সমাধান: রেখাংশ: - একটি রেখার উপর দুইটি ভিন্ন বিন্দু হলে ঐ বিন্দু দুইটিসহ তাদের অন্তর্বর্তী সকল বিন্দুর সেটকে বিন্দু দুইটির সংযোজক রেখাংশ বলে। - ভিন্ন বিন্দু দুইটিকে রেখাংশের প্রান্তবিন্দু বলে। আবার প্রান্তবিন্দুদ্বয়ের মধ্যবর্তী সকল বিন্দু ঐ রেখাংশের উপর অবস্থিত। - অর্থাৎ, রেখাংশ হলো রেখার একটি সসীম অংশ। তাই রেখাংশের দুইটি প্রান্তবিন্দু থাকে।
• রেখা সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব: - রেখার কোনো প্রান্তবিন্দুর নেই। - রশ্মির একটি প্রান্তবিন্দু আছে।
৭.
একটি ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ১ : ২ : ৩ হলে, ত্রিভুজটি হবে-
ক
সমবাহু ত্রিভুজ
খ
স্থূলকোণী ত্রিভুজ
গ
সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজ
ঘ
সমকোণী ত্রিভুজ
সঠিক উত্তর: ঘ
সমকোণী ত্রিভুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
সমকোণী ত্রিভুজ
ঘ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ১ : ২ : ৩ হলে, ত্রিভুজটি হবে-
সমাধান: আমরা জানি, কোন ত্রিভুজের একটি কোণ যদি অপর দুইটি কোণের সমষ্টির সমান হয়, তবে ত্রিভুজটি সমকোণী হবে।
দেওয়া আছে, ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ১ : ২ : ৩
এখানে, ১ + ২ = ৩ অর্থাৎ, দুইটি কোণের সমষ্টি তৃতীয় কোণের সমান।
∴ ত্রিভুজটি সমকোণী ত্রিভুজ হবে।
৮.
যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল কিন্তু কোণগুলো সমকোণ নয় সেই চতুর্ভুজকে বলা হয় -
ক
বর্গ
খ
আয়তক্ষেত্র
গ
সামন্তরিক
ঘ
ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর: গ
সামন্তরিক
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
সামন্তরিক
গ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল কিন্তু কোণগুলো সমকোণ নয় সেই চতুর্ভুজকে বলা হয় -
সমাধান: সামান্তরিক: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল কিন্তু কোণগুলো সমকোণ নয় তাকে সামান্তরিক বলে। বর্গ: যে চতুর্ভুজের চারটি বাহু সমান ও বিপরীত কোণদ্বয় সমানএবং কোণগুলো সমকোণ তাকে বর্গ বলে। আয়তক্ষেত্র: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল এবং কোণগুলো সমকোণ তাকে আয়তক্ষেত্র বলে। রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখন্ডিত করে।
৯.
দুই সমকোণ থেকে বড় কিন্তু চার সমকোণ থেকে ছোট কোণকে বলা হয়-
ক
পূরক কোণ
খ
সম্পূরক কোণ
গ
বিপ্রতীপ কোণ
ঘ
প্রবৃদ্ধ কোণ
সঠিক উত্তর: ঘ
প্রবৃদ্ধ কোণ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
প্রবৃদ্ধ কোণ
ঘ
ব্যাখ্যা
প্রবৃদ্ধ কোণ: দুই সমকোণ থেকে বড় কিন্তু চার সমকোণ থেকে ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলা হয়।
পূরক কোণ: দুইটি কোণের ডিগ্রি পরিমাপের সমষ্টি এক সমকোণ বা 90° হলে, কোণ দুইটিকে পরস্পরের পূরক কোণ বলা হয়।
সম্পূরক কোণ: দুইটি কোণের ডিগ্রি পরিমাপের সমষ্টি দুই সমকোণ বা 180° হলে, কোণ দুইটিকে পরস্পরের সম্পূরক কোণ বলা হয়।
বিপ্রতীপ কোণ: যদি দুইটি কোণের একটির বাহুদ্বয় অপরটির বাহুদ্বয়ের বিপরীত রশ্মি হয় এবং কোণ দুইটির শীর্ষবিন্দু একই হয়, তবে কোণ দুইটিকে বিপ্রতীপ কোণ বলে।
সমাধান: বিপ্রতীপ কোণ: যদি দুইটি কোণের একটির বাহুদ্বয় অপরটির বাহুদ্বয়ের বিপরীত রশ্মি হয় এবং কোণ দুইটির শীর্ষবিন্দু একই হয়, তবে কোণ দুইটিকে বিপ্রতীপ কোণ বলে।
একটি বর্গাকৃতি বাগানের ক্ষেত্রফল ১ হেক্টর। বাগানটির পরিসীমা কত মিটার?
ক
১০ মিটার
খ
৪০০ মিটার
গ
১০০০ মিটার
ঘ
৬০০ মিটার
সঠিক উত্তর: খ
৪০০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৪০০ মিটার
খ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বর্গাকৃতি বাগানের ক্ষেত্রফল ১ হেক্টর। বাগানটির পরিসীমা কত মিটার?
সমাধান: আমরা জানি, ১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার বাগানটির এক পাশের দৈর্ঘ্য = √(১০০০০) = ১০০ মিটার
∴ বাগানটির পরিসীমা = ৪ × এক পাশের দৈর্ঘ্য = ৪ × ১০০ = ৪০০ মিটার
১৭.
১৩ মিটার লম্বা একটি মই খাড়া দেয়ালের সাথে হেলান দেওয়া আছে। মইয়ের একপ্রান্ত মাটি হতে ১২ মিটার উচুতে দেয়ালকে স্পর্শ করে। মই এর অপরপ্রান্ত হতে দেয়ালের দূরত্ব কত?
ক
৫ মিটার
খ
৭ মিটার
গ
৮ মিটার
ঘ
৬ মিটার
সঠিক উত্তর: ক
৫ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
৫ মিটার
ক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৩ মিটার লম্বা একটি মই খাড়া দেয়ালের সাথে হেলান দেওয়া আছে। মইয়ের একপ্রান্ত মাটি হতে ১২ মিটার উচুতে দেয়ালকে স্পর্শ করে। মই এর অপরপ্রান্ত হতে দেয়ালের দূরত্ব কত?
সমাধান: ধরি, মই এর অপর প্রান্ত হতে দেওয়ালের দূরত্ব = ক মিটার তাহলে, পীথাগোরাসের সূত্রানুযায়ী, ১৩২ = ১২২ + ক২ ⇒ ক২ = ১৬৯ - ১৪৪ ⇒ ক২ = ২৫ ∴ ক = ৫ মিটার
১৮.
একটি রম্বসের কর্ণদ্বয়ের অনুপাত 2 : 3 এবং ক্ষেত্রফল 75 বর্গসে.মি. হলে, কর্ণদ্বয়ের দৈর্ঘ্য কত?
ক
5 সে.মি., 10 সে.মি.
খ
10 সে.মি., 15 সে.মি.
গ
15 সে.মি., 20 সে.মি.
ঘ
20 সে.মি., 25 সে.মি.
সঠিক উত্তর: খ
10 সে.মি., 15 সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
10 সে.মি., 15 সে.মি.
খ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি রম্বসের কর্ণদ্বয়ের অনুপাত 2 : 3 এবং ক্ষেত্রফল 75 বর্গসে.মি. হলে, কর্ণদ্বয়ের দৈর্ঘ্য কত?
সমাধান: দেওয়া আছে, রম্বসের কর্ণদ্বয়ের অনুপাত = 2 : 3 ধরি, কর্ণদ্বয় যথাক্রমে 2a এবং 3a
∴ রম্বসের কর্ণদ্বয়ের দৈর্ঘ্য (2 × 5) = 10 সে.মি. এবং (3 × 5) = 15 সে.মি.
১৯.
নিচে তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য সেন্টিমিটারে দেয়া হলো। কোন ক্ষেত্রে ত্রিভুজ অঙ্কন করা সম্ভব?
ক
২, ৫ এবং ৬
খ
২, ৩ এবং ৮
গ
৬, ৫ এবং ১৩
ঘ
৮, ৯ এবং ১৮
সঠিক উত্তর: ক
২, ৫ এবং ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
২, ৫ এবং ৬
ক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচে তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য সেন্টিমিটারে দেয়া হলো। কোন ক্ষেত্রে ত্রিভুজ অঙ্কন করা সম্ভব?
সমাধান: আমরা জানি, ত্রিভুজের যে কোনো দুই বাহুর সমষ্টি তৃতীয় বাহু অপেক্ষা বৃহত্তর।
এখানে, ক্ষুদ্রতম দুইটি বাহুকে তৃতীয় বাহুর সাথে তুলনা করে পাই, ক) ২ + ৫ > ৬ ;ত্রিভুজ অঙ্কন সম্ভব খ) ২ + ৩ < ৮ ;ত্রিভুজ অঙ্কন সম্ভব নয় গ) ৬ + ৫ < ১৩ ;ত্রিভুজ অঙ্কন সম্ভব নয় ঘ) ৮ + ৯ < ১৮ ত্রিভুজ অঙ্কন সম্ভব নয়
২০.
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান সমান বাহুদ্বয় বর্ধিত করলে উৎপন্ন কোণদ্বয় হবে-
ক
স্থুলকোণ
খ
সূক্ষ্মকোণ
গ
সমকোণ
ঘ
সরলকোণ
সঠিক উত্তর: ক
স্থুলকোণ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
স্থুলকোণ
ক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান সমান বাহুদ্বয় বর্ধিত করলে উৎপন্ন কোণদ্বয় হবে-
সমাধান: ত্রিভুজ সংক্রান্ত কিছু অনুসিদ্ধান্ত: ১) ত্রিভুজের একটি বাহুকে বর্ধিত করলে যে বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়, তা এর বিপরীত অন্তঃস্থ কোণদ্বয়ের সমষ্টির সমান। ২) সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান বাহুদ্বয় বর্ধিত করলে উৎপন্ন কোণদ্বয় স্থুলকোণ হবে। ৩) সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহুকে উভয়দিকে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণদ্বয় পরস্পর সমান হবে
২১.
যদি সমতলে দুইটি কোণের একই শীর্ষবিন্দু হয় ও তাদের একটি সাধারণ রশ্মি থাকে এবং কোণদ্বয় সাধারণ রশ্মির বিপরীত পার্শ্বে অবস্থান করে, তবে ঐ কোণদ্বয়কে বলে-
ক
সরল কোণ
খ
সন্নিহিত কোণ
গ
সমকোণ
ঘ
বিপ্রতীপ কোণ
সঠিক উত্তর: খ
সন্নিহিত কোণ
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
সন্নিহিত কোণ
খ
ব্যাখ্যা
• সন্নিহিত কোণ: - যদি সমতলে দুইটি কোণের একই শীর্ষবিন্দু হয় ও তাদের একটি সাধারণ রশ্মি থাকে এবং কোণদ্বয় সাধারণ রশ্মির বিপরীত পার্শ্বে অবস্থান করে, তবে ঐ কোণদ্বয়কে সন্নিহিত কোণ বলে। - এরূপ দুইটি কোণের একটিকে অপরটির সন্নিহিত কোণও বলা হয়।