পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
সাধারণ বিজ্ঞান সম্পূর্ণ [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
“সূর্যই হচ্ছে সৌরজগতের কেন্দ্র এবং পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহগুলো এর চারিদিকে ঘূর্ণায়মান” - এই মতবাদের প্রবক্তা কে?
  1. ক) কোপার্নিকাস
  2. খ) গ্যালিলিও
  3. গ) রজার বেকন
  4. ঘ) নিউটন
ব্যাখ্যা

বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও দার্শনিক অ্যারিস্টটল মনে করতেন পৃথিবীর চারপাশে সূর্য ঘােরে।
বিখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী টলেমী জোরালােভাবে বলেন যে পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই সবকিছু ঘুরছে।
কোপারনিকাস নামে একজন জ্যোর্তিবিদ সম্পূর্ণ নতুন মতবাদ ব্যাক্ত করেন। তিনি পৃথিবীকেন্দ্রিক মডেলের পরিবর্তে সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের প্রস্তাব করেন। তার মডেলের মূল কথা ছিল পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘােরে।
পরবর্তীতে বিজ্ঞানী কেপলার ও গ্যলিলিও, কোপারনিকাসের মতবাদের পক্ষে প্রমাণ হাজির করেন।
সূত্রঃ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি

.
কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন কে?
  1. ক) ম্যাক্স প্লাঙ্ক
  2. খ) আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. গ) হাইগেন
  4. ঘ) রাদারফোর্ড
ব্যাখ্যা

কোন কোন ধাতুর উপর আলাে পড়লে তাৎক্ষণিক ইলেকট্রন নির্গত হয়, একে ফটোতড়িৎ ক্রিয়া বলে।
আলাের তরঙ্গ ধর্মের সাহায্যে এই ঘটনার ব্যাখ্যা করা যায় না।
১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আলাের কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে এই ঘটনার ব্যাখ্যা দেন।
সেজন্য তাঁকে ১৯২১ সালে নােবেল পুরস্কার দেয়া হয়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

.
বিদ্যুৎ আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) টমাস আলভা এডিসন
  2. খ) জি. মার্কনী
  3. গ) উইলিয়াম গিলবার্ট
  4. ঘ) রন্টজেন
ব্যাখ্যা

ইংরেজ বিজ্ঞানী উইলিয়াম গিলবার্ট ১৬০০ সালে বহু পদার্থের বিদ্যুতায়নের বর্ণনা দিয়েছিলেন।
ফলস্বরূপ, গিলবার্টকে আধুনিক বিদ্যুতের জনক বলা হয়।
সূত্র: electricityforum.com

.
‘অলটিমিটার’ যন্ত্রের সাহায্যে কী পরিমাপ করা হয়?
  1. ক) উচ্চতা
  2. খ) বিদ্যুৎ প্রবাহ
  3. গ) শব্দের তীব্রতা
  4. ঘ) গ্যাসের চাপ
ব্যাখ্যা

উচ্চতা নির্ণয়ের যন্ত্র - অলটিমিটার
শব্দের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্র - অডিওমিটার
বিদ্যুৎ প্রবাহ মাপক যন্ত্র - অ্যামিটার
গ্যাসের চাপ নির্ণয়ক যন্ত্র - ম্যানােমিটার।

.
অক্সিজেন আবিষ্কৃত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৭৭৪ সালে
  2. খ) ১৭৮২ সালে
  3. গ) ১৭৬৬ সালে
  4. ঘ) ১৮০২ সালে
ব্যাখ্যা

ইংরেজ রসায়নবিদ জোসেফ প্রেস্টলি ১৭৭৪ সালে অক্সিজেন আবিষ্কার করেছিলেন।
সূত্র: ব্রিটানিকা

.
নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) বাতাসের আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।
  2. খ) তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ হ্রাস পায়।
  3. গ) মাধ্যমের ঘনত্ব হ্রাস পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

পরীক্ষা করে দেখা গেছে আলাের দ্রুতি শূন্যস্থানে সব সময় 3x108 ms-1 নির্দিষ্ট। কিন্তু শব্দের দ্রুতি সবসময় সমান নয়।
0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1

তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। হিসাব করে দেখা গেছে প্রতি 1°C বা 1K তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6 ms-1 পরিমাণ বেড়ে যায়।

বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লেও শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়।
 
মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়। মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়।
যেমন- বায়ু মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1, পানি মাধ্যমে 1450 ms-1 এবং লােহার মধ্যে 5220 ms-1 |

বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম, তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি। কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি।
বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না।

সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

.
ভেজা কাপড় বর্ষাকালের তুলনায় শীতকালে তাড়াতাড়ি শুকায় কেন?
  1. ক) শীতকালে আকাশে মেঘ থাকেনা বলে।
  2. খ) শীতকালে বর্ষাকালের চেয়ে বেশি রোদ থাকে।
  3. গ) শীতকালে বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকে।
  4. ঘ) শীতকালে বায়ুপ্রবাহ বেশি থাকে।
ব্যাখ্যা

ভেজা কাপড় শুকানাে অর্থ কাপড়ের জলকণা বাষ্পায়নের মাধ্যমে উবে যাওয়া।
বর্ষাকালে বাতাসের তাপমাত্রা বেশি হলেও আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকে। ফলে বাষ্পায়নের হার কমে যায়।
অন্য দিকে শীতকালে বাতাসের তাপমাত্রা কম হলেও আপেক্ষিক আর্দ্রতা কম থাকে অর্থাৎ বাতাস শুকনাে থাকে ফলে জলকণার দ্রুত বাষ্পায়ন হয় এবং ভেজা কাপড় দ্রুত শুকায়।
সূত্রঃ পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রােগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

.
আকাশে বিদ্যুৎ চমকায় কেন?
  1. ক) মেঘের অসংখ্য জলকণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
  2. খ) দুইখণ্ড মেঘের ঘর্ষণের ফলে
  3. গ) মেঘের মধ্যে বিদ্যুৎ কোষের সৃষ্টি হলে
  4. ঘ) মেঘের মধ্যদিয়ে বাতাস প্রবাহিত হলে
ব্যাখ্যা

মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার জন্য মেঘের ভেতর বড় স্পার্ক হয় যেটাকে আমরা বিদ্যুৎ চমকানাে বলি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বাের্ড বই

.
নিচের কোনটির ভেদন ক্ষমতা সবথেকে বেশি?
  1. ক) আলফা রশ্মি
  2. খ) বিটা রশ্মি
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা

গামা রশ্মি চার্জ নিরপেক্ষ অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ।
আলফা ও বিটা রশ্মির চেয়ে এই রশ্মির ভেদন ক্ষমতা খুব বেশি। স্বল্প আয়নায়ন ক্ষমতা সম্পন্ন, এই রশ্মি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে ও ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। এর কোন ভর নেই।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বাের্ড বই।

১০.
নিচের কোনটি উপধাতু?
  1. ক) আর্সেনিক
  2. খ) সোডিয়াম
  3. গ) বেরেলিয়াম
  4. ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

যে মৌলের মধ্যে ধাতু ও অধাতু উভয়েরই বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান তাকে উপধাতু বা অপধাতু বলে।
যেমন-বােরন (B), সিলিকন (Si), আর্সেনিক (As), টেলুরিয়াম (Te) ইত্যাদি।
সূত্রঃ রসায়ন বিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।

১১.
  1. ক) 17
  2. খ) 35
  3. গ) 18
  4. ঘ) 52
ব্যাখ্যা

কোন পরমাণুতে ভরসংখ্যা = প্রােটন+নিউট্রন সংখ্যা, যা A দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
যেহেতু, ভরসংখ্যা হলাে প্রােটন সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যার যােগফল, কাজেই ভরসংখ্যা থেকে প্রােটন সংখ্যা বাদ দিলে পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা পাওয়া যাবে।

এখানে, Cl- এর ভরসংখ্যা 35 এবং প্রােটন সংখ্যা 17।
সুতরাং, নিউট্রন সংখ্যা = 35 - 17 = 18।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর। রসায়ন বাের্ড বই।

১২.
লোহাকে গ্যালভানাইজিং করা হয় কোনটি ব্যবহার করে?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম
  2. খ) দস্তা
  3. গ) নিকেল
  4. ঘ) টিন
ব্যাখ্যা

তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটি ধাতুর তৈরি জিনিসপত্রের উপর অন্য একটি কম সক্রিয় ধাতুর প্রলেপ দেয়াকে ইলেক্ট্রোপ্লেটিং বলে।
কোনাে ধাতুর উপর জিংক বা দস্তার প্রলেপ দেওয়াকে গ্যালভানাইজিং বলে।
তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটি ধাতুর তৈরি জিনিসপত্রের উপর টিনের প্রলেপ দেওয়া কে টিনপ্লেটিং বলা হয়।
রাবারের তৈরি জিনিসপত্র শক্তিশালী ও টেকসই করার লক্ষ্যে রাবারের সাথে সালফার মেশানােকে ভলকানাইজিং বলে।
[সূত্রঃ রসায়ন নবম-দশম শ্রেণি]

১৩.
‘ডুরালুমিন’ কোনটির সংকর ধাতু?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম
  2. খ) লোহা
  3. গ) কপার
  4. ঘ) সিলভার
ব্যাখ্যা

ডুরালুমিন এর উপাদানঃ
অ্যালুমিনিয়াম (Al) - ৯৫%
কপার (Cu) - ৪%
লােহা (Fe) - ১%
ম্যাঙ্গানিজ (Mn) ও
ম্যাগনেসিয়াম (Mg),

ব্যবহারঃ
উড়ােজাহাজের কাঠামাে (বডি), বাই সাইকেলের যন্ত্রাংশ ইত্যাদি।

সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেনির রসায়ন।

১৪.
নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে কোন সার প্রস্তুত করা হয়?
  1. ক) টিএসপি
  2. খ) পটাশ
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) সবুজ সার
ব্যাখ্যা

নাইট্রোজেন গ্যাসকে একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় অ্যামােনিয়ায় রূপান্তরিত করা হয় এবং অ্যামােনিয়া থেকে ইউরিয়া সার উৎপন্ন করা হয়।
তাই উদ্ভিদ খাদ্য উপাদান হিসেবে ইউরিয়া সার হতে নাইট্রোজেনই গ্রহণ করে।
ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেন থাকে ৪৬%।

১৫.
নিচের কোনটি ভাইরাসের নাম -
  1. ক) এইডস
  2. খ) জিকা
  3. গ) জলাতঙ্ক
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

জিকা ভাইরাস ( ইংরেজি Zika virus) হচ্ছে ফ্ল্যাভিভাইরিডি পরিবারের ফ্ল্যাভিভাইরাস গণের অন্তর্ভুক্ত। এই পরিবারের অন্যান্য ভাইরাসের মত এটি আবরণযুক্ত ও আইকসাহেড্রাল আকৃতির একসূত্রক RNA ভাইরাস।

এইডস ভাইরাসের নাম নয়। এইচআইভি এমন একটি ভাইরাস যেটা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে দেয় এবং জীবাণু সংক্রমণের বিরুদ্ধে মানবদেহকে প্রতিরোধহীন করে নিরাময়হীন অবস্থায় নিয়ে যায়, যা এইডস নামে পরিচিত।

জলাতঙ্ক ভাইরাসঘটিত একটি রোগ যা লিসা ভাইরাসের কারণে ঘটে থাকে।

unicef.org

১৬.
জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি?
  1. ক) রাসায়নিক সার প্রয়োগ
  2. খ) জৈব সার প্রয়োগ
  3. গ) পানি সেচ
  4. ঘ) নাইট্রোজেন সংবন্ধকরণ
ব্যাখ্যা

জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণে পানি সেচ খুব কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
Source: fao.org

১৭.
লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ুষ্কাল কতদিন?
  1. ক) ১ মাস
  2. খ) ২ মাস
  3. গ) ৩ মাস
  4. ঘ) ৪ মাস
ব্যাখ্যা

রক্ত কণিকার মধ্যে লােহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এটি শ্বাসকার্যে অক্সিজেন পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
লােহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতাে দ্বি-অবতল।
এর গড় আয়ু ১২০ দিন বা ৪ মাস।
লাল অস্থিমজ্জায় লােহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়।
সূত্র: জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি

১৮.
Pulmonary শিরা পরিবহন করে -
  1. ক) অক্সিজেন যুক্ত রক্ত
  2. খ) কার্বন-ডাই-অক্সাইড যুক্ত রক্ত
  3. গ) ক ও খ উভয়ই
  4. ঘ) নাইট্রোজেন যুক্ত রক্ত
ব্যাখ্যা

করােনারি ধমনি: অ্যাওর্টা অ্যাওর্টিক আর্চ গঠনের পূর্বেই ডান ও বাম করােনারি ধমনি উৎপন্ন করে। এরা অক্সিজেন যুক্ত রক্ত হৃদপেশীতে সরবরাহ করে।

ইনমিনেট ধমনি: এটি একটি খাটো ও মােটা ধমনি। এটি অভিন্ন ক্যারােটিড ধমনি ও ডান সাবক্লেভিয়ান ধমনিতে বিভক্ত।

পালমােনারী ধমনি: দেহ থেকে গৃহীত কার্বন-ডাই-অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত অক্সিজেনময় হওয়ার জন্য ফুসফুসে বহন করে।

পালমােনারি শিরা: ফুসফুস থেকে অক্সিজেনময় রক্ত দেহে সরবরাহের জন্য হৃদপিন্ডে বহন করে।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
মস্তিষ্ক থেকে কত জোড়া স্নায়ু নির্গত হয়?
  1. ক) ৮ জোড়া
  2. খ) ১০ জোড়া
  3. গ) ১২ জোড়া
  4. ঘ) ১৪ জোড়া
ব্যাখ্যা

মানবদেহে করােটিকা স্নায়ুর সংখ্যা ১২ জোড়া বা ২৪ টি।
আর মেরুরজ্জীয় স্নায়ুর সংখ্যা ৩১ জোড়া বা ৬২ টি। 
উৎসঃ জীববিজ্ঞান বাের্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

২০.
মুক্তার রাসায়নিক উপাদানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে -
  1. ক) কনকিওলিন
  2. খ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
  3. গ) ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড
  4. ঘ) সোডিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা

মুক্তা বা মতি এক ধরনের রত্ন বিশেষ, যা শম্বুক জাতীয় প্রাণী ঝিনুকের অভ্যন্তরে তৈরি হয়। তবে সব ঝিনুকে মুক্তা থাকে না।
মাসল শ্রেণির ঝিনুকের পেটে মুক্তা হয়। এর রাসায়নিক উপাদান হলো কনকায়োলিন ক্যালসাইট এবং ক্যালসিয়াম কার্বোনেট।
খাওয়ার সময় ঝিনুক যখন তার খোলস ফাঁক করে তখন যদি বালুর কণা বা অন্য কোনো কঠিন পদার্থের চূর্ণ তার দেহের মধ্যে ঢুকে যায় এবং চেষ্টা সত্ত্বেও সেটি বের করতে না পারে, তখন এই কণাটির জন্য ঝিনুকের দেহে প্রদাহ বা জ্বলনের সৃষ্টি হয়। তখন ঝিনুকের অঙ্গ থেকে সাদা ঘন আঠালো রস ক্ষরিত হয়ে বহিরাগত কণাটিকে বেষ্টন করে স্তরে স্তরে জমাট বাঁধতে থাকে। এই কঠিন জমাট বস্তুটিই ধীরে ধীরে মুক্তায় রূপান্তরিত হয়।

ক্যালসিয়াম কার্বনেট হল একটি রাসায়নিক যৌগ যার সংকেত হচ্ছে CaC03
এটা প্রধানত তিনটি উপাদান কার্বন, অক্সিজেন এবং ক্যালসিয়াম দ্বারা গঠিত। পাথর বা শিলার মধ্যে এটা একটা সাধারণ উপাদান এবং মুক্তা, সামুদ্রিক প্রাণীর খােলস,শামুক,ডিমের খােসা ইত্যাদির প্রধান উপাদান।

উৎসঃ অষ্টম শ্রেণির বোর্ড বই ও রসায়ন বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

২১.
কোন পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে?
  1. ক) সমুদ্রের পানিতে
  2. খ) ঝরনার পানিতে
  3. গ) পুকুরের পানিতে
  4. ঘ) টিউবওয়েলের পানিতে
ব্যাখ্যা

আবদ্ধ পানির চেয়ে চলমান পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে।
এবং, সাগরের পানির চেয়ে মিঠা পানিতে অক্সিজেন বেশি থাকে।
Rapidly moving water, such as in a mountain stream or large river, tends to contain a lot of dissolved oxygen, whereas stagnant water contains less.
Source: USGS and others.

২২.
নিচের কোনটি পানিতে দ্রবীভূত হয়?
  1. ক) কেরোসিন
  2. খ) এলকোহল
  3. গ) গ্লিসারিন
  4. ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা

গ্লিসারিন ও এলকোহল পানিতে দ্রবীভূত হয়।
কিন্তু কেরোসিন পানিতে দ্রবীভূত হয় না।

২৩.
‘ব্ল্যাকবক্স’ যন্ত্রটি কিসে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) জাহাজে
  2. খ) বিমানে
  3. গ) রকেটে
  4. ঘ) সাবমেরিনে
ব্যাখ্যা

সব প্লেনেই ব্ল্যাকবক্স থাকে। এসব বক্স প্লেন চলার সময় বিভিন্ন তথ্য ধারণ করে রাখে।
ব্ল্যাকবক্সের সংখ্যা এক বা ক্ষেত্রবিশেষে দুটি হয়।
একটি ককপিটে পাইলটদের কথোপকথন ধারণ করে, যা ককপিট ভয়েস রেকর্ডার (সিভিআর) নামে পরিচিত।
অপরটি প্লেন চলাচলের বিভিন্ন তথ্য ধারণ করে, যা ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার (এফডিআর) নামে অভিহিত।
সূত্রঃ প্রথম আলো

২৪.
সর্বশেষ আবিষ্কৃত মৌলিক কণা কোনটি?
  1. ক) পজিট্রন
  2. খ) বোসন কণা
  3. গ) ղ-মেসন
  4. ঘ) মিওন
ব্যাখ্যা

১৯২৪ সালে বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু ও আলবার্ট আইনস্টাইন বোসন জাতের কণার ব্যাখ্যা দেন।

পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস ১৯৬৪ সালে তাত্ত্বিকভাবে এমন একটি কণার ধারণা দেন, যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে। তাঁর মতে, এর ফলেই এ মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে। এ কণাটিই গড পার্টিকেল বা ‘ঈশ্বর কণা’ নামে পরিচিতি পায়। হিগসের এই কণার বৈশিষ্ট্য ও স্বরূপ জানিয়েছিলেন বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু।

দুই বিজ্ঞানীর নামে কণাটির নাম দেওয়া হয় হিগস বোসন। ২০০১ সালে এসে গবেষকেরা ওই কণার খোঁজ করতে শুরু করেন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্মিল্যাবের টেভাট্রন যন্ত্রে। ২০০৮ সালে প্রতিযোগিতায় নামে সার্ন গবেষণাগারের লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার। ২০১১ সালে সার্নের বিজ্ঞানীরা এ কণার প্রাথমিক অস্তিত্ব টের পান। একই সময়ে ফার্মিল্যাবও তাদের গবেষণায় ইতিবাচক ফল পায়।
শেষ পর্যন্ত ২০১২ সালের ৪ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে সার্নের গবেষকেরাই ঘোষণা দিলেন হিগস বোসনের অনুরূপ একটি কণা আবিষ্কারের।

সূত্রঃ প্রথম আলো আর্কাইভ।

২৫.
নিচের কোনটি গ্রীন হাউজ গ্যাস?
  1. ক) জলীয় বাষ্প
  2. খ) ওজোন
  3. গ) কার্বন ডাই অক্সাইড
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলােকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।
কয়েকটি উল্লেখযােগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে -
- জলীয় বাষ্প,
- কার্বন ডাই অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- মিথেন,
- ওজোন,
- ক্লোরােফ্লোরাে কার্বন ইত্যাদি।
- কার্বন ডাই সালফাইড এবং কার্বনিল সাইফাইড পরােক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস।
উৎসঃ ভূগােল, নবম-দশম শ্রেণি - বাের্ড বই, ব্রিটানিকা এবং Royal Society of Chemistry।