পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
"পরীক্ষা - ১৪: বিষয় - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. ধ্বনিতত্ত্ব [ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান; সন্ধি] ২. শব্দপ্রকরণ [লিঙ্গ/পুরুষবাচক-স্ত্রীবাচক শব্দ; সংখ্যাবাচক শব্দ; দ্বিরুক্ত বাচক শব্দ/শব্দ দ্বিত্ব; বচন; পদাশ্রিত নির্দেশক।] এবং বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিক - আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান i) জাতিসংঘ - History, মূল সংস্থা, প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত ব্যক্তি, জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ, জাতিসংঘ ও নোবেল পুরস্কার, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম (গুরুত্বপূর্ণগুলো), জাতিসংঘ মিশন সমূহ; ii) Bretton Woods - সংস্থাসমূহ [বিশ্বব্যাংক ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপ, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও GATT/WTO)।"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি বহুবচন?
  1. তিনি
  2. তুমি
  3. তাঁরা
  4. শিক্ষক
সঠিক উত্তর:
তাঁরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাঁরা
ব্যাখ্যা
• তাঁরা - বহুবচনের উদাহরণ।

• বাংলা ভাষায় বচন দুই প্রকার:
- একবচন ও
- বহুবচন।

একবচন:
- যে শব্দ দ্বারা কোনো প্রাণী, বস্তু বা ব্যক্তির একটিমাত্র সংখ্যার ধারণা হয়, তাকে একবচন বলে।
যেমন:
- শিক্ষক ক্লাসে এসেছেন।
- বইটা কোথায় হারিয়ে গেল?

বহুবচন:
- যে শব্দ দ্বারা কোনো প্রাণী, বস্তু বা ব্যক্তির একের অধিক অর্থাৎ বহু সংখ্যার ধারণা হয়, তাকে বহুবচন বলে।
যেমন:
- মাঝিরা নৌকা চালায়।
- কলমগুলোর দাম অনেক।

• '-রা', '-এরা', '-গুলো', '-গুলি', '-দের' ইত্যাদি লগ্নক যুক্ত হলে শব্দটির বহুবচন হয়।
যেমন
- রা – ছাত্ররা, ধনীরা।
- এরা - ভাইয়েরা, শিক্ষকেরা।
- গুলো – ফুলগুলো, গরুগুলো।
- গুলি – বইগুলি, ঘরগুলি।
- দের - ছেলেদের, মেয়েদের।

- কিছু একবচন শব্দ বহুবচন হওয়ার সময়ে কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটায়।
যেমন -
একবচন – আমি, বহুবচন – আমরা
একবচন – তুমি, বহুবচন – তোমরা
একবচন- সে, বহুবচন - তারা
একবচন - তিনি, বহুবচন – তাঁরা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
'সংহার' শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ -
  1. সম্‌ + হর
  2. সন্‌ + হার
  3. সং + হার
  4. সম্‌ + হার
সঠিক উত্তর:
সম্‌ + হার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্‌ + হার
ব্যাখ্যা
সন্ধির নিয়ম:
- ম্‌- এর পর অন্তঃস্থ ধ্বনি যথা: য, র, ল, ব, কিংবা শ, ষ, স, হ থাকলে ম্‌- স্থলে অনুস্বার (ং) হয়।
যেমন:
- সম্‌ + সার = সংসার,
- সম্‌ + বাদ = সংবাদ,
- সম্‌ + যম = সংযম,
- সম্‌ + রক্ষণ = সংরক্ষণ,
- সম্‌ + লাপ = সংলাপ,
- সম্‌ + শয় = সংশয়,
- সম্‌ + হার = সংহার,
- স্বয়ম্‌ + বরা = স্বয়ংবরা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘তদবধি’ এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ততঃ + অবধি
  2. তৎ + অবধি
  3. ততঃ + অবোধি
  4. তত + বধি
সঠিক উত্তর:
তৎ + অবধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎ + অবধি
ব্যাখ্যা
• ক, চ, ট, ত্, প্-এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলো যথাক্রমে গ্, জ্, ড্ (ড়), দ্, ব্ হয়।
- পরবর্তী স্বরধ্বনিটি পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন:
- দিক্ + অন্ত = দিগন্ত,
- ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত,
- ষট্ + আনন = ষড়ানন,
- তৎ + অবধি = তদবধি,
- সুপ্ + অন্ত = সুবন্ত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০১৯ সংস্করণ)।
.
‘মেঘ’ শব্দের বহুবচন কী?
  1. মেঘবলি
  2. মেঘরাজি
  3. মেঘপুঞ্জ
  4. মেঘমালা
সঠিক উত্তর:
মেঘপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
• 'পাল ও যূথ' শব্দ দুটি কেবল জন্তুর বহুবচনে ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- হস্তিযূথ মাঠের ফসল নষ্ট করেছে।
- রাখাল গরুর পাল লয়ে যায় মাঠে।

• বস্তুবাচক বা অপ্রাণীবাচক শব্দের সঙ্গে ব্যবহৃত বহুবচন বোধক শব্দ-
- আবলি - পুস্তকাবলি।
- গুচ্ছ - কবিতাগুচ্ছ।
- পুঞ্জ - মেঘপুঞ্জ।
- মালা - পর্বতমালা।
- রাজি - তারকারাজি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
‘অন্বিত’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ -
  1. অনু + বিত
  2. অনু + ইত
  3. ওনু + ইত
  4. অনু + নিত
সঠিক উত্তর:
অনু + ইত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনু + ইত
ব্যাখ্যা
• উ-কার কিংবা ঊ-কারের পর উ-কার কিংবা ঊ-কার ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে উ বা ঊ স্থানে ব-ফলা হয় এবং লেখার সময় ব-ফলা পূর্ববর্তী বর্ণের সাথে লেখা হয়।

যেমন-
- অনু + এষণ = অন্বেষণ,
- সু + অল্প = স্বল্প
- তনু + ঈ = তন্বী,
- অনু + ইত = অন্বিত,
- সু + আগত = স্বাগত,
- পশু + অধম = পশ্বধম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'বাঘিনী' কোন প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ?
  1. নী
  2. আনী
  3. ইনী
  4. বিনী
সঠিক উত্তর:
ইনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনী
ব্যাখ্যা
• পুরুষবাচক শব্দের সঙ্গে 'ইনী' প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীবাচক করা হয়।
যেমন:
- তেজস্বী - তেজস্বিনী,
- যশস্বী - যশস্বিনী,
- পয়স্বী - পয়স্বিনী,
- বিজয়ী - বিজয়িনী ইত্যাদি,
- কাঙাল - কাঙালিনী,
- গোয়ালা - গোয়ালিনী,
- বাঘ - বাঘিনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম (২০২২ সংস্করণ)।
.
তৎসম শব্দে 'র'-এর পর 'ষ' হয়। - এই সূত্র অনুসারে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. বর্ষা
  2. সৃষ্টি
  3. কৃষক
  4. রোষ
সঠিক উত্তর:
বর্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ষা
ব্যাখ্যা
- তৎসম শব্দে 'র'-এর পর 'ষ' হয়।
যেমন
- বর্ষা, ঘর্ষণ, বর্ষণ।

অন্যদিকে,
• 'ঋ' এবং ঋ কারের পর 'ষ' হয়।
যেমন
- ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট, দৃষ্টি, সৃষ্টি ইত্যাদি।

• ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে 'ষ' যুক্ত হয়।
যথা:
- কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি।

• কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' হয়।
যেমন
- ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ভাষা, ঊষা, পৌষ, কলুষ, পাষাণ, মানুষ, ঔষধ, ষড়যন্ত্র, ভূষণ, দ্বেষ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
বিশেষ নিয়মে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ নয় কোনটি?
  1. ধাতা-ধাত্রী
  2. গরীয়ান-গরিয়সী
  3. সুলতান- সুলতানা
  4. বন্ধু-বান্ধবী
সঠিক উত্তর:
সুলতান- সুলতানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুলতান- সুলতানা
ব্যাখ্যা
বিশেষ নিয়মে সাধিত স্ত্রীবাচক শব্দ:
ক) যেসব পুরুষবাচক শব্দের শেষে ‘তা’ রয়েছে, স্ত্রীবাচক বোঝাতে সেসব শব্দে ‘ত্রী’ হয়।
যেমন:
- নেতা- নেত্রী, কর্তা-কর্ত্রী, শ্রোতা-শ্রোত্রী, ধাতা-ধাত্রী

খ) পুরুষবাচক শব্দের শেষে অত্, বান্, মান্, ঈয়ান থাকলে যথাক্রমে অতী, বতী, মতি, ঈয়সী হয়।
যথা:
- সৎ-সতী, মহৎ-মহতী, গুণবান-গুণবতী, রূপবান-রূপবতী, শ্রীমান-শ্রীমতী, বুদ্ধিমান-বুদ্ধিমতী, গরীয়ান-গরিয়সী

গ) কোনো কোনো পুরুষবাচক শব্দ থেকে বিশেষ নিয়মে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়।
যেমন-
- সম্রাট-সম্রাজ্ঞী, রাজা-রানি, যুবক-যুবতী, শ্বশুর- শ্বশ্রূ, নর-নারী, বন্ধু-বান্ধবী, দেবর-জা, শিক্ষক-শিক্ষয়িত্রী, স্বামী- ত্রী, পতি-পত্নী, সভাপতি-সভানেত্রী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
বিদেশি স্ত্রীবাচক শব্দ:
যেমন:
- খান-খানম, মরদ-জেনানা, মালেক-মালেকা, মুহতারিম-মুহতারিমা, সুলতান- সুলতানা

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
অনুভূতিজাত কাল্পনিক ধ্বনির অনুকার বোঝাতে ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি হয়েছে কোনটি?
  1. ট্যা ট্যা
  2. মিন মিন
  3. কুহু কুহু
  4. মড়মড়
সঠিক উত্তর:
মিন মিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিন মিন
ব্যাখ্যা
• অনুভূতিজাত কাল্পনিক ধ্বনির অনুকার - মিন মিন

ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি:
- কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক অনুকৃতিবিশিষ্ট শব্দের রূপকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে।
- এ জাতীয় ধ্বন্যাত্মক শব্দের দুইবার প্রয়োগের নাম ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি।
- ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি দ্বারা বহুত্ব, আধিক্য ইত্যাদি বোঝায়।
- ধ্বন্যাত্মক দ্বিরক্ত শব্দ কয়েকটি উপায়ে গঠিত হয়। যেমন-

মানুষের ধ্বনির অনুকার:
- ভেউ ভেউ – মানুষের উচ্চস্বরে কান্নার ধ্বনি। এরূপ-ট্যা ট্যা, হি হি ইত্যাদি।

জীবজন্তুর ধ্বনির অনুকার:
- ঘেউ ঘেউ (কুকুরের ধ্বনি)। এরূপ-মিউ মিউ (বিড়ালের ডাক), কুহু কুহু (কোকিলের ডাক), কা কা (কাকের ডাক) ইত্যাদি।

বস্তুর ধ্বনির অনুকার:
- ঘচাঘচ (ধান কাটার শব্দ)। এরূপ-মড়মড় (গাছ ভেঙে পড়ার শব্দ) ঝমঝম (বৃষ্টি পড়ার শব্দ), হু হু (বাতাস প্রবাহের শব্দ) ইত্যাদি।

অনুভূতিজাত কাল্পনিক ধ্বনির অনুকার:
- ঝিকিমিকি (ঔজ্জ্বল্য)। এরূপ ঠা ঠা (রোদের তীব্রতা), কুট কুট (শরীরে কামড় লাগার মতো অনুভূতি)। অনুরূপভাবে- মিন মিন, পিট পিট, ঝি ঝি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ-২০১৯)।
১০.
'পণ্ডিত' - এর ক্ষেত্রে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক লগ্নক কোনটি?
  1. জন
  2. টি
  3. টুকু
  4. তা
সঠিক উত্তর:
জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন
ব্যাখ্যা
নির্দেশক:
- যেসব শব্দাংশ বা লগ্নক শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায়, সেগুলোকে নির্দেশক বলে।
যেমন: -টা, -টি, -খানা, -খানি, -জন, -টুকু।

• -জন:
- শুধু মানুষের বেলায় -জন নির্দেশকের ব্যবহার হয়।
যেমন -
বিজ্ঞজন, লোকজন, অনেকজন, কয়জন, এতজন, পণ্ডিতজন
- সংখ্যার সঙ্গেও -জন নির্দেশকের ব্যবহার হয়।
যেমন - একজন রাজা, দুজন ডাক্তার ইত্যাদি।

- অধিক সংখ্যার বেলায় ‘-জন’ নির্দেশকটি সংখ্যা পরে আলাদা শব্দের মতো বসে।
যেমন - পাঁচ জন, পচিঁশ জন, ৪৫ জন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১১.
নিচের কোন বানানটি সঠিক?
  1. ঊসা
  2. ভাসণ
  3. পরিস্কার
  4. নষ্ট
সঠিক উত্তর:
নষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নষ্ট
ব্যাখ্যা
- ট–বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে 'ষ' যুক্ত হয়৷
যথা:
- কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
- আবার কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' হয়৷
যথা: ষড়ঋতু, ভাষণ, উষা, ভূষণ, ঔষধ ইত্যাদি৷

- র-ধ্বনির পরে যদি অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি থাকে, তবে তার পরে 'ষ' বসে।
যেমন - পরিষ্কার

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১২.
কোন নির্দেশকটি বিশেষ অর্থে, নির্দিষ্টতা জ্ঞাপনে ব্যবহৃত হয়?
  1. পাতি
  2. টি
  3. পাটি
  4. টা
সঠিক উত্তর:
পাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাটি
ব্যাখ্যা
পদাশ্রিত নির্দেশক:
- কয়েকটি অব্যয় বা প্রত্যয় কোনো না কোনো পদের আশ্রয়ে বা পরে সংযুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে, এগুলোকে পদাশ্রিত অব্যয় বা পদাশ্রিত নির্দেশক বলে।
যেমন:
- টা, -টি, -খানা, -খানি, -টুকু ইত্যাদি।
- বাংলায় নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক প্রত্যয় ইংরেজি Definite Article ‘The’ - এর স্থানীয়।

• বিশেষ অর্থে, নির্দিষ্টতা জ্ঞাপনে কয়েকটি শব্দ: তা, পাটি ইত্যাদি।
যেমন -
তা:
- দশ তা কাগজ দাও।
পাটি:
- আমার একপাটি জুতো ছিঁড়ে গেছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৩.
‘বুঝে-সুঝে’ কোন ধরনের শব্দদ্বিত্ব?
  1. ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব
  2. অনুকার দ্বিত্ব
  3. পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
অনুকার দ্বিত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুকার দ্বিত্ব
ব্যাখ্যা
অনুকার দ্বিত্ব:
- পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে।
- এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়।
- এই অনুকরণ প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে ট, ফ, ব, ম, শ প্রভৃতি ধ্বনি যুক্ত থাকতে দেখা যায়।
- তাতে শব্দের খানিকটা অনির্দিষ্ট, সাধারণ বা গুরুত্বহীন করা হয়।
যেমন:
- ঝাল-টাল,
- মোটাসোটা,
- নরম-সরম,
- ব্যাপার-স্যাপার,
- বুঝে-সুঝে,
- অল্পস্বল্প,
- বুদ্ধিশুদ্ধি,
- গুটিশুটি,
- অঙ্ক-টঙ্ক,
- আম-টাম।

অন্যদিকে:
ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব:
- কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব বলে।
যেমন:
- টুং টুং,
- ঠুকঠুক,
- শোঁ শোঁ,
- খক খক,
- দুম দুম।

পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব:
- পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে।
যেমন:
- জ্বর জ্বর,
- পর পর,
- কবি কবি,
- কথায় কথায় ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১সংস্করণ)।
১৪.
‘মণ্ডলী’ লগ্নক যোগে সঠিক বহুবচন শব্দের উদাহরণ কোনটি?
  1. জনমণ্ডলী
  2. মন্ত্রীমণ্ডলী
  3. সুধীমণ্ডলী
  4. কবিমণ্ডলী
সঠিক উত্তর:
সুধীমণ্ডলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুধীমণ্ডলী
ব্যাখ্যা
- 'মানী' পক্ষের বহুবচন করার সময়ে ‘-গণ', ‘-বৃন্দ', '-মণ্ডলী', ‘-বর্গ' ইত্যাদি লগ্নক যোগ করা হয়।
যেমন:
• গণ - সদস্যগণ, সচিবগণ, জনগণ, কবিগণ।
• বৃন্দ - দর্শকবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ।
• মণ্ডলী - সুধীমণ্ডলী, সম্পাদকমণ্ডলী।
• বর্গ - পণ্ডিতবর্গ, মন্ত্রীবর্গ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।
১৫.
'শূদ্র' শব্দের বিপরীত লিঙ্গ কোনটি?
  1. শূদ্রানি
  2. শূদ্রীনি
  3. শূদ্রি
  4. শূদ্রানী
সঠিক উত্তর:
শূদ্রানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূদ্রানী
ব্যাখ্যা
লিঙ্গান্তরের নিয়ম:
- লিঙ্গ শব্দের অর্থ চিহ্ন বা লক্ষণ।
- বাংলা ভাষায় এমন অনেক শব্দ আছে যেগুলো কোনোটি পুরুষ জাতীয়, কোনোটি সত্রী জাতীয়, কোনোটি আবার স্ত্রী-পুরুষ উভয়কেই বোঝায়।
- তাই যেসব চিহ্ন বা লক্ষণ দ্বারা শব্দকে পুরুষ, সত্রী বা অন্য জাতীয় হিসেবে আলাদা করা যায়, তাকে লিঙ্গ বলে।

• শব্দের শেষে '-আনি'/ 'আনী' প্রত্যয় যোগ করে লিঙ্গ পরিবর্তন করা হয়:
যেমন:
• মেথর - মেথরানি,
• নাপিত - নাপিতানি,
• হিম - হিমানী,
• শূদ্র - শূদ্রানী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
১৬.
সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দের নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে কোনটিতে?
  1. দোসরা
  2. উনিশতম
  3. তেরো
  4. ত্রয়োদশী
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশী
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচকের নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে।
যেমন -
- প্রথমা, দ্বিতীয়া, ষষ্ঠী, অষ্টমী, নবমী, দশমী, ত্রয়োদশী, ষোড়শী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- 'দোসরা' তারিখ পূরণবাচক শব্দ।
- সাধারণ পূরণবাচক যোগে - উনিশতম।
- 'তেরো' ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৭.
'দাদি' কোন প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ?
  1. ইন
  2. ইনি
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• নরবাচক শব্দকে নারীবাচক শব্দে পরিবর্তিত করতে সাধারণত কিছু প্রত্যয় যোগ করতে হয়।
যেমন-
- আ প্রত্যয়: বৃদ্ধ - বৃদ্ধা, প্রিয় - প্রিয়া
- ই প্রত্যয়: দাদা - দাদি, জেঠা - জেঠি।
- ইনি প্রত্যয়: কাঙাল - কাঙালিনি, বাঘ - বাঘিনি।
- ইনী প্রত্যয়: বিজয় - বিজয়িনী, তেজস্বী - তেজস্বিনী।
- ঈ প্রত্যয়: নার - নারী, কিশোর - কিশোরী।
- নি প্রত্যয়: জেলে - জেলেনি, বেদে - বেদেনি।
- বতী প্রত্যয়: গুণবান - গুণবতী, পূণ্যবান - পূণ্যবতী।
- মতী প্রত্যয়: বুদ্ধিমান - বুদ্ধিমতী, শ্রীমান - শ্রীমতী ইত্যাদি ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম (২০২২ সংস্করণ)।
১৮.
'গবাক্ষ' কোন সন্ধির উদাহরণ?
  1. বিসর্গ সন্ধি
  2. ব্যঞ্জনসন্ধি
  3. স্বরসন্ধি
  4. নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি
সঠিক উত্তর:
নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি
ব্যাখ্যা
নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি:
- সন্ধির প্রচলিত নিয়ম না মেনে যে সন্ধি হয় তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।

কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ হলো:
- সার + অঙ্গ = সারঙ্গ,
- গো + অক্ষ = গবাক্ষ,
- প্র + এষণ = প্রেষণ,
- কুল + অটা = কুলটা,
- পর + পর = পরস্পর ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৯.
যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না তাদেরকে ঋণ প্রদান করে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. IDA
  2. IFC
  3. ICSID
  4. MIGA
সঠিক উত্তর:
IDA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IDA
ব্যাখ্যা
IDA:
- IDA এর পূর্ণরূপ International Development Association.
- তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করে থাকে।
- যার কারণে IDA কে 'Soft Loan Window' বলা হয়।
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, সেসব দেশকে IDA ঋণ প্রদান করে থাকে।
- IDA বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৬০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৪টি। (আগস্ট, ২০২৪)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IDA এর সদস্যপদ লাভ করে।

তথ্যসূত্র - IDA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২০.
বাংলাদেশ বিশ্ব ব্যাংকের সদস্যপদ লাভ করে -
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
বিশ্ব ব্যাংক:
- বিশ্বের বৃহত্তম উন্নয়ন ব্যাংক হলো World Bank.
- এটি ১৯৪৪ সালে অনুষ্ঠিত ব্রেটনউডস সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এটি ১৯৪৬ সাল থেকে তার কার্যক্রম শুরু করে।
- এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অবস্থিত।
- এর বর্তমান সদস্য ১৮৯টি দেশ। (আগস্ট, ২০২৪)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে এর সদস্য পদ লাভ করে।
- World Bank এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গা। (আগস্ট, ২০২৪)
- বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে World Bank.

তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
২১.
জাতিসংঘের পূর্ববর্তী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. অ্যাসোসিয়েশন অব নেশনস
  2. কমিউনিটি অব নেশনস
  3. লীগ আব নেশনস
  4. ইউনাইটেড নেশনস
সঠিক উত্তর:
লীগ আব নেশনস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লীগ আব নেশনস
ব্যাখ্যা
League of Nations বা জাতিপুঞ্জ:
- জাতিসংঘের পূর্ববর্তী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান লীগ আব নেশনস।
- জাতিপুঞ্জের আত্নপ্রকাশ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জাতিপুঞ্জের (League of Nations) আত্মপ্রকাশ।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির একটি অংশ হিসেবে স্বাক্ষরিত হয় জাতিপুঞ্জের চুক্তিপত্র।
- জাতিপুঞ্জ গঠিত হয়েছিল ২৮ জুন, ১৯১৯ সালে (কার্যকর হয় ১০ জানুয়ারি, ১০২০)।
- জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাবক ছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয় ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬ সালে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২২.
জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিবের নাম কী?
  1. ট্রিগভে হাভডেন লি
  2. দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
  3. কফি আনান
  4. কার্ট ওয়াল্ডহেইম
সঠিক উত্তর:
ট্রিগভে হাভডেন লি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রিগভে হাভডেন লি
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- প্রথম মহাসচিব - ট্রিগভে হাভডেন লি।
- বর্তমান মহাসচিব - আন্তোনিও গুতেরেস। (আগস্ট, ২০২৪)
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর থেকে জাতিসংঘ ও এর সাথে সম্পর্কিত ব্যাক্তিবর্গ মোট ১২ বার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- জাতিসংঘের ২ জন মহাসচিব কফি আনান ও দ্যাগ হ্যামারশোল্ড নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
- ১৯৬১ সালে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (মরণোত্তর) নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- কফি আনান ২০০১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন।

তথ্যসূত্র- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২৩.
বিশ্ব ব্যাংক প্রথম ঋণ প্রদান করে কত সালে?
  1. ১৯৪৬ সালে
  2. ১৯৪৭ সালে
  3. ১৯৪৮ সালে
  4. ১৯৪৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক:
- ১৯৪৭ সালের ৯ই মে বিশ্বব্যাংক প্রথম ফ্রান্সকে ২৫০ মিলিয়ন ইউএস ডলার ঋণ প্রদানের চুক্তিতে সই করে।
- ফ্রান্স ৫০০ মিলিয়ন ইউএস ডলার ঋণের জন্য আবেদন করেছিল কিন্তু বিশ্বব্যাংক অর্ধেক মঞ্জুর করে।
- বিশ্বব্যাংক একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক সহায়তা সংস্থা যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য ঋণ ও অনুদান প্রদান করে।
- বিশ্বব্যাংকের অনুষ্ঠানিক লক্ষ্য হল বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য বিমোচন।
- বিশ্বব্যাংক ১৯৪৬ সালে তার কার্যক্রম শুরু করে।
- সারা বিশ্বের ১৮৯টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- সদর দপ্তর অবস্থিত ওয়াশিংটন, ডি.সি.-তে।

তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
২৪.
ব্রেটন উডস কনফারেন্সের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন -
  1. হ্যারি ডেক্সটার হোয়াইট
  2. জন মেনার্ড কেইনস
  3. ক ও খ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
ব্রেটন উডস কনফারেন্স:
- এটি United Nations Monetary and Financial Conference নামে পরিচিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ১৯৪৪ সালে জার্মানি ও জাপানের প্রত্যাশিত পরাজয়ের পর যুদ্ধোত্তর সময়ে যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশ সমূহের পুনর্গঠন ও আর্থিক সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক বানিজ্যের রূপরেখা নির্ধারণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বের ৪৪টি দেশের নেতারা এক সম্মেলনে অংশ নেন।
- এই সম্মেলনকে ব্রেটন উডস কনফারেন্স (Bretton Woods Conference) বলা হয়।
- এই সম্মেলনের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তা হ্যারি ডেক্সটার হোয়াইট (Harry Dexter White) এবং ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ জন মেনার্ড কেইনস (John Maynard Keynes)।
- ব্রেটন উডস সম্মেলনেই বিশ্বব্যাংক (IBRD) ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) গঠিত হয়।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বাধা দূরীকরণ, নীতি নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি সংগঠন গড়ে তোলার সুপারিশ করা হয়।

তথ্যসূত্র - World Bank Group ও যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের ওয়েবসাইট।
২৫.
International Development Association এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত? (আগস্ট, ২০২৪)
  1. ১৭৪টি
  2. ১৭৭টি
  3. ১৮২টি
  4. ১৯০টি
সঠিক উত্তর:
১৭৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৪টি
ব্যাখ্যা
IDA:
- IDA বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- IDA এর পূর্ণরূপ International Development Association.
- তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করে থাকে।
- যার কারণে IDA কে 'Soft Loan Window' বলা হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ সাল।
- বর্তমান সদস্য: ১৭৪টি। (আগস্ট, ২০২৪)
- বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভ: ১৯৭২ সাল।

তথ্যসূত্র - IDA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।