পরীক্ষা আর্কাইভ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

পরীক্ষাবাংলাবিদ (ব্যাকরণ)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১১ টপিক: রিভিশন পরীক্ষা [১ থেকে ১০ পর্যন্ত সকল পরীক্ষার টপিক সমূহ] [লাইভ ক্লাস - ১ থেকে ২২ পর্যন্ত]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ) · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. ক) অনূপ
  2. খ) অনুদিত
  3. গ) অনূর্ধ্ব
  4. ঘ) অনুভূতি
সঠিক উত্তর:
খ) অনুদিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অনুদিত
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানান - অনুদিত।
• শুদ্ধ বানান - অনূদিত।
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃত-প্রত্যয় = [অনু+√বাদ্+ত]
অর্থ: অনুবাদ করা হয়েছে এমন, ভাষান্তরিত।

অন্যদিকে,
অনূপ, অনূর্ধ্ব এবং অনুভূতি শব্দের বানানগুলো শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
ষ-ত্ব বিধানের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) 'ঋ' এবং 'ঋ-কার' এর পর 'ষ' হয়।
  2. খ) ট-বর্গীয় ধ্বনির সাথে 'ষ' যুক্ত হয়।
  3. গ) সংস্কৃত ‘সাৎ’ প্রত্যয়যুক্ত পদে ‘ষ’ যুক্ত হয়।
  4. ঘ) তৎসম শব্দে ‘র’-এর পর ‘ষ’ হয়।
সঠিক উত্তর:
গ) সংস্কৃত ‘সাৎ’ প্রত্যয়যুক্ত পদে ‘ষ’ যুক্ত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সংস্কৃত ‘সাৎ’ প্রত্যয়যুক্ত পদে ‘ষ’ যুক্ত হয়।
ব্যাখ্যা
⇒ ষ-ত্ব বিধান:
বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ষ ধ্বনির ব্যবহার নেই। তাই দেশি, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ লেখার প্রয়োজন হয় না। কেবল কিছু তৎসম শব্দে ষ-এর প্রয়োগ রয়েছে। তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ এর ব্যবহারের নিয়মকে ষ-ত্ব বিধান বলে।

• ‘ষ’ ব্যবহারের নিয়ম:
১. 'ঋ' এবং 'ঋ-কার' এর পর 'ষ' হয়। যেমন - ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট ইত্যাদি।
২. ট-বর্গীয় ধ্বনির সাথে 'ষ' যুক্ত হয়। যেমন - কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি।
৩. অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের ‘স’ ‘ষ’ হয়। যেমন- ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।
৪. ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে ‘ষ” হয়। যেমন- অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্ত > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ > অনুষঙ্গ, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি।
৫. তৎসম শব্দে ‘র’-এর পর ‘ষ’ হয়। যেমন: বর্ষা, ঘর্ষণ, বর্ষণ।
৬. কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত হয়। যেমন - ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ঊষা, পৌষ ইত্যাদি।

• যে সব ক্ষেত্রে ষ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
- আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে স হয় না। যেমন- জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।
- সংস্কৃত ‘সাৎ’ প্রত্যয়যুক্ত পদেও ‘ষ’ হয় না। যেমন- অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
সন্ধি-সাধিত শব্দ 'মহৌদার্য' কোন ধরনের সন্ধির দৃষ্টান্ত?
  1. ক) স্বরসন্ধি
  2. খ) ব্যঞ্জনসন্ধি
  3. গ) বিসর্গ সন্ধি
  4. ঘ) নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি
সঠিক উত্তর:
ক) স্বরসন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্বরসন্ধি
ব্যাখ্যা
সূত্র: অ কিংবা আ ধ্বনির পর ও কিংবা ঔ ধ্বনি থাকলে উভয়ে মিলে ঔ হয়। ঔ-কার পূর্ব বর্ণে যুক্ত হয়।
যেমন:
- জল + ওকা = জলৌকা,
- মহা + ওষধি = মহৌষধি,
- মহা + ঔদার্য = মহৌদার্য,
- বন + ওষধি = বনৌষধি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
‘অন্বিত’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) অনু + নিত
  2. খ) ওনু + ইত
  3. গ) অনু + ইত
  4. ঘ) অনু + বিত
সঠিক উত্তর:
গ) অনু + ইত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অনু + ইত
ব্যাখ্যা
• উ বা ঊ ধ্বনির পর যদি অন্য স্বরধ্বনি থাকে তবে উ/ঊ এর জায়গায় ব ফলা হয়।
যেমন:
- তনু + ঈ = তন্বী,
- সু + অল্প = স্বল্প,
- অনু + ইত = অন্বিত,
- অনু + এষণ = অন্বেষণ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
স্বভাবতই ‘ণ’ ব্যবহৃত হয়েছে কোন শব্দে?
  1. ক) বর্ণ
  2. খ) ফণী
  3. গ) তৃণ
  4. ঘ) উষ্ণ
সঠিক উত্তর:
খ) ফণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফণী
ব্যাখ্যা
⇒ ণ-ত্ব বিধান: তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণ-ত্ব বিধান।

• ‘ণ’ ব্যবহারের নিয়ম:
- ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় 'ণ' ব্যবহৃত হয়। যেমন: ঘণ্টা, কাণ্ড ইত্যাদি।
- ঋ, র, ষ - এর পরে 'ণ' হয়। যেমন: ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ব্যাকরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।
- কতকগুলো শব্দে স্বভাবতই ‘ণ’ হয়। যেমন: চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, কণিকা, স্থাণু, ফণী, পিণাক ইত্যাদি।

যেসকল ক্ষেত্রে ণ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
১. সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না। এরূপ ক্ষেত্রে ‘ন’ হয়। যেমন- ত্রিনয়ন, সর্বনাম, দুর্নীতি, দুর্নাম, দুর্নিবার, পরনিন্দা, অগ্রনায়ক।
২. ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয় ন কখনো (ণ) হয় না। যেমন- অন্ত, গ্রন্থ ইত্যাদি।
৩. বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে 'ণ' লেখার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।