উত্তর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:
সমাধান:
৪৯তম বিসিএস ⎯ উদ্ভিদবিদ্যা [৫৮১] · তারিখ অনির্ধারিত · ১০১ প্রশ্ন
প্রশ্ন:
সমাধান:
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
সমাধান:
(২য় কলাম × ৩য় কলাম) - ১ম কলাম = ৪র্থ কলাম
(6 × 10) - 2 = 60 - 2 = 58
(7 × 11) - 3 = 77 - 3 = 74
(8 × 12) - 4 = 96 - 4 = 92
সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 92 সংখ্যাটি বসবে।
Golden Rice হলো genetically modified ধান যা ভিটামিন A সমৃদ্ধ। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ভিটামিন A ঘাটতি দূর করা, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে রাতকান্না এবং অন্ধত্ব প্রতিরোধ করা। এই ধান তৈরিতে Ingo Potrykus এবং Peter Beyer গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
Hermaphrodite: একটি ফুলে উভয় লিঙ্গের অঙ্গ (পুরুষ ও স্ত্রী) থাকে। উদাহরণ: Tomato, Mustard, Hibiscus → একটি ফুলে stamens (পুরুষ অঙ্গ) এবং carpels (স্ত্রী অঙ্গ) থাকে।
Monoecious: একই উদ্ভিদে পৃথক male এবং female ফুল থাকে, কিন্তু আলাদা ফুলে। উদাহরণ: Maize (ভুট্টা) →
Male flower: Tassel (উপরের দিকে)
Female flower: Cob (গাছে নীচের দিকে)
প্রতিটি ফুলে উভয় লিঙ্গ নেই, তাই এটি Hermaphrodite নয়।
Tomato, Mustard ও Hibiscus হলো Hermaphrodite (একই ফুলে উভয় অঙ্গ)। কিন্তু ভুট্টা Monoecious, যেখানে একই গাছে male (tassel) ও female (cob) ফুল থাকে।
- Wood fibre বা xylem fibre হলো জাইলেমের একধরনের স্ক্লেরেনকাইমা তন্তু। এরা মৃত কোষ এবং দেয়ালে লিগনিন জমে শক্ত কাঠামো তৈরি করে। উড ফাইবারের দুই প্রান্ত সূচালো ও তীক্ষ্ণ (tapered) হয়, যা গাছের কাঠামোকে শক্ত করে ও সহায়ক টিস্যু হিসেবে কাজ করে। এরা খাদ্য সঞ্চয় করে না; শুধু যান্ত্রিক শক্তি জোগায়।
- জাইলেমে অবস্থিত প্যারেনকাইমা তন্তু প্যারেনকাইমা জীবিত ও খাদ্য সঞ্চয়কারী, ফাইবার নয়।
- প্রকৃত ও জীবিত কোষ – উড ফাইবার মৃত কোষ, জীবিত নয়।
- খাদ্য সঞ্চয় করে – কাজ হলো যান্ত্রিক সহায়তা, খাদ্য সঞ্চয় নয়।
- সংক্ষেপে: উড ফাইবারের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এটি দুই প্রান্ত সূচালো (tapering at both ends) এবং শক্ত, মৃত স্ক্লেরেনকাইমা কোষ।
ধানের ব্লাস্ট রোগ (Rice blast) প্রথমে পাতায় আক্রমণ করে।
পাতায় ছোট ছোট ডায়মন্ড বা চক্ষু আকৃতির দাগ দেখা যায়।
পরে রোগটি কাণ্ড, গলার অংশ (neck blast) এবং দানা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে।
গলায় আক্রমণ করলে neck blast হয়, যা ধান উৎপাদনে মারাত্মক ক্ষতি করে।
প্রথম আক্রমণ হয় পাতায়, পরে ছড়ায় কাণ্ড ও দানায়।
- ওজোন স্তর (Ozone layer) পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolet rays) শোষণ করে জীবজগতকে সুরক্ষা দেয়।
- যখন এই স্তর ক্ষয় হয়, তখন বেশি পরিমাণে UV রশ্মি পৃথিবীতে পৌঁছে। এর ফলে:
• ত্বকের ক্যান্সার (Skin cancer) এর ঝুঁকি বাড়ে।
• চোখের ছানি (Cataract) হতে পারে।
• ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে যায়।
- Polyploidy: দুইটি সেটের বেশি ক্রোমোসোম থাকে।
- Hexaploid wheat (6n): গমে সাধারণত 42 ক্রোমোসোম থাকে (3 sets of 14 chromosomes each × 2 copies = 6n)। উদাহরণ: Bread wheat → hexaploid
- Diploid: 2n
- Triploid: 3n
- Tetraploid: 4n
Heteromorphic chromosomes (হেটেরোমরফিক ক্রোমোসোম) হলো এমন ক্রোমোসোম জোড়া, যেগুলো আকার (size) বা আকৃতিতে (shape) একে অপরের থেকে আলাদা। এই পার্থক্যই তাদের সনাক্ত করার প্রধান বৈশিষ্ট্য। উদাহরণ- মানুষের sex chromosomes (লিঙ্গ ক্রোমোসোম) হলো হেটেরোমরফিক ক্রোমোসোমের একটি সুস্পষ্ট উদাহরণ। পুরুষের XY জোড়ায় X ও Y ক্রোমোসোমের আকার ও গঠন ভিন্ন, তাই এগুলোকে heteromorphic বলা হয়।
Chromosome Theory of Inheritance (উত্তরাধিকার সূত্রের ক্রোমোজোম তত্ত্ব) প্রস্তাব করা হয় 1902 সালে Sutton এবং Boveri দ্বারা।
Sutton: Grasshopper-এর ক্রোমোজোম পর্যবেক্ষণ করে দেখেন যে, জিনগুলোর আচরণ মেন্ডেলের নিয়মের সঙ্গে মিল রয়েছে।
Boveri: Sea urchin embryos-এর ক্রোমোজোম পর্যবেক্ষণ করে ধারণা দেন যে, সঠিক ক্রোমোজোম সংখ্যা অপরিহার্য।
এই তত্ত্ব মেন্ডেলিয়ান উত্তরাধিকার এবং ক্রোমোজোমের বাস্তব অবস্থানের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
Bryophytes তিনটি প্রধান গোষ্ঠীতে বিভক্ত:
১. Hepaticopsida / Hepaticae –
লিভারওয়ার্ট (যেমন: Marchantia
২. Anthocerotopsida/ Anthocerotae – হর্নওয়ার্ট (যেমন: Anthoceros)
৩. Bryopsida / Musci – মস বা প্রকৃত শ্যাওলা (যেমন: Funaria, Polytrichum) এ মধ্যে Bryopsida-ই হলো প্রকৃত অর্থে “True moss”।
এদের দেহ ছোট, সবুজ গ্যামেটোফাইট থেকে গঠিত এবং পাতাযুক্ত কাণ্ডের মতো গঠন স্পষ্ট থাকে। এরা স্যাঁতসেঁতে স্থানে জন্মায় এবং মাটিকে আর্দ্র রাখে, মাটি গঠন ও ক্ষয়রোধে সাহায্য করে।
- Hepaticae – লিভারওয়ার্ট; সমতল থ্যালাস। Anthocerotae / Hornworts – শিঙের মতো স্পোরোফাইট।
Hornworts (D অপশন) – একই Anthocerotae এর আরেক নাম।
সংক্ষেপে: প্রকৃত শ্যাওলা বা True
moss হলো Bryopsida (ব্রায়োপসিডা)।
Aneuploidy হলো এমন একটি পরিস্থিতি যেখানে কোনো জীবের স্বাভাবিক diploid ক্রোমোজোম সংখ্যা থেকে এক বা একাধিক ক্রোমোজোম কমে বা বাড়ে। এটি পুরো ক্রোমোজোম সেটের পরিবর্তন নয় (যেমন polyploidy), বরং কিছু নির্দিষ্ট ক্রোমোজোমের সংখ্যা পরিবর্তন। উদাহরণ:
- Trisomy 21 (Down syndrome) – অতিরিক্ত ২১তম ক্রোমোজোম।
- Monosomy X (Turner syndrome) – এক্স ক্রোমোজোমের অভাব।
- Gene (জিন) হলো ক্রোমোজোমের কার্যকরী একক (functional unit of a chromosome)।
- এটি DNA-এর একটি বিশেষ সেগমেন্ট, যা প্রোটিন বা RNA সংশ্লেষণের জন্য তথ্য বহন করে।
- জিনের ক্রম (sequence) নির্ধারণ করে একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য বা characteristic।
- জিন হলো ক্রোমোজোমের কার্যকরী একক, যা প্রোটিন বা আরএনএ সংশ্লেষণের জন্য নির্দেশ বহন করে।
- Chromatid (ক্রোমাটিড) বিভাজিত ক্রোমোজোমের একটি অংশ, DNA ধারণ করে
- Centromere (সেন্ট্রোমিয়ার) ক্রোমাটিডকে সংযুক্ত রাখে, মাইটোসিস/মিওসিসে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে
- Telomere (টেলোমিয়ার) ক্রোমোজোমের প্রান্ত রক্ষা করে, বার্ধক্য প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে
Cellulose (সেলুলোজ) হলো একটি polysaccharide (পলিস্যাকারাইড), যা উদ্ভিদের cell wall-এর প্রধান উপাদান। এটি গঠিত হয় অসংখ্য β-D-glucose monomer (β-ডি-গ্লুকোজ) দ্বারা। প্রতিটি গ্লুকোজ একে অপরের সাথে β-1,4 glycosidic bond দ্বারা যুক্ত থাকে। ফলে দীর্ঘ linear chain তৈরি হয়, যা শক্তি এবং structural support প্রদান করে।
- Fructose (ফ্রুক্টোজ) Monomer of sucrose, not cellulose
- Galactose (গ্যালাকটোজ) Found in lactose, not cellulose
- Lactose (ল্যাকটোস) Disaccharide, not a monomer
- Cyanobacteria হল এক ধরনের ফটোসিনথেটিক প্রোক্যারিওট। এরা নাইট্রোজেন ফিক্সেশন করতে সক্ষম, অর্থাৎ বায়ুমণ্ডলের অব্যবহারযোগ্য নাইট্রোজেন (N₂) কে ব্যবহারযোগ্য যৌগে (যেমন অ্যামোনিয়াম বা নাইট্রেট) রূপান্তর করে। এই প্রক্রিয়ায় জলজ এবং মাটির পরিবেশে নাইট্রোজেনের যোগান বৃদ্ধি পায়, যা অন্যান্য উদ্ভিদ ও জলজ জীবের জন্য পুষ্টির উৎস হিসেবে কাজ করে।
- Dinoflagellates: প্রধানত ফটোসিনথেটিক এবং প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহ করে, কিন্তু নাইট্রোজেন স্থিতিশীলকরণ করতে পারে না।
- Diatoms: সিলিকা-ভিত্তিক শৈবাল, নাইট্রোজেন ফিক্সেশন করে না।
- Green algae: নাইট্রোজেন ফিক্সেশন সক্ষম নয়, শুধু খাদ্য চক্রে অংশগ্রহণ করে।
- Cyanobacteria (নীল-সবুজ শৈবাল) নাইট্রোজেন স্থিতিশীলকরণ করতে পারে। তারা বায়ুমণ্ডলীয় নাইট্রোজেনকে ব্যবহারযোগ্য যৌগে রূপান্তর করে, যা জলজ পরিবেশে পুষ্টির যোগান দেয়।
মাইক্রোস্পোরাঞ্জিয়াম হলো পরাগধানীর (anther) একটি অংশ, যার অভ্যন্তরে মাইক্রোস্পোর জনক কোষ (microspore mother cell) মাইয়োটিক বিভাজনের মাধ্যমে মাইক্রোস্পোর তৈরি করে। এই মাইক্রোস্পোরই পরবর্তীতে পরাগরেণুতে রূপান্তরিত হয়।
অন্য গুলো মাইক্রোস্পোরাঞ্জিয়ামের বাইরে গঠিত হয়।
- ফসফোলিপিড ব্যাকটেরিয়ার সেল মেমব্রেন (কোষ ঝিল্লি) গঠনের জন্য অপরিহার্য, যা কোষের ভিতরের উপাদানকে ঘিরে রাখে এবং পরিবেশের সাথে পদার্থ বিনিময়ে সাহায্য করে।
- অন্যদিকে, Capsule, Flagella, ও Plasmid সহায়ক বা অতিরিক্ত গঠন—এগুলো ব্যাকটেরিয়ার টিকে থাকা বা অভিযোজন বাড়ায়, কিন্তু আবশ্যকীয় নয়।
Rice Tungro Disease (RTD) হলো ধানের একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা ঘটে দুটি ভাইরাসের যৌথ সংক্রমণে:
- RTBV (Rice Tungro Bacilliform Virus)
- RTSV (Rice Tungro Spherical Virus)
RTBV একা সংক্রমণ ঘটাতে পারে না, কারণ এটি পাতা ফড়িং (Green leafhopper, Nephotettix virescens) দ্বারা পরিবাহিত হয় RTSV-এর সহায়তায়। অর্থাৎ RTSV ছাড়া RTBV গাছে প্রবেশ করতে পারে না।
আউশ ও আমন মৌসুমে এই রোগ বেশি দেখা যায়, কারণ এই সময় পাতা ফড়িংয়ের সংখ্যা বেশি থাকে।
আক্রান্ত গাছ খর্বাকৃতির হয়, লম্বা নয়।
Herbarium হলো একটি সংগ্রহশালা, যেখানে বিভিন্ন উদ্ভিদ শুকিয়ে, প্রেস করে, লেবেলসহ সংরক্ষণ করা হয়।
এটি উদ্ভিদ শনাক্তকরণ, শ্রেণিবিন্যাস (taxonomy), গবেষণা ও শিক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
এখানে সংরক্ষিত নমুনা বিভিন্ন সময়ের উদ্ভিদের তুলনা ও রেফারেন্স হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
Pathogenicity হলো কোনো প্যাথোজেনের সেই গুণ বা ক্ষমতা, যার মাধ্যমে এটি হোস্ট জীবের মধ্যে রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
এটি একটি গুণগত (qualitative) বৈশিষ্ট্য—প্যাথোজেন রোগ সৃষ্টি করতে পারে কি না তা বোঝায়।
পাইরিনয়েড হলো শৈবালের ক্লোরোপ্লাস্টের ভিতরে থাকা একটি প্রোটিনজাত অঙ্গাণু। এটি প্রধানত স্টার্চ বা অন্যান্য কার্বোহাইড্রেট সঞ্চয় করে। ক্লোরোফিলযুক্ত শৈবালে সাধারণত পাইরিনয়েড দেখা যায় এবং এটি খাদ্য সংরক্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
Dichotomous branching (দ্ব্যাগ্র শাখা) হলো এমন একটি শাখা বিভাজন, যেখানে একটি শাখা সমান দুটি শাখায় বিভক্ত হয়। Riccia, Marchantia, Pallavicinia – এগুলো thalloid bryophytes, যাদের থ্যালাসে দ্ব্যাগ্র শাখা দেখা যায়।
- Moss: এতে থ্যালাস নেই; বরং কাণ্ড ও পাতার মতো গঠন থাকে, এবং এতে দ্ব্যাগ্র শাখা দেখা যায় না।
Phytophthora infestans হলো একটি oomycete, যা আলু এবং টমেটোতে late blight রোগ সৃষ্টি করে।
রোগের লক্ষণ: পাতায় বড়, সবুজাভ বাদামী দাগ, কাণ্ডে পচন, আলুর চচ্চুতে দাগ ও পচন সৃষ্টি করে।
- Fusarium oxysporum – vascular wilt সৃষ্টি করে।
- Colletotrichum corchorum – anthracnose সৃষ্টি করে।
- Pyricularia oryzae – ধান বা other grasses-এ blast রোগ সৃষ্টি করে।
ভাস্কুলার উদ্ভিদে স্টিলির ধরন:
- হ্যাপলোসটিলি (Haplostele): একক সিলিন্ড্রিক্যাল xylem কোর, যা phloem দ্বারা ঘেরা থাকে। উদাহরণ: Psilotum, Lycopodium। সবচেয়ে সহজ বা primitive স্টিল; প্রাথমিক ভাস্কুলার উদ্ভিদে পাওয়া যায়।
- সিফোনোসটিলি (Siphonostele): Xylem একটি সিলিন্ডার আকারে কেন্দ্রীয় pith-এর চারপাশে থাকে; phloem xylem-এর চারপাশে অবস্থান করে। উদাহরণ: শিকড়বিহীন ফার্ন (Adiantum)। কেন্দ্রীয় pith-এর উপস্থিতি, বড় কাণ্ডের জন্য সুবিধাজনক; haplostele থেকে বেশি উন্নত।
- ডিক্টাইস্টিলি (Dictyostele): Siphonostele-এর পরিবর্তিত আকার, যেখানে leaf gaps-এর কারণে xylem ও phloem পৃথক vascular bundle-এ বিভক্ত। উদাহরণ: Pteris, Nephrolepis। leaf gaps-এর কারণে লোবযুক্ত কাণ্ড; বেশি নমনীয় বৃদ্ধি সম্ভব; siphonostele থেকে উন্নত।
- পলিসাইক্লিক স্টিলি (Polycyclic stele): একাধিক concentric vascular ring (একাধিক xylem এবং phloem লেয়ার)।
উদাহরণ: Pteridium (ফার্নের একটি প্রজাতি)। সবচেয়ে জটিল এবং উন্নত স্টিলি। শক্তিশালী mechanical support এবং কার্যকর conduction সম্ভব। একাধিক ring-এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু পুনরায় তৈরি হতে পারে। বড় কাণ্ড এবং জটিল পাতা বিন্যাসের জন্য উপযোগী।
ক্রম: Haplostele → Siphonostele → Dictyostele → Polycyclic stele
(উন্নতির ক্রম অনুযায়ী)
- Polycyclic stele সবচেয়ে উন্নত কারণ এতে একাধিক concentric vascular ring থাকে, যা কাঠামোগত ও কার্যগত সুবিধা দেয়।
উৎপাদক বা Producers হচ্ছে এমন জীব যারা নিজেরাই খাদ্য তৈরি করতে পারে। এদের মধ্যে গাছপালা, শৈবাল (algae) এবং কিছু ব্যাকটেরিয়া অন্তর্ভুক্ত। এরা সূর্যালোককে (Sunlight) শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহার করে photosynthesis (সালোক-সংশ্লেষণ) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি থেকে গ্লুকোজ (খাদ্য) তৈরি করে এবং অক্সিজেন নিঃসরণ করে। এই সূর্যালোক থেকে প্রাপ্ত শক্তি পুরো ecosystem জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। উৎপাদকরা সূর্যের শক্তি গ্রহণ করে। ভোক্তারা (Consumers) সেই শক্তি গ্রহণ করে। ডিকম্পোজাররা অবশেষে মৃত জীব ভেঙে nutrients ফিরিয়ে দেয়। অতএব, সূর্যালোকই হলো জীবমণ্ডলের মূল শক্তির উৎস, যার মাধ্যমে সব জীবের শক্তিচক্র (energy flow) বজায় থাকে।
Streptococcus হলো গোলাকার (coccus) ব্যাকটেরিয়া, যেগুলো কোষ বিভাজনের পর পরস্পরের সাথে যুক্ত থেকে চেইন বা মালার মতো গঠন করে। উদাহরণ: Streptococcus lactis, Streptococcus pyogenes ইত্যাদি। এটি সাধারণত দুধ জমাতে ও অনেক সময় সংক্রমণের জন্য দায়ী।
Sir Alexander Fleming ১৯২৯ সালে Penicillium notatum নামক ছত্রাক (fungus) থেকে Penicillin নামের এক জীবাণু প্রতিরোধী পদার্থ (antibacterial substance) আবিষ্কার করেন। এটি ছিল বিশ্বের প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক (antibiotic), যা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগের চিকিৎসায় এক বিপ্লব ঘটায়। পরে 1940-এর দশকে Howard Florey ও Ernst Chain এটি পরিশোধন করে বৃহৎ পরিসরে ব্যবহারযোগ্য করেন।
DNA-এর ডাবল হেলিক্সে Adenine (A) ও Thymine (T) এর মধ্যে ২টি হাইড্রোজেন বন্ড গঠিত হয়।
অন্যদিকে, Guanine (G) ও Cytosine (C) এর মধ্যে ৩টি হাইড্রোজেন বন্ড থাকে।
- A=T → 2 hydrogen bonds
- G≡C → 3 hydrogen bonds
এই বন্ডগুলোর মাধ্যমে DNA-এর দুটি স্ট্র্যান্ড স্থিতিশীলভাবে যুক্ত থাকে।
TMV হলো একটি RNA ভাইরাস, যা প্রধানত তামাক গাছসহ টমেটো, মরিচ, পালং প্রভৃতি উদ্ভিদকে সংক্রমিত করে। এটি উদ্ভিদের পাতা বিকৃত করে ও সবুজ রঙের মোজাইক দাগ সৃষ্টি করে।
N (Nitrogen), P (Phosphorus), এবং K (Potassium) হল উদ্ভিদ বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। এই উপাদানগুলোর আধিক্য শৈবাল ও সায়ানোব্যাকটেরিয়ার অতিবৃদ্ধি ঘটায়, ফলে Water bloom তৈরি হয়। এটি পানির গুণমান নষ্ট করে এবং জলজ প্রাণীর জন্য হুমকির কারণ হতে পারে।
Glycolysis (গ্লাইকোলাইসিস) হলো গ্লুকোজকে ২ পাইরুভেট, ২ ATP এবং ২ NADH তে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া। এটি ঘটে Cytoplasm সাইটোপ্লাজমে। পরবর্তী ধাপ যেমন Krebs cycle এবং Electron Transport Chain (ETC) মাইটোকন্ড্রিয়ার মধ্যে ঘটে। Glycolysis হলো অক্সিজেন ছাড়া anaerobic হতে পারে, তাই এটি সব ধরণের কোষে ঘটে।
গ্রীনহাউস প্রভাব তখন ঘটে যখন বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত গ্যাস (যেমন CO₂, CH₄, N₂O, CFCs ইত্যাদি) সূর্যের তাপ ধরে রাখে।
এই অতিরিক্ত গ্যাসের উপস্থিতি পৃথিবীর পৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি করে, যাকে Global Warming (বিশ্ব উষ্ণায়ন) বলা হয়। এর ফলে দেখা দেয়,
- মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যায়,
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায়,
- আবহাওয়ার অস্বাভাবিক পরিবর্তন ও খরা-
বন্যা দেখা দেয়।
- গ্রীনহাউস গ্যাসের বেশি মাত্রা পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে। অতিরিক্ত তাপমাত্রা জলবায়ু পরিবর্তন, বরফ গলন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি করে।
- Turner’s syndrome হলো একটি sex chromosome disorder, যা মহিলাদের ক্ষেত্রে ঘটে। সাধারণ মহিলার ক্রোমোজোম সংখ্যা হলো 46, XX, কিন্তু টার্নারের ক্ষেত্রে দেখা যায়: একটি X ক্রোমোজোম অনুপস্থিত থাকে, ফলে ক্রোমোজোম সংখ্যা হয় 45, XO। অর্থাৎ, কোনো Y ক্রোমোজোম নেই এবং মাত্র একটি X ক্রোমোজোম রয়েছে।
- লক্ষণসমূহ:
• উচ্চতা কম হওয়া
• বুকের বিকাশ অসম্পূর্ণ
• প্রজনন অক্ষমতা (ovaries সঠিকভাবে কাজ করে না)
• কিছু ক্ষেত্রে হৃদরোগ বা কিডনি সমস্যা
- Turner’s syndrome হলো একটি X ক্রোমোজোম অনুপস্থিত থাকার কারণে দেখা দেওয়া জেনেটিক অবস্থা, যা 45, XO ক্রোমোজোম সেট দ্বারা চিহ্নিত।
- এটি একটি স্পষ্ট উদাহরণ যে ক্রোমোজোমের সংখ্যা পরিবর্তন জীবনধারণ ও শারীরিক বৈশিষ্ট্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
- মলবাসী ছত্রাক (Coprophilous fungi) হলো এমন ছত্রাক যা প্রধানত পশুর মল বা গোবরের উপর জন্মায়।
- Ascobolus হলো Ascomycota বিভাগের একটি জেনাস, যা সাধারণত গরু, ঘোড়া ইত্যাদির শুকনো গোবরের উপর বেড়ে ওঠে। এগুলোর স্পোর বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং পরবর্তী প্রজন্মে একই ধরনের পরিবেশে অঙ্কুরিত হয়।
- Saprolegnia – জলজ ছত্রাক, মাছের রোগ (water mold) সৃষ্টি করে।
- Erysiphe – গাছের পাতায় পাউডারি মিলডিউ রোগ ঘটায়।
- Rhizopus – রুটি বা ফলের উপর জন্মানো সাধারণ ব্রেড মোল্ড।
- সংক্ষেপে: মল বা গোবরের উপর জন্মানো ছত্রাকের উদাহরণ হলো Ascobolus (অ্যাসকোবোলাস)।
Lysosome হলো কোষের membrane-bound organelle, যা hydrolytic enzymes ধারণ করে। এটি ক্ষতিগ্রস্ত বা অপ্রয়োজনীয় কোষীয় উপাদান ভেঙে পুনর্ব্যবহার করতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত সক্রিয় হলে পুরো কোষকে ধ্বংস করতে পারে। এজন্য Lysosome কে বলা হয় 'suicide bag of the cell'। লাইসোজোমে হজমকারী এনজাইম থাকে যা প্রয়োজনে কোষকে ভেঙে ফেলতে পারে। এজন্য একে suicide bag বলা হয়।
Vaucheria শৈবালের দেহ নলাকার (tube-like), প্রাচীরবিহীন (non-septate), এবং এতে বহু নিউক্লিয়াস থাকে। এটি সিনোসাইটিক (Coenocytic) শৈবালের একটি চমৎকার উদাহরণ, যেখানে কোষ বিভাজন ছাড়াই নিউক্লিয়াস বারবার বিভাজিত হয়, ফলে এক কোষে অনেক নিউক্লিয়াস থাকে।
স্টার্চ দুটি ভিন্ন ধরনের গ্লুকোজ পলিমারের সমন্বয়ে গঠিত।
- Amylose: এটি সরলরেখা (linear) শৃঙ্খল, যেখানে শুধু α-1,4 glycosidic bond থাকে। এটি পানিতে আংশিক দ্রবণীয় এবং আয়োডিনের সাথে নীল রঙ প্রদান করে।
- Amylopectin: এটি শাখাযুক্ত (branched) শৃঙ্খল, যেখানে মূল শৃঙ্খল গঠিত হয় α-1,4 bond দ্বারা এবং শাখা যুক্ত হয় α-1,6 bond দ্বারা। আয়োডিনের সাথে এর রঙ বেগুনি-লালচে হয়।
- সাধারণত স্টার্চে ২০–৩০% অ্যামাইলোজ এবং ৭০–৮০% অ্যামাইলোপেক্টিন থাকে।
Desert biome বা মরুভূমির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো:
- কম বৃষ্টিপাত
- উচ্চ তাপমাত্রা
- জলাধারের অভাব
এ কারণে এখানে গাছপালা ও প্রাণী খুবই সীমিত। যেসব উদ্ভিদ বা প্রাণী টিকে থাকে, তারা খরার সাথে খাপ খাইয়ে জীবিত থাকে।
Macrocystis pyrifera হলো একটি বৃহৎ বাদামী শৈবাল (giant kelp), যা সমুদ্রে জন্মে এবং প্রায় ৬০ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ শৈবাল এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র গঠন করে। অন্যান্য শৈবাল যেমন Ulva, Chara ও Sargassum তুলনামূলকভাবে অনেক ছোট।
Alkaloids (অ্যালকালয়েড) হলো naturally occurring organic compounds, যা সাধারণত উদ্ভিদে পাওয়া যায়।
এদের মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো nitrogen atom (N)-এর উপস্থিতি।
নাইট্রোজেন সাধারণত একটি heterocyclic ring-এর অংশ হিসেবে থাকে।
অ্যালকালয়েডের মূল বৈশিষ্ট্য হলো নাইট্রোজেন পরমাণুর উপস্থিতি।
Histogen theory উদ্ভিদ কন্দ বা meristem গঠনের ব্যাখ্যা দেয়। হানস্টাইন (Hanstein) প্রস্তাব করেন যে shoot apical meristem তিনটি স্তরে বিভক্ত থাকে:
১. Dermatogen – Epidermis গঠন করে
২. Periblem – Cortex গঠন করে
৩. Plerome – Vascular tissue গঠন করে
এই তত্ত্বের মাধ্যমে উদ্ভিদের শীর্ষ meristem-এর tissue differentiation বোঝানো হয়।
- Restriction enzyme কেবল DNA-র নির্দিষ্ট অংশ কেটে ফেলে।
- DNA ligase সেই কাটা অংশগুলো জোড়া লাগায়, অর্থাৎ DNA সেলাই করে।
- rDNA প্রযুক্তিতে, হোস্ট কোষে বিদেশি DNA ঢুকানোর পর DNA ligase সেটিকে হোস্টের DNA-র সাথে স্থায়ীভাবে যুক্ত করে, ফলে একটি recombinant DNA (rDNA) তৈরি হয়।
ভাইরাস হলো নিউক্লিক অ্যাসিড (কেন্দ্রীয় অংশ) ও প্রোটিন (আবরণ) দিয়ে গঠিত অকোষীয়, অতি-আণুবীক্ষণিক সত্তা, বাধ্যতামূলক পরজীবী জৈবকণা যা জীবদেহের অভ্যন্তরে সক্রিয় হয়ে রোগ সৃষ্টি করে কিন্তু জীবদেহের বাইরে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় বিরাজ করে।
Haploid উদ্ভিদের কোষে থাকে একটি ক্রোমোজোম সেট (n)। এই Haploid প্ল্যান্টে Colchicine প্রয়োগ করে ক্রোমোজোম সংখ্যা দ্বিগুণ করলে হোমোজাইগাস Diploid লাইন তৈরি হয়। এর ফলে:
- True-breeding বা জিনগতভাবে বিশুদ্ধ লাইন দ্রুত পাওয়া যায়।
- Plant breeding ও hybrid উন্নয়ন প্রক্রিয়া দ্রুততর ও নির্ভুল হয়।
- Recessive জিন সহজে শনাক্ত করা যায়।
Haploid technology বর্তমানে crop improvement ও genetic research-এ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
Spirulina হলো একটি নীল-সবুজ শৈবাল (cyanobacteria), যা প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ।
এটি প্রধানত:
- Livestock ও poultry-র ফিড হিসেবে ব্যবহার হয়
- মানব খাদ্যতেও health supplement হিসেবে ব্যবহৃত হয় (spirulina tablets/powder)
Spirulina-কে "superfood" বলা হয় তার উচ্চ প্রোটিন ও পুষ্টিগুণের কারণে।
Dissemination বা পরিব্যাপ্তি হলো এমন একটি ধাপ, যেখানে প্যাথোজেন (রোগজীবী) একটি সংক্রমিত উদ্ভিদ থেকে অন্য একটি সুস্থ উদ্ভিদে ছড়িয়ে পড়ে। এটি ঘটে বিভিন্ন মাধ্যমে:
- বাতাস
- পানি
- কীটপতঙ্গ
- বীজ
- যন্ত্রপাতি
Dissemination-এর মাধ্যমেই প্যাথোজেন নতুন উদ্ভিদে পৌঁছে এবং পরবর্তীতে inoculation (সংক্রমণ শুরু) করে। তাই, নতুন উদ্ভিদে সংক্রমণের জন্য প্রথম ধাপ Dissemination।
উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে সালোক-সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের খাদ্য তৈরি করে। এই প্রক্রিয়ায় তারা বাতাস থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂) গ্রহণ করে এবং মাটি থেকে পানি (H₂O) শোষণ করে। সূর্যালোকের শক্তি ব্যবহার করে ক্লোরোফিল (chlorophyll) নামক সবুজ রঞ্জক পদার্থের মাধ্যমে এই দুটি পদার্থ থেকে গ্লুকোজ (C₆H₁₂O₆) তৈরি হয় এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় অক্সিজেন (O₂) নিঃসৃত হয়।
রাসায়নিক সমীকরণ:
6CO₂ + 6H₂O + সূর্যালোক → C₆H₁₂O₆ + 6O₂
অতএব, সালোক-সংশ্লেষণে উদ্ভিদ কার্বন ডাইঅক্সাইড ব্যবহার করে এবং অক্সিজেন উৎপন্ন করে।
Chaetophora শৈবালে দুটি ভিন্ন ধরনের থ্যালাস থাকে।
- Prostrate part (শয়ান অংশ): যা বস্তুর সাথে লেগে থাকে।
- Erect part (খাড়া অংশ): যা উপর দিকে ওঠে।
এই বৈশিষ্ট্যের কারণে এর গঠনকে বলা হয় Heterotrichous। এটি শৈবালের বিবর্তনের দিক থেকে উন্নত রূপ নির্দেশ করে।
- অ্যাক্টিভ ট্রান্সপোর্ট (Active transport) হলো সেই পদ্ধতি, যেখানে ions (যেমন K⁺, Na⁺, Ca²⁺) concentration gradient-এর বিপরীতে রুট কোষে প্রবেশ করে। এই প্রক্রিয়ায় ATP (উচ্চ-শক্তির জৈব অণু) ব্যবহার করা হয়, যা plasma membrane-bound pumps (যেমন H⁺-ATPase, Na⁺/K⁺ pump) দ্বারা পরিচালিত হয়।
- Passive transport, diffusion বা osmosis শুধু concentration gradient অনুসারে ঘটে, যেখানে ATP ব্যবহার করা হয় না। উদাহরণ: রুটের প্রোটোপ্লাস্টে K⁺ বা Na⁺ ions-এর প্রবেশ ATP-এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়।
Meristematic tissue হলো উদ্ভিদের সেই টিস্যু, যেখানে কোষগুলো ক্রমাগত বিভাজনের মাধ্যমে বৃদ্ধি ঘটায়। Intercalary meristem থাকে গাছের পর্বসন্ধি বা গাঁটের (nodes/intercalary regions) অংশে — বিশেষ করে ঘাসজাতীয় উদ্ভিদে (grasses)। এই টিস্যুর জন্যই কাটা ঘাস অল্প সময়ের মধ্যে আবার গজাতে পারে (regrow)।
- Transformation হলো ব্যাকটেরিয়ার একটি প্রাকৃতিক জিনগত বিনিময়ের পদ্ধতি। এতে একটি জীবিত ব্যাকটেরিয়া পরিবেশে থাকা মৃত বা ভেঙে যাওয়া ব্যাকটেরিয়ার খণ্ডিত ডিএনএ নিজের কোষের ভেতর গ্রহণ করে। এই বিদেশি ডিএনএ তার নিজস্ব জিনোমের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন বৈশিষ্ট্য প্রদান করে।
- 1928 সালে Frederick Griffith Streptococcus pneumoniae তে প্রথম এই প্রক্রিয়ার প্রমাণ দেন, যাকে “Griffith’s experiment” বলা হয়।
- ফাজ ডিএনএ সংযুক্ত করা/পাশাপাশি থাকা – এটি ট্রান্সডাকশন (bacteriophage-mediated) প্রক্রিয়ার অংশ, ট্রান্সফরমেশন নয়।
- জীবিত ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএ গ্রহণ – এটি কনজুগেশন (প্লাজমিড বা পিলাসের মাধ্যমে DNA স্থানান্তর) প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত।
- সংক্ষেপে: Transformation হলো একটি জীবিত ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা মৃত ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএ গ্রহণের মাধ্যমে নতুন জিনগত বৈশিষ্ট্য অর্জনের প্রক্রিয়া।
- যমুনা নদী বাংলাদেশের অন্যতম বন্যা-প্রবণ নদী। বর্ষাকালে হিমালয় থেকে নেমে আসা প্রচুর পানি ও বৃষ্টির কারণে নদীর জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পায়, ফলে নদীর দুই তীরের নিম্নাঞ্চল নিয়মিতভাবে প্লাবিত হয়।
- কারণসমূহ:
• পাহাড়ি অঞ্চলের অতিবৃষ্টি,
• ব্রহ্মপুত্র ও অন্যান্য উপনদীর পানির প্রবাহ বৃদ্ধি,
• নদীর তলদেশে পলি সঞ্চয় ও প্রবাহের বাধা
- ফলাফল:
• কৃষিজমি ডুবে যায়
• গ্রামীণ জনজীবনে বিপর্যয়
• নদী ভাঙন ও ফসলের ক্ষতি
যমুনা নদী উপকূলীয় ও নিম্নাঞ্চলে নিয়মিত বন্যা সৃষ্টি করে। বর্ষাকালে পাহাড়ি ও মধ্যাঞ্চলের পাহাড়ি নদী থেকে আসা পানি এই নদীতে প্রবাহিত হলে জলস্তর বৃদ্ধি পায় এবং আশেপাশের এলাকা প্লাবিত হয়।
- মরফিন হলো একটি alkaloid, যা আফিম গাছের latex (রস) থেকে পাওয়া যায়। এটি analgesic (ব্যথানাশক) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- Nicotiana tabacum: Nicotine
- Cinchona officinalis: Quinine
- Camellia sinensis: Caffeine
Amphiphloic siphonostele হলো একটি বিশেষ ধরণের স্টিল, যেখানে জাইলেম (xylem)-কে ভিতরের ও বাইরের দিক থেকে ফ্লোয়েম (phloem) ঘিরে রাখে এবং মাঝে পিথ (pith) থাকে। এই ধরনের গঠন উচ্চতর টেরিডোফাইট-এ দেখা যায় এবং এটি Ectophloic siphonostele-এর তুলনায় বেশি জটিল ও উন্নত। Marsilea (এক প্রকার জলজ ফার্ন) হলো এই স্টিলির শ্রেষ্ঠ উদাহরণ। অন্যান্য উদ্ভিদে যেমন Adiantum বা Pteris-এ সাধারণত ectophloic siphonostele দেখা যায়।
শৈবালের sporangia (বীজাধার) ও gametangia (যৌন কোষাধার) সাধারণত এককোষী হয় এবং সেগুলো বন্ধ্যা কোষ দ্বারা আবৃত থাকে না। এ কারণে এদের জনন অঙ্গকে বলা হয় unijacketed unicellular reproductive organs। এটি শৈবালের প্রাথমিক ও সরল গঠনের পরিচায়ক। উদাহরণ: Chlamydomonas, Spirogyra ইত্যাদি।
পারিট্রিকাস ব্যাকটেরিয়ার ফ্ল্যাজেলা শরীরের চারদিকে ছড়ানো থাকে, যা এদের চারদিকে যেকোনো দিকে চলাচলে সহায়তা করে। উদাহরণ: Escherichia coli, Salmonella spp.
ফ্ল্যাজেলার ভিত্তিতে ব্যাকটেরিয়ার ৬ প্রকার। যথা-
১. অট্রিকাস (Atrichous): কোনো ফ্ল্যাজেলা নেই। উদাহরণ: Corynebacterium
২. মোনোট্রিকাস (Monotrichous): এক প্রান্তে একটি মাত্র ফ্ল্যাজেলা থাকে। উদাহরণ: Vibrio cholerae.
৩. লোফোট্রিকাস (Lophotrichous): এক প্রান্তে একগুচ্ছ ফ্ল্যাজেলা থাকে। উদাহরণ: Pseudomonas fluorescens.
৪. অ্যাম্ফিট্রিকাস (Amphitrichous): উভয় প্রান্তে একটি করে ফ্ল্যাজেলা থাকে। উদাহরণ: Alcaligenes faecalis.
৫. সেফালোট্রিকাস (Cephalotrichous): এক প্রান্তে একাধিক ফ্ল্যাজেলা থাকে। উদাহরণ: Spirillum.
৬. পারিট্রিকাস (Peritrichous): শরীরের চারদিকে ফ্ল্যাজেলা ছড়ানো থাকে। উদাহরণ: Escherichia coli, Salmonella spp.
Infection হলো সেই ধাপ, যেখানে প্যাথোজেন উদ্ভিদের শরীরে প্রবেশ করে এবং কোষ বা টিস্যুর অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়ে।
এই ধাপে:
- প্যাথোজেন cuticle বা epidermis ভেদ করে,
- কখনও প্রাকৃতিক ছিদ্র (স্টোমাটা, লেন্টিসেল),
- অথবা যখমস্থান ব্যবহার করে প্রবেশ করে।
Inoculation হচ্ছে প্যাথোজেন ও উদ্ভিদের প্রথম সংস্পর্শ, কিন্তু প্রবেশ ও বিস্তার ঘটে Infection ধাপে।
Phytoplankton পানি থেকে বিভিন্ন দূষক পদার্থ শোষণ করে পানিকে বিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে। তাদের photosynthesis প্রক্রিয়ায় তারা জলজ পরিবেশে অক্সিজেন সরবরাহ করে, যা জলের গুণগত মান উন্নত করে। এছাড়াও, phytoplankton বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ কমিয়ে aquatic ecosystem কে সুরক্ষিত রাখে।
Megaspore mother cell (মেগাস্পোর মাতৃকোষ) হল মादा স্পোর উৎপাদনের জন্য দায়ী কোষ। এটি নির্দিষ্ট করে থাকে নিউসেলাস টিস্যুর মধ্যে, যা ovule-এর কেন্দ্রে থাকে এবং যা স্পোরাঙ্গিয়াম হিসেবে কাজ করে। Nucellus থেকে মেগাস্পোর জন্ম হয়, যা পরবর্তীতে female gametophyte গঠনে সাহায্য করে।
CAM (Crassulacean Acid Metabolism) উদ্ভিদগুলি শুষ্ক পরিবেশে বাঁচার জন্য বিশেষ প্রক্রিয়া গ্রহণ করে। তারা রাতে স্টোমাটা খোলে, কার্বন ডাইঅক্সাইড সংগ্রহ করে এবং দিনের বেলা স্টোমাটা বন্ধ রাখে যাতে পানির ক্ষতি কম হয়। এই প্রক্রিয়া তাদের পানির সংরক্ষণে সাহায্য করে এবং শুষ্ক এলাকায় টিকে থাকতে সক্ষম করে।
অন্যদিকে, C3 ও C4 উদ্ভিদ সাধারণত দিনের বেলা স্টোমাটা খোলা রাখে।
Rust ও Smut হলো দুটি গুরুত্বপূর্ণ রোগজনিত ছত্রাক, যা উদ্ভিদে বিশেষ করে ফসলের মধ্যে রোগ সৃষ্টি করে। এরা Basidiomycota শ্রেণিভুক্ত, কারণ:
- এদের basidium নামক গাঠনিক কোষে basidiospore তৈরি হয়।
- এরা বাধ্য পরজীবী (obligate parasites) এবং সাধারণত শস্য যেমন গম, ভুট্টা ইত্যাদিকে সংক্রমিত করে।
উদাহরণ:
- Rust fungus → Puccinia graminis (গমের রস্ট রোগ)
- Smut fungus → Ustilago maydis (ভুট্টার স্মাট রোগ)
তাই, Rust ও Smut ফাঙ্গি Basidiomycota তে পড়ে।
T2 bacteriophage যখন ব্যাকটেরিয়াতে প্রবেশ করে, তখন এটি হোস্ট ব্যাকটেরিয়ার DNA-কে নষ্ট করে ফেলে। এতে করে হোস্টের জিনগত নিয়ন্ত্রণ বন্ধ হয়ে যায় এবং ভাইরাস তার নিজের DNA ও প্রোটিন তৈরি করতে হোস্টের উপাদান ব্যবহার করে।
- Deletion: ক্রোমোসোমের কোনো অংশ হারিয়ে যায় → genetic material কমে যায়। উদাহরণ: Cri-du-chat syndrome (মানুষে ক্রোমোসোম 5-এর অংশ হারানো)।
- Duplication: অংশের অনুলিপি → extra genetic material।
- Inversion: অংশ উল্টে যায় → কোনো genetic material যোগ বা কম হয় না।
- Translocation: অংশ অন্য ক্রোমোসোমে চলে যায় → অবস্থান পরিবর্তন হয়, সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে।
Somatic embryogenesis হলো একটি বিশেষ প্রক্রিয়া যেখানে অযৌন (somatic) কোষ থেকে সরাসরি ভ্রূণ (embryo) তৈরি হয়, যা পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদে পরিণত হয় যৌন জনন ছাড়াই।
- এই প্রক্রিয়াটি প্রথম প্রমাণ করেন F.C. Steward ও তাঁর দল ১৯৫৮ সালে।
- তাঁরা গাজরের (Daucus carota) phloem tissue থেকে callus culture তৈরি করে সম্পূর্ণ গাছ তৈরি করেন।
এই আবিষ্কার ছিল উদ্ভিদ কোষের totipotency বা "একটি কোষের মাধ্যমে সম্পূর্ণ গাছ তৈরি করার ক্ষমতা" প্রমাণের এক যুগান্তকারী উদাহরণ।
উপকারিতা:
- Micropropagation
- Genetic engineering
- Synthetic seed production
- Conservation of rare species
উদাহরণ: Carrot, Coffee, Mango, Papaya, Cotton ইত্যাদি।
Ascomycota হলো ছত্রাকের একটি বৃহৎ ও বৈচিত্র্যময় বিভাজন, যাদের সাধারণভাবে Sac fungi বলা হয়।
- এদের বৈশিষ্ট্য হলো: Ascus নামক এক বিশেষ কোষের মধ্যে ascospore (যৌন স্পোর) উৎপন্ন হয়।
- এই ascus দেখতে থলে (sac)-এর মতো, তাই এদের sac fungi বলা হয়।
উদাহরণ:
- Yeast (Saccharomyces)
- Penicillium
- Aspergillus
- Claviceps
- Morchella (morels)
মূল বৈশিষ্ট্য:
- Septate hyphae
- Sexual spores: ascospores
- Asexual spores: conidia
- অনেক প্রজাতি ঔষধ, খাদ্য, ও শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
তাই, Ascomycota = Sac fungi।
Funaria হল মসের একটি জনপ্রিয় উদ্ভিদ। মস হলো ব্রায়োফাইটস গ্রুপের উদ্ভিদ, যা জল ও আর্দ্র পরিবেশে বেশি বেড়ে থাকে। Funaria-এর জীবনচক্র ব্রায়োফাইটিক এবং এদের প্রধান পর্যায় হলো গ্যামেটোফাইট।
স্টেম রট রোগ হলো পাট গাছের একটি গুরুত্বপূর্ন রোগ যা গাছের ডাঁটা বা স্টেমে সংক্রমিত হয়ে পাতা ও গাছের অন্যান্য অংশ ধীরে ধীরে শুকিয়ে ফেলা শুরু করে। রোগটি প্রধানত গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ায় বেশি দেখা যায়।
জীবাণু:
স্টেম রটের প্রধান কারণকারী ফাঙ্গাস হলো Macrophomina phaseolina। এটি মাটিতে থাকা মাটির ফাঙ্গাস যা পাট গাছের শিকড় ও ডাঁটায় আক্রমণ করে।
রোগের লক্ষণ:
- গাছের স্টেম বা ডাঁটায় কালচে বা বাদামী রঙের দাগ দেখা যায়।
- রোগ বৃদ্ধি পেলে গাছের ডাঁটা দুর্বল হয়ে ভেঙে যায়।
- আক্রান্ত গাছের পাতা হলদে হয়ে ঝরে পড়ে।
- গাছ মরে যাওয়ার আগেই ডাঁটায় ফাঙ্গাসের স্পোর জমে থাকে, যা সহজেই ছড়িয়ে পড়ে।
রোগের প্রভাব:
- ফসলের উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে যায়।
- গাছ দুর্বল হয়ে ভেঙে পড়ে,…
- ক্ষতিগ্রস্ত গাছ ও ফসল অবিলম্বে অপসারণ।
Haplostele হলো সবচেয়ে সরল ধরনের স্টিলি (stele) বা ধমনিতন্ত্র। এতে জাইলেমটি পূর্ণবৃত্ত বা নলাকার (cylindrical) আকৃতির থাকে এবং ফ্লোয়েম একে চারপাশ থেকে ঘিরে রাখে। এটি প্রধানত প্রাচীন ভাসকুলার উদ্ভিদের (primitive vascular plants) ক্ষেত্রে দেখা যায়।
উদাহরণ: Lycopodium (এক ধরনের ক্লাব মস)। এই ধরনের বিন্যাসে পাতার ফাঁক (leaf gap) থাকে না, এবং এটি solenostele বা dictyostele থেকে আলাদা।
শারীরিক নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিতে সংক্রমিত গাছ বা তার অংশ কেটে ফেলা, তুলে ফেলা, পোড়ানো বা ধ্বংস করার মাধ্যমে রোগের বিস্তার রোধ করা হয়। এটি একটি সরাসরি ও কার্যকর পদ্ধতি, বিশেষ করে ভাইরাসজনিত বা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ প্রতিরোধে।
- Chemical (রাসায়নিক): কীটনাশক বা ছত্রাকনাশক ব্যবহার।
- Biological (জৈব): উপকারী জীবের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ।
- Cultural (সাংস্কৃতিক): ফসল চক্র, গভীর চাষ, রোগমুক্ত বীজ ব্যবহার ইত্যাদি।
Haploid plants-এর প্রতিটি কোষে একটি মাত্র সেট (n) ক্রোমোজোম থাকে। এর ফলে dominant বা recessive জিনের প্রভাব সরাসরি দেখা যায়, কারণ কোনো জিনের দ্বিতীয় কপি নেই যা প্রভাব ঢেকে দিতে পারে। তাই Genetic analysis দ্রুত ও সহজ হয়। Homozygous diploid line দ্রুত তৈরি করা যায়, chromosome doubling (colchicine দ্বারা) করে।এটি plant breeding ও নতুন জাত উদ্ভাবনে অত্যন্ত কার্যকর। উদাহরণ: ধান, গম, যব প্রভৃতি ফসলের উন্নত জাত উদ্ভাবনে haploid প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
নাইট্রোজেনেজ হলো একটি অক্সিজেন সংবেদনশীল এনজাইম। এটি বায়ুমণ্ডলের N₂ কে NH₃ (অ্যামোনিয়া) তে রূপান্তর করে। এনজাইমটি symbiotic ব্যাকটেরিয়ায় (যেমন Rhizobium nodules-এ) এবং স্বাধীনভাবে বসবাসকারী ব্যাকটেরিয়ায় (যেমন Azotobacter) উপস্থিত থাকে। নাইট্রোজেনেজের কার্যক্রম মাইক্রোঅ্যারোফিলিক পরিবেশে সবচেয়ে কার্যকর হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদ সরাসরি ব্যবহারযোগ্য নাইট্রোজেন পায়।
Oscillatoria হলো সায়ানোব্যাকটেরিয়া বা নীল-সবুজ শৈবাল (blue-green algae)।
এটি সুতার মতো (filamentous) গঠনযুক্ত এবং নামের মতোই “oscillate” (আন্দোলিত) করে ধীরে ধীরে নড়াচড়া করতে পারে।
আর্দ্র, স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে যেমন—পুকুরের ধারে, ভেজা মাটি, পাখির ঠোঁটের স্যাঁতসেঁতে অংশ—সহজেই জন্মাতে পারে।
বকের বাচ্চার ঠোঁটে সব সময় আর্দ্রতা থাকে এবং সেখানে প্রাকৃতিকভাবেই Oscillatoria-এর মতো শৈবাল জন্মাতে দেখা যায়।
Polysiphonia – লাল শৈবাল (Red algae), সমুদ্রের লবণাক্ত জলে জন্মে, পাখির ঠোঁটে নয়।
Laminaria – বাদামি শৈবাল (Brown algae), সমুদ্রের গভীর ঠান্ডা জলে জন্মে।
Chara – সবুজ শৈবাল (Green algae), মিঠা পানির পুকুর বা হ্রদের তলদেশে জন্মে।
এগুলো পাখির ঠোঁটে জন্মানোর পরিবেশ নয়।
বকের বাচ্চার ঠোঁটে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো শৈবাল হলো Oscillatoria।
ফার্ন হলো ছত্রাকবিহীন ভাসকুলার উদ্ভিদ। এরা সরাসরি বীজ দ্বারা বংশবিস্তার না করে স্পোর দ্বারা বিস্তার লাভ করে। স্পোর অঙ্কুরোদ্গমের জন্য পর্যাপ্ত আর্দ্রতা দরকার এবং গ্যামেটোফাইট পর্যায়ে শুক্রাণুর চলাচলের জন্য পানি অপরিহার্য। তাই ফার্ন সাধারণত সিক্ত, ছায়াযুক্ত বনভূমি বা নদীর ধার, পাহাড়ি ছায়াময় জায়গায় দেখা যায়।
Immunity হলো হোস্ট জীবের সেই ক্ষমতা, যার মাধ্যমে সে প্যাথোজেনের সংক্রমণ প্রতিরোধ বা বাধা দিতে পারে।
এটি শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার (defense mechanism) অংশ।
শৈবালের কোষপ্রাচীর প্রধানত সেলুলোজ দ্বারা গঠিত থাকে, যা কোষকে কাঠামোগত দৃঢ়তা ও সুরক্ষা প্রদান করে। কিছু শৈবালে পেকটিন, সিলিকা বা অন্যান্য উপাদানও থাকতে পারে, তবে সেলুলোজ সবচেয়ে সাধারণ এবং প্রধান উপাদান। লিগনিন মূলত উচ্চতর উদ্ভিদে পাওয়া যায় এবং কাইটিন ফাঙ্গাসে থাকে।
- পরিচক্র (Pericycle) হলো মূলের ভাস্কুলার সিলিন্ডারের সবচেয়ে বাইরের স্তর। এটি endodermis-এর ঠিক ভেতরে অবস্থান করে এবং সাধারণত একস্তর জীবন্ত parenchyma কোষ দিয়ে গঠিত।
- প্রাথমিকভাবে এটি স্থায়ী টিস্যুর মতো মনে হলেও, পরবর্তীকালে এর কোষগুলি পুনরায় বিভাজনক্ষম হয়ে পার্শ্বীয় মেরিস্টেম (lateral meristem)-এ পরিণত হয়। এই কারণে pericycle-কে secondary meristematic origin-এর একটি অংশ হিসেবে ধরা হয়।
- পরিচক্র (Pericycle) হলো মূলের ভাস্কুলার সিলিন্ডারের এক স্তর, যা পার্শ্বীয় মেরিস্টেমে রূপান্তরিত হতে পারে। অর্থাৎ, এটি নিজেই একটি দ্বিতীয়ক (secondary) মেরিস্টেম হিসেবে কাজ করে এবং সেখান থেকে পার্শ্বমূল (lateral roots), vascular cambium ও cork cambium (phellogen) উৎপন্ন হয়।
ভার্নালাইজেশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উদ্ভিদ ঠান্ডা আবহাওয়ার প্রভাবে ফুল ফোটার উপযুক্ততা অর্জন করে। এই ঠান্ডা উদ্দীপনা উদ্ভিদের শুট অ্যাপেক্সে (shoot apex) অনুভূত হয়, কারণ এখানেই কোষ বিভাজন বেশি ঘটে এবং ফ্লোরাল প্রোমোটিং সিগন্যাল উৎপন্ন হয়। এর ফলে উদ্ভিদ ভেজেটেটিভ পর্যায় থেকে প্রজনন পর্যায়ে চলে যায়। উদাহরণ: গম, বাঁধাকপি ইত্যাদি।
Bacillus thuringiensis (Bt) একটি মাটি বাসি ব্যাকটেরিয়া যা পোকামাকড়ের লার্ভা ধ্বংস করে। এটি একটি প্রাকৃতিক বায়োপেস্টিসাইড হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে ফসলের কীটনাশক হিসেবে কার্যকর। Bt থেকে প্রাপ্ত প্রোটিন পোকামাকড়ের অন্ত্রে গিয়ে তাদের হত্যা করে।
Plasmid হলো ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে থাকা একটি ছোট, circular (বৃত্তাকার) DNA যার নিজস্ব প্রতিলিপি তৈরির ক্ষমতা থাকে।
rDNA প্রযুক্তিতে, plasmid কে cloning vector হিসেবে ব্যবহার করা হয় কারণ:
- এটি সহজে কাটা যায়
- নতুন DNA সেগমেন্ট ঢোকানো যায়
- ব্যাকটেরিয়ার ভেতর সহজে প্রবেশ করানো যায়। এভাবে plasmid নতুন DNA বহন করে প্রোটিন উৎপাদনে সাহায্য করে (যেমন: ইনসুলিন)। Plasmid = সবচেয়ে জনপ্রিয় cloning vector
Tricyclazole হলো একটি বিশেষ ধরনের ফাঙ্গিসাইড যা ধানের ব্লাস্ট রোগ (Rice Blast, Magnaporthe oryzae দ্বারা সৃষ্ট) নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকর। এটি ছত্রাকের মেলানিন সংশ্লেষণ বন্ধ করে, ফলে ছত্রাকের সংক্রমণ ক্ষমতা কমে যায়।
- Mancozeb → সাধারণ ছত্রাকনাশক (leaf spot, blight ইত্যাদিতে)
- Propiconazole → বিভিন্ন ফসলের ছত্রাক রোগে
- Carbofuran → এটি একটি কীটনাশক, ছত্রাকনাশক নয়
তাই ধানের ব্লাস্ট নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত সঠিক ফাঙ্গিসাইড হলো Tricyclazole.
মাইক্রোস্পোরোজেনেসিসে মিয়োসিসের পর চারটি মাইক্রোস্পোর একত্রে টেট্রাড (tetrad) আকারে তৈরি হয়। পরে এই টেট্রাড বিচ্ছিন্ন হয়ে পৃথক মাইক্রোস্পোরে পরিণত হয়, যা পরবর্তীতে পরাগকোষ (pollen grain) তৈরি করে।
- Monosomy হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোনো diploid জীবের সাধারণ ক্রোমোজোম সংখ্যা থেকে একটি ক্রোমোজোম কম থাকে।
- অর্থাৎ, যদি সাধারণ diploid সংখ্যা হয় 2n, তাহলে 2n–1 ক্রোমোজোম থাকলে সেটি Monosomy। উদাহরণ: Turner’s syndrome (45, XO) – এখানে একজন মহিলার ক্রোমোজোম সংখ্যা সাধারণ 46-এর পরিবর্তে 45, অর্থাৎ একটি X ক্রোমোজোম অনুপস্থিত।
- 2n–1 → Monosomy (একটি ক্রোমোজোম অনুপস্থিত), যা ক্রোমোজোমের সংখ্যাগত পরিবর্তনের একটি ধরন।
- Tapetum হলো পরাগধানী (anther)-র মাইক্রোস্পোরাঞ্জিয়ামের সবচেয়ে ভেতরের স্তর।সাধারণত একস্তরী (single-layered) এবং কোষগুলো পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ও কখনো নাশপতি-আকৃতির হতে পারে। এ স্তরের মূল কাজ হলো বিকাশমান পরাগকণাকে পুষ্টি ও এনজাইম সরবরাহ করা।
- 'বাইরের কোষ বৃহৎ ও গোলাকার' বর্ণনা ট্যাপেটামের নয়, কারণ ট্যাপেটাম ভেতরের স্তর; বাইরের কোষ এই স্তরের বৈশিষ্ট্য নয়।
- সংক্ষেপে: ট্যাপেটামের বৈশিষ্ট্য নয়: বাইরের কোষ বৃহৎ ও গোলাকার।
- Cri-du-chat syndrome (ফরাসি শব্দ, অর্থ 'বিড়ালের মতো কান্না') হলো একটি chromosomal structural aberration, যেখানে chromosome 5-এর ছোট অংশ (short arm, অর্থাৎ 5p) হারিয়ে যায়।
- এই অংশের জিন হারানোর কারণে শিশুর মানসিক বিকাশ ব্যাহত হয় এবং তাদের কান্নার শব্দ বিড়ালের মতো শোনায়। এখান থেকেই নামের উৎপত্তি। Cri-du-chat সিনড্রোমে ক্রোমোসোম 5-এর ছোট অংশ হারিয়ে যায়। এটি একটি Deletion উদাহরণ।
শৈবালের দেহ সাধারণত থ্যালাস জাতীয়, অর্থাৎ এটি মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত নয়। একে সমাঙ্গদেহী (thalloid body) বলা হয়। শৈবাল সাধারণত অনন্বয়ী গঠনবিশিষ্ট এবং ভাস্কুলার টিস্যু থাকে না। উদাহরণ: Spirogyra, Ulva, Chara ইত্যাদি।
- Alexopoulos ও Mims আধুনিক ছত্রাক শ্রেণিবিন্যাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তারা ছত্রাকদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী শ্রেণিতে বিভক্ত করার আধুনিক পদ্ধতি প্রবর্তন করেন, যা ট্যাক্সোনমিতে বহুল ব্যবহৃত।
- Alexopoulos এবং Mims হলেন মাইকোলজি (ছত্রাকবিদ্যা)-র বিখ্যাত বিজ্ঞানী, যারা "Introductory Mycology" নামক বিখ্যাত বইয়ে ছত্রাকের আধুনিক শ্রেণিবিন্যাস (modern classification of fungi) প্রস্তাব করেন। তাদের শ্রেণিবিন্যাসে ছত্রাকদেরকে আণবিক গঠন (molecular structure), জনন প্রক্রিয়া (reproduction), কোষ প্রাচীরের গঠন (cell wall composition), এবং জীবনচক্র (life cycle) এর ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে।
মূল বৈশিষ্ট্য:
- ছত্রাককে পৃথক রাজ্য (Kingdom Fungi) হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- তারা Zygomycota, Ascomycota, Basidiomycota, এবং Deuteromycota ইত্যাদি শ্রেণিতে ভাগ করেন।
- এই পদ্ধতি আধুনিক ফাইলোজেনি ও DNA বিশ্লেষণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
Alexopoulos ও Mims-এর প্রস্তাবিত শ্রেণিবিন্যাস বিজ্ঞানসম্মত, গ্রহণযোগ্য এবং আধুনিক গবেষণার ভিত্তিতে গঠিত, যা আজও বৈজ্ঞানিক মহলে অনুসরণ করা হয়।
প্রিয়ন হলো বিকৃত গঠনের প্রোটিন, যা অন্য স্বাভাবিক প্রোটিনকে বিকৃত করে ফেলে। এটি মূলত মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রে প্রভাব ফেলে এবং ধীরগতির নিউরোডিজেনারেটিভ রোগ সৃষ্টি করে। উদাহরণ: Creutzfeldt-Jakob disease, Mad cow disease।
প্রথম commercial recombinant DNA (rDNA) পণ্য ছিল Human Insulin, যা Humulin নামে ১৯৮২ সালে বাজারে আসে। এটি তৈরি করে Genentech কোম্পানি, যেখানে মানুষের ইনসুলিন জিন E. coli ব্যাকটেরিয়াতে প্রবেশ করিয়ে ইনসুলিন উৎপাদন করা হয়। এই প্রযুক্তি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নিরাপদ ও কার্যকর ইনসুলিন সরবরাহে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
UAA, UAG এবং UGA — এই তিনটি হলো stop codon বা termination codon। এগুলো কোনো amino acid নির্দেশ করে না; বরং translation প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার সংকেত দেয়। অর্থাৎ, যখন ribosome এই codon-গুলোর কোনো একটিতে পৌঁছে, তখন প্রোটিন সংশ্লেষণ বন্ধ হয়ে যায়।
AUG → Start codon (Methionine নির্দেশ করে)
UAA, UAG, UGA → Stop codons
ফসল চক্র পরিবর্তনের মাধ্যমে একই জমিতে একই প্রজাতির ফসল বারবার না চাষ করা হয়, ফলে নির্দিষ্ট ফসলের জন্য বিশেষায়িত রোগজীবী ও পোকামাকড়ের জীবনচক্র বাধাগ্রস্ত হয়। এতে মাটিতে জমে থাকা প্যাথোজেন ও কীটপতঙ্গের সংখ্যা হ্রাস পায়, রোগ কমে এবং ফলন বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও এটি মাটির পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে, তবে মূল উদ্দেশ্য রোগজীবী কমানো।
- Hadrocentric vascular bundle শব্দটি এসেছে, Hadros = xylem (wood) এবং Centric = কেন্দ্রে অবস্থান। অর্থাৎ, এই বান্ডলে জাইলেম (xylem) থাকে কেন্দ্রে, আর ফ্লোয়েম (phloem) তাকে চারদিকে ঘিরে রাখে।
- এই বিন্যাসকে কখনও কখনও concentric vascular bundle-এর একটি ধরন বলা হয় (বিশেষত amphicribral type-এর বিপরীত)। উদাহরণ: Lycopodium, Equisetum।
- হ্যাড্রোসেন্ট্রিক ভাস্কুলার বান্ডলে জাইলেম কেন্দ্রে থাকে এবং ফ্লোয়েম তাকে বাইরে থেকে ঘিরে রাখে।
Epiphyte শব্দের অর্থ অন্য উদ্ভিদের উপর জন্মানো জীব। যেসব শৈবাল অন্য শৈবালের (বা উদ্ভিদের) গায়ে জন্ম নেয় কিন্তু সরাসরি পুষ্টি গ্রহণ করে না, কেবল আশ্রয় নেয়, তাদের Epiphytic algae বলা হয়। এটি এক ধরনের সহবাস (commensalism) সম্পর্ক।
Marine ecosystem বা সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র হলো সেই পরিবেশ যেখানে লবণাক্ত পানি (salt water) বিদ্যমান। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ও বৈচিত্র্যময় বাস্তুতন্ত্র। মহাসাগর (Ocean) ও সমুদ্র (Sea) এই ecosystem-এর প্রধান উদাহরণ। এখানে লবণের ঘনত্ব সাধারণত ৩.৫% বা তার বেশি থাকে। এই বাস্তুতন্ত্রে বিভিন্ন স্তরে জীববৈচিত্র্য দেখা যায়। উপরের স্তরে ফাইটোপ্লাঙ্কটন (phytoplankton), জুপ্লাঙ্কটন, ছোট মাছ। নিচের স্তরে বড় মাছ, প্রবাল (coral), এবং বিভিন্ন প্রজাতির শৈবাল (algae)। তলদেশে বিভিন্ন ক্রাস্টেসিয়ান, স্পঞ্জ ও ব্যাকটেরিয়া। Marine ecosystem পৃথিবীর অক্সিজেন উৎপাদনের একটি বড় উৎস, কারণ ফাইটোপ্লাঙ্কটন photosynthesis করে বিপুল পরিমাণ অক্সিজেন উৎপন্ন করে। অতএব, মহাসাগর (Ocean) হলো একটি প্রকৃত marine ecosystem।
Viroid হলো সবচেয়ে ক্ষুদ্র সংক্রমণযোগ্য একক, যা কেবলমাত্র একক-সুতা RNA দিয়ে গঠিত এবং এর কোনো প্রোটিন আবরণ (capsid) নেই। এটি মূলত উদ্ভিদকে সংক্রমিত করে এবং ভাইরাসের চেয়েও সরল।
TMV (Tobacco Mosaic Virus) প্রধানত তামাক গাছ (Nicotiana tabacum) কে সংক্রমিত করে, যা Solanaceae গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। একই গোত্রের টমেটো, মরিচ, আলু প্রভৃতিও আক্রান্ত হয়। এটি একটি RNA ভাইরাস, যা পাতায় মোজাইক দাগ (mosaic patches) সৃষ্টি করে।
Melvin Calvin, Andrew Benson ও তাঁদের সহকর্মীরা 1940–50 দশকে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাই-অক্সাইড কীভাবে গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয় তা জানতে পরীক্ষা করেন। তাঁরা রেডিও-অ্যাকটিভ ¹⁴C (কার্বন-১৪) আইসোটোপ দিয়ে চিহ্নিত CO₂ ব্যবহার করেন। পরীক্ষার জন্য তাঁরা এককোষী সবুজ শৈবাল Chlorella (এবং কখনো Scenedesmus) ব্যবহার করেন, কারণ এটি দ্রুত বৃদ্ধি পায়, সহজে সংস্কৃতিতে রাখা যায় এবং পাতলা সাসপেনশনে সহজে আলো পায়। এর মাধ্যমে তাঁরা ক্রমান্বয়ে দেখা পান যে CO₂ প্রথমে 3-ফসফোগ্লিসেরিক এসিড (3-PGA) তে স্থির হয়। এই ধারাবাহিক প্রতিক্রিয়াকেই আজ আমরা C₃ cycle বা Calvin cycle বলি।
- Spirogyra – সর্পিল ক্লোরোপ্লাস্টযুক্ত বহুকোষী সবুজ শৈবাল; ক্যালভিনের পরীক্ষায় ব্যবহৃত হয়নি।
- Microcystis – নীল-সবুজ শৈবাল (সায়ানোব্যাকটেরিয়া), জলবায়ু দূষণজনিত ব্লুম তৈরি করে।
- Oedogonium – সুতোসদৃশ সবুজ শৈবাল; গবেষণার জন্য সুবিধাজনক নয়।
- সংক্ষেপে: Calvin–Benson তাঁদের বিখ্যাত C₃ cycle (Calvin cycle) আবিষ্কারে এককোষী সবুজ শৈবাল Chlorella ব্যবহার করেছিলেন।
- Idiogram: ক্রোমোসোমের আকার ও banding pattern অনুযায়ী চিত্র বা ডায়াগ্রাম।
- Karyotype: জীবের সম্পূর্ণ ক্রোমোসোম সেটের ছবি বা সজ্জিত উপস্থাপনা।
- Polyploidy: দুটি সেটের বেশি ক্রোমোসোম থাকা।
- Heteromorphism: homologous ক্রোমোসোমের মধ্যে আকারের পার্থক্য।
- অধিকাংশ অ্যালকালয়েড উদ্ভিদে পাওয়া যায়। যেমন চা, কফি, আফিম, সিনচোনা।
- Alkaloids (অ্যালকালয়েড) হলো nitrogen-containing organic compounds, যা প্রধানত উদ্ভিদে পাওয়া যায়। এগুলো সাধারণত উদ্ভিদের secondary metabolites হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ:
- Caffeine: চা, কফি
- Morphine: আফিম (Papaver somniferum)
- Quinine: সিনচোনা (Cinchona)
প্রধান ব্যবহার:
- ওষুধে (analgesics, stimulants)
- রসায়নে
- পোকামাকড় ও শিকারীদের থেকে উদ্ভিদকে রক্ষা।
- Animals (প্রাণীতে) সাধারণত নেই
- Minerals (খনিজ পদার্থে) নেই
- Bacteria (ব্যাকটেরিয়া) খুব কম কিছু ক্ষেত্রে
রাসায়নিকের নাম: Paradichlorobenzene (PDCB)
রাসায়নিক সংকেত: C₆H₄Cl₂
বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি volatile স্ফটিক পদার্থ।
- স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ধীরে ধীরে বাষ্পীভবন হয়ে কীটনাশক গ্যাস উৎপন্ন করে।
প্রধান ব্যবহার:
1. হারবারিয়ামে সংরক্ষিত উদ্ভিদ নমুনাকে পোকামাকড় ও ছত্রাক থেকে রক্ষা করতে।
2. ন্যাফথালিনের বিকল্প হিসেবে অত্যন্ত কার্যকর।
3. ঘরের কাপড়ে পোকার আক্রমণ প্রতিরোধে moth repellent হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
প্যারাডাইক্লোরোবেঞ্জিন একটি রাসায়নিক পদার্থ যা কীটনাশক গ্যাস হিসেবে কাজ করে।
হারবারিয়ামে সংরক্ষিত উদ্ভিদ নমুনাকে পোকামাকড় ও ছাঁচ থেকে রক্ষা করতে এটি ন্যাফথালিনের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
এটি ধীরে ধীরে বাষ্প হয়ে আশপাশের কীটপতঙ্গ মারতে বা তাড়াতে সহায়তা করে।
Capsid হলো ভাইরাসের প্রোটিন আবরণ যা ভাইরাল নিউক্লিক অ্যাসিডকে ঘিরে রাখে এবং সুরক্ষা দেয়। এটি কেপসোমিয়ার (capsomere) নামক ছোট ছোট প্রোটিন উপাদান দিয়ে গঠিত।
Aerobic respiration হলো অক্সিজেনের উপস্থিতিতে কোষে ঘটে এমন শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়া। এর প্রধান ধাপসমূহ:
- Glycolysis: সাইটোপ্লাজমে ঘটে, গ্লুকোজকে ২টি পাইরুভেটে ভেঙে ATP তৈরি হয়।
- Krebs cycle (Citric Acid Cycle): মাইটোকন্ড্রিয়ার ম্যাট্রিক্সে ঘটে, NADH ও FADH₂ উৎপন্ন হয়।
- Electron Transport Chain (ETC): মাইটোকন্ড্রিয়ার ইনার মেমব্রেনে ঘটে, NADH ও FADH₂-এর ইলেকট্রন ব্যবহার করে প্রচুর ATP তৈরি হয়।
- শেষ ধাপ: ETC হচ্ছে শেষ ধাপ, যেখানে ইলেকট্রন অক্সিজেনকে হাইড্রোজেনের সঙ্গে মিলিয়ে পানি তৈরি করে এবং সর্বাধিক ATP উৎপন্ন হয়।
- Fermentation একধরনের anaerobic pathway, যা অক্সিজেন ছাড়া ঘটে এবং এখানে ATP উৎপাদন সীমিত।