পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৭১: বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. ডাটাবেজ সিস্টেম ও এর উপাদান, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ২. কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপদ ব্যবহার, সাইবার অপরাধ ও এর প্রতিকার ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটার নেটওয়ার্ক [ল্যান, ম্যান, ওয়াই-ফাই, ওয়াইম্যাক্স] ও ইন্টারনেটের ধারণা ও বিবর্তন। ৪. ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW), নিত্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং প্রযুক্তি: ই-মেইল, ফ্যাক্স ইত্যাদি; ৫. দৈনন্দিন জীবনে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার। ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
ডাটাবেজ সিস্টেমের একটি অভ্যন্তরীণ উপাদান নয় কোনটি?
  1. রেকর্ড
  2. ফিল্ড
  3. র‍্যাম
  4. রিলেশনশিপ
সঠিক উত্তর:
র‍্যাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যাম
ব্যাখ্যা

র‍্যাম (RAM) ডাটাবেজের অভ্যন্তরীন উপাদান নয় কারণ এটি মূলত একটি অস্থায়ী মেমোরি যা কম্পিউটারের চলমান প্রসেস এবং তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে।

• ডাটাবেজ (Database):
- 'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
- সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।

.
সাইবার নিরাপত্তায় ‘স্নিকিং’ বলতে কী বোঝায়?
  1. অননুমোদিত প্রবেশ
  2. ক্ষতিকর প্রোগ্রাম স্থাপন
  3. ডেটা এনক্রিপশন
  4. ফিশিং অ্যাটাক
সঠিক উত্তর:
অননুমোদিত প্রবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অননুমোদিত প্রবেশ
ব্যাখ্যা

স্নিকিং বলতে গোপনে কম্পিউটার সিস্টেমে অননুমোদিত প্রবেশ করাকে বোঝায়। 
- এটি তথ্য চুরি, সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ বা ক্ষতিকারক কাজ করার উদ্দেশ্যে করা হয়।
- অন্য ধরনের আক্রমণের মতো সরাসরি ক্ষতি বা সিস্টেম ক্র্যাশ না করেও এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক, কারণ এটি গোপনে তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেয়।

• সাইবার অপরাধ:
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল। ২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
শহরের ক্যাবল নেটওয়ার্ক কোন ধরনের নেটওয়ার্কের উদাহরণ?
  1. LAN
  2. MAN
  3. PAN
  4. WAN
সঠিক উত্তর:
MAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MAN
ব্যাখ্যা

শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক MAN এর উদাহরণ।

• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN):
- MAN এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Metropolitan Area Network.
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের জন্য মিডিয়া হিসাবে টেলিফোন লাইন, মডেম ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়।
- সাধারণত কোন ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া কোনো শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক MAN এর উদাহরণ।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
একটি ই-মেইল ঠিকানার @ প্রতীকের আগে যে অংশটি থাকে, সেটি কী নির্দেশ করে?
  1. User ID
  2. Domain Name
  3. Protocol Name
  4. Server Name
সঠিক উত্তর:
User ID
উত্তর
সঠিক উত্তর:
User ID
ব্যাখ্যা

ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নের পূর্ববর্তী অংশ সাধারণত ইউজার আইডি (User ID) নির্দেশ করে।
- এটি সেই ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানের নাম বা পরিচিতি যা ই-মেইল অ্যাকাউন্টের মালিকানা প্রকাশ করে।
- যেমন, example@mail.com এই ঠিকানায় "example" হলো ইউজারনেম।
- @ প্রতীকের ডান পাশে থাকে ডোমেইন নেম, যা নির্দেশ করে কোন সার্ভারে ই-মেইল অ্যাকাউন্টটি হোস্ট করা আছে। যেমন, উপরের উদাহরণে "mail.com" হলো ডোমেইন নেম।

• ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন ARPANET-এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পত্রালাপ চালু করেন, যা ছিল প্রথম ইমেইল সিস্টেম।
- ইলেকট্রনিক মেইল (ই-মেইল) হলো এক ধরনের ডিজিটাল বার্তা বিনিময়ের পদ্ধতি, যেখানে একজন প্রেরক এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে নির্ভরযোগ্যভাবে বার্তা পাঠাতে পারেন।
- ইমেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন থাকা আবশ্যক।
- একটি ইমেইল ঠিকানা মূলত ইউজার আইডি এবং ডোমেইন নেম দ্বারা গঠিত।
- ইমেইল আদান-প্রদানে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ইমেইলে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
- CC (Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অন্য প্রাপকেরা দেখতে পান কে কে বার্তাটি পেয়েছেন।
- BCC (Blind Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানো হলেও, এক প্রাপক অন্যদের ইমেইল ঠিকানা দেখতে পান না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

.
ডাটাবেজ পারফরম্যান্স উন্নত করতে ইনডেক্সিং এর মূল কাজ কী?
  1. টেবিলের ডেটা সংকুচিত করা
  2. ডেটা অনুসন্ধান দ্রুত করা
  3. ডিস্ক স্পেস কমানো
  4. ডেটার নিরাপত্তা বাড়ানো
সঠিক উত্তর:
ডেটা অনুসন্ধান দ্রুত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা অনুসন্ধান দ্রুত করা
ব্যাখ্যা

ডেটাবেজে ইনডেক্সিং করার মূল উদ্দেশ্য হলো ডেটা অনুসন্ধানকে দ্রুত করা, যা ডেটাবেজের সামগ্রিক পারফরম্যান্স উন্নত করে।

• ইনডেক্সিং:
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর, সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়।

• ইনডেক্সিং-এর সুবিধাসমূহ:
- ডাটা সাজানোর জন্য সময় কম লাগে।
- ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর নতুন রেকর্ড যুক্ত করা হলে তা নিজে থেকেই সাজানো হয়ে যায়।
- ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর একটি ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে।
- একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি সহজ হয়।

• ইনডেক্সিং-এর অসুবিধাসমূহ:
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ডগুলোকে সাজানো হলে মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে।
- ইনডেক্স ফাইলকে সংরক্ষণ করার জন্য কম্পিউটারের স্মৃতিতে অতিরিক্ত জায়গা লাগে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কোন টপোলজিকে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলা হয়?
  1. স্টার টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. ট্রি টপোলজি
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা

নেটওয়ার্কিং-এ ট্রি টপোলজি হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি নামে পরিচিত।
- এই টপোলজিতে ডিভাইসগুলো একটি গাছের শাখার মতো স্তরভিত্তিকভাবে সংযুক্ত থাকে, যেখানে একটি মূল (root) নোড থেকে বিভিন্ন স্তরে অন্যান্য নোডগুলো বিস্তৃত হয়।
- এটি মূলত একটি স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপ, যেখানে একাধিক স্টার টপোলজি একটি কেন্দ্রীয় ব্যাকবোনের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
- হায়ারার্কিক্যাল গঠন হওয়ায় এটি বড় নেটওয়ার্কে ব্যবস্থাপনা ও স্কেলযোগ্যতার জন্য উপযোগী। এই কারণে ট্রি টপোলজিকেই হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

•ট্রি টপোলজি:
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে।
- বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে।
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- মুল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়।
- স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপই হলো ট্রি টপোলজি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোন ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিকে একই সাথে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে?
  1. সিমপ্লেক্স মোড
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
  3. অ্যাসিনক্রোনাস মোড
  4. ফুল-ডুপ্লেক্স মোড
সঠিক উত্তর:
ফুল-ডুপ্লেক্স মোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুল-ডুপ্লেক্স মোড
ব্যাখ্যা

ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (Full-duplex mode) হলো এমন একটি ডেটা ট্রান্সমিশন মোড, যেখানে ডেটা একই সময়ে উভয় দিকে আদান-প্রদান করা সম্ভব।

• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।
- ডেটা প্রবাহের দিক-এর উপর নির্ভর করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-

১। সিমপ্লেক্স মোড (Simplex mode):
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা পাঠানো সম্ভব হয়, প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে।
- যেমন- কি বোর্ড, মাউস, জয়স্টিক ইত্যাদি সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ

২। হাফ-ডুপ্লেক্স মোড (Half-duplex mode):
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকেই ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করা সম্ভব, কিন্তু একসাথে নয়, আলাদা আলাদাভাবে।
- একটি ডিভাইস ডেটা পাঠালে অন্যটিকে অপেক্ষা করতে হয় তার সুযোগ আসার জন্য।
- এই পদ্ধতিতে ডেটার ভেতর সংঘর্ষ (collision) না হওয়ার জন্য বিশেষ সার্কিটের ব্যবস্থা রাখতে হয়।
- যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এস.এম.এস ইত্যাদি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে চলে।

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (Full-duplex mode):
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ফোন কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশন এই পদ্ধতির উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

.
দুটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনে কোন কী (Key) ব্যবহৃত হয়?
  1. প্রাইমারি কী
  2. ফরেইন কী
  3. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
ফরেইন কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরেইন কী
ব্যাখ্যা

ফরেন কী'র কাজ হচ্ছে দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা।

• ফরেন কী (Foreign Key)
- রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে, কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যখন অন্য টেবিলে ব্যবহার হয়, তখন ঐ কীকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে। যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ম্যালওয়্যারের উদাহরণ হিসেবে কোনটি প্রযোজ্য নয়?
  1. ওয়ার্ম
  2. অ্যাডওয়্যার
  3. র‍্যানসমওয়্যার
  4. ফায়ারওয়াল
সঠিক উত্তর:
ফায়ারওয়াল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফায়ারওয়াল
ব্যাখ্যা

ফায়ারওয়াল একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা অননুমোদিত প্রবেশ থেকে কম্পিউটার সিস্টেমকে রক্ষা করে।

• Malware (ম্যালওয়ার):
- Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণরূপ হলো Malicious Software.
- ম্যালওয়্যার হলো ক্ষতিকর সফটওয়্যার যা সিস্টেমে অননুমোদিত প্রবেশ, তথ্য চুরি বা ক্ষতি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে: অ্যাডওয়্যার (Adware), স্পাইওয়্যার (Spyware), ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware), ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

• ফায়ারওয়াল:
- একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা অননুমোদিত প্রবেশ থেকে কম্পিউটার সিস্টেমকে রক্ষা করে। এটি কোনো ম্যালওয়্যার নয়, বরং ম্যালওয়্যার প্রতিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল।
- ফায়ারওয়াল কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের মধ্যে ডেটা ট্র্যাফিকের ওপর নজর রাখে এবং ক্ষতিকর ডেটা বা প্রোগ্রামকে সিস্টেমে প্রবেশ করতে বাধা দেয়।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল),
২। ব্রিটানিকা।