পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৯২
সিলেবাস
বিশেষ মডেল টেস্ট - ৩ দুর্নীতি দমন কমিশনের 'উপসহকারী পরিচালক' ও 'কোর্ট পরিদর্শক' পদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য প্রযোজ্য।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৯২ প্রশ্ন

.
'অতীত' শব্দের শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. অতী + ইত 
  2. অতি + ঈত
  3. অতি + ইত
  4. অত + ঈত
ব্যাখ্যা

• স্বরসন্ধির নিয়ম:
ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়। দীর্ঘ ঈ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়।
যেমন: 
- সুধী + ইন্দ্র = সুধীন্দ্র,
- পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা,
- সতী + ইন্দ্র = সতীন্দ্র,
- অতি + ইত = অতীত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।' উক্তিটি কোন উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত?
  1. পদ্মানদীর মাঝি 
  2. লালসালু 
  3. তিতাস একটি নদীর নাম
  4. সূর্য দীঘল বাড়ি
ব্যাখ্যা

• "লালসালু" উপন্যাস:
- 'লালসালু' সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত 'লালসালু'র একটি বহুমাত্রিক ও কালোত্তীর্ণ উপন্যাস। ১৯৪৮ সালে কলকাতা থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত।

- এই উপন্যাসে একদিকে যেমন বাংলার গ্রামজীবনের বাস্তব প্রকৃতি ধরা পড়েছে তার সৌন্দর্য, মাধুর্য ও কঠোরতা নিয়ে; তেমনই রূপায়িত হয়েছে অসংখ্য গ্রামীণ মানুষের জীবন। সাধারণ মানুষের সরলতাকে কিভাবে ধর্ম ব্যবসার উপাদানরূপে ব্যবহার করা হয় তা লালসালু উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয়।

- নোয়াখালি অঞ্চল থেকে মজিদ নামের একটি কূটচরিত্র গারোপাহাড়ি অঞ্চলে গিয়ে সেই এলাকার মানুষকে ধর্মের নামে কীভাবে শোষণ করে, সেই বাস্তব চিত্র আছে উপন্যাসটিতে। ধর্ম ব্যবসায়ী মজিদ অর্থ ও প্রভাব বৃদ্ধির সঙ্গে অল্পবয়সী দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহণ করে। সে গ্রামের মোড়লদেরও প্রভাবিত করে। পাশের গ্রামে অন্য পিরের আগমন হলে, নিজের দাপট খর্ব হবে বিবেচনায়, তাকে মারধর দিয়ে উচ্ছেদ করে। তবে স্বল্পবয়সী স্ত্রী জমিলা কর্তৃক মজিদ লাঞ্ছিত হয়। উপন্যাসে জমিলা বিদ্রোহিণী, প্রতিবাদের প্রতীক।

- ঔপন্যাসিক ধর্মব্যবসায়ীদের উপলক্ষ করে লিখেছেন: 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।'
- উপন্যাসটি 'Tree Without Roots' নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়ে (১৯৬৭) খ্যাতি অর্জন করে।
- ওয়ালীউল্লাহর পত্নী অ্যান মেরির 'লালসালু'র ফরাসি অনুবাদের নাম- ল্য অরবরে সামস মায়েমে (১৯৬১)।

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- মজিদ,
- খালেক ব্যাপারি,
- জমিলা,
- রহিমা,
- আমেনা,
- আক্কাস,
- তাহেরের বাপ,
- হাসুনির মা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; "লালসালু" উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া।

.
বাংলা সাহিত্যে সনেট প্রবর্তক কে?
  1. কায়কোবাদ 
  2. অমিয় চক্রবর্তী 
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা

• মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার। তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা ভাষার সনেট প্রবর্তক। তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দেরও প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন তাঁর রচিত 'পদ্মাবতী' নাটকে। (দ্বিতীয় অঙ্ক দ্বিতীয় গর্ভান্তে)
- অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য। অর্থাৎ, এই কাব্যটি সম্পূর্ণ অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'দ্য ক্যাপটিভ লেডি'। এটি ইংরেজিতে রচিত।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত ব্যবহৃত ছদ্মনামগুলো হলো:
- Timothy Penpoem,
- দত্তকুলোদ্ভব কবি,
- এ নেটিভ।

তাঁর রচিত কাব্যগুলো হলো:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য,
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য,
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

তাঁর রচিত নাটক:
- শর্মিষ্ঠা,
- পদ্মাবতী,
- কৃষ্ণকুমারী,
- মায়াকানন।

মাইকেল মুধুসূধন দত্ত রচিত প্রহসনগুলোর নাম
- একেই কি বলে সভ্যতা
- বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত নাট্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. আলেয়া
  2. পুতুলের বিয়ে
  3. ঝিলিমিলি
  4. মধুমালা
ব্যাখ্যা

• 'ঝিলিমিলি' নাটক:
- তিনটি ছোট নাটকের গ্রন্থ হচ্ছে 'ঝিলিমিলি'।
- ১৩৩৭ বঙ্গাব্দের (১৯৩০) অগ্রহায়ণে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- ঝিলিমিলি, সেতুবন্ধন, শিল্পী নামের তিনটি ছোট নাটক এ গ্রন্থভুক্ত।

কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম রচনাগুলো নিম্নরূপ:
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম 'মুক্তি'। -
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধ 'তুর্কমহিলার ঘোমটা খোলা'। -
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ 'ব্যথার দান'।
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নি-বীণা'। -
-  কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধগ্রন্থ- 'যুগবাণী'।
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত নাট্যগ্রন্থ 'ঝিলিমিলি'।

 কাজী নজরুল ইসলাম রচিত নাটক:
- ঝিলিমিলি, 
- আলেয়া, 
- পুতুলের বিয়ে (কিশোর নাটক), 
- মধুমালা (গীতিনাট্য), 
- ঝড় (কিশোর কাব্য-নাটক), 
- পিলে পটকা (কিশোর কাব্য-নাটক)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া। 

.
'চাষাভুষার কাব্য' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. নির্মলেন্দু গুণ
  2. জসীম উদ্‌দীন  
  3. সুফিয়া কামাল 
  4. জীবনানন্দ দাশ 
ব্যাখ্যা

• 'চাষাভুষার কাব্য' কাব্যগ্রন্থ:
- 'চাষাভুষার কাব্য' বাংলা সাহিত্যের ষাট দশকের কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৮১ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই বইয়ের কবিতাগুলোয় রাষ্ট্র, সমাজ, ধর্ম ও অর্থনীতির নানা বিভক্তি, সংঘাত এবং মানুষের মধ্যে তৈরি হওয়া দূরত্ব ও বিপন্নতার বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
- এই কাব্যগ্রন্থে কবি গ্রামীণ, শ্রমজীবী মানুষের জীবন ও মাটির সঙ্গে তাদের গভীর সম্পর্ককে ফুটিয়ে তুলেছেন।

-----------------------
নির্মলেন্দু গুণ রচিত আরো কিছু কাব্যগ্রন্থ হলো-
- না প্রেমিক না বিপ্লবী,
- কবিতা অমীমাংসিত রমণী,
- দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনী,
- চৈত্রের ভালোবাসা,
- তার আগে চাই সমাজতন্ত্র,
- চাষাভুষার কাব্য,
- দূর দু্ঃশাসন,
- প্রথম দিনের সূর্য,
- নিরঞ্জনের পৃথিবী,
- নেই কেন সে পাখি,
- বাংলার মাটি বাংলার জল,
- চিরকালের বাঁশি,
- শিয়রে বাংলাদেশ,
- দুঃখ করো না, বাঁচো ইত্যাদি।

উৎস: 'চাষাভুষার কাব্য' কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
নিচের কোনটি ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ?
  1. লাঙ্গল > নাঙ্গল 
  2. পিশাচ > পিচাশ
  3. আরমারি > আলমারি
  4. লগ্ন  > লগ্গ
ব্যাখ্যা

• ধ্বনি বিপর্যয়:
শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। এতে দুটি বর্ণের মধ্যে জায়গা পরিবর্তন হয়।
যেমন- 
- পিশাচ > পিচাশ,
- লাফ > ফাল,
- বাক্‌স > বাস্‌ক,
- রিকসা্‌ > রিস্‌কা ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• বিষমীভবন:
দুটো সমবর্ণের একটির অপরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে।
যেমন:
- শরীর > শরীল,
- লাল > নাল,
- লাঙ্গল > নাঙ্গল,  
- আরমারি > আলমারি,
- জরুরি > জরুলি ইত্যাদি। 

• প্রগত সমীভবন:
পূর্ব ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ধ্বনির পরিবর্তন ঘটে। অর্থাৎ পরবর্তী ধ্বনি পূর্ববর্তী ধ্বনির মতো হয়, একে বলে প্রগত সমীভবন।
যেমন:
- চক্র  > চক্ক,
- পক্ব > পক্ক,
- পদ্ম > পদ্দ,
- লগ্ন  > লগ্গ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
ছোটো ছোটো বিতর্কিত অংশ নির্দেশ করার জন্যে কোন যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
  1. কমা 
  2. হাইফেন 
  3. সেমিকোলন
  4. কোলন 
ব্যাখ্যা

• সেমিকোলন-চিহ্ন (;):
সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ হলো বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত এক ধরনের বাক্যান্তর্গত চিহ্ন। মনোভাব প্রকাশের বেলায় একটা ভাব একটিমাত্র বাক্যে শেষ হয়ে সন্নিহিত ভাবের নতুন বাক্য শুরু করতে চাইলে একটু বেশি থামতে হয়। অর্থাৎ একাধিক বাক্যের মধ্যে অর্থের নিকট-সম্বন্ধ থাকলে বাক্যগুলোকে একটু বেশি থামার চিহ্ন দিয়ে ভাগ করতে হয়। এর জন্যে সেমিকোলন বসে।

• সেমিকোলন-চিহ্নের ব্যবহার:
- একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একটি বাক্যে লিখলে সেগুলোর মাঝখানে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়।
- বক্তব্য স্পষ্ট করার জন্যে সমজাতীয় বাক্য পাশাপাশি প্রতিস্থাপন করলে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়।
- দুটি বা তিনটি বাক্য যোজক শব্দের সাহায্যে যুক্ত না হলে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়।
- কোনো তালিকায় একাধিক ব্যক্তির নাম ও তাঁদের পদের উল্লেখ থাকলে বোঝবার সুবিধার জন্যে সেমিকোলন। ব্যবহার করা হয়।
- সেজন্যে, তবু, তথাপি, সুতরাং ইত্যাদি যে-সব যোজক বৈপরীত্য বা অনুমান প্রকাশ করে তাদের আগে সেমিকোলন বসে।
- যেসব বাক্যে ভাবসাদৃশ্য আছে তাদের মধ্যে সেমিকোলন বসে। যেমম- দিনটা ভালো নয়; মাঝে মাঝে বৃষ্টি পড়ছে।
- ছোটো ছোটো বিতর্কিত অংশ নির্দেশ করার জন্যে সেমিকোলন বসে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
'সাম্যবাদ' কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. দ্বন্দ্ব সমাস 
  2. বহুব্রীহি সমাস 
  3. অব্যয়ীভাব সমাস 
  4. কর্মধারয় সমাস 
ব্যাখ্যা

• কর্মধারয়:
কর্মধারয় শব্দটির ব্যুৎপত্তি হলাে- কর্ম + ধৃ+ ণিচ + আ = কর্মধারয়। এতে সমান বিভক্তিযুক্ত বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মিলন হয় এবং পরপদে বিশেষ্যের অর্থ প্রধান থাকে। অর্থাৎ যে সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণ ভাবাপন্ন পদের সাথে। বিশেষ্য বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় তাকে বলা হয় কর্মধারয় সমাস।
যেমন-
- নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম,
- যে শান্ত সেই শিষ্ট = শান্তশিষ্ট,
- যা কাঁচা তাই পাকা= কাঁচাপাকা ইত্যাদি।

মধ্যপদলােপী কর্মধারয় সমাস:
যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লােপ পায় তাকে বলা হয় মধ্যপদলােপী কর্মধারয় সমাস।
যেমন:
- পল (মাংস) মিশ্রিত অন্ন = পলান্ন,
- সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন,
- প্রীতিসূচক উপহার = প্রীতিউপহার,
- মৌ আশ্রিত মাছি = মৌমাছি,
- সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা,
- ঘরে আশ্রিত জামাই =ঘরজামাই,
- সাম্য বিষয়ক বাদ = সাম্যবাদ,
- স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ ইত্যাদি। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
'কেদারা' কোন ভাষার শব্দ?
  1. বাংলা 
  2. পর্তুগিজ 
  3. তুর্কি 
  4. আরবি 
ব্যাখ্যা


• 'কেদারা' পর্তুগিজ ভাষার শব্দ। 

পর্তুগিজ ভাষার কিছু শব্দ:
ইংরেজ, পাউরুটি, আনারস, আচার, আলকাতরা, আলপিন, চাবি, আলমারি, বেহালা, বালতি, পেয়ারা, ইস্পাত, নিলাম, গরাদ, গামলা, পেরেক, মিস্ত্রি, যিশু, কেদারা, কামরা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১০.
কীর্তিচন্দ্র মুনিদত্তের টীকার তিব্বতি অনুবাদ করেছিলেন কোন নামে?
  1. আশ্চর্যচর্যাচয়
  2. চর্যাচর্যবিনিশ্চয়
  3. চর্যাগীতিকোষবৃত্তি
  4. চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়
ব্যাখ্যা

• চর্যাপদ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক নিদর্শন চর্যাপদ। বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের রচিত চর্যাপদগুলো সম্পর্কে ১৯০৭ সালের আগে কোন তথ্যই জানা ছিল না। ১৮৮২ সালে প্রকাশিত Sanskrit Buddhist Literature in Nepal গ্রন্থে রাজা রাজেন্দ্রলাল মিত্র সর্বপ্রথম নেপালের বৌদ্ধতান্ত্রিক সাহিত্যের কথা প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন গ্রন্থের সংক্ষিপ্ত বিবরণী প্রকাশ করে যে কৌতূহলের সৃষ্টি করেছিলেন তাতে উদ্দীপ্ত হয়ে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী তৃতীয় বার নেপাল সফর কালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে ১৯০৭ সালে সে সাহিত্যের কতকগুলো পদ আবিষ্কার করেন। তাঁর সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে সে সব পদ ১৯১৬ সালে (১৩২৩ সনে) চর্যাচর্যবিনিশ্চয় সরহপাদ ও কৃষ্ণপাদের দোহা এবং ডাকার্ণব-এ চারটি পুঁথি একত্রে 'হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এগুলোর মধ্যে একমাত্র চর্যাচর্যবিনিশ্চয়ই প্রাচীন বাংলায় লেখা; অন্য তিনটি বাংলায় নয়, অপভ্রংশ ভাষায় রচিত।

- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় Origin and Development of the Bengali Language (ODBL) নামক বিখ্যাত গ্রন্থে ১৯২৬ সালে এগুলোর ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য প্রথম আলোচনা করেন।

- ১৯২৭ সালে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ চর্যাপদের ধর্মমত সম্পর্কে প্রথম আলোচনা করেন।

- ১৯৩৮ সালে ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী কর্তৃক চর্যার তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশিত হয়।

- চর্যাপদের প্রাপ্ত পুঁথিতে উল্লেখকৃত সংস্কৃত টীকাকার মুনিদত্তের মতানুসারে এই পদসংগ্রহের নাম 'আশ্চর্যচর্যাচয়'। নেপালে প্রাপ্ত পুঁথিতে পদগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়'। এ দুটি নাম মিলিয়ে ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী 'চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়' নামের পরিকল্পনা করেন। সে আমলে শত শত চর্যাগীতি রচিত হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। মুনিদত্তের মত অনেকেই বিভিন্ন চর্যাগীতির টীকা রচনা করেছিলেন।

- কীর্তিচন্দ্র মুনিদত্তের টীকার তিব্বতি অনুবাদ করেছিলেন 'চর্যাগীতিকোষবৃত্তি' নামে। এতে মনে হয় মূল সংকলনের নাম ছিল 'চর্যাগীতিকোষ'। আধুনিক পণ্ডিতগণের অনুমান যে পুঁথিটির নাম ছিল 'চর্যাগীতিকোষ' এবং এর সংস্কৃত টীকার নাম 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়'।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম। 

১১.
প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ নয় কোনটি? 
  1. নীললোহিত 
  2. রায়তের কথা
  3. নানাকথা
  4. তেল-নুন-লকড়ি
ব্যাখ্যা

•  প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ নয়- 'নীললোহিত'। 
• 'নীললোহিত' প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ। এটি ১৯৪১ সালে প্রকাশিত হয়।

--------------------
• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী ছিলেন সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম।
- ১৯১৪ সালে মাসিক সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- প্রমথ চৌধুরী 'বীরবল' ছদ্মনামে এ পত্রিকায় ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধ ও নানা গল্প প্রকাশ করেন। তাঁর এ ছদ্মনাম থেকে তখন বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়।

প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- নানাকথা,
- নানাচর্চা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।

প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত ও গল্পসংগ্রহ।

প্রমথ চৌধুরী রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১২.
'কুচ্ছিত' কোন শ্রেণির শব্দ?
  1. বিদেশি
  2. তদ্ভব
  3. সংস্কৃত 
  4. অর্ধ-তৎসম
ব্যাখ্যা

• 'কুচ্ছিত' অর্ধ-তৎসম শব্দ।

• অর্ধ-তৎসম শব্দ:
বাংলা ভাষায় কিছু সংস্কৃত শব্দ কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত হয়ে ব্যবহৃত হয়। এগুলোকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলা হয়।
- তৎসম মানে সংস্কৃত৷ আর অর্ধ-তৎসম অর্থ আধা সংস্কৃত।
উদাহরণ:
বোষ্টম, জ্যোছনা, গিন্নি, কুচ্ছিত, ছেরাদ্দ- এ শব্দগুলো যথাক্রমে সংস্কৃত শব্দ বৈষ্ণব, জ্যোৎস্না, গৃহিণী, কুৎসিত, শ্রাদ্ধ থেকে আগত।

উল্লেখ্য,
 মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ) বইয়ে অর্ধ-তৎসম কে শব্দের শ্রেনিবিভাগ থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।

১৩.
'অপসংস্কৃতি' শব্দে 'অপ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. অভাব অর্থে
  2. নিকৃষ্ট অর্থে
  3. বিপরীত অর্থে
  4. বিকৃত অর্থে
ব্যাখ্যা

• সংস্কৃত/তৎসম উপসর্গ:
যেসব উপসর্গ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব উপসর্গকে বলা হয় তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যেমন:
প্র,পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দূর, বি, অধি, সু, উদ, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ, আ।

বিভিন্ন অর্থে 'অপ' উপসর্গের ব্যবহার-
- বিপরীত অর্থে = অপমান, অপকার, অপচয়, অপবাদ। 
- নিকৃষ্ট অর্থে = অপকর্ম, অপসৃষ্টি, অপযশ।
- স্থানান্তর অর্থে = অপসারণ, অপহরণ। 
- বিকৃত অর্থে = অপমৃত্যু। 

মাধ্যমিক ব্যাকরণ (নতুন সংস্করণ) অনুসারে,

উল্লেখ্য, মাধ্যমিক ব্যাকরণ (পুরাতন সংস্করণ) অনুসারে, অপসংস্কৃতি শব্দে 'নিকৃষ্ট অর্থে' অপ উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। আমরা নতুন সংস্করণ অনুসারে, উত্তর গ্রহণ করছি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 

১৪.
নিচের কোনটি সুফিয়া কামাল রচিত শিশুতোষ গল্প?
  1. ওটেন সাহেবের বাংলো
  2. গো হাকিম
  3. নওল কিশোরের দরবারে
  4. পাগলা দাশু
ব্যাখ্যা

• 'নওল কিশোরের দরবারে' সুফিয়া কামাল রচিত শিশুতোষ গল্প।
- গ্রন্থটে ১৯৮২ সালে প্রকাশিত হয়।

• সুফিয়া কামাল:

-'জননী সাহসিকা' হিসেবে খ্যাত সুফিয়া কামাল মূলত একজন কবি। তিনি বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, লেখিকা ও নারী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।
- সুফিয়া কামাল বরিশালের শায়েস্তাবাদে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন এবং তার পৈতৃক নিবাস কুমিল্লায়।
- তিনি ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত বেগম পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর রচিত প্রথম গল্প সৈনিক বধূ ১৯২৩ সালে বরিশালের তরুণ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

• কাব্যগ্রন্থ:
- সাঁঝের মায়া,
- উদাত্ত পৃথিবী,
- অভিযাত্রিক,
- মায়া কাজল, ইত্যাদি।

• গল্পগ্রন্থ:
- কেয়ার কাঁটা।

• শিশুতোষ গল্প:
- ইতল বিতল,
- নওল কিশোরের দরবারে।

• ডায়েরি: একাত্তরের ডায়েরী।
• আত্মজীবনী: একালে আমাদের কাল।

অন্যদিকে, 
• 'ওটেন সাহেবের বাংলো'- শওকত ওসমান রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ।
• 'গো হাকিম' আহমদ ছফা রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ।
• সুকুমার রায়ের শিশুতোষগ্রন্থ 'পাগলা দাশু'। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
  1.  কবর
  2. আরেক ফাল্গুন
  3. একুশের গল্প
  4. জীবন থেকে নেওয়া
ব্যাখ্যা

• 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাস:
- বাঙালি জাতীয়তাবাদ আন্দোলন ও ১৯৫২ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় জহির রায়হান 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটি রচনা করেন।
- 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটি ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ হয়ে ১৯৫৫ পর্যন্ত চলমান আন্দোলন, জনতার সম্মিলন, ছাত্রছাত্রীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ, তাদের প্রেম- প্রণয় ইত্যাদি উপন্যাসটির মূল বিষয়।
- 'আসছে ফাল্গুনে আমরা কিন্তু দ্বিগুণ হবো'- এই উপন্যাসের সংলাপ।

এই উপন্যাসের চরিত্র গুলো হলো:
- মুমিন,
- আসাদ,
- রসুল,
- সালমা।

------------------
• 'কবর' নাটক:
- 'কবর' নাটকের পটভূমি হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
- এটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম নাটক।
- জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে বামপন্থী রণেশ দাশগুপ্ত জেলখানাতে ২১ ফেব্রুয়ারি উদযাপনের লক্ষে মুনীর চৌধুরীকে একটি নাটক লেখার অনুরোধ জানান। এই অনুরোধের ভিত্তিতে তিনি এ নাটকটি রচনা করেন।

• 'একুশের গল্প' (জহির রায়হান):
- জহির রায়হানের অন্যতম বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম 'একুশের গল্প'। ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত এই গল্পটি ১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে ফুটিয়ে তোলে।
- গল্পের প্রধান চরিত্র তপু, রেণু ও রাহাত। এক উদ্দাম, প্রাণবন্ত তরুণ ভাষা শহিদ হয়; কিন্তু পুলিশ তাঁর লাশ গুম করে ফেলে। পরবর্তীতে তাঁর কঙ্কাল মেডিক্যাল কলেজে পড়ুয়া এক বন্ধু আবিষ্কার করে। এই গল্পটি জহির রায়হান রচনাবলি (২য় খণ্ড) থেকে নেওয়া হয়েছে।

• জীবন থেকে নেওয়া:
- 'জীবন থেকে নেওয়া' জহির রায়হান পরিচালিত একটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র যা ১৯৭০ সালের ১০ এপ্রিল মুক্তি পায়।
- চলচ্চিত্রটি পারিবারিক আবহে নির্মিত হলেও এর অন্তর্নিহিত পটভূমি ছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম।
- ছবিতে প্রতীকী কাহিনীর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করা হয় এবং জনগণকে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬.
সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1.  রত্নাকর
  2. অকূল
  3. বৈভব
  4. সায়র
ব্যাখ্যা

• সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দ নয়- বৈভব। 

• সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দ গুলো হলো:

অর্ণব, জলধি, উদধি, পয়োধি, পয়োনিধি, তোয়ধি, পারাবার, সাগর, সিন্ধু, বারিধি, বারীশ, রত্নাকর, সায়র, অকূল ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
'ধন' শব্দের সমার্থক শব্দ: বিত্ত, অর্থ, সম্পদ, বিভব, বৈভব, বিভূতি, নিধি, ঐশ্বর্য।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

১৭.
'যিনি প্রথমে পথ দেখান' এক কথায় কী বলে?
  1. পথপাদপ
  2. পথপ্রদশক
  3. পথিক 
  4.  পথিকৃৎ
ব্যাখ্যা

• 'যিনি প্রথমে পথ দেখান' এক কথায় বলে - পথিকৃৎ।

অন্যদিকে, 
• 'পথপাদপ' অর্থ - পথের পাশে লাগানো গাছ।
• 'পথপ্রদর্শক' অর্থ - প্রকৃত পথ বা উপায় নির্দেশকারী, পথিকৃৎ।
• 'পথিক' অর্থ - পথ দিয়ে চলাচলকারী।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

১৮.
অশুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. উপরিউক্ত 
  2. উপরান্ত 
  3. উপক্রান্ত 
  4. উপর্যুপরি
ব্যাখ্যা

অশুদ্ধ বানান- উপরান্ত। 

শুদ্ধরূপ- উপরন্তু।
- শব্দটি অব্যয় পদ। 
- এটি একটি বাংলা শব্দ। 
অর্থ:
- এছাড়াও,অধিকন্তু।

অন্যদিকে, 
উপরিউক্ত, উপক্রান্ত ও উপর্যুপরি শব্দের বানানগুলো শুদ্ধ। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

১৯.
নিচের কোনটি ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন?
ব্যাখ্যা

উচ্চারণের স্থান অনুসারে ব্যঞ্জনধ্বনির শ্রেণিবিভাগ:
• ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট দুটি কাছাকাছি এসে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে। এগুলো দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি নামেও পরিচিত। পাকা, ফল, বাবা, ভাই, মা প্রভৃতি শব্দের প, ফ, ব, ভ, ম ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• তালব্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে। চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রভৃতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে। নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ। সে হিসেবে, অপশন অনুসারে গ্রহণযোগ্য 

• কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের পিছনের অংশ উঁচু হয়ে আলজিভের কাছাকাছি নরম তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে। কাকা, খালু, গাধা, ঘাস, কাঙাল প্রভৃতি শব্দের ক, খ, গ, ঘ, কণ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

২০.
There are _____ pertinent issues that need to be raised at the faculty meeting tomorrow.
  1. a
  2. little
  3. a few
  4. much
ব্যাখ্যা

• Correct answer: There are a few pertinent issues that need to be raised at the faculty meeting tomorrow.
- Bangla meaning:  আগামীকাল ফ্যাকাল্টি মিটিংয়ে আলোচনার জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে।

 • Little, A little, Few, A few এর ব্যবহার:
- এগুলো হচ্ছে Quantifier Determiners. যার দ্বারা কিছু পরিমাণ, সংখ্যাকে বুঝায়।
- Little এবং A little বসে Uncountable Noun এর ক্ষেত্রে,
- Few এবং A few বসে Countable Noun এর ক্ষেত্রে।   
- Little ও Few, Negative Quantifier Determiners ব্যবহার করা হয়। এর অর্থ নগন্য/  অল্প সংখ্যক বা নেই বললেই চলে।

• প্রদত্ত প্রশ্নে issues হচ্ছে countable plural noun. আর plural noun এর আগে a few বসে, little নয়।

- অন্যদিকে,
- a - singular noun এর আগে বসে।
- much - uncountable noun এর সাথে ব্যবহৃত হয়।

Source: A Passage To The English Language S. M. Zakir Hussain.

২১.
Identify the plural number.
  1. Phenomenon 
  2. Genera
  3. Analysis
  4. Datum
ব্যাখ্যা

• Genera is the Plural Number.

• Genus:
- English meaning: A group into which animals, plants, etc. that have similar characteristics are divided, smaller than a family and larger than a species.
- Bangla meaning:  প্রাণী বা উদ্ভিদের গণ।

• Genus এর Plural form হলো Genera.

• তাছাড়া ইংরেজি ভাষায় Plural বানানোর স্বাভাবিক নিয়ম হলো noun এর শেষে s/ es যোগ করা।
- কিন্তু কিছু বিদেশী শব্দ রয়েছে যেগুলোর Plural স্বাভাবিক নিয়মে হয় না। সেগুলো মুখস্ত করে নেয়াই যুক্তিযুক্ত।


• নিম্নে কিছু বিদেশী ভাষা থেকে আগত উল্লেখযোগ্য শব্দের plural form দেওয়া হলো।
- Singular - Plural
- Phenomenon - Phenomena,
- Genus - Genera,
- Focus - Foci,
- Radius - Radii,
- Medium - Media,
- Focus - Focuses/ Foci,
- Analysis - Analyses,
- Agendum - Agenda,
- Datum - Data,
- Criterion - Criteria, etc.

Source: Applied English Grammar and Composition by P. C. Das.

২২.
She checked (a) each (b) piece of furniture (c) carefully before moving out. (d) No error.
  1. a
  2. b
  3. c
  4. d
ব্যাখ্যা

• The required answer is - D.

• Correct sentence: She checked each piece of furniture carefully before moving out.

• Each অর্থ প্রতিটা আলাদা আলাদা করে এবং এটা countable noun এর সাথে ব্যবহৃত হয়।
- each, every থাকলে এর পরে সব সময় singular countable noun হয়।
- কিন্তু উল্লিখিত বাক্যে furniture হচ্ছে uncountable noun, তাই শুধু furniture না হয়ে piece of furniture হবে।
- তাই, এটিকে singular বানাতে হবে।
- অর্থাৎ, এখানে each এর সাথে piece of furniture সঠিক অর্থে ব্যবহার হয়েছে।

- “carefully” একটি adverb, যা ক্রিয়া (checked) কিভাবে সম্পন্ন হলো তা দেখাচ্ছে।
- "before moving out" time বা সময় নির্দেশ করছে, কখন কাজটি করা হলো।
- অর্থাৎ, আসবাবপত্র কেবল কীভাবে পরীক্ষা করা হলো তা নয়, কখন এবং কতটা যত্নসহকারে পরীক্ষা করা হলো তাও বোঝাচ্ছে।

২৩.
She went to ____ university because she had ____ interesting lecture. 
  1. no article, a
  2. no article, an
  3. a, an
  4. the, no article
ব্যাখ্যা

• Article এর নিয়ম অনুসারে,
- School, college, university, market, bed, hospital, prison, mosque, temple, church, court of ইত্যাদি মূখ্য উদ্দেশ্যে (যেটা যেটার জন্য নির্মিত) ব্যবহৃত হলে কোন Article বসে না।
- যেমন:
- I go to school.
- He went to market.

• একই ভাবে,
- She went to the college where her brother studied.
- কিন্তু স্থানগুলো অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হলে এদের আগে Article বসে।

• দ্বিতীয় ক্ষেত্রে শব্দ (interesting) টি Vowel এর উচ্চারণ দিয়ে শুরু হওয়ায় এর পূর্বে Article an বসবে।

• Correct Answer: She went to university because she had an interesting lecture.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

২৪.
Choose the correct answer.
  1. The strength of this bridge is higher than old bridge.
  2. The strength of this bridge is higher than those of the old bridge.
  3. The strength of this bridge is higher than that of the old bridge.
  4. The strength of this bridge is higher than the old's bridge.
ব্যাখ্যা

• Correct Sentence: The strength of this bridge is higher than that of the old bridge.

• দুটি Noun এর মধ্যে তুলনা করার সময় পূর্বের Noun এর পুনরাবৃত্তি পরিহার করতে Uncountable Noun এর পরিবর্তে that of এবং Plural Countable Noun এর পরিবর্তে those of ব্যবহৃত হয়।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোনো Comparative sentence এর প্রথম অংশ যদি The + Noun + of + Noun হয়, তবে verb এর পরের অংশ হবে than + that/ those of হবে।

Structure:
- The + Uncountable Noun + of + Noun + Auxiliary verb + Comparative degree + than that of + ext.
- The + Countable Noun + of + Noun + Auxiliary verb + Comparative degree + than those of + ext.

• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
(ক) Sentence টিতে Comparative sentence এর প্রথম অংশের নিয়ম অনুসারে The + Noun + of + Noun (The strength of this bridge) হয়েছে, তাই দ্বিতীয় অংশে than এরপর that of হবে। কারণ, The strength of this bridge দ্বারা Uncountable Noun কে বুঝায়।

(খ) Sentence টিতে The strength of this bridge, Uncountable Noun কে বুঝায় তাই those of এর পরিবর্তে that of হবে।

(ঘ) দুটি Noun এর মধ্যে তুলনা করার সময় পূর্বের Noun এর পুনরাবৃত্তি পরিহার করতে হবে। তাই Sentence টিতে The strength of this bridge, Uncountable Noun কে বুঝায় তাই এখানে than the old's bridge এর পরিবর্তে than that of the old bridge হবে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

২৫.
The Pacific Ocean is very deep, and __________.
  1. so is Atlantic
  2. Atlantic so
  3. so does Atlantic
  4. so has Atlantic
ব্যাখ্যা

• Affirmative & Negative agreement:
• Affirmative agreement এর ক্ষেত্রে,
- কারো হ্যাঁ-সূচক বাক্যের সাথে একমত প্রকাশ করা।
- বাক্যের প্রথম অংশ হ্যাঁ-সূচক হলে so, too, also ইত্যাদি এর ব্যবহৃত হবে।
- So, auxiliary verb এর পূর্বে এবং too, also auxiliary verb এর পরে ব্যবহৃত হবে।

Structure:
• Rule 01: Subject + positive verb + --- + and + so + auxiliary verb + Subject.
- Example: She took pictures, and so did I.

• Rule 02: Subject + positive verb + --- + and + Subject + auxiliary verb + too/ also.
- Example: She took pictures, and I did too/ also.

• Correct answer: The Pacific Ocean is very deep, and so is Atlantic.

• Negative agreement এর ক্ষেত্রে,
- কারো না-সূচক বাক্যের সাথে একমত প্রকাশ করা।
- বাক্যের প্রথম অংশ না-বোধক হলে neither, nor, either ইত্যাদি এর ব্যবহৃত হবে।
- neither, nor auxiliary verb এর পূর্বে এবং either auxiliary verb + not এর পরে ব্যবহৃত হবে।

Structure:
• Rule 01: Subject + verb (Negative) + --- + and + neither/ nor + auxiliary verb + Subject.
- Example: I did not know the answer, and neither/ nor did he.

• Rule 02: Subject + verb (Negative) + --- + and + Subject + auxiliary verb + too/ also.
- Example: I did not know the answer, and he did not either.

Note:
- Auxiliary verb টি সর্বদাই প্রথম verb এর Tense অনুসারে হবে।

২৬.
Never _______ forget her responsibilities.
  1. she does
  2. does she
  3. she do
  4. do she
ব্যাখ্যা

• Inversion of verb:
- প্রশ্ন করতে বা জোর প্রদান করতে বাক্যে subject এর পূর্বে verb ব্যবহৃত হওয়াকে Inversion of verb বলে।

• Negative inversion এর ক্ষেত্রে,
- Negative adverb গুলো হচ্ছে Hardly, Barely, Scarcely, Rarely, Seldom, Very seldom, Never, Never again, Never before, No sooner, No where, Neither, Nor, Little (negative) ইত্যাদি।

Structure: Negative adverb + Auxiliary verb +Subject + Principal verb + Extension.

• Correct answer: Never does she forget her responsibilities.


• Example sentence:
- Nowhere will you find such a country. 
- Seldom do we have goods returned to us because they are faulty.

২৭.
Doctors expressed qualms _______ the ethics of the treatment.
  1. in
  2. at
  3. about 
  4. with
ব্যাখ্যা

• Qualms about something:
- English meaning: A feeling of doubt or worry about whether what you are doing is right
- Bangla meaning: অস্বস্তিবোধ (বিশেষত কোনো কাজ করার সময় কাজটি ভালো না মন্দ এ বিষয়ে দ্বিধাবোধ)।

• কোন কিছু নিয়ে বা কোন কিছুর সম্পর্কে অস্বস্তিবোধ বা দ্বিধাবোধ অর্থে Qualms এরপর preposition হিসেবে about বসে।

• Correct answer: Doctors expressed qualms about the ethics of the treatment.
- Bangla meaning: ডাক্তাররা চিকিৎসার নৈতিকতা নিয়ে দ্বিধাবোধ প্রকাশ করেছেন।

Source: Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

২৮.
When having a problem it is best to ______ the situation then act.
  1. dissect
  2. gobble 
  3. leave 
  4. end
ব্যাখ্যা

• Correct answer: When having a problem it is best to dissect the situation then act.
- Bangla meaning: কোনো সমস্যার মুখোমুখি হলে প্রথমে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা সবচেয়ে ভালো, তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া।

• উল্লিখিত অপশনগুলো হলো,
ক) dissect - বিশ্লেষণ করে সত্যাসত্য যাচাই করা।

খ) gobble - গোগ্রাসে গেলা; গরগর করে গেলা।

গ) leave - পরিত্যাগ করা; ছেড়ে যাওয়া; ছাড়া

ঘ) end - সমাপ্তি; উপসংহার।

• অপশনগুলো বিবেচনা করলে দেখা যায় শুন্যস্থানে dissect বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হয়।

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

২৯.
Working under pressure and stress always ___________ the best in him.
  1. brings about
  2. brings off
  3. brings up
  4. brings out
ব্যাখ্যা

• The required answer is - brings out.

• Brings out (Phrasal verb):
- English meaning:
1. to make more apparent.
2. to express (a thought or emotion) in words.
- Bangla meaning: বের করা; উৎপাদন করা; প্রকাশ পায়।

• Complete sentence: Working under pressure and stress always brings out the best in him.
- Bangla meaning: চাপ ও চাপের মধ্যে কাজ করলে সবসময় তার সেরাটা প্রকাশ পায়।

• Other options,
ক) brings about - ঘটানো।

খ) brings off - উদ্ধার করা।

গ) brings up - লালনপালন করা।

• অপশনগুলো বিবেচনা করলে দেখা যায় শুন্যস্থানে brings out বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হয়।

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

৩০.
The Adjective form of 'Decision' is -
  1. Decision
  2. Decisive
  3. Decide
  4. Decisively
ব্যাখ্যা

• The Adjective form of 'Decision' is - Decisive.

• Decisive (Adjective
- English meaning: Very important for the final result of a particular situation.
- Bangla meaning: নিশ্চায়ক; নিষ্পত্তিকারক; চূড়ান্ত।

• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো, 
- Decision (Noun & Verb) - সিদ্ধান্ত; মীমাংসা; নিষ্পত্তি; 
- Decide (Verb) - মীমাংসা/ নিষ্পত্তি করা; ফয়সালা করা;
- Decisively (Adverb) - সুস্পষ্টভাবে; চূড়ান্তভাবে।

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

৩১.
Let her sing a song. (make it passive)
  1. Let a song be sing by her.
  2. Let a song been sung by her.
  3. Let a song be sung by her.
  4. Let a song being sung by her.
ব্যাখ্যা

• Imparetive sentence এর Active voice কে Passive voice এ রূপান্তরের নিয়ম:
- Let দিয়ে Passive voice এর বাক্যটি শুরু হবে।
- Active voice এর object টি Passive voice এ subject হিসেবে বসে।
- be বসে।
- মূল verb এর past participle form বসে।
- by বসে। 
- Active voice এর subject টি Passive voice এ object হিসেবে বসে।

• Active Voice: Let her sing a song.
• Passive Voice: Let a song be sung by her.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৩২.
If she _______ the warning, she _______ trouble.
  1. ignores, would have avoided
  2. had heeded, would have fallen
  3. had heeded, would have avoided
  4. had heeded, have avoided
ব্যাখ্যা

• Correct answer: If she had heeded the warning, she would have avoided trouble.
- প্রদত্ত sentence টি Third conditional এর শর্ত মেনে হয়েছে।

• Third Condition এর নিয়ম অনুসারে:
- If বা Had যুক্ত দুটি clause থাকে। 
- দুটি clause এর যেকোন একটিতে If/ had দিয়ে clause টি শুরু হবে।
- If বা Had যুক্ত clause টি Past Perfect Tense হয়। 
- ২য় clause টি Past perfect Conditional (would have, might have, should have, could have) বসে।
- Verb এর Past Participle form বসে।

• had heeded, would have fallen কেন ভুল?
- "had heeded" past perfect tense → ঠিক, কারণ এটি third conditional এর প্রথম অংশে অতীতের unreal action বোঝাচ্ছে।
- "would have fallen" past perfect এর সাথে result clause এ ব্যবহার হওয়া উচিত, কিন্তু অর্থের সঙ্গে মিলছে না।

- "heeded" মানে সতর্কবার্তা মানা → যদি সে সতর্কবার্তা মেনে চলত, তবে সমস্যায় পড়ত না, অর্থাৎ avoided হওয়া উচিত।
- তাই "would have fallen" (পড়ে যেত) ব্যবহার করলে logic/ meaning totally বিপরীত হয়ে যায়।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৩৩.
She studied hard with an eye __________ the exam with distinction.
  1. passed
  2. to pass
  3. passing
  4. to passing
ব্যাখ্যা

• সাধারণত to এর পর Verb এর base form হলেও কিছু কিছু শব্দগুচ্ছ সমূহের পর verb+ing হয়।

• শব্দগুচ্ছ সমূহ হলো:
- With a view to,
- With an eye to,
- Accustomed to,
- Adhere to,
- Adverse to,
- Addicted to,
- Committed to,
- Confess to,
- Devoted to,
- Look forward to,
- Conducive to,
- Addicted to,
- Be used to,
- Get used to

• Correct Sentence: She studied hard with an eye to passing the exam with distinction.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৩৪.
Don’t play ducks and drakes with your savings; invest them wisely.
Here, the phrase "play duck and drakes" means -
  1. To invest wisely
  2. To donate generously
  3. To use recklessly
  4. Act miserly and not using one's money
ব্যাখ্যা

Don’t play ducks and drakes with your savings; invest them wisely.  Here, the phrase "play ducks and drakes" means - To use recklessly.

• Play duck and drakes:
- English Meaning: To use recklessly/ to carelessly misuse one's wealth.
- Bangla Meaning: অপব্যবহার করা/ টাকা উড়ানো।

Example Sentence: Jakir played ducks and drakes with the financial system of the company.
- Bangla Meaning: জাকির কোম্পানির অর্থনৈতিক কাঠামো নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে।

Source: Live MCQ Lecture.

৩৫.
I fell asleep at the time of listening to the lecture. (Make it complex)
  1. I fell asleep when I am listening to the lecture.
  2. I fell asleep when I was listening to the lecture.
  3. I fell asleep and I was listening to the lecture.
  4. I fell asleep when I listened to the lecture.
ব্যাখ্যা

• Simple sentence এ যদি at the time of থাকে তাহলে simple sentence কে complex করার নিয়ম:
- প্রথম clause টি অপরিবর্তিত থাকবে।
- at the time of এর পরিবর্তে when বসে।
- প্রথম clause টির tense এর form অনুযায়ী পরবর্তী clause টি I was listening to the lecture. হয়েছে। 

• Simple Sentence: I fell asleep at the time of listening to the lecture.
• Complex Sentence: I fell asleep when I was listening to the lecture.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৩৬.
Choose the correct spelling.
  1. Moustache
  2. Mousteche
  3. Moustachae
  4. Muostache
ব্যাখ্যা

• The correct spelling is 'Moustache' (Noun).

Moustache:
- English meaning: A line of hair that a man allows to grow on his upper lip.
- Bangla meaning: গৌফ; গুম্ফ; মোচ।

Example sentence: He grew a thick moustache over the winter.
- Bangla meaning: তিনি শীতকালে একটি মোটা গোঁফ বড় করেছিলেন।

Source: Accessible Dictionary, Oxford Dictionary, Merriam & Webster Dictionary.

৩৭.
The synonym of the word "Morose" is -
  1. Optimistic
  2. Happy
  3. Grumpy 
  4. Pollyannaish
ব্যাখ্যা

• Morose (Adjective)
- English Meaning: Unhappy or annoyed and unwilling to speak, smile, or be pleasant to people.
- Bangla Meaning: গোমড়া; খিটখিটে; কটুস্বভাব; অসামাজিক।

• উল্লিখিত অপশনগুলো,
ক) Optimistic - আশাবাদী; আস্থাশীল।

খ) Happy - খুশি।

গ) Grumpy - বদমেজাজী; রুষ্ট।

ঘ) Pollyannaish - প্রফুল্ল/ প্রফুল্লিত।

• সুতরাং, অপশন বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The synonym  of the word "Morose" is - Grumpy.

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

৩৮.
The antonym of the word "Lassitude" is -
  1. Exhaustion
  2. Vigor  
  3. Applause
  4. Conciliatory
ব্যাখ্যা

• Lassitude (Noun)
- English Meaning: Physical or mental tiredness.
- Bangla Meaning: অবসন্নতা; ক্লান্তভাব; নিস্পৃহতা।

• উল্লিখিত অপশনগুলো,
ক) Exhaustion - চরম পরিশ্রান্তি;

খ) Vigor - শারীরিক বা মানসিক শক্তি; তেজ; বলবত্তা; বলিষ্ঠতা;

গ) Applause- প্রশংসা বা সমর্থন সূচক ধ্বনী;

ঘ) Conciliatory - বন্ধুত্বপূর্ণ, শান্তিজনক, মৈত্রীসূচক।

• সুতরাং, অপশন বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The antonym of the word "Lassitude" is - Vigor.

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

৩৯.
"A person of good understanding, knowledge and reasoning power" is called -
  1. Expert
  2. Snob
  3. Literate
  4. Intellectual
ব্যাখ্যা

• "A person of good understanding, knowledge and reasoning power" is called - Intellectual.

• Intellectual (Noun & Adjective):
- English meaning: Connected with or using a person’s ability to think in a logical way and understand things
- Bangla meaning: ধীশক্তি সম্বন্ধী; বৌদ্ধিক; বুদ্ধিবৃত্তিক।

• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
- Expert: A person with special knowledge, skill or training in something.
- Bangla meaning: বিশেষজ্ঞ বা দক্ষ ব্যক্তি। 

- Snob: A person who admires people in the higher social classes too much and has no respect for people in the lower social classes.
- Bangla meaning: যে ব্যক্তি সামাজিক মর্যাদা বা বিত্তের মুখোমুখি হলে শ্রদ্ধায় আপ্লুত হয়ে পড়ে কিংবা যে ব্যক্তি নিম্নতর সামাজিক অবস্থানের মানুষকে অবজ্ঞার চোখে দেখে।

- Literate: Able to read and write.
- Bangla meaning: অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন।

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary. 

৪০.
ছয়জন পুরুষ, আটজন নারী এবং একটি বালকের গড় বয়স ৩৬ বছর। পুরুষদের গড় বয়স ৪১ এবং নারীদের ৩৫। বালকের বয়স কত?
  1. ২০ বছর
  2. ১৮ বছর
  3. ১৪ বছর
  4. ১৬ বছর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ছয়জন পুরুষ, আটজন নারী এবং একটি বালকের গড় বয়স ৩৬ বছর। পুরুষদের গড় বয়স ৪১ এবং নারীদের ৩৫। বালকের বয়স কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
৬জন পুরুষ, ৮ জন স্ত্রীলোক এবং ১ জন বালকের বয়সের গড় ৩৬ বছর।
∴ ৬জন পুরুষ, ৮ জন স্ত্রীলোক এবং ১জন বালকের বয়সের সমষ্টি = ৩৬ × ১৫ = ৫৪০ বছর

আবার, 
পুরুষদের বয়সের গড় ৪১ বছর
∴ পুরুষদের বয়সের সমষ্টি = ৪১ × ৬ = ২৪৬ বছর

এবং, 
স্ত্রীলোকদের বয়সের গড় ৩৫ বছর
∴ স্ত্রীলোকদের বয়সের সমষ্টি = ৩৫ × ৮ = ২৮০ বছর

∴ বালকের বয়স = ৫৪০ - (২৪৬ + ২৮০) = ১৪ বছর

৪১.
৪ সে.মি. ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের অন্তঃস্থ সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করুন।
  1. ১২√৩ বর্গ সে.মি.
  2. ১১√২ বর্গ সে.মি.
  3. √৩/৩ বর্গ সে.মি.
  4. ২√৩ বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৪ সে.মি. ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের অন্তঃস্থ সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করুন।

সমাধান:
দেওয়া আছে,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৪ সে.মি. 

আমরা জানি,
বৃত্তের অন্তঃস্থ সমবাহু ত্রিভুজের বাহু = √৩ × বৃত্তের ব্যাসার্ধ 
= √৩ × ৪ 
= ৪√৩

এখন,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√৩/৪) × (বাহু)
= (√৩/৪) × (৪√৩)
= (√৩/৪) × ১৬ × ৩ 
= ১২√৩ 

∴ সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ১২√৩ বর্গ সে.মি.

৪২.
একটি লাঠি ২৪ ইঞ্চি লম্বা, এটি দুটি অংশে ভাগ করা হয়েছে যাতে ছোট অংশটি বড় অংশের ১/৩ হয়। ছোট অংশের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১৭.৪৮ সে.মি.
  2. ১৩.৩৪ সে.মি.
  3. ১২.৫৪ সে.মি.
  4. ১৫.২৪ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি লাঠি ২৪ ইঞ্চি লম্বা, এটি দুটি অংশে ভাগ করা হয়েছে যাতে ছোট অংশটি বড় অংশের ১/৩ হয়। ছোট অংশের দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
ধরি,
ছোট অংশটি = ক ইঞ্চি
তাহলে, বড় অংশটি = ৩ক  ইঞ্চি

শর্তমতে,
ক + ৩ক = ২৪ ইঞ্চি
⇒ ৪ক = ২৪ ইঞ্চি
⇒ ক  = ২৪/৪ ইঞ্চি
∴ ক = ৬ ইঞ্চি

অতএব, ছোট অংশটি ৬ ইঞ্চি লম্বা।

আমরা জানি,
১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সে.মি.
∴ ৬ ইঞ্চি = ৬ × ২.৫৪ = ১৫.২৪ সে.মি.

অতএব, ছোট অংশটি ১৫.২৪ সে.মি. লম্বা।

৪৩.
616 বর্গমিটার ক্ষেত্রফল এবং 88 মিটার পরিধি বিশিষ্ট বৃত্তের ব্যাস বের করুন।
  1. 26 মিটার
  2. 28 মিটার
  3. 38 মিটার
  4. 24 মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 616 বর্গমিটার ক্ষেত্রফল এবং 88 মিটার পরিধি বিশিষ্ট বৃত্তের ব্যাস বের করুন।

সমাধান:
ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
∴ বৃত্তের ব্যাস = 2r
আমরা জানি,
বৃত্তের পরিধি = 2πr
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2 

প্রশ্নমতে,
বৃত্তের পরিধি = 88 মিটার
⇒ 2πr = 88
⇒ 2 × (22/7) × r = 88
⇒ (44/7) × r = 88
⇒ r/7 = 2
⇒ r = 7 × 2
⇒ r = 14 মিটার।

বৃত্তটির ব্যাস = 2 × ব্যাসার্ধ
= 2 × 14
= 28 মিটার।

অতএব, বৃত্তটির ব্যাস হলো 28 মিটার।

৪৪.
রাজীব সাহেবের বেতন ২০% কমানো হয়েছে এবং পরে কমানো বেতনকে ১০% বাড়ানো হয়েছে, এতে তার মোট ক্ষতি কত?
  1. ২০%
  2. ১৩%
  3. ১৮%
  4. ১২%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: রাজীব সাহেবের বেতন ২০% কমানো হয়েছে এবং পরে কমানো বেতনকে ১০% বাড়ানো হয়েছে, এতে তার মোট ক্ষতি কত?

সমাধান:
ধরি,
রাজীব সাহেবের মূল বেতন = ১০০ টাকা
২০% কমানোর পর বেতন = ১০০ - ১০০ এর ২০%
= ১০০ - ১০০ এর ২০/১০০
= ১০০ - ২০
= ৮০

আবার,
১০% বৃদ্ধিতে বেতন = ৮০ + ৮০ এর ১০%
= ৮০ + ৮০ এর ১০/১০০
= ৮০ + ৮
= ৮৮

∴ ক্ষতি = (১০০ - ৮৮)%
= ১২%

∴ রাজীব সাহেবের ১২% ক্ষতি হয়েছে।

৪৫.
ছক্কা একবার নিক্ষেপ করলে 3, 4, 5, বা 6 না আসার সম্ভাবনা কত?
  1. 1/2
  2. 1/3 
  3. 2/5
  4. 5/6 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ছক্কা একবার নিক্ষেপ করলে 3, 4, 5, বা 6 না আসার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
একটি ছক্কা একবার নিক্ষেপ করা হলে মোট নমুনা ক্ষেত্র হবে = 61 = 6 টি

নমুনা ক্ষেত্র গুলো হবে = 1, 2, 3, 4, 5, 6

এখন, সংখ্যা গুলোর মধ্যে 2 থেকে বড় সংখ্যা গুলো হলো = 3, 4, 5, 6 অর্থাৎ 4 টি ।

∴ ছক্কা একবার নিক্ষেপ করা হলে 2 থেকে বড় সংখ্যা পাওয়ার সম্ভাবনা = অনুকূল ঘটনার সংখ্যা/মোট ঘটনা সংখ্যা = 4/6 = 2/3

∴ ছক্কা একবার নিক্ষেপ করলে 3, 4, 5, বা 6 না আসার সম্ভাবনা = 1 - (2/3) = (3 - 2)/3 = 1/3 

বিকল্প:
ছক্কায় 2 থেকে বড় নয় এমন সংখ্যা হলো- 1, 2 অর্থাৎ 2 টি। 

∴ ছক্কা একবার নিক্ষেপ করলে 3, 4, 5, বা 6 না আসার সম্ভাবনা = 2/6 = 1/3

৪৬.
ব্যাস 14 সে.মি. হলে, গোলকের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল কত?
  1. 169π বর্গ সে.মি.
  2. 193π বর্গ সে.মি.
  3. 179π বর্গ সে.মি.
  4. 196π বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ব্যাস 14 সে.মি. হলে, গোলকের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
গোলকের ব্যাস 14 সে.মি.
গোলকের ব্যাসার্ধ r = 7 সে.মি.

আমরা জানি,
গোলকের পৃষ্ঠের  ক্ষেত্রফল = 4πr2 বর্গ একক
= 4π × 72 বর্গ সে.মি.
= 196π বর্গ সে.মি.

৪৭.
৪ বছরে ১০০০ টাকার সুদসহ মোট ১২০০ টাকা হলে, ৩০০ টাকার ২ বছরের সরল সুদ কত হবে?
  1. ৬০ টাকা
  2. ৪০ টাকা
  3. ৩০ টাকা
  4. ৩৫ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৪ বছরে ১০০০ টাকার সুদসহ মোট ১২০০ টাকা হলে, ৩০০ টাকার ২ বছরের সরল সুদ কত হবে?

সমাধান: 
আমরা জানি, 
সুদ = সুদাসল - আসল 
= (১২০০ - ১০০০) টাকা 
= ২০০ টাকা 

এখানে, 
১০০০ টাকার ৪ বছরের সুদ = ২০০ টাকা 
∴ ১ টাকার ১ বছরের সুদ = ২০০/(১০০০ × ৪) টাকা 
∴ ৩০০ টাকার ২ বছরের সুদ = (২০০ × ৩০০ × ২)/(১০০০ × ৪) টাকা 
= ৩০ টাকা।

৪৮.
একটি জ্যামিতিক সিরিজের তৃতীয় পদ 3 হলে প্রথম পাঁচটি পদের গুণফল কত?
  1. 276
  2. 243
  3. 224
  4. 307
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি জ্যামিতিক সিরিজের তৃতীয় পদ 3 হলে প্রথম পাঁচটি পদের গুণফল কত?

সমাধান: 
ধরি,
১ম পদ = a
সাধারণ অনুপাত = r
তৃতীয় পদ, ar2 = 3

প্রথম পাঁচ পদের গুণফল S হলে,
S = a × ar × ar2 × ar3 × ar4
= a5r10
= (ar2)5
= 35
= 243

∴ প্রথম পাঁচ পদের গুণফল 243

৪৯.
একটি নৌকা ৩ ঘণ্টায় স্রোতের দিকে ১৪ মাইল যায় এবং ৪ ঘণ্টার মধ্যে ফিরে আসে। এই নৌকার প্রতি ঘণ্টার গড় গতিবেগ কত?
  1. ৮ মাইল/ঘণ্টা
  2. ৫ মাইল/ঘণ্টা
  3. ৭ মাইল/ঘণ্টা
  4. ৪ মাইল/ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি নৌকা ৩ ঘণ্টায় স্রোতের দিকে ১৪ মাইল যায় এবং ৪ ঘণ্টার মধ্যে ফিরে আসে। এই নৌকার প্রতি ঘণ্টার গড় গতিবেগ কত?

সমাধান:
মোট দূরত্ব = ১৪ + ১৪ = ২৮ মাইল
মোট সময় = ৪ + ৩ = ৭ ঘণ্টা

∴ ঘন্টায় গড় গতিবেগ = ২৮/৭ মাইল/ঘণ্টা
= ৪ মাইল/ঘণ্টা

৫০.
পুত্রের বয়সের তুলনায় পিতার বয়স দ্বিগুণ। দুইজনের বয়সের সমষ্টি ৯০ বছর। পিতার বয়স নির্ণয় করুন।
  1. ৬০ বছর
  2. ৬৫ বছর
  3. ৬৮ বছর
  4. ৭০ বছর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: পুত্রের বয়সের তুলনায় পিতার বয়স দ্বিগুণ। দুইজনের বয়সের সমষ্টি ৯০ বছর। পিতার বয়স নির্ণয় করুন।

সমাধান: 
মনে করি, 
পিতার বর্তমান বয়স = x বছর 
∴ পুত্রের বর্তমান বয়স = (৯০ - x) বছর 

প্রশ্নমতে, 
x = ২(৯০ - x)
বা, x = ১৮০ - ২x
বা, x + ২x = ১৮০
বা, ৩x = ১৮০
বা, x = ১৮০/৩
∴ x = ৬০

∴ পিতার বর্তমান বয়স = ৬০ বছর।

৫১.
যদি secθ + tanθ = 7/4 হয়, (secθ - tanθ)2 এর মান কত হবে?
  1. 4/7
  2. 1/2
  3. 13/43
  4. 16/49
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি secθ + tanθ = 7/4 হয়, (secθ - tanθ)2 এর মান কত হবে?

​সমাধান:
দেওয়া আছে,
secθ + tanθ = 7/4

​আমরা জানি,
sec2θ - tan2θ = 1
⇒ (secθ + tanθ)(secθ - tanθ) = 1
⇒ (7/4)(secθ - tanθ) = 1
⇒ secθ - tanθ = 1/(7/4)
⇒ secθ - tanθ = 4/7

∴ (secθ - tanθ)2 = 16/49

৫২.
6 ≤ 2q + 3 < 15 অসমতাটির সমাধান হবে:
  1. [5/3, 4)
  2. [- 3, 6]
  3. [3/2, 6)
  4. (5/3, 6)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 6 ≤ 2q + 3 < 15 অসমতাটির সমাধান হবে:

সমাধান:
6 ≤ 2q + 3 < 15
⇒ 6 - 3 ≤ 2q + 3 - 3 < 15 - 3
⇒ 3 ≤ 2q < 12
⇒ 3/2 ≤ q < 12/2
⇒ 3/2 ≤ q < 6

∴ অসমতাটির সমাধান = [3/2, 6)

৫৩.
যদি আখের রসের পরিমাণ ১০০ মি.লি. হয় এবং চিনি-পানি অনুপাত ৩:৭ হয়, তাহলে পানির পরিমাণ চিনির চেয়ে কত বেশি?
  1. ৫৫ মি.লি.
  2. ৭০ মি.লি.
  3. ৫০ মি.লি.
  4. ৪০ মি.লি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি আখের রসের পরিমাণ ১০০ মি.লি. হয় এবং চিনি-পানি অনুপাত ৩:৭ হয়, তাহলে পানির পরিমাণ চিনির চেয়ে কত বেশি?

সমাধান:
ধরি,
আখের রসে চিনের পরিমাণ = ৩ক

পানির পরিমাণ = ৭ক

প্রশ্নমতে,
৩ক + ৭ক = ১০০
বা, ১০ক = ১০০
বা, ক = ১০০/১০ = ১০

∴ চিনির পরিমাণ = (৩ × ১০) মি.লি. = ৩০ মি.লি.

পানির পরিমাণ = (৭ × ১০) মি.লি. = ৭০ মি.লি.

অতএব,
চিনির তুলনায় পানি বেশি = (৭০ - ৩০) মি.লি.= ৪০ মি.লি.

৫৪.
বালিকা বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে, বেঞ্চে ৬ জন করে বসানো হলে ২টি বেঞ্চ ফাঁকা থাকে। যদি ৫ জন করে বসানো হয়, ৬ জনকে দাঁড়াতে হবে। শ্রেণির মোট ছাত্রী সংখ্যা কত?
  1. ৬৮ জন
  2. ৯৬ জন
  3. ৫২ জন
  4. ৭৮ জন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বালিকা বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে, বেঞ্চে ৬ জন করে বসানো হলে ২টি বেঞ্চ ফাঁকা থাকে। যদি ৫ জন করে বসানো হয়, ৬ জনকে দাঁড়াতে হবে। শ্রেণির মোট ছাত্রী সংখ্যা কত?

সমাধান: 
ধরি, বেঞ্চ সংখ্যা ক 

একটি বালিকা বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে প্রতিবেঞ্চে ৬ জন করে ছাত্রী বসালে ২ টি বেঞ্চ খালি থাকে।
ছাত্রী সংখ্যা = (ক - ২) × ৬ জন 

প্রতি বেঞ্চে ৫ জন করে ছাত্রী বসালে ৬ জন ছাত্রীকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।
ছাত্রী সংখ্যা = ৫ক + ৬ 

প্রশ্নমতে, 
৫ক + ৬ = (ক - ২) × ৬
⇒ ৫ক + ৬ = ৬ক - ১২
⇒ ৬ক - ৫ক = ১২ + ৬
∴ ক = ১৮ 

অতএব, ছাত্রী সংখ্যা = (৫ × ১৮) + ৬
= ৯০ + ৬ 
= ৯৬ জন

৫৫.
যদি (25)2p + 3 = 53p + 6 হয়, তবে p = কত?
  1. 3
  2. - 2
  3. - 1
  4. 0
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি (25)2p + 3 = 53p + 6 হয়, তবে p = কত?

সমাধান:
(25)2p + 3 = 53p + 6
⇒ 52(2p + 3) = 53p + 6
⇒ 2(2p + 3) = 3p + 6
⇒ 4p + 6 = 3p + 6
⇒ 4p - 3p = 6 - 6
⇒ p = 0

৫৬.
যদি একটি পণ্যের উৎপাদন খরচ ১০০ টাকা হয় এবং নির্মাতা ও খুচরা বিক্রেতা উভয়ই ২০% লাভে বিক্রি করেন, তাহলে পণ্যের খুচরা বিক্রয় মূল্য কত?
  1. ১৪৪ টাকা
  2. ১৬৪ টাকা
  3. ১২২ টাকা
  4. ১৮২ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি একটি পণ্যের উৎপাদন খরচ ১০০ টাকা হয় এবং নির্মাতা ও খুচরা বিক্রেতা উভয়ই ২০% লাভে বিক্রি করেন, তাহলে পণ্যের খুচরা বিক্রয় মূল্য কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
পণ্যের উৎপাদন খরচ = ১০০ টাকা
নির্মাতা ২০% লাভে বিক্রয় করলে,
বিক্রয়মূল্য= ১০০ + ১০০ এর ২০% = ১০০ + ২০ = ১২০ টাকা 

এখন, নির্মাতার বিক্রয়মূল্য = খুচরা বিক্রেতার ক্রয়মূল্য = ১২০ টাকা
আবার,
খুচরা বিক্রেতা ২০%  লাভে বিক্রয় করলে,
বিক্রয়মূল্য = ১২০ + ১২০ এর ২০% = ১২০ + {(১২০ × ২০) / ১০০} = ১২০ + ২৪ = ১৪৪ টাকা 

সুতরাং খুচরা বিক্রেতার বিক্রয়মূল্য = খুচরা মূল্য = ১৪৪ টাকা 

৫৭.
নিচের কোনটি 3s3 + 2s2 - 21s - 20 রাশিটির উৎপাদকে বিশ্লেষণ হবে?
  1. (s - 2)
  2. (s + 2)
  3. (s - 1)
  4. (s + 1)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোনটি 3s3 + 2s2 - 21s - 20 রাশিটির উৎপাদকে বিশ্লেষণ হবে?

সমাধান:
ধরি,
f(s) = 3s3 + 2s2 - 21s - 20
∴ ‍f(- 1) = 3.(- 1)3 + 2.(- 1)2 - 21.(- 1) - 20
= - 3 + 2 + 21 - 20
= 23 - 23
= 0

∴ ‍(s + 1), f(s) এর একটি উৎপাদক।

৫৮.
b + 1/b = 2 হলে b5 - 1/b5 = ?
  1. 0
  2. 2
  3. 3
  4. 1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: b + 1/b = 2 হলে b5 - 1/b5 = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
b + 1/b = 2
বা, b2 + 1 = 2b
বা, b2 - 2b + 1 = 0
বা, (b - 1)2 = 0
বা, b - 1 = 0
∴ b = 1

∴ ‍b5 - 1/b5
= 1 - 1/1
= 1 - 1
= 0

৫৯.
বার্ষিক ১০% হারে ১০০০ টাকা ২ বছর ব্যাংকে রাখলে সরল সুদ এবং চক্রবৃদ্ধি সুদের মধ্যে কতটা পার্থক্য হবে?
  1. ১১০ টাকা
  2. ১০ টাকা
  3. ৩০ টাকা
  4. ৫০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বার্ষিক ১০% হারে ১০০০ টাকা ২ বছর ব্যাংকে রাখলে সরল সুদ এবং চক্রবৃদ্ধি সুদের মধ্যে কতটা পার্থক্য হবে?

সমাধান:
মূলধন, P = ১০০০ টাকা
সুদের হার, r = ১০% = ১০/১০০ = ১/১০
সময়, n = ২ বছর

আমরা জানি,
সরল মুনাফার ক্ষেত্রে,
SI = P × r × n
= ১০০০ × (১/১০) × ২
= ২০০ টাকা

আবার,
চক্রবৃদ্ধি মুনাফায়,
C = P(1 + r)n
= ১০০০ × (১ + ১/১০)
= ১০০০ × (১১/১০)
= ১০০০ × (১১/১০) × (১১/১০)
= ১২১০ টাকা

∴ চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = C - P
= ১২১০ - ১০০০
= ২১০ টাকা

∴ পার্থক্য = ২১০ - ২০০ = ১০ টাকা

৬০.
UNESCO-এর কততম সাধারণ সম্মেলনে বাংলাদেশের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে?
  1. ৩৯তম
  2. ৪১তম
  3. ৪৩তম
  4. ৪৪তম
ব্যাখ্যা

ইউনেস্কোর ৪৩তম সাধারণ সম্মেলনের সভাপতি:
- ইউনেস্কোর ৪৩তম সাধারণ সম্মেলনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে খন্দকার এম. তালহা।

⇒ ৭ অক্টোবর, ২০২৫-এ বিশ্ব সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কোর ৪৩তম সাধারণ সম্মেলনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।
- প্যারিসে ইউনেস্কোর নির্বাহী বোর্ডের ২২২তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রার্থী রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম. তালহা জাপানের প্রার্থীকে ৩০–২৭ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে এই অনন্য মর্যাদা অর্জন করেছে।
- তিনি ইউনেস্কোর আসন্ন ৪৩তম সাধারণ সম্মেলনে (এই মাসের শেষ দিকে উজবেকিস্তানের সামারকান্দে অনুষ্ঠিত হবে) রোমানিয়ার রাষ্ট্রদূত সিমোনা মিরেলা মিকুলেস্কুর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- ইউনেস্কোর ৪৩তম সাধারণ সম্মেলন ৩০ অক্টোবর -  ১৩ নভেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত উজবেকিস্তানের সামারকান্দ শহরের সিল্ক রোড কনফারেন্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস: i) UNESCO ওয়েবসাইট। 
ii) প্রথম আলো।

৬১.
কোন রাজবংশের শাসনামলে ‘আনন্দবিহার’ তৈরি হয়?
  1. দেব বংশ
  2. সেন বংশ
  3. পাল বংশ
  4. চন্দ্র বংশ
ব্যাখ্যা

আনন্দবিহার:
- আনন্দবিহার প্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে সমৃদ্ধ কুমিল্লার নিকটবর্তী কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত।
- এ বিহার ময়নামতিতে আবিষ্কৃত সৌধমালার মধ্যে সর্ববৃহৎ।
- এ এলাকার সর্ববৃহৎ পুষ্করিণীসহ আনন্দবিহার কমপ্লেক্সটি সাত শতকের শেষ বা আট শতকের প্রথম দিকের কোনো এক সময়ে প্রথম দেববংশের তৃতীয় শাসক শ্রী আনন্দ দেব কর্তৃক নির্মিত হয়।

⇒ দেববংশীর রাজা ভবদেব এই বিহারটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ঐ সময় বিহারটি এশিয়ার জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিগণিত হয়।
- সেই সময় একে বিশ্বিবদ্যালয়ের মর্যাদা দেওয়া হয়।
- তার প্রমাণ হলো, বিখ্যাত চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাং আনন্দ বিহারে আসেন এবং তিনি এখানে প্রায় ৪০০০ ভিক্ষু ও ময়নামতি অঞ্চলে ৩৫টি শিক্ষাকেন্দ্র দেখতে পান।
- যার কারণে তিনি কুমিল্লাবাসীকে প্রবল শিক্ষানুরাগী বলে আখ্যায়িত করেন।
- প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে ভারতের নালন্দের পর এশিয়ার দি¦তীয় বৃহত্তম শিক্ষাকেন্দ্র ছিলো লালমাই-ময়নামতি অঞ্চল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬২.
দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ কার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জাতীয় সংসদ
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন:
- ২১ শে নভেম্বর ২০০৪ বর্তমান দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ১৭ ধারা অনুসারে দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রতিরোধ, গবেষণা এবং গণসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
- কার্যালয়: ঢাকার সেগুনবাগিচা।
- রুপকল্প: সমাজের সর্বস্তরে প্রবাহমান একটি শক্তিশালী দুর্নীতিবিরোধী সংস্কৃতির চর্চা এবং এর প্রসার সুনিশ্চিত করা। 
-  লক্ষ্য: অব্যাহতভাবে দুর্নীতির দমন, নিয়ন্ত্রণ, প্রতিরোধ এবং উত্তম চর্চার বিকাশ সাধন করা।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৬(১) ধারার বিধানমতে দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ হলেন -
(১) জনাব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন;
(২) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী; এবং
(৩) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ। 
- দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ দুদক আইন ২০০৪ এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

উৎস: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।

৬৩.
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন কত নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ৪ নং
  2. ৫ নং
  3. ৭ নং
  4. ১০ নং
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন:
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান 'বীরশ্রেষ্ঠ' উপাধিতে ভূষিত করা হয়, রুহুল আমিন তাদের অন্যতম।
- তাঁর পদবী ছিল স্কোয়াড্রন ইঞ্জিনিয়ার। 

⇒ বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের জন্ম ১৯৩৫ সালে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার বাঘচাপড়া গ্রামে।
- ১৯৫৩ সালে তিনি নৌ বাহিনীতে জুনিয়র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেন।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এপ্রিল মাসে তিনি ২নং সেক্টরে যোগদান করেন।
- পরবর্তীতে ১০নং নৌ সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর দুপুর ১২টার দিকে রূপসা নদীতে খুলনা শীপইয়ার্ডের কাছে সম্মুখ যুদ্ধে বাংলাদেশের যুদ্ধজাহাজ পলাশকে রক্ষা করতে গিয়ে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর নিক্ষিপ্ত গোলায় এ বীর সন্তান শহিদ হন।
- সমাধিস্থল: রূপসা ফেরিঘাটের লুকপুরে।
- নোয়াখালীতে তাঁর জন্মস্থানে বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ রুহুল আমিন স্মৃতি পাঠাগার ও জাদুঘর রয়েছে।

উল্লেখ্য, বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
⇒ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ: ১নং সেক্টর। কর্মস্থল: ই পি আর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস)।
⇒ সিপাহী মোস্তফা কামাল: ২নং সেক্টর। কর্মস্থল: সেনাবাহিনী।
⇒ সিপাহী হামিদুর রহমান: ৪নং সেক্টর। কর্মস্থল: সেনাবাহিনী।
⇒ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: ৭নং সেক্টর। কর্মস্থল: সেনাবাহিনী।
⇒ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ: ৮নং সেক্টর। কর্মস্থল: ই পি আর।
⇒ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান: পশ্চিম পাকিস্তান। কর্মস্থল: বিমান বাহিনী।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৬৪.
ন্যূনতম কতটি সদস্য দেশের সম্মতি নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়?
  1. ৯টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে মোট ১৫টি সদস্যের মধ্যে কমপক্ষে ৯টি সদস্যের সম্মতি প্রয়োজন। 

নিরাপত্তা পরিষদ (UN Security Council):
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ (United Nations Security Council বা UNSC) হলো জাতিসংঘের প্রধান সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক শান্তি এবং নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। 
- এর প্রধান দায়িত্ব হলো বিশ্বজুড়ে শান্তি বজায় রাখা এবং সংঘাত প্রতিরোধ করা।
- নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৫ (পাঁচটি স্থায়ী সদস্য এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য)।
- স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র। 
- বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের দশটি অস্থায়ী সদস্য দেশ হলো: আলজেরিয়া (২০২৪-২৫), গায়ানা (২০২৪-২৫), কোরিয়া (২০২৪-২৫), সিয়েরা লিওন (২০২৪-২৫), স্লোভেনিয়া (২০২৪-২৫) ও ডেনমার্ক (২০২৫-২৬), গ্রিস (২০২৫-২৬), সোমালিয়া (২০২৫-২৬), পাকিস্তান (২০২৫-২৬), পানামা (২০২৫-২৬)।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ২০২৬-২৭ সালের জন্য নির্বাচিত দেশগুলো হচ্ছে: বাহরাইন, কলম্বিয়া, কঙ্গো, লাটভিয়া ও লাইবেরিয়া।

⇒ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ২৭ নং অনুচ্ছেদ: ভোটদান রীতি
১. নিরাপত্তা পরিষদে প্রত্যেক সদস্যের একটি ভোটদানের অধিকার থাকবে।
২. পদ্ধতিগত বিষয়গুলো ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদে নয়টি সদস্যের ইতিবাচক ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।
৩.অন্যান্য বিষয়ে স্থায়ী সদস্যদের সমর্থনসূচক ভোটসহ মোট নয়টি সদস্যের ইতিবাচক ভোটে নিরাপত্তা পরিষদ সিদ্ধান্ত নেবে; অবশ্য ষষ্ঠ অধ্যায় অথবা ৫২-এর ৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে বিবদমান সদস্য ভোটদানে বিরত থাকবে।

উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট। 

৬৫.
বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ কোনটি? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ভেনিজুয়েলা
  2. দক্ষিণ সুদান
  3. সোমালিয়া
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা

দুর্নীতির ধারণা সূচক-২০২৪:
- জার্মান ভিত্তিক আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা Transparency International (TI) প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) প্রকাশ করে।
- সর্বশেষ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫-এ জার্মানির বার্লিন থেকে দুর্নীতির ধারণাসূচক (সিপিআই) প্রতিবেদন-২০২৪ প্রকাশ করেছে টিআই।
- বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ দক্ষিণ সুদান। 
- ২০২৪ সালে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ১৪তম।

⇒ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ:
1. দক্ষিণ সুদান, 
2. সোমালিয়া,
3. ভেনিজুয়েলা,
4. সিরিয়া,
5. ইয়েমেন, লিবিয়া, ইরিত্রিয়া, গিনি।

⇒ বিশ্বের সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ:
1. ডেনমার্ক,
2. ফিনল্যান্ড,
3. সিঙ্গাপুর,
4. নিউজিল্যান্ড,
5. লুক্সেমবার্গ, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড।

উৎস: Transparency International ওয়েবসাইট।

৬৬.
নিম্নের কোন দেশ ইন্দোচীনের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. লাওস
  2. ভিয়েতনাম
  3. ফিলিপাইন
  4. কম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা

ইন্দোচীন:
- ইন্দোচীন হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি উপদ্বীপ অঞ্চল।
- ভিয়েতনাম, লাওস এবং কম্বোডিয়া এই তিনটি অঞ্চল নিয়ে গঠিত ইন্দোচীন।
- ১৯৫৮-১৮৯৩ সালের মধ্যে, ফ্রান্স প্রথম ইন্দোচীন ইউনিয়ন গঠন করে।
- ১৯৪০ সালে জাপান উত্তর ভিয়েতনাম অঞ্চল দখল করে।
- ১৯৪৫ সালের আগস্টে জাপানের আত্মসমর্পণের পর উত্তরে ভিয়েতনামের জাতীয়তাবাদী নেতা হো চি মিনের নেতৃত্বে ভিয়েতনামের গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করে।

অন্যদিকে, 
- ফিলিপাইন ইন্দোচীনের অন্তর্ভুক্ত নয়। 

উৎস: Britannica.

৬৭.
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে টিসিবি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

TCB:
- TCB-এর পূর্ণরূপ: Trading Corporation of Bangladesh.
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশের বিপর্যস্ত অর্থনীতি ও বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা, অবিন্যস্ত বন্দর ইত্যাদির প্রেক্ষাপটে পর্যাপ্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য ও শিল্পের কাঁচামাল জরুরি ভিত্তিতে জোগান দেয়া এবং ন্যায্যমূল্যে ভোগ্যপণ্য জনগণকে সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সনের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির ৬৮ নং অধ্যাদেশের মাধ্যমে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এর প্রতিষ্ঠা হয়।

⇒ ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। 
- এই প্রেক্ষাপটে ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ৬৮নং আদেশের মাধ্যমে টিসিবি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার পর এদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের পথিকৃৎ হিসেবে কাজ করছে টিসিবি।
- টিসিবি’র মাধ্যমেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যাদি থেকে শিল্পের কাঁচামাল পর্যন্ত আমদানি এবং পাট, তৈরী পোশাক প্রভৃতি রপ্তানির মাধ্যমে দেশে বৈদেশিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু করা হয়।
- উদ্দেশ্য কতিপয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা।
- বর্তমানে তৈরী পোশাক রপ্তানি অর্থনীতিতে যে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে তারও পথিকৃৎ টিসিবি।

উৎস: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ওয়েবসাইট।

৬৮.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর কোন ধারায় দুদকের কার্যাবলী পরিচালিত হয়?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১৭
  4. ধারা ২৫ 
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন:
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ১৭ ধারা অনুসারে দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রতিরোধ, গবেষণা এবং গণসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ১৭ ধারা অনুযায়ী প্রতিরোধ গবেষণা ও গণসচেতনতা কার্যাদি করে থাকে। এই কাজটি সরকারি ও বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রেই করা হয়। এটা দুর্নীতি প্রতিরোধ অঙ্গীকার পূরণে বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে থাকে। কার্যক্রমগুলোর মধ্যে জনগণকে সচেতন করা, দুর্নীতির খারাপ দিকগুলো তুলে ধরা এবং সততা সংঘ গঠন এবং তার কর্মকান্ড পরিচালনা অন্যতম। এই প্রতিরোধ, গবেষণা ও গণসচেতনতা কার্যক্রম একজন মহাপরিচালকের অধীন  সম্পন্ন হয়।

⇒ ধারা ১৭: কমিশনের কার্যাবলী:
(ক) তফসিলে উল্লিখিত অপরাধসমূহের অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনা;
(খ) অনুচ্ছেদ (ক) এর অধীন অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনার ভিত্তিতে এই আইনের অধীন মামলা দায়ের ও পরিচালনা:
(গ) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগ স্ব-উদ্যোগে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত আবেদনের ভিত্তিতে অনুসন্ধান;
(ঘ) দুর্নীতি দমন বিষয়ে আইন দ্বারা কমিশনকে অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করা;
(ঙ) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য কোন আইনের অধীন স্বীকৃত ব্যবস্থাদি পর্যালোচনা এবং কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা;
(চ) দুর্নীতি প্রতিরোধের বিষয়ে গবেষণা পরিকল্পনা তৈরী করা এবং গবেষণালব্ধ ফলাফলের ভিত্তিতে করণীয় সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা;
(ছ) দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে সততা ও নিষ্ঠাবোধ সৃষ্টি করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা গড়িয়া তোলার ব্যবস্থা করা;

(জ) কমিশনের কার্যাবলী বা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে এমন সকল বিষয়ের উপর সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা ইত্যাদি অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা;
(ঝ) আর্থ-সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে বিদ্যমান বিভিন্ন প্রকার দুর্নীতির উৎস চিহ্নিত করা এবং তদনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা;
(ঞ) দুর্নীতির অনুসন্ধান, তদন্ত, মামলা দায়ের এবং উক্তরূপ অনুসন্ধান, তদন্ত ও মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন পদ্ধতি নির্ধারণ করা; এবং
(ট) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় বিবেচিত অন্য যে কোন কার্য সম্পাদন করা।

উৎস: দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪।

৬৯.
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সরকারি গেজেটভুক্ত শহীদের সংখ্যা কত?
  1. ৮৩৬
  2. ৮৪৬
  3. ৮৫২
  4. ৮৬০
ব্যাখ্যা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সরকারি গেজেটভুক্ত শহীদ:
- জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ২০২৪–এ শহীদদের গেজেট অনুসারে, জুলাই  গণঅভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৬।

⇒ "জুলাই যোদ্ধা" অর্থ জুলাই গণ অভ্যুত্থান চলাকালে তৎকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা উক্ত সময়ে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের আক্রমণে আহত ছাত্র-জনতা।
- এছাড়া "জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ" অর্থ "তৎকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা উক্ত সময়ে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের আক্রমণে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তি।"

উল্লেখ্য,
- ৮৩৪ জনের নাম শহীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে গেজেট প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পরে সেখানে যুক্ত করা হয় আরও ১০ জনের নাম।
- গত ৩০শে জুন, ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত সরকারি গেজেট অনুযায়ী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ছিল ৮৪৪ জন।
- তবে সরাসরি জুলাই আন্দোলনে যুক্ত না থাকা এবং চারজনের নাম গেজেটে দুইবার উল্লেখ থাকায় গত ৩রা অগাস্ট, ২০২৫ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই তালিকা থেকে আটজনের নাম বাতিল করে।
- মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী শহীদের সংখ্যা ৮৩৬ জন।

এছাড়াও,
- জুলাই  গণঅভ্যুত্থানে  ৬ থেকে ৬০ বছর বয়সী ১০ জনের নাম শহীদ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। 
- শহীদ ১০ জন নারীর মধ্যে ৭ জন ঢাকায়, ২ জন নারায়ণগঞ্জে ও ১ জন সাভারে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৭ জনই গুলিবিদ্ধ হন নিজ বাসার বারান্দা ও ছাদে। ৩ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন সড়কে।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ প্রথম নারী নাঈমা সুলতানা। 

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বিবিসি।
iii) প্রথম আলো।

৭০.
ট্রাফালগার স্কয়ারের সাথে সম্পর্কযুক্ত কে?
  1. নেপোলিয়ন
  2. অ্যাডমিরাল নেলসন
  3. ওয়েলেসলি
  4. অ্যাডমিরাল ফার্নান্দেস
ব্যাখ্যা

ট্রাফালগার স্কয়ারের সাথে সবচেয়ে বেশি সম্পর্কযুক্ত ব্যক্তি হলেন ভাইস-অ্যাডমিরাল নেলসন। তিনি ট্রাফালগারের যুদ্ধে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর বিজয়ের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং স্কোয়ারের কেন্দ্রে অবস্থিত নেলসনের কলামটি তার স্মরণে নির্মিত হয়েছে। 

ট্রাফালগার স্কয়ার:
- ট্রাফালগার স্কয়ার লন্ডনের একটি বিখ্যাত স্থান।
- এটি প্রধানত অ্যাডমিরাল হোরেশিও নেলসন-এর সাথে সম্পর্কযুক্ত।
- লন্ডনের ট্রাফালগার স্কয়ারে ৫২ মিটার উঁচু 'নেলসনের কলাম (Nelson's Column)' স্থাপিত হয়।
- শীর্ষে নেলসনের মূর্তি এবং চারপাশে ব্রোঞ্জের সিংহ স্থাপন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৮০৫ সালে অ্যাডমিরাল নেলসন ফরাসি ও স্প্যানিশ নৌবাহিনীর বিরুদ্ধে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
- অ্যাডমিরাল নেলসন ট্রাফালগারের যুদ্ধে ফ্রান্স-স্পেনের নৌবাহিনীকে পরাজিত করেছিলেন যা ব্রিটিশ নৌশক্তির শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিল। 
- অ্যাডমিরাল নেলসন এই যুদ্ধে মৃত্যুবরণ করেন।

⇒ ট্রাফালগারের যুদ্ধ (১৮০৫): নেলসন ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কমান্ডার হিসেবে এই যুদ্ধে ফ্রান্স-স্পেনের যৌথ নৌবহরকে পরাজিত করেন। এটি নেপোলিয়নের ব্রিটিশ আক্রমণের পরিকল্পনা ব্যর্থ করে।

উৎস: Britannica.

৭১.
‘একতারা তুই দেশের কথা’ গানটির গীতিকার কে?
  1. নজরুল ইসলাম বাবু
  2. গোবিন্দ হালদার
  3. আপেল মাহমুদ
  4. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
ব্যাখ্যা

একতারা তুই দেশের কথা:
- একতারা তুই দেশের কথা গানটির গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার।
- সুরকার: আনোয়ার পারভেজ।

এছাড়াও, মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক গান -
- জয় বাংলা, বাংলার জয় - গীতিকার: গাজী মাযহারুল আনোয়ার।
- মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি - গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- এক সাগর রক্তের বিনিময়ে - গীতিকার: গোবিন্দ হালদার। 
- জনতার সংগ্রাম চলবেই - গীতিকার: সিকান্দার আবু জাফর। 
- মুক্তির মন্দির সোপান তলে কতো প্রাণ হলো বলিদান  - গীতিকার: মোহিনী চৌধুরী।
- এক নদী রক্ত পেরিয়ে বাংলার আকাশে - গীতিকার: আতাউর রহমান। 
- পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল, রক্ত লাল, রক্ত লাল - গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।

উৎস: প্রথম আলো।

৭২.
ফিলিস্তিনের জন্য মহাবিপর্যয় (আল-নাকবা) হিসেবে বিবেচিত তারিখ কোনটি?
  1. ১৩ মে
  2. ১৫ মে
  3. ১৭ মে
  4. ১৯ মে
ব্যাখ্যা

নাকবা দিবস:
- ফিলিস্তিনের জন্য মহাবিপর্যয় (আল-নাকবা) হিসেবে বিবেচিত-১৫ মে।

⇒ ১৯৪৮ সালের ১৪ মে বদলে যায় মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করে ইহুদিদের জন্য নতুন একটি রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। নতুন রাষ্ট্রটির নাম রাখা হয় ইসরায়েল। ইহুদিদের মতে, নতুন রাষ্ট্র গঠন করে তাঁরা ঈশ্বরের প্রতিশ্রুত ভূমিতে ফিরে এসেছেন। 

⇒ ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরদিন থেকেই স্থানীয় আরব অধিবাসীদের ওপর নেমে আসে মহাবিপর্যয় বা আল-নাকবা।
- ইহুদি সশস্ত্র গোষ্ঠী ও সেনারা ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য হত্যা-লুট-অগ্নিসংযোগ শুরু করেন।
- প্রাণভয়ে লাখ লাখ ফিলিস্তিনি বাড়িঘর, সহায়-সম্পত্তি ছেড়ে পালাতে থাকেন। প্রায় সাড়ে সাত লাখ ফিলিস্তিনি জর্ডান, লেবানন ও সিরিয়ায় গিয়ে উদ্বাস্তু হিসেবে আশ্রয় নেন।
- রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরপরই আরবদের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ান ইসরায়েলিরা। শুরু হয় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ। দখল করে নেওয়া হয় ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের প্রায় ৭৮ শতাংশ। এর ফলে ভূমিপুত্র আরবদের বসবাস শুধু পশ্চিম তীর ও গাজায় সীমিত হয়ে যায়।
- এক অনিঃশেষ অনিশ্চয়তার মধ্যে পতিত হন ফিলিস্তিনিরা, যা আজও চলছে।
- এই কারণে ফিলিস্তিনিরা প্রতিবছর ১৫ মে নাকবা দিবস বা মহাবিপর্যয়ের দিন হিসেবে পালন করেন।

উৎস: i) Reuters. 
ii) প্রথম আলো।

৭৩.
দেশের একমাত্র সরকারি জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার কোনটি?
  1. পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড
  2. মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড
  3. যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড
  4. ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড
ব্যাখ্যা

ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড:
- দেশের একমাত্র সরকারি জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল)।
- এই পরিশোধনাগারে জ্বালানি তেল শোধনের সক্ষমতা বছরে সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টন।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
- কোম্পানি আইন ১৯১৩ (সংশোধিত, ১৯৯৪) অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- একদল পাকিস্তানি শিল্প-উদ্যোক্তা ১৯৬৩ সালে এ প্রকল্পটির উদ্যোগ নেয় এবং  চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর তীরে এ পরিশোধনাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারি তেল পরিশোধনাগার ইআরএল তৈরি করা হয় ১৯৬৮ সালে।
- বিপিসির মাধ্যমে আনা অপরিশোধিত জ্বালানি তেল তারা শোধন করে। এলপিজি, পেট্রল, অকটেন, কেরোসিন, ডিজেল, ফার্নেসসহ ১৪ রকমের তেল উৎপাদন করে ইআরএল। 

উল্লেখ্য,
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৫ লাখ ৩৫ হাজার টন তেল শোধন করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডে এত বেশি তেল পরিশোধন করা সম্ভব হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।

৭৪.
দুর্নীতি দমন কমিশন কার কাছে বার্ষিক প্রতিবেদন দাখিল করে?
  1. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন:
- দুর্নীতি দমন কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৯(১) ধারা অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি সমীপে উপস্থাপন করা হয়।

⇒ বাংলাদেশে দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধ, দমন ও নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সমাজে সততা, ন্যায় ও নিষ্ঠাবোধ সৃষ্টির জন্য উপযুক্ত কার্যক্রম পরিচালনার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে ২০০৪ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করা হয়।
- দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতার নীতি বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী সনদ (UNCAC)-এর অনুচ্ছেদ ১৩ অনুযায়ী সাধারণ জনগণের অংশীদারিত্ব ও অন্তর্ভুক্তকরণ, নাগরিক সমর্থন, গণমাধ্যমসহ সকল অংশীজনের সম্পৃক্তকরণে কমিশন সদা তৎপর। 
- দুর্নীতির ঘটনা তাৎক্ষণিক প্রতিরোধের লক্ষ্যে কমিশন ২০১৭ সালের ২৭ শে জুলাই দুদক অভিযোগ কেন্দ্রের টোল ফ্রি হটলাইন ১০৬ এর কার্যক্রম শুরু করে।
- দুর্নীতি সংঘটিত হবার পূর্বেই তা প্রতিরোধ ও তাৎক্ষণিক প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ব্রত নিয়ে ২০১৯ সালের ২৩ জানুয়ারি দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিট যাত্রা শুরু করে। 

⇒  দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর মাধ্যমে কমিশন তার কার্যাবলি, ক্ষমতা এবং সাংগঠনিক কাঠামোর যাত্রা শুরু করে। এর সাথে সম্পৃক্ত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য আইনসমূহ হচ্ছে:
১। দণ্ডবিধি, ১৮৬০
২। সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২
৩। ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
৪। দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭
৫। দি ক্রিমিনাল ল এ্যামেন্ডমেন্ট এ্যাক্ট, ১৯৫৮
৬। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং এর সংশোধনীসমূহ।

উৎস: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।

৭৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে ‘নির্ভরযোগ্য বাংলা পাঠ এবং অনুমোদিত ইংরেজি পাঠের মধ্যে বাংলা পাঠই প্রাধান্য পাবে’?
  1. ১৫০ নং
  2. ১৫১ নং
  3. ১৫২ নং
  4. ১৫৩ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫৩ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, নির্ভরযোগ্য বাংলা পাঠ এবং অনুমোদিত ইংরেজি পাঠের মধ্যে বাংলা পাঠই প্রাধান্য পাবে।

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।

⇒ সংবিধানের ১৫৩ নং অনুচ্ছেদ: প্রবর্তন, উল্লেখ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ
- ১৫৩ (১) এই সংবিধানকে "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান" বলে উল্লেখ করা হবে এবং ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসের ১৬ তারিখে এটি বলবৎ হবে, যাকে এই সংবিধানে "সংবিধান-প্রবর্তন" বলে অভিহিত করা হয়েছে।

 - ১৫৩ (২) বাংলায় এই সংবিধানের একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ ও ইংরাজীতে অনুদিত একটি নির্ভরযোগ্য অনুমোদিত পাঠ থাকবে এবং উভয় পাঠ নির্ভরযোগ্য বলে গণপরিষদের স্পীকার সার্টিফিকেট প্রদান করবেন।

 - ১৫৩ (৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফা-অনুযায়ী সার্টিফিকেটযুক্ত কোন পাঠ এই সংবিধানের বিধানাবলীর চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে;  তবে শর্ত থাকে যে, বাংলা ও ইংরাজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৬.
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও কীটনাশকের ব্যবহার দূর করতে কোন কনভেনশন গৃহীত হয়েছিল?
  1. রটারডাম
  2. রামসার
  3. জেনেভা
  4. ভিয়েনা 
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও কীটনাশকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রটারডাম কনভেনশন (Rotterdam Convention on Prior Informed Consent - PIC) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

রটারডাম কনভেনশন:

- রটারডাম কনভেনশন হলো একটি বহুপাক্ষিক পরিবেশগত চুক্তি।
- এটি বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবস্থাপনার জন্য এবং বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার সীমিত করার উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছিল।
- কনভেনশনটি গৃহীত হয়েছিল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও কীটনাশকের ব্যবহার দূর করতে।
- গৃহীত হয়েছিল: ১০ ​​সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮।
- স্থান: নেদারল্যান্ডের রটারডামে।
- কার্যকর হয়: ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪।
- কনভেনশনের উদ্দেশ্য হলো মানব স্বাস্থ্য এবং পরিবেশকে সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য কিছু বিপজ্জনক রাসায়নিকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পক্ষগুলির মধ্যে ভাগ করা দায়িত্ব এবং সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার প্রচার করা।
- এটি ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৬-এ বন্ধ হয়ে যায়।

অন্যদিকে -
- ভিয়েনা কনভেনশন -এর আলোচ্য বিষয় ওজোন স্তরের সুরক্ষা। 
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- রামসার কনভেনশন হলো জলাভূমি (যেমন, বিল, হ্রদ, নদী, ইত্যাদি) সংরক্ষণের জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।

উৎস: Rotterdam Convention ওয়েবসাইট।

৭৭.
নিচের কোনটি দুদকের তদন্ত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত?
  1. সামরিক অপরাধ
  2. ব্যাংক লুট
  3. ঘুষ গ্রহণ ও ক্ষমতার অপব্যবহার
  4. রাষ্ট্রদ্রোহ
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন:
- দুর্নীতি দমন কমিশন তার সামগ্রিক কার্যক্রম ৮টি অনুবিভাগের মাধ্যমে পরিচালনা করে।
- অনুসন্ধান ও তদন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুবিভাগ।
- দুর্নীতির অপরাধসমূহের বিচার কার্য প্রধানত নির্ভর করে অনুসন্ধানের উপর।
- দুর্নীতি  দমন কমিশন আইন ২০০৪ অনুসন্ধান সম্পর্কে দুদককে বিশেষ ক্ষমতা অর্পণ করেছে (ধারা ১৯ ও ২০)।
- সেজন্য, অনুসন্ধান সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কাজ করার জন্য দুদকের এই অনুবিভাগটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

⇒ সংশ্লিষ্ট মহাপরিচালকের নেতৃত্বে এই অনুবিভাগ টি নিম্নোক্ত বিষয়ের উপর তদন্ত ও অনুসন্ধানের দায়িত্বপ্রাপ্ত:
- ভূমি, ভূমি রাজস্ব ও বন্ধক;
- ঘুষ (অর্থ, সম্পদ ও পরিষেবা);
- স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি অবৈধ উপায়ে অর্জন;
- নির্মাণ কাজ ও যোগাযোগ খাতের দুর্নীতি ;
- উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও বেসরকারি সংস্থার দুর্নীতি;
- শুল্ক ও রাজস্ব, ব্যবসায়ী/ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ;
- সরকারি ক্রয়/বিক্রয়, লাইসেন্স ইস্যু করা;
- শপথ ভঙ্গ ও ক্ষমতার অপব্যবহার শীর্ষক অপরাধ; এবং
- অন্যান্য, যেমন, দুদক আইন, ২০০৪-এর তফসিলে উল্লিখিত অপরাধসমূহ।

উৎস: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।

৭৮.
রাশিয়া ও ক্রিমিয়ার সংযোগকারী সেতুটির নাম কী?
  1. রাস্কি সেতু
  2. ভ্লাদিভস্টক সেতু
  3. সারাতোভ সেতু
  4. কার্চ সেতু
ব্যাখ্যা

রাশিয়া ও ক্রিমিয়ার সংযোগকারী সেতুটির নাম হলো কার্চ সেতু।

কার্চ সেতু:
- ক্রিমিয়া একসময় ইউক্রেনের অংশ ছিল।
- ২০১৪ সালে ভূখণ্ডটি দখল করে নেয় রাশিয়া। এর পরপরই ক্রিমিয়াকে নিজেদের ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয় মস্কো।
- চার বছরের মাথায় চালু করা হয় কার্চ সেতু। ক্রিমিয়া সেতু নামেও এই স্থাপনা পরিচিত।
- ক্রিমিয়া ও রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সরাসরি যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এই সেতু।
- ক্রিমিয়া উপদ্বীপের সঙ্গে রাশিয়াকে যুক্ত করা এই সেতু ১২ মাইল বা প্রায় ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- ২০১৮ সালের ১৫ মে সাগরে কার্চ প্রণালির ওপর নির্মাণ করা এ সেতু উদ্বোধন করা হয়।
- এটা ইউরোপের সবচেয়ে দীর্ঘ সেতু।
- এতে সড়ক ও রেলপথ যুক্ত রয়েছে।
- কার্চ সেতু বানাতে খরচ হয়েছে ৩৬০ কোটি ডলার।

উল্লেখ্য,
- ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রুশ হামলা শুরুর পর থেকে কার্চ সেতুর কৌশলগত গুরুত্ব বহুলাংশে বেড়ে যায়।
- ইউক্রেনে নিয়োজিত রুশ সেনাদের অস্ত্র ও রসদ সরবরাহে ব্যবহার করা হয় সেতুটি।

উৎস: i) Britannica.
ii) রয়টার্স।

৭৯.
'The Starry Night' চিত্রটির চিত্রকর কে?
  1. ভিনসেন্ট ভ্যান গগ
  2. পাবলো পিকাসো
  3. লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি  
  4. মাইকেল এঞ্জেলো
ব্যাখ্যা

ভিনসেন্ট ভ্যান গগ (Vincent van Gogh):
- ভিনসেন্ট ভ্যান গগ ছিলেন একজন ওলন্দাজ চিত্রশিল্পী।
- ১৮৫৩ সালের ১৩ মার্চ নেদারল্যান্ডসের বেরাইড শহরের কাছে গ্রুট জুন্ডার্থ নামে একটি ছোট গ্রামের একটি উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবারে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন।
- ১৮৯০ সালের ২৯ জুলাই মারা যান তিনি।

⇒ 'The Starry Night' ভিনসেন্ট ভ্যান গগের একটি শিল্পকর্ম।
- অনেক চিত্র সমালোচকের মতে, ছবিটি গঘের আঁকা সবচেয়ে বিখ্যাত ছবি। ১৮৮৯ সালে ‘দ্য স্টারি নাইট’ এঁকেছিলেন তিনি। ওই বছরের জুলাইতে ভাই থিওকে লেখা চিঠিতেও এই ছবিটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানিয়েছিলেন গগ। যদিও চিঠির বর্ণনার সঙ্গে আঁকা ছবিটির পুরোপুরি মিল ছিল না। ছবিটি গগ এঁকেছিলেন দক্ষিণ ফ্রান্সের একটি আশ্রয়কেন্দ্রে। ব্যক্তিগত জীবনে তখন টালমাটাল সময় পার করছিলেন তিনি। নিজেই গিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন ওই আশ্রয়কেন্দ্রে। সেখানেই সৃষ্টি হয় ‘দ্য স্টারি নাইট’।

⇒ তার আঁকা আরো কিছু শিল্পকর্ম:
- The Potato Eaters;
- Van Gogh self-portrait;
- Café Terrace at Night;
- The Yellow House;
- Almond Blossoms ইত্যাদি।

উৎস: Britannica.

৮০.
ফিঙ্ক নদী কোন দেশে অবস্থিত?
  1. চীন 
  2. অস্ট্রেলিয়া 
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

ফিঙ্ক নদী:
- ফিঙ্ক নদী অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত। 
- এটি দক্ষিণ-মধ্য উত্তরাঞ্চলের ম্যাকডোনেল রেঞ্জের জিয়েল পর্বতের দক্ষিণে উৎপন্ন হয়েছে।

⇒ অস্ট্রেলিয়ার ফিঙ্ক নদী পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন নদী। এটির বয়স ৩৫ থেকে ৪০ কোটি বছর। অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসী জনগণ এই নদীকে ‘লারাপিনটা’ নামে ডাকে। বর্তমানে শুধু ভারী বৃষ্টির সময় নদীটি প্রবাহিত হয় এবং নদীর পানি লেক আইয়ার বেসিনে গিয়ে পড়ে। বছরের বেশির ভাগ সময় এটি শুকনা থাকে।
- অস্ট্রেলিয়ায় ‘অ্যালিস স্প্রিংস ওরোজেনি’ গড়ে ওঠার আগে থেকেই ফিঙ্ক নদী প্রবাহিত হচ্ছে বলে ধারণা করা হয়। অ্যালিস স্প্রিংস ওরোজেনি হলো একটি ভূতাত্ত্বিক গঠন। এ সময়ে অস্ট্রেলিয়ার মধ্যভাগের পাহাড়ি অঞ্চল গঠিত হয়েছে।

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো। 

৮১.
জাতিসংঘের প্রথম শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ কতজন সৈন্য প্রেরণ করেছিল?
  1. ১৫ জন
  2. ২২ জন
  3. ৩৭ জন
  4. ৪০ জন
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদান:
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদান আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
- ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হলেও বাংলাদেশ এতে যুক্ত হয় ১৯৮৮ সালে।
- ইরান-ইরাক সামরিক পর্যবেক্ষক মিশনে ১৫ জন সদস্য পাঠানোর মাধ্যমে এ যাত্রার সূচনা হয়।

⇒ বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের ১০টি দেশে শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করছে।
- প্রথমবারের মতো ডিআর কঙ্গোতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তিনটি হেলিকপ্টারও মোতায়েন করা হয়েছে।
- শুরু থেকে এ পর্যন্ত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ১৬৮ জন সদস্য প্রাণ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয় শান্তিরক্ষী। 
- ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী বর্বরোচিত ড্রোন হামলা চালায়। এ ঘটনায় ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত ও ৯ জন আহত হন।

উৎস: i) আইএসপিআর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৮২.
‘কলোসিয়াম’ কোন সভ্যতায় গড়ে ওঠে?
  1. রোমান সভ্যতা
  2. মিশরীয় সভ্যতা
  3. গ্রিক সভ্যতা
  4. অ্যাসিরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা

কলোসিয়াম:
- কলোসিয়াম প্রাচীন রোমান সভ্যতায় গড়ে ওঠে। 

⇒ কলোসিয়াম হচ্ছে রোমানদের তৈরি এক বিশাল অ্যাম্ফিথিয়েটার বা নাট্যশালা।
- কালোসিয়ামের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ৭২ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট ভেসপেসিয়ান (Vespasian) এর শাসনামলে এবং তার পুত্র টিটাস (Titus) ৮০ খ্রিস্টাব্দে এটি সম্পূর্ণ করেন। পরে, সম্রাট ডমিশিয়ান (Domitian) কিছু সংস্কার কাজ করেন।
- কলোসিয়ামটি মূলত গ্ল্যাডিয়েটরদের লড়াই এবং অন্যান্য জনসমক্ষে অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীগুলোর জন্য ব্যবহৃত হতো। 
- এর প্রাথমিক নাম ছিল ফ্ল্যাভিয়ান অ্যাম্ফিথিয়েটার। 
- এটি প্রায় ৫০,০০০ দর্শক ধারণক্ষম ছিল।
- ইউনেস্কো ১৯৯০ সালে কলোসিয়ামকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৮৩.
১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিজয়ের দিনে পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন কে?
  1. মেজর খালেদ মোশাররফ
  2. জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী
  3. ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
  4. জেনারেল নিয়াজী
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করে।  তাদের এ আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।

⇒ ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সকালে মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান।
- ১৬ ডিসেম্বর বিকালে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর ৯৩ হাজার সৈন্য বিনা শর্তে সম্মিলিত বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
- এই আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন পূর্বাঞ্চলের সম্মিলিত বাহিনী প্রধান লেঃ জেনারেল জগজিত সিং অরোরা ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় অধিনায়ক লেঃ জেঃ এ কে নিয়াজী।
- এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ-সেনা প্রধান ও বিমান বাহিনী প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হয়।
- প্রতি বছর এই দিনটি "বিজয় দিবস" হিসাবে পালিত হয়।

এছাড়াও,
- এই অনুষ্ঠানে মুক্তিবাহিনীর নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন এস ফোর্স অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কে এম সফিউল্লাহ, ২নং সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এ টি এম হায়দার এবং টাঙ্গাইল মুক্তি বাহিনীর অধিনায়ক জনাব কাদের সিদ্দিকী।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণি। 
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৪.
২০২৬ সালে ২৩তম বিশ্বকাপ ফুটবল কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ব্রাজিল
  2. যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও চিলি
  3. যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও পেরু
  4. যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো
ব্যাখ্যা

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
- আয়োজক দেশ: ৩টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো)।
- এটি বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩তম আসর।
- সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ - ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
- অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
- তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: FIFA ওয়েবসাইট।

৮৫.
থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় কোন তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়? 
  1. ফসফরাস-৩২
  2. কার্বন-১৪ 
  3. আয়োডিন-১৩১ 
  4. কোবাল্ট-৬০ 
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ: 
- শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার শনাক্ত করতে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- ক্যান্সার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত গামা রশ্মি প্রয়োগ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষ ধ্বংস করা হয়।
- থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-১৩১ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- রক্তের লিউকেমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ এর ফসফেট যৌগ ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড়ের বৃদ্ধি সংক্রান্ত সমস্যা নির্ণয় এবং ব্যথার কারণ চিহ্নিত করতে টেকনেশিয়াম-৯৯ আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- মস্তিষ্কের ক্যান্সার চিকিৎসায় ইরিডিয়াম আইসোটোপ প্রয়োগ করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৮৬.
নিচের কোনটি অনুবাদক প্রোগ্রামের ধরন নয়?  
  1. ইন্টারপ্রেটার 
  2. অ্যাসেম্বলার 
  3. কম্পাইলার 
  4. ডিবাগার 
ব্যাখ্যা

- অনুবাদক প্রোগ্রামের ধরন নয়- ডিবাগার।
- ডিবাগার (Debugger) একটি সফটওয়্যার টুল যা প্রোগ্রামের ত্রুটি বা বাগ খুঁজে বের করতে এবং তা ঠিক করতে সাহায্য করে। 

অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator Program): 

- বর্তমানে হাজার খানেক প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত, যদিও সব ভাষা সমানভাবে জনপ্রিয় নয়। 
- কম্পিউটারের প্রসেসর 1 আর 0 ছাড়া কিছু বোঝে না। তাই বিভিন্ন ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে রূপান্তর করতে হয়। 
- এই কাজটি করার জন্য বিশেষ প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়, যাকে বলে অনুবাদক প্রোগ্রাম। 
- নিচে তিন ধরনের অনুবাদকের বর্ণনা দেওয়া হলো:
১। কম্পাইলার (Compiler): 
- কম্পাইলার প্রথমে পুরো প্রোগ্রামটি পরীক্ষা করে দেখে যে এর ভাষার নিয়মকানুন (যাকে ইংরেজিতে বলে সিনট্যাক্স Syntax) ঠিক আছে কি না। যদি ঠিক থাকে, তখন সে পুরো প্রোগ্রামটি কম্পাইল করে মেশিন কোডে রূপান্তর করে। 
- যেহেতু পুরো প্রোগ্রামটি একবারে কম্পাইল করা হয় তাই প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে সব একসাথে দেখানো হয়, সে কারণে ভুলগুলো শুদ্ধ করা একটু জটিল। তবে কম্পাইল করার পর এই প্রোগ্রামগুলো অনেক দ্রুতগতিতে কাজ করে। 

২। অ্যাসেম্বলার (Assembler): 
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে অনুবাদ করে অ্যাসেম্বলার নামক একটি প্রোগ্রাম। 
- উচ্চ স্তরের যেসব প্রোগ্রামিং ভাষা সেগুলোকে মেশিন কোডে অনুবাদ করার কাজটি করার জন্য দু ধরনের প্রোগ্রাম রয়েছে- কম্পাইলার (Compiler) ও ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)। 
- প্রতিটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষারই পৃথক কম্পাইলার অথবা ইন্টারপ্রেটার রয়েছে। 
- এই দুই ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য এক হলেও কাজের ধরনে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। 

৩। ইন্টারপ্রেটার (Interpreter): 
- ইন্টারপ্রেটার পুরো প্রোগ্রাম পরীক্ষা না করে প্রোগ্রামের প্রতিটি স্টেটমেন্ট (statement বা নির্দেশ) মেশিন কোডে রূপান্তর করে সেটিকে এক্সিকিউট করে। অর্থাৎ, কোনো প্রোগ্রামে যদি দশটি স্টেটমেন্ট থাকে, তাহলে প্রথম স্টেটমেন্ট আগে মেশিন কোডে রূপান্তর হয়ে চলবে, তারপর দ্বিতীয় স্টেটমেন্ট, তারপর তৃতীয় স্টেটমেন্ট, একে একে সব স্টেটমেন্ট এক্সিকিউট হবে। এ কারণে ভুল শুদ্ধ করা অনেক সহজ। 
- কিন্তু একটি একটি করে স্টেটমেন্ট মেশিন কোডে রূপান্তর হয় বলে সময় তুলনামূলকভাবে বেশি লাগে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

৮৭.
কোন পদার্থের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই? 
  1. পরিবাহী পদার্থ 
  2. অপরিবাহী পদার্থ
  3. অর্ধপরিবাহী পদার্থ 
  4. সুপরিবাহী পদার্থ 
ব্যাখ্যা

পরিবাহী পদার্থ: 
- ধাতব পরমাণুর কিছু ইলেকট্রন প্রায় মুক্ত অবস্থায় থাকে এবং সেগুলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে, সেজন্য সেগুলোকে পরিবাহী পদার্থ বলা হয়। 
- সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম এগুলো সুপরিবাহী পদার্থ। 
- পরিবাহী পদার্থ দিয়ে চার্জকে স্থানান্তর করা যায়, তবে সব সময় মনে রাখতে হবে এই স্থানান্তর হয় ইলেকট্রন দিয়ে, বিদ্যুতের প্রবাহ হয় ইলেকট্রন দিয়ে, নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন। 

অপরিবাহী পদার্থ: 
- যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। 
- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ এগুলো হচ্ছে অপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ। 
- মূলত অধাতুগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়। 

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- কিছু কিছু পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, তবে তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়। এই ধরনের পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
- সিলিকন বা জার্মেনিয়াম সেমিকন্ডাক্টরের উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮৮.
নিচের কোনটিকে বিশেষ লজিক গেইট বলা হয়?
  1. XOR Gate
  2. NOR Gate
  3. NOT Gate
  4. NAND Gate
ব্যাখ্যা

- XOR Gate হচ্ছে এক ধরনের বিশেষ লজিক গেইট

মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate)।

সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

সার্বজনীন লজিক গেইট:
- NAND Gate,
- NOR Gate.

বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

৮৯.
কোন প্রতিষ্ঠান ২০০৬ সালে বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহার শুরু করে? 
  1. গুগল
  2. মাইক্রোসফট 
  3. অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস 
  4. আইবিএম 
ব্যাখ্যা

ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ। আসলে ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। 
- আকাশে সর্বত্র যেভাবে মেঘ ছড়িয়ে আছে, ইন্টারনেটও ঠিক তেমনিভাবে সর্বত্র জালের মত ছড়িয়ে আছে। 
- ইন্টারনেটের মেঘ থেকে সর্বনিম্ন খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়ার উপায় বের করতে গিয়েই ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্ম হয়। 
- অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে কম্পিউটারের জগতে ক্লাউড কম্পিউটিং এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছে। 
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া। 

- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। 
- ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে। এভাবেই ক্লাউড কম্পিউটিং জন সাধারণের হাতের মুঠোয় আসে। 
- যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে- 
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি: 
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে। 
২. অন-ডিমান্ড: 
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে। 
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো: 
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে। 

উৎস:
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯০.
সালফারের অভাবে উদ্ভিদের কোন রোগটি হতে দেখা যায়? 
  1. ব্লাইট 
  2. ডাইব্যাক
  3. লিগুলেটিভ ডিফলিয়েন্সি 
  4. ফ্লোরোসিস 
ব্যাখ্যা

সালফার: 
- সালফার (S) শউদ্ভিদের বিভিন্ন প্রোটিন, হরমোন ও ভিটামিনের গাঠনিক উপাদানই নয়, একই সাথে এটি কোষে পানির সমতা রক্ষা করে। 
- সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। 
- কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়। 
- সালফারের অভাবে মূল, কান্ড এবং পাতার শীর্ষ থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে টিস্যু মারা যেতে থাকে, যাকে ডাইব্যাক (dieback) রোগ বলে। 
- গাছের মধ্যপর্ব ছোট হয় বলে গাছ খর্বাকৃতির হয়। 

আয়রন: 
- লৌহ বা আয়রনের (Fe) অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। 
- কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়। 
- কান্ড দুর্বল এবং ছোট হয়। 

ম্যাগনেসিয়াম: 
- ম্যাগনেসিয়ামের (Mg) অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয়ে যায় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়। 
- পাতার শিরাগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়। 

নাইট্রোজেন: 
- নাইট্রোজেনের (N) অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে। ফলে ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়। - পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ‘ক্লোরোসিস’ (Chlorosis) বলে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯১.
ইন্টারনেটের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতিকে কী বলা হয়? 
  1. ই-হেলথ 
  2. ই-মেডিসিন 
  3. মেডিক্যাল সার্ভিস 
  4. টেলিমেডিসিন 
ব্যাখ্যা

• টেলিমেডিসিন:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানের রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসাসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলে
- মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রচলনের ফলে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে।
- এ সেবার মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থানরত ডাক্তারদের মধ্যে মতবিনিময়, চিকিৎসা শিক্ষা আদান-প্রদান, রোগীর চিকিৎসাসেবার তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা যায়।
- টেলিমেডিসিনের সাহায্যে ডাক্তার রোগীকে চাক্ষুষভাবে দেখার জন্য তাকে সশরীরে উপস্থিত করার পরিবর্তে ভিডিও কনফারেন্সিং প্রযুক্তির সহায়তা পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে এবং রোগীর বিভিন্ন রিপোর্ট বা ডাক্তারের পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৯২.
সিপিইউ (CPU) কয়টি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত? 
  1. দুইটি 
  2. তিনটি 
  3. চারটি 
  4. পাঁচটি 
ব্যাখ্যা

• সিপিইউ (CPU): 
- CPU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Central Processing Unit. 
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে। 
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট। 
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে। 
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিস্ক বা ব্রেইনস্বরূপ। 
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল। 
- সিপিইউ নিম্নলিখিত প্রধান তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। 
যথা- 
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic logic unit), 
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) ও 
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit) । 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।