পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
১) এটমের গঠন, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়, সাবানের কাজ, মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, তড়িৎ কোষ, অজৈব যৌগ, জৈব যৌগ, ইলেকট্রনিক্স, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান, শক্তির উৎস এবং এর প্রয়োগ, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, পারমাণবিক শক্তি, খনিজ উৎস, শক্তির রূপান্তর। ২) ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, হৃদ্পিণ্ড এবং হৃদরোগ, স্নায়ু এবং স্নায়ুরোগ, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, খাদ্য ও পুষ্টি, ভিটামিন, মাইক্রোবায়োলজি। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই। [এই পরীক্ষা থেকে পড়া শুরু করলে আগামী ১৫০ দিনে বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাস কাভার হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
ব্যাকটেরিয়া কোন কিংডমের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) মনেরা
  2. খ) ইউক্যারিওটা
  3. গ) প্রোটিস্টা
  4. ঘ) ফানজাই
সঠিক উত্তর:
ক) মনেরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মনেরা
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়া মনেরা কিংডমের অন্তর্ভুক্ত৷ এরা এক কোষী জীব৷ এদের কোষ বিভাজন দ্বিবিভাজন পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়৷
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি
.
নিচের কোনটিকে জীব ও জড়ের সেতুর সেতুবন্ধন বলে?
  1. ক) ব্যাকটেরিয়া
  2. খ) ভাইরাস
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) অ্যামিবা
সঠিক উত্তর:
খ) ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভাইরাস
ব্যাখ্যা
প্রাণ-রসায়নবিদগণ ভাইরাসের জড়-বৈশিষ্ট্যসমূহকে প্রাধান্য দেন, আর অনুজীব বিজ্ঞানিগণ ভাইরাসের জীব-বৈশিষ্ট্যসমূহকে প্রাধান্য দেন। এজন্য ভাইরাসকে জীব ও জড়ের সেতুবন্ধন বলে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
.
pH পেপারে তীব্র এসিড কী বর্ণ ধারণ করে?
  1. ক) লাল
  2. খ) নীল
  3. গ) সবুজ
  4. ঘ) বেগুনী
সঠিক উত্তর:
ক) লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লাল
ব্যাখ্যা
pH পেপারে তীব্র এসিড লাল এবং তীব্র ক্ষার বেগুনী বর্ণ ধারণ করে।আর নিরপেক্ষ হলে সবুজ বর্ণের হয়৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই।
.
কিসের জন্য পেপটিক আলসার হয়?
  1. ক) HCL
  2. খ) CH3COOH
  3. গ) H2SO4
  4. ঘ) H2CO3
সঠিক উত্তর:
ক) HCL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) HCL
ব্যাখ্যা
আমাদের পাকস্থলির দেয়াল থেকে HCL উৎপন্ন হয়৷ পাকস্থলি খালি রাখলে HCL পাকস্থলির দেয়ালের কোষগুলোকে ভেঙে সেখানে ক্ষতের সৃষ্টি করে। এ অবস্থাকে পেপটিক আলসার বলে৷
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
.
শ্বেত রক্তকণিকার ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) এতে নিউক্লিয়াস থাকে না
  2. খ) হিমোগ্লোবিন থাকে
  3. গ) এতে ডিএনএ থাকে
  4. ঘ) এটি রক্ত জমাট বাধায় অংশগ্রহণ করে
সঠিক উত্তর:
গ) এতে ডিএনএ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এতে ডিএনএ থাকে
ব্যাখ্যা
শ্বেত রক্তকণিকার নির্দিষ্টকোন আকার নেই। এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ। এর গড় আয়ু ১-১৫ দিন। এতে DNA থাকে৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী?
  1. ক) গ্রাফাইট
  2. খ) নিকেল
  3. গ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
  4. ঘ) কপার
সঠিক উত্তর:
গ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
ব্যাখ্যা
যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রন মাধ্যমে বিদ্যুৎ পরিবাহিত হয় সেসব পরিবাহীকে ইলেকট্রনীয় পরিবাহী বলে। যেমনঃ লোহা, কপার, নিকেল, গ্রাফাইট ইত্যাদি ইলেকট্রনীয় পরিবাহী। কপার সালফেট, সালফিউরিক এসিড, পানি, সোডিয়াম ক্লোরাইড ইত্যাদি তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী অর্থাৎ এরা গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে।
[সূত্রঃ রসায়ন নবম-দশম শ্রেণি]
.
ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ঘটে কোনটি?
  1. ক) লিফ রোল
  2. খ) লিফ ব্লাইট
  3. গ) লিফ কার্ল
  4. ঘ) লিফ বেইন
সঠিক উত্তর:
খ) লিফ ব্লাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লিফ ব্লাইট
ব্যাখ্যা
ধানের পাতা ধ্বসা (leaf blight) ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ঘটে। এছাড়া আলুর লিফরোল (পাতা কুঁচকাইয়া যাওয়া), পেঁপের লিফকার্ল, ক্লোরোসিস (পাতায় হলুদাভ দাগ) ইত্যাদি রোগ ভাইরাস দ্বারা ঘটে থাকে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
.
পয়েন্ট মিউটেশনের ফলে কোন রোগ হয়?
  1. ক) লুই গ্রেগরি ডিজিজ
  2. খ) হান্টিংটনস ডিজিজ
  3. গ) পারকিনসন ডিজিজ
  4. ঘ) আলঝেইমার ডিজিজ
সঠিক উত্তর:
খ) হান্টিংটনস ডিজিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হান্টিংটনস ডিজিজ
ব্যাখ্যা
পয়েন্ট মিউটশনের ফলে হান্টিংটনস রোগ (Huntington’s Disease) হয়। এই রোগ হলে মস্তিষ্ক ঠিকমত কাজ করে না। শরীরের পেশীগুলোর মধ্যে সমন্বয় করার ক্ষমতা লোপ পায় এবং পরে মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে মৃত্যও ঘটে। সাধারণত চল্লিশ বছরের আগে এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না। পয়েন্ট মিউটশনের ফলে সিকেল সেল নামে রক্তকনিকার আরেকটি রোগ হয়।
উৎসঃ বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণী
.
চর্মরোগ, একজিমা ইত্যাদি দেখা কোনটির অভাবে?
  1. ক) থায়ামিন
  2. খ) আয়োডিন
  3. গ) স্নেহ পদার্থ
  4. ঘ) আমিষ
সঠিক উত্তর:
গ) স্নেহ পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্নেহ পদার্থ
ব্যাখ্যা
স্নেহ পদার্থের অভাবে চর্মরোগ, একজিমা ইত্যাদি দেখা দেয়৷ ত্বক শুষ্ক এবং খসখসে হয়ে সৌন্দর্য নষ্ট হয়৷ দীর্ঘদীন স্নেহ পদার্থের অভাব হলে শরীরের সঞ্চিত প্রোটিন ক্ষয় হয় এবং দেহের ওজন কমে যায়।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
উদ্ভিজ্জ আমিষ কোনটি?
  1. ক) ছানা
  2. খ) মাছ
  3. গ) বাদাম
  4. ঘ) পনির
সঠিক উত্তর:
গ) বাদাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাদাম
ব্যাখ্যা
উৎস দিয়ে বিবেচনা করলে আমিষ দুই ধরনের৷ প্রাণিজ ও উদ্ভিজ্জ আমিষ৷ প্রাণিজ আমিষের উৎস হলো মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ছানা, পনির ইত্যাদি। উদ্ভিজ্জ আমিষের উৎস হলো ডাল, শিমের বিচি, মটরশুঁটি, বাদাম ইত্যাদি।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
নিচের কোনটিতে ফ্রুকটোজ পাওয়া যায়?
  1. ক) আম
  2. খ) পেঁপে
  3. গ) কলা
  4. ঘ) সবকটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবকটি
ব্যাখ্যা
শর্করা আমাদের শরীরে কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং তাপশক্তি উৎপাদন করে। বেশ কয়েক ধরনের শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট রয়েছে। যেমনঃ ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি শ্বেতসার এর উৎস। গ্লুকোজের উৎস হলো আপেল, গাজর, খেজুর ইত্যাদি৷ আম, পেঁপে, কলা ইত্যাদিতে থাকে ফ্রুকটোজ৷ আবার বেল, কলা, আম, তরমুজ, বাদাম, শুকনো ফল এবং সব ধরনের শাক-সবজিতে সেলুলোজ থাকে৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
খাদ্যের কাজ হলো-
  1. ক) দেহের গঠন, বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরণ ও রক্ষণাবেক্ষণ
  2. খ) দেহে তাপ উৎপাদন, কর্মশক্তি প্রদান
  3. গ) রোগ প্রতিরোধ করা, দেহকে সুস্থ, সবল রাখা
  4. ঘ) উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
খাদ্যের কাজ প্রধানত তিনটি৷ যথাঃ দেহের গঠন, বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরণ ও রক্ষণাবেক্ষণ; দেহে তাপ উৎপাদন, কর্মশক্তি প্রদান; রোগ প্রতিরোধ করা, দেহকে সুস্থ, সবল রাখা ইত্যাদি।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
রক্তে হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে-
  1. ক) আয়োডিন
  2. খ) লৌহ
  3. গ) ক্যালসিয়াম
  4. ঘ) ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
খ) লৌহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লৌহ
ব্যাখ্যা
লৌহ রক্তের একটি প্রধান উপাদান৷ লৌহের প্রধান কাজ হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করা৷ হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে দেহে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
লোহিত রক্তকণিকার কাজ নয় কোনটি?
  1. ক) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা
  2. খ) দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করা
  3. গ) হিমোগ্লোবিনের সাহায্যে রক্তের অম্ল-ক্ষারের সমতা বজায় রাখা
  4. ঘ) নিষ্কাশনের জন্য কার্বন ডাই-অক্সাইড বহন করা
সঠিক উত্তর:
ক) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা
ব্যাখ্যা
লোহিত রক্তকণিকার কাজ হলো দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করা, হিমোগ্লোবিনের সাহায্যে রক্তের অম্ল-ক্ষারের সমতা বজায় রাখা এবং নিষ্কাশনের জন্য কার্বন ডাই-অক্সাইডকে টিস্যু থেকে ফুসফুসে বহন করা। অণুচক্রিকার প্রধান কাজ হলো রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫.
লিউকোমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার হয়-
  1. ক) লোহিত রক্তকণিকা বেড়ে গেলে
  2. খ) অণুচক্রিকা কমে গেলে
  3. গ) শ্বেত রক্তকণিকা অত্যধিক হারে বেড়ে গেলে
  4. ঘ) শ্বেত রক্তকণিকা কমে গেলে
সঠিক উত্তর:
গ) শ্বেত রক্তকণিকা অত্যধিক হারে বেড়ে গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শ্বেত রক্তকণিকা অত্যধিক হারে বেড়ে গেলে
ব্যাখ্যা
নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিকোমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি৷
১৬.
পিপড়া কামড় দিলে কী ব্যবহার করতে হয়?
  1. ক) বেকিং সোডা
  2. খ) চুন
  3. গ) ভিনেগার
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা

চুন এবং বেকিং সোডা দুইটাই সঠিক উত্তর হবে।

বোলতা ও বিচ্ছুর হুলে হিস্টামিন নামক ক্ষারক পদার্থ থাকে। এসবের কামড়ের ক্ষেত্রে যে মলম ব্যবহার করা হয় তাতে থাকে বেকিং সোডা, ভিনেগার, যেগুলো এসিড জাতীয়। এগুলো ঐ ক্ষারকের সাথে বিক্রিয়া করে নিষ্ক্রিয় করে ফেলে। চুন ব্যবহার করা যাবে না, কারণ চুন ক্ষারক পদার্থ।

পিপড়া বা মৌমাছি কামড়ালে ক্ষতস্থানে জ্বালা করে কারণ এদের হুলে এসিড থাকে। তাই জ্বালা যন্ত্রণা কমানোর জন্য ক্ষারক জাতীয় পদার্থ যেমন চুন, বেকিং সোডা, ক্যালামাইন বা জিঙ্ক কার্বনেট ব্যবহার করতে হয়।

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

১৭.
কোন কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হবে?
  1. ক) কপার
  2. খ) আয়রন
  3. গ) আয়োডিন
  4. ঘ) বরফ
সঠিক উত্তর:
গ) আয়োডিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আয়োডিন
ব্যাখ্যা
যে সকল কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয় তাদেরকে উদ্বায়ী পদার্থ বলে। যেমন আয়োডিন, নিশাদল, কর্পূর, ন্যাপথালিন, কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইড।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
১৮.
অম্লের স্বাদ কেমন?
  1. ক) মিষ্টি
  2. খ) তেতো
  3. গ) টক
  4. ঘ) নোনতা
সঠিক উত্তর:
গ) টক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টক
ব্যাখ্যা
এসিড টক স্বাদ যুক্ত। তেঁতুলের ভেতর টারটারিক এসিড থাকে বলেই তেতুল এত টক হয়৷
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
১৯.
সাবানায়ন প্রক্রিয়ায় কী উৎপন্ন হয়?
  1. ক) ডিটারজেন্ট
  2. খ) সাবান
  3. গ) গ্লিসারিন
  4. ঘ) খ ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
তেল বা চর্বির সাথে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড বিক্রিয়া করে সাবান ও গ্লিসারিন উৎপন্ন করে। সাবান এবং গ্লিসারিন তৈরির এ প্রক্রিয়াকে সাবানায়ন বলে।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি