পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৪৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩৬: বিষয় - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. ধ্বনিতত্ত্ব [ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান; সন্ধি] ২. শব্দপ্রকরণ [লিঙ্গ/পুরুষবাচক-স্ত্রীবাচক শব্দ; সংখ্যাবাচক শব্দ; দ্বিরুক্ত বাচক শব্দ/শব্দ দ্বিত্ব; বচন; পদাশ্রিত নির্দেশক।] এবং বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিক - আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান i) জাতিসংঘ - History, মূল সংস্থা, প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত ব্যক্তি, জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ, জাতিসংঘ ও নোবেল পুরস্কার, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম (গুরুত্বপূর্ণগুলো), জাতিসংঘ মিশন সমূহ; ii) Bretton Woods - সংস্থাসমূহ [বিশ্বব্যাংক ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপ, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও GATT/WTO)। ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৫ প্রশ্ন

.
"কামারনী" কোন প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ?
  1. আনী
  2. ইনী
  3. নী
ব্যাখ্যা

নী-প্রত্যয় যোগে গঠিত নারীবাচক শব্দ:

যেমন:
কামার - কামারনী
→ জেলে - জেলেনী,
→ কুমার - কুমারনী,
→ ধোপা - ধোপানী,
→ মজুর - মজুরনী ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

.
বাংলা ভাষায় বচন কত প্রকার?
  1. দুই প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষায় বচন দুই প্রকার:
- একবচন ও
- বহুবচন।

একবচন:
- যে শব্দ দ্বারা কোনো প্রাণী, বস্তু বা ব্যক্তির একটিমাত্র সংখ্যার ধারণা হয়, তাকে একবচন বলে।
যেমন:
- শিক্ষক ক্লাসে এসেছেন।
- বইটা কোথায় হারিয়ে গেল?

বহুবচন:
- যে শব্দ দ্বারা কোনো প্রাণী, বস্তু বা ব্যক্তির একের অধিক অর্থাৎ বহু সংখ্যার ধারণা হয়, তাকে বহুবচন বলে।
যেমন:
- মাঝিরা নৌকা চালায়।
- কলমগুলোর দাম অনেক।

• '-রা', '-এরা', '-গুলো', '-গুলি', '-দের' ইত্যাদি লগ্নক যুক্ত হলে শব্দটির বহুবচন হয়।
যেমন
- রা – ছাত্ররা, ধনীরা।
- এরা - ভাইয়েরা, শিক্ষকেরা।
- গুলো – ফুলগুলো, গরুগুলো।
- গুলি – বইগুলি, ঘরগুলি।
- দের - ছেলেদের, মেয়েদের।

- কিছু একবচন শব্দ বহুবচন হওয়ার সময়ে কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটায়।
যেমন -
একবচন – আমি, বহুবচন – আমরা
একবচন – তুমি, বহুবচন – তোমরা
একবচন- সে, বহুবচন - তারা
একবচন - তিনি, বহুবচন – তাঁরা।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

.
কোনটি একবচনে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক?
  1. খানা
  2. গোটা
  3. টুক
  4. টুকুন
ব্যাখ্যা

পদাশ্রিত নির্দেশক:
- কয়েকটি অব্যয় বা প্রত্যয় কোনো না কোনো পদের আশ্রয়ে বা সংযুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে, এগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। 
- বাংলা নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক প্রত্যয় ইংরেজি Definite Article 'The' এর স্থানীয়। 
- বচন ভেদে পদাশ্রিত নির্দেশক ভিন্ন হয়। 

• টা, টি, খানা, খানি, গাছা, গাছি ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক যা একবচনে ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
- কোনো সংখ্যা বা পরিমাণের স্বল্পতা বোঝাতে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক:
- টে, টুক, টুকু, টুকুন, টো, গোটা ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
কোনটি অশুদ্ধ বহুবচন শব্দ?
  1. বইগুচ্ছ
  2. ভাইয়েরা
  3. গরুগুলো
  4. ছেলেদের
ব্যাখ্যা

• অশুদ্ধ বহুবচন - বইগুচ্ছ। এর শুদ্ধরূপ - বইগুলো

• '-রা', '-এরা', '-গুলো', '-গুলি', '-দের' ইত্যাদি লগ্নক যুক্ত হলে শব্দটির বহুবচন হয়।
যেমন
- রা – ছাত্ররা, ধনীরা।
- এরা - ভাইয়েরা, শিক্ষকেরা।
- গুলো – ফুলগুলো, গরুগুলো
- গুলি – বইগুলি, ঘরগুলি।
- দের - ছেলেদের, মেয়েদের।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

.
"শাঁখারি" শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. শাঁখ + আরি
  2. শাখা + আরি
  3. শাঁখা + আরি
  4. শাঁৎ + আরি
ব্যাখ্যা

সন্ধির নিয়ম:
- সন্ধিতে দুটি সন্নিহিত স্বরের একটির লোপ হয়।

যেমন:
- অ + এ = এ (অলোপ), যেমন: শত এক শতেক। এরূপ কতেক।
- আ + আ = আ (একটি আ লোপ)। যেমন: শাঁখা + আরি = শাঁখারি। এরূপ রূপা + আলি = রূপালি।
- আ+ উ = উ (আ লোপ)। যেমন: মিথ্যা + উক = মিথ্যুক। এরূপ হিংসুক, নিন্দুক ইত্যাদি।
- ই + এ = ই (এ লোপ)। যেমন: কুড়ি + এক = কুড়িক। এরূপ ধনিক, গুটিক ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

.
"তার সঙ্গী সাথী কেউ নেই।" এখানে "সঙ্গী সাথী" কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ধারাবাহিকতা
  2. অনুরূপ
  3. আধিক্য
  4. আগ্রহ
ব্যাখ্যা

বিশেষ্য শব্দযুগলের বিশেষণ রূপে ব্যবহার:

আধিক্য বোঝাতে: রাশি রাশি ধন, ধামা ধামা ধান।
সামান্য বোঝাতে: আমি জ্বর জ্বর বোধ করছি।
ধারাবাহিকতা বোঝাতে: তুমি বাড়ি বাড়ি হেঁটে চাঁদা তুলেছ।
অনুরূপ কিছু বোঝাতে: তার সঙ্গী সাথী কেউ নেই।
আগ্রহ বোঝাতে: ও দাদা দাদা বলে কাঁদছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দের নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে কোনটিতে?
  1. উনিশতম
  2. ষোলো
  3. অষ্টমী
  4. দোসরা
ব্যাখ্যা

• বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচকের নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে।
যেমন:
- প্রথমা, দ্বিতীয়া, ষষ্ঠী, অষ্টমী, নবমী, দশমী, ত্রয়োদশী, ষোড়শী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- 'দোসরা' তারিখ পূরণবাচক শব্দ।
- সাধারণ পূরণবাচক যোগে - উনিশতম।
- 'ষোলো' ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

.
ঋ, র, ষ - এর পরে মূর্ধন্য ‘ণ’ হয় - এই নিয়ম অনুসারে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. ব্রাহ্মণ
  2. ভাষণ
  3. রুক্সিণী
  4. কৃপণ
ব্যাখ্যা

• ঋ, র, ষ - এর পরে মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়।
যেমন:
- ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ, ব্যাকরণ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- ঋ, র, ষ - এর পরে স্বরধ্বনি, ষ, য়, ব, হ, ং এবং ক - বর্গীয় ও প - বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী 'ন' মূর্ধন্য 'ণ' হয়।
যেমন:
- কৃপণ (ঋ-কারের পরে প্‌, তার পরে ণ), হরিণ (র-এর পরে ণ,) এরূপ- রুক্সিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।

.
নিচের কোনটিতে কালের বিস্তার প্রকাশ পেয়েছে?
  1. মেয়েটা হাড়ে হাড়ে শয়তান।
  2. ফুলগুলো তুই আনরে বাছা বাছা
  3. থেকে থেকে শিশুটি কাঁদছে।
  4. ছেলেটিকে চোখে চোখে রেখো।
ব্যাখ্যা

বিশিষ্টার্থক বাগধারায় দ্বিরুক্ত শব্দের প্রয়োগ:

যেমন:
- ছেলেটিকে চোখে চোখে রেখো। (সতর্কতা)
- ফুলগুলো তুই আনরে বাছা বাছা। (ভাবের প্রগাঢ়তা)
- থেকে থেকে শিশুটি কাঁদছে। (কালের বিস্তার)
- মেয়েটা হাড়ে হাড়ে শয়তান। (আধিক্য)

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

১০.
'তেজস্বিনী' শব্দটি কোন প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ?
  1. ইনী
  2. নী
  3. বিনী
  4. আনী
ব্যাখ্যা

• পুরুষবাচক শব্দের সঙ্গে 'ইনী' প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীবাচক করা হয়।
 
যেমন:
- তেজস্বী - তেজস্বিনী,
- যশস্বী - যশস্বিনী,
- পয়স্বী - পয়স্বিনী,
- বিজয়ী - বিজয়িনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম (২০২২ সংস্করণ)।

১১.
কোনটি ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ?
  1. দ্বিতীয়
  2. তেসরা
  3. তেহাই
  4. তিন
ব্যাখ্যা

ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
- একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলো ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
যেমন:
- এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- সাধারণ পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ইত্যাদি।
- তারিখ পূরণবাচক: পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক: আধ, সাড়ে পোয়া, দেড় আড়াই তেহাই, চৌথ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১২.
ধারাবাহিকতা বোঝাতে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ধামা ধামা ধান।
  2. রাশি রাশি ধান।
  3. আমি জ্বর জ্বর বোধ করছি।
  4. তুমি বাড়ি বাড়ি হেঁটে চাঁদা তুলেছ।
ব্যাখ্যা

বিশেষ্য শব্দযুগলের বিশেষণ রূপে ব্যবহার:
আধিক্য বোঝাতে: রাশি রাশি ধান, ধামা ধামা ধান।
সামান্য বোঝাতে: আমি জ্বর জ্বর বোধ করছি।
ধারাবাহিকতা বোঝাতে: তুমি বাড়ি বাড়ি হেঁটে চাঁদা তুলেছ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৩.
কোন শব্দে স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. পৌষ
  2. কাষ্ঠ
  3. ওষ্ঠ
  4. উৎকৃষ্ট
ব্যাখ্যা

কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত হয়।
যেমন -
- ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ঊষা, পৌষ, পাষাণ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
. 'ঋ' এবং 'ঋ-কার' এর পর 'ষ' হয়।
যেমন:
- ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট ইত্যাদি।

. ট-বর্গীয় ধ্বনির সাথে 'ষ' যুক্ত হয়।
যেমন:
- কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৪.
কোন পদাশ্রিত নির্দেশকটি বচনবাচক শব্দটির আগে বসে?
  1. গোটা
  2. টুকু
  3. টুক
  4. টো
ব্যাখ্যা

'গোটা' পদাশ্রিত নির্দেশকটি বচনবাচক শব্দটির আগে বসে এবং খানা, খানি পরে বসে। এগুলো নির্দেশক ও অনির্দেশক দুই অর্থেই প্রযোজ্য। 'গোটা' শব্দ আগে বসে এবং সংশ্লিষ্ট পদটি নির্দিষ্টতা না বুঝিয়ে অনির্দিষ্টতা বোঝায়।

যেমন:
- গোটা দেশই ছারখার হয়ে গেছে।
- গোটাদুই কমলালেবু আছে (অনির্দিষ্ট)।
- দুখানা কম্বল চেয়েছিলাম (নির্দিষ্ট)।
- গোটাসাতেক আম এনো।
- একখানা বই কিনে নিও (অনির্দিষ্ট)।

অন্যদিকে,
- টাক, টুক, টুকু, টো ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক নির্দিষ্টতা ও অনির্দিষ্টতা উভয় অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
পোয়াটাক দুধ দাও (অনির্দিষ্টতা)।
- সবটুকু ওষুধই খেয়ে ফেলো (নির্দিষ্টতা)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

১৫.
"আনী" প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. দুঃখিনী
  2. মায়াবিনী
  3. যোগিনী
  4. শূদ্রানী
ব্যাখ্যা

"আনী" প্রত্যয়যোগে গঠিত সংস্কৃত স্ত্রীবাচক শব্দ হলো:
- ইন্দ্র-ইন্দ্রানী,
- মাতুল-মাতুলানী,
- শূদ্র-শূদ্রানী ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
ঈনী এবং নী প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:
- মায়াবী-মায়াবিনী,
- কুহক-কুহকিনী,
- যোগী-যোগিনী,
- মেধাবী-মেধাবিনী,
- দুঃখী-দুঃখিনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।

১৬.
কোন শব্দে স্বভাবতই 'ণ' ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ঘণ্টা
  2. বেণু
  3. ঋণ
  4. উষ্ণ
ব্যাখ্যা

• কতকগুলো শব্দে স্বভাবতই ‘ণ’ হয়।
যেমন:
- চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, কণিকা, স্থাণু, ফণী, পিণাক ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• ‘ণ’ ব্যবহারের নিয়ম:
- ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় 'ণ' ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- ঘণ্টা, কাণ্ড ইত্যাদি।

• ঋ, র, ষ - এর পরে 'ণ' হয়।
যেমন:
- ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ব্যাকরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৭.
কোন বাক্যটি অব্যয় পদের দ্বিরুক্তি নয়?
  1. বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর।
  2. ফোঁড়াটা টন টন করছে।
  3. বার বার সে কামান গর্জে উঠল।
  4. এদিকে রোগীর তো যায় যায় অবস্থা।
ব্যাখ্যা

অব্যয় পদের দ্বিরুক্তি:

যেমন:
১. ভাবের গভীরতা বোঝাতে: সবাই হায় হায় করতে লাগল। ছি ছি, তুমি এত খারাপ!
২. পৌনঃপুনিকতা বোঝাতে: বার বার সে কামান গর্জে উঠল।
৩. অনুভূতি বা ভাব বোঝাতে: ভয়ে গা ছম ছম করছে। ফোঁড়াটা টন টন করছে।
৪. বিশেষণ বোঝাতে: পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটির মিটির।
৫. ধ্বনিব্যঞ্জনা: ঝির ঝির করে বাতাস বইছে। বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর।

অন্যদিকে,
ক্রিয়াবাচক পদের দ্বিরুক্তি:
বিশেষণ রূপে - এদিকে রোগীর তো যায় যায় অবস্থা। তোমার নেই নেই ভাব গেল না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৮.
"নিষ্কর" শব্দটি কোন সন্ধিতে গঠিত?
  1. স্বর
  2. ব্যঞ্জন
  3. বিসর্গ
  4. নিপাতনে সিদ্ধ
ব্যাখ্যা

• 'নিষ্কর' এর সন্ধি বিচ্ছেদ - নিঃ + কর। এটি একটি বিসর্গ সন্ধি।

সন্ধির নিয়ম:
- অঘোষ অল্পপ্রাণ ও অঘোষ মহাপ্রাণ কণ্ঠ্য কিংবা ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন (ক, খ, প, ফ) পরে থাকলে অ বা আ ধ্বনির পরস্থিত বিসর্গ স্থলে অঘোষ দন্ত্য শিশ ধ্বনি (স্) হয় এবং অ বা আ ব্যতীত অন্য স্বরধ্বনির পরস্থিত বিসর্গ স্থলে অঘোষ মূর্ধন্য শিশু ধ্বনি (ষ) হয়।

যেমন: 
- নমঃ + কার = নমস্কার,
- পদঃ + খলন = পদস্খলন, 
- নিঃ + কর = নিষ্কর, 
- দুঃ + কর = দুষ্কর।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৯.
কোনটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের উদাহরণ?
  1. ঠুকঠুক
  2. মোটাসোটা
  3. অল্পস্বল্প
  4. জ্বর জ্বর
ব্যাখ্যা

ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব:
- কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব বলে।

যেমন:
- টুং টুং,
- ঠুকঠুক,
- শোঁ শোঁ,
- খক খক,
- দুম দুম।

অন্যদিকে:
অনুকার দ্বিত্ব: - মোটাসোটা, অল্পস্বল্প।
পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব: - জ্বর জ্বর।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

২০.
নিচের কোনটি বস্তুবাচক বা অপ্রাণীবাচক শব্দের সঙ্গে ব্যবহৃত বহুবচন বোধক শব্দ?
  1. পাল
  2. যূথ
  3. গুচ্ছ
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা

বস্তুবাচক বা অপ্রাণীবাচক শব্দের সঙ্গে ব্যবহৃত বহুবচন বোধক শব্দ-
- আবলি - পুস্তকাবলি।
- গুচ্ছ - কবিতাগুচ্ছ।
- পুঞ্জ - মেঘপুঞ্জ।
- মালা - পর্বতমালা।
- রাজি - তারকারাজি।

অন্যদিকে,
'পালযূথ' শব্দ দুটি কেবল জন্তুর বহুবচনে ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- হস্তিযূথ মাঠের ফসল নষ্ট করেছে।
- রাখাল গরুর পাল লয়ে যায় মাঠে। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২১.
"সারঙ্গ" শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. সাৎ + অঙ্গ
  2. সারঃ + অঙ্গ
  3. সার + অঙ্গ
  4. সাধ্‌ + অঙ্গ
ব্যাখ্যা

নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি:
- সন্ধির প্রচলিত নিয়ম না মেনে যে সন্ধি হয় তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
 
যেমন:
- সার + অঙ্গ = সারঙ্গ,
- গো + অক্ষ = গবাক্ষ,
- প্র + এষণ = প্রেষণ,
- কুল + অটা = কুলটা,
- পর + পর = পরস্পর ইত্যাদি।
 
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২২.
জাতিসংঘের ঘোষণাপত্রে 'জাতিসংঘ' শব্দটির প্রথম আনুষ্ঠানিক ব্যবহার করেছিলেন কে?
  1. ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
  2. পেরেজ দ্য কুয়েলার
  3. লর্ড র‍্যান্ডলফ চার্চিল 
  4. উইনস্টন লিওনার্ড স্পেন্সার চার্চিল
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘের ঘোষণাপত্র
⇒ ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন এবং সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের ইউনিয়ন (ইউএসএসআর) সহ অক্ষশক্তির সাথে যুদ্ধরত ছাব্বিশটি রাষ্ট্র আটলান্টিক সনদে অন্তর্ভুক্ত একটি নথিতে উদ্দেশ্য ও নীতির সাধারণ কর্মসূচিতে স্বাক্ষর করে, যা 'জাতিসংঘের ঘোষণাপত্র' নামে পরিচিত হয়।

- পরবর্তী সময়ে আরও একুশটি রাষ্ট্র সেই ঘোষণাপত্র মেনে চলে।

⇒ জাতিসংঘের ঘোষণাপত্রে 'জাতিসংঘ' শব্দটির প্রথম আনুষ্ঠানিক ব্যবহার ছিল। 'জাতিসংঘ' নামটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট দ্বারা প্রবর্তিত হয়েছিল।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

২৩.
জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশের প্রথম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি কে?
  1. রাবাব ফাতিমা
  2. ইসমাত জাহান
  3. দিলরুবা জামান
  4. ইসমাত আরা চৌধুরি
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম স্থায়ী প্রতিনিধি- জনাব এস এ করিম (১৮ সেপ্টেম্বর-১৯৭৪)।
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশের বর্তমান স্থায়ী প্রতিনিধি- সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী 
- জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশের প্রথম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি- ইসমাত জাহান।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েব সাইট এবং প্রথম আলো।

২৪.
জাতিসংঘ সনদের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হওয়া জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা কতটি?
  1. পাঁচটি
  2. ছয়টি
  3. চারটি
  4. তিনটি
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- জাতিসংঘ সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।

অন্যদিকে -
- জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
-  ১৯৪৫ সালে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় এগুলি জাতিসংঘ সনদের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
• সাধারণ পরিষদ
• নিরাপত্তা পরিষদ
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত
• অছি পরিষদ ও
• জাতিসংঘ সচিবালয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

২৫.
জাতিসংঘের কোন সংস্থা সর্বপ্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করে?
  1. UNICEF
  2. ILO
  3. UNHCR
  4. IPCC
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘের  সর্বপ্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করে- UNHCR

⇒  জাতিসংঘ, এর বিশেষায়িত সংস্থা, তহবিল, কর্মসূচি, সংশ্লিষ্ট সংস্থা এবং কর্মীরা সব মিলিয়ে, মোট বারো বার মর্যাদাপূর্ণ নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছে।
- জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশনার (UNHCR) ১৯৫৪ এবং ১৯৮১ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছে।
- জাতিসংঘের মহাসচিবদের মধ্যে দুই মহাসচিব (২০০১), কফি আনান এবং ড্যাগ হ্যামারস্কজোল্ড (১৯৬১) নোবেল পুরস্কার পান।
- বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) কে ২০২০ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।
- ২০১৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার "রাসায়নিক অস্ত্র নির্মূলে ব্যাপক প্রচেষ্টার জন্য" রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থাকে প্রদান করা হয়েছে।
- ২০০৭ সালে " আন্তঃসরকারি প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (IPCC) এবং অ্যালবার্ট আর্নল্ড (আল) গোর জুনিয়রকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। 
- নোবেল কমিটি IAEA এবং এর মহাপরিচালক মোহাম্মদ এলবারাদেইকে ২০০৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রাপক হিসেবে নির্বাচিত করে।
- ১৯৮৮ - জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করে।
- ১৯৬৯ - আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) কে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ১৯৬৫ - জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) কে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

২৬.
কোন গাছটিকে জাতিসংঘের প্রতীকে উল্লেখ করা হয়?
  1. খেজুর গাছ
  2. পাম গাছ
  3. জলপাই গাছ
  4. ম্যাপল গাছ
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘের প্রতীক নকশা :
- ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সংস্থার সম্মেলনের সময় ডিজাইনারদের একটি দল জাতিসংঘের মূল প্রতীকটি তৈরি করেছিল। - নকশা দলের নেতৃত্বে ছিলেন অলিভার লিংকন লুন্ডকুইস্ট।

⇒ জাতিসংঘের প্রতীকটি "উত্তর মেরুর উপর কেন্দ্রীভূত একটি আজিমুথাল সমদূরবর্তী প্রক্ষেপণকে প্রতিনিধিত্ব করে এমন একটি মানচিত্র হিসাবে ডিজাইন করা হয়েছিল, যা জলপাই গাছের ক্রস করা প্রচলিত শাখাগুলির সমন্বয়ে গঠিত একটি পুষ্পস্তবকের মধ্যে খোদাই করা হয়েছিল, ধোঁয়াটে নীল রঙের একটি মাঠে সোনালী রঙে এবং সমস্ত জল অঞ্চল সাদা রঙে।

- মানচিত্রের প্রক্ষেপণটি ৬০ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত এবং পাঁচটি সমকেন্দ্রিক বৃত্ত অন্তর্ভুক্ত করে"। 

- "জাতিসংঘের নীল" রঙটিও এই সময়ে বেছে নেওয়া হয়েছিল এবং এটি সংস্থার চাক্ষুষ পরিচয়ের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। নীল রঙ যুদ্ধের জন্য লালের বিপরীতে শান্তির প্রতিনিধিত্ব করে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

২৭.
ব্রেটনের উডস সম্মেলনের স্থান ছিল কোনটি?
  1. নিউইয়র্ক
  2. নিউ হ্যাম্পশায়ার
  3. নিউ জার্সি
  4. নর্থ ক্যারোলিনা
ব্যাখ্যা

• ব্রেটনের উডস সম্মেলন:
⇒ ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার এক বছর আগে - নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডসের মাউন্ট ওয়াশিংটন হোটেলে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের মুদ্রা ও আর্থিক সম্মেলনে ৪৪টি দেশের প্রতিনিধিরা মিলিত হন । 
- এই সম্মেলনের লক্ষ্য ছিল যুদ্ধোত্তর আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং পুনর্গঠনের কাঠামো তৈরি করা।
- সম্মেলনে বুদ্ধিজীবী নেতারা ছিলেন জন মেনার্ড কেইনস (যুক্তরাজ্যে ট্রেজারি উপদেষ্টা) এবং হ্যারি ডেক্সটার হোয়াইট (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ট্রেজারি সহকারী সচিব)।

⇒ যদিও সম্মেলনের ফলে দুটি প্রতিষ্ঠান গঠিত হয়েছিল, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এবং পুনর্গঠন ও উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক ব্যাংক (World Bank)।

- হ্যারি ডেক্সটার হোয়াইটের নেতৃত্বে IMF কমিশনের উপর বেশিরভাগ সময় এবং প্রচেষ্টা ব্যয় করা হয়েছিল। 
- অন্যদিকে, বিশ্বব্যাংক কমিশনের কাজ কেবল সম্মেলনের শেষ কয়েক দিনেই হয়েছিল।

 ⇒  এর চুক্তির ধারাগুলি - মূলত জন মেনার্ড কেইনস দ্বারা খসড়া করা হয়েছিল - যুদ্ধে বিধ্বস্ত দেশগুলির অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং উন্নয়নশীল দেশগুলির অর্থনৈতিক উন্নয়ন বৃদ্ধি করা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েব সাইট।

২৮.
জাতিসংঘের ঘোষণাপত্রের মূল স্বাক্ষরকারী দেশ কতটি ছিল?
  1. ৪৫টি
  2. ২৬টি
  3. ৩৩টি
  4. ২৭টি
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘের ঘোষণাপত্র:
⇒ ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন এবং সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের ইউনিয়ন (ইউএসএসআর) সহ অক্ষশক্তির সাথে যুদ্ধরত ছাব্বিশটি রাষ্ট্র আটলান্টিক সনদে অন্তর্ভুক্ত একটি নথিতে উদ্দেশ্য ও নীতির সাধারণ কর্মসূচিতে স্বাক্ষর করে, যা 'জাতিসংঘের ঘোষণাপত্র' নামে পরিচিত হয়।

- পরবর্তী সময়ে আরও একুশটি রাষ্ট্র সেই ঘোষণাপত্র মেনে চলে।

⇒ জাতিসংঘের ঘোষণাপত্রে 'জাতিসংঘ' শব্দটির প্রথম আনুষ্ঠানিক ব্যবহার ছিল। 'জাতিসংঘ' নামটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট দ্বারা প্রবর্তিত হয়েছিল।

• জাতিসংঘের ঘোষণাপত্রের মূল স্বাক্ষরকারীরা:
- মূল ছাব্বিশটি স্বাক্ষরকারী দেশ ছিল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের ইউনিয়ন, চীন, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা, কোস্টারিকা, কিউবা, চেকোস্লোভাকিয়া, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, এল সালভাদর, গ্রীস, গুয়াতেমালা, হাইতি, হন্ডুরাস, ভারত, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, নিকারাগুয়া, নরওয়ে, পানামা, পোল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকার ইউনিয়ন, যুগোস্লাভিয়া

উল্লেখ্য,
⇒ জাতিসংঘের সনদে স্বাক্ষরকারী দেশ - ৫১ টি।

উৎস: UN ওয়েবসাইট। 

২৯.
বিশ্বব্যাংকের অঙ্গসংস্থা নয়- 
  1. IFC
  2. IDB
  3. ICSID
  4. IDA
ব্যাখ্যা

• বিশ্বব্যাংকের অঙ্গসংস্থা নয় - IDB.

⇒ ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (IDB) একটি বহুপাক্ষিক উন্নয়ন অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান, যা মূলত সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতি এবং সদস্য নন এমন দেশগুলোর মুসলিম সম্প্রদায়ের উন্নয়নের জন্য সম্পদ সংগ্রহ ও ব্যবহার করে থাকে। এটি ইসলামী শরিয়াহ্‌র নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হয়।ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, ২২টি সদস্য দেশ কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও অনুমোদিত চুক্তির (Articles of Agreement) মাধ্যমে।

বিশ্বব্যাংক ৫ টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত
প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: 
1. International Bank for Reconstruction and Development (IBRD)
2. International Finance Corporation (IFC)
3. Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA)
4 International Center for Settlement of Investment Disputes (ICSID)
5.International Development Association (IDA)

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েব সাইট।

৩০.
জাতিসংঘ সনদ কত তারিখে সর্বসম্মতিক্রমে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫
  2. ২৬ জুন, ১৯৪৫
  3. ২৫ এপ্রিল, ১৯৪৫
  4. ১০ নভেম্বর, ১৯৪৫
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ সনদ:
- জাতিসংঘের সনদ হল জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাতা দলিল। 
- এটি ২৬ জুন ১৯৪৫ সালে সান ফ্রান্সিসকোতে আন্তর্জাতিক সংস্থা সংক্রান্ত জাতিসংঘ সম্মেলনের সমাপ্তিতে স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে কার্যকর হয়।

⇒ জাতিসংঘ তার অনন্য আন্তর্জাতিক চরিত্র এবং তার সনদে প্রদত্ত ক্ষমতার কারণে বিভিন্ন বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে পারে, যা একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই, জাতিসংঘ সনদ আন্তর্জাতিক আইনের একটি হাতিয়ার এবং জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলি এর দ্বারা আবদ্ধ। জাতিসংঘ সনদ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রধান নীতিগুলিকে সংহিতাবদ্ধ করে, রাষ্ট্রগুলির সার্বভৌম সমতা থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক সম্পর্কে বল প্রয়োগ নিষিদ্ধকরণ পর্যন্ত।

- ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর থেকে, জাতিসংঘ সনদ ১৯৬৩, ১৯৬৫ এবং ১৯৭৩ সালে তিনবার সংশোধন করা হয়েছে।
- জাতিসংঘ সনদের অধ্যায়-১৯টি।
- ধারা মোট- ১১১টি।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৩১.
IBRD এর পূর্ণরূপ কী?
  1. International Business and Research Division
  2. International Bank for Reconstruction and Development
  3. International Board for Regional Development
  4. International Bureau for Resources and Development
ব্যাখ্যা

- IBRD সাধারণত বিশ্বব্যাংক নামে পরিচিত।
- IBRD এর পূর্ণরূপ হলো: International Bank for Reconstruction and Development.
- ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে IBRD এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ পুনর্গঠনে সহায়তা করার জন্য ১৯৪৪ সালে প্রতিষ্ঠিত, IBRD,
- এর সদস্যদেশ- ১৮৯টি।

• বিশ্বব্যাংক গ্রুপ:

- তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৬ সালের জুন মাসে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- Bretton Woods Institutions এর অন্তর্ভূক্ত প্রতিষ্ঠান দুটি।
- IMF ও World Bank ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে এ দুটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- তাই IMF ও IBRD এই দুটি প্রতিষ্ঠানকে ব্রেটন উডস জমজ বলা হয়।
- বিশ্বব্যাংক ৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত।
- প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:
1. International Bank for Reconstruction and Development (IBRD).
2. International Finance Corporation (IFC).
3. Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA).
4 International Center for Settlement of Investment Disputes (ICSID).
5. International Development Association (IDA).

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।

৩২.
জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা নয় কোনটি?
  1. ফরাসি
  2. জার্মান
  3. স্প্যানিশ
  4. রুশ
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা নয়- জার্মান ভাষা।

• জাতিসংঘ:

- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- জাতিসংঘ সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
-  ১৯৪৫ সালে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় এগুলি জাতিসংঘ সনদের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

⇒ জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ছয়টি:
• আরবি,
• চীনা,
• ইংরেজি, 
• ফরাসি, 
• রুশ,
• স্প্যানিশ।

• জাতিসংঘের কার্যকারী ভাষা দুটি:
- ইংরেজি।
- ফরাসি।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৩৩.
দক্ষিণ সুদান প্রজাতন্ত্রে জাতিসংঘ পরিচালিত শান্তিরক্ষা মিশন কোনটি?
  1. UNMOGIP 
  2. UNMISS
  3. UNISFA 
  4. UNDOF 
ব্যাখ্যা

• দক্ষিণ সুদান প্রজাতন্ত্রে জাতিসংঘ মিশন- UNMISS (United Nations Mission in South Sudan)
• ভারত ও পাকিস্তানে জাতিসংঘের সামরিক পর্যবেক্ষক দল- UNMOGIP (United Nations Military Observer Group in India and Pakistan)।
• সুদানের আবেই অঞ্চলের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় জাতিসংঘের আবেইয়ের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন নিরাপত্তা বাহিনী- UNISFA (United Nations Interim Security Force for Abyei.)।
• গোলান অবস্থিত সিরিয়া - ইসরায়েলের জন্যে জাতিসংঘের বিচ্ছিন্নতা পর্যবেক্ষক বাহিনী- UNDOF (United Nations Disengagement Observer Force)।

উল্লেখ্য,
⇒ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম ১৯৪৮ সালে শুরু হয় যখন নিরাপত্তা পরিষদ ১৯৪৮ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ ও বজায় রাখার জন্য জাতিসংঘের সামরিক পর্যবেক্ষকদের মোতায়েনের অনুমোদন দেয়। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছিল জাতিসংঘের যুদ্ধবিগ্রহ তদারকি সংস্থা (UNTSO- United Nations Truce Supervision Organization)। তারপর থেকে, জাতিসংঘ সারা বিশ্বে ৫৭টি মিশন মোতায়েন করেছে, যার মধ্যে ১১টি চলমান রয়েছে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৩৪.
সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে কতটি দেশ অংশগ্রহণ করেছিলো?
  1. ৫০টি
  2. ৫১টি
  3. ৪৭টি
  4. ৫৩টি
ব্যাখ্যা

• সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন:
- এ সম্মেলনের জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল - ২৬ জুন পর্যন্ত সান ফ্রান্সিসকো, যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশক্তির মধ্যে সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
- এই সম্মেলনে ৫০টি দেশ অংশগ্রহণ করেছিল।

⇒ এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠন করা, যা যুদ্ধ এবং সংঘাত প্রতিরোধ করবে এবং বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখবে। 
- সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫০টি দেশ অংশগ্রহণ করে এবং তারা জাতিসংঘের সংবিধান বা চার্টার অনুমোদন করে।
- এই সম্মেলনে প্রধানভাবে মিত্র শক্তি বা Allied Powers-এর ৫০টি দেশ অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল: যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, ব্রিটেন, চীন, ফ্রান্স।
- ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যসহ অধিকাংশ প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্র জাতিসংঘ সনদ অনুমোদন করে এবং একে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সেজন্য ২৪শে অক্টোবর জাতিসংঘের জন্ম দিনকে সারা বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৩৫.
জাতিসংঘ সনদের কতনং ধারা সংশোধনীর মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১১ থেকে ১৫-তে বর্ধিত করা হয়?
  1. ৬১ ধারা
  2. ২৭ ধারা
  3. ১২ ধারা
  4. ২৩ ধারা
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ সনদ:
- জাতিসংঘের সনদ হল জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাতা দলিল। 
- এটি ২৬ জুন ১৯৪৫ সালে সান ফ্রান্সিসকোতে আন্তর্জাতিক সংস্থা সংক্রান্ত জাতিসংঘ সম্মেলনের সমাপ্তিতে স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে কার্যকর হয়।
- জাতিসংঘ সনদের অধ্যায়-১৯টি।
- ধারা মোট- ১১১টি।
- ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর থেকে, জাতিসংঘ সনদ ১৯৬৩, ১৯৬৫ এবং ১৯৭৩ সালে তিনবার সংশোধন করা হয়েছে।

⇒ সনদের ২৩, ২৭ ও ৬১ ধারা-সম্পর্কিত সংশোধনীগুলো সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ১৯৬৩ সালে ১৭ ডিসেম্বর গৃহীত হয় এবং ১৯৬৫ সালের ৩১ আগস্ট কার্যকর হয়। 

⇒ ৬১ ধারা-সংক্রান্ত অন্য একটি সংশোধনী সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ১৯৭১ সালের ২০ ডিসেম্বর গৃহীত হয় এবং ১৯৭৩ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বলবৎ হয়। ১০৯ ধারার যে সংশোধনীটি সাধারণ পরিষদে ১৯৬৫ সালের ২০ ডিসেম্বর গৃহীত হয় তা ১৯৬৮ সালের ১২ জুন বাস্তবায়িত হয়।

⇒ ২৩ ধারার সংশোধনীটি নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১১ থেকে ১৫-তে বর্ধিত করে।
- সংশোধিত ২৭ ধারা অনুযায়ী পদ্ধতিগত বিষয়াদির ব্যাপারে নিরাপত্তা পরিষদ নয়টি (আগে সাতটি) সদস্যের ইতিবাচক ভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেবে এবং অন্য সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বেলায় পরিষদের পাঁচটি স্থানীয় সদস্যের সমর্থনসূচক ভোট ওই নয়টি সদস্যের ইতিবাচক ভোটের অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

⇒ ৬১ ধারার যে সংশোধনটি ১৯৬৫ সালের ৩১ আগস্ট থেকে কার্যকরী হয় তা অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৮ থেকে ২৭-এ উন্নীত করে। ওই ধারার পরবর্তী সংশোধনীটি ১৯৭৩ সালে ২৪ সেপ্টেম্বর কার্যকর হয় এবং সে অনুযায়ী ওই পরিষদের সদস্য সংখ্যা আরও বর্ধিত করে ২৭ থেকে ৫৪-তে উন্নীত হয়।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৩৬.
World Trade Organization (WTO)-এর বর্তমান মহাপরিচালক কে?  (ডিসেম্বর, ২০২৫)
  1. এনগোজি ওকোনজো-ইওয়েলা
  2. রবার্তো অ্যাজেভেডো
  3. মাইক মুর
  4. পাসকাল ল্যামি
ব্যাখ্যা

 WTO:
- পূর্ণরূপ: World Trade Organization (WTO) বা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা।
-  GATT এর উত্তরসূরি WTO.
- WTO এর পূর্বনাম: General Agreement on Tariffs and Trade (GATT)
- ১৯৪৭ সালে GATT প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৪৮ সালে কার্যকর হয়।
- GATT ১ জানুয়ারী, ১৯৯৫ সালে WTO-তে রুপান্তরিত হয়।
- সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান World Trade Organization (WTO)-এর মহাপরিচালক- এনগোজি ওকোনজো-ইওয়েলা   (ডিসেম্বর, ২০২৫)।
- বর্তমান সদস্য ১৬৬ টি। (ডিসেম্বার, ২০২৫)
- WTO প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে।
- WTO-এর সর্বশেষ রাউন্ড হল দোহা রাউন্ড (২০০১ সাল থেকে)।

উৎস: WTO ওয়েবসাইট।

৩৭.
নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের 'ভেটো ক্ষমতা' (Veto Power) নির্ধারিত হয় কোন সম্মেলনে?
  1. তেহরান সম্মেলন
  2. মস্কো সম্মেলন
  3. আটলান্টিক সম্মেলন
  4. ইয়াল্টা সম্মেলন
ব্যাখ্যা

ইয়াল্টা সম্মেলন:
- ১৯৪৫ সালের ৪-১১ ফেব্রুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টাতে মিত্র পক্ষের এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয় যখন সুনিশ্চিত তখন মিত্রপক্ষীয় তিন রাষ্ট্রপ্রধান রুজভেল্ট, চার্চিল ও স্ট্যালিন ক্রিমিয়ার ইয়াল্টা প্রদেশে এক বৈঠকে মিলিত হন। সেখানে তাঁদের মধ্যে আন্তর্জাতিক সমস্যা সম্পর্কে আলোচনা হয়।
- যা জাতিসংঘ গঠনের ইতিহাসে 'Yalta Conference' নামে পরিচিত।
- এই সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের 'ভেটো ক্ষমতা' (Veto Power) নির্ধারিত হয়।
- এটি ক্রিমিয়া সম্মেলন নামেও পরিচিত।

এই সম্মেলনের প্রধান বিষয়:
- বিশ্বশান্তির জন্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গঠন,
- জার্মানির ভাগ্য নির্ধারণ,
- পোল্যান্ডের ভবিষ্যত সমস্যার সমাধানকল্পে আলোচনা।

উৎস: History.com,  UN ওয়েবসাইট।

৩৮.
ICSID-এর মূল লক্ষ্য কী?
  1. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি তৈরি করা
  2. আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তি করা
  3. আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রণ করা
  4. জাতিসংঘের শরণার্থী নীতি প্রয়োগ করা
ব্যাখ্যা

ICSID:
- ICSID (International Centre for Settlement of Investment Disputes) হলো বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পুঁজি বিনিয়োগজনিত বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে।
- ICSID ১৯৬৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ICSID এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসি তে অবস্থিত।
- এর সদস্য সংখ্যা ১৫৮টি দেশ।
- বাংলাদেশ ICSID এর সদস্য পদ লাভ করে ১৯৮০ সালে।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।

৩৯.
আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (ICJ)-এর বিচারকদের মেয়াদকাল কত বছর?
  1. ৭ বছর
  2. ৯ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (ICJ):
- প্রতিষ্ঠিত: ১৯৪৫ সাল।
- প্রধান কার্যালয়: পিস প্যালেস, হেগ, নেদারল্যান্ডস।
- সদস্য রাষ্ট্র: জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য রাষ্ট্র।
- জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ হিসেবে কাজ করে।
- আদালতের সিদ্ধান্ত বাধ্যতামূলক হলেও এর বাস্তবায়ন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের উপর নির্ভরশীল।
- প্রথম বিচারিক কার্যক্রম: ১৯৪৭ সালে যুক্তরাজ্য বনাম আলবেনিয়া (করফু চ্যানেল মামলা)।
- ১৯৪৫: সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলনে জাতিসংঘ সনদের সাথে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতের (ICJ) গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- ১৯৪৬: PCIJ আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয় এবং ICJ কার্যক্রম শুরু করে।
- প্রথম প্রধান বিচারপতি: Judge IWASAWA Yuji, জাপান। ( ডিসেম্বর ২০২৫)।
- বিচারপতি সংখ্যা: ১৫ (জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে নির্বাচিত)।
- মেয়াদকাল: ৯ বছর (পুনঃনির্বাচিত হতে পারেন)।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ মামলা:
- করফু চ্যানেল মামলা (১৯৪৭) – যুক্তরাজ্য বনাম আলবেনিয়া।
- নিকারাগুয়া বনাম যুক্তরাষ্ট্র (১৯৮৬) – আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।
- রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলা (২০২০) গাম্বিয়া বনাম মিয়ানমার।

উৎস: ICJ ওয়েবসাইট।

৪০.
IMF তার কার্যক্রম শুরু করে কত সালে?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৪৩ সালে
  4. ১৯৪৪ সালে
ব্যাখ্যা

International Monetary Fund (IMF)
- ১৯৪৪ সালের ১-২২ জুলাই অনুষ্ঠিত ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৭ সালের ১ মার্চ থেকে IMF তার কার্যক্রম শুরু করে।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IMF এর সদস্যপদ লাভ করে।
- IMF এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯১টি।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- IMF এর প্রধান কাজ হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।
- মুদ্রার বিনিময় হার রক্ষা ও মুদ্রার অবমূল্যায়ন রোধ করা।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।

৪১.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সফরে আসেন জাতিসংঘের কোন মহাসচিব?
  1. কফি আনান
  2. কুর্ট ওয়াল্ডহেইম
  3. বান কি মুন
  4. পেরেজ দ্য কুয়েলার
ব্যাখ্যা

• কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম:
- জাতিসংঘের চতুর্থ মহাসচিব ছিলেন অস্ট্রিয়ার কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম।
- তার সময়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। 
- ১৯৭৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘ মহাসচিব কুর্ট ওয়াল্ডহেইম বাংলাদেশ সফরে আসেন 
- এবং যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। 

• পেরেজ ডি কুয়েলার:

- পেরেজ ডি কুয়েলার ছিলেন জাতিসংঘের ৫ম মহাসচিব।
- তিনি ১৯৮২ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

• বান কি-মুন (কোরিয়া প্রজাতন্ত্র)-   ২০০৭ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছিলেন;
• কফি আনান (ঘানা)-   জানুয়ারি ১৯৯৭ থেকে ডিসেম্বর ২০০৬ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছিলেন;

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৪২.
নিচের কোন সংস্থা সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করে থাকে?
  1. IBRD 
  2. MIGA
  3. IMF
  4. IDA
ব্যাখ্যা

• IDA:
- IDA-এর পূর্ণরূপ: International Development Association.
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, IDA তাদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করে থাকে।
- এজন্যে এটি Soft Loan Window নামে পরিচিত।
- IDA ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৫টি।
- সর্বশেষ সদস্য বুলগেরিয়া।
- IDA সদস্য দেশগুলোর যথাক্রমে বেসরকারি খাতের উন্নয়নে এবং বহুপাক্ষিক বিনিয়োগে গ্যারান্টি প্রদান করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IDA এর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ IDA থেকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য পায়।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।

৪৩.
জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি? (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. ফিলিস্তিন
  2. দক্ষিণ সুদান
  3. মোনাকো
  4. ভ্যাটিকান সিটি
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র- দক্ষিণ সুদান।(ডিসেম্বর-২০২৫)
- জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
- জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা ছয়টি।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৪৪.
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম কত সালে শুরু হয়?
  1. ১৯৪৯ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৪৬ সালে
  4. ১৯৪৪ সালে
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ শান্তিরক্ষার ইতিহাস:
- ১৯৪৮ সালের মে মাসে প্রতিষ্ঠিত, UNTSO ছিল জাতিসংঘ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত প্রথম শান্তিরক্ষা অভিযান।

⇒ তারপর থেকে, UNTSO সামরিক পর্যবেক্ষকরা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ, যুদ্ধবিরতি চুক্তি তত্ত্বাবধান, বিচ্ছিন্ন ঘটনা বৃদ্ধি রোধ এবং এই অঞ্চলে জাতিসংঘের অন্যান্য শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকে তাদের নিজ নিজ ম্যান্ডেট পূরণে সহায়তা করার জন্য অবস্থান করে আসছে।
-  সুয়েজ সংকট সমাধানের জন্য ১৯৫৬ সালে নিয়োজিত প্রথম জাতিসংঘের জরুরি বাহিনী (UNEF) প্রথম সশস্ত্র শান্তিরক্ষা অভিযান। 
-  জাতিসংঘ ৭০টিরও বেশি  শান্তিরক্ষা অভিযানে মোতায়েন করেছে।
- ১৯৮৮ সালে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীরা নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৪৫.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ জাতিসংঘের কোন সংস্থার সভাপতিত্ব পদ লাভ করে? (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. UNDP
  2. UNESCO
  3. ICJ
  4. UNICEF
ব্যাখ্যা

 The United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization (UNESCO)
-এটি হলো জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা।

- ১৯৪৫ সালের ১৬ নভেম্বর UNESCO এর সংবিধান স্বাক্ষরিত হয় যা কার্যকর হয় ১৯৪৬ সালের ৪ নভেম্বর।
- ইউনেস্কোর সদরদপ্তর ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাপরিচালক ফ্রান্সের আদ্রে আজুলে।
- ইউনেস্কোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি এবং সহযোগী সদস্য ১১টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২৭ অক্টোবর ইউনেস্কোতে যোগ দেয়।
- ইউনেস্কোতে ৪৩তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। (২০২৫ সালে)

- বাংলাদেশি হিসেবে সভাপতিত্ব করবেন ইউনেসকোতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি খন্দকার এম তালহা।

• জাতিসংঘের ও বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যে কোনো শান্তিকামী স্বাধীন দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে।
- ১৯৮৮ সালে ইরাক ও নামিবিয়া শান্তি মিশনে যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তি মিশন শুরু করে।
- ছাড়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করার পর থেকে বাংলাদেশ এই বিশ্ব সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়।
- ১৯৭৯-৮০ এ সময়ের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদে বাংলাদেশের নির্বাচন তার এ ভূমিকার স্বীকৃতি এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের আস্থার স্বাক্ষরবাহী।
- ১৯৮৪ সাল থেকে জাতিসংঘের কার্যপ্রণালিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার আমাদের জন্য খুবই গৌরবের।
- ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- তাঁর এই সভাপতি নির্বাচিত হওয়া বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের বিশেষ ভূমিকার কথাইস্মরণ করিয়ে দেয়।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই এবং জাতিসংঘ ওয়েব সাইট , ইউনেস্কো ওয়েবসাইট।