পরীক্ষা আর্কাইভ

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived]

পরীক্ষাউপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়11 minutes
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
"পরীক্ষা - ৬ বিগত ৫টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা। "
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived]

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
শিমের গ্রীষ্মকালীন জাতের বীজ কখন বপন করা হয়?
  1. গ্রীষ্মকালে
  2. বর্ষাকালে
  3. শীতকালে
  4. সারাবছর
ব্যাখ্যা
শিম চাষ:
- শিম আমিষ সমৃদ্ধ একটি সবজি।
- শিম এবং এর বীজ উভয়ই জনপ্রিয় শীতকালীন সবজি।
- এটি উচ্চ আঁশযুক্ত, ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ যা মানুষের জন্য খুবই উপকারী।
- এর মূলে নডিউল জাত আছে তা বায়ুমন্ডলের নাইট্রোজেন সংবদ্ধ করে নাইট্রোজেন মাটিতে যুক্ত করতে পারে।

⇒ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত বারি শিম-১, বারি শিম-২, বারি শিম-৩, বারি শিম-৪, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভাবিত ইপসা শিম, এছাড়া কার্তিকা, বারমাসি জনপ্রিয় জাতের মধ্যে অন্যতম।
- এছাড়াও বিভিন্ন বীজ কোম্পানি থেকে নিত্য নতুন জাত বাজারজাত করছে।

⇒ জলবায়ু ও মাটি:
- শিম শীতকালীন এবং খরা সহিষ্ণু সবজি।
- দোআঁশ মাটি শিমের জন্য ভালো তবে সার ও পানি ব্যবস্থাপার মাধ্যমে যেকোন মাটিতে ভালো জন্মে।
- মাটির pH ৬.৫-৮.৫ হলে ভালো।
- ফসলের অঙ্গজবৃদ্ধি ও পুষ্পায়ন জন্য তাপমাত্রা ও দিবস দৈর্ঘ্য যথেষ্ট প্রভাব ফেলে।
- এ সবজি গাছের অঙ্গজ বৃদ্ধির জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু এবং দীর্ঘ দিবস প্রয়োজন।
- কিন্তু প্রজননের জন্য নিম্ন তাপমাত্রা ও কম দিবস দৈর্ঘ্য প্রয়োজন।
- শীতকালীন জাতগুলোতে কেবল শীতের প্রভাবেই পুষ্পায়ন ঘটে.
- গ্রীষ্মকালীন জাতগুলো দিবস নিরপেক্ষ হওয়ায় বছরের যে কোনো সময় বীজ বপন বা চারা রোপন করা হউক না কেন যথাসময়ে পুষ্পায়ন ঘটে থাকে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
প্রতি ১০° সে. তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে মৃত্তিকার রাসায়নিক বিক্রিয়া কতগুণ হয়?
  1. ২ গুণ
  2. ৩ গুণ
  3. ৪ গুণ
  4. ৫ গুণ
ব্যাখ্যা
মৃত্তিকা গঠনের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা:
- মৃত্তিকা গঠনের ক্ষেত্রে তাপমাত্রার প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রতি ১০° সে. তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে মৃত্তিকার রাসায়নিক বিক্রিয়া দ্বিগুণ হয়। 

⇒ মেরু অঞ্চলে তাপমাত্রা হচ্ছে মৃত্তিকা গঠনের বিরোধিতাকারী একটি শক্তি।
- নিচু তাপমাত্রার কারণে সেখানে কোন পরিস্কার রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে না।
- শুষ্ক অঞ্চলেও পরিস্রবনের পরিমাণ কম।
- যার কারণ হচ্ছে অধিক বাস্পীভবন।

⇒ উচু পর্বত অঞ্চলে শীতকাল দীর্ঘ হওয়ায় মৃত্তিকা প্রোফাইল এর ভিতর দিয়ে পরিস্রবনের পরিমাণ কম হয়।
- ফলে হ্রদ জলভূমি পীট গঠিত হয়।
- নিচু তাপমাত্রায় অণুজীবের কার্যকলাপ সীমিত হওয়ায় জৈব পদার্থ সঞ্চিত হতে থাকে।
- ফলে এসব অঞ্চলে জৈব পদার্থের স্তর বেশ বিস্তৃত হয় এবং পিটের নিচে কোন মৃত্তিকা স্তর গঠিত হয় না।

⇒ অপরপক্ষে, আর্দ্র গ্রীষামন্ডল ও উপ-গ্রীযামন্ডল অঞ্চলে উদ্ভিদ প্রচুর পরিমাণে জন্মে এবং অবশেষে বিগলিত হওয়ার ফলে জৈবপদার্থ খুব কম হয়।
- যে সব এলাকায় উত্তাপ ও আর্দ্রতা বেশি সেখানে মাটিতে কর্দম কণা বেশি দেখা যায় কারণ অবক্ষয় প্রক্রিয়া বেশি মাত্রায় হয়।
- কিন্তু হীম ও শুল্ক বা হীম ও আর্দ্র এলাকায় ইহা কম হয়।
- তাপমাত্রা বেশি ও বৃষ্টিপাত কম হলে মৃত্তিকার ধনাত্রাক আয়ন বেশি ধরে রাখতে পারে এবং চুয়ানী পানির পরিমাণ কম হয়।

উৎস: মৃত্তিকা বিজ্ঞান, কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পুঁইশাক কীসের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে থাকে?
  1. বীজ
  2. কান্ড
  3. পাতা
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
পুঁইশাক:
- পুঁইশাকের ইংরেজি নাম হল Indian Spinach।
- পুঁইশাক গ্রীষ্মকালীন পাতা জাতীয় সবজির মধ্যে অন্যতম।
- পুঁইশাক যদিও গ্রীষ্মকালে পর্যাপ্ত পরিমাণে জন্মে তবে সারা বছর ধরেই পাওয়া যায়।

⇒ জলমায়ু ও মাটি:
- পুঁইশাক উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুতে ভালো জন্মে।
- এটি যে কোন জায়গায় জন্মাতে পারে।
- জাত স্থানীয় সবুজ ও লাল সাধারণত দুটি জাত দেখা যায়।
- লাল জাতের তুলনায় সবুজ জাত দ্রুত বাড়ে এবং ফলন বেশি।
- তবে লাল জাতের স্বাদ ও পুষ্টিমান বেশি।

⇒ বংশ বিস্তার:
- বীজ বা কান্ডের সাহায্যে বংশবিস্তার করে থাকে।
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষ করার জন্য বীজের মাধ্যমে চাষাবাদ করে থাকে।
- বীজের পরিমাণ সারিতে বীজ বপনের জন্য প্রতি হেক্টরে ১.৫-৩ কেজি বীজ প্রয়োজন।
- বীজ লাগানোর সময় পুঁইশাক সাধারণত এপ্রিল মে পর্যন্ত চাষাবাদ করা হয়।
- সেচের ব্যবস্থা করা গেলে রবি মৌসুমেও করা যায়। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশ সরকার কত সালে সামাজিক বনায়ন বিধিমালা প্রবর্তন করে?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০১০ সালে
ব্যাখ্যা
সামাজিক বনায়ন (Social Afforestration):
- প্রতিটি দেশের আয়তনের শতকরা ২৫ ভাগ বৃক্ষ বা বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- এ জন্য প্রয়োজন সুষ্ঠু বনায়ন ব্যবস্থাপনা।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে থেকে বনায়ন কর্মসুচী গ্রহণ করে।
- যে বনায়ন বা বন ব্যবস্থাপনায় জনসাধারণ সরাসরি জড়িত থাকে বা অংশগ্রহণ করে অর্থাৎ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণে এবং জনগণ দ্বারা সৃষ্ট বনকে সামাজিক বনায়ন বা বন বলে।

⇒ বাংলাদেশের সামাজিক বনায়ন কর্মসূচী:
- জলবায়ু পরিবর্তনের সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবেলায় লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার সামাজিক বনায়নের ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করেছে।
- বন বিভাগ ১৯৬০ দশকের শুরুর দিকে বন সম্প্রসারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সর্বপ্রথম বনায়ন কর্মসূচী বনাঞ্চলের বাইরে জনগণের কাছে নিয়ে যায়।
- বাংলাদেশের বন বিভাগ ১৯৮১-৮২ সালে এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) আর্থিক সহযোগীতায় উত্তরাঞ্চলের ২৩ টি জেলার জনগণকে অংশীদার করে প্রথম সামাজিক বনায়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে।
- এরপর ১৯৯৫-৯৭ সালে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় করে সম্প্রসারিত সামাজিক বনায়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে।
- ১৯৯৫- ২০০২ সালে এশিয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে উপকুলীয় সবুজ বেষ্টনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়।
- সামাজিক বনায়নকে আরও শক্তিশালী করার জন্য সরকার ২০০৪ সালে সামাজিক বনায়ন বিধিমালা প্রবর্তন করে
- যা আরো কার্যকর ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে ২০১০ সালে সংশোধনী আনা হয়।
- সংশোধিত বিধিমালায় সরকারী বন ভূমিতে বনায়নের জন্য স্থানীয় জনগোষ্ঠিীর বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন মাটি গোলাপ চাষের জন্য উত্তম?
  1. দোআঁশ মাটি
  2. এঁটেল মাটি
  3. বেলে মাটি
  4. বেলে-এঁটেল মাটি
ব্যাখ্যা
গোলাপ:
- গোলাপ ফুলকে ফুলের রাণী বলা হয়ে থাকে।
- এর কোমলতা, বর্ণ, সুগন্ধ এমন কেউ নেই যাকে আকৃষ্ট করে না।
- সাজ সজ্জায় কাটা ফুল হিসেবে কদর রয়েছে।
- এছাড়া সুগন্ধি প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়।
- পৃথিবী জুড়ে গোলাপের অসংখ্য জাত রয়েছে।
- জাতগুলোর কোনোটির গাছ বড়, কোনোটি ঝোপালো, কোনোটি লতানো।
- শাখা কলম, দাবা কলম এবং চোখ কলম এর মাধ্যমে গোলাপের বংশ বিস্তার করা হয়।

⇒ মাটি, জলবায়ু ও জমি নির্বাচন:
- গোলাপের জন্য রৌদ্যজ্জল, সুনিষ্কশিত ও জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ দোআঁশ মাটি গোলাপ চাষের জন্য উত্তম।
- মাটির পিএইচ ৬.০-৭.৫ এর মধ্যে হওয়া উচিত।
- পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করতে পারে এ ধরনের স্থান পরিত্যাগ করা উচিত।

⇒ গোলাপের বংশ বিস্তার:
- বীজ, শাখা কলম, দাবা কলম এবং চোখ কলম-এর মাধ্যমে গোলাপের বংশ বিস্তার করা হয়।
- তবে সংকর জাত উদ্ভাবনের জন্য বীজ মাধ্যমে বেছে নেয়া হয়।
- সাধারণত: উন্নত জাতের গোলাপ এর মাধ্যমে চোখ কলম বংশ বিস্তার করানো হয়।
- বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে জানুয়ারী মাসের মাঝামাঝি সময় এ চোখ কলম করা হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বোরো ধানের ক্ষেত্রে কত দিনের চারা রোপন করতে হয়?
  1. ১৫-২০ দিন
  2. ২০-২৫ দিন
  3. ৪০-৪৫ দিন
  4. ৪৫-৫০ দিন
ব্যাখ্যা
ধান চাষ:
- ধান বাংলাদেশের প্রধান দানা জাতীয় ফসল এবং প্রধান খাদ্য।
- বিশ্বের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯২ শতাংশ ধান এশিয়া দেশ গুলোতে উৎপন্ন হয়।

⇒ চাষাবাদের মৌসুম অনুযায়ী ধানের ৩ ভাগে ভাগ করা যায়:
১। আউশ ধান: মার্চ থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়।
২। আমন ধান: জুন থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়।
৩। বোরো ধান: নভেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়।

⇒ বীজ শোধন ও জাগ দেওয়া:
- বাছাইকৃত বীজ দাগমুক্ত ও পরিপুষ্ট হলে সাধারণভাবে শোধন না করলেও চলে।
- তবে শোধনের জন্য ৫২-৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার গরম পানিতে ১৫ মিনিট বীজ ডুবিয়ে রাখলে জীবানুমুক্ত হয়।
- বীজ শোধনের জন্য ২-৩ গ্রাম ছত্রাকনাশক ১ লিটার পানিতে ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে এক কেজি পরিমান বীজ ডুবিয়ে ১২ ঘন্টা রেখে দিতে হয়।
- এরপর বীজ পরিস্কার পানি দিয়ে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হয়।
- আউশ ও আমন মৌসুমের জন্য ৪৮ ঘন্টা বা দুই দিন ও বোরো মৌসুমে ৭২ ঘন্টা বা তিন দিনের বীজের অংকুর বের হয় এবং তা বীজতলায় বপনের উপযুক্ত হয়।

⇒ চারা রোপন:
- রোপা আউশ ও আমনের চারা ২০-২৫ দিন বয়সে লাগাতে হয়।
- কিন্তু বোরোর ক্ষেত্রে একটু বেশি বয়সের ৪০-৪৫ দিনের চারা রোপন করতে হয়।
- সারি থেকে সারির দূরত্ব ২০-২৫ সে.মি ও গুছি থেকে গুছির দূরত্ব ১৫-২০ সে.মি।
- চারা মাটির ২-৩ সে.মি. গভীরে রোপন করতে হয়।
- এর চেয়ে বেশি গভীরতা হলে গাছে কুশি উৎপাদন কমে যায়।
- সারি করে চারা লাগালে নিড়ানি যন্ত্র ব্যবহার করা সহজ হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিম্নের কোন উদ্ভিদটির উপর দিনের আলোর দৈর্ঘ্য কোন প্রভাব ফেলে না?
  1. সয়াবিন
  2. ফুলকপি
  3. গাজর
  4. টমেটো
ব্যাখ্যা
দিবাদৈর্ঘ্য:
- অনেকগুলো পারিপার্শ্বিক কারণ দ্বারা উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও উন্নয়ন প্রভাবিত হয়।
- এই কারণ সমূহের কয়েকটি নিয়ন্ত্রিত হয় মানুষ দ্বারা।
- সর্বশেষ আবিষ্কৃত বাহ্যিক প্রভাবক সমূহের একটি হচ্ছে দিনের দৈর্ঘ্য প্রযুক্তিগতভাবে ইহা পরিচিত ফটোপিরিয়ড নামে।
- আলোককাল বা ফটোপিরিয়ডের প্রতি উদ্ভিদের সাড়া প্রদানকে বলে ফটোপিরিয়ডিজম।
- দিনের দৈর্ঘ্য যদিও একটি উদ্ভিদের কোন একটি বা সমস্ত অঙ্গকে রূপান্তরিত করতে পারে।
- তবুও এই পদ্ধতি আবিষ্কৃত হওয়ার পর হতে আজ পর্যন্ত প্রথমিক ভাবে ধারনা করা হয় এর দ্বারা উদ্ভিদের পুষ্পপ্রদান এবং ফলের উন্নয়ন প্রভাবিত হয়।
- দিনের দৈর্ঘ্য কম বেশী হওয়ার কারণে সালোকসংশ্লেষনের জন্য প্রাপ্ত মোট সময়ের ভিন্নতা ঘটে।
- ফলে সালোকসংশ্লেষন কম বেশি হয়।
- দিনের দৈর্ঘ্য বা আলোর হ্রাস বৃদ্ধির উপর অনেক উদ্ভিদের পুষ্পায়ন সম্পূনরূপে নির্ভর করে।
- এসকল উদ্ভিদ ক্রান্তীয় দিবা দৈর্ঘ্যর নিচে বা উপরে ফুল ধারন করে।
- আলো ও তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে দিনের দৈর্ঘ্য।

⇒ দিনের দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে উদ্ভিদকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. স্বল্প দিবালোক:
- প্রাপ্ত উদ্ভিদ যে সকল উদ্ভিদ ক্রান্তীয় দিবা দৈর্ঘ্যর নিচে ফুল দেয় তাদেরকে স্বল্প দিবালোক প্রাপ্ত উদ্ভিদ বলে।
- যেমন: সয়াবিন, ফুলকপি, চন্দ্রমল্লিকা।
২. দীর্ঘ দিবালোক প্রাপ্ত উদ্ভিদ:
- যে সকল উদ্ভিদ ক্রান্তীয় দিবা দৈর্ঘ্যর উপর ফুল দেয় তাদেরকে দীর্ঘ দিবা দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদ বলে।
- যেমন:- চিনাবাদাম, লেটুস, গাজর ইত্যাদি।
৩. দিবালোক নিরপেক্ষ উদ্ভিদ:
- যে কোন দৈর্ঘ্যের দিনে এসব ফসলের ফুল-ফল উৎপাদিত হয়ে থাকে, যেমন: টমেটো, তুলা, সূর্যমুখী ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পাট উৎপাদনের জন্য উপযোগী আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ -
  1. ৪০-৫০%
  2. ৫৫-৭০%
  3. ৬০-৭৫%
  4. ৮০-৯০%
ব্যাখ্যা
পাট চাষ:
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের আবহাওয়া ও মাটি পাট চাষের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।
- এদেশের প্রায় সব জেলায় পাটের চাষ হয়।
- গত কয়েক বছরে পাটের তৈরি বিভিন্ন পণ্য যেমন, ব্যাগ, বস্তা, জুতা এমনকি শাড়ী বিদেশীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে এবং বিদেশের বাজারে এসব পণ্য রপ্তানীর সুযোগ সৃষ্টি উৎপাদনের জন্য এর আধুনিক চাষপদ্ধতি জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ জলবায়ু:
- পাট উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ার ফসল, পাট উৎপাদনের জন্য উপযোগী তাপমাত্রা হল ২৫-৩৫° সে. এবং আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৮০-৯০%।
- পাট চাষের সময় সুষমভাবে বর্ণিত ১২৫-২০০ সে. মি. বৃষ্টিপাত উপকারী, চাষ অবস্থায় অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ক্ষতিকর।

⇒ মাটি:
- পর্যাপ্ত পরিমাণ জৈব পদার্থযুক্ত দোঁআশ মাটি পাটের জন্য ভাল।
- বেলে দোআশ বা এটেল দোঁআশ মাটিতে পাট চাষ করলেও ভাল ফসল পাওয়া যায়।
- এঁটেল মাটিতে পানি জন্মে থাকে বলে তা পাট চাষের জন্য উপযোগী নয়।

⇒ জমি নির্বাচন:
- উঁচু, মাঝারি নিচু এবং মাঝারি নিচু জমি অর্থাৎ যে জমিতে বৃষ্টির পানি দাঁড়ায় না বা জমে গেলেও নিষ্কাশন করা সম্ভব তেমন জমিই পাট চাষের জন্য নির্বাচন করতে হবে।

⇒ পাটের জাত:
- পাটের প্রধান প্রজাতি ২টি:
১। দেশী পাট: Corchorus capsularis
- ডি-১৫৪-২' সিভিএল-১ (সবুজ পাট), সিভিই-৩ (আশু পাট), সিসি-৪৫ (জো পাট); এটম পাট-৩৮, বিজেআরআই দেশিী পাট-৫; বিজেআরআই দেশি-৬, বিজেআরআই দেশি পাট-৭, বিজেআরআই দেশি
২। তোষা পাট: Corchorus olitorius
- ফাল্গুনী তোষা (ও-৯৮৯৭), ওএম-১, ৩-৪, ৩-৭২, বিজেআরআই তোষা পাট-৪, বিজেআর আই তোষা পাট-৫, ৩-৭৯৫, বিজেআরআই তোষা পাট-৬ (ও-৩৮২০)।

⇒ বীজ বপনের সময়:
- বাংলাদেশের কৃষি ঋতুর ভিত্তিতে পাট উৎপাদনের জন্য খরিপ-১ ঋতু হল উপযুক্ত সময় (মার্চ-এপ্রিল থেকে জুলাই-আগস্ট পর্যন্ত)।
- দেশি পাট সাধারণত ১৫ই মার্চ থেকে ১৫ই মে এই সময়ের মধ্যে বুনতে হয়।
- তবে কোন জমিতে যদি জুলাই আগষ্টের দিকে বর্ষার পানি জমার সম্ভাবনা থাকে তাহলে সে জমিতে কিছুটা আগাম বীজ বোনা উচিত।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
শীতকালীন উদ্যান ফসলের জন্য উপযোগী তাপমাত্রা কত?
  1. ১৮°- ২০° সেলসিয়াস
  2. ১৮°- ২২° সেলসিয়াস
  3. ১৮°- ২৫° সেলসিয়াস
  4. ২০°- ৩০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
উদ্যান ও মাঠ ফসলের উপর তাপমাত্রার প্রভাব:
- ফলের উৎপাদন তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে।
- ফুল ও ফল ধারণের সময় উপযোগী তাপমাত্রা না হলে ফুল ও ফল কম ধরে।
- তাপমাত্রার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন শস্যকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
i) গ্রীষ্মকালীন বা খরিফ শস্য এবং,
ii) শীতকালীন বা রবি শস্য।

⇒  গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালীন উদ্যান ফসলের জন্য উপযোগী তাপমাত্রা ৩০°-৩৫° সেলসিয়াস।
- অতিরিক্ত তাপে লেটুস ও পালংশাক দ্রুত ফুল উৎপন্ন করে।
- গোল আলু, মিষ্টি আলু, গাজর, মূলা, শাল গম ইত্যাদিতে অতিরিক্ত তাপে শর্করার সঞ্চয়ের পরিমান কম হয় বলে ফলন কম হয়।
- তাপমাত্রা কম বা বেশী হলে ক্যারোটিন কমে গাজরের রং হালকা হয়।
- বেশী তাপমাত্রায় ফুলকপি, বাধাকপি, মুলার স্বাদ কম হয়।
- আউশ ধান, পাট, সয়াবিন, জোয়ার ইত্যাদি গ্রীষ্মকালীন ফসল শস্যের জন্য অধিক তাপমাত্রার প্রয়োজন।
- বেশী তাপমাত্রায় অনেক ফল গাছের ফল ধারণ ব্যাহত হয়।

⇒ শীতকালীন উদ্যান ফসলের জন্য উপযোগী তাপমাত্রা ২০°- ৩০° সেলসিয়াস।
- আমন ধান, বোরো ধান, গম, যব, সরিষা, ছোলা, মটর, মসুর, তামাক ইত্যাদি শীতকালীন ফসল।
- আম, লিচু প্রভৃতি ফল গাছের ফুল বিকাশের জন্য কম তাপামাত্রার প্রয়োজন।
- আমের পুষ্পমঞ্জুরী গঠনের সময় তাপমাত্রা কম থাকলে পুরুষ ফুল বেশি হয়।

⇒ কিছু সংখ্যক ফসল যেমন তিল, চীনাবাদাম, তুলা, ভুট্টা প্রভৃতি উভয় মৌসুমেই চাষ করা যায়।
- আখ, রবি ও খরিফ উভয় মৌসুমের অন্তর্গত। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
আদা লাগানোর কত দিন পর ফসল তোলার উপযোগী হয়?
  1. ২০- ২৫ দিন
  2. ৩০- ৪৫ দিন
  3. ২- ৩ মাস
  4. ৭-১০ মাস
ব্যাখ্যা
আদা চাষ:
- আদা একটি প্রয়োজনীয় মসলা ফসল যা খাবারকে সুস্বাদু করে।
- আদা বাড়ির পাশে পতিত জমি, পাহাড়ে চাষাবাদ করা যায়।
- বিভিন্ন ফসলের সাথে আন্তঃফসল হিসেবে চাষ করা যায়।
- কৃষকরা সাধারণত স্থানীয় জাত চাষ করে থাকে।

⇒ জলবায়ু ও মাটি:
- আদার কন্দসহ গাছ আদার বৃদ্ধির জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া উপযোগী।
- আদার জন্য সুনিষ্কাশিত বেলে দোআঁশ মাটিতে ভালো ফলন হয়।
- তবে এটেল দোআঁশ মাটিতেও চাষ করা যায়।

⇒ জমি তৈরি ও সার প্রয়োগ:
- আদার জন্য মার্চ-এপ্রিল মাসে জমি গভীরভাবে ৫-৬ টি চাষ দিতে হবে।
- জমি তৈরি সময় গোবর সার, টিএসপি, অর্ধেক এমপি সার প্রয়োগ করতে হবে।
- বাকি অর্ধেক এমপি সার দুই কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে।

⇒ রোপন পদ্ধতি:
- আদার ১-২ কুঁড়ি বিশিষ্ট কন্দ মার্চ থেকে মে মাসে রোপন করতে হবে।
- সাধারণত ১৫-২০ গ্রাম ওজনের কন্দ প্রতি গর্তে ১টি করে ৪০-৫০ সে.মি. সারি থেকে সারি, গাছ থেকে গাছে ২৫ সে.মি. দূরত্বে ৫ সে.মি. গভীরে রোপন করতে হবে।
- আদা রোপনের পর গাছ ও শিকড় বৃদ্ধি প্রাপ্ত হলে মাতৃ আদা তুলে নিলে গাছের কোন ক্ষতি হয় না বরং আর্থিক লাভবান হওয়া যায়।
- এই পদ্ধতিকে পিলাই তোলা বলে।

⇒ ফসল সংগ্রহ:
- আদা লাগানোর ৭-১০ মাস পর পাতা ও গাছ হলুদ হয়ে শুকিয়ে গেলে ফসল তোলার উপযোগী হয়।
- সাধারণত: ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি মাসে আদা তোলা হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
ধান চাষের জমি অনুর্বর হলে জমিতে প্রতি বর্গমিটারে কত কেজি জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে?
  1. ০.৫ কেজি
  2. ১ কেজি
  3. ১.৫ কেজি
  4. ২ কেজি
ব্যাখ্যা
ধানের আধুনিক চাষ পদ্ধতি:
- বাংলাদেশে আউশ, আমন ও বোরো মৌসুমে ধানের চাষ করা হয়।
- এর মধ্যে ধানের জমি শতকরা ১১ ভাগ আউশ, ৪৮ ভাগ আমন ও ৪১ ভাগ বোরো ধান চাষ করা হয়।
- কিন্তু উৎপাদনের দিক থেকে বোরো শতকরা ৪৮ ভাগ, আমন ৪২ ভাগ ও আউশ ১০ ভাগ।
- বোরো মৌসুমে ধান চাষ হয় সবচেয়ে বেশি এবং আউশে সবচেয়ে কম।
- তিন মৌসুমে ধান চাষ প্রায় একই রকম।

⇒ ধানের জাত বাংলাদেশে প্রধানত দু'জাতের ধান দেখা যায়।
১. স্থানীয় জাত এবং,
২. উচ্চ ফলনশীল জাত (উফশী জাত)।

⇒ বীজতলা তৈরি:
- দোআঁশ ও এটেল মাটি যেখানে প্রচুর আলো বাতাস আছে এমন জমি বীজতলার জন্য উপযোগী।
- বীজতলার জমি উর্বর হওয়া প্রয়োজন।
- তবে অনুর্বর জমি হলে প্রতি বর্গমিটার ২ কেজি হারে জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে।
- এর পর জমিতে ৫- ৬ সে.মি. পানি দিয়ে দু-তিনটি চাষ ও মই দিয়ে ৭-১০ দিন পানি বদ্ধ অবস্থায় রেখে দিতে হবে।
- জমিতে ব্যবহৃত জৈব সার পচে গেলে পুনরায় চাষ ও মই দিয়ে জমি তৈরি করতে হবে।
- একটি আদর্শ বীজতলায় ৪টি বেড থাকবে।
- প্রতিটি জমির দৈর্ঘ্য বরাবর এক মিটার চওড়া বেড তৈরি করতে হবে এবং দু-বেডের মাঝে ২৫-৩০ সে.মি. ফাঁকা জায়গা রাখতে হবে।
- বেডের উপরের মাটি কাঠ বা বাঁশ দিয়ে সমান করে নিতে হয়।
- বেডের মধ্যবর্তী নালা সেচ ও নিস্কাশন এবং চারার পরিচর্যার জন্য ব্যবহৃত হয়।

• মৌসুম ভেদে ধানের চারা উৎপাদনের জন্য চার ধরনের বীজতলা তৈরি করা যায়। যেমন:
(১) শুকনো বীজতলা,
(২) কাদাময় বীজতলা,
(৩) ভাসমান বীজতলা ও,
(৪) ডাপোগ বীজতলা।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১২.
'জানুয়ারি' কোন ধরনের বিশেষ্যের উদাহরণ?
  1. নাম-বিশেষ্য
  2. জাতি-বিশেষ্য
  3. বস্তু-বিশেষ্য
  4. গুণ-বিশেষ্য
ব্যাখ্যা
নাম-বিশেষ্য:
- ব্যক্তি, স্থান, দেশ, কাল, সৃষ্টি প্রভৃতির সুনির্দিষ্ট নামকে নাম-বিশেষ্য বলা হয়।
ব্যক্তিনাম:
- হাবিব, সজল, লতা, শম্পা।
স্থাননাম:
- ঢাকা, বাংলাদেশ, হিমালয়, পদ্মা
কালনাম:
- সোমবার, বৈশাখ, জানুয়ারি, রমজান
সৃষ্টিনাম:
- গীতাঞ্জলি, সঞ্চিতা, ইত্তেফাক, অপরাজেয় বাংলা।

অন্যদিকে:
বস্তু-বিশেষ্য:
- কোনো দ্রব্য বা বস্তুর নামকে বস্তু-বিশেষ্য বলে।
যেমন:
- ইট, লবণ, আকাশ, টেবিল, বই ইত্যাদি।

জাতি-বিশেষ্য:
- জাতি-বিশেষ্য সাধারণ-বিশেষ্য নামেও পরিচিত।
- এ ধরনের বিশেষ্য নির্দিষ্ট কোনো নামকে না বুঝিয়ে প্রাণী ও অপ্রাণীর সাধারণ নামকে বোঝায়।
যেমন:
- মানুষ, গরু, ছাগল, ফুল, ফল, নদী, সাগর, পর্বত ইত্যাদি ।

গুণ-বিশেষ্য:
- গুণগত অবস্থা ও ধারণার নামকে গুণ-বিশেষ্য বলে।
যেমন:
- সরলতা, দয়া, আনন্দ, গুরুত্ব, দীনতা, ধৈর্য ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৩.
ষ-ত্ব বিধানের সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে নিচের কোন শব্দে?
  1. পোষ্ট
  2. ধূলিসাৎ
  3. পোষাক
  4. চক্ষুষ্মান
ব্যাখ্যা
ব্যবহারের নিয়ম:
১. অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের স ষ হয়।
যেমন - ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।

২. ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে ‘ষ’ হয়।
যেমন - অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্ত > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ > অনুষঙ্গ, প্রতিসেধক > প্রতিষেধক, প্রতিস্থান > প্রতিষ্ঠান, অনুস্থান > অনুষ্ঠান, বিসম > বিষম, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি।

৩. ঋ’এবং ঋ কারের পর ‘ষ’ হয়।
যেমন - ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট, দৃষ্টি, সৃষ্টি ইত্যাদি।

৪. তৎসম শব্দে ‘র'-এর পর 'ষ' হয়।
যেমন - বর্ষা, ঘর্ষণ, বৰ্ষণ ইত্যাদি।

৫. র- ধ্বনির পরে যদি অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি থাকে তবে তার পরে ‘ষ’ হয়।
যথা: পরিষ্কার।
- কিন্তু অ, আ স্বরধ্বনি থাকলে স হয়।
যথা: পুরস্কার।

৬. ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে 'ষ' যুক্ত হয়।
যথা: কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি।

৭. কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' হয়।
যেমন -ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ভাষা, ঊষা, পৌষ, কলুষ, পাষাণ, মানুষ, ঔষধ, ষড়যন্ত্র, ভূষণ, দ্বেষ ইত্যাদি।

৮. বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে ষ হয় না।
যেমন - জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।

৯. সংস্কৃত ‘সাৎ’ প্রত্যয়যুক্ত পদেও ষ হয় না।
যেমন - অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৪.
‘কয়েদ’ শব্দটি কোন বিদেশি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে?
  1. ফারসি
  2. ফরাসি
  3. তুর্কি
  4. আরবি
ব্যাখ্যা
• 'কয়েদ'
- 'কয়েদ' শব্দটি আরবি ভাষা হতে এসেছে।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
এর অর্থ:
- আটক,
- আবদ্ধ,
- কারারুদ্ধ।

আরো কিছু আরবি শব্দ:
- কসাই,
- খারাবি,
- খারাপ,
- খারিজ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৫.
Plural form of 'Cactus' -
  1. Cacti
  2. Cactii
  3. Cactie
  4. Cactuss
ব্যাখ্যা
• Cactus (noun):
English Meaning: a plant that grows in hot dry regions, especially one with thick stems covered in spines but without leaves.
- এর তিনটি plural form হয়।
- Cacti, Cactus or cactuses.

Example: The only thing that grows here is an occasional sage bush or cactus.
১৬.
What does the phrase "a jaundiced eye" mean?
  1. A positive outlook
  2. Influenced by envy, distaste, or hostility
  3. A neutral perspective
  4. A humorous attitude
ব্যাখ্যা
• A jaundiced eye
English Meaning: exhibiting or influenced by envy, distaste, or hostility.
Bangla Meaning: ঈর্ষাপরবশ, পরশ্রীকাতর, বিদ্বেষপরায়ণ ও সংশয়গ্রস্ত মনোভাব।

Ex. Sentence: He seems to have had a jaundiced eye after the divorce.
Bangla Meaning: বিবাহবিচ্ছেদের পর যেন মনে হচ্ছে সে পরশ্রীকাতর হয়ে গেছে।

Source: Live MCQ Lecture.
১৭.
Choose the correct spelling.
  1. Desyccate
  2. Dessiccate
  3. Desicate
  4. Desiccate
ব্যাখ্যা
Desiccate (verb transitive)
English Meaning: Remove the moisture from (something); cause to become completely dry.
Bangla Meaning: সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে বিশেষত শক্ত খাবারের সব আর্দ্রতা শুকিয়ে ফেলা; শুষ্ক করা: desiccated fruit.

Other Forms: Desiccative (adjective) পানিশূন্য অবস্থা; Desiccator (noun) শুষ্ককারী।

Example Sentence: 
1. You have trays of dried chilies, desiccated coconut, crumbling curry leaves and chewy mango bar.
2. The winds sometimes desiccate vegetation and create dangerous wildfire conditions.

Source: Live MCQ Lecture.
১৮.
Synonym of 'Catalyst' -
  1. Stimulator
  2. Impediment
  3. Hindrance
  4. Counterincentive
ব্যাখ্যা
• Catalyst (noun) [countable noun]

English Meaning: A condition, event, or person that is the cause of an important change. In Biology and Chemistry - A catalyst is also a substance that causes or speeds a chemical reaction without itself being changed.

Bangla Meaning: পরিবর্তনসাধনকারী এরূপ অপিরবর্তিত পদার্থ; অনুঘটক; (লাক্ষণিক) যে ব্যক্তি বা বস্তু পরিবর্তনসাধনে সহায়ক হয়।

Synonyms: Inducement (উৎসাহের হেতু; প্রবর্তনা), Motivation (প্রেষণা; প্রণোদনা; প্রবর্তন), Influence (প্রভাব), Agitator (প্রচারক), Stimulator (উদ্দীপক)।
Antonyms: Counterincentive (প্ররোচিত করা), Disincentive (নিরুৎসাহকারী কাজ), Hindrance (বাঁধা), Impediment (প্রতিবন্ধকতা), Inertia (জড়তা)।

Source: Live MCQ Lecture.
১৯.
Antonym of 'Ephemeral' -
  1. Brief
  2. Fleeting
  3. Transient
  4. Permanent
ব্যাখ্যা
• Ephemeral (adjective)
English Meaning: Lasting for only a short time.
Bangla Meaning: স্বল্পজীবী; স্বল্পস্থায়ী।

Synonyms: Transient (স্বল্পস্থায়ী; ক্ষণস্থায়ী), Fleeting (ক্ষণিকের; ক্ষণকালীন), Momentary (ক্ষণিক), Brief (অস্থায়ী, সংক্ষিপ্ত), Fugitive (দ্রুত ধাবমান)।
Antonyms: Long-lived (দীর্ঘজীবী), Permanent (স্থায়ী; চিরস্থায়ী), Endless (অন্তহীন), Eternal (অনন্ত), Immortal (অমর), Lasting (স্থায়ী)। 

Source: Live MCQ Lecture.
২০.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবার ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ৩০ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৪০ বছর
  4. ৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী: 
- প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার প্রধান।
- সংবিধানের ৫৫ ও ৫৬ নং ধারা মতে, প্রধানমন্ত্রী পদায়িত হবেন মন্ত্রিপরিষদের শীর্ষে।
- তিনি তাঁর মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী নির্বাচন করেন।
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবার জন্য ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর হতে হবে।
- সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রকৃত নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধান পরিষদ অর্থাৎ মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- পঞ্চম ভাগের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলে এবং তাঁর বয়স — পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হলে বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হবার এবং সংসদ-সদস্য থাকার যোগ্য হবেন।

• যেহেতু সংসদের সংখ্যা গরিষ্ঠ দলের সদস্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন,
- তাই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স — ২৫ বছর।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে কী বলে?
  1. দলিল
  2. বিল
  3. অধ্যাদেশ
  4. আইন
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
২২.
গারোদের আদি ধর্মের নাম কী?
  1. অপোকপা
  2. সাংলান
  3. আচিক
  4. সাংসারেক
ব্যাখ্যা
'গারো' উপজাতি:
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়।
- তাছাড়া শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলাতেও কিছু গারো উপজাতি বাস করে।
- গারোদের আদি ধর্মের নাম সাংসারেক।
- তবে বর্তমানে গারোরা খ্রিস্টধর্মের অনুসারী হচ্ছে।
- তাদের নিজস্ব ভাষার নাম আচিক বা গারো ভাষা।
- এদের সমাজব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক। অর্থাৎ পরিবারের প্রধান মাতা।
- গারো নারীদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের নাম 'দকবান্দা ও দকসারি' এবং পুরুষরা শার্ট, লুঙ্গি, ধুতি ইত্যাদি পরিধান করে।
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
সোনার বাংলা-১ কী?
  1. ধান
  2. গম
  3. পাট
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
ধান - ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১,মালাইরি।
গম - অগ্রণী-সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
ভুট্টা - উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্র;
তুলা - রূপালী ও ডেলফোজ।
টমেটো - মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
বেগুন - ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।