পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৬৩
সিলেবাস
Exam - 29 Final Model Test-3 topic: Full syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৬৩ প্রশ্ন

.
মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মোকদ্দমা বা দাবির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষকে আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচ দিতে পারে?
  1. ৩০০০
  2. ৫০০০
  3. ২০০০০
  4. ১০০০০
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির - ৩৫ক ধারা বিধান হল মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি বা জবাব সম্পর্কে ক্ষতিপূরণমূলক খরচ: মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মোকদ্দমা বা দাবির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষ ক্ষতিপূরণমূলক খরচের (Compensatory Cost ) জন্য আবেদন করতে পারে। আদালত সর্বোচ্চ ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন । এই ধারাটি আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- এই ধারায় কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করা হলে তাকে ফৌজদারি দায় হতে অব্যাহতি দিয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে না।
- ৩৫ক ধারায় প্রদত্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
- ৩৫ ধারার খরচ হল সাধারণ খরচ যা মামলার কারণে পক্ষদের খরচ হয় যেমন- কোর্ট ফি, আইনজীবীর ফি ও এই সংক্রান্ত অন্যান্য খরচ।
- ৩৫ক ধারায় মিথ্যা ও হয়রানিকর দাবির কারণে আদালত সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ দিতে পারে।
- ৩৫খ তে যে খরচের আদেশ দেওয়া হয় তা মূলত interlocutory matter এ কোনো দরখাস্ত নির্ধারিত সময়ে দাখিল না করে বিলম্বে দাখিল করার জন্য আরোপ করা হয়।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫ক ধারার বিধান: মিথ্যা বা বিব্রতকর দাবি বা আত্মপক্ষ সমর্থনের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
১) যদি কোন মোকদ্দমা অথবা জারির কর্মপদ্ধতিসহ অন্য কার্যক্রমে, কিন্তু আপিলে নয়, কোন পক্ষ দাবিতে অথবা জবাবে এই জন্য আপত্তি প্রদান করে যে, দাবি কিংবা জবাব, অথবা উহার কোন পার্ট, মিথ্যা বা বিরক্তিকর, এবং তৎপরবর্তীতে ঐরূপ দাবি কিংবা জবাবকে মিথ্যা অথবা বিরক্তিকর হিসাবে ধারণা প্রদান করার কারণ লিপিবদ্ধ করার পর ক্ষতিপূরণ হিসাবে আপত্তিকারীকে খরচা প্রদান করার আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এতিয়ারের পরিসীমা অতিক্রান্ত না করে বিশ হাজার টাকা পর্যন্ত হবে।

২) এই ধারার অধীন তাতে বর্ণিত কারণে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করা হলে ঐ দাবি কিংবা জবাব সম্পর্কে তাকে ফৌজদারি দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হবে না।

৩) মিথ্যা কিংবা বিরক্তিকর দাবি অথবা জবাবের নিমিত্তে উক্ত ধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত খরচার পরিমাণ পরবর্তী খেসারত অথবা ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমায় ঐরূপ দাবি অথবা জবাব সম্পর্কে বিবেচনায় রাখতে হবে।
------------
CPC Section 35A. Compensatory costs in respect of false or vexatious claims or defences:
(1) If in any suit or other proceeding, including an execution proceeding, not being an appeal, any party objects to the claim or defence on the ground that the claim or defence, or any part of it, is false or vexatious, and if, thereafter, such claim or defence is disallowed, in whole or in part, the Court shall, after recording its reasons for holding such claim or defence to be false or vexatious, make an order for the payment to the objector, such cost by way of compensation which may, without exceeding the limit of the Court's pecuniary jurisdiction, extend upto twenty thousand taka.
 
(2) No person against whom an order has been made under this section shall, by reason thereof, be exempted from any criminal liability in respect of any claim or defence made by him.

(3) The amount of any cost awarded under this section in respect of a false or vexatious claim or defence shall be taken into account in any subsequent suit for damages or compensation in respect of such claim or defence.
.
In executing a decree transferred to the Collector under ___________ the Collector and his subordinates shall be deemed to be acting judicially.
  1. section 65
  2. section 68
  3. section 72
  4. section 71
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৭১ ধারার বিধান কালেক্টরের বিচারক হিসাবে কার্য: উপরিল্লিখিত ৬৮ ধারা অধীনে কালেক্টরের নিকট হস্তান্তরিত ডিক্রি জারি করার প্রাক্কালে কালেক্টর এবং তার অধঃস্তনগণ বিচারক হিসাবে কার্য করতেছে বলে মনে করতে হবে।
-------------------
CPC Section 71: Collector deemed to be acting judicially: In executing a decree transferred to the Collector under section 68 the Collector and his subordinates shall be deemed to be acting judicially.
.
মোকদ্দমার কোন পক্ষ, অপর পক্ষকে কোন দলিলের সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলে নোটিশ প্রদানের কত দিনের মধ্যে উক্ত পক্ষকে জবাব দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-১২ বিধি-২০ এর বিধান দলিল স্বীকারের নোটিশ:
- সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম ছাড়া যে কোন পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিস জারির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে স্বীকার করতে আহ্বান জানাতে পারে; এবং অনুরূপ নোটিশ প্রদানের পর যদি সে পক্ষ স্বীকার করতে অস্বীকার বা অবহেলা করে, তাহলে মোকদ্দমার ফলাফল যেটাই হোক, অনুরূপ দলিলাদি প্রমাণ করতে খরচাদি উক্ত অস্বীকারকারী কিংবা অবহেলাকারী পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোন রকম নির্দেশ দেন; এবং আদালতের মতে খরচ বাঁচানোর জন্য নোটিশ দিতে বাদ দেয়া হলে তা ব্যতীত দলিল প্রমাণের কোন খরচ মঞ্জুর করা যাবে না, যদিনা অনুরূপ নোটিশ প্রদান করা হয়ে থাকে।
---------------------------------
- CPC Order-12 Rule-2. Notice to admit documents: 
- Either party may call upon the other party to admit, within fifteen days from the date of service of notice, any document, saving all just exceptions; and in case of refusal or neglect to admit, after such notice, the costs of proving any such document shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs; and no costs of proving any document shall be allowed unless such notice is given, except where the omission to give the notice is, in the opinion of the Court, a saving of expense.
.
মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা _____ করতে পারেন।
  1. ক্রোক
  2. তদন্ত
  3. পরিদর্শন
  4. অনুসন্ধান
ব্যাখ্যা
⇒ মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
- আদেশ ১৮ বিধি-১৮ঃ আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা:
মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন।
-----------------------
CPC Order-18 Rule-18 Power of court to inspect:
The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.
.
মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি হলে আদালত সার্টিফিকেট ইস্যুর কত দিনের মধ্যে পক্ষগণ কোর্ট ফি ফেরত পাবার অধিকারী হবে?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৪৫
  4. ৬০
ব্যাখ্যা
- মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি হলে আদালত পক্ষগণকে কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার (Refund of court fees) জন্য একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করবে এবং সার্টিফিকেট ইস্যুর তারিখ থেকে ষাট (৬০) দিনের মধ্যে পক্ষগণ তা ফেরত পাবার অধিকারী হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক (১১) কোর্ট ফি আইন, ১৮৭০ (১৮৭০ সালের ৭নং আইন) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, কোন মোকদ্দমার বিরোধ বা বিরোধসমূহ এই ধারার অধীনে মীমাংসায় নিষ্পত্তি হলে পক্ষসমূহের মাধ্যমে আরজি কিংবা জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার নির্দেশ প্রদান করে কোর্ট একটি সার্টিফিকেট জারি করবে এবং সার্টিফিকেট জারির তারিখ থেকে ষাট দিনের ভিতর পক্ষসমূহ তা ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবে।
----------------
- CPC Section 89A (11) Notwithstanding anything contained in the Court-fees Act, 1870 (Act No. VII of 1870), where a dispute or disputes in a suit are settled on compromise under this section, the Court shall issue a certificate directing refund of the court fees paid by the parties in respect of the plaint or written statement; and the parties shall be entitled to such refund within 60 (sixty) days of the issuance of the certificate.
.
'Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government.' এটি The Civil Courts Act, 1887 এর কত ধারার বিধান?
  1. ১২
  2. ১৬
  3. ১৫
  4. ১৭
ব্যাখ্যা
'Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government.' এটি The Civil Courts Act, 1887 এর ১৬ ধারার বিধান।
--------
⇒ The Civil Courts Act, 1887 Section 16. Seals of Courts: Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government. 
.
A, B-কে বিয়ে করবার চুক্তিতে আবদ্ধ হয় এই ক্ষেত্রে চুক্তিটি-
  1. লিখিত হলে সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  3. রেজিস্ট্রেশন করা থাকলে সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  4. 'ক' ও 'গ'
ব্যাখ্যা
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা-২১: কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable)- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা;
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।

উল্লিখিত প্রশ্নে A, B-কে বিয়ে করবার চুক্তিতে আবদ্ধ হয় এই ক্ষেত্রে  চুক্তিটি পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল এই জন্য এটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না 
.
কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য নয়?
  1. দেওয়ানি মোকদ্দমা
  2. যে কোন ফৌজদারি মামলার কার্যক্রমে
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ক্ষেত্রে
  4. মূল ফৌজদারি মামলার কার্যক্রমে
ব্যাখ্যা
- তামাদি আইনের বিধান: 
⇒ দেওয়ানি সকল মোকদ্দমায় এবং ফৌজদারি আপিল, রিভিশনে তামাদির বিধান প্রযোজ্য।
⇒ তবে ফৌজদারি মোকদ্দমা যে কোন সময় দায়ের করা যায়, তাই তামাদির বিধান ফৌজদারি মূল মোকদ্দমায় প্রযোজ্য নয়।
⇒ তামাদি আইনের ৫ ধারা মতে পাঁচটি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করার কথা বলা হয়েছে; সেগুলো হলো: আপিল, আপিল করার অনুমতির দরখাস্ত, রিভিউ, রিভিশন, অন্য কোন আবেদন।  
⇒ এখানে মূল মামলার মেয়াদ বৃদ্ধি করার সুযোগ নাই, তাই বলা যায় যে মূল ফৌজদারি মোকদ্দমায় তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য নয়।

অর্থাৎ মূল ফৌজদারি মামলার কার্যক্রমে ক্ষেত্রে তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য নয়, তবে ফৌজদারি আপিল, রিভিশনে তামাদির বিধান প্রযোজ্য।
.
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে কয়জন ব্যক্তিকে শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা দেওয়া আছে?
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় তফসিল:

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।
- শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা ৩ জন ব্যক্তিকে দেওয়া হয়ছে। যথা- স্পীকার , রাষ্ট্রপতি , প্রধান বিচারপতি।

- স্পীকার কর্তৃক  ⇒ রাষ্ট্রপতি, সংসদ-সদস্য;

- রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ⇒ প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, প্রধান বিচারপতি; 

- প্রধান বিচারপতি কর্তৃক ⇒ সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।
১০.
নিচের কোন আইনটিকে "Law of all laws” বলা হয়?
  1. The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh
  2. The General Clauses Act, 1897
  3. The Evidence Act, 1872
  4. The Penal Code, 1860
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 কে "Law of all laws" বলা হয়:

- আইনসভা থেকে পাশকৃত সকল আইনের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে আইনটি প্রযোজ্য। তবে কোনো আইনে এ বিষয়ে পরিষ্কার বিধান থাকলে সেক্ষেত্রে আইনটি প্রযোজ্য হবে না।
- The General Clauses Act, 1897 এমন একটি আইন যা অন্যান্য যেকোনো আইন ব্যাখ্যার জন্য প্রযোজ্য তো বটেই বরং প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান ব্যাখ্যার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
- এ বিষয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২ এর (২) নং দফা উল্লেযোগ্য। 

- এজন্য, The General Clauses Act, 1897 আইনটিকে "Law of all laws” বলা হয়ে থাকে।
১১.
রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন-
  1. সরকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
  2. প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
  3. প্রধান বিচারপতির উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
  4. স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদের বিধান: রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ:
(১) এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরের মেয়াদে তাঁহার পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁহার উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন। 
(২) একাদিক্রমে হউক বা না হউক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকিবেন না। 
(৩) স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন। 
(৪) রাষ্ট্রপতি তাঁহার কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইলে রাষ্ট্রপতিরূপে তাঁহার কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে।
-------------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh - Article 50. Term of office of President: 
(1) Subject to the provisions of this Constitution, the President shall hold office for a term of five years form the date on which he enters upon his office: 
Provided that notwithstanding the expiration of his term the President shall continue to hold office until his successor enters upon office. 
(2) No person shall hold office as President for more than two terms, whether or not the terms are consecutive. 
(3) The President may resign his office by writing under his hand addressed to the Speaker. 
(4) The President during his term of office shall not be qualified for election as a member of Parliament, and if a member of Parliament is elected as President he shall vacate his seat in Parliament on the day on which he enters upon his office as President.
১২.
'The seat of Parliament shall be in _________.'
  1. Dhaka
  2. the capital
  3. the middle of Bangladesh
  4. the capital of Bangladesh
ব্যাখ্যা
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh - Article 65. Establishment of Parliament:
(1) There shall be a Parliament for Bangladesh (to be known as the House of the Nation) in which, subject to the provisions of this Constitution, shall be vested the legislative powers of the Republic:
Provided that nothing in this clause shall prevent Parliament from delegating to any person or authority, by Act of Parliament, power to make orders, rules, regulations, bye laws or other instruments having legislative effect. 
(2) Parliament shall consist of three hundred members to be elected in accordance with law from single territorial constituencies by direct election and, for so long as clause (3) is effective, the members provided for in that clause; the members shall be designated as Members of Parliament. 
 (3) Until the dissolution of Parliament occurring next after the expiration of the period of twenty five years beginning from the date of the first meeting of the Parliament next after the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Seventeenth Amendment) Act, 2018, there shall be reserved fifty seats exclusively for women members and they will be elected by the aforesaid members in accordance with law on the basis of procedure of proportional representation in the Parliament through single transferable vote : 
Provided that nothing in this clause shall be deemed to prevent a woman from being elected to any of the seats provided for in clause (2) of this article.
(3A) For the remaining period of the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Fifteenth Amendment) Act, 2011, Parliament shall consist of three hundred members elected by direct election provided for in clause (2) and fifty women members provided for in clause (3).
(4) The seat of Parliament shall be in the capital.
১৩.
The General Clauses Act, 1897 এর ১৮ ধারার বিধান কী?
  1. Gender and number
  2. Substitution of functionaries
  3. Successors
  4. Computation of time
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ১৮ ধারার বিধান ১৮ ধারার বিধান: উত্তরাধিকারী (Successors):
- সংসদের কোন আইন বা প্রবিধিতে, কোন কর্মভারপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গের বা স্থায়ী ধারাবাহিকতা সম্পন্ন কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে, কোন আইনের সম্পর্ক প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে, কর্মভারপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ বা কর্পোরেশনের সম্পর্ক ব্যক্ত করতে হবে।
--------------------
- Section 18. Successors:
(1) In any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, it shall be sufficient, for the purpose of indicating the relation of a law to the successors of any functionaries or of corporations having perpetual succession, to express its relation to the functionaries or corporations.
(2) This section applies also to all Acts of Parliament made after the third day of January, 1868, and to all Regulations made on or after the fourteenth day of January, 1887.
১৪.
কে অস্থায়ী প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালন করিবেন?
  1. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত আপীল বিভাগের বিচারক।
  2. হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম।
  3. আপীল বিভাগের বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম।
  4. সরকার কর্তৃক নির্ধারিত আপীল বিভাগের বিচারক।
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদের বিধান: অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ:
 প্রধান বিচারপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে প্রধান বিচারপতি তাঁহার দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে ক্ষেত্রমত অন্য কোন ব্যক্তি অনুরূপ পদে যোগদান না করা পর্যন্ত কিংবা প্রধান বিচারপতি স্বীয় কার্যভার পুনরায় গ্রহণ না করা পর্যন্ত আপীল বিভাগের অন্যান্য বিচারকের মধ্যে যিনি কর্মে প্রবীণতম, তিনি অনুরূপ কার্যভার পালন করিবেন।
---------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh -Article 97. Temporary appointment of Chief Justice:
-If the office of the Chief Justice becomes vacant, or if the President is satisfied that the Chief Justice is, on account of absence, illness, or any other cause, unable to perform the functions of his office, those functions shall, until some other person has entered upon that office, or until the Chief Justice has resumed his duties, as the case may be, be performed by the next most senior Judge of the Appellate Division.
১৫.
অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা কার উপর ন্যস্ত থাকবে?
  1. সরকারের
  2. সুপ্রীম কোর্টের
  3. প্রধান বিচারপতির
  4. রাষ্ট্রপতির
ব্যাখ্যা
 ⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বিধান: অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
- বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।
------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh -Article 116. Control and discipline of subordinate courts:
- The control (including the power of posting, promotion and grant of leave) and discipline of persons employed in the judicial service and magistrates exercising judicial functions shall vest in the President and shall be exercised by him in consultation with the Supreme Court.
১৬.
'নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে।' বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ১১৬
  2. ১২৬
  3. ১২৫
  4. ১২৩
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদের বিধান: নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান:  নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে।
------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh -Article 126. Executive authorities to assist Election Commission:
 It shall be the duty of all executive authorities to assist the Election Commission in the discharge of its functions.  
১৭.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারার বিধান কী?
  1. রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচার
  2. বিচার-পূর্ব কার্যক্রম
  3. সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ
  4. আপোষ ডিক্রি
ব্যাখ্যা
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারার বিধান: রুদ্ধদ্বার কক্ষে  বিচার:
(১) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমার কার্যধারার সম্পূর্ণ বা কোনো অংশবিশেষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।
(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কার্যধারা উভয়পক্ষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য আদালতকে অনুরোধ করেন, সেইক্ষেত্রে আদালত উহা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিবে।
১৮.
An individual who is qualified to exercise ijtihad in the evaluation of Islamic law is called-
  1. Imam
  2. Muslim
  3. Mujtahid
  4. Mujahideen
ব্যাখ্যা
⇒ An individual who is qualified to exercise ijtihad in the evaluation of Islamic law is called mujtahid (Arabic: مُجْتَهِد, "diligent"). an authoritative interpreter of the religious law of Islame specially : a living religious teacher that is recognized by the Shiʽa as competent to exercise private judgment in formulating authoritative answers to legal questions.

⇒ There are some specific criteria that must be satisfied for a person to be eligible to make an ijtihad. The person who can make an ijtihad is known as 'Mujtahid' who must have, inter alia, an in depth knowledge and understanding of Islam.

⇒ Ijtihad is one of the dependent sources of Islamic law. If a matter not resolved expressly in a Quran, Sunnah and by way of Ijma the jurist must not leave the matter unresolved rather he should strive hard to find out the solution under the light of Quran and Sunnah.

⇒ In Islamic law the use of individual reasoning in general is called Ijtihad or Ijtihad al-ra'y, and Mujtahid is the qualified lawyer who uses it. "Exertion" is the literal meaning of Ijtihad. In general usage, this Arabic word denotes the utmost effort, physical or mental, expended in a particular activity. In its Islamic and technical legal connotation, it denotes the thorough exertion of the jurist's mental faculty in finding a solution for a case of law. Ijtihad therefore is 'the logical deduction on a legal or theological question by a Mujtahid or learned and enlightened doctor, as distinguished from Ijma, which is the collective opinion of a council of divines.'
১৯.
মোট সম্পত্তির কত অংশের বেশি উইল করা যাবে না?
  1. ২/৩ অংশ
  2. ১/২ অংশ
  3. ১/৪ অংশ
  4. ১/৩ অংশ
ব্যাখ্যা
⇒ কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত।

- আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চুড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে।

- যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে খবমধঃবব বা উত্তরদানগ্রহী বলা হয়।

- একজন মুসলমান তার দাফন-কাফনের ব্যয়ভার এবং ঋণ পরিযোধের পর অবশিষ্ট সম্পত্তির ১/৩ অংশের অধিক উইলের মাধ্যমে হস্তান্তর করতে পারে না।
- যদি ১/৩ অংশের অধিক উইল করা হয় তবে উইলকারির উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি লাগবে, অন্যথায় উইল ১/৩ অংশের বেশী কার্যকর হবে না।

- উইল করার ক্ষমতা অসীম নয়। কোনো উইল এর মাধ্যমে এক-তৃতীয়াংশের বেশি সম্পত্তি উইল করা যাবে না। কোনো মুসলিম তার মৃত্যুর পর কাফন-দাফন সংক্রান্ত খরচাদি এবং ঋণ পরিশোধের পর অবশিষ্ট সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের বেশি উইল করতে পারবে না।

- কোনো ব্যক্তি তার মোট সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশের অধিক উইল করলে তা কার্যকর হবে না। তবে তার উত্তরাধিকারীগণ উক্ত উইলো সম্মতি দিলে তা কার্যকর হবে।
২০.
হিন্দু আইনে উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে কন্যাদের মধ্যে অগ্রাধিকার পাবে-
  1. বিধবা কন্যা
  2. পুত্রবর্তী কন্যা
  3. সন্তানহীন কন্যা
  4. অবিবাহিত কন্যা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং মিতাক্ষরা পদ্ধতি। দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। দায়ভাগ মতে পিন্ডদানের অধিকারী ব্যক্তি মাত্রই মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী। যারা পিন্ড দিতে পারে তারাই মৃত ব্যক্তির ত্যাজ্য সম্পত্তির ওয়ারিশ বলা হয়। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

উত্তরাধিকার সম্পর্কিত কিছু সাধারণ নিয়ম-

(১) পুত্র পিতার সমগ্র সম্পত্তির একক উত্তরাধিকারী;
(২) পুত্র একাধিক হলে সমান হারে সম্পত্তি পাবে; 
(৩) পুত্র মারা গিয়ে থাকলে পৌত্র উত্তরাধিকারী হবে (পিতার অংশ পাবে);
(৪) বিধবা স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ ‘জীবন স্বত্ব পাবে। (সম্পত্তিতে হিন্দু নারীদের অধিকার আইনের ৩(১) ধারা);
(৫) একাধিক বিধবা স্ত্রী থাকলে সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে;
(৬) মৃতের বিধবা পুত্রবধূ/প্রপৌত্রবধূ থাকলে সে এক পুত্রের সমান ‘জীবন স্বত্ত্ব’ পাবে;
(৭) কন্যার পূর্বের কোন উত্তরাধিকারী না থাকলে কন্যা পিতার সম্পত্তি পাবে;
(৮) কন্যাদের মধ্যে ‘কুমারী কন্যার’ দাবি প্রথম এবং সে-ই সব সম্পত্তি পাবে;
(৯) কুমারী কন্যা না থাকলে পুত্রবর্তী কন্যা উত্তরাধিকারী হবে;
(১০) বন্ধ্যাকন্যা, বিধবা কন্যা, সন্তানহীন কন্যা এবং যে সব কন্যার শুধু কন্যা সন্তান আছে তারা উত্তরাধিকারী হবে না। তবে এরূপ কন্যাদের মধ্যে যে, কোন দত্তকপুত্র গ্রহণ করেছে সে বঞ্চিত হবে না।
২১.
'কোন হিন্দু বিবাহ শুধুমাত্র গোত্র বা প্রবরের কারণে অবৈধ হবে না'- নিম্নলিখিত কোন আইনে এই বিধান করা হয়েছে?
  1. The Hindu Women Marriage Act,1856
  2. The Hindu Widow's Re- Marriage Act,1856
  3. The Hindu Marriage Disabilities Removal Act,1946
  4. The Hindu Women Marriage Ceremonies Act,1856
ব্যাখ্যা
⇒ ১৯৪৬ সালের হিন্দু বিয়ে (অসমর্থতা দূরীকরণ) আইন (The Hindu Marriage Disabilities Removal Act, 1946) অনুযায়ী,

- হিন্দুদের মধ্যে কোন বিবাহ যেটা অন্যান্যভাবে বৈধ, সেই বিবাহ গোত্র বা প্রবরের কারণে অবৈধ হবে না। এই আইন পাশ হওয়ার পর বিভিন্ন উপ- বর্ণের পাত্র-পাত্রীর মধ্যে বিয়ের ক্ষেত্রে সব বাধা দূর করা হয়।
- যেমন- ভিন্ন বর্ণের কোন ছেলে এবং মেয়ে বিয়ে করলে সনাতন আইনে বিবাহ অবৈধ হলেও ১৯৪৬ সালের আইনের কারণে বিবাহটি বৈধ হবে। আবার একজন বিধবা যদি পুনরায় একই গোত্রের কোন ব্যক্তিকে বিবাহ করে, তাহলে ঐ বিবাহ অবৈধ হবে না।
২২.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ অনুসারে ‘‘হিন্দু’’ অর্থ-
  1. বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোন ব্যক্তি
  2. বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোন নাগরিক
  3. মুসলিম ছাড়া বাংলাদেশে বসবাসকারী অনন্য কোন ধর্মাবলম্বী নাগরিক
  4. হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ২ ধারার বিধান: সংজ্ঞা: বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে,-
 (ক) ‘‘হিন্দু’’ অর্থ বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোন নাগরিক;
২৩.
উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে দায়ভাগ মতবাদ কোন নীতিকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. Doctrine of representation
  2. Succession per stripes
  3. Succession per capita
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দায়ভাগ মতবাদ নিম্নোক্ত নীতিগুলিকে স্বীকৃতি দেয়ঃ

(ক) প্রতিনিধিত্ব মতবাদ (Doctrine of representation):
প্রতিনিধিত্ব মতবাদ অনুসারে পুত্র, পৌত্র যার পিতা মারা গিয়েছে, তারা সকলেই পিতৃপক্ষীয় সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারীত্ব লাভ করে, কারণ পৌত্র তার পিতার এবং প্রপৌত্র তার পিতা ও পিতামহ উভয়েরই প্রতিনিধিত্ব করে।

(খ) অংশপিছু উত্তরাধিকার (Succssession per stripes):
যেখানে প্রতিনিধিত্ব মতবাদ প্রয়োগ করা হয় এবং উত্তরাধিকারীগণ মৃত ব্যক্তির স্থলবর্তীরুপে অংশ প্রাপ্ত হন সেখানে এরুপে স্থলবর্তীরুপে অংশ পাওয়াকে অংশপিছু উত্তরাধিকার বলে।

(গ) মাথাপিছু উত্তরাধিকার (Succession per capita):
মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার উত্তরাধিকারগণের সমান অংশ সম্পত্তি প্রাপ্ত হওয়াকে মাথাপিছু উত্তরাধিকার বলে।
২৪.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারার বিধান কী?
  1. Operation of transfer
  2. Oral transfer
  3. Rule against perpetuity
  4. Condition restraining alienation
ব্যাখ্যা
⇒  সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারার বিধান: মৌখিক হস্তান্তর:
যে সকল ক্ষেত্রে লিখিত হওয়ার আবশ্যকতা আইন দ্বারা প্রত্যক্ষ ভাবে উল্লেখ করা হয় নাই, সে সকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিল ছাড়াই সম্পত্তি হস্তান্তর করা যেতে পারে।

- Section 9: Oral transfer:
A transfer of property may be made without writing in every case in which a writing is not expressly required by law.

মৌখিক হস্তান্তর (Oral transfer) :
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে, যেসকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিলের আবশ্যকতা আইনে সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয় নাই, সেসকল ক্ষেত্রে লিখিত দলিল ছাড়াই সম্পত্তি হস্তান্তর করা যেতে পারে। রেজিস্ট্রেশন আইন সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের পরিপূরক। সুতরাং যে সকল হস্তান্তরে রেজিস্ট্রেশনের বিধান রয়েছে, তা মৌখিক ভাবে হস্তান্তর করা যায় না। এক্ষেত্রে বলা যায়, যে সকল সম্পত্তির হস্তান্তর লিখিত দলিলের মাধ্যমে হওয়ার প্রয়োজন নেই এবং যে সকল হস্তান্তরের জন্য রেজিস্ট্রেশনের প্রয়োজন নেই সে সকল হস্তান্তর মৌখিক ভাবে করা যায়।
২৫.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারায় 'Doctrine of Priority' নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৩৮
  2. ৪৩
  3. ৪৮
  4. ৫২
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৪৮: হস্তান্তর দ্বারা সৃষ্ট অধিকারের অগ্রাধিকার (Priority of rights created by transfer):
যদি কোন ব্যক্তি একই স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন সময় হস্তান্তর করে একাধিক অধিকার সৃষ্টি করেন এবং সেই অধিকারগুলি একই সঙ্গে বা পরিপূর্ণভাবে বলবৎ না হয়, সেক্ষেত্রে বিশেষ চুক্তির অবর্তমানে পূর্বে সৃষ্ট অধিকার পরে সৃষ্ট অধিকারের উপর অগ্রাধিকার পাবে।

- রেজিস্ট্রিকৃত দলিল অরেজিস্ট্রিকৃত দলিলের উপর প্রাধান্য পাবে।
- একই তারিখে রেজিস্ট্রিকৃত দুটি দলিলের মধ্যে যার নম্বর আগে সেটি অগ্রাধিকার পাবে।
-----------------------------
⇒ Section 48: Priority of rights created by transfer:
Where a person purports to create by transfer at different times rights in or over the same immoveable property, and such rights cannot all exist or be exercised to their full extent together, each later created right shall, in the absence of a special contract or reservation binding the earlier transferees, be subject to the rights previously created. 
২৬.
একটি বিক্রয়-চুক্তি সম্পাদনের তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒  ধারা ১৭কঃ বিক্রয় চুক্তি, ইত্যাদির নিবন্ধন:
 (১) এই আইন বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যে কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র লিখিত হইতে হইবে, তৎসঙ্গে উহা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হইতে হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত বিক্রয়-চুক্তি, সম্পাদনের তারিখ হইতে ৬০ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করিতে হইবে এবং এইক্ষেত্রে দলিল নিবন্ধনের বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
----
Section 17A. Registration of contract for sale, etc.
(1) Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immovable property shall be in writing, executed by the parties thereto and registered. 
 
(2) A contract for sale referred to in sub-section (1) shall be presented for registration within sixty days from the date of execution of the contract and the provisions regarding registration of instruments shall apply.

২৭.
রেজিস্ট্রার এবং সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ দিবেন কে?
  1. বাংলাদেশ কর্ম কমিশন
  2. জেলা প্রশাসক
  3. সরকার
  4. নিবন্ধন মহাপরিদর্শক
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৬: রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রার:
সরকার, উপযুক্ত মনে করিলে, সরকারি কর্মকর্তা বা অন্য কোন ব্যক্তিকে, পূর্বোল্লিখিত পদ্ধতিতে গঠিত, কতিপয় জেলায় এবং কতিপয় উপ জেলায়, যথাক্রমে রেজিস্ট্রার এবং সাব-রেজিস্ট্রার, হিসাবে নিয়োগ প্রদান করিতে পারিবে। 
------------
Section 6. Registrars and Sub-Registrars:
 The Government may appoint such persons, whether public officers or not, as it thinks proper, to be Registrars of the several districts, and to be Sub-Registrars of the several sub-districts, formed as aforesaid, respectively.
২৮.
নিচের কোনটি চুক্তি আইনে অনুযায়ী প্রস্তাবের আমন্ত্রণ নয়?
  1. একটি কলমের মূল্য ১০ টাকা।
  2. ৪০০০ টাকা বেতনে হিসাব রক্ষক চাই।
  3. ঢাকা হতে কুষ্টিয়া বাস ভাড়া ২৫০ টাকা।
  4. কুকুর হারিয়ে গিয়েছে, পেলে ৫০০ টাকা পুরস্কার।
ব্যাখ্যা
⇒ প্রস্তাব ও প্রস্তাবের আমন্ত্রণ এক নয় (Offer and invitation to an offer is not be same):
- প্রস্তাব ও প্রস্তাবের আমন্ত্রণ এক নয়। মূল্য তালিকা বিলি করা প্রস্তাবের আমন্ত্রণ, প্রস্তাব নয়। যেমন- কুকুর হারিয়ে গিয়েছে, পেলে ৫০০ টাকা পুরস্কার, এটা প্রস্তাব।
- কিন্তু একটি কলমের মূল্য ১০ টাকা, সকাল ৯ টায় ট্রেন ছাড়বে, ঢাকা হতে কুষ্টিয়া বাস ভাড়া ২৫০ টাকা এবং ৪০০০ টাকা বেতনে হিসাব রক্ষক চাই- এগুলো প্রস্তাবের আমন্ত্রণ, প্রস্তাব নয়।
- এ পরিপ্রেক্ষিতে যদি কেহ ১০ টাকা দিতে রাজী হয়, ৯ টার ট্রেনে উঠে, যদি কেহ বাসে উঠে, হিসাবরক্ষক পদে আবেদন করে তবে তা প্রস্তাব হিসেবে গণ্য হবে। বিক্রেতা ঐ প্রস্তাব গ্রহণ নাও করতে পারে।
অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে চুক্তি আইনে অনুযায়ী "কুকুর হারিয়ে গিয়েছে, পেলে ৫০০ টাকা পুরস্কার" এটি একটি প্রস্তাবের আমন্ত্রণ নয়, এটি প্রস্তাব। 
অনন্য সবগুলো প্রস্তাবের আমন্ত্রণ।
২৯.
যুদ্ধের কারণে কোন চুক্তি পালন অসম্ভব হয়ে পড়া- নিচের কোন নীতিটি নির্দেশ করে?
  1. Doctrine of election
  2. Doctrine of priority
  3. Doctrine of Lispendens
  4. Doctrine of frustration
ব্যাখ্যা
⇒ ব্যর্থতা তত্ত্ব (The Doctrime of Frustration): যখন একটি চুক্তির উদ্দেশ্য আর কোনভাবেই সম্পাদন বা বাস্তবায়ন করা যায় না, তখন আদালত চুক্তির পরিসমাপ্তি হয়েছে বলে ঘোষণা দিতে পারে, এরূপ ঘোষণাকে ব্যর্থতার তত্ত্ব বলা হয়।
- এ্যানসন (Anson) সকল আইন ব্যবস্থাতেই চুক্তি পালনের নিয়মের পাশা-পাশি চুক্তি অবসানের বিধানও থাকে, যদি অবস্থা বিশেষের পরিবর্তনের ফলে চুক্তির পালন আইনত কিংবা বাস্তবে অসম্ভব হয়।

ব্যর্থতার তত্ত্ব সম্পর্কে বৃটেনের আইন: ১৮৬৩ সালের পূর্বে বৃটিশ Common Law অনুযায়ী চুক্তিতে বিপরীত মর্মে কোন শর্ত না থাকলে চুক্তির সংশিষ্ট পক্ষসমূহ চুক্তি পালনের অসম্ভাব্যতাকে চুক্তির পরিসমাপ্তির কারণ বলে আত্মপক্ষ সমর্থনের যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে পারতো না। অর্থাৎ সকল চুক্তি আক্ষরিক অর্থে প্রযোজ্য হতো এবং সকল পক্ষই চুক্তি সম্পাদন করতে সর্বোতভাবে বাধ্য থাকতো।

- ১৮৬৩ সালের পর ব্যর্থতা তত্ত্বের প্রচলন শুরু হয় এবং এই তত্ত্বানুযায়ী অনেক ক্ষেত্রে আদালত ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিকে রেহাই দেয়। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বৃটেনের আদালত চুক্তি নষ্ট হয়েছে বলে রায় দিতে পারে:-

ক) চুক্তির অপরিহার্য বস্তুর বিনাশ হলে;
খ) কোন উদ্দেশ্য অর্জন অসম্ভব হলে;
গ) আইনের পরিবর্তন হলে;
ঘ) পূর্বশর্ত পালনে ব্যর্থ হলে:
ঙ) মৃত্যু বা ব্যক্তিগত ক্ষমতা বিনষ্ট হলে; এবং
চ) যুদ্ধ ঘোষিত হলে।

- ব্যর্থতা তত্ত্বের ভিত্তি (Basis of the Doctrine of Furstration): বৃটেনের আইন অনুসারে আদালত নিম্নলিখিত অবস্থায় ব্যর্থতা তত্ত্ব প্রয়োগের মাধ্যমে চুক্তির পরিসমাপ্তির নির্দেশ দিয়েছেন:-
১. ধারণামূলক শর্ত: কোন কোন ক্ষেত্রে এই ধারণা করা হয় যে, প্রত্যেক চুক্তি পালিত না হওয়া পর্যন্ত একটি বিশেষ বস্তু বা অবস্থার উপস্থিতি বিদ্যমান থাকা আবশ্যিক বলে মনে করা হয়, ঐ অবস্থার অস্তিত্ব থাকলেই চুক্তি সম্পাদনযোগ্য অন্যথায় নয়। সুতরাং চুক্তি পালনের জন্য উক্ত বস্তু বা অবস্থা বিদ্যমান থাকা অপরিহার্য।
২. চুক্তির ভিত্তি ধ্বংস: যদি চুক্তিভুক্ত পক্ষসমূহের বিনা দোষে যে বস্তু বা অবস্থার উপর ভিত্তি করে চুক্তি সম্পাদন হয়েছিল, সই ভিত্তি বস্তু বা অবস্থা ধ্বংস হয়ে যায়, তবে তা ব্যর্থতা তত্ত্বের আওতায় আসবে।
৩. ন্যায়সঙ্গত সমাধান: চুক্তির গঠন এবং ব্যাখ্যার প্রকৃতি দ্বারা অর্থাৎ চুক্তিতে যদি এমন শর্ত বা অবস্থার উলে-খ থাকে যা ঘটলে চুক্তি বাতিল হবে, সেক্ষেত্রে অন্তর্নিহিত অর্থ দ্বারাই ন্যায়সঙ্গত সমাধান হবে অর্থাৎ চুক্তি বাতিল হবে।
৪. শর্তের পরিবর্তন: যে ক্ষেত্রে আদালত দেখতে পায় যেসব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে একটি চুক্তি পালনীয় হবে যেসব অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটেছে এবং এই পরিবর্তনের জন্য কোন পক্ষই দায়ী ছিল না। সেক্ষেত্রে চুক্তি ব্যর্থ হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৩০.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন অনুসারে বকেয়া খাজনা আদায়ের তামাদির মেয়াদ-
  1. ৩ বছর
  2. ২ বছর
  3. ১ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪২ ধারার বিধান: তামাদি:
- যে বছরের খাজনা বকেয়া পড়ে সেই বকেয়া খাজনা আদায়ের জন্য তামাদি মেয়াদ সেই বছরের শেষ দিন হতে তিন বছর হবে।
-----------
Section 142. Limitation:
- The period of limitation for the recovery of an arrear of rent shall be three years running from the last day of the year in which the arrear fell due.
৩১.
এস. এ (S.A) খতিয়ান তৈরির কাজ কোন জেলা থেকে শুরু হয়?
  1. কক্সবাজার
  2. দিনাজপুর
  3. পটুয়াখালী
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
⇒ এস. এ খতিয়ান:
পাকিস্তান আমলে ১৯৫০ সালে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের চতুর্থ অধ্যায় এর ১৭ হতে ৩১ দ্বারা মতে ১৯৫৬-৬০ সালের দিকে যে খতিয়ান তৈরি করা হয় তাকে এস. এ (State Acquision) খতিয়ান বলে।
- এটা করতে The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৭ ধারার অধীন State Acquisition Survey এর উপর ভিত্তি করে এস.এ খতিয়ান তৈরী করা হয়েছিল। তাই এই খতিয়ানকে এস.এ খতিয়ান বলা হয়।
- এটা ১৯৫৪ সালে পটুয়াখালীতে শুরু হয়ে ১৯৬৫ সালে ফরিদপুরে শেষ হয়েছিল।
৩২.
অকৃষি ভূমিতে কে উন্নয়ন করবে বা কোন কার্য উন্নয়ন কিনা সেই সম্পর্কে কোন বিরোধ দেখা দিলে তা কে নির্ধারণ করবে?
  1. জেলা জজ
  2. কমিশনার
  3. যুগ্ম জেলা জজ
  4. ডেপুটি কমিশনার
ব্যাখ্যা
⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারার বিধান উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:
১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 
তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
-----------------------------------------------------
Section 66. Collector to decide question as to right to make improvement, etc. 
(1) If a question arises between the non-agricultural tenant and his landlord- 
(a) as to the right to make an improvement, or 
(b) as to whether a particular work is an improvement, 
the Deputy Commissioner may, on the application of either party, decide the question. 
(2) An appeal, if presented within thirty days from the date of the order appealed against, shall lie to the District Judge from every order passed by the Deputy Commissioner under sub-section (1) and the order passed by the District Judge on such appeal shall be final.
৩৩.
"দুর্নীতি দমন কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হবে" দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর কত ধারার বিধান?
  1. ১ ধারা
  2. ৩ ধারা
  3. ৫ ধারা
  4. ৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেশে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অনুসন্ধান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধানকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪।

ধারা ৩- কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি
(১) এই আইন, বলবৎ হইবার পর যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার, সরকারী গেজেটে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশন নামে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা করিবে।
(২) এই কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হইবে। 
(৩) কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং উহা হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহার নামে উহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
৩৪.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় ‘‘ভিকটিম’’ এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ধারা ২ (৮)
  2. ধারা ২ (৫)
  3. ধারা ২ (১০)
  4. ধারা ২ (১২)
ব্যাখ্যা
⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন এবং মানব পাচার অপরাধের শিকার ব্যক্তিবর্গের সুরক্ষা ও অধিকার বাস্তবায়ন ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২।

- ধারা ২(১০)-
‘‘মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি’’ বা ‘‘ভিকটিম’’ অর্থ এই আইনের অধীন সংঘটিত মানব পাচার অপরাধের শিকার কোন ব্যক্তি এবং উক্ত ব্যক্তির আইনগত অভিভাবক বা উত্তরাধিকারীও (legal heirs) ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;
৩৫.
চেক ডিজঅনার মামলার ক্ষেত্রে বর্তমানে কোন আদালতকে বিচার করার এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  2. জেলা জজ
  3. দায়রা জজ
  4. যুগ্ম দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৪১(গ) ধারা অনুযায়ী, চেক ডিজঅনার এর মামলার বিচার করতে পারে দায়রা আদালত। অর্থাৎ Sessions Judge, Additional Sessions Judge & Joint Sessions Judge উনারা সবাই এরূপ মামলার বিচার করতে পারেন এবং এতদিন পর্যন্ত করে আসছেন।
- তবে সম্প্রতি হাইকোর্ট বিভাগের রায়ে বলা হয়েছে- এখন থেকে চেক ডিজঅনার এর মামলার বিচার করতে পারবে শুধুমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ [Joint Sessions Judge]।

উচ্চ আদালত এ রায়ে উল্লেখ করেন-

''চেক ডিজঅনার মামলা শুধুমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ আদালতে শুনানি হবে এবং যুগ্ম দায়রা জজ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে দায়রা জজ আদালতেই আপীল করতে হবে। আগে চেক ডিজঅনারের মামলা দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ আদালত শুনানি করতো। এক্ষেত্রে দায়রা জজ ও অতিরিক্ত দায়রা জজ বিচার করলে বিচারপ্রার্থীকে চেকের মামলায় আপীল করতে আসতে হতো হাইকোর্টে বিভাগে।

এই বিধানটি বৈষম্যমূলক যাহা বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ এবং ৩১ এর সাথে সাংঘর্ষিক। রায়ের নির্দেশনা মতে ১৩৮ ধারার চেকের মামলার বিচার কেবলমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ আদালত করতে পারবে। দায়রা জজ অথবা অতিরিক্ত দায়রা জজ চেকের মামলার বিচার করতে পারবে না।''
৩৬.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ অনুযায়ী ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক জালিয়াতির সর্বোচ্চ-
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২২ ধারার বিধান: ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক জালিয়াতি:
 (১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করিয়া জালিয়াতি করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা।-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক জালিয়াতি” অর্থ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক বিনা অধিকারে বা প্রদত্ত অধিকারের অতিরিক্ত হিসাবে বা অনধিকার চর্চার মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইসের ইনপুট বা আউটপুট প্রস্তুত, পরিবর্তন, মুছিয়া ফেলা ও লুকাইবার মাধ্যমে অশুদ্ধ ডাটা বা প্রোগ্রাম, তথ্য বা ভ্রান্ত কার্য, তথ্য সিস্টেম, কম্পিউটার বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক পরিচালনা।
৩৭.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীনে ঘটিত জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হইবে-
  1. প্রতি এক মাসে কমপক্ষে একটি
  2. প্রতি দুই মাসে কমপক্ষে একটি
  3. প্রতি তিন মাসে কমপক্ষে একটি
  4. প্রতি ছয় মাসে কমপক্ষে একটি
ব্যাখ্যা
৮ ধারার বিধান: বোর্ডের সভা
 (১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেতেগ, বোর্ড উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে৷ 
(২) বোর্ডের সভা উহার চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি তিন মাসে বোর্ডের কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে৷

(৩) চেয়ারম্যান বোর্ডের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাহার অনুপস্থিতিতে তত্কর্তৃক নির্দেশিত কোন সদস্য বা এইরূপ কোন নির্দেশ না থাকিলে সভায় উপস্থিত সদস্যগণের দ্বারা নির্বাচিত অন্য কোন সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিবেন৷ 
(৪) বোর্ডের সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার অন্যুন এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মূলতবী সভার তেগত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না৷ 
(৫) বোর্ডের প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং ভোটের সমতার তেগত্রে সভায় সভাপতিত্বকারী সদস্যের দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট প্রদানের তগমতা থাকিবে৷ 
(৬) শুধুমাত্র কোন সদস্য পদে শূন্যতা বা বোর্ড গঠনে ত্রম্্নটি থাকার কারণে বোর্ডের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তত্সম্পর্কে কোন প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না৷
৩৮.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশি করলে সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৯ ধারার বিধান বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশি, ইত্যাদির দণ্ড:
- যদি তল্লাশি, আটক অথবা গ্রেফতার করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো অফিসার- 
(ক) সন্দেহ করিবার যুক্তিসংগত কোনো কারণ ব্যতিরেকে তল্লাশির নামে কোনো স্থানে প্রবেশ করেন ও তল্লাশি চালান, 
(খ) হয়রানিমূলকভাবে বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো বস্তু তল্লাশি করিবার নামে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পদ আটক করেন, এবং 
(গ) কোনো ব্যক্তিকে হয়রানিমূলক তল্লাশি করেন অথবা গ্রেফতার করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
৩৯.
শিশু বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যার সহায়তা করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দশ বছর কারাদণ্ড
  4. সাত বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
⇒Penal code- Section 305. Abetment of suicide of child or insane person:
- If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৪০.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী জালিয়াতির শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ৪৬৪ ধারা অনুযায়ী যে সব কাজ জালিয়াতি বলে গণ্য হবে তা হলো-
(i) কোন ব্যক্তি নিজে যদি এই উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর করে যে, তার স্বাক্ষর বা নামটি একই নামের অন্য কোন ব্যক্তির বলে চালিয়ে দেবেন;
(ii) যখন কোন ব্যক্তি অন্য কারো স্বাক্ষর জালিয়াতি করে স্বাক্ষর করে;
(iii) যদি কোন ব্যক্তি কোন বিলে পৃষ্ঠাঙ্কন করে এই উদ্দেশ্যে যে, তা অন্য কেউ করেছে বলে চালিয়ে দেবেন:
(iv) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির সাথে ষড়যন্ত্র করে তার নামে কোন সম্পত্তি নামমাত্র মূল্যে ইজারা নেয় কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল মূলত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা; অথবা
(v) যদি কোন ব্যক্তি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করার উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তির কাছে সম্পদ গচ্ছিত রাখে এবং সে উদ্দেশ্য কোন প্রমিসরি নোট তৈরি করে।

- কোন ব্যক্তির নিজের নাম স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে। নিজের নামে স্বাক্ষর করলেই জালিয়াতি হবে বিষয়টা এমন নয়। বরং নিজের নাম স্বাক্ষর জালিয়াতি হতে পারে যদি স্বাক্ষরটা দ্বারা কোন মিথ্যা দলিল তৈরী করা হয়, কোন অধিকার দাবী করতে, কোন ব্যক্তিকে ক্ষতি করতে বা প্রতারণা করতে ইত্যাদি।

-পেনাল কোড-এর  ৪৬৫ ধারায় জালিয়াতির শাস্তি বর্ণিত আছে যা সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতার বিধান আছে?
  1. দ্বিতীয় তফসিলে
  2. দ্বিতীয় অধ্যায়
  3. চতুর্থ তফসিলে
  4. তৃতীয় তফসিলে
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ৪৬টি অধ্যায়ে (Chapter) বিভক্ত এবং এতে মোট ৫৬৫টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। এছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৫টি তফসিল (Schedule) এবং ৯টি ভাগ (Part) রয়েছে। কিভাবে অপরাধের তদন্ত করতে হবে, গ্রেফতার-জমিনের বিধান এবং বিচারকার্য কিভাবে পরিচালনা করা হবে সেটা ফৌজদারী কার্যবিধি থেকে জানা যায়।  ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী হতে ফৌজদারী কার্যবিধি বলবৎ হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সংশোধনী আনা হয়, আবার কিছু ধারা আবার বিভিন্ন সময়ে বাতিলও করা হয়।ফৌজদারী কার্যবিধিতে আরো কিছু বিষয় আছে, অপরাধ যাতে না ঘটতে পারে তার জন্য কিছু ব্যবস্থা ফৌজদারী আইনে পাওয়া যায়।

- ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে। বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।

i) ১ম তফসিল (First Schedule) - বাতিল।

ii)  ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।

iii) ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে।

iv) ফৌজদারি কার্যবিধির ৪র্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।

v) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫ম তফসিলে ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।

- অর্থাৎ চতুর্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতার বিধান আছে।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ৫টি তফসিলের মধ্যে দ্বিতীয় তফসিলটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে।
৪২.
ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৯ ধারায় সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির মুচলেকার মেয়াদঃ

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৭ দন্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতিত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৮ রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৯ ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০ অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।
৪৩.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় আদালতকে মামলা শুনানির যে কোন পর্যায়ে সাক্ষীকে তলব করার ক্ষমতা দেওয়া আছে?
  1. ৫৪০ ধারায়
  2. ৫৬০ ধারায়
  3. ৫৬৪ ধারায়
  4. ৪৯৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪০ ধারায় বলা হয়েছে যে, ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে কোন আদালত যে কোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে সমন করতে পারবেন, বা সাক্ষী হিসেবে সমন করা না হলেও উপস্থিত যে কোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন বা পূর্বে যার জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে, তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারেন।
-----------
CrPC Section- 540. Power to summon material witness or examine person present:

- Any Court may, at any stage of any inquiry, trial or other proceeding under this Code, summon any person as a witness, or examine any person in attendance, though not summoned as a witness, or recall and re-examine any person already examined; and the Court shall summon and examine or recall and re-examine any such person if his evidence appears to it essential to the just decision of the case.
৪৪.
কোন স্বাক্ষীকে জেরা করার উদ্দেশ্য হচ্ছে-
  1. তার মর্যাদা পরীক্ষা
  2. তার ব্যক্তিত্বের ধরার পরীক্ষা
  3. ভিন্ন দাবী প্রতিষ্ঠা করা
  4. তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন
ব্যাখ্যা
⇒ জেরার সংজ্ঞা (Cross- Examination)- আহবানকারী পক্ষের সাক্ষীকে বিরুদ্ধ পক্ষ সাক্ষ্য গ্রহন করলে তাকে বলা হয় জেরা। অন্যভাবে বলা যায়, কোন সাক্ষী যে পক্ষের সাক্ষ্য দিতে আদালতে আসে, সে পক্ষের জিজ্ঞাসাবাদের পর বিপরীত পক্ষ যে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাই জেরা বা Cross- Examination হিসেবে পরিচিত।
সাক্ষ্য আইনের ১৩৯, ১৪০, ১৪৩, ১৪৫, ১৪৬ ও ১৪৭ ধারায় জেরার বিধান রয়েছে।

সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারামতে নিম্নলিখিত উদ্দ্যেশ্যে জেরা করা যায়। যথা-
i) আসামীর সত্যবাদিতা, পরিচয় ও মর্যাদা উদ্ঘাটন এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা;
ii) বিরুদ্ধ পক্ষের সাক্ষীর সাক্ষ্যকে নস্যাৎ বা দুর্বল করা;
iii) সাক্ষীর মুখ দিয়ে জেরাকারীর পক্ষে কথা বের করা; এবং
iv) সাক্ষীর বিশ্বাস যোগ্যতা খন্ডন করার মাধ্যমে প্রদত্ত সাক্ষ্যকে বিশ্বাসের অযোগ্য করে তোলার উদ্দ্যেশ্যে জেরা করা যায়।
v) তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন করাও জেরার উদ্দ্যেশ্যে।
৪৫.
ডিজিটাল স্বাক্ষর আদালত কীভাবে যাচাই করতে পারেন?
  1. নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিলের আদেশের মাধ্যমে
  2. সেই ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিলের আদেশের মাধ্যমে
  3. অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে আদেশের প্রদানের মাধ্যমে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-

(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,

(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।

-------------------
⇒ Proof as to verification of digital signature.
Section  73A.  In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-

(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;

(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৪৬.
কখন নিজের সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়?
  1. অসুস্থ হইলে
  2. সাক্ষী হাজির না হইলে
  3. সাক্ষী পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দিলে
  4. সাক্ষী উপস্থাপনকারীর পক্ষে সাক্ষ্য দিলে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারায় সুস্পষ্টভাবে বৈরী সাক্ষী বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বৈরী সাক্ষী হলো এমন একজন সাক্ষী যে, সে যে উপায়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে বোঝা যায় যে, সে আদালতের নিকট সত্য বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে না। বৈরী সাক্ষী বলতে মিথ্যুক সাক্ষী বোঝায় না। সাক্ষী যে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে সাক্ষীর বৈরীতা বুঝতে হবে। বিষয়টি হলো যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ যখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে, তখন সাক্ষীর নিকট যে প্রশ্ন করা হয় তখন সে উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে পারে বা বৈরী হতে পারে। সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এমন ধরণের সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে।

⇒ ১৫৪ ধারার বক্তব্য অনুযায়ী- বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় যেসব প্রশ্ন করতে পারে, সেসব প্রশ্ন যদি কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে করার অনুমতি চায়, আদালত তা করার অনুমতি দিতে পারে। এরূপ সাক্ষীকে বৈরী/প্রতিকূল সাক্ষী (Hostile witness) বলে ।

⇒ বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী।

⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
৪৭.
Choose the correct sentence:
  1. She had finished her homework before her friends arrive for the study session.
  2. She had finished her homework before her friends arrived for the study session.
  3. She had finished her homework before her friends arriving for the study session.
  4. She had finished her homework before her friends would arrived for the study session.
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নটি করা হয়েছে before এর আগে পরে tense এর ব্যবহার এর উপর ভিত্তি করে।

• Past perfect tense + before + past indefinite tense
- অর্থাৎ  before এর পূর্বে Past perfect tense এবং পরে Past indefinite tense হয়।
Correct sentence: She had finished her homework before her friends arrived for the study session.

• অন্যদিকে,
• Past indefinite tense + after + Past perfect tense
- অর্থাৎ after এর পরে Past perfect tense এবং পূর্বে Past indefinite tense হয়।
- He crossed the main street after the cyclist had looked cautiously.

• Conjunction হিসাবে When এর পূর্ববর্তী ও পরবর্তী বাক্যে একই tense হয়।
- He crossed the main street when the cyclist looked cautiously.

Source: Advanced Learner's English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.
৪৮.
Choose the appropriate preposition:
It's important to rely _________ your instincts in challenging situations.
  1. up
  2. on
  3. of
  4. with
ব্যাখ্যা
Rely on:
Bangla meaning: নির্ভর করা।
Example: It's important to rely on your instincts in challenging situations.

• Appropriate preposition এর ক্ষেত্রে,
- Rely এর সাথে 'নির্ভর করা' অর্থ বুঝাতে on বসে।
- এই বাক্যটির ক্ষেত্রে on বসালে বাক্যটির অর্থ পরিপূর্ণ হয়।
- তাই এই বাক্যে preposition হিসেবে on বসবে।

Source: Advanced Learner's by Chowdhury & Hossain.
৪৯.
"She always comes to our house." The word 'always' is a/an-
  1. verb
  2. noun
  3. adverb
  4. adjective
ব্যাখ্যা
Adverb: 
- যেসব word noun বা pronoun ছাড়া অন্য যেকোন parts of speech, বিশেষ করে verb কে modify করে সেগুলোকে adverb বলে। 

• প্রশ্নে উল্লেখিত always হলো Adverb of frequency/ time.

Adverbs of time: 'when' or 'for how long' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়।
Adverbs of frequency: 'how often' or 'how regularly' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়।

তাই এখানে "always" শব্দটি Adverbs of time ও Adverbs of frequency দুই হিসেবেই বিবেচিত হতে পারে।

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.
৫০.
Choose the synonym of 'Ebullient'.
  1. Decorum
  2. Rambling
  3. Brief
  4. Enthusiasm
ব্যাখ্যা
উল্লেখিত প্রশ্নে Ebullient এর synonym- Enthusiasm.

Ebullient: [adjective]

English Meaning: Excited and enthusiastic.
Bangla Meaning: উচ্ছ্বসিত।

Synonyms: Cheerful, Joyful, Breezy, Liveliness, Enthusiasm.
Antonyms: Depressed, Indolent, Irksome, Lazy, Unambitious.

• প্রশ্নে উল্লেখিত বাকি অপশন গুলোর অর্থ:
- Brief: সংক্ষিপ্ত,
- Rambling: অসংলগ্ন,
- Decorum: শিষ্টতা।

Source: Live MCQ Lecture.
৫১.
FRONTEX কী?
  1. রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা
  2. EU- এর গোয়েন্দা সংস্থা
  3. যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা
  4. EU- এর সীমান্ত বাহিনী
ব্যাখ্যা
FRONTEX হচ্ছে  - EU-এর সীমান্ত বাহিনী।

European Union: 
- European Union (EU) প্রতিষ্ঠিত হয় ১ জানুয়ারি, ১৯৫৮ সালে।
- এর সদর দপ্তর - বেলজিয়ামের ব্রাসেলস।
- ইউরোপিয় ইউনিয়নের একক মুদ্রা - ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক - রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় ইউয়নিয়নের ইউরোপিয় মুদ্রা প্রচলন শুরু  হয় -১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে।
- ইউরোপীয় ইউয়নিয়ভুক্ত দেশ - ২৭ টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ -ক্রোয়েশিয়া।
- ক্রোয়েশিয়া ২০তম দেশ হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর দেশসমূহের সীমান্ত বাহিনীর নাম - FRONTEX।

উৎস: EU-এর ওয়েবসাইট।
৫২.
২০২৪ সালে কততম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ৫৯তম
  2. ৬০তম
  3. ৬১তম
  4. ৬২তম
ব্যাখ্যা
• ২০২৪ সালে ৬০তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

• মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২৪:

- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন একটি উন্মুক্ত ফোরাম, যেখানে নানা দেশের প্রতিনিধিরা দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় নানা বিষয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা করেন।
- আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
- রাষ্ট্রনেতা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছাড়াও এ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বাণিজ্য ও অর্থনীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞ, পরিবেশবিদ, মানবাধিকারকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
- ১৯৬৩ সালে রাজনীতিক, গবেষক ও নাগরিক সমাজকে নিয়ে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের উদ্যোগ শুরু হয়।
- সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় জার্মানির মিউনিখ শহরে।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন।

উৎস: Munich Security Conference ওয়েবসাইট।
৫৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী, দেশে দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ১৭.৭%
  2. ১৮.৭%
  3. ১৮.১৬%
  4. ১৮.২৭%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:

- পুরুষ ও নারীর অনুপাত - ৯৮: ১০০।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ১.৩০%। 
- দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- সাক্ষরতার (৭+) হার - ৭৬.৪% (পুরুষ - ৭৮.৬%, নারী - ৭৪.২%)।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৫৪.
নিচের কোন দুইজন খেতাবধারী মহিলা মুক্তিযোদ্ধা?
  1. ক্যাপ্টেন হালিমা ও তারামন বিবি
  2. ক্যাপ্টেন সুফিয়া বেগম ও পরিজন বিবি
  3. ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম ও তারামন বিবি
  4. ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম ও জাহানারা বেগম
ব্যাখ্যা
তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম:

- বাংলাদেশের দুইজন 'বীরপ্রতীক' খেতাব প্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধার একজন কুড়িগ্রামের তারামন বিবি।
- তারামন বিবির আসল নাম ছিল তারাবানু। 
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি কুড়িগ্রাম জেলায় নিজ গ্রাম শংকর মাধবপুরে ছিলেন।
- মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পরে ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার তাকে স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য 'বীরপ্রতীক' উপাধিতে ভূষিত করে। 
- তিনি ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য অন্য আরেকজন মহিলা মুক্তিযুদ্ধাকে 'বীরপ্রতীক' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তিনি হলেন- ডা. সেতারা বেগম।
- ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে ২নং সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং ডেইলি স্টার পত্রিকা।
৫৫.
একটি ত্রিভুজের যে কোনো একটি কোণ অপর দুটি কোণের সমষ্টির সমান হলে ত্রিভুজটি কোন ধরনের হবে? 
  1. সমকোণী
  2. সমবাহু
  3. সূক্ষ্মকোণী
  4. স্থূলকোণী
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের যে কোনো একটি কোণ অপর দুটি কোণের সমষ্টির সমান হলে ত্রিভুজটি কোন ধরনের হবে? 

সমাধান: 
ধরি, 
বড় কোণ = x 
∴ অপর দুই কোণের সমষ্টি = x 

শর্তমতে, 
x + x = 180° 
বা, 2x = 180° 
বা, x = 180°/2 
∴ x = 90° 
অর্থাৎ, ত্রিভুজটি সমকোণী।
৫৬.
একটি জারে দুধ ও পানির অনুপাত ৫ : ১। দুধের পরিমাণ যদি পানি অপেক্ষা ৮ লিটার বেশি হয়, তবে পানির পরিমাণ কত? 
  1. ৪ লিটার
  2. ৬ লিটার
  3. ২ লিটার
  4. ৮ লিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি জারে দুধ ও পানির অনুপাত ৫ : ১। দুধের পরিমাণ যদি পানি অপেক্ষা ৮ লিটার বেশি হয়, তবে পানির পরিমাণ কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
দুধ : পানি = ৫ : ১ 
ধরি, 
দুধের পরিমাণ = ৫x লিটার 
এবং পানির পরিমাণ = x লিটার 

শর্তমতে, 
৫x - x = ৮ 
বা, ৪x = ৮ 
বা, x = ৮/৪ 
∴ x = ২ 

∴ পানির পরিমাণ = ২ লিটার।
৫৭.
x এর মান কত হলে 24x - 12 = 16 হবে?
  1. 2
  2. 4
  3. 6
  4. 8
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x এর মান কত হলে 24x - 12 = 16 হবে? 

সমাধান: 
24x - 12 = 16 
বা, 24x - 12 = 24 
বা, 4x - 12 = 4 
বা, 4x = 4 + 12 
বা, 4x = 16 
বা, x = 16/4 
∴ x = 4
৫৮.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস নয়?
  1. মাউস
  2. স্পিকার
  3. স্ক্যানার
  4. ওসিআর
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইস: 
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস। 
যেমন- 
- কি-বোর্ড, 
- মাউস
- অপটিকাল রিডার, 
- জয়স্টিক, 
- মাইক্রোফোন, 
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড, 
- লাইট পেন, 
- ওয়েবক্যাম, 
- ওসিআর ইত্যাদি। 

আউটপুট ডিভাইস: 
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস। 
যেমন- 
- মনিটর, 
 - প্রিন্টার, 
- প্রজেক্টর, 
- স্পিকার
- প্লটার, 
- হেডফোন ইত্যাদি। 

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। 
যেমন- 
- পেনড্রাইভ, 
- টাচ স্ক্রিন, 
- মডেম। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৫৯.
জন্ডিস রোগের প্রতিষেধক টিকা নিচের কোনটি থেকে তৈরি করা হয়?
  1. শৈবাল
  2. ছত্রাক
  3. ভাইরাস
  4. ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের উপকারিতা: 
- বিজ্ঞানীরা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ভাইরাসকে বিভিন্নভাবে মানুষের কিছু উপকারে আনতে সক্ষম হয়েছেন। 
যথা- 
১। বসন্ত, পোলিও, এবং জলাতংক রোগের প্রতিষেধক টিকা ভাইরাস দিয়েই তৈরি করা হয়। 
২। ভাইরাস হতে জন্ডিস রোগের প্রতিষেধক টিকা তৈরি করা হয়। 
৩। ভাইরাসকে বর্তমানে বহুল আলোচিত জিনতত্ত্ব ও আণবিক জীববিদ্যা বা জিন প্রকৌশল এ বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। 
৪। ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে ভাইরাস ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন- ফায ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে ব্যাকটেরিয়াজনিত আমাশয় রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। 
৫। কতিপয় ভাইরাস ব্যবহার করে ক্ষতিকর পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ দমন করা সম্ভব হয়েছে। 
৬। জীব সৃষ্টি প্রক্রিয়া, অভিব্যক্তি ও ক্রমবিবর্তনের ধারা সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করার চাবিকাঠি হলো ভাইরাস, কেননা ভাইরাসে জীব ও জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 
৭। লাল টিউলিপ ফুলে ভাইরাস আক্রমণের ফলে লম্বা লম্বা সাদা দাগ পড়ে, এর ফলে ফুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ফুলের মূল্যও বাড়ে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬০.
'গৃহান্তর' কোন সমাস?
  1. দ্বন্দ্ব সমাস
  2. বহুব্রীহি সমাস
  3. কর্মধারয় সমাস
  4. নিত্য সমাস
ব্যাখ্যা
নিত্য সমাস:
- যে সমাসে সমস্যমান পদগুলাে নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না, তাকে নিত্যসমাস বলে।
- তদর্থবাচক ব্যাখ্যামূলক শব্দ বা বাক্যাংশ যােগে এগুলাের অর্থ বিশদ করতে হয়।
যেমন:
- অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর,
- কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র,
- অন্য গৃহ = গৃহান্তর,
- তুমি আমি ও সে = আমরা,
- দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই।

অন্যদিকে:
দ্বন্দ্ব সমাস:
- যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
- দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে।
যেমন:
- ক্ষুধা ও পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা।

বহুব্রীহি সমাস:
- যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনােটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কিছু বােঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- বউ ভাত পরিবেশন করে যে অনুষ্ঠানে = বউভাত,
- লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ = লাঠালাঠি ইত্যাদি।

কর্মধারয় সমাস:
- যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম।
- শান্ত অথচ শিষ্ট = শান্তশিষ্ট।
- কাঁচা অথচ মিঠা = কাঁচামিঠা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।
৬১.
'স্মৃতির নোটবুক' কোন সাহিত্যিকের স্মৃতিকথা?
  1. আব্দুল গাফফার চৌধুরী
  2. নির্মলেন্দু গুণ
  3. আব্দুল মান্নান সৈয়দ
  4. আহমদ ছফা
ব্যাখ্যা
• 'স্মৃতির নোটবুক' - আব্দুল মান্নান সৈয়দ রচিত স্মৃতিকথা।

আবদুল মান্নান সৈয়দ:
- আবদুল মান্নান সৈয়দ কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক, সাহিত্য-সমালোচক।
- তিনি ১৯৪৩ সালের ৩ আগস্ট পশ্চিম বঙ্গের চব্বিশ পরগনায় জন্মগ্রহণ করেন।]
- তিনি প্রথম জীবনে 'অশোক সৈয়দ' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।

আবদুল মান্নান সৈয়দ রচিত উপন্যাস:
- পরিপ্রেক্ষিতের দাস-দাসী, 
- শ্রাবস্তীর দিনরাত্রি,
- অ-তে অজগর, 
- পোড়ামাটির কাজ,
- ক্ষুধাপ্রেম আগুন, 

তাঁর রচিত ছোটগল্প:
- সত্যের মতো বদমাশ,
- চলো যাই পরোক্ষে,
- মৃত্যুর অধিক লাল ক্ষুধা,
- নেকড়ে হায়েনা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৬২.
'আমারে তুমি করিবে ত্রাণ এ নহে মাের প্রার্থনা।' - এখানে 'আমারে' কোন কারক?
  1. কর্তা কারক
  2. কর্ম কারক
  3. করণ কারক
  4. অপাদান কারক
ব্যাখ্যা
কর্ম কারক:
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্ম কারক বলে।
- বাক্যের মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম – উভয় ধরনের কর্মই কর্ম কারক হিসেবে গণ্য হয়।
- সাধারণত মুখ্য কর্ম কারকে বিভক্তি হয় না, তবে গৌণ কর্ম কারকে ‘কে’ বিভক্তি হয়।
যেমন:
- সে রােজ সকালে এক প্লেট ভাত খায়।
- শিক্ষককে জানাও।
- অসহায়কে সাহায্য করাে।

- কাব্যভাষায় কর্মকারকে ‘রে বিভক্তি হয়।
যেমন –
- আমারে তুমি করিবে ত্রাণ এ নহে মাের প্রার্থনা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ- ২০২১)।
৬৩.
‘বিশ্বজনের হিতকর’ এর এককথায় কী হবে?
  1. হিতৈষী
  2. সার্বজনীন
  3. সর্বজনীন
  4. বিশ্বজনীন
ব্যাখ্যা
• 'বিশ্বজনের হিতকর' এর এককথায় প্রকাশ - বিশ্বজনীন
• 'সর্বজনের হিতকর' এর এককথায় প্রকাশ - সর্বজনীন।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ হলো:
- 'সংসদের সদস্য' এর এক কথায় প্রকাশ = সাংসদ ।
- 'সমতার ভাব' এর এক কথায় প্রকাশ = সাম্য।
- 'স্ত্রীর সঙ্গে বর্তমান' এর  এক কথায় প্রকাশ = সস্ত্রীক।
- 'সর্বজনের হিতকর' এর কথায় প্রকাশ - সর্বজনীন।

উৎস:
১) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।