পরীক্ষা আর্কাইভ

১৬তম বিশেষ বিসিএস [শিক্ষা] প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

পরীক্ষাPSCতারিখ১ জানুয়ারি, ১৯৯৪সময়45 minutes৯৭ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
১৬তম বিশেষ বিসিএস [শিক্ষা] প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মূল প্রশ্ন ও সমাধান
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৬তম বিশেষ বিসিএস [শিক্ষা] প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

PSC · ১ জানুয়ারি, ১৯৯৪ · ১০০ প্রশ্ন

.
''জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।''- এ উক্তিটি কোন পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় লেখা থাকত?
  1. সওগাত
  2. মোহাম্মদী
  3. সমকাল
  4. শিখা
সঠিক উত্তর:
শিখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিখা
ব্যাখ্যা
• শিখা পত্রিকা:
- ১৯২৬ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সাহিত্য-সমাজের মুখপত্র ছিল শিখা পত্রিকাটি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিভাগের অধ্যাপক আবুল হুসেন ছিলেন শিখা পত্রিকার প্রথম সংখ্যার সম্পাদক। শিখা বছরে একবার প্রকাশিত হত।
- প্রথম সংখ্যার প্রকাশকাল চৈত্র ১৩৩৩ (৮ এপ্রিল ১৯২৭)।
- মুসলিম সাহিত্য-সমাজের সারা বছরের কর্মকাণ্ডের পরিচয় বহন করত শিখা।
- শিখার প্রতিটি সংখ্যার শিরোদেশে ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’ কথাটি মুদ্রিত থাকত।
- এ উক্তিকেই শিখা পত্রিকার লেখকগোষ্ঠী তাদের মটো বা আদর্শবাণী হিসেবে বিবেচনা করত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
‘অবমূল্যায়ন’ ও ‘অবদান’ শব্দ দুটিতে ‘অব’ উপসর্গটি সম্পর্কে কোন মন্তব্যটি ঠিক?
  1. শব্দ দুটিতে উপসর্গটি মোটামুটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
  2. শব্দ দুটিতে উপসর্গটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
  3. দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দুই রকম
  4. দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ আপাত-বিচারে ভিন্ন হলেও আসলে এক
সঠিক উত্তর:
দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দুই রকম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দুই রকম
ব্যাখ্যা
• ‘অবমূল্যায়ন’ শব্দে ‘অব’ তৎসম উপসর্গটি ‘হীনতা’ অর্থে এবং ‘অবদান’ শব্দে ‘অব’ তৎসম উপসর্গটি ‘উৎকর্ষ’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

• সুতরাং, দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দুই রকম।

----------------------
• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ। 

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা:  প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান কোন জেলায়?
  1. বরিশাল জেলা
  2. ফরিদপুর জেলা
  3. ঢাকা জেলা
  4. রাজশাহী জেলা
সঠিক উত্তর:
বরিশাল জেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল জেলা
ব্যাখ্যা
• জীবনানন্দ দাশ:
- জীবনানন্দ দাশ ছিলেন একজন কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক।
- মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।
- ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ অক্টোবর জীবনানন্দ দাশ কলকাতায় এক ট্রাম-দুর্ঘটনায় আহত হন এবং ২২ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।

• জীবনানন্দ দাশের উপাধি/অভিধাসমূহ:
- ধুসরতার কবি,
- তিমির হননের কবি,
- রূপসী বাংলার কবি,
- নির্জনতার কবি।

তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা:
• কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরা পালক (এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য গ্রন্থ),
- ধূসর পাণ্ডু লিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা।

• উপন্যাস:
- মাল্যবান,
- সুতীর্থ।

• প্রবন্ধগ্রন্থ:
- কবিতার কথা।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
.
‘Intellectual’ শব্দের বাংলা অর্থ-
  1. বুদ্ধিমান
  2. বুদ্ধিজীবী
  3. মননশীল
  4. মেধাবী
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধিজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধিজীবী
ব্যাখ্যা
• 'Intellectual' এর বাংলা পরিভাষা - বুদ্ধিবাদী, বুদ্ধিজীবী।

অন্যদিকে,
• Intelligent - বুদ্ধিমান।
• Thoughtful - মননশীল।
• Talented - মেধাবী।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা এবং অভিগম্য অভিধান।
.
যা চিরস্থায়ী নয়-
  1. অস্থায়ী
  2. ক্ষণিক
  3. ক্ষণস্থায়ী
  4. নশ্বর
সঠিক উত্তর:
নশ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নশ্বর
ব্যাখ্যা
• 'যা চিরস্থায়ী নয়' এক কথায় প্রকাশ - নশ্বর।

আবার,
• 'নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার' এক কথায় প্রকাশ - নশ্বর।

• আরো কিছু এক কথায় প্রকাশ: 
- 'স্থায়ী ঠিকানা নেই যার' এক কথায় প্রকাশ - উদ্বাস্তু।
- 'যে বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে' এক কথায় প্রকাশ - উদ্বাস্তু।
- 'নষ্ট হওয়া স্বভাব নয় যার' এক কথায় প্রকাশ - অবিনশ্বর।
- 'যা কখনো নষ্ট হয় না' এক কথায় প্রকাশ - অবিনশ্বর।
- 'ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী' এক কথায় প্রকাশ - ক্ষণস্থায়ী।
- 'যা স্থায়ী নয়' এক কথায় প্রকাশ - অস্থায়ী।
- 'যার বাসস্থান নেই' এক কথায় প্রকাশ - অনিকেত।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
’অচিন’ শব্দের ‘অ’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?
  1. নেতিবাচক
  2. বিয়োগান্ত
  3. নঞর্থক
  4. অজানা
সঠিক উত্তর:
নঞর্থক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নঞর্থক
ব্যাখ্যা
• ’অচিন’ শব্দের ‘অ’ বাংলা উপসর্গটি নঞর্থক/ না/ অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

'অ' উপসর্গযোগে গঠিত কিছু শব্দ হলো:
• নিন্দিত অর্থে: অকেজো, অচেনা, অপয়া।
• অভাব অর্থে: অচিন, অজানা, অথৈ।
• ক্রমাগত অর্থে: অঝোর, অঝোরে।

----------------------
• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ। 

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা:  প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
প্রত্যয়গতভাবে শুদ্ধ কোনটি?
  1. উৎকর্ষতা
  2. উৎকর্ষ
  3. উৎকৃষ্ট
  4. উৎকৃষ্টতা
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় উত্তর বাতিল করা হয়েছে।]


• উৎকর্ষ (বিশেষ্য পদ)।
- কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ: (উৎ + √কৃষ্ + অ)। 

তবে এর সাথে 'তা’ (বিশেষ্য) প্রত্যয় যুক্ত করলে ‘উৎকর্ষতা’ হয় যা বিশেষ্যের দ্বিত্ব প্রয়োগ অর্থাৎ বাহুল্য দোষ। 
সুতরাং ’উৎকর্ষতা’ শব্দটি ভুল।

আবার,
• 'উৎকৃষ্ট' বিশেষণ পদ।
- কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ: (উৎ + √কৃষ্ + ত)।

• আর ‘তা’ প্রত্যয় যোগে 'উৎকৃষ্ট' শব্দের বিশেষ্য পদ ‘উৎকৃষ্টতা’ শব্দটি গঠিত হয়। 
- উৎকর্ষ শব্দের সমার্থক শব্দ উৎকৃষ্টতা।

প্রদত্তে অপশনে শুধু উৎকর্ষতা শব্দটি ভুল। 

সুতরাং, এখানে প্রত্যয়গত শুদ্ধ শব্দ দুটি:
১. উৎকর্ষ (উৎ + √কৃষ্ + অ) 
২. উৎকৃষ্ট (উৎ + √কৃষ্ + ত)

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
''পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ'' – কথাটি কার?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. মীর মোশাররফ হোসেন
  4. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• “পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ?"  উক্তিটির রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। 

• ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাস:

- কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬) বঙ্কিমচন্দ্রের দ্বিতীয় বাংলা উপন্যাস। 
- এতে নিগূঢ় ভাবসঙ্গতির জন্য 'রোমান্স' বলা যায়। অরণ্যে এক কাপালিক-পালিতা নারী কপালকুণ্ডলাকে কেন্দ্র করে এই উপন্যাসের কাহিনি গড়ে উঠেছে। সামাজিক সংস্কারের সঙ্গে অপরিচিতা এই নারীর নবকুমারের সঙ্গে বিয়ে এবং কপালকুণ্ডলার সমাজবন্ধনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব এই কাহিনির মূল ঘটনা। কুপালকুণ্ডলার মধ্যে যে রহস্য সেই রহস্য উদ্ঘাটনই উপন্যাসের প্রধান বিষয়।
- কাহিনিতে একদিকে আছে সম্রাট জাহাঙ্গিরের সময়কার আগ্রার নগর ও স্থাপত্য এবং অন্যদিকে অরণ্য ও সমুদ্র। প্রকৃতির সৌন্দর্য ও রহস্যময়তা, কপালকুণ্ডলার চরিত্র, কাহিনির ট্র্যাজিক পরিণতি এই তিনটি কারণে উপন্যাসটি বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যতম স্মরণীয় রচনা।
- বঙ্কিমের জীবৎকালেই এই উপন্যাসের আটটি সংস্করণ হয়। অনেকের মতে এটি বঙ্কিমের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।

• নায়িকা কপালকুণ্ডলা নায়ক নবকুমার কে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, “পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ?" এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোম্যান্টিক সংলাপ।

• উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- কুপালকুণ্ডলা,
- নবকুমার,
- কাপালিক ইত্যাদি।

--------------------------
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- ১৮৩৮ সালে চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ললিতা তথা মানস’।
- তাঁর রচিত প্রথম ও বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’।

•  বঙ্কিমচন্দ্র রচিত ত্রয়ী উপন্যাসগুলো হলো:
- আনন্দমঠ,
- দেবী চৌধুরানী ও 
- সীতারাম উপন্যাস।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাসগুলো হলো:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘সওগাত’ পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. আবুল কালাম আজাদ
  3. খান মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন
  4. মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন
ব্যাখ্যা
• 'সওগাত' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। 

• 'সওগাত' পত্রিকা: 
- ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল) অগ্রহায়ণ মাসে মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের সম্পাদনায়  কলকাতা থেকে এটি প্রকাশিত হয়।
- কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সওগাতের প্রধান লেখকদের অন্যতম।
- তিনি যখন করাচিতে বেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মরত, তখন ‘বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী’ নামে একটি ছোট গল্প পাঠান। এটিই ছিল তাঁর সওগাতে প্রকাশিত প্রথম লেখা।

সওগাতের অন্যান্য প্রধান লেখকগণ ছিলেন-
- বেগম রোকেয়া,
- কাজী আবদুল ওদুদ,
- আবুল কালাম শামসুদ্দীন,
- আবুল মনসুর আহমদ এবং
- আবুল ফজল।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরও এতে লিখেছেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১০.
কোন গ্রন্থটি ঢাকা হতে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল?
  1. মেঘনাদবধ কাব্য
  2. দুর্গেশ নন্দিনী
  3. নীলদর্পণ
  4. অগ্নিবীণা
সঠিক উত্তর:
নীলদর্পণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলদর্পণ
ব্যাখ্যা
• 'নীলদর্পণ' নাটক:
- দীনবন্ধু মিত্রের প্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ নাটক নীলদর্পণ।
- এটি বাংলা সাহিত্যে একটি বিখ্যাত নাটক।
- ১৮৬০ সালে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
- এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম নাটক এবং নাটকটি ঢাকায় প্রথম মঞ্চস্থ হয়।
- A Native ছদ্মনামে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এর ইংরেজি অনুবাদ করেন। অনুবাদটি ১৮৬১ সালে Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror নামে প্রকাশিত হয়।

অন্যদিকে,
• ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ দুখণ্ড ও নয় সর্গে রচিত মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য। প্রথম খণ্ড ১৮৬১ সালের জানুয়ারি মাসে এবং দ্বিতীয় খণ্ড একই বছরের আগস্ট মাসে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়। 

• বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী'। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই উপন্যাসের রচয়িতা। বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' প্রকাশিত হয় ১৮৬৫ সালে।

• 'অগ্নিবীণা' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। কাব্যগ্রন্থটিতে মোট ১২ টি কবিতা রয়েছে। প্রথম কবিতা হচ্ছে ‘প্রলয়োল্লাস’।

---------------------
• দীনবন্ধু মিত্র:
- পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে ১৮৩০ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতৃদত্ত নাম গন্ধর্বনারায়ণ। 
- ১৮৭১ সালে লুসাই যুদ্ধের সময় দীনবন্ধু কাছাড়ে সফলভাবে ডাক বিভাগ পরিচালনা করেন, যার জন্য সরকার তাঁকে ‘রায়বাহাদুর’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- নীলদর্পণ তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও। 

দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন:
- সধবার একাদশী,
- বিয়ে পাগলা বুড়ো ও
- জামাই বারিক।

নাটক:
- লীলাবতী,
- নবীন তপস্বিনী,
- কমলে কামিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
‘সমকাল’ পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. মোহাম্মদ আকরম খাঁ
  2. তফাজ্জল হোসেন
  3. নাসিরুদ্দীন
  4. সিকানদার আবু জাফর
সঠিক উত্তর:
সিকানদার আবু জাফর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিকানদার আবু জাফর
ব্যাখ্যা
• ‘সমকাল' পত্রিকা:
- সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা থেকে প্রকাশিত মাসিক সাহিত্যপত্র ‘সমকাল'।
- এর সহকারী সম্পাদক ছিলেন হাসান হাফিজুর রহমান। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, আজকের বাংলাদেশের আধুনিক সাহিত্যের বীজতলা নির্মাণে ‘সমকালে’র ভূমিকা অনস্বীকার্য।
- পঞ্চাশ ও ষাটের দশকের বাংলাদেশের বাঙালি উল্লেখযােগ্য লেখকদের মধ্যে এমন কেউ নেই যিনি 'সমকালে' লেখেন নি। 'সমকালে' লেখা ছিল গর্বের।
- সম্পাদক সিকান্দার আবু জাফর একজন সংগঠকের মতাে বাংলাদেশের বাঙালি লেখকদের বিনির্মাণে ‘সমকাল' পত্রিকা নিয়ে এগিয়ে এসেছিলেন।
- 'সমকাল' ছাড়াও তিনি দৈনিক ইত্তেফাক (সহযোগী সম্পাদক) ও দৈনিক মিল্লাত (সহযোগী সম্পাদক) পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
কবি কাজী নজরুল ইসলাম ‘সঞ্চিতা’ কাব্যটি কাকে উৎসর্গ করেছিলেন?
  1. বারীন্দ্রকুমার ঘোষ
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. বীরজাসুন্দরী দেবী
  4. মুজাফফর আহমদ
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
• কবি কাজী নজরুল ইসলাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে 'সঞ্চিতা' কাব্যটি উৎসর্গ করেছিলেন।

• 'সঞ্চিতা':
- 'সঞ্চিতা' কাজী নজরুল ইসলামের একটি কবিতা সংকলন।
- এটি ১৯২৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়।
- গ্রন্থটি তিনি উৎসর্গ করেন বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে।
- এতে মোট ৭৮টি কবিতা ও গান আছে।
- নজরুলের কবিতার ধারা বুঝবার জন্য এ সংকলনটি গুরুত্বপূর্ণ। কেননা তাঁর জীবিতাবস্থায় এগুলোকেই তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্য সৃষ্টি বলে অনুমোদন করে গেছেন।

• তবে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত 'বসন্ত' নাটকটি কাজী নজরুল ইসলাম কে উৎসর্গ করেছিলেন।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৩.
সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য-
  1. বাক্যর সরল ও জটিলরূপে
  2. শব্দের রূপগত ভিন্নতায়
  3. তৎসম ও অতৎসম শব্দের ব্যবহারে
  4. ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
ব্যাখ্যা
• সাধু ও চলিত ভাষার প্রধান পার্থক্য হলো ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের ভিন্নতায়।
- সাধুভাষায় পূর্ণ রূপ ব্যবহৃত হয় আর চলিত ভাষায় সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়।
- সাধু ভাষা তৎসম শব্দ বেশি আর চলিত ভাষায় অতৎসম শব্দ বেশি।

---------------------
• চলিত রীতি:
- চলিত রীতি পরিবর্তনশীল অর্থাৎ সময়ের প্রবাহের কারনে চলিত রীতি পরিবর্তিত রূপ লাভ করে।
- এই রীতি তদ্ভব শব্দবহুল। এছাড়াও এতে দেশি ও বিদেশি শব্দের প্রাধান্য রয়েছে।
- চলিতরীতির লৈখিক ও মৌখিক দুটি রূপই বিদ্যমান।
- এই রীতি সহজবোধ্য, সংক্ষিপ্ত। বকৃতা, সংলাপ ও আলাপ-আলোচনার জন্য উপযোগী।

• সাধু ভাষা/রীতি:
- দাপ্তরিক কাজ, সাহিত্য রচনা, যোগাযোগ ও জ্ঞানচর্চার প্রয়োজনে লেখ্য বাংলা ভাষায় সাধু রীতির জন্ম হয়।
- উনিশ শতকের শুরুর দিকে সাধু রীতির বিকাশ ঘটে।
- সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ দীর্ঘতর হয়ে থাকে।
- সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।
- চলিত ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।
- সুতরাং, এই দুটি পদের ভিন্নতার জন্যই সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।
- সাধু রীতির বহু সর্বনামে 'হ'-বর্ণ যুক্ত থাকে, যেমন- তাহারা, ইহাদের, যাহা, তাহা, উহা, কেহ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম দশম শ্রেণি (সংস্করণ- ২০২১) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৪.
বাংলা একাডেমি কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৫
  2. ১৯৩৫
  3. ১৯৫২
  4. ১৩৫২
সঠিক উত্তর:
১৯৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৫
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের ১ ডিসেম্বর মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০২-১৯৮২) একাডেমির প্রথম পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক প্রফেসর মাযহারুল ইসলাম (১৯৭২ সাল)।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
১৫.
‘মানুষের মাঝে স্বর্গ নরক, মানুষেতে সুরাসুর’- এ পঙক্তিটি কার রচনা?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. শেখ ফজলুল করিম
  4. শামসুর রাহমান
সঠিক উত্তর:
শেখ ফজলুল করিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ ফজলুল করিম
ব্যাখ্যা
• ‘মানুষের মাঝে স্বর্গ নরক, মানুষেতে সুরাসুর’- পঙ্‌ক্তিটি ফজলল করিম রচিত ‘স্বর্গ ও নরক’ কবিতার অন্তর্গত।

- বাঙালি মুসলমানের ভাষা নিয়ে সঙ্কটের সময় 'বাসনা' পত্রিকা বাংলা ভাষার স্বপক্ষে দাঁড়িয়েছিল।
- হিন্দু-মুসলমান মিলনাকাঙ্ক্ষা ছিল এ পত্রিকার প্রধান লক্ষ্য।
- হিন্দু-মুসলমান সঙ্কটের সময় শেখ ফজলল করিম রচনা করেন ‘স্বর্গ ও নরক’ শীর্ষক কবিতাটি।


কবিতাটি সংক্ষেপে নিম্নরূপে দেয়া হলো:

স্বর্গ ও নরক
শেখ ফজলল করিম
কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর? 
মানুষেরি মাঝে স্বর্গ নরক, মানুষেতে সুরাসুর! 
রিপুর তাড়নে যখনই মোদের বিবেক পায় গো লয়, 
আত্মগ্লানির নরক-অনলে তখনি পুড়িতে হয়। 
প্রীতি ও প্রেমের পূণ্য বাঁধনে যবে মিলি পরষ্পরে, 
স্বর্গ আসিয়া দাঁড়ায় তখন আমাদেরি কুঁড়ে ঘরে।

--------------
• শেখ ফজলল করিম:
- তিনি ১৮৮২ সালে রংপুর জেলার কাকিনা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কবি, সাহিত্যিক, সম্পাদক।
- তিনি হযরত মুহম্মদ (স) এর চারিত্র্য-মাহাত্ম্য ও ধর্মজীবন অবলম্বনে রচনা করেন 'পরিত্রাণ' নামক কাব্য।
- সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য নদীয়া সাহিত্য সভা তাঁকে সাহিত্যবিশারদ (১৯১৬) এবং কাব্যরত্নাকর (১৯১৭) উপাধি দিয়ে সম্মানিত করে।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্য:
- ভগ্নবীণা,
- ভক্তি পুষ্পাঞ্জলি,
- গাঁথা,
- প্রেমের স্মৃতি,
- পথ ও পাথেয়,
- উচ্ছ্বাস।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- লায়লী মজনু,
- হারুন-অর-রশিদ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; 'স্বর্গ ও নরক' কবিতা, শেখ ফজলল করিম।
১৬.
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতে কোন বিষয়টি প্রধানভাবে আছে?
  1. বাংলার প্রকৃতির কথা
  2. বাংলার মানুষের কথা
  3. বাংলার ইতিহাসের কথা
  4. বাংলার সাংস্কৃতির কথা
সঠিক উত্তর:
বাংলার প্রকৃতির কথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলার প্রকৃতির কথা
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সঙ্গীত:
- বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'আমার সোনার বাংলা 'কবিতার প্রথম ১০ চরণকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং তা গৃহীত  হয় ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি।
- জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের বিধান অনুযায়ী কণ্ঠে গাইতে গেলে দশ চরণ আর যন্ত্র সঙ্গীতে বাজাতে গেলে চার চরণ পর্যন্ত বাজাতে হবে।
-  বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা" এর রচয়িতা ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- কবিতাটিতে মোট ২৫টি লাইন আছে।
- জাতীয় সংগীত সম্পর্কে ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, ‘এই গানে দেশের বন্দনা, ঋতু ও ভূ-প্রকৃতির বর্ণনা, দেশের প্রতি ভালোবাসার কথা তুলে ধরা হয়েছে’।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
১৭.
‘রোহিণী’ চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?
  1. চরিত্রহীন
  2. গৃহদাহ
  3. কৃষ্ণকান্তের উইল
  4. সংসপ্তক
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণকান্তের উইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণকান্তের উইল
ব্যাখ্যা
• কৃষ্ণকান্তের উইল:
- এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং সমকালে বিতর্কিত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র বিধবা নারী রোহিণীকে অবলম্বন করে বঙ্কিমচন্দ্র নিজেই শিল্পবোধ ও নৈতিক আদর্শের দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন।
- ঔপন্যাসিকের জীবদ্দশায় এই গ্রন্থের চারটি সংস্করণ হয়।

উপন্যাসটির প্রধান চরিত্রগুলো হলো:
- রোহিণী,
- গোবিন্দলাল,
- ভ্রমর।

অন্যদিকে,
• 'চরিত্রহীন' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি উপন্যাস। ‘চরিত্রহীন’ উপন্যাসের চরিত্র- সতীশ, সাবিত্রী, দিবাকর, কিরণময়ী।
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'গৃহদাহ' উপন্যাসের চরিত্রগুলো হলো- সুরেশ, মহিম, অচলা।
• শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত উপন্যাস- সংশপ্তক। উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র- রাবেয়া খাতুন (রাবু), জাহেদ, সেকেন্দার, মালু, হুরমতি, লেকু, রমজান, রামদয়াল ইত্যাদি।

---------------------------
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: 
- ১৮৩৮ সালের ২৭ জুন চবিবশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
 - আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'সাম্য' গ্রন্থটি রচনা করেন।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৮.
‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ গ্রন্থের সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. হাসান হাফিজুর রহমান
  2. বেগম সুফিয়া কামাল
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. আবুল বরকত
সঠিক উত্তর:
হাসান হাফিজুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসান হাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা
• 'একুশে ফেব্রুয়ারী' সংকলন:
- ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে প্রথম সাহিত্য সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারী' প্রকাশিত হয়।
- এই সংকলনে স্থান পেয়েছিল একুশের প্রবন্ধ, গল্প, কবিতা, গান, নকশা ও ইতিহাস।
- ১৯৫৩ সালে 'পুথিপত্র' থেকে এটি প্রকাশ করেন বিশিষ্ট বামপন্থী রাজনৈতিককর্মী মোহাম্মদ সুলতান। 
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো /একুশে ফেব্রুয়ারী/ আমি কি ভুলিতে পারি'  গানটি প্রথম এ গ্রন্থে সংকলিত হয়
- এটি প্রকাশের তিন সপ্তাহের মধ্যে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার সংকলনটি বাজেয়াপ্ত করে। 
 
--------------------
• হাসান হাফিজুর রহমান:
- হাসান হাফিজুর রহমান ১৯৩২ সালে জামালপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রথম সংকলন গ্রন্থ “একুশে ফেব্রুয়ারি”। এটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয়। 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র - এর সম্পাদকও তিনি।
 
• হাসান হাফিজুর রহমান রচিত প্রবন্ধ:
- আধুনিক কবি ও কবিতা, 
- মূল্যবোধের জন্য, 
- সাহিত্য প্রসঙ্গ, 
- আলোকিত গহ্বর ইত্যাদি।
 
• হাসান হাফিজুর রহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ: 
- বিমুখ প্রান্তর,
- প্রতিবিম্ব,
- আর্ত শব্দাবলী,
- অন্তিম শহরের মতো,
- যখন উদ্যত সঙ্গীন,
- ভবিতব্যের বাণিজ্য তরী,
- শোকার্ত তরবারী ইত্যাদি।
 
• হাসান হাফিজুর রহমান রচিত গল্প:
- আরো দুটি মৃত্যু। 
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৯.
কোন উপন্যাসটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ?
  1. বিষবৃক্ষ
  2. গণদেবতা
  3. আরণ্যক
  4. ঘরে বাইরে
সঠিক উত্তর:
ঘরে বাইরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘরে বাইরে
ব্যাখ্যা
• ‘ঘরে-বাইরে’ উপন্যাস:
- 'ঘরে-বাইরে' (১৯১৬) চলিতভাষায় লেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম উপন্যাস।
- উপন্যাসটি 'সবুজপত্রে' ১৯১৫ সালে প্রকাশিত হয়।
- স্বদেশি আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত এই উপন্যাসে একদিকে আছে জাতিপ্রেম ও সংকীর্ণ স্বাদেশিকতার সমালোচনা অন্যদিকে আছে সমাজ ও প্রথা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নারী-পুরুষের সম্পর্ক, বিশেষত পরস্পরের আকর্ষণ-বিকর্ষণের বিশ্লেষণ।
- স্বামী নিখিলেশের প্রতি অনুরাগ সত্ত্বেও এই কাহিনির নায়িকা বিমলা অন্যপুরুষ বিপ্লবী সন্দীপের দ্বারা তীব্রভাবে আকর্ষিত।
- একদিকে বাইরে জাতীয় আন্দোলনের উত্তেজনা অন্যদিকে তিনটি মানুষের জীবনে টানাপোড়েন-রাজনীতি ও ব্যক্তিগত জীবনের দ্বন্দ্ব এই দুই মিলে উপন্যাস।
- 'ঘরে-বাইরে'র সঙ্গে পাশ্চাত্য ঔপন্যাসিক স্টিভেনসনের 'প্রিন্স অটো' উপন্যাসের ভাবসাদৃশ্য আছে। স্টিভেনসনের সেরাফিনা, অটো ও গোনড্রেমার্ক যথাক্রমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিমলা, নিখিলেশ ও সন্দীপ।
- তবে স্টিভেনসনের উপস্থাপনা ব্যঙ্গাত্মক, সমাপ্তি মিলনাত্মক; আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাহিনি সকরুণ, সিরিয়াস।এর উপসংহার ট্র্যাজিক ও অধিকতর শিল্পসম্মত। 

উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- বিমলা,
- নিখিলেশ ও
- সন্দীপ

অন্যদিকে,
• বিষবৃক্ষ (১৮৭৩) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত সামাজিক উপন্যাস। এতে কেন্দ্রীয় সমস্যার সঙ্গে বিধবা বিবাহ,পুরুষের একাধিক বিবাহ তার রূপতৃষ্ণাও নৈতিকতার দ্বন্দ্ব, নারীর আত্মসম্মান ও অধিকারবোধ প্রভৃতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

• ‘গণদেবতা' উপন্যাসটির রচয়িতা তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। 

• বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত উপন্যাস ‘আরণ্যক’। ভাগলপুরের নিকটবর্তী বনঞ্চলের নিম্নবিত্ত মানুষের জীবন নিয়ে রচিত হয়েছে আরণ্যক উপন্যাস। প্রধান চরিত্র - ভানুমতী, বনোয়ারী, দোবরু, বুদ্ধু সিংহ।

------------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই অসামান্য প্রতিভাধর ব্যক্তি। বাল্যকালেই তাঁর কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
- মাত্র পনের বছর বয়সে তাঁর 'বনফুল' কাব্য প্রকাশিত হয় এবং এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ঘরে-বাইরে,
- চোখের বালি,
- শেষের কবিতা,
- যোগাযোগ,
- নৌকাডুবি,
- বউ ঠাকুরানীর হাট,
- দুই বোন,
- মালঞ্চ,
- চতুরঙ্গ,
- গোরা,
- রাজর্ষি,
- চার অধ্যায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
২০.
The antonym of ‘indifference’ is -
  1. Ardour
  2. Compassion
  3. Anxiety
  4. Concern
সঠিক উত্তর:
Concern
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Concern
ব্যাখ্যা
• Indifference (Adjective):
English Meaning: lack of interest, concern, or sympathy.
Bangla Meaning: ঔদাসীন্য; উদাসীনতা; অনীহা; নিঃস্পৃহতা; বিতৃষ্ণা; বৈরাগ্য।

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ -

ক) Ardour (Countable noun, Uncountable noun)
English Meaning: great enthusiasm or passion.
Bangla Meaning: উষ্ণ আবেগ; আকুলতা; উৎসাহ।
 
খ) Compassion (noun) [uncountable noun]
English Meaning: Sympathetic pity and concern for the sufferings or misfortunes of others.
Bangla Meaning: করুণা; সমবেদনা।

গ) Anxiety [Uncountable noun]
English Meaning: A feeling of worry, nervousness, or unease about something with an uncertain outcome.
Bangla Meaning: ভবিষ্যৎ বিষয়ে ভয় ও অনিশ্চয়তাবোধ; উদ্বেগ; দুশ্চিন্তা

ঘ) Concern (noun) [countable noun]
English Meaning: Make (someone) anxious or worried.
Bangla Meaning: কোনো বিষয় যাতে কেউ উৎসাহী বা যা কারো কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

• শব্দগুলোর অর্থ বিবেচনায় বুঝা যাচ্ছে যে, The most direct antonym would be "Concern" (option ঘ), as it represents active interest and care, which is exactly opposite to the lack of interest implied by indifference.

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২১.
The word ‘imbibe’ means :
  1. to learn
  2. To tinge
  3. To drink
  4. To acquire
সঠিক উত্তর:
To drink
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To drink
ব্যাখ্যা
• Imbibe (verb)
English Meaning: to drink, especially alcohol; to receive and accept information, etc.
Bangla meaning:  পান/হজম করা; শুষে নেওয়া; আত্মসাৎ করা।

• Example:
- Have you been imbibing again?
- Just imbibe what the person says and take it into your system.

• অপশনে উল্লিখিত অন্য শব্দগুলোর অর্থ -

ক) to learn - শেখা, জানা।
খ) To tinge - (লাল ইত্যাদি রঙে) ঈষৎ রঞ্জিত করা; ঈষৎ মিশ্রিত করা: ঈষৎ মিশ্রণ; আমেজ; আভাস।
ঘ)To acquire - অর্জন করা, জ্ঞান অর্জন করা।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Collins Dictionary.
3. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২২.
The word ‘homogeneous’ means:
  1. Of the same kind
  2. Of the same place
  3. Of the same race
  4. Of the same density
সঠিক উত্তর:
Of the same kind
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Of the same kind
ব্যাখ্যা
• Homogeneous (adjective)

English Meaning: of the same kind; alike; Consisting of parts or having qualities that are the same.
Bangla Meaning: সমপ্রকৃতির অংশসমূহ নিয়ে গঠিত; সমজাতীয়; সমজাতিক; সমঘন; সমমাত্র।

• Synonyms: Identical (এক; অভিন্ন), Similar (সদৃশ; অনুরূপ), Alike (একই রকম; সদৃশ), Equivalent (সমতুল্য), Fungible (বিনিময় যোগ্য)।
• Antonyms: Heterogeneous (অসমসত্ত; বিষমসত্ত), Different (ভিন্ন; অন্য রকম), Dissimilar (অসদৃশ; বিসদৃশ), Diverse, (বৈচিত্র্যময়) Mixed (মিশ্রিত)।

• Other Forms:
- (noun) Homogeneity সমজাতীয়তা; সমঘনত্ব, Homogenize, homogenise
- (verb transitive) সমজাতীয়/সমঘন/সমমাত্রা করা; (বিশেষত) দুধের স্নেহকণাসমূহ ভেঙে সংমিশ্রণ করে দুধের সান্দ্রতা সর্বত্র সমরূপ করা।

• Example Sentence:
1. We need to have homogeneous traffic if the problem of jams and slow-moving traffic is to be solved.
2. Cultivating a homogeneous workforce is not a strategy for success.

Source:
1. Live MCQ Lecture.
2. Oxford Learner's Dictionary.
3. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৩.
The synonym of ‘genesis’ is-
  1. introduction
  2. preface
  3. beginning
  4. foreword
সঠিক উত্তর:
beginning
উত্তর
সঠিক উত্তর:
beginning
ব্যাখ্যা
• Genesis
English Meaning: the origin or mode of formation of something.
Bangla Meaning: সূচনা; প্রারম্ভিক বিন্দু

• অপশনে উল্লেখিত শব্দগুলোর অর্থ -
ক) introduction - উপস্থাপনা; প্রস্তাবনা; প্রচলন; পরিচয়সাধন; প্রবর্তন।
খ) preface - মুখবন্ধ; প্রস্তাবনা।
গ) beginning -কোন কিছুর শুরু/ আরম্ভ/সূচনা।
ঘ) foreword - প্রারম্ভিক মন্তব্য; মুখবন্ধ।

• সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - beginning শব্দটি Genesis এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করছে।

Source: 
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla ACademy.
২৪.
The word ‘ecological’ is related to-
  1. Atmosphere
  2. Pollution
  3. Environment
  4. Demography
সঠিক উত্তর:
Environment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Environment
ব্যাখ্যা
•  The word 'ecological' is related to - Environment.

• Ecological অর্থ বাস্তুসংস্থানসংক্রান্ত; পরিবেশ সংক্রান্ত।
• Environment অর্থ পরিবেশ।

• প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - 
• Demography - জনসংখ্যাতত্ত্ব।
• Pollution - দূষণ।
• Atmosphere - বায়ুমন্ডল।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৫.
Which of the following sentence is correct?
  1. One of my friends are a lawyer
  2. One of my friends is a lawyer
  3. One of my friend is a lawyer
  4. One of my friends are lawyers
সঠিক উত্তর:
One of my friends is a lawyer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One of my friends is a lawyer
ব্যাখ্যা
• One of এর ব্যবহার:
- One of এর পরে noun plural হয় ও verb singular হয়।
- Structure: one of + plural noun + singular verb.

• তাই নিয়মানুযায়ী  সঠিক উত্তর হবে - খ) One of my friends is a lawyer.
- এখানে, one of এরপরে plural noun friends এবং singular verb is ব্যবহৃত হয়েছে।

• More examples:
- One of my brothers is a doctor.
- One of my friends is a politician.
- One of my cousins is a lawyer.
- One of the most beautiful girls has come.
- One of the problems is extremely easy to solve.
২৬.
The correct passive of ''Sheila was writing a letter'' is -
  1. A letter was written by Sheila
  2. A letter was being writing by Sheila
  3. A letter was being written by Sheila
  4. A letter was been written by sheila
সঠিক উত্তর:
A letter was being written by Sheila
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A letter was being written by Sheila
ব্যাখ্যা
Active Voice: Silia was writing a letter.
Passive Voice: A letter was being written by Silia.

• Past Continuous Tense এর Active Voice কে Passive Voice এ পরিবর্তন করার নিয়ম: 
- Object টি subject হয়, 
- was being/were being বসে, 
- মূল verb এর past participle বসে, 
- by বসে, 
- Subject টির objective form বসে। 

• Structure: 
- Object টির subjective form + was being/were being + মূল verb এর past participle + by + subject এর objective form.
২৭.
Which of the following sentences is correct?
  1. That shirt which he bought is blue in colour
  2. The shirt that which he bought is blue in colour
  3. Which shirt he bought is blue in colour
  4. The shirt which he bought is blue in colour
সঠিক উত্তর:
The shirt which he bought is blue in colour
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The shirt which he bought is blue in colour
ব্যাখ্যা

• যে adjective clause আগের noun এর ব্যাপারে বাড়তি তথ্য দেয়, তাকে non-restrictive clause বলে।
- Non-restrictive clause এর ব্যবহার অনুযায়ী সঠিক বাক্যের গঠন হবে - Sub + which + sub + verb + extension.


- অস্পষ্ট এড়াতে Relative Pronoun এবং Antecedent পাশাপাশি বসে।
- Antecedent ব্যক্তি বাচক হলে Relative Pronoun হিসেবে সাধারণত who বসে।
- তবে who না থাকলে that কে ব্যবহার করা যায়।
- Antecedent বস্তুবাচক হলে Relative Pronoun হিসেবে সাধারণত which বসে।

• তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হবে -
- The shirt which he bought is blue in colour.

২৮.
Which of the following sentences is correct?
  1. Why you have done this?
  2. Why did you have done this?
  3. Why have you done this?
  4. Why you had done this?
সঠিক উত্তর:
Why have you done this?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Why have you done this?
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: Why have you done this?

• WH -question-এর structure:
- WH + + auxiliary verb + subject + principal verb + object or others + question mark.
- Why দিয়ে বাক্য শুরু হয়েছে এবং বাক্যটি interrogative এ আছে,
- তাই Why + auxiliary verb (have) + subject (you) + principal verb (done) + object or others + question mark এসেছে।

• Example:
• Where has she gone for the vacation?
- (WH-word: Where, Auxiliary: has, Subject: she, Principal Verb: gone)

• Why have they not completed their assignments?
- (WH-word: Why, Auxiliary: have, Subject: they, Principal Verb: completed)

• How long have you lived in this city?
- (WH-word: How long, Auxiliary: have, Subject: you, Principal Verb: lived)

• Who has helped you with your project?
- (WH-word: Who, Auxiliary: has, Subject: you, Principal Verb: helped)
২৯.
Which of the following sentence is a correct proverb?
  1. Fools rush in where angels fear to tread
  2. Fools rush in were an angels fears to tread
  3. A fool rushes in where an angels fear to tread
  4. Fools rush in where the angels fear to tread
সঠিক উত্তর:
Fools rush in where angels fear to tread
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fools rush in where angels fear to tread
ব্যাখ্যা
• সঠিক প্রবাদটি হচ্ছে - Fools rush in where angels fear to tread.
English Meaning: People without good sense or judgement will have no hesitation in tackling a situation that even the wisest would avoid.
Bangla Meaning: হাতি ঘোড়া গেলো তল, পিঁপড়া বলে কত জল / বিজ্ঞ যেথা ভয় পায়, অজ্ঞ সেথা আগে ধায়।

• ইংরেজি সাহিত্যের Neo-classical তথা The Augustan Age এর অন্যতম সাহিত্যিক Alexander Pope, তার বিখ্যাত কবিতা 'An Essay on Criticism' এ এই উক্তিটি করেছিলেন।
- এটি প্রবাদ হিসেবেই অধিক প্রচলিত।

• উক্তি এবং  প্রবাদ বাক্যের ক্ষেত্রে শব্দের পরিবর্তন করা যায় না বা কোন শব্দের পরিবর্তে তার সমার্থক শব্দ ব্যবহার করা যায় না।
- তাই যেটি প্রচলিত প্রবাদ সেটিই সঠিক হবে।

Source:
1. Live MCQ Lecture.
2. Britannica.
৩০.
Which of the following sentences is correct?
  1. I forbade him from going
  2. I forbade him to go
  3. I forbade him going
  4. I forbade him not to go
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: ক) I forbade him from going. ও খ) I forbade him to go.
• অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায়, উত্তর নেয়া সম্ভব হয় নি। 

• Forbid (verb): 
Meaning - নিষেধ/মানা/বারণ করা; নিষিদ্ধ করা।

• 'Forbid' negative অর্থ প্রদান করে। 
- তাই এরপর 'not' ব্যবহৃত হয় না। 
- এজন্য ঘ) I forbade him not to go.- বাক্যটি সঠিক নয়। 

• Forbid somebody (from doing something): 
Structure - Forbid + from + verb+ing. 
Example - I forbade him from going.

• Forbid somebody to do something: 
Structure: Forbid + to-infinitive. 
Example - I forbade him to go.

Source: 
1. Cambridge Dictionary. 
2. Oxford Learner's Dictionaries.
৩১.
In which century was the Victorian period?
  1. 17th century
  2. 18th century
  3. 19th century
  4. 20th century
সঠিক উত্তর:
19th century
উত্তর
সঠিক উত্তর:
19th century
ব্যাখ্যা
• The Victorian period: [1832-1901]
- 19th century of English literature refers to The Victorian Period.
- 1832–1901- time frame is known as the ‘Victorian Period’ in English Literature.
- এই যুগটি Queen Victoria র নামে নামকরণ করা হয়।
- Queen Victoria যদিও 1837 সালে ক্ষমতায় আসে কিন্তু এই যুগটির সূচনা হয় 1832 সালে।
- এর কারণ হলো 1832 সাল থেকেই সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্যে আমুল পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
- Fabian Society was founded in 1883 to avoid violence in class-struggle.
- G.B. Shaw was one of the members of the Fabian Society.

• Victorian period মোট ২টি সময়কালে বিভক্ত।
- যথা:
- The Pre-Raphaelites: (1848-1860)
- Aestheticism & Decadence: (1880-1901)

• A list of writers of 'Victorian Age':
- Charles Dickens,
- Thomas Hardy,
- Matthew Arnold,
- Lord Alfred Tennyson,
- Robert Browning,
- George Eliot,
- Samuel Butler etc.

Source: Live MCQ Lecture and Britannica.
৩২.
A person who writes about his own life writes-
  1. A chronicle
  2. An autobiography
  3. A diary
  4. A biography
সঠিক উত্তর:
An autobiography
উত্তর
সঠিক উত্তর:
An autobiography
ব্যাখ্যা
• An Autobiography
English meaning: A person who writes about his own life.
Bangla Meaning: আত্মজীবনী, আত্মচরিত।

• অন্যদিকে,
• A chronicle
English meaning: A written record of historical events.
Bangla Meaning: কালানুক্রমিক ঘটনাপঞ্জি।

A diary
English meaning: A book in which the events of each day are recorded.
Bangla Meaning: দিনলিপি

• A Biography
English meaning:  A person who writes about one's life.
Bangla meaning: (জীবনী).

Source: Applied English Grammar and Composition by P. C. Das and Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৩.
Shakespeare is known mostly for his-
  1. Poetry
  2. Novels
  3. Autobiography
  4. Plays
সঠিক উত্তর:
Plays
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Plays
ব্যাখ্যা
• Shakespeare is mostly famous for his - plays.
• William Shakespeare was an English dramatist.
- He was born on 23 April, 1564 AD and died on 23 April, 1616 AD.
- Birth place: Stratford Avon.
- '1590-1616' is called the Shakespearean period.

• William Shakespeare is widely known as The Bard of Avon, National Poet of England এবং The Great Dramatist of All Time.
- Dr. Samuel Johnson Shakespeare কে Poet of Human Nature হিসাবেও আখ্যায়িত করেছেন। 
- Shakespeare তাঁর সাহিত্যি জীবনে মোট ১৫৪ টি Sonnet এবং  ৩৭টি Drama লিখেছেন।
- তাঁর সাহিত্য কর্মগুলোর মধ্যে অধিক পরিচিত এবং পঠিত হচ্ছে তাঁর Drama গুলো
- Drama গুলো Tragedy and Comedy এই দুইভাগে বিভক্ত। 

• Notable works:
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Titus Andronicus,
- Timons of Athens,
- Antony and Cleopatra,
- Coriolanus,
- Romeo and Juliet.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- Love's Labour's Lost,
- A Comedy of Error,
- The Taming of the Shrew,
- Much Ado About Nothing,
- All's Well That Ends Well,
- A Midsummer Night's Dream,
- The Merry Wives of Windsor,
- The Two Gentlemen of Verona.

• Tragi-comedy
- The Merchant of Venice,
- The Winter's Tale,
- Cymbeline,
- Troilus and Cressida,
- Measure for Measure,

• Historical play
- Julius Caesar (Tragedy + Historical),
- Henry IV Part I,
- Henry IV Part II,
- Henry V,
- Henry VI Part I,
- Henry VI Part II,
- Henry VI Part III,
- Henry VIII,
- King John,
- Richard II,
- Richard III.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece (Long narrative poem ),
- Venus and Adonis (Long narrative poem),
- A Lover's Complaint (Long poem),
- The Phoenix and Turtle (Long poem).

Source: Britannica, Live MCQ Lecture and  An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
৩৪.
A pilgrim is a person who undertakes a journey to a-
  1. Holy place
  2. A mosque
  3. A bazar
  4. A new country
সঠিক উত্তর:
Holy place
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Holy place
ব্যাখ্যা
• Pilgrim (Noun)
English Meaning: A person who journeys to a sacred place (Holy place) for religious reasons.
Bangla Meaning: তীর্থযাত্রী।

• Synonym:
- devotee, believer, traveler, wayfare.

• Example sentence:
- Thousands of Muslim pilgrims traveled to Mecca.

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy
৩৫.
Something which is obnoxious means that it is-
  1. Very dangerous
  2. Very pleasant
  3. Very ugly
  4. Very unpleasant
সঠিক উত্তর:
Very unpleasant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Very unpleasant
ব্যাখ্যা
• Obnoxious (Adjective)
English meaning: extremely unpleasant.
Bangla Meaning: নোংরা; অত্যন্ত আপত্তিকর।

• অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে -
Perilous (adjective)
English meaning: Extremely dangerous.
Bangla meaning: অত্যন্ত বিপজ্জনক।

• Delightful (adjective)
English Meaning: Very pleasant
Bangla Meaning: অত্যন্ত আনন্দদায়ক; আনন্দকর।

Hideous (adjective)
English Meaning: Extremely ugly.
Bangla Meaning: অতি কুৎসিত; কদাকার; করাল; করালদর্শন; বীভৎস; ভয়ানক; বিকট; উৎকট।

Source:
1. Live MCQ Lecture.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
3. Oxford Learner's Dictionary.
4. Cambridge Dictionary.
৩৬.
Something that is ‘fresh’ is something-
  1. Recently printed of published
  2. In fairly good condition
  3. Disrespectful
  4. Pleasant
সঠিক উত্তর:
In fairly good condition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In fairly good condition
ব্যাখ্যা
• Something that is ‘fresh’ is something - In fairly good condition.

• Fresh (Adjective)
English Meaning: (of food) recently made or obtained; not tinned, frozen, or otherwise preserved.
Bangla Meaning:  টাটকা; তাজা; সদ্য; তরতাজা; ঝরঝরে।

Source: Oxford Dictionary, Bangla Academy Dictionary
৩৭.
A fantasy is-
  1. An imaginary story
  2. A funny film
  3. A history
  4. A real life event
সঠিক উত্তর:
An imaginary story
উত্তর
সঠিক উত্তর:
An imaginary story
ব্যাখ্যা
• A fantasy is - An imaginary story।

• Fantasy (noun)

English Meaning: the faculty or activity of imagining impossible or improbable things.
Bangla Meaning: অলীক কল্পনা; বাঁধনহারা কল্পনা।

Synonym: imagination, creativity, fancy, invention, originality, vision
Example Sentence: His research had moved into the realms of fantasy.

Source: Oxford Dictionary, Bangla Academy Dictionary
৩৮.
An ordinance is-
  1. A book
  2. An arms factory
  3. A news paper journal
  4. A law
সঠিক উত্তর:
A law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A law
ব্যাখ্যা
• Ordinance (Noun)
English Meaning: A law or rule made by a government or authority:
Bangla Meaning: বিশেষ ক্ষমতাবলে প্রণীত আদেশ, নিয়ম, বিধি ও হুকুম; অধ্যাদেশ।
Synonym: edict, decree, law, injunction, fiat, command, order, rule

• Example Sentence:
- City Ordinance 126 forbids the parking of cars in this area.

• সুতরাং, বুঝা যাচ্ছে, উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে - a law অপশনটি An ordinance এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করছে।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy 
2. Cambridge Dictionary.
৩৯.
Three score is -
  1. Thirty times
  2. Three hundred times
  3. Three times twenty
  4. More than three
সঠিক উত্তর:
Three times twenty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Three times twenty
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হচ্ছে Three times twenty.

• Three score (Adjective) (noun):
English Meaning: being three times twenty: SIXTY
Bangla Meaning: ষাট।
Example: The man is three score and ten now.

Source:
1. Merriam-Webster Dictionary.
2. Accessible Dictionary.
৪০.
পবিত্র কুরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদ কে করেন?
  1. গোলাম মোস্তফা
  2. ফররুখ আহমদ
  3. ভাই গিরীশচন্দ্র সেন
  4. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ভাই গিরীশচন্দ্র সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাই গিরীশচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন শরীফের সার্থক ও পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ করেন — ভাই গিরীশচন্দ্র সেন।

• গিরিশচন্দ্র সেন:
- নরসিংদী জেলার পাঁচদোনা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন ধর্মবেত্তা ও অনুবাদক।
- তিনি 'সুলভ সমাচার' ও 'বঙ্গবন্ধু' পত্রিকার সহযোগী সম্পাদক এবং 'মাসিক মহিলা' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- কেশবচন্দ্র সেন ও বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর প্রভাবে ১৮৭১ সালে তিনি ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষিত হন।
- কুরআনের বঙ্গানুবাদ বাংলা সাহিত্যে তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- সকলের নিকট তিনি ‘ভাই গিরিশচন্দ্র’ নামে পরিচিত ছিলেন।

• তাঁর রচিত কিছু গ্রন্থ:

তাপসমালা:

- গিরিশচন্দ্রের বিখ্যাত গ্রন্থ তাপসমালা।
- এটি ৯৬ জন ওলি-আউলিয়ার জীবনচরিত, যা শেখ ফরীদুদ্দীন আত্তারের ফারসি ভাষায় রচিত তায্কেরাতুল আত্তলিয়ার ভাবাদর্শে রচিত।

তত্ত্বরত্নমালা:
- গিরিশচন্দ্রের উল্লেখযোগ্য আরেকটি গ্রন্থ হলো তত্ত্বরত্নমালা।
- এটি শেখ ফরীদুদ্দীন আত্তারের মানতেকুত্তায়েব ও মওলানা জালালউদ্দীন রূমীর মসনবী শরীফ নামক প্রখ্যাত ফারসি গ্রন্থদ্বয় থেকে সংকলিত।
- এতে নীতিকথা ও শিক্ষণীয় বিষয় ছোট ছোট গল্পের আকারে রসাত্মকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

 এছাড়াও,
তিনি হাদিস-পূর্ব বিভাগ শিরোনামে মিশ্কাত শরীফের প্রায় অর্ধাংশের অনুবাদ প্রকাশ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৪১.
বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা চালু হয় সংবিধানের কত নম্বর সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. ক) ১০
  2. খ) ১১
  3. গ) ১২
  4. ঘ) ১৩
সঠিক উত্তর:
গ) ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২
ব্যাখ্যা
• দ্বাদশ সংশোধনী:
- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয় দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে।
- ১৯৯১ সালের ৬ই অগাষ্ট সংসদে সংশোধনীটি পাস হয়।

• দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু:
১. রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন।
২. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন।
৩. প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৪২.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
  1. জয়নুল আবেদীন
  2. কামরুল হাসান
  3. হাশেম খান
  4. হামিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার — কামরুল হাসান।
------------------ 
• কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের নকশাকেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- চিত্রকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য কামরুল হাসান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হন।
- সেসবের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫), কুমিল্লা ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৭৯), চারুশিল্পী সংসদ সম্মান (১৯৮৪), বাংলা একাডেমির ফেলো (১৯৮৫) উল্লেখযোগ্য।

শিল্পকর্ম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।
- বিমানের বিখ্যাত "বলাকা" লোগোটি ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
• দুর্ভিক্ষ–চিত্রমালার জন্য বিখ্যাত ছিলেন জয়নুল আবেদীন।

• সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন - জয়নুল আবেদীন এবং অঙ্গসজ্জা করেন- হাশেম খান।

• বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ হামিদুর (১৯৪৫-১৯৭১) ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সিপাহি এবং মুক্তিযুদ্ধে শহীদ। 

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।

iii) ডিসেম্বর ২১, ২০২২, বণিক বার্তা।
৪৩.
''সব কটা জানালা খুলে দাও না'' – এর গীতিকার কে?
  1. মরহুম আলতাফ মাহমুদ
  2. মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু
  3. ড. মনিরুজ্জামান
  4. মরহুম ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল
সঠিক উত্তর:
মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু
ব্যাখ্যা
• 'সব কটা জানালা খুলে দাও না' -গানটির গীতিকার — মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু।
- - এটি একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান।
- আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের সুর ও সঙ্গীত পরিচালনায় এই গানে কণ্ঠ দেন সাবিনা ইয়াসমিন।
- ১৯৪৯ সালের ১৭ জুলাই জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জের চরনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন নজরুল ইসলাম বাবু।

তার রচিত অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
-‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’
- ‘আমায় গেঁথে দাও না মাগো একটা পলাশ ফুলের মালা’
- ‘ও আমার আট কোটি ফুল দেইখো গো মালি’ প্রভৃতি।

• অন্যদিকে,
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, 
আমি কি ভুলিতে পারি'--গানটির বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ।

সূত্র: মুক্তিযুদ্ধে সাংস্কৃতিক প্রণোদনা : গান, দৈনিক প্রথম আলো ও ভোরের কাগজ।
৪৪.
আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড (এএফসিসিএল) কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কি?
  1. ক) অ্যামোনিয়া
  2. খ) সুপার ফসফেট
  3. গ) টিএসপি
  4. ঘ) ইউরিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
• আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড ব্রাক্ষণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ এ অবস্থিত।
- এ সার কারখানা তে — ইউরিয়া উৎপাদিত হয়।
--------------------
• আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড (এএফসিসিএল )-এর ইতিকথা:
- ১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী (এএফসিসি) নামে এ কারখানা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী রূপে যাত্রা শুরু করে।
- তখন এর নাম ছিল আশুগঞ্জ ফর্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি।
- এ কারখানার উৎপাদন শুরু হয় ১৯৮১ সালের শুরুর দিকে। 
-  ১২ ডিসেম্বর ১৯৮১ সালে তৎকালীন সরকারী সিদ্ধান্তে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী (এএফসিসি) এর নাম পরিবর্তন করে জিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড নামকরণ করা হয়।
- ০৭/০১/২০১০ তারিখে একনেক সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নিমিত্তে সার কারখানাটির নাম পরিবর্তন করে “আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিমিটেড (এএফসিসিএল)”করা হয়। 
------------------- 
• সার:
- কৃষি জমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সারগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার – ইউরিয়া সার। 

- ২০২২- ২৩ অর্থবছরে মোট সার ব্যবহৃত হয়েছে ৫৯.১৩ লক্ষ মেট্রিক টন যার মধ্যে ইউরিয়া ২২.৮৬ লক্ষ মেট্রিক টন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার – ডিএপি (DAP); পরিমাণ – ১৪২৭ হাজার/ মেট্রিক টন।

- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট সার ব্যবহৃত হয়েছে ৫৭.৩৭ লক্ষ মেট্রিক টন যার মধ্যে ইউরিয়া ২২.৩১ লক্ষ মেট্রিক টন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার – ডিএপি (DAP); পরিমাণ – ১৩৭১ হাজার/ মেট্রিক টন।

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন-বিসিআইসি (Bangladesh Chemical Industries Corporation-BCIC):
- বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) দীর্ঘদিন থেকে সফলতার সাথে ইউরিয়া সার উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে সারের চাহিদা পূরণ করে আসছে।
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ৮টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে। চালু কারখানাগুলোর মধ্যে ৪টি ইউরিয়া সার কারখানা, ১টি ডিএপি সার কারখানা, ১টি টিএসপি সার কারখানা, ১টি কাগজ কারখানা, ১টি স্যানিটারীওয়্যার ও ইস্যুলেটর কারখানা রয়েছে।
- বিসিআইসি’র উৎপাদিত পণ্যের ৮০ শতাংশই বিভিন্ন রাসায়নিক সার, যার মধ্যে ৭০ শতাংশ ইউরিয়া সার এবং ১০ শতাংশ অন্যান্য সার।

• সার কারখানা:
বিসিআইসি’র চালু কারখানাসমূহ- 
১. চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লি., 
২. শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লি., 
৩. যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লি., 
৪. আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লি., 
৫. টিএসপি কমপ্লেক্স লি., 
৬. ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লি. 

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪, বাংলাপিডিয়া, আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড (এএফসিসিএল ) ওয়েবসাইট এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন ।
৪৫.
বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে কারা প্রথম এসেছিল?
  1. ইংরেজরা
  2. ফরাসীরা
  3. ওলন্দাজরা
  4. পর্তুগিজরা
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজরা
ব্যাখ্যা
• বাংলায় ইউরোপীয় বণিকেদের মধ্যে, 
- পর্তুগিজরাই প্রথম বাংলায় আগমন করে।
- পনেরো শতকের শুরু থেকেই তারা বাণিজ্যের জন্য দুঃসাহসিক সমুদ্রযাত্রা শুরু করে।
- ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে ভাস্কো ডা গামার কালিকটে পৌঁছার কয়েক দশক পরে বাংলায় পর্তুগিজদের আগমন ঘটে।
- প্রথম আগত ইউরোপীয়ান বাণিজ্যিক দল হলেও তাদের অপকর্ম ও দস্যুতার কারণে বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান পর্তুগিজদের চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপের ঘাঁটি দখল করে, তাদের বাংলা থেকে বিতাড়িত করেন।
- তাছাড়া পর্তুগিজরা এদেশে আগত ইউরোপীয় অন্যন্য শক্তির সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরাজিত হয়ে এদেশ ত্যাগে বাধ্য হয়।

পর্তুগিজদের নিয়ে আরো কিছু তথ্য: 
• পর্তুগালের অধিবাসীরা পর্তুগিজ বা ফিরিঙ্গি নামে পরিচিত। 
• ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম বাংলায় আগমন করে।
• আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। 
• উপমহাদেশে আগমন- ১৪৯৮ 
• বাংলায় আগমন- ১৫১৬ ( হুগলি )
• বাংলায় প্রথম কুঠি-১৫১৭ ( হুগলি )
• বাংলা ত্যাগ-১৬৬৬ চট্রগ্রাম থেকে 
• ভারত ত্যাগ-১৯৬১ গয়া থেকে।
------------------------- 
বাংলায় ইউরোপীয়দের আগমন:
- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- তারা ‘ডাচ ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠন করে বাণিজ্যের উদ্দেশে ১৬০২ খ্রিস্টাব্দে উপমহাদেশে আসে।
- ১৭৫৯ খ্রিস্টাব্দে ওলন্দাজরা বিদরার যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। ফলে ১৮০৫ খ্রিস্টাব্দে শেষ পর্যন্ত সকল বাণিজ্যকেন্দ্র গুটিয়ে তারা এদেশ ত্যাগে বাধ্য হয়।
- ওলন্দাজদের মতোই দিনেমার বা ডেনমার্কের অধিবাসী একদল বণিক বাণিজ্য করার জন্য ‘ডেনিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠন করে।
- এদেশে লাভজনক ব্যবসা করতে ব্যর্থ হয়ে ১৮৪৫ খ্রিস্টাব্দে বাণিজ্যিক সফলতা ছাড়াই দিনেমাররা এদেশ ত্যাগ করে।
- ইউরোপীয়দের মধ্যে সবার শেষে আসেন ফরাসিরা।
• ইংরেজরা বাংলায় আগমন-১৬০০ সালে।
• ফরাসিরা বাংলায় আগমন-১৬৭৪ সালে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৪৬.
কর্কটক্রান্তি রেখা-
  1. বাংলাদেশের উত্তর সীমান্ত দিয়া গিয়াছে
  2. বাংলাদেশের দক্ষিণ সীমান্ত দিয়া গিয়াছে
  3. বাংলাদেশের মধ্যখান দিয়া গিয়াছে
  4. বাংলাদেশ হতে অনেক দূরে অবস্থিত
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের মধ্যখান দিয়া গিয়াছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের মধ্যখান দিয়া গিয়াছে
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা: 
- বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত। 
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত। 
- এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। 
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি। 
- কর্কটক্রান্তি রেখা এবং ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার ছেদ বিন্দু পড়েছে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায়। 
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৪৭.
বর্তমানে জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের স্থান কত?
  1. সপ্তম
  2. অষ্টম
  3. নবম
  4. দশম
সঠিক উত্তর:
অষ্টম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
----------------- 
[স্বাধীন অলাভজনক সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ’ নিজেদের ওয়েবসাইটে বিশ্বের জনসংখ্যার লাইভ (তাৎক্ষণিক) তথ্য প্রচার-প্রকাশ করে।]
ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের তথ্য অনুসারে, জনসংখ্যায় বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা দেওয়া হলো-

১. ভারত:
জনসংখ্যা: ১৪৫ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার।

২. চীন:
জনসংখ্যা: ১৪১ কোটি ৯৩ লাখ ২০ হাজার।

৩. যুক্তরাষ্ট্র:
জনসংখ্যা: ৩৪ কোটি ৫৪ লাখ ২৭ হাজার।

৪. ইন্দোনেশিয়া:
জনসংখ্যা: ২৮ কোটি ৩৪ লাখ ৮৮ হাজার।

৫. পাকিস্তান:
জনসংখ্যা: ২৫ কোটি ১২ লাখ ৬৯ হাজার।

৬. নাইজেরিয়া:
জনসংখ্যা: ২৩ কোটি ২৬ লাখ ৭৯ হাজার।

৭. ব্রাজিল:
জনসংখ্যা: ২১ কোটি ১৯ লাখ ৯৯ হাজার।

৮. বাংলাদেশ:
জনসংখ্যা: ১৭ কোটি ৩৫ লাখ ৬২ হাজার।

৯. রাশিয়া:
জনসংখ্যা: ১৪ কোটি ৪৮ লাখ ২০ হাজার।

১০. ইথিওপিয়া:
জনসংখ্যা: ১৩ কোটি ২০ লাখ ৬০ হাজার।
---------------------
বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট-২০২৪:
• জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান- অষ্টম।

Worldometer ওয়েবসাইট অনুসারে,
• জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান- অষ্টম।

সূত্র: বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট-২০২৪, Worldometer ওয়েবসাইট, প্রথম আলো রিপোর্ট।
৪৮.
অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার ডিপো কোথায় অবস্থিত?
  1. বরিশাল
  2. ঢাকা
  3. মংলা
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
• ১৯৮৭ সালে ১১ এপ্রিল কমলাপুর, ঢাকা স্টেশনের সংলগ্ন এলাকায় দেশের প্রথম অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার ডিপো উদ্বোধন করা হয়।
Bangladesh Inland Container Depot Association (Bicda)

বাংলাদেশ রেলওয়ের মতে,
বাংলাদেশের প্রায় সব আন্তর্জাতিক কন্টেইনার পরিচালনা করে থাকে চট্টগ্রাম বন্দর। বর্তমানে দেশে ১৯টি অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার ডিপো রয়েছে।

Source: বাংলাপিডিয়া, The Business Standard.
৪৯.
উপমহাদেশের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
  1. লর্ড মিন্টো
  2. লর্ড কার্জন
  3. লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
  4. লর্ড ওয়াভেল
সঠিক উত্তর:
লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
ব্যাখ্যা
• সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল:
১৮৩৩ সালের চার্টার অ্যাক্টের (সনদ আইন) মাধ্যমে বাংলার গভর্নর জেনারেলকে ভারতের গভর্নর জেনারেল হিসেবে উন্নীত করা হয়।
এর ফলে বাংলার তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।

ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল হলেন — লর্ড ক্যানিং।
সিপাহী বিদ্রোহের পর ব্রিটিশ সরকার ভারতের শাসনভার সরাসরি নিজের হাতে ‍তুলে নেয়। এতে গভর্নর জেনারেলের পরিবর্তে ভাইসরয় নিয়োগ প্রদান শুরু হয়।
সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল লর্ড ক্যানিংকে প্রথম ভাইসরয় হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

এখানে প্রশ্নের ধরণ অনুসারে, এটা বলা যায় -
প্রশ্নটি লর্ড মাউন্ট ব্যাটেনকে নিয়ে করা হয়েছিলো।
কিন্তু প্রশ্নে ভাষাগত ত্রুটি রয়েছে।

যেহেতু অপশনে লর্ড ক্যানিং নেই, তাই সঠিক উত্তর হিসাবে লর্ড মাউন্ট ব্যাটেনকে ধরা হচ্ছে।
তবে এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হবে - লর্ড ক্যানিং।
-------------------------- 
অন্যদিকে,
- ভারতীয় উপমহাদেশের সর্বশেষ ভাইসরয় বা রাজপ্রতিনিধি ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন। তাঁর সময় ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়েছিল।

লর্ড মাউন্টব্যাটেন:
- তিনি ১৯০০ সালের ২৫ জুন ইংল্যান্ডের উইন্ডসর (Windsor)-এ জন্মগ্রহণ করেন।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯১৩ সালে রাজকীয় নৌবাহিনীতে প্রবেশ করেন।
- ১৯২১ সালে প্রিন্স অব ওয়েলস্-এর সহকারী (aide-de-camp) নিযুক্ত হওয়ার আগে তিনি নৌবাহিনীর বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ১৯৪৩ সালে লর্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মিত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে সাফল্যের সঙ্গে জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করেন এবং বার্মা পুনরুদ্ধার করেন।
- ১৯৪৭ সালের মার্চ মাসে তিনি ভারতের ভাইসরয় নিযুক্ত হন এবং একই বছরের মধ্যআগস্ট পর্যন্ত এই পদে আসীন থাকেন।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন উপমহাদেশের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই।
৫০.
বাংলাদেশের লাগা উত্তরে অবস্থিত-
  1. নেপাল ও ভুটান
  2. পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম
  3. পশ্চিমবঙ্গ ও কুচবিহার
  4. পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের —পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্যের অবস্থান।
------------------------------------- 
• বাংলাদেশ ভৌগোলিক অবস্থান:

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা:
- যেহেতু বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের দ্রাঘিমাংশ ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা এবং বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের সীমান্তবর্তী স্থান মনাকষা তাহলে আমরা বলতে পারি যে বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের সীমান্তবর্তী স্থান মনাকষা এর দ্রাঘিমাংশ ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা।

উল্লেখ্য,
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩°৫) অতিক্রম করেছে। পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. এবং উত্তর-উত্তর পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি.।
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের, পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।

সীমান্তবর্তী স্থান:
⇒ সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা। ( ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা)
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

⇒ সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।(৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা)
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

⇒ সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা। (অক্ষাংশ ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা)
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

⇒ সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ। (অক্ষাংশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা)
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র - ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১.
কোন নগরীতে মোঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী ছিল?
  1. গৌড়
  2. সোনারগাঁ
  3. ঢাকা
  4. হুগলী
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
• রাজধানী হিসেবে ঢাকা:
- এটি বাংলাদেশের — বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত বৃহত্তম শহর।
- মুঘল সম্রাট আকবরের সময় বাংলার রাজধানী ছিল — বিহারের রাজমহল।
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছানুযায়ী — ১৬১০ সালে ঢাকাকে সর্বপ্রথম সুবাহ বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম — 'জাহাঙ্গীরনগর' রাখা হয়।

উল্লেখ্য, 
• ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার শাহ সুজা রাজধানী আবার রাজমহলে স্থানান্তর করেছিলেন। শাহ সুজার পতনের পর ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মীর জুমলা আবার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।

• ১৭১৭ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মুর্শিদ কুলি খান রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে ঢাকাকে আসাম ও বাংলার রাজধানী করা হয়।

• কংগ্রেসের বাধার মুখে ব্রিটিশ রাজ আবার ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতায় ফিরিয়ে নেয়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান এবং স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলা নামে নতুন প্রদেশের রাজধানী হওয়ায় ঢাকার উথানে অধিকতর স্থায়ী উন্নয়ন সাধিত হয়।

• ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক , প্রশাসনিক কার্যকলাপ এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে মর্যাদা লাভ করে।

উৎস: ঢাকা জেলা, dhaka.gov.bd.জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫২.
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন, বর্তমানে গুরুত্বহীন] চাকমা শরণার্থীদের দ্বিতীয় দফায় ১ম ‍দিন অর্থাৎ ২১ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে কতজন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন?
  1. ৩৮৭ জন
  2. ৩৭৫ জন
  3. ৩৫৭ জন
  4. ৩৭৮ জন
সঠিক উত্তর:
৩৭৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭৫ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
--------------------- 
• চাকমা শরণার্থীদের দ্বিতীয় দফায় ২১ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে — ৩৭৫ জন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

চাকমা শরণার্থীরা ৯০-এর দশকে পার্বত্য চট্টগ্রামের সংঘাতমূলক পরিস্থিতির কারণে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে আশ্রয় নিয়েছিলেন। শান্তিচুক্তি এবং বিভিন্ন আলোচনার মাধ্যমে তাদের প্রত্যাবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

উৎস: স্বাধীকার পত্রিকা রিপোর্ট, ১৯৯৭, jumjourna, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি নিয়ে লেখা গবেষণা নিবন্ধ।
৫৩.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেল সেতু-
  1. যমুনা সেতু
  2. হার্ডিঞ্জ সেতু
  3. ব্রহ্মপুত্র সেতু
  4. তিস্তা সেতু
সঠিক উত্তর:
যমুনা সেতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যমুনা সেতু
ব্যাখ্যা
• এটা তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন (১৬তম বি.সি.এস.)।

• বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেল সেতু হলো যমুনা সেতু। এটি যমুনা নদীর ওপর নির্মিত এবং সড়ক ও রেল যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• সে সময় অনুসারে, 
উত্তর- যমুনা সেতু।
যমুনা বহুমুখী সেতু বা বঙ্গবন্ধু সেতু যা যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত একটি সড়ক ও রেল সেতু। ৪.৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এই সেতুটি নির্মিত হয় ১৯৯৮ সালে।

তবে,
একক দীর্ঘতম রেল সেতু - হার্ডিঞ্জ সেতু। 

• উল্লেখ্য, বর্তমানে (২০২৪) 
পদ্মা সেতু, যা রেলসেতু হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে, তার দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিমি (৩.৮ মাইল) কিন্তু এটি মূলত একটি সড়ক ও রেল সেতু।
তবে, পদ্মা সেতু দীর্ঘতম সেতু হিসাবে বিবেচিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বিভিন্ন পত্রিকা রিপোর্ট, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৪.
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন, বর্তমানে গুরুত্বহীন। অনুগ্রহ করে ব্যাখ্যা থেকে বর্তমান তথ্য দেখে নিন] বাংলাদেশের ২০১৯-২০ সালের বাজেটে শিক্ষাখাতে বরাদ্দের পরিমাণ কত?
  1. ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা
  2. ৫৩ হাজার ৫৬৫ কোটি টাকা
  3. ৪৪ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা
  4. ৮৪ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
---------------- 
জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫:
- বাজেটের ক্রম: ৫৩তম।
- বাজেট কার্যকর: ১ জুলাই, ২০২৪।
- ২০২৪-২৫ বাজেটের আকার: ৭,৯৭,০০০ কোটি টাকা।
- পরিচালন বাজেট: ৪,৩৬,২৪৭ কোটি টাকা।
- উন্নয়ন বাজেট: ২,৮১,৪৫৩ কোটি টাকা।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাতসমূহ:
• প্রথম অবস্থানে জনপ্রশাসন - ২২.১%।
• দ্বিতীয় অবস্থানে শিক্ষা ও প্রযুক্তি - ১৪.০%।
• তৃতীয় অবস্থানে পরিবহন ও যোগাযোগ - ১০.৪%।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫।
৫৫.
১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখবার জন্য ঢাকার মোট কতগুলো সড়কের নামকরণ করা হয়?
  1. ৪ টি
  2. ৫ টি
  3. ৬ টি
  4. ৭ টি
সঠিক উত্তর:
৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি
ব্যাখ্যা
- ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখবার জন্য ঢাকার মোট ৫টি  সড়কের নামকরণ করা হয়। 
- বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয়।

- শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতি অমর করে রাখতে ১৯৭২ সালে ঢাকার মিরপুরে মোস্তফা আলী কুদ্দুসের নকশায় শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।

বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে দেশের নানা জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে অসংখ্য ভাস্কর্য, সৌধ ও স্মৃতিফলক। বাংলাদেশ ডাক বিভাগও ১৯৯১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত তাঁদের স্মরণে প্রকাশ করেছে নয়টি ডাকটিকিটের সিরিজ। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বিভিন্ন পত্রিকা রিপোর্ট।
৫৬.
লালবাগের কেল্লা স্থাপন করেন কে?
  1. শায়েস্তা খান
  2. শাহ সুজা
  3. টিপু সুলতান
  4. ইসলাম খান
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
• লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লা পুরাতন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত।
- সতের শতকে ১৬৭৮ সালে সুবাদার আজম শাহ এটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। মাঝে এর কাজ বন্ধ হয়ে গেলে ১৬৮০ সালে — শায়েস্তা খান পুনরায় এর কাজ শুরু করে এটি নির্মাণ করেন।
- লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে শায়েস্তা খানের কন্যা পরীবিবির মাজার অবস্থিত।
- ১৯১০ সালে লালবাগ কেল্লা প্রত্নতত্ত্ব নির্দশন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এর আদি নাম কেল্লা আওরঙ্গবাদ। লালবাগে অবস্থিত হওয়ায় পরে এর নামকরণ করা হয় লালবাগ কেল্লা।

তথ্যসূত্র - প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৫৭.
ঢাকা পৌরসভা কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯০৬ সালে
  2. ১৮৬৪ সালে
  3. ১৯১৯ সালে
  4. ১৮৪০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
• ঢাকা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয় — ১৮৬৪ সালে।

• ঢাকা পৌরসভা:
- বুড়িগঙ্গা নদীতীরে অবস্থিত প্রায় সাতশত বছরের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বন্দর নগরী ঢাকা।
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে ১৬০৮ সালে ঢাকায় রাজধানী স্থাপিত হলে বিশ্বব্যাপী এ নগরীর মর্যাদা ও গুরুত্ব বেড়ে যায়।
- ১৮৪০ সালে ‘ঢাকা কমিটি’ নামে একটি কমিটি গঠন করেন।
- ১৮৬৪ সালের ১লা আগষ্ট ঢাকা পৌরসভা স্থাপিত হয়।
- ‘ঢাকা মিউনিসিপ্যাল ইমপ্রুভমেন্ট অ্যাক্ট’ বলে আগস্ট মাসে গঠন করা হয় ‘ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কমিটি’।
- ১৮৬৪ সালের পূর্ব পর্যন্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদাধিকার বলে মিউনিসিপ্যালিটির সভাপতি ছিলেন।
- ১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা নগরীকে ৫০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে নির্বাচনের মাধ্যমে ঢাকা পৌরসভা গঠন করা হয়।
- ১৯৭৭ সালের ৩১ অক্টোবর কমিশনারদের মাধমে ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন নামকরণ করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাপিডিয়া।
৫৮.
বাংলাদেশে জাতীয় সংসদে ‘উপজেলা বাতিল’ বিলটি কখন পাস করা হয়েছিল?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
• 'উপজেলা বাতিল' বিল:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর তৎকালীন সরকার পূর্বের মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থা বাতিল করে এবং মৌলিক গণতন্ত্রের দ্বিতীয় স্তরে অবস্থিত থাকা কাউন্সিলকে ভেঙ্গে দিয়ে ‘থানা উন্নয়ন কমিটি’ গঠন করে।
- পরবর্তী ১৯৭৬ সালে স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশের মাধ্যমে ‘থানা পরিষদ’ গঠন করা হয়।
- পরে ১৯৮২ সালে তৎকালীন সামরিক শাসক এক অধ্যাদেশ বলে থানা প্রশাসনকে পুনর্বিন্যাস করেন এবং এ সময় থানাকে ‘উন্নীত থানা পরিষদ’ হিসেবে নামকরণ করা হয়।

- ১৯৮৩ সালে আরও এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে উন্নীত থানাকে উপজেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং এর ফলে ৬৪ জেলার ৪৬০টি উপজেলার সৃষ্টি হয়।
- সামরিক শাসনের অবসানের পর ১৯৯১ সালে তৎকালীন সরকার এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে উপজেলা ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে পুনরায় থানা ব্যবস্থা চালু করে।
- ১৯৯২ সালের ২৬ জানুয়ারি 'উপজেলা বাতিল' বিলটি সংসদে পাসের মাধ্যমে উপজেলা পদ্ধতি বাতিল হয়।

- পরে ১৯৯৮ সালের ৩ ডিসেম্বর উপজেলা পরিষদ আইনের মাধ্যমে পুনরায় উপজেলা ব্যবস্থা চালু করে। 

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন বোর্ড বই, প্র. মো. মোজাম্মেল হক।
৫৯.
স্বাধীন বাংলাদেশকে কখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দান করে?
  1. ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  2. ২৪ জানুয়ারি, ১৯৭২
  3. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  4. ৪ এপ্রিল, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ এপ্রিল, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ এপ্রিল, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সম্পর্ক :
-যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বৃহত্তম প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগকারী এবং বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্যের দেশ। 
- ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মুখ্য কর্মকর্তা হার্বার্ট স্পাইভ্যাক  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের  একটি বার্তা হস্তান্তর করেন।
- এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী।
- শেখ মুজিবুর রহমান প্রেসিডেন্ট নিক্সনকে ৯ এপ্রিল একটি চিঠি পাঠান যাতে তিনি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
- ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালের ১৮ই মে। 
- ঢাকায় প্রথম অ্যামব্যাসেডর ছিলেন ডেভিস ইউজিন বোস্টার।

- ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ ছিল ২৬১ মিলিয়ন ডলার।
- ২০২৩ সালে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ২.০৪ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য আমদানি করে এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৭.৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি  করে।

অন্যদিকে,
- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে — ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় — ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে — ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে — ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে — ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে — ২৫ মে ১৯৭২।

উৎস:
১.বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস ওয়েবসাইট।
২.পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট। 
৬০.
স্বাধীন বাংলাদেশে ১০০ টাকার নোট কবে প্রথম চালু করা হয়?
  1. ১৬ মার্চ, ১৯৭২
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ৪ মার্চ, ১৯৭২
  4. ৪ জানুয়ারি, ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
৪ মার্চ, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
• স্বাধীন বাংলাদেশে ১০০ টাকার নোট প্রথম চালু হয় — ৪ মার্চ, ১৯৭২ তারিখে।

• বাংলাদেশের প্রচলিত মুদ্রা:
- ২০০৮ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম ১০০০ টাকার নোট প্রচলন করে।
- ১৯৭২ সালে ১, ৫, ১০ ও ১০০ টাকার নোট প্রচলন হয়।
- ১৯৭৫ সালে : ৫০ টাকার নোট
- ১৯৭৭ সালে : ৫০০ টাকার নোট
- ১৯৮০ সালে : ২০ টাকার নোট
- ১৯৮৯ সালে : ২ টাকার নোট
- ২০২০ সালে : ২০০ টাকার নোট।

সূত্র: প্রথম আলো ও বাংলাদেশ ব্যাংক। 
৬১.
নাইজেরিয়ার বিরোধী নেতা মাসুদ আবিওলা কবে নিজেকে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেন?
  1. ৭ জুন, ১৯৯৪
  2. ১১ জুন, ১৯৯৪
  3. ১ জুলাই, ১৯৯৪
  4. ১২ জুলাই, ১৯৯৪
সঠিক উত্তর:
১১ জুন, ১৯৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ জুন, ১৯৯৪
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যার বর্তমান গ্রহণযোগ্যতা নেই। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

নাইজেরিয়ার বিরোধী নেতা মাসুদ আবিওলা ১১ জুন, ১৯৯৪ তারিখে নিজেকে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেন।

নাইজেরিয়া:
- নাইজেরিয়া পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ।
- এটি আফ্রিকার সবচেয়ে জনবহুল এবং তেল সমৃদ্ধ দেশ।
- এর পশ্চিমে বেনিন, পূর্বে চাদ ও ক্যামেরুন, উত্তরে নাইজার এবং দক্ষিণে গিনি উপসাগর অবস্থিত।
- এটি ব্রিটেনের উপনিবেশ ছিল।
- রাজধানী: আবুজা।
- বৃহত্তম শহর: লেগোস। 
- ভাষা: ইংরেজি। 
- মুদ্রা: নাইজেরিয়ান নাইরা। 

উৎস: Britannica.
৬২.
গাম্বিয়ার সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের মধ্যে কবে দেশের ক্ষমতা দখল করে?
  1. ২১ জুলাই, ১৯৯৪
  2. ২২ জুলাই, ১৯৯৪
  3. ২৩ জুলাই, ১৯৯৪
  4. ২৪ জুলাই, ১৯৯৪
সঠিক উত্তর:
২২ জুলাই, ১৯৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ জুলাই, ১৯৯৪
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যার বর্তমান গ্রহণযোগ্যতা নেই। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

গাম্বিয়ার সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের ক্ষমতা দখল করে ২২ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে।

গাম্বিয়া:
- পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া।
- এটি আফ্রিকা মহাদেশের মূল ভূখন্ডের ক্ষুদ্রতম দেশ।
- এটি উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ দিকে সেনেগাল দ্বারা পরিবেষ্টিত।
- পশ্চিমে রয়েছে আটলান্টিক মহাসাগর।
- গাম্বিয়া নদী দেশটির মধ্যভাগ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়েছে।
- রাজধানী: বানজুল।
- বৃহত্তম নগরী: সেরেকুন্ডা।
- মুদ্রা: ডালাসি।

উৎস: Britannica.
৬৩.
১৯৬৫ সালের আগে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
  1. ১৫ টি
  2. ৬ টি
  3. ১১টি
  4. ১০ টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
নিরাপত্তা পরিষদ (UN Security Council):
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য নিয়ে গঠিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী পাঁচ পরাশক্তি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র।
- এই পাঁচ পরাশক্তিকে একত্রে পি-৫ নামে অভিহিত করা হয়।

⇒ নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে এর সাধারন পরিষদ কোন দেশকে নতুন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করে।
- নিরাপত্তা পরিষদ জাতিংঘের মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করে।
- মহাসচিব নিযুক্ত হন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে।

⇒ জাতিসংঘ সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ গঠনের কথা বলা হয়েছে।
- ২৩ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে এর সদস্য সংখ্যা মোট ১৫টি।
- তার মধ্যে স্থায়ী সদস্য ৫টি (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স ও চীন) এবং ২ বছরের মেয়াদে বাকি ১০টি সদস্য নির্বাচন করা হয়ে থাকে।
- সব সদস্য রাষ্ট্রের একটি করে ভোট দেওয়া ক্ষমতা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিলো ১১টি, ৫টি স্থায়ী এবং ৬টি অস্থায়ী।
- ১৯৬৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর গৃহিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের A/RES/1991(XVIII) রেজ্যুলেশনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য সংখ্যা ৬টি থেকে ১০টিতে উন্নীত করা হয়।
- এটি কার্যকর হয় ১৯৬৫ সালের ৩১ আগস্ট।
- ফলে ১৯৬৬ সাল থেকে নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দাড়ায় ১৫টিতে।
- কোন প্রস্তাব পাশের জন্যে পাঁচটি স্থায়ীসহ মোট ৭টি সদস্য থেকে ৯টি সদস্যের বিধান গৃহিত হয়।
- ১৯৬৩ সালে সনদের ২৩নং অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১১ থেকে বাড়িয়ে ১৫ করা হয় যা ১৯৬৫ সাল থেকে কার্যকর হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয় ২ বছরের জন্য।

উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট।
৬৪.
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০১৮ এর সর্বোচ্চ গোলদাতা কে?
  1. হ্যারি কেন
  2. কিলিয়ান এমবাপে
  3. লুকা মদ্রিচ
  4. এন্তোনি গ্রিজম্যান
সঠিক উত্তর:
হ্যারি কেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যারি কেন
ব্যাখ্যা
২০১৮ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়।  ফুটবল বিশ্বকাপ ২০১৮ এর সর্বোচ্চ গোলদাতা হ্যারি কেন (ইংল্যান্ড) ৬টি।

⇒ ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২:
- আয়োজক দেশ: কাতার।
- এটি বিশ্বকাপ ফুটবলের ২২তম আসর।
- সময়কাল: ২০ নভেম্বর - ১৮ ডিসেম্বর।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৩২টি।
- চ্যাম্পিয়ন: আর্জেন্টিনা (৩য় বার)।
- রানার্স আপ: ফ্রান্স।
- গোল্ডেন বল: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)।
- সর্বাধিক গোলদাতা/গোল্ডেন বুট: কিলিয়ান এমবাপ্পে (৮টি)।
- গোল্ডেন গ্লাভস/সেরা গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ (আর্জেন্টিনা)।
- সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়: এনজো ফার্নান্দেজ (আর্জেন্টিনা)।
- টুর্নামেন্ট সেরা গোল: রিচার্লিসন (ব্রাজিলের হয়ে সার্বিয়ায় বিপক্ষে)।
- ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম নারী রেফারি দায়িত্ব পালন করেন এ বিশ্বকাপে।

উৎস: FIFA ওয়েবসাইট।
৬৫.
১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত রাশিয়ার পার্লামেন্টের নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে?
  1. রাশিয়াস চয়েস
  2. লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
  3. সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি
  4. দ্য কমিউনিস্ট পার্টি
সঠিক উত্তর:
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যার বর্তমান গ্রহণযোগ্যতা নেই। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত রাশিয়ার পার্লামেন্টের নির্বাচনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

রাশিয়া:
- আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ রাশিয়া।
- পৃথিবীর মোট আবাসযোগ্য জমির আট ভাগের এক ভাগ পড়েছে রাশিয়ায়।
- রাশিয়ার সাথে ১৪টি দেশের সীমান্ত রয়েছে।
- সাংবিধানিকভাবে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক দেশ রাশিয়া।
- রাজধানী: মস্কো।
- ভাষা: রুশ।
- মুদ্রা: রুবল।
- রাশিয়ার সম্রাটদের বলা হয় জার।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
- রাশিয়ার সরকারব্যবস্থা বহুদলীয় গণতন্ত্র।
- দেশটির পার্লামেন্টের নাম ডুমা।
- রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বাসভবন: ক্রেমলিন।

⇒ রাশিয়া একসময় সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে দেশটি।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইউনাইটেড রাশিয়া জয়লাভ করে।
- মার্চ, ২০২৪-এ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন।
- ভ্লাদিমির পুতিনের রাজনৈতিক দলের নাম ইউনাইটেড রাশিয়া।
- প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ৫মবারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।
- এর মাধ্যমে রাশিয়ার ২০০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ক্ষমতায় থাকতে যাচ্ছেন পুতিন।
- ১৯৯৯ সালের প্রথম ক্ষমতায় বসেছিলেন তিনি।
- এরপর থেকে তিনি ধারাবাহিকভাবে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন।

উৎস: Britannica.
৬৬.
পিএলও চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত তিউনিসিয়ায় নির্বাসিত জীবন ছেড়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের উদ্দেশ্যে কবে গাজা ভূখন্ডে আসেন?
  1. ১১ জুলাই, ১৯৯৪
  2. ১২ জুলাই, ১৯৯৪
  3. ১৩ জুলাই, ১৯৯৪
  4. ১ জুলাই, ১৯৯৪
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯৪
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যার বর্তমান গ্রহণযোগ্যতা নেই। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

ইয়াসির আরাফাত:
- মুসলিম বিশ্বের অবিসংবাদিত নেতা ও ফিলিস্তিনি মুক্তিসংগ্রামের মহান নেতা ইয়াসির আরাফাত।
- ইয়াসির আরাফাত একজন ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক নেতা ছিলেন।
- ইয়াসির আরাফাতের জন্ম ১৯২৯ সালে মিসরের কায়রোতে।
- তিনি ১৯৬৯-২০০৪ সাল পর্যন্ত প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (PLO)-এর চেয়ারম্যান এবং ১৯৯৬-২০০৪ সাল পর্যন্ত প্যালেস্টাইন অথরিটির (PA) সভাপতি ছিলেন।
- ১৯৯৩ সালে তিনি ইসরায়েলি সরকারের সাথে শান্তি চুক্তিতে পিএলওকে নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৯৪ সালে আরাফাত এবং ইজহাক রাবিন এবং ইসরায়েলের শিমন পেরেস যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।
- পিএলও চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত তিউনিসিয়ায় নির্বাসিত জীবন ছেড়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের উদ্দেশ্যে ১ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে গাজা ভূখন্ডে আসেন।

⇒ ১৯৫০ সালে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে যোগ দেন রাজনীতিতে।
- ১৯৫৯ সালে কুয়েতে নির্বাসিতকালে ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের মুক্তির সংগঠন ‘ফাতাহ’ গঠন করেন।
- পরবর্তী সময়ে এই সংগঠনের নাম হয় প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও)।
- ১৯৬৭-৬৮ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে সম্মুখসারিতে থেকে যুদ্ধ করেন ইয়াসির আরাফাত।
- ১৯৬৯ সালে তিনি নির্বাচিত হন পিএলওর চেয়ারম্যান হিসেবে।
- ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে ইয়াসির আরাফাত নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেন।
- ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ১৯৯১ সালে মাদ্রিদ সম্মেলন, ১৯৯৩ সালে অসলো চুক্তি এবং ২০০০ সালে ক্যাম্পডেভিড সম্মেলনের মাধ্যমে ইসরায়েলের সঙ্গে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান ঘটানোর চেষ্টা করেন তিনি।
- এই সময় হামাস ও অন্যান্য সংগঠনের উত্থান ঘটে, যারা ইয়াসির আরাফাতের ভিত্তি দুর্বল করে দিয়ে ফিলিস্তিনের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করে নেয়।
- ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ২০০২ সাল থেকে ইয়াসির আরাফাতকে পশ্চিম তীরের রামাল্লায় তাঁর সদর দপ্তরে অবরুদ্ধ করে রাখে।

উল্লেখ্য,
- জীবনের শেষ দিনগুলোতে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী তাঁকে গৃহবন্দী করে রাখে।
- গৃহবন্দী থাকা অবস্থায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ২০০৪ সালের ১১ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

উৎস: Britannica.
৬৭.
রুয়ান্ডায় প্যাট্রিয়াটিক ফ্রন্ট সরকার কবে শপথ গ্রহণ করেন?
  1. ৮ জুলাই, ১৯৯৪
  2. ১৯ জুলাই, ১৯৯৪
  3. ২৪ জুলাই, ১৯৯৪
  4. ২৭ জুলাই, ১৯৯৪
সঠিক উত্তর:
১৯ জুলাই, ১৯৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ জুলাই, ১৯৯৪
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যার বর্তমান গ্রহণযোগ্যতা নেই। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

রুয়ান্ডায় প্যাট্রিয়াটিক ফ্রন্ট সরকার ১৯ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে শপথ গ্রহণ করেন।

রুয়ান্ডা:
- পূর্ব আফ্রিকার ছোট্ট একটি দেশ রুয়ান্ডা।
- এটি পূর্ব-মধ্য আফ্রিকার নিরক্ষরেখার দক্ষিণে অবস্থিত একটি ল্যান্ডলকড দেশ।
- এটিকে 'হাজার পাহাড়ের দেশ' দেশ বলা হয়।
- রাজধানী: কিগালি।
- মুদ্রা: রুয়ান্ডার ফ্রাঙ্ক। 

উৎস: Britannica.
৬৮.
Hubble Telescope এর ত্রুটি সংশোধনের জন্য নভোচারীগনকে মহাশূণ্যে কোন নভোযানে প্রেরণ করা হয়েছিল?
  1. Endeavour
  2. Challenger
  3. Pathfinder
  4. Apollo
সঠিক উত্তর:
Endeavour
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Endeavour
ব্যাখ্যা
হাবল স্পেস টেলিস্কোপ: 
- মহাকাশে ভাসমান প্রথম টেলিস্কোপ হলো হাবল টেলিস্কোপ। 
- আমেরিকান জ্যোতির্বিদ এডউইন পি. হাবল এর নামানুসারে NASA বিশ্বের প্রথম স্পেস-ভিত্তিক অপটিক্যাল টেলিস্কোপের নামকরণ করেছে। 
- ২৪ এপ্রিল ১৯৯০ হাবলের টেলিস্কোপ স্পেস শাটল ডিসকভারি (STS-31) থেকে প্রথম উৎক্ষেপণ করা হয়। 
- ২৫ এপ্রিল ১৯৯০ থেকে এটি তার কার্যক্রম শুরু করে। 
- হাবল টেলিস্কোপ মিশন শুরু হওয়ার পর থেকে ১.৫ মিলিয়নেরও বেশি পর্যবেক্ষণ সম্পন্ন করেছে। 
- ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বর মাসে Hubble Telescope এর ত্রুটি সংশোধনের জন্য নভোচারীগনকে মহাশূণ্যে Endeavour নভোযানে প্রেরণ করা হয়েছিল। 

উৎস: NASA ওয়েবসাইট।
৬৯.
গিরিজা প্রসাদ কৈরালা কত তারিখে নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগ করেন?
  1. ৮ জুলাই, ১৯৯৪
  2. ৯ জুলাই, ১৯৯৪
  3. ১০ জুলাই, ১৯৯৪
  4. ১১ জুলাই, ১৯৯৪
সঠিক উত্তর:
১০ জুলাই, ১৯৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ জুলাই, ১৯৯৪
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যার বর্তমান গ্রহণযোগ্যতা নেই। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

১০ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে গিরিজা প্রসাদ কৈরালা নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগ করেন।

নেপাল:
- নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
- রাজধানী: কাঠমান্ডু।
- মুদ্রা: নেপালি রুপি।
- ভাষা: নেপালি।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: কে পি শর্মা ওলি।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: রাম চন্দ্র পাওদেল।
- নেপালের আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- নেপালের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট।

⇒ নেপালকে হিমালয় কন্যা বলা হয়।
- গ্রেট হিমালয়, মাউন্ট এভারেস্ট নেপালে অবস্থিত।
- ভারত ও চীন দ্বারা বেষ্টিত দেশটিতে এভারেস্টসহ বিশ্বের ৮টি সর্ববৃহৎ পর্বত অবস্থিত।

⇒ নেপালের দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভার নাম ফেডারেল পার্লামেন্ট।
- উচ্চকক্ষের নাম ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি, যার সদস্য সংখ্যা ৫৯।
- নিম্নকক্ষের নাম হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ, যার সদস্য সংখ্যা ২৭৫।

উল্লেখ্য,
- ১৭৬৮ সালে পৃথ্বী নারায়ণ শাহ কাঠমান্ডু জয় করেন ও ঐক্যবদ্ধ একটি রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন।
- ১৭৬৯ সালে নেপালে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নেপালের ১ম রাজা ছিলেন পৃথ্বী নারায়ণ শাহ।
- নেপালের সর্বশেষ রাজা ছিলেন রাজা জ্ঞানেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব।
- তিনি রাজা বীরেন্দ্রের হত্যার পর সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি সর্বশেষ হিন্দু রাজাও ছিলেন।

উৎস: Britannica.
৭০.
Asia pacific Economic co- operation (APEC) ফোরামের নভেম্বরে, ১৯৯৩- এ অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠকে কোন সদস্য দেশের সরকার প্রধান অনুপস্থিত ছিলেন?
  1. মালয়েশিয়া
  2. ফিলিপাইন
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যার বর্তমান গ্রহণযোগ্যতা নেই। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

Asia pacific Economic co- operation (APEC) ফোরামের নভেম্বরে, ১৯৯৩- এ অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠকে জাপানের সরকার প্রধান অনুপস্থিত ছিলেন।

APEC:
- APEC-এর পূর্ণরূপ Asia-Pacific Economic Cooperation.
- APEC এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি বাণিজ্যিক জোট।
- এটি গঠিত হয় ১৯৮৯ সালে।
- সদর দপ্তর: সিঙ্গাপুর সিটি, সিঙ্গাপুর।
- প্রতিষ্ঠাতা দেশ: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ২১টি।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে ৩১তম APEC শীর্ষ সম্মেলন ১০-১৬ নভেম্বর পেরুতে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: APEC ওয়েবসাইট।
৭১.
১৯৯৪ এর নববর্ষের ‍দিনে কার নেতৃত্বাধীন বাহিনী কাবুল শহর আক্রমন করে?
  1. নজবুল্লাহ
  2. আহমেদ শাহ মাসুদ
  3. আব্দুর রশীদ দোস্তাম
  4. গুলবুদ্দীন হেকমতিয়ার
সঠিক উত্তর:
আব্দুর রশীদ দোস্তাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুর রশীদ দোস্তাম
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যার বর্তমান গ্রহণযোগ্যতা নেই। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

১৯৯৪ এর নববর্ষের ‍দিনে আব্দুর রশীদ দোস্তাম-এর নেতৃত্বাধীন বাহিনী কাবুল শহর আক্রমন করে।

আফগানিস্তান:
- আফগানিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- রাষ্ট্রীয় নাম: ইসলামিক আমিরাত অব আফগানিস্তান (Islamic Emirate of Afghanistan)।
- আফগানিস্তান শব্দটির অর্থ 'আফগান বা পশতুন জাতির দেশ'।
- আফগানিস্তানে বসবাসরত সবচেয়ে বড় জনগোষ্ঠী হল পশতু জাতি।
- রাজধানী: কাবুল।
- ভাষা: পশতু, দারি।
- মুদ্রা: আফগানি।

উল্লেখ্য,
- ১৯১৯ সালে তৃতীয় ব্রিটিশ-আফগান যুদ্ধশেষে আফগানিস্তান দেশটি ব্রিটেন থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।
- ১৯৯৬ সালে তালেবান গোষ্ঠী কাবুলের দখল নেয়।
- ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০০১-এর সন্ত্রাসী হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান আক্রমণ করে এবং ২০০১-এর শেষে তালেবানদের উৎখাত করে।
- ২০২১ সালে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের পর তালেবানরা কাবুল পুনরায় দখল করে।

উৎস: National Geographic Kids ওয়েবসাইট।
৭২.
ধুমকেতু সুমেকার লেভী-৯ এর প্রথম ভাঙ্গা টুকরাটি কবে বৃহস্পতি গ্রহে আঘাত হানে?
  1. ১৫ জুলাই, ১৯৯৪
  2. ১৬ জুলাই, ১৯৯৪
  3. ১৭ জুলাই, ১৯৯৪
  4. ১৮ জুলাই, ১৯৯৪
সঠিক উত্তর:
১৬ জুলাই, ১৯৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ জুলাই, ১৯৯৪
ব্যাখ্যা
ধুমকেতু সুমেকার লেভী-৯:
- ধুমকেতু সুমেকার লেভী-৯ থেকে টুকরো টুকরো অংশ বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলে 221,000 কি.মি (137,300 মাইল) বেগে প্রতি ঘন্টায় ১৬ জুলাই, ১৯৯৪ সালে আঘাত আনতে শুরু করেছিল। 
- পৃথিবী-ভিত্তিক পর্যবেক্ষকদের জন্য গ্রহের 9.92-ঘন্টা ঘূর্ণন সময় দ্রুত প্রতিটি প্রভাবের স্থানকে দৃশ্যমান করে তুলেছিল। 
- গড়ে সাত থেকে আট ঘণ্টা সময়ের মধ্যে আলাদা হয়ে প্রতিটি খণ্ড জোভিয়ান বায়ুমণ্ডলের গভীরে নিমজ্জিত হয় এবং প্রচণ্ড শক্তিতে বিস্ফোরিত হয় এবং "ফায়ারবল" নামক অতি-গরম গ্যাসের বুদবুদ তৈরি করে।

উৎস: Britannica.
৭৩.
ইয়াল্টা কনফারেন্স কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৩৩
  2. ১৯৪৩
  3. ১৯৪৫
  4. ১৯৪৭
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫
ব্যাখ্যা
ইয়াল্টা সম্মেলন:
- ১৯৪৫ সালের ৪-১১ ফেব্রুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টাতে মিত্র পক্ষের এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয় যখন সুনিশ্চিত তখন মিত্রপক্ষীয় তিন রাষ্ট্রপ্রধান রুজভেল্ট, চার্চিল ও স্ট্যালিন ক্রিমিয়ার ইয়াল্টা প্রদেশে এক বৈঠকে মিলিত হন। সেখানে তাঁদের মধ্যে আন্তর্জাতিক সমস্যা সম্পর্কে আলোচনা হয়।
- যা জাতিসংঘ গঠনের ইতিহাসে 'Yalta Conference' নামে পরিচিত।
- এই সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের 'ভেটো ক্ষমতা' (Veto Power) নির্ধারিত হয়।
- এটি ক্রিমিয়া সম্মেলন নামেও পরিচিত।

এই সম্মেলনের প্রধান বিষয়:
- বিশ্বশান্তির জন্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গঠন,
- জার্মানির ভাগ্য নির্ধারণ,
- পোল্যান্ডের ভবিষ্যত সমস্যার সমাধানকল্পে আলোচনা।

উৎস: History.com
৭৪.
NATO কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৪৭ সালের ৪ আগষ্ট
  2. ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল
  3. ১৯৫০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারী
  4. ১৯৫১ সালের ৪ মে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

⇒ উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।

⇒ ন্যাটো তার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সংঘটিত হামলার কারণে আর্টিকেল ৫ প্রয়োগ করেছিল।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
৭৫.
আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF) কবে হতে এর কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ১৯৪৫ সাল হতে
  2. ১৯৪৬ সাল হতে
  3. ১৯৪৭ সাল হতে
  4. ১৯৪৮ সাল হতে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সাল হতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সাল হতে
ব্যাখ্যা
IMF:
- IMF-এর পূর্ণরূপ: The International Monetary Fund বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- গঠনের সিদ্ধান্ত: ৪ জুলাই, ১৯৪৪ সাল।
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা/চুক্তি কার্যকর: ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সাল।
- কার্যক্রম শুরু: মার্চ, ১৯৪৭।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: Bretton Woods Conference।
- বর্তমান সদস্য: ১৯০টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৩০ সালের মহামন্দার পরে ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই Bretton Woods Conference এর মাধ্যমে IMF গঠিত হয়।
- ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর ২৯টি রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক লেন-দেন ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্য রাখার লক্ষ্য নিয়ে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এর ভিত্তিতেই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত হয়।

⇒ IMF-এর কাজ:
- IMF-এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল স্থির হারের বিনিময়ব্যবস্থাটি পরিচালনা করা।
- এটি অবশেষে সরকারকে ঋণদানের মাধ্যমে অস্থায়ী বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা সংশোধন করতে সহায়তা করে।
- আইএমএফ বহু উন্নয়নশীল দেশকে আর্থিক চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে ও স্থিতিশীল আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

⇒ বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IMF-এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
৭৬.
বার্লিনের দেওয়াল কোন সালে নির্মিত হয়েছিল?
  1. ১৯৪৬
  2. ১৯৪৮
  3. ১৯৬১
  4. ১৯৬২
সঠিক উত্তর:
১৯৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬১
ব্যাখ্যা
বার্লিন প্রাচীর (১৯৬১-১৯৮৯):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি প্রধানত চারভাগে বিভক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে চলে যায়।
- স্নায়ুযুদ্ধের ফলে ফ্রান্স, ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের অধীনের অংশগুলো একত্রিত করে গঠিত হয় ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি) এবং সোভিয়েত ইউনিয়নেরে অধীনের অংশে গঠিত হয় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব জার্মানি (পূর্ব জার্মানি)। 

উল্লেখ্য,
- পুঁজিবাদী শাসনব্যবস্থার ফলে পশ্চিম জার্মানি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
- অপরদিকে সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানি অপেক্ষাকৃত কম উন্নত হওয়ায় এ অংশের জনগণ পশ্চিম জার্মানিতে গমন করা শুরু করে।
- এ পরিস্থিতিতে পশ্চিম জার্মানির পুঁজিবাদের ধাক্কা যেন পূর্ব জার্মানিতে না লাগে এবং অভিবাসন যেন ঠেকানো যায় সে লক্ষ্যে পূর্ব জার্মানি ১৩ আগস্ট, ১৯৬১ সালে বার্লিন শহরের মাঝ দিয়ে প্রাচীর তৈরি করা শুরু করে।
- এ প্রাচীরের দৈর্ঘ্য ছিল ১৫৫ কি.মি।

⇒ বার্লিন প্রাচীরের পতন:
- ৯ নভেম্বর, ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীরের পতন ঘটে।
- ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ সালে দুই জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি) একত্রিত হয়।

উৎস: Britannica.
৭৭.
Rotary International কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯০৩ সালে
  2. ১৯০৫ সালে
  3. ১৯০৯ সালে
  4. ১৯১২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৫ সালে
ব্যাখ্যা
Rotary International:
- রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ব্যবসায়িক ও পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়ে গড়ে উঠা সেবামূলক সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯০৫ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: শিকাগোর মার্কিন অ্যাটর্নি পল পি. হ্যারিস।
- নীতিবাক্য: নিজের উপরে সেবা।
- সদরদপ্তর: ইভানস্টন, ইলিনয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- রোটারি ইন্টারন্যাশনাল হলো মানবকল্যাণমুখী সমাজ উন্নয়নমূলক আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- রোটারি নামটি মূলত হ্যারিস দ্বারা প্রস্তাবিত।
- রোটারি আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এটি সারা বিশ্বের রোটারিয়ানদের মধ্যে আন্তর্জাতিক চৈতনাকে প্রচার করে।
- রোটারি ক্লাবগুলি সমাজকল্যাণ এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রম যৌথ বা একক উভয়ভাবে পরিচলানা করে থাকে।

এছাড়াও,
- রোটারি ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশ ১৯৩৭ সালের ২২ ডিসেম্বর ঢাকায় রোটারি ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাত্র ৮৮ জন ডিস্ট্রিক্ট সদস্যকে নিয়ে পরবর্তী বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি সনদ প্রাপ্ত হয়।
- তখন থেকে রোটারি কার্যক্রম প্রসারিত হচ্ছে।
- এখন পর্যন্ত রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮০ এর তত্ত্বাবধানে ২০৫ টি ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- যার মোট সদস্য সংখ্যা হলো ৪৩০০।
- এছাড়াও এর অনেক জুনিয়র ক্লাব রয়েছে যেমন, রোটারাক্ট ক্লাব, ইন্টারাক্ট ক্লাব এবং রোটারি কমিউনিটি কোর্পস।

উৎস: i) Rotary International ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৭৮.
Straw vote বলতে কী বুঝায়?
  1. Unofficial poll of public opinion
  2. Poll based on random representation
  3. ‘Yes-no’ vote
  4. Manipulated elections
সঠিক উত্তর:
Unofficial poll of public opinion
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Unofficial poll of public opinion
ব্যাখ্যা
Straw vote:
- 'Straw vote' বলতে বুঝায় Unofficial poll of public opinion.

⇒ Straw poll, Straw vote, ও straw ballot অ্যাডহক বা বেসরকারী ভোট।
- এটি একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে জনপ্রিয় মতামত প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি রাজনীতিবিদদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত জানতে এবং ভোট পেতে কী বলার সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে।
- 'Straw vote' গুলি বড় গ্রুপগুলির মধ্যে চলাচলের মধ্যে কথোপকথন সরবরাহ করে ফলস্বরূপ স্ট্রো পোলগুলি প্রায়শই এটি দেখার জন্য নেওয়া হয় যে এটির পক্ষে আরও সভার সময় উত্সর্গ করার কোনও ধারণার যথেষ্ট সমর্থন রয়েছে কিনা, এবং (যখন কোনও গোপন ব্যালট নয়) উপস্থিত থাকার জন্য দেখার জন্য প্রশ্নটির কোন দিকে রয়েছে। যাইহোক, রবার্টের আদেশের বিধি অনুসারে সভাগুলিতে স্ট্রো পোল নেওয়ার গতি অনুমোদিত নয়।

উৎস: Oxford Dictionary.
৭৯.
বি-৫২ কী?
  1. এক ধরনের যাত্রীবাহী বিমান
  2. এক বিশেষ ধরনের হেলিকপ্টার
  3. এক ধরনের বোমারু বিমান
  4. ভূমি হতে শূণ্যে ‍নিক্ষেপণযোগ্য এক ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের বোমারু বিমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের বোমারু বিমান
ব্যাখ্যা
বি-৫২:
- এটিকে স্ট্র্যাটোফোর্ট্রেসও বলা হয়।
- এটি এক ধরণের মার্কিন বোমারু বিমান।
- ১৯৪৮ সালে এর ডিজাইন করা হয়েছিল।
- ১৯৫২ সালে এটি প্রথম উড্ডয়ন করা হয়েছিল।
- ১৯৫৫ সালে প্রথম সামরিক পরিষেবা দেয় ।

উৎস: Britannica.
৮০.
জর্দান ও ইসরাইলের মধ্যে ৪৬ বছরের যুদ্ধাবস্থার আনুষ্ঠানিক অবসানের লক্ষ্যে কবে জর্দানের বাদশাহ হোসেন এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইসহাক রাবিন ঐতিহাসিক ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন?
  1. ২৪ জুলাই, ১৯৯৪
  2. ২৫ জুলাই, ১৯৯৪
  3. ২৬ জুলাই, ১৯৯৪
  4. ২৭ জুলাই, ১৯৯৪
সঠিক উত্তর:
২৬ জুলাই, ১৯৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ জুলাই, ১৯৯৪
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যার বর্তমান গ্রহণযোগ্যতা নেই। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

জর্দান ও ইসরাইলের মধ্যে ৪৬ বছরের যুদ্ধাবস্থার আনুষ্ঠানিক অবসানের লক্ষ্যে ২৬ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে জর্দানের বাদশাহ হোসেন এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইসহাক রাবিন ঐতিহাসিক ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন।

উৎস: Britannica.
৮১.
আবহাওয়ায় ৯০% আদ্রতা মানে-
  1. বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ৯০%
  2. ১০০ ভাগ বাতাসে ৯০ ভাগ জলীয় বাষ্প
  3. বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমান সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০%
  4. বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমান বৃষ্টিপাতের সময়ের ৯০%
সঠিক উত্তর:
বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমান সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমান সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০%
ব্যাখ্যা
- আবহাওয়ায় ৯০% আর্দ্রতা বলতে বুঝায়, বায়ু যতখানি জলীয় বাষ্প ধারন করতে পারে সম্পৃক্ত অবস্থায় তার ৯০% জলীয় বাষ্প রয়েছে। 

আর্দ্রতা: 
- কোনো এলাকার বায়ুমণ্ডলে প্রকৃতপক্ষে যতখানি জলীয় বাষ্প আছে এবং যতখানি জলীয় বাষ্প থাকতে পারে তার শতকরা অনুপাতই হলো আপেক্ষিক আর্দ্রতা। 
- বায়ুতে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতিকে আর্দ্রতা বলে। 
- কোন স্থানের আর্দ্রতা সেই স্থানের বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল। 
- যে বায়ুতে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি, সে বায়ু জলবায়ুকে অধিক প্রভাবিত করে। 
- ফলে সেই এলাকায় দিনে খুবই গরম পড়ে এবং রাতে প্রচন্ড ঠান্ডা পড়ে। 
- বায়ুর আর্দ্রতা সূর্যকিরণকে ভূপৃষ্ঠে আসতে অধিক বাঁধা সৃষ্টি করে বলে এ অবস্থা হয়। 
- বর্ষাকালে অধিক আর্দ্রতার কারণে রোগবালাই এবং পোকামাকড় দ্বারা ফসল সহজেই আক্রান্ত হয়। 
- শীতকালে বাতাস শুষ্ক থাকে অর্থাৎ বাতাসে আর্দ্রতা অনেক কম থাকে। 
- শীতকালে বাতাসের গড় আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৭২% থেকে ৮৫% হয় থাকে। 
- অপরদিকে গ্রীষ্ম বা বর্ষাকালে এই আর্দ্রতা হয় ৮৩% থেকে ৯০% পর্যন্ত। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২.
ডিজিটাল টেলিফোনের প্রধান বৈশিষ্ট্য-
  1. ডিজিটাল সিগনালে বার্তা প্রেরণ
  2. বোতাম টিপিয়া ডায়াল করা
  3. অপটিক্যাল ফাইবারের ব্যবহার
  4. নতুন ধরনের মাইক্রোফোন
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল সিগনালে বার্তা প্রেরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল সিগনালে বার্তা প্রেরণ
ব্যাখ্যা
- টেলিফোনে প্রধানত দুটো প্রধান অংশ থাকে। 
যথা- গ্রাহক যন্ত্র ও প্রেরক যন্ত্র। 
- টেলিফোনে সংবাদ আধানে দুটি পদ্ধতিতে হয়ে থাকে। 
যথা- এনালগ ও ডিজিটাল। 
- এনালগ পদ্ধতিতে শব্দকে সরাসরি তড়িতে পরিণত করে প্রেরণ করা হয়। 
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে তড়িৎশক্তিকে ডিজিটাল সংবাদে রূপান্তর করে বার্তা প্রেরণ করে
- এনালগ পদ্ধতিতে শব্দ আদান-প্রদানে অসুবিধা হয় কিন্তু ডিজিটাল পদ্ধতিতে শব্দ আদান প্রদানে সুবিধা হয়। 
- বর্তমানে ডিজিটাল টেলিফোন ব্যবস্থা বহুলভাবে প্রচলিত। এটির সুবিধা হল কম্পিউটার ব্যবস্থার সঙ্গে সহজে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩.
আধুনিক মুদ্রণ ব্যবস্থায় ধাতু নির্মিত অক্ষরের প্রয়োজন ফুরাবার বড় কারণ হলো-
  1. কম্পিউটার
  2. অফসেট পদ্ধতি
  3. ফটো লিথোগ্রাফী
  4. প্রসেস ক্যামেরা
সঠিক উত্তর:
ফটো লিথোগ্রাফী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফটো লিথোগ্রাফী
ব্যাখ্যা
- লিথোগ্রাফিক এবং অফসেট প্রিন্টিং বা সংক্ষেপে লিথো প্রিন্টিং, যেখানে একটি প্লেট স্থাপন করা হয় যা পরে কালি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় এবং মুদ্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- এই প্রক্রিয়াটি কাগজ, কার্ডবোর্ড এবং অন্যান্য অনেক উপকরণে মুদ্রণ করতে ব্যবহার করা হয়। 
- আধুনিক মুদ্রণ ব্যবস্থায় ধাতু নির্মিত অক্ষরের প্রয়োজন ফুরাবার বড় কারণ হলো এই ফটো লিথোগ্রাফী পদ্ধতি। 
- যে চিত্র বা শব্দগুলি মুদ্রণ করতে হবে তার প্রাপ্ত উপাদানগুলো প্লেটের বিপরীতে স্থাপন করা হয় এবং সেই অনুযায়ী কালিগুলি শোষিত হয়। কালিগুলি সঠিকভাবে মিশ্রিত হয়েছে এবং সঠিকক্রমে স্থাপন করা হয়েছে তা নিশ্চিত করতে দুর্দান্ত দক্ষতা লাগে। 

- Lithography/Lithographic and offset printing, or litho printing for short, is where the image of the content you want to produce is placed on a plate which is then covered in ink and used for printing. 
- This process can be used to print on paper, cardboard, and many other materials. 
- The material receiving the image or words you want to print is placed against the plate and the inks are absorbed accordingly. It takes great skill to make sure the inks are mixed correctly and placed in the right order. 

উৎস: sciencedirect.com
৮৪.
পীট কয়লার বৈশিষ্ট্য হল-
  1. মাটির অনেক গভীরে থাকে
  2. ভিজা ও নরম
  3. পাহাড়ী এলাকায় পাওয়া যায়
  4. দহন ক্ষমতা কয়লার তুলনায় অধিক
সঠিক উত্তর:
ভিজা ও নরম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিজা ও নরম
ব্যাখ্যা
- পীট কয়লা হলো জৈব পদার্থের আংশিক পচন দ্বারা গঠিত স্পঞ্জি উপাদান যা প্রাথমিকভাবে উদ্ভিদ উপাদান। 
- পীট কয়লা সবচেয়ে নিম্ন মানের কয়লা যা মাটির ভূগর্ভে থেকে পাওয়া যায়। 
- পীট কয়লা ভিজা ও নরম, দহনে খুব কম তাপ উৎপন্ন করে। 
- শুষ্ক অবস্থায় এটি অবাধে জ্বলে। 
- এতে শনাক্তযোগ্য উদ্ভিজ্জ কণিকা বিদ্যমান থাকলেও মণিক নেই বললেই চলে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৮৫.
পানির জীব হয়েও বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়-
  1. পটকা মাছ
  2. হাঙ্গর
  3. ডলফিন
  4. জেলী ফিস
সঠিক উত্তর:
ডলফিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডলফিন
ব্যাখ্যা
- ডলফিন (শুশুক) ও তিমি সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণি। 
- কিন্তু নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য ডলফিন বা শুশুক মাছ মানুষের মতই বাতাস ব্যবহার করে। 
- পানিতে এই প্রাণিগুলো নিঃশ্বাস নিতে পারে না, কারণ এগুলোর ফুলকা নেই। 

- Whales and dolphins are mammals and breathe air into their lungs, just like we do. 
- They cannot breathe underwater like fish can as they do not have gills. They breathe through nostrils, called a blowhole, located right on top of their heads. 
 - This allows them to take breaths by exposing just the top of their heads to the air while they are swimming or resting under the water. 
- After each breath, the blowhole is sealed tightly by strong muscles that surround it, so that water cannot get into the whale or dolphin’s lungs. 

উৎস: uk.whales.org
৮৬.
রঙ্গিন টেলিভিশন হতে ক্ষতিকর কোন রশ্মি বের হয়?
  1. মৃদু রঞ্জন রশ্মি
  2. গামা রশ্মি
  3. বিটা রশ্মি
  4. কসমিক রশ্মি
সঠিক উত্তর:
মৃদু রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃদু রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা
- রঙিন টেলিভিশন থেকে ক্ষতিকর রঞ্জন রশ্মি বের হয়। 
- রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। 
- তবে রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। 
- রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এ তিনটি রং-এর পৃথক পৃথক ইলেকট্রন টিউব থাকে। 
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়। 
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে। 
- ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে। 
- ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি। 
টিভির পর্দায় ফসফর থাকে, ইলেকট্রন যখন এই ফসফরকে আঘাত করে তখন এখান থেকে মৃদু রঞ্জন রশ্মি নির্গত হয়, এটার পরিমাণ এতই ক্ষুদ্রতর যা উপেক্ষা করা যায়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭.
উপকূলে কোন একটি স্থানে পরপর দুটি জোয়ারের মধ্যে ব্যাবধান হল-
  1. প্রায় ১২ ঘন্টা
  2. প্রায় ২৪ ঘন্টা
  3. প্রায় ৬ ঘন্টা
  4. চাদের তিথি অনুসার ভিন্ন
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১২ ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১২ ঘন্টা
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাঁটা: 
- উপকূলে কোনো একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ারের মধ্যে ব্যবধান হলো প্রায় ১২ ঘণ্টা। 
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষন শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দের শক্তি প্রভৃতি কারনে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় পরপর এক জায়গায় ফুলে উঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাঁটা হয়। 
- জোয়ারের ৬ ঘন্টা পরে ভাঁটা হয়। 

উৎস: মাধ্যমিক ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৮.
চাঁদে কোন শব্দ করলে তা শোনা যাবে না কেন?
  1. চাঁদে কোন জীব নেই তাই
  2. চাঁদে কোন পানি নেই তাই
  3. চাঁদে বায়ুমন্ডল নেই তাই
  4. চাঁদের মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ পৃথিবীর মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ অপেক্ষা কম তাই
সঠিক উত্তর:
চাঁদে বায়ুমন্ডল নেই তাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদে বায়ুমন্ডল নেই তাই
ব্যাখ্যা
- যেকোনো কম্পনশীল বস্তুই হলো শব্দের উৎস। 
- শব্দ বিস্তারের জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন। 
- ভ্যাকুয়াম বা শূন্য মাধ্যমে শব্দ চলতে পারে না। 
- কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি। 
- তরল ও বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের বেগ পর্যায়ক্রমে কমে। 
- শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য কারণ শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন হয়। 
- চাঁদে কোনো বিষ্ফোরণ ঘটলে সেই শব্দ কখনোই পৃথিবী থেকে শোনা যাবে না, কারণ চাঁদে কোনো বায়ুমণ্ডল নেই, তাই শব্দ সঞ্চালিত হয়ে পৃথিবীতে পৌছাতে পারবে না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৯.
নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয়-
  1. ধমনীর ভেতর দিয়ে
  2. শিরার ভেতর দিয়ে
  3. স্নায়ুর ভেতর দিয়ে
  4. ল্যাকটিয়ালের ভেতর দিয়ে
সঠিক উত্তর:
ধমনীর ভেতর দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধমনীর ভেতর দিয়ে
ব্যাখ্যা
- নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয় ধমনির ভেতর দিয়ে। 

ধমনি: 
- হৃদপিণ্ড থেকে উৎপন্ন হয়েছে যে সকল রক্তবাহী নালী দেহের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে তাদের ধমনি বলে। 
- ধমনির ভিতর দিয়ে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত দ্রুতগতিতে দেহের বিভিন্ন অংশে প্রবাহিত হয় বলে এতে নাড়ীর স্পন্দন আছে। 
- যেসকল রক্তবাহী নালী দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে হৃদপিন্ডে রক্ত পরিবহন করে তাকে শিরা বলে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০.
বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত-
  1. ২২/৭
  2. ২৫/৯
  3. প্রায় ৫
সঠিক উত্তর:
২২/৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২/৭
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত-

সমাধান: 
বৃত্তের পরিধি 2πr এবং ব্যাস 2r
∴ বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত =পরিধি : ব্যাস
= 2πr : 2r 
= 2πr/2r
= π/1
= (22/7)/1
= 22/7
৯১.
নিম্নলিখিত চারটি সংখ্যার মধ্যে কোনটির ভাজক সংখ্যা বেজোড়?
  1. ২০৪৮
  2. ৫১২
  3. ১০২৪
  4. ৪৮
সঠিক উত্তর:
১০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০২৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিম্নলিখিত চারটি সংখ্যার মধ্যে কোনটির ভাজক সংখ্যা বেজোড়?

সমাধান: 
আমরা জানি, 
পূর্ণ বর্গসংখ্যার ভাজক সংখ্যা বিজোড় হয়।
প্রদত্ত সংখ্যাগুলোর মধ্যে ১০২৪ সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা।
∴ √(১০২৪) = ৩২
সুতরাং ১০২৪ এর ভাজক সংখ্যা বিজোড় সংখ্যা হবে। 

এখন,
১০২৪ এর ভাজক সংখ্যা নির্ণয় করি: 
১০২৪ = ১ × ১০২৪
= ২ × ৫১২
= ৪ × ২৫৬
= ৮ × ১২৮
= ১৬ × ৬৪
= ৩২ × ৩২

∴ ১০২৪ এর ভাজক সংখ্যা = ১, ২, ৪, ৮, ১৬, ৩২, ৬৪, ১২৮, ২৫৬, ৫১২ এবং ১০২৪
= ১১ টি।
৯২.
কোন লঘিষ্ট সংখ্যার সাথে ৩ যোগ করলে যোগফল ২৪, ৩৬ ও ৪৮ দ্বারা বিভাজ্য হবে?
  1. ৮৯
  2. ১৪১
  3. ২৪৮
  4. ১৭০
সঠিক উত্তর:
১৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন লঘিষ্ট সংখ্যার সাথে ৩ যোগ করলে যোগফল ২৪, ৩৬ ও ৪৮ দ্বারা বিভাজ্য হবে?

সমাধান:
নির্ণেয় সংখ্যাটি হবে ২৪, ৩৬ ও ৪৮ এর ল.সা.গু অপেক্ষা ৩ কম।
এখন, ২৪, ৩৬ এবং ৪৮ এর ল.সা.গু = ১৪৪

∴ লঘিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে = ১৪৪ - ৩ = ১৪১
৯৩.
৫০০ টাকার ৪ বছরের সুদ এবং ৬০০ টাকার ৫ বছরের সুদ একত্রে ৫০০ টাকা হলে সুদের হার কত?
  1. ৫%
  2. ৬%
  3. ১০%
  4. ১২%
সঠিক উত্তর:
১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫০০ টাকার ৪ বছরের সুদ ও ৬০০ টাকার ৫ বছরের সুদ একত্রে ৫০০ টাকা হলে সুদের হার কত?

সমাধান:
৫০০ টাকার ৪ বছরের সুদ = (৫০০ × ৪) বা ২০০০ টাকার ১ বছরের সুদ
৬০০ টাকার ৫ বছরের সুদ = (৬০০ × ৫) বা ৩০০০ টাকার ১ বছরের সুদ

এখন,
৫০০০ টাকার ১ বছরের সুদ = ৫০০ টাকা
১ টাকার ১ বছরের সুদ = ৫০০/৫০০০ টাকা।
∴ ১০০ টাকার ১ বছরের সুদ = (৫০০ × ১০০)/৫০০০ টাকা।
= ১০ টাকা বা ১০%
৯৪.
দুই ব্যক্তি একটি কাজ একত্রে ৮ দিনে করতে পারে। প্রথম ব্যক্তি একাকী কাজটি ১২ দিনে করতে পারে। দ্বিতীয় ব্যক্তি একাকী কাজটি কত দিনে করতে পারবে?
  1. ২০ দিন
  2. ২২ দিন
  3. ২৪ দিন
  4. ২৬ ‍দিন
সঠিক উত্তর:
২৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ দিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুই ব্যক্তি একটি কাজ একত্রে ৮ দিনে করতে পারে। প্রথম ব্যক্তি একাকী কাজটি ১২ দিনে করতে পারে। দ্বিতীয় ব্যক্তি একাকী কাজটি কত দিনে করতে পারবে?

সমাধান: 
একত্রে ৮ দিনে করতে পারে কাজটির = ১ অংশ 
∴ একত্রে ১ দিনে করতে পারে কাজটির = ১/৮ অংশ, 

আবার, 
প্রথম ব্যক্তি ১ দিনে করে ১/১২ অংশ কাজ 

∴ ২য় ব্যক্তি ১ দিনে করে = (১/৮ - ১/১২) অংশ 
= (৩- ২)/২৪ অংশ 
= ১/২৪ অংশ 

এখন, 
২য় ব্যক্তি ১/২৪ অংশ কাজ করে = ১ দিনে 
২য় ব্যক্তি ১ অংশ (সম্পুর্ন) কাজ করে = ১ × (২৪/১) দিনে 
= ২৪ দিনে।
৯৫.
একজন দোকানদার (১৫/২)% ক্ষতিতে একটি দ্রব্য বিক্রয় করল। যদি দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য ১০% কম হত এবং বিক্রয়মূল্য ৩১ টাকা বেশী হত, তাহলে তার ২০% লাভ হতো । দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৩০০ টাকা
  4. ৪০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন দোকানদার (১৫/২)% ক্ষতিতে একটি দ্রব্য বিক্রয় করল। যদি দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য ১০% কম হত এবং বিক্রয়মূল্য ৩১ টাকা বেশী হত, তাহলে তার ২০% লাভ হতো । দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত?

সমাধান :
ধরি,
ক্রয়মূল্য = ক টাকা

৭.৫% ক্ষতিতে দ্রব্যটির বিক্রয়মূল্য = ৯২.৫ক/১০০ টাকা
১০% কমে দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ৯০ক/১০০ টাকা

ক্রয়মূল্য ৯০ক/১০০ হলে
২০% লাভে বিক্রয়মূল্য = (৯০ক/১০০) × (১২০/১০০) = ১০৮ক/১০০

প্রশ্নমতে
∴ (১০৮ক/১০০) - (৯২.৫ক/১০০) = ৩১
বা, (১০৮ক - ৯২.৫ক)/১০০ = ৩১
বা, ১৫.৫ক/১০০ = ৩১
বা, ক = (৩১ × ১০০)/১৫.৫
∴ ক= ২০০ টাকা
৯৬.
a + b + c = 9, a2 + b2 + c2 = 29 হলে ab + bc + ca এর মান কত?
  1. 52
  2. 46
  3. 26
  4. 22
সঠিক উত্তর:
26
উত্তর
সঠিক উত্তর:
26
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + b + c = 9, a2 + b2 + c2 = 29 হলে ab + bc + ca এর মান কত?

সমাধান:
দেয়া আছে, 
a + b + c = 9
a2 + b2 + c2 =29

আমরা জানি 
(a + b + c)2 = a2 + b2+ c2 + 2(ab + bc + ca)
2(ab + bc + ca) = (a + b + c)2 - (a2+ b2 + c2)
2(ab + bc + ca) = 92 - 29
2(ab + bc + ca) = 52
∴ (ab + bc + ca) = 26
৯৭.
(a2 + b2- c2 + 2ab)/(a2 - b2 + c2 + 2ac) = কত?
  1. a + b + c
  2. (a + b - c)/(a - b + c)
  3. (a - b + c)/(a + b - c)
  4. (a + b - c)/(a + b + c)
সঠিক উত্তর:
(a + b - c)/(a - b + c)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(a + b - c)/(a - b + c)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (a+ b2 - c2 + 2ab)/(a2 - b2 + c2 + 2ac) = কত?

সমাধান:
(a2 + b2 - c2 + 2ab)/( a2 - b2 + c2 + 2ac)
= [(a + b)2 - c2]/[(a + c)2 - b2]
= [(a + b + c)(a + b - c)]/ [(a + b + c)(a - b + c)]
= (a + b - c)/(a - b + c)
৯৮.
a : b = 4 : 7 এবং b : c = 5 : 6 হলে a : b : c = কত?
  1. 4 : 7 : 6
  2. 20 : 35 : 24
  3. 20 : 35 : 42
  4. 24 : 35 : 30
সঠিক উত্তর:
20 : 35 : 42
উত্তর
সঠিক উত্তর:
20 : 35 : 42
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a : b = 4 : 7 এবং b : c = 5 : 6 হলে a : b : c = কত?

সমাধান:
a : b = 4 : 7 = 4 × 5 : 7 × 5 = 20 : 35
b : c = 5 : 6 = 5 × 7 : 6 × 7 = 35 : 42
a : b : c = 20 : 35 : 42
৯৯.
দুইটি ত্রিভুজের মধ্যে কোন উপাদানগুলো সমান হওয়া সত্বেও ‍ত্রিভুজ দুটি সর্বসম নাও হতে পারে?
  1. দুই বাহু ও অন্তর্ভুক্ত কোণ
  2. দুই কোণ ও এক বাহু
  3. তিন কোণ
  4. তিন বাহু
সঠিক উত্তর:
তিন কোণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন কোণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি ত্রিভুজের মধ্যে কোন উপাদানগুলো সমান হওয়া সত্ত্বেও ত্রিভুজ দুটি সর্বসম নাও হতে পারে?

সমাধান:
- দুইটি ত্রিভুজের তিনটি কোণ যথাক্রমে সমান হলেও ত্রিভুজ দুইটি সর্বসম নাও হতে পারে।
-তিনটি কোণ সমান হলে তাকে সদৃশকোণী ত্রিভুজ বলে।
- সর্বসম ত্রিভুজ হতে হলে বাকি তিনটির যেকোন একটি বৈশিষ্ট্য থাকতে হবে।
১০০.
চতুর্ভুজের চার কোণের অণুপাত ১ : ২ : ২ : ৩ হলে, বৃহত্তম কোণের পরিমাণ হবে-
  1. ১০০ ডিগ্রি
  2. ১১৫ ডিগ্রি
  3. ১৩৫ ডিগ্রি
  4. ২২৫ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
১৩৫ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চতুর্ভুজের চার কোণের অণুপাত ১ : ২ : ২ : ৩ হলে, বৃহত্তম কোণের পরিমাণ হবে-
  
সমাধান:
চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি = ৩৬০°
চার কোণের অনুপাত = ১ : ২ : ২ : ৩
অনুপাতগুলোর সমষ্টি = ১ + ২ + ২ + ৩ = ৮

∴ বৃহত্তম কোণ = (৩৬০ এর ৩/৮)°
= ১৩৫°