত বিক্রয়ের আদেশ দিয়েছিল।
    ৪৭.
    একটি জাহাজের মালিক প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্র যাত্রার উপযুক্তমর্মে উল্লেখপূর্বক একজন দায়গ্রাহক 'খ' কে উক্ত জাহাজের বীমা করতে প্রবৃত্ত করে। এক্ষেত্রে, 'খ'-
    1. সম্পত্তি দখলে নিতে পারে
    2. ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারে
    3. বীমা পলিসির বিলুপ্তি পেতে পারে
    4. বীমা পলিসি সংশোধন করতে পারে
    সঠিক উত্তর:
    বীমা পলিসির বিলুপ্তি পেতে পারে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বীমা পলিসির বিলুপ্তি পেতে পারে
    ব্যাখ্যা
    • ধারা ৩৯: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
    যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
    যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।

    (ক) একটি জাহাজের মালিক প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্র যাত্রার উপযুক্তমর্মে উল্লেখপূর্বক একজন দায়গ্রাহক 'খ' কে উক্ত জাহাজের বীমা করতে প্রবৃত্ত করে। 'খ' বীমা পলিসির বিলুপ্তি পেতে পারে।

    (খ) 'ক', 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' তা 'গ'-এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পর 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এ মর্মে একটি জাল দলিল দাখিল করে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবেই 'খ' কে হস্তান্তর প্রদান করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিলের বাতিলের আদেশ পেতে পারে।

    (গ) 'ক' তার জমির, সকল প্রজা উচ্ছেদযোগ্য, এ বিবরণ প্রদান পূর্বক 'খ' এর নিকট জমি বিক্রয় করে। ১৮৭৭ সালের ১লা জানুয়ারী তারিখে একটি দলিলের মাধ্যমে 'খ' এর নিকট তা হস্তান্তর করে। এই তারিখের পরপরই ১৮৭৬ সালের পহেলা অক্টোবরের তারিখ দিয়ে 'ক' প্রতারণামূলকভাবে 'গ' কে উক্ত জমির অংশবিশেষ ইজারা প্রদান করে এবং নিবন্ধন আইন অনুসারে ইজারা নিবন্ধন করা হয়। 'খ' এ ইজারার বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
     
    (ঘ) 'ক' একটি জাহাজ 'খ' এর নিকট অর্পণে সম্মত হল। যার জন্য 'খ' কে ৪টি হুণ্ডির মারফত ৩০,০০০ টাকা প্রদান করতে হবে, যা 'ক' গ্রহণ করবে। হুণ্ডিসমূহ প্রণয়ন ও গ্রহণ করা হল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী জাহাজ প্রদান করা হল না। 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে একটি হণ্ডি প্রসঙ্গে মামলা দায়ের করল। 'খ' সকল হুণ্ডির বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
    ৪৮.
    Who can exercise the power of inspection under Order 18 Rule 18 of the Code of Civil Procedure, 1908?
    1. The Court
    2. Police officer
    3. Advocate of the parties
    4. All of them
    সঠিক উত্তর:
    The Court
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    The Court
    ব্যাখ্যা
    Order 18 Rule 18: Power of court to inspect:
    The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.

    আদেশ ১৮ বিধি- ১৮: আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা:
    মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন।
    ৪৯.
    সমন জারির খরচ না দেওয়ার ফলে খারিজ হওয়া মামলার আদেশ বাতিল করতে কত দিনের মধ্যে দরখাস্ত দিতে হবে?
    1. ৭ দিন
    2. ১৫ দিন
    3. ৩০ দিন
    4. ৯০ দিন
    সঠিক উত্তর:
    ৩০ দিন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩০ দিন
    ব্যাখ্যা
    তামাদি আইন, ১৯০৮: অনুচ্ছেদ-১৬৩:
    হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বা গরহাজিরার ফলে [default of appearance] বা সমন জারীর খরচ জমা না দেওয়ার জন্য অথবা খরচার জামানত দাখিল না করার জন্য মামলা খারিজ আদেশ বাতিল করার জন্য দরখাস্ত [to set aside an order of dismissal]

    তামাদি- ৩০ দিন।
    সময় গণনা শুরু -খারিজ হওয়ার তারিখ হতে।
    ৫০.
    'A', 'B'- এর নিকট ৩০ শতক জমি বিক্রি করার চুক্তি করে, কিন্তু 'A' ৫ শতক জমি হস্তান্তর করতে ব্যর্থ হয়। এক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
    1. উভয় পক্ষকে চুক্তি রদের
    2. সম্পূর্ন চুক্তি সম্পাদনের
    3. 'A' কে চুক্তি সংশোধনের
    4. 'B' কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ
    সঠিক উত্তর:
    'B' কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    'B' কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ
    ব্যাখ্যা
    • সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারা:
    কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

    অর্থাৎ ১৪ ধারা অনুযায়ী কোনো চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে উক্ত চুক্তি সম্পাদন করা যাবে। উক্ত ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।

    এখানে,
    চুক্তির সম্পাদিত অংশ ২৫ শতক তথা বড় এবং অসম্পাদিত অংশ ৫ শতক তথা ছোট, তাই চুক্তিটি সম্পাদন করা যাবে এবং অসম্পাদিত অংশের জন্য B-কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিবে।
    ৫১.
    The Civil Courts Act, 1887 এর কত ধারায় 'nemo debet esse judex in propria causa' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
    1. ১৯ ধারায়
    2. ২২ ধারায়
    3. ২৬ ধারায়
    4. ৩৮ ধারায়
    সঠিক উত্তর:
    ৩৮ ধারায়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩৮ ধারায়
    ব্যাখ্যা
    The Civil Courts Act, 1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
    কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

    এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo debet esse judex in propria causa' অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।
    ৫২.
    যদি ডিক্রি অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের জন্য হয় এবং সমর্পণ সম্ভব না হয়, তাহলে ডিক্রিতে কী উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক?
    1. সম্পত্তির মালিকের অনুমতি
    2. সম্পত্তির দখলদারের নাম
    3. সম্পত্তির বর্তমান বাজার মূল্য
    4. বিকল্প হিসাবে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ
    সঠিক উত্তর:
    বিকল্প হিসাবে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বিকল্প হিসাবে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ
    ব্যাখ্যা
    আদেশ ২০ বিধি-১০: অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের নিমিত্তে ডিক্রি:
    যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা অস্থাবর সম্পত্তির জন্য এবং ডিক্রি উক্ত সম্পত্তি অর্পণের জন্য হয়, সেক্ষেত্রে সমর্পণ যদি সম্ভব না হতে পারে তবে বিকল্প হিসাবে প্রদেয় টাকার পরিমাণও ডিক্রিতে বর্ণনা করতে হবে।

    Order 20 Rule 10: Decree for delivery of movable property:
    Where the suit is for movable property, and the decree is for the delivery of such property, the decree shall also state the amount of money to be paid as an alternative if delivery cannot be had.
    ৫৩.
    The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ২২ অনুযায়ী, বিধি বা উপ-আইন কখন কার্যকর হবে না?
    1. সংসদ অনুমোদন ছাড়া
    2. আইনের প্রবর্তনের পূর্ব পর্যন্ত
    3. আইনের প্রবর্তনের পরপর
    4. আদালত অনুমোদন ছাড়া
    সঠিক উত্তর:
    আইনের প্রবর্তনের পূর্ব পর্যন্ত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আইনের প্রবর্তনের পূর্ব পর্যন্ত
    ব্যাখ্যা
    The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ২২- আইন গৃহীত ও কার্যকর হইবার মধ্যবর্তী সময়ে বিধি বা উপ-আইন প্রণয়ন এবং আদেশ জারী:
    যে ক্ষেত্রে, গৃহীত হইবার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয় না এইরূপ সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা, উক্ত আইন বা প্রবিধি প্রয়োগ সম্পর্কে, বা তদধীন কোন আদালত বা দপ্তর প্রতিষ্ঠা, বা কোন বিচারক বা কর্মকর্তার নিয়োগ সম্পর্কে করণীয় বিষয়ে বিধি বা উপ- আইন প্রণয়ন, বা আদেশ জারী করিবার ক্ষমতা প্রদান করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উল্লিখিত ক্ষমতা উক্ত আইন বা প্রবিধি গৃহীত হইবার পরবর্তীতে যে কোন সময়ে প্রয়োগ করা যাইবে; কিন্তু উক্তরূপে প্রণীত বা জারীকৃত বিধি, উপ-আইন বা আদেশ, উক্ত আইন বা প্রবিধি প্রবর্তন হইবার পূর্ব পর্যন্ত কার্যকর হইবে না।
    ৫৪.
    'প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে৷'- সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
    1. অনুচ্ছেদ ৮
    2. অনুচ্ছেদ ১১
    3. অনুচ্ছেদ ১৩
    4. অনুচ্ছেদ ১৯
    সঠিক উত্তর:
    অনুচ্ছেদ ১১
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অনুচ্ছেদ ১১
    ব্যাখ্যা
    অনুচ্ছেদ ১১- গণতন্ত্র ও মানবাধিকার:
    প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে৷
    ৫৫.
    কোন ক্ষেত্রে নির্বাচিত সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হবে?
    1. দল থেকে পদত্যাগ করলে
    2. দলের বিপক্ষে ভোট দিলে
    3. উভয় ক্ষেত্রেই আসন শূন্য হবে
    4. উল্লিখিত কোনোটিতেই আসন শূন্য হবে না
    সঠিক উত্তর:
    উভয় ক্ষেত্রেই আসন শূন্য হবে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উভয় ক্ষেত্রেই আসন শূন্য হবে
    ব্যাখ্যা
    অনুচ্ছেদ ৭০- রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া:
    কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
    (ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
    (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
    তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
    ৫৬.
    সুপ্রীম কোর্ট কার অনুমোদন সাপেক্ষে অধঃস্তন আদালতের বিধি প্রণয়ন করতে পারে?
    1. রাষ্ট্রপতির
    2. সংসদের
    3. প্রধান বিচারপতির
    4. আপিল বিভাগের বিচারপতিদের
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্রপতির
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাষ্ট্রপতির
    ব্যাখ্যা
    অনুচ্ছেদ ১০৭- সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা:
    (১) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে সুপ্রীম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লইয়া প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন যে কোন আদালতের রীতি ও পদ্ধতি-নিয়ন্ত্রণের জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিতে পারিবেন।

    (২) সুপ্রীম কোর্ট এই অনুচ্ছেদের (১) দফা এবং এই সংবিধানের ১১৩ ও ১১৬ অনুচ্ছেদের অধীন দায়িত্বসমূহের ভার উক্ত আদালতের কোন একটি বিভাগকে কিংবা এক বা একাধিক বিচারককে অর্পণ করিতে পারিবেন।

    (৩) এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-সাপেক্ষে কোন্ কোন্ বিচারককে লইয়া কোন্ বিভাগের কোন্ বেঞ্চ গঠিত হইবে এবং কোন্ কোন্ বিচারক কোন্ উদ্দেশ্যে আসন গ্রহণ করিবেন, তাহা প্রধান বিচারপতি নির্ধারণ করিবেন।

    (৪) প্রধান বিচারপতি সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারককে সেই বিভাগে এই অনুচ্ছেদের (৩) দফা কিংবা এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-দ্বারা অর্পিত যে কোন ক্ষমতাপ্রয়োগের ভার প্রদান করিতে পারিবেন।
    ৫৭.
    What is the meaning of the Latin maxim "Qui priorest tempore priorest jure"?
    1. আইনের চোখে সবাই সমান
    2. সময়ের দিক হতে যিনি অগ্রবর্তী, তিনি সুবিধাভোগী
    3. যে ব্যক্তি পরে মামলা করে, সে অধিক অধিকারী
    4. এক অপরাধে দুইবার শাস্তি দেওয়া যায় না
    সঠিক উত্তর:
    সময়ের দিক হতে যিনি অগ্রবর্তী, তিনি সুবিধাভোগী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সময়ের দিক হতে যিনি অগ্রবর্তী, তিনি সুবিধাভোগী
    ব্যাখ্যা
    • Qui priorest tempore priorest jure
    - সময়ের দিক হতে যিনি অগ্রবর্তী হবেন আইনের দিক হতে তিনিই সুবিধা পাবেন।

    - He who is prior in time is better in law.

    ১৮৮২ সনের সম্পত্তি হস্তান্তর ৪৮ ধারায় এই নীতির প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়। যখন কোন ব্যক্তি সম্পত্তির এমন স্বত্ত্ব বিভিন্ন সময়ে হস্তান্তর করে যা একত্র অবস্থানযোগ্য নয় তখন পরবর্তী হস্তান্তর পূর্ববর্তী হস্তান্তরের অধীন হবে। এই নীতি কেবলমাত্র তখনই প্রয়োগ করা যায় যখন হস্তান্তর সিদ্ধ ও সম্পূর্ণ হয়। দু'টি হস্তান্তরের মধ্যে যদি দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয় এবং একটির আইনানুগ কার্যকারিতা নষ্ট না করে যদি অপরটি কার্যকর করা না যায় তখনই অগ্রাধিকারের এই নীতি প্রয়োগের প্রয়োজন হয়। এই প্রবচনের উপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে 'Doctrine of priority'-র উৎপত্তি হয়েছে।
    ৫৮.
    Mischief Rule এর মূল লক্ষ্য কী?
    1. সংবিধানের সীমা নির্ধারণ
    2. আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করা
    3. বিচারকদের ক্ষমতা বাড়ানো
    4. কঠোরভাবে আইনের ভাষাগত ব্যাখ্যা দেওয়া
    সঠিক উত্তর:
    আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করা
    ব্যাখ্যা
    The Mischief Rule of Interpretation of Statutes-
    Mischief Rule বিধি ব্যাখ্যার একটি পদ্ধতি, যা আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্য নির্ধারণের উপর গুরুত্ব দেয়। এটি যুক্তরাজ্যে ১৬ শতকে উদ্ভূত এবং Heydon's Case এ প্রতিষ্ঠিত হয়। এতে বলা হয় যে, কোনো আইন ব্যাখ্যা করার প্রধান উদ্দেশ্য হল “অপরাধ এবং ত্রুটি” সনাক্ত করা, যেগুলি আইন প্রণয়নকারী কর্তৃপক্ষ সংশোধন করতে চেয়েছিল এবং একটি কার্যকরী প্রতিকার প্রদান করা। এই রুলটি মূলত এ প্রশ্নের উত্তর দেয়: পূর্ববর্তী আইন কী সমস্যা সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছিল, যার কারণে এই নতুন আইন প্রণীত হয়েছে।

    Heydon's Case (1584) 3 CO REP এর মধ্যে আইন ব্যাখ্যা করার জন্য চারটি বিষয় উল্লেখ করা হয়:
    - আইন প্রণীত হওয়ার পূর্বে সাধারণ আইন (Common Law) কী ছিল?
    - "অপরাধ এবং ত্রুটি" কী ছিল, যা সাধারণ আইন সমাধান করেনি?
    - সংসদ কী প্রতিকার প্রদান করার উদ্দেশ্যে আইন প্রণয়ন করেছিল?
    - প্রতিকারটির পেছনে আসল কারণ কী ছিল?

    এই রুলের ব্যবহার বিচারকদের জন্য অধিক নমনীয়তা প্রদান করে, যাতে তারা আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্যকে সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারেন, বর্ননামূলক এবং স্বর্ণিম রুলের মতো কঠোরভাবে বাধ্য না হয়ে। তবে, এই রুলের বিরুদ্ধে সমালোচনা রয়েছে, কারণ এটি আইনের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে এবং নির্বাচনহীন বিচারকদের কাছে অস্বাভাবিকভাবে অধিক ক্ষমতা দিতে পারে, যা গণতান্ত্রিকভাবে ভুল বলে মনে করা হয়। তদুপরি, এটি পুরনো বলে মনে করা হয় কারণ বর্তমানে সাধারণ আইন আর আইনের প্রধান উৎস নয়।
    ৫৯.
    What is the minimum fraction of Parliament members’ votes required to pass a constitutional amendment Bill?
    1. Half of the total members
    2. Two-thirds of the members present
    3. Three-fourths of the total members
    4. Two-thirds of the total members
    সঠিক উত্তর:
    Two-thirds of the total members
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Two-thirds of the total members
    ব্যাখ্যা
    অনুচ্ছেদ ১৪২- সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা:
    এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
    (ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ

    তবে শর্ত থাকে যে,
    (অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
    (আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;

    (খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
    ৬০.
    “Obiter Dictum” হচ্ছে-
    1. রায়ের ভিত্তি
    2. আদালতের উপর বাধ্য
    3. Precedent হিসেবে কাজ করে
    4. বিচারকের প্রসঙ্গক্রমে বলা কথা
    সঠিক উত্তর:
    বিচারকের প্রসঙ্গক্রমে বলা কথা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বিচারকের প্রসঙ্গক্রমে বলা কথা
    ব্যাখ্যা
    • একটি Judgment -এর চারটি অংশ থাকে; যথা-
    ০১. A concise statement of fact;
    ০২. Point of determination or issue;
    ০৩. Reason behind the judgment;
    ০8. The decision thereon;

    আদালতের Reasoning- কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
    i. Ratio decidendi;
    ii. Obiter Dictum;

    Ratio decidendi-
    সেই সব Legal Basis বা Legal Principles যেগুলোর উপর ভিত্তি করে আদালত রায় প্রদান করে। Precedent হিসেবে Ratio decidendi এর binding force আছে। নজির হিসেবে আদালত মানতে বাধ্য।

    Obiter Dictum-
    "A thing said by the way" অর্থাৎ মামলার রায়ের এমন অংশকে বোঝায়, যেটা মান্য করা বাধ্যতামূলক নয়; বরং বিচারক যেটা কথা প্রসঙ্গে বলে থাকেন। অর্থাৎ, রায় প্রদানের সময় বিচারক প্রসঙ্গক্রমে যে সব কথা বলেন, তাই Obiter Dictum এর binding force নেই তবে, persuasive value আছে।
    ৬১.
    কত বছরের অধিক সময় স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে মুসলিম স্ত্রী আদালতে তালাক চাইতে পারেন?
    1. ২ বছর
    2. ৩ বছর
    3. ৪ বছর
    4. ৫ বছর
    সঠিক উত্তর:
    ৪ বছর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৪ বছর
    ব্যাখ্যা
    • ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যে-সব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-
    ⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
    ⇒ দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
    ⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
    ⇒ স্বামী কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
    ⇒ বিয়ের সময় পুরুষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
    ⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যাধিতে আক্রান্ত থাকলে;
    ⇒ বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;
    ⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

    ⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
    (ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
    (খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
    (গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
    (ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
    (ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
    (চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
    (ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়ে বিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।
    ৬২.
    সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি না নিয়ে দ্বিতীয় বিবাহ করায় একজন মুসলিম 'ক' কোন শাস্তির মুখোমুখি হতে পারেন?
    1. শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ
    2. অনধিক ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
    3. অনধিক ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
    4. অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
    সঠিক উত্তর:
    অনধিক ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অনধিক ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
    ব্যাখ্যা
    • The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারা: বহুবিবাহ:
    ১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।

    ২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।

    ৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।

    ৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

    ৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
    ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রী গণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং
    খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
    ৬৩.
    ‘তলব-ই-মৌসিবত’ বলতে কী বোঝায়?
    1. সাক্ষীর সামনে দাবী করা
    2. আদালতে মামলা করে দাবী প্রকাশ
    3. সম্পত্তি রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা
    4. বিক্রয় সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে দাবী প্রকাশ
    সঠিক উত্তর:
    বিক্রয় সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে দাবী প্রকাশ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বিক্রয় সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে দাবী প্রকাশ
    ব্যাখ্যা
    মুসলীম আইন অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের দাবী উত্থাপনের পদ্ধতি:

    (ক) প্রথম দাবী (তলব-ই-মৌসিবত):
    শব্দগত অর্থে তলব-ই-মৌসিবত হলো লাফ দিয়ে দাবী করা। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি তা নয়। অগ্রক্রয়কারী ব্যক্তিকে বিক্রয় সম্পূর্ণ হওয়ার সংবাদ পাবার সাথে সাথে অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের ব্যাপারে নিজের অভিপ্রায় ঘোষণা করতে হবে। এটা মৌখিকভাবে ও করা যেতে পারে আবার লিখিতভাবে ও করা যেতে পারে। প্রথম দাবীর জন্য কোন সাক্ষীর উপস্হিতি অপরিহার্য নয়। সাক্ষীর অনুপস্হিতির কারণে তলব-ই-মৌসিবত অবৈধ হবে না। তবে তলব-ই-মৌসিবত যে যথাযথভাবে এবং যথাসময়ে করা হয়েছিল এই বিষয়ে কিছু প্রমাণ থাকতে হবে।

    (খ) দ্বিতীয় দাবী (তলব-ই-ইশাদ) :
    তলব-ই-ইশাদ অর্থ হলো সাক্ষীর সম্মুখে দাবী করা। তলব-ই-মৌসিবত উত্থাপনের পর এটা দ্বিতীয় পদক্ষেপ এবং এটা প্রথম দাবীরই পুনরাবৃত্তি। তবে দ্বিতীয় দাবী কমপক্ষে দুইজন সাক্ষীর সামনে হতে হবে।এজন্য একে ‘তলব-ই-তকরির’ ও বলা হয়। তলব-ই-ইশাদ ঘোষণা আকারে ও হতে পারে, লিখিত আকারেও হতে পারে। আবার মৌখিক আকারেও হতে পারে। ইতিপূর্বে প্রথম দাবী করা না হয়ে থাকলে তলব-ই-ইশাদ অকার্যকর হবে। এটি বিক্রেতা বা ক্রেতাকে সম্বোধন করে প্রকাশ করতে হবে। তবে তাদের কাউকে পাওয়া না গেলে দ্বিতীয় দাবীটি বিক্রিত সম্পত্তিটিকে সম্বোধন করে করতে হবে।

    (গ) তৃতীয় দাবী (তলব-ই-তমলিক) :
    তলব-ই-তমলিক প্রথম দুটি দাবীর পরে তৃতীয় দাবী। প্রথম দুটি দাবীর পর যদি ক্রেতা মেনে নেয় এবং তার নিকট সম্পত্তিটি বিক্রয় করে দেয় তাহলে অগ্রক্রয়ের দাবী বাস্তবায়িত হয়। সেক্ষেত্রে আর কোনো অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন নেই এবং ক্রেতার স্হলে অগ্রক্রয়কারী প্রতিস্হাপিত হয়। কিন্তু যদি প্রথম দুটি দাবীর পর অগ্রক্রয়কারী বিক্রীত সম্পত্তিটি পুনরায় ক্রয় করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তাকে আইনগত প্রক্রিয়ার শরনাপন্ন হতে হবে অর্থাৎ আদালতে কোন মামলা দায়ের করতে হবে।
    ৬৪.
    উইলের মাধ্যমে সম্পত্তি গ্রহণকারীর আইনগত নাম কী?
    1. Heir
    2. Testator
    3. Executor
    4. Beneficiary
    সঠিক উত্তর:
    Beneficiary
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Beneficiary
    ব্যাখ্যা
    উইল (Will) হলো একজন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি কিভাবে বণ্টিত হবে, সে বিষয়ে তার লিখিত ইচ্ছা বা ঘোষণা। এটি ইসলামী ও প্রচলিত উভয় আইনেই স্বীকৃত একটি ব্যবস্থা।

    Testator-
    যে ব্যক্তি উইল তৈরি করে, অর্থাৎ যিনি মৃত্যুর পর নিজের সম্পত্তি কাকে কী দেবেন, তা নির্ধারণ করেন।

    Beneficiary-
    যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উইলের মাধ্যমে সম্পত্তি বা উপকার লাভ করে। উইলের মাধ্যমে যার নামে সম্পত্তি বা অন্য কোনো সুবিধা (উপহার, টাকা, জমি ইত্যাদি) নির্দিষ্ট করা হয়, তিনি উইলের সুবিধাভোগী বা Beneficiary। Beneficiary উইলদাতার (Testator) মৃত্যুর পর উইল কার্যকর হলে সম্পত্তি গ্রহণের অধিকার লাভ করেন। একজন উইলে একাধিক Beneficiary থাকতে পারেন।

    Heir-
    উইল না থাকলে যে ব্যক্তি শরিয়ত বা উত্তরাধিকার আইনে সম্পত্তি লাভ করে।

    Executor-
    যিনি উইল অনুযায়ী Testator-এর মৃত্যুর পর উইলের শর্ত অনুযায়ী সম্পত্তি বিতরণ করেন।
    ৬৫.
    ______________ পদমর্যাদার বিচারকের সমন্বয়ে পারিবারিক আদালত গঠিত হবে।
    1. জেলা জজ
    2. সহকারী জজ
    3. সিনিয়র সহকারী জজ
    4. খ বা গ
    সঠিক উত্তর:
    খ বা গ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খ বা গ
    ব্যাখ্যা
    পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩- ধারা ৪: পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা:
    (১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রত্যেক জেলায় এক বা একাধিক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা করিতে পারিবে:
    তবে শর্ত থাকে যে, কোনো জেলায় একাধিক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠিত হইলে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার নির্ধারণ করিবে।

    (২) সহকারী জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ পদমর্যাদার ১ (এক) জন বিচারক সমন্বয়ে পারিবারিক আদালত গঠিত হইবে।

    (৩) উপধারা (১) এর অধীন পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত স্বীয় অধিক্ষেত্রভুক্ত সহকারী জজ আদালত বা সিনিয়র সহকারী জজ আদালত পারিবারিক আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবে।
    ৬৬.
    এক ব্যক্তি তার পুত্রের দুই কন্যা ও তার একমাত্র আপন বোন রেখে মারা গেল। আপন বোন কী পরিমাণ সম্পত্তি পাবে?
    1. ২/৩ অংশ
    2. ১/৩ অংশ
    3. ১/২ অংশ
    4. কোন অংশ পাবে না
    সঠিক উত্তর:
    ১/৩ অংশ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১/৩ অংশ
    ব্যাখ্যা
    ⇒ দুইজন পুত্রের কন্যা সম্মিলিতভাবে ২/৩ অংশ পাবে এবং আপন বোন অবশিষ্টাংশভোগী (Residuary) হিসেবে ১/৩ অংশ পাবে।

    ⇒ ইসলামী উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, আপন বোন (Full Sister) এর সম্পত্তির অংশ:
    আপন বোন সম্পত্তিতে তিনভাবে অংশ পেতে পারে:
    ১. নির্ধারিত অংশ (Farāidh) হিসেবে: ১/২ অথবা ২/৩ অংশ;
    ২. অবশিষ্টাংশভোগী (Asabah/Tasib) হিসেবে।

    • আপন বোন একক নারী উত্তরাধিকারী হলে এবং নিম্নের কেউ না থাকলে, সে ১/২ অংশ পাবে। শর্তসমূহ:
    - সে একজন মাত্র বোন (কোনো সহোদর বোন নেই) এবং
    - নিম্নোক্ত কেউ জীবিত থাকবে না:
    - মৃত ব্যক্তির সন্তান;
    - মৃত ব্যক্তির পুত্রের সন্তান;
    - বাবা;
    - দাদা;
    - আপন ভাই।

    • যদি একাধিক (২ বা ততোধিক) আপন বোন থাকে এবং উপরোক্ত সবাই অনুপস্থিত থাকে, তবে তারা সম্মিলিতভাবে ২/৩ অংশ পাবে। শর্ত:
    - দুই বা ততোধিক বোন থাকতে হবে;
    - উপরোক্ত কেউ জীবিত থাকলে এই অংশ প্রযোজ্য হবে না।

    • আপন বোন অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে অংশ পেতে পারে দুইটি প্রধান পরিস্থিতিতে:
    ১. আপন ভাইয়ের উপস্থিতিতে:
    আপন ভাই থাকলে, সে পুরুষ উত্তরাধিকারী হিসেবে অবশিষ্ট অংশ পায়, আর বোন তার সাথে তাসীব হিসেবে অংশ পায়।  বোন ও ভাইয়ের অনুপাতে ভাগ হবে ১:২ হিসেবে (ছেলে:মেয়ে)

    ২. কন্যাদের উপস্থিতিতে (Exception Rule):
    যদি মৃত ব্যক্তির কন্যা বা পুত্রের কন্যা থাকে, এবং তাদের নির্ধারিত অংশ দিয়ে দেওয়ার পর সম্পত্তির কিছু অবশিষ্ট থাকে, তবে আপন বোন সেই অবশিষ্টাংশ পাবে।
    ৬৭.
    Section 3 of the Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 makes registration of Muslim marriages:
    1. Optional
    2. Mandatory
    3. Dependent on family agreement
    4. Subject to religious leaders’ consent
    সঠিক উত্তর:
    Mandatory
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Mandatory
    ব্যাখ্যা
    The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর ধারা ৩: বিবাহ নিবন্ধন:
    “Notwithstanding anything contained in any law, custom or usage, every marriage solemnized under Muslim law shall be registered in accordance with the provisions of this Act.”

    বাংলা অনুবাদ:
    “যেকোনো আইন, প্রথা বা রীতিনীতিতে ভিন্ন কিছু থাকলেও, মুসলিম আইনের অধীনে সংঘটিত প্রতিটি বিবাহ এই আইনের বিধান অনুযায়ী নিবন্ধিত করতে হবে।”

    ⇒ ধারা ৩ অনুযায়ী,
    মুসলিম আইনের অধীনে সংঘটিত প্রতিটি বিবাহ অবশ্যই নিবন্ধন করতে হবে। এই নিবন্ধন ঐচ্ছিক নয়, বরং আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক।
    ৬৮.
    দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ধারণে কোন নীতি অনুসরণ করা হয়?
    1. ধর্মীয় শুদ্ধি নীতি
    2. আত্মিক বন্ধন নীতি
    3. পারিবারিক সমতা নীতি
    4. আধ্যাত্মিক কল্যাণ নীতি
    সঠিক উত্তর:
    আধ্যাত্মিক কল্যাণ নীতি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আধ্যাত্মিক কল্যাণ নীতি
    ব্যাখ্যা
    হিন্দু উত্তরাধিকার আইন:
    বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দুধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে-
    ১. পিণ্ডদান;
    ২. পিণ্ডলেপ ও
    ৩. জলদান।

    মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ—তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড। আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন: ১. বিধবা স্ত্রী; ২. কন্যা; ৩. মাতা; ৪. পিতার মাতা ও ৫. পিতার পিতার মাতা। পিতৃকুলের সপিণ্ডরা জীবিত থাকলে মাতৃকুলের সপিণ্ডরা সম্পত্তি পান না।
    ৬৯.
    নিম্নোক্তদের মধ্যে কে হিন্দু পিতার সম্পত্তিতে অগ্রাধিকারভিত্তিক দাবি করতে পারেন?
    1. বন্ধ্যা কন্যা
    2. বিধবা কন্যা
    3. অবিবাহিত কন্যা
    4. পুত্রবতী কন্যা
    সঠিক উত্তর:
    অবিবাহিত কন্যা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অবিবাহিত কন্যা
    ব্যাখ্যা
    সম্পত্তিতে হিন্দু নারীর অধিকার:
    পিতা বা স্বামীর সম্পত্তিতে হিন্দু নারীদের একচ্ছত্র অধিকার নেই, জীবনস্বত্ব আছে। স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রী তাঁর জীবদ্দশায় স্বামীর সম্পত্তি ভোগ করতে পারেন, এটাকে বলা হয় জীবনস্বত্ব। তবে এ সম্পত্তি তিনি কোনোভাবেই বিক্রি করতে পারেন না, অন্যের কাছে হস্তান্তরও করতে পারেন না। এমনকি নিজের সন্তানকেও দান করতে পারবেন না। তাঁর মৃত্যুর পর এটা বিধবা সম্পত্তি বা ‘উইডোজ এস্টেট’ হিসেবে মৃত স্বামীর পুরুষ উত্তরাধিকারের দখলে চলে যায়। দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাঁর সম্পত্তির সম্পূর্ণ উত্তরাধিকার হন জীবিত পুত্র বা পুত্রেরা। পুত্রের উপস্থিতিতে কন্যা সম্পত্তি পান না। অর্থাৎ কন্যার অধিকার নির্ভর করবে পুত্র থাকা বা না থাকার ওপর।

    ১. কন্যা হিসেবে: মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র ও স্ত্রী থাকলে কন্যা তাঁর পিতার সম্পত্তি পান না। তাঁদের কেউ না থাকলে মৃত ব্যক্তির কন্যাদের মধ্যে অবিবাহিত কন্যা ও পরে পুত্রবতী কন্যা সম্পত্তি পাবেন। তবে বিধবা কন্যা, বন্ধ্যা কন্যা ও যে কন্যার পুত্রসন্তান নেই, শুধু কন্যাসন্তান আছে, তিনি কিছু পাবেন না।

    ২. স্ত্রী (বিধবা) হিসেবে: সম্পত্তিতে হিন্দু মহিলার অধিকার আইন, ১৯৩৭ পাস হওয়ার পর মৃত ব্যক্তির বিধবা স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ জীবনস্বত্ব পান।

    ৩. মা হিসেবে: মৃত ব্যক্তির স্ত্রী, পুত্র, কন্যা, দৌহিত্র ও পিতা জীবিত থাকলে মা কিছু পান না।

    ৪. বোন হিসেবে: কোনো অবস্থাতেই বোন তাঁর ভাইয়ের সম্পত্তি পান না।
    ৭০.
    নিম্নলিখিত কোনটি বিনা প্রতিদানে (Consideration) করা চুক্তি হিসেবে বাতিল হবে?
    1. সময়োত্তীর্ণ ঋণের জন্য স্বাক্ষরিত প্রতিশ্রুতি
    2. স্বেচ্ছায় সাহায্যকারী ব্যক্তিকে পুরস্কার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি
    3. ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের মধ্যে ভালোবাসার ভিত্তিতে লিখিত ও রেজিস্টারকৃত চুক্তি
    4. কোনটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    কোনটিই নয়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কোনটিই নয়
    ব্যাখ্যা
    ধারা ২৫: বিনা প্রতিদানে (Consideration) করা চুক্তি বাতিল, তবে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে-
    একটি চুক্তি যদি কোনো প্রতিদান (consideration) ছাড়া করা হয়, তাহলে সেটি বাতিল (void) বলে গণ্য হবে। তবে নিম্নলিখিত ৩টি ক্ষেত্রে বিনা প্রতিদানে চুক্তি বৈধ হতে পারে:

    (১) যদি চুক্তিটি লিখিত আকারে ও রেজিস্টারকৃত হয়, এবং স্বাভাবিক ভালোবাসা ও স্নেহ (natural love and affection) থেকে করা হয়, এবং উভয় পক্ষ ঘনিষ্ঠ আত্মীয়তার সম্পর্কে থাকে, তাহলে সেই চুক্তি বৈধ হবে।

    (২) যদি এটি এমন কোনো ব্যক্তিকে পুরস্কৃত বা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি হয়, যিনি স্বেচ্ছায় প্রতিশ্রুতিদাতার (promisor) জন্য কিছু করেছেন, অথবা এমন কিছু করেছেন যা আইনত করতে বাধ্য ছিলেন, তাহলেও সেটি বৈধ হতে পারে।

    (৩) যদি এটি লিখিত ও স্বাক্ষরিত চুক্তি হয়, এবং এটি এমন একটি ঋণ পরিশোধের প্রতিশ্রুতি হয়, যা সময়ের কারণে (Limitation Law অনুযায়ী) আদায়যোগ্য না হলেও তবুও সে প্রতিশ্রুতি দেয় পুরো বা আংশিক অর্থ ফেরতের- তাহলেও সেটি বৈধ চুক্তি হবে।
    ৭১.
    আপিলযোগ্য ডিক্রির অনুলিপি নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন করা যাবে:
    1. যেকোনো সময়
    2. আদালতের অনুমতি পাওয়ার পর
    3. ডিক্রি ঘোষণার দিন থেকে ৩ মাসের মধ্যে
    4. আপিল চূড়ান্ত হওয়ার দিন থেকে ৩ মাসের মধ্যে
    সঠিক উত্তর:
    আপিল চূড়ান্ত হওয়ার দিন থেকে ৩ মাসের মধ্যে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আপিল চূড়ান্ত হওয়ার দিন থেকে ৩ মাসের মধ্যে
    ব্যাখ্যা
    The Registration Act, 1908- ধারা ২৩: দলিল উপস্থাপনের সময়সীমা
    ধারা ২৪, ২৫ ও ২৬-এ বর্ণিত বিধান সাপেক্ষে, কোনো দলিল (উইল ব্যতীত) নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হবে না যদি না তা যথাযথ কর্মকর্তার নিকট উপস্থাপন করা হয় সম্পাদনের তারিখ হতে তিন মাসের মধ্যে।

    তবে শর্ত থাকে যে, কোনো ডিক্রি বা আদেশের অনুলিপি নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন করা যাবে:
    - যদি তা আপিলযোগ্য না হয়, তাহলে উক্ত ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের দিন থেকে তিন মাসের মধ্যে;
    - আর যদি তা আপিলযোগ্য হয়, তাহলে যখন তা চূড়ান্ত (final) হয়, সেই দিন থেকে তিন মাসের মধ্যে।
    ৭২.
    A-এর B-এর কাছে টাকা পাওনা ছিল। B সেই পাওনা দাবিটি C-কে হস্তান্তর করে। পরে B, A-এর কাছে টাকা দাবি করে এবং A (যিনি হস্তান্তরের বিষয়ে কোনো বিজ্ঞপ্তি পাননি) B-কে টাকা দিয়ে দেন। এক্ষেত্রে-
    1. এই পরিশোধ বৈধ
    2. এই পরিশোধ অবৈধ
    3. C, A-এর বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের মামলা করতে পারবে
    4. খ এবং গ
    সঠিক উত্তর:
    এই পরিশোধ বৈধ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    এই পরিশোধ বৈধ
    ব্যাখ্যা
    ধারা ১৩০: নালিশযোগ্য দাবী (Actionable Claim) হস্তান্তর-
    (১) কোনো নালিশযোগ্য দাবী হস্তান্তর করা হলে, তা মূল্যসহ বা মূল্য ছাড়া যেভাবেই হোক না কেন, শুধুমাত্র একটি লিখিত দলিল (instrument) সম্পাদনের মাধ্যমে সম্পন্ন হতে পারে। উক্ত দলিলটি হস্তান্তরকারী বা তার বৈধভাবে নিয়োজিত প্রতিনিধি কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে। দলিলটি সম্পাদনের পর হস্তান্তর কার্যকর ও সম্পূর্ণ বলে গণ্য হবে, এবং হস্তান্তরকারীর সমস্ত অধিকার ও প্রতিকার (যেমন ক্ষতিপূরণ দাবি ইত্যাদি) হস্তান্তারগ্রহীতার মধ্যে ন্যস্ত হবে - হস্তান্তরের বিজ্ঞপ্তি (section 131 অনুসারে) দেওয়া হোক বা না হোক।

    তবে শর্ত থাকে যে, যদি ঋণগ্রহীতা বা অন্য কোনো ব্যক্তি যাঁর বিরুদ্ধে হস্তান্তরকারী পূর্বে নালিশযোগ্য দাবীর জন্য পদক্ষেপ নিতে পারতেন, সেই ব্যক্তি হস্তান্তরের দলিলের কোনো পক্ষ না হন অথবা তা সম্পর্কে স্পষ্টভাবে অবগত না হন, তবে তার সঙ্গে পরবর্তীতে কোনো লেনদেন হস্তান্তরের বিরুদ্ধে বৈধ বলেই গণ্য হবে।

    (২) নালিশযোগ্য দাবীর হস্তান্তারগ্রহীতা সেই লিখিত দলিল সম্পাদনের পর নিজ নামেই মামলা করতে পারবেন বা আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবেন — এজন্য হস্তান্তরকারীর সম্মতি নেওয়া বা তাকে পক্ষ করা আবশ্যক নয়।

    ব্যতিক্রম: এই ধারা মেরিন বা অগ্নি বিমা নীতিমালার হস্তান্তরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় এবং বিমা আইন, ১৯৩৮-এর ধারা ৩৮-এর বিধান প্রভাবিত করে না।

    উদাহরণ:
    (i) A-এর B-এর কাছে টাকা পাওনা ছিল। B সেই পাওনা দাবিটি C-কে হস্তান্তর করে। এরপর B, A-এর কাছে টাকা দাবি করে এবং A (যিনি হস্তান্তরের বিষয়ে কোনো বিজ্ঞপ্তি পাননি) B-কে টাকা দিয়ে দেন। এই পরিশোধ বৈধ এবং C, A-এর বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের মামলা করতে পারবে না।

    (ii) A নিজ জীবন বিমা করে এবং সেই বিমা একটি ব্যাংককে দেন বর্তমান বা ভবিষ্যতের কোনো ঋণ সুরক্ষিত করতে। A মারা গেলে ব্যাংক বিমার অর্থ পাওয়ার অধিকারী এবং নিজে মামলাও করতে পারে — A-এর উত্তরাধিকারীর অনুমতি ছাড়াই।
    ৭৩.
    এজেন্ট তার দায়িত্ব পালনের সময় কোনো তথ্য পেলে, তা কাকে জানানো হয়েছে ধরে নেওয়া হয়?
    1. আদালতকে
    2. প্রিন্সিপালকে
    3. তৃতীয় পক্ষকে
    4. কেবল এজেন্টকে
    সঠিক উত্তর:
    প্রিন্সিপালকে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    প্রিন্সিপালকে
    ব্যাখ্যা
    ধারা ২২৯: প্রতিনিধিকে (Agent) দেওয়া নোটিশের পরিণতি-
    যেকোনো নোটিশ বা তথ্য যদি কোনো প্রতিনিধি (Agent) তার কাজের সময় বা ব্যবসার প্রয়োজনে পায় বা গ্রহণ করে, তাহলে সেটি এমনভাবে গণ্য করা হবে যেন নোটিশ বা তথ্যটি প্রিন্সিপাল (Principal)-কে সরাসরি দেওয়া বা সে নিজে তা পেয়েছে।

    উদাহরণ (a):
    A হল B-এর প্রতিনিধি এবং তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে C-এর কাছ থেকে কিছু পণ্য কেনার। C বাহ্যিকভাবে মালিক বলে মনে হলেও, A জানে আসলে মালিক D। কিন্তু B জানে না আসল মালিক কে।
    যেহেতু A তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এই তথ্য জেনেছে, এটি B জানে এমন ধরে নেওয়া হবে। তাই B, C-এর কাছে কোনো পাওনা থাকলেও সেই পাওনা C-এর থেকে পণ্যের দামের সঙ্গে সমন্বয় (set off) করতে পারবে না।

    উদাহরণ (b):
    A আগে C-এর কর্মচারী ছিল এবং তখন জানতে পেরেছিল, পণ্যের মালিক আসলে D। পরে A-কে B নিয়োগ দেয় সেই পণ্য কিনতে। এই ক্ষেত্রে, যেহেতু A এই তথ্য আগে থেকে জানত, এবং সেটা B-এর হয়ে কাজ করার সময় জানে নি, তাই B সেই তথ্যের জন্য দায়ী নয় এবং C-এর কাছে পাওনা থাকলে সেটি পণ্যের দামের সঙ্গে set off করতে পারবে।
    ৭৪.
    "Gratuitous transfer" অর্থ কী?
    1. বন্ধক রাখা
    2. সম্পত্তি বিক্রয় করা
    3. বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর
    4. সরকারি অনুমতিসাপেক্ষে হস্তান্তর
    সঠিক উত্তর:
    বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর
    ব্যাখ্যা
    Gratuitous Transfer:
    Gratuitous শব্দটির অর্থ হলো বিনা পারিশ্রমিকে, উপহারস্বরূপ, বা বিনা মূল্যেই কিছু দেওয়া। আর transfer মানে হলো হস্তান্তর বা স্থানান্তর করা।

    সুতরাং, Gratuitous transfer মানে হলো-
    যে হস্তান্তরে কোনো মূল্য (consideration) নেই, অর্থাৎ কোনো আর্থিক বিনিময় ছাড়াই এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে সম্পত্তি প্রদান করেন।

    উদাহরণ:
    উপহার (Gift): বাবা তার ছেলেকে একটি জমি উপহার দিলেন। এখানে কোনো টাকার বিনিময় হয়নি।
    - এটি gratuitous transfer।

    দান (Donation): কেউ মন্দির বা এতিমখানায় সম্পত্তি দান করল বিনিময় ছাড়া।
    - এটিও gratuitous transfer।

    দেনার বিনিময়ে নয়: যদি কারো কাছে দেনা না থাকলেও সে কাউকে কোনো জমি দিয়ে দেয়, তাহলেও এটি gratuitous transfer।
    ৭৫.
    The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949, ধারা ৮৭ এর অধীনে কোন কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারেন?
    1. যেকোন ব্যক্তি
    2. শুধুমাত্র জমির মালিক
    3. শুধুমাত্র অ-কৃষি ভূমির প্রজা
    4. জমিদার ও অ-কৃষি ভূমির প্রজা উভয়েই
    সঠিক উত্তর:
    জমিদার ও অ-কৃষি ভূমির প্রজা উভয়েই
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জমিদার ও অ-কৃষি ভূমির প্রজা উভয়েই
    ব্যাখ্যা
    The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949, ধারা ৮৭: এই আইনের অধীন কার্যধারায় বিচারব্যবস্থার এখতিয়ার:
    যখন এই আইনের অধীনে কোনো আদালতকে কোনো আদেশ প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়, যেটি কোনো জমিদার বা অ-কৃষি ভূমির প্রজা (non-agricultural tenant) আবেদনক্রমে দেওয়া হবে, তখন উক্ত আবেদন সেই দেওয়ানি আদালতে (Civil Court) দাখিল করতে হবে, যে আদালত উক্ত ভাড়াকৃত অ-কৃষি ভূমির দখল সংক্রান্ত মামলা গ্রহণের এখতিয়ার রাখে, যার প্রেক্ষিতে উক্ত আবেদনটি করা হয়েছে।

    সারাংশ:
    যে দেওয়ানি আদালত অ-কৃষি জমির দখল সংক্রান্ত মামলা গ্রহণ করতে পারে, সেই আদালতেই এই আইনের অধীনে landlord বা tenant আবেদন করতে পারবেন।
    ৭৬.
    The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা ১৬ অনুসারে, যদি পূর্ববর্তী স্বার্থ ধারা ১৩ বা ১৪ অনুযায়ী ব্যর্থ হয়, তাহলে:
    1. কেবল পূর্ববর্তী স্বার্থ বাতিল হবে
    2. পরবর্তী স্বার্থও ব্যর্থ হবে
    3. পরবর্তী স্বার্থ তবুও কার্যকর থাকবে
    4. আদালত নতুন করে সিদ্ধান্ত দেবে
    সঠিক উত্তর:
    পরবর্তী স্বার্থও ব্যর্থ হবে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পরবর্তী স্বার্থও ব্যর্থ হবে
    ব্যাখ্যা
    The Transfer of Property Act, 1882- ধারা ১৬: পূর্ববর্তী স্বার্থ ব্যর্থ হলে পরবর্তী হস্তান্তরও ব্যর্থ হবে-
    যখন ধারা ১৩ ও ১৪-এ বর্ণিত কোনো নিয়মের কারণে কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের শ্রেণির জন্য সৃষ্ট স্বার্থ (interest) ব্যর্থ হয়, তখন একই লেনদেনের (transaction) মধ্যে যদি সেই ব্যর্থ স্বার্থের পরে কার্যকর হওয়ার জন্য কোনো পরবর্তী স্বার্থ সৃষ্টি করা হয়ে থাকে, সেটিও ব্যর্থ বলে গণ্য হবে।

    [Where, by reason of any of the rules contained in sections 13 and 14, an interest created for the benefit of a person or of a class of persons fails in regard to such person or the whole of such class, any interest created in the same transaction and intended to take effect after or upon failure of such prior interest also fails.]
    ৭৭.
    A নিলামের মাধ্যমে B-কে একটি ঘোড়া বিক্রি করে। A জানে যে ঘোড়াটি অসুস্থ, কিন্তু B-কে সে কিছু বলে না। এই ক্ষেত্রে, A-
    1. প্রতারণা করেছে
    2. প্রতারণা করে নাই
    3. অযাচিত প্রভাব দেখিয়েছে
    4. ভুল উপস্থাপন করেছে
    সঠিক উত্তর:
    প্রতারণা করে নাই
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    প্রতারণা করে নাই
    ব্যাখ্যা
    The Contract Act, 1872- ধারা ১৭: "প্রতারণা" (Fraud) এর সংজ্ঞা-
    আইন অনুযায়ী, "প্রতারণা (Fraud)" বলতে বোঝায় এমন কিছু কার্যকলাপ যা কোনো চুক্তির এক পক্ষ অথবা তার এজেন্ট বা যোগসাজশে অন্য কেউ, ইচ্ছাকৃতভাবে অপর পক্ষকে প্রতারিত করার উদ্দেশ্যে করে - যেন সে প্রতারিত হয়ে চুক্তিতে প্রবেশ করে।

    প্রতারণার ধরনগুলো:
    ১. ভুল তথ্যকে সত্য বলে উপস্থাপন করা, যখন উপস্থাপক জানে বা বিশ্বাস করে না যে তা সত্য।
    ২. গোপন করা কোনো সত্য, যখন ব্যক্তি সেই তথ্য জানে এবং তা গোপন করে।
    ৩. মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া, যার উদ্দেশ্য হলো প্রতিশ্রুতি রাখার কোনো ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও অন্যকে প্রতারিত করা।
    ৪. প্রতারণার উদ্দেশ্যে করা অন্য যেকোনো কাজ, যা কাউকে প্রতারিত করতে পারে।
    ৫. আইনে যেসব কাজ প্রতারণা হিসেবে ঘোষিত, সেসব কাজ।

    Explanation (ব্যাখ্যা):
    শুধু নীরব থাকা বা কোনো কিছু না বলা চুক্তিতে প্রতারণা হিসেবে গণ্য হবে না, যদি না: নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তথ্য প্রকাশ করা তার দায়িত্ব হয়, বা সেই নীরবতাই এমন হয়, যা কার্যত প্রতারণার সমান।

    উদাহরণ (Illustration):
    (a) A নিলামের মাধ্যমে B-কে একটি ঘোড়া বিক্রি করে। A জানে যে ঘোড়াটি অসুস্থ, কিন্তু B-কে সে কিছু বলে না। এই ক্ষেত্রে, A কিছু না বললেও এটি প্রতারণা নয়, কারণ শুধু "নীরব থাকা" প্রতারণা নয়, যদি না আইনি দায়িত্ব থাকে সেটা প্রকাশ করার।
    ৭৮.
    একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার পৃথক ভূখণ্ডসমূহকে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করার আদেশ দিতে পারেন কে?
    1. আদালত
    2. ভূমি কমিশনার
    3. রাজস্ব কর্মকর্তা
    4. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
    সঠিক উত্তর:
    রাজস্ব কর্মকর্তা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাজস্ব কর্মকর্তা
    ব্যাখ্যা
    • The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারা- একই গ্রামে প্রজার জোতের সংযুক্তকরণ:
    একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার যদি পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকে, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি কিংবা উহার কতিপয় যদি পৃথক প্রজাস্বত্বের অধীন হয়, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশক্রমে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করা যাইবে।

    Section 116- Amalgamation of holdings of a tenant in the same village:
    Where various parcels of land are held by one tenant within one village, and such parcels of land or some of them are the subject of separate tenancies, such parcels of land shall, under the orders of the Revenue-officer, be amalgamated into one tenancy.
    ৭৯.
    What is the standard time limit to file an appeal to the Land Survey Appellate Tribunal?
    1. 30 days
    2. 45 days
    3. 3 months
    4. 6 months
    সঠিক উত্তর:
    3 months
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    3 months
    ব্যাখ্যা
    ধারা ১৪৫খ: ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল (Land Survey Appellate Tribunal) –
    (৫) যে কোনো ব্যক্তি যিনি ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত, তিনি রায়ের তারিখ থেকে তিন মাসের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়ের করতে পারবেন।

    (5) Subject to the provision of sub-section (6), any person aggrieved by any judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal may, within three months from the date of such judgment, decree or order, prefer an appeal to the Land Survey Appellate Tribunal.