পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - আধুনিক বিজ্ঞান ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, শক্তির উৎস ও প্রয়োগ, শক্তির রূপান্তর, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, পারমাণবিক শক্তি, খনিজ উৎস ও জীবাশ্ম ইত্যাদি। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
এক্সট্রিন্সিক সেমিকন্ডাক্টরে ডোপায়ন করার ফলে কোনটি ঘটে?
  1. পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়
  2. পরিবাহিতা হ্রাস পায়
  3. মুক্ত ইলেকট্রনের পরিমাণ হ্রাস পায়
  4. হোলের পরিমাণ হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা
• এক্সট্রিন্সিক সেমিকন্ডাক্টরে ডোপায়ন করার ফলে এর পরিবাহিতা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।

• সেমিকন্ডাক্টর: 

- যেসকল পদার্থের আপেক্ষিক রোধ অপরিবাহী ও পরিবাহীর মধ্যবর্তী তাদেরকে সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী বলা হয়।
• ডোপায়ন: 
- পরিবাহিতা বৃদ্ধির জন্য বিশুদ্ধ সেমিকন্ডাক্টরে অতিসামান্য অপদ্রব্য মেশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপায়ন বলা হয়। 

• সেমিকন্ডাক্টর প্রধানত দুই প্রকারঃ
→ ইনট্রিন্সিক বা অন্তর্জাত (Intrinsic) সেমিকন্ডাক্টর:
-  যে সকল সেমিকন্ডাক্টরে কোনো অপদ্রব্য মেশানো হয় না তাদেরকে ইনট্রিন্সিক বা অন্তর্জাত সেমিকন্ডাক্টর বলে।
- এটি খাঁটি বা বিশুদ্ধ সেমিকন্ডাক্টর।
- এতে কোনো ডোপেন্ট (dopant) মেশানো থাকে না।
- এতে ইলেকট্রন ও হোল (hole) এর সংখ্যা সমান থাকে।

→ এক্সট্রিন্সিক বা বহির্জাত (Extrinsic) সেমিকন্ডাক্টর:
- অপদ্রব্য মেশানো সেমিকন্ডাক্টরকে এক্সট্রিন্সিক বা বহির্জাত সেমিকন্ডাক্টর বলে।
- অন্তর্জাত সেমিকন্ডাক্টরে অতিসামান্য অপদ্রব্য নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে (প্রায় এক কোটি পরমাণুতে একটি পরমাণু) মেশালে এতে বিপুল পরিমাণে মুক্ত ইলেক্ট্রন বা হোল সৃষ্টি হয়।
- ডোপায়নের ফলে এর পরিবাহিতা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।
- বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা বাড়ানোর জন্য এতে সামান্য পরিমাণে অপদ্রব্য যোগ করা হয়।
- ডোপায়নের মাধ্যমে n-type এবং p-type এই ২ ধরনের এক্সট্রিন্সিক সেমিকন্ডাক্টর তৈরি হয়। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
.
দূষণহীন শক্তি উৎস কোনটি?
  1. কয়লা
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. সৌরশক্তি
  4. পেট্রোল
ব্যাখ্যা
• সৌরশক্তি হলো দূষণহীণ শক্তি উৎস। 

• সৌরশক্তি:

- সৌরশক্তি (Solar Energy) হলো সূর্য থেকে আগত তাপ ও আলোক শক্তি।
- সৌর প্যানেলের মাধ্যমে সৌরশক্তি সংগ্রহ করে বিদ্যুতে রূপান্তর করা হয়। এটি একটি নবায়নযোগ্য এবং দূষণহীন শক্তি উৎস।

• সৌরশক্তির বৈশিষ্ট্য:
- বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড বা দূষিত গ্যাস ছড়ায় না।
- অত্যন্ত টেকসই ও নিরাপদ শক্তির উৎস।
- দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশবান্ধব ও খরচ সাশ্রয়ী।

• দূষণহীন শক্তি উৎস:
- দূষণহীন শক্তি উৎস হলো সেইসব শক্তি যা ব্যবহারের সময় বায়ু, মাটি বা পানি দূষণ করে না এবং গ্রিনহাউস গ্যাস (CO2, NOx) নির্গত করে না।
- এগুলো সাধারণত নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable Energy) হিসাবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র:
- International Energy Agency (IEA). 
- ব্রিটানিকা। 
.
জীবাশ্ম জ্বালানির সীমাবদ্ধতা কোনটি?
  1. সহজলভ্য
  2. নবায়নযোগ্য
  3. দূষণ
  4. উচ্চ উৎপাদনশীলতা
ব্যাখ্যা
• জীবাশ্ম জ্বালানি:  
- জীবাশ্ম জ্বালানি হলো এক প্রকার জ্বালানি যা মৃত গাছপালা এবং প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে লাখ লাখ বছর ধরে পৃথিবীর অভ্যন্তরে চাপা পড়ে তৈরি হয়।
- কয়লা, পেট্রোলিয়াম (তেল) এবং প্রাকৃতিক গ্যাস হলো জীবাশ্ম জ্বালানির প্রধান উদাহরণ। 

• জীবাশ্ম জ্বালানির প্রধান সীমাবদ্ধতাসমূহ:
- জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস) পোড়ানোর ফলে সৃষ্ট দূষণ এর সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা।
- এটি পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি:
→ বায়ুদূষণ:
- জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx) সহ নানা বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়।
→ জলবায়ু পরিবর্তন:
- দূষণের ফলে গ্রিনহাউস গ্যাস বৃদ্ধি পেয়ে গ্লোবাল ওয়ার্মিং ঘটায়।
→ স্বাস্থ্য ঝুঁকি:
- দূষণের কারণে মানুষের শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, হৃদরোগসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়।
→ সীমিত মজুদ:
- এগুলো অপুনরায় উৎপাদনযোগ্য নয়, তাই একবার ফুরিয়ে গেলে তা দ্রুত পুনরায় পাওয়া যায় না।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
.
ভেদন ক্ষমতার ক্ষেত্রে সঠিক ক্রম কোনটি?
  1. গামা < আলফা < বিটা
  2. আলফা < বিটা < গামা
  3. বিটা < গামা < আলফা
  4. গামা < বিটা < আলফা
ব্যাখ্যা
• ভেদন ক্ষমতার ক্ষেত্রে সঠিক ক্রম হলো আলফা < বিটা < গামা। 

• ভেদন ক্ষমতা:
- ভেদন ক্ষমতা (Penetrating Power) বলতে বোঝায় কোনো বিকিরণ পদার্থের কতটুকু গভীরে বা কতদূর ভেদ করে যেতে পারে।
- এটি নির্ভর করে কণার শক্তি, ভর ও আধান-এর উপর।

• তেজস্ক্রিয় পদার্থ হতে তিন ধরনের রশ্মি নির্গত হয়।
- আলফা
- বিটা
- গামা 

• আলফা কণার ধর্ম:
- আলফা কণার ধনাত্মক আধানযুক্ত। এর আধান 3.2 × 10-19 C । 
- এ কণা চৌম্বক ও তড়িৎক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয়।
- এ কণা তীব্র আয়নায়ন সৃষ্টি করতে পারে।
- এর ভর বেশি হওয়ায় ভেদনক্ষমতা কম।

• বিটা কণার ধর্ম:
- এ কণা ঋণাত্মক আধানযুক্ত। এর আধান 1.6 × 10 -19 C ।
- এ কণা চৌম্বক ও তড়িৎক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।
- এ কণা অত্যন্ত দ্রুত নির্গত হয়। এর দ্রুতি আলোর দ্রুতির শতকরা 98 ভাগ পর্যন্ত হতে পারে।
- এ কণা অতি উচ্চ দ্রুতিসম্পন্ন ইলেকট্রনের প্রবাহ। এর ভেদন ক্ষমতা আলফা ও গামা রশ্মির মাঝামাঝি। 

• গামা রশ্মির ধর্ম:
- এ রশ্মি আধান নিরপেক্ষ।
- এ রশ্মি তড়িৎ ও চৌম্বকক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয় না।
- এর বেগ আলোর বেগের সমান অর্থাৎ ৪.3 × 108 ms-1
- আলফা ও বিটা কণার চেয়ে এ রশ্মির ভেদনক্ষমতা বেশি। এটি কয়েক সেন্টিমিটার পুরু সীসার পাত ভেদ করে যেতে পারে।

• তিনটি বিকিরণের মধ্যে গামা রশ্মি সবচেয়ে বেশি ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। সবচেয়ে কম ভেদনক্ষমতা সম্পন্ন রশ্মি হলো আলফা। বিটা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা আলফা ও গামা রশ্মির মাঝামাঝি। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
.
সৌর সেলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কোন পদার্থ ব্যবহৃত হয়?
  1. সোনা
  2. তামা
  3. সিলিকন
  4. লোহা
ব্যাখ্যা
• সৌর কোষে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সিলিকন ব্যবহৃত হয়। 
 
• সৌর কোষ: 
- সৌর কোষ বা সৌর সেল হলো এক ধরনের ডিভাইস যা সূর্যের আলো (ফোটন) শোষণ করে এবং এটিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- সৌর সেল বা ফটোভোলটাইক কোষে সিলিকন (Si) ব্যবহৃত হয়, যা একটি অর্ধপরিবাহী (Semiconductor) পদার্থ।
- এটি সূর্যের আলোকে সরাসরি বিদ্যুতে রূপান্তর করে।

• সৌর সেলের কাজের পদ্ধতি:
- সূর্যের ফোটন সিলিকন পরমাণুতে আঘাত করে।
- ইলেকট্রন-হোল জোড় সৃষ্টি হয়।
- p-n জাংশনের বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র ইলেকট্রন প্রবাহ তৈরি করে।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
.
পারমাণবিক চুল্লিতে “কন্ট্রোল রড” এর কাজ কী?
  1. তাপ শোষণ
  2. নিউট্রন শোষণ করে বিভাজন নিয়ন্ত্রন
  3. তড়িৎ উৎপাদন
  4. জ্বালানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা
• পারমাণবিক চুল্লিতে কন্ট্রোল রড নিউট্রন শোষণ করে পারমাণবিক বিভাজন নিয়ন্ত্রণ করে। 
 
• কন্ট্রোল রড:
- পারমাণবিক চুল্লির কন্ট্রোল রড হল এমন একটি উপাদান যা পারমাণবিক চুল্লিতে নিউট্রন শোষণ করে পারমাণবিক বিভাজন (ফিশন) প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি চুল্লির মধ্যে শৃঙ্খল বিক্রিয়ার হার (চেইন রিয়াকশন) কমাতে বা বাড়াতে ব্যবহৃত হয়।

• পারমাণবিক চুল্লিতে নিউক্লিয়ার ফিশন (nuclear fission) অর্থাৎ নিউট্রনের সাহায্যে ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়ামের নিউক্লিয়াস বিভাজিত হয়ে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করে।
- এ প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে “কন্ট্রোল রড” ব্যবহার করা হয়।

• কন্ট্রোল রড সাধারণত বোরন (Boron), ক্যাডমিয়াম (Cadmium) বা হ্যাফনিয়াম (Hafnium)-এর মতো উপাদানে তৈরি, যা অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ করে।
- এর ফলে, ফিশন প্রতিক্রিয়ার হার কমানো বা বাড়ানো যায় — অর্থাৎ এটি চুল্লির নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করে।
- এই উপাদানগুলি নিউট্রন শোষণ করতে খুব কার্যকর।
- যখন রডগুলি চুল্লির মধ্যে প্রবেশ করানো হয়, তখন তারা নিউট্রন শোষণ করে এবং চেইন রিঅ্যাকশনকে ধীর করে দেয় বা বন্ধ করে দেয়।
- অন্যদিকে, রডগুলি বের করে নিলে চেইন রিঅ্যাকশন আরও দ্রুত হতে শুরু করে।
- এই রডগুলি পারমাণবিক চুল্লির ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করতে এবং চুল্লিটিকে নিরাপদ রাখতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
- International Atomic Energy Agency (IAEA) – Reactor Safety Guidelines.
.
পরমাণুর তেজস্ক্রিয় ভাঙ্গনের সময় কোনটি নির্গত হয় না?
  1. আলফা
  2. বিটা
  3. গামা
  4. ডেল্টা
ব্যাখ্যা
• পরমাণুর তেজস্ক্রিয় ভাঙ্গনের সময় ডেল্টা কণিকা নির্গত হয় না। 

• তেজস্ক্রিয় ভাঙন (Radioactive Decay):
- তেজস্ক্রিয় ভাঙন বা তেজস্ক্রিয় ক্ষয় হল একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি অস্থির পারমাণবিক নিউক্লিয়াস শক্তি হারায় এবং তেজস্ক্রিয় রশ্মি বা কণা নির্গত করে।

• পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভেঙে গেলে সাধারণত তিন ধরনের বিকিরণ নির্গত হয়:
- আলফা কণা (α),
- বিটা কণা (β),
- গামা রশ্মি (γ)।

• ডেল্টা (Δ) কণা তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ে কোনো সাধারণ বিকিরণ নয়।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
.
হাইড্রোইলেকট্রিক প্লান্টে জলীয়শক্তি কীসে রূপান্তরিত হয়?
  1. তাপ শক্তিতে
  2. আলোক শক্তিতে
  3. বৈদ্যুতিক শক্তিতে
  4. রাসায়নিক শক্তিতে
ব্যাখ্যা
• হাইড্রোইলেকট্রিক প্লান্টে জলীয়শক্তি বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

• হাইড্রোইলেক্ট্রিক প্ল্যান্ট:

- হাইড্রোইলেকট্রিক প্লান্ট হল এক ধরনের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র যেখানে পানিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

• সাধারণত, একটি উঁচু স্থান থেকে পানি ছেড়ে দিয়ে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
- এই টারবাইনগুলো জেনারেটরের সাথে যুক্ত থাকে এবং টারবাইনের ঘূর্ণনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। 

• কাজের ধাপ:
- উঁচু জলাধার থেকে পানি ছাড়া হয়। 
- পানির কারণে টারবাইন ঘুরে → গতিশক্তি উৎপন্ন হয়। 
- টারবাইন জেনারেটরের সাথে যুক্ত থাকে → জেনারেটর ঘুরে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। 

• হাইড্রোইলেকট্রিক প্লান্টে শক্তি রূপান্তরের ধারা:
জলীয়শক্তি → গতিশক্তি → যান্ত্রিক শক্তি → বৈদ্যুতিক শক্তি

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
.
আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ফাইবার অপটিক্স কিসের মাধ্যমে তথ্য প্রেরণ করে?
  1. তড়িৎ প্রবাহ
  2. বেতার তরঙ্গ
  3. আলোক সংকেত
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ফাইবার অপটিক্স:
- ফাইবার অপটিক্স একটি অত্যাধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তি যার ফলে আলোক সংকেতের মাধ্যমে তথ্য পাঠানো যায়।
- এতে প্লাস্টিক বা কাঁচের তৈরি পাতলা তন্তুর (fiber) মাধ্যমে আলো পাঠানো হয়, যা পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection) ব্যবহার করে দীর্ঘ দূরত্বে তথ্য বহন করে।

• ফাইবার অপটিক্স এর কাজের প্রক্রিয়া:
- তথ্য প্রথমে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করা হয়।
- এরপর সেই সংকেতকে আলোক সংকেতে (light signal) রূপান্তর করা হয়।
- আলোক সংকেতকে অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে পাঠানো হয়।
- গন্তব্যে পৌঁছে আলোক সংকেত আবার ডিজিটাল তথ্য হিসেবে রূপান্তরিত হয়।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা। 
১০.
সৌর কোষে শক্তি রূপান্তর প্রক্রিয়া কী নামে পরিচিত?
  1. তাপীয় প্রভাব
  2. ফটোভোলটাইক প্রভাব
  3. বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় আবেশ
  4. রাসায়নিক বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা
• সৌর কোষে শক্তি রূপান্তর প্রক্রিয়া ফটোভোলটাইক প্রভাব নামে পরিচিত। 

• সৌর কোষ: 
- সৌর কোষ (Solar cell) হলো এক ধরনের ডিভাইস যা আলোক শক্তিকে সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- এটি সাধারণত ফটোভোলটাইক প্রভাবের মাধ্যমে কাজ করে, যেখানে আলোকরশ্মি সৌর কোষের উপর পড়লে এটি বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। 

• গঠন:
- সৌর কোষ সাধারণত অর্ধপরিবাহী পদার্থ (যেমন সিলিকন) দিয়ে তৈরি হয়।
- এর মধ্যে দুটি স্তর থাকে, একটি p-টাইপ এবং অন্যটি n-টাইপ। এই দুটি স্তরের সংযোগস্থলে আলো পড়লে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।

• ব্যবহার:
- সৌর কোষ বিভিন্ন ধরনের কাজে ব্যবহার করা হয়, যেমন সৌর প্যানেল তৈরি করে বিদ্যুৎ উৎপাদন, পকেট ক্যালকুলেটরে শক্তি সরবরাহ করা, ইত্যাদি।

• ফটোভোলটাইক প্রভাব:
- সৌর কোষে আলো পড়লে, ইলেকট্রনগুলো তাদের স্বাভাবিক অবস্থা থেকে সরে গিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ সৃষ্টি করে। এই প্রক্রিয়াটিকেই আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া বা ফটোভোলটাইক প্রভাব বলা হয়।

• সৌর কোষে ফটোভোলটাইক প্রভাব (Photovoltaic Effect) হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সূর্যের আলো (ফোটন) সরাসরি বিদ্যুতে রূপান্তরিত হয়।
- এটি ১৮৩৯ সালে এডমন্ড বেকেরেল প্রথম আবিষ্কার করেন।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
১১.
p-n জাংশন এর অপর নাম কী?
  1. অর্ধপরিবাহী
  2. অর্ধপরিবাহী রেকটিফায়ার
  3. ট্রানজিস্টর
  4. ট্রায়োড
ব্যাখ্যা
• p-n জাংশন এর অপর নাম হলো অর্ধপরিবাহী রেকটিফায়ার। 

• অর্ধপরিবাহী রেকটিফায়ার:

- অর্ধপরিবাহী রেকটিফায়ার হলো এমন একটি p-n জাংশন ভিত্তিক ডিভাইস, যা AC (Alternating Current) কে DC (Direct Current)-তে রূপান্তর করে। এটি মূলত একটি অর্ধপরিবাহী ডায়োড।

• p-n জাংশন হলো একটি অর্ধপরিবাহী উপাদান যেখানে p-টাইপ এবং n-টাইপ উপাদান একসাথে যুক্ত থাকে।
- এটি একমুখী বৈদ্যুতিক প্রবাহে সহায়তা করে, অর্থাৎ এটি একদিকে বিদ্যুৎ যেতে দেয়, আরেকদিকে দেয় না।
- এই বৈশিষ্ট্যটির জন্য p-n জাংশনকে রেকটিফায়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, বিশেষ করে ডায়োড আকারে। তাই এর অপর নাম অর্ধপরিবাহী রেকটিফায়ার।

• বৈশিষ্ট্য:
→ একমুখী বিদ্যুৎ প্রবাহ:
- বিদ্যুৎ কেবল একদিকে প্রবাহিত হতে পারে (Forward Bias)। 
- বিপরীত দিকে বাধা দেয় (Reverse Bias)। 
→ গঠন:
- একটি p-টাইপ ও একটি n-টাইপ অর্ধপরিবাহী পদার্থ
→ কাজের ধরন:
- এসি → ডিসি রূপান্তর 

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
১২.
বিশ্বব্যাপী জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে আনার প্রধান কারণ কোনটি?
  1. অর্থনৈতিক সুবিধা
  2. রপ্তানি সমস্যা
  3. পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন
  4. উৎপাদন সমস্যা
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাপী জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে আনার প্রধান কারণ হলো পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা। 

• জীবাশ্ম জ্বালানি:

- জীবাশ্ম জ্বালানি হল কার্বন-ভিত্তিক দাহ্য উপাদান যা পৃথিবীর ভূত্বকের মধ্যে প্রাগৈতিহাসিক জীবের (উদ্ভিদ বা প্রাণী) অবশিষ্টাংশ থেকে গঠিত হয়।

• জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস) পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), মিথেন (CH4) ও নাইট্রাস অক্সাইড (N2O)-এর মতো গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হয়।
- এই গ্যাসগুলো বায়ুমণ্ডলে জমে গিয়ে গ্রিনহাউস প্রভাব সৃষ্টি করে, ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বেড়ে যায় — এটিকেই বলা হয় গ্লোবাল ওয়ার্মিং।

• এর ফলাফল:
- হিমবাহ গলা ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি। 
- খরা, বন্যা, ঝড়–ঝঞ্ঝার বৃদ্ধি। 
- কৃষিতে বিপর্যয়। 
- জীববৈচিত্র্যের হুমকি। 

• এর ফলে বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য শক্তি (যেমন সৌর, বায়ু, জলশক্তি) ব্যবহার বাড়ানোর প্রতি জোর দেওয়া হচ্ছে।

তথ্যসূত্র:
- সাধারন বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- IPCC Reports (Intergovernmental Panel on Climate Change).
- ব্রিটানিকা।
১৩.
ফিউশন বিক্রিয়ায় কোনটি ঘটে?
  1. একটি পরমাণু ভেঙ্গে দুইটি পরমাণু তৈরি হয়
  2. একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে নতুন পরমাণু গঠন করে
  3. একটি নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে প্রচণ্ড শক্তি সৃষ্টি হয়
  4. একাধিক পরমাণু ভেঙ্গে একাধিক পরমাণু গঠিত হয়
ব্যাখ্যা
• নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়ায় একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে নতুন পরমাণু গঠন করে। 

• নিউক্লিয়ার ফিশন:
- নিউক্লিয়ার ফিশন হলো এমন একটি পারমাণবিক বিক্রিয়া, যেখানে একটি ভারী নিউক্লিয়াস (যেমন ইউরেনিয়াম-235 বা প্লুটোনিয়াম-239) দুটি বা ততোধিক হালকা নিউক্লিয়াসে বিভক্ত হয় এবং এই প্রক্রিয়ায় নিউট্রন ও বিপুল শক্তি উৎপন্ন হয়।
• ব্যবহার:
- পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। 
- পারমাণবিক অস্ত্র (Atomic Bomb)। 

• নিউক্লিয়ার ফিউশন (Nuclear Fusion):
- নিউক্লিয়ার ফিউশন (Fusion) হলো এমন একটি পারমাণবিক বিক্রিয়া, যেখানে দুই বা ততোধিক হালকা নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াস তৈরি করে এবং এই প্রক্রিয়ায় বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়।

উদাহরণ:
সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রে প্রতিনিয়ত হাইড্রোজেন ফিউশন ঘটে, যার ফলে হিলিয়াম তৈরি হয় ও বিশাল শক্তি নির্গত হয়।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
১৪.
সর্বাপেক্ষা দক্ষতাসম্পন্ন ইঞ্জিন কোনটি?
  1. পেট্রোল ইঞ্জিন
  2. ডিজেল ইঞ্জিন
  3. বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন
  4. গ্যাস ইঞ্জিন
ব্যাখ্যা
• সর্বাপেক্ষা দক্ষতাসম্পন্ন ইঞ্জিন হলো বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন। 

• ইঞ্জিনের দক্ষতা:

- ইঞ্জিনের দক্ষতা বলতে বোঝায়, একটি ইঞ্জিন কতটুকু কার্যকরভাবে প্রদত্ত শক্তিকে কাজে রূপান্তর করতে পারে।
- এটি সাধারণত শতকরা হার হিসাবে প্রকাশ করা হয়।
- ইঞ্জিন যত বেশি দক্ষ হবে, তত কম শক্তি অপচয় করে সে বেশি কাজ করতে পারবে। 

• বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনের দক্ষতা বেশি হওয়ার কারণ:
→ শক্তির অপচয় কম:
- বৈদ্যুতিক মোটরগুলিতে জ্বালানি পোড়ানো হয় না, তাই তাপ শক্তির অপচয় হয় না। 
→ কম ঘর্ষণ:
- এতে চলন্ত অংশ কম থাকে, ফলে ঘর্ষণ ও শক্তি ক্ষয় কম হয়। 
→ উচ্চ দক্ষতা হার:  
- আধুনিক বৈদ্যুতিক মোটরের দক্ষতা ৯০–৯৫% পর্যন্ত হতে পারে। 
→ সরাসরি শক্তি রূপান্তর:
- বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন সরাসরি বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে, যেখানে অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিনগুলি প্রথমে জ্বালানি পোড়ানোর মাধ্যমে তাপ উৎপন্ন করে এবং তারপর সেই তাপকে কাজে লাগায়।
- এই কারণে বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনগুলির কর্মক্ষমতা বেশি হয়।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
- U.S. Department of Energy (DOE). 
১৫.
ইলেকট্রনিক্সের যাত্রা শুরু হয় কোনটির আবিষ্কারের মাধ্যমে?
  1. রোবট
  2. কম্পিউটার
  3. ট্রানজিস্টর
  4. টেলিভিশন
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টরের আবিষ্কারের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক্সের যাত্রা শুরু হয়। 
 
• ট্রানজিস্টর:
- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলা হয়।
- এটি ভ্যাকুয়াম টিউবের বিকল্প হিসেবে তৈরি হয়। 

• ১৯৪৭ সালে আমেরিকার Bell Laboratories–এ John Bardeen, Walter Brattain এবং William Shockley প্রথম ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন।
- ট্রানজিস্টর সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির ভিত্তি স্থাপন করে।
- এটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) এবং মাইক্রোপ্রসেসর-এর বিকাশের পথ তৈরি করে, যা আধুনিক কম্পিউটার, মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল ডিভাইসের মূল ভিত্তি।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- ব্রিটানিকা। 
১৬.
কোন উপাদানটি পেট্রোলিয়াম থেকে পাওয়া যায়?
  1. ইউরেনিয়াম
  2. প্যারাফিন
  3. ক্লোরিন
  4. আয়োডিন
ব্যাখ্যা
• প্যারাফিন পেট্রোলিয়াম থেকে পাওয়া যায়। 

• জীবাশ্ম জ্বালানি:
- জীবাশ্ম জ্বালানি হল এক প্রকার জ্বালানি যা কয়েক মিলিয়ন বছর ধরে মৃত উদ্ভিদ এবং প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে তৈরি হয়।

• পেট্রোলিয়াম:

- পেট্রোলিয়াম (Petroleum) হলো একটি প্রাকৃতিক তরল জ্বালানি যা বিভিন্ন হাইড্রোকার্বন যৌগের মিশ্রণ।
- পেট্রোলিয়াম সাধারণত ৫০০০ ফুট বা তার চেয়েও গভীরে শিলা স্তরের মধ্যে পাওয়া যায়।
- যে পেট্রোলিয়াম খনি থেকে সরাসরি পাওয়া যায় তাকে অপরিশোধিত তেল বা ক্রুড অয়েল বলা হয়। 
- এই পেট্রোলিয়াম মূলত বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ এবং সরাসরি ব্যবহার উপযোগী নয়। 
- এই অপরিশোধিত তেল আংশিক পাতন পদ্ধতিতে স্ফুটনাংকের উপর ভিত্তি করে পৃথক করা হয়। 

• পেট্রোলিয়াম থেকে প্রাপ্ত উপাদান:
- পেট্রোল, 
- ডিজেল, 
- কেরোসিন, 
- প্যারাফিন (Paraffin), 
- টার,
- গ্যাসোলিন, 
- বিটুমিন ইত্যাদি। 

• প্যারাফিন: 
- প্যারাফিন হলো এক প্রকারের মোম বা মোমের মতো পদার্থ, যা প্রধানত পেট্রোলিয়াম থেকে পাওয়া যায়। 
- প্যারাফিন একটি স্যাচুরেটেড হাইড্রোকার্বন (alkane)।
- এটি একটি হালকা জ্বালানিসমৃদ্ধ পদার্থ, যা মোম, জ্বালানিতে, ওষুধ তৈরিতে এবং কসমেটিকে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- ব্রিটানিকা।
১৭.
রান্নার সিলিন্ডারে সাধারণত কোন গ্যাস ব্যবহৃত হয়?
  1. মিথেন
  2. বিউটেন
  3. হেক্সেন
  4. অকটেন
ব্যাখ্যা
• রান্নার সিলিন্ডারে প্রোপেন ও বিউটেন গ্যাসের মিশ্রণ ব্যবহৃত হয়।

• LPG:

- রান্নার চুলার সিলিন্ডারে যে গ্যাস ব্যবহৃত হয়, তাকে বলা হয় এলপিজি (LPG – Liquefied Petroleum Gas)।

• এলপিজি মূলত দুটি গ্যাসের মিশ্রণ:
- ৩০% প্রোপেন, 
- ৭০% বিউটেন। 

বিউটেন হলো একটি হাইড্রোকার্বন, যার রাসায়নিক সংকেত C4H10
- এটি একটি স্যাচুরেটেড অ্যালকেন গ্যাস, স্বাভাবিক তাপমাত্রায় গ্যাস কিন্তু চাপ প্রয়োগ করলে সহজেই তরলে রূপান্তরিত হয়।

• বিউটেন ব্যবহারের কারণ- 

- এটি তরল অবস্থায় সহজে সংরক্ষণযোগ্য, 
- দ্রুত জ্বলে, 
- প্রচুর তাপ উৎপন্ন করে, 
- কম বিষাক্ত। 

তথ্যসূত্র:
- Bangladesh Petroleum Corporation (BPC). 
- ব্রিটানিকা।