পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
পদ, সন্ধি, প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ, বানান ও বাক্য শুদ্ধি। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
আমার সামনে দাঁড়াও- এ বাক্যে ‘সামনে’ কোন পদ?
  1. ক) ক্রিয়া বিশেষণ
  2. খ) সর্বনাম
  3. গ) অনুসর্গ
  4. ঘ) বিশেষ্য
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রিয়া বিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রিয়া বিশেষণ
ব্যাখ্যা
• যে শব্দ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে, তাকে ক্রিয়াবিশেষণ বলে।
- যে ক্রিয়াবিশেষণ দ্বারা কোনো কাজ কোথায় বা কোন স্থানে সংঘটিত হচ্ছে বোঝায় তাকে স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ বলে।
যেমন :
আমার সামনে দাঁড়াও।
এখানে বসো।
বড় মামা মালয়েশিয়ায় গিয়েছেন।
চশমাটা কোথায় হাড়িয়েছি জানি না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
নিচের কোনটি শুদ্ধ প্রয়োগ?
  1. ক) অযাথাথ্য
  2. খ) ঐষ্টীক
  3. গ) কলকোল্ললিনী
  4. ঘ) গিরিকন্দর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গিরিকন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গিরিকন্দর
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ প্রয়োগ - গিরিকন্দর

অনান্য গুলোর শুদ্ধরূপ:
অশুদ্ধ- অযাথাথ্য
শুদ্ধ - অযাথার্থ্য
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয় - ন+যথার্থ+য
অর্থ: অন্যায্যতা, অযথার্থতা, সততার অভাব।

অশুদ্ধ - ঐষ্টীক
শুদ্ধ- ঐষ্টিক
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয় - ইষ্টি+ইক
অর্থ: ইষ্ট-সম্বন্ধীয়, যজ্ঞসম্বন্ধীয়, যজ্ঞীয়।

অশুদ্ধ - কলকোল্ললিনী
শুদ্ধ - কলকল্লোলিনী
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয় - কল+কল্লোল+ইন্+ঈ
অর্থ: মধুর ধ্বনিযুক্ত(তরঙ্গ)।

উৎস :- আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি
.
সন্ধির প্রধান উদ্দেশ্য-
  1. ক) ত্রুটি দূরীকরণ
  2. খ) উচ্চারণে সহজ প্রবণতা
  3. গ) উচ্চারণ দীর্ঘকরণ
  4. ঘ) লেখা সহজকরণ
সঠিক উত্তর:
খ) উচ্চারণে সহজ প্রবণতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উচ্চারণে সহজ প্রবণতা
ব্যাখ্যা
• সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন। দ্রুত উচ্চারণের ফলে পরস্পর সন্নিহিত দুটো ধ্বনির মিলনে যে ধ্বনিগত পরবির্তন হয় তাকেই বলা হয় সন্ধি।
- সন্ধির প্রধান উদ্দেশ্য হলো স্বাভাবিক উচ্চারণে সহজপ্রবণতা ও ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন।
যেমন:
- ‘রত্ন’ ও ‘আকার’ উচ্চারণে যে আয়াস বাক্যর প্রয়োজন, ‘রত্নাকার’ তার চেয়ে কম আয়াসে উচ্চারিত হয়।

ধ্বনির আরো কিছু প্রয়োজনীয়তা:
- নতুন শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে প্রয়োজন।
- ধ্বনি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রয়োজন।
- শব্দের আকার ছোট করতে প্রয়োজন।

উৎস:- মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ভালো করে পড়াশোনা করবে- এ বাক্যে ‘করবে’ কোন পদ?
  1. ক) বিশেষ্য
  2. খ) আবেগ
  3. গ) ক্রিয়া
  4. ঘ) সর্বনাম
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
• বাক্যে উদ্দেশ্য বা কর্তা কী করে বা কর্তার কী ঘটে বা হয়, তা নির্দেশ করা হয় যে পদ নিয়ে তাকে ক্রিয়া বলে।
যেমন-
রাজীব খেলছে
বৃষ্টি হতে পারে

- ভাবপ্রকাশের দিক দিয়ে ক্রিয়া দুই প্রকার:
১. সমাপিকা ক্রিয়া: যে ক্রিয়া দিয়ে ভাব সম্পূর্ণ হয়, তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে।
যেমন- ভালো করে পড়াশোনা করবে
২. অসমাপিকা ক্রিয়া: যে ক্রিয়া ভাব সম্পূর্ণ করতে পারে না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।
যেমন- ভালো করে পড়াশোনা করলে ভালো ফল পাবে।

উৎস:- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১সংস্করণ)।
.
‘সংস্কৃত’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) সং + কৃত
  2. খ) সন + কৃত
  3. গ) সম + র্কত
  4. ঘ) সম্ + কৃত
সঠিক উত্তর:
ঘ) সম্ + কৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সম্ + কৃত
ব্যাখ্যা
• কতগুলো সন্ধি বিশেষ নিয়মে সাধিত হয়।
বিশেষ নিয়মে সাধিত কিছু সন্ধির উদাহরণ হলো:
সম্ + কৃত = সংস্কৃত
সম্ + কার = সংস্কার
উৎ + স্থাপন = উত্থাপন
উৎ + স্থান = উত্থান
এরূপ : পরিস্কৃত, সংস্কৃতি ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সন্ধিতে অ-কার কিংবা আ-কারের পর ই-কার বা ঈ-কার উভয় মিলে কি হয়?
  1. ক) উ
  2. খ) ঐ
  3. গ) ঊ
  4. ঘ) এ
সঠিক উত্তর:
ঘ) এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এ
ব্যাখ্যা
- অ-কার কিংবা আ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার উভয় মিলিত হয়ে ‘এ’ কার হয়।
যেমন:
অ + ই = এ    শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা।
অ + ঈ = এ   পরম + ঈশ = পরমেশ।
আ + ঈ = এ    মহা + ঈশ = মহেশ।
 আ + ই = এ      যথা + ইষ্ট = যথেষ্ট।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সর্বনাম পদ কে কয়টি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে?
  1. ক) ৮
  2. খ) ৭
  3. গ) ৯
  4. ঘ) ১০
সঠিক উত্তর:
গ) ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯
ব্যাখ্যা
বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দকে সর্বনাম শব্দ বলে।
সর্বনামকে নয় টি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা: 
১. ব্যক্তিবাচক সর্বনাম
২. আত্নবাচক সর্বনাম
৩. নির্দেশক সর্বনাম
৪. অনির্দিষ্ট সর্বনাম
৫. প্রশ্নবাচক সর্বনাম
৬. সাপেক্ষ সর্বনাম
৭. পারস্পরিক সর্বনাম
৮. সকলবাচক সর্বনাম
৯. অন্যবাচক সর্বনাম

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ?
  1. ক) শুভ+ইচ্ছা = শুভেচ্ছা
  2. খ) জন+এক = জৈনক
  3. গ) গো+ইন্দ্র = গবেন্দ্র
  4. ঘ) পিতৃ+আলয় = পিত্রালয়
সঠিক উত্তর:
গ) গো+ইন্দ্র = গবেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গো+ইন্দ্র = গবেন্দ্র
ব্যাখ্যা
• সন্ধির প্রচলিত নিয়ম না মেনে যে সন্ধি হয় তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ হলো:
গো+ইন্দ্র = গবেন্দ্র
গো+অক্ষ = গবাক্ষ
প্র+এষণ = প্রেষণ
কুল+অটা = কুলটা
পর+পর = পরস্পর

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
নিচের কোনটি র্-জাত বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ?
  1. ক) সর্ব+উচ্চ = সর্বোচ্চ
  2. খ) অন্তঃ+গত = অন্তর্গত
  3. গ) লঘু+ঊর্মি = লঘূর্মি
  4. ঘ) সর্বস্ব+অন্ত = সর্বস্বান্ত
সঠিক উত্তর:
খ) অন্তঃ+গত = অন্তর্গত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অন্তঃ+গত = অন্তর্গত
ব্যাখ্যা
• বিসর্গ সন্ধি: বিসর্গের সাথে স্বর বা ব্যঞ্জনধ্বনির যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে।
- বিসর্গ সন্ধি দুই ভাগে বিভক্ত যথা-
 ১. র্-জাত বিসর্গ
 ২. স্-জাত বিসর্গ

- সংস্কৃত ভাষার নিয়মে সংস্কৃত শব্দের শেষে ‘সৃ’ বা ‘র্’ থাকলে ‘স’ বা ‘র’ লোপ পেয়ে বিসর্গ সন্ধি হয়। যেমন:
র্-জাত বিসর্গ: নির্>নিঃ; দুর্>দুঃ, অন্তর্>অন্তঃ ইত্যাদি।
স্-জাত বিসর্গ: সরস্>সরঃ; মনস্>মনঃ; পুরস্>পুরঃ ইত্যাদি।
- বিসর্গ সন্ধির বৈশিষ্ট্য হলো সন্ধির ফলে র্-জাত বিসর্গের ‘র’ এবং স্-জাত বিসর্গের ‘স’ অনেক ক্ষেত্রে লোপ পেয়ে আবার ‘র’ এবং ‘স’ ফিরে আসে।
কয়েকটি র্-জাত বিসর্গ সন্ধি হলো:
অন্তঃ+গত = অন্তর্গত
দুঃ+ঘটনা = দুর্ঘটনা
নিঃ+ধারণ = নির্ধারণ
নিঃ+লজ্জ = নির্লজ্জ

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১০.
পদ কত প্রকার?
  1. ক) ৬
  2. খ) ৫
  3. গ) ৭
  4. ঘ) ৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮
ব্যাখ্যা
শব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয় তখন তাকে পদ বলে।
- বাক্যে অন্তর্গত পদ কে মোট আটটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. বিশেষ্য
২. বিশেষণ
৩. সর্বনাম ও
৪. ক্রিয়া
৫. ক্রিয়াবিশেষণ
৬. অনুসর্গ
৭. যোজক ও
৮. আবেগ

উঃস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)
১১.
‘ঢাকেশ্বরী’ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) ঢাক+ইশ্বরী
  2. খ) ঢাকে+শ্বরী
  3. গ) ঢাকা+ঈশ্বরী
  4. ঘ) ঢাকে+ইশ্বরী
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা+ঈশ্বরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা+ঈশ্বরী
ব্যাখ্যা
কিছু সন্ধি বিচ্ছেদের উদাহরণ:
ঢাকা+ঈশ্বরী = ঢাকেশ্বরী।
রমা+ঈশ = রমেশ।
উত্তম+ঋণ = উত্তমর্ণ।
রূপ+ঐশ্বর্য = রূপৈশ্বর্য।

উৎস:- উচ্চমাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
কোন সন্ধি বিচ্ছেদটি সঠিক নয়?
  1. ক) প্রতি +ঊষ = প্রত্যূষ
  2. খ) ইতি + আদি = ইত্যাদি
  3. গ) নদী + অম্বু = নদ্যম্বু
  4. ঘ) মনো + রম = মনোরম
সঠিক উত্তর:
ঘ) মনো + রম = মনোরম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মনো + রম = মনোরম
ব্যাখ্যা
• অ-কারের পরস্থিত স-জাত বিসর্গের পর ঘোষ অল্পপ্রাণ ও ঘোষ মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনি, নাসিক্য ধ্বনি কিংবা অন্তঃস্থ য, ব, র, ল, হ থাকলে অ-কার ও স-জাত বিসর্গ স্থলে ও-কার হয়।
যেমন-
- সদ্যঃ + জাত = সদ্যোজাত
- মনঃ + রম = মনোরম
- তিরঃ + ধান = তিরোধান
- মনঃ + হর = মনোহর
- তপঃ + বন = তপোবন ইত্যাদি।

উৎস:- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
'মরি তো মরব'- এ বাক্যে ‘তো’ কোন ক্রিয়াবিশেষণ?
  1. ক) সময়বাচক
  2. খ) ধরণবাচক
  3. গ) স্থানবাচক
  4. ঘ) পদাণু
সঠিক উত্তর:
ঘ) পদাণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পদাণু
ব্যাখ্যা
বাক্যের মধ্যে বিশেষ কোনো ভূমিকা পালন না করেও  কি, যে, বা, তো, প্রভৃতি পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে। যেমন:
কি : আমি কি যাব?
যে : খুব যে বলেছিলে আসবেন!
বা : কখনও বা দেখা হবে।
না : একটু ঘুরে আসুন না, ভালো লাগবে।
তো: মরি তো মরব।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)।
১৪.
নিচের কোনটি অশুদ্ধ বানান?
  1. ক) অগ্রযায়ি
  2. খ) অভ্যর্হিত
  3. গ) ইচ্ছাবহির্ভূত
  4. ঘ) উজ্জীবিত
সঠিক উত্তর:
ক) অগ্রযায়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অগ্রযায়ি
ব্যাখ্যা
অশুদ্ধ- অগ্রযায়ি
শুদ্ধ - অগ্রযায়ী
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয়- অগ্র+√যা+ইন্
অর্থ: সম্মুখে গমনকারী।

অভ্যর্হিত, ইচ্ছাবহির্ভূত, উজ্জীবিত শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১৫.
‘হিতৈষী’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ-
  1. ক) হিত+ওষী
  2. খ) হীত+ঐষী
  3. গ) হিত+এষী
  4. ঘ) হতি+এষি
সঠিক উত্তর:
গ) হিত+এষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হিত+এষী
ব্যাখ্যা
হিত+এষী = হিতৈষী

গুরুত্বপূর্ণ কিছু সন্ধি:
মত+ঐক্য = মতৈক্য
চিত্ত+ঔদার্য = চিত্তৌদার্য
ক্ষিতি+ঈশ = ক্ষিতীশ
মহী+ইন্দ্র = মহীন্দ্র ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
নিচের কোনটি ‘দুঃখার্ত’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ?
  1. ক) দুঃখ+খার্ত
  2. খ) দুখ+খার্তঃ
  3. গ) দুখ+ঋতঃ
  4. ঘ) দুঃখ+ঋত
সঠিক উত্তর:
ঘ) দুঃখ+ঋত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দুঃখ+ঋত
ব্যাখ্যা
অ-বর্ণের পর কাতর অর্থে ঋত শব্দেরর্ ঋ থাকলে ঋ স্থানে ‘আর্’ হয়ে সন্ধি নিষ্পন্ন হয়।
যেমন:
শীত + ঋত = শীতার্ত
তৃষ্ণা + ঋত = তৃষ্ণার্ত
দুঃখ + ঋত = দুঃখার্ত

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
ভাষার বিচারে একটি স্বার্থক বাক্যের কয়টি গুণ থাকা আবশ্যক?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
ভাষার বিচারে একটি স্বার্থক বাক্যের ৩টি গুণ থাকা আবশ্যক। যথা :

১. আকাঙ্খা :
বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে আগ্রহ তাকে আকাঙ্খা বলে।

২. আসত্তি :
বাক্যে ব্যবহৃত পদগুলোর মাঝে অর্থের সঙ্গতি বা মিল রাখার জন্য পদগুলোর সুশৃঙ্খলভাবে পদ  বিন্যাসই আসত্তি।

৩. যোগ্যতা :
বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত এবং ভাবগত মেলবন্ধনের নাম যোগ্যতা।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
নিচের কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
  1. ক) বর্ষার রৌদ্রে প্লাবনের সৃষ্টি হয়
  2. খ) চাঁদ পৃথিবীর চারিদিকে ঘোরে
  3. গ) তোমাকে দেখে সে আশ্চার্যান্বিত হয়েছে
  4. ঘ) পাখিগুলো আকাশে উড়ছে
সঠিক উত্তর:
ক) বর্ষার রৌদ্রে প্লাবনের সৃষ্টি হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বর্ষার রৌদ্রে প্লাবনের সৃষ্টি হয়
ব্যাখ্যা
ভাষার বিচারে একটি স্বার্থক বাক্যের ৩টি গুণ থাকা আবশ্যক। যথা :

১. আকাঙ্খা : বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে আগ্রহ তাকে আকাঙ্খা বলে।

২. আসত্তি : বাক্যে ব্যবহৃত পদগুলোর মাঝে অর্থের সঙ্গতি বা মিল রাখার জন্য পদগুলোর সুশৃঙ্খলভাবে পদ  বিন্যাসই আসত্তি।

৩. যোগ্যতা : বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত এবং ভাবগত মেলবন্ধনের নাম যোগ্যতা।

‘বর্ষার রৌদ্রে প্লাবনের সৃষ্টি হয়’ কাব্যটিতে ভাবগত মেলবন্ধন না থাকায় বাক্যটি যোগ্যতা হারিয়েছে।   
- সঠিক বাক্যটি হবে ‘বর্ষার বৃষ্টিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়’


উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
কোন বানান টি অশুদ্ধ?
  1. ক) অভিষিক্ত
  2. খ) অভিষবন
  3. গ) অভিশ্রুতি
  4. ঘ) অভিশঙ্কী
সঠিক উত্তর:
খ) অভিষবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অভিষবন
ব্যাখ্যা
অশুদ্ধ- অভিষবন
শুদ্ধ রূপ - অভিষবণ 
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয় = অভি+√সু+অন
অর্থ: মদ্যপান।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২০.
“যাব আমি ভাত কলেজে খেয়ে” বাক্যটিতে কোন গুণের অভাব পরিলক্ষিত?
  1. ক) আসত্তি
  2. খ) আকাঙ্খা
  3. গ) যোগ্যতা
  4. ঘ) আগ্রহ
সঠিক উত্তর:
ক) আসত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আসত্তি
ব্যাখ্যা
ভাষার বিচারে একটি স্বার্থক বাক্যের ৩টি গুণ থাকা আবশ্যক। যথা :

১. আকাঙ্খা : বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে আগ্রহ তাকে আকাঙ্খা বলে।

২. আসত্তি : বাক্যে ব্যবহৃত পদগুলোর মাঝে অর্থের সঙ্গতি বা মিল রাখার জন্য পদগুলোর সুশৃঙ্খলভাবে পদ  বিন্যাসই আসত্তি।

৩. যোগ্যতা : বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত এবং ভাবগত মেলবন্ধনের নাম যোগ্যতা।

“যাব আমি ভাত কলেজে খেয়ে” বাক্যটিতে ‘আসত্তি’ গুণের অভাব রয়েছে। কারণ এখানে কর্তা, কর্ম ও ক্রিয়া অনুযায়ী বাক্যগুলো সাজানো নেই।
বাক্যটির সঠিক রূপ - “আমি ভাত খেয়ে কলেজে যাব”


উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. ক) অর্থান্তর
  2. খ) অনুপল
  3. গ) উদয়গিরি
  4. ঘ) অর্থসিদ্ধী
সঠিক উত্তর:
ঘ) অর্থসিদ্ধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অর্থসিদ্ধী
ব্যাখ্যা
অশুদ্ধ বানান = অর্থসিদ্ধী
শুদ্ধ বানান = অর্থসিদ্ধি 

- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃত প্রত্যয় - অর্থ+√সিধ্+তি
- বিশেষ্য - উদ্দেশ্য সিদ্ধি, সাফল্য।

উৎস:- আধুনিক বাংলা অভিধান , বাংলা একাডেমি।
২২.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) অগ্রবর্তী
  2. খ) অঙ্কনিয়
  3. গ) অকৃত্রীম
  4. ঘ) অঙ্গপ্রতঙ্গ
সঠিক উত্তর:
ক) অগ্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অগ্রবর্তী
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বানান = অগ্রবর্তী

 বানান গুলোর শুদ্ধরূপ হলো: 
অশুদ্ধ- অঙ্কনিয়
শুদ্ধ- অঙ্কনীয়
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয়- √অঙ্ক্+অনীয়
অর্থ: আঁকার যোগ্য, চিত্রণীয়, লেখনীয়।

অশুদ্ধ বানান - অকৃত্রীম
শুদ্ধ বানান - অকৃত্রিম
-সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয় - ন+কৃত্রিম
অর্থ: বিশুদ্ধ, খাঁটি, আসল ইত্যাদি।

অশুদ্ধ- অঙ্গপ্রতঙ্গ
শুদ্ধ- অঙ্গপ্রত্যঙ্গ
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয়- অঙ্গ+প্রতি+অঙ্গ
অর্থ: দেহের হাত পা প্রভৃতি অঙ্গ, দৈহিক অবয়ক।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৩.
কোনটি শুদ্ধ প্রয়োগ?
  1. ক) সহমর্মীতা
  2. খ) পরিণামদর্শীতা
  3. গ) সত্যবাদীতা
  4. ঘ) দেশদ্রোহিতা
সঠিক উত্তর:
ঘ) দেশদ্রোহিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দেশদ্রোহিতা
ব্যাখ্যা
• সংস্কৃত-ইন্ প্রত্যয়ান্ত শব্দের (সহযোগিন্, প্রতিযোগিন্ ইত্যাদি) বাংলা পুরুষবাচক রূপ ঈ-কারন্ত হয়। যেমন: সহযোগী, প্রতিযোগী।
কিন্তু ‘ইন’ প্রত্য়য়ান্ত এসব শব্দে বিশেষ্যবাচক তা কিংবা, ত্ব প্রত্যয় যুক্ত হলে- ইন, এর ন্ লোপ পায় এবং মূলের ই-কার বজায় থাকে। ফলে শব্দের মধ্যাংশে ‘ই’-কার আসে।
যেমন-
তা প্রত্যয়যুক্ত শব্দের মধ্যাংশে ই-কার যুক্ত করে গঠিত শব্দ হলো:
দেশদ্রোহী - দেশদ্রোহিতা 

অন্যান্য গুলোর শুদ্ধরূপ:
সহমর্মীতা - সহমর্মিতা
পরিণামদর্শীতা - পরিণামদর্শিতা
সত্যবাদীতা - সত্যবাদিতা

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
গুরুচণ্ডালী দোষ জনিত বাক্য কোনটি?
  1. ক) তাকে কলেজে যাইতে হইবে
  2. খ) এই কার্যে তাহার হস্ত পাকা
  3. গ) তাহাদের মধ্যে বেশ সখ্য দেখিতে পাই
  4. ঘ) স্বজনেরা শবদাহ করতে শ্মশানে গেছেন
সঠিক উত্তর:
ক) তাকে কলেজে যাইতে হইবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তাকে কলেজে যাইতে হইবে
ব্যাখ্যা
সাধু ও চলিত রীতির সংমিশ্রণে ভাষা দূষিত হয় । বাক্যে চলিত ও সাধু রীতির সংমিশ্রণ দেখা গেলে তাকে বাক্যের গুরুচণ্ডালী দোষ বলে।

গুরুচণ্ডালী দোষ মিশ্রিত বাক্য - তাকে কলেজে যাইতে হইবে।
শুদ্ধ বাক্য - তাহাকে কলেজে যাইতে হইবে।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
নিচের কোনটি শুদ্ধ?
  1. ক) কার্য্যালয়
  2. খ) ক্ষতিগ্রস্থ
  3. গ) খন্ডনীয়
  4. ঘ) গঞ্জনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) গঞ্জনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গঞ্জনা
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বানান - গঞ্জনা

বানানগুলোর শুদ্ধরূপ-
শুদ্ধ - কার্যালয়
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয়- কার্য+আলয়
অর্থ: কর্মস্থল, কর্মক্ষেত্র।

শুদ্ধ - ক্ষতিগ্রস্ত
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয়- ক্ষতি+√গ্রস্+ত
অর্থ: ক্ষতি হয়েছে এমন, অপকৃত।

শুদ্ধ - খণ্ডনীয়
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয়- √খণ্ড্+অনীয়
অর্থ: খণ্ডনযোগ্য, খণ্ডন করা উচিত এমন।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৬.
নিচের কোনটি ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগের অন্তরায় না?
  1. ক) বানানের অশুদ্ধি
  2. খ) বাক্যের পদের অপপ্রয়োগ
  3. গ) অনুসর্গের প্রয়োগ
  4. ঘ) সাধু ও চলিত রীতির সংমিশ্রণ
সঠিক উত্তর:
গ) অনুসর্গের প্রয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অনুসর্গের প্রয়োগ
ব্যাখ্যা
মুদ্রণ ও লেখার ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগের ক্ষেত্রে লক্ষণীয় ত্রুটির ক্ষেত্রেগুলো হচ্ছে-
•বানানের অশুদ্ধি;
•বাক্যে পদের অপ্রয়োগ;  
•বাক্যে পদবিন্যাসের ত্রুটি;
• সাধু ও চলিতরীতির মিশ্রণজনিত ত্রুটি ।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
নিচের কোনটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ?
  1. ক) পুন + মিলন =পুনর্মিলন
  2. খ) পরি + স্কার = পরিস্কার
  3. গ) সমঃ + কৃত =সংস্কৃত
  4. ঘ) উৎ + স্থান = উত্থান
সঠিক উত্তর:
ঘ) উৎ + স্থান = উত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উৎ + স্থান = উত্থান
ব্যাখ্যা
সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ - উৎ + স্থান = উত্থান

সন্ধিবিচ্ছেদ গুলোর শুদ্ধরূপ-
পুনঃ + মিলন = পুনর্মিলন
পরি + কার = পরিস্কার
সম + কৃত = সংস্কৃত 

উৎস:- উচ্চমাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
কোনটি অপপ্রয়োগ ?
  1. ক) কচুয়া
  2. খ) উৎসিক্ত
  3. গ) কজ্জলি
  4. ঘ) আয়ুষ্য
সঠিক উত্তর:
গ) কজ্জলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কজ্জলি
ব্যাখ্যা
অশুদ্ধ - কজ্জলি
শুদ্ধ - কজ্জলী
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয় - কজ্জল+ঈ
অর্থ: পারদ ও গন্ধকের মিশ্রণে তৈরি আয়ুর্বেদীয় ওষুধবিশেষ।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।