পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

পরীক্ষাপ্রাইমারি ডেইলি কুইজতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়05 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪৯: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) টপিক: বৈশ্বিক ইতিহাস (যুদ্ধ-বিগ্রহ, সভ্যতা, বিপ্লব ইত্যাদি)। উৎস: ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড এটলাস, বাংলাপিডিয়া, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
কোন যুদ্ধের সাথে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল নামটি জড়িত?
  1. ট্রাফালগার যুদ্ধ
  2. ওয়াটার লু’র যুদ্ধ
  3. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  4. ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
- 'ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল’ নামটি ক্রিমিয়া যুদ্ধের সাথে জড়িত।

'ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল’:
- তিনি Lady with the Lamp নামে পরিচিত।
- ক্রিমিয়ার যুদ্ধে নার্সিং ইতিহাসের বৈপ্লবিক উন্নয়ন ও পরিবর্তন ঘটেছিল।
- অপ্রতুল চিকিৎসা সেবার আলো হাতে নিয়ে পাশে এসে দাঁড়ান ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
- তাকে আধুনিক নার্সিংয়ের অগ্রদূতও বলা হয়।

ক্রিমিয়া যুদ্ধ:
- যুদ্ধটি ১৮৫৩-১৮৫৬ সময়কালে সংঘটিত হয়।
- এ যুদ্ধে রাশিয়া, স্যারডিনা ও তুরস্কের বিরুদ্ধে ব্রিটেন ও ফ্রান্স বিজয়ী হয়।
- যুদ্ধের স্থান: ক্রিমিয়া উপদ্বীপ, রাশিয়া।

সূত্র: ব্রিটিনিকা।
.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি আত্মসমর্পণ করে-
  1. ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সাল
  2. ৭ মে, ১৯৪৫ সাল
  3. ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সাল
  4. ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সাল
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি আত্মসমর্পণ করে ৭ মে, ১৯৪৫ সালে

• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তি: ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- এ যুদ্ধে প্রায় ৫ কোটি মানুষ প্রাণ হারায়।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- তাই ৮ মে ভিক্টরি ইন ইউরোপ ডে পালিত হয়।
- জাপান আত্মসমর্পণের ঘোষণা দেয় ১৫ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে।
- জাপান আত্মসমর্পণ করে ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
.
কোরিয়া যুদ্ধের স্থায়িত্বকাল-
  1. ১৯৪৮-১৯৫২সাল
  2. ১৯৫০-১৯৫৫ সাল
  3. ১৯৫০-১৯৫৩ সাল
  4. ১৯৪৯-১৯৫২ সাল
ব্যাখ্যা
কোরিয়া যুদ্ধের স্থায়িত্বকাল-১৯৫০ সাল থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত।

• কোরিয়া যুদ্ধ:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হওয়ার ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ৩৮° সমান্তরাল রেখায় ভাগ করে।
- ফলে কোরিয়া বিভক্ত হয়ে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া গঠন করে। 
- উত্তর কোরিয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে এবং দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে চলে যায়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।

 যুদ্ধের ফলাফল:
- কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace) প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়। 
- জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ১৯৫৩ সালে এই যুদ্ধের অবসান ঘটে।

উৎস:  ব্রিটানিকা।
.
জাপানের নাগাসাকিতে পারমানবিক বোমা ফেলা হয়েছিল-
  1.  ৬ অগাস্ট, ১৯৪৫
  2. ৯ আগস্ট, ১৯৪৫
  3. ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫
  4. ৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন প্রায় শেষের পথে, তখন আগস্টের জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকি শহরে পরমাণু বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

লিটলবয়:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন প্রায় শেষের পথে, তখন আগস্টের জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকি শহরে পরমাণু বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- জাপানের হিরোশিমা শহরে ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে বোমা বর্ষণ করে।
- নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো লিটলবয়।

ফ্যাটম্যান:
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে।
- নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো ফ্যাটম্যান।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে এডলফ হিটলার কতৃক পোল্যান্ড আক্রমনের মাধ্যমে।
- মিত্রশক্তি ছিলো - ব্রিটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, যুক্তরাষ্ট্র, পোল্যান্ড, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন।
- অক্ষশক্তি ছিলো - জাপান, জার্মানি, ইতালি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে।


উৎস: ব্রিটানিকা
.
আমেরিকার গৃহযুদ্ধ চলাকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. আব্রাহাম লিঙ্কন
  2. জন এফ কেনেডি
  3. জিমি কার্টার
  4. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
- আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় (১৮৬১-১৮৬৫) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন আব্রাহাম লিংকন।

• আমেরিকার গৃহযুদ্ধ:
- আব্রাহাম লিঙ্কন ১৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর আমেরিকা থেকে দাস প্রথা বিলোপ করার ঘোষণা দেন।
- সরকারের দাস প্রথা বিলোপ করার ঘোষণার প্রেক্ষাপটে আমেরিকার গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, যা মূলত মার্কিন ফেডারেল সরকার আর বিপ্লবী ১১টি দাস-নির্ভর প্রদেশের মাঝে সংগঠিত হয়।
- এই ১১টি প্রদেশ পূর্বেই নিজেদেরকে মূল যুক্তরাষ্ট্র হতে আলাদা ঘোষণা করেছিল এবং নামকরণ করেছিল ‘কনফেডারেট স্টেটস অব আমেরিকা’ এবং এর নেতৃত্বে ছিলেন জেফারসন ডেভিস।
- ১৮৬৩ সালের ১ জানুয়ারি কার্যকর হয় লিংকনের বিখ্যাত ‘Emancipation Proclamation’ যার ফলে সকল দাস আইনগতভাবে দাসত্ব থেকে মুক্তি পায়।
- মার্কিন সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী অনুমোদনের মাধ্যমে ১৮৬৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা নিষিদ্ধ হয়।

• আব্রাহাম লিংকন:
-  আব্রাহাম লিঙ্কন ছিলেন রিপাবলিকান পার্টির নেতা।
- তিনি ছিলেন ১৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
- তিনি দাস প্রথা বিলোপ করেন।
- আব্রাহাম লিঙ্কন ১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল এক কনফেডারেট সমর্থক আততায়ীর হাতে নিহত হন।
- তার গেটিসবার্গের ভাষণ (Gettysburg Address) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত ভাষণ।
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন।
- ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর ভাষণটি দিতে তাঁর লেগেছিল তিন মিনিটেরও কম সময়।

উৎস: ব্রিটানিকা, ইউএস ন্যাশনাল আর্কাইভস।
.
'মহেঞ্জোদারো' শব্দটির অর্থ কি?
  1. মানুষের ঢিবি
  2. মরা মানুষের ঢিবি
  3. সিন্ধু মানুষের ঢিবি
  4. পশুর ঢিবি
ব্যাখ্যা
মহেঞ্জোদারো একটি সিন্ধি শব্দ, যার অর্থ মৃতের পাহাড়; মৃতের ঢিবি বা স্তুপ।

• মহেঞ্জোদারো সভ্যতা:
- ভারতের প্রাচীনতম নগর সভ্যতা সিন্ধু সভ্যতার একটি অংশ।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ অব্দে সিন্ধু নদীর তীরে সিন্ধু সভ্যতার সূচনা হয়।
- মহেঞ্জোদারোর অবস্থান পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলা
- ১৯২২ সালে মহেঞ্জোদারো সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়।
- এটি আবিষ্কাররে প্রধান কৃতিত্ব বাঙালি ঐতিহাসিক রাখালদাস বন্দোপাধ্যায়ের।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
.
'ইউরোপিয়ো রেনেঁসা' কোথায় প্রথম আরম্ভ হয়েছিল?
  1. ইতালির ফ্লোরেন্স
  2. ফ্রান্সের প্যারিস
  3. ইতালির রোম
  4. জার্মানির বার্লিন
ব্যাখ্যা
- ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে প্রথম রেনেসাঁর সূত্রপাত ঘটে।
- রেনেসাঁ:

- ফরাসি 'রেনেসাঁ' Renaissance) শব্দের অর্থ নবজাগরণ বা পুনর্জন্ম।
- ধর্মভাবনা নিয়ন্ত্রিত ও সামন্ততান্ত্রিক মধ্যযুগীয় দীর্ঘ বদ্ধ দশা থেকে মুক্ত হয়ে নতুনভাবে জীবনের সবকিছুকে জানার জন্য মানব মনের যে আগ্রহ তারই পরিণতি স্বরূপ যে নবজীবনবাদের সূচনা, তাকেই সাধারণভাবে রেনেসাঁ বা নবজাগরণ নামে আখ্যায়িত করা হয়। 
- মধ্যযুগে ইউরোপের সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চায় প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতির পুনর্জাগরণকে রেনেসাঁ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে প্রথম রেনেসাঁর সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে তা ইতালির অন্যান্য শহর এবং ইউরোপের অপরাপর দেশে বিস্তার লাভ করে।
- ইউরোপে রেনেসাঁ শুরু হয় চতুর্দশ শতাব্দীতে
- ১৪শ থেকে ১৬শ শতককে রেনেসাঁর সময়কাল বিবেচনা করা হয়।
- তৎকালীন সময়ে ইউরোপীয় বিত্তবান ও ধনিক শ্রেণীর পৃষ্ঠপোষকতার ফলে রেনেসাঁ সংঘটিত হয়

উৎস: ব্রিটিনিকা
.
'রোজ বিপ্লব' কোন দেশে সংঘটিত হয়?
  1. ইউক্রেনে
  2. জর্জিয়ায়
  3. লিবিয়ায়
  4. তিউনিশিয়া
ব্যাখ্যা
জর্জিয়ায় ২০০৩ সালে 'রোজ বিপ্লব' সংঘটিত হয়।

রোজ/গোলাপ বিপ্লব:
- ২০০৩ সালে জর্জিয়াতে সংঘটিত হয়েছিল।
- গোলাপ বিপ্লবের মাধ্যমে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট এডুয়ার্ড শেভার্দনাদজের শাসনের অবসান ঘটে এবং মিখাইল সাকাশভিলি ক্ষমতায় আসেন।
- গোলাপ বিপ্লব মূলত একটি শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন ছিল, যেখানে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এবং অনৈতিক নির্বাচনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়।
- এই বিপ্লবের প্রতীক হিসেবে গোলাপ ব্যবহার করা হয়েছিল।
- যা আন্দোলনের শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল প্রকৃতিকে নির্দেশ করে।

অন্যদিকে,
- ইউক্রেনে অরেঞ্জ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- জেসমিন বিপ্লব সংঘটিত হয় তিউনিশিয়ায়।
- গ্রীন বিপ্লব সংঘটিত হয় লিবিয়ায়।

উৎস: ব্রিটিনিকা।
.
"তাহরির স্কয়ার" কোন দেশে অবস্থিত?
  1. লিবিয়া
  2. তুরস্ক
  3. মিশর
  4. চীন
ব্যাখ্যা
- মিশরের কায়রোতে অবস্থিত।

• তাহরির স্কয়ার:

- এটি  কায়রোর গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থল।
- "তাহরির" শব্দটির অর্থ "মুক্তি"। এই স্কোয়ারের নামকরণ হয়েছিল মিশরের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে।
- এটি মিশরের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত।
- তাহরির স্কোয়ার ছিল ২০১১ সালের "আরব বসন্ত" (Arab Spring) আন্দোলনের সময় মিশরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভের মূল স্থান।
- লক্ষাধিক মানুষ এই স্কোয়ারে সমবেত হয়ে গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং সরকারের সংস্কারের দাবি জানায়।
- এই বিক্ষোভের ফলশ্রুতিতে ৩০ বছরের শাসনের পর হোসনি মোবারক ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করেন।

এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ কিছু স্কয়ার: 
• তাকসিম স্কয়ার:
- তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে অবস্থিত একটি স্থানের নাম তাকসিম স্কয়ার।
- তাকসিম স্কয়ার এলাকায় প্রধানত ইস্তাম্বুলের অমুসলিমদের বসবাস।
- এটিকে সেক্যুলার তুরস্কের অন্যতম প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

• গ্রিন স্কয়ার:
- গ্রিন স্কয়ার লিবিয়ার ত্রিপোলিতে অবস্থিত। 
- সরকার বিরোধী বিক্ষোভের স্থান, গাদ্দাফি সমর্থকদের বিক্ষোভ এবং নেতার নিজের জ্বালাময়ী বক্তৃতার জন্য গ্রিন স্কয়ার বিখ্যাত।

• রেড স্কয়ার:
- রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর প্রাণকেন্দ্রে এই রেড স্কয়ার অবস্থিত। 
- ঐতিহাসিক নিদর্শন এবং দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য নিদর্শনে সমৃদ্ধ এক পর্যটনকেন্দ্র মস্কোর রেড স্কয়ার।

উৎস: ব্রিটিনিকা।