পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
সাধারণ বিজ্ঞান: টপিকসমূহ: আধুনিক বিজ্ঞান: বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, টাইড, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, জোয়ার-ভাটা, জীব-বৈচিত্র, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর উপাদান ও এর ব্যবহার, আধুনিক ভূগোল সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান ও ভূগোল বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে বায়ুর চাপ অত্যন্ত কম এবং মেঘ ও জলীয় বাষ্পহীন?
  1. ক) ট্রপোস্ফেয়ার
  2. খ) স্ট্রাটোস্ফেয়ার
  3. গ) মেসোস্ফেয়ার
  4. ঘ) থার্মোস্ফেয়ার
সঠিক উত্তর:
গ) মেসোস্ফেয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মেসোস্ফেয়ার
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডলের মেসোস্ফেয়ার স্তরে বায়ুর চাপ অত্যন্ত কম এবং মেঘ ও জলীয় বাষ্পহীন
- বায়ুর তাপমাত্রার বিন্যাসের ভিত্তিতে বায়ুমন্ডলকে প্রধান ছয়টি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।
- বায়ুমণ্ডলের স্তরসমূহ হলো:
১. ট্রপোস্ফেয়ার
২. স্ট্রাটোস্ফেয়ার
৩. মেসোস্ফেয়ার
৪. থার্মোস্ফেয়ার
৫. আয়নোস্ফেয়ার
৬. এক্সোসফেয়ার

মেসোস্ফেয়ার:
মেসো অর্থ মধ্যভাগ। মেসোস্ফেয়ার সাধারণত থার্মোস্ফেয়ার এবং স্ট্রাটোস্ফেয়ার এর মাঝ বরাবর অবস্থান করে।
- এই স্তরে বায়ুর চাপ অত্যন্ত কম এবং মেঘ ও জলীয় বাষ্পহীন।
- ফলে এখানে শ্বাসপ্রশ্বাস সম্ভব নয় এই স্তরের ওপরের অংশকে মোসোপজ বলে।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পৃথিবীর আলোকিত এবং অন্ধকার অংশের মধ্যবর্তী বৃত্তাকার অংশকে কী বলে?
  1. ক) উষা
  2. খ) গোধূলি
  3. গ) গুরুবৃত্ত
  4. ঘ) ছায়াবৃত্ত
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছায়াবৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছায়াবৃত্ত
ব্যাখ্যা
ছায়াবৃত্ত: পৃথিবীর আলোকিত এবং অন্ধকার অংশের মধ্যবর্তী বৃত্তাকার অংশকে ছায়াবৃত্ত বলে।
- আবর্তনের ফলে পৃথিবীর যে অংশ অন্ধকার থেকে ছায়াবৃত্ত পার হয়ে সবেমাত্র আলোকিত অংশ পৌঁছায় সেখানে প্রভাত হয়।
- প্রভাতের কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সেখানে ঊষা এবং সন্ধ্যার কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সে সময়কে গোধূলি বলে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে গেলে বায়ুচাপের কি পরিবর্তন হয়?
  1. ক) বায়ুচাপ বেড়ে যায়
  2. খ) বায়ুচাপ কমে যায়
  3. গ) বায়ুচাপ স্থির থাকে
  4. ঘ) বায়ুচাপ কখনো বাড়ে কখনো কমে
সঠিক উত্তর:
খ) বায়ুচাপ কমে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বায়ুচাপ কমে যায়
ব্যাখ্যা
• বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে গেলে বায়ুচাপ কমে যায়
- বায়ুতে তাপমাত্রা বাড়লে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে যায়।
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে অবস্থিত জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাপকে তুল্য আর্দ্রতা বলে।
- তুল্য আর্দ্রতার সাথে শিশিরাঙ্কের সম্পর্ক রয়েছে।
- যে তাপমাত্রার বায়ু জলীয়বাষ্পে সম্পৃক্ত হয় তা শিশিরাঙ্ক নামে পরিচিত।
- অর্থাৎ বায়ুতে উপস্থিত জলীয়বাষ্প দ্বারা ঐ বায়ুতে সম্পৃক্ত করতে হলে যে তাপমাত্রা পর্যন্ত শীতল করা প্রয়োজন সেই তাপমাত্রাকে শিশিরাঙ্ক বলে।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বায়ুর ঘর্ষণ বলের মাত্রা কীসের উপর নির্ভরশীল?
  1. ক) ভূ-পৃষ্ঠের অসমতার উপর
  2. খ) কোরিওলিস প্রভাবের উপর
  3. গ) বায়ুর গতির উপর
  4. ঘ) মাধ্যাকর্ষণ শক্তির উপর
সঠিক উত্তর:
ক) ভূ-পৃষ্ঠের অসমতার উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভূ-পৃষ্ঠের অসমতার উপর
ব্যাখ্যা
• বায়ুর ঘর্ষণ বলের মাত্রা ভূ-পৃষ্ঠের অসমতার উপর উপর নির্ভরশীল। 
- বায়ুপ্রবাহের গতিতে ঘর্ষণশক্তির প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ।
- বায়ু যখন ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় তখন অসমতল ভূমিরূপের কারণে সংঘর্ষ ও ঘর্ষণের সৃষ্টি করে।
- ঘর্ষণ বলের মাত্রা ভূ-পৃষ্ঠের অসমতার উপর নির্ভরশীল।
- আকাশচুম্বী অট্টালিকাসমৃদ্ধ নগরী অথবা পাহাড়ী অসমগঠনে ঘর্ষণ মাত্রা বেশি হয়।
- অন্যদিকে সমুদ্র পৃষ্ঠে বায়ুপ্রবাহ মসৃন তলের উপর কম ঘর্ষণের সৃষ্টি করে।
- এছাড়াও মাধ্যাকর্ষণ ও কেন্দ্রবিমুখী বলও বাযুপ্রবাহের উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখে।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনগুলি জলবায়ুর নিয়ামক?
  1. ক) মৃত্তিকা, অক্ষাংশ
  2. খ) বার্ষিক গতি
  3. গ) আহ্নিকগতি
  4. ঘ) বায়ুর মৃদুভাবাপন্ন
সঠিক উত্তর:
ক) মৃত্তিকা, অক্ষাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মৃত্তিকা, অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা
• মৃত্তিকা, অক্ষাংশ জলবায়ুর নিয়ামক।

• জলবায়ুর নিয়ামকসমূহ:
আবহাওয়া ও জলবায়ু কিছু উপাদানসমূহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। নিম্নে এদের সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-
১. অক্ষাংশ: সূর্যকিরণ একেক অক্ষাংশে একেকভাবে পড়ে। তাই এটি জলবায়ুর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এই অঞ্চলে বায়ুর তাপ বেশি হয়।
- আবার উচ্চ অক্ষাংশে সূর্য তির্যকভাবে কিরণ দেয়, ফলে বায়ুর তাপ কম হয়। 
২. উচ্চতা: উচ্চতা যত বৃদ্ধি পায় বাযুমন্ডলীয় তাপমাত্রা তত বেশি হ্রাস পায়।
- সাধারণত প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতায় ৬°সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়।
- উচ্চতার জন্যই একই অক্ষাংশে অবস্থিত দুই জায়গার জলবায়ুতে পার্থক্য দেখা যায়।
৩. সমুদ্র থেকে দূরত্ব: সমুদ্র থেকে দূরত্বও জলবায়ুতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে।
- জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে।
৪. বায়ুপ্রবাহ: বায়ুপ্রবাহের জন্য কোনো এলাকার জলবায়ুতে বিশেষ বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়।
- যেমন- কোনো এলাকায় যদি জলীয়বাম্পপূর্ণ বায়ু প্রবাহিত হয় তবে এ এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় । 
৫. সমুদ্রস্রোত: শীতল বা উষ্ণ সমুদ্রস্রোতের প্রভাবে উপকূল সংলগ্ন এলাকার বায়ু ঠান্ডা বা উষ্ণ হয়।
- যেমন, উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের প্রভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলবর্তী এলাকার উষ্ণতা বেড়ে যায়।
৬. পর্বতের অবস্থান: উচ্চ পর্বত রয়েছে এমন অঞ্চলে বায়ু প্রবাহ বাধা পাওয়ায় জলবায়ুও ভিন্নরকম হয়।
- পর্বতের অবস্থানের কারণেই হিমালয়ের আশেপাশে বৃষ্টিপাত বেশি হয়।
৭. ভূমির ঢাল: ভূমির ঢালের কারণে সূর্যকিরণ পতিত হবার ধরণেও পার্থক্য হয়।
- তাই ভূমির ঢালের অবস্থান জলবায়ু পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে।
৮. মৃত্তিকা: অনাবৃত এলাকায় বেলেমাটি দ্রুত ঠান্ডা বা গরম হয়ে উঠে।
- আবার পলিমাটি তাপ সংরক্ষণ ক্ষমতার জন্য ঠান্ডা বা গরম হতে বেশি সময় নেয়।
- সুতরাং মৃত্তিকার গুণাগুনও জলবায়ুর একটি নিয়ামক।
৯. বনভূমির অবস্থান: বনভূমির অবস্থানের জন্যই বায়ুর উষ্ণতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রকোপ ইত্যাদির হারকে কমিয়ে নিতে সাহায্য করে।
- বৃষ্টিপাত ঘটানো এবং অন্যান্য আবহাওয়া ও জলবায়ুতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এই বনভূমির অবস্থান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ভূমিকম্পের কারণ কী?
  1. ক) পাত সঞ্চালন
  2. খ) বৃষ্টির পানি
  3. গ) সমুদ্রের স্রোত
  4. ঘ) কল-কারখানার বর্জ্য
সঠিক উত্তর:
ক) পাত সঞ্চালন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাত সঞ্চালন
ব্যাখ্যা
• ভূমিকম্পের কারণ পাত সঞ্চালন
- ভূত্বক প্রধানত সাতটি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত, সেগুলো নিম্মস্থ ভ্রাম্যমাণ উষ্ণ গুরুমন্ডলীয় পদার্থের উপর ভাসছে। এগুলোকে বলা হয় পাত সঞ্চালন বা প্লেট টেকোনিক।
- পৃথিবীর ভূ-ত্বক, প্রধান ৭টি পাত, ৯টি অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র পাত এবং ১৯টি অতি ক্ষুদ্র পাতের সমন্বয়ে গঠি।
- বিভিন্ন আকৃতির পাতের মধ্যে ৭টি বৃহৎ আকৃতির পাত বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। যথা:
১. প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাত
২. ইউরেশিয়ান পাত
৩. উত্তর আমেরিকান পাত
৪. দক্ষিণ আমেরিকান পাত
৫. আফ্রিকান পাত
৬. অস্ট্রেলীয় পাত এবং
৭. অ্যান্টার্কটিকা পাত।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাষ্পীভবন প্রক্রিয়ায় জলীয়বাষ্প কোথায় মিশে যায়?
  1. ক) সমুদ্রে
  2. খ) শিশির কণায়
  3. গ) বায়ুমন্ডলে
  4. ঘ) নভোমন্ডলে
সঠিক উত্তর:
গ) বায়ুমন্ডলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বায়ুমন্ডলে
ব্যাখ্যা
• বাষ্পীভবন প্রক্রিয়ায় জলীয়বাষ্প বায়ুমন্ডলে মিশে যায়।
- বাষ্পীভবন এমন একটি প্রক্রিয়া যার দ্বারা নদী, হ্রদ, জলাশয় বা সমুদ্রের পানি সূর্যের তাপে বাষ্পে পরিণত হয় এবং তা বায়ুমন্ডলে মিশে যায়।
- এই জলীয়বাষ্প হালকা বলে তা উপরে উঠে বায়ুমন্ডলে অদৃশ্য হয় যেতে সক্ষম হয়।
- এক্ষেত্রে বায়ুর উষ্ণতার পরিমাণের উপর নির্ভর করে যে কতটুকু জলীয়বাষ্প ধারণ করা সম্ভব হবে।
- জলীয়বাষ্প প্রধানত সমুদ্র থেকে বাষ্পীভূত হলেও নদ-নদী ও উদ্ভিদ জগতও জলীয়বাষ্পের অন্যতম উৎস।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সমুদ্র থেকে শীতল ও উচ্চচাপ বায়ু মূলভাগের দিকে প্রবাহিত, কারণ এটি-
  1. ক) সমুদ্র বায়ু
  2. খ) মৌসুমি বায়ু
  3. গ) স্থলবায়ু
  4. ঘ) স্থানীয় বায়ু
সঠিক উত্তর:
ক) সমুদ্র বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সমুদ্র বায়ু
ব্যাখ্যা
• সমুদ্র থেকে শীতল ও উচ্চচাপ বায়ু মূলভাগের দিকে প্রবাহিত, কারণ এটি সমুদ্র বায়ু।
- সূর্যাস্তের পর সমুদ্রের চেয়ে স্থলভাগ দ্রুত শীতল হয়।
- এ সময় স্থলভাগে উচ্চচাপ বিরাজ করে।
- স্থলভাগের এই উচ্চচাপ থেকে তখন বায়ু সমুদ্রের দিকে প্রবাহিত হয় এবং এই বায়ুপ্রবাহকে বলা হয় স্থলবায়ু।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন শিল্পে ব্যবহৃত রঞ্জক পদার্থ পানি দূষণের জন্য বেশি দায়ী?
  1. ক) সিমেন্ট
  2. খ) ইউরিয়া শিল্প
  3. গ) টেক্সটাইল
  4. ঘ) চামড়া ও ডায়িং শিল্প
সঠিক উত্তর:
গ) টেক্সটাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টেক্সটাইল
ব্যাখ্যা
টেক্সটাইল শিল্পে ব্যবহৃত রঞ্জক পদার্থ পানি দূষণের জন্য বেশি দায়ী।
- টেক্সটাইল ও ডায়িং শিল্প বিশ্বের অন্যতম পরিবেশ দৃষণকারী একটি শিল্প।
- বাংলাদেশের শিল্প কলকারখানা থেকে নির্গত দূষিত পানির শতকরা ১৭-২০ ভাগই আসে টেক্সটাইল ও ডায়িং শিল্প হতে।
- টেক্সটাইল ও ডায়িং শিল্পে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রকার রঞ্জক পদার্থের সাথে লবণ, ক্ষার, ভারী ধাতু, জারক ও বিজারক দ্রব্য, এসিড ইত্যাদি দূষক হিসেবে পরিবেশে যুক্ত হয়।

উৎস: রসায়ন-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে যাওয়ায় যেসব জলাশয় প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হয় তাকে কী বলে?
  1. ক) ব-দ্বীপ
  2. খ) হাওর
  3. গ) বাওড়
  4. ঘ) বিল
সঠিক উত্তর:
গ) বাওড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাওড়
ব্যাখ্যা
• নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে যাওয়ায় যেসব জলাশয় প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি হয় তাকে বাওড় বলে।
- হাওর হচ্ছে বিশাল আকৃতির জলাশয় যা ভূআলোড়নের ফলে সৃষ্টি হয় এবং সেখানে অনেক পানি জমে।
- অন্যদিকে বাওর হল পুরাতন নদীর গতিপথ পরিবর্তনের মাধ্যমে সৃষ্ট জলাশয়।
- বিল পুরাতন নদীর গতিপথের ধার ঘেঁষে সৃষ্টি হয়।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
কোন পদার্থের বর্জ্য শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি ও নদীর নাব্যতা কমানোর জন্য বহুলাংশে দায়ী?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম
  2. খ) প্লাস্টিক
  3. গ) কাঁচ
  4. ঘ) পেপার
সঠিক উত্তর:
খ) প্লাস্টিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্লাস্টিক
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিকের বর্জ্য শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি ও নদীর নাব্যতা কমানোর জন্য বহুলাংশে দায়ী।
- দামে সস্তা ও সহজলভ্য হওয়ায় বর্তমানে প্লাস্টিক পণ্যের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
- বাস্তবতা হল প্লাস্টিক সামগ্রী পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ।
- পরিত্যক্ত প্লাস্টিক বর্জ্য অনুজীব দ্বারা আক্রান্ত হয় না বলে অপরিবর্তিত অবস্থায় বছরের পর বছর ধরে মাটিতে থেকে যায়।
- ফলে বর্জ্য প্লাস্টিক মাটির উর্বরতা নষ্ট করে, নদীর নিচে তলানী হিসেবে জমা হয়ে নদীর নাব্যতা কমিয়ে দেয়, জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় ও পানি দূষণ ঘটায়।
- তাই বলা যায় ব্যবহার অনুপোযোগী প্লাস্টিক পরিবেশের জন্য খুবই ক্ষতিকর। 

উৎস: রসায়ন-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
কোন গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজন স্তরকে ক্ষতি করে?
  1. ক) কার্বন মনোক্সাইড
  2. খ) কার্বন ডাইঅক্সাইড
  3. গ) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
  4. ঘ) মিথেন
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
ব্যাখ্যা
• গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরকে ক্ষতি করে কিন্তু এর মধ্যে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে।
- সিএফসি এর মধ্যে CFC12 এবং CFC13 সর্বাধিক ক্ষতিকর।
- CFC12 এবং CFC13 এর কার্বন যৌগগুলো জায়মান দশায় ক্লোরিন উৎপাদন করে।
- উৎপন্ন ক্লোরিন ওজোনের সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনের অণু ধ্বংস করে।
- এক লক্ষ ওজোনের অণু ধ্বংসের জন্য একটি ক্লোরিনের অণুই যথেষ্ট।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
তুল্য আর্দ্রতার সাথে কীসের সম্পর্ক আছে?
  1. ক) শিশিরাঙ্কের
  2. খ) বায়ুর ঘনত্ব
  3. গ) বায়ুর তাপমাত্রা
  4. ঘ) কুয়াশা
সঠিক উত্তর:
ক) শিশিরাঙ্কের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শিশিরাঙ্কের
ব্যাখ্যা
তুল্য আর্দ্রতার সাথে শিশিরাঙ্কের সম্পর্ক আছে।

• তুল্য আর্দ্রতা:
কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে অবস্থিত জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাপকে তুল্য আর্দ্রতা বলে।
- তুল্য আর্দ্রতা দুই পদ্ধতিতে পরিমাপ করা যায়। যথা- হাইগ্রোমিটার এবং সাইক্রোমিটার।
-উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ২৫০° সে. তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত ১ কিলোগ্রাম বায়ুতে ২০ গ্রাম জলীয়বাষ্প থাকে।
- যদি কোনো সময়ের বায়ুতে উপস্থিত জলীয়বাষ্পের পরিমাণ ১০ গ্রাম হয় তবে এ সময়ের তুল্য আর্দ্রতা হবে ১০/২০ অথবা ৫০ শতাংশ।
- তুল্য আর্দ্রতার সাথে শিশিরাঙ্কের সম্পর্ক রয়েছে।
- যে তাপমাত্রার বায়ু জলীয়বাষ্পে সম্পৃক্ত হয় তা শিশিরাঙ্ক নামে পরিচিত। 

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।