পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
এনিম্যাল টিস্যু, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, প্লান্ট নিউট্রেশন, পরাগায়ন। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
কোষের সজীব অংশের রক্ষা করা কোনটির কাজ?
  1. ক) কোষপ্রাচীর
  2. খ) প্রোটোপ্লাজম
  3. গ) কোষগহবর
  4. ঘ) প্লাস্টিড
সঠিক উত্তর:
ক) কোষপ্রাচীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কোষপ্রাচীর
ব্যাখ্যা

কোষের সজীব অংশের রক্ষা করা এবং কোষের সীমারেখা নির্দেশ করা কোষপ্রাচীরের প্রধান কাজ।
কোষ প্রাচীর বলতে কোষের সেই অংশকে বুঝানো হয় যা উদ্ভিদকোষের সর্বাপেক্ষা বাইরের দিকে থাকে। কোষের প্রোটোপ্লাজম যে শক্ত, পুরু, সেলুলোজ নির্মিত নির্জীব আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে তাকে কোষ প্রাচীর বলে।

কোষপ্রাচীরের কাজ-
কোষ প্রাচীর কোষকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে।
কোষকে দৃঢ়তা প্রদান করে। কোষের আকার ও আকৃতি বজায় রাখে।
পানি ও খনিজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে।

সূত্র: বিজ্ঞান বই, সপ্তম শ্রেণি। 

.
বিভাজন ক্ষমতা অনুসারে টিস্যু কয় ধরনের হয়ে থাকে?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন 
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
সঠিক উত্তর:
ক) দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুই
ব্যাখ্যা

বিভাজন ক্ষমতা অনুসারে টিস্যু প্রধানত দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা- ভাজক ও স্থায়ী টিস্যু।

যে কোষগুলো বিভাজিত হয় তা হলো ভাজক কোষ, আর ভাজক কোষ দিয়ে গঠিত টিস্যুই হলো ভাজক টিস্যু।

ভাজক টিস্যুর বৈশিষ্ট্য গুলো হলোঃ
(১) কোষগুলো জীবিত, অপেক্ষাকৃত ছোট এবং সমব্যাসীয়।
(২) ভাজক টিস্যুর কোষগুলো সর্বদাই বিভাজন ক্ষমতাসম্পন্ন।
(৩) ভাজক টিস্যুর কোষগুলো সাধারণত আয়তকার, ডিম্বাকার, পঞ্চভুজ বা ষড়ভুজ আকৃতির হয়।
(৪) এই টিস্যুর কোষগুলো সেলুলোজ নির্মিত প্রাচীর বিশিষ্ট হয়।
(৫) কোষের নিউক্লিয়াস অপেক্ষাকৃত বড় আকারের এবং দানাদার ঘন সাইটোপ্লাজমে পূর্ণ থাকে।
(৬) ভাজক টিস্যুর কোষে সাধারণত কোষ গহবর থাকে না।
(৭) কোষ গুলো ঘন সন্নিবিষ্ট হওয়ায় এদের মধ্যে আন্তঃকোষীয় ফাঁক থাকে না।

যে টিস্যুর কোষগুলো বিভাজনে অক্ষম সে টিস্যুকে স্থায়ী টিস্যু বলে। এ টিস্যুর কোষগুলো পূর্ণভাবে বিকশিত এবং সঠিক আকার-আকৃতি বিশিষ্ট অর্থাৎ এরা আকার-আকৃতি ও বিকাশে স্থায়িত্ব লাভ করেছে, তাই এরা স্থায়ী টিস্যু। বিশেষ অবস্থা ছাড়া এরা আর বিকশিত হতে পারে না। ভাজক টিস্যু হতে কোষের পূর্ণ বিকাশ লাভের পর বিভাজন ক্ষমতা স্থগিত হওয়ার মাধ্যমে স্থায়ী টিস্যুর উদ্ভব হয়।
স্থায়ী টিস্যুর কাজ নিচে উল্লেখ করা হলো–
খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবহন করা।
দেহ গঠন ও উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান করা।

সূত্র: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি। 

.
উদ্ভিদের কোন অংশে ক্লোরোপ্লাস্ট এর সংখ্যা বেশি হয়ে থাকে?
  1. ক) কাণ্ড
  2. খ) পাতা
  3. গ) মূল
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) পাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাতা
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদের পাতার কোষগুলোতে ক্লোরোপ্লাস্ট এর সংখ্যা অনেক বেশি।

পাতা চ্যাপ্টা ও সম্প্রসারিত হওয়ায় বেশি পরিমাণ সূর্যরশ্মি ও অল্প সময়ে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস শোষিত হয়।
পাতায় অসংখ্য পত্ররন্ধ্র থাকায় সালোকসংশ্লেষণের সময় গ্যাসীয় পদার্থের আদান প্রদান সহজেই ঘটে।

সূত্র: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি। 

.
নিচের কোনটির অভাবে সালোকসংশ্লেষনের হার কমে যায়?
  1. ক) হাইড্রোজেন সালফাইড
  2. খ) ম্যাগনেশিয়াম
  3. গ) ক্লোরোফর্ম 
  4. ঘ) অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যাগনেশিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যাগনেশিয়াম
ব্যাখ্যা

ক্লোরোফিলের প্রধান উপাদান হচ্ছে নাইট্রোজেন এবং ম্যাগনেশিয়াম।

লোহার অনুপস্থিতিতে পাতা ক্লোরোফিল সংশ্লেষণ করতে পারে না, ফলে পাতা হলুদ হয়ে যায়। কাজেই, মাটিতে এসব খনিজের অভাব হলে সালোকসংশ্লেষনের হার কমে যায়।
বাতাসে অক্সিজেনের ঘনত্ব বেড়ে গেলে সালোকসংশ্লেষনের হার কমে যায় আর অক্সিজেনের ঘনত্ব কমে গেলে সালোকসংশ্লেষনের হার বেড়ে যায়। তবে, অক্সিজেনবিহীন পরিবেশে সালোকসংশ্লেষন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

.
মানুষের স্থায়ী দাঁতের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১৬
  2. খ) ৩২
  3. গ) ৩৩
  4. ঘ) ৩৬ 
সঠিক উত্তর:
খ) ৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩২
ব্যাখ্যা

মানুষের স্থায়ী দাঁতের সংখ্যা ৩২ টি।

প্রতি চোয়ালে ১৬টি করে দাঁত থাকে। এসব দাঁত চার প্রকার হয়ে থাকে। যথা-
১. কর্তন দাঁত খাবার ছোট ছোট করে কাটে।
২. ছেদন দাঁত দিয়ে মাংস ও অন্যান্য শক্ত জিনিস ছিঁড়ে ও কাটে।
৩. অগ্রপেষণ দাঁত দিয়ে খাদ্যবস্তু চর্বণ ও পেষণ করা যায়।
৪. পেষণ দাঁতগুলো খাদ্যবস্তু চিবাতে ও পিষতে সাহায্য করে।

সূত্র: বিজ্ঞান বই, সপ্তম শ্রেণি। 

.
চোখের কোন অংশে রড ও কোন নামে দুই ধরনের কোষ রয়েছে?
  1. ক) স্ক্লেরা
  2. খ) কোরয়েড
  3. গ) রেটিনা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) রেটিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রেটিনা
ব্যাখ্যা

রেটিন হলো চক্ষু লেন্সের পেছনের দিকে অবস্থিত অক্ষিগোলকের ভিতরের পৃষ্টে গোলাপী রঙের ইষদচ্ছ আলোকসংবেদন আবরণ।

রেটিনা রড ও কোণ নামক কতগুলি স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা গঠিত ।
রেটিনার ওপর আলো পড়লে তা স্নায়ুতন্ত্রে এক প্রকার উত্তেজনা সৃষ্টি করে ফলে মস্তিষ্কে দর্শনের অনুভূতি জাগে ।
রেটিনা ক্যামেরার ফিল্মের মতো কাজ করে, ফটোরেসেপ্টরের মাধ্যমে চিত্রটি ক্যাপচার করে।

রেটিনার কাজ হল-
১) বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠন করা ।
২) আলোক গ্রাহক হিসেবে কাজ করে উজ্জ্বল আলোতে দেখতে সাহায্য করে ।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

.
কোনটির সাহায্যে দাঁত মাড়ির সাথে আটকানো থাকে?
  1. ক) ডেন্টিন
  2. খ) এনামেল
  3. গ) দন্তমজ্জা
  4. ঘ) সিমেন্ট
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিমেন্ট
ব্যাখ্যা

- সিমেন্ট নামক পাতলা আবরণ দাঁতের মূল অংশ ডেন্টিনকে আবৃত করে রাখে।

-এই সিমেন্ট এর সাহায্যে দাঁত মাড়ির সাথে আটকানো থাকে।
-দাঁত প্রধানত যে শক্ত উপাদান দ্বারা গঠিত, তাকে ডেন্টিন বলে।
-দাঁতের মুকুট অংশে ডেন্টিনের উপরিভাগে এনামেল নামক কঠিন উপাদান থাকে। এনামেল এবং ডেন্টিন ক্যালসিয়াম ফসফেট, ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, এবং ফ্লোরাইড দিয়ে তৈরি।
-ডেন্টিনের ভেতরের ফাঁপা নরম অংশকে দন্তমজ্জা বলে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

.
পাচক রস নামে পরিচিত কোন গ্রন্থি?
  1. ক) Liver
  2. খ) Salivary glands
  3. গ) Pancreas
  4. ঘ) Gastric glands
সঠিক উত্তর:
ঘ) Gastric glands
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Gastric glands
ব্যাখ্যা

পাচক রস গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি নামে পরিচিত। 

গ্যাস্ট্রিকগ্রন্থি পাকস্থলীর প্রাচীরে থাকে।
এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রস (ট্রিপসিন, লাইপেজ, এমাইলেজ) গ্যাস্ট্রিক রস বা, পাচক রস নামে পরিচিত।
যকৃৎ এর ইংরেজি হচ্ছে Liver. একে আবার কলিজাও বলা হয়। শরীরের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি হচ্ছে যকৃৎ। এটি পরিপাকতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এর রং লালচে খয়েরি।
মানুষের দেহে তিন জোড়া লালাগ্রন্থি আছে। দুই কানের সামনে ও নিচে এক জোড়া চোয়ালের নিচে একজোড়া এবং চিবুকের নিচে একজোড়া রয়েছে।
অগ্নাশয় পাকস্থলীর পেছনে আড়াআড়িভাবে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মিশ্রগ্রন্থি। ইহা বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

.
আমাশয় রোগের জন্য দায়ী নিচের কোন ব্যাকটেরিয়া?
  1. ক) Entamoeba histolytica
  2. খ) Staphylococcus aureus
  3. গ) Staphylococcus epidermidis
  4. ঘ) Staphylococcus haemolyticus
সঠিক উত্তর:
ক) Entamoeba histolytica
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Entamoeba histolytica
ব্যাখ্যা

আমাশয় রোগের জন্য দায়ী Entamoeba histolytica নামক ব্যাকটেরিয়া। 

আমাশয় (Dysentery) অন্ত্রে সংক্রমনের কারণে প্রদাহজনিত পেট ব্যাথা ও শ্লেষ্মা বা রক্তসহ পাতলা পায়খানা সৃষ্টিকারী রোগ। আমাশয় প্রধানত দুপ্রকার, অ্যামিবিয় আমাশয় বা অ্যামিবিয়াসিস আর ব্যাসিলারি আমাশয় বা শিগেলোসিস।

অ্যামিবীয় আমাশয় (Amoebic dysentery, Amoebiasis) Entamoeba histolytica হল এককোষী পরজীবীঘটিত আমাশয়। এ এককোষী জীবাণু অন্ত্রের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি আক্রমণ করে এবং রোগ শুরু হলে শ্লৈষ্মিক ঝিল্লির স্থানে স্থানে ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং সেগুলি থেকে শ্লেষ্মা, পচা দেহকোষ, অ্যামিবা-কোষ নির্গত হয়। রোগ লক্ষণে থাকে পেটব্যথা, ঘন ঘন শ্লেষ্মা সহকারে ঘন ঘন মলত্যাগ (দিনে ৩০ বার বা ততোধিক হতে পারে), মলত্যাগে যন্ত্রনা, বমি ও সাধারণ দৌর্বল্য।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

১০.
মস্তিস্কের কোন অংশটি মেনেনজেস নামক পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে?
  1. ক) অগ্রমস্তিস্ক
  2. খ) মধ্যমস্তিস্ক
  3. গ) পশ্চাৎমস্তিস্ক
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) অগ্রমস্তিস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অগ্রমস্তিস্ক
ব্যাখ্যা

অগ্রমস্তিস্ক মেনেনজেস নামক পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে।

অগ্ৰমস্তিষ্ক মস্তিষ্কের প্রধান অংশ গঠন করে। এটি তিন অংশে বিভক্ত। যথা- (ক) সেরেব্রাম, (খ) থ্যালামাস ও (গ) হাইপোথ্যালামাস।
হাইপোথ্যালামাস এর নিচে ছোট অংশটি মধ্যমস্তিষ্ক। পৃষ্ঠীয় দিকে দুটি গােলাকার খণ্ড এবং অঙ্কীয় দিকে দুটি নলাকার ও পুরু স্নায়ুরজ্জ্ব নিয়ে গঠিত।
পশ্চাৎ মস্তিষ্ক হল মস্তিষ্কের পিছনের অংশ এবং ৩টি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। যথা- সেরেবেলাম, মেডুলা অবলংগাটা এবং পনস।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।