পরীক্ষা আর্কাইভ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৫ টপিক: রিভিশন পরীক্ষা [GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সম্পূর্ণ সিলেবাস]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
কোন সভ্যতায় সফিস্টদের আবির্ভাব ঘটে?
  1. প্রাচীন মিশরীয়
  2. প্রাচীন গ্রিস
  3. প্রাচীন চৈনিক
  4. সিন্ধু সভ্যতা
ব্যাখ্যা
প্রাচীন গ্রিসের দর্শন:
- দার্শনিক চিন্তার ক্ষেত্রে গ্রিসের অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছিল।
- পৃথিবী কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে, প্রতিদিন কীভাবে এর পরিবর্তন ঘটছে এসব ভাবতে গিয়ে গ্রিসে দর্শন চর্চার সূত্রপাত।
- থালেস ছিলেন প্রথম দিককার দার্শনিক।
- তিনিই প্রথম সূর্য গ্রহণের প্রাকৃতিক কারণ ব্যাখ্যা করেন।
- গ্রিসে যুক্তিবাদী দার্শনিকের আবির্ভাব ঘটে যাদের বলা হতো সফিস্ট।
- এরা বিশ্বাস করতেন যে চূড়ান্ত সত্য বলে কিছু নেই।
- গণতান্ত্রিক নগর রাষ্ট্র এথেন্সের রাজা পেরিক্লিস এদের অনুসারী ছিলেন।
- সক্রেটিস ছিলেন এ চিন্তার দার্শনিকদের মধ্যে সবচেয়ে খ্যাতিমান।
- তার শিক্ষার মূল দিক ছিল- আদর্শ রাষ্ট্র ও সৎ নাগরিক গড়ে তোলা।
- সক্রেটিসের শিষ্য প্লেটো গ্রিক দর্শনকে চরম উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হন।
- প্লেটোর শিষ্য এরিস্টটলও একজন বড় দার্শনিক ছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
Trafalgar Square এর অবস্থান কোথায়?
  1. বেইজিং
  2. মাদ্রিদ
  3. প্যারিস
  4. লন্ডন
ব্যাখ্যা
ট্রাফালগার স্কয়ার (Trafalgar Square):
- অবস্থান: সিটি অব ওয়েস্টমিনস্টার, লন্ডন। 
- নামকরণ: ১৮০৫ সালের ট্রাফালগার যুদ্ধে লর্ড নেলসনের বিজয়ের স্মরণে। 
- ট্রাফালগার স্কয়ার লন্ডনের অন্যতম বিখ্যাত পাবলিক স্কয়ার। 
- কোনো বাগান নেই, পুরোটা পাকা জায়গা। 
- সাতটি বড় রাস্তা ঘিরে রেখেছে স্কয়ারটিকে। 
- এর শীর্ষে রয়েছে নেলসনের ১৭ ফুট (৫ মিটার) উচ্চ মূর্তি (ভাস্কর: E.H. Baily)
- ভাস্কর: স্যার এডউইন ল্যান্ডসিয়ার
- ঢালাই করেছেন ব্যারন মারোচেট্টি
- এই স্কয়ার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে লন্ডনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে বিবেচিত।

উৎস: Britannica.
.
কোন দেশকে হাজার হ্রদের দেশ বলা হয়?
  1. ফিনল্যান্ড
  2. নরওয়ে
  3. আইসল্যান্ড
  4. ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
ফিনল্যান্ড: 
- ফিনল্যান্ডকে হাজার হ্রদের দেশ বলা হয়। 
- বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় ফিনল্যান্ডে বেশি হ্রদ রয়েছে।
- ফিনল্যান্ড উত্তর ইউরোপের একটি দেশ।
- উত্তর-পশ্চিমে সুইডেন, দক্ষিণে এস্তোনিয়া, পূর্বে রাশিয়া এবং উত্তরে নরওয়ে অবস্থিত।
- ফিনল্যান্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ, যার রাজধানী হেলসিঙ্কি।
- ৫৫ লক্ষ জনসংখ্যার দেশটিতে ১৮৭,০০০ এরও বেশি হ্রদ রয়েছে।
- ফিনল্যান্ডের হাজার হাজার হ্রদের কারণেই দেশটির ডাকনাম "হাজার হ্রদের দেশ"।
- জনসংখ্যার সাথে হ্রদের সংখ্যার তুলনা করলে দেখা যায় যে প্রতি ২৬ জন ফিনের জন্য একটি হ্রদ রয়েছে।
- ফিনল্যান্ডের ভূমি এলাকার ১০% জল।
- ভূমির দুই-তৃতীয়াংশ বনজ উদ্ভিদ দ্বারা গঠিত।
- ফলস্বরূপ, ফিনল্যান্ডের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ইউরোপের বেশিরভাগ দেশের সাথে অতুলনীয়। 
- ফিনল্যান্ড ইউরোপের সেরা পর্যটন কেন্দ্রগুলির মধ্যে একটি হয়ে উঠেছে।

উৎস: World Atlas.
.
মহাশূন্য চুক্তি (Outer Space Treaty) কত সালে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৬৩ সালে
  2. ১৯৬৫ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
Outer Space Treaty বা মহাশূন্য চুক্তি:
- Outer Space Treaty বা মহাশূন্য চুক্তি, যা আনুষ্ঠানিকভাবে "চাঁদ এবং অন্যান্য মহাকাশীয় বস্তু সহ মহাশূন্যের  অন্বেষণ এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রগুলির কার্যকলাপ পরিচালনাকারী নীতিমালার চুক্তি" নামে পরিচিত,মহাকাশ কার্যক্রম পরিচালনাকারী একটি মৌলিক আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৬৩ সালে সাধারণ পরিষদ তার রেজোলিউশন ১৯৬২ (XVIII) এ গৃহীত হয়েছিল , তবে কয়েকটি নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছিল।
- চুক্তিটি ১৯৬৭ সালের জানুয়ারিতে তিনটি আমানতকারী সরকার (রাশিয়ান ফেডারেশন, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) দ্বারা স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল।
- এটি ১৯৬৭ সালের অক্টোবরে কার্যকর হয়। 

উৎস: UNOOSA ওয়েবসাইট।
.
সম্প্রতি অস্ত্র পরিত্যাগ ও সংগঠন বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নেয় কোন সশস্ত্র সংগঠন? [জুন, ২০২৫]
  1. কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি
  2. বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি
  3. দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (PKK): 
- সম্প্রতি অস্ত্র পরিত্যাগ ও সংগঠন বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নেয় কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (PKK)। 

- PKK (কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি) হল একটি সশস্ত্র কুর্দি জাতীয়তাবাদী সংগঠন।
- এটি ১৯৭০-এর দশকের শেষদিকে আবদুল্লাহ “আপো” ওজালান প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল: একটি স্বাধীন কুর্দি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।
- পরবর্তী লক্ষ্য বদলায়: সংগঠনটি পরে স্বাধীনতার দাবির বদলে কুর্দিদের জন্য স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে জোর দেয়।
- কুর্দি জনগোষ্ঠী কয়েক শতাব্দী ধরে বসবাস করছে: পূর্ব তুরস্ক, উত্তর ইরাক, পশ্চিম ইরান, উত্তর সিরিয়ার কিছু অংশ, আর্মেনিয়ার সীমিত অঞ্চল। 
- যদিও কুর্দিদের একটি নিজস্ব দেশ গঠনের ইচ্ছা দীর্ঘদিনের, তারা কখনও একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্র গঠন করতে পারেনি।

সাম্প্রতিক ঘটনা:
- মার্চ ২০২৫: PKK যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়।
- মে ২০২৫: তারা অস্ত্র পরিত্যাগ ও সংগঠন বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নেয়।

উৎস: Britannica.
.
S400 কোন দেশের তৈরি এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেম?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
S-400 "ট্রায়াম্ফ"
- S400 রাশিয়ার তৈরি এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেম। 
 - S-400 "ট্রায়াম্ফ" মোবাইল মাল্টি-চ্যানেল এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেমের দীর্ঘ পাল্লা এবং আকাশে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার উচ্চ ক্ষমতা, উচ্চ গতিশীলতা এবং বেঁচে থাকার ক্ষমতা রয়েছে।
- S-400 এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেমটি 3000 3500 কিলোমিটার পর্যন্ত উৎক্ষেপণ পরিসীমা সহ সকল ধরণের অ্যারোডাইনামিক লক্ষ্যবস্তু এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল ধ্বংস করার জন্য সর্বজনীন।

• S-400 ADMS আধুনিক এবং সম্ভাব্য বিমান আক্রমণ অস্ত্র ধ্বংস করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে:
- বিমান জ্যাম করা;
- রাডার টহল এবং নির্দেশিকা বিমান;
- রিকনেসান্স বিমান, যার মধ্যে রিকনেসান্স এবং স্ট্রাইক কমপ্লেক্সের অন্তর্ভুক্ত বিমানও রয়েছে;
- বিমান ক্ষেপণাস্ত্রের কৌশলগত বিমান বাহক;
- কৌশলগত, অপারেশনাল-কৌশলগত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র;
- মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র;
- তীব্র রেডিও প্রতিকারের পরিস্থিতিতে অন্যান্য বিমান আক্রমণের উপায়।

রোসোবোরোনেক্সপোর্ট: 
- রোসোবোরোনেক্সপোর্ট জয়েন্ট স্টক কোম্পানি, রাশিয়ার একমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে, সামরিক এবং দ্বৈত-ব্যবহারের পণ্য, প্রযুক্তি এবং পরিষেবার সম্পূর্ণ পরিসর রপ্তানি এবং আমদানির জন্য, বিদেশী দেশগুলির সাথে সামরিক-প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রে রাশিয়ান ফেডারেশনের রাষ্ট্রীয় নীতি বাস্তবায়নে সক্রিয়ভাবে অবদান রাখে।
- রাশিয়ার অস্ত্র রপ্তানির ৮৫% এরও বেশি রোসোবোরোনেক্সপোর্টের অবদান রয়েছে।
- S-400 "ট্রায়াম্ফ" রোসোবোরোনেক্সপোর্ট এর তৈরি এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেম। 

উৎস: Rosoboronexport অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
কর্নারস্টোন অব পিস স্মৃতিসৌধটি কোথায় ?
  1. নাগাসাকি
  2. হিরোশিমা
  3. ওকিনাওয়া
  4. সিউল
ব্যাখ্যা
কর্নারস্টোন অব পিস (Cornerstone of Peace):
- এই যুদ্ধ স্মারকটি ওকিনাওয়া যুদ্ধের সময় (১.৪.১৯৪৫ - ২৩.৬.১৯৪৫) যারা প্রাণ দিয়েছিলেন তাদের প্রতি উৎসর্গীকৃত। বর্তমানে স্মৃতিসৌধে ২,৪০,৭৩৪ জনের নাম খোদাই করা আছে।
- ইটোমান শহরের মাবুনি পাহাড়ে অবস্থিত ওকিনাওয়া প্রিফেকচারাল মেমোরিয়াল পিস পার্কে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ হল কর্নারস্টোন অব পিস। 
- কর্নারস্টোন অব পিস এমন একটি স্থান প্রদানের চেষ্টা করে যেখানে যুদ্ধে জড়িত সকলকে সমানভাবে স্মরণ করা হয়, আক্রমণকারীকে আক্রমণকারী থেকে বা আক্রমণকারীকে আধিপত্য থেকে আলাদা না করে।

উল্লেখ্য,
- স্ট্যাচু অব পিস দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে অবস্থিত।
- পিস স্ট্যাচু জাপানের নাগাসাকিতে অবস্থিত। 

উৎস: worldwariimonuments.org
tracesofwar.com
.
জেনেভা কনভেনশন কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য
  2. শান্তি ও সংঘাত
  3. নারীর অধিকার
  4. যুদ্ধ পরিচালনা
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন যুদ্ধ পরিচালনার সাথে সম্পর্কিত। 
- জেনেভা কনভেনশনে ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- জেনেভা কনভেনশন হলো ১৮৬৪ থেকে ১৯৪৯ সালের মধ্যে জেনেভাতে স্বাক্ষরিত আন্তর্জাতিক চুক্তিসমূহের একটি সিরিজ, যা যুদ্ধের সময় সৈন্য ও বেসামরিক জনগণের মানবিক অবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে গৃহীত হয়।
- এই চুক্তিগুলোর মাধ্যমে যুদ্ধকালীন সময়ে নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা যুদ্ধের সময় মানবাধিকারের সুরক্ষায় সহায়ক।
- জেনেভা কনভেনশন যুদ্ধকালীন মানবাধিকারের সুরক্ষায় একটি বৈশ্বিক মাইলফলক এবং এটি আজও আন্তর্জাতিক আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
i) জেনেভা কনভেনশন প্রথমবার গৃহীত হয় ১৮৬৪ সালে, যা রেড ক্রসের প্রতিষ্ঠাতা অঁরি দুঁনার-এর উদ্যোগে।
- আহত সৈন্যদের চিকিৎসাকেন্দ্র এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের নিরাপত্তা।
- সকল যোদ্ধার প্রতি নিরপেক্ষ আচরণ।
- আহতদের সহায়তায় নিয়োজিত বেসামরিক ব্যক্তিদের সুরক্ষা।
- রেড ক্রস প্রতীককে সুরক্ষা ও শনাক্তকরণের প্রতীক হিসেবে গ্রহণ।
ii) ১৯০৬: প্রথম চুক্তি সংশোধন ও সম্প্রসারণ।
iii) ১৯২৯: তৃতীয় চুক্তি, যেখানে যুদ্ধবন্দীদের প্রতি মানবিক আচরণ এবং তাদের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
iv) ১৯৪৯: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রেক্ষিতে চারটি নতুন কনভেনশন গৃহীত হয়:
- স্থলযুদ্ধে আহতদের জন্য।
- সমুদ্রে আহত এবং উদ্ধারকৃতদের জন্য।
- যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা।
- যুদ্ধকালীন সময়ে বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা।

উৎস: Britannica.
icrc.org
.
লেভিয়াথন গ্রন্থের লেখক কে?
  1. থমাস মুর
  2. থমাস হবস
  3. বার্ট্রান্ড রাসেল
  4. নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি
ব্যাখ্যা
Leviathan:
- Leviathan গ্রন্থটি লিখেছেন Thomas Hobbes.
- গ্রন্থটি ১৬৫১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বইটি 'Social Contract' বা সামাজিক চুক্তি নিয়ে লেখা।

এছাড়া,
- Utopia গ্রন্থটির লেখক Sir Thomas More

উৎস: Britannica.
১০.
সাহারা মরুভূমি ও সাভানা বনভূমির মধ্যবর্তী পরিবর্তনশীল অঞ্চলকে কী বলে?
  1. প্রেইরি
  2. তুন্দ্রা
  3. সাহেল
  4. রেইনফরেস্ট
ব্যাখ্যা
আফ্রিকার সাহেল অঞ্চল:
- সাহারা মরুভূমি ও সাভানা বনভূমির মধ্যবর্তী পরিবর্তনশীল অঞ্চলকে সাহেল বলে। 

- সাহেল হল আফ্রিকার একটি ভূখণ্ড যা সেনেগাল এবং মৌরিতানিয়ার আটলান্টিক উপকূল থেকে ইরিত্রিয়ার লোহিত সাগর উপকূল পর্যন্ত।
- সাহেল উত্তরে সাহারা মরুভূমি এবং দক্ষিণে উর্বর সাভানার মধ্যে একটি বাফার বা ট্রানজিশন জোনের মতো কাজ করে।
- সাহেল একসময় বেশ কয়েকটি আদিবাসী আফ্রিকান রাজ্যের আবাসস্থল ছিল।
- আরবি ভাষায় সাহেলের আক্ষরিক অর্থ "প্রান্ত" বা "সীমানা"।

উৎস: World Atlas.
১১.
ব্রেটন উডস সম্মেলন কত সালে আয়োজিত হয়?
  1. ১৯৪২ সাল
  2. ১৯৪৪ সাল
  3. ১৯৪৬ সাল
  4. ১৯৪৮ সাল
ব্যাখ্যা
ব্রেটন উডস সম্মেলন (Bretton Woods Conference)
- সময়: ১–২২ জুলাই, ১৯৪৪ সাল। 
- স্থান: ব্রেটন উডস, নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধোত্তর বিশ্বের আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামো গড়ে তোলা, বিশেষ করে জার্মানি ও জাপানের সম্ভাব্য পরাজয়ের পর।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৪টি রাষ্ট্র ও সরকারের প্রতিনিধিরা (অপ্রাতিষ্ঠানিকভাবে), যার মধ্যে ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নও।
- আন্তর্জাতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়ন ব্যাংক (IBRD): যুদ্ধপীড়িত ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ সহায়তা দেওয়ার জন্য গঠিত।
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF): আন্তর্জাতিক অর্থপ্রদানের অস্থায়ী ঘাটতি সামাল দেওয়া এবং বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা।

উৎস: Britannica.
১২.
ম্যাসট্রিচট চুক্তির মাধ্যমে কোনটি ঘটে?
  1. ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠন
  2. অবাধ চলাচল
  3. যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ
  4. ইউরোপীয় অর্থনৈতিক কমিউনিটি গঠন
ব্যাখ্যা
ম্যাসট্রিচট চুক্তি (Treaty of Maastricht on European Union): 
- 'ইউরোপীয় ইউনিয়ন' আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তির মাধ্যমে তৈরি হয়, যা ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর কার্যকর হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটি রাজনৈতিক মাত্রা পায় এবং "একত্রিত ইউরোপ গঠনের" নতুন যুগের সূচনা হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত: ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২
- কার্যকর: ১ নভেম্বর ১৯৯৩
- ম্যাসট্রিচট চুক্তি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) জন্ম দেয়।
- এটি তিনটি প্রধান স্তম্ভ বা "পিলার"-এ গঠিত:
i) ইউরোপীয় কমিউনিটি (EC)
ii) বিদেশ ও নিরাপত্তা নীতি (CFSP)
iii) ন্যায়বিচার ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিষয়ক সহযোগিতা (JHA)

১ম স্তম্ভ: ইউরোপীয় কমিউনিটি: 
অন্তর্ভুক্ত সংগঠন: ইউরোপীয় অর্থনৈতিক কমিউনিটি (EEC), ইউরোপীয় কয়লা ও ইস্পাত কমিউনিটি (ECSC), ইউরেটম (Euratom)। 

 লক্ষ্য:
- অর্থনৈতিক একীকরণ ও একক মুদ্রা (ইউরো) প্রবর্তনের ভিত্তি স্থাপন
- ৬টি নতুন নীতিমালার জন্য আইনি ভিত্তি তৈরি
- ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি
- ইউরোপীয় নাগরিকত্ব চালু

২য় স্তম্ভ: পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি (CFSP): 
 উদ্দেশ্য:
- ইউরোপীয় মূল্যবোধ ও স্বাধীনতা রক্ষা
- শান্তি ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বজায় রাখা
- গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রসার

 ৩য় স্তম্ভ: ন্যায়বিচার ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা (JHA): 
 লক্ষ্য:
- সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ
- সন্ত্রাসবাদ, মাদক পাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন
- অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও বিচার ব্যবস্থায় সহযোগিতা
- ইউরোপোল (Europol) প্রতিষ্ঠা
- আশ্রয় ও অভিবাসন নীতিতে সমন্বয়

ইউরো (Euro) চালুর ৩ ধাপ:
- মূলধন চলাচলের মুক্তিকরণ (১৯৯০)
- অর্থনৈতিক নীতির সমন্বয় (১৯৯৪)
- একক মুদ্রা ও ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠা (১৯৯৯)

উৎস: European Union
১৩.
১৯০১ সালে কয়টি বিষয়ে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
নোবেল পুরস্কার: 
- ১৯০১ সাল থেকে ৫ টি বিষয়ে (পদার্থ, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তি) নোবেল প্রদান করা হয়।
- ১৯৬৯ সাল থেকে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান শুরু হয়।
- তখন থেকে ৬টি বিষয়ে (পদার্থ, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতি) নোবেল প্রদান করা হয়।
- আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যু দিবসে (১০ ডিসেম্বর) নরওয়ের ওসলোতে শান্তিতে পুরস্কার ও সুইডেনের স্টকহোমে বাকি পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ১৯৪০, ১৯৪১ ও ১৯৪২ সালে নোবেল পুরস্কার প্রদান বন্ধ ছিলো।

উৎস: নোবেল প্রাইজ ওয়েবসাইট।
১৪.
পরবর্তী বিশ্বকাপ ফুটবল কোন সালে আয়োজিত হবে?
  1. ২০২৫ সালে
  2. ২০২৬ সালে
  3. ২০২৭ সালে
  4. ২০২৮ সালে
ব্যাখ্যা
বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬:
- পরবর্তী বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ সালে আয়োজিত হবে। 
- ইতিহাসে প্রথমবার ৪৮টি দল এবং তিন দেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে।
- প্রথমবার ৪৮টি দল অংশ নিচ্ছে (আগে ছিল ৩২টি)।
- তিনটি দেশ একসঙ্গে আয়োজক: কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র।
- ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই, ২০২৬, নিউইয়র্ক নিউ জার্সিতে।
- ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে রোমাঞ্চকর জয় তুলে নেওয়া আর্জেন্টিনা এবার শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে নামবে।
- ফুটবল ইতিহাসে মাত্র দুইটি দল টানা বিশ্বকাপ জিতেছে—তাই এটি আর্জেন্টিনার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
- বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে, এবং বিভিন্ন অঞ্চলের বেশ কিছু দল তাদের জায়গা নিশ্চিত করেছে।

উৎস: ফিফা ওয়েবসাইট।
১৫.
কোন দেশ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয়?
  1. আলজেরিয়া
  2. বাংলাদেশ
  3. তুরস্ক
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা
ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি:
- ১৯৮৮ সালের ১৫ নভেম্বর প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত প্যালেস্টাইনকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষণা করেছিলেন যার রাজধানী ছিল জেরুজালেম।
- তিনি আলজিয়ার্স প্যালেস্টাইনকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষণা করেছিলেন।
- আলজেরিয়া প্রথম দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়।
- সাম্প্রতিক সময়ে ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউরোপের তিন দেশ- স্পেন, আয়ারল্যান্ড ও নরওয়ে।
- এ পর্যন্ত বিশ্বের ১৪৬টি দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- ২০২৪ সালের ১০ই মে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এক ভোটাভুটিতে ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১৪৩টি দেশ ফিলিস্তিনের পূর্ণ সদস্য পদ প্রাপ্তির পক্ষে ভোট দিয়েছে।
- ফিলিস্তিন বর্তমানে জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদায় রয়েছে (২০১২ সাল থেকে) ।
- এর ফলে তাদের জাতিসংঘে আসন থাকলেও ভোটাভুটিতে অংশ নিতে পারে না।
- আরব লীগ ও অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশনের মতো অন্য অনেক সংস্থার সদস্য হিসাবে রয়েছে ফিলিস্তিন।
- ‘দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান’ (টু-স্টেট সলিউশন) তত্ত্বটি এসেছিলো ১৯৯৩ সালে অসলো শান্তি আলোচনার মাধ্যমে।

উৎস: i) বিবিসি বাংলা।
ii) Al jazeera Report.
১৬.
ব্রিটিশ আইন সভার নিম্ন কক্ষের নাম কী?
  1. সিনেট
  2. হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ
  3. হাউজ অব লর্ডস
  4. হাউজ অব কমন্স
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ আইন সভা:
- আইন সভার নাম পার্লামেন্ট।
- দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট: উচ্চ কক্ষ ও নিম্ন কক্ষ।
- উচ্চ কক্ষের নাম হাউজ অব লর্ডস।
- ব্রিটিশ আইন সভার নিম্ন কক্ষের নাম হাউজ অব কমন্স।

অন্যদিকে –
- সিনেট যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ কক্ষের নাম।
- হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ যুক্তরাষ্ট্রের নিম্ন কক্ষের নাম।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৪, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
কোন দেশটি বাল্টিক রাষ্ট্র?
  1. এস্তোনিয়া
  2. লাটভিয়া
  3. লিথুয়ানিয়া
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাল্টিক রাষ্ট্র (Baltic States):
- বাল্টিক রাষ্ট্র (Baltic States) বলতে ইউরোপের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের তিনটি দেশ এস্তোনিয়া, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়াকে বোঝানো হয়, যেগুলি বাল্টিক সাগরের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত।
- ভৌগোলিক সীমা: পশ্চিম ও উত্তরে বাল্টিক সাগর, পূর্বে রাশিয়া, দক্ষিণ-পূর্বে বেলারুশ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে পোল্যান্ড ও রাশিয়ার একটি বিচ্ছিন্ন অংশ (exclave)।
- এলাকা জুড়ে রয়েছে ৭,০০০টির বেশি হ্রদ এবং অসংখ্য পিট জমি (peat bogs), জলাভূমি ও দোয়াশ (marshes)
- প্রধান নদী: নেমান নদী (লিথুয়ানিয়া), ওয়েস্টার্ন ডভিনা নদী (লাটভিয়া)।
- এই নদীগুলো উত্তর-পশ্চিম দিকে বাল্টিক সাগরে পতিত হয়

উৎস: Britannica
১৮.
কোন ব্যবস্থায় কোন কেন্দ্রীয় কর্তৃত্ব নেই?
  1. নৈরাজ্যবাদ
  2. বাস্তববাদ
  3. উদারতাবাদ
  4. জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
নৈরাজ্যবাদ:
- এই ব্যবস্থায় কোন কেন্দ্রীয় কর্তৃত্ব নেই।
- নৈরাজ্যবাদ (Anarchism) একটি মতবাদ ও দৃষ্টিভঙ্গির সমষ্টি, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এই বিশ্বাস যে সরকার বা রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনা ক্ষতিকর এবং অপ্রয়োজনীয়।
- "Anarchism" শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ "anarchos" থেকে, যার অর্থ "কোনো কর্তৃত্ব নেই"।
- অরাজকতাবাদীরা বিশ্বাস করেন, সরকার, আইন এবং কেন্দ্রীয় কর্তৃত্ব মানব স্বাধীনতার পরিপন্থী।
- এদের মতে, মানুষ নিজে নিজেই নিজের জীবন পরিচালনা করতে পারে পরস্পর সহযোগিতামূলক ভিত্তিতে, কোনো জোরপূর্বক কর্তৃত্বের প্রয়োজন নেই।
- মূলত পশ্চিমা বিশ্বে এই মতবাদের বিকাশ ঘটে এবং বিশ শতকের শুরুর দিকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।
- এটি সমাজতন্ত্র, কমিউনিজম, কিংবা স্বতন্ত্রবাদী মতবাদের মতো বিভিন্ন রূপে বিকশিত হয়েছে।
- কারো কাছে নৈরাজ্যবাদ মানে প্রকৃত স্বাধীনতা ও সমতার স্বপ্ন, আবার অন্যদের চোখে এটি অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলার প্রতীক।

উৎস: Britannica.
১৯.
জাপান পার্ল হারবার আক্রমণ করে কত সালে?
  1. ১৯৪০ সালে
  2. ১৯৪১ সালে
  3. ১৯৪২ সালে
  4. ১৯৪৩ সালে
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- সময়কাল: ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ – ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫
- অক্ষশক্তি (Axis Powers): জার্মানি, ইতালি, জাপান
- মিত্রশক্তি (Allied Powers): যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন
- ১৯৩৯ সালে জার্মানির পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- ১৯৪১ সাল: জার্মানি সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ (অপারেশন বারবারোসা) করে।
- ৭ ডিসেম্বর ১৯৪১: জাপানের পার্ল হারবার আক্রমণের ফলে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে প্রবেশ করে।
- ১৯৪৪ সাল: নরম্যান্ডি অভিযান (D-Day) এর মাধ্যমে পশ্চিম ইউরোপে মিত্রশক্তির অগ্রগতি।
- ৬ ও ৯ আগস্ট ১৯৪৫: যুক্তরাষ্ট্র হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা হামলা করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫: জাপানের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে যুদ্ধের সমাপ্তি হয়।

ফলাফল:
- প্রায় ৪-৫ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়, যা ইতিহাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন পূর্ব ইউরোপে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে।
- চীনে কমিউনিস্ট বিপ্লব ত্বরান্বিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে শীতল যুদ্ধ (Cold War) শুরু হয়।
- জাতিসংঘ (United Nations) প্রতিষ্ঠিত হয়, যাতে ভবিষ্যৎ বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধ করা যায়।

উৎস: Britannica.
২০.
গডউইন অস্টিন কোন পর্বতমালায় অবস্থিত?
  1. হিন্দুকুশ
  2. কারাকোরাম
  3. আল্পস
  4. হিমালয়
ব্যাখ্যা
গডউইন অস্টিন (K2):
- K2 বিশ্বের দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ (উচ্চতা: ২৮,২৫১ ফুট বা ৮,৬১১ মিটার), যা মাউন্ট এভারেস্ট-এর পরেই স্থান পায়।
- কারাকোরাম পর্বতমালার সর্বোচ্চ পর্বত গডউইন অস্টিন (K2)।
- গডউইন অস্টিন "K2" পর্বতের এক নাম, যা পৃথিবীর দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ।
- এটি কারাকোরাম পর্বতমালায় অবস্থিত এবং পাকিস্তান ও চীনের সীমান্তে পড়ে।
- "গডউইন অস্টিন" নামটি ব্রিটিশ ভূতাত্ত্বিক এবং জরিপকারী কর্নেল এইচ.এইচ. গডউইন-অস্টিনের নামানুসারে রাখা হয়েছে, যিনি এই অঞ্চলে জরিপ কাজ পরিচালনা করেছিলেন।
- K2 নামটি এসেছে গ্রেট ট্রিগনোমেট্রিক সার্ভে (Great Trigonometrical Survey)-এর সময় দেওয়া এক সিরিজ কোড থেকে — ‘K’ মানে Karakoram, এবং এটি ছিল দ্বিতীয় শৃঙ্গ যা ওই অঞ্চলে চিহ্নিত হয়েছিল
- K2 প্রায় ৮,৬১১ মিটার (২৮,২৫১ ফুট) উঁচু এবং এটি পর্বতারোহীদের জন্য অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং পর্বত হিসেবে পরিচিত।
- এর চূড়ায় ওঠার পথটি অত্যন্ত কঠিন এবং বিপজ্জনক, যা পর্বতারোহীদের মধ্যে "সাভেজ মাউন্টেন" বা "নিষ্ঠুর পর্বত" নামে পরিচিত।
- K2-এর চূড়ায় পৌঁছানোর প্রচেষ্টা প্রায়ই প্রাকৃতিক বিপর্যয় এবং খারাপ আবহাওয়ার কারণে ব্যর্থ হয়।

উৎস: Britannica.