পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. কম্পিউটার পেরিফেরালস: ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইসসমূহ - কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর (OCR) ইত্যাদি। ২. কম্পিউটারের অঙ্গ-সংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, ALU, BIOS, পাওয়ার সিস্টেম ইত্যাদি। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]। -------------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের তুলনায় এসএসডি সাধারণত কেমন?
  1. ধীরে চলে কিন্তু দামে কম
  2. দ্রুত চলে তবে দাম বেশি
  3. বেশি স্টোরেজ ক্ষমতা ও সস্তা
  4. ধীরগতির হলেও টেকসই
সঠিক উত্তর:
দ্রুত চলে তবে দাম বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রুত চলে তবে দাম বেশি
ব্যাখ্যা

• হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের তুলনায় এসএসডি সাধারণত অনেক দ্রুত কাজ করে, কারণ এতে কোনো যান্ত্রিক অংশ নেই এবং ডেটা সরাসরি ফ্ল্যাশ মেমরিতে সংরক্ষণ হয়। ফলে কম্পিউটার অন করা, সফটওয়্যার চালানো এবং ফাইল কপি করার সময় এসএসডি দ্রুত সাড়া দেয়। তবে এর দাম এখনও হার্ড ডিস্কের তুলনায় বেশি এবং একই মূল্যে হার্ড ডিস্কে বেশি স্টোরেজ পাওয়া যায়। এসএসডি তুলনামূলকভাবে আঘাত-সহনশীল হলেও স্টোরেজ ক্ষমতার দিক থেকে হার্ড ডিস্ক এগিয়ে। তাই সাধারণভাবে বলা যায়, এসএসডি দ্রুত চলে তবে দাম বেশি। 

​SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

SSD ও HDD:
SSD: ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে, দ্রুতগতি, কম বিদ্যুৎ খরচ, কম তাপ উৎপাদন।
HDD: চৌম্বকীয় ডিস্ক ব্যবহার করে, তুলনামূলক ধীরগতি, যান্ত্রিক অংশ রয়েছে।

উৎস: Avast website.

.
আধুনিক কম্পিউটারে প্রধান মেমরি হিসেবে সাধারণত কোন ধরনের RAM ব্যবহার করা হয়?
  1. SRAM
  2. EEPROM
  3. DRAM
  4. Flash Memory
সঠিক উত্তর:
DRAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DRAM
ব্যাখ্যা

• আধুনিক কম্পিউটারে প্রধান মেমরি হিসেবে সাধারণত DRAM (Dynamic RAM) ব্যবহার করা হয়। DRAM-এ প্রতিটি ডেটা বিট একেকটি ক্যাপাসিটরে সংরক্ষিত থাকে এবং সময়ে সময়ে রিফ্রেশ করতে হয়, তাই একে “ডাইনামিক” বলা হয়। এর নির্মাণ খরচ তুলনামূলকভাবে কম এবং ঘনত্ব বেশি হওয়ায় অল্প স্থানে বিপুল পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ সম্ভব। যদিও এর গতি SRAM-এর তুলনায় ধীর, তবুও দাম কম এবং স্টোরেজ ক্ষমতা বেশি হওয়ার কারণে DRAM-ই RAM হিসেবে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) DRAM.
 
• র‍্যাম (RAM):
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‍্যাম এলাকা গঠিত।
- র‍্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‍্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‍্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভাবে থাকে।
- এজন্য র‍্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
- কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র‍্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে যায়। তাই র‍্যামকে ভোলাটাইল বলা হয়।
- র‍্যামের ধারণ ক্ষমতা বেশি হলে কম্পিউটারের কাজ করার ক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
- কাজের গতি বাড়ানোর জন্য র‍্যাম ক্যাশ (RAM Cache) ব্যবহার করা হয়।
- র‍্যাম ক্যাশ র‍্যামের অংশ বিশেষ।

• র‍্যাম দুই ধরনের:
- DRAM (Dynamic RAM),
- SRAM (Static RAM).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিচের কোনটি QWERTY লেআউট সম্পর্কে সত্য নয়?
  1. এটি টাইপরাইটারের জন্য নকশা করা হয়েছিল
  2. এটি সারা বিশ্বে ব্যবহৃত হয়
  3. এটি ১৯শ শতকে তৈরি করা হয়েছিল
  4. এটি বর্ণানুক্রমে সাজানো
সঠিক উত্তর:
এটি বর্ণানুক্রমে সাজানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি বর্ণানুক্রমে সাজানো
ব্যাখ্যা

• QWERTY লেআউট হলো একটি কীবোর্ড বিন্যাস যা মূলত টাইপরাইটারের জন্য নকশা করা হয়েছিল এবং এটি ১৯শ শতকে তৈরি হয়। বর্তমানে এটি সারা বিশ্বে কম্পিউটার ও মোবাইল কীবোর্ডে বহুল ব্যবহৃত। তবে এর অক্ষর বিন্যাস বর্ণানুক্রমে সাজানো নয়; বরং এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে টাইপ করার সময় যান্ত্রিক টাইপরাইটারের চাবি আটকে না যায়। তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে "এটি বর্ণানুক্রমে সাজানো" কথাটি সত্য নয়। অর্থাৎ সঠিক উত্তর হলো ঘ) এটি বর্ণানুক্রমে সাজানো।
 
• নিউমারিক কী:
- (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে।
- QWERTY কী-বোর্ডে ১৭ টি নিউম্যারিক কী থাকে।

• মডিফায়ার কী:
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।

• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়। যেমন- Arrow keys, Home key, Delete, insert ইত্যাদি।

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
- ফাংশন কী (F1 থেকে F12)-এর প্রধান কাজ হলো বিভিন্ন প্রোগ্রামে বিশেষ ধরনের বা পূর্বনির্ধারিত নির্দেশ দেওয়া। যেমন, F1 কী সাধারণত যেকোনো প্রোগ্রামের 'Help' মেনু চালু করে, F5 কী ব্রাউজার রিফ্রেশ করতে ব্যবহৃত হয় এবং Alt+F4 উইন্ডো বন্ধ করে। এদের কাজ প্রোগ্রামভেদে পরিবর্তিত হতে পারে।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২. ব্রিটানিকা।

.
কোন নন-ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার প্রযুক্তি কাগজে কালি ছিটিয়ে প্রিন্ট করে?
  1. Laser Printer
  2. Inkjet Printer 
  3. Thermal Printer
  4. Dot Matrix Printer
সঠিক উত্তর:
Inkjet Printer 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inkjet Printer 
ব্যাখ্যা

• নন-ইমপ্যাক্ট প্রিন্টারের মধ্যে ইঙ্কজেট প্রিন্টার (Inkjet Printer) কাগজে কালি ছিটিয়ে প্রিন্ট করে। এই প্রযুক্তিতে সূক্ষ্ম নোজল বা ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে তরল কালি খুব ক্ষুদ্র বিন্দু আকারে কাগজের উপর ছিটানো হয়। কালি বিন্দুগুলি নির্দিষ্ট জায়গায় সঠিকভাবে বসে লেখার বা ছবির আকার তৈরি করে। এর ফলে প্রিন্টের মান অনেক পরিষ্কার, রঙিন এবং উচ্চ রেজোলিউশনের হয়। যেহেতু এটি নন-ইমপ্যাক্ট প্রযুক্তি, তাই প্রিন্টিংয়ের সময় শব্দ কম হয়। ইঙ্কজেট প্রিন্টার সাধারণত ঘরোয়া ও অফিসের কাজে ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি কম খরচে উচ্চ মানের প্রিন্ট প্রদান করতে সক্ষম।

• প্রিন্টার:
- প্রিন্টার কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটারের সঙ্গে ব্যবহৃত যত যন্ত্র আছে তাদের মধ্যে প্রিন্টার বহুল ব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্র।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়।
- কার্যপ্রণালী অনুসারে প্রিন্টারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি কম থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- লাইন প্রিন্টার ও অক্ষর প্রিন্টার।

২. নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন: লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ক্যাশ মেমোরি সাধারণত:
  1. শুধুমাত্র সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত
  2. র‍্যামের সমান গতি
  3. র‍্যামের চেয়ে ধীর
  4. র‍্যামের চেয়ে দ্রুত
সঠিক উত্তর:
র‍্যামের চেয়ে দ্রুত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যামের চেয়ে দ্রুত
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমোরি হলো এক ধরনের উচ্চগতির মেমোরি যা সাধারণত প্রসেসরের ভেতরে বা খুব কাছাকাছি অবস্থান করে। এটি মূলত ব্যবহৃত হয় বারবার প্রয়োজনীয় ডেটা বা নির্দেশ দ্রুত প্রসেসরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য। ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের তুলনায় অনেক দ্রুত কাজ করে, কারণ এর অ্যাক্সেস টাইম কম এবং প্রসেসরের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে। যদিও র‍্যামের ক্ষমতা বেশি, কিন্তু এর গতি তুলনামূলকভাবে ধীর। তাই প্রসেসরের পারফরম্যান্স বাড়াতে ক্যাশ মেমোরি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো: ঘ) র‍্যামের চেয়ে দ্রুত।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

.
ফার্মওয়্যার সাধারণত কোথায় সংরক্ষিত থাকে:
  1. র‍্যাম (RAM)
  2. রম (ROM) বা ফ্ল্যাশ মেমোরি
  3. বাহ্যিক হার্ড ড্রাইভ
  4. ক্লাউড সার্ভার
সঠিক উত্তর:
রম (ROM) বা ফ্ল্যাশ মেমোরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রম (ROM) বা ফ্ল্যাশ মেমোরি
ব্যাখ্যা

• ফার্মওয়্যার হলো কোনো ডিভাইসের হার্ডওয়্যারকে পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় স্থায়ী সফটওয়্যার, যা সাধারণত র‌্যাম বা বাহ্যিক স্টোরেজে নয় বরং রম (ROM) বা ফ্ল্যাশ মেমোরিতে সংরক্ষিত থাকে। কারণ র‌্যাম অস্থায়ী এবং বিদ্যুৎ চলে গেলে ডেটা মুছে যায়, আর হার্ড ড্রাইভ বা ক্লাউড সার্ভার ফার্মওয়্যারের জন্য উপযুক্ত নয়, যেহেতু ডিভাইস চালু হতে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে ফার্মওয়্যার দরকার হয়। তাই নির্মাতারা ফার্মওয়্যার স্থায়ীভাবে রম বা ফ্ল্যাশ মেমোরিতে সংরক্ষণ করেন, যাতে ডিভাইস চালু হওয়ার সময় এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হতে পারে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো— রম (ROM) বা ফ্ল্যাশ মেমোরি।

ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS).
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ৷
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।

.
কন্ট্রোল ইউনিটের কাজ নয়:
  1. নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা
  2. তথ্যের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা
  3. নির্দেশাবলী ডিকোড করা
  4. অ্যারিথমেটিক কাজ করা
সঠিক উত্তর:
অ্যারিথমেটিক কাজ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যারিথমেটিক কাজ করা
ব্যাখ্যা

• কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit) হলো সিপিইউ-এর (CPU) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যার কাজ হলো নির্দেশনা ডিকোড করা, প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা এবং তথ্যের সঠিক প্রবাহ নিশ্চিত করা। এটি মেমরি, ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস এবং সিপিইউ-এর অন্যান্য অংশের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে। তবে কন্ট্রোল ইউনিট সরাসরি কোনো গণিত বা লজিক্যাল কাজ সম্পন্ন করে না। এসব কাজ করার দায়িত্ব অ্যারিথমেটিক অ্যান্ড লজিক ইউনিটের (ALU) ওপর। অর্থাৎ, কন্ট্রোল ইউনিট অ্যারিথমেটিক কাজ করে না, বরং ALU-কে সেই কাজের নির্দেশনা দেয়। তাই "অ্যারিথমেটিক কাজ করা" কন্ট্রোল ইউনিটের কাজ নয়।
 
• কম্পিউটার সংগঠন:
- কম্পিউটার  সংগঠন বলতে মূলত হার্ডওয়্যার এর সংগঠনকেই বোঝায়। 

• কম্পিউটার সংগঠনের ৫ টি অংশ রয়েছে। যথা-
- ইনপুট ইউনিট,
- কন্ট্রোল ইউনিট,
- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট,
- মেমোরি ইউনিট,
- আউটপুট ইউনিট। 

• কন্ট্রোল ইউনিট:
- একটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের যে অংশ কম্পিউটারের কার্যাবলীর নির্দেশনা দেয় তাকে Control Unit বা নিয়ন্ত্রণ অংশ বলা হয়।

• কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি হতে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- মেমোরি ও গাণিতিক যুক্তি ইউনিটের (ALU) মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit)। 
- কন্ট্রোল ইউনিট মেমোরি থেকে ডেটা সংগ্রহ করে এবং ALU কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করে, যা ডেটার উপর গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজ করে থাকে।
- এরপর, ALU ফলাফল মেমরিতে সংরক্ষণ করে। 
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমোরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি করা।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
প্যারালাল পোর্টকে আর কী নামে চেনা যায়?
  1. HDMI port
  2. Ethernet port
  3. USB port
  4. Printer port
সঠিক উত্তর:
Printer port
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Printer port
ব্যাখ্যা

• প্যারালাল পোর্টকে সাধারণত প্রিন্টার পোর্ট (Printer Port) হিসেবেও চেনে। এটি মূলত কম্পিউটার এবং প্রিন্টারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই পোর্টটি একসাথে একাধিক বিট পাঠাতে সক্ষম, তাই একে “প্যারালাল” বলা হয়। পূর্বে প্রিন্টার সংযোগের জন্য এটি সবচেয়ে প্রচলিত পোর্ট ছিল। USB পোর্ট, HDMI পোর্ট বা Ethernet পোর্টের সাথে এটি ভিন্ন, কারণ USB ও HDMI সিরিয়াল পদ্ধতিতে ডেটা পাঠায়, আর Ethernet মূলত নেটওয়ার্ক সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, প্যারালাল পোর্টকে সবচেয়ে সঠিকভাবে Printer Port হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।
 
• প্যারালাল পোর্ট (Parallel Port):
- প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিন বিশিষ্ট হয়।
- এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
- প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপটিক্যাল ড্রাইভ ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
যদি একটি CPU-এর ৪টি কোরের বদলে ৮টি কোর থাকে, তবে তা তাত্ত্বিকভাবে কী করতে পারে?
  1. ঘড়ির গতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়ানো
  2. স্টোরেজ ক্ষমতা দ্বিগুণ করা
  3. একসাথে দ্বিগুণ সংখ্যক কাজ চালানো 
  4. সফটওয়্যার বাগ কমানো
সঠিক উত্তর:
একসাথে দ্বিগুণ সংখ্যক কাজ চালানো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একসাথে দ্বিগুণ সংখ্যক কাজ চালানো 
ব্যাখ্যা

•  একটি CPU-এর কোর সংখ্যা বাড়ালে তা সরাসরি ঘড়ির গতি বা স্টোরেজ ক্ষমতা বাড়ায় না। কোর হলো CPU-এর স্বাধীন প্রসেসিং ইউনিট, যা একসাথে আলাদা কাজ (threads) সম্পন্ন করতে পারে। তাই ৪টির পরিবর্তে ৮টি কোর থাকলে তাত্ত্বিকভাবে CPU একসাথে দ্বিগুণ সংখ্যক কাজ চালাতে সক্ষম হবে। এটি মাল্টি-টাস্কিং এবং সমান্তরাল প্রক্রিয়াকরণকে উন্নত করে, যার ফলে বড় বড় প্রোগ্রাম বা একাধিক অ্যাপ্লিকেশন একই সময়ে দ্রুত কাজ করতে পারে। তবে কোর বাড়ানো সফটওয়্যার বাগ কমায় না; বাগ মূলত প্রোগ্রামিং বা লজিক ত্রুটির কারণে হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: গ) একসাথে দ্বিগুণ সংখ্যক কাজ চালানো।

প্রসেসর: 
- প্রসেসরকে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়, কারণ কম্পিউটারের সব গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম এর মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়।
- কম্পিউটারের মূল চালিকাশক্তি হলো এই সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) বা প্রসেসর। 
- অনেক সময় সিস্টেম ইউনিটকে ভুলবশত CPU বলা হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে CPU হলো সেই ছোট্ট চিপ, যা কেন্দ্রীয়ভাবে সমস্ত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে। আকারে ছোট হলেও এর কর্মক্ষমতা অত্যন্ত শক্তিশালী।
- কম্পিউটারের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা অনেকাংশে প্রসেসরের গতি ও মানের উপর নির্ভরশীল।
- আধুনিক প্রসেসর একাধিক কোর-এর সমন্বয়ে তৈরি, যা মাল্টিটাস্কিং করতে সক্ষম। অর্থাৎ একাধিক প্রোগ্রাম বা কাজ একই সাথে দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, ব্যাচেলর অব এডুকেশন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
BIOS-এর প্রেক্ষিতে POST বলতে কী বোঝায়?
  1. Power-On Self Test
  2. Peripheral Output System Tool
  3. Primary Operating System Test
  4. Peripheral Onboard System Technology
সঠিক উত্তর:
Power-On Self Test
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Power-On Self Test
ব্যাখ্যা

• BIOS-এর প্রেক্ষিতে POST হলো Power-On Self Test। এটি কম্পিউটার চালু করার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদিত একটি পরীক্ষা। যখন ম্পিউটার পাওয়ার অন করা হয়, BIOS প্রথমেই POST চালায় এবং হার্ডওয়্যার যেমন RAM, কীবোর্ড, হার্ডডিস্ক, গ্রাফিক্স কার্ড ইত্যাদির স্বাভাবিক কার্যকারিতা পরীক্ষা করে। যদি কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়, তবে কম্পিউটার বীপ বা স্ক্রিনে ত্রুটির বার্তা দেখায়। POST-এর মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় যে সিস্টেম ঠিকভাবে কাজ করতে সক্ষম এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য প্রস্তুত। এটি কম্পিউটারের প্রাথমিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সঠিক উত্তর: ক) Power-On Self Test.

• BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হলো BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১১.
GUI-এর মূল কাজ কী?
  1. কোড ঠিকভাবে কম্পাইল করা
  2. কমান্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালানো
  3. প্রোগ্রামিং আরও দ্রুত করা
  4. ব্যবহারকারীদের সিস্টেম দেখেই নিয়ন্ত্রণ করতে দেয়া
সঠিক উত্তর:
ব্যবহারকারীদের সিস্টেম দেখেই নিয়ন্ত্রণ করতে দেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যবহারকারীদের সিস্টেম দেখেই নিয়ন্ত্রণ করতে দেয়া
ব্যাখ্যা

• GUI বা গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস-এর মূল কাজ হলো ব্যবহারকারীর জন্য কম্পিউটার সিস্টেমের সঙ্গে ইন্টারঅ্যাকশনকে সহজ ও স্বজ্ঞাত করা। এটি টেক্সট-ভিত্তিক কমান্ডের পরিবর্তে চিত্র, বাটন, আইকন, মেনু এবং উইন্ডোর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাজকে দৃষ্টিনন্দন ও সুবিধাজনক করে তোলে। ব্যবহারকারী সরাসরি মাউস বা টাচের মাধ্যমে সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, কোড বা কমান্ডের জটিলতা সম্পর্কে চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। ফলে ব্যবহারকারীরা তাদের কাজের উপর বেশি মনোনিবেশ করতে পারে এবং কম্পিউটার পরিচালনা সহজভাবে করতে পারে। তাই GUI-এর মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যবহারকারীদের সিস্টেম দেখেই নিয়ন্ত্রণ করতে দেয়া।

• GUI:
- GUI এর পূর্ণরূপ হলো Graphical User Interface.
- GUI হলো অপারেটিং সিস্টেমের কমান্ড প্রদানের একটি ধরন বা পদ্ধতি যেখানে কমান্ড প্রদানের জন্যে চিত্র ব্যবহার করা হয়।
- কম্পিউটারের সাথে পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোর যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ইন্টারফেস বলে।
- GUI-এর ক্ষেত্রে, ইন্টারফেস বলতে ব্যবহারকারী ও সিস্টেমের মধ্যকার সংযোগকেই বোঝানো হয়।
- MacOS ও Windows হলো চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
একবার একটি PROM প্রোগ্রাম করা হলে, এটি:
  1. পরিবর্তন করা যায় না
  2. UV আলো দিয়ে মুছে ফেলা যায়
  3. বৈদ্যুতিকভাবে পুনঃপ্রোগ্রাম করা যায়
  4. স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয়
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তন করা যায় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তন করা যায় না
ব্যাখ্যা

• একবার একটি PROM (Programmable Read-Only Memory) প্রোগ্রাম করা হলে, এটি পরবর্তীতে পরিবর্তন করা যায় না। PROM একটি ধরনের রিড-ওনলি মেমোরি যা ব্যবহারকারীর দ্বারা একবার প্রোগ্রাম করা যায়। একবার ডেটা লেখা হয়ে গেলে, সেটি স্থায়ীভাবে সঞ্চিত থাকে এবং সাধারণভাবে পুনঃলিখন সম্ভব নয়। PROM কে সরাসরি বৈদ্যুতিকভাবে বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট করা যায় না। তবে, এর বিশেষ ধরনের সংস্করণ, যেমন EPROM (Erasable Programmable ROM), UV আলো দিয়ে মুছে ফেলা যায়, কিন্তু সাধারণ PROM-এর ক্ষেত্রে এই সুবিধা নেই। তাই PROM-এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো একবার প্রোগ্রাম করলে তা স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করা যায় না।

উত্তর: ক) পরিবর্তন করা যায় না।

• ভোলাটাইল মেমোরি (Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।
- যেমন: RAM.

• নন-ভোলাটাইল মেমরি (Non-Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় না তাকে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলে।
- যেমন- ROM.

• পিরম (PROM):
- PROM-এর পূর্ণরূপ হলো Programmable Read Only Memory.
- সাধারণত বাজারে যে সমস্ত প্রোগ্রাম করা রম পাওয়া যায় তাতে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী সমস্ত কাজ হয় না। এসব ক্ষেত্রে PROM ব্যবহার করা হয়।
- PROM কে একবার প্রোগ্রাম করা হলে পুনঃ প্রোগ্রামের কোনো সুযোগ থাকে না।
- এ ধরনের রমে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য নষ্ট হয় না।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM):
- SRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Static Random Access Memory.
- এ ধরনের মেমোরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারনকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।

• ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM):
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
MICR প্রধানত কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. পাসপোর্ট মুদ্রণ
  2. ক্রেডিট কার্ড এনকোডিং
  3. ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণ
  4. বারকোড স্ক্যানিং
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণ
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) প্রযুক্তি প্রধানত ব্যাংকিং খাতে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে চেক প্রক্রিয়াকরণের জন্য। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা চেকের নীচে থাকা সংখ্যা এবং তথ্যকে চৌম্বকীয় কালি দিয়ে মুদ্রণ করে, যাতে মেশিন সহজে তা পড়তে পারে। এই পদ্ধতি দ্রুত এবং সঠিকভাবে চেকের তথ্য শনাক্ত করতে সাহায্য করে, যেমন চেক নম্বর, ব্যাংক কোড এবং শাখার তথ্য। MICR ব্যবহার করলে ত্রুটির সম্ভাবনা কমে এবং লেনদেন প্রক্রিয়ার সময়ও কমে। তাই এটি সাধারণত ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে অপরিহার্য, পাসপোর্ট, ক্রেডিট কার্ড বা বারকোডের জন্য নয়।

সঠিক উত্তর: গ) ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণ।

• MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৪.
EEPROM সম্পর্কে নিচের কোন বিবৃতি সঠিক?
  1. বৈদ্যুতিকভাবে মুছে পুনরায় প্রোগ্রাম করা সম্ভব 
  2. পাওয়ার বন্ধ হলে তথ্য হারায়
  3. একবার প্রোগ্রাম করা ছাড়া আর কিছু করা যায় না
  4. এটি ভলাটাইল মেমরি
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যুতিকভাবে মুছে পুনরায় প্রোগ্রাম করা সম্ভব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যুতিকভাবে মুছে পুনরায় প্রোগ্রাম করা সম্ভব 
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: ক) বৈদ্যুতিকভাবে মুছে পুনরায় প্রোগ্রাম করা সম্ভব।

EEPROM (Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory) একটি নন-ভলাটাইল মেমরি, যার অর্থ পাওয়ার বন্ধ হলেও এতে থাকা তথ্য সংরক্ষিত থাকে। এটি বিশেষভাবে ডিজাইন করা যাতে ব্যবহারকারী বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে ডেটা মুছে নতুন ডেটা লিখতে পারে, তাই এটি পুনরায় প্রোগ্রামযোগ্য। অন্য অপশন গুলো ভুল কারণ, খ) পাওয়ার বন্ধে তথ্য হারায়—এটি কেবল ভলাটাইল মেমরির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। গ) একবার প্রোগ্রাম করা যায়, কিন্তু পরে আর কিছু করা যায় না—এটি শুধুমাত্র সাধারণ PROM-এর বৈশিষ্ট্য। ঘ) ভলাটাইল মেমরি—EEPROM ভলাটাইল নয়।

• ইইপিরম (EEPROM):
- EEPROM-এর পূর্ণরূপ হলো Electrically Erasable Programmable Read Only Memory.
- EPROM-এর অসুবিধা হলো এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছতে বেশি সময়, অর্থাৎ প্রায় আধা-ঘন্টা সময় লাগে এবং আংশিকভাবে কোনো তথ্য মোছা যায় না। এ ধরনের অসুবিধা দূর করার জন্যই মূলত EEPROM ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের রমের আংশিক বা সম্পূর্ণ ডেটা মোছা যায়। তবে তথ্য মুছতে EEPROM কে সার্কিট থেকে খুলতে হয় না বরং প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়।
- অবশ্য সংরক্ষিত তথ্য মুছতে EPROM-এর তুলনায় অনেক কম সময় লাগে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
কম্পিউটারের রেজিস্টার বলতে কী বোঝায়?
  1. নেটওয়ার্কের যন্ত্র
  2. সফটওয়্যার প্রোগ্রাম
  3. সেকেন্ডারি মেমোরির ধরন
  4. CPU-এর মধ্যে থাকা ক্ষুদ্র ও দ্রুতগতির স্টোরেজ
সঠিক উত্তর:
CPU-এর মধ্যে থাকা ক্ষুদ্র ও দ্রুতগতির স্টোরেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CPU-এর মধ্যে থাকা ক্ষুদ্র ও দ্রুতগতির স্টোরেজ
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের রেজিস্টার হলো CPU-এর মধ্যে থাকা ক্ষুদ্র ও দ্রুতগতির স্টোরেজ। এটি প্রধানত প্রসেসরের ভিতরে ডেটা বা নির্দেশ সংরক্ষণ ও দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য ব্যবহৃত হয়। রেজিস্টারগুলো খুব সীমিত পরিমাণের হয়, কিন্তু RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুত। প্রোগ্রাম চালানোর সময় অস্থায়ী তথ্য, হিসাবের ফলাফল, বা পরবর্তী নির্দেশের ঠিকানা রেজিস্টারে রাখা হয়। এর ফলে CPU তথ্য প্রক্রিয়াকরণে দেরি কম হয় এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সংক্ষেপে, রেজিস্টার হলো একটি উচ্চগতির, ক্ষুদ্র মেমোরি যা প্রসেসরের কার্যকারিতাকে দ্রুততর করে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) CPU-এর মধ্যে থাকা ক্ষুদ্র ও দ্রুতগতির স্টোরেজ।
 
• ইন্টারনাল মেমরি:
- কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরিকে বোঝানো হয়।

• রেজিস্টার:
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
কম্পিউটার মাউসে DPI-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Data Processing Input
  2. Digital Pointer Interface
  3. Dots Per Inch
  4. Direct Pointer Integration
সঠিক উত্তর:
Dots Per Inch
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dots Per Inch
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার মাউসের DPI-এর পূর্ণরূপ হলো Dots Per Inch. এটি মাউসের সংবেদনশীলতা বা সেন্সর দক্ষতার একটি পরিমাপ। সহজভাবে বলতে গেলে, DPI নির্দেশ করে মাউস কত দ্রুত বা কতটা দূরত্বে কার্সর স্ক্রিনে চলবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি মাউসের DPI বেশি হয়, তবে সামান্য শারীরিক আন্দোলনে কার্সর বড় দূরত্বে স্থানান্তরিত হবে, আর কম DPI হলে কার্সরের গতি ধীরে ধীরে হবে। খেলাধুলা বা গ্রাফিক ডিজাইনের কাজের জন্য উচ্চ DPI সুবিধাজনক, কারণ এটি দ্রুত ও নির্ভুল নিয়ন্ত্রণ প্রদান করে। তাই মাউসের DPI ব্যবহারকারীর সুবিধা ও কার্যক্ষমতার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। সঠিক উত্তর হলো গ) Dots Per Inch.

• মাউস:
- মাউস হলো হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ইঁদুর সদৃশ একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।
- মাউস পয়েন্টারকে মনিটর স্ক্রীনের যে কোন জায়গায় মুভ করানোকে পয়েন্টিং বলা হয়।
- মাউস কী বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- আমেরিকান উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট মাউস আবিষ্কার করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৭.
কীবোর্ডে End কী-এর প্রধান কাজ কী?
  1. কার্সরকে লাইনের শেষের দিকে নিয়ে যায়
  2. কার্সরকে লাইনের শুরুতে নিয়ে যায়
  3. বর্তমান শব্দটি মুছে ফেলে
  4. টাস্ক ম্যানেজার খুলে
সঠিক উত্তর:
কার্সরকে লাইনের শেষের দিকে নিয়ে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্সরকে লাইনের শেষের দিকে নিয়ে যায়
ব্যাখ্যা

• কীবোর্ডের End কী মূলত কার্সরকে লাইনের শেষের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন আপনি কোনো টেক্সট এডিটরে কাজ করছেন, কার্সর সাধারণত যেখানেই থাকে, End কী চাপলে তা উক্ত লাইনের শেষে সরাসরি চলে যায়, ফলে দ্রুত সম্পাদনা বা নোট নেওয়া সহজ হয়। এটি বিশেষভাবে দীর্ঘ লাইন বা ডকুমেন্টে সময় বাঁচাতে সাহায্য করে। End কী সাধারণত Home কী-এর বিপরীত, যা কার্সরকে লাইনের শুরুতে নিয়ে যায়। সুতরাং, End কী-এর প্রধান কাজ হলো কার্সরকে লাইনের শেষের দিকে দ্রুত ন্যাভিগেট করা, এবং এটি কোনো শব্দ মুছতে বা টাস্ক ম্যানেজার খোলার জন্য ব্যবহার করা হয় না।

সঠিক উত্তর: ক) কার্সরকে লাইনের শেষের দিকে নিয়ে যায়।

• নেভিগেশন কী:
- নেভিগেশন কী সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়।

• নেভিগেশন কী ১০টি। যথা:
- Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arros Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত।

• কন্ট্রোল কী:
- কীবোর্ডের মাধ্যমে কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের নির্দেশ প্রদানের জন্য কন্ট্রোল কীসমূহ ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: Ctrl, Alt, the Windows logo key ইত্যাদি।

• মডিফায়ার কী:
- এই কী-গুলো একা বা অন্য কোনো কী-এর সাথে মিলে কাজ সম্পাদন করতে পারে।
- যেমন: Shift, Ctrl, Alt.

• নিউমেরিক কী প্যাড:
- 0-9 এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত ১৭টি নিউমেরিক কী রয়েছে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Microsoft website.

১৮.
কম্পিউটারে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ডের আরেকটি সাধারণ নাম কী?
  1. RAM
  2. Hard Drive
  3. CPU
  4. Motherboard
সঠিক উত্তর:
Motherboard
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Motherboard
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ডকে সাধারণত মাদারবোর্ড (Motherboard) বলা হয়। এটি হলো পুরো কম্পিউটারের মূল কাঠামো যেখানে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যেমন প্রসেসর (CPU), র‌্যাম (RAM), স্টোরেজ ডিভাইস এবং অন্যান্য এক্সপ্যানশন কার্ড সংযুক্ত থাকে। মাদারবোর্ড সমস্ত উপাদানকে একে অপরের সাথে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে। এটি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সার্কিট এবং কনেক্টরের মাধ্যমে শক্তি সরবরাহ এবং ডেটা ট্রান্সফার নিশ্চিত করে। কম্পিউটারের কার্যকারিতা মাদারবোর্ডের ধরন ও মানের ওপর নির্ভর করে। তাই মাদারবোর্ডকে কম্পিউটারের ‘হৃৎপিণ্ড’ বা কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড বলা হয়।

সঠিক উত্তর: ঘ) Motherboard.

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়ার যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
একটি লাইটপেন কিভাবে স্ক্রিনে নিজের অবস্থান সনাক্ত করে?
  1. স্ক্রিন থেকে নির্গত আলো সনাক্ত করে
  2. ইনফ্রারেড সংকেতের মাধ্যমে
  3. চৌম্বক ক্ষেত্র ব্যবহার করে
  4. চাপ সংবেদনশীলতার মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
স্ক্রিন থেকে নির্গত আলো সনাক্ত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ক্রিন থেকে নির্গত আলো সনাক্ত করে
ব্যাখ্যা

• একটি লাইটপেন স্ক্রিনের ওপর তার অবস্থান সনাক্ত করার জন্য সাধারণত স্ক্রিন থেকে নির্গত আলো সনাক্ত করে। লাইটপেনের টিপ বা সূচটি যখন স্ক্রিনে স্পর্শ করে, তখন টেলিভিশন বা মনিটরের ক্রোমিনেন্স ও ব্রাইটনেস অনুযায়ী নির্দিষ্ট পিক্সেল থেকে আলো নির্গত হয়। লাইটপেনের সেন্সর সেই আলো সনাক্ত করে এবং প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের মাধ্যমে স্ক্রিনের ঠিক কোন স্থানে লাইটপেনটি স্পর্শ করছে তা নির্ধারণ করে। এটি মূলত ভিডিও সিগন্যালের সময় এবং অবস্থান অনুযায়ী কাজ করে, তাই লাইটপেন ব্যবহার করে নির্দিষ্ট পয়েন্টে ক্লিক বা ড্রইং করা সম্ভব হয়। অতএব সঠিক উত্তর হলো ক) স্ক্রিন থেকে নির্গত আলো সনাক্ত করে।
 
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
• তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
কোন অপারেশনটি একটি ALU দ্বারা সম্পাদিত হয় না?
  1. Addition
  2. Subtraction
  3. Multiplication
  4. File storage
সঠিক উত্তর:
File storage
উত্তর
সঠিক উত্তর:
File storage
ব্যাখ্যা

• ALU বা Arithmetic Logic Unit একটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ যা মূলত গণিতীয় এবং যৌক্তিক (arithmetic and logical) অপারেশন সম্পাদন করে। ALU সাধারণত Addition (যোগ), Subtraction (বিয়োগ) এবং Multiplication (গুণ) এর মতো মৌলিক গণিত অপারেশন এবং AND, OR, NOT এর মতো যৌক্তিক অপারেশন করতে সক্ষম। তবে File storage (ফাইল সংরক্ষণ) ALU-এর কাজের মধ্যে পড়ে না। এটি একটি ইনপুট/আউটপুট বা মেমরি-সংক্রান্ত কাজ, যা প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের বাইরে মেমরি বা স্টোরেজ ডিভাইস দ্বারা পরিচালিত হয়। সুতরাং, ALU গণিত ও যৌক্তিক কাজ করে, কিন্তু ডেটা সংরক্ষণ বা ফাইল ম্যানেজমেন্টে সরাসরি অংশ নেয় না।

সঠিক উত্তর: ঘ) File storage.

• মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) ও
৩. রেজিস্টারসমূহ (Register Set)।

গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit):
- ALU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Arithmetic Logic Unit.
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।