পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
Exam - 3 বাংলা ব্যাকরণ ও সাহিত্য Topic: ব্যাকরণ অংশ: ১. ধ্বনি, শব্দ, ধ্বনি পরিবর্তন, শব্দের উচ্চারণ, লিঙ্গ, দ্বিরুক্ত শব্দ, যুক্তবর্ণ, শব্দ ও পদের গঠন, শব্দের উৎস, শব্দের শ্রেণি বিভাগ। ২. বাগ্‌ধারা ও প্রবাদ-প্রবচন, প্রতিশব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ, শব্দার্থ, শব্দজোড় (সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ), উপসর্গ, অনুসর্গ, বানান ইত্যাদি। সাহিত্য অংশ: ১. বাংলা সাহিত্য প্রাচীন যুগ ও মধ্যযুগ (গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক ও তাদের সাহিত্যকর্ম), কবি সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম ও উপাধী (সকল যুগ), পত্রিকা, ভাষা-আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক সাহিত্য এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
এতকাল হউ অচ্ছিলোঁ স্বমোহে।
এবেঁ মই বুঝিল সদ্ গুরু বোহেঁ।। - এটি চর্যাপদের কত নং পদ?
  1. ১৮নং
  2. ৫০নং
  3. ৩৫নং
  4. ৪৪নং
সঠিক উত্তর:
৩৫নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫নং
ব্যাখ্যা

এতকাল হউ অচ্ছিলোঁ স্বমোহে।
এবেঁ মই বুঝিল সদ্ গুরু বোহেঁ।। - পদটি রচয়িতা - ভাদেপা।
- এটি চর্যাপদের ৩৫নং পদ।

ভাদেপা:
- তিনি খ্রিষ্টীয় অষ্টম শতকে ছিলো।
- তিনি শ্রাবন্তী এলাকায় অবস্থান ছিলো।
- ভাদেপা'র গুরু ছিলো জালন্ধরীপা, মতান্তরে কাহ্নপা।
- চর্যাপদের ৩৫নং পদ রচনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
কোনটি ফারসি শব্দ?
  1. তকদির
  2. এলাহি
  3. ফসল
  4. দরবার
সঠিক উত্তর:
দরবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দরবার
ব্যাখ্যা
• 'দরবার'
- শব্দটি ফারসি ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
এর অর্থ: রাজসভা, বিচারসভা, ধনীগৃহের বৈঠখানা, তদবির।

অন্যদিকে,
- ফসল, এলাহি এবং তকদির - শব্দগুলো আরবি ভাষা হতে আগত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
'একে নাচনি বুড়ি তাতে পড়েছে ঢোলের বাড়ি' প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ -
  1. আকস্মিকভাবে বড় বিষয় সম্পন্নের চেষ্টা
  2. ইন্ধন যোগানো
  3. স্বভাবের পরিবর্তন সম্ভব নয়
  4. অযোগ্যের বিপরীত নামকরণ
সঠিক উত্তর:
ইন্ধন যোগানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্ধন যোগানো
ব্যাখ্যা
• 'একে নাচনি বুড়ি তাতে পড়েছে ঢোলের বাড়ি' প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ - ইন্ধন যোগানো

অন্যদিকে,
- 'কয়লা ধুলে ময়লা যায় না' প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ - স্বভাবের পরিবর্তন সম্ভব নয়।
- 'কানা-ছেলের নাম পদ্মলোচন' প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ - অযোগ্যের বিপরীত নামকরণ।
- 'ওঠ ছুড়ি তোর বিয়ে' প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ - আকস্মিকভাবে বড় বিষয় সম্পন্নের চেষ্টা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোন শব্দটি হিন্দি ভাষা হতে আগত?
  1. চাচা
  2. বাবা
  3. কাচারি
  4. আমদানি
সঠিক উত্তর:
কাচারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাচারি
ব্যাখ্যা
• 'কাচারি'
- শব্দটি হিন্দি ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
এর অর্থ: বিচারালয়, আদালত।

অন্যদিকে,
- 'চাচা' সংস্কৃত শব্দ।
- 'বাবা' তুর্কি শব্দ।
- 'আমদানি' ফারসি শব্দ।

উৎস: বাংলা একাডেমির আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কোনটি হ্রস্ব স্বরধ্বনি?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• উচ্চারণের সময়ের তারতম্য অনুসারে স্বরধ্বনিগুলোকে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়।
যেমন: ক. হ্রস্বস্বর ও খ. দীর্ঘস্বর।

হ্রস্বস্বর:
- যেসব স্বরধ্বনি উচ্চারণে কম সময় লাগে, তাদেরকে হ্রস্বস্বর বলে।
- অ, ই, উ, হ্রস্বস্বর।

দীর্ঘস্বর:
- যেসব স্বরধ্বনি উচ্চারণে অপেক্ষাকৃত বেশি সময় লাগে, তাদেরকে দীর্ঘস্বর বলে।
- , , উ, এ, , ও, ঔ দীর্ঘস্বর।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
.
'আঁধার ঘরের মানিক' বাগ্‌ধারার অর্থ -
  1. বড় বেশি বাড়াবাড়ি
  2. অমিতব্যয়ী
  3. আকাঙ্ক্ষিত বস্তু
  4. অত্যন্ত প্রিয়জন
সঠিক উত্তর:
অত্যন্ত প্রিয়জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অত্যন্ত প্রিয়জন
ব্যাখ্যা
• 'আঁধার ঘরের মানিক' বাগ্‌ধারার অর্থ - অত্যন্ত প্রিয়জন

অন্যদিকে,
- 'উড়নচণ্ডী' বাগ্‌ধারার অর্থ - অমিতব্যয়ী।
- 'ঈদের চাঁদ' বাগ্‌ধারার অর্থ - আকাঙ্ক্ষিত বস্তু। 
- 'আঠারো আনা' বাগ্‌ধারার অর্থ - বড় বেশি বাড়াবাড়ি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'হর্ষ' এর বিপরীতার্থক শব্দ -
  1. মৃত
  2. সরল
  3. বিরল
  4. বিষাদ
সঠিক উত্তর:
বিষাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষাদ
ব্যাখ্যা
• 'হর্ষ' এর বিপরীতার্থক শব্দ - বিষাদ

অন্যদিকে,
- 'অবিরল' এর বিপরীতার্থক শব্দ - বিরল।
- 'কুটিল' এর বিপরীতার্থক শব্দ - সরল।
- 'জীবিত' এর বিপরীতার্থক শব্দ - মৃত।

উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
"ধােবা > ধােপা" কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন?
  1. অন্তর্হতি
  2. ব্যঞ্জনচ্যুতি
  3. অভিশ্রুতি
  4. ব্যঞ্জন বিকৃতি
সঠিক উত্তর:
ব্যঞ্জন বিকৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যঞ্জন বিকৃতি
ব্যাখ্যা
ব্যঞ্জন বিকৃতি:
- শব্দ-মধ্যে কোনাে কোনাে সময় কোনাে ব্যঞ্জন পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জনধ্বনি ব্যবহৃত হয়। একে বলে ব্যঞ্জন বিকৃতি।
যেমন:
- কবাট > কপাট,
- ধােবা > ধােপা,
- ধাইমা > দাইমা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
অভিশ্রুতি:
- বিপর্যস্ত স্বরধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে গেলে এবং তদনুসারে পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে বলে অভিশ্রুতি।
যেমন:
- করিয়া > কইর‌্যা > করে,
- দেখিয়া > দেইখ্যা > দেখে,
- গাছুয়া > গাউছা > গেছো।

ব্যঞ্জনচ্যুতি:
- পাশাপাশি সমউচ্চারণের দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি থাকলে তার একটি লােপ পায়। এরূপ লােপকে বলা হয় ধ্বনিচ্যুতি বা ব্যঞ্জনচ্যুতি।
যেমন:
- বউদিদি> বউদি,
- বড়দাদা > বড়দা ইত্যাদি।

অন্তর্হতি:
- পদের মধ্যে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পেলে তাকে বলে অন্তর্হতি।
যেমন:
- ফাল্গুন > ফাগুন,
- ফলাহার > ফলা,
- আলাহিদা > আলাদা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
দ্বিজ বংশীদাস কোন কাব্যের অন্যতম কবি?
  1. বিদ্যাসুন্দর
  2. মনসামঙ্গল
  3. পদ্মাবতী
  4. চণ্ডীমঙ্গল
সঠিক উত্তর:
মনসামঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনসামঙ্গল
ব্যাখ্যা
দ্বিজ বংশীদাস:
- মনসামঙ্গল গ্রন্থটি মধ্যযুগ এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি দ্বিজ বংশীদাস রচিত।
- দ্বিজ বংশীদাস পদ্মাপুরাণ বা মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম কবি ছিলেন।
- তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার পাতুয়ারী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- কাব্যে ‘মঘ-ফিরিঙ্গি’, ‘বন্দুক-পলিতা’ প্রভৃতি শব্দের ব্যবহার দেখে অনেকে মনে করেন, কবি সতেরো শতকে আবির্ভূত হন।
- দ্বিজ বংশীদাস সংস্কৃত, পুরাণ, আগম ও তন্ত্রাদি শাস্ত্রে পন্ডিত ছিলেন।
- সুকণ্ঠ গায়ক হিসেবেও তিনি প্রসিদ্ধি লাভ করেন।
- বংশীদাস কবি চন্দ্রাবতীর পিতা।
- কবি চন্দ্রাবতী রামায়ণের অনুবাদে পিতা বংশীদাসরে পরিচয় তুলে ধরেছেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম; বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
"রশ্মি' শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
  1. রোশ্‌শিঁ
  2. রোশ্‌শি
  3. রোষশিঁ
  4. রোসষিঁ
সঠিক উত্তর:
রোশ্‌শিঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোশ্‌শিঁ
ব্যাখ্যা
ম-ফলার উচ্চারণ:
• পদের মধ্যে বা শেষে ম-ফলা যুক্ত হলে উচ্চারণে সে বর্ণের দ্বিত্ব হয় এবং সামান্য নাসিক্যস্বর হয়।
যেমন:
- আত্মীয় (আত্‌তিঁয়ো), পদ্ম (পদ্‌দোঁ), বিস্ময় (বিশ্‌শঁয়), ভস্ম (ভশ্‌শোঁ), রশ্মি (রোশ্‌শিঁ)

• পদের প্রথমে ম-ফলা থাকলে সে বর্ণের উচ্চারণে কিছুটা ঝোঁক পড়ে এবং সামান্য নাসিক্যস্বর হয়।
যেমন: শ্মশান (শশাঁন্‌), স্মরণ (শরোঁন্‌)।
- কখনো কখনো 'ম' অনুচ্চারিত থাকতেও পারে। যেমন: স্মৃতি (সৃঁতি বা স্মৃতি)।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
১১.
কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. কারিগরি
  2. নিরুপম
  3. কুপমণ্ডূক
  4. কিংবদন্তি
সঠিক উত্তর:
কুপমণ্ডূক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুপমণ্ডূক
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানান - 'কুপমণ্ডূক'

- শব্দটির শুদ্ধ বানান - 'কূপমণ্ডূক'
- বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- সীমাবদ্ধ জ্ঞানবিশিষ্ট।

অন্যদিকে,
- কারিগরি, কিংবদন্তি এবং নিরুপম - শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১২.
"সংবাদ প্রভাকর" পত্রিকাটি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৮৩৬ সালে
  2. ১৮৩৯ সালে
  3. ১৮৩১ সালে
  4. ১৮৩৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৩১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৩১ সালে
ব্যাখ্যা
সংবাদ প্রভাকর:
- 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
- তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন।
- কিছুদিনের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু ১৮৩৬ সালে পুনর্বার ছাপা হয়।
- ১৮৩৯ সালে বাংলা ভাষায় প্রথম দৈনিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়।
- সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি এ পত্রিকায় সাহিত্যচর্চাও হত।
- 'বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়', 'দীনবন্ধু মিত্রের' প্রাথমিক রচনাগুলো সংবাদ প্রভাকরেই প্রথম প্রকাশিত হত।
- ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষণ্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩.
কুমিল্লা থেকে প্রথম প্রকাশিত পত্রিকা কোনটি?
  1. কবিতা
  2. সমকাল
  3. পূর্বাশা
  4. ক্রান্তি
সঠিক উত্তর:
পূর্বাশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বাশা
ব্যাখ্যা
'পূর্বাশা' পত্রিকা:
- 'পূর্বাশা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন সঞ্জয় ভট্টাচার্য।
- এটি কুমিল্লা থেকে প্রথম প্রকাশিত পত্রিকা। এর প্রকাশকাল ছিল ১৯৩২ সাল।
- টানা সাত বছর চলার পর বন্ধ হয়ে আবার পুনরায় কলকাতা থেকে ১৯৪৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৭১ সালে স্থায়ীবভাবে বন্ধ হয়ে যায় পত্রিকাটি। পূর্বাশা' ছিল মাসিক পত্রিকা।
- আধুনিক বিখ্যাত লেখকদের প্রায় সবাই এই পত্রিকায় লিখেছেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪.
শুদ্ধ বানান -
  1. বিভূতিভূষণ
  2. বিভূতিভূষন
  3. বিভুতিভূষণ
  4. বিভূতিভুষণ
সঠিক উত্তর:
বিভূতিভূষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভূতিভূষণ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান 'বিভূতিভূষণ'
- বিশেষ্য পদ।
- সংস্কৃত শব্দ
এর অর্থ:
- ভস্ম যার অঙ্গের ভূষণ; শিব।
- ভস্মরূপ অলংকার

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৫.
কোনটি অনুকার শব্দ দ্বিত্ব?
  1. চোটপাট
  2. হিহি
  3. ট্যা ট্যা
  4. খক খক
সঠিক উত্তর:
চোটপাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোটপাট
ব্যাখ্যা
অনুকার শব্দ:
- শব্দের অনুকরণে বা বিকারে যেসব শব্দের সৃষ্টি হয়, তাকে অনুকার শব্দ বলে। অনুকার শব্দ ধ্বন্যাত্মক শব্দেরই রকমফের মাত্র।
যেমন:
- আবোলতাবোল,
- কাপড়চোপড়, 
- খাবারদাবার, 
- গোছগাছ, 
- চোটপাট
- জড়সড় ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
ধ্বন্যাত্মক শব্দ:
- কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক অনুকৃতিবিশিষ্ট শব্দের রূপকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে।
যেমন:
- ভেউ ভেউ, 
- হিহি
- ট্যা ট্যা
- গুনগুন,
- খক খক

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
১৬.
"উপকণ্ঠ" শব্দটি কোন উপসর্যোগে গঠিত?
  1. তৎসম
  2. খাঁটি বাংলা
  3. ফারসি
  4. আরবি
সঠিক উত্তর:
তৎসম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎসম
ব্যাখ্যা
• তৎসম উপসর্গ বিশটি।
যথা:
- প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ।

বিভিন্ন অর্থে 'উপ' উপসর্গের ব্যবহার:
- সামীপ্য অর্থে = উপকূল, উপকণ্ঠ
- সদৃশ অর্থে = উপদ্বীপ, উপবন।
- ক্ষুদ্র অর্থে = উপগ্রহ, উপসাগর, উপনেতা।
- বিশেষ অর্থে = উপনয়ন, উপভোগ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৭.
"সত্যেন্দ্রনাথ দত্তে'র" ছদ্মনাম কী?
  1. শ্রীকান্ত শর্মা
  2. নীল লোহিত
  3. নীল উপাধ্যায়
  4. ত্রিবিক্রম বর্মণ
সঠিক উত্তর:
ত্রিবিক্রম বর্মণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিবিক্রম বর্মণ
ব্যাখ্যা
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত:
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত কবি ও ছান্দসিক।
- কলকাতার নিকটবর্তী নিমতা গ্রামে ১৮৮২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা সাহিত্য 'ছন্দের জাদুকর' বা 'ছন্দের রাজা' হিসেবে খ্যাত।
- ১৯২২ সালের ২৫ জুন তাঁর মৃত্যু হয়।

সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ছদ্মনাম: নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর।

অন্যদিকে,
- ‘শ্রীকান্ত শর্মা’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ব্যবহৃত ছদ্মনাম।
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম - নীল উপাধ্যায়, নীল লোহিত।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সবিতা,
- সন্ধিক্ষণ,
- বেণু ও বীণা,
- কুহু ও কেকা,
- তুলির লিখন,
- হোমশিখা,
- অভ্র-আবীর,
- হসন্তিক,
- বেলা শেষের গান,
- বিদায় আরতি ইত্যাদি।

তাঁর রচিত অনুবাদ কাব্য:
- তীর্থ রেণু,
- মণি মঞ্জুষা,
- অন্যদিকে,

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার- ১৫।
১৮.
'সাব-ইন্‌সপেক্টর' শব্দের 'সাব’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. পূর্ণ
  2. ফুল
  3. আধা
  4. অধীন
সঠিক উত্তর:
অধীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধীন
ব্যাখ্যা
বিদেশি উপসর্গ:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি শব্দের সঙ্গে যেসব উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাদেরকে বিদেশী উপসর্গ বলা হয়।

- নিম্নরূপ কিছু ইংরেজি উপসর্গ দেওয়া হলো:
- ফুল, আধা, প্রধান, অধীন, হাফ ইত্যাদি।

• 'সাব' উপসর্গের ব্যবহার:
- অধীন অর্থে = সাব-অফিস, সাব-জাজ, সাব-ইন্‌সপেক্টর
• ফুল উপসর্গের ব্যবহার:
- পূর্ণ অর্থে = ফুল-হাতা, ফুল শার্ট, ফুল-বাবু, ফুল-প্যান্ট।
• হাফ উপসর্গের ব্যবহার:
- আধা অর্থে = হাফ-হাতা, হাফ-টিকেট, হাফ-স্কুল, হাফ প্যান্ট।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা দ্বিতীয় পত্র, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
'বহুদিন ধরে অপেক্ষা করে আছি।' - বাক্যে 'ধরে' কোন অনুসর্গের উদাহরণ?
  1. ক্রিয়াজাত অনুসর্গ
  2. ক্রিয়াধর্মী অনুসর্গ
  3. সাধারণ অনুসর্গ
  4. বিশেষ অনুসর্গ
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়াজাত অনুসর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়াজাত অনুসর্গ
ব্যাখ্যা
ক্রিয়াজাত অনুসর্গ:
- যেসব অনুসর্গ ক্রিয়াপদ থেকে তৈরি হয়েছে, তাকে ক্রিয়াজাত অনুসর্গ বলে।

যেমন:
- বহুদিন ধরে অপেক্ষা করে আছি।
- তুমি আসবে বলে দাঁড়িয়ে আছি।
- মন দিয়ে পড়ালেখা কর।

অন্যদিকে,
সাধারণ অনুসর্গ:
- যেসব অনুসর্গ ক্রিয়া ছাড়া অন্য শব্দ থেকে তৈরি হয়, তাকে সাধারণ অনুসর্গ বলে।
- যেমন: আজ বাংলাদেশ বনাম ভারতের খেলা।
- কার কাছে গেলে জানা যাবে?
- এমন কাজ তোমার দ্বারা হবেনা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
২০.
যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে কী বলে?
  1. উপসর্গ
  2. বিভক্তি
  3. বলক
  4. প্রত্যয়
সঠিক উত্তর:
উপসর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপসর্গ
ব্যাখ্যা
উপসর্গ:
- যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে।
- অজানা (অ+জানা), অভিযােগ (অভিযােগ), বেতার (বে+তার) প্রভৃতি শব্দের ‘অ’, ‘অভি’, ‘বে’ হলাে উপসর্গ। উপসর্গের কাজ নতুন শব্দ তৈরি করা।
- উপসর্গের নিজের অর্থ নেই; কিন্তু নতুন নতুন অর্থবােধক শব্দ তৈরিতে উপসর্গ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এজন্য বলা হয় "উপসর্গের অর্থ নেই, কিন্তু অর্থের দ্যোতনা তৈরি করার ক্ষমতা আছে"।

অন্যদিকে,
বলক:
- যেসব শব্দাংশ পদের সাথে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালো হয়, সেগুলোকে বলক বলে।
- ‘তখনই’ বা ‘এখনও’ পদের ‘ই’ বা ‘ও’ হলো বলকের উদাহরণ।

প্রত্যয়:
- যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে।
- 'সাংবাদিক' শব্দের 'ইক' অংশ একটি প্রত্যয়।

বিভক্তি:
- ক্রিয়ার কাল নির্দেশের জন্য এবং কারক বোঝাতে পদের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত থাকে, সেগুলোকে বিভক্তি বলে।
- বিভক্তি দুই প্রকার: ক্রিয়া-বিভক্তি ও কারক-বিভক্তি।
- ‘করলাম’ ক্রিয়াপদের ‘লাম’ শব্দাংশ হলো ক্রিয়া-বিভক্তি এবং ‘কৃষকের’ পদের ‘এর’ শব্দাংশ কারক-বিভক্তির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০২১)।