পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন৩২
সিলেবাস
পার্ট-১) ১) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা: রাজনৈতিক দলসমূহের গঠন, ভূমিকা ও কার্যক্রম, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের পারস্পরিক সম্পর্কাদি, সুশীল সমাজ ও চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ এবং এদের ভূমিকা। ২) বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা : আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ, আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার। ৩) বাংলাদেশের ইতিহাস: প্রাচীন যুগ: প্রাচীন বাংলার জনপদ, বিভিন্ন রাজ্য ও রাজবংশ। মধ্যযুগ: মুসলমান শাসন (দিল্লী সালতানাত, মুঘল আমল, সুলতানি আমল, নবাবী আমল ইত্যাদি)। পার্ট-২) পদার্থের অবস্থা, ভৌত রাশি এবং এর পরিমাপ, ভৌত বিজ্ঞানের উন্নয়ন, চৌম্বকত্ব, তরঙ্গ এবং শব্দ, তাপ ও তাপগতি বিদ্যা, আলোর প্রকৃতি, স্থির এবং চল তড়িৎ, আলোক যন্ত্রপাতি, তড়িৎ চৌম্বক, ট্রান্সফরমার, এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা ইত্যাদি। পার্ট–১ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, SSC & HSC বোর্ড বই, সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের সাইটের সাধারণ তথ্যাবলী। পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩২ প্রশ্ন

.
বাংলায় মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হলেন -
  1. ক) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. খ) বখতিয়ার খলজি
  3. গ) মুহম্মদ ঘুরী
  4. ঘ) শামসুদ্দিন ইলিয়াছ শাহ্‌
ব্যাখ্যা
- বাংলায় মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ-বিন-বখতিয়ার খলজি।
- তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি ১২০৪ সালে বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন।
- বাহরাম খানের বর্ম-রক্ষক ফখরুদ্দীন সোনারগাঁও-এ ক্ষমতা দখল করে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং সুলতান ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ উপাধি গ্রহণ করেন এবং তার হাত ধরে বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা হয়  যা দুশ বছর অব্যাহত ছিল (১৩৩৮-১৫৩৮)।   
- বাংলায় স্বাধীন সুলতানি যুগের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা হলেন শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ (১৩৪২-১৩৫৮ খ্রি.)।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহকে ‘শাহ-ই-বাঙ্গালাহ’’ এবং ‘সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ’ উপাধিতে ভূষিত করেন-
  1. ক) ইবনে বতুতা
  2. খ) শামস-ই-সিরাজ আফীফ
  3. গ) ইখতিয়ার উদ্দিন গাজী শাহ
  4. ঘ) ফিরোজ শাহ
ব্যাখ্যা
- লখনৌতি, সাতগাঁও এবং এর সাথে সোনারগাঁও অধিকার করে ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলার একচ্ছত্র অধিপতির মর্যাদা লাভ করেন।
- এ কারণে ঐতিহাসিক শামস-ই-সিরাজ আফীফ তাঁকে ‘শাহ-ই-বাঙ্গালাহ’’ এবং ‘সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ’ উপাধিতে ভূষিত করেন। 
- শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহকে বাংলার প্রথম প্রকৃত স্বাধীন সুলতান হিসেবে অভিহিত করা হয় ।
- ১৩৪৯ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁও টাকশাল থেকে ইখতিয়ার উদ্দিন গাজী শাহ নামাঙ্কিত মুদ্রা জারি করা হয়। 
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের রাজত্বকালে সুদূর আফ্রিকার মরক্কো থেকে ইবনে বতুতা নামে একজন মুসলিম পর্যটক ১৩৪৫- ৪৬ খ্রি. বাংলায় অসেন।

[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি, উন্মুক্ত]  
.
বাংলার কোন সুলতানের সাথে ইরানের কবি হাফিজের পত্রালাপ হয়েছিল?
  1. ক) জালালউদ্দিন মুহম্মদ শাহ
  2. খ) রুকনউদ্দিন বরবক শাহ
  3. গ) গিয়াসউদ্দীন আযম শাহ
  4. ঘ) আলাউদ্দীন হুসেন শাহ
ব্যাখ্যা
- সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ নিজে বিদ্বান ও কবি ছিলেন। তিনি বিদ্বান লোকদের খুব সমাদর করতেন। 
- মাঝে মাঝে তিনি আরবি ও ফারসি ভাষায় কবিতা লিখতেন। 
- পারস্যের বিখ্যাত কবি হাফিজের সঙ্গে তাঁর পত্রালাপ ছিল। একবার তিনি হাফিজের নিকট কবিতার একটি চরণ লিখে পাঠান এবং কবিতাটিকে পূর্ণ করার জন্য কবিকে অনুরোধ জানান। 
- তিনি তাঁকে বাংলায় আসার আমন্ত্রণও জানান। হাফিজ দ্বিতীয় চরণটি রচনা করে কবিতাটি পূর্ণ করে পাঠান। তিনি সুলতানের নিকট একটি গজলও লিখে পাঠান। গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ বাংলা সাহিত্যের উন্নতির ক্ষেত্রেও যথেষ্ট অবদান রাখেন। 
- তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় শাহ মুহম্মদ সগীর তাঁর বিখ্যাত কাব্য ‘ইউসুফ জোলেখা’ রচনা করেন। সম্ভবত সুলতান কৃত্তিবাসকেও বাংলায় রামায়ণ লেখার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া
.
কার শাসনামলে বাংলার রাজ্যসীমা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পায়?
  1. ক) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  2. খ) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  3. গ) নাসিরউদ্দিন নুসরত শাহ
  4. ঘ) শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
ব্যাখ্যা
- আলাউদ্দিন হুসেন শাহের সময় বাংলার রাজ্যসীমা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পায়। 
- হাবশি শাসকদের হটিয়ে সৈয়দ বংশীয় আলাউদ্দিন হোসেন শাহ কর্তৃক হোসেন শাহী রাজ বংশের শাসনের সূচনা হয়েছিল।
- সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহী যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান।
- তিনি আরাকানীদের চট্টগ্রাম থেকে বিতাড়িত করেন।
- হোসেন শাহের উৎসাহ ও পৃষ্ঠপোষকতায় মালাধরবসু ‘ভগবদ গীতা’, কৃত্তিবাস ‘রামায়ন’ সংস্কৃত থেকে বাংলায় অনুবাদ করেন। রামায়ন অনুবাদের জন্য হোসেন শাহ তাঁকে ‘গুনরাজ খাঁ’ উপাধি দেন।  

[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি, উন্মুক্ত]
.
কোন মুঘল সম্রাট গৌড়ের চমৎকার প্রাসাদ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে এর নামকরণ করেন ‘জান্নাতবাদ’ ?
  1. ক) সম্রাট হুমায়ুন
  2. খ) সম্রাট আকবর
  3. গ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
  4. ঘ) সম্রাট বাবর
ব্যাখ্যা
- গৌড়ের চমৎকার প্রাসাদ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে হুমায়ুন এর নামকরণ করেন ‘জান্নাতবাদ’ 
- হুমায়ুন ‘নাসির উদ্দিন মুহম্মদ হুমায়ুন’ নাম ধারণ করে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
- সম্রাট হুমায়ুনের রাজত্বকালকে দু’টি পর্বে বিভক্ত করা যায়। 
-প্রথম পর্বে ১৫৩০-১৫৪০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এবং 
-দ্বিতীয় পর্বে ১৫৫৫-১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ
- গুলবদন বেগম রচিত হুমায়ুনের ইতিহাস সম্বন্ধে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান উৎস গ্রন্থ। 
- ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দের ২৭ জানুয়ারি দিল্লিতে গ্রন্থাগারের সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে 
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড বই। 
.
বাংলা প্রদেশের শ্রেষ্ঠ সুবাহদার হিসেবে গণ্য করা হয় কাকে ?
  1. ক) ইসলাম খান চিশতি
  2. খ) শাহ সুজা
  3. গ) মীর জুমলা
  4. ঘ) শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
- সুবাদার ইসলাম খান চিশতিকে বাংলা প্রদেশের শ্রেষ্ঠ সুবাহদার হিসেবে গণ্য করা হয়।
- প্রকৃত নাম শেখ আলাউদ্দীন চিশতি। 
-  ১৬০৮ সালে সুবাদার জাহাঙ্গীর কুলি খানের মৃত্যুর পর সম্রাট জাহাঙ্গীর বিখ্যাত সুফি সেলিম চিশতীর দৌহিত্র ইসলাম খান চিশতী বাংলার সুবাদার নিয়োগ দেন । 
- ইসলাম খান ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় আসেন এবং  ঢাকাকে সুবাহ বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে এর নাম করেন  জাহাঙ্গীরনগর। 
- সম্রাট  জাহাঙ্গীর তাঁকে ইসলাম খান উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
- তিনি লোহার পুল নির্মান করেন এবং দোলাই খাল খনন করেন।
- বাংলার রাজধানী  ঢাকা থেকে  রাজমহলে স্থানান্তরিত করেন শাহ সুজা । 
- মুগল সম্রাটের কাছ থেকে মীর জুমলা  মুয়াজ্জম খান, খান-ই-খানান, সিপাহ সালার এবং ইয়ার-ই-ওয়াফাদারের মতো বিভিন্ন উপাধি লাভ করেছিলেন।
- বাংলায় সুবাহদার হিসেবে শায়েস্তা খানের কার্যকালের মেয়াদই দীর্ঘতম।

উৎস- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা - ৯ম - ১০ম শ্রেনি এবং বাংলাপিডিয়া । 
.
এলাহাবাদ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন কারা ?
  1. ক) সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম ও রবার্ট ক্লাইভ
  2. খ) ফররুখ শিয়ার ও রবার্ট ক্লাইভ
  3. গ) সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম ও হেস্টিংস
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- ভারতের উত্তর প্রদেশে অবস্থিত যেখানে ১২ আগস্ট, ১৭৬৫ সালে এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এতে স্বাক্ষর করেন মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম ও ইংরেজ প্রতিনিধি রবার্ট ক্লাইভ । 
- এই চুক্তির লেখক ছিলেন ইতিশাম উদ-দ্বীন । 
- এই চুক্তিতে অযোধ্যার নবাব সুজা-উল-দৌলা স্বাক্ষর প্রদান করেন ১৬ আগস্ট, ১৭৬৫ সালে । 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ।
.
সম্রাট শাহজাহানের সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি তাজমহল কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) ভাগীরথী
  3. গ) যমুনা
  4. ঘ) মেঘনা
ব্যাখ্যা
- যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত তাজমহল হচ্ছে সম্রাট তার প্রিয়তমা পত্নী মমতাজ মহলের স্মৃতিকে অমর করে রাখার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত। 
- বিশ হাজার দক্ষ শিল্পী ও কারিগর সুদীর্ঘ ২২ বছর যাবৎ এই সমাধিসৌধ নির্মাণ করেন। 
- সম্রাট নিজেই ছিলেন এর পরিকল্পনাকারী। 
- প্রধান স্থাপতি ছিলেন ইসফানদিয়ার রুমী ও মাস্টার ঈসা। 
- ভারতীয় ও পারসিক শিল্পকলার মিলন ঘটিয়ে তাজমহল নির্মিত হয়েছে। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ।
.
বিশ্বে প্রথম ন্যায়পাল ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় কোন দেশে ?
  1. ক) ফিনল্যান্ডে
  2. খ) ডেনমার্কে
  3. গ) নিউজিল্যান্ডে
  4. ঘ) সুইডেনে
ব্যাখ্যা
- সুইডিশ ভাষায় Ombudsman বা ন্যায়পাল বলতে এমন একজন সরকারি মুখপাত্র বা প্রতিনিধি কিংবা সরকারি কর্মকর্তাকে বোঝায় যিনি সরকারি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্ত করেন।  
- জবাবদিহিতামূলক পদ বা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৮০৯ সালে সুইডেনে প্রথম প্রবর্তিত হয় এবং ক্রমান্বয়ে অন্যান্য দেশে এই ব্যবস্থা চালু হয়। যেমন- 
ফিনল্যান্ডে ১৯১৯ সালে , ডেনমার্কে ১৯৫৫ সালে , নিউজিল্যান্ডে ১৯৬১ সালে , নরওয়েতে ১৯৬৩ সালে , গ্রেট ব্রিটেনে ১৯৬৭ সালে , অস্ট্রেলিয়ায় ১৯৭৩ সালে ।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ কর্তৃক ন্যায়পাল নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে।    

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের সংবিধান ।
১০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ৫৪-ধারা কী ?
  1. ক) ২৪ ঘন্টার বেশী আটক রাখা যাবে না
  2. খ) বিনা ওয়ারেন্টে পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার করার ক্ষমতা
  3. গ) এজাহার রেকর্ড করা
  4. ঘ) পুলিশ কর্তৃক জবানবন্দী গ্রহণ
ব্যাখ্যা
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় বলা হয়েছে, `যেকোনো পুলিশ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ বা পরোয়ানা ছাড়াই যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারেন।’
- ১৮৯৮ সালে ইংরেজরা সর্বপ্রথম এই আইন তৈরি করে। 
- ২৪ ঘন্টার বেশী আটক রাখা যাবে না - ৬১ ধারা ।
- এজাহার রেকর্ড করা - ১৫৪ ।
- পুলিশ কর্তৃক জবানবন্দী গ্রহণ- ১৬১ ।   
 
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পুলিশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এনং BLAST ।
১১.
পদাধিকার বলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যে প্রতিষ্ঠানের প্রধান-
  1. ক) জাতীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন পরিষদ
  2. খ) প্রশাসন সংস্কার ও বাস্তবায়ন কমিটি (NICAR)
  3. গ) জাতীয় পর্যটন পরিষদ
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
পদাধিকার বলে প্রধানমন্ত্রী যেসকল প্রতিষ্ঠানের প্রধান:-
-  ECNEC , NEC , BEZA , BEPZA  
- জাতীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন পরিষদ 
-  জাতীয় পর্যটন পরিষদ 
- জাতীয় পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি 
-  রপ্তানি সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি 
-  বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA)
- প্রশাসন সংস্কার ও বাস্তবায়ন কমিটি (NICAR)

তথ্যসূত্র: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ।
১২.
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতীক -
  1. ক) ক্রস চিহ্নিত ২ টি তরবারি ও উপরে কৌণিক অবস্থায় জাতীয় ফুল শাপলা
  2. খ) কাছি বেস্টিত নোঙ্গর ও এর উপরে শাপলা
  3. গ) উড়ন্ত ঈগল ও এর উপরে শাপলা
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতীক হচ্ছে- ক্রস চিহ্নিত ২ টি তরবারি ও উপরে কৌণিক অবস্থায় জাতীয় ফুল শাপলা
- স্লোগান- সমরে আমরা শান্তিতে আমরা সর্বত্র আমরা দেশের তরে ।
- বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতীক কাছি বেস্টিত নোঙ্গর ও এর উপরে শাপলা । 
- বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রতীক উড়ন্ত ঈগল ও এর উপরে শাপলা । 

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া ।  
১৩.
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভাগ কয়টি?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয় । 
- এর ২ টি বিভাগ রয়েছে - ১। জননিরাপত্তা বিভাগ এবং ২। সুরক্ষা বিভাগ 
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা সমূহের মধ্যে রয়েছে: বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ইত্যাদি।
- তবে যুদ্ধকালিন সময়ে বিজিবি সেনাবাহিনীর অধীনস্থ হয়।

(সূত্র: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)
১৪.
বাংলাদেশের প্রথম নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নাম-
  1. ক) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
  2. খ) লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি- এলডিপি
  3. গ) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল - বি.এন.পি
  4. ঘ) বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
ব্যাখ্যা
- ২০০৮ সালে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর ৪৪ টি দলকে নিবন্ধন দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরবর্তীতে আদালতের আদেশে এবং ইসির শর্ত পালনে ব্যর্থ হওয়ায় পাঁচটি দলের নিবন্ধন বাতিল করা হয়। 
- দেশে শতাধিক রাজনৈতিক দল সক্রিয় থাকলেও নিবন্ধিত দল মাত্র ৩৯টি। 
- ইসির তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রথম নিবন্ধিত দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি। 
- ২০০৮ সালের ২০ অক্টোবর নিবন্ধন পায় দলটি। 
- নিবন্ধন নম্বর- ১। দলটির নির্বাচনী প্রতীক ‘ছাতা’। 

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন । 
১৫.
বেলা (BELA) কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) দূর্নীতি বিরোধী
  2. খ) আইন ও সালিশ
  3. গ) পরিবেশ আইনজীবীদের সংগঠন
  4. ঘ) নারীদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বেসরকারি পরিবেশ আইনজীবীদের সংগঠন হলো বেলা (BELA) । 
- ১৯৯২ সালে মহিউদ্দীন ফারুক এটি প্রতিষ্ঠা করে । 
- নাইকোর বিরুদ্ধে মামলা করে টেংরাটিলা গ্যাসফিল্ডে বিস্ফোরনের কারণে ।
- আসক - আইন ও সালিশ কেন্দ্র 
- বাংলাদেশ মহিলা সমিতি নারীদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করার পাশাপাশি নারীদের বিভিন্ন আইনি বিষয়গুলিতেও সহায়তা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি করছে।

তথ্যসূত্র-  বাংলাপিডিয়া
১৬.
মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতাকারী রাজনৈতিক দল কোনটি?
  1. ক) পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি (তোয়াহা)
  2. খ) পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (মতিন)
  3. গ) জামায়াতে ইসলামী
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের কিছু রাজনৈতিক দল মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো। এগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি (তোয়াহা)
- পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (মতিন)
- জামায়াতে ইসলামী
- মুসলিম লীগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি। 
১৭.
স্মার্ট কার্ড কয় স্তরে নিরাপত্তা দিতে সক্ষম?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
- স্মার্ট কার্ড প্রস্তুত করে নির্বাচন কমিশন (সহায়তা দিয়েছিল ফ্রান্স) যার মেয়াদ ১০ বছর । 
- স্মার্ট কার্ড নিরাপত্তা দিবে ৩ স্তরে ২৫ ধরনের , সেবা দিবে ২২ ধরনের এবং তথ্য থাকে ৩২ ধরনের । - অন্যদিকে জাতীয় পরিচয়পত্রের মেয়াদ ছিল ১৫ বছর । 
- ছবিসহ ভোটার তালিকা ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রণয়ন কর্মসূচীর নাম – অপারেশন নবযাত্রা যা ২০০৭ সালে চালু হয় । 

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ।
১৮.
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) কোন মন্ত্রণালের অধীন?
  1. ক) গণপূর্ত বিভাগ
  2. খ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  3. গ) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে পল্লী উন্নয়ন বিষয়ে গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও প্রায়োগিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত একটি স্বায়ত্তশাসিত জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৫৯ সালে কুমিল্লা জেলার কোর্টবাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন আখতার হামিদ খান।
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির কার্যক্রম একটি বোর্ড অব গভর্নর্স কর্তৃক পরিচালিত হয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এ বোর্ডের চেয়ারম্যান।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
১৯.
কোন তত্ত্ব থেকে E=mc2 সূত্র আবিষ্কৃত হয়?
  1. ক) বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব
  2. খ) আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব
  3. গ) সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব
  4. ঘ) ওয়েব পার্টিকেল ডুয়ালিটি তত্ত্ব
ব্যাখ্যা
- আপেক্ষিক তত্ত্ব মূলত দুইভাগে বিভক্ত, যথা- আপেক্ষিকতার সাধারণ বা সার্বিক তত্ত্ব এবং আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব।
- আপেক্ষিকতার সাধারণ বা সার্বিক তত্ত্ব পরস্পরের তুলনায় ঊর্ধ্ব বা নিম্নগতিশীল বস্তুসমূহ বা সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করেছে। এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে।
- পক্ষান্তরে আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব শুধু পরস্পরের তুলনায় সমগতিতে সঞ্চরণশীল বা অসঞ্চরণশীল বস্তু বা সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- এটি সাধারণ তত্ত্বের একটি বিশেষ রূপ। এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯০৫ সালে। 
- অইিনস্টাইনের স্পেশাল থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকে আলাের বেগ যে স্থির কিংবা গতিশীল সব মাধ্যমে সমান তা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়।
- স্পেশাল থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকেই সর্বকালের সবচেয়ে চমকপ্রদ সূত্র E=mc2 বের হয়ে আসে, যেখানে দেখানাে হয় বস্তুর ভরকে শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান।
২০.
নিচের কোনটির মধ্যে চার্জ নেই?
  1. ক) গামা রশ্মি ও বিটা রশ্মি
  2. খ) আলফা রশ্মি ও এক্স-রে
  3. গ) এক্স-রে ও গামা রশ্মি
  4. ঘ) প্রোটন ও ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা
এক্স রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতিঃ
- এক্স-রশ্মি চার্জিত কোন কণার প্রবাহ নয়।

- এরা দৃশ্যমান আলোকের মতই তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।
- দৃশ্যমান আলো ও এক্স-রশ্মির প্রধান পার্থক্য এদের তরঙ্গদৈর্ঘ্যে।
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 7×10-7m  4 ×10-7m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10-8m থেকে 10-13m  পর্যন্ত।
- সাধারণ আলো বা দৃশ্যমান আলো অস্বচ্ছ পদার্থ ভেদ করতে পারে না।
- কিন্তু, এক্স-রশ্ম উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। এটি চামড়া, মাংস ইত্যাদি ভেদ করে যেতে পারে।

গামা রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতিঃ
১। গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ।
২। এই রশ্মি আলোর ন্যায় বেগে গতিশীল।
৩। এর কোনো চার্জ ও ভর নাই।
৪। এই রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না।
৫। এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে।
৬। এর আয়নিত করার ক্ষমতা আছে তবে বিটা রশ্মি অপেক্ষা কম।
৭। জিংক সালফাইডে গামা রশ্মি প্রতিপ্রভ সৃষ্টি করে।
৮। গামা রশ্মির প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যাতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
কোন প্রক্রিয়ার প্রতি স্তরে তাপ ও কাজের ফলাফল সমান ও বিপরীত হয়?
  1. ক) রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া
  2. খ) প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
  3. গ) শীতলীকরণ প্রক্রিয়া
  4. ঘ) অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া : যে প্রক্রিয়া বিপরীতমুখী হয়ে প্রত্যাবর্তন করে এবং সম্মুখবর্তী ও বিপরীতমুখী প্রক্রিয়ার প্রতি স্তরে তাপ
ও কাজের ফলাফল সমান ও বিপরীত হয়, সে প্রক্রিয়াকে প্রত্যাবর্তী বা প্রত্যাগামী প্রক্রিয়া বলে।

ধরি, কোনো একটি সিস্টেম এক পরিবেশে এক অবস্থা থেকে পরিবর্তিত হয়ে অন্য অবস্থায় যাওয়ার সময় সিস্টেমটি কিছু
তাপ শোষণ করে এবং কিছু কাজ সম্পাদন করে। ধরি, এ প্রক্রিয়াটি সম্মুখবর্তী প্রক্রিয়া। সিস্টেমটি এখন যদি একই
পরিবেশে বিপরীতমুখী প্রক্রিয়ার প্রাথমিক অবস্থায় ফিরে যাওয়ার সময় একই পরিমাণ তাপ হারায় এবং সিস্টেমটির ওপর
বাহির হতে যদি একই পরিমাণ কাজ করা হয়, তাহলে এ সমগ্র প্রক্রিয়াটিকে প্রত্যাগামী প্রক্রিয়া হিসেবে ধরা যায়।

উদাহরণ: আমরা জানি, বরফ তাপ শোষণ করে পানিতে পরিণত হয়। এখন যদি সেই পানি থেকে সমপরিমাণ তাপ
অপসারণ করে সমআয়তনের বরফ পাওয়া যায়, তবে এটি প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়ার একটি উদাহরণ।

উৎস: এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
কোন বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম আলোর দ্রুতি নির্ণয় করেন?
  1. ক) রোমার
  2. খ) গ্যালিলীও
  3. গ) কেপলার
  4. ঘ) নিউটন
ব্যাখ্যা
১৬৭৫ সালে ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ রোমার সর্বপ্রথম পরীক্ষার সাহায্যে আলোর দ্রুতি নির্ণয় করেন এবং প্রমাণ করেন যে, আলোর দ্রুতি অসীম নয়। আলোর নির্দিষ্ট দ্রুতি আছে।
পরবর্তীকালে আরো অনেক বিজ্ঞানী আলোর দ্রুতি নির্ণয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। 
রোমার নভো পদ্ধতিতে আলোর দ্রুতি নির্ণয় করেন। 

উৎস: এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
p- টাইপ অর্ধপরিবাহকের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ফসফরাস
  2. খ) আর্সেনিক
  3. গ) বোরন
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে।
যেমন- বোরন, এলুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম, ইন্ডিয়াম।
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে পঞ্চযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে n- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে।
যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি, বিসমাথ।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
২৪.
তরলের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি করলে বাষ্পায়ন -
  1. ক) একই হয়
  2. খ) কম হয়
  3. গ) বেশি হয়
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- তরলের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল যত বেশি হবে বাষ্পায়ন তত বেশি হবে।
- এক গ্লাস পানি বাষ্পীভূত হতে অনেক সময় নেবে কিন্তু সেই পানিটা বড় থালায় ঢেলে দিলে অনেক তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণী, পদার্থ বিজ্ঞান।
২৫.
p-n সংযোগ বা ডায়োডকে কী বলা হয়?
  1. ক) রেকটিফায়ার
  2. খ) অ্যামপ্লিফায়ার
  3. গ) ট্রানজিস্টর
  4. ঘ) ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা
p-n সংযোগ বা ডায়োড একমুখীকরণ হিসাবে কাজ করে।
তাই p-n সংযোগ ডায়োডকে রেক্টিফায়ার বলা হয়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৬.
50 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বায়ুতে শব্দের বেগ কত হবে?
  1. ক) 356 ms-1
  2. খ) 362 ms-1
  3. গ) 332 ms-1
  4. ঘ) 273 ms-1
ব্যাখ্যা
0°C বা 273K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
বাতাসের তাপমাত্রা অথবা আর্দ্রতা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। প্রতি ১°C তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে শব্দের দ্রুতির বৃদ্ধি ০.৬ ms-1.
∴ 50°C তাপমাত্রায় বায়ুতে শব্দের বেগ = 332+(50×0.6) ms-1 = (332 + 30)ms-1 = 362 ms-1
২৭.
নিচের কোন উক্তিটি সত্য?
  1. ক) কাজ ও তাপের একক অভিন্ন।
  2. খ) তাপের SI একক ক্যালরি।
  3. গ) ১ জুল = ৪.২ক্যালরি
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
তাপ শক্তির একটি রূপ। তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক।
তাপের SI একক জুল (J)।
এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। ১ গ্রাম পানির তাপমাত্রা ১°C বাড়াতে বা কমাতে যতটা
তাপের প্রয়োজন তাকে ১ ক্যালরি (Cal) ধরা হতো। ৪.২ জুল যান্ত্রিক শক্তি ১ ক্যালরি তাপের সমতুল্য।
তাই, ১ ক্যালরি = ৪.২ জুল।
∴ ১ জুল = ১/৪.২ ক্যালরি
= ০.২৪ ক্যালরি

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২৮.
চোখের Myopia দূর করার জন্য কোন লেন্স ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) উত্তল লেন্স
  2. খ) দ্বি-উত্তল লেন্স
  3. গ) অবতল লেন্স
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
হ্রস্ব দৃষ্টি বা নিকট বদ্ধ দৃষ্টি বা মাইওপিয়া (Short sight or Myopia)
এই ত্রুটিগ্রস্থ মানুষ দূরের বস্তু ভালভাবে দেখতে পারে না, তবে কাছের বস্তু ভালভাবে দেখতে পায়। চোখের স্পষ্ট দর্শনের ন্যুনতম দূরত্ব বা নিকট দূরত্ব কমে যায়। নিকট বিন্দু চোখের সামনে চলে আসে। চক্ষুগোলকের ব্যাসার্ধ বেড়ে গেলে বা চোখের লেন্সের ফোকাস দূরত্ব কমে গেলে এই ত্রুটি দেখা দেয়।

এই ত্রুটি দূর করার জন্য চোখে চশমা বা কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করা হয়। এক্ষেত্রে ত্রুটির পরিমাণ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ফোকাস দৈর্ঘ্যের বা পাওয়ারের অবতল লেন্স ব্যবহার করা হয়। অবতল লেন্স লক্ষ্যবস্তু থেকে আগত রশ্মিকে পরিমাণ মতো ছড়িয়ে দেয়, ফলে ফোকাস রেটিনাতে পড়ে এবং বস্তুর সুস্পষ্ট বিম্ব তৈরি হয়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৯.
শব্দের তীব্রতা কত উন্নীত হলে শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে?
  1. ক) ১২০ ডিবি
  2. খ) ৮৫ ডিবি
  3. গ) ৭৫ ডিবি
  4. ঘ) ৪৫ ডিবি
ব্যাখ্যা
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক ডেসিবেল (ডিবি)।
- শব্দের মাত্রা ৪৫ ডিবি হলেই সাধারণত মানুষ ঘুমাতে পারে না।
- ৮৫ ডিবিতে শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে এবং
- মাত্রা ১২০ ডিবি হলে কানে ব্যথা শুরু হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩০.
এক্স-রশ্মি হচ্ছে-
  1. ক) যান্ত্রিক তরঙ্গ
  2. খ) দীঘল তরঙ্গ
  3. গ) আড়তরঙ্গ
  4. ঘ) অবলোহিত তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
- এক্স-রশ্মি চার্জিত কোন কণার প্রবাহ নয়।
- ইহা তড়িৎচুম্বকীয় আড়তরঙ্গ।
- দৃশ্যমান আলো ও এক্স-রশ্মির প্রধান পার্থক্য এদের তরঙ্গদৈর্ঘ্যে।
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 7×10-7m  4 ×10-7m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10×10-8m থেকে 10-13m  পর্যন্ত।
- সাধারণ আলো বা দৃশ্যমান আলো অস্বচ্ছ পদার্থ ভেদ করতে পারে না।
- কিন্তু, এক্স-রশ্ম উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। এটি চামড়া, মাংস ইত্যাদি ভেদ করে যেতে পারে।

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
কোন তত্ত্ব প্রয়োগ করে পারমানবিক বোমা উদ্ভাবিত হয়?
  1. ক) নিউক্লিয়ার ফিশন
  2. খ) নিউক্লিয়ার ফিউশন
  3. গ) নিউক্লিয়ার মেসন
  4. ঘ) নিউক্লিয়ার মডিউল
ব্যাখ্যা
পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে দুটি প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা যায়।
প্রক্রিয়া দুটি হল :
১. নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লীয় বিভাজন 
২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন 

নিউক্লিয়ার ফিশন :
যে প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস শক্তিশালী কণিকার আঘাতের ফলে প্রায় সমান দুটি
খন্ডে বিভক্ত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বলে।


- ১৯৩৮ সালে ওটো হান (১৮৭৯-১৯৬৮) ও স্ট্রেসম্যান (১৯০২-১৯৮০) প্রমাণ করেন যে, নিউক্লিয়াস ফিশনযোগ্য ।
- অর্থাৎ ফিশনের ফলে একটি বড় ভর সংখ্যা বিশিষ্ট নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে প্রায় সমান ভর বিশিষ্ট দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং
প্রচুর শক্তি উৎপাদিত হয়।
- এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে নিউক্লিয় বোমা ও নিউক্লিয় চুল্লীর উদ্ভাবন হয়। নিউক্লিয়াস বিভাজন থেকে যে শক্তি উৎপাদন হয়, সেই শক্তির পরিমাণ বিপুল ।

নিউক্লিয়ার ফিউশন : যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়
এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে। 

উৎস: এস.এস.সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
আলো যখন এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে গমন করে তখন আলোর কোনটি পরিবর্তিত হয় না?
  1. ক) ফ্রিকুয়েন্সি
  2. খ) বেগ
  3. গ) তরঙ্গ দৈর্ঘ্য
  4. ঘ) দ্রুতি
ব্যাখ্যা
 কোন মাধ্যমে প্রতি থেকে ও আলোর কি পরিমান সরন ঘটে বা কোন নির্দিষ্ট দিকে আলোর কি পরিমান দূরত্ব অতিক্রম করে
তাকে বলা হয় আলোর বেগ। কোন মাধ্যমে আলোর বেগ ঐ মাধ্যমে আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ও কম্পাঙ্গ বা ফ্রিকুয়েন্সির গুন
ফলের সমান।
আমরা জানি, যে, আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে ভ্রমন করলে এর কম্পাঙ্ক বা ফ্রিকুয়েন্সি পরিবর্তিত হয় না। 

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়