পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
Science & Geography (Basics)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
Air pollution can be reduced by using which of the following fuels?
  1. ক) Petrol
  2. খ) Diesel
  3. গ) CNG
  4. ঘ) Kerosene
ব্যাখ্যা
 - যানবাহন থেকে নির্গত বায়ু দূষকগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কার্বন মনোঅক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড, সালফার ডাই-অক্সাইড, অদাহ্য হাইড্রোকার্বন। এগুলো নির্গমন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
- এক্ষেত্রে ডিজেল বা পেট্রোল চালিত যানের তুলনায় সিএনজি চালিত যানের দূষণমাত্রা অনেক কম।
- কল-কারখানার ধোঁয়া নির্গমন নল ও চিমনি থেকে নির্গত বস্তুকণা পৃথক করার জন্য ছাকনি বা অন্য কোনো প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে।
- এর ফলে দূষকগুলো বায়ুতে মিশে যাওয়ার পূর্বেই আলাদা হয়ে যাবে।
- বায়ু দূষণ প্রতিরোধের একটি আধুনিক পদ্ধতি দূষণ পদার্থের শোষণ।
- এই পদ্ধতিতে দূষক পদার্থগুলো মুক্ত বায়ুতে ছড়িয়ে পড়ার পূর্বেই বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দূষক পদার্থ আলাদা করে নেওয়া যায়।
- বিকল্প জ্বালানি অর্থাৎ প্রচলিত জীবাশ্ম জ্বালানির পরিমাণ ক্রমান্বয়ে হ্রাস করে অপ্রচলিত শক্তি যেমন- সৌরশক্তি, বায়োগ্যাস ইত্যাদির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে।
- এর ফলে বায়ু দূষণ অনেক কমে যাবে।  

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
Which one is the man made reason of environment pollution?
  1. ক) Cyclone
  2. খ) Mountain cutting
  3. গ) Flood
  4. ঘ) Drought
ব্যাখ্যা
- প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণের কারণসমূহকে দুইটি ভাগে ভাগ করে আলোচনা করা যেতে পারে।
- প্রাকৃতিক কারণ: 
- বন্যা ও খরা: বন্যার ফলে বিস্তীর্ণ এলাকায় মলমূত্র ও মৃত জীবজন্তু মিশে একাকার হয়ে যায়। ফলে পরিবেশ দূষিত হয় এবং ডায়রিয়া, কলেরা, আমাশয় প্রভৃতি রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। আবার খরা হলে জলজ প্রাণি এবং জীবজন্তু মরে দূষণ ঘটে। 
- ভূমিকম্প: ভূমিকম্পের কারণে মানুষ, জীবজন্তু, গাছপালা ও মাটি চাপা পড়ে পরিবেশ দূষণ ঘটায়।  
- ঘূর্ণিঝড়: কোনো এলাকায় ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোন হলে উক্ত এলাকায় জীবন ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। জীবজন্তুর দেহাবশেষে পচন ধরে পরিবেশ দূষিত হয়।
- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত: আগ্নেয়গিরির উদ্গীরণের ফলে বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আগ্নেয়গিরির চারপাশে পুড়ে যায়, ভূমিধ্বস হয় এবং মানুষ ও পশুপাখি প্রভৃতি মারা যায়। এতেও পরিবেশ দূষিত হয়। 

- মানবসৃষ্ট কারণ:
- গাছপালা নিধন: পরিবেশের ভারসাম্যে রক্ষার জন্য গাছপালা আবশ্যকীয় উপাদান। কিন্তু মানুষ তার প্রয়োজনের তাগিদে বা অনেক সময় অপ্রয়োজনে গাছপালা নিধন করে পরিবেশের ক্ষতি করছে।
- পাহাড় কর্তন: পাহাড় কর্তন বর্তমান সময়ে একটি বড় সমস্যা। অনেকেই অবৈধভাবে পাহাড় কর্তন করে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় পরিবেশ নষ্ট হয়।
- অপরিকল্পিত নগরায়ন: প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণের অন্যতম কারণ অপরিকল্পিত নগরায়ন। গ্রামীন এলাকা থেকে মানুষ কর্মের সন্ধানে নগরে ছুটে আসে। ফলে অত্যধিক মানুষের চাপে নগরীয় পরিবেশ দূষিত হয়।
- কীটনাশক ব্যবহার: কৃষিকাজে অধিক হারে কীটনাশক ব্যবহারের ফলে পানির সাথে কীটনাশক মিশে পানি দূষণ ঘটায়। 

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
In which layer of the atmosphere thunderstorm occur?
  1. ক) Troposphere
  2. খ) Stratosphere
  3. গ) Mesosphere
  4. ঘ) Thermosphere
ব্যাখ্যা
ট্রপোমন্ডল: ট্রপোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর। ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন হওয়ায় এ স্তর জীবজগতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মেরু এলাকায় এ স্তরের গভীরতা প্রায় ৮ কিলোমিটার এবং নিরক্ষীয় এলাকায় ১৬ থেকে ১৯ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। ট্রপোমন্ডলে বায়ুর গড় গভীরতা প্রায় ১৫ কিলোমিটার। এ স্তরের জলীয়বাষ্প এবং ধূলিকণা অশান্ত বায়ুর সাথে মিশ্রিত হয়ে মেঘ, ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ প্রভৃতি সৃষ্টি করে। ফলে আবহাওয়ার বিভিন্ন পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় এবং এই স্তরেই আবহাওয়া ও জলবায়ুর সব রকমের বৈচিত্র্য দেখা যায়। এ মন্ডলটিকে ক্ষুদ্রমন্ডলও বলা হয়ে থাকে। এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপরের দিকে তাপমাত্রা ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে।  

স্ট্রাটোমন্ডল: বায়ুমন্ডলের দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোমন্ডল। যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এ স্তরের শেষ সীমা স্ট্রাটোবিরতি। এ স্তরে ২০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না। এরপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। স্ট্রাটোবিরতিতে তাপমাত্রা ০ সেলসিয়াস বা এর কাছাকাছি হয়। এ স্তরে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ উভয়ই কম।  স্ট্রাটোমন্ডলে জলীয়বাষ্প ও ধূলিকণার পরিমাণ খুব নগন্য এবং প্রায় মেঘশূন্য থাকে। এ স্তরে বাতাস অত্যন্ত হালকা। বাতাসের ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতি নেই, তবে সমান্তরাল গতি দেখা যায়। স্ট্রাটোমন্ডলে ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলে এ স্তরের মধ্য দিয়েই সাধারণত বিমান চলাচল করে থাকে।  

মেসোমন্ডল: স্ট্রাটোবিরতির পর থেকে অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠের উপরের ৫০ কিলোমিটার থেকে ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত স্তরটি মেসোমন্ডল। এ স্তরে বায়ুর চাপ অত্যন্ত কম এবং মেঘ ও জলীয়বাষ্পহীন। এ স্তরে ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় বায়ুর চাপ ১ মিলিবার থেকে কমে ৯০ কিলোমিটার উচ্চতায় এর মান দাঁড়ায় ০.০১ মিলিবার। এ   স্তরের শুরু থেকেই উষ্ণতা হ্রাস পেতে থাকে এবং শেষ সীমা অর্থাৎ মেসোবিরতিতে প্রায় ৯০ সেলসিয়াসে নেমে আসে।

তাপমন্ডল: ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে ৮০ কিলোমিটার ঊর্ধ্বসীমা থেকে অর্থাৎ মেসোবিরতি থেকে তাপমন্ডলের শুরু।এ স্তরের উপরের সীমা ৫০০ কি.মি পর্যন্ত। এখানে বায়ুমন্ডল অত্যন্ত হালকা এবং বায়ুচাপ ক্ষীণ। তাপমন্ডলের ১০০ থেকে ৩০০ কি.মি উচ্চতায় অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন পরমাণু অত্যন্ত ছোট তরঙ্গমাপের সৌরশক্তি শোষণ করায় উষ্ণতা প্রায় ১০০০০ সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। তাপমন্ডলে আয়নিত এ অংশ আয়নমন্ডল নামে পরিচিত। আয়নমন্ডল মূলত মেসোমন্ডলের ঊর্ধ্বাংশ থেকে তাপমন্ডলের নিম্নাংশ (৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার) পর্যন্ত সম্প্রসারিত। আয়নমন্ডলে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ভূ-পৃষ্ঠে ফিরে আসে।  

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
Which element has highest in the atmosphere?
  1. ক) Oxygen
  2. খ) Methane
  3. গ) Nitrogen
  4. ঘ) Carbon dioxide
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলের উপাদান: বায়ুমন্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয়বাষ্পের সংমিশ্রনে গঠিত। বায়ুমন্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন (২০.৭১%), যা মোট উপাদানগুলোর প্রায় ৯৯%। অবশিষ্ট ১% অন্যান্য উপাদান। ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমন্ডলের উপাদানগুলো প্রায় একই রকম থাকে যা সমমন্ডল নামে পরিচিত। আর ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন এই ৯০ কিলোমিটারের ঊর্ধ্বে বায়মন্ডলের যে অংশ রয়েছে সেখানে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত সমান থাকে না বলে তাকে বিষমমন্ডল বলে। 



সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
The first layer from the earth's surface to a depth of about 700 km is called-
  1. ক) Lithosphere
  2. খ) Bryosphere
  3. গ) Centrosphere
  4. ঘ) Ionosphere
ব্যাখ্যা
 অশ্মমন্ডল (Lithosphere): ভূ-পৃষ্ঠ থেকে অভ্যন্তরে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার গভীর পর্যন্তপ্রথম স্তরকে অশ্মমন্ডল বলে। ভূ-কম্পন তরঙ্গ থেকে জানা যায় যে, এ স্তরটি মূলত সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম উপাদান দিয়ে গঠিত যা সিয়াল নামে পরিচিত। ভূ-ত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০০ সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। অশ্বমন্ডলের নিচে গুরুমন্ডল ও কেন্দ্রমন্ডল নামে আরো দুটি প্রধান স্তর রয়ে।

 গুরুমন্ডল (Bryosphere): কেন্দ্রমন্ডলের বহি:ভাগ থেকে ভূ-ত্বকের নিম্নস্তর পর্যন্ত প্রায় ৭০০-২৯০০ কিলোমিটার বিস্তৃত স্তরকে গুরুমন্ডল বলে। এটি মূলত ব্যাসল্ট, শিলা, সিলিকা, ম্যাগনেসিয়াম, লোহা, কার্বন ও অন্যান্য খনিজ পদার্থ দ্বারা গঠিত। তবে সিলিকা ও ম্যাগনেসিয়াম উপাদানের  আধিক্যের কারণে এটি সিমা নামে পরিচিত।

কেন্দ্রমন্ডল(Centrosphere): গুরুমন্ডলের ঠিক পরেই রয়েছে কেন্দ্রমন্ডল। কেন্দ্রমন্ডল, গুরুমন্ডলের নিম্ন ভাগ থেকে কেন্দ্র পর্যন্তপ্রায় ৩,৪৭৯ কিলোমিটার বিস্তৃত। এর গড় ঘনত্ব প্রায় ১০.৭৮ সে.মি.। কেন্দ্রের দিকে ঘনত্ব বাড়তে থাকে। ভূ-কম্পন তরঙ্গের সাহায্যে জানা গেছে যে, কেন্দ্রমন্ডলে একটি তরল বহিরাবরণ আছে, যা প্রায় ২,২৭০ কিলোমিটার পুরু এবং কঠিন অন্তঃভাগ আছে যা প্রায় ১,২১৬ কিলোমিটার পুরু। কেন্দ্রমন্ডলের উপাদানগুলো হলো লোহা, নিকেল, পারদ ও সিসা। তবে প্রধান উপাদান হলো নিকেল ও লোহা যা নাইফ নামে পরিচিত।

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
What type of rock is granite?
  1. ক) Igneous rock
  2. খ) Sedimentary rock
  3. গ) Metamorphic rock
  4. ঘ) None of the above
ব্যাখ্যা
শিলার শ্রেণিবিভাগ: ভূ-ত্বক বিভিন্ন প্রকার শিলা দ্বারা গঠিত এবং প্রত্যেক ধরনের শিলা স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন। কোনো শিলা কাদার মত নরম এবং কোনো শিলা গ্রানাইট পাথরের মত শক্ত। সব ধরনের শিলাই প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট। উৎপত্তি ও গঠনের দিক থেকে শিলাকে তিনভাগে ভাগ করা যায়।
ক) আগ্নেয় শিলা (Igneous rock): উদাহরণ- গ্রানাইট
খ) পাললিক শিলা (Sedimentary rock): উদাহরণ-চুনাপাথর।
গ) রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic rock): উদাহরণ-মার্বেল। 

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
Which one is the hardest mineral?
  1. ক) Copper
  2. খ) Silver
  3. গ) Diamond
  4. ঘ) Gold
ব্যাখ্যা
- কতগুলো মৌলিক উপাদান প্রাকৃতিক উপায়ে মিলিত হয়ে যে যৌগিক পদার্থের সৃষ্টি করে তাকে খনিজ বলে।
- অর্থাৎ খনিজ হলো দুই বা ততোধিক মৌলের সমন্বয়।
- অন্যভাবে বলা যায়, ভূ-পৃষ্ঠে নানা প্রকার রাসায়নিক মৌলিক উপাদান একত্রে মিলিত হয়ে যে যৌগিক পদার্থের সৃষ্টি করে, এগুলো খনিজ।
- তবে কিছু কিছু খনিজ একটি মাত্র মৌল দ্বারাও গঠিত হতে পারে।
- যেমন- হীরা, সোনা, তামা, রূপা, পারদ ও গন্ধক।
- এর মধ্যে হীরার কাঠিন্য সবচেয়ে বেশি এবং টেলক এর কাঠিন্য সর্বনিম্ন। 

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
What causes earthquakes?
  1. ক) Rainfall
  2. খ) Ocean currents
  3. গ) Plate movement
  4. ঘ) Factory waste
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প সংঘটনের কারণ: বহু বছর ধরে ভূমিকম্পের কারণসমূহ সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিম্নলিখিত কারণসমূহ সনাক্ত করেছেন।
- পাত সঞ্চালন (Plate Movement): সঞ্চালনশীল মহাদেশীয় ও মহাসাগরীয় পাতসমূহের গতিশীলতার সময় যখন পরস্পরের সাথে সংঘর্ষ হয় তখন ভূমিকম্প হয়। তাই পৃথিবীর ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলগুলো পাতসীমা বরাবর অবস্থিত। এছাড়া সঞ্চালনশীল পাত দুটি পরস্পর থেকে দূরে সরে যায় বা সামনে-পিছনে গতিশীল হয় তখন ভূগর্ভে চাপের তারতম্য ঘটে এবংভূমিকম্প হয়।
- ভূ-পাত (Land Slip): পাহাড়-পর্বত হতে বৃহৎ শিলাখন্ড ভূ-ত্বকের উপর ধ্বসে পড়লে ভূমিকম্প হয়। ভূ-পাত বা ভূমি ধ্বসের কারণ হলো নবীন ভাঁজ পর্বতের শিলাগুলো পরস্পর দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত নয়। যেমন- ১৯১১ সালে তুরস্কে ভূমিকম্প হওয়ার কারণ ছিল পামীর মালভূমিতে বিশাল ভূ-পাত।    

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
What is the slowest way of surface change?
  1. ক) Land erosion
  2. খ) Weathering
  3. গ) Earthquake
  4. ঘ) Denudation
ব্যাখ্যা
বিচূর্ণীভবন (Weathering): বিচূর্ণীভবন বা আবহবিকার বলতে নানা প্রকার প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিলাসমূহের চূর্ণ-বিচূর্ণ হওয়াকে বুঝায়। বিভিন্ন যান্ত্রিক, রাসায়নিক ও জৈবিক প্রক্রিয়াগুলি ভূ-পৃষ্ঠে অনবরত কার্যকর রয়েছে এবং তাদের দ্বারা সেখানকার শিলারাশি প্রতিনিয়ত চূর্ণ-বিচূর্ণ হচ্ছে। পৃথিবীর সব স্থানের আবহাওয়া সবসময় একই রূপ থাকে না। এমনকি যে কোনো স্থানের যে কোনো দিনের বিভিন্ন সময়ের আবহাওয়ার মধ্যে তারতম্য ঘটে। সময় পরিবর্তনে আবহাওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন উপাদানের অর্থাৎ বৃষ্টিপাত, বায়ুর উষ্ণতা, চাপ, আর্দ্রতা প্রভৃতির পরিবর্তন ঘটে। অধিক তাপে শিলাসমূহ প্রসারিত হয় আবার তাপ হ্রাসে তা সংকুচিত হয়। অতএব, যে সব স্থানে বিশেষ করে দিবা-রাত্রির উষ্ণতার পার্থক্য এবং শীত-গ্রীষ্মের উষ্ণতার পার্থক্য খুব বেশি সে সব স্থানে শিলাসমূহের প্রসারিত ও সংকুচিত হওয়ার কাজ ক্রমাগত চলতে থাকে। এভাবে সেখানকার শিলাসমূহ ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ে এবং কালক্রমে ঐ সব শিলা ধীরে ধীরে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে নরম ও আলগা হয়। এভাবেই বিচূর্ণীভবন প্রক্রিয়া চলতে থাকে।

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
What happens as a result of river erosion?
  1. ক) Agricultural land disappears
  2. খ) Increase in river fodder
  3. গ) Infrastructure destruction
  4. ঘ) All of the above
ব্যাখ্যা
নদীভাঙ্গনের প্রভাব: 
- কৃষি জমি বিলীন: নদী ভাঙ্গনের ফলে কৃষি জমি বিলীন হয়ে যায়। ফলে কৃষি পণ্য ও খাদ্যে ঘাটতি দেখা যায়।
- বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন: নদীভাঙ্গনের ফলে নদী অববাহিকায় অবস্থিত বাড়ি-ঘর ভেঙ্গে নদীতে বিলীন হয়ে যায়। ফলে অনেক মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ে।
- নদীর চর বৃদ্ধি: এক জায়গায় নদী ভেঙে অন্য জায়গায় পলি জমা হয়। ফলে নদীর নিচু স্তরে চরের সৃষ্টি হয়।
- অবকাঠামো ধ্বংস: নদীর পাড়ে অবস্থিত অবকাঠামোগত উন্নয়নমূলক কাজ নদীভাঙ্গনের সাথে ভেঙে পড়ে। ফলে অবকাঠামোগত দিক থেকে দেশ ক্ষতির সম্মুখীন হয়। 

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
Which one is the main source of heat?
  1. ক) Wind flow
  2. খ) Air pressure
  3. গ) Sunlight
  4. ঘ) Ultra violated rays
ব্যাখ্যা
বায়ুর তাপের উৎস:
- সূর্যরশ্মি সকল তাপের উৎস।
- সূর্য থেকে আগত সৌরশক্তি বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে এবং বায়ুমন্ডলের জলীয়বাষ্প, কৃত্রিম উপাদান ও ধূলিকণার সাথে মিশে যায়।
- এই সকল উপাদান সৌরশক্তিকে আংশিকভাবে শোষণ করে এবং বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- পৃথিবীর স্থলভাগ ও জলভাগ যে তাপ গ্রহণ করে তা রাতের বেলায় তাপ বিকিরণ পদ্ধতিতে বায়ুমন্ডলে তাপ বৃদ্ধি করে।
- এ জন্যই পৃথিবীর সর্বত্র তাপ একই রকম হয় না। 

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
Which of the following factor make difference of temperature in earth surface?
  1. ক) Depending on the geological setting
  2. খ) By latitude
  3. গ) Depending on atmosphere
  4. ঘ) By longitude
ব্যাখ্যা
- বায়ুর নিজের ওজোন রয়েছে।
- বায়ুর এ ওজোনের জন্য যে চাপ তৈরি হয় তাকে বায়ুচাপ বলা হয়।
- বায়ুচাপ সর্বত্র সমান নয়।
- কারণ ভূ-পৃষ্ঠের একেক অক্ষাংশে একেক ধরনের তাপমাত্রা লক্ষ্য করা যায়।
- বর্তুলাকার পৃথিবী যখন ক্রমাগত ঘুরতে থাকে তখন বায়ুমন্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তরে যে চাপমন্ডল সৃষ্টি হয় সেগুলোকে বলা হয় চাপমন্ডল বা চাপবলয়।
- বায়ুর চাপবলয়গুলোকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- উচ্চচাপ বলয় এবং নিম্নচাপ বলয়।
- যে সকল অঞ্চলে বায়ুর চাপ বেশি সে অঞ্চলকে উচ্চচাপ বলয় এবং যে অঞ্চলে বায়ুর চাপ কম সে অঞ্চলকে নিম্নচাপ বলয় বলে।

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
Which one is responsible for greenhouse effect?
  1. ক) Nitrogen
  2. খ) Hydrogen
  3. গ) Carbon dioxide
  4. ঘ) Oxygen
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী জুড়ে উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন অত্যন্ত আলোচিত বিষয়।
- পৃথিবী পৃষ্ঠে গ্রিন হাউজ গ্যাস বৃদ্ধির জন্য মানুষের অতি শিল্প নির্ভরশীলতা ও প্রাকৃতিক সম্পদের যথেচ্ছ ব্যবহারের প্রবণতাকে দায়ী করা হয়।
- গ্রিন হাউজ হলো এমন একটি কাঁচের ঘর যেখানে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে গাছপালা জন্মানোর জন্য উপযোগী আবহাওয়া তৈরি করা হয়।
- সূর্যের আলো যখন এই কাঁচের ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে তখন ভিতরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- পৃথিবীও গ্রিন হাউজের মত এমন একটি আবাসস্থল যেখানে প্রতিদিনই তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে যা পৃথিবী হতে দূরীভূত হচ্ছে না।
- গ্রিন হাউজের তাপমাত্রা ধরে রাখার প্রক্রিয়াটি বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রক্রিয়ার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- এ কারণেই গ্রিন হাউজ এর সাথে মিল রেখে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে চিি হ্নত করা হয়েছে গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া হিসেবে।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়ন হলো বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি। এটিকে গ্রিন হাউজের প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা হয়।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের গ্যাসকে দায়ী করা হয়। এগুলো হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লোরো কার্বন, মিথেন, ওজোন, জলীয়বাষ্প প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। 

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
What percentage of the Earth's surface is occupied by water?
  1. ক) 53%
  2. খ) 65%
  3. গ) 71%
  4. ঘ) 80%
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী পৃষ্ঠের মোট আয়তন প্রায় ৫১০ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার বা ১৯৭ মিলিয়ন বর্গমাইল।
- এর মধ্যে ৩৬২.১ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার অর্থাৎ ৭১% জলভাগ এবং ১৪৭.৯ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার অর্থাৎ ২৯% স্থলভাগ।
- আবার পৃথিবীর মোট জলরাশির শতকরা ৯৭ ভাগই মহাসাগর, সাগর এবং উপসাগর ধারণ করছে।
- অবশিষ্ট ৩ ভাগ অন্যান্য জলাধার ধারণ করছে।
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে পানি একই অবস্থায় না থেকে তিনটি বিশেষ অবস্থায় রয়েছে।
- পানির তিনটি অবস্থা হলো- কঠিন (বরফ), গ্যাসীয় (জলীয়বাষ্প) এবং তরল।
- পানি বায়ুমন্ডলে রয়েছে জলীয়বাষ্প হিসেবে এবং ভূ-পৃষ্ঠে রয়েছে কঠিন ও তরল অবস্থায়।

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
If the salinity of the sea water increase then the density of the sea water-
  1. ক) Increase
  2. খ) Decrease
  3. গ) Remain same
  4. ঘ) Nothing will happen
ব্যাখ্যা
- বৃষ্টিপাত, বাষ্পীভবন, নদনদী, বরফগলা পানি প্রভৃতি প্রাকৃতিক কারণে সমুদ্রের পানির লবণাক্ততার পরিমাণ সর্বত্র সমান থাকে না।
- সমুদ্রের পানি অধিক লবণাক্ত হলে পানির ঘনত্ব অধিক হয় ও পানি ভারী হয়।
- এই ভারী ও অধিক লবণাক্ত পানি স্বভাবতই সমুদ্রের নিচের দিকে প্রবাহিত হয় এবং কম ঘনত্বের হালকা পানি উপরের দিকে প্রবাহিত হয়।
- ফলে সমুদ্র স্রোতের উদ্ভব ঘটে। 

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
What are the effects of tides?
  1. ক) The attraction between earth and planets
  2. খ) The attraction of stars with sun and moon
  3. গ) The attraction of earth with sun and moon
  4. ঘ) The attraction between earth and sun
ব্যাখ্যা
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়।
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে।
- প্রতি ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট পরপর এই জোয়ার ভাঁটা সংঘঠিত হয়।
- অর্থাৎ সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু’বার জোয়ার ও দু’বার ভাঁটা হয়।
- সমুুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার ভাঁটা বেশি অনুভূত হয়।
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে।
- তবে বিভিন্ন নদীপথে দেশের ভিতরে সমুুদ্রের পানি যখন প্রবেশ করে এবং নেমে যায় তাকে জোয়ার ভাঁটা বলে না।

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
What happens when a heavy and a light object are dropped from the same height in vacuum?
  1. ক) The velocity of the object decreases during the fall
  2. খ) The two bodies fall to the ground at the same time
  3. গ) Heavy objects fall to the ground first
  4. ঘ) At the same time the distance traveled by the two objects is different
ব্যাখ্যা
- কোনো বস্তু উপর থেকে নিচে পড়ার সময় সরাসরি মাটির দিকে পড়তে থাকে।
- বস্তুর এই খাড়াভাবে পতনের কারণ অভিকর্ষ বা পৃথিবীর আকর্ষণ বল।
- প্রাচীন কালে মানুষের ধারনা ছিল যে ভারী বস্তু, হালকা বস্তুর তুলনায় তাড়াতাড়ি মাটিতে পড়ে।
- ইটালীর বিজ্ঞানী গ্যালিলিও ১৫৮৯ খ্রিষ্টাব্দে পিসা শহরে ১৮০ ফুট উচুঁ মিনারের ছাদ থেকে একই সাথে একটি ভারী ও একটি হালকা বস্তুকে নিচে ফেলে দিয়ে প্রমাণ করেন যে বস্তুদ্বয় প্রায় একই সময়ে মাটিতে পড়ে।
- অভিকর্ষজ ত্বরণ ভরের উপর নির্ভরশীল নয়।
- তাই নিচে পড়ার সময়, ভারী ও হালকা বস্তুর ত্বরণ একই হবে এবং বস্তুদ্বয় একই সময়ে মাটিতে পড়বে।

সূত্র: পদার্থ প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৮.
Which one is the internal influencer in photosynthesis?
  1. ক) Light
  2. খ) Amount of chlorophyll
  3. গ) Water
  4. ঘ) Temperature
ব্যাখ্যা
- সালোক সংশ্লেষণের বাহ্যিক প্রভাবক:
- সালোক সংশ্লেষণের বাহ্যিক প্রভাবক গুলি হলো - আলো, কার্বন ডাই-অক্সাইড, পানি ও তাপমাত্রা। 
- সালোক সংশ্লেষণের অভ্যন্তরীণ প্রভাবক:
- সালোক সংশ্লেষণের অভ্যন্তরীণ প্রভাবক গুলি হলো - ক্লোরোফিলের পরিমাণ, পাতার বয়স, শর্করার পরিমাণ, পাতার গঠন, কয়েকটি ধাতুর উপস্থিতি ইত্যাদি।

সূত্র: এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৯.
What determines the direction when two objects collide?
  1. ক) Mass
  2. খ) Velocity
  3. গ) Momentum
  4. ঘ) The time of collide
ব্যাখ্যা
- একটি ভারি বস্তু (ট্রাক) ও একটি হালকা বস্তু (রিকশা) মধ্যে একই সময়ে সমান বেগ সৃষ্টি করতে ভারি বস্তুকে বেশি বল প্রয়োগ করতে হয়।
- একই ভাবে সমবেগে গতিশীল ভারি বস্তুকে থামাতে হালকা বস্তুর চেয়ে বেশি প্রতিরোধকারী বলের প্রয়োজন।
- আবার সমান ভরের দুটি বস্তুর একটিকে বেশি বেগে গতিশীল করতে বা বেশি ত্বরণ সৃষ্টি করতে হলে বেশি বল প্রয়োগ করতে হয়।
- সুতরাং বস্তুর ভর ও বেগের সমন্বয়ের মাধ্যমে বলা যায়, কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন বেশি হতে হলে এর উপর বেশি বল প্রয়োগ করতে হবে।
- বল শুধু ভরবেগের পরিবর্তনের উপর নির্ভরশীল নয়, কত দ্রæত পরিবর্তন হচ্ছে তার উপরও নির্ভরশীল।
- অল্প সময়ে ভরবেগের পরিবর্তনের জন্য বেশি বল প্রয়োজন হয়। সংক্ষেপে, ভরবেগের পরিবর্তনের হার বেশি হলে প্রযুক্ত বলও বেশি হবে। 

সূত্র: পদার্থ প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
Which one is more elastic?
  1. ক) Copper
  2. খ) Steel
  3. গ) Rubber
  4. ঘ) Glass
ব্যাখ্যা
-  বাহ্যিক বল প্রয়োগ করে কোনো বস্তুর আকার বা আয়তন বা উভয়েরই পরিবর্তনের চেষ্টা করলে, যে ধর্মের ফলে বস্তুটি এই পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেয় এবং বাহ্যিক বল অপসারিত হলে বস্তু তার পূর্বের আকার ও আয়তন ফিরে পায়, সেই ধর্মকে স্থিতিস্থাপকতা বলা হয়।
- বাহ্যিক বলের বিরুদ্ধে যে বস্তুর বাধা প্রদানের ক্ষমতা বেশি তার স্থিতিস্থাপকতা বেশি।
- অর্থাৎ, নির্দিষ্ট পরিমাণ দৈর্ঘ্য বা আয়তনের পরিবর্তন ঘটাতে যে পদার্থে যত বেশি বাহ্যিক বল প্রয়োগ করার প্রয়োজন হয় তাকে তত বেশি স্থিতিস্থাপক বলা হয়।
- সমান মাপের ইস্পাতের তার ও রবারের দড়ির মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ পরিবর্তন ঘটাতে রবার অপেক্ষা ইস্পাতে বেশি বল প্রয়োগ করতে হয়।
- তাই ইস্পাত রবার অপেক্ষা বেশি স্থিতিস্থাপক।

সূত্র: পদার্থ প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
The the number of vibrations completed by a wave transmitting particle in one second is called-
  1. ক) Wavelength
  2. খ) Wave velocity
  3. গ) Amplitude
  4. ঘ) Frequency
ব্যাখ্যা
- তরঙ্গ দৈর্ঘ্য: তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন হতে যে সময় লাগে, সেই সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বলে। তরঙ্গ দৈর্ঘ্যকে  λ  দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- তরঙ্গ বেগ: তরঙ্গ নির্দিষ্ট দিকে একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে ঐ তরঙ্গের বেগ বা সংক্ষেপে তরঙ্গ বেগ বলে।
- বিস্তার: তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা সাম্য অবস্থান থেকে যেকোনো একদিকে সর্বাধিক যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে ঐ তরঙ্গের বিস্তার বলে। 
- কম্পাঙ্ক: তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে ঐ কণার বা তরঙ্গের কম্পাঙ্ক বলে। কম্পাঙ্ককে f দ্বারা প্রকাশ করা হয়। কম্পাঙ্কের একক হার্জ। সংক্ষেপে লেখা হয় Hz। 

সূত্র: পদার্থ প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
Which medium is required for heat radiation?
  1. ক) Inert medium
  2. খ) Ether
  3. গ) No medium needed
  4. ঘ) Air
ব্যাখ্যা
- আমরা জানি তিন উপায়ে তাপ সঞ্চালন ঘটে।
- আগুনের পাশে দাড়ালে আমরা উত্তাপ অনুভব করি।
- অথবা গ্যাসের চুলা বা উত্তপ্ত বস্তুর খানিকটা নিচে হাত বাখলে গরম অনুভব করি।
- এ ক্ষেত্রে পরিচলন বা পরিবহন প্রক্রিয়ায় তাপ সঞ্চালিত হয় না।
- কারণ এখানে কোনো কঠিন মাধ্যম নেই তাই পরিবহন হচ্ছে না।
- বায়ু মাধ্যমে তাপের পরিচলন হয়।
- কিন্তু এক্ষেত্রে উত্তপ্ত বায়ু হালকা হবে এবং উপরে উঠবে, নিচে নামবে না।
- অথচ নিচে আমরা গরম অনুভব করি।
- এভাবে তাপ সঞ্চালনের প্রক্রিয়াটি বিকিরণ।
- সূর্য থেকে আমরা তাপ পাই ।
- সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে দূরত্বের প্রায় পুরোটাই শূন্য, কোনো জড় মাধ্যম নেই।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে বিকিরণ পদ্ধতিতে।  
- যে প্রক্রিয়ায় তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই অপেক্ষাকৃত উষ্ণতর স্থান থেকে শীতলতর স্থানে সঞ্চালিত হয় সেই প্রক্রিয়াকে তাপের বিকিরণ বলে।
- বিকিরণ পদ্ধতিতে যে তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্খানে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকীর্ণ তাপ বলে।  

সূত্র: পদার্থ প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
A heat engine is an engine where it-
  1. ক) Converts mechanical energy into thermal energy
  2. খ) Converts thermal energy into mechanical energy
  3. গ) Converts chemical energy into electrical energy
  4. ঘ) Converts electrical energy into mechanical energy
ব্যাখ্যা
- যে যন্ত্র দ্বারা তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন বলে।
- যেমন বাষ্পীয় ইঞ্জিন, পেট্রোল ইঞ্জিন, ডিজেল ইঞ্জিন ইত্যাদি।
- তাপ ইঞ্জিনে তাপ উৎস এবং তাপগ্রাহক থাকে।
- ইঞ্জিন কোনো উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে।
- তাপের যে অংশ কাজে রূপান্তরিত হয় না তা পরিবেশে বিলিয়ে দেবে এবং পুনরায় তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করবে।
- উৎসের তাপমাত্রা যে পরিবেশ বা সিস্টেমে তাপ গ্রহণ করবে তার তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হবে।
- অর্থাৎ ইঞ্জিন উচ্চতর তাপমাত্রার তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে এবং বাকি অংশ নিম্নতর তাপমাত্রার তাপগ্রাহক বা শীতল বস্তুতে ছেড়ে দিয়ে ইঞ্জিনটি আদি অবস্থায় ফিরে আসে।
- ইঞ্জিনটি এভাবে একটি চক্র সম্পন্ন করে। 

সূত্র: পদার্থ প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
Which of the following has a cell wall made of chitin?
  1. ক) Bacteria
  2. খ) Fungi
  3. গ) Virus
  4. ঘ) Algae
ব্যাখ্যা
Fungi- এদের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
 - এরা সাধারণত বহুকোষী এবং দেহ মাইসেলিয়া দ্বারা গঠিত। 
- এদের দেহ সাধারণত শাখান্বিত, ফিলামেন্ট সিনোসাইটিক (ব্যবধায়ক প্রাচীরবিহীন)।  
- এদের কোষ প্রাচীর কাইটিন নির্মিত। 
- সালোকসংশ্লেষণকারী বর্ণ কণিকা অনুপস্থিত তাই এরা নিজেরা নিজেদের খাদ্য তৈরি করতে পারে না বলে এরা মৃতজীবি বা পরজীবি হিসেবে বাস করে। 
- এরা শোষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য গ্রহণ করে।  
- এদের পরিবহন টিস্যু নেই।  
- হ্যাপ্লয়েড স্পোরের মাধ্যমে এদের বংশবৃদ্ধি ঘটে। 
- এদের অধিকাংশই স্থলজ, অল্প কিছু সংখ্যক জলজ। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
Who eats invading microbes in the process of phagocytosis?
  1. ক) Ribosome
  2. খ) Lysosome
  3. গ) Golgi body
  4. ঘ) Mitochondria
ব্যাখ্যা
- লাইসোসোম ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় আক্রমণকারী জীবাণু ভক্ষণ।
- তীব্র খাদ্যাভাব দেখা দিলে কোষস্থ উপাদান ও অঙ্গাণুকে বিগলিত করে ধ্বংস করে। যাকে অটোফ্যাগি বলে।                                                          - পর্যাপ্ত পরিমাণ এনজাইম থাকায় এরা প্রায় সব ধরনের জৈবিক বস্তু হজম করতে পারে।
- এরা জীবদেহের অকেজো কোষকে অটোলাইসিস প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করে। ফলে সম্পূর্ণ কোষটিই পরিপাক হয়ে যেতে পারে।  
- বিভিন্ন ধরনের বস্তু নিঃসরণ করে। 


সূত্র: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
Which one is the reductional division?
  1. ক) Amitosis
  2. খ) Mitosis
  3. গ) Meiosis
  4. ঘ) None of the above
ব্যাখ্যা
- মায়োসিস একটি বিশেষ ধরনের কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া যাতে মাতৃকোষের নিউক্লিয়াসটি দু’বার কিন্তু ক্রোমোসোমসমূহ একবার বিভাজিত হয়।
- এর ফলে সৃষ্ট চারটি কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক হয়। 
- তাই এ ধরনের বিভাজনকে হ্রাসমূলক বিভাজন বলে।
-  মায়োসিস সর্বদা জনন মাতৃকোষে সম্পন্ন হয়।
- কখনই দৈহিক কোষে মায়োসিস ঘটে না।

সূত্র: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
Which one is the most valuable metal?
  1. ক) Mercury
  2. খ) Lithium
  3. গ) Nickel
  4. ঘ) Platinum
ব্যাখ্যা
- ধাতু দেখতে চকচকে। একে আঘাত করলে টুনটুন শব্দ হয়।
- ধাতু তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী।
- সবচেয়ে ভারী মূল্যবান ধাতু প্লাটিনাম
- সবচেয়ে হালকা ধাতু লিথিয়াম।

সূত্র: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৮.
Which one is a byproduct of soap?
  1. ক) Protein
  2. খ) Fat
  3. গ) Glycerin
  4. ঘ) Calcium
ব্যাখ্যা
- সাবান হচ্ছে উচ্চত্র ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাসিয়াম লবণ।
- সাবান তৈরির প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে তেল বা চর্বি।
- তেল বা চর্বিকে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড দ্রবণ বা পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড দ্রবণ দ্বারা আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে যথাক্রমে সোডিয়াম সাবান ও পটাসিয়াম সাবান উৎপন্ন হয়।
- উপজাত হিসাবে গ্লিসারিন উৎপন্ন হয়।
 
সূত্র: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৯.
Oxidation reaction occurs in-
  1. ক) Anode
  2. খ) Cathode
  3. গ) Anode and cathode
  4. ঘ) Nonne
ব্যাখ্যা
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে। 
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়।
- বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
- বিজাড়ণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় ক্যাথোডে।
- জারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় অ্যানোডে।  

সূত্র: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।