পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes৩৭ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৩৮
সিলেবাস
৪৪তম বি.সি.এস. সাবজেক্ট ফাইনাল - সাধারণ বিজ্ঞান সম্পূর্ণ [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৮ প্রশ্ন

.
"পরমাণু অবিভাজ্য, তাদের সৃষ্টি বা ধ্বংস নেই" - মতবাদটি কে দিয়েছিলেন?
  1. ক) জন ডাল্টন
  2. খ) রাদারফোর্ড
  3. গ) মেন্ডেলিফ
  4. ঘ) বোর
সঠিক উত্তর:
ক) জন ডাল্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জন ডাল্টন
ব্যাখ্যা
ডাল্টনের পরমাণুবাদ:
১৮০৩ সালে ইংরেজ পদার্থ ও রসায়ন বিজ্ঞানী জন ডাল্টন পরমাণু সম্পর্কে একটি তত্ত্ব প্রকাশ করেন যা ডাল্টনের পরমাণুবাদ নামে পরিচিত। তার প্রদত্ত পরমাণুবাদে মোট পাঁচটি স্বীকার্য আছে । এই স্বীকার্য পাঁচটি হলো–

১. পদার্থ অতি ক্ষুদ্র কণাসমূহ দ্বারা গঠিত, এই কণাগুলোর নাম পরমাণু।
২. একই পদার্থের পরমাণুসমূহের আকার, ভর এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য একই রকম হয়, ভিন্ন ভিন্ন পদার্থের পরমাণুসমূহের আকার, ভর এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য ভিন্নরকমের হয়।
৩. পরমাণুসমূহ অবিভাজ্য, তাদের সৃষ্টি বা ধ্বংস নেই।
৪. সরল পূর্ণসংখ্যক অনুপাতে বিভিন্ন পদর্থের পরমাণু সংযুক্ত হয়ে রাসায়নিক যৌগের সৃষ্টি করে।
৫. রাসায়নিক বিক্রয়াসমূহে পরমাণু সংযোজিত, বিভক্ত বা পুনর্বিন্যাসিত হয়।
.
নিচের কোনটি দুর্লভ গ্যাস?
  1. ক) হাইড্রোজেন
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) নাইট্রোজেন
  4. ঘ) আর্গন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আর্গন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আর্গন
ব্যাখ্যা
নিষ্ক্রিয় গ্যাস:
পর্যায় সারণির 18 নং গ্রুপের মৌলসমূহকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস (Inert Gases) বলা হয়।
মৌলগুলাে হলাে:
হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn)এবং ওগানেসন (og)।
এই মৌলগুলাের সবচেয়ে বাইরের শক্তিস্তরে প্রয়ােজনীয় ইলেকট্রন দিয়ে পূর্ণ থাকে বলে এরা ইলেকট্রন বিনিময় বা ভাগাভাগি করে কোনাে যৌগ গঠন করতে চায় না।
রাসায়নিক বন্ধন গঠন বা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় এরা নিষ্ক্রিয় থাকে বলে এদেরকে নিষ্ক্রিয় মৌল বা নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলে।

--------------------------
- এরা অন্য মৌলের সাথে বিক্রিয়া করে না বলে এদেরকে অভিজাত বা মহান বা Noble গ্যাসও বলে।
- আবার বায়ুতে এদের পরিমাণ খুবই কম (<1%); এ কারণে এদেরকে বিরল বা দুর্লভ গ্যাসও বলা হয়।
- এই গ্যাসগুলো খুব একটা ক্ষতিকরও নয়; তাই এদেরকে ‍উত্তম গ্যাসও বলা হয়।
- একমাত্র হিলিয়াম ছাড়া অন্য সকল নিষ্ক্রিয় মৌলের যোজ্যতা স্তরে ৮ টি ইলেকট্রন আছে।
- হিলিয়ামের যোজ্যতা স্তরে ২টি ইলেকট্রন আছে।

উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
.
পৃথিবীতে কোন বস্তুর ভর ৬ কেজি হলে চন্দ্রপৃষ্ঠে এর ভর কত হবে?
  1. ক) ৩ কেজি
  2. খ) ২ কেজি
  3. গ) ১ কেজি
  4. ঘ) ৬ কেজি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ কেজি
ব্যাখ্যা
পদার্থের ভর সবসময়ই অপরিবর্তিত থাকে। তাই পৃথিবীতে যে বস্তুর ভর ৬ কেজি, চাঁদেও তার ভর ৬ কেজিই থাকবে।

কিন্তু, চাঁদে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীপৃষ্ঠে ঐ বস্তুর ওজনের ১/৬ অংশ হয়।
অর্থাৎ, পৃথিবী পৃষ্ঠে কোন বস্তুর ওজন ৬ নিউটন হলে চাঁদে ঐ বস্তুর ওজন হবে ১ নিউটন।
.
কোন সরল দোলককে পাহাড়ের উপরে নিয়ে গেলে কী ঘটবে?
  1. ক) দোলনকাল কমবে
  2. খ) দোলনকাল বাড়বে।
  3. গ) দোলনকাল একই থাকবে
  4. ঘ) দোলনকাল অর্ধেক হবে।
সঠিক উত্তর:
খ) দোলনকাল বাড়বে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দোলনকাল বাড়বে।
ব্যাখ্যা
একটি ভারী আয়তনহীন বস্তুকণাকে ওজনহীন, নমনীয় এবং অপ্রসারণশীল সুতা দিয়ে ঝুলিয়ে দিলে এটি যদি ঘর্ষণ এড়িয়ে স্বাধীনভাবে দুলতে পারে তবে তাকে সরল দোলক বলে।
কৌণিক বিস্তার অল্প হলে-
সরল দোলকের দোলনকাল, T = 2π √(L/g).
এখানে, t= দোলনকাল, L= কার্যকরী দৈর্ঘ্য (সূতার দৈর্ঘ্য+দোলকপিন্ডের ব্যাসার্ধ), g= অভিকর্ষজ ত্বরণ।

উপরের সূত্রমতে আমরা পাই,
১. সরল দোলকের দোলনকাল কাযকরী দৈর্ঘ্য ও অভিকর্ষজ ত্বরণের উপর নির্ভরশীল।
২. একটি সরল দোলককে পৃথিবীর কেন্দ্রে নিলে তার দোলনকাল অসীম হবে, কারণ পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য। এক্ষেত্রে দোলকঘড়ি চলবে না।
৩. গ্রীষ্মকালে দোলকঘড়ি ধিরে চলে। কারন, অধিক তাপমাত্রার জন্য দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য বাড়ে, ফলে দোলককাল বাড়ে এবং ঘড়ি ধিরে চলে।
৪. শীতকালে দোলকঘড়ি দ্রুত চলে। কারণ, কম তাপমাত্রায় দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য কমে, ফলে দোলককাল কমে এবং ঘড়ি দ্রুত চলে।
৫. দোলকঘড়ি বিষুবরেখা হতে মেরু অঞ্চলে নিলে ঘড়ি দ্রুত চলবে। কারণ, বিষুবরেখার চেয়ে মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি। ফলে দোলনকাল কমবে এবং ঘড়ি দ্রুত চলবে।
৬. দোলককে পাহাড়ের উপর নিয়ে গেলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কম বলে দোলনকাল বাড়বে।
৭. কোন সরল দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য ৯ গুণ বাড়লে দোলনকাল ৩ গুণ বাড়বে, আর মাধ্যাকর্ষণ জনিত ত্বরণ ৯ গুণ বাড়লে দোলনকাল ৩ গুণ কমবে।
.
একটি কাচদণ্ডকে রেশম দ্বারা ঘষলে কী ঘটবে?
  1. ক) রেশম ও কাচদণ্ড উভয়ই ঋণাত্মক আধানে আহিত হবে
  2. খ) রেশম থেকে ইলেকট্রন কাচদণ্ডে যাবে
  3. গ) কাচদণ্ড থেকে ইলেকট্রন রেশমে যাবে
  4. ঘ) ইলেকট্রনের কোনো আদান-প্রদান হবে না
সঠিক উত্তর:
গ) কাচদণ্ড থেকে ইলেকট্রন রেশমে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কাচদণ্ড থেকে ইলেকট্রন রেশমে যাবে
ব্যাখ্যা
- সাধারণ অবস্থায় পদার্থের পরমাণুতে ইলেকট্রন ও প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে।
- তবে প্রত্যেক পরমাণুই প্রয়োজনের অতিরিক্ত ইলেকট্রনের প্রতি আকর্ষণ থাকে। ইলেকট্রনের প্রতি এই আসক্তি বিভিন্ন বস্তুতে বিভিন্ন রকম। তাই দুটি বস্তুকে যখন পরস্পরের সংস্পর্শে আনা হয়, তখন যে বস্তুর ইলেকট্রন আসক্তি বেশি সে বস্তুটি অপর বস্তুটি থেকে মুক্ত ইলেকট্রন সংগ্রহ করে ঋণাত্মক আধানে আহিত হয়।   

- সাধারণ অবস্থায় কাচদণ্ডের পরমাণুসমূহে প্রোটন এবং ইলেকট্রণের সংখ্যা সমান থাকায় তা তড়িৎ নিরপেক্ষ থাকে।  
- কাচদণ্ডকে রেশমের কাপড় দিয়ে ঘর্ষণের ফলে কাচদণ্ডের পরমাণুসমূহ থেকে কিছু সংখ্যক ইলেকট্রন বিচ্ছিন্ন হয়ে রেশমের কাপড়ের সাথে যুক্ত হয়।  
- রেশমের কাপড়ে ইলেকট্রন যুক্ত হওয়ায় এটি ঋণাত্মক তড়িতাহিত হয়।  
- অন্যদিকে কাচদণ্ডে ইলেকট্রন কমে যাওয়ায়, এতে ইলেকট্রনের সংখ্যার চেয়ে প্রোটনের সংখ্যা বেশি হয়, ফলে এটা ধনাত্মক তড়িতাহিত হয়। 

উৎস- এস.এস. সি পদার্থ বিজ্ঞান- ২য় পত্র (বাংলাদেশ ওপেন ইউনিভার্সিটি)
.
নিচের কোন ভাইরাসটি উদ্ভিদদেহে রােগ সৃষ্টি করে?
  1. ক) রুবিওলা ভাইরাস
  2. খ) অ্যাডেনাে ভাইরাস
  3. গ) ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাস
  4. ঘ) টিএমভি ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) টিএমভি ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টিএমভি ভাইরাস
ব্যাখ্যা
- রুবিওলা ভাইরাস মানবদেহে রুবেলা বা জার্মান হাম রােগের জন্য দায়ী।
- অ্যাডেনাে ভাইরাস মানবদেহে ভাইরাল নিউমােনিয়ার জন্য দায়ী।
- ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাস গবাদি পশুর ক্ষেত্রে গাে- বসন্ত রােগের জন্য দায়ী। 
- টিএমভি ভাইরাস তামাকের 'মোজাইক' রােগের জন্য দায়ী। অ্যাডল্ফ মেয়ার (Adlof  Mayer) ১৮৮৬ সালে সর্বপ্রথম তামাক গাছের মোজাইক রোগের কারণ বর্ণনা করেন।

উৎস- উচ্চ মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান- ১ম পত্র বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
.
রোধের এস. আই একক কোনটি?
  1. ক) অ্যাম্পিয়ার
  2. খ) ও'ম
  3. গ) ভোল্ট
  4. ঘ) সিমেন্স
সঠিক উত্তর:
খ) ও'ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ও'ম
ব্যাখ্যা
এস. আই একক বা আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে :
- রোধের একক - ও'ম (Ω)।
যে পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য 1 ভোল্ট (V) হলে তার মধ্য দিয়ে 1 অ্যাম্পিয়ার (A) তড়িৎ প্রবাহ চলে সেই পরিবাহীর রোধকে 1 ও'ম (Ω) বলে। 
- তড়িৎ প্রবাহের একক - অ্যাম্পিয়ার (A)।
- বিভব পার্থক্যের একক - ভোল্ট (V)। 
- তড়িৎ পরিবাহিতার একক - সিমেন্স (S)। 

উৎস- উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থ বিজ্ঞান- ২য় পত্র বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
.
টিভির রিমােট কন্ট্রোলে কোন রশ্মি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) অবলােহিত রশ্মি
  2. খ) আলফা রশ্মি
  3. গ) রঞ্জন রশ্মি
  4. ঘ) গামা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
ক) অবলােহিত রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অবলােহিত রশ্মি
ব্যাখ্যা
অবলােহিত রশ্মি: একধরনের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন যার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সাধারন আলাে এর চেয়ে কম থাকে।
- ইনফ্রারেড তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলাে ৭-৩০০ মাইক্রোমিটার, যা ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন হিসেবে ১-৪৩০ টেরাহার্জ কম্পাঙ্কবিশিষ্ট।
- এই ক্ষুদ্র আলাে মানুষের চোখে ধরা পড়ে না।
- এটি টিভির রিমােট কন্ট্রোলে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া, আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিতে, কুয়াশার মধ্যে ছবি তুলতে, ফলকে শুষ্ক করতে, মাংসপেশির ব্যথা বা টান এর চিকিৎসায় এ রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

উৎস- এইচ.এস. সি পদার্থ বিজ্ঞান- ২য় পত্র (বাংলাদেশ ওপেন ইউনিভার্সিটি)
.
মানব দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কত?
  1. ক) ৯৮.৪° ফারেনহাইট
  2. খ) ৩৬.৯° ফারেনহাইট
  3. গ) ৩৯.৯° ফারেনহাইট
  4. ঘ) ৯৪.৯° ফারেনহাইট
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৮.৪° ফারেনহাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৮.৪° ফারেনহাইট
ব্যাখ্যা
মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা হলো ৩৬.৯° সেলসিয়াস অর্থাৎ ৯৮.৪° ফারেনহাইট।
মানবদেহের তাপমাত্রা নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১০.
নিচের কোনটি তাপ কুপরিবাহী নয়?
  1. ক) পানি
  2. খ) কাঁচ
  3. গ) কাঠ
  4. ঘ) রাবার
সঠিক উত্তর:
ক) পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পানি
ব্যাখ্যা
যে সব পদার্থ খুব সহজে তাপ পরিবহণ করতে পারে তাকে তাপ সুপরিবাহী বলে।
যেমন - লোহা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম, পানি ইত্যাদি।

যে সব পদার্থ সহজে তাপ পরিবহণ করতে পারে না তাকে তাপ কুপরিবাহী পদার্থ বলে।
যেমন - তুলা, কাঠ, পশম, কাঁচ, কাঠ ইত্যাদি।
১১.
কোন বস্তুকে পানিতে ফেলে দেয়ার পর বস্তু কর্তৃক অপসারিত পানির ওজন যদি বস্তুর ওজনের সমান হয় তবে নিচের কোনটি ঘটবে?
  1. ক) বস্তুটি পানিতে ডুবে যাবে।
  2. খ) বস্তুটি পানিতে ভেসে থাকবে।
  3. গ) বস্তুটি পানিতে নিমজ্জিত অবস্থায় ভেসে থাকবে।
  4. ঘ) কখনো ডুববে আবার কখনো ভাসবে।
সঠিক উত্তর:
গ) বস্তুটি পানিতে নিমজ্জিত অবস্থায় ভেসে থাকবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বস্তুটি পানিতে নিমজ্জিত অবস্থায় ভেসে থাকবে।
ব্যাখ্যা
 
বস্তুর ভাসা ও ডোবার শর্ত (Conditions of floatation and Immersion of a body)
ধরা যাক একটি বস্তুর ওজন (বস্তুর উপর অভিকর্ষজ ত্বরণ জনিত বল) W নিউটন। ঐ বস্তুটিকে পানিতে ডোবানো হল।
বস্তুটির উপর পানির প্লবতা (ঊর্ধ্বচাপ জনিত বল) W1 নিউটন। এখন -
১. W > W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে বেশি হলে বস্তুটি পানিতে ডুবে যাবে।
২. W < W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে কম হলে বস্তুটি পানিতে ডুববে না, ভেসে থাকবে।
৩. W = W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন সমান হলে বস্তুটি পানিতে ডুবে ডুবে ভাসবে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১২.
নিচের কোন আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য অন্যগুলোর থেকে বেশি?
  1. ক) বেগুনী
  2. খ) হলুদ
  3. গ) নীল
  4. ঘ) সবুজ
সঠিক উত্তর:
খ) হলুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হলুদ
ব্যাখ্যা
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ। এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে পরিসর 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র।
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়। এদের বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়।
- এদের মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর সবচেয়ে বেশি
- অপশনের চারটির মধ্যে হলুদ আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৩.
কোনটি জারক পদার্থ নয়?
  1. ক) ক্যালসিয়াম
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) ফ্লোরিন
  4. ঘ) আয়োডিন
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
• জারণ হলো এক প্রকারের বিক্রিয়া যাতে কোনো রাসায়নিক সত্তা (অণু, পরমাণু, মূলক বা আয়ন) ইলেকট্রন প্রদান করে।
- জারণ বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে যে সত্তা তাকে বিজারক ও যার দ্বারা জারণ সংঘটিত হয় তাকে জারক বলে।
- যে পদার্থটির জারণ ঘটে, তা জারিত হয়েছে বলা হয়।

• জারক মনে রাখার উপায়:-
সকল পারঅক্সাইড,অক্সি এসিড,ক্যাটায়ন,ইক্ লবণ,আক্সিজেন, ওযোন গ্যাস, হ্যালোজেন ও রাজঅম্ল জারক। FeSO4 বাদে অক্সিজেনেরর প্রাচুর্য আছে এমন সকল যৌগ জারক।

• বিজারক মনে রাখার উপায় :-
সকল আস্ লবণ,ধাতু,C ও CO ও হাইড্রোজেন বিজারক।

তাছাড়া H2O2, SO2, O3 তিনটি পদার্থে জারক, বিজারক দুইটা ধর্মই আছে।
১৪.
ভাজক টিস্যুর বৈশিষ্ট্য নয়-
  1. ক) উদ্ভিদের মূল ও কাণ্ডের শীর্ষে অবস্থান করে
  2. খ) উদ্ভিদের দৈহিক বৃদ্ধি ঘটায়
  3. গ) এই টিস্যুর কোষ বিভাজনে অক্ষম
  4. ঘ) ভাজক টিস্যু থেকে স্থায়ী টিস্যু সৃষ্টি হয়
সঠিক উত্তর:
গ) এই টিস্যুর কোষ বিভাজনে অক্ষম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এই টিস্যুর কোষ বিভাজনে অক্ষম
ব্যাখ্যা
যে টিস্যুর কোষগুলো বিভাজনে সক্ষম অর্থাৎ যে টিস্যুর নতুন কোষ উৎপন্ন করার ক্ষমতা থাকে তাকে ভাজক টিস্যু বলে। ভাজক টিস্যু যে সমস্ত কোষ দ্বারা গঠিত তাদেরকে ভাজক কোষ বলে।
- ভাজক টিস্যুর বৈশিষ্ট্য:-  
- ভাজক টিস্যুর বিভাজনের ফলে উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায় অর্থাৎ এরা লম্বা হয় এবং এদের ব্যাস বৃদ্ধি পায়,
- ভাজক টিস্যু থেকে স্থায়ী টিস্যু সৃষ্টি হয়,
- উদ্ভিদের মূল ও কাণ্ডের শীর্ষে অবস্থান করে। 

উৎস- এইচ.এস. সি উদ্ভিদবিজ্ঞান  (বাংলাদেশ ওপেন ইউনিভার্সিটি)
১৫.
পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা কোনটি?
  1. ক) ২৭০.২৬ কেলভিন
  2. খ) ২৭২.১৬ কেলভিন
  3. গ) ২৭৩.১৬ কেলভিন
  4. ঘ) ২৭৩.০০ কেলভিন
সঠিক উত্তর:
গ) ২৭৩.১৬ কেলভিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৭৩.১৬ কেলভিন
ব্যাখ্যা
- ৪.৫ মি.মি পারদস্তম্ভ চাপে যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ, পানি ও জলীয় বাষ্প তাপীয় সমতায় থাকে, তাকে পানির ত্রৈধ বিন্দু বলে। 
- পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা ২৭৩.১৬ কেলভিন। 
- পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রার উপর ভিত্তি করে:- 
- পরম শূন্য তাপমাত্রা ০ কেলভিন,
- বরফ বিন্দু ২৭৩.১৫ কেলভিন এবং
-  স্টিম বিন্দু ৩৭৩.১৫ কেলভিন ধরা হয়।
-তাপমাত্রা পরিমাপের কেলভিন স্কেলে বরফ বিন্দুকে ২৭৩.১৫ কেলভিন এবং স্টিম বিন্দুকে ৩৭৩.১৫ কেলভিন ধরে মৌলিক ব্যবধানকে ১০০ ভাগে ভাগ করা হয়। এক একটি ভাগকে এক কেলভিন (১ কেলভিন) বলা হয়।  

উৎস- এইচ.এস. সি পদার্থ বিজ্ঞান- ২য় পত্র (বাংলাদেশ ওপেন ইউনিভার্সিটি)
১৬.
তেজস্ক্রিয়তার ব্যবহার হয় নিচের কোন ক্ষেত্রে?
  1. ক) উন্নত বীজ তৈরির গবেষণায়
  2. খ) ক্যান্সার রােগ নিরাময়ে
  3. গ) ঘড়ির কাঁটা ও নম্বর অন্ধকারে জ্বলজ্বল করার কাজে
  4. ঘ) সবগুলাে
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলাে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলাে
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা:-
ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- যে সব মৌল হতে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয় তাদেরকে তেজস্ক্রিয় মৌল বলে।
- ফরাসি বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল ১৮৯৬ সালে এক্সরে নিয়ে গবেষণা করার সময় একটি স্বতঃস্ফূর্ত প্রাকৃতিক ঘটনা আবিষ্কার করেন। 
- তাঁর নামানুসারে এই রশ্মির নাম দেওয়া হয় বেকেরেল রশ্মি।

- পরবর্তীকালে মাদাম কুরি ও তাঁর স্বামী পিয়ের কুরি ব্যাপক গবেষণা চালিয়ে দেখতে পান যে রেডিয়াম, পােলােনিয়াম, থােরিয়াম, আক্টিনিয়াম প্রভৃতি ভারী মৌলের নিউক্লিয়াস থেকেও বেকেরেল রশ্মির মত একই ধরনের রশ্মি নির্গত হয়, যা এখন তেজস্ক্রিয় রশ্মি নামে পরিচিত।

ব্যবহার:
১. ক্যান্সার রােগ নিরাময়ের কাজে তেজস্ক্রিয়তার ব্যবহার করা হয়।
২. উন্নত বীজ তৈরির গবেষণায় তেজস্ক্রিয়তা সফলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
৩. ঘড়ির কাঁটায় তেজস্ক্রিয় থােরিয়ামের সাথে জিঙ্ক সালফাইড মিশিয়ে ঘড়ির কাঁটা ও নম্বরে প্রলেপ দেওয়া হয় ফলে এরা অন্ধকারে জ্বলজ্বল করে।
৪. তেজস্ক্রিয় আইসােটোপ থেকে ফিশন প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত তাপ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে টারবাইন ও জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
৫. নির্মাণ বা উৎপাদন শিল্পে কাগজ, প্লাস্টিক, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি বিভিন্ন বস্তুর পুরুত্ব, ঘনত্ব ও উপাদানের সঠিক পরিমাণ নির্ণয়ে আলফা ও বিটা রশ্মিকে ব্যবহার করা হয়।


উৎস-  পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭.
বিজারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়-
  1. ক) অ্যানোডে
  2. খ) ক্যাথডে
  3. গ) অ্যানোডে ও ক্যাথডে
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যাথডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যাথডে
ব্যাখ্যা
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে। 
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়
-  বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
- বিজারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় ক্যাথােডে।
- জারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় অ্যানােডে।

এভাবে মনে রাখা যায়- 
- জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ
- জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
- বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
- বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বাের্ড বই
১৮.
অ্যামোনিয়ার একটি অণুতে কয়টি পরমাণু থাকে?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
ব্যাখ্যা
অ্যামোনিয়া হলো নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেনের সমন্বয়ে গঠিত একটি রাসায়নিক যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত NH3.
অর্থাৎ, এর একটি অণুতে একটি নাইট্রোজেন ও তিনটি হাইড্রোজেন পরমাণু রয়েছে। 
সুতরাং, মোট চারটি পরমাণু রয়েছে।
১৯.
কসমিক-রে এর আবিষ্কারক কে?
  1. ক) উইলিয়াম রাদারফোর্ড
  2. খ) রন্টজেন
  3. গ) ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস
  4. ঘ) জন হুইলার
সঠিক উত্তর:
গ) ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস
ব্যাখ্যা
মহাজগতিক রশ্মি ইংরেজি হলো Cosmic rays।
মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়।
- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস একজন অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।
- বেলুনের মাধ্যমে বহনযোগ্য বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে হেস এবং তার সহকর্মীরা প্রমাণ করেছিলেন, যে বিকিরণ পরিবেশকে আয়নিত করে তার উৎস হল মহাজাগতিক।
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
২০.
ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রদান করেন কত সালে?
  1. ক) ১৯০০ সালে
  2. খ) ১৯০১ সালে
  3. গ) ১৯০৩ সালে
  4. ঘ) ১৯০২ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯০০ সালে
ব্যাখ্যা
কোয়ান্টাম তত্ত্ব:
১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রস্তাবনা করেন।
এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়।
প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রঙের আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে। এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন। প্লাঙ্কের মতে কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ আলাদা আলাদা বা গুচ্ছ গুচ্ছ বান্ডিল বা প্যাকেট আকারে সংঘটিত হয়।
কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন দীর্ঘ দিনের রহস্যময় আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন। এতে আলোর কণা তত্ত্ব পুনর্জীবিত হয়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২১.
IC চিপ তৈরিতে মূলত ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) সিলিকা
  2. খ) সিলিকন
  3. গ) ক্রোমিয়াম
  4. ঘ) নিকেল
সঠিক উত্তর:
খ) সিলিকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিলিকন
ব্যাখ্যা
Integrated Circuit (IC) বা কম্পিউটার চিপ তৈরিতে সিলিকন ব্যবহার করা হয়।
মূলত IC অর্ধ-পরিবাহী উপাদানের ওপরে নির্মিত অতিক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক বর্তনী।

Source: Britannica
২২.
মানুষের মুখবিবরেই কোন খাদ্য উপাদানটির পরিপাক ক্রিয়া শুরু হয়?
  1. ক) শর্করা
  2. খ) ভিটামিন
  3. গ) আমিষ
  4. ঘ) লবণ
সঠিক উত্তর:
ক) শর্করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শর্করা
ব্যাখ্যা
খাদ্য পরিপাকে বিভিন্ন তন্ত্রের গ্রন্থির ভূমিকা:
মানুষের মুখবিবরে কেবলমাত্র শর্করার পরিপাক ঘটে
মুখবিবরে লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারস খাদ্য পরিপাকের রাসায়নিক কার্যক্রমে মূল ভূমিকা পালন করে।
মূলতঃ তিন ধরনের লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারসের সাথে খাদ্যবস্তু মিশ্রিত হয়
লালারসে মিউসিন এবং দু’প্রকারের পরিপাকীয় এনজাইম; যথা: টায়ালিন ও মলটেজ থাকে।

- মিউসিন: মিউসিন খাদ্য বস্তুর সাথে মিশ্রিত হয়ে খাদ্য বস্তুকে নরম ও পিচ্ছিল করে।
- টায়ালিন: টায়ালিন এনজাইম প্রধানত সিদ্ধ বা রন্ধণকৃত স্টার্চ, গ্লাইকোজেন ও ডেক্সট্রিন অণুকে হাইড্রোলাইসিস করে ক্ষুদ্রতর ডেক্সট্রিন, মলটোজ ও আইসোমলটোজে পরিণত করে।

সুত্র: প্রাণিবিদ্যা, এইচএসসি।
২৩.
ডাউন সিন্ড্রোম রোগের ফলে কী হয়?
  1. ক) বুদ্ধিমত্তা স্বাভাবিকের তুলনায় কম হয়।
  2. খ) শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
  3. গ) চলাচলের ক্ষমতা হারিয়ে যায়।
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
ডাউন সিন্ড্রোম- ট্রাইসোমি ২১ নামেও পরিচিত।
এটি একটি জেনেটিক রোগ যেখানে ২১ নং ক্রোমোজোমে আরেকটি অতিরিক্ত ক্রোমোজোম বিদ্যমান।
এই রোগে শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয় ও বুদ্ধিমত্তা স্বাভাবিকের তুলনায় কম থাকে।
২৪.
'প্রিয়ন' কী?
  1. ক) এক ধরনের আলোক যন্ত্র
  2. খ) একপ্রকার সংক্রামক সত্ত্বা
  3. গ) একপ্রকার সামুদ্রিক প্রাণি
  4. ঘ) এক ধরনের ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস
সঠিক উত্তর:
খ) একপ্রকার সংক্রামক সত্ত্বা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) একপ্রকার সংক্রামক সত্ত্বা
ব্যাখ্যা
- 'প্রিয়ন' হলো ভাইরাসের মতোই একপ্রকার সংক্রামক সত্ত্বা যা PrP (Prion Protein) নামক প্রোটিন বা আমিষ দিয়ে তৈরি ।
- এটিকে 'transmissible spongiform encephalopathies' নামক স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতার জন্য দায়ী করা হয়।
- প্রিয়ন গবাদি পশুর 'Mad cow disease' ও 'scrapie' , মানুষের 'Creutzfeldt–Jakob disease' (CJD), 'Gerstmann–Sträussler–Scheinker syndrome', fatal familial insomnia, এবং 'kuru' - এসব ভয়ানক মারণব্যাধির কারণ।
২৫.
স্টিফেন হকিং তাঁর কোন বইতে বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা প্রদান করেন?
  1. ক) The Grand Design
  2. খ) The Universe in a Nutshell
  3. গ) A Brief History of Time
  4. ঘ) The Explosion of Universe
সঠিক উত্তর:
গ) A Brief History of Time
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) A Brief History of Time
ব্যাখ্যা
স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন প্রথিতযশা পদার্থবিজ্ঞানী।
তাঁর রচিত বইসমূহ-
- A Brief History of Time,
- The Universe in a Nutshell
- The Grand Design, ইত্যাদি। 

- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time.

সূত্র: ব্রিটানিকা
২৬.
নিচের কোনটি ব্ল্যাক হোলের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) ভর অসীম
  2. খ) আয়তন অসীম
  3. গ) ঘনত্ব অসীম
  4. ঘ) মুক্তিবেগ অসীম
সঠিক উত্তর:
খ) আয়তন অসীম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আয়তন অসীম
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার।
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম।
- ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
২৭.
নিচের কোনটি জীবন্ত জীবাশ্ম?
  1. ক) প্লাটিপাস
  2. খ) লিমুলাস
  3. গ) ইকুইজিটাম
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
জীবন্ত জীবাশ্ম:
কতগুলাে জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনােরকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনাে পৃথিবীতে বেঁচে আছে অথচ তাদের সমগােত্রীয় এবং সমসাময়িক অনেক জীবনের বিলুপ্তি ঘটছে। এই জীবদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলে।
যেমন - লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া নামক সন্ধিপদ প্রাণী, স্ফোনোডন নামক সরীসৃপ প্রাণী, প্লাটিপাস নামক স্তন্যপায়ী প্রাণী এর উদাহরণ।
অন্যদিকে,
- ইকুইজিটাম, নিটামপিঙ্কো বাইলােবা নামের উদ্ভিদগুলো উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ।

প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর আগে লিমিউলাস জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। এর সমসাময়িক অন্যান্য আথ্রোপোডাগুলাে বিলুত হয়ে গিয়েছে, কিন্তু এরা আজও বেঁচে আছে। তাই এদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।

সুত্র: নব জীবনের সুচনা, বিজ্ঞান, নবম-দশম।
২৮.
মাইটোকন্ড্রিয়ায় প্রোটিন থাকে -
  1. ক) ৫৫%
  2. খ) ৬৩%
  3. গ) ৬৮%
  4. ঘ) ৭৩%
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭৩%
ব্যাখ্যা
কোষের সাইটোপ্লাজমের মাঝে বিক্ষিপ্তভাগে অবস্থিত ধূসর বর্ণের ও শক্তি উপাদানের বিশেষ ধরনের অঙ্গগুলোকে মাইটোকন্ড্রিয়া বলা হয়। একে কোষের পাওয়ার হাউজও বলা হয়।
মাইটোকন্ড্রিয়ায় ৭৩% প্রোটিন, ২৫-৩০% লিপিড, এবং সামান্য পরিমানে ডিএনএ ও আরএনএ, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, এএসসি প্রোগ্রাম, উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
নিচের কোনটির জিন ধানে রূপান্তর করা সম্ভব হয়েছে?
  1. ক) ভিটামিন সি
  2. খ) ভিটামিন বি
  3. গ) ভিটামিন ই
  4. ঘ) ভিটামিন এ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিটামিন এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিটামিন এ
ব্যাখ্যা
জিনগত রূপান্তরের মাধ্যমে ফসলের পুষ্টিমান উন্নয়ন করা হয়েছে।
যেমন, ধানে ভিটামিন A তথা বিটাক্যারােটিন জিন স্থানান্তর করা হয়েছে।
এই ধানের চাল থেকে প্রস্তুত ভাত খেলে আলাদা করে আর ভিটামিন A খেতে হবে না।

[উৎস: মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান]
৩০.
একজন সুস্থ মানুষের রক্তে অক্সিজেনের সম্পৃক্ততা কত শতাংশ থাকা উচিৎ?
  1. ক) ৯৭ - ১০০%
  2. খ) ৯০ - ৯৫%
  3. গ) ৮৫ - ৯৫%
  4. ঘ) ৮৮ - ১০০%
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৭ - ১০০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৭ - ১০০%
ব্যাখ্যা
একজন সুস্থ মানুষের শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা ৯৭ থেকে ১০০ শতাংশ থাকা উচিত।
যদি অক্সিজেন মাত্রা ৯২ শতাংশের নিচে নেমে যায় তবে মস্তিষ্কে ও অন্যান্য অঙ্গে অক্সিজেনের ঘাটতি হয়।

শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়াকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় 'হাইপোক্সিয়া' বলা হয়। 
অক্সিজেনের মাত্রা ক্রমাগত কমতে থাকলে হৃৎপিণ্ড, যকৃৎ, কিডনি ইত্যাদি বিকল হতে শুরু করে। বয়স্কদের ক্ষেত্রে কথাবার্তা অসংলগ্ন হতে শুরু করা গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে ‘সাইলেন্ট হাইপোক্সিয়া’ হয়। অর্থাৎ, অক্সিজেনের মাত্রা কম, কিন্তু শ্বাসকষ্ট না হওয়ায় তিনি তা উপলব্ধি করতে পারেন না। ফলে চিকিৎসা পেতে অনেক দেরি হয়ে যায়। কোভিড-১৯–এ আক্রান্ত কিছু রোগীর ক্ষেত্রে এ ঘটনা ঘটেছে। একে বলে ‘হ্যাপি হাইপোক্সিয়া’। 

সূত্র: প্রথম আলো 
৩১.
প্যারেনকাইমা কোষে যখন ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে তখন তাকে বলা হয় -
  1. ক) অ্যারেনকাইমা
  2. খ) ক্লোরেনকাইমা
  3. গ) এ্র্যারেনকাইমা
  4. ঘ) স্ক্লেরেনকাইমা
সঠিক উত্তর:
খ) ক্লোরেনকাইমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্লোরেনকাইমা
ব্যাখ্যা
প্যারেনকাইমা (Parenchyma):
- উদ্ভিদদেহের সব অংশে এদের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।
- এ টিস্যুর কোষগুলাে জীবিত, সমব্যাসীয়, পাতলা প্রাচীরযুক্ত এবং প্রােটোপ্লাজম দিয়ে পূর্ণ।
- এই টিস্যুতে আন্তঃকোষীয় ফাঁক দেখা যায়। কোষপ্রাচীর পাতলা এবং সেলুলােজ দিয়ে তৈরি হয়।
- এসব কোষে যখন ক্লোরােপ্লাস্ট থাকে, তখন তাকে ক্লোরেনকাইমা (Chlorenchyma) বলে।
- জলজ উদ্ভিদের বড় বড় বায়ুকুঠুরিযুক্ত প্যারেনকাইমাকে অ্যারেনকাইমা (Aerenchyma) বলে।
- প্যারেনকাইমা টিস্যুর প্রধান কাজ দেহ গঠন করা, খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং খাদ্যদ্রব্য পরিবহন করা।


[উৎস: মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান]
৩২.
গ্রন্থি টিস্যুতে রূপান্তরিত হতে পারে কোনটি?
  1. ক) আবরণী টিস্যু
  2. খ) স্নায়ু টিস্যু
  3. গ) পেশি টিস্যু
  4. ঘ) যোজক টিস্যু
সঠিক উত্তর:
ক) আবরণী টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আবরণী টিস্যু
ব্যাখ্যা
আবরণী টিস্যু (Epithelial Tissue) এই টিস্যু বিভিন্ন অঙ্গের আবরণ (lining) হিসেবে কাজ করে।
তবে অঙ্গকে আবৃত রাখাই আবরণী টিস্যুর একমাত্র কাজ নয়।
এই টিস্যুর আরও চারটি কাজ হলাে: অঙ্গকে আবৃত রাখা, সেটিকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করা (protection), প্রােটিনসহ বিভিন্ন পদার্থ ক্ষরণ বা নিঃসরণ করা (secretion), বিভিন্ন পদার্থ শােষণ করা (absorption) এবং কোষীয় স্তর পেরিয়ে সুনির্দিষ্ট পদার্থের পরিবহন (transcellular transport)।

 আবরণী টিস্যু কোনাে অঙ্গের বা নালির ভিতরের ও বাইরের অংশ তৈরি করে থাকে। আবার এই টিস্যু রূপান্তরিত হয়ে রক্ষণ, ক্ষরণ, শােষণ, ব্যাপন, পরিবহন এই সব কাজে অংশ নেয়। আবরণী টিস্যু রূপান্তরিত হয়ে গ্রন্থি টিস্যু এবং জনন টিস্যুতে পরিণত হয় এবং দেহের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে অংশগ্রহণ করে থাকে।


[উৎস: মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান]
৩৩.
চর্বি জমার প্রবণতা হ্রাসে সহায়ক ভূমিকা রাখে কোনটি?
  1. ক) প্রোটিন
  2. খ) শর্করা
  3. গ) রাফেজ
  4. ঘ) স্নেহ
সঠিক উত্তর:
গ) রাফেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাফেজ
ব্যাখ্যা
রাফেজ/ আঁশযুক্ত খাদ্য: 
শস্যদানার বহিরাবরণ, সবজি, ফলের খােসা, শাঁস, বীজ এবং উদ্ভিদের ডাঁটা, মূল ও পাতায় আঁশ থাকে। এগুলে মূলত কোষপ্রাচীরের সেলুলােজ এবং লিগনিন।
রাফেজ পানি শােষণ করে এবং মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও বৃহদন্ত্র থেকে মল নিষ্কাশনে সাহায্য করে।
রাফেজযুক্ত খাবার বিষাক্ত বর্জনীয় বস্তুকে খাদ্যনালি থেকে পরিশােষণ করে। 
খাদ্যনালির ক্যান্সারের আশঙ্কা অনেকাংশে হ্রাস করে।
আঁশযুক্ত খাবার স্থূলতা হ্রাস, ক্ষুধাপ্রবণতা এবং চর্বি জমার প্রবণতা হ্রাসে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

[উৎস: মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান]
৩৪.
কোন খাদ্য উপাদানটি আমাদের শরীরে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে?
  1. ক) চর্বি
  2. খ) ভিটামিন
  3. গ) আমিষ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আমিষ
ব্যাখ্যা
আমিষ বা প্রােটিন-জাতীয় খাদ্য কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন দিয়ে গঠিত।
আমিষে শতকরা 16 ভাগ নাইট্রোজেন থাকে।
আমিষে সামান্য পরিমাণে সালফার, ফসফরাস এবং আয়রনও থকে।
নাইট্রোজেন এবং শেষােক্ত উপাদানগুলাের উপস্থিতির কারণে আমিষের গুরুত্ব শর্করা ও স্নেহ পদার্থ থেকে আলাদা।
শুধু আমিষজাতীয় খাদ্যই শরীরে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে বলে পুষ্টিবিজ্ঞানে আমিষকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

[উৎস: মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান]
৩৫.
রক্ত রসে জৈব ও অজৈব পদার্থের শতকরা পরিমাণ কত?
  1. ক) 15 - 20%
  2. খ) ৪ - 9%
  3. গ) 10- 13%
  4. ঘ) 5 - 6%
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ - 9%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ - 9%
ব্যাখ্যা
রক্ত:
রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লালবর্ণের তরল যােজক টিস্যু।
ধমনি, শিরা ও কৈশিকনালির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রক্ত অভ্যন্তরীণ পরিবহনে অংশ নেয়।
উষ্ণ রক্তবাহী প্রাণীর দেহে রক্ত তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে।
রক্তের উপাদান দুটি— রক্তরস এবং রক্তকণিকা।
রক্তরস (Plasma) রক্তের তরল অংশ, এর রং ঈষৎ হলুদাভ।
এর প্রায় 91-92% অংশ পানি এবং ৪-9% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ। 

[উৎস: মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান]
৩৬.
কোন রোগটি একবার হলে বার বার হওয়ার আশঙ্কা থাকে?
  1. ক) হাঁপানি
  2. খ) নিউমোনিয়া
  3. গ) যক্ষ্মা
  4. ঘ) ব্রংকাইটিস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রংকাইটিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রংকাইটিস
ব্যাখ্যা
- শ্বাসনালির ভিতরে আবৃত প্রদাহকে ব্রংকাইটিস বলে।
- ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে ঝিল্লিগাত্রে প্রদাহ হতে পারে।
- অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, স্যাঁতসেঁতে ধূলিকণা মিশ্রিত আবহাওয়া, ঠাণ্ডা লাগা এবং ধূমপান থেকেও এ রােগ হওয়ার আশংকা থাকে। 
- একবার ব্রংকাইটিস হলে বারবার এ রােগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
- সাধারণত শিশু এবং বয়স্ক ব্যক্তিরা এ রােগে বেশি আক্রান্ত হয়।
- ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও দূষণ (যেমন কলকারখানার ধুলাবালি এবং ধোঁয়াময় পরিবেশ) এ রােগের কারণ হিসেবে গণ্য করা হয়।

[উৎস: মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান]
৩৭.
পটাশিয়ামের উৎস কোনটি?
  1. ক) কলিজা
  2. খ) বাদাম
  3. গ) মাংস
  4. ঘ) আপেল
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
- দুধ, দই, ছানা, পনির, ছােট মাছ (মলা-ঢেলা), নানা রকম ডাল, সবুজ শাকসবজি, তেঁড়স, লাল শাক, কচু শাক ইত্যাদি ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎস।
- কলিজা, সবুজ শাকসবজি, মাংস, ডিমের কুসুম, কচু শাক ইত্যাদিতে লৌহ থাকে।
- দুধ, মাছ, মাংস, বাদাম, ডাল থেকে ফসফরাস পাওয়া যায়।
- খাবার লবণ, চিপস, নােনতা খাবার, পনির, বাদাম, আচার ইত্যাদিতে সােডিয়াম থাকে।
- মাছ, মাংস, ডাল, কলা, আলু, আপেল, বাদাম ইত্যাদিতে পটাশিয়াম থাকে।
- আয়ােডিনের উৎস হলাে সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও মাছ, মাংস এবং শেওলা।

[উৎস: মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান]

অপশন ক) কলিজা বাদে বাকি সবগুলোই (বাদাম, মাংস ও আপেল) পটাশিয়ামের উৎস।
প্রকৃতপক্ষে, প্রশ্নটি হওয়ার কথা ছিলো - পটাশিয়ামের উৎস নয় কোনটি?
সেক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হয় ক) কলিজা।
৩৮.
ক্লোরোপ্লাস্টে প্লাস্টিডের বর্ণ কীরূপ হয়ে থাকে? 
  1. ক) বর্ণহীন
  2. খ) নীল
  3. গ) সবুজ
  4. ঘ) লাল
সঠিক উত্তর:
গ) সবুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সবুজ
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিড তিন ধরণের যথা - ক্রোমোপ্লাস্ট ,লিউকোপ্লাস্ট , ক্লোরোপ্লাস্ট।
ক্রোমোপ্লাস্ট রঙিন প্লাস্টিড কিন্তু সবুজ নয়।
যে সকল প্লাস্টিডে রঞ্জক পদার্থ থাকে না তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে।
সবুজ রঙের প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে।

[উৎস: মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান]