পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
"পরীক্ষা – ৩ টপিক: রিভিশন পরীক্ষা [Exam – 1 & 2] ক্লাস মেন্টর: তপন ভট্টাচার্য"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে কোন সম্প্রদায়ের মানুষ বেশি?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. ত্রিপুরা
  4. গারো
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি বাস করে চট্টগ্রাম বিভাগে (এ জনগোষ্ঠীর ৬০.০৪%)।
- উপজাতির সংখ্যা সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে (০.২৫%)।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
চাকমা - ৪,৮৩,৩৬৫।
মারমা - ২,২৪,২৯৯।
ত্রিপুরা - ১,৫৬,৬২০।
সাঁওতাল - ১,২৯,০৫৬।
ওরাওঁ - ৮৫,৮৫৮।
গারো - ৭৬,৮৫৪।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
.
অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় কবে?
  1. ১৭ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
  2. ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
  3. ১৫ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
  4. ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
গণপরিষদ এবং অস্থায়ী সংবিধান সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন শেখ ‍মুজিবুর রহমান।
- গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয় - ২৩ মার্চ, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদ আদেশ জারি করেন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরি।
- সংবিধানে স্বাক্ষরের সময় গণপরিষদের মোট সদস্য - ৪০৩ জন।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে -১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে। ঐদিন গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- প্রথম অধিবেশন এর সভাপতি ছিলেন মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ।
- প্রথম স্পিকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ।
- প্রথম ডেপুটি স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ্‌।
- সংবিধান কমিটি গঠন করা হয় ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- কমিটির মোট সদস্য ছিলো ৩৪ জন।
- একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য ছিলেন সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত।
- গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসে - ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
দ্বীপ ছাড়া 'সুমাত্রা' কী?
  1. উন্নত জাতের ধান
  2. উন্নত জাতের তামাক
  3. উন্নত জাতের গম
  4. উন্নত জাতের ভুট্টা
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- উন্নত জাতের ধান হলো ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা , বিপ্লব, দুলাভোগ, সুফলা ইত্যাদি।
- সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
- সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
- বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ: উন্নত জাতের ভুট্টা।
- মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ উন্নত জাতের আম।
- বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
- যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
.
গণপরিষদের কোন সদস্য হস্ত লিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করে নি?
  1. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  2. বেগম রাজিয়া বানু
  3. খন্দকার মোশতাক
  4. সদর উদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া - ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
- হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কয়টি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়? (নভেম্বর, ২০২৪)
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমান পর্যন্ত মোট ৫টি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রথম কৃষিশুমারি – ১৯৭৭ সালে
দ্বিতীয় কৃষিশুমারি – ১৯৮৩-৮৪ সালে
তৃতীয় কৃষিশুমারি – ১৯৯৬ সালে
চতুর্থ কৃষিশুমারি – ২০০৮ সালে
সর্বশেষ পঞ্চম কৃষিশুমারি - ৯-২০ জুন ২০১৯।

উৎস: বিবিএস ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৭ম তফসিলের বিধান কী?
  1. অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
  2. শপথ ও ঘোষণা
  3. স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
  4. ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তফসিলসমূহ: 
প্রথম তফসিল - অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
দ্বিতীয় তফসিল - রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
তৃতীয় তফসিল - শপথ ও ঘোষণা।
চতুর্থ তফসিল - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
পঞ্চম তফসিল - ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
ষষ্ঠ তফসিল - স্বাধীনতার ঘোষণা।
সপ্তম তফসিল - স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
সংবিধানের ৩৮ নং অনুচ্ছেদের মূল আলোচ্য বিষয় কী?
  1. পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
  2. সমাবেশের স্বাধীনতা
  3. সংগঠনের স্বাধীনতা
  4. বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তৃতীয় ভাগের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদসমূহ : 
অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
অনুচ্ছেদ ৪৫ - শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত কোনটি?
  1. বিআর ৫
  2. ব্রি ধান ৬৪
  3. ব্রি ধান ৬২
  4. ব্রি ধান ৫১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
.
গণপরিষদ আদেশ জারি করেন কে?
  1. শেখ ‍মুজিবুর রহমান
  2. আবু সাঈদ চৌধুরী
  3. আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ
  4. ড. কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা
সংবিধান রচনার সাথে জড়িৎ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ-
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন শেখ ‍মুজিবুর রহমান।
- গণপরিষদ আদেশ জারি করেন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
- প্রথম অধিবেশন এর সভাপতি ছিলেন মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ।
- প্রথম স্পিকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ।
- প্রথম ডেপুটি স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ্‌।
- সংবিধান কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- কমিটির মোট সদস্য ছিলো ৩৪ জন।
- একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য ছিলেন সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১০.
পাটের জুটনে তুলা ও পাটের অনুপাত কত?
  1. ৭০ : ৩০
  2. ৮০ : ২০
  3. ৬০ : ৪০
  4. ৩০ : ৭০
ব্যাখ্যা
পাট:
- পাট এক ধরনের কৃষিপণ্য।
- পাট একটি বর্ষাকালীন ফসল।
- এর জীবনকাল ১০০ থেকে ১২০ দিন পর্যন্ত।
- বাংলাদেশে পাটকে সোনালী আঁশ বলা হয়ে থাকে।
- পাট বাংলার শত বর্ষের ঐতিহ্য।
- দুই ধরনের পাট বাংলাদেশে দেখতে পাওয়া যায়: সাদা পাট ও তোষা পাট।
- জাতীয় পাট দিবস পালিত হয় ৬ মার্চ।
- জুটনের আবিষ্কারক ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ।
- জুটন (Jutton) হল ৭০ ভাগ পাট ও ৩০ ভাগ তুলার মিশ্রণে তৈরি কাপড়।
- তুলার আঁশের তৈরি বস্ত্রের বিকল্প হিসেবে পাট ও তুলার আঁশ নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে এই ধরনের তন্তু তৈরি করা হয়।
- পাটের তৈরি সোনালি ব্যাগের আবিষ্কারক ড. মোবারক আহমদ খান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১.
কোন বিলে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের সময়সীমা কত দিন?
  1. ৩ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ১৫ দিন
ব্যাখ্যা
আইন বিভাগে আলোচ্য সময়সূচি:
- পুনর্বিবেচিত বিল রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের মধ্যে সম্মতি দিবেন।
- কোনো বিলে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের সর্বোচ্চ সময় ১৫ দিন।
- নির্বাচলের পর সংসদের অভিবেশন আহবান করতে হবে ৩০ দিনের মধ্যে।
- অধ্যাদেশকে অধিবেশন শুরু হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন দিতে হবে।
- সংসদের দুই অধিবেশনের মধ্যবর্তী বিরতিকাল সর্বোচ্চ ৬০ দিন।
- সংসদের অনুমতি ব্যতীত ৯০ দিন অনুপস্থিত থাকলে সংসদপদ শূন্য হয়ে যাবে।
- নির্বাচিত হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে শপথ না নিলে সংসদপদ শূন্য হয়ে যাবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১২.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
আদমশুমারি:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- সাধারণত প্রতি ১০ বছর পর পর আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এই পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬ টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ৬ষ্ঠ আদমশুমারি ২০২২ সালের ১৫-২১ জুন 'জনশুমারি ও গৃহগণনা' নামে পরিচালিত হয়।
- জনশুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।