পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
"পরীক্ষা – ৬ টপিক: রিভিশন [পরীক্ষা ৪ ও ৫] [ক্লাস ৮ – ১৩]"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
হার্ড কপি আউটপুট পেতে নিচের কোন ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
  1. মনিটর
  2. প্রজেক্টর
  3. প্লটার
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
প্লটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লটার
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: গ) প্লটার
 
• আউটপুট ডিভাইস:
- আউটপুট ডিভাইস হল একটি প্যারিফেরাল (peripheral) ডিভাইস যা কম্পিউটার থেকে প্রক্রিয়াজাত তথ্য ব্যবহারকারীর কাছে দৃশ্যমান বা অন্য কোনো গ্রহণযোগ্য রূপে উপস্থাপন করে।

• দৃশ্যমান আউটপূট ডিভাইস গুলো হলো-
- Monitor (CRT, LCD, LED).
- Projector.

• অডিও আউটপুট ডিভাইস গুলো হলো-
- Speaker. 
- Headphone / Earphone.

• হার্ড কপি আউটপুট ডিভাইস-
- Printer.
- Plotter (প্লটার).
• অর্থাৎ হেডফোন একটি অডিও আউটপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটার বা অন্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে আসা অডিও সিগন্যাল শুনতে পারেন।

অন্যদিকে,
⇒ হেডফোন থেকে কোনো তথ্য কম্পিউটারে পাঠানো হয় না, তাই এটি ইনপুট ডিভাইস নয়।
⇒ হেডফোন কোনো তথ্য সংরক্ষণ করে না, ফলে এটি মেমোরি বা স্টোরেজ ডিভাইস নয়।

তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- Britannica

.
নিচের কোনটি IoT (Internet of Things) প্রযুক্তির একটি উদাহরণ?
  1. কীবোর্ড দিয়ে টাইপ করা
  2. ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরের এসি (AC) নিয়ন্ত্রণ করা
  3. ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরের এসি (AC) নিয়ন্ত্রণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরের এসি (AC) নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: খ) ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরের এসি (AC) নিয়ন্ত্রণ করা।

• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টারনেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, এসি (AC), লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়
- IoT ডিভাইসগুলো সেন্সরের মাধ্যমে চারপাশের তথ্য সংগ্রহ করে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে তা ক্লাউড বা অন্য ডিভাইসে পাঠায় এবং বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়।
- এটি কাজের দক্ষতা বাড়ায়, স্বয়ংক্রিয়করণের মাধ্যমে সময় বাঁচায় এবং দূর থেকে যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধা প্রদান করে।
- উদাহরণ: স্মার্ট হোম (স্মার্ট লাইট, ফ্রিজ, থার্মোস্ট্যাট), পরিধানযোগ্য ডিভাইস (স্মার্টওয়াচ), স্মার্ট গাড়ি, এবং শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত সেন্সর Fortinet ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
- ব্রিটানিকা।

.
কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে USB ডিভাইস সংযোগ করার সাথে সাথেই কাজ শুরু করতে পারে?
  1. Store and Forward
  2. Plug and Play
  3. Read and Write
  4. Copy and Paste
সঠিক উত্তর:
Plug and Play
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Plug and Play
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: খ) Plug and Play

• USB:
- যে পেরিফেরাল ডিভাইসগুলি ইনস্টলেশনের সময় অতিরিক্ত কনফিগারেশন ছাড়া কাজ করে, সেগুলো হলো USB Devices (ইউএসবি ডিভাইস)।
- USB মানে হলো Universal Serial Bus, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিস্টেমের সাথে সংযোগ স্থাপন করে এবং ড্রাইভার ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া সহজ করে।
- এটি মূলত 'Plug and Play' বৈশিষ্ট্য বহন করে।
- নতুন USB ডিভাইস সংযুক্ত করলে, অপারেটিং সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিভাইস চিহ্নিত করে এবং প্রয়োজনীয় ড্রাইভার লোড করে, ফলে ব্যবহারকারীর কাছে কোনো জটিল কনফিগারেশন বা IRQ, I/O পোর্ট ঠিক করার প্রয়োজন পড়ে না।
- অন্যদিকে, SCSI, Parallel এবং Serial Port ডিভাইস সাধারণত ম্যানুয়ালি কনফিগারেশন প্রয়োজন হয়, যেমন ডিভাইস আইডি, পোর্ট ঠিক করা বা IRQ সেট করা। তাই স্বয়ংক্রিয় Plug-and-Play সুবিধার জন্য USB ডিভাইসকে সবচেয়ে সুবিধাজনক ধরা হয়।
 
• কয়েকটি USB ডিভাইস হলো: 
- Pendrive.
- USB Keyboard / Mouse.
- USB Printer.
- External Hard Drive.
 
তথ্যসূত্র: 
- Computer Fundamentals – P.K. Sinha.

.
নিচের কোন পদ্ধতিটি আচরণগত বায়োমেট্রিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
  1. কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ
  2. হাতের রেখা শনাক্তকরণ
  3. আইরিশ শনাক্তকরণ
  4. মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ
সঠিক উত্তর:
কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ক) কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।

• বায়োমেট্রিক্স:

- গ্রীক শব্দ metron অর্থ পরিমাপ এবং "bio" অর্থ জীবন, এ দু'টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথা:
১. শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- আইরিশ শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ,
- ডিএনএ পর্যবেক্ষণ।

২. আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ,
- হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ,
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

.
নিচের কোন মেমোরিটি আল্ট্রাভায়োলেট (UV) রশ্মি ব্যবহার করে তথ্য মুছে পুনরায় লিখতে পারে?
  1. PROM
  2. EPROM
  3. RAM
  4. Mask ROM
সঠিক উত্তর:
EPROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
EPROM
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: খ) EPROM 

• রম (ROM):

- রম (ROM) হল রিড-ওনলি মেমোরি (Read-Only Memory) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি। 

• ROM (Read-Only Memory) এর প্রকারভেদ:
PROM (Programmable ROM):
- একবার প্রোগ্রাম করা যায়। 
- একবার প্রোগ্রাম করার পর ডাটা পরিবর্তন করা যায় না। 

EPROM (Erasable Programmable ROM):
- UV (আল্ট্রাভায়োলেট) আলো দিয়ে ডাটা মুছে আবার নতুন ডাটা লেখা যায়। 
- ২০-৩০ মিনিট UV আলোতে রাখলে সম্পূর্ণ ডাটা মুছে যায়। 

EEPROM/EAPROM (Electrically Erasable Programmable ROM):
- বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে ডাটা মুছে আবার লেখা যায়। 
- নির্দিষ্ট অংশের ডাটা আলাদাভাবে মুছে নতুন ডাটা লেখা সম্ভব। 
- এটি Flash memory এর ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। 

Mask ROM:
- ডাটা স্থায়ীভাবে লেখা হয়। 
- প্রোগ্রাম পরিবর্তন অসম্ভব। 

• ROM এর বৈশিষ্ট্য:
- কম্পিউটার বন্ধ হলেও ডাটা থেকে যায়। অর্থাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও তথ্য নষ্ট হয় না। 
- সাধারণত ডাটা পড়া যায়, কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না। 
- BIOS, অপারেটিং সিস্টেমের প্রাথমিক অংশ সংরক্ষিত থাকে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত নেমোনিক কোডকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে কোনটি?
  1. কম্পাইলার
  2. ইন্টারপ্রেটার
  3. অ্যাসেম্বলার
  4. ডিবাগার
সঠিক উত্তর:
অ্যাসেম্বলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাসেম্বলার
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: গ) অ্যাসেম্বলার

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:

- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।

• তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে:
১. কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন, প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। 
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
প্রিন্টারের রেজোলিউশনের মান নির্ণয় করতে কোন একক ব্যবহৃত হয়?
  1. Bit
  2. Hertz
  3. Byte
  4. DPI
সঠিক উত্তর:
DPI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DPI
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ঘ) DPI

 • প্রিন্টারের রেজোলিউশন বলতে বোঝায় একটি প্রিন্টার কতটা সূক্ষ্মভাবে ছবি বা লেখা মুদ্রণ করতে পারে। এটি মূলত প্রতিটি ইঞ্চিতে কতটি বিন্দু (dots) প্রিন্ট করা যায় তা দ্বারা নির্ধারিত হয়। এই মান পরিমাপ করার জন্য ডিপিআই (DPI – Dots Per Inch) একক ব্যবহার করা হয়। ডিপিআই যত বেশি, প্রিন্টের মান তত উন্নত এবং ছবি বা টেক্সট তত বেশি স্পষ্ট হয়। উদাহরণস্বরূপ, ৩০০ ডিপিআই মানে প্রতি ইঞ্চিতে ৩০০টি ছোট ছোট বিন্দু প্রিন্ট হবে। অন্য একক যেমন বিট, হার্জ বা বাইট কম্পিউটারের তথ্য বা গতি মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রিন্টারের রেজোলিউশনের জন্য নয়। তাই প্রিন্টারের রেজোলিউশন নির্ধারণের একক হলো ডিপিআই।

• প্রিন্টার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটার হতে কোনো লেখা, ছবি ইত্যাদি কাগজের ওপরে ছেপে বের করা হয়, তাকে প্রিন্টার (Printer) বলা হয়।
- প্রিন্টারের রেজোলিউশন বলতে বোঝায়, প্রিন্টারের প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলো ডট (বিন্দু) ছাপাতে পারে- অর্থাৎ এটি প্রিন্টের সূক্ষ্মতা ও মান নির্ধারণ করে।

• DPI (Dots Per Inch):
- DPI হলো প্রিন্টারের রেজোলিউশন পরিমাপের একক।
- উদাহরণ: একটি প্রিন্টারের রেজোলিউশন যদি 600 DPI হয়, তাহলে প্রিন্টারটি প্রতি ইঞ্চিতে 600 ডট প্রিন্ট করতে পারে।
- উচ্চ DPI এর মান যত বেশী হবে প্রিন্টারের প্রিন্টের মান তত ভালো হবে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
গ্রাফিক্স কার্ড বা সাউন্ড কার্ডের মতো অতিরিক্ত ডিভাইস সংযোগের জন্য কোন বাস ব্যবহৃত হয়?
  1. ইন্টারনাল বাস
  2. এক্সপানশন বাস
  3. অ্যাড্রেস বাস
  4. ডেটা বাস
সঠিক উত্তর:
এক্সপানশন বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্সপানশন বাস
ব্যাখ্যা

 সঠিক উত্তর: খ) এক্সপানশন বাস।

• কম্পিউটার বাস (Computer Bus):
- কম্পিউটারের বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়‍্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- কম্পিউটারের বাস কতকগুলো বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইনের সাহায্যে গঠিত, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা, তথ্য, সিগন্যাল, নির্দেশ বা প্রোগ্রাম আদান-প্রদানের কাজ সম্পন্ন হয়।

• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।

→ সিস্টেম বাসের প্রকারভেদ:
- ডেটা বাস (Data Bus), 
- অ্যাড্রেস বাস (Address Bus), 
- কন্ট্রোল বাস (Control Bus)। 

• এক্সপানশন বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে সেগুলোকে এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বলা হয়। 
- এক্সপানশন বাস হলো এমন বাস যা মূল মাদারবোর্ডের প্রসেসর বা মেমরির বাইরে থাকা অতিরিক্ত ডিভাইস সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, পিসিতে গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড বা নেটওয়ার্ক কার্ড যুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত আইও পোর্ট সাধারণত এক্সপানশন বাসের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়

→ এক্সপানশন বাসের প্রকারভেদ:
- আইএসএ বাস (ISA Bus), 
-  ইআইএসএ বাস (EISA Bus), 
-  ইউএসবি (USB),
 - ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus),
-  এজিপি বাস (AGP Bus),
-  লোকাল বাস (Local Bus): লোকাল বাস দুই প্রকার হয়ে থাকে। যথা- 
ⅰ. ভেসা বাস (VESA Bus), 
ii. পিসিআই বাস (PCI Bus)।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কম্পিউটারের সব রকমের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় সাধন করে কোন অংশ?
  1. অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট
  2. কন্ট্রোল ইউনিট
  3. সেকেন্ডারি মেমোরি
  4. রেজিস্টার
সঠিক উত্তর:
কন্ট্রোল ইউনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কন্ট্রোল ইউনিট
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: খ) কন্ট্রোল ইউনিট

• সিস্টেম ইউনিট (CPU):
- কম্পিউটারের প্রধান অংশ হলো সিস্টেম ইউনিট বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU)।
- মানুষের মত কম্পিউটারেও মস্তিষ্ক বা প্রসেসর বিদ্যমান রয়েছে।
- কম্পিউটারের সব রকমের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ, প্রক্রিয়াকরণ ও তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাই হচ্ছে এ অংশের কাজ। এ কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ইনপুট ও আউটপুট এর যন্ত্রাংশসমূহ নিয়ন্ত্রণ, মেমোরি থেকে ডাটা উত্তোলন ডাটা প্রক্রিয়াকরণ ও মেমোরিতে ডাটা সংরক্ষণ ইত্যাদি।
- প্রক্রিয়াকরণ বা প্রসেসিং ইউনিটের প্রধান অংশ তিনটি। যথা:

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (ALU):
- এ অংশের কাজ হলো গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজগুলো করা। গাণিতিক কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি। আর যৌক্তিক কাজগুলো হতে পারে ছোট-বড় নির্ণয় করা, সমান কী-না যাচাই করা ইত্যাদি।

• কন্ট্রোল ইউনিট:
- কম্পিউটারের সব রকমের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ ও তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাই হচ্ছে এ অংশের কাজ। এ কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ইনপুট ও আউটপুট এর যন্ত্রাংশসমূহ নিয়ন্ত্রণ, মেমোরি থেকে ডাটা উত্তোলন ও মেমোরিতে ডাটা সংরক্ষণ ইত্যাদি।

• মেমোরি বা স্মৃতি:
- প্রক্রিয়াকরণের পূর্বে প্রদত্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকালীন সময়ে অন্তবর্তীকালীন ফলাফল এবং প্রক্রিয়াকরণের শেষে চূড়ান্ত ফলাফল জমা রাখার জন্য কম্পিউটারের যে অংশগুলো (প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি মেমোরি) কাজ করে তাকে মেমোরি ইউনিট বলে।
- ডাটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।

• রেজিস্টার:
এটি অস্থায়ী মেমোরির মতো কাজ করে। ডেটা ধরে রাখে, তবে CPU এর মতো decode করে না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

১০.
মেশিন ভাষায় প্রোগ্রাম লেখার জন্য কোন পদ্ধতিটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ইংরেজি শব্দ ও বাক্য
  2. গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস
  3. গাণিতিক সূত্র
  4. বাইনারি সংখ্যা বা হেক্সাডেসিম্যাল
সঠিক উত্তর:
বাইনারি সংখ্যা বা হেক্সাডেসিম্যাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাইনারি সংখ্যা বা হেক্সাডেসিম্যাল
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ঘ) বাইনারি সংখ্যা বা হেক্সাডেসিম্যাল।

• মেশিন ভাষা:
- কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা।
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকে মেশিন ভাষা বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্নস্তরের ভাষা।
- এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1) এবং (0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যনির্বাহের জন্য বিদ্যুৎ তরঙ্গের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সাথে মেশিনের ভাষার সরাসরি মিল রয়েছে।

• মেশিন ভাষার সুবিধা:
- এই ভাষা দিয়ে সরাসরি মেমোরি অ্যাড্রেসের সাথে সংযোগ সাধন সম্ভব।
- সবচেয়ে কম পরিমাণ লজিক ও কম মেমোরিতে এই ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা যায়।
- এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম দরকার হয় না।
- মেশিন ভাষা অন্যান্য ভাষা থেকে দ্রুত কাজ করে।

• মেশিন ভাষার অসুবিধা:
- এই ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা অত্যন্ত ক্লান্তিকর ও সময়সাপেক্ষ।
- এক ধরনের মেশিনের জন্য লিখিত প্রোগ্রাম অন্য ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা যায় না।
- মেশিন ভাষায় প্রোগ্রাম লিখতে দক্ষ প্রোগ্রামার প্রয়োজন।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন কষ্টসাধ্য।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ (Internal) হার্ডওয়্যারের উদাহরণ কোনটি?
  1. Network card
  2. Game pad
  3. Flat-panel
  4. USB thumb drive
সঠিক উত্তর:
Network card
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Network card
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ক) Network card 

• হার্ডওয়্যার (Hardware):
- কম্পিউটার সিস্টেম পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের উপাদান নিয়ে গঠিত, যা ব্যবহারকারী প্রদত্ত কোনো প্রোগ্রামের নির্দেশাবলি পালন করে এবং ফলাফল প্রদান করে।
- কম্পিউটারব্যবস্থায় হার্ডওয়‍্যার অন্যতম উপাদান। কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়‍্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড প্রভৃতি যন্ত্রপাতি নিয়ে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন ও সহায়তা করার জন্য রয়েছে অন্য ডিভাইসসমূহ যেমন-ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি যন্ত্রপাতি। উল্লিখিত সকল যন্ত্রপাতিই কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার।

• কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ:
-CPU (central processing unit).
-Drive (e.g., Blu-ray, CD-ROM, DVD, floppy drive, hard drive, and SSD).
-Fan (heat sink)
-Modem
-Motherboard
-Network card
-Power supply
-RAM
-Sound card
-Video card 

• কম্পিউটারের বাহ্যিক হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ: 
-Flat-panel, monitor, and LCD
-Game pad
-Joystick
-Keyboard
-Microphone
-Mouse
-Printer
-Projector
-Scanner
-Speakers
-USB thumb drive 


তথ্যসূত্র:
- Computer Hope Website [Link]
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
VR (Virtual Reality) পরিবেশে ব্যবহারকারীকে বাস্তব জগতের মতো অনুভূতি প্রদান করার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. Simulation
  2. Tracking
  3. Immersion
  4. Programming
সঠিক উত্তর:
Immersion
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Immersion
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: গ) Immersion. 

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality): 

- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality বা VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন ব্যবহার করে তৈরি করা একটি কৃত্রিম ত্রিমাত্রিক (3D) জগত, যা ব্যবহারকারীকে বাস্তব জগতের মতো অনুভব করায়।
- এটি হেডসেট বা গ্লাভস ব্যবহার করে দৃশ্যমান ও শ্রবণযোগ্য সংবেদনশীল পরিবেশের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করে। 
- এটি পুরোপুরি কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি কাল্পনিক জগৎ।
- এটি ব্যবহারকারীকে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে দেয় যা বাস্তবের কাছাকাছি (Immersion)
- এতে হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD) এবং পোজ ট্র্যাকিং ব্যবহার করা হয়।
- বিনোদন (ভিডিও গেম), শিক্ষা, চিকিৎসাবিদ্যা (সার্জারি প্রশিক্ষণ), সামরিক প্রশিক্ষণ এবং গবেষণায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র:
- Britannica [Link] 

১৩.
RAM-কে কেন 'ভোলাটাইল' বা অস্থায়ী মেমোরি বলা হয়?
  1. এটি খুব দ্রুত কাজ করে
  2. এতে ডেটা পড়া ও লেখা যায়
  3. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে ডেটা মুছে যায়
  4. এটি সিলিকন দিয়ে তৈরি
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে ডেটা মুছে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে ডেটা মুছে যায়
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: গ) বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে ডেটা মুছে যায়।

• প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main/Primary Memory):
- প্রধান মেমোরি কম্পিউটারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা মাইক্রোপ্রসেসরের কাজের জায়গা বা ওয়ার্কপ্লেস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ফলাফল অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।
- আধুনিক কম্পিউটারে প্রধান মেমোরি অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি হয়। সেমিকন্ডাক্টরের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ আংশিকভাবে চলাচল করতে পারে। এর প্রধান কাঁচামাল হলো সিলিকন।
- প্রধান মেমোরির মূল ভিত্তি হলো ফ্লিপ-ফ্লপ নামক ইলেকট্রনিক সার্কিট, যা ০ বা ১ বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে সক্ষম।
- কম্পিউটারে ব্যবহৃত প্রধান মেমোরিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ক. র‍্যাম (RAM) ও খ. রম (ROM)।

ক. RAM (Random Access Memory):
- র‍্যাম কম্পিউটারের একটি অস্থায়ী মেমোরি যা ডেটা সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়।
- সংরক্ষিত ডেটা যে কোনো ক্রমে অ্যাক্সেস করা যায় বিধায় একে র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি (RAM) বলে। এছাড়াও ডেটা পড়া এবং লেখা উভয়ই সম্ভব হওয়ায় একে রিড/রাইট মেমোরিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথে অপারেটিং সিস্টেম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম র‍্যামে লোড হয়। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে সংরক্ষিত ডেটা মুছে যায়, তাই একে ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি বলে
- এটি চলমান প্রোগ্রাম এবং বারবার পরিবর্তনশীল ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সিপিইউ (CPU)-এর গাণিতিক ও যুক্তি অংশের (ALU) সাথে প্রধানত রেজিস্টার (Register) এবং প্রাথমিক মেমরি বা মেইন মেমরি (RAM - Random Access Memory)-এর প্রত্যক্ষ সংযোগ থাকে। ALU-এর কাজের জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা ও নির্দেশাবলী সরাসরি এই মেমোরি থেকে গ্রহণ করে এবং প্রসেসিংয়ের পর ফলাফল আবার রেজিস্টার বা র‍্যাম-এ জমা রাখে।

খ. রম (ROM):
- কম্পিউটার ROM হচ্ছে Read-Only Memory যা কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটার এর স্মৃতিতে কিছু প্রোগ্রাম এবং ডকুমেন্ট এমন ভাবে দেওয়া থাকে যা আমরা কোনভাবেই রিরাইট, ডিলিট বা কিচ্ছু করতে পারি না। কম্পিউটারের সেই স্মৃতিকেই মুলত বলা হয় ROM বা রিড অনলি মেমোরি।

রেজিস্টার (Register):
- এটি সিপিইউ-এর ভেতরে থাকা সবচেয়ে দ্রুতগতির ক্ষুদ্র মেমোরি, যা ALU-কে সরাসরি ডেটা সরবরাহ করে।

তথ্যসূত্র: 
- Geeksforgeeks [Link]
- Computer & ICT Cloud

১৪.
AGP-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Advanced Graphics Por
  2. Access Graphics Port
  3. Active Graphics Port
  4. Accelerated Graphics Port
সঠিক উত্তর:
Accelerated Graphics Port
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Accelerated Graphics Port
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ঘ) Accelerated Graphics Port.

• AGP:
 
- AGP-এর পূর্ণরূপ হলো Accelerated Graphics Port.
- উন্নতমানের ছবি দৃশ্যমান করার জন্য ব্যবহৃত পোর্ট বিশেষ।
- আধুনিককালের সকল মাদারবোর্ড ও এজিপির ব্যবহার করার জন্য পৃথক স্লট রয়েছে।
উচ্চমানের গ্রাফিক্সকে দ্রুত ও নিখুঁতভাবে প্রদর্শনযোগ্য করার জন্য ইন্টেল AGP কার্ডের উন্নয়ন করে।
- বিশেষ করে ত্রিমাত্রিক ছবি প্রদর্শনের জন্য কম্পিউটারের গেমস ও কম্পিউটারের এইডেড ডিজাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ছবির মান উন্নয়নের জন্য AGP পোর্টের উন্নতি ঘটেছিল।
- এটি গ্রাফিক্সের জন্য পিসিআই বাসের উন্নত সংস্করণ। কিন্তু পিসিতে এটি স্বাধীনভাবে গ্রাফিক্সের জন্য কাজ করে।
- 133.2 মেগাহার্টজ গতিতে সঞ্চালন হার সর্বোচ্চ দাঁড়ায় 533 মেগাবিট/সেকেন্ড।
- মাদারবোর্ডে এজিপি কার্ড স্থাপনের জন্য একটিমাত্র এজিপি স্লট থাকে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
ইন্টারনেট ব্রাউজার বা উইন্ডোজ রিফ্রেশ (Refresh) করার জন্য কোন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. F5
  2. F2
  3. F10
  4. F3
সঠিক উত্তর:
F5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
F5
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) F5

- কীবোর্ডের ফাংশন কী হচ্ছে ১২টি।
• কীবোর্ডের ফাংশন কী এর কাজসমূহ: 
-F1 : সাহায্যকারী কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। F1 চাপলে প্রতিটি প্রোগ্রামের ‘হেল্প’ চলে আসবে।
-F2 : সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডারের নাম বদলের (রিনেম) জন্য ব্যবহূত হয়।
-F3: এটি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়।
-F4 : Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। 
-F5 : মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি রিফ্রেশ করা হয় F5 চেপে। 
-F6 : এটা দিয়ে মাউস কার্সারকে ওয়েব ব্রাউজারের ঠিকানা লেখার জায়গায় (অ্যাড্রেসবার) নিয়ে যাওয়া যায়।
-F7 : ওয়ার্ডে লেখার বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয় এ কি চেপে।
-F8 : অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে এই কী। 
-F9 : কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ৫.০-এর মেজারমেন্ট টুলবার খোলা যায় এই কী দিয়ে।
-F10 : ওয়েব ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয় এ কী চেপে।
-F11: ওয়েব ব্রাউজার পর্দাজুড়ে দেখা যায় ।
-F12 : ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো খোলা হয় এ কী চেপে।

তথ্যসূত্র:
- Computer Hope Website [Link]
- Computer & ICT Cloud

১৬.
বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশের প্রধান কারণ কোনটি?
  1. এনালগ সিগন্যাল বৃদ্ধি
  2. ইন্টারনেটের অনুপস্থিতি
  3. বিপুল পরিমাণ ডেটা সৃষ্টি ও ক্ষমতাশালী কম্পিউটারের প্রাপ্যতা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিপুল পরিমাণ ডেটা সৃষ্টি ও ক্ষমতাশালী কম্পিউটারের প্রাপ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপুল পরিমাণ ডেটা সৃষ্টি ও ক্ষমতাশালী কম্পিউটারের প্রাপ্যতা
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: গ) বিপুল পরিমাণ ডেটা সৃষ্টি ও ক্ষমতাশালী কম্পিউটারের প্রাপ্যতা।

• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI):
- চিন্তাশক্তি, বুদ্ধি কিংবা বিশ্লেষণ ক্ষমতা মানুষের সহজাত, একটি যন্ত্রকে মানুষের মতো বুদ্ধিমত্তা দিয়ে, সেটিকে চিন্তা করানো কিংবা বিশ্লেষণ করানোর ক্ষমতা দেওয়ার ধারণাটিকে সাধারণভাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলা হয়।
- কিছুদিন আগেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ছিল দূর ভবিষ্যতের একটি কাল্পনিক বিষয়।
- পৃথিবীর মানুষ ডিজিটাল বিশ্বে এমনভাবে সম্পৃক্ত হয়েছে যে, হঠাৎ করে অচিন্তনীয় পরিমাণ ডেটা সৃষ্টি হয়েছে এবং সেই ডেটাকে প্রক্রিয়া করার মতো ক্ষমতাশালী কম্পিউটার আমাদের হাতে চলে এসেছে
- এই ডেটা বা তথ্যকে প্রক্রিয়া করার জন্য অনেক সময় সাধারণ কম্পিউটার প্রোগ্রাম যথেষ্ট নয়, এমন অ্যালগরিদম বা পদ্ধতি প্রয়োজন যার মাধ্যমে কম্পিউটার চিন্তা করে কোনো সমাধান বের করতে পারে এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে ঠিক যেমনটা মানুষ বা অন্যান্য বুদ্ধিমান প্রাণী করে থাকে।
- এ ধরণের পদ্ধতি এবং অ্যালগরিদম নিয়েই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজ করে থাকে।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

১৭.
পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট (PSU) মূলত কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইসের জন্য কী ধরনের ভোল্টেজ সরবরাহ করে?
  1. হাই ভোল্টেজ এসি (AC)
  2. রেগুলেটেড ডিসি (DC) ভোল্টেজ
  3. আনরেগুলেটেড এসি (AC) ভোল্টেজ
  4. শুধু ২৩০ ভোল্ট এসি
সঠিক উত্তর:
রেগুলেটেড ডিসি (DC) ভোল্টেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেগুলেটেড ডিসি (DC) ভোল্টেজ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) রেগুলেটেড ডিসি (DC) ভোল্টেজ।

• পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট (PSU):
- পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট (Power Supply Unit) এমন একটি ডিভাইজ যা কম্পিউটারের শক্তি জোগায়।
- কম্পিউটারের সাথে সংশ্লিষ্ট কম্পোনেটগুলো যথাযথভাবে কাজ করছে কি না তা নিশ্চিত করার জন্য সরবরাহ করা ভোল্টেজকে রেগুলেট করে।
- এটি কম্পিউটারের জন্য প্রয়োজনীয় ২৩০ ভোল্ট বিদ্যুৎ সাপ্লাইকে রেগুলেটেড ডিসি ভোল্টেজে রূপান্তরিত করে
- পাওয়ার সাপ্লাই একটি ধাতব বক্স, যা কম্পিউটারের কেসিংয়ের ওপরের কোনায় থাকে।
- সাধারণত কেসিংয়ের সাথে পাওয়ার সাপ্লাই ইনস্টল করা থাকে। যদি ইনস্টল করা না থাকে তাহলে পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিটকে কেসিংয়ের যথাস্থানে স্থাপন করে স্ক্রু-গুলি সংযুক্ত করতে হবে। অতঃপর বিভিন্ন ক্যাবলসমূহ নির্ধারিত স্থানে সংযোজন করার পদক্ষেপ নিতে হবে।
- কাজের ধরন ও ক্যাবল ম্যানেজমেন্টের ওপর ভিত্তি করে এটি মডুলার, সেমি-মডুলার এবং নন-মডুলার -এই তিন ধরনের হয়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
আউটলুক সফটওয়্যারটি ই-মেইল আদান-প্রদান ছাড়াও আর কোন কাজে ব্যবহৃত হয়? 
  1. ক্যালেন্ডার ও কন্টাক্ট ম্যানেজমেন্ট
  2. টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও নোট তৈরি
  3. ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবকটি
 
• ই-মেইল (E-mail):
- ইলেকট্রনিক মেইল (Electronic mail)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ই-মেইল (E-mail)।
- ই-মেইল বলতে কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন ইত্যাদি ডিজিটাল ডিভাইস দিয়ে নেটওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে ডিজিটাল তথ্য বিনিময় করাকে বোঝায়।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন। তাই তাকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।

• ই-মেইল এর জন্য ব্যবহৃত সাধারণ সফটওয়্যারসমূহ:
- ওয়েব ভিত্তিক ই-মেইল এর বাইরে ই-মেইলের জন্য নির্দিষ্ট কিছু প্রোগ্রামও ব্যবহার করা যায়।
- এদের কিছু বিনামূল্যে পাওয়া যায় আবার কিছু কিনে ব্যবহার করতে হয়।
- মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন ইমেইল সেবা হলো - আউটলুক (Outlook)।

• মাইক্রোসফট আউটলুক:
- আউটলুক একটি জনপ্রিয় ই-মেইল ক্লায়েন্ট এবং ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার, যা মাইক্রোসফট কর্পোরেশন দ্বারা তৈরি ও পরিচালিত হয়। 
- এটি কেবল ই-মেইল পাঠানো এবং গ্রহণ করার সুবিধা দেয় না, বরং এতে ক্যালেন্ডার, কন্টাক্ট, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট এবং নোট ফিচারও রয়েছে। আউটলুক ব্যবহারকারীদের পেশাদার ও ব্যক্তিগত জীবন সহজভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে। 

• ই-মেইল ক্লায়েন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- জি-মেইল (Gmail),
- ইয়াহু মেইল (Yahoo Mail),
- মোজিলা থান্ডারবার্ড (Mozilla Thunderbird),
- ইএম ক্লায়েন্ট (eM Clent),
- ক্লজ মেইল (Claws Mail),
- ফক্সমেইল (Foxmail),
- অপেরা এমটু মেইল ক্লায়েন্ট (Opera M2 Mail Client),
- পেগাসাস মেইল (Pegasus Mail),
- ইনক্রেডিমেইল (Incredimail),
- মালবেরি (Mulberry),
- ড্রিম মেইল (Dream Mail),
- সিলফিড (SyIpheed),
- আউটলুক (Outlook),
- জিমব্রা (Zimbra),
- পোস্টবক্স (Portbox), ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
- বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৯.
বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর কোনটি এবং এটি কত বিটের ছিল?
  1. Intel 8080, 8-বিট
  2. Intel 4004, 4-বিট
  3. Intel Core, 32-বিট
  4. AMD Ryzen, 64-বিট
সঠিক উত্তর:
Intel 4004, 4-বিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Intel 4004, 4-বিট
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) Intel 4004, 4-বিট।

• মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর (Processor):
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়‍্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ। একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর মাইক্রোকম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ (CPU) হিসেবে কাজ করে। মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়। 
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4-বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16-বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32-বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64-বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে। এটি ছিল Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর।  
- বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের মাইক্রোপ্রসেসর তৈরিতে বিশ্বের বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ইন্টেল কর্পোরেশন (Intel Corporation), মটোরোলা (Motorola), আইবিএম (IBM International Business Machine), এএমডি (AMD Advanced Micro Devices), কোয়ালকম (Qualcomm) ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা:
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) ও
৩. রেজিস্টারসমূহ (Register Set)

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
নিচের কোন সংস্থাটি জাভা প্রোগ্রামিং ভাষা উদ্ভাবন করেছে?
  1. Oracle
  2. Microsoft
  3. Intel
  4. Google
সঠিক উত্তর:
Oracle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oracle
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ক) Oracle.

• জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো একটি উচ্চস্তরের অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের কাজের সূচনা করে।
- জেমস গসলিং সেই কাজের নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৯৫ সালে তারা ভাষাটিকে রিলিজ করেন।
- ২০১০ সালে Oracle Corporation সান মাইক্রো সিস্টেম কিনে নিলে জাভা ভাষার ম্যানেজমেন্টও তাদের মালিকানায় চলে আসে।
- জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা প্রোগ্রামগুলোর এক্সটেনশন হিসেবে সাধারণত .java ব্যবহার করা হয়।
- এটি মূলত ওবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের সুবিধা দেয়।
- জাভা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ (platform-independent) হওয়ায় “Write Once, Run Anywhere” নীতি অনুসরণ করে, অর্থাৎ একবার কোড লেখা হলে তা যেকোনো কম্পিউটারে চালানো যায়।
- এটি ইন্টারনেট ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন, মোবাইল অ্যাপ, এবং বড় সফটওয়্যার সিস্টেম তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- জাভার স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা, এবং বড় কমিউনিটি সমর্থনের কারণে এটি আজও সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষাগুলোর মধ্যে একটি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• Microsoft:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.

• Intel:
- এটি পৃথিবীর প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।

• Google:
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- Google + হলো একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং সেবা।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
- অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।