পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
বাক্য, বাগধারা, বাক্য সংকোচন, উপসর্গ, অনুসর্গ। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী। [এই পরীক্ষা থেকে পড়া শুরু করলে আগামী ১৫০ দিনে বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাস কাভার হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
'অভাব' অর্থে 'নি' উপসর্গের ব্যবহার হয়েছে কোন উপসর্গে?
  1. ক) নিষ্কলুষ
  2. খ) নিদাঘ
  3. গ) নিবারণ
  4. ঘ) নিবৃত্তি
সঠিক উত্তর:
ক) নিষ্কলুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিষ্কলুষ
ব্যাখ্যা
'নি' উপসর্গের ব্যবহার:
'নিশ্চয়' অর্থে 'নি' উপসর্গ- নির্ণয়, নিবারণ।
'নিষেধ' অর্থে 'নি' উপসর্গ- নিবৃত্তি।
'আতিশয্য' অর্থে 'নি' উপসর্গ- নিদাঘ, নিদারুন।
'অভাব' অর্থে 'নি' উপসর্গের ব্যবহার- নিষ্কলুষ, নিষ্কাম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
যদি-তবে, যেমন-তেমন, যত-তত ইত্যাদি সাপেক্ষ যোজক দিয়ে যুক্ত অধীন বাক্যকে কী ধরনের বাক্য বলে?
  1. ক) সরল বাক্য
  2. খ) জটিল বাক্য
  3. গ) যৌগিক বাক্য
  4. ঘ) বিবৃতিবাচক বাক্য
সঠিক উত্তর:
খ) জটিল বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জটিল বাক্য
ব্যাখ্যা
জটিল বাক্য: যে-সে, যারা-তারা, যিনি-তিনি, যাঁরা-তাঁরা, যা-তা প্রভৃতি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যদিও-তবু, যেহেতু-সেহেতু, যত-তত, যেটুকু-সেটুকু, যেমন-তেমন, যখন-তখন প্রভৃতি সাপেক্ষ যোজক দিয়ে যখন অধীন বাক্যগুলো যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে।
যেমন,
- যে ছেলেটি এখানে এসেছিল, সে আমার ভাই।
- যদি তুমি যাও, তবে তার দেখা পাবে।
- যখন বৃষ্টি নামল, তখন আমরা ছাতা খুঁজতে শুরু করলাম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
'অকেজো' অর্থে কোন বাগ্‌ধারাটি সঠিক?
  1. ক) অরণ্য রোদন
  2. খ) ইচড়ে পাকা
  3. গ) অকাল কুষ্মাণ্ড
  4. ঘ) গোড়ায় গলদ
সঠিক উত্তর:
গ) অকাল কুষ্মাণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অকাল কুষ্মাণ্ড
ব্যাখ্যা
অকাল কুষ্মাণ্ড - অকেজো।
গোড়ায় গলদ - প্রথমেই ত্রুটি।
ইচড়ে পাকা  - অকালপক্ব।
অরণ্য রোদন - নিষ্ফল আবেদন।

 উৎস: বাংলা  ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোনটি বিবৃতিবাচক বাক্য?
  1. ক) তার মঙ্গল হােক।
  2. খ) অত উঁচু পাহাড়ে উঠে আমি তাে ভয়েই মরি!
  3. গ) আমাকে একটি কলম দাও।
  4. ঘ) তারা তােমাদের ভােলেনি।
সঠিক উত্তর:
ঘ) তারা তােমাদের ভােলেনি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তারা তােমাদের ভােলেনি।
ব্যাখ্যা
বক্তব্যের লক্ষ্য অনুযায়ী বাক্যকে বিবৃতিবাচক, নেতিবাচক, প্রশ্নবাচক, অনুজ্ঞাবাচক ও আবেগবাচক প্রভৃতি
ভাগে ভাগ করা যায়:
 
বিবৃতিবাচক বাক্য: সাধারণভাবে কোনাে বিবরণ প্রকাশ পায় যেসব বাক্যে, সেগুলােকে বিবৃতিমূলক বাক্য বলে।
বিবৃতিবাচক বাক্য ইতিবাচক বা নেতিবাচক হতে পারে।
যেমন -
- আমরা রােজ বেড়াতে যেতাম।
- তারা তােমাদের ভােলেনি

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
'প্রতিবন্ধক' বোঝাতে কোন বাগ্‌ধারাটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) পদ্মপাতায় জল
  2. খ) ডুমুরের ফুল
  3. গ) গোল্লায় যাওয়া
  4. ঘ) পথের কাটা
সঠিক উত্তর:
ঘ) পথের কাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পথের কাটা
ব্যাখ্যা
বাগ্‌ধারা:
পদ্মপাতায় জল- ক্ষণস্থায়ী।
পথের কাটা- প্রতিবন্ধক।
ডুমুরের ফুল - অদৃশ্য বস্তু।
গোল্লায় যাওয়া - নষ্ট হওয়া।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বাক্যের বিধেয় অংশের ক্রিয়া কোন বর্গ তৈরি করে?
  1. ক) বিশেষ্যবর্গ
  2. খ) বিশেষণবর্গ
  3. গ) ক্রিয়াবর্গ
  4. ঘ) ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রিয়াবর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রিয়াবর্গ
ব্যাখ্যা
বাক্যের বর্গ: বাক্যের মধ্যে একাধিক শব্দ দিয়ে গঠিত বাক্যাংশকে বর্গ বলে। বর্গ হলো ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত শব্দের গুচ্ছ।

বিশেষ্যবর্গ: বিশেষ্যের আগে এক বা একাধিক বিশেষণ বা সম্বন্ধপদ যুক্ত হয়ে বিশেষ্য বর্গ তৈরি হয়।
যেমন,
- অসুস্থ ছেলেটি আজ স্কুলে আসেনি।
- আমার ভাই পড়তে বসেছে।

বিশেষণবর্গ: বিশেষণজাতীয় শব্দের গুচ্ছকে বলা যায় বিশেষণবর্গ।
যেমন,
- আমটা দেখতে ভারী সুন্দর।
- ভদ্রলোক সত্যিকারের নির্লোভ।

ক্রিয়াবিশষেণ-বর্গ: যে শব্দগুচ্ছ ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে, তাকে ক্রিয়াবিশেষণ-বর্গ বলে।
যেমন,
- সকাল আটটার সময়ে সে রওনা হলো।
- তারপর আমরা দশ নম্বর প্লাটফর্মে গিয়ে দাঁড়ালাম।

ক্রিয়াবর্গ: বাক্যের বিধেয় অংশের ক্রিয়া প্রায় ক্ষেত্রেই ক্রিয়াবর্গ তৈরি করে।
যেমন,
- সে লিখছে আর  হাসছে।
- সে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর বসে পড়লো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
'ভাবনাচিন্তাহীন' সঠিক বাগ্‌ধারা কোনটি?
  1. ক) কানকাটা
  2. খ) ঘাটের মড়া
  3. গ) খোদার খাসি
  4. ঘ) টাকার কুমির
সঠিক উত্তর:
গ) খোদার খাসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খোদার খাসি
ব্যাখ্যা
খোদার খাসি- ভাবনাচিন্তাহীন।
টাকার কুমির - অনেক টাকার মালিক।
ঘাটের মড়া - মৃত্যু আসন্ন যার।
গায়ে পড়া - অযাচিত।
কানকাটা - নির্লজ্জ।

 উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোনটি অনুসর্গের উদাহরণ?
  1. ক) জন্য, মধ্যে
  2. খ) আপন, তুমি
  3. গ) বলে, কয়ে
  4. ঘ) জোরে, আস্তে
সঠিক উত্তর:
ক) জন্য, মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জন্য, মধ্যে
ব্যাখ্যা
অনুসর্গ: যেসব শব্দ কোনো শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে, সেসব শব্দকে অনুসর্গ বলে ।
যেমন,
সে কাজ ছাড়া কিছু বোঝে না। - এই বাক্যে 'ছাড়া' একটি অনুসর্গ।
কোন পর্যন্ত পড়েছ?- এই বাক্যে 'পর্যন্ত' একটি অনুসর্গ।


কয়েকটি অনুসর্গের উদাহরণ:
অপেক্ষা, অবধি, অভিমুখে, আগে, উপরে, করে, কর্তৃক, কাছে, কারণে, ছাড়া, জন্য, তরে, থেকে, দরুন, দিকে, দিয়ে, দ্বারা, ধরে, নাগাদ, নিচে, পর্যন্ত, পানে, পাশে, পিছনে, প্রতি, বদলে, বনাম, বরাবর, বাইরে, বাদে, বাবদ, বিনা, ব্যতীত, ভিতরে, মতাে, মধ্যে, মাঝে, লেগে, সঙ্গে,
সম্মুখে, সাথে, সামনে, হতে ইত্যাদি।

যেসব শব্দের পরে অনুসর্গ বসে, সেসব শব্দের সঙ্গে ‘কে’ ‘র’, - ইত্যাদি বিভক্তিও যুক্ত হতে পারে।
যেমন -
তােমাকে দিয়ে এ কাজ সম্ভব।
সে পরীক্ষার জন্য পড়ছে।


উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
'শুচিস্মিতা' - কোন বাক্যের সংকোচিত রূপ?
  1. ক) যে নারী কখনো সূর্যকে দেখে নাই
  2. খ) যে নারীর হাসি সুন্দর
  3. গ) যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত
  4. ঘ) নারীর হিংসা নেই
সঠিক উত্তর:
গ) যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত
ব্যাখ্যা
নারী সম্পর্কিত কিছু বাক্য সংকোচন:
যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে = বীরপ্রসূ।
যে নারী বীর = বীরাঙ্গনা।
যে নারী অন্য কারও প্রতি আসক্ত হয়না = অনন্যা।
যে নারী কখনো সূর্যকে দেখে নাই = অসূর্যম্পশ্যা।
নারীর অসূয়া (হিংসা) নেই = অনসূয়া।
যে নারীর হাসি সুন্দর = সুস্মিতা/সুহাসিনী।
যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত = শুচিস্মিতা।

উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১০.
'ভালাে করে খেয়ে নাও।' - বাক্যে 'করে' কোন ধরনের অনুসর্গ?
  1. ক) ক্রিয়াজাত অনুসর্গ
  2. খ) ক্রিয়াধর্মী অনুসর্গ
  3. গ) বিশেষ অনুসর্গ
  4. ঘ) সাধারণ অনুসর্গ
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রিয়াজাত অনুসর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রিয়াজাত অনুসর্গ
ব্যাখ্যা
ক্রিয়াজাত অনুসর্গ: যেসব অনুসর্গ ক্রিয়াপদ থেকে তৈরি হয়েছে, সেগুলোকে ক্রিয়াজাত অনুসর্গ বলে।
যেমন -
করে: ভালাে করে খেয়ে নাও।
• থেকে: ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে পদ্মা নদী পার হতে হয়।
• দিয়ে: মন দিয়ে লেখাপড়া করা দরকার ।
• ধরে: বহুদিন ধরে অপেক্ষা করে আছি।
• বলে: সে সঙ্গে যাবে বলে তৈরি হয়ে এসেছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
কোন ধরনের বাক্যে যতিচিহ্ন যোজকের কাজ করে?
  1. ক) সরল বাক্য
  2. খ) যৌগিক বাক্য
  3. গ) অনুজ্ঞাবাচক বাক্য
  4. ঘ) আবেগবাচক বাক্য
সঠিক উত্তর:
খ) যৌগিক বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যৌগিক বাক্য
ব্যাখ্যা
যৌগিক বাক্য: দুই বা ততধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
- এবং, ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু, অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
- কমা (,), সেমিকোলন (;), কোলন (:), ড্যাশ (-) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে।
যেমন,
- হামিদ বই পড়ছে, আর সীমা রান্না করছে।
- সে ঘর ঝাড়ু দিল, ঘর মুছল, তারপর পড়তে বসল।
- অন্ধকার হয়ে এসেছে - বন্ধুরাও মুখ ভার করে রইল।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
'কদাকার' - কোন বাক্যের সংকোচিত রূপ?
  1. ক) নষ্ট হওয়াই স্বভাব নয় যার
  2. খ) যার আকার কুৎসিত
  3. গ) যে পুরুষ বিয়ে করে নি
  4. ঘ) যা চিরস্থায়ী নয়
সঠিক উত্তর:
খ) যার আকার কুৎসিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যার আকার কুৎসিত
ব্যাখ্যা
বাক্য সংক্ষেপন:
যার আকার কুৎসিত - কদাকার।
যে পুরুষ বিয়ে করে নি - অকৃতদার।
নষ্ট হওয়াই স্বভাব নয় যার - অবিনশ্বর।
যা চিরস্থায়ী নয় - নশ্বর।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
১৩.
বিশেষণজাতীয় শব্দের গুচ্ছকে কী বলে?
  1. ক) ক্রিয়াবর্গ
  2. খ) বিশেষণবর্গ
  3. গ) বিশেষ্যবর্গ
  4. ঘ) ক্রিয়াবিশেষণ বর্গ
সঠিক উত্তর:
খ) বিশেষণবর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিশেষণবর্গ
ব্যাখ্যা
বাক্যের বর্গ: বাক্যের মধ্যে একাধিক শব্দ দিয়ে গঠিত বাক্যাংশকে বর্গ বলে। বর্গ হলো ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত শব্দের গুচ্ছ।

বিশেষ্যবর্গ: বিশেষ্যের আগে এক বা একাধিক বিশেষণ বা সম্বন্ধপদ যুক্ত হয়ে বিশেষ্য বর্গ তৈরি হয়।
যেমন,
অসুস্থ ছেলেটি আজ স্কুলে আসেনি।
আমার ভাই পড়তে বসেছে।

বিশেষণবর্গ: বিশেষণজাতীয় শব্দের গুচ্ছকে বলা যায় বিশেষণবর্গ।
যেমন-
আমটা দেখতে ভারী সুন্দর।
ভদ্রলোক সত্যিকারের নির্লোভ।

ক্রিয়াবিশষেণ-বর্গ: যে শব্দগুচ্ছ ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে, তাকে ক্রিয়াবিশেষণ-বর্গ বলে।
যেমন,
সকাল আটটার সময়ে সে রওনা হলো।
তারপর আমরা দশ নম্বর প্লাটফর্মে গিয়ে দাঁড়ালাম।

ক্রিয়াবর্গ: বাক্যের বিধেয় অংশের ক্রিয়া প্রায় ক্ষেত্রেই ক্রিয়াবর্গ তৈরি করে।
যেমন,
সে লিখছে আর  হাসছে।
সে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর বসে পড়লো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
কোন সরল বাক্যে ক্রিয়াপদ উপস্থিত নয়?
  1. ক) যতদিন জীবিত থাকব, ততদিন এ ঋণ স্বীকার করব।
  2. খ) আমরা তিন ভাইবোন।
  3. গ) আজীবন এ ঋণ স্বীকার করব।
  4. ঘ) সে কাল আসবে এবং আমি যাব।
সঠিক উত্তর:
খ) আমরা তিন ভাইবোন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আমরা তিন ভাইবোন।
ব্যাখ্যা
গঠনগত দিক থেকে বাক্যকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যেমন,
- সরল বাক্য,
- জটিল বাক্য,
- যৌগিক বাক্য।

সরল বাক্য: একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে তাকে সরল বাক্য বলে।
যেমন,
- জেসমিন সবার জন্য চা বানিয়েছে।
- তিনি ভাত খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন।

সরল বাক্যে অনেক সময়ে ক্রিয়া অনুপস্থিত থাকে।
যেমন,
- আমরা তিন ভাইবোন।

বাক্যের মধ্যে এক বা একাধিক অসমাপিকা ক্রিয়া থাকলেও সরল বাক্য হয়।
যেমন,
- তিনি খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে পায়চারি করতে বাজারের দিকে গেলেন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫.
'তেজারতি' কোন বাক্যের সংকোচিত রূপ?
  1. ক) সাপের খোলস
  2. খ) যে স্ত্রীর বশীভূত
  3. গ) বাঘের চামড়া
  4. ঘ) সুদে টাকা খাটানো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুদে টাকা খাটানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুদে টাকা খাটানো
ব্যাখ্যা
বাক্য সংকোচন:
সুদে টাকা খাটানো - তেজারতি।
সাপের খোলস - নির্মোক।
যে স্ত্রীর বশীভূত - স্ত্রৈণ।
বাঘের চামড়া - কৃত্তি।
ময়ূরের কণ্ঠের রং যার - ময়ূরকণ্ঠী।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬.
সময় বোঝাতে জটিল বাক্যের যোজকের কোন জোড় ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) যে-সে
  2. খ) যত-তত
  3. গ) যেটুকু-সেটুকু
  4. ঘ) যখন-তখন
সঠিক উত্তর:
ঘ) যখন-তখন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যখন-তখন
ব্যাখ্যা
জটিল বাক্য: যে-সে, যারা-তারা, যিনি-তিনি, যাঁরা-তাঁরা, যা-তা প্রভৃতি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যদিও-তবু, যেহেতু-সেহেতু, যত-তত, যেটুকু-সেটুকু, যেমন-তেমন, যখন-তখন প্রভৃতি সাপেক্ষ যোজক দিয়ে যখন অধীন বাক্যগুলো যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে।
যেমন,
- যে ছেলেটি এখানে এসেছিল, সে আমার ভাই।
- যদি তুমি যাও, তবে তার দেখা পাবে।
- যখন বৃষ্টি নামল, তখন আমরা ছাতা খুঁজতে শুরু করলাম।



উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭.
কোনটি সমার্থক বাগ্‌ধারা নয়?
  1. ক) দা-কুমড়া
  2. খ) আদায়-কাঁচকলায়
  3. গ) রুই-কাতলা
  4. ঘ) অহি-নকুল
সঠিক উত্তর:
গ) রুই-কাতলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রুই-কাতলা
ব্যাখ্যা
রুই-কাতলা’ বাগ্‌ধারার অর্থ- প্রতিপত্তিশালী লোকজন।
অন্যদিকে,
আদায়-কাচকলায়, দা-কুমড়া, অহি-নকুল বাগ্‌ধারাগুলোর অর্থ শত্রুতা

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণি।
১৮.
'শাসন করা যায় যাকে' - এর সঠিক বাক্য সংকোচন কোনটি?
  1. ক) শিক্ষানবিশ
  2. খ) শিক্ষার্থী
  3. গ) শিষ্য
  4. ঘ) সহিষ্ণু
সঠিক উত্তর:
গ) শিষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শিষ্য
ব্যাখ্যা
শাসন করা যায় যাকে - শিষ্য।
শিক্ষা করেছে যে - শিক্ষানবিশ।
শিক্ষা লাভ উদ্দেশ্য যার - শিক্ষার্থী।
যে সহ্য করতে পারে - সহিষ্ণু।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
১৯.
কোন ধরনের বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়ার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়?
  1. ক) অধীন বাক্য
  2. খ) সরল বাক্য
  3. গ) জটিল বাক্য
  4. ঘ) যৌগিক বাক্য
সঠিক উত্তর:
খ) সরল বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সরল বাক্য
ব্যাখ্যা
সরল বাক্য: একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে তাকে সরল বাক্য বলে।
যেমন,
- পাপড়ি সবার জন্য চা বানিয়েছে।
- তিনি ভাত খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন।

সরল বাক্যে অনেক সময়ে ক্রিয়া অনুপস্থিত থাকে।
যেমন,
- আমরা তিন ভাইবোন।

বাক্যের মধ্যে এক বা একাধিক অসমাপিকা ক্রিয়া থাকলেও সরল বাক্য হয়।
যেমন,
- তিনি খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে পায়চারি করতে বাজারের দিকে গেলেন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
২০.
'আখাম্বা' শব্দে 'আ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) অভাব অর্থে
  2. খ) বাজে অর্থে
  3. গ) সদৃশ অর্থে
  4. ঘ) ঈষৎ অর্থে
সঠিক উত্তর:
গ) সদৃশ অর্থে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সদৃশ অর্থে
ব্যাখ্যা
'' উপসর্গের ব্যবহার:
আখাম্বা, সদৃশ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
আলুনি, অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
আগাছা, নিকৃষ্ট/বাজে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
আরক্ত, ঈষৎ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
২১.
'শ্বাদল' - কোন বাক্যের সংকোচিত রূপ?
  1. ক) শত পাপড়িবিশিষ্ট
  2. খ) ঈষৎ পীত বর্ণ
  3. গ) তৃণাচ্ছাদিত ভূমি
  4. ঘ) নীল বর্ণ পদ্ম
সঠিক উত্তর:
গ) তৃণাচ্ছাদিত ভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তৃণাচ্ছাদিত ভূমি
ব্যাখ্যা
তৃণাচ্ছাদিত ভূমি - শ্বাদল।
ঈষৎ পীত বর্ণ - আপীত।
শত পাপড়িবিশিষ্ট - শতদল।
নীল বর্ণ পদ্ম - ইন্দিবর।

উৎস: ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২২.
'পরগাছা' -এর এক কথায় প্রকাশ কী হবে?
  1. ক) শত পাপড়িবিশিষ্ট
  2. খ) ফল পাকলে যে গাছ মরে যায়
  3. গ) যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে
  4. ঘ) যে গাছ ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না
সঠিক উত্তর:
গ) যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে
ব্যাখ্যা
যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে - এর সংকোচিত রূপ - পরগাছা।
শত পাপড়িবিশিষ্ট - শতদল।
ফল পাকলে যে গাছ মরে যায় - ওষধি।
যে গাছ ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না - বনস্পতি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৩.
'পশ্চাৎ' অর্থে 'অনু' উপসর্গটি কোন শব্দে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) অনুকূল
  2. খ) অনুক্ষন
  3. গ) অনুবাদ
  4. ঘ) অনুশোচনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনুশোচনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনুশোচনা
ব্যাখ্যা
'অনু' উপসর্গের ব্যবহার:
পশ্চাৎ' অর্থে 'অনু' - অনুশোচনা, অনুগামী, অনুজ, অনুকরণ।
'পৌনঃপুনিকতা' অর্থে - অনুক্ষন, অনুশীলন।
'সঙ্গে' অর্থে - অনুকূল, অনুকম্পা। 
'সাদৃশ' অর্থে 'অনু' - অনুবাদ, অনুকার।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।