পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা – ২৯: বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান সিলেবাস ভৌত বিজ্ঞান: পদার্থের অবস্থা, এটমের গঠন, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়, সাবানের কাজ, ভৌত রাশি এবং এর পরিমাপ, ভৌত বিজ্ঞানের উন্নয়ন, চৌম্বকত্ব, তরঙ্গ এবং শব্দ, তাপ ও তাপগতি বিদ্যা, আলোর প্রকৃতি, স্থির এবং চল তড়িৎ, ইলেকট্রনিক্স, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান, শক্তির উৎস এবং এর প্রয়োগ, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, পারমাণবিক শক্তি, খনিজ উৎস, শক্তির রূপান্তর, আলোক যন্ত্রপাতি, মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, তড়িৎ কোষ, অজৈব যৌগ, জৈব যৌগ, তড়িৎ চৌম্বক, ট্রান্সফরমার, এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা ইত্যাদি। আধুনিক বিজ্ঞান: পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, বারিমণ্ডল, টাইড, বায়ুমণ্ডল, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি, আপেক্ষিক তত্ত, ফোটন কণা ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
ইউরেনাস সম্পর্কিত কোন তথ্যটি ভুল?
  1. সৌরজগতের শীতলতম গ্রহ
  2. একে সবুজ গ্রহ বলা হয়
  3. সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ
  4. এই গ্রহের বায়ুতে প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস আছে
ব্যাখ্যা
• ইউরেনাস:
- ইউরেনাস একটি অত্যন্ত ঠান্ডা এবং শীতল গ্রহ।
- এই গ্রহের বায়ুতে প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস উপস্থিত হওয়ায় এটিকে সবুজ রঙের দেখা যায়।
- তাই একে সবুজ গ্রহ বলা হয়।
- এটি সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- এটি সৌরজগতের শীতলতম গ্রহ।
- এটিতে শনির মতো একটি বলয় রয়েছে।
- উইলিয়াম হার্শেল ১৭৮১ সালে গ্রহটি আবিষ্কার করেছিলেন।

• বুধ হলো সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
.
পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে সমুদ্র স্রোত কোন দিকে প্রবাহিত হয়?
  1. পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে
  2. পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে
  3. উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে
  4. দক্ষিণ থেকে উত্তর দিকে
ব্যাখ্যা
- মহাসাগর ও সাগরের পানির একস্থান থেকে অন্যস্থানে নির্দিষ্ট ও নিয়মিত প্রবাহকে মহাসাগরীয় স্রোত বা সমুদ্রস্রোত বলে।
- উষ্ণতার তারতম্য অনুযায়ী সমুদ্র স্রোতকে প্রধানত ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. উষ্ণ স্রোত এবং
২. শীতল স্রোত।
- সমুদ্র স্রোতের প্রধান কারণ বায়ুপ্রবাহ।
- অয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে সমুদ্র স্রোত পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়।
- পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে সমুদ্র স্রোত পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের দৃশ্যমান আলোর মধ্যে কোনটির আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কম?
  1. লাল
  2. নীল
  3. হলুদ
  4. কমলা
ব্যাখ্যা
• দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ:
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয়, একে বলা হয় দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ।
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসীমা হচ্ছে 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র।
- এই পরিসীমার বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন রঙ দেখা যায়।
- এদের আসমানি, সবুজ, নীল, হলুদ, বেগুনি, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
চৌম্বকক্ষেত্রে স্থাপিত কোনো চৌম্বক পদার্থের চৌম্বক আবেশ ও চৌম্বক তীব্রতার অনুপাতকে কী বলে?
  1. চৌম্বক প্রবেশ্যতা
  2. চৌম্বক প্রাবল্য
  3. চৌম্বক প্রবণতা
  4. চৌম্বক গ্রাহিতা
ব্যাখ্যা
• চৌম্বক প্রবেশ্যতা:
- চৌম্বকক্ষেত্রে স্থাপিত কোনো চৌম্বক পদার্থের চৌম্বক আবেশ (B) ও চৌম্বক তীব্রতা (H) এর অনুাতকে ঐ পদার্থের চৌম্বক প্রবশ্যেতা বলে।
- একে μ (মিউ) দ্বারা প্রকাশ করা হয়
- এর একক TmA-1.

• চৌম্বক প্রাবল্য:
- চৌম্বকক্ষেত্রের কোনো চৌম্বক আবেশ এবং চৌম্বক প্রবেশ্যতার অনুপাতকে চৌম্বক প্রাবল্য বা তীব্রতা বলে ।
- একে H দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
এর একক Am-1

• চৌম্বক গ্রাহিতা বা প্রবণতা:
- কোনো চৌম্বক পদার্থের চুম্বকায়ন তীব্রতা (I) এবং চৌম্বক তীব্রতা (H) এর অনুপাতকে চৌম্বক গ্রাহিতা বা প্রবণতা বলে ।
- এটি একটি এককবিহীন রাশি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পানির স্রোতে আছে-
  1. গতি শক্তি
  2. বিভব শক্তি
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• জলবিদ্যুৎ:
- পানি হলো নবায়নযোগ্য শক্তির অন্যতম উৎস।
- পানির স্রোত ও জোয়ার-ভাটাকে ব্যবহার করে শক্তির উৎপাদন করা যায়।
- পানির স্রোতে আছে গতি শক্তি ও বিভব শক্তি।
- পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা যায়। একে জলবিদ্যুৎ বলা হয়।
- নদীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় জলরাশিতে জমা হয় স্থিতিশক্তি, কিন্তু যে শক্তি কাজে লাগানাে হয় তা হলাে গতিশক্তি।
- পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাাদন পৃথিবীতে খুবই জনপ্রিয়।
- বাংলাদেশে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইতে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র আছে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ডায়োডে কোন অংশকে নেগেটিভ রিভার্স বেস টার্মিনাল বলা হয়?
  1. পেনট্রোড
  2. অ্যানোড
  3. ট্রান্সফরমার
  4. ক্যাথোড
ব্যাখ্যা
- ডায়োড শব্দটি দুইটি কথার সমন্বয়ে গঠিত, ‘ডাই’ এবং ‘ইলেক্ট্রোড’।
- সাধারণ ভাবে বলা যায় যে, দুই ইলেক্ট্রোড বিশিষ্ট্র ইলেক্ট্রনিক্স কম্পোনেন্টই হলো ডায়োড।
- ডায়োডের দুইটা বর্তর্নী রয়েছে একটি অ্যানোড এবং অন্যটি ক্যাথোড যার এক দিকে নেগেটিভ অপর দিকে পজেটিভ টার্মিনাল থাকে।
- সাধারণত অ্যানোডকে পজেটিভ বা ফরোয়ার্ড বেস টার্মিনাল এবং ক্যাথোডকে নেগেটিভ রিভার্স বেস টার্মিনাল বলা হয়।
- ডায়োড একটি দুই প্রান্ত বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ যা বর্তনীতে একমুখী তড়িৎ প্রবাহ তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
.
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত হাইড্রোজেনের আইসোটোপ নয় কোনটি?
  1. কুইন্টিয়াম
  2. প্রোটিয়াম
  3. ডিউটেরিয়াম
  4. ট্রাইটিয়াম
ব্যাখ্যা
• আইসোটোপ:
- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে।
- হাইড্রোজেনের মোট ৭টি আইসোটোপ (¹H, ²H, ³H, ⁴H, ⁵H, ⁶H এবং ⁷H) আছে।
- প্রকৃতিতে পাওয়া গেছে ৩টি (প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম) আইসোটোপ এবং অন্যগুলো ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।
- প্রকৃতিতে পাওয়া তিনটি পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা সমান, তাই তারা একে অপরের আইসোটোপ।
- এখন পর্যন্ত ৩০০০ সংখ্যক থেকে বেশি আইসোটোপ সম্পর্কে জানা গেছে।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কঠিন বস্তুতে কোন পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালিত হয়?
  1. পরিবহন
  2. পরিচলন
  3. বিকিরণ
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• তাপ সঞ্চালন:
- তাপ বেশি তাপমাত্রার স্থান থেকে কম তাপমাত্রার স্থানে যেতে পারে। তাপের এই স্থান পরিবর্তনকে তাপ সঞ্চালন বলে।
- তাপ সঞ্চালন তিন প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়। যথা-
১. পরিবহন:
- যে পদ্ধতিতে পদার্থের অণুগুলি তাদের স্থান পরিবর্তন করে না, শুধুমাত্র অণুগুলি স্পন্দনের মাধ্যমে এক অণু পার্শ্ববর্তী অণুকে তাপ প্রদান করে।
- এভাবেই পদার্থের উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতম অংশের দিকে তাপ সঞ্চালিত হওয়াকে পরিবহন বলা হয়।
- কঠিন বস্তুতে পরিবহন পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালিত হয়।

২. পরিচলন:
- কোনো পদার্থের অণুগুলি তাপ গ্রহণ করে, উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশের দিকে অণুগুলি চলাচলের মাধ্যমে তাপের সঞ্চালন ঘটায় এই পদ্ধতিকেই পরিচলন পদ্ধতি বলা হয়।
- তরল এবং বাষ্পীয় পদার্থের মধ্যে তাপ পরিচলন পদ্ধতির মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়।

৩. বিকিরণ:
- সূর্য থেকে আমরা তাপ পাই।
- সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে দূরত্ব 1.5×108 কি.মি। এর প্রায় পুরোটাই শূন্য, কোনো জড় মাধ্যম নেই।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে বিকিরণ পদ্ধতিতে।
- যে প্রক্রিয়ায় তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই অপেক্ষাকৃত উষ্ণতর স্থান থেকে শীতলতর স্থানে সঞ্চালিত হয় সেই প্রক্রিয়াকে তাপের বিকিরণ বলে।
- বিকিরণ পদ্ধতিতে যে তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকীর্ণ তাপ বলে।
- বিকীর্ণ তাপ শক্তি ও আলোক শক্তির মধ্যে সাদৃশ্য বিদ্যমান।
- তাই সূর্য থেকে তাপ ও আলোক শক্তি তরঙ্গাকারে এক সাথে পৃথিবীতে পৌঁছায়।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোন ধাতুটি সবচেয়ে কম সক্রিয়?
  1. গোল্ড
  2. লিথিয়াম
  3. পটাসিয়াম
  4. সিলভার
ব্যাখ্যা
- পর্যায় তালিকায় মৌল সমূহের ধর্মকে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কোনো মৌল তড়িৎ ধনাত্মক, কোনো মৌল তড়িৎ ঋণাত্মক আবার কোনো কোনো মৌল রাসায়নিকভাবে নিষ্কিয়।
- তড়িৎ ধনাত্মক মৌল রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় জারিত হয়ে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়।
- হাইড্রোজেনসহ সকল ধাতু তড়িৎ ধনাত্মক মৌল।
- যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো বেশি সে মৌল ততো বেশি সক্রিয়।
- আর যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো কম সে মৌলটি ততো কম সক্রিয়।
- মৌলের সক্রিয়তার নিম্ন ক্রমানুসারে সাজালো যে মৌল শ্রেণীর উদ্ভব ঘটে, তাকে সক্রিয়তা সিরিজ বলে।

- কোনো ধাতুর অবস্থান সক্রিয়তার সিরিজে হাইড্রোজেনের উপরে হলে, তার সক্রিয়তা হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক।
- এরা এসিডের লঘু দ্রবণ থেকে হাইড্রোজেনকে প্রতিস্থাপিত করবে।
- অর্থাৎ, হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক সক্রিয় ধাতু ও লঘু এসিডের বিক্রিয়ায় ধাতুর লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলা
১০.
তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে স্বতঃস্ফূর্ততার ভিত্তিতে কয় শ্রেণিতে ভাগ করা যায়?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ
ব্যাখ্যা
• তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে স্বতঃস্ফূর্ততার ভিত্তিতে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা-
১. প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি কোষ:
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি তড়িৎ উৎপন্ন করে তড়িৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বলে।
- লেকল্যান্স কোষ, ড্যানিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ইত্যাদি হলো প্রাথমিক কোষ।

২. সেকেন্ডারি কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ:
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুত প্রবাহিত করে বিদ্যুত শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি রূপে সঞ্চিত করা হয় এবং পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুত শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারি কোষ বলে।
- লেড-এসিড স্টোরেজ কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ, লেড সঞ্চয়ী কোষ ইত্যাদি হলো সেকেন্ডারি কোষ।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
বৈদ্যুতিক পাখা ঘুরানোর ক্ষেত্রে কীরূপে শক্তির রূপান্তর হয়?
  1. বিদ্যুৎ শক্তি তাপ শক্তিতে
  2. বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে
  3. বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে
  4. বিদ্যুৎ শক্তি চুম্বক শক্তিতে
ব্যাখ্যা
- বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে সেটি ফিলামেন্টে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় এবং উত্তপ্ত হয় এবং আমরা আলো দেখতে পাই। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপে এবং তাপশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- বিদ্যুৎ শক্তি চালনা করে পাখা ঘুরানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- কয়লা পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এ তাপ উৎপন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- বিদ্যুতের সাহায্যে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজানো হয়। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজার ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- কাঁচা লোহার উপর অন্তরীত তামার তার জড়িয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে লোহাটি চুম্বকে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি চুম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো ফেললে রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে আলোক চিত্র তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- ইউরেনিয়ামকে নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে ভেঙ্গে যায় এবং প্রচুর পরিমাণ পারমাণবিক শক্তি উৎপন্ন করে। এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি পারমাণবিক শক্তিতে পরিণত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
সাধারণ ড্রাইসেলে ইলেকট্রোড হিসেবে কী থাকে?
  1. কার্বন দন্ড ও দস্তার কৌটা
  2. তামার দণ্ড ও দস্তার দণ্ড
  3. তামার পাত ও দস্তার পাত
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ড্রাইসেল:
- বিদ্যুৎ কোষ প্রধাণত দুই প্রকার। যথা- সাধারণ বিদ্যুৎ কোষ ও শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষ।
- শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষে দস্তার তৈরি চোঙ এবং একটি কার্বন দন্ড ব্যবহৃত হয়।
- দস্তার চোঙে নিশাদল, কয়লার গুড়া এবং ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইডের মিশ্রণের সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে লেই বা কাদার মত অবস্থায় দস্তার চোঙের মধ্যে ভর্তি করা হয়। চোঙের মধ্যে একি কার্বনের দন্ড এমনভাবে বসানো হয় যাতে তা চোঙটিকে স্পর্শ না করে।
- কার্বন দন্ডটির মাথায় পিতলের টুপি লাগানো থাকে। কার্বন দন্ডের চারপাশে গালা বা পিচের স্তর দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। এ কোষের দস্তার চোঙটি ঋণ-মেরু এবং কার্বন দন্ড ধন-মেরু হিসেবে কাজ করে। এ কোষে ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড পোলারন নিবারনের কাজ করে।
- ড্রাইসেল ব্যাটারির তড়িৎচালক বল ১.৫ ভোল্ট।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
ফোটন কণার নিশ্চল ভর কত?
  1. 0
  2. 3 × 108 kg
  3. 3 × 10-9 kg
  4. 3 × 10-19 kg
ব্যাখ্যা
• ফোটন:
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে।
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)।
- প্রতিটি কোয়ান্টা আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon)।

• ফোটন কণার ধর্মসমূহ:
- প্রতিটি ফোটন কণাই তড়িৎ নিরপেক্ষ।
- শূন্য মাধ্যমে প্রতিটি ফোটন কণাই আলোর বেগে চলাচল করে।
-  প্রতি ফোটন দ্বারা বাহিত শক্তির পরিমান E = hf; এখানে f = বিবিরণের কম্পাঙ্ক, h = প্লাংকের ধ্রুবক। 
- নিউটনীয় বলবিদ্যায় ফোটনের ভর ব্যাখ্যা করা যায় না। ফোটনের যে ভর আছে এই ধারণা বর্জনীয়। সহজে বলা যায়, ফোটনের স্থির ভর শূন্য।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
পৃথিবীর কেন্দ্রে কোনো বস্তুর ওজন কত?
  1. শূন্য
  2. ছয় ভাগের এক ভাগ
  3. প্রকৃত ওজনের সমান
  4. প্রকৃত ওজনের অর্ধেক
ব্যাখ্যা
- বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর উপর নির্ভরশীল।
- অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর আদর্শমান ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড২
- যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি সেই স্থানে বস্তুর ওজন বেশি।
- বিষুবীয় অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে কম তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়।
- মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে বেশি তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয়।
- পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর ওজন শূন্য।
- চন্দ্রে কোনো বস্তুর ওজন পৃথিবীর ওজনের ছয় ভাগের এক ভাগ।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি, NCTB।