পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes৩০ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৩১
সিলেবাস
বিষয়ের নাম: বাংলাদেশ বিষয়াবলি [পার্ট-২][৭০ নাম্বার] সিলেবাস: i) বাংলাদেশের সংবিধান, ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও সরকার ব্যবস্থা, iii) বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। iv) বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ, জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির পৌরনীতি ও সুশাসন বোর্ড বই, বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইড বই। --------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ৭০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩১ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বিজু উৎসব পালন করে? 
  1. চাকমা 
  2. মারমা 
  3. ত্রিপুরা 
  4. রাখাইন
সঠিক উত্তর:
চাকমা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা 
ব্যাখ্যা
বিজু উৎসব:
- চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা বর্ষবরণ উপলক্ষে চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যারা যে উৎসব করে তাকে বিজু বলে।
- এই উৎসবের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো পুরনো বছরকে বিদায় জানানো এবং নতুন বছরকে সাদরে গ্রহণ করা।

উল্লেখ্য,
- চৈত্র মাসের শেষ দুই দিন এবং পহেলা বৈশাখ নিয়ে মোট তিন দিন ধরে বিজু উৎসব চলে।
- বিজু উৎসবে তিন দিনের আলাদা নামকরণ হয়েছে।
- প্রথম দিন ফুলবিজু, দ্বিতীয় দিন মূলবিজু এবং তৃতীয় দিন গজ্যাপজ্যা।
• বছরের শেষ অর্থাৎ চৈত্র মাসের ২৯ তারিখে ‘ফুল বিজু’।
• চৈত্র মাসের শেষ দিন অর্থাৎ ৩০ তারিখে পালন করা হয় মূলবিজু।
• বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পালন করা হয় গজ্যাপজ্যা (গড়িয়ে পড়ার দিন)।

⇒ উৎসবটিকে চাকমারা বিজু হিসেবে পালন করলেও মারমারা সাংগ্রাই, ত্রিপুরারা বৈসুক নামে পালন করে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে উক্ত উৎসবটি বৈসাবি নামে পরিচিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
রোহানি বাহারিন নিম্নের কোন স্থাপত্যটির নকশাবিদ ছিলেন?
  1. কমলাপুর রেলস্টেশন
  2. কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন
  3. হাতিরঝিল
  4. শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল
ব্যাখ্যা
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল:
- ২০১৭ সালে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়। এরপর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর। এর নির্মাণকাজ করেছে জাপানের মিতসুবিশি ও ফুজিতা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং।
- ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের উদ্বোধন করা হয়।
- টার্মিনালটির যাত্রী ক্যাপাসিটি ১ কোটি ৬০ লাখ।
- টার্মিনালটির ফ্লোর আয়তন ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গ মিটার।

⇒ এ ভবনটির নকশা করেছেন রোহানি বাহারিন।
- তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সিঙ্গাপুরের সিপিজি করপোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের স্থপতি।

⇒ ২১ হাজার ৩০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে নির্মিত এই টার্মিনাল।
- জাপানি সহযোগিতা সংস্থা জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে।
- তৃতীয় টার্মিনালের জন্য সরকার অর্থায়ন করেছে পাঁচ হাজার কোটি টাকা।
- বাকি অর্থ জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে -
- কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনটির নকশা করেছেন ফয়েজ উল্লাহ।
- কমলাপুর রেলস্টেশনটির নকশাকার ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম এবং বব বুই।
- হাতিরঝিল-এর নকশাকার এহসান খান।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Daily Star Bangla.
.
'সান্দ্রে' কোন উপজাতি গোষ্ঠীর উৎসব?
  1. মনিপুরী
  2. সাঁওতাল 
  3. রাখাইন
  4. তঞ্চঙ্গ্যা 
সঠিক উত্তর:
রাখাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাখাইন
ব্যাখ্যা
রাখাইন:
- রাখাইন বাংলাদেশে বসবাসরত একটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- আরাকান থেকে বাংলাদেশে এসে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে বসতি স্থাপন করে।
- বর্তমানে বেশির ভাগ রাখাইনের বসবাস কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায়, এ ছাড়া রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়ও কিছু রাখাইন বাস করে। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায়ও রাখাইন সম্প্রদায়ের বসতি রয়েছে।

⇒ রাখাইদের সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবগুলো হচ্ছে: প্রবারণা পূর্ণিমা, মাঘী পূর্ণিমা, জলকেলি (লেই খেখু), নববর্ষ প্রভৃতি।
- রাখাইন উপজাতির বর্ষবরণ উৎসবের নাম সান্দ্রে।
- প্রতি বছর রাখাইন সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব 'সাংগ্রাং পোয়ে' বা 'জলকেলি উৎসব'। উদযাপন করে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুসারে, কত শতাংশ লোক গ্রামে বাস করে?
  1. ৬৬.৫৬%
  2. ৬৬.২৩%
  3. ৬৮.১২%
  4. ৬৮.৩৪%
সঠিক উত্তর:
৬৮.৩৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮.৩৪%
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- এটি দেশের ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।

উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (৩১.৬৬%) নাগরিক শহরে বাস করে।
- এবং দুই-তৃতীয়াংশ (৬৮.৩৪%) নাগরিক গ্রামে বাস করে।

• সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
.
বাংলাদেশ কত সালে বিশ্ব অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য পদ লাভ করে?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন:
- বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন 'বাংলাদেশের জাতীয় অলিম্পিক কমিটি' নামেও পরিচিত।
- সংস্থার সদর দফতর ঢাকায় অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- সভাপতি: জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
- ১৯৮০ সালে বিশ্ব অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য পদ লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- এটি এখন পর্যন্ত মোট ২৭টি জাতীয় ফেডারেশন (এনএফ) এবং জাতীয় সমিতি (এনএ) কে অধিভুক্ত করেছে যার মধ্যে অলিম্পিক এবং অ-অলিম্পিক উভয় ধরণের খেলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 
- বাংলাদেশ প্রথম ১৯৭৬ সালে অলিম্পিকে আমন্ত্রিত হয়েছিল।

উৎস: বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন।
.
'তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা 
  2. খুলনা 
  3. রাজশাহী 
  4. হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ:
- তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলাধীন তেলিয়াপাড়ায় অবস্থিত।

⇒ এই স্মৃতিসৌধ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত স্মৃতিসৌধ।
- তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলোর পূর্ব দিকে নির্মাণ করা হয়েছে ২, ৩ ও ৪নং সেক্টরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মরণে তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ।
- ১৯৭৫ সালের জুন মাসে এ স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ।

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বৈঠক এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৭১ সালের একাত্তর সালের ৪ এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন। সেখানে তারা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল প্রণয়ন করে। পরে এটি তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে। ১২-১৭ জুলাই কলকাতায় মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি দীর্ঘ সম্মেলন হয়, সেখানেই তিনটি নিয়মিত বাহিনী তৈরি এবং বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বিবিসি বাংলা।
.
বাংলাদেশের সংবিধানে কোন ধরনের মালিকানা নীতির উল্লেখ নেই?
  1. ব্যক্তিগত
  2. সমবায়
  3. রাষ্ট্রীয়
  4. গোষ্ঠী
সঠিক উত্তর:
গোষ্ঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
মালিকানা নীতি:
- বাংলাদেশ সংবিধানের একটা উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে, এখানে তিন ধরনের মালিকানা নীতি স্বীকার করা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এগুলো হচ্ছে-
১. রাষ্ট্রীয় মালিকানা,
২. সমবায় মালিকানা এবং,
৩. ব্যক্তিগত মালিকানা।

⇒ সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৩:
- মালিকানার নীতি- “উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে:
(ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা;
(খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
(গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা৷”

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানে গোষ্ঠী ধরনের মালিকানা নীতির উল্লেখ নেই।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
নিম্নের কোন জেলায় হাজংদের বসবাস নেই?
  1. সিলেট
  2. ময়মনসিংহ
  3. রাঙামাটি 
  4. শেরপুর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
ব্যাখ্যা
রাঙামাটি জেলায় হাজংদের বসবাস নেই। 

হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস। এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- তবে হাজংদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- হাজং ভাষার নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- হাজংরা ভাষার লিখিত রূপ দিতে অসমীয়া বর্ণমালা ব্যবহার করে।
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্র ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ন, নারী পুরুষ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করবে না?
  1. ২৮ (১) নং
  2. ২৮ (২) নং
  3. ২৮ (৩) নং
  4. ২৮ (৪) নং
সঠিক উত্তর:
২৮ (১) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ (১) নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
⇒ সংবিধানের ২৮ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
- ২৮ (১) নং: কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ন, নারী পুরুষ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না।
- ২৮ (২) নং: রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার লাভ করবেন।
- ২৮ (৩) নং: কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাবে না।
- ২৮ (৪) নং: নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যেকোনো অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়ন হতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করবে না।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০.
চাকমা ভাষায় নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. দাভা টেঙা
  2. মর থেংগারি
  3. পোড়া কবাল্লে
  4. ম মনান হিঙিরী বুঝেম
সঠিক উত্তর:
মর থেংগারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মর থেংগারি
ব্যাখ্যা
মর থেংগারি:
- মর থেংগারি বাংলাদেশে নির্মিত চাকমা ভাষার প্রথম চলচ্চিত্র।
- পরিচালক: অং রাখাইন।
- চাকমা ভাষায় 'মর থেংগারি' শব্দের অর্থ আমার বাইসাইকেল।

উল্লেখ্য,
- এক চাকমা পুরুষকে ঘিরে এই চলচ্চিত্রটির কাহিনী, যার শেষ সম্বল একটি বাইসাইকেল।
- এই চলচ্চিত্রটির দৈর্ঘ্য ৬৪ মিনিট।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বিবিসি। 
১১.
৬ষ্ঠ জনশুমারি অনুসারে, কোন সিটি কর্পোরেশনের জনসংখ্যা সর্বোচ্চ?
  1. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
  2. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
  3. কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন 
  4. নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।

• সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

• ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।

• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
১২.
জাতীয় স্মৃতিসৌধ কয়টি খাঁজ রয়েছে? 
  1. ৩টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত বেসামরিক বাঙালি ও অবাঙ্গালিদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা।
- এটি সাভারে অবস্থিত।
- এর অপর নাম 'সম্মিলিত প্রয়াস'।
- এর স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্য একটা জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় এবং নকশা আহবান করে।
- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট (৪৫.৭২ মি)।

⇒ ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবসে এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। ১৯৮২ সালের আগষ্ট মাসে সৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়। জাতীয় স্মৃতিসৌধ ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- স্মৃতিসৌধের রয়েছে ৭টি খাঁজ।
- ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ৭টা বড় আন্দোলন হয়েছিল।
- ওই খাঁজগুলো দিয়ে সেই সব আন্দোলন বোঝানো হয়েছে।
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন।
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন।
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন।
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন।
৬. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং
৭. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩.
বাংলাদেশের স্থানীয় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নয় কোনটি?
  1. কোচ
  2. পাংখো
  3. মাউরি
  4. খুমি
সঠিক উত্তর:
মাউরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাউরি
ব্যাখ্যা
কোচ:
- বাংলাদেশে বসবাসকারী অন্যতম প্রাচীন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ‘কোচ’।
- বর্তমানে শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী এবং শ্রীবর্দী উপজেলায় তাদের বসবাস।
- কোচ ও রাজবংশীদের প্রায় সময় একই জাতি মনে করা হয়।

পাংখো:
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী ‘পাংখো বা পাংখোয়া’।
- বাংলাদেশে চট্টগ্রামের পার্বত্য জেলার রাঙ্গামাটিতে এরা বসবাস করে।

খুমি:
- খুমি  বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাসমূহে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী। আদিতে এরা পার্শ্ববর্তী দেশ মায়ানমার থেকে এসে বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাসমূহে বসবাস শুরু করে। 
- খুমি জনগোষ্ঠী মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত। 

অন্যদিকে -
- মাউরি: নিউজিল্যান্ডের আদিবাসীদের বলা হয় মাউরি।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) Britannica.
১৪.
বাংলাদেশের প্রথম নারী নির্বাচন কমিশনার কে?
  1. বেগম কবিতা খানম
  2. জেসমিন টুলী
  3. বেগম রাশেদা সুলতানা
  4. বেগম তাহমিদা আহমদ
সঠিক উত্তর:
বেগম কবিতা খানম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম কবিতা খানম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম নারী নির্বাচন কমিশনার:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী নির্বাচন কমিশনার বেগম কবিতা খানম।
- ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সালে সাবেক সচিব কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিশনের সদস্য তিনি।
- বেগম কবিতা খানম ১৯৫৭ সালে নওগাঁ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ২০১৩ সালে তিনি রাজশাহী জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে প্রথম নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।

অন্যদিকে,
- বেগম রাশেদা সুলতানা বাংলাদেশের একজন নির্বাচন কমিশনার ও সাবেক বিচারক ছিলেন। তিনি ২০২২ সালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
- মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ২১ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে বেগম তাহমিদা আহমদ নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে ২৪ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে শপথ গ্রহণপূর্বক নির্বাচন কমিশনারের কার্যভার গ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
১৫.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয়?
  1. চতুর্থ
  2. পঞ্চম
  3. ষষ্ঠ
  4. সপ্তম
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা
৪র্থ সংশোধনী:
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী গৃহীত হয়।
- ৪র্থ সংশোধনী বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় শাসনপদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতিশাসিত শাসনপদ্ধতি চালু এবং বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তন করা হয়।
- চতুর্থ সংশোধনীর আগে বাহাত্তরের সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াতেন প্রধান বিচারপতি। চতুর্থ সংশোধনীতে এটি স্পিকারের কাছে ন্যস্ত হয়।
- বাহাত্তরের সংবিধানে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়োগসহ নিয়ন্ত্রণ সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত ছিল, যা চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির অধীনে আইন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত হয়।

⇒ রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির প্রবর্তন:
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয়।
- এই সংশোধনী অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন।
- তিনি ইচ্ছানুযায়ী উপরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী এবং অন্যান্য সরকারি বিভাগের কর্মকর্তা নিয়োগ ও বরখাস্ত করতে পারবেন।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি। 
১৬.
বাংলাদেশের প্রথম সিনেমা হলের নাম কী?
  1. পিকচার হাউজ
  2. সিনেমা হাউজ
  3. মধুমিতা
  4. রূপমহল
সঠিক উত্তর:
পিকচার হাউজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিকচার হাউজ
ব্যাখ্যা
পিকচার হাউজ:
- বাংলাদেশের প্রথম সিনেমা হলের নাম পিকচার হাউজ (পরবর্তীকালে শাবিস্তান)।

উল্লেখ্য,
- ১৮৯৮ সালে কলকাতার ব্রাডফোর্ড বায়স্কোপ কম্পানি বাংলাদেশে প্রথম চলচ্চিত্র দেখায়। ১৮৯৮ সালের ২৪ এপ্রিলের বাংলা সাপ্তাহিক ‘ঢাকা প্রকাশ’ জানাচ্ছে, ব্রাডফোর্ড বায়স্কোপ কম্পানি কর্তৃক সদরঘাটের কাছে পাটুয়াটুলীর ক্রাউন থিয়েটারে এ অঞ্চলে প্রথম চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়েছিল।
- ঢাকার প্রথম প্রেক্ষাগৃহ হচ্ছে পিকচার হাউস, যেটি পরে হয় নিউ পিকচার হাউস। আরো পরে শাবিস্তান। ১৯১৩-১৪ সালে প্রথম প্রডাকশন কম্পানি হিসেবে পিকচার হাউসের যাত্রা শুরু।
- ১৯৪৭ সালে বাংলাদেশে ৮০টির মতো সিনেমা হল ছিল।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) কালের কন্ঠ।
১৭.
বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩ অনুসারে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.১২%
  2. ১.২২%
  3. ১.২৩%
  4. ১.৩৩%
সঠিক উত্তর:
১.৩৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৩৩%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩:
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: আগস্ট, ২০২৪।
- সংস্থা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

⇒ মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি.মি.-এ: ১,১৭১ জন।
- লিঙ্গ অনুপাত = পুরুষ : নারী = ১০০:৯৬.৩।

অন্যদিকে,
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ প্রাথমিক প্রতিবেদন: জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.২২%।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত প্রতিবেদন: জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১৮.
ঢাকার প্রাচীনতম মসজিদ কোনটি?
    অনির্ধারিত
    ব্যাখ্যা
    ঢাকার প্রথম মসজিদ:
    - ‘বিনত বিবির মসজিদ’ ঢাকার প্রাচীনতম মসজিদ।
    - বিনত বিবির মসজিদ বাংলাদেশের ঢাকা শহরের পুরানো ঢাকা এলাকায় অবস্থিত একটি মধ্যযুগীয় মসজিদ।
    - নারিন্দা পুলের উত্তর দিকে অবস্থিত এই মসজিদটির গায়ে উৎকীর্ণ শিলালিপি অনুসারে ৮৬১ হিজরি সালে, অর্থাৎ ১৪৫৭ খ্রিস্টাব্দে সুলতান নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহের শাসনামলে মারহামাতের কন্যা মুসাম্মাত বখত বিনত বিবি এটি নির্মাণ করান।
    - ১৪৫৬ খ্রিস্টব্দে ইসলাম খাঁর আগমনের প্রায় দেড়শ বছর আগে বাংলার সুলতান নাসির উদ্দিন মাহমুদের আমলে ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদটি নির্মিত হয়।
    - বাংলা ১৩৩৭ সালে এ মসজিদটির দ্বিতীয় সংস্করণ করা হয় এবং দ্বিতীয় গম্বুজটি স্থাপন করা হয়।

    উল্লেখ্য,
    - ঢাকার প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে চকবাজার শাহি মসজিদ (স্থাপিত : ১৬৭৬ খ্রিস্টাব্দ), বেগমবাজার মসজিদ (স্থাপিত : ১৭০৪ খ্রিস্টাব্দ), তারা মসজিদ (স্থাপিত : ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ), মুসা খাঁর মসজিদ (স্থাপিত : ১৮০০ খ্রিস্টাব্দের শুরুর দিকে) অন্যতম।
    - দেশের প্রাচীনতম মসজিদ হারানো মসজিদ। বাংলাদেশে ইসলাম প্রচারের প্রাচীনতম নিদর্শন ৬৯ হিজরিতে সাহাবা আমলে তৈরি ‘হারানো মসজিদ’। রংপুর-কুড়িগ্রাম জাতীয় মহাসড়কের প্রায় ১ কিলোমিটার দক্ষিণে লালমনিরহাট সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নে মসজিদটি অবস্থিত।

    উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
    ১৯.
    নিম্নের কোনটি সংবিধানের মূলনীতি? 
    1. অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
    2. মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ
    3. ন্যায়পাল
    4. সমাজতন্ত্র
    সঠিক উত্তর:
    সমাজতন্ত্র
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সমাজতন্ত্র
    ব্যাখ্যা
    বাংলাদেশের সংবিধান:
    - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
    - সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
    - সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
    - সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
    - তফসিল আছে ৭টি।
    - প্রস্তাবনা আছে ১টি।
    - মূলনীতি আছে ৪টি।

    ⇒ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ:
    - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ২য় অধ্যায়ের ৮ম - ২৫তম অনুচ্ছেদ পর্যন্ত রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিগুলো বর্ণিত হয়েছে। এগুলো হলো:
    • জাতীয়তাবাদ:  মূল সংবিধানের ৯নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, 'ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করে জাতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছে।'
    • সমাজতন্ত্র: মূল সংবিধানের ১০ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'মানুষের উপর মানুষের শোষণের অবসান ঘটিয়ে ন্যায়ানুগ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে শোষণহীন সমাজ কায়েম করা হবে।'
    • গণতন্ত্র: সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হবে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। সমাজজীবন হতে সর্বপ্রকার বৈষম্য দূরীভূত করে নাগরিকদের মৌলিক মানবিক অধিকার এবং ব্যক্তি স্বাধীনতার নিশ্চয়তা বিধান করা হবে।
    • ধর্ম নিরপেক্ষতা: সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, 'রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোন ধর্মের ব্যবহার, কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির বৈষম্য বা তার উপর উৎপীড়ন করা হবে না।'

    উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
    ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা,, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ২০.
    কোন সাময়িকী তাদের প্রতিবেদনে ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে The Revolutionary Economist হিসেবে আখ্যায়িত করেন?
    1. Nature
    2. BBC
    3. The New York Times
    4. The Economist
    সঠিক উত্তর:
    Nature
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Nature
    ব্যাখ্যা
    ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
    - ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।
    - ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
    - তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
    - প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
    - ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

    উল্লেখ্য,
    - সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞানবিষয়ক খ্যাতনামা সাময়িকী নেচার ২০২৪ সালের শীর্ষ ১০ ব্যক্তিত্বের তালিকায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। 
    - সেখানে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘জাতির নির্মাতা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ⇒ নেচারের শীর্ষ ১০ ব্যক্তির তালিকায় রয়েছেন জার্মানির ন্যাশনাল মেট্রোলজি ইনস্টিটিউটের পরিচালক পদার্থবিদ একেহার্ড পেইক। 

    উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
    ii) প্রথম আলো।
    ২১.
    বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম নিম্নের কোন আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত?
    1. পাট থেকে পলিথিন ব্যাগ
    2. পাট থেকে সবুজ চা
    3. পাটের জিনোম সিকোয়েন্স
    4. পঞ্চব্রীহি ধান
    সঠিক উত্তর:
    পাটের জিনোম সিকোয়েন্স
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পাটের জিনোম সিকোয়েন্স
    ব্যাখ্যা
    বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম:
    - বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম-এর নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডেটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য।

    ⇒ ১৯৫৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর মাদারীপুরে জন্মগ্রহণ করেন মাকসুদুল আলম।
    - জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৮৭ সালে প্রাণরসায়নে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।
    - তিনি যখন বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের জুট জেনোম সিকোয়েন্সিং প্রকল্পের প্রধান বিজ্ঞানী ছিলেন তখন তার নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডাটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালে তোষা পাটের জিন নকশা আবিস্কৃত হয়।
    - বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম পাট ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হয়ে পেঁপে, মালয়েশিয়ার হয়ে রাবারসহ মোট আটটি উদ্ভিদের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন।
    - তিনি ২০১৬ সালে স্বাধীনতা পদক প্রদান লাভ করেন।
    - ২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    অন্যদিকে -
    - পাট থেকে পলিথিন ব্যাগ উদ্ভাবন করেছেন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ জুট মিল করপোরেশনের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ড. মোবারক আহমদ খান।
    - পঞ্চব্রীহি ধান উৎপাদনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী ডক্টর আবেদ চৌধুরী।
    - পাট থেকে সবুজ চা উদ্ভাবন করেন ইসমাইল হোসেন খান।

    উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
    ii) প্রথম আলো।
    ২২.
    জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, খানার আকার -
    1. ৩.৯৮
    2. ৪.০০
    3. ৪.১৮
    4. ৪.২২
    সঠিক উত্তর:
    ৩.৯৮
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩.৯৮
    ব্যাখ্যা
    জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
    - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
    - চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
    - মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
    - জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
    - খানার আকার: ৩.৯৮।

    উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
    ২৩.
    গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ অনুসারে, প্রত্যেক রাজনৈতিক দলে কত শতাংশ নারীদের অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে?
    1. ৩৩ শতাংশ
    2. ৩৪ শতাংশ
    3. ৩৫ শতাংশ
    4. ৩৭ শতাংশ
    সঠিক উত্তর:
    ৩৩ শতাংশ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩৩ শতাংশ
    ব্যাখ্যা
    গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ:
    - বাংলাদেশের নির্বাচন বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতে বাংলাদেশে সংবিধানের আওতায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যতগুলো আইন আছে তার মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত মূল আইন হলো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আইন।
    - বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীতে সংবিধান তৈরির পর নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রথমবারের মতো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ প্রণয়ন করা হয়েছিলো।
    - ১৯৭৩ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় সংসদে আদেশটি অনুমোদন পায়।
    - বাংলাদেশের সব কয়টি নির্বাচন হয়েছে ১৯৭২ সালে জারি করা রাষ্ট্রপতির আদেশ দ্য রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার, ১৯৭২ (আরপিও) অনুযায়ী।

    ⇒ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ এর সবচাইতে আলোচিত পরিবর্তন আনা হয় আদেশ এর Chapter-VI-এ এর মাধ্যমে। নির্বাচন কমিশনের সাথে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়।
    - নিবন্ধনের শর্তগুলোতে মহিলা নেতৃত্ব এবং রাজনীতিতে মহিলাদের উৎসাহিত করার জন্য প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের তৃণমূল হতে কেন্দ্রীয় কমিটিগুলোতে ২০২০ সালের মধ্যে ৩৩% নারীদের অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
    - ২০২০ সালের মধ্যে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্য ছিল গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও)।
    - ২০০৮ সালে নিবন্ধন নেওয়ার সময় দলগুলো তা পূরণের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা পূরণ করতে পারেনি নিবন্ধিত দলগুলো।
    - বর্তমান কমিশন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন করে দলের সব স্তরের কমিটিতে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্ব রাখার সময়সীমা ২০২০ এর পরিবর্তে ২০৩০ সাল করার প্রস্তাব দিয়েছে।

    উৎস: i) নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
    ii) BBC.
    ২৪.
    স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্ত প্রত্যেককে কী পরিমাণ আর্থিক সম্মাননা দেওয়া হয়?
    1. চার লাখ টাকা
    2. সাড়ে চার লাখ টাকা
    3. পাঁচ লাখ টাকা
    4. সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা
    সঠিক উত্তর:
    পাঁচ লাখ টাকা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পাঁচ লাখ টাকা
    ব্যাখ্যা
    স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
    - জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
    - পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য,
    ⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
    - বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
    - মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
    - সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
    - সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
    - শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
    - সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
    - প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

    উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
    ২৫.
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কবে গঠিত হয়?
    1. আগস্ট, ১৯৭৮
    2. সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮
    3. অক্টোবর, ১৯৭৮
    4. নভেম্বর, ১৯৭৮
    সঠিক উত্তর:
    সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮
    ব্যাখ্যা
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি):
    - জিয়াউর রহমানের শাসনামলে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
    - তিনি ১৯৭৭ সালের ৩০ এপ্রিল ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন, যা পরে তার রাজনৈতিক দল গঠনের পথ তৈরি করে দেয়।
    - ১৯৭৮ সালে তার পৃষ্ঠপোষকতায় 'জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল)' গঠিত হয় এবং এর আহ্বায়ক ছিলেন তৎকালীন উপ-রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
    - পরে জাগদল বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয় এবং ১৯৭৮ সালের সেপ্টেম্বরে 'বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)' প্রতিষ্ঠিত হয়।
    - জেনারেল জিয়া নিজেই দলটির আহ্বায়কের দায়িত্ব নেন।

    ⇒ বিএনপির নেতৃত্বে বামপন্থী ও দক্ষিণপন্থী—উভয় মতাদর্শের নেতারা এই দলে ছিলেন।
    - বিএনপির ঘোষণাপত্রে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, জাতীয় অর্থনৈতিক মুক্তি, স্বনির্ভরতা এবং জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে অগ্রগতির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

    উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
    ii) The Daily Star Bangla.
    ২৬.
    বাংলাদেশে প্রথম রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হয় কোন সালে?
    1. ১৯৭৯ সালে
    2. ১৯৮০ সালে
    3. ১৯৮১ সালে
    4. ১৯৮২ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৮০ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৯৮০ সালে
    ব্যাখ্যা
    ১৯৮০ সালে বাংলাদেশে প্রথম রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হয়।

    বাংলাদেশ টেলিভিশন:
    - বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।

    ⇒ ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়।
    - ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
    - ১৯৭৫ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি বিটিভি স্থানান্তরিত হয় রামপুরার নিজস্ব টিভি ভবনে।
    - ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।
    - ১৯৮০ সালের ১ ডিসেম্বর তারিখে রামপুরা টিভি কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে প্রথম রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হয়।
    - বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয় ১১ এপ্রিল ২০০৪ তারিখে।
    - ২০১৩ সাল থেকে আইপিটিভি, মোবাইল টিভি ও ওয়েবটিভি এর মাধ্যমেও বিটিভির অনুষ্ঠানমালা দেশে ও বিদেশে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা।

    ⇒ পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র: ২টি।
    (ক) ঢাকা টেলিভিশন কেন্দ্র,
    (খ) চট্টগ্রাম টেলিভিশন কেন্দ্র।

    উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
    ২৭.
    ’গান্ধী স্মৃতি জাদুঘর’ কোথায় অবস্থিত?
    1. ফেনী
    2. নোয়াখালী
    3. কুমিল্লা
    4. রাজশাহী
    সঠিক উত্তর:
    নোয়াখালী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নোয়াখালী
    ব্যাখ্যা
    গান্ধী আশ্রম:
    - বাংলাদেশের একমাত্র গান্ধী আশ্রম নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা জয়াগ গ্রামে অবস্থিত।
    - এটি একটি জনহিতকর ও সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান।
    - এটি ১৯৪৬ সাল থেকে শান্তি ও সামাজিক সম্প্রীতির গান্ধীয় দর্শনের ওপর কাজ করছে।
    - নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী জেলার চারটি উপজেলার ১০২টি গ্রাম এবং নোয়াখালী ও চাটখিল পৌরসভা এলাকায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বিস্তৃত।

    ⇒ ভারত ছাড় আন্দোলন-এর শেষদিকে ১৯৪৬ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার সর্বত্র সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে।
    - মহাত্মা গান্ধী ‘শান্তি মিশনে’ দ্রুত নোয়াখালী ছুটে যান। ১৯৪৬ সালের ৭ নভেম্বর তিনি চৌমুহনী রেলস্টেশনে অবতরণ করেন। 
    - তিনি গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ছুটে যান এবং জনগণের মধ্যে সাম্প্রদায়িক ঐক্য প্রতিষ্ঠায় নিরলস কাজ করতে থাকেন। অহিংসা এবং নৈতিকতা, সত্য ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের নীতি তার মিশনকে সফল করে তোলে।
    - তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৪৭ সালের ২৯ জানুয়ারী তিনি জয়াগ গ্রামে পদার্পন করেন এবং ৩০ জানুয়ারী সেখানে উদ্ধোধন করেন একটি বুনিয়াদী বিদ্যালয় যা বর্তমানে ‘’গান্ধী মেমোরিয়াল টেকনিক্যাল ইনিষ্টিটিউট’’ নামে পরিচিত।

    ⇒ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৫ সালে ‘’অম্বিকা কালীগঙ্গা চেরিটেবল ট্রাষ্ট’’ ভেঙ্গে ‘’গান্ধী আশ্রম ট্রাষ্ট’’ সৃষ্টি করে।
    - মহাত্মা গান্ধীর অহিংস সমাজ ব্যবস্থার ধারণা সবার কাছে পৌঁছে দিতে ২০০০ সালের ২ অক্টোবর নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে গান্ধী আশ্রমের মূল ভবনে যাত্রা শুরু করে ‘গান্ধী স্মৃতি জাদুঘর’।
    - এ জাদুঘরে গান্ধীর বিভিন্ন দুর্লভ ছবি, বই, ব্যবহার্য জিনিস এবং তার বৈচিত্র্যময় কর্মজীবন যে কারো মনোজগৎ নাড়িয়ে দিতে যথেষ্ঠ।

    উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
    ii) বাংলাপিডিয়া 
    ২৮.
    সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন?
    1. ১৪১ নং
    2. ১৪২ নং
    3. ১৪৩ নং
    4. ১৪৪ নং
    সঠিক উত্তর:
    ১৪১ নং
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৪১ নং
    ব্যাখ্যা
    জরুরী-অবস্থা ঘোষণা: 
    - সংবিধানের ১৪১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা তার অংশবিশেষে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে বা অর্থনৈতিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হবার বা সংকটের সম্মুখিন হলে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।
    - সংবিধানের ১৪১(ক), ১৪১(খ) ও ১৪১(গ) অনুচ্ছেদের আওতায় দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।
    - সংবিধানে জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য ক্ষমতাসীন সরকারকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
    - তাই এরূপ পরিস্থিতিতে সরকার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন এবং জনগণের মৌলিক অধিকারসমূহ সাময়িকভাবে স্থগিত বা সীমিত করে দিতে পারেন।

    অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
    - যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরিণ গোলযোগের দ্বারা বিপদ আসন্ন বলে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হলে প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হওয়ার পূর্বেই তিনি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারবেন।
    - জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে হলে ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতিস্বাক্ষরের প্রয়োজন হবে।
    - রাষ্টপতি তাঁর ক্ষমতার অপব্যবহার করে ক্যাবিনেটের সিদ্ধান্ত ব্যতীত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।

    অন্যদিকে,
    - সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা।
    - সংবিধানের ১৪৩ নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি। 
    - সংবিধানের ১৪৪ নং অনুচ্ছেদ: সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি-প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব।

    উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
    ২৯.
    ড. মুহাম্মদ ইউনূস কোন ধারণাটির প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত?
    1. পুঁজিবাদী অর্থনীতি
    2. সামাজিক ব্যবসা
    3. মিশ্র অর্থনীতি
    4. বর্ণিত সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    সামাজিক ব্যবসা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সামাজিক ব্যবসা
    ব্যাখ্যা
    ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
    - ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
    - তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
    - অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
    - মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
    - ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।
    - ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।

    উল্লেখ্য,
    - ড. মুহাম্মদ ইউনূস সামাজিক ব্যবসা ধারণাটির প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত।
    - সামাজিক ব্যবসা হচ্ছে এমন ধরনের ব্যবসা যেখানে উদ্যোক্তা বা বিনিয়োগকারী একটি সামাজিক সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যক্তিগত লাভের আশা ছাড়াই বিনিয়োগ করেন।
    - এই ব্যবসায় বিনিয়োগকারী একটা সামাজিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বিনিয়োগ করবেন, কিন্তু সেই ব্যবসা থেকে বিনিয়োগকারী কোন ধরনের মুনাফা গ্রহণ করবেন না। শুধু বিনিয়োগের অর্থ তুলে নিতে পারবেন। মুনাফার অর্থ দিয়ে নতুন কোনো সামাজিক ব্যবসা শুরু করতে পারেন অথবা বর্তমান ব্যবসার সম্প্রসারণ করতে পারবেন। অর্থ্যাৎ বিশ্বব্যাপী ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধির যে উম্মাদনা দেখা যায় তার বাইরে ব্যবসাকে সামাজিক কল্যাণের জন্য নিয়ে আসাই সামাজিক ব্যবসার মূলকথা।

    উৎস: i) Yunus Centre.
    ii) মানব জমিন।
    ৩০.
    কোন পুরস্কারটি বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রদান করা হয়?
    1. সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার
    2. মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার
    3. মেহের কবীর বিজ্ঞানসাহিত্য পুরস্কার
    4. বর্ণিত সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    বর্ণিত সবগুলো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বর্ণিত সবগুলো
    ব্যাখ্যা
    • সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার:
    - সমকালীন বাংলা সাহিত্যে অবদান ও সৃষ্টিশীল প্রতিভার স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯০ সাল থেকে বাংলা একডেমি এ পুরস্কারটি প্রদান করছে। এতে লেখককে ৫০ হাজার টাকার চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

    মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার:
    - ২০১০ সাল থেকে মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার প্রদান করে আসছে বাংলা একাডেমি। খ্যাতিমান এবং প্রতিভাবান কবিদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এক লক্ষ টাকা মূল্যমানের এই পুরস্কার দেয়া হয়।

    • মেহের কবীর বিজ্ঞানসাহিত্য পুরস্কার:
    - বিজ্ঞানসাহিত্যে জনপ্রিয় লেখকদের সামগ্রিক অবদানের জন্য ২০০৫ সাল থেকে মেহের কবীর বিজ্ঞানসাহিত্য পুরস্কার প্রদান করে আসছে বাংলা একাডেমি।

    • কবীর চৌধুরী শিশু সাহিত্য পুরস্কার:
    - শিশু সাহিত্যের জনপ্রিয় লেখকদের সামগ্রিক অবদান চিহ্নিত করে তাদের সৃজনী প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সাল থেকে দ্বি-বার্ষিক এ পুরস্কারটি প্রদান করা হয়। পুরস্কারের মূল্যমান এক লাখ টাকা।

    • হালীমা শরফুদ্দীন বিজ্ঞান পুরস্কার:
    - জনপ্রিয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক গ্রন্থাকারদের অবদান ও তাদের সৃষ্টিশীল প্রতিভার সম্মানে এই পুরস্কার প্রদান করে থাকে বাংলা একাডেমি।

    উৎস: i) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
    ii) BBC.
    ৩১.
    সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে, মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে?
    1. অনুচ্ছেদ ৫৫ (৩)
    2. অনুচ্ছেদ ৬৩ (১)
    3. অনুচ্ছেদ: ৮৩
    4. অনুচ্ছেদ ৮৯ (৩)
    সঠিক উত্তর:
    অনুচ্ছেদ ৫৫ (৩)
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অনুচ্ছেদ ৫৫ (৩)
    ব্যাখ্যা
    শাসনসংক্রান্ত ক্ষমতা বা শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ:
    - জাতীয় সংসদ সার্বভৌম পার্লামেন্ট। সংসদীয় ব্যবস্থায় আইনসভার প্রাধান্য সর্বত্র স্বীকৃত।
    - সুতরাং জাতীয় সংসদের অন্যতম কাজ হলো নির্বাহী বিভাগ তথা মন্ত্রিসভাকে নিয়ন্ত্রণ করা।
    - এখানে মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে [অনুচ্ছেদ ৫৫ (৩)]।

    ⇒  মন্ত্রিসভা যতক্ষণ পর্যন্ত সংসদের আস্থা ভোগ করবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত ক্ষমায় অধিষ্ঠিত থাকবেন।
    - সংসদে সদস্যগণ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা ও বিভিন্ন প্রকার প্রস্তাব উত্থাপনের মাধ্যমে সরকারের সমালোচনা করে থাকেন। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারালে মন্ত্রিসভাকে পদত্যাগ করতে হয়।
    - সংসদের প্রধান কাজ হলো সরকারের নীতি ও কার্যকলাপের সমালোচনা করা।
    - সরকারি কর্মচারী নিয়োগ ও বরখাস্ত, চুক্তি সম্পাদন ইত্যাদি শাসন সংক্রান্ত কাজে সংসদের অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না।
    - তবে সংসদের সম্মতি ব্যতীত নির্বাহী বিভাগ যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারে না কিংবা বাংলাদেশ কোনো যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারে না [অনুচ্ছেদ ৬৩ (১)]।
    - সংসদ মুলতবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, প্রশ্ন জিজ্ঞাসা ও অন্যান্য প্রস্রাবের দ্বারা শাসন বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে।

    অন্যদিকে,
    - সংসদের অনুমতি ও কর্তৃত্ব ব্যতীত কোনো প্রাকর কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যাবে না (অনুচ্ছেদ: ৮৩)।
    - রাষ্ট্রপতির সুপারিশ ব্যতীত অর্থ ব্যয় সংক্রান্ত কোনো বিল বা মঞ্জুরি দাবি সংসদে উত্থাপন করা যায় না [অনুচ্ছেদ ৮৯ (৩)]।

    উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
    ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।