• 'বনৌষধি' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ: 'বন + ওষধি'।
• সন্ধির নিয়ম: অ-কার কিংবা আ-কারের পর ও-কার কিংবা ঔ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঔ-কার হয় ; ঔ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন- বন + ওষধি = বনৌষধি ; মহা + ওষধি = মহৌষধি ইত্যাদি।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণী (২০১৯ সংস্করণ)।
২.
'বদমেজাজ' শব্দের 'বদ' কোন ভাষার উপসর্গ?
ক
বাংলা উপসর্গ
খ
তৎসম উপসর্গ
গ
ফারসি উপসর্গ
ঘ
আরবি উপসর্গ
ব্যাখ্যা
• 'বদমেজাজ' শব্দের 'বদ' ফারসি ভাষার উপসর্গ।
• বিদেশি উপসর্গ: আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে। এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।
• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়। যেমন: - আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের। - ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম। - উর্দু- হিন্দি উপসর্গ: হর। - ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৩.
বহুবচন প্রকাশক পদাশ্রিত নির্দেশক নিচের কোনটি?
ক
খানা
খ
গুলিন
গ
খানি
ঘ
গাছা
ব্যাখ্যা
• পদাশ্রিত নির্দেশক: - যে সব অব্যয় বা প্রত্যয় বিশেষ্য ও সর্বনাম পদকে নির্দেশ করার জন্য বিশেষ্য বা সর্বনামের সঙ্গে যুক্ত হয়, সেগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলা হয়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক: বাংলা ভাষার ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশকের মধ্যে টি, টা, টো, টুকু, টুকুন, টু, টুক, খান, খানা, খানি, খানেক, খানিক, গাছ, গাছি, গাছা, গোটা, গুলি, গুলো, গুলান ইত্যাদি বহুল প্রচলিত।
- বাংলা পদাশ্রিতনির্দেশকের ধরন বাংলা ভাষায় বচনভেদে পদাশ্রিত নির্দেশক বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন-
• একবচন প্রকাশে: টি, টা, খানা, খানি, গাছা, গাছি ইত্যাদি। উদাহরণ- কলমটি, বইটা, বৈঠকখানা, ইত্যাদি।
• কোনো সংখ্যা বা পরিমাপের স্বল্পতা প্রকাশে: টে, টুকু, টুকুন ইত্যাদি। উদাহরণ- তিনটে চাল, ভাতটুকু, পায়েস টুকুন, এতটুকুন মেয়ে প্রভৃতি।
• অনির্দেশক প্রত্যয়: টি, টা, এক, জন, খান ইত্যাদি দ্বারা নির্দিষ্ট কাউকে বোঝায় না। তাই এসব প্রত্যয় অনির্দেশক প্রত্যয় হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। উদাহরণ- একটা গল্প বলি, চারটি ভাত দাও, জন চারেক লোক হলেই চলবে, এক যে ছিল রাণী, গোটা কয়েক সমস্যা ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৪.
'শতকরা আশি' নাটকটির রচয়িতা কে?
ক
হুমায়ুন আহমেদ
খ
সেলিম আল দীন
গ
নুরুল মোমেন
ঘ
আবু জাফর শামসুদ্দীন
ব্যাখ্যা
• 'শতকরা আশি' নাটকটির রচয়িতা- 'নুরুল মোমেন'।
• নুরুলমোমেন: - নুরুল মোমেন এর জন্ম ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গায় ১৯০৬ সালে। - নুরুল মোমেনের প্রথম নাটক রূপান্তর ১৯৪২ সালে ঢাকা বেতার-এ প্রচারিত হয়। - তাঁর 'নেমেসিস' নাটক শনিবারের চিঠি পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ১৯৪৫ সালে। - 'নেমেসিস' নাটকটি পঞ্চাশ-দশকের মন্বন্তরের পটভূমিতে রচিত। - ১৯৪৮ সালে তাঁর 'বহুরূপা' নামে একটি রম্যরচনা প্রকাশিত হয়।
• তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত নাটক: - যদি এমন হতো, - নয়া খান্দান, - আলোছায়া, - আইনের অন্তরালে, - শতকরা আশি, - রূপলেখা, - যেমন ইচ্ছা তেমন।
উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
৫.
'এখন বৃষ্টি হলে ফসলের ক্ষতি হবে।' -বাক্যে অসমাপিকা ক্রিয়াটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
ক
কার্যপরম্পরতা বোঝাতে
খ
সম্ভাব্যতা অর্থে
গ
সাপেক্ষতা বোঝাতে
ঘ
বিধিনিষেধ বোঝাতে
ব্যাখ্যা
'ইলে' > 'লে' বিভক্তিযুক্ত অসমাপিকা ক্রিয়ার কয়েকটি ব্যবহার- • বিধিনিষেধ বোঝাতে- এখানে ময়লা ফেললে শাস্তি হবে • প্রতিফল বোঝাতে- ইট মারলে পিটুনি খেতেই হয়। • সাপেক্ষতা বোঝাতে --তুমি গেলে আমিও যাব। • সম্ভাব্যতা অর্থে - 'এখন বৃষ্টি হলে ফসলের ক্ষতি হবে।' - প্রশ্ন বা বিস্ময় জ্ঞাপনে -- একবার 'মরলে' কি কেউ ফেরে? - বিধিনির্দেশ অর্থে- এখানে প্রচারপত্র লাগালে ফৌজদারিতে সোপর্দ হবে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ।
৬.
স্বাধীনভাবে স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে ভাষায় ব্যবহৃত হয় না কয়টি বর্ণ?
ক
২টি
খ
৩টি
গ
৪টি
ঘ
৫টি
ব্যাখ্যা
• পরাশ্রয়ী ধ্বনি: - ং, ঃ, ঁ এ তিনটি স্বাধীন ভাবে স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে ভাষায় ব্যবহৃত হয় না। - এ বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি অন্য ধ্বনির সঙ্গে মিলিত হয়ে একত্রে উচ্চারিত হয়। - তাই এ বর্ণগুলোকে বলা হয় পরাশ্রয়ী বর্ণ। - খণ্ড-ত (ৎ)- ‘ত বর্ণের হস-চিহ্ন যুক্ত (ত্)-এর রূপভেদ মাত্র।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭.
বাক্যের উদ্দেশ্য বা কর্তা কী করে বা কর্তার কী ঘটে বা হয় তা কোন পদের দ্বারা নির্দেশিত হয়?
ক
বিশেষ্য
খ
বিশেষণ
গ
ক্রিয়া
ঘ
যোজক
ব্যাখ্যা
• ক্রিয়া: বাক্যের উদ্দেশ্য বা কর্তা কী করে বা কর্তার কী ঘটে বা হয়, তা নির্দেশ করা হয় যে পদ দিয়ে তাকে ক্রিয়া বলে। যেমন, সালমান ফুটবল খেলছে। বৃষ্টি হতে পারে।
• ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়া গঠিত হয়। যেমন, পড়্ + ই = পড়ি, পড়্ + এ = পড়ে।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
৮.
'বাচ্যার্থ' শব্দের কোন ধরনের অর্থ প্রকাশ করে?
ক
মূখ্য
খ
গৌণ
গ
প্রত্যক্ষ
ঘ
পরোক্ষ
ব্যাখ্যা
• বাগর্থ: - ভাষা ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য মনের ভাব প্রকাশ করা। - মনের ভাব প্রকাশ করতে মানুষ শব্দ ও শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করে। - এগুলাের অর্থই মূলত বক্তা ও শ্রোতার মধ্যে সংযোেগ ঘটায়। - শব্দ ও শব্দগুচ্ছের অর্থকে বাগর্থ বলে।
• অর্থের শ্রেণিবিভাগ: - অনুসারে শব্দের অর্থ অন্তত দুই রকমের। -কোথাও শব্দের গাঠনিক উপাদানগুলাের অর্থ প্রাধান্য পায়, আবার কোথাও গাঠনিক অর্থ ছাপিয়ে শব্দের ভিন্ন অর্থ তৈরি হয়। - এই দুই ধরনের অর্থের নাম - বাচ্যার্থ ও লক্ষ্যার্থ।
• বাচ্যার্থ: - একটি শব্দ শােনার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মনে যে ছবি বা বােধ জেগে ওঠে, সেটাই শব্দটির বাচ্যার্থ। - অভিধানে অর্থ গ্রহণের বেলায় শব্দের বাচ্যার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। - 'মাথা' শব্দটি শােনার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের ঊর্ধ্বাঙ্গের যে ছবি মনে ভেসে ওঠে, তা-ই ‘মাথা’ শব্দের বাচ্যার্থ। - বাচ্যার্থ হলাে শব্দের মুখ্য অর্থ। - এই অর্থকে আক্ষরিক অর্থও বলা হয়ে থাকে।
• লক্ষ্যার্থ: - একটি শব্দের বাচ্যার্থের বাইরেও আলাদা অর্থ তৈরি হতে পারে। - এই আলাদা অর্থের নাম লক্ষ্যার্থ। - যেমন: 'তিনি গ্রামের মাথা'। - এখানে মাথা’ শব্দ শােনার পরে শ্রোতার মনে শরীরের ঊর্ধ্বাঙ্গের কোনাে ছবি ভেসে ওঠে না, মাননীয় কোনাে ব্যক্তির ছবি ভেসে ওঠে। - লক্ষ্যার্থকে গৌণার্থ বা লাক্ষণিক অর্থ বলা হয়ে থাকে।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
৯.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ নয়?
ক
নিশীথিনী
খ
অভ্যুথান
গ
পিপীলিকা
ঘ
ঘূর্ণ্যমান
ব্যাখ্যা
- শুদ্ধ বানান- অভ্যুত্থান। যার অর্থ উত্থান, উদয়, ওঠা, উন্নতি, সমৃদ্ধি, বিদ্রোহ।
• 'নীশিথীনি' শব্দের সঠিক বানানটি হচ্ছে নিশীথিনী। - যার অর্থ গভীর রাত।
- 'পীপিলীকা' এর শুদ্ধ বানানটি হচ্ছে পিপীলিকা।
• 'ঘূর্ণ্যমান' বানানটি সঠিক। - 'ঘূর্ণ্যমান' শব্দের অর্থ- ঘোরানো হচ্ছে এমন।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম।
১০.
'পাতিস নে শিলাতলে পদ্মপাতা'- কী অর্থে অনুজ্ঞার ব্যবহার হয়েছে?
ক
আদেশ
খ
উপদেশ
গ
অনুরোধ
ঘ
বিধান
ব্যাখ্যা
• অনুজ্ঞা বা আদেশসূচক বাক্য: - যে বাক্য আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ, নিষেধ ইত্যাদি অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে অনুজ্ঞা বাক্য বলে।
• 'পাতিস নে শিলাতলে পদ্মপাতা'- উপদেশ অর্থে অনুজ্ঞার ব্যবহার হয়েছে।
• কিছু অনুজ্ঞার উদাহরণ: - 'আদেশ' অর্থে - তোমরা এখন যাও, হাতমুখ ধুয়ে পড়তে বসো। - 'অনুরােধ' অর্থে - অঙ্কটা বুজিয়ে দাও না - 'উপদেশ' অর্থে - পাতিস নে শিলাতলে পদ্মপাতা। - 'প্রার্থনা' অর্থে- আমার দরখাস্তটা পড়ুন।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০১৯ সংস্করণ)।
• প্রশ্নবােধক, অনুজ্ঞাসূচক ও আবেগসূচক প্রত্যক্ষ উক্তিকে পরােক্ষ উক্তিতে পরিবর্তন করতে হলে প্রধান খণ্ডবাক্যের ক্রিয়াকে ভাব অনুসারে পরিবর্তন করতে হয়। যেমন- অনুজ্ঞাসূচক বাক্য: প্রত্যক্ষ উক্তি: রাইতুল বলল, “তােমরা আগামীকাল এসাে।” পরােক্ষ উক্তি: রাইতুল তাদের পরদিন আসতে (বা যেতে) বলল।
প্রত্যক্ষ উক্তি: তিনি বললেন, “দয়া করে ভেতরে আসুন।” পরোক্ষ উক্তি: তিনি আমাকে ভেতরে যেতে অনুরোধ করলেন।
উৎস; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম - দশম শ্রেণি, (২০১৯ সংস্করণ)।
১২.
'অবগাহন' এর 'অব' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৩.
কোনটি সাধিত শব্দ?
ক
গাছ
খ
মাছ
গ
প্রহার
ঘ
চাঁদ
ব্যাখ্যা
• 'প্রহার'- সাধিত শব্দ।
• সাধিত শব্দ: একাধিক শব্দের সমাস হয়ে বা ধাতু ও শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগ হয়ে যে শব্দ তৈরি হয়, তাকে সাধিত শব্দ বলে। মৌলিক শব্দ ছাড়া অন্য সকল শব্দই সাধিত শব্দ। যেমন- জমিদার শব্দটি বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত। যেমন: জমিদার = জমিদার + ই, পেশা বা বৃত্তি অর্থে বিশেষ্য শব্দ গঠন করে। উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ - প্রহার, উপহার।
• মৌলিক শব্দ: যে শব্দকে আর কোনভাবে বিশ্লেষণ করা যায়না বা ভাঙ্গা যায়না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। উপরের গাছ, চাঁদ, মাছ এই তিনটি শব্দকে আর আলাদা করে বিশ্লেষণ করা যায়না।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা-ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর, মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
'আইন' শব্দের সমার্থক নয় কোনটি?
ক
বিধান
খ
কানুন
গ
ধারা
ঘ
সদন
ব্যাখ্যা
• 'আইন' শব্দের সমার্থক নয়- 'সদন'। 'সদন' হলো 'গৃহ'- এর সমার্থক শব্দ।
• 'গৃহ'- এর সমার্থক শব্দ: সদন, আগার, আবাস, বাটি, কুটির, নিকেতন, নিলয়, বাড়ি, আলয় ইত্যাদি।
• 'আইন'- এর সমার্থক শব্দ: - বিধান, - কানুন, - ধারা, নিয়ম ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৫.
'যদি রোধ ওঠে, তবে রওনা দেবো'- বাক্যটিতে কোন ধরনের যোজক ব্যবহৃত হয়েছে?
ক
কারণ যোজক
খ
বিরোধ যোজক
গ
সাপেক্ষ যোজক
ঘ
বিকল্প যোজক
ব্যাখ্যা
'যদ রোধ ওঠে, তবে রওনা দেবো'- বাক্যটিতে 'সাপেক্ষ যোজক' ব্যবহৃত হয়েছে।
• সাপেক্ষ যোজক: এ ধরনের যোজক একে অন্যের পরিপূরক হয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। যেমন – যত গর্জে তত বর্ষে না। যদি রোদ ওঠে, তবে রওনা দেব । যত পড়ছি, ততই নতুন করে জানছি।
• কারণ যোজক: - এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের মধ্যে সংযোগ ঘটায় যার একটি অন্যটির কারণ। যেমন – যেহেতু ঠান্ডা লেগেছে তাই আইসক্রিম খাচ্ছি না। জিনিসের দাম বেড়েছে, কারণ চাহিদা বেশি। বসার সময় নেই, তাই যেতে হচ্ছে।
• বিকল্প যোজক: এ ধরনের যোজক একাধিক শব্দ বা বাক্যের মধ্যে বিকল্প নির্দেশ করে । যেমন – সারাদিন খুঁজলাম অথচ বইটা পেলাম না। লাল বা নীল কলমটা আনো ৷ চা না-হয় কফি খান।
• বিরোধ যোজক: এ ধরনের যোজক বাক্যের দুটি অংশের সংযোগ ঘটায় এবং প্রথম বাক্যের বক্তব্যের সঙ্গে বিরোধ তৈরি করে। যেমন - এত বৃষ্টি হলো তবু গরম গেল না। এত পড়লাম, কিন্তু পরীক্ষায় ভালো করতে পারলাম না ৷ তাকে আসতে বললাম, তবু এল না।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।