পরীক্ষা আর্কাইভ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

পরীক্ষাUnlistedতারিখ১৬ জানুয়ারি, ২০২৪সময়30 minutes৩৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৪০
সিলেবাস
খাদ্য অধিদপ্তর পদের নাম: সহকারী পরিচালক (৯ম গ্রেড) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ: ০৩.০৮.২০০১
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

Unlisted · ১৬ জানুয়ারি, ২০২৪ · ৪০ প্রশ্ন

.
সুয়েজ খাল কোন দুই সাগরকে যুক্ত করে?
  1. ভূ-মধ্যসাগর ও কৃষ্ণ সাগর
  2. উত্তর সাগর ও বাল্টিক সাগর
  3. আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূ-মধ্যসাগর
  4. লোহিত সাগর ও ভূ-মধ্যসাগর
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- এটি একটি কৃত্তিম সামুদ্রিক খাল।
- এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- দশ বছর ধরে খননের পর পথটি ১৮৬৯ খ্রিষ্টাব্দে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়।
- নির্মাণ শুরু হয়েছে: ২৫ এপ্রিল, ১৮৫৯।
- নির্মাণ শেষ হয়: ১৭ নভেম্বর, ১৮৬৯।
- খালটি মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথোরিটির মালিকানাধীন।

উৎস: Britannica.
.
নিচের কোন দেশটি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত নয়?
  1. ভারত
  2. ইরাক
  3. মিশর
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা
মিশর:
- 'মিশর' আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত
- মিশর আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর - পূর্ব কোণে ও এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ - পশ্চিম কোণে অবস্থিত একটি আন্তঃমহাদেশীয় ভূমধ্যসাগরীয় রাষ্ট্র। 
- প্রাচীন যুগে মিশর সমগ্র বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি সভ্যতা ছিল। 
- এর রাজধানীর নাম কায়রো।
- মুদ্রা: মিশরীয় পাউন্ড।

অন্যদিকে -
- ভারত, ইরাক, লেবানন এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত।

উৎস: Britannica.
.
মহাকাশে প্রথম আনন্দ ভ্রমণকারী কে?
  1. ইউরি গ্যাগারিন
  2. ডেনিস টিটো
  3. নীল আর্মস্ট্রং
  4. মাইকেল কলিন্স
ব্যাখ্যা
মহাকাশে প্রথম আনন্দ ভ্রমণকারী ডেনিস টিটো। তিনি ২০০১ সালের ২৮ এপ্রিল সোয়াজ টিএম-৩২ মহাকাশযানে প্রথম পর্যটক হিসাবে মহাকাশ ভ্রমণ করেন। 
.
কোন ইসরাইলি নেতার আল আকসা মসজিদে এলাকা সফরকে কেন্দ্র করে বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য সংকট শুরু হয়?
  1. গোল্ডা মেয়ার
  2. আইজাক র‍্যবিন
  3. এরিয়েল শ্যারন
  4. শিমন পেরেস
ব্যাখ্যা
আল-আকসা মসজিদ:
- আল-আকসা প্রাচীনতম মসজিদগুলোর একটি।
- আল আকসা প্রাঙ্গণটি মুসলিম, ইহুদি ও খ্রিস্টান তিন ধর্মের মানুষের কাছেই পবিত্র স্থান।
- ১৪ হেক্টর এলাকাজুড়ে অবস্থিত আল-আকসা প্রাঙ্গণ।

মুসলিমদের জন্য:
- আল-আকসা মসজিদ, যা কিবলি মসজিদ নামেও পরিচিত।
- এছাড়াও আছে সোনালী গম্বুজবিশিষ্ট ‘ডোম অফ দ্য রক’, যা জেরুসালেমের সবচেয়ে স্বীকৃত একটি ল্যান্ডমার্ক এবং এই দুটিই পবিত্র হিসেবে বিবেচিত।
- মিরাজের রাতে এই মসজিদেই নামাজ আদায় করেছিলেন নবী মুহাম্মদ (সা:)।
- মক্কায় হজ ও ওমরা পালনের আগে আল আকসা ছিল মুসলিমদের কাছে প্রধান ধর্মীয় স্থান।

ইহুদিদের জন্য:
- ইহুদিরা বিশ্বাস করে, এখানেই ছিল ইহুদিদের প্রথম ও দ্বিতীয় পবিত্র উপাসনালয়।
- তারা মনে করে, তিন হাজার বছর আগে রাজা সোলেমান এখানে প্রথম উপাসনালয় নির্মাণ করেছিল, যেটি ধ্বংস করেছিল ব্যাবিলনীয়রা।
- টেম্পল মাউন্টকে ঘিরে থাকা ‘ওয়েস্টার্ন ওয়াল’ ইহুদিদের কাছে ‘পৃথিবীর ভিত্তিপ্রস্তর’ হিসেবে স্বীকৃত ও পবিত্র স্থান।
- চুনাপাথর দিয়ে বানানো প্রাচীন এই দেয়ালটি 'প্লেস অফ উইপিং' বা 'কান্নার জায়গা' নামেও পরিচিত।

খ্রিস্টানদের জন্য:
- খ্রিস্টানরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করে এটাই সেই জায়গা যেখানে যীশু খ্রিস্ট ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন আর এখানকার গুহাতেই তার দেহ রাখা হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- আল-আকসায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী এরিয়েল শ্যারনের এক বিতর্কিত সফরকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছিল ফিলিস্তিনিদের দ্বিতীয় 'ইন্তিফাদা' বা গণঅভ্যুত্থান - যাতে ৪ হাজারেরও বেশি লোক নিহত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। 

উৎস: ২১ এপ্রিল ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
.
লেনিনগ্রাদ শহরের বর্তমান নাম কি?
  1. সেন্ট পিটার্সবার্গ
  2. কিয়েভ
  3. ব্লাডিভস্টক
  4. ভলগাগ্রাড
ব্যাখ্যা
সেন্ট পিটার্সবার্গ:
- লেনিনগ্রাদ শহরের বর্তমান নাম সেন্ট পিটার্সবার্গ।
- এটি বাল্টিক সাগরের অন্তর্গত ফিনল্যান্ড উপসাগরের মাথায় নেভা নদীর তীরে অবস্থিত। 
- এটি রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এবং বিশ্বের অন্যতম প্রধান শহর।
- ১৭০৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সেন্ট পিটার্সবার্গ রাশিয়ান ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- দুই শতাব্দী ধরে এটি রাশিয়ান সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল।

উল্লেখ্য,
- ১৯১৪ সালে শহরটির নাম পরিবর্তন করে পেত্রোগ্রাদ রাখা হয়।
- ১৯২৪ সালে নাম বদলে লেনিনগ্রাদ করা হয়।
- ১৯৯১ সালে পুনরায় 'সেন্ট পিটার্সবার্গ নামটি ফিরিয়ে আনা হয়।

উৎস: Britannica.
.
দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. ড. বোথা
  2. ইয়ান সলসবারি
  3. ইয়ান স্মিথ
  4. এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক
ব্যাখ্যা
এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক:
- দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট ছিলেন এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক।
- ১৯৮৯-৯৪ সাল পর্যন্ত তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- ১৯৯৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে ডি ক্লার্ক যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান। 
- ক্লার্ক বর্ণবাদের অবসান এবং ক্ষমতা হস্তান্তরে সহায়তা করার জন্য ম্যান্ডেলার সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।

উল্লেখ্য,
- ১৯৩৬ সালে জোহানেসবার্গে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৯ সালে ন্যাশনাল পার্টির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি আইনজীবী ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। 
- ১৯৯৭ সালে ক্লার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতি থেকে অবসর নেন। 

উৎস: Britannica.
.
পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র কোনটি?
  1. ভুটান
  2. সিঙ্গাপুর
  3. ভ্যাটিকান
  4. মরিশাস
ব্যাখ্যা
ভ্যাটিকান সিটি:
- পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশ ভ্যাটিকান সিটি।
- ভ্যাটিকান সিটির আয়তন ০.৪৯ বর্গকিলোমিটার।
- ভ্যাটিকান সিটির নিজস্ব কূটনৈতিক মিশন, সংবাদপত্র, পোস্ট অফিস, রেডিও স্টেশন,ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ১০০ সুইস গার্ডের সেনাবাহিনী এবং প্রকাশনা সংস্থা রয়েছে।
- ভ্যাটিকান সিটির স্বাধীন সার্বভৌমত্ব ১৯২৯ সালের লেটারান চুক্তিতে স্বীকৃত হয়েছিল।
- ১৯২৯ সালে ইতালির সরকারের সঙ্গে লাতেরান চুক্তির আওতায় এই পোপীয় রাষ্ট্রের সৃষ্টি।
- ভ্যাটিকান সিটি ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের অন্যতম তীর্থস্থান।
- ভ্যাটিকান সিটি নগররাষ্ট্রটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত নয়, কিন্তু সেনজেনভুক্ত।
- এই দেশ ২০০৪ সাল থেকে ইউরোকে মুদ্রা হিসেবে গ্রহণ করেছে আর এর অফিশিয়াল ভাষা হচ্ছে লাতিন।

উৎস: i) Statistica ওয়েবসাইট।
        ii) Britannica.
.
কোন ইউরোপীয় সর্বপ্রথম সমুদ্রপথে ভারতে আগমন করেন?
  1. ম্যাগিলান
  2. ভাস্কো-দা-গামা
  3. ড্রেক
  4. লিভিংস্টোন
ব্যাখ্যা
বাংলায় ইউরোপীয়দের আগমন:
- ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম বাংলায় আগমন করে।
- পর্তুগীজদের মধ্যে যে দুঃসাহসী নাবিক প্রথম সমুদ্রপথে ভারতের পশ্চিম-উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন, তিনি ভাস্কো-দা-গামা। 
- ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের ২৭ মে তার এ উপমহাদেশে আগমন ব্যবসায়-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
- পর্তুগিজরা ব্যবসায়-বাণিজ্যকে মূলধন করে এদেশে এলেও ক্রমে ক্রমে তারা সাম্রাজ্য বিস্তারের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে তারা কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন, কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি অঞ্চলে কুঠি স্থাপন এবং ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে শুল্কঘাটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।
- প্রথম আগত ইউরোপীয়ান বাণিজ্যিক দল হলেও তাদের অপকর্ম ও দস্যুতার কারণে বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান পর্তুগিজদের চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপের ঘাঁটি দখল করে, তাদের বাংলা থেকে বিতাড়িত করেন।
- তাছাড়া পর্তুগিজরা এদেশে আগত ইউরোপীয় অন্যন্য শক্তির সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরাজিত হয়ে এদেশ ত্যাগে বাধ্য হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ওয়াল স্ট্রিট কোথায় অবস্থিত?
  1. টোকিওতে
  2. লন্ডনে
  3. ডালাসে
  4. নিউইয়র্কে
ব্যাখ্যা
ওয়াল স্ট্রিট (Wall Street):
- ওয়াল স্ট্রিট নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- ওয়াল স্ট্রিট নিউ ইয়র্ক শহরের একটি প্রখ্যাত সড়ক।
- পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্ববহ বিনিয়োগ বাজার নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ এই সড়কে অবস্থিত।
- নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ ছাড়াও বহু গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠান এই সড়ক অবস্থিত।
- এর মধ্যে রয়েছে আমেরিকান স্টক এক্সচেঞ্জ এবং ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক।

উৎস: Britannica.
১০.
একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বাধিক রানের অধিকারী কে?
  1. শচীন টেন্ডুলকার
  2. ডেসমন্ড হেইন্স
  3. সাঈদ আনোয়ার
  4. ব্রায়ান লারা
ব্যাখ্যা
একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বাধিক রানের অধিকারী:
- একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বাধিক রানের অধিকারী শচীন টেন্ডুলকার।

সর্বাধিক রানের অধিকারী -

১। শচীন টেন্ডুলকার,
২। কুমার সাঙ্গাকারা,
৩। বিরাট কোহলি,
৪। রিকি টমাস পন্টিং,
৫। সনাৎ জয়াসুরিয়া।

উৎস: ESPN Cricinfo.
১১.
নিচের উদ্ধৃতাংশ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কোন কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে?
কাণ্ডারী এ তরীর পাকা মাঝিমাল্লা
দাঁড়ি মুখে সারিগান-লা শরীক আল্লাহ।
  1. কাণ্ডারী হুঁশিয়ার
  2. খেয়াপারের তরণী
  3. সিন্ধু : প্রথম তরঙ্গ
  4. সিন্ধু : দ্বিতীয় তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
• কাণ্ডারী এ তরীর পাকা মাঝি মাল্লা, 
দাঁড়ি-মুখে সারিগান লা-শরিক আল্লাহ! - উদ্ধৃতাংশটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের 'খেয়াপারের তরণী' কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে।
- 'খেয়াপারের তরণী' কবিতাটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

খেয়াপারের তরণী
কাজী নজরুল ইসলাম

যাত্রীরা রাত্তিরে হতে এল খেয়া পার,
বজ্রেরি তূর্যে এ গর্জেছে কে আবার?
প্রলয়েরি আহ্বান ধ্বনিল কে বিষাণে!
ঝন্‌ঝা ও ঘন দেয়া স্বনিল রে ঈশানে!

নাচে পাপ-সিন্ধুতে তুঙ্গ তরঙ্গ!
মৃত্যুর মহানিশা রুদ্র উলঙ্গ!
নিঃশেষে নিশাচর গ্রাসে মহাবিশ্বে,
ত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে।

তমসাবৃতা ঘোরা 'কিয়ামত' রাত্রি,
খেয়া-পারে আশা নাই ডুবিল রে যাত্রী!
দমকি দমকি দেয়া হাঁকে কাঁপে দামিনী,
শিঙ্গার হুঙ্কারে থরথর যামিনী!

লঙ্ঘি এ সিন্ধুরে প্রলয়ের নৃত্যে
ওগো কার তরী ধায় নির্ভীক চিত্তে-
অবহেলি জলধির ভৈরব গর্জন
প্রলয়ের ডঙ্কার ওঙ্কার তর্জন!

পুণ্য-পথের এ যে যাত্রীরা নিষ্পাপ,
ধর্মেরি বর্মে সু-রক্ষিত দিল্ সাফ!
নহে এরা শঙ্কিত বজ্র নিপাতেও
কাণ্ডারী আহমদ তরী ভরা পাথেয়।

আবুবকর উস্মান উমর আলি হায়দর
দাঁড়ি যে এ তরণীর, নাই ওরে নাই ডর!
কাণ্ডারী এ তরীর পাকা মাঝি মাল্লা,
দাঁড়ি-মুখে সারিগান লা-শরিক আল্লাহ!

কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে, ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। 
- তাঁর পিতা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন মসজিদের ইমাম ও মাযারের খাদেম।
- কাজী নজরুল ইসলামের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
- ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবিকে সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে আনা হয়। 
-  বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে কবির অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তনে কবিকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। 
- ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ‘একুশে পদকে’ ভূষিত করে।
- ২৯ আগস্ট, ১৯৭৬ (১২ ভাদ্র, ১৩৮৩) ঢাকার পিজি হাসপাতালে কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নিবীণা,
- সর্বহারা,
- ফণি-মনসা,
- সাম্যবাদী,
- জিঞ্জির,
- বিষের বাঁশি,
- ভাঙার গান,
- সন্ধ্যা,
- প্রলয় শিখা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া; 'অগ্নিবীণা' কাব্য, কাজী নজরুল ইসলাম।
১২.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সফল ঔপন্যাসিক -
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• বাংলা সাহিত্যের প্রথম সফল ঔপন্যাসিক - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- তিনি ১৮৩৮ সালে চবিবশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- তাঁকে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়।
- তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'ললিতা তথা মানস' (১৮৫৬)।
- তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাস 'রাজমোহনস ওয়াইফ'। এটি ইংরেজিতে লেখা।
- তাঁর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' (১৮৬৫)।
- আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।
- তিনি ১৮৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৩.
মীর মোশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ সিন্ধু’ কোন ঐতিহাসিক ঘটনা অবলম্বনে লিখিত?
  1. কারবালার যুদ্ধ
  2. পানিপথের যুদ্ধ
  3. পলাশীর যুদ্ধ
  4. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
বিষাদ-সিন্ধু:
- মীর মশাররফ হোসেনের খ্যাতি মূলত এ গ্রন্থটির জন্যেই।
- 'বিষাদ-সিন্ধু' (১৮৮৫- '৯১) একটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস।
- হাসান ও হোসেনের সঙ্গে দামেস্ক অধিপতি মাবিয়ার একমাত্র পুত্র এজিদের কারবালা প্রান্তরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং ইমাম হাসান-হোসেনের করুণ মৃত্যুকাহিনি 'বিষাদ-সিন্ধু' গ্রন্থে বর্ণিত মূল বিষয়।
- মূল ঘটনার ঐতিহাসিক সত্যতা থাকলেও গ্রন্থটিতে ইতিহাসের অন্ধ অনুসরণ করা হয় নি।
- 'বিষাদ-সিন্ধু' উপন্যাসটি 'মহরম পর্ব্ব' (১৮৮৫), 'উদ্ধার পর্ব্ব' (১৮৮৭) ও 'এজিদ-বধ পর্ব্ব' (১৮৯১) এই তিনটি পর্বে সম্পন্ন হয়েছে।
- গ্রন্থটি উপক্রমণিকা ও উপসংহারসহ মোট তেষট্টিটি 'প্রবাহ' অর্থাৎ অধ্যায় নিয়ে লিখিত।
- তন্মধ্যে 'মহরম পর্ব্বে' উপক্রমণিকা ও ছাব্বিশটি প্রবাহ, 'উদ্ধার পর্ব্বে' ত্রিশটি প্রবাহ, 'এজিদ-বধ পর্ব্বে' পাঁচটি প্রবাহ ও উপসংহার-অংশ রয়েছে।
- প্রথমত ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত স্পর্শকাতর কাহিনি সাধারণ মুসলিম পাঠকের কাছে এর জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ।
- দ্বিতীয়ত 'বিষাদ-সিন্ধু'র জাদুকরী রচনাগুণের জন্যে সাহিত্যরসিকজনের কাছেও গ্রন্থটি আদরণীয়।
- জয়নাবের রূপে বিমোহিত এজিদ এবং এই রূপতৃষ্ণার পরিণামে বহু মানুষের বিপর্যয় ও ধ্বংসের যে কথকতা বর্ণিত হয়েছে তা গ্রন্থটিকে সর্বজনীন করে তুলেছে।
- 'বিষাদ-সিন্ধু'র কাহিনিতে অ্যান্টি-এস্টাব্লিশমেন্ট চেতনা মূলত মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য' থেকেই মীর মশাররফ হোসেন গ্রহণ করেছেন।

মীর মশাররফ হোসেন:
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- তিনি ছাত্রাবস্থায় 'সংবাদ প্রভাকর' ও কুমারখালির 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা'র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
এখানেই তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু।
- গ্রামবার্তার সম্পাদক কাঙাল হরিনাথ ছিলেন তাঁর সাহিত্যগুরু।
- তিনি 'আজিজননেহার' ও 'হিতকরী' নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- তিনি ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- তিনি 'গাজী মিয়াঁ' ছদ্মনামে লিখতেন।
- তাঁর প্রথম গ্রন্থ 'রত্নবতী'(১৮৬৯)। এটি কোন মুসলিম রচিত প্রথম বাংলা গদ্যগ্রন্থ।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৪.
‘আলালের ঘরের দুলাল’ -এর লেখক কে?
  1. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  2. প্যারীচাঁদ মিত্র
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. উইলিয়াম কেরী
ব্যাখ্যা
আলালের ঘরের দুলাল:
- প্যারীচাঁদ মিত্রের প্রথম গ্রন্থ 'আলালের ঘরের দুলাল।'
- সাহিত্যক্ষেত্রে প্যারীচাঁদ মিত্রের সর্বশ্রেষ্ঠ কৃতিত্ব 'আলালের ঘরের দুলাল', যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস হিসেবে খ্যাত।
- রচনারীতি ও ভাষাগত দিক থেকে এ উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে নতুন ধারার সূচনা করে।
- এ উপন্যাসে প্যারীচাঁদ মিত্র প্রথমবারের মতো বাংলা সাহিত্যের প্রচলিত গদ্যরীতির নিয়ম ভেঙ্গে চলিত ভাষারীতি প্রয়োগ করেন।
- সাধারণ মানুষের মুখে ব্যবহৃত কথ্য ভাষা 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসের এক বিশেষ বৈশিষ্ট্য। 

প্যারীচাঁদ মিত্র:
- ১৮১৪ সালের ২২ জুলাই কলকাতায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন লেখক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিসেবী, ব্যবসায়ী।
- তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'টেকচাঁদ ঠাকুর'।
- ১৮২৭ সালে তিনি হিন্দু কলেজে ভর্তি হন এবং খ্যাতিমান শিক্ষক হেনরি ডিরোজিওর তত্ত্বাবধানে থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করেন।
- বাংলা উপন্যাস রচনার পথিকৃৎ প্যারীচাঁদ মিত্র।
- তিনি ২৩শে নভেম্বর, ১৮৮৩ সালে মৃত্যবরণ করেন।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম:  
- মদ খাওয়া বড় দায় জাত থাকার কি উপায়,
- রামারঞ্জিকা,
- কৃষিপাঠ,
- যৎকিঞ্চিৎ,
- অভেদী,
- আধ্যাত্মিকা,
- গীতাঙ্কুর,
- ডেভিড হেয়ারের জীবনচরিত এবং 
- বামাতোষিণী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাস, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
১৫.
‘পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ?’ - উদ্ধৃতাংশটুকু কোন গ্রন্থের?
  1. কপালকুণ্ডলা
  2. উদাসীন পথিকের মনের কথা
  3. কৃষ্ণকান্তের উইল
  4. শ্রীকান্ত
ব্যাখ্যা
• ‘পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ?’ - উদ্ধৃতাংশটুকু 'কপালকুণ্ডলা' গ্রন্থের।
- এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- কপালকুণ্ডলার এই সংলাপকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোম্যান্টিক সংলাপ বলা হয়।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- তিনি ১৮৩৮ সালে চবিবশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- তাঁকে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়।
- তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'ললিতা তথা মানস' (১৮৫৬)।
- তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাস 'রাজমোহনস ওয়াইফ'। এটি ইংরেজিতে লেখা।
- তাঁর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' (১৮৬৫)।
- আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।
- তিনি ১৮৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬.
নিচের কোন গল্পটি রবীন্দ্রনাথের লেখা?
  1. ক্ষুধিত পাষাণ
  2. পদ্ম গোখরো
  3. মাস্টার মশায়
  4. একটি তুলসী গাছের কাহিনী
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• 'ক্ষুধিত পাষাণ' ও 'মাস্টারমশায়' গল্প দুটি রবীন্দ্রনাথের লেখা।
- 'ক্ষুধিত পাষাণ' অতিপ্রাকৃত রসের গল্প ও 'মাস্টারমশায়', 'গল্পগুচ্ছ'র অন্তর্গত ছোটগল্প।
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই অসামান্য প্রতিভাধর ব্যক্তি। বাল্যকালেই তাঁর কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
- মাত্র পনের বছর বয়সে তাঁর 'বনফুল' কাব্য প্রকাশিত হয় এবং এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তাঁর রচিত অতিপ্রাকৃত রসের গল্প:
- ক্ষুধিত পাষাণ,
- নিশীথে,
- মণিহারা,
- কঙ্কাল,
- গুপ্তধন,
- জীবিত ও মৃত।

অন্যদিকে,
• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গল্প - পদ্ম গোখরো।
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ রচিত গল্প - একটি তুলসী গাছের কাহিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
১৭.
‘একেই কি বলে সভ্যতা?’ - কে লিখেছেন?
  1. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. মীর মশাররফ হোসেন
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
• ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ - মাইকেল মধুসূদন দত্ত লিখেছেন।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- তিনি ছিলেন মহাকবি, নাট্যকার, বাংলাভাষার সনেট প্রবর্তক, অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
- ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে, এক জমিদার বংশে তাঁর জন্ম। 
-  পিতা রাজনারায়ণ দত্ত ছিলেন কলকাতার একজন প্রতিষ্ঠিত উকিল।
- মা জাহ্নবী দেবীর তত্ত্বাবধানে মধুসূদন দত্তের শিক্ষারম্ভ হয়।
- ১৮৩৩ সালে হিন্দু কলেজে ভর্তি হন। সেখানে তিনি বাংলা, সংস্কৃত ও ফারসি ভাষা শেখেন।
- হিন্দু কলেজে অধ্যয়নের সময়েই মধুসূদন দত্ত কাব্যচর্চা শুরু করেন। তখন তাঁর কবিতা জ্ঞানান্বেষণ, Bengal Spectator, Literary Gleamer, Calcutta Library Gazette, Literary Blossom, Comet প্রভৃতি পত্রিকায় প্রকাশিত হতো।
- মধুসূদন দত্ত ১৮৪৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি,১৯ বছর বয়সে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করেন এবং তখন থেকে তাঁর নামের পূর্বে ‘মাইকেল’ শব্দটি যুক্ত হয়। 
- স্ত্রী হেনরিয়েটার মৃত্যুর তিনদিন পরে ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন, কলকাতায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত প্রহসন:
- একেই কি বলে সভ্যতা,
- বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৮.
কোনটি জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ নয়?
  1. রূপসী বাংলা
  2. বনলতা সেন
  3. সাতটি তারার তিমির
  4. সোনালী কাবিন
ব্যাখ্যা
• জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ নয় - সোনালী কাবিন
- এটি আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ।

জীবনানন্দ দাশ:
- 'রূপসী বাংলার কবি', 'নির্জনতার কবি', 'তিমির হননের কবি', 'ধূসরতার কবি' নামে পরিচিত জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক। তিনি ব্রহ্মবাদী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।
- মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন বিখ্যাত কবি।
- জীবনানন্দ ছিলেন বাংলা কাব্যান্দোলনে রবীন্দ্রবিরোধী তিরিশের কবিতা নামে খ্যাত কাব্যধারার অন্যতম কবি।
- তাঁর 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' কাব্যের অন্তর্গত 'মৃত্যুর আগে' কবিতার সাথে আইরিশ কবি ডব্লিউ. বি. ইয়েটস-এর 'The falling of the Leaves' কবিতার মিল রয়েছে।
- তাঁর 'মহাপৃথিবী' কাব্যের অন্তর্গত 'হায় চিল' কবিতার সাথে ইয়েটস্‌-এর 'He reproves the curlow' কবিতার মিল রয়েছে।
- 'বনলতা সেন' কবিতাটিতে অ্যাডগার এলেন পো-র 'টু হেলেন' কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বাংলাদেশে ষাটের দশকে বাঙালির জাতিসত্তা বিকাশের আন্দোলনে এবং ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে সংগ্রামী বাঙালি জনতাকে তাঁর 'রূপসী বাংলা' তীব্রভাবে অনুপ্রাণিত করে।
- জীবনানন্দ দাশের 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ নিখিলবঙ্গ রবীন্দ্রসাহিত্য সম্মেলনে পুরস্কৃত (১৯৫৩) হয়।
- এছাড়া জীবনানন্দ দাশের 'শ্রেষ্ঠ কবিতা' গ্রন্থটিও ভারত সরকারের সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৫৪) লাভ করে।
- ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়। 

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরাপালক,
- ধূসর পাণ্ডুলিপি, 
- বনলতা সেন
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির
- রূপসী বাংলা
- বেলা অবেলা কালবেলা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৯.
‘একদা মরণ-সমুদ্রের বেলা ভূমিতে দাঁড়াইয়া কোন এক আরবীয় সাধক বলিয়াছিলেন’ -এ বাক্যাংশটি কোন রীতিতে লিখিত?
  1. চলিত রীতি
  2. সাধু রীতি
  3. মিশ্র রীতি
  4. বিদেশী রীতি
ব্যাখ্যা
• ‘একদা মরণ-সমুদ্রের বেলা ভূমিতে দাঁড়াইয়া কোন এক আরবীয় সাধক বলিয়াছিলেন’ - এ বাক্যাংশটি সাধু রীতিতে লিখিত।

সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য: 
- সাধু ভাষা বাংলা লেখ্য গদ্যের অপেক্ষাকৃত প্রাচীন রূপ।
- সাধু ভাষা অনেকটা ধ্রুপদী বৈশিষ্ট্যের এবং চলিত ভাষা সর্বসাধারণের জীবন-ঘনিষ্ঠ। ভাষার এই দ্বিধারিক প্রপঞ্চকে বলা হয় দ্বি-ভাষারীতি।
- সাধু ভাষার বাক্যরীতি অনেকটা সুনির্ধারিত।
- এ ভাষায় তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশি।
- এতে সর্বনাম, ক্রিয়াপদ প্রভৃতির পূর্ণরূপ গৃহীত হয়।
- সাধুরীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
- এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।

সাধু ও চলিত রীতির কিছু উদাহরণ:
সাধুচলিত
দেন নাই ⇒ দেননি।
পার হইয়া ⇒ পেরিয়ে।
পড়িল ⇒ পড়ল / পড়লো।
করিয়া ⇒ করে।
দাঁড়াইয়া ⇒ দাঁড়িয়ে।
বলিয়াছিলেন ⇒ বলেছিলেন।
 
• ‘একদা মরণ-সমুদ্রের বেলা ভূমিতে দাঁড়াইয়া কোন এক আরবীয় সাধক বলিয়াছিলেন’ - এই বাক্যে 'দাঁড়াইয়া', 'বলিয়াছিলেন' এই শব্দগুলো সাধু রীতিতে লেখা হয়েছে। তাই এ বাক্যাংশটি সাধু রীতিতে লিখিত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২০.
করিমকে রহিম গতকাল মেরেছে- কর্মকারকসূচক শব্দ কোনটি?
  1. রহিম
  2. করিমকে
  3. গতকাল
  4. মেরেছে
ব্যাখ্যা
• করিমকে রহিম গতকাল মেরেছে - কর্মকারকসূচক শব্দ: করিমকে

কর্মকারক:
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্মকারক বলে।
- বাক্যের মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম - উভয় ধরনের কর্মই কর্মকারক হিসেবে গণ্য হয়।
- সাধারণত মুখ্য কর্মকারকে বিভক্তি হয় না, তবে গৌণ কর্মকারকে '-কে' বিভক্তি হয়।
যেমন -
→ সে রোজ সকালে এক প্লেট ভাত খায়।
শিক্ষককে জানাও।
করিমকে রহিম গতকাল মেরেছে

• কাব্যভাষায় কর্মকারকে 'রে' বিভক্তি হয়।
যেমন -
আমারে তুমি করিবে ত্রাণ এ নহে মোর প্রার্থনা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২১.
করেছে, করেছো, করেছেন- বাংলা ক্রিয়ার এ’ তিনটি রূপ কেন ব্যবহৃত হয়?
  1. লিঙ্গভেদের কারণে
  2. মর্যাদাভেদের কারণে
  3. কারকবিভক্তির কারণে
  4. সমাসের কারণে
ব্যাখ্যা
• করেছে, করেছো, করেছেন- বাংলা ক্রিয়ার এ’ তিনটি রূপ মর্যাদাভেদের কারণে ব্যবহৃত হয়।

ক্রিয়াপদ:
- ক্রিয়ামূল অর্থাৎ ধাতুর সঙ্গে কাল সময় ও পুরুষ জ্ঞাপক (ক্রিয়া) বিভক্তিযোগে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।
- সাধারণ, সম্ভ্রমাত্মক, তুচ্ছার্থকভেদে অর্থাৎ মর্যাদাভেদে মধ্যম ও নাম পুরুষের ক্রিয়ার রূপের পার্থক্য হয়ে থাকে (উত্তম পুরুষে হয় না)।
যেমন -
পুরুষ .................. সাধারণ .............. সম্ভ্রমাত্মক ........... তুচ্ছার্থক / ঘনিষ্ঠার্থক
উত্তম পুরুষ ....... আমি করি ........ ------------ ......... ------------
মধ্যম পুরুষ ....... তুমি করেছো ... তিনি করেছেন ....... তুই কর।
নাম পুরুষ ........... সে করেছে ...... তিনি করেছেন ...... এটা করেছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২২.
তিনি এ গ্রামের ‘মাথা’ -এ বাক্যে ‘মাথা’ বলতে কি বুঝানো হয়েছে?
  1. মস্তক
  2. প্রধান
  3. সাধু
  4. সৎ
ব্যাখ্যা
• তিনি এ গ্রামের ‘মাথা’ - এ বাক্যে ‘মাথা’ বলতে প্রধান বুঝানো হয়েছে।

‘মাথা’ সম্পর্কিত বাগ্‌ধারার অর্থ:
- মাথা ধরা = রোগ বিশেষ।
- মাথা ব্যথা = আগ্রহ।
- মাথা দেওয়া = দায়িত্ব গ্রহণ।
- মাথাপিছু = জনপ্রতি।
- গাঁয়ের মাথা = মোড়ল
- মাথা খাওয়া = শপথ করা।
- মাথা ঘামানো = ভাবনা করা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৩.
‘পাগলামী’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ করলে পাওয়া যায়-
  1. পাগল + লামি
  2. পাগল + মি
  3. পাগল + আমি
  4. পাগলা + মি
ব্যাখ্যা
• ‘পাগলামি’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ করলে পাওয়া যায় - পাগল + আমি

স্বরসন্ধি:
স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনি মিলে যে সন্ধি হয় তাকে স্বরসন্ধি বলে।

• অ-কার কিংবা আ-কারের পর অ-কার কিংবা আ-কার থাকলে উভয়ে মিলে আ-কার হয়, আ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন -
- অ + অ = আ ⇒ নর + অধম = নরাধম।
এরূপ - হিমাচল, প্রাণাধিক, হস্তান্তর, হিতাহিত ইত্যাদি।
- অ + আ = আ ⇒ পাগল + আমি = পাগলামি
এরূপ - হিমালয়, দেবালয়, রত্নাকর, সিংহাসন ইত্যাদি।
- আ + অ = আ ⇒ যথা + অর্থ = যথার্থ।
এরূপ - আশাতীত, কথামৃত, মহার্ঘ ইত্যাদি।
- আ + আ = আ ⇒ বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়।
এরূপ - কারাগার, মহাশয়, সদানন্দ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৪.
‘পরাজয়ের’ - এ শব্দটিতে কোনটি উপসর্গ?
  1. জয়
  2. পরা
  3. এর
  4. জয়ের
ব্যাখ্যা
• ‘পরাজয়ের’ - এ শব্দটিতে 'পরা' উপসর্গ।

তৎসম (সংস্কৃত) উপসর্গ:
- বাংলা ভাষায় বহু সংস্কৃত শব্দ হুবহু এসে গেছে।
- সেই সঙ্গে সংস্কৃত উপসর্গও তৎসম শব্দের আগে বসে শব্দের নতুন রূপে অর্থের সংকোচন সম্প্রসারণ করে থাকে।
- তৎসম উপসর্গ বিশটি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ।

'পরা' উপসর্গের বিভিন্ন ব্যবহার:
- আতিশয্য অর্থে: পরাকাষ্ঠা, পরাক্রান্ত, পরায়ণ।
- বিপরীত অর্থে: পরাজয়, পরাভব।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৫.
‘আমড়া কাঠের ঢেঁকি’ এর অর্থ কি?
  1. আমড়া
  2. বাজে কাঠ
  3. অকেজো
  4. বাজে ঢেঁকি
ব্যাখ্যা
• ‘আমড়া কাঠের ঢেঁকি’ এর অর্থ - অকেজো

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা:
- 'আদাড়ের হাঁড়ি’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ = সামান্য লোক। 
- ‘আটকপালে’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ = হতভাগ্য।
- 'আঠারো মাসে বছর’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ = দীর্ঘসূত্রিতা।
- ‘আদায় কাঁচকলায়’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ = শত্রুভাবাপন্ন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৬.
The synonym of the word 'dejection' is -
  1. joy
  2. sadness
  3. happiness
  4. disease
ব্যাখ্যা
• Dejection
English meaning: the feeling of being unhappy, disappointed, or without hope.
Bangla meaning: বিষণ্ণতা; বিমর্ষতা।

Options,
- joy: আনন্দ; গভীর হর্ষ
- sadness: বিষণ্ণতা; বিমর্ষতা; কাতরতা।
- happiness: সুখ, আনন্দ
- disease: অসুখ; ব্যাধি; রোগ।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, The synonym of the word 'dejection' is - sadness.

Source: Accessible & Cambridge Dictionary.
২৭.
Identify the complex sentence -
  1. He confessed his crime.
  2. The management is thoroughly bad.
  3. He finished his exercise and put away his books.
  4. He bought the library which belonged to his uncle.
ব্যাখ্যা
• Complex sentence: 
- যে sentence এ একটি Principal clause এবং এক বা একাধিক Subordinate clause থাকে, তাকে Complex sentence বলে। 
- Complex sentence এর subordinate clause এর শুরুতে সাধারণত if, though, although, as, because, since, so that, that, until, till, unless, when, why, who, which, where, how, before, after, whether, while বসে।

সুতরাং, নিয়মানুযায়ী Complex sentence - He bought the library which belonged to his uncle.
২৮.
Find out the correct sentence -
  1. The train is running in time.
  2. The train is running on time.
  3. The train is running with time.
  4. The train is running at time.
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট সময় (fixed time) বুঝাতে on time বসে।
- Train একটি সুনির্দিষ্ট সময়ে চলে তাই on time হবে।
- Correct sentence: The train is running on time.

• সেই অনুসারে অন্য অপশন গুলো ভুল।

উল্লেখ্য যে,
- নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে বা পরে বোঝাতে in time বসে।
- The train came on time but we arrived in time to get good seats.
২৯.
Choose the correct spelling -
  1. Fascination
  2. Facination
  3. Facenation
  4. Facenition
ব্যাখ্যা
• Fascination
English meaning: the fact of finding someone or something fascinating.
Bangla meaning: মুগ্ধকরণ;আকর্ষণ;মোহ

Source: Cambridge Dictionary.
৩০.
Choose the appropriate preposition __
The boy was run ___ by a car.
  1. down
  2. over
  3. into
  4. upon
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর -over. 
- Complete sentence: The boy was run over by car.
• Run over somebody; run somebody over (যানবাহন) চাপা দেওয়া; দলে চলে যাওয়া।
৩১.
Choose the appropriate meaning of the underlined idiom - It was his constant prayer that he might die in harness.
  1. die in business
  2. die in peace
  3. die in bed
  4. die in honour
ব্যাখ্যা
• Die in harness
English Meaning: to die on duty / die before retirement.
Bangla Meaning: কাজ করতে করতে মারা যাওয়া

সুতরাং বোঝা যাচ্ছে উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে - die in business শব্দগুচ্ছটি Die in harness এর কাছাকাছি অর্থ প্রদান করছে।

Ex. Sentence: She doesn't want to retire - she'd rather die in harness.
Bangla Meaning: সে অবসর নিতে চায় না বরং কাজ করতে করতে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করাই শ্রেয় তার কাছে।

Source: Live MCQ Lecture.
৩২.
The word 'benevolent' means -
  1. kind
  2. unkind
  3. cruel
  4. honest
ব্যাখ্যা
♦ Benevolent:
English meaning: kind and helpful.
Bangla meaning: দয়ালু; সদাশয়।

Options,
- kind: সদয়; অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল।
- unkind: নির্দয়; নিষ্ঠুর; অকরুণ; কঠোর
- cruel: নিষ্ঠুর; নির্দয়।
- honest: সত্যবাদী; সতাবৃত্ত; নিষ্কপট; অশঠ; সাধু; ঋজুপ্রকৃতি; সৎ; সত্যসন্ধ; অকৃত্রিম, সচ্চরিত্র

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায় - The word 'benevolent' means - kind.

Source: Accessible & Cambridge Dictionary.
৩৩.
Find out the correct sentence-
  1. I told her everything lest she misunderstands me.
  2. I told her everything lest she should misunderstand me.
  3. I told her everything lest she will misunderstand me.
  4. I told her everything lest she might misunderstand me.
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত প্রশ্নের অপশন খ) ও ঘ) দুটিই সঠিক।
- অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

• Use of Lest:
- সাধারণত Lest দ্বারা দুটি বাক্যাংশ যুক্ত হলে Lest যুক্ত অংশের Subject এর পর should/might হয় এবং মূল Verb এর Present form বসে।
- Lest শব্দের অর্থ ‘পাছে ভয় হয় যে’ [for fear that].
- Lest নিজেই নেগেটিভ অর্থ প্রদান করে।
- তবে lest দ্বারা কোনো clause শুরু হলে তাতে not/no বসে না।

• Lest দ্বারা যুক্ত দু'টি clause এর মধ্যে পরবর্তী verb এর আগে should/might বসে। 
- তাই অপশনের 'I told her everything lest she should misunderstand me.' ও 'I told her everything lest she might misunderstand me.' দূটি উত্তরই সঠিক।
৩৪.
Choose the correct tense-
  1. The train has left before we reached the station.
  2. The train left before we reached the station.
  3. The train had left before we reached the station.
  4. The train was left before we reached the station.
ব্যাখ্যা
♦ প্রশ্নটি করা হয়েছে Before যুক্ত বাক্যের গঠন এর উপর ভিত্তি করে। 

• Before যুক্ত বাক্যের গঠন:
- Past perfect + before + Past indefinite
- 'Before' conjunction যুক্ত sentence এ before এর পুর্বে past perfect tense হয় এবং before এর পরে past indefinite হবে।

• Sentence Correction:
- The train had left before we reached the station.
- বাক্যটিতে before এর পূর্বে past perfect tense ও পরে past indefinite হওয়াতে সঠিক হয়েছে।

সেই অনুসারে অন্য অপশন গুলো ভুল।
৩৫.
Choose the appropriate preposition ___
He readily complied ___ my request.
  1. at
  2. with
  3. on
  4. in
ব্যাখ্যা
• Complied এর পরে appropriate preposition হিসেবে with বসে।

• complied (with)
- to act according to the commands of
- to do what is required by the terms of

Source: Merriam-Webster Dictionary
৩৬.
Choose the right use of article in the following sentences -
  1. Alim received good educations in some private institutions.
  2. Alim received a good education in some private institutions.
  3. Alim received good education in an private institutions.
  4. Alim received an good education in the private instution.
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - 
খ) Alim received a good education in some private institutions.
- বাক্যটি সঠিক।
- এখানে good education এর আগে article 'a' এর ব্যবহার সঠিক।

• অন্যদিকে,
ক) Alim received good educations in some private institutions.
- বাক্যটি ভুল।
- কারণ educations হচ্ছে uncountable noun এবং এর plural form হয় না.

গ) Alim received good education in an private institutions.
- বাক্যটি ভুল কারণ, 
- good education এর আগে article 'a' বসবে আর private institutions এর আগে an এর ব্যবহার ভুল।

ঘ) Alim received an good education in the private instution.
- - বাক্যটি ভুল।
- কারণ an good education হবে না ;এখানে a good education বসলে বাক্যটি সঠিক হতো।
৩৭.
Find out the compound sentence -
  1. I was admitted to school at the age of five.
  2. As soon as he got the telegram he left in a taxi.
  3. You have got a first division and I am glad to know it.
  4. The man was happy when he saw his daughter.
ব্যাখ্যা
• Compound sentence এ দুই বা ততোধিক principal clause বা co-ordinate clause থাকে।
- এছাড়া Compound sentence এ সাধারণত and, or, but, yet, so, therefore, otherwise, else, both --- and , either --- or , neither — nor, not only --- but also ইত্যাদি co-ordinating conjunction দ্বারা দুইটি principal clause যুক্ত থাকে।

অপশনে উল্লেখিত sentence গুলোর মধ্যে কেবল মাত্র - You have got a first division and I am glad to know it. -বাক্যটিতে দুইটি clause রয়েছে এবং and দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
তাই সঠিক compound sentence - You have got a first division and I am glad to know it.
৩৮.
Put the verb in the correct form : The sky ___ with clouds.
  1. are covered
  2. is covered
  3. had covered
  4. have covered
ব্যাখ্যা
• The subject of the sentence is "The sky" which is singular.
- So we need a singular verb to match it.
- The verb "is covered" is the correct singular form that agrees with the singular subject "The sky".
৩৯.
Choose the correct word -
  1. I was disappoint with the film.
  2. I was disappointed with the film.
  3. I was disappointing with the film.
  4. I was disappoints with the film.
ব্যাখ্যা
• Options,
ক) I was disappoint with the film.
- বাক্যটি grammatically wrong.
- The correct form should be "disappointed" to match the past tense of the verb "was."

গ) I was disappointing with the film.
- বাক্যটি grammatically wrong.
- The adjective "disappointing" is used incorrectly as an action in this context.
- It should be the past participle "disappointed" to describe the speaker's feelings.

ঘ) I was disappoints with the film.
- বাক্যটি grammatically wrong.
- The correct form should be "disappointed" as the past participle, not "disappoints."

খ) I was disappointed with the film.
- বাক্যটি grammatically correct.
- It uses the past tense of the verb "to be" ("was") and the adjective "disappointed".
৪০.
Find out the correct sentence -
  1. This watch is belonged to my friend.
  2. This watch belongs to my friend.
  3. This watch is belonging to my friend.
  4. This watch has belonged to my friend.
ব্যাখ্যা
• এখানে বাক্যটি Present tense এ হবে এবং সে অনুযায়ী third person singular number এর পর 's' যোগ হয়েছে। 
- তাই সঠিক বাক্য: This watch belongs to my friend.

অনান্য অপশনসমূহ, 
ক) This watch is belonged to my friend.
- বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
- verb "belonged" is in the past tense, but the use of "is" (present tense) conflicts with it.
- The correct form would be "belongs" for present tense.

গ) This watch is belonging to my friend.
- বাক্যটি ভুল।
- The correct form would be "belongs" for present tense.

ঘ) This watch has belonged to my friend.
- বাক্যটি ভুল।
- এই বাক্যটি present perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে, তবে এটি প্রসঙ্গটির সাথে মানানসই নয়।
- present perfect tense টি সাধারণত অতীতে শুরু হওয়া এবং বর্তমানের সাথে প্রাসঙ্গিক একটি ক্রিয়া প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়, তবে মালিকানার জন্য, simple present tense টি more appropriate.