পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
অতুলপ্রসাদ সেন, অদ্বৈত মল্লবর্মণ, অন্নদাশঙ্কর রায়, অমিয় চক্রবর্তী, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, আনোয়ার পাশা, আব্দুল কাদির, আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী, আব্দুল মান্নান সৈয়দ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আব্দুল্লাহ আল মুতী, আব্দুল হাই, আবু ইসহাক, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, আবু জাফর শামসুদ্দীন, আবুল কালাম শামসুদ্দীন, আবুল ফজল, আবুল মনসুর আহমেদ, আবুল হাসান, আবুল হুসেন, আল মাহমুদ, আলাউদ্দিন আল আজাদ, আহমদ ছফা, আহমদ শরীফ, আহসান হাবীব, ইবরাহীম খাঁ, ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, এস ওয়াজেদ আলি, কাজী আব্দুল ওদুদ, কাজী ইমদাদুল হক। [প্রধান সাহিত্যিকগণের তথ্যগুলো ভালভাবে পড়বেন। আর বাকীদের ব্যাসিক তথ্যগুলো পড়বেন।] সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই এবং সাথে যেকোনো একজন একাডেমিক ব্যক্তির বই। [এই পরীক্ষা থেকে পড়া শুরু করলে আগামী ১৫০ দিনে বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাস কাভার হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
এস ওয়াজেদ আলী রচিত ভ্রমণকাহিনি কোনটি?
  1. ক) বিলেতে সাড়ে সাত’শ দিন
  2. খ) পশ্চিম ভারত
  3. গ) বাতায়ন
  4. ঘ) ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র
ব্যাখ্যা

এস ওয়াজেদ আলী: প্রাবন্ধিক, গল্পলেখক ও ভ্রমণকাহিনী রচয়িতা।
লেখক হিসেবে গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, রম্যরচনা ও ভ্রমণকাহিনী রচনায় তিনি খ্যাতি অর্জন করেন।
তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে:

প্রবন্ধ:
- জীবনের শিল্প (১৯৪১),
- প্রাচ্য ও প্রতীচ্য (১৯৪৩),
- ভবিষ্যতের বাঙালী (১৯৪৩),
- আকবরের রাষ্ট্র সাধনা (১৯৪৯),
- মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ;
গল্প:
- গুলদাস্তা (১৯২৭),
- মাশুকের দরবার (১৯৩০),
- বাদশাহী গল্প (১৯৪৪),
- গল্পের মজলিশ (১৯৪৪);
উপন্যাস:
- গ্রানাডার শেষ বীর (১৯৪০);
ভ্রমণকাহিনী:
-পশ্চিম ভারত (১৯৪৮),
- মোটর যোগে রাঁচী সফর (১৯৪৯) প্রভৃতি।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

.
'কায়েদে আজম' নাটকটির নাট্যকার কে?
  1. ক) আবুল ফজল
  2. খ) আবুল মনসুর আহমদ
  3. গ) আবদুল্লাহ আল মুতী
  4. ঘ) মামুনুর রশীদ
ব্যাখ্যা

আবুল ফজল: তিনি মূলত সাহিত্যিক৷ তিনি সাহিত্য সমাজের অন্যতম কর্ণধার হিসেবে 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলন গড়ে তোলেন।
উপন্যাস :
- চৌচির (১৯৩৪),
- প্রদীপ ও পতঙ্গ (১৩৪৭),
- রাঙ্গা প্রভাত (১৩৬৪)।
গল্পগ্রন্থ :
- মাটির পৃথিবী (১৩৪৭),
- মৃতের আত্মহত্যা (১৯৭৮);
নাটক :
- কায়েদে আজম (১৯৪৬),
- প্রগতি (১৯৪৮),
- স্বয়ম্বরা (১৯৬৬);
আত্মকাহিনী ও দিনলিপি :
- রেখাচিত্র (১৯৬৬)।
প্রবন্ধ :
- বিচিত্র কথা (১৩৪৭),
- সাহিত্য ও সংস্কৃতি সাধনা (১৯৬১),
- সাহিত্য সংস্কৃতি ও জীবন (১৯৬৫),
- সমকালীন চিন্তা (১৯৭০),
- মানবতন্ত্র ((১৩৭৯)
- শুভবুদ্ধি (১৯৭৪),
- শেখ মুজিব তাঁকে যেমন দেখেছি (১৯৭৮),
- রবীন্দ্র প্রসঙ্গ (১৯৭৯)।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
'ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান' কী ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. ক) প্রবন্ধ
  2. খ) উপন্যাস
  3. গ) স্মৃতিকথা
  4. ঘ) নাটক
ব্যাখ্যা

আবু জাফর শামসুদ্দীন (১৯১১-১৯৮৮): সাংবাদিক, সাহিত্যিক।
উপন্যাস রচনার মধ্য দিয়ে আবু জাফরের সাহিত্যিক জীবন শুরু হয়। তাঁর প্রথম উপন্যাস 'পরিত্যক্ত স্বামী' প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে। 
উপন্যাস:
- ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান (১৯৬৩),
- পদ্মা মেঘনা যমুনা (১৯৭৪),
- সংকর সংকীর্তন (১৯৮০),
- দেয়াল (১৯৮৫)।
প্রবন্ধ:
- চিন্তার বিবর্তন ও পূর্ব পাকিস্তানী সাহিত্য (১৯৬৪),
- Sociology of Bengal Politics (১৯৭৩),
- সোচ্চার উচ্চারণ (১৯৭৭),
- লোকায়ত সমাজ ও বাঙ্গালী সংস্কৃতি (১৯৮৮) ইত্যাদি।
গল্পগ্রন্থ:
- জীবন (১৯৪৮),
- রাজেন ঠাকুরের তীর্থযাত্রা (১৯৭৮),
- ল্যাংড়ী (১৯৮৪)।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

.
'রাজেন ঠাকুরের তীর্থযাত্রা' গল্পগ্রন্থটি কে রচনা করেছেন?
  1. ক) আবু জাফর শামসুদ্দীন
  2. খ) আবুল কালাম শামসুদ্দীন
  3. গ) অন্নদাশঙ্কর রায়
  4. ঘ) আনোয়ার পাশা
ব্যাখ্যা

আবু জাফর শামসুদ্দীন (১৯১১-১৯৮৮): সাংবাদিক, সাহিত্যিক।
উপন্যাস রচনার মধ্য দিয়ে আবু জাফরের সাহিত্যিক জীবন শুরু হয়। তাঁর প্রথম উপন্যাস 'পরিত্যক্ত স্বামী' প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে। 
উপন্যাস:
- ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান (১৯৬৩),
- পদ্মা মেঘনা যমুনা (১৯৭৪),
- সংকর সংকীর্তন (১৯৮০),
- দেয়াল (১৯৮৫)।
প্রবন্ধ:
- চিন্তার বিবর্তন ও পূর্ব পাকিস্তানী সাহিত্য (১৯৬৪),
- Sociology of Bengal Politics (১৯৭৩),
- সোচ্চার উচ্চারণ (১৯৭৭),
- লোকায়ত সমাজ ও বাঙ্গালী সংস্কৃতি (১৯৮৮) ইত্যাদি।
গল্পগ্রন্থ:
- জীবন (১৯৪৮),
- রাজেন ঠাকুরের তীর্থযাত্রা (১৯৭৮),
- ল্যাংড়ী (১৯৮৪)।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

.
'অতীত দিনের স্মৃতি' কার রচিত আত্মজীবনী?
  1. ক) আবুল কালাম শামসুদ্দীন
  2. খ) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  3. গ) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  4. ঘ) আনোয়ার পাশা
ব্যাখ্যা

আবুল কালাম শামসুদ্দীন (১৮৯৭-১৯৭৮) : সাংবাদিক, সাহিত্যিক।
তার রচিত ও অনূদিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- পোড়োজমি বা অনাবাদী জমি (১৯৩৮),
- ত্রিস্রোতা (১৯৩৯),
- খরতরঙ্গ (১৯৫৩),
- দৃষ্টিকোণ (১৯৬১),
- নতুন চীন নতুন দেশ (১৯৬৫),
- দিগ্বিজয়ী তাইমুর (১৯৬৫),
- ইলিয়ড (১৯৬৭),
- পলাশী থেকে পাকিস্তান (১৯৬৮),
- অতীত দিনের স্মৃতি (১৯৬৮)ইত্যাদি
এগুলোর মধ্যে "অতীত দিনের স্মৃতি" গ্রন্থটি তার আত্মজীবনীমূলক।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

.
আনোয়ার পাশা রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. ক) নীড় সন্ধানী
  2. খ) নিষুতি রাতের গাথা
  3. গ) রাইফেল রােটি আওরাত
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

আনোয়ার পাশা:
কবি, কথাসাহিত্যিক, সমালােচক, শিক্ষাবিদ। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সিনিয়র লেকচারার।

উপন্যাস :
- নীড় সন্ধানী (১৯৬৮),
- নিষুতি রাতের গাথা (১৯৬৮),
- রাইফেল রােটি আওরাত (১৯৭৩)।

তাঁর রাইফেল-রোটি-আওরাত উপন্যাসটি রচিত হয় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন এবং মুক্তিযুদ্ধের একজন একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন।
গল্পগ্রন্থ:
- নিরুপায় হরিণী (১৯৭০)।
কাব্য :
- নদী নিঃশেষিত হলে,
- সমুদ্র শৃঙ্খলতা উজ্জয়িনী।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর৷

.
'অজ্ঞাতবাস' কার রচিত উপন্যাস?
  1. ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. খ) অদ্বৈত মল্লবর্মণ
  3. গ) অন্নদাশঙ্কর রায়
  4. ঘ) অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা

অন্নদাশঙ্কর রায়: একজন স্বনামধন্য বাঙালি কবি, লেখক ও বিশিষ্ট ছড়াকার৷ তিনি 'লীলাময় রায়' ছদ্মনামে লিখতেন।

তার রচিত কবিতাগ্রন্থ:
- রাখী (১৯৩২),
- কালের শাসন (১৯৩৩),
- কামনা পঞ্চবিংশতি (১৯৩৪),
- নূতন রাধা (১৯৪৩) প্রভৃতি।

উপন্যাস:
- যার যেথা দেশ (১৯৩২);
- অজ্ঞাতবাস (১৯৩৩),
- কঙ্কাবতী (১৯৩৪),
- দুঃখমােচন (১৯৩৬),
- মর্তের স্বর্গ (১৯৪০),
- অপসরণ (১৯৪২)

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর

 
.
'মাটির দেয়াল' কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেছেন -
  1. ক) শামসুদ্দীন আবুল কালাম
  2. খ) আবুল কালাম শামসুদ্দীন
  3. গ) অন্নদাশঙ্কর রায়
  4. ঘ) অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা

অমিয় চক্রবর্তী : একজন শীর্ষস্থানীয় আধুনিক কবি।
তাঁর প্রকাশিত বিশেষ কাব্যগ্রন্থ:
- 'খসড়া' (১৯৩৮);
- 'এক মুঠো'(১৯৩৯); 
- ‘মাটির দেয়াল’ (১৯৪২);
- 'অভিজ্ঞান বসন্ত' (১৯৫০),
- ‘অনিঃশেষ’ (১৯৭৬)ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর৷

 
.
'তিতাস একটি নদীর নাম' উপন্যাসটি কোন পটভূমিতে রচিত হয়েছে?
  1. ক) পঞ্চাশের মন্বন্তর
  2. খ) ধীবর সমাজের নিষ্ঠুর জীবন সংগ্রাম
  3. গ) সামাজিক ও ধর্মীয় কুসংস্কার
  4. ঘ) তৎকালীন জমিদারদের অত্যাচার
ব্যাখ্যা

অদ্বৈত মল্লবর্মণ:
তৎকালীন কুমিল্লা জেলার অধীনে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া মহকুমার গােকর্ণঘাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

তিতাস একটি নদীর নামঃ এই একটিমাত্র উপন্যাস লিখে তিনি বাংলা সাহিত্যের চিরস্মরণীয় ও অমর প্রতিভা হিসেবে বিশেষ স্বীকৃতি লাভ করেন।
- এক দরিদ্র ধীবর (জেলে/মৎস্যজীবী) পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলেই হয়তাে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও সুগভীর অন্তদৃষ্টির কারণে এই উপন্যাসটিতে প্রতিকূল সংঘাতে ক্রমশ মুছে আসা মৎস্যজীবী মানুষদের কাহিনী বা ধীবর সমাজের নিষ্ঠুর জীবন সংগ্রামের দুঃখ-দুর্দশার সাধারণ কাহিনীকে করেছেন অবিনশ্বর ও অসাধারণ।
- উপন্যাসটি-৪ খন্ডে বিভক্ত।
- পরবর্তীকালে ১৯৭৩ সালে ঋত্বিক ঘটকের পরিচালনায় উপন্যাসটি চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

১০.
'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' এর নেতৃত্বে ঢাকার বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রধান উদ্যোক্তার ভূমিকা পালন করেন কে?
  1. ক) কাজী মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  2. খ) আবদুল কাদির
  3. গ) কাজী আবদুল ওদুদ
  4. ঘ) আবুল ফজল
ব্যাখ্যা

আবদুল কাদির: কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক, ছান্দসিক ও সম্পাদক।

১৯২৬ সালে 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' এর নেতৃত্বে ঢাকার বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের তিনি প্রধান উদ্যোক্তার ভূমিকা পালন করেন।
মুসলিম সাহিত্য সমাজ থেকে প্রকাশিত ‘শিখা' পত্রিকার তিনি প্রকাশক ও লেখক (১৯২৭) ছিলেন।
কবিতা :
- দিলরুবা (১৯৩৩),
- উত্তর বসন্ত (১৯৬৭)।
প্রবন্ধ :
- বাংলা কাব্যের ইতিহাস : মুসলিম সাধনার ধারা (১৯৪৪),
- কবি নজরুল (১৯৭০),
- কাজী আবদুল ওদুদ (১৯৭৬),
- লোকায়ত সাহিত্য (১৮৮৫)।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর৷

১১.
'জন্মান্ধ কবিতাগুচ্ছ'— কাব্যগ্রন্থের কবি কে?
  1. ক) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  2. খ) আবদুল্লাহ আল মামুন
  3. গ) আবদুল মান্নান সৈয়দ
  4. ঘ) আবুল কালাম শামসুদ্দীন
ব্যাখ্যা

আবদুল মান্নান সৈয়দ (১৯৪৩-২০১০) : কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক, সাহিত্য-সমালোচক। প্রথম জীবনে তিনি 'অশোক সৈয়দ' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন৷

তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- জন্মান্ধ কবিতাগুচ্ছ (১৯৬৭),
- নির্বাচিত কবিতা (১৯৭৫),
- কবিতা কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড (১৯৮২),
- পরাবাস্তব কবিতা (১৯৮২),
- পার্ক স্ট্রিটে এক রাত্রি (১৯৮৩),
- মাছ সিরিজ (১৯৮৪),
- নির্বাচিত কবিতা (২০০২)।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

 
১২.
আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত নাটক কোনটি?
  1. ক) জয়ধ্বনি
  2. খ) কায়েদে আজম
  3. গ) প্রগতি
  4. ঘ) শাহজাদীর কালো নেকাব
ব্যাখ্যা

আবদুল্লাহ আল মামুন: একজন বিশিষ্ট নাট্যকার।
তার রচিত নাটক:
- সুবচন নির্বাসনে (১৯৭৪),
- এখনও দুঃসময় (১৯৭৫),
- এবার ধরা দাও (১৯৭৭),
- শপথ (১৯৭৮),
- সেনাপতি (১৯৮০),
- অরক্ষিত মতিঝিল (১৯৮০),
- ক্রস রোডে ক্রসফায়ার (১৯৮১),
- শাহজাদীর কালো নেকাব (১৯৮৪),
- আয়নার বন্ধুর মুখ (১৯৮৩),
- এখনও ক্রীতদাস (১৯৮৪),
- তোমরাই (১৯৮৮),
- দূরপাল্লা (১৯৮৮),
- তৃতীয় পুরুষ (১৯৮৮),
- আমাদের সন্তানেরা (১৯৮৮)

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৩.
'সাত নরী হার' কী ধরনের রচনা?
  1. ক) কাব্যগ্রন্থ
  2. খ) নাটক
  3. গ) প্রবন্ধ
  4. ঘ) ছোটগল্প
ব্যাখ্যা

আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ পঞ্চাশ দশকের অন্যতম কবি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।

পঞ্চাশের দশকে রচিত তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ - সাত নরী হার (১৯৫৫) এবং পরবর্তীকালের কখনো রং কখনো সুর (১৯৭০) ও কমলের চোখ (১৯৭৪) এ ধরনের গীতিমুখ্য সুললিত কবিতার সংকলন৷

তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থঃ
- আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি (১৯৮১),
- সহিষ্ণু প্রতীক্ষা (১৯৮২),
- বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা (১৯৮৩),
- আমার সময় (১৯৮৭),
- নির্বাচিত কবিতা (১৯৯১),
- আমার সকল কথা (১৯৯৩),
- খাঁচার ভিতর অচিন পাখি

উৎসঃ
বাংলাপিডিয়া।

১৪.
'আবিষ্কারের নেশায়' —গ্রন্থটি রচনা করেছেন-
  1. ক) আবুল ফজল
  2. খ) আবুল মনসুর আহমদ
  3. গ) আবদুল্লাহ আল-মুতী
  4. ঘ) মুহম্মদ আবদুল হাই
ব্যাখ্যা

আবদুল্লাহ আল-মুতী (১৯৩০-১৯৯৮): জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখক, শিক্ষাবিদ ও প্রশাসক।

বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান শিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে আল-মুতী শরফুদ্দিনের অবদান অসামান্য। তিনি এদেশে বিজ্ঞানকে ছোটদের মধ্যে জনপ্রিয় করার পথিকৃৎ। তাঁর প্রকাশিত বিজ্ঞান, পরিবেশ ও শিক্ষাবিষয়ক বইয়ের সংখ্যা ২৮।

উল্লেখযোগ্য বইগুলির মধ্যে রয়েছে -
-আবিষ্কারের নেশায়,
- বিজ্ঞান ও মানুষ,
- এ যুগের বিজ্ঞান,
- বিপন্ন পরিবেশ,
- বিজ্ঞান-জিজ্ঞাসা,
- সাগরের রহস্যপুরী,
- মেঘ বৃষ্টি রোদ এবং
- পরিবেশের সংকট ঘনিয়ে আসছে৷

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৫.
কুমড়াে ফুলে ফুলে নুয়ে পড়েছে লতাটা—লাইনটি কোন কবিতা থেকে নেয়া?
  1. ক) কখনাে রং কখনাে সুর
  2. খ) লোক লোকান্তর
  3. গ) কোন এক মাকে
  4. ঘ) স্মৃতিস্তম্ভ
ব্যাখ্যা

আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ (১৯৩৪-২০০১) - কবি, সরকারি কর্মকর্তা। ১৯৩৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার বাহেরচর-ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পূর্ণ নাম আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ খান।

তাঁর উল্লেখযােগ্য কবিতা হলাে :
- আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি ও
- কোন এক মাকে (কুমড়াে ফুলে ফুলে নুয়ে পড়েছে লতাটা)


কাব্যগ্রন্থসমূহ:
- কখনাে রং কখনাে সুর (১৯৭০),
- কমলের চোখ (১৯৭৪),
- আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি (১৯৯৩) ইত্যাদি৷

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৬.
'কয়েকটি গান ও গীতিগুঞ্জ' কার রচিত গানের সংকলন?
  1. ক) আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
  2. খ) অতুলপ্রসাদ সেন
  3. গ) অমিয় চক্রবর্তী
  4. ঘ) রামপ্রসাদ সেন
ব্যাখ্যা

অতুলপ্রসাদ সেন (১৮৭১-১৯৩৪): কবি, গীতিকার, গায়ক।

‘মোদের গরব, মোদের আশা/ আ মরি বাংলা ভাষা’ গানটিতে অতুলপ্রসাদের মাতৃভাষার প্রতি মমত্ববোধ ফুটে উঠেছে।
এ গান বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালিদের মধ্যে অফুরন্ত প্রেরণা জুগিয়েছে। গানটির আবেদন আজও অম্লান।

- তিনি বাংলা গানে সর্বপ্রথম ঠুমরি আমদানি করেন৷
- তার রচিত গানের সংখ্যা প্রায় দুশটি৷

'কয়েকটি গান ও গীতিগুঞ্জ'
(১৯৩১) তার গানের সংকলন।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৭.
'সূর্য দীঘল বাড়ি' –বিখ্যাত এ উপন্যাসের চরিত্র কোনটি?
  1. ক) জয়গুন
  2. খ) জামিলা
  3. গ) রতন
  4. ঘ) মজিদ
ব্যাখ্যা

আবু ইসহাক (১৯২৬-২০০৩): কথাসাহিত্যিক, অভিধান-প্রণেতা৷

বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, দেশবিভাগ প্রভৃতি পরপর চারটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনার পটভূমিতে তিনি রচনা করেন 'সূর্য দীঘল বাড়ী' (১৯৫৫)।
উপন্যাসটি প্রকাশিত হলে এর রচনাশৈলীও বিষয়বস্ত্ত পাঠকদের আকৃষ্ট করে। স্বামী পরিত্যক্তা জয়গুনের দু-সন্তানকে নিয়ে বেঁচে থাকার সংগ্রাম উপন্যাসের মূল বিষয়বস্ত্ত।
দুর্ভিক্ষ-পীড়িত জয়গুন অন্নের সন্ধানে প্রথমে গ্রাম ছেড়ে শহরে যায়, কিন্তু নগরজীবনের নিঃস্ব, তিক্ত ও পঙ্কিল অবস্থায় টিকতে না পেরে আবার স্বগ্রামে ফিরে আসে। কিন্তু সমাজপতিদের ধর্মান্ধতা ও প্রতিহিংসার শিকার হয়ে প্রতিকারহীন নির্যাতন ও দুর্দশার মধ্যে পড়ে। লেখক দেখিয়েছেন পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলেও গ্রামের শ্রমজীবী মানুষের আর্থিক পরিবর্তন আনতে পারেনি, দুর্ভোগ বেড়েছে।

সূর্য দীঘল বাড়ীর চলচ্চিত্রায়ন এবং একাধিক বিদেশি ভাষায় অনূদিত হয়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

১৮.
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত মহাকাব্যোচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. ক) খোয়াবনামা
  2. খ) চিলেকোঠার সেপাই
  3. গ) উভয়ই
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (১৯৪৩-১৯৯৭) : কথাসাহিত্যিক। পূর্ণনাম আখতারুজ্জামান মুহম্মদ ইলিয়াস। ১৯৪৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা জেলার গোটিয়া গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
উপন্যাস:
- চিলেকোঠার সেপাই (১৯৮৭),
- খােয়াবনামা (১৯৯৬)
(এই দুটি হলো তার মহাকাব্যোচিত উপন্যাস৷)
ছােটগল্প:
- অন্য ঘরে অন্য স্বর (১৯৭৬),
- খোয়ারি (১৯৮২),
- দুধভাতে উৎপাত (১৯৮৫),
- দোজখের ওম (১৯৮৯)।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৯.
আবু ইসহাক রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. ক) মহাপতঙ্গ
  2. খ) জাল
  3. গ) হারেম
  4. ঘ) জয়ধ্বনি
ব্যাখ্যা

আবু ইসহাক (১৯২৬-২০০৩): কথাসাহিত্যিক, অভিধান-প্রণেতা৷
- আবু ইসহাকের প্রথম উপন্যাস 'সূর্য দীঘল বাড়ি'
- তার দ্বিতীয় উপন্যাস 'পদ্মার পলিদ্বীপ'
- তাঁর তৃতীয় উপন্যাস জাল। এটি গোয়েন্দা জাতীয় উপন্যাস।

তাঁর প্রকাশিত গল্পগ্রন্থঃ
- 'হারেম (১৯৬২) ও
- মহাপতঙ্গ (১৯৬৩)'।

তাঁর রচিত একমাত্র নাটকঃ
- জয়ধ্বনি।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২০.
'বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা' —কাব্যগ্রন্থটি কে লিখেছেন?
  1. ক) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  2. খ) আল মাহমুদ
  3. গ) আবু ইসহাক
  4. ঘ) অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা

আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ : পঞ্চাশ দশকের অন্যতম খ্যাতমান কবি।
তার রচিত কাব্যগ্রন্থ :
- সাত নরী হার (১৯৫৫)
- কখনো রং কখনো সুর (১৯৭০)
- কমলের চোখ (১৯৭৪)
- সহিষ্ণু প্রতীক্ষা (১৯৮২),
- বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা (১৯৮৩),
- আমার সময় (১৯৮৭),
- নির্বাচিত কবিতা (১৯৯১),
- আমার সকল কথা (১৯৯৩),
- খাঁচার ভিতর অচিন পাখি

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

২১.
'শাশ্বতবঙ্গ' কী ধরনের রচনা?
  1. ক) গল্পগ্রন্থ
  2. খ) প্রবন্ধ
  3. গ) উপন্যাস
  4. ঘ) রম্যরচনা
ব্যাখ্যা

কাজী আবদুল ওদুদ (১৮৯৪- ১৯৭০) :
শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, চিন্তাবিদ।
উপন্যাস :
- নদীবক্ষে (১৯১৮)।
সমাজ ও সাহিত্যবিষয়ক প্রবন্ধ:
- শাশ্বতবঙ্গ (১৯৫১),
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ,
- নজরুল প্রতিভা।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর

২২.
বাংলা গদ্যপ্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য 'উচ্চবচন ধ্বনিতরঙ্গ' ও 'অনতিলক্ষ্য ছন্দঃস্রোত' সৃষ্টি করেন কে?
  1. ক) প্রমথ চৌধুরী
  2. খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. গ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  4. ঘ) আহসান হাবীব
ব্যাখ্যা

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১) :
সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী। তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত৷
- তিনিই প্রথম বাংলা গদ্যে যতি চিহ্ন বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন৷
- বাংলা গদ্যপ্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য তিনি তার গদ্যে 'উচ্চবচন ধ্বনিতরঙ্গ' ও 'অনতিলক্ষ্য ছন্দঃস্রোত' সৃষ্টি করেন৷

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২৩.
স্মৃতির মিনার ভেঙ্গেছে তােমার / ভয় কি বন্ধু—পঙ্‌ক্তিটি কোন কবিতা থেকে নেয়া?
  1. ক) স্মৃতিস্তম্ভ
  2. খ) কোন এক মা'কে
  3. গ) আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
  4. ঘ) লোক লোকান্তর
ব্যাখ্যা

আলাউদ্দিন আল আজাদ :
পেশায় মূলত অধ্যাপক। তবে মূলত পরিচিতি কবি হিসেবে। প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম 'জেগে আছি' (১৯৫০); গল্পগ্রন্থ।

কাব্যগ্রন্থ :
- মানচিত্র (১৯৬১),
- ভােরের নদীর মােহনায় জাগরণ (১৯৬২)।

স্মৃতিস্তম্ভ (স্মৃতির মিনার ভেঙ্গেছে তােমার / ভয় কি বন্ধু-) কবিতাটি লিখার জন্য তিনি জনপ্রিয়। কবিতাটি মানচিত্র কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

গল্পগ্রন্থ:
- জেগে আছি (১৯৫০),
- ধানকন্যা (১৯৫১),
- মৃগনাভি (১৯৫৩),
- অন্ধকার সিড়ি (১৯৫৬),
- যখন সৈকত (১৯৬৭),
- আমার রক্ত স্বপ্ন আমার (১৯৭৫),
- জীবনজমিন (১৯৮৮)

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর

২৪.
আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. ক) ওঙ্কার
  2. খ) ক্ষুধা ও আশা
  3. গ) চৌচির
  4. ঘ) কঙ্কাবতী
ব্যাখ্যা

আলাউদ্দিন আল আজাদ : মূলত কবি হিসেবে পরিচিত।

উপন্যাস :
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র (১৯৬০),
- শীতের শেষ রাত বসন্তের প্রথম দিন (১৯৬২),
- কর্ণফুলী (১৯৬২),
- ক্ষুধা ও আশা (১৯৬৪),
- খসড়া কাগজ (১৯৮৬),
- স্বপ্নশিলা (১৯৯২),
- বিশৃঙ্খলা (১৯৯৭)।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর

২৫.
'লোক লোকান্তর' কাব্যগ্রন্থটির কবি কে?
  1. ক) আহমদ ছফা
  2. খ) আবুল মনসুর আহমেদ
  3. গ) আল মাহমুদ
  4. ঘ) কাজী ইমদাদুল হক
ব্যাখ্যা

আল মাহমুদ : একজন বাংলাদেশী প্রখ্যাত কবি৷

কাব্যগ্রন্থ :
- লােক লােকান্তর (১৯৬৩),
- কালের কলস (১৯৬৬),
- সােনালী কাবিন (১৯৭৩),
- অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না (১৯৮০), -বখতিয়ারের ঘােড়া (১৯৮৪),
- দোয়েল ও দয়িতা (১৯৯৭),
- পাখির কাছে ফুলের কাছে,
- প্রেমের কবিতা, দ্বিতীয় ভাঙ্গন (২০০২)।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর

২৬.
আল মাহমুদ রচিত গল্পগ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) বখতিয়ারের ঘোড়া
  2. খ) গাভি বিত্তান্ত
  3. গ) গন্ধবণিক
  4. ঘ) কাবিলের বোন
ব্যাখ্যা

মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (১১ জুলাই ১৯৩৬ – ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯), যিনি আল মাহমুদ নামে অধিক পরিচিত, ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন।

গল্পগ্রন্থ :
- পানকৌড়ির রক্ত (১৯৭৫),
- সৌরভের কাছে পরাজিত (১৯৮৩),
- গন্ধবণিক (১৯৮৬),
- ময়ূরীর মুখ (১৯৯৪)।

উপন্যাস :
- ডাহুকী (১৯৯২),
- উপমহাদেশ (১৯৯৩),
- আগুনের মেয়ে (১৯৯৫),
- চেহারার চতুরঙ্গ (২০০০),
- কাবিলের বােন (২০০১)।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর

২৭.
'ফুড কনফারেন্স' কোন জাতীয় গ্রন্থ?
  1. ক) প্রবন্ধ
  2. খ) উপন্যাস
  3. গ) গল্পগ্রন্থ
  4. ঘ) শিশুসাহিত্য
ব্যাখ্যা

আবুল মনসুর আহমেদ: সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ।

উপন্যাসঃ
- সত্যমিথ্যা (১৯৫৩),
- জীবনক্ষুধা (১৯৫৫),
- আবে হায়াত (১৯৬৮)।
গল্পগ্রন্থ :
- আয়না (১৯৩৫),
- ফুড কনফারেন্স (১৯৪৪),
- আসমানী পর্দা (১৯৬৪)।
রাজনীতিবিষয়ক গ্রন্থ :
- আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর (১৯৬৯),
- শেরে বাংলা থেকে বঙ্গবন্ধু (১৯৭২)।
স্মৃতিকথা:
-আত্মকথা (১৯৭৮)।
শিশুসাহিত্য:
- ছােটদের কসাসুল আম্বিয়া (১৯৪৯),
- গালিভারের সফরনামা (১৯৫৯)।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর