পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৫ (নতুন রাউন্ড) টপিক এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্রাণীজগৎ, মানবদেহ, অর্গান ও অর্গান সিস্টেম [Live Class – 32 & 33]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
মানবদেহে নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ কোন প্রক্রিয়ায় বের হয়? 
  1. শ্বাসনালির মাধ্যমে
  2. রেচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে
  3. পরিপাকনালির মাধ্যমে
  4. স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
রেচনতন্ত্র (Excretory system): 
- বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় বিপাক ক্রিয়ার ফলে শরীরে উপজাত দ্রব্য হিসেবে নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ তৈরি হয়। 
- এসব বর্জ্য পদার্থ সাধারণত দেহের জন্য ক্ষতিকর এবং দেহ থেকে নিষ্কাশনের প্রয়োজন হয়। 
- দেহ থেকে এসব অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন করার পদ্ধতিকে রেচন প্রক্রিয়া বলে। 
- যে তন্ত্রের সাহায্যে রেচন প্রক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে রেচনতন্ত্র বলে। 
- একজোড়া বৃক্ক, একজোড়া ইউরেটার, একটি মূত্রথলি এবং একটি মূত্রনালি (ইউরেথ্রা) নিয়ে মানুষের রেচন তন্ত্র গঠিত। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
প্লাটিহেলমিনথেস পর্বের প্রাণীদের দেহ কেমন আকৃতির? 
  1. গোলাকার
  2. লম্বাটে
  3. চ্যাপ্টা
  4. শুঁড়বিশিষ্ট
ব্যাখ্যা
প্লাটিহেলমিনথেস (Platyhelminthes): 
- Platy শব্দের অর্থ চ্যাপ্টা এবং helminthes শব্দের অর্থ কৃমি, এই শব্দ দুটি থেকে প্লাটিহেলমিনথেস শব্দটি এসেছে। 
- এই পর্বের প্রাণীদের জীবনযাত্রা বেশ বৈচিত্র্যময়। 
- এই পর্বের বহু প্রজাতি বহিঃপরজীবী বা অন্তঃপরজীবী হিসেবে অন্য জীবদেহের বাইরে বা ভিতরে বসবাস করে। 
- তবে কিছু প্রজাতি মুক্তজীবী হিসেবে স্বাদু পানিতে আবার কিছু প্রজাতি লবণাক্ত পানিতে বাস করে। 
- এই পর্বের কোনো কোনো প্রাণী ভেজা ও স্যাঁতসেঁতে মাটিতে বাস করে। 
যেমন- যকৃত কৃমি, ফিতা কৃমি এই পর্বের অন্তর্গত। 

প্লাটিহেলমিনথেস পর্বের সাধারণ বৈশিষ্ট্য: 
দেহ চ্যাপ্টা, উভলিঙ্গ। 
• বহিঃপরজীবী বা অন্তঃপরজীবী। 
• দেহ পুরু কিউটিকল দ্বারা আবৃত। 
• দেহে চোষক ও আংটা থাকে। 
• দেহে শিখা অঙ্গ নামে বিশেষ অঙ্গ থাকে, এগুলো রেচন অঙ্গ হিসেবে কাজ করে। 
• পৌষ্টিকতন্ত্র অসম্পূর্ণ বা অনুপস্থিত। 
উদাহরণ: Fasciola (যকৃৎ কৃমি) Taenia (ফিতা কৃমি)। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
.
কোনটি এককোষী জীবের উদাহরণ?
  1. গরু
  2. অ্যামিবা
  3. বৃক্ষ
  4. মানুষ
ব্যাখ্যা
জীবের বৈশিষ্ট্য: 
- জীবদেহ জীবকোষ (Cell) দ্বারা গঠিত। 
- ব্যাকটেরিয়া, অ্যামিবা ইত্যাদি জীব মাত্র একটি কোষ দ্বারা গঠিত, তাই এরা এককোষী (Unicellular) জীব। 
- বৃক্ষ, গুল্ম, পশু-পাখি, মানুষ প্রভৃতি জীব অসংখ্য জীবকোষ দ্বারা গঠিত, তাই এরা বহুকোষী (Multicellular) জীব। 
- জীবকোষে সজীব প্রোটোপ্লাজম থাকে। 
- নিউক্লিয়াসসহ অন্যান্য কোষাঙ্গাণু প্রোটোপ্লাজমে অবস্থান করে। তাই প্রোটোপ্লাজমকে জীবনের ভৌত ভিত্তি বলা হয়। 
- জড়বস্তু কোন জীবকোষ দ্বারা গঠিত নয় এবং জড়বস্তুতে কোন প্রোটোপ্লাজম নেই। 
- জীবের বংশবৃদ্ধির (Reproduction) তথা শিশু জীব জন্ম দেয়ার ক্ষমতা থাকে যা জড়বস্তুতে নেই। 
-  জীবদেহে বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় (Physiological) কার্যকলাপ, যেমন- শ্বসন, পরিপাক, বৃদ্ধি, উত্তেজনায় সাড়া দেয়া, পরিবেশের সাথে অভিযোজন ইত্যাদি সংঘটিত হয়। 
- জড় বস্তুতে কোন শারীরবৃত্তীয় কার্যকলাপ ঘটে না। 
- জীবের মৃত্যু আছে, জড় বস্তুর মৃত্যু নেই। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রক্তরসের প্রধান উপাদান কোনটি? 
  1. প্রোটিন 
  2. হরমোন 
  3. পানি
  4. এন্টিবডি 
ব্যাখ্যা
রক্ত (Blood): 
- রক্ত একটি অস্বচ্ছ, মৃদু ক্ষারীয় এবং লবণাক্ত তরল পদার্থ। 
- রক্ত হৃৎপিণ্ড, শিরা, উপশিরা, ধমনি, শাখা ধমনি এবং কৈশিকনালি পথে আবর্তিত হয়। 
- লোহিত রক্তকোষে হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে রক্তের রং লাল দেখায়। 
- হাড়ের লাল অস্থিমজ্জাতে রক্তকোষের জন্ম হয়। 

রক্তের উপাদান: 
- রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা। 
- রক্তরস এবং কয়েক ধরনের রক্তকোষের সমন্বয়ে রক্ত গঠিত। 

রক্তরস (Plasma): 
- রক্তের বর্ণহীন তরল অংশকে রক্তরস বলে। 
- সাধারণত রক্তের শতকরা প্রায় ৫৫ ভাগ রক্তরস। 
- রক্তরসের প্রধান উপাদান পানি। 
- এছাড়া বাকি অংশে কিছু প্রোটিন, জৈবযৌগ ও সামান্য অজৈব লবণ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। 
যেমন- প্রোটিন (যথা-অ্যালবুমিন, গ্লোবিউলিন ও ফাইব্রিনোজেন), গ্লুকোজ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চর্বিকণা, খনিজ লবণ, ভিটামিন, হরমোন, এন্টিবডি, বর্জ্য পদার্থ (যেমন: কার্বন ডাই-অক্সাইড, ইউরিয়া, ইউরিক এসিড) ইত্যাদি। 
- এছাড়া রক্তরসে সামান্য পরিমাণে সোডিয়াম ক্লোরাইড, সোডিয়াম বাইকার্বোনেট ও অ্যামাইনো এসিড থাকে। 
- খাদ্য হিসেবে যা গ্রহণ করা হয় তা পরিপাক হয়ে অন্ত্রের গাত্রে শোষিত হয় এবং রক্তরসে মিশে দেহের সর্বত্র সঞ্চালিত হয়। এভাবে দেহকোষগুলো পুষ্টিকর দ্রব্যাদি গ্রহণ করে দেহের পুষ্টির সাধন এবং ক্ষয়পূরণ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেদের শরীরে শারীরিক পরিবর্তনের জন্য প্রধানত কোন হরমোনটি দায়ী? 
  1. টেস্টোস্টেরন 
  2. প্রজেস্টেরন 
  3. ইস্ট্রোজেন
  4. ইনসুলিন 
ব্যাখ্যা
বয়ঃসন্ধিকাল পরিবর্তনের কারণ: 
- সাধারণত ছেলেমেয়েদের ১১-১৯ বছরের সময়কালকে বয়ঃসন্ধিকাল বলে। 
- এ সময়ে ছেলেমেয়েদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার অনেক পরিবর্তন হয়। 
- তবে আবহাওয়া, স্থান, খাদ্য গ্রহণের ধরন ও পরিমাণ ও মানের তারতম্যের কারণে একেকজনের বয়ঃসন্ধিকালের সময়টা একেক রকম হতে পারে। 
- বয়ঃসন্ধিকালে যেসব পরিবর্তন ঘটে, তার জন্য দায়ী হরমোন নামক একশ্রেণির রাসায়নিক পদার্থ, যা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। 
- হরমোন শরীরের ভিতরে স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। 
- ছেলে ও মেয়েদের শরীরের হরমোনের মাত্রা ভিন্ন, এ কারণে তাদের শরীর ও মনে যে পরিবর্তন হয় সেটিও ভিন্ন। 
- মেয়েদের শরীরে বিভিন্ন পরিবর্তনের জন্য দায়ী প্রধানত দুটি হরমোন। এ হরমোন দুটোর নাম হলো ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন। 
- এসব হরমোনের প্রভাবে কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন হয়, দ্রুত দৈহিক বৃদ্ধি হয় এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের আকার বৃদ্ধিসহ অন্যান্য পরিবর্তন ঘটে। এ হরমোনের কারণে মেয়েদের ঋতুস্রাব বা মাসিক শুরু হয়। 

- বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেদের শরীরে বিভিন্ন পরিবর্তনের জন্য যে হরমোন দায়ী, তার নাম হলো টেস্টোস্টেরন। 
- এ হরমোনের প্রভাবে তাদের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটে। 
- ছেলেদের গলায় স্বর ভারী হয়, মুখে দাড়ি ও গোঁফ গজায়, দ্রুত দৈহিক বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
Cnidaria পর্বের প্রাণীর দেহের প্রতিসম কেমন?
  1. অসম
  2. অরীয়
  3. ত্রিপার্শ্বীয়
  4. দ্বিপার্শ্বীয়
ব্যাখ্যা
Cnidaria (নিডারিয়া): 
- ১৮৪৭ সালে লিউকার্ট (Leuckart) সিলেন্টারেটা ইকাইনোডার্ম থেকে পৃথক করে একটি স্বতন্ত্র পর্বের মর্যাদা দেন। তবে লিউকার্টের সিলেন্টারেটায় স্পঞ্জ অন্তর্ভুক্ত ছিল। 
- এরপর ১৮৮৮ সালে হ্যাশ্চেক (Hatschek) কর্তৃক লিউকার্টের সিলেন্টারেটা বিভক্ত হয়ে Cnidaria (Gr.knide = দংশক/কাঁটা ল্যাটিন aria = সংযুক্ত) নামক পৃথক পর্ব হিসেবে মর্যাদা পায়। 

বৈশিষ্ট্য: 
• সম্পূর্ণভাবে জলজ, অধিকাংশই সামুদ্রিক তবে কিছু মিঠাপানিতে পাওয়া যায়। 
মুখ ও পরাঙমুখ বরাবর অনুদৈর্ঘ্য অক্ষকে ঘিরে অরীয় প্রতিসম। 
• এদের অনেক প্রজাতি বহুরূপীতা পরিদর্শন করে। বহুরূপী সদস্যদের মৌলিক একক পলিপ এবং মেডুসা। 
• দেহ প্রাচীর দ্বিস্তরী। 
• দেহাভ্যন্তরে সিলেন্টেরন নামক পরিপাক-সংবহন গহ্বর থাকে। 
• সাধারণত সিলিয়াযুক্ত মুক্ত সন্তরণক্ষম প্লানুলা লার্ভার মাধ্যমে পরিস্ফুটন ঘটে। 
উদাহরণ: Aurelia aurita (জেলিফিশ), Hydra vulgaris (হাইড্রা) ইত্যাদি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মানব দেহের কোন সংবেদী অঙ্গ ভারসাম্য অনুভূতির সাথে সম্পর্কিত? 
  1. জিহ্বা
  2. ত্বক
  3. নাসিকা
  4. কর্ণ
ব্যাখ্যা
মানব সংবেদী অঙ্গ: 
- পারিপার্শ্বিক অবস্থার প্রকৃতি ও পরিবর্তন অনুধাবনে সক্ষম ইন্দ্রিয় সমূহকে সংবেদী অঙ্গ বা রিসেপ্টর বলা হয়।
- বিশেষ ধরনের সংবেদী কোষের সমন্বয়ে সংবেদী অঙ্গ গঠিত।
- মানব দেহের সংবেদী অঙ্গ হলো- চক্ষু, কর্ণ, নাসিকা, জিহ্বা ও ত্বক।
- এরা সাধারণভাবে পঞ্চ ইন্দ্রিয় নামে পরিচিত ।
- এদের মধ্যে চক্ষু দর্শন অনুভূতি, কর্ণ শ্রবণ অনুভূতি ও ভারসাম্য অনুভূতি, নাসিকা ঘ্রাণ অনুভূতি, জিহ্বা স্বাদ অনুভূতি এবং ত্বক স্পর্শ অনুভূতি মস্তিষ্কে প্রেরণ করে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
অমরা (Placenta) কোন কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত? 
  1. রেচন
  2. প্রজনন
  3. শ্বাসক্রিয়া
  4. খাদ্য হজম
ব্যাখ্যা
মানব প্রজননে হরমোনের ভূমিকা: 
- হরমোন এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ; যা নালিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। 
- এটি রাসায়নিক দূত হিসেবে সরাসরি রক্তের মাধ্যমে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে এবং দেহের বিভিন্ন বিপাকীয় ও শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং বিভিন্ন রাসায়নিক ক্রিয়া ঘটাতে সাহায্য করে। 
- হরমোন নির্দিষ্ট অথচ স্বল্পমাত্রায় নিঃসৃত হয়ে নানাবিধ শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশি বা কম নিঃসরণ হলে দেহের বিভিন্ন কাজের ব্যাঘাত ঘটে এবং দেহে নানা রকম অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। 

- শরীরে নিম্নলিখিত গ্রন্থিগুলো প্রজনন-সংক্রান্ত হরমোন নিঃসরণ করে- 
(i) পিটুইটারি গ্রন্থি (Pituitary gland), 
(ii) থাইরয়েড গ্রন্থি (Thyroid gland), 
(iii) অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি (Adrenal gland), 
(iv) শুক্রাশয়ের অনালগ্রন্থি (Testis), 
(v) ডিম্বাশয়ের অনালগ্রন্থি (Ovary) এবং 
(vi) অমরা (Placenta)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোন প্রাণীর দেহে পুঞ্জাক্ষি থাকে? 
  1. জোঁক
  2. কেঁচো
  3. মশা
  4. শামুক
ব্যাখ্যা
- 'মাছি'র দেহে প্রাণীর দেহে পুঞ্জাক্ষি থাকে। 

অমেরুদণ্ডী প্রাণী: 
- অমেরুদণ্ডী প্রাণীর মেরুদণ্ড নেই, এদের দেহের ভিতর কঙ্কাল থাকে না, চোখ সরল প্রকৃতির বা একটি চোখের মধ্যে অনেকগুলো চোখ থাকে যা পুঞ্জাক্ষি এবং এদের লেজ নেই। 
- অমেরুদণ্ডী প্রাণী নানা ধরনের হয়। 
যেমন- 
• অনেক অমেরুদণ্ডী প্রাণী আকারে খুবই ছোটো, এদের খালিচোখে দেখা যায় না। 
যেমন- অ্যামিবা। 
• একদলভুক্ত অমেরুদণ্ডী প্রাণী, যাদের দেহ অনেকগুলো খণ্ডে বিভক্ত থাকে। 
যেমন- কেঁচো, জোঁক। 
• আরেক দলভুক্ত প্রাণী, এদের দেহ খণ্ডে খণ্ডে বিভক্ত নয় এবং দেহ সাধারণত শক্ত খোলসে আবৃত থাকে এবং মাংসল পা থাকে। 
যেমন- শামুক ও ঝিনুক। 
• পৃথিবীতে পতঙ্গ শ্রেণিভুক্ত প্রাণীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এদের দেহ তিনটি অংশে বিভক্ত যথা: মস্তক, বক্ষ ও উদর। এদের সন্ধিযুক্ত পা ও পুঞ্জাক্ষি থাকে। 
যেমন- প্রজাপতি, মশা, মাছি, তেলাপোকা, উইপোকা, মৌমাছি ইত্যাদি। 
• অনেক পতঙ্গ আছে যারা উপকার করে। এরা উপকারী পতঙ্গ। 
যেমন: মৌমাছি, রেশম পোকা ইত্যাদি। 
• নানা রকম রোগ ছড়ায় এমন শ্রেণিভুক্ত প্রাণী। 
যেমন- মশা ও মাছি। 
• অনেক পতঙ্গ আবার ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র ও ফসলের ক্ষতিসাধন করে। 
যেমন- উইপোকা, লেদাপোকা, পামরীপোকা ইত্যাদি। 
• এমন কতকগুলো সামুদ্রিক প্রাণী আছে, যাদের ত্বকে কাঁটার মতো অংশ থাকে। 
যেমন- তারামাছ ও সামুদ্রিক শশা। 
• আরেক দলভুক্ত অমেরুদণ্ডী প্রাণী। এদের দেহের ভিতর একটা ফাঁপা গহ্বর বা সিলেন্টেরন থাকে। এদের দেহে একটি মাত্র ছিদ্র থাকে। এই ছিদ্রপথে এরা খাদ্য গ্রহণ করে আবার বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়। 
যেমন- জেলী মাছ, প্রবালকীট। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।