পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়21 minutes৪২ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৪৩
সিলেবাস
রিভিশন পরীক্ষা [নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৬টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা] ----------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৩ প্রশ্ন

.
‘তিনটি প্রশ্ন’ গল্পটি কার রচনা?
  1. আনোয়ার পাশা
  2. অন্নদাশঙ্কর রায়
  3. আবু ইসহাক
  4. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা
• অন্নদাশঙ্কর রায় ও তাঁর সাহিত্যকর্ম:
• অন্নদাশঙ্কর রায় মাত্র ১৬ বছর বয়সে টলস্টয়ের গল্প ‘তিনটি প্রশ্ন’ নামে বাংলায় অনুবাদ করেন এবং তা প্রবাসী পত্রিকায় ছাপা হয় ১৯২০ সালে। বাংলা ভাষায় তাঁর প্রথম প্রকাশিত মৌলিক রচনার বিষয় ছিল নারীর অধিকার ও স্বাধীনতা, যা ভারতী পত্রিকায় ছাপা হয়। এ ধরনের বিষয় নিয়ে তিনি ওড়িয়া ভাষায়ও লেখেন।

• এ ছাড়া রবীন্দ্রনাথের রক্তকরবী নাটকের ওপর যে প্রবন্ধ লেখেন, তা রবীন্দ্রনাথকেও আলোড়িত করে। অন্নদাশঙ্করের প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধ 'তারুণ্য' ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয় বিচিত্রা পত্রিকায়।

• তবে তাঁর ইউরোপ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা 'পথে প্রবাসে' ভ্রমণকাহিনির মাধ্যমেই তিনি বাংলা সাহিত্যে নিজের স্থান করে নেন। ১৯২৭ থেকে ১৯২৯ সাল পর্যন্ত দুই বছর উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় সম্পাদিত বিচিত্রা পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ‘পথে প্রবাসে’। একই সময় মৌচাক পত্রিকায় প্রকাশিত হয় তাঁর ‘ইউরোপের চিঠি’। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত পত্রিকা কোনটি?
  1. সংবাদ প্রভাকর
  2. রত্নাবলী
  3. সমাচার দর্পণ
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের জীবনী:
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন একজন কবি ও সাংবাদিক। ১২১৮ বঙ্গাব্দের ২৫ ফাল্গুন (মার্চ ১৮১২) পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঞ্চনপল্লী বা কাঁচড়াপাড়া চড়াপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সংস্কৃত কলেজের অধ্যাপক প্রেমচন্দ্র তর্কবাগীশের প্রেরণায় এবং বন্ধু যোগেন্দ্রমোহন ঠাকুরের আনুকূল্যে ১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি মাসে সাপ্তাহিক 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকা প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে তাঁর সুযোগ্য সম্পাদনায় পত্রিকার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেলে ১৮৩৯ সালের ১৪ জুন থেকে এটি দৈনিক পত্রে রূপান্তরিত হয়।

• ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যুগসন্ধির কবি হিসেবে পরিচিত, কারণ তিনি সমকালের সামাজিক ও ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে কবিতা রচনা করলেও তাঁর ভাষা, ছন্দ ও অলঙ্কার ছিল মধ্যযুগীয়। ব্যঙ্গ-বিদ্রূপই ছিল তাঁর রচনার বিশেষত্ব। ব্যঙ্গ-বিদ্রূপের এ ভঙ্গি তিনি আয়ত্ত করেছিলেন কবিয়ালদের নিকট থেকে। ব্যঙ্গের মাধ্যমে অনেক গুরু বিষয়ও তিনি সহজভাবে প্রকাশ করতেন।

ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনা গ্রন্থ:
• কালীকীর্তন ও
• প্রবোধ প্রভাকর।

তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর রচিত নাটক:
• হিতপ্রভাকর ও
• বোধেন্দুবিকাশ।

অন্যদিকে, 
• সমাচার দর্পণ (১৮১৮ - ১৮৫২) শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত জন ক্লার্ক মার্শম্যান সম্পাদিত বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
কোনটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত গল্প?
  1. শহরতলী
  2. চতুষ্কোণ
  3. আরোগ্য
  4. সরীসৃপ
ব্যাখ্যা
• ‘সরীসৃপ’ গল্প সংকলন:
‘সরীসৃপ’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় গল্প সংকলন, পুস্তকাকারে প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৩৯ সালে। এই সংকলনের নামগল্প ‘সরীসৃপ’ ছাড়াও অন্যান্য গল্পগুলো হলো:

- মহাজন,
- বন্যা,
- মমতাদি,
- গুপ্তধন,
- মহাকালের জটার জট সহ মোট এগারোটি গল্প ও দুটি ছোটগল্প সংকলিত হয়েছে।

অন্নিদিকে, 
তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি উপন্যাস হলো: জননী, দিবারাত্রির কাব্য, পদ্মানদীর মাঝি, পুতুলনাচের ইতিকথা, শহরতলী, চিহ্ন, চতুষ্কোণ, সার্বজনীন, আরোগ্য প্রভৃতি;

উৎস: ‘সরীসৃপ’ গল্প সংকলন এবং বাংলাপিডিয়া।
.
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. বরিশাল
  2. রংপুর
  3. কুমিল্লা
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা
• রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন:
- রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন (১৮৮০-১৯৩২) ছিলেন সাহিত্যিক, শিক্ষাব্রতী, সমাজসংস্কারক এবং নারী জাগরণ ও নারীর অধিকার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।

- ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার অন্তর্গত পায়রাবন্দ ইউনিয়নে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। বিয়ের পরে তাঁর নাম হয় রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন। তবে তিনি বেগম রোকেয়া নামেই সমধিক পরিচিত ছিলেন।

- বাঙালি মুসলমান সমাজে নারীর স্বাতন্ত্র্য ও নারী স্বাধীনতার পক্ষে প্রথম প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর বেগম রোকেয়া। বিশ শতকের প্রথম দিকে বাঙালি মুসলমানদের নবজাগরণের সূচনালগ্নে নারীশিক্ষা ও নারী জাগরণে তিনিই প্রধান নেতৃত্ব দেন।

- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান। মুসলমান মেয়েদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং তাদের অধিকার আদায়ের জন্য ১৯১৬ সালে বেগম রোকেয়া প্রতিষ্ঠা করেন আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম  বা মুসলিম মহিলা সমিতি। তাঁর জীবনব্যাপী সাধনার অন্যতম ক্ষেত্র এই মহিলা সমিতি। 

তাঁর উলেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে-
• Sultana's Dream (নকশাধর্মী রচনা),
• পদ্মরাগ (উপন্যাস),
• অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ) প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
.
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস তাঁর কোন উপন্যাসের জন্য ‘সাদত আলী আখন্দ পুরস্কার’ লাভ করেন?
  1. দোজখের ওম
  2. চিলেকোঠার সেপাই
  3. খোয়াবনামা
  4. খোঁয়ারি
ব্যাখ্যা
• আখতারুজ্জামান ইলিয়াস 'খোয়াবনামা' উপন্যাসের জন্য ‘সাদত আলী আখন্দ পুরস্কার’ (১৯৯৫) লাভ করেন। 

---------------------
• 'খোয়াবনামা' উপন্যাস:

আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের 'খোয়াবনামা' উপন্যাসে তেভাগা আন্দোলন, দেশবিভাগ, পলাশীর যুদ্ধ, সিপাহি বিদ্রোহ, ফকির বিদ্রোহ প্রভৃতি আন্দোলন-সংগ্রাম ঐতিহাসিক ঘটনার সংমিশ্রণ ঘটেছে।

বগুড়ার কাৎলাহার ও এর আশপাশের মানুষের কাহিনি রূপলাভ করেছে খোয়াবনামা উপন্যাসে। কাৎলাহার বিল ও তার পাশের গ্রাম গিরিরডাঙা, নিজগিরির ডাঙ্গা ও গোলাবাড়ি হাট প্রভৃতি স্থানের লোকায়ত চেতন-অবচেতন জগতের সঙ্গে ভারতবর্ষের রাজনৈতিক ঘটনা উপন্যাসটিতে চিত্রিত হয়েছে।

ভারত ভাগ হয়ে গঠিত হয় নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তান। পাকিস্তানি শাসকেরা নতুন আইন তৈরি করে। দেশবিভাগের পর ঘটে মানবিক বিপর্যয়। নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানসের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি, সংগ্রাম, স্বপ্নভঙ্গ, গ্রামীণ ও শহুরে জীবনের রাজনৈতিক প্রতিঘাতও পাকিস্তানের সহযোগীদের চরিত্র উন্মোচনে লেখকের প্রগতিশীল মননের পরিচয় ফুটে উঠেছে।

তেভাগা প্রসঙ্গের রূপায়ণে ইলা মিত্রের সংগ্রামী জীবনের প্রসঙ্গ গ্রামের অশিক্ষিত মানুষের কথাবার্তায় উদাহরণ হিসেবে এসেছে। তমিজের বাবা, দাদা-পরদাদা, চেরাগ আলী, বাঘার মাঝি, কুলসুম, শরাফত ম-ল, কেরামত, ফুলজান, বৈকুণ্ঠের কাহিনি; অন্যদিকে দেশভাগ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, দেশত্যাগ, রিফিউজি আগমন, তেভাগা আন্দোলনের বিবরণ, ৫৯টি পরিচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; 'খোয়াবনামা' উপন্যাস।
.
'দেশ' পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন কে?
  1. অতুলপ্রসাদ সেন
  2. আবুল কালাম শামসুদ্দীন
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. অদ্বৈত মল্লবর্মণ
ব্যাখ্যা
• অদ্বৈত মল্লবর্মণ ও সম্পাদিত পত্রিকাসমুহ: 
- জীবিকার সন্ধানে অদ্বৈত মল্লবর্মণ ১৯৩৪ সালে কুমিল্লার বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজসেবী নরেন্দ্র দত্তের সঙ্গে কলকাতা যান। সেখানে মাসিক পত্রিকা ত্রিপুরা সম্পাদনার মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়।

- পরে তিনি প্রেমেন্দ্র মিত্র সম্পাদিত নবশক্তি পত্রিকায় যোগ দেন। তিনি মোহাম্মদী, আজাদ, নবযুগ, কৃষক, যুগান্তর প্রভৃতি পত্রিকায়ও সাংবাদিকতা করেন।

- ১৯৪৫ সালে বিখ্যাত 'দেশ' পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হিসেবে যোগদান করে তিনি আমৃত্যু এ দায়িত্ব পালন করেন। মাঝে কিছুদিন উপার্জন বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে তিনি বিশ্বভারতীর প্রকাশনা শাখায় খন্ডকালীন চাকরি করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা 'রাইফেল রোটি আওরাত' গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  2. আহমদ ছফা
  3. আনোয়ার পাশা
  4. আলাউদ্দিন আল আজাদ
ব্যাখ্যা
• "রাইফেল রোটি আওরাত" উপন্যাস:
- আনোয়ার পাশার 'রাইফেল রোটি আওরাত' বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা সর্বপ্রথম উপন্যাস। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে ঘটে যাওয়া গণহত্যা এবং তার পরবর্তী দিনের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার কাহিনি উপন্যাসে বর্ণিত হয়েছে।

- সেকালে মুক্তিযুদ্ধের ঘটনা প্রবাহের মধ্যে বসে লেখা, আমাদের সমগ্র ইতিহাসে একটি মাত্র উপন্যাসই পাওয়া যায়-এ উপন্যাসই হচ্ছে "রাইফেল রোটি আওরাত"।

- ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন মাস এর রচনাকাল। লেখক শহীদ আনোয়ার পাশা নিহত হলেন ১৯৭১ সালেরই ১৪ই ডিসেম্বর। স্বাধীনতা লাভের মাত্র দু'দিন আগে তিনি যে অমর কাহিনি উপন্যাসে বিধৃত করেছেন নিজেই হয়ে গেলেন তারই অঙ্গ চিরকালের জন্য।উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধকালীন রচিত এবং ১৯৭৩ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছে।

অধ্যাপক সুদীপ্ত শাহীন এই উপন্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। এই উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্রগুলো হচ্ছে:
- ড. খালেক,
- ড. মালেক,
- ছাবেদ আলী,
- জামাল সাহেব প্রমুখ।

উৎস: "রাইফেল রোটি আওরাত" উপন্যাস।
.
Which play contains the well-known saying, "Cowards die many times before their deaths"?
  1. Measure for Measure
  2. Macbeth
  3. Julius Caesar
  4. Hamlet
ব্যাখ্যা
• The correct answer is - Julius Caesar.

• "Cowards die many times before their deaths" এই উক্তিটি নেয়া হয়েছে William Shakespeare -এর tragedy - 'Julius Ceasar' থেকে।
- পুরো উক্তিটি হচ্ছে - "Cowards die many times before their deaths; The valiant never taste of death but once."
- নাটকের Protagonist - Julius Ceasar -এর করা এই উক্তিটি একটি metaphor -এর উদাহরণ।

• Julius Caesar
- ১৫৯৯-১৬০০ সালের মধ্যে এই নাটকটি লেখা হয় এবং ১৬২৩ সালে Shakespeare -এর First Folio -এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- Julius Caesar, tragedy in five acts by William Shakespeare.
- “Julius Caesar” - William Shakespeare -এর লেখা একটি বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক, যা প্রাচীন রোমের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, বিশ্বাসঘাতকতা এবং ক্ষমতার লড়াই নিয়ে রচিত।
- নাটকটি জুলিয়াস সিজারের হত্যাকাণ্ড ও তার পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতা চিত্রিত করে।
- Julius Ceasar -এর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত ষড়যন্ত্রকারীরা Ceasar -এর বন্ধু Brutus কেও Ceasar -এর বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্রে যোগ দিতে রাজি করায়।
- Julius Ceasar -এর আরেক বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষী Mark Antony তাঁর বন্ধুর মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেন।
- এই যুদ্ধে Brutus এবং তার বন্ধু Cassius হেরে যান এবং আত্মহত্যা করেন, Antony রোমের শাসনকর্তা হয়ে উঠেন।

• এই tragedy -এর কয়েকটি বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে-
- "Cowards die many times before death; The valiant never taste of death but once."
- "Veni, Vidi, Vici (I came, I saw, I conquered)"
- "Et tu, Brute? ('You too, Brutus?')"(last words of Julius Ceasar).

• Important characters of Julius Caesar:
- Julius Caesar,
- Antonio,
- Cleopatra,
- Cassius,
- Octavia, etc.

• William Shakespeare (1564-1616)
- তাঁর জন্মস্থান Stratford Avon.
- Shakespeare -কে 'Bard of Avon' or 'Swan of Avon' বলা হয়।
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor।
- তাঁকে English national poet বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time.
- তিনি 154 টি সনেট, 37 টি play লিখেন।
- 1599 সালে তিনি এবং অন্যরা মিলে লন্ডনে প্রতিষ্ঠা করেন "Globe Theatre".

• অন্যদিকে,
- Measure for Measure (comedy), Macbeth (tragedy), Hamlet (tragedy) এগুলোও হলো Shakespeare রচিত নাটক।

Source: Britannica.
.
"All the world's a stage, And all the men and women merely players."
This is an example of-
  1. Simile
  2. Personification
  3. Metaphor
  4. Allegory
ব্যাখ্যা
• "All the world's a stage, And all the men and women merely players."
- This is an example of a metaphor.

- এই লাইনটি Metaphor -এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ; এখানে 'world' -কে 'stage' -এর সাথে তুলনা করা হয়েছে।
- এখানে শেক্সপিয়র "বিশ্ব" (World) এবং "নাট্যমঞ্চ" (Stage) -এর মধ্যে তুলনা করেছেন, কিন্তু সরাসরি "like" বা "as" ব্যবহার করেননি।
- শেক্সপিয়র এখানে বলতে চেয়েছেন যে, পুরো পৃথিবী একটি নাট্যমঞ্চের মতো, যেখানে প্রত্যেক মানুষ অভিনেতার ভূমিকা পালন করে। প্রতিটি ব্যক্তি তার জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করে এবং নির্দিষ্ট সময়ের পর সেই চরিত্র থেকে সরে যায়, যেমন নাটকের দৃশ্য পরিবর্তিত হয়।

• Metaphor:
- An expression, often found in literature, that describes a person or object by referring to something that is considered to have similar characteristics to that person or object
- Metaphor হলো এক ধরনের অলংকার বা ভাষাগত উপায়, যেখানে দুটি ভিন্ন বস্তুর মধ্যে গুণগত সাদৃশ্য স্থাপন করে একটিকে অন্যটির সাথে তুলনা করা হয়, তবে "like" বা "as" ব্যবহার না করে।
- এটি ভাষাকে আরও চিত্রময়, শক্তিশালী এবং গভীর অর্থপূর্ণ করে তোলে।
- সাধারণত Metaphor দ্বারা এমন দুইটি জিনিসের মধ্যে তুলনা দেওয়া হয়, যারা একই রকম বা সদৃশ নয় কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু সাধারণ মিল থাকে।

• Metaphor -এর আরো কিছু উদাহরণ:
- Life is a stage. (জীবন একটি নাট্যমঞ্চ।)
- He is a lion in courage. (তিনি একটি সিংহের মতো সাহসী।)
- Knowledge is light. (জ্ঞান হলো আলো।)

• অন্যদিকে,
ক) Simile (উপমা)
- A figure of speech comparing two unlike things that is often introduced by like or as.
- Usually as and like are used in it. In simile the resemblance is explicitly indicated by the words.
- দুটি ভিন্নধর্মী জিনিসের মধ্যে As ও Like দ্বারা তুলনা বোঝালে তাকে Simile বলে।
- উপমেয়ের সাথে উপমানের সাদৃশ্য কল্পনা করা।
- Ex: As silent as the grave.
 
খ) Personification (ব্যক্তিরূপে প্রকাশ)
- The description of an object or an idea as if it had human characteristics.
- Personification হল একটি অলঙ্কারশাস্ত্রের কৌশল, যেখানে অজীব, নির্জীব বস্তু বা ধারণাকে মানুষের গুণাবলী বা বৈশিষ্ট্য প্রদান করা হয়।
- অর্থাৎ, কোনো বস্তু, প্রাণী বা বিমূর্ত ভাবনাকে এমনভাবে বর্ণনা করা হয় যেন তা মানুষের মতো আচরণ করছে বা অনুভূতি প্রকাশ করছে।
- Ex:
Time’s cruel hand has stolen my youth.

ঘ) Allegory
(রূপক বর্ণনা; প্রতীকাশ্রয়ী কাহিনী)
- A literary form in which one story is told in the guise of another story.
- A story, play, poem, picture, or other work in which the characters and events represent particular qualities or ideas that relate to morals, religion, or politics.
- Allegory হলো একটি সাহিত্যিক কৌশল যেখানে গল্প, কবিতা বা নাটকের মাধ্যমে গোপন বা প্রতীকী অর্থ প্রকাশ করা হয়।
- এতে চরিত্র, বস্তু এবং ঘটনাগুলি সাধারণত কোনো গভীর অর্থ বা নীতিশিক্ষা বহন করে।
- Allegory মূলত প্রতীকী ভাষায় লেখা হয় এবং এটি সমাজ, নৈতিকতা, ধর্ম, রাজনীতি বা দর্শনের কোনো গভীর ভাব প্রকাশ করে।
- Ex: Augustine's "City of God" is an allegory of the triumph of Good over Evil.

Source:
1. An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.
2. Cambridge Dictionary.
১০.
What is the primary purpose of farce in literature?
  1. To provoke deep philosophical thought
  2. To depict realistic social issues
  3. To entertain through humor and absurdity
  4. To explore tragic themes
ব্যাখ্যা
• The primary purpose of farce in literature is - গ) To entertain through humor and absurdity

• Farce (প্রহসন):
- A literary term used to describe a satire or comedy is called farce.
- a humorous play or film where the characters become involved in unlikely situations.
- এটি মূলত সাহিত্যের একটি ধারা এবং comedy ধরন যা দর্শকদের বিনোদন দেওয়ার লক্ষ্যে অত্যন্ত অতিরঞ্জিত এবং মজার পরিস্থিতি ব্যবহার করে উপস্থাপন করা হয়।
- Farce is also a subcategory of dramatic comedy, যেটি কমেডির অন্যান্য রূপ থেকে আলাদা কারণ এটির লক্ষ্য শুধুমাত্র দর্শকদের হাসানো।

• Farce হলো একটি হাস্যকর সাহিত্যিক শৈলী যা অতিরঞ্জিত ও অবাস্তব পরিস্থিতি, শারীরিক হাস্যরস এবং অদ্ভুততার মাধ্যমে নির্মিত হয়।
- Farce সাধারণত ভ্রান্তি, ভুল পরিচয় এবং অতিরঞ্জিত চরিত্রগুলির মধ্যে ঘটে, যেখানে হাস্যরস মূলত Ridiculous ঘটনা থেকে উঠে আসে।

• Farce -এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- অতিরঞ্জিত চরিত্র: ফার্সে চরিত্রগুলি সাধারণত একমাত্রিক এবং স্টেরিওটাইপিক্যাল হয়, যা তারা যে অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে পড়ে, সেই অস্বাভাবিকতা বাড়িয়ে তোলে।

- অবাস্তব পরিস্থিতি: ফার্সের কাহিনীগুলি সাধারণত অবাস্তব এবং সম巧 ঘটনার উপর ভিত্তি করে থাকে, যা অদ্ভুততার দিকে নিয়ে যায়।

- শারীরিক হাস্যরস: ফার্স সাধারণত শারীরিক হাস্যরসে (Slapstick) সমৃদ্ধ, যেখানে শারীরিক ক্রিয়াকলাপ—যেমন প্রতিস্থাপন, দৌড়ানো এবং হাস্যকর লড়াই—কমেডির কেন্দ্রবিন্দু।

- দ্রুত গতিশীলতা: ফার্সে ঘটনার গতি সাধারণত দ্রুত হয়, যেখানে দৃশ্য পরিবর্তন দ্রুত ঘটে এবং একটি জরুরী অনুভূতি তৈরি হয় যা দর্শকদের আকৃষ্ট রাখে।

- অদ্ভুততা: ফার্সের পরিস্থিতি এবং সমাধানগুলি সাধারণত যুক্তিবোধকে অতিক্রম করে, যা সামাজিক নীতিমালা এবং মানুষের আচরণের উপর হাস্যকর মন্তব্য নিয়ে আসে।

• Farce -এর উদাহরণ:
- "The Importance of Being Earnest" (Oscar Wilde): একটি ক্লাসিক Farce -এর উদাহরণ, যা পরিচয় এবং সামাজিক রীতি নিয়ে হাস্যকর পরিস্থিতি অনুসন্ধান করে।
১১.
'Seriously funny' is an example of-
  1. Romanticism
  2. Paradox
  3. Onomatopoeia
  4. Oxymoron
ব্যাখ্যা
• 'Seriously funny' is an example of an oxymoron.

• Oxymoron:
- A figure of speech in which incongruous or contradictory terms appear side by side.
- Oxymoron হলো একটি অলঙ্কারশাস্ত্রের কৌশল যেখানে দুটি বিপরীতধর্মী বা পরস্পরবিরোধী শব্দ বা ধারণা একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়, যা বিশেষ অর্থ তৈরি করে।
- Two words or phrases used together that have, or seem to have, opposite meanings.
- অর্থাৎ, দুটি বিপরীতার্থক শব্দ পাশাপাশি বসলে Oxymoron হয়।
- When we use phrases like male-female, host-guest, civil war, an open secret, magic realism, or wise fool, we use oxymorons.

• Oxymoron -এর বৈশিষ্ট্য:
- বিপরীতধর্মী শব্দ: দুটি পরস্পরবিরোধী বা সাংঘর্ষিক শব্দ পাশাপাশি বসানো হয়।
- অসঙ্গত সম্পর্ক: শব্দগুলো একে অপরের বিপরীত হলেও একত্রে বিশেষ অর্থ তৈরি করে।
- শব্দচাতুরী: লেখকের সৃজনশীলতা প্রকাশ করে এবং ভাষায় গভীরতা আনে।
- কাব্য ও সাহিত্যিক ব্যবহার: এটি কবিতা, নাটক, গল্প এবং অন্যান্য সাহিত্যকর্মে অর্থবহ করে তোলে।

• Oxymoron -এর কিছু উদাহরণ:
- "Deafening silence" 
- "Living dead" 
- "Seriously funny"
- "Bitter sweet" 
- "Act naturally"
- "Awfully good"
- "Original copy"
- "Alone together"

Source: An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman and Britannica.
১২.
Who quoted, "In my beginning is my end"?
  1. Lord Byron
  2. T.S. Eliot
  3. Ernest Hemingway
  4. William Wordsworth
ব্যাখ্যা
• "In my beginning is my end" is quoted by T.S. Eliot.
- এই উক্তিটি T.S. Eliot -এর অন্যতম কাব্যগ্রন্থ 'Four Quartets' থেকে নেওয়া যা চারটি দীর্ঘ কবিতার সমষ্টি।

• Four Quartets -এর আরো কয়েকটি উক্তি হলো-
- “The river is within us, the sea is all about us.”
- “The end is where we start from.”
- “Time present and time past / Are both perhaps present in time future.”

• T. S. Eliot -এর বিখ্যাত উক্তিসমূহ:
- "April is the cruellest month."
- "Success is relative:
It is what we can make of the mess we have made of things."

- "Half of the harm that is done in this world
Is due to people who want to feel important."

- "Hell is oneself,
Hell is alone, the other figures in it
Merely projections."

- "The last temptation is the greatest treason:
To do the right deed for the wrong reason."

• T. S. Eliot
- তার পুরো নাম Thomas Stearns Eliot.
- তিনি ছিলেন একজন আমেরিকান-ইংরেজ কবি, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক এবং সম্পাদক।
- He was born in September 26, 1888, St. Louis, Missouri, U.S.
- ১৯৬৫ সালের ৪ জানুয়ারি তিনি লন্ডনে মারা যান।
- Eliot কে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক বিবেচেনা করা হয়।
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• Best poems of T.S. Eliot:
- The Waste Land (1922)
- Four Quartets (1943).
- The Sacred Wood (Collection of Essays).

Source: An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman and Britannica.
১৩.
'Aphorism' primarily refers to-
  1. A short saying that is intended to express a general truth.
  2. A lengthy, detailed narrative or story.
  3. The repetition of a word or expression at the beginning of successive phrases, or verses.
  4. A type of metaphor used to describe emotions.
ব্যাখ্যা
• 'Aphorism' primarily refers to - A short saying that is intended to express a general truth.

• Aphorism
- A short saying that is intended to express a general truth.
- The use of Aphorism reflects the range of an author's experience and adds universality to the text in which it is used.
- Aphorism হলো একটি সংক্ষিপ্ত, অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ উক্তি বা পর্যবেক্ষণ যা একটি সাধারণ সত্য বা নীতিকে প্রকাশ করে।
- এটি সাধারণত সংক্ষিপ্ত, স্মরণীয় এবং প্রায়শই একটি দার্শনিক বা নৈতিক সুরে লেখা হয়।
- এগুলো সংক্ষিপ্ত এবং প্রভাবশালীভাবে জ্ঞান যোগাযোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

• Aphorism -এর কিছু উদাহরণ হলো-
- "Knowledge is power."
- "Time is money."
- "Actions speak louder than words."

Source: An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.
১৪.
'A short, often funny story, especially about something someone has done' is called a/an-
  1. Limerick
  2. Fable
  3. Anecdote
  4. Tale
ব্যাখ্যা
• 'A short, often funny story, especially about something someone has done' is called an anecdote.

• Anecdote
- A usually short narrative of an interesting, amusing, or biographical incident.
- Anecdote হলো একটি সংক্ষিপ্ত এবং মজাদার বা অর্থবহ গল্প, যা সাধারণত কোনো বাস্তব ঘটনা বা ব্যক্তির অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে বলা হয়। এটি মূলত ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বা ছোট গল্পের মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট পয়েন্ট তুলে ধরতে ব্যবহৃত হয়।

•  উদাহরণ:
- একজন শিক্ষক যদি শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়ের গুরুত্ব বোঝাতে নিজের জীবনের একটি ছোট ঘটনা বলেন, তবে সেটি একটি Anecdote হবে।

• Other options:
ক) Limerick
- A humorous poem with five lines.

খ) Fable
- A short story that tells a moral truth, often using animals as characters.
- জীবজন্তুর আচরণ ও কথাবার্তার মাধ্যমে নীতিকথা তুলে ধরার উদ্দেশ্যে রচিত কল্পকাহিনি।

ঘ) Tale
- A story or report, esp. one that is invented or difficult to believe.
- A usually imaginative narrative of an event: story.

Source:
1. Britannica.
2. Cambridge Dictionary.
3. Merriam-Webster Dictionary.
১৫.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  2. ফ্রেডেরিখ অ্যাবেট
  3. রিচার্ড নিক্সন
  4. উড্রো উইলসন
ব্যাখ্যা
• উড্রো উইলসন:
- যুক্তরাষ্ট্রের ২৮ তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় একটি ১৪ দফা বিশিষ্ট বক্তব্য প্রদান করেন।
- তাতে ছিল ইউরোপে শান্তি প্রতিষ্ঠার ও জাতিপুঞ্জ গঠনের আহ্বান।
- এই প্রস্তাবনার ১৪ নং পয়েন্টে জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।

• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৯১৪-১৯১৮ সাল।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।

উল্লেখ্য,
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কালীন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান:
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী: জর্জ লয়েড।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট: উড্রো উইলসন।
- রাশিয়ার জার: দ্বিতীয় নিকোলাস।
- জাপানের সম্রাট: যুসোহিতো।

উৎস: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১৬.
'Inter-Services Intelligence' কোন দেশের গোয়েন্দাসংস্থা?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. সিরিয়া
  3. ইরাক
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
• Inter-Services Intelligence (ISI) পাকিস্তানের গোয়েন্দাসংস্থা।
- Federal Investigation Agency (FIA) পাকিস্তানের গোয়েন্দাসংস্থা।

• অন্যান্য কিছু দেশের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থার নাম:
- National Security Intelligence (NSI) - বাংলাদেশ। 
- Criminal Investigation Department (CID)- বাংলাদেশ। 
- Research and Analysis Wing (RAW)- ভারত। 
- Central Bureau of Investigation (CBI) -ভারত
- Federal Security Service (FSB)- রাশিয়া। 
- Secret Intelligence Service (SIS)- যুক্তরাজ্য।
- Military Intelligence, Section 6 (MI6) -যুক্তরাজ্য।
- MOSSAD - ইসরাইল।
- Central Intelligence Agency (CIA)- যুক্তরাষ্ট্র। 
- Federal Bureau of Investigation (FBI)- যুক্তরাষ্ট্র। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৭.
হিজবুল্লাহ কী?
  1. লেবাননের শিয়া মুসলিমদের সামরিক গোষ্ঠী
  2. লেবাননের সুন্নী মুসলিমদের সামরিক গোষ্ঠী
  3. ইরাকের সুন্নী মুসলিমদের সামরিক গোষ্ঠী
  4. ইয়েমেনের সুন্নী মুসলিমদের সামরিক গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
• হিজবুল্লাহ (Hezbollah):
- হিজবুল্লাহ, যার অর্থ "আল্লাহর দল"।
- এটি লেবাননের শিয়া মুসলিমদের সামরিক গোষ্ঠী।
- ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালে প্রকাশ্যে হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- বর্তমানে সংগঠনটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন নাইম কাসেম। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
- এটি মূলত ইরানের সমর্থন পেয়ে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য গঠিত হয়।
- হিজবুল্লাহ লেবাননের শিয়া জনগণের অধিকার এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণের পক্ষে কাজ করে।
- তবে এটি একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে লেবাননের সীমানার বাইরে সামরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখে এবং তাদের সক্রিয়তা মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে বিরোধ সৃষ্টি করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৮.
NPT এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Non-Proliferation Treaty
  2. Nuclear Non-Proliferation Treaty
  3. Nuclear Proliferation Treaty
  4. North Atlantic Proliferation Treaty
ব্যাখ্যা
'NPT':
- পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্র প্রযুক্তির  বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

উৎস: UNODA ওয়েবসাইট।
১৯.
হিরোশিমায় পারমানবিক বোমা ফেলা হয় কখন?
  1. ৬ জুন, ১৯৪৫ সালে
  2. ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে
  3. ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে
  4. ৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সালে
ব্যাখ্যা
• লিটলবয়:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন প্রায় শেষের পথে, তখন জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকি শহরে পারমানবিক বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- জাপানের হিরোশিমা শহরে প্রথম ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে বোমা বর্ষণ করে।
- বোমাটির নাম ছিলো লিটলবয়।
- এটি বিশ্বে প্রথম কোন যুদ্ধে ব্যবহৃত গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্র।
- মারা গিয়েছিল হাজার হাজার মানুষ।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য,
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে নাগাসাকি শহরে দ্বিতীয় পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে।
- নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো ফ্যাটম্যান।

• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে এডলফ হিটলার কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমনের মাধ্যমে।
- মিত্রশক্তি ছিলো- ব্রিটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, যুক্তরাষ্ট্র, পোল্যান্ড, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন।
- অক্ষশক্তি ছিলো- জাপান, জার্মানি, ইতালি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে।
- মিত্রশক্তি যুদ্ধে জয়লাভ করে।

উৎস: History.com.
২০.
'আটলান্টিক সনদ' স্বাক্ষরিত হয় কার কার মধ্যে?
  1. রুজভেল্ট ও উইনস্টন চার্চিল
  2. রুজভেল্ট ও স্টালিন
  3. রুজভেল্ট, উইনস্টন চার্চিল ও স্টালিন
  4. উইনস্টন চার্চিল ও স্টালিন
ব্যাখ্যা
• আটলান্টিক সনদ:
- আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের মধ্য।
- স্বাক্ষরের সময়কাল: ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সাল।
- উদ্দেশ্য: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
- স্বাক্ষরের স্থান: উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।
- এর ফলে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২১.
নিচের কোনটি "ডিপ স্টেট" ধারণার সাথে সম্পর্কিত?
  1. সরকার নিয়ন্ত্রণকারী গোপন সংগঠন
  2. শক্তিশালী রাষ্ট্র
  3. পিছিয়ে পড়া রাষ্ট্র
  4. অন্য রাষ্ট্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত রাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• ডিপ স্টেট:
- "ডিপ স্টেট" ধারণা অনুসারে, সরকার পরিচালনার আড়ালে কিছু শক্তিশালী সংস্থা বা ব্যক্তিবর্গ গোপনে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- এটি অনেক সময় ষড়যন্ত্র তত্ত্বের (Conspiracy Theory) অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে মনে করা হয় যে প্রকৃত ক্ষমতা নির্বাচিত সরকার নয়, বরং কিছু নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও গোষ্ঠীর হাতে থাকে।
- বিশেষত, কিছু দেশে সামরিক বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান বা আমলাতন্ত্রকে "ডিপ স্টেট" হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়।
- উদাহরণ: মিশর।

উৎস: Stanford University Website.
২২.
BGP কোন দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী?
  1. পাকিস্তান
  2. মিয়ানমার
  3. ভুটান
  4. বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
• বিজিপি (BGP) বা বর্ডার গার্ড পুলিশ মিয়ানমার-এর সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

• বিভিন্ন দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী:
- বর্ডার গার্ডস বাংলাদেশ (BGB): বাংলাদেশ।
- বিএসএফ (BSF): ভারত,
- রেঞ্জার্স: পাকিস্তান,
- ইউনাইটেড স্টেট বর্ডার পোর্টাল: যুক্তরাষ্ট্র,

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৩.
'অপারেশন এনডিউরিং ফ্রিডম' কোন দেশে পরিচালনা করা হয়?
  1. ইরাক
  2. পাকিস্তান
  3. আফগানিস্তান
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
• অপারেশন এনডিউরিং  ফ্রিডম:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আফগানিস্তানের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান।
- তৎকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ।
- আনুষ্ঠানিকভাবে ৭ অক্টোবর, ২০০১ আফগানিস্তানে আল-কায়েদা এবং তালেবান বাহিনীর বিরুদ্ধে আমেরিকান এবং ব্রিটিশ বোমা হামলার মাধ্যমে এই সামরিক অভিযান শুরু হয়েছিল।
- এই অভিযানের শুরুতেই তালেবানকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং আল-কায়েদাকে দুর্বল করে দেয়া হয়।
- ২ মে ২০১১ সালে ইউএস নেভি সিল পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে ওসামা বিন লাদেনের কম্পাউন্ডে অন্য একটি অভিযান শুরু করে এবং তাঁকে হত্যা করে।
- অপারেশন এনডিউরিং ফ্রিডম আনুষ্ঠানিকভাবে ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৪ সালে শেষ হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
• অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অপারেশন:
- অপারেশন ওডিসি ডন: লিবিয়া আক্রমণ (২০১১ সাল)। 
- অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম: ইরাকে বহুজাতিক বাহিনীর আক্রমণ (১৯৯১ সাল)। 
- অপারেশন ডেজার্ট ফক্স: ১৯৯৮ সালে মার্কিন ও ব্রিটিশ বাহিনীর ইরাক আক্রমণ।

উৎস: ইউএস নেভাল ওয়েবসাইট।
২৪.
অনবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার পরিবেশে কী প্রভাব ফেলে? 
  1. পরিবেশকে দূষণমুক্ত করে
  2. পরিবেশকে সুরক্ষিত রাখে
  3. গ্লোবাল ওয়ার্মিং সৃষ্টি করে
  4. নতুন শক্তির উৎস সৃষ্টি করে
ব্যাখ্যা
অনবায়নযোগ্য শক্তি: 
- অনবায়নযোগ্য মানেই হলো যে শক্তি একবার ব্যবহার করা হলে তার উৎস থেকে পুনরায় শক্তি উৎপন্ন করা যায় না। 
- এটি হলো মূলত প্রাকৃতিক সম্পদ যা পুনরায় উৎপন্ন করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে এদের তৈরি করতে যত সময় লাগে, তার চেয়ে কম সময়ে ব্যায়িত হয়। 
যেমন- কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, ইউরেনিয়াম ইত্যাদি। 

অনবায়নযোগ্য শক্তির সুবিধা: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির সুবিধা মূলত দুটি দিক থেকে বিবেচনা করা হয়- দাম ও প্রাচুর্য। 
- বেশির ভাগ যন্ত্রপাতি বা যানবাহন অনবায়নযোগ্য শক্তির সাহায্যে চলে, এদের নবায়নযোগ্য শক্তির সাহায্যে চালাতে অনেক বেশি খরচ লাগে। 
যেমন: সাধারণ বা প্রাকৃতিক গ্যাস বা তেলে কম খরচে যানবাহন বা যন্ত্রপাতি চলে। অপরপক্ষে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস যেমন- সৌরশক্তি দ্বারা কোনো যানবাহন চালানো কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল। 
- অনবায়নযোগ্য জ্বালানি সস্তা, এদের অল্প পরিমাণ থেকে বেশি শক্তি পাওয়া যায় যেমন- পারমানবিক চুল্লিতে অল্প ইউরেনিয়াম থেকে অনেক বিদ্যুৎশক্তি পাওয়া যায়। 

অনবায়নযোগ্য শক্তির সীমাবদ্ধতা: 
- অনবায়নযোগ্য জ্বালানির অসুবিধাগুলো হলো- 
• এটি অনবায়নযোগ্য ও দ্রুত ফুরিয়ে যায়, এরা মূলত নিঃশেষ হয়ে যায়। 
• পরিবেশকে বেশ উচ্চমাত্রায় দূষিত করে। 
• এদের দহনে কার্বন ডাই-অক্সাইড বাতাসে ছড়ায়, ফলে গ্লোবাল ওয়ার্মিং তৈরি করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
২৫.
গ্যাসীয় পদার্থের ক্ষেত্রে আয়তন কিভাবে পরিবর্তিত হয়?
  1. আয়তন একই থাকে
  2. গ্যাসের চাপ বাড়ালে আয়তন বাড়ে
  3. গ্যাসের তাপমাত্রা বাড়লে আয়তন কমে
  4. পাত্রের আকারের সাথে আয়তন পরিবর্তিত হয়
ব্যাখ্যা
গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থ যেমন- বাতাসের কোন নির্দিষ্ট আকৃতি নেই। 
- একই পরিমাণ গ্যাস ছোট পাত্রে রাখলে এর আয়তন কম হয় আবার বড় পাত্রে রাখলে এর আয়তন বেশি হয়। 
যেমন- যদি সমপরিমাণ গ্যাস দুইটি সিলিন্ডারে রাখা হয় তাহলে তা ছোট সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে যেমন সম্পূর্ণ সিলিন্ডার জুড়ে থাকবে, তেমনি একই পরিমাণ গ্যাস বড় সিলিন্ডরে রাখলেও তা সম্পূর্ণ সিলিন্ডার জুড়ে থাকবে। অর্থ্যাৎ, গ্যাসীয় পদার্থ যে পাত্রে রাখা হয় ঐ পাত্রের আয়তনই গ্যাসের আয়তন। 
- গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি ও আয়তন নেই, দৃঢ়তা তো একবারেই নেই। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
২৬.
কোন রশ্মি চার্জহীন এবং ভরহীন একটি কণা?
  1. আলোক রশ্মি
  2. রঞ্জন রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. বিটা রশ্মি
ব্যাখ্যা
গামা রশ্মি: 
- গামা রশ্মি আসলে শক্তিশালী বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। 
- কাজেই গামা রশ্মির কোনো চার্জ নেই (আধানহীন), কিন্তু শক্তিশালী হওয়ার কারণে এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য খুব কম (কম্পন অনেক বেশি)। 
- শক্তি বেশি বা কম হলেও এর বেগ সব সময়েই আলোর বেগের সমান। 
- যখন কোনো নিউক্লিয়াস আলফা কণা কিংবা বিটা কণা বিকিরণ করে 'উত্তেজিত' অবস্থায় থাকে তখন বাড়তি শক্তি গামা রশ্মি হিসেবে বের করে এটি নিরুত্তেজ হয়। 
- গামা রশ্মি চার্জহীন এবং ভরহীন, তাই এর বিকিরণে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা কিংবা নিউক্লিওন সংখ্যার কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- গামা রশ্মির যেহেতু চার্জ নেই তাই এটাকে বিদ্যুৎ কিংবা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্রভাবিত করা যায় না। 
- চার্জ না থাকলেও এটি বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অণু-পরমাণুকে আয়নিত করতে পারে এবং সেখান থেকে গামা রশ্মির অস্তিত্বও বোঝা যায়। 
- গামা রশ্মিকে থামাতে সাধারণত কয়েক সেন্টিমিটার সিসার পুরু পাতের দরকার হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৭.
অপটিক্যাল ফাইবার হলো -
  1. সরু ধাতব তার
  2. খুব সরু কাঁচতন্তু
  3. সূক্ষ্ম প্লাস্টিক নল
  4. খুব সরু ফাইবার নল
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার: 
- অপটিক্যাল ফাইবার হলো একটি খুব সরু কাঁচতন্তু, এটা মানুষের চুলের মতো চিকন এবং নমনীয়। 
- আলোক রশ্মিকে বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন এই কাঁচতন্তুর মধ্যে প্রবেশ করে তখন এর দেয়ালে বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটতে থাকে। এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে আলোক রশ্মি কাঁচতন্তু অপর প্রান্ত দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত। 
- সাধারণত চিকিৎসকেরা মানবদেহের ভিতরের কোনো অংশ (যেমন পাকস্থলী, কোলন ইত্যাদি দেখার জন্য) যে আলোক নলটি ব্যবহার করে এটি একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারের সমন্বয়ে গঠিত। 
- এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের আরেকটি ক্ষেত্র হলো টেলিযোগাযোগ। এতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়। 
- এই সংকেত অনেক দূর পর্যন্ত যেতে পারে না। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
২৮.
ভোল্টমিটার কোন যন্ত্রের সাহায্যে বিভব পার্থক্য পরিমাপ করে?
  1. অ্যামিটার
  2. থার্মোমিটার
  3. ইলেকট্রোমিটার
  4. গ্যালভানোমিটার
ব্যাখ্যা
ভোল্টমিটার: 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর যেকোনো দুই বিন্দুর মধ্যকার বিভব পার্থক্য সরাসরি ভোল্ট এককে পরিমাপ করা যায়, তাকে ভোল্টমিটার বলে। 
- বর্তনীর যে দুই বিন্দুর বিভব পার্থক্য পরিমাপ করতে হবে, ভোল্টমিটারকে সেই দুই বিন্দুর সাথে সমান্তরালে সংযুক্ত করতে হয়। 
- ভোল্টমিটারে মূলত একটি গ্যালভানোমিটার থাকে যার সাহায্যে বিভব পার্থক্য পরিমাপ করা যায়। 
- এর বিক্ষেপ নির্ণয়ের জন্য একটি সূচক বা কাঁটা লাগানো থাকে। সূচকটি ভোল্ট এককে দাগাঙ্কিত একটি স্কেলের উপর ঘুরতে পারে। 
- বর্তনীর যে দুই বিন্দুর বিভব পার্থক্য পরিমাপ করতে হয় ভোল্টমিটারটিকে সেই দুই কিন্দুর সাথে সমান্তরালে সংযুক্ত করতে হয়। 
- তড়িৎ কোষ বা অ্যামিটারের মতো ভোল্টমিটারেও দুটি সংযোগ প্রান্ত থাকে, একটি ধনাত্মক ও একটি ঋণাত্মক প্রান্ত। 
- সাধারণত ধনাত্মক প্রান্ত লাল এবং ঋণাত্মক প্রান্ত কালো রঙের হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
২৯.
শব্দেতর বা ইনফ্রাসাউন্ড বলতে বুঝায়
  1. কম্পাঙ্ক 20 Hz থেকে বেশি
  2. কম্পাঙ্ক 20 KHz থেকে কম
  3. কম্পাঙ্ক 20 Hz থেকে 20,000 Hz এর মাঝামাঝি অবস্থা
  4. সবগুলোই
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: 20 Hz থেকে কম। 
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
-------------------------------- 

শব্দ তরঙ্গ: 
- শব্দ তরঙ্গ তৈরি করতে তার একটা উৎসের দরকার, তা প্রবাহিত করার জন্য একটা মাধ্যমের দরকার এবং সেই শব্দ গ্রহণ করার জন্য কোনো এক ধরনের রিসিভার দরকার। 
যেমন- ইলেকট্রনিক স্পিকারে যে পাতলা ডায়াফ্রাম রয়েছে সেটিকে সুনির্দিষ্টভাবে কাঁপিয়ে শব্দ তৈরি করা হয়। স্কুলের ঘণ্টার মাঝে আঘাত করলে সেটি কাঁপতে শুরু করে শব্দ তৈরি করে, এবং তখন হাত দিয়ে সেটাকে চেপে ধরে কম্পন বন্ধ করে ফেললে সাথে সাথে শব্দও বন্ধ হয়ে যায়। গিটারের তারে টোকা দিলে সেটি কাঁপতে থাকে এবং শব্দ তৈরি করে। ল্যাবরেটরিতে সুর শলাকা দিয়ে নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের শব্দ তৈরি করা যায়। 
- শব্দের কম্পাঙ্ক যদি 20 Hz থেকে 20,000 Hz (অর্থাৎ 20 kHz) এর মাঝখানে থাকে তাহলে সেই শব্দ শোনা যায়। 
(তবে কানে হেডফোন লাগিয়ে অবিরত গান শুনে কিংবা প্রচণ্ড শব্দদূষণে থাকলে অনেক সময় শোনার ক্ষমতা কমে যায়।) 
- শব্দের কম্পাঙ্ক 20 Hz থেকে কম হলে সেটাকে শব্দেতর বা ইনফ্রাসাউন্ড বলে এবং 20 kHz থেকে বেশি হলে সেটাকে শব্দোত্তর বা আলট্রাসাউন্ড বলে। 
- 20 Hz থেকে কম কিংবা 20 kHz থেকে বেশি কম্পাঙ্ক তৈরি করা হলে সেটি বাতাসে যে আলোড়ন সৃষ্টি করে তা শুনতে পাওয়া যায় না। এ ধরনের শব্দের অস্তিত্ব বুঝতে হলে বিশেষ ধরনের মাইক্রোফোন বা রিসিভার ব্যবহার করতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩০.
যে পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মধ্যে মাঝামাঝি অবস্থায় থাকে, তাকে কী বলা হয়?
  1. অপরিবাহী পদার্থ
  2. পরিবাহী পদার্থ
  3. সুপরিবাহী পদার্থ
  4. অর্ধপরিবাহী পদার্থ
ব্যাখ্যা
অপরিবাহী পদার্থ: 
- যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। 
যেমন- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ ইত্যাদি। 
- মূলত অধাতুগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়। 

পরিবাহী পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থে তার অণু-পরমাণু শক্ত করে নিজের জায়গায় বসে থাকে ফলে তাপমাত্রা বাড়লে তারা নিজের জায়গায় কাঁপাকাঁপি করতে পারে কিন্তু সেখান থেকে সরে অন্য জায়গায় চলে যায় না। 
- ধাতব পরমাণুর কিছু ইলেকট্রন প্রায় মুক্ত অবস্থায় থাকে এবং সেগুলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে, সেগুলোকে পরিবাহী পদার্থ বলা হয়। 
যেমন- সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি। 
- পরিবাহী পদার্থ দিয়ে চার্জকে স্থানান্তর করা যায়, তবে এই স্থানান্তর হয় ইলেকট্রন দিয়ে, বিদ্যুতের প্রবাহ হয় ইলেকট্রন দিয়ে, নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন। 

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- কিছু কিছু পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, তবে তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়। এই ধরনের পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
যেমন- সিলিকন বা জার্মেনিয়াম সেমিকন্ডাক্টরের উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩১.
কোন ধরনের ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি থাকে? 
  1. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার
  2. স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার
  3. সমান প্যাঁচসংখ্যার ট্রান্সফরমার
  4. ভোল্টেজ পরিবর্ধক ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা
ট্রান্সফরমার: 
- চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন হলে বিদ্যুৎ তৈরি হয়-এই নীতি ব্যবহার করে ট্রান্সফরমার তৈরি করা হয়। 
- যে পদ্ধতিতে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই একটি কয়েল থেকে অন্য কয়েলে বিদ্যুৎ পাঠানো যায়, সেই প্রক্রিয়াকে বলে ট্রান্সফরমার। 
- তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের ব্যবহার করে AC বা পরিবর্তী তড়িৎ বিভব বৃদ্ধি বা কমানো হয়, যে যন্ত্রের মাধ্যমে এই কাজ করা হয় তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- এই ট্রান্সফরমার দিয়ে অত্যন্ত চমকপ্রদ কিছু বিষয় করা যায়। 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায়, তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে। বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে ভোল্টেজকে অনেক গুণ বাড়ানো হয়। 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা কম হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে কমে যায় তাকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩২.
সার্জেন্ট জহুরুল হক কেন বিখ্যাত?
  1. সেক্টর কমান্ডার হিসেবে
  2. খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে
  3. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী হিসেবে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সার্জেন্ট জহুরুল হক:
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সঙ্গে সার্জেন্ট জহুরুল হকের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।

- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৭ নম্বর আসামি করা হয়েছিল।
- কারাবন্দী থাকা অবস্থায় ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ তারিখে সেলের হাবিলদার মঞ্জুর শাহ তাকে গুলি করে।
- তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে রাতে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
- সার্জেন্ট জহুরুল হক হত্যাকাণ্ডের ফলে আইয়ুববিরোধী গণঅভ্যুত্থান আন্দোলন তুঙ্গে উঠে।
- গণআন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত ২২ ফেব্রুয়ারি আইয়ুব খানের সামরিক সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৩.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ১দফা ঘোষণা হয় কত তারিখে?
  1. ৩১ জুলাই
  2. ২ আগস্ট
  3. ৩ আগস্ট
  4. ৪ আগস্ট
ব্যাখ্যা
• ৩ আগস্ট ২০২৪ :
- কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম ঘোষণা করেন যে তাদের সরকারের সাথে আলোচনার কোন পরিকল্পনা নেই এবং হাসিনার পদত্যাগ এবং ‘সবার কাছে গ্রহণযোগ্য’ একজন ব্যক্তির নেতৃত্বে ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের দাবিতে লংমার্চ টু ঢাকা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- হাসিনা আলোচনার প্রস্তাব দিলেও ছাত্ররা তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে।
- বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে, প্রধান সমন্বয়কদের একজন নাহিদ ইসলাম শহিদ মিনারে সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে বক্তৃতা করেন, যেখানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রিসভার পদত্যাগের জন্য একক দাবি ঘোষণা করে এবং আহ্বান জানায়। 

উল্লেখ্য,
• জুলাই গণঅভ্যুত্থান/ জুলাই বিপ্লব:
-জুলাই গণঅভ্যুত্থান/ জুলাই বিপ্লব নামে পরিচিত ছাত্র-জনতার আন্দোলন হচ্ছে বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক গণঅভ্যুত্থান যা ২০২৪ সালের ৫ জুন থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত অগণিত প্রাণ বিসর্জন দেয়ার মধ্য দিয়ে বিগত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে।
- ঐতিহাসিক এই বিপ্লবের বিজয়ের ধারার সূচনা হয়েছিল সরকারি চাকুরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবির আন্দোলনের মধ্য দিয়ে।
- এটি পরে সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে আরো প্রবল হয়ে উঠেছিল যা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চূড়ান্ত রূপ লাভ করে শেখ হাসিনার পদত্যাগের মাধ্যমে।

উৎস: বাসস।
৩৪.
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের জন্মস্থান কোন জেলায়?
  1. ভোলা
  2. নড়াইল
  3. ঝিনাইদহ
  4. নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের জন্মস্থান - সোনাইমুড়ি, নোয়াখালী।

• মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদ বীরশ্রেষ্ঠ গণের জন্মস্থান-

- বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান - আগা সাদেক রোড, ডাকা। পৈতৃক নিবাস: নরসিংদী
- বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল- দৌলতখান, ভোলা।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর- বাবুগঞ্জ, বরিশাল।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ সিপাহী হামিদুর রহমান- মহেশপুর, ঝিনাইদহ।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ- নড়াইল।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ- মধুখালী, ফরিদপুর।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৫.
মুক্তিযুদ্ধে কোন রেজিমেন্ট 'জেড ফোর্স' এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ১ম রেজিমেন্ট
  2. ৩য় রেজিমেন্ট
  3. ৮ম রেজিমেন্ট
  4. ৯ম রেজিমেন্ট
ব্যাখ্যা
• মুক্তিবাহিনী:
- মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত ও অনিয়মিত দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল।
- অনিয়মিত বাহিনী গণবাহিনী নামে পরিচিত ছিল।
- নিয়মিত বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসের সৈন্যরা।
• ব্রিগেড ফোর্স: 
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনকে ১১টি সেক্টর ও তার অধীন অনেক সাব-সেক্টর ছাড়াও তিনটি ব্রিগেড ফোর্সে বিভক্ত করা হয়।

জেড ফোর্স:
- 'জেড ফোর্স' নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- এই ব্রিগেডের কমান্ডার মেজর জিয়াউর রহমানের নামের ইংরেজি আদ্যক্ষর 'জেড' অনুসারে ব্রিগেডটির নামকরণ করা হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

• 'এস' ফোর্স:
এ ব্রিগেডের অধিনায়ক ছিলেন সফিউল্লাহ।
'এস ফোর্স' নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি ২য় ও ১১তম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

• 'কে' ফোর্স:
খালেদ মোশাররফের অধিনায়কত্বে 'কে ফোর্স' গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩৬.
'সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান' কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ১৯৬৯ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
• সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান:
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা এবং ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতা হত্যাকাণ্ডের ঘটনার ধারাবাহিকতায় ওই দিনই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ তার অনুসারী সেনাসদস্যদের নিয়ে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দী করেন।
- ৬ নভেম্বর খালেদ মোশাররফ বঙ্গভবনের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন।
- তৎকালীন প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমদকে গ্রেফতার করেন এবং মন্ত্রিসভা বাতিল ও জাতীয় সংসদ ভেঙে দেয়ার ঘোষণা দেন।
- একই দিনে তিনি প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে দেশের প্রেসিডেন্টের বানান।
- পরবতীতে ৬ নভেম্বর গভীর রাতে সেনাবাহিনীর সাধারণ সিপাহিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশপ্রেমবোধ নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
- সিপাহি-জনতার সেই বিপ্লবে মুক্ত হন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান।
- ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে সর্বস্তরের সৈনিক ও জনতা সম্মিলিতভাবে নেমে আসে ঢাকার রাস্তায়, ছড়িয়ে পড়ে উচ্ছাসে আর ভালোবাসায়।
- এটাই  ইতিহাসে সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান নামে পরিচিত।
- বিশাল এক জনসংহতির নজির সৃষ্টি হয় দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতি নির্মাণের প্রচেষ্টায়।
-১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানে ঐ বছরের মধ্য আগস্ট থেকে চলা অস্থিতিশীল পরিস্থিতির অবসান হয়।

উল্লেখ্য,
-বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন পৃথক নামে দিনটি পালন করে।
-বিএনপি দিনটিকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে।
-জাসদ দিনটিকে পালন করে ‘সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো।
৩৭.
"Avira" হলো একটি-
  1. ডেটাবেজ সফটওয়্যার
  2. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
  3. কম্পিউটার ভাইরাস
  4. এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- সিআইএইচ
- ভিয়েনা ইত্যাদি।

উৎস:
১. cobraantivirus website.
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা
৩৮.
নিচের কোনটি "অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার"?
  1. Linux
  2. MAC OS
  3. MS Excel
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যার:
- সাধারণত সফটওয়‍্যার বলতে কম্পিউটারের প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টিকে বোঝানো হয়।
- অর্থাৎ সফটওয়‍্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়‍্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।

• কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা:
১. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার ও
২. সিস্টেম সফটওয়্যার।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যার:
- ব্যবহারকারীদের দ্বারা সর্বাধিক ব্যবহৃত সফটওয়্যার হলো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- এটি কম্পিউটার সিস্টেম পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয় না, বরং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ব্যবহার করা হয়।
- ব্যবহারকারীরা সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেমের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারই ব্যবহার করে থাকেন।
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার সিস্টেম সফটওয়্যার (যেমন, অপারেটিং সিস্টেম)-এর ওপর নির্ভরশীল।
- সিস্টেম সফটওয়্যার (অপারেটিং সিস্টেম) ব্যবহারকারী ও কম্পিউটার হার্ডওয়‍্যারের মধ্যে একটি ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করে।
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করে।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। 

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারের উদাহরণ:
- MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।

• সিস্টেম সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।

• সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ:
- MS DOS, LINUX, UNIX, MS WINDOWS 98, MS WINDOWS, MAC OS, SYMBIAN, ANDROID, PC DOS, XENIX, AIX, ইত্যাদি। 

উৎস:
১. Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯.
অপারেটিং সিস্টেম নয় কোনটি?
  1. CP/M
  2. UNIX
  3. Mac OS
  4. Visual C
ব্যাখ্যা
• Visual C 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষার একটি সংস্করণ।

• অপারেটিং সিস্টেম:

- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম:
• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।
- XENIX হলো UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি সংস্করণ।

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস।
- ডিস্ক ফর্মেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়।
- Linux, Unix, MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০.
এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্র কোনটি?
  1. ওয়েব ব্রাউজিং
  2. ভিডিও এডিটিং
  3. ওয়ার্ড প্রসেসিং
  4. মাইক্রোওয়েভ
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- গাড়ি,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computerhope Website.
৪১.
ইউনিক্সের প্রথম সংস্করণ কোন কম্পিউটারের জন্য তৈরি করা হয়েছিল?
  1. IBM-PC
  2. PDP-7
  3. Apple Macintosh
  4. DEC Alpha
ব্যাখ্যা
• ইউনিক্স:
- ১৯৬৯ সালে কেন থমসন AT&T-এর বেল ল্যাবরেটরিতে PDP-7 মিনি কম্পিউটারের জন্য একটি সহজ, কার্যকর, এবং তুলনামূলকভাবে ছোট আকারের অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন, যার নাম দেওয়া হয় ইউনিক্স (UNIX)।
- আইনগত সীমাবদ্ধতার কারণে ১৯৭৬ সালের পূর্ব পর্যন্ত AT&T কেবলমাত্র অভ্যন্তরীণভাবে ইউনিক্স ব্যবহার করত।
- ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় ১৯৭৬ সালে ইউনিক্স-এর প্রথম পাবলিক ভার্সন UNIX-6 প্রকাশিত হয়।
- ১৯৭৮ সালে আরও উন্নত সংস্করণ Unix-7 প্রকাশিত হয়।
- ইউনিক্স একটি মাল্টি-ইউজার অপারেটিং সিস্টেম, কারণ একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী এতে কাজ করতে পারে।
- ১৯৮০ সালে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন, মাইক্রোকম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী ইউনিক্সের একটি নতুন সংস্করণ Xenix প্রকাশ করে।
- এই Xenix ভার্সনটি IBM-PC/AT কম্পিউটারের জন্য বাজারজাত করা হয়।
- এটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার থেকে শুরু করে মাইক্রোকম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২.
১৯৮১ সালে কোন কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে?
  1. IBM
  2. Epson
  3. Apple
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা
• ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার আকারে ছোট, ওজনে হালকা এবং সহজে বহনযোগ্য একটি ব্যক্তিগত কম্পিউটার।
- ১৯৮১ সালে Epson কোম্পানি প্রথম বাণিজ্যিকভাবে ল্যাপটপ কম্পিউটার বাজারে আনে।
- এটি এসি বিদ্যুৎ ও ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যে পরিচালিত হতে পারে, যা এটি বহনযোগ্য করে তোলে।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ডেস্কটপের তুলনায় অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড বা ট্র্যাকপয়েন্ট ব্যবহার করা হয়, যা সহজে কার্সর নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
- প্রয়োজন অনুযায়ী ল্যাপটপের সাথে মনিটর, মাউস, কী-বোর্ড, প্রিন্টার ইত্যাদি ডিভাইস সংযুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশে তৈরি প্রথম ল্যাপটপ "দোয়েল" (DOEL), যা টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড (TSS) তৈরি করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪৩.
মাদারবোর্ডের কোন স্লটটি সাধারণত গ্রাফিক্স কার্ড সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. PCI slot
  2. SATA port
  3. RAM slot
  4. AGP slot
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ডের সাথে গ্রাফিক্স কার্ড সংযোগ করার জন্য প্রাথমিকভাবে AGP স্লট ব্যবহার করা হয়।

• মাদারবোর্ড:

- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের প্রধান সার্কিট বোর্ড, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থান হিসেবে কাজ করে এবং "সিস্টেম বোর্ড" বা "মেইনবোর্ড" নামেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ একক (CPU), যা কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত, মাদারবোর্ডের মধ্যেই স্থাপিত থাকে।
- কম্পিউটারের যেকোনো হার্ডওয়্যার সরাসরি বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- মাদারবোর্ড কম্পিউটারের সমস্ত উপাদানের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড বাজারে পাওয়া যায়।

• মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইসমূহ:
- কী-বোর্ড,
- মাউস,
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- হার্ড ডিস্কড্রাইভ,
- ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ,
- পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

• মাদারবোর্ডের স্লট:
১. AGP slot,
২. RAM slot,
৩. PCI slot ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।