পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়13 minutes
মোট প্রশ্ন২৬
সিলেবাস
বিষয়: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি সিলেবাস: কম্পিউটার অংশ: ১. কম্পিউটার পেরিফেরালস (Computer Peripherals): কি-বোর্ড (Keyboard), মাউস (Mouse), ওসিআর (OCR) ইত্যাদি; ২. কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন (Computer Architecture): সিপিইউ (CPU), হার্ড ডিস্ক (Hard Disk, এএলইউ (ALU) ইত্যাদি; ৩. কম্পিউটারের পারঙ্গমতা (Computer Performance); ৪. দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার (Computer in Practical Fields): কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি; ৫. কম্পিউটারের নম্বর ব্যবস্থা (Number Systems of Computer); তথ্যপ্রযুক্তি অংশ: ১. ই-কমার্স (E-Commerce); ২. সেলুলার ডাটা নেটওয়ার্ক: টুজি (2G), থ্রিজি (3G), ফোরজি (4G), ওয়াইম্যাক্স (Wimax) ইত্যাদি; ৩. কম্পিউটার নেটওয়ার্ক: ল্যান (LAN), ম্যান (MAN), ওয়াই-ফাই (WiFi), ওয়াইম্যাক্স (Wimax) ইত্যাদি; ৪. দৈনন্দিন জীবনে তথ্যপ্রযুক্তি: ৫. স্মার্টফোন (SmartPhone); ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web - WWW); ইন্টারনেট (Internet); --------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ১০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৬ প্রশ্ন

.
হার্ড ডিস্কে ডাটা সংরক্ষণ করার জন্য কোন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. অপটিক্যাল
  2. ম্যাগনেটিক
  3. সেমিকন্ডাক্টর
  4. লেজার
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারের হার্ড ডিস্ক (Hard Disk Drive - HDD)-এ ডাটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক (Magnetic) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

হার্ড ডিস্ক:
- হার্ড ডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা হয়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট।
- হার্ড ডিস্ক প্রথম ব্যবহার হয়, IBM কোম্পানী ১৯৫৬ সালে মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার হয়।
- তবে তখনকার সময়ে হার্ড ডিস্ক এর আকৃতি বা ধরণ ছিল বর্তমানের হার্ড ডিস্ক এর আকৃতির তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি বড়।
- ১৯৮০ সালে ১ গিগাবাইট তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কের আকার ছিল একটি বড়সর রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের সমান এবং দাম ও ছিল তুলনামুলক অনেক বেশি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
SSD কী?
  1. Solid State Drive
  2. System Storage Device
  3. Standard Storage Drive
  4. System Software Directory
ব্যাখ্যা

◉ SSD-এর পূর্ণরূপ Solid State Drive, যা একটি non-volatile স্টোরেজ ডিভাইস। এটি flash memory ব্যবহার করে ডাটা সংরক্ষণ করে এবং হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ (HDD)-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির।

SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্ক, এসএসডি, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।

উৎস: Avast website এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কম্পিউটারের প্রসেসিং স্পিড মূলত নির্ভর করে -
  1. মেমোরির সাইজের উপর
  2. মনিটরের রেজোলিউশনের উপর
  3. প্রসেসরের স্পিডের উপর
  4. হার্ড ডিস্কের সাইজের উপর
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারের প্রসেসিং স্পিড (Processing Speed) মূলত প্রসেসরের ক্লক স্পিড, কোর সংখ্যা এবং ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদির উপর নির্ভর করে।

প্রসেসরের স্পিড (Clock Speed - GHz): যত বেশি GHz, তত দ্রুত কম্পিউটার ডাটা প্রসেস করতে পারে।
কোর সংখ্যা (Cores): একাধিক কোর থাকলে প্রসেসিং ক্ষমতা বাড়ে (যেমন: Dual-core, Quad-core, Octa-core)।
ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory): দ্রুত ডাটা অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে।

সিপিইউ:
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট।
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে।
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।

সূত্র:
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। এইচপি ওয়েবসাইট। [লিংক] 

.
টেলিমেডিসিন কী?
  1. টেলিভিশনে মেডিকেল প্রোগ্রাম দেখানো
  2. দূরবর্তী অবস্থান থেকে রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান
  3. মেডিকেল তথ্য সংরক্ষণের সিস্টেম
  4. হাসপাতালে টেলিভিশন দেখিয়ে রোগীদের সচেতনতা সৃষ্টি
ব্যাখ্যা

◉ টেলিমেডিসিন (Telemedicine) হলো দূরবর্তী চিকিৎসা সেবা প্রদান পদ্ধতি, যেখানে তথ্যপ্রযুক্তি (ICT) ব্যবহার করে রোগী ও ডাক্তার অবস্থানগত দূরত্বের বাধা ছাড়াই স্বাস্থ্যসেবা নিতে ও দিতে পারেন।
- এটি মূলত ভিডিও কল, মোবাইল অ্যাপ, টেলিফোন, ইমেইল বা অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

টেলিমেডিসিন:
- টেলিমেডিসিন হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে অবস্থানরত রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারা চিকিৎসাসেবা প্রদান করা।
- মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেটের উন্নত ব্যবহারের মাধ্যমে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজেই চিকিৎসাসেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে।
- এর মাধ্যমে চিকিৎসকরা দূরবর্তী অবস্থান থেকেও রোগী পরামর্শ, চিকিৎসা শিক্ষা আদান-প্রদান, রোগীর চিকিৎসার তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করতে পারেন।
- ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রোগীকে চাক্ষুষ দেখা এবং ই-মেইলের মাধ্যমে রিপোর্ট ও পরামর্শপত্র আদান-প্রদান করা সম্ভব হয়।

এ ধরনের উল্লেখযোগ্য সেবাগুলোর মধ্যে:
- Teledoc,
- Maven,
- Clinic,
- iClinic, MDlive,
- Amwell,
- Doctor on Demand ইত্যাদি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

.
ই-কমার্সে পেমেন্ট করার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক্রেডিট কার্ড
  2. পোস্টাল অর্ডার
  3. চেক
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা

◉ ই-কমার্স (E-commerce) হলো অনলাইন মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়ের প্রক্রিয়া। এখানে পেমেন্ট করার জন্য ডিজিটাল পদ্ধতিগুলো বেশি ব্যবহৃত হয়।
ক্রেডিট কার্ড (Credit Card), ডেবিট কার্ড (Debit Card), মোবাইল ব্যাংকিং (Bkash, Nagad, PayPal, etc.), এবং অনলাইন ব্যাংক ট্রান্সফার ই-কমার্স পেমেন্টের প্রধান মাধ্যম।
অন্যদিকে, পোস্টাল অর্ডার এবং চেক ডিজিটাল পেমেন্টের জন্য ব্যবহার করা হয় না, কারণ এগুলো দ্রুত ও নিরাপদ নয়।

ই-কমার্স:
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- যে পদ্ধতিতে কোন পণ্য ক্রয় বিক্রয়, অর্ডার নেয়া ও তার মূল্য পরিশোধ থেকে যাবতীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় তাকে ই- কমার্স বলে।
- বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যে সকল পেমেন্ট সিস্টেম প্রচলিত আছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ই-পেমেন্ট সিস্টেম অর্থাৎ ব্যাংক লেনদেন, ক্রেডিট কার্ড বা ভিসা কার্ড বা মাস্টার কার্ড, ডেবিট কার্ড, স্মার্ট কার্ড, ই-মানি, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার, মানিগ্রাম ইত্যাদি।
- তবে আন্তজার্তিকভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেম জনপ্রিয় হলেও আমাদের দেশিয় বা স্থানীয়ভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেমের পাশাপাশি কল-টু-পে, ক্যাশ অন ডেলিভেরি, কুরিয়ার সার্ভিস ডেলিভেরি, নগদ, বিকাশ, শিওর ক্যাশ, রকেট, ডি-ম্যানি ইত্যাদি বেশি প্রচলিত।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
WiMAX মূলত কী ধরনের টেকনোলজি?
  1. ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড
  2. মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক
  3. স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন
  4. অপটিক্যাল ফাইবার
ব্যাখ্যা

◉ WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) হলো একটি ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড টেকনোলজি, যা IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের উপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি দীর্ঘ দূরত্বে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং Wi-Fi-এর তুলনায় বেশি কভারেজ ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করতে সক্ষম।

WiMAX:
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMAX তারবিহীন উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড সেবা প্রদান করে থাকে যার IEEE নাম 802.16.
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
নেটওয়ার্ক টপোলজি কী?
  1. নেটওয়ার্কের গতি
  2. নেটওয়ার্কের সংগঠন পদ্ধতি
  3. নেটওয়ার্কের সিকিউরিটি
  4. ইন্টারনেট সংযোগ
ব্যাখ্যা

◉ নেটওয়ার্ক টপোলজি (Network Topology) হলো নেটওয়ার্কে বিভিন্ন ডিভাইস (কম্পিউটার, রাউটার, সুইচ) কীভাবে সংযুক্ত থাকবে, তা বর্ণনা করার একটি পদ্ধতি। এটি মূলত নেটওয়ার্কের গঠন (structure) বা ডিজাইনকে বোঝায়।

নেটওয়ার্ক টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক সিস্টেমের ফিজিক্যাল ডিভাইস বা কম্পোনেন্টগুলো যে প্রক্রিয়ায় একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
- নেটওয়ার্ক টপোলজিতে সাধারণত নেটওয়ার্ক সিস্টেমের ফিজিক্যাল অবস্থার বর্ণনা করা হয়।

বিভিন্ন প্রকার নেটওয়ার্ক টপোলজি সমূহ হলো:
১. বাস টপোলজি, 
২. রিং টপোলজি, 
৩. স্টার টপোলজি, 
৪. ট্রি টপোলজি, 
৫. হাইব্রিড টপোলজি, 
৬. মেশ টপোলজি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।

.
ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে কোন কাজ করা যায় না?
  1. টাকা ট্রান্সফার
  2. ব্যালেন্স চেক
  3. বিল পেমেন্ট
  4. নগদ টাকা তোলা
ব্যাখ্যা

◉ ইন্টারনেট ব্যাংকিং (Online Banking বা Net Banking) হলো একটি ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা, যার মাধ্যমে গ্রাহক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করতে পারেন।
তবে, নগদ টাকা (cash) উত্তোলন করা সম্ভব নয়, কারণ এটি একটি ডিজিটাল পরিষেবা এবং কোনো শারীরিক নগদ অর্থ বিতরণ করতে পারে না। নগদ টাকা তোলার জন্য ATM বা ব্যাংকের শাখা থেকে লেনদেন করতে হয়।

ই-ব্যাংকিং:
- বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাংকিং এর যে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে তাকে ই-ব্যাংকিং বা ইন্টারনেট ব্যাংকিং বলে।
- ১৯৬১ সালে সর্বপ্রথম যুক্তরাষ্ট্রের ‘The National City Bank of New York’ ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রবর্তন করে EFTS (Electronic Fund Transfer System) নামে।
- ১৯৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘Barclays bank’ প্রথম Cash Dispenser (CD) স্থাপন করে।
- সুইডেন, ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ড প্রথম 'National Cash Dispenser Network' ব্যবহার শুরু করে।
- জাপান ও আমেরিকা ১৯৬৯ সালে CD মেশিন ব্যবহার করা শুরু করে।
- Loyd’s Bank ১৯৭২ সালে প্রথম Cashpoint বসিয়ে আধুনিক অনলাইন ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।
- ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থায় গ্রাহকগণ সাধারণ ব্যাংকিং এর পাশাপাশি ATM কার্ড, ডেভিড কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, Online Banking, SMS ব্যাংকিং, Home ব্যাংকিং ইত্যাদি সেবা গ্রহণ করে থাকে।
- ব্যাংকের সার্ভারে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থার জন্য Firewall ব্যবহার করা হয়।
- ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং সমগ্র ব্যাকিং ব্যবস্থার সম্পূর্ণ পরিবর্তন করে দিয়েছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ গ্রাহকদের দ্রুততর ও উন্নতর সেবা প্রদান করার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করছে।

উৎস: ফিনান্স, ব্যাংকিং ও বিমা, ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ইন্টারনেট কী ধরনের নেটওয়ার্ক?
  1. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN)
  2. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN)
  3. মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN)
  4. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN)
ব্যাখ্যা

◉ ইন্টারনেট একটি ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN), কারণ এটি সারা বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে।
- WAN (Wide Area Network) হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক যা বৃহৎ ভৌগোলিক পরিসরে ছড়িয়ে থাকে এবং বিভিন্ন দেশ ও মহাদেশে সংযোগ প্রদান করে। ইন্টারনেট একটি বিশ্বব্যাপী WAN, যা বিভিন্ন ISP (Internet Service Provider) এবং নেটওয়ার্ক প্রোটোকল (TCP/IP) ব্যবহার করে পরিচালিত হয়।

ইন্টারনেট:
- আরপানেট (ARPANET) দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আরপানেট।
- ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯ সালে।
- ইন্টারনেটের জনক হিসাবে পরিচিত মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ (Vinton Gray Cerf)
- ১৯৮২ সালে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগের উপযোগী টিসিপি/আইপি (TCP/IP: Transmission Control Protocol / Internet Protocol) প্রোটোকল উদ্ভাবনের সাথে ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয়।
- ১৯৮৩ সালের আরপানেটে টিসিপি/আইপি প্রোটোকল ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন নেটওয়ার্ক (NSFNET) প্রতিষ্ঠার ফলে আরপানেটের প্রভাব কমে যায় এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক উন্নয়নে শরীক হয়।
- অবশেষে ১৯৯০ সালে আরপানেটের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং এটি ইন্টারনেট নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯৮৯ সালে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (বা সার্ভিস প্রোভাইডার) চালুর ফলে সকলের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও ব্রিটানিকা। 

১০.
ওয়েবসাইটের সিকিউরিটি কীভাবে নিশ্চিত করা হয়?
  1. HTTPS ব্যবহার করে
  2. HTTP ব্যবহার করে
  3. HTML ব্যবহার করে
  4. URL ব্যবহার করে
ব্যাখ্যা

◉ ওয়েবসাইটের সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে SSL/TLS এনক্রিপশনসহ HTTPS ব্যবহার করা হয়।

HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১১.
লেজার প্রিন্টারে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. ইঙ্কজেট
  2. থার্মাল
  3. ইলেক্ট্রোফোটোগ্রাফিক
  4. ডট ম্যাট্রিক্স
ব্যাখ্যা

◉ লেজার প্রিন্টার (Laser Printer) একটি ইলেক্ট্রোফোটোগ্রাফিক (Electrophotographic) প্রিন্টিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যেখানে লেজার বিম, চার্জড ড্রাম, ও টোনার ব্যবহার করে কাগজে ইমেজ বা টেক্সট ছাপানো হয়।

লেজার প্রিন্টার:
- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার।
- এ লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী।
- এ প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়।
- লেজার প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে।
- লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়।
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM (Pages per minute) এ পরিমাপ করা হয়।
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন ১২০০ DPI এবং গতি ২৪ PPM.

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।

১২.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের সেকেন্ডারি মেমোরি?
  1. RAM
  2. ROM
  3. ক্যাশ মেমোরি
  4. হার্ড ডিস্ক
ব্যাখ্যা

◉ হার্ড ডিস্ক (Hard Disk) হলো সেকেন্ডারি মেমোরি, কারণ এতে ডাটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় এবং এটি বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও ডাটা হারায় না।

সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমোরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমোরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।
সহায়ক মেমরি (Secondary Memory) এর উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক, 
- সিডি, 
- ডিভিডি, 
- পেনড্রাইভ, 
- জিপ ড্রাইভ, 
- ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
RAM ও ROM এর সমন্বয়ে কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি গঠিত।
ক্যাশ মেমোরিকে ইন্টারনাল মেমোরি বলা হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
কম্পিউটারের ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় কোন একক দ্বারা?
  1. বাইট
  2. গিগাহার্জ
  3. গিগাবাইট
  4. মেগাপিক্সেল
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারের ক্লক স্পিড (Clock Speed) হলো প্রসেসরের (CPU) কার্যক্ষমতা পরিমাপের একক, যা প্রতি সেকেন্ডে কতবার নির্দেশনা সম্পন্ন করতে পারে তা নির্দেশ করে। এটি গিগাহার্জ (GHz) বা মেগাহার্টজ (MHz) এককে পরিমাপ করা হয়। 

মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১৪.
(726)10 কে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা রূপান্তর করলে হয় -
  1. 2E5
  2. 3E4
  3. 2D6
  4. 2E4
ব্যাখ্যা

◉ (726)10 কে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা রূপান্তর করলে হয় 2D6. 

দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর: 
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটিকে 16 দ্বারা (যেহেতু হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16) উপর্যুপরি ভাগ করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল শূন্য (০) হয়।
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণ অংক (LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বাম থেকে ডানে সাজালে সংখ্যাটির সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পাওয়া যাবে।

১. দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
৫. ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০→ A, ১১→ B, ১২→ C, ১৩→ D, ১৪→ E ও ১৫→ F সংখ্যা লিখতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
E- Retailing কোন ধরনের ই-কমার্স বিজনেস মডেলের উদাহরণ?
  1. B2B
  2. B2C
  3. C2C
  4. C2B
ব্যাখ্যা

◉ E-Retailing (Electronic Retailing) হলো অনলাইনে পণ্য বা পরিষেবা বিক্রির একটি প্রক্রিয়া, যেখানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান (Business) সরাসরি ভোক্তাদের (Consumer) কাছে পণ্য বিক্রি করে। এটি B2C (Business-to-Consumer) ই-কমার্স মডেলের অধীনে পড়ে।
- মধ্যস্থ ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা ছাড়াই সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুচরা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রাহক বা ক্রেতাদের পণ্য বা সেবা ক্রয়ের সুযোগ প্রদানকে ই-রিটেইলিং (E- Retailing) বা Electronic Retailing বলা হয়।

Business to Consumer Model-B2C: 
- B2C মডেল এমন একটি বিজনেস মডেলের ওয়েবসাইট যা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের বা উৎপাদনকারীর পণ্যসমূহ গ্রাহকের কাছে সরাসরি বিক্রয় করে।
- এ ধরনের ওয়েবসাইটে পণ্যের বিস্তারিত বিবরণের পাশাপাশি অর্ডার প্রদানের সিস্টেম ও লেনদেন প্রক্রিয়াসহ ক্রেতাদের বিভিন্ন রকম প্রশ্ন ও উত্তরের ব্যবস্থা থাকে। ফলে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ ধরনের মডেল বেশি জনপ্রিয়তা লাভ করছে।
- ঘরে বসে দেশীয় পণ্যের পাশাপাশি বিদেশি পণ্য পছন্দ করা, অর্ডার প্রদান, মূল্য পরিশোধ এবং পণ্য সময়মত প্রাপ্তির সুবিধা বিদ্যমান থাকায় ভোক্তার সংখ্যা বৃদ্ধিও সাথে সাথে বাড়ছে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান।
- তবে B2B মডেলের বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণগুলো হলো-
১। ই-রিটেইলিং (E-Retailing) বা ই-টেইলিং (E-tailer)
২। পোর্টাল (Portal)
৩। কমিউনিটি প্রোভাইডার (Community Provider)
৪। কনটেন্ট প্রোভাইডার (Content Provider)
৫। ট্রানজেকশন ব্রোকার (Transaction Broker)
৬। মার্কেট ক্রিয়েটর (Market Creator)
৭। সার্ভিস প্রোভাউডার (Service Provider). 

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৬.
LTE-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Long Term Evolution
  2. Local Telephone Exchange
  3. Limited Technology Extension
  4. Light Terminal Equipment
ব্যাখ্যা

◉ LTE (Long Term Evolution) হলো 4G (Fourth Generation) মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ, যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও উন্নত যোগাযোগ পরিষেবা প্রদান করে।
এটি 3G নেটওয়ার্কের তুলনায় দ্রুততর ডাটা ট্রান্সফার স্পিড এবং নিম্ন ল্যাটেন্সি (Low Latency) নিশ্চিত করে।

LTE-এর বৈশিষ্ট্য:
- 4G নেটওয়ার্কের স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে পরিচিত। 4G এর প্রযুক্তি LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে থাকে।
- High-speed Data Transmission (ডাউনলোড স্পিড: 100 Mbps+, আপলোড: 50 Mbps+)।
- OFDM (Orthogonal Frequency-Division Multiplexing) প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- VoLTE (Voice over LTE) এর মাধ্যমে উন্নতমানের ভয়েস কল সেবা প্রদান করে।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। IEEE Communications on 4G LTE.

১৭.
কোন নেটওয়ার্ককে সার্ভার-ভিত্তিক নেটওয়ার্ক বলা হয়?
  1. পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক
  2. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
  3. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক
  4. ক্লাউড-ভিত্তিক নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা

◉ সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক (Server-Based Network) হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক স্থাপনা যেখানে একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার (Central Server) বিভিন্ন ক্লায়েন্ট ডিভাইসকে পরিষেবা প্রদান করে।
ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক একটি সার্ভার-ভিত্তিক নেটওয়ার্ক, কারণ—
১। একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে, যা ডাটা সংরক্ষণ, ম্যানেজমেন্ট, এবং সিকিউরিটি নিয়ন্ত্রণ করে।
২। ক্লায়েন্ট ডিভাইসগুলো (যেমন কম্পিউটার, মোবাইল) সার্ভারের সাথে সংযুক্ত হয়ে তথ্য ও সেবা গ্রহণ করে।

নেটওয়ার্ক:
- নেটওয়ার্কে বিদ্যমান ডিভাইসসমূহ কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে এবং সেগুলোর সার্ভিস মডেল কেমন হবে, তার উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে নিম্নরুপে ভাগ করা যায়। যথা-
১. পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network)
২. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network)
৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network)

পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):
- পৃথক সার্ভার কম্পিউটার ব্যতীত দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে রিসোর্স শেয়ার করার জন্য যে নেটওয়ার্ক গঠন করা হয় তা হলো পিয়ার-টু- পিয়ার নেটওয়ার্ক।

ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network):
- একাধিক ক্লায়েন্ট/ওয়ার্কস্টেশন ও একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারের সমন্বয়ে ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- এখানে সার্ভার কম্পিউটারে কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা জমা রাখা হয় এবং এসব ডেটা নেটওয়ার্কে অবস্থিত ক্লায়েন্ট কম্পিউটার কর্তৃক রিসোর্স হিসেবে ব্যবহার (শেয়ার) করা হয়।
- একে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়।

হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network):
- এটি মূলত পিয়ার-টু-পিয়ার ও ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- এক্ষেত্রে হোস্ট কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ ও প্রসেসিং-এর পাশাপাশি ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য (যেমন- গ্লোবাল স্টোরেজ মিডিয়া) বিদ্যমান থাকায় কর্পোরেট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে এর জনপ্রিয়তা রয়েছে।
- এই নেটওয়ার্কে ক্লায়েন্ট সার্ভারের প্রাধান্য বেশি থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

১৮.
শিক্ষাক্ষেত্রে আইসিটিতে কোন সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়?
  1. Blackboard
  2. ATutor
  3. Rukuku
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

◉ শিক্ষাক্ষেত্রে আইসিটি (ICT in Education) ব্যবহারের অন্যতম প্রধান দিক হলো E-learning, Online Course Management, এবং Virtual Classroom পরিচালনা করা। এসব কাজের জন্য বিভিন্ন LMS (Learning Management System) এবং E-learning সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়।

ভার্চুয়াল লার্নিং এনভায়রনমেন্ট:
- ভার্চুয়াল লার্নিং এনভায়রনমেন্ট (VLE) হলো এমন এক শিক্ষাসহায়ক প্রযুক্তি যা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওয়েবভিত্তিক প্লাটফরম ব্যবহার করে ডিজিটাল মাধ্যমে- শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দল বা উপদলে সংগঠিত, কোর্সের রিসোর্স, কর্মকাণ্ড ও মিথস্ক্রিয়াসমূহ কোর্সের কাঠামোর মধ্যে উপস্থাপন, বিভিন্ন ধরনের মূল্যায়ন, শিক্ষার্থীদের তথ্য এবং অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করা হয়।
- সাধারণত ভার্চুয়াল লার্নিং এনভায়রনমেন্ট (ভিএলই) উচ্চ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে ব্যবহার করা হয়। এখানে সনাতনী শিখন-শেখানো ধারণার সাথে ভার্চুয়াল সুযোগ সুবিধাগুলোকে সমন্বিত করা হয়।
-ভার্চুয়াল লার্নিং এনভায়রনমেন্ট তৈরির জন্য সফটওয়‍্যার প্রয়োজন হয়।
- অন্যান্য সফটওয়‍্যারের মতো কিছু VLE সফটওয়‍্যার বিনামূল্যে পাওয়া যায়। এসবকে open source VLE সফটওয়‍্যার বলে।
- কিছু সফটওয়্যারের জন্য অর্থ দিতে হয়। তাকে proprietary VLE সফটওয়‍্যার বলে।
- তবে proprietary সফটওয়‍্যারও ১ সপ্তাহ থেকে ৩ মাস পর্যন্ত বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়। একে ট্রায়েল ভার্সন বলে।
- VLE সফটওয়‍্যারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় Moodle.
- কিছু জনপ্রিয় VLE সফটওয়ারের নাম হলো: Blackboard, Rukuku, Lotus Workplace, COSE, eFront, OLAT, Sakai, ILIAS, ATutor, Fedena, openelms, Claroline, Dokeos ইত্যাদি।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
স্মার্টফোনে GPS কি কাজে ব্যবহার করা হয়?
  1. ফটো তোলা
  2. অবস্থান নির্ণয়
  3. ইন্টারনেট ব্রাউজিং
  4. কল করা
ব্যাখ্যা

◉ GPS (Global Positioning System) হলো একটি স্যাটেলাইট-ভিত্তিক নেভিগেশন প্রযুক্তি, যা ব্যবহারকারীর সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান নির্ধারণ করতে সাহায্য করে। স্মার্টফোনে GPS ব্যবহারের মাধ্যমে মানচিত্র অনুসরণ, পথনির্দেশনা, ট্র্যাকিং, এবং ভূ-ভিত্তিক পরিষেবাগুলো (Geo-location services) ব্যবহার করা সম্ভব।

GPS: 
- GPS এর পূর্ণরূপ Global Positioning System।
- জিপিএস বা গ্লোবাল পজিশনিং হলো একটি নেভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম।
- এটি ব্যবহারকারীদের অবস্থান, নেভিগেশন এবং সময় সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করে।
- এর সাহায্যে আমরা পৃথিবীর যেকোনো স্থানে বসে আমাদের বর্তমান লোকেশন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে পারি।
- এই প্রযুক্তি দ্বারা যেকোনো বস্তুর অবস্থান নির্ণয় করা সম্ভব।

স্মার্টফোনে GPS-এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার:
- Google Maps, Apple Maps, Waze-এর মাধ্যমে পথনির্দেশনা পাওয়া।
- রাইড-শেয়ারিং অ্যাপ (Uber, Pathao, Bolt) ব্যবহার করে গন্তব্য নির্ধারণ করা।
- লোকেশন-ভিত্তিক সার্ভিস (Location-based Services) যেমন ফেসবুক চেক-ইন বা ফাইন্ড মাই ফোন ব্যবহার করা।
- স্মার্টফোন চুরি হলে তার অবস্থান ট্র্যাক করা।

উৎস: Britannica.

২০.
ইন্টারনেট সংযোগের জন্য প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার নয় কোনটি?
  1. মডেম
  2. রাউটার
  3. প্রিন্টার
  4. নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড
ব্যাখ্যা

◉ ইন্টারনেট সংযোগের জন্য নির্দিষ্ট কিছু হার্ডওয়্যার দরকার, যেমন মডেম (Modem), রাউটার (Router), এবং নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC)। তবে, প্রিন্টার ইন্টারনেট সংযোগের জন্য অপরিহার্য নয়, এটি শুধুমাত্র ডকুমেন্ট প্রিন্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

ইন্টারনেট:
- ইন্টারনেট হচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অবস্থিত কম্পিউটারগুলোর নেটওয়ার্ক।
- বিশ্বের বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করলে যে নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে তাকে ইন্টারনেট বলে।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারের সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১। ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System),
২। আইএসডিএন (ISDN), 
৩। ব্রডব্যান্ড (Broadband), 
৪। ওয়াই-ফাই (Wi-Fi), 
৫। ওয়াইম্যাক্স (WiMax)। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১.
SSD এবং HDD এর মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
  1. SSD-তে মুভিং পার্ট নেই, কিন্তু HDD-তে আছে
  2. SSD শুধু বুট ড্রাইভ হিসেবে ব্যবহার করা যায়
  3. HDD-র ডাটা ট্রান্সফার রেট SSD-র চেয়ে বেশি
  4. SSD-তে ম্যাগনেটিক ডিস্ক বেশি থাকে
ব্যাখ্যা

◉ SSD (Solid State Drive) এবং HDD (Hard Disk Drive) এর মধ্যে প্রধান পার্থক্য হল যে SSD-এর কোনো মুভিং পার্ট নেই, এটি ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে, ফলে এটি দ্রুত এবং টেকসই হয়।

SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।
- HDD-তে ম্যাগনেটিক ডিস্ক ও স্পিনিং প্ল্যাটার থাকে, যা মেকানিক্যাল মুভমেন্টের মাধ্যমে ডাটা read ও write করে, ফলে এটি তুলনামূলকভাবে ধীরগতি সম্পন্ন।
- SSD-এর ডাটা ট্রান্সফার স্পিড HDD-এর চেয়ে অনেক বেশি, তাই অপারেটিং সিস্টেম চালানোর জন্য এটি অধিক কার্যকর।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Amazon Web Services (AWS) ওয়েবসাইট। 

২২.
হার্ড ডিস্কে ডেটা সংরক্ষণের একক কী?
  1. বাইট (Byte)
  2. হার্টজ (Hz)
  3. ভোল্ট (Volt)
  4. ওয়াট (Watt)
ব্যাখ্যা

◉ হার্ড ডিস্ক বা অন্য কোনো স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণের মৌলিক একক হলো "বাইট (Byte)"।
কম্পিউটারে ১ বাইট = ৮ বিট (Bit), যেখানে বিট (Bit) হলো ডেটার ক্ষুদ্রতম একক।

মেমোরির ধারণক্ষমতা:
- কম্পিউটারের মেমোরির ধারণক্ষমতা বলতে কম্পিউটার তার স্মৃতি স্থানে কতকগুলো বিট বা বাইট সংরক্ষণ করতে পারে তা বোঝায়।
- মেমোরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।
- মেমোরির ধারণ ক্ষমতা প্রকাশ করা হয় বিট, বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট, টেরাবাইট, পেটাবাইট ইত্যাদি দ্বারা।

৪ বিট = 1 বাইট = 1 অক্ষর
210 বাইট বা 1024 বাইট = 1 কিলোবাইট (1 KB)
220 বাইট বা 1024 কিলোবাইট = 1 মেগাবাইট (1 MB)
230 বাইট বা 1024 মেগাবাইট = 1 গিগাবাইট (1 GB)
240 বাইট বা 1024 গিগাবাইট = 1 টেরাবাইট (1 TB)
250 বাইট বা 1024 টেরাবাইট = 1 পেটাবাইট (1 PB)। 

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) হার্টজ (Hz) – এটি ফ্রিকোয়েন্সি বা প্রসেসরের স্পিড পরিমাপের একক।
গ) ভোল্ট (Volt) – এটি বৈদ্যুতিক ভোল্টেজ পরিমাপের একক।
ঘ) ওয়াট (Watt) – এটি বিদ্যুতের ক্ষমতা (Power) পরিমাপের একক।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩.
ওয়াই-ফাই (WiFi) এর ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ কত?
  1. 2.4 GHz এবং 5 GHz
  2. 1 GHz এবং 3 GHz
  3. 10 GHz এবং 20 GHz
  4. 100 GHz এবং 200 GHz
ব্যাখ্যা

◉ Wi-Fi (Wireless Fidelity) হল তারবিহীন (wireless) নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, যা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি (RF) ব্যবহার করে ডাটা ট্রান্সমিট করে। Wi-Fi এর সাধারণ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড: 2.4-5 GHz.

Wi-fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪.
SSL এর পূর্ণরূপ কী এবং ই-কমার্সে এর ভূমিকা কী?
  1. Secure Socket Layer, ডাটা এনক্রিপশন এবং সিকিউরিটি প্রদান করে
  2. Safe Shopping Link, শুধুমাত্র সিকিউর পেমেন্ট গেটওয়ে প্রদান করে
  3. System Security License, ওয়েবসাইট সিকিউরিটি প্রদান করে
  4. Server Side Language, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্টে ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা

◉ SSL (Secure Socket Layer) হল একটি সিকিউরিটি প্রোটোকল, যা ওয়েবসাইট এবং ইউজারের মধ্যে ডাটা এনক্রিপশন নিশ্চিত করে। এটি HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) এর মাধ্যমে নেটওয়ার্ক ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করে, যাতে সাইবার অপরাধীরা ডাটা চুরি করতে না পারে।

SSL Certificate:
- SSL এর পূর্ণরূপ Secure Sockets Layer.
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।
- এটি অনলাইন লেনদেন সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের তথ্য গোপন ও সুরক্ষিত রাখতে কোম্পানি এবং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হয়।

ই-কমার্সে SSL এর ভূমিকা:
- ক্রেডিট কার্ড তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং পার্সোনাল ডাটা এনক্রিপ্ট করে।
- অনলাইন পেমেন্ট ট্রান্সাকশন সুরক্ষিত রাখে।
- গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য SSL সার্টিফিকেট থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
- SSL সাইটগুলিকে Google বেশি অগ্রাধিকার দেয়, ফলে SEO উন্নত হয়।

উৎস: Kaspersky website.

২৫.
নিচের কোনটি TCP/IP মডেলের লেয়ার নয়?
  1. অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার
  2. ট্রান্সপোর্ট লেয়ার
  3. ইন্টারনেট লেয়ার
  4. সেশন লেয়ার
ব্যাখ্যা

TCP/IP মডেল: 
- Transmission Control Protocol (সংক্ষেপে TCP) ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ প্রোটোকল।
- ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয় - TCP/IP
- ARPANETএ TCP/IP প্রথম চালু হয় ১৯৮৩ সালে।

TCP/IP - এর স্তরের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। তবে সাধারণ গ্রহণযোগ্য মত হলো -TCP/IP মডেলের লেয়ার সংখ্যা ৪টি।
যথা -
1. Process/Application Layer
2. Host-to-Host/Transport Layer
3. Internet Layer
4. Network Access/Link Layer.

উল্লেখ্য, সেশন লেয়ার (Session Layer) হল OSI মডেলের ৫ম স্তর, যা সেশন পরিচালনা ও ডাটা সিঙ্ক্রোনাইজেশন নিশ্চিত করে।
- TCP/IP মডেল OSI মডেলের তুলনায় কম লেয়ার নিয়ে গঠিত, এবং এতে সেশন লেয়ার আলাদাভাবে নেই।

Source: Cisco ওয়েবসাইট ও উচ্চমাধ্যমিক ICT বই।

২৬.
স্মার্টফোনে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. Windows
  2. Android
  3. macOS
  4. Linux
ব্যাখ্যা

◉ স্মার্টফোনের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম হলো Android.
- এটি Google কর্তৃক উন্নত একটি ওপেন-সোর্স মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম, যা Linux kernel-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি।

Android OS:
- অ্যান্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা ২০০৮ সালে চালু হয়।
- এটি গুগল কর্তৃক নির্মিত একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি লিনাক্স ভিত্তিক একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনগুলো সাধারনত জাভা প্রোগ্রামিং ভাষায় লিখা হয়।
- অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল এক্সটেনশন হলো .apk
- APK এর পূর্ণরূপ Android Application Package.
- Android গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন T-Mobile G1 (HTC Dream নামে বেশি পরিচিত)।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) Windows – এটি মূলত কম্পিউটারের জন্য ব্যবহৃত হয়, তবে Windows Phone OS ছিল, যা ২০২০ সালে বন্ধ হয়ে গেছে।
গ) macOS – এটি শুধুমাত্র Apple-এর MacBook ও iMac-এ ব্যবহৃত হয়।
ঘ) Linux – এটি একটি ওপেন-সোর্স OS, তবে স্মার্টফোনে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।

উৎস: গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।