ব্যাখ্যা
• গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি প্রথম প্রবর্তন করেন কানাডিয়ান যোগাযোগ তত্ত্ববিদ মার্শাল ম্যাকলুহান।
• গ্লোবাল ভিলেজ (Global Village):
- গ্লোবাল ভিলেজ হলো এমন একটি ধারণা যেখানে আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান দ্রুত সংযুক্ত হয়ে একটি ছোট গ্রামের মতো হয়ে যায়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নতির ফলে পৃথিবীর এক প্রান্তের মানুষ অন্য প্রান্তের মানুষের সাথে দ্রুত যোগাযোগ করতে পারে।
- এর ফলে বিশ্বব্যাপী তথ্য আদান-প্রদান সহজ ও দ্রুত হয়েছে।
• গ্লোবাল ভিলেজ ধারণার উদ্ভব:
- গ্লোবাল ভিলেজ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন কানাডিয়ান যোগাযোগ তত্ত্ববিদ মার্শাল ম্যাকলুহান।
- তিনি ১৯৬০-এর দশকে গণমাধ্যম ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রভাব বোঝাতে এই ধারণা উপস্থাপন করেন।
• গ্লোবাল ভিলেজ বাস্তবায়নে প্রযুক্তি:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে।
- ইন্টারনেট, মোবাইল যোগাযোগ, স্যাটেলাইট যোগাযোগ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এই ধারণাকে শক্তিশালী করেছে।
• গ্লোবাল ভিলেজের প্রভাব:
- বিশ্বব্যাপী দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব হয়েছে।
- আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পেয়েছে।
- সংস্কৃতি, জ্ঞান এবং শিক্ষার আদান-প্রদান সহজ হয়েছে।
• অন্যান্য অপশন:
- বিল গেটস → মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠাতা এবং ব্যক্তিগত কম্পিউটার সফটওয়্যার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- টিম বার্নার্স-লি → World Wide Web (WWW) উদ্ভাবনের জন্য পরিচিত।
- স্টিভ জবস → অ্যাপল প্রতিষ্ঠাতা এবং আধুনিক স্মার্টফোন ও পার্সোনাল কম্পিউটার প্রযুক্তির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Encyclopaedia Britannica (Global Village, Marshall McLuhan).