পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়23 minutes
মোট প্রশ্ন৪৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২০: রিভিশন পরীক্ষা [১৪০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৩টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা।] ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৭ প্রশ্ন

.
In literature, what does the term "Diction" mean?
  1. The selection of words in writing or speech.
  2. A humorous play on words with double meanings or similar sounds.
  3. A comparison using "like" or "as".
  4. A poetic device that repeats words or phrases.
ব্যাখ্যা

The term "Diction" means - The selection of words in writing or speech.

Diction:
- The selection of words in writing or speech.
- A particular writer chooses a particular type of words and phrases অর্থাৎ প্রতিটি লেখকের নিজস্ব বা বিশেষ শব্দচয়ন রয়েছে।
Example:
- John Milton তাঁর লেখায় bombastic, unusual, allusive এবং latinized শব্দের ব্যবহার করেছেন - কিন্তু George Orwell এর সাহিত্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে তাঁর লেখায় simple, lucid এবং common শব্দের ব্যবহার বেশি। 
- সুতরাং, সাহিত্যিকদের সাহিত্য রচনার জন্য করা শব্দচয়নকে সেই সাহিত্যিকের diction বলা হয়।

• Diction বলতে সাহিত্যে লেখকের শব্দ চয়ন এবং প্রকাশভঙ্গিকে বোঝায়। এটি লেখার টোন, আবেগ, এবং পাঠকের উপর প্রভাব তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। লেখকের diction প্রায়শই নির্ধারণ করে যে লেখা ফর্মাল, ইনফর্মাল, সাহিত্যিক বা সাধারণ পাঠ্য হবে।

উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
- A humorous play on words with double meanings or similar sounds. - Pun।
- A comparison using "like" or "as". - Simile.
- A poetic device that repeats words or phrases. - Repetition.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.

.
What is the central theme of the story of "The Gift of the Magi"?
  1. The pursuit of wealth.
  2. The importance of luck in life.
  3. The negative effects of poverty.
  4. The value of sacrificial love.
ব্যাখ্যা

The central theme of the story of "The Gift of the Magi" is - The value of sacrificial love.

The Gift of the Magi:
- The Gift of the Magi was written by William Sidney Porter.
- ১৯০৫ সালে গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- Jim and Della এই গল্পের প্রধান চরিত্র।
- এই গল্পের Central Theme হচ্ছে Love, where Jim and Della (Young married couple) make sacrifices to buy each other meaningful Christmas gifts.

সার-সংক্ষেপ:
- Della এর ছিল ঈর্ষনীয় লম্বা চুল আর সে চুলগুলো বিক্রি করে Jim এর জন্য পকেট ঘড়ির একটা চেইন কেনার সিদ্ধান্ত নেয়।
- এই পকেট ঘড়িটি ছিল Jim এর পারিবারিক সম্পত্তি যা সে উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিল, কিন্তু টাকার অভাবে এর জন্য চেইন কিনতে পারছিল না তাই তাকে ঘড়িটি পকেটে নিয়ে ঘুরতে হতো।
- অপরদিকে Jim তার পকেটঘড়ি বিক্রি করে করে Della এর জন্য স্বর্ণখচিত চিরুনী কেনার সিদ্ধান্ত নেয়।
- এরপর তারা দুজনেই যখন একে অপরের জন্য কেনা উপহার নিয়ে উপস্থিত হয় তখন পরিস্থিতি অনুধাবন করে দুজনেই চমকে উঠে।
- ভালোবাসা, উৎসর্গ, ত্যাগ ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণে এই ছোটগল্পটি সারা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

O’ Henry (1862-1910):
- O'Henry এর আসল নাম হচ্ছে William Sydney Porter.
- তিনি একজন আমেরিকান ছোটগল্প লেখক।

His Best works:
- The Gift of the Magi,
- Heart of the West,
- Roads of Destiny,
- The Four Million,
- The Furnished Room,
- The Last Leaf,
- The Ransom of Red Chief,
- The Trimmed Lamp,
- The Voice of The City.

Source: An ABC of English Literature by M Mofizar Rahman, Britannica.

.
"The similarity of sounds between two syllables that are close together" is called as - 
  1. Anti-climax
  2. Apostrophe
  3. Assonance
  4. Antithesis
ব্যাখ্যা

"The similarity of sounds between two syllables that are close together" is known as - Assonance.

 • Assonance:
The Repetition of a vowel sound in nearby words (without the recurrence of consonant sounds which would make a rhyme) is called assonance.
- It is used for musical effect.
- দুটি শব্দের স্বরাঘাতযুক্ত স্বরধ্বনিদ্বয়ের মিল– এক্ষেত্রে পরবর্তী ব্যঞ্জনধ্বনিগুলোর মধ্যে কোনো মিল থাকে না; স্বরসাদৃশ্য।

An example of Assonance:
- Alone, alone, all, all alone;
Alone on a wide, wide sea.

Other options,
Anti-climax: A statement in which there is a sudden fall from the serious to the trivial or from the sublime to the ridiculous.

Apostrophe: (সম্বোধন অলঙ্কার) An address to someone absent or something abstract as if the person or the thing were present. By using an apostrophe, a speaker turns from the audience to address a single person or thing. এটা এক ধরনের Personification।
- এখানে লেখক প্রানহীন, নির্জীব বস্তুকে ব্যক্তিরুপে কিংবা অনুপস্থিত ব্যক্তিকে উপস্থিত ব্যক্তিরুপে সম্বোধন করেন।
- Example: O wind, if winter comes, can spring be far behind? [Ode to the West Wind by P. B. Shelley].

Antithesis: (পরস্পর বিরোধী ভাবধারার সন্নিবেশ) The direct opposite of something or someone.

Source: Britannica, Live MCQ lecture.

.
In dramatic literature, the term "Stanza" is most commonly associated with which type of play? 
  1. Tragedy
  2. Comedy
  3. Poem
  4. One-act play
ব্যাখ্যা

The term "Stanza" is most commonly associated with - Verse play.

•​ Stanza (স্তবক):
​- It is a division of a poem consisting of two or more lines arranged together as a unit
​- It is related to a poem.
​- A division of a poem is called a stanza.

Stanza এর অর্থ হচ্ছে:
​- স্তবক; কবিতার পঙ্‌ক্তিগুচ্ছ, যার নির্দিষ্ট বিভাগ কবিতার বিশিষ্ট আঙ্গিক নির্মাণ করে।
​- It is a smaller unit of the structure of a poem.

​• Stanza বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে। যেমন:
​- Spenserian stanza,
​- Quatrain,
​- Ottava Rima,
​- Rhyme Royal,
​- Terza Rima,
​- Tercet.

​Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.

.
In a serious or tragic play, what does the term "Comic Relief" refer to? 
  1. A humorous scene or character that provides temporary relief from tension.
  2. A long emotional speech revealing a character’s thoughts.
  3. A detailed description of natural surroundings.
  4. A sudden tragic twist that changes the storyline.
ব্যাখ্যা

The term "Comic Relief" refers to - A humorous scene or character that provides temporary relief from tension.

Comic Relief:
- A humorous scene in between serious scenes of a tragedy.
- It is intended to release emotional tension and lift the tragic effect.

- হালকা কথা বার্তার দ্বারা গুরুগম্ভীর পরিস্থিতিকে হালকা করার প্রয়াস।
- ট্র্যাজেডির দুঃখময়, সিরিয়াস আবহে একটু আনন্দ বা হাসির জন্য দু’একটা কমিক সংলাপ, চরিত্র বা দৃশ্যের অবতারণা করা হয়। এগুলোই কমিক রিলিফ বলে পরিচিত।

Example:
- The humorous dialogues between the gravediggers in Act V, scene 1 offer comic relief.

উল্লিখিত অন্য অপশন গুলো এখানে অপ্রাসঙ্গিক

Source: An ABC of English Literature by M Mofizar Rahman.

.
Identify the phrase that is an example of an oxymoron.
  1. Studious Student
  2. Open secret
  3. Brilliant Student
  4. Bright Sun
ব্যাখ্যা

The required answer is - Open secret.

- Open secret হলো এমন একটি তথ্য বা বিষয় যা সবার জানা, অথচ আনুষ্ঠানিকভাবে গোপন বলে ধরা হয়।
- এটি এমন কিছু যা গোপন থাকার কথা, কিন্তু বাস্তবে প্রায় সবাই তা জানে।
- অর্থাৎ, open secret এমন একটি পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে গোপনীয়তা রক্ষা করার ভান করা হয়, যদিও আসলে তা সবার মধ্যেই প্রচারিত।

Oxymoron:
- Two contradictory ideas express one thing
- সাধারণত, Oxymoron বিপরীতধর্মী শব্দগুলিকে পাশাপাশি বসিয়ে একটি লুকানো সত্য প্রকাশ করে।
- এক ধরনের অলংকার যেটিতে পরস্পরবিরোধী শব্দ একসাথে ব্যবহৃত হয়।
- Paradox  এবং Oxymoron এর মাঝে পার্থক্য: Paradox এর মাঝে একাধিক বাক্য বা বিবৃতি অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, কিন্তু Oxymoron এর মাঝে কেবল দুটি বিপরীতার্থক শব্দ পাশাপাশি বসবে।

• Here is a famous example:
- All changed, changed utterly:
A terrible beauty is born. (W. B. Yeats: "Easter 1916").

উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো কেন নয়:
ক) Studious Student - এটা সাধারণ শব্দজোড়া, কোনো বিপরীত অর্থ নেই।
গ) Brilliant Student - ইতিবাচক বিশেষণ + বিশেষ্য, কোনো বিরোধ নেই।
ঘ) Bright Sun - স্বাভাবিক ও বাস্তবধর্মী বর্ণনা, বিরোধ নেই।

Source: An ABC of English Literature by M Mofizar Rahman.

.
Which word refers to "a statement that is deliberately exaggerated or overstated"?
  1. Irony
  2. Metaphor
  3. Simile
  4. Hyperbole
ব্যাখ্যা

 The required answer is - Hyperbole.

 Hyperbole
- An exaggerated statement or an extreme overstatement.
- অতিশয়োক্তি; অত্যুক্তি; অতিরঞ্জন।
- কমেডিতে ইচ্ছাকৃতভাবে অতিরঞ্জিত ভাব প্রকাশের জন্য Hyperbole ব্যবহৃত হয়। 
- Love poetry তে প্রিয়জনের প্রতি তীব্র প্রশংসা জানাতে Hyperbole ব্যবহৃত হয়। 
- Hyperbole হাসির উদ্রেক অথবা কঠিন সমালোচনা প্রকাশ করতে পারে।

 Example
- "Ten thousand saw I at a glance," (Wordsworth: Daffodils). 

 উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
- Irony - An expression or statement where the real meaning is concealed or contradicted.
- Metaphor - Compressed form of simile.
- Simile - An expression comparing one thing with another, always including the words "as" or "like".

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.

.
সাধু রীতির বৈশিষ্ট্য- 
  1. নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী।
  2. গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
  3. পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
  4. উপরের সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষার সাধু রীতির বৈশিষ্ট্য:
(ক) বাংলা লেখ্য সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
(খ) এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
(গ) সাধু রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী।
(ঘ) এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে। এবং অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।

.
'অপিনিহিতি' ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ কোনটি?
  1. দিশ্ > দিশা
  2. ধোবা > ধোপা
  3. আজি > আইজ
  4. ফলাহার > ফলার
ব্যাখ্যা

• ধ্বনি পরিবর্তন:
উচ্চারণের সময় সহজীকরণের প্রবণতায় শব্দের মূল ধ্বনির যেসব পরিবর্তন ঘটে তাকে বলা হয় ধ্বনি পরিবর্তন।

• অপিনিহিতি:
পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জন ধ্বনির আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে।
যেমন:
- আজি > আইজ,
- সাধু > সাউধ,
- মারি > মাইর ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• অন্ত্যস্বরাগম:
কোনো কোনো সময় শব্দের শেষে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসে। এরুপ স্বরাগমকে বলে অন্ত্যস্বরাগম।
যেমন -
- দিশ্ > দিশা,
- পোখত্ > পোক্ত,
- বেঞ্চ > বেঞ্চি,
- সত্য > সত্যি ইত্যাদি।

• ব্যঞ্জন বিকৃতি:
শব্দের মধ্যে কোনো কোনো সময় কোনো ব্যঞ্জন পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জনধ্বনি ব্যবহৃত হয়। একে বলে ব্যঞ্জন বিকৃতি । অর্থাৎ পদের অন্তর্গত কোনো বর্ণ পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ ধারণ করলে তাকে ব্যঞ্জন বিকৃতি বলে ।
যেমন:
- শাক > শাগ;
- ধোবা > ধোপা;
- কবাট > কপাট;
- ধাইমা > দাইমা ইত্যাদি।

• অন্তর্হতি:
পদের মধ্যে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পেলে তাকে বলে অন্তর্হতি।
যেমন:
- ফলাহার > ফলার;
- আলাহিদা > আলাদা;
- ফাল্গুন > ফাগুন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
"বচন, সমাস"- ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়? 
  1. ধ্বনিতত্ত্ব 
  2. রূপতত্ত্ব
  3. অর্থতত্ত্ব 
  4. বাক্যতত্ত্ব
ব্যাখ্যা

রূপতত্ত্ব:
- রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করে।
- শব্দ, দ্বিরুক্ত শব্দ, বচন, সমাস, প্রত্যয়, উপসর্গ, অনুসর্গ, পদ- প্রকরণ, অনুজ্ঞা, ক্রিয়ার কাল, পুরুষ, লিঙ্গ, বচন, ধাতু প্রভৃতি।
- বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দ গঠন প্রক্রিয়া।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলা ভাষাঢ় ব্যাকরণ ও নির্মিতি- নবম দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১১.
তালব্য, অল্পপ্রাণ ধ্বনি কোনটি?
  1. গ 
  2. ত 
ব্যাখ্যা

• 'জ' - তালব্য, অল্পপ্রাণ ধ্বনি।

• মহাপ্রাণ ধ্বনি: 
- যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস জোরে বের হয়ে যায়, বাতাসের চাপ বেশি থাকে তাকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে।
- বর্গের ২য় ও ৪র্থ ধ্বনি হচ্ছে মহাপ্রাণ ধ্বনি।
- যথা- (খ, ঘ), (ছ, ঝ), (ঠ, ঢ), (থ, ধ), (ফ, ভ) এবং 'হ' ইত্যাদি। 

• অল্পপ্রাণ ধ্বনি:
সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহের মাত্রা অপেক্ষাকৃত কম, সেগুলোকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
যেমন - প, ব, ত, দ, স, ট, ড, ড়, চ, জ, শ, ক, গ ইত্যাদি।

বাংলা বর্ণমালায় (ক - ম) পর্যন্ত এই ২৫টি বর্ণকে একত্রে স্পর্শ ধ্বনি বলা হয়।

এরমধ্যে,
ক - বর্গীয় (ক, খ, গ, ঘ, ঙ) - এই ৫টি কণ্ঠ ধ্বনি,
চ - বর্গীয় (চ, ছ, জ, ঝ, ঞ) - ৫টি তালব্য ধ্বনি,
ট - বর্গীয়( ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) - এই ৫টি মূর্ধন্য ধ্বনি,
ত - বর্গীয় (ত, থ, দ, ধ, ন) - পাঁচটি দন্ত ধ্বনি এবং
প - বর্গীয় (প, ফ, ব, ভ, ম) - এই ৫টি ওষ্ঠ্য ধ্বনি।

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০১৯ সংস্করণ)।

১২.
সাধু রীতিতে ক্রিয়াররূপ কেমন হবে?
  1. দীর্ঘতর 
  2. পরিবর্তন হয় না
  3. হ্রস্বতর
  4. সংক্ষিপ্ত হয়
ব্যাখ্যা

• সাধু রীতি: 
দাপ্তরিক কাজ, সাহিত্য রচনা, যোগাযোগ ও জ্ঞানচর্চার প্রয়োজনে লেখ্য বাংলা ভাষায় সাধু রীতির জন্ম হয়। উনিশ শতকের শুরুর দিকে সাধু রীতির বিকাশ ঘটে। প্রায় দুই শতাব্দী ধরে এই রীতি বাংলা লেখ্য ভাষার আদর্শ রীতি হিসেবে চালু থাকে।

• সাধু রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য: 
(ক) সাধু রীতিতে ক্রিয়ারূপ দীর্ঘতর হয়, যেমন ‘করা' ক্রিয়ার রূপ: করিতেছে, করিয়াছে, করিল, - করিলে, করিলাম, করিত, করিতেছিল, করিয়াছিল, করিব, করিবে, করিতে, করিয়া করিলে, করিবার।
(খ) সাধু রীতির বহু সর্বনামে ‘হ’-বর্ণ যুক্ত থাকে, যেমন – তাহারা, ইহাদের, যাহা, তাহা, উহা, কেহ ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)। 

১৩.
কোনটি চলিত রীতির শব্দ?
  1. গৃহিণী
  2. তাহারা
  3. অপেক্ষা
  4. তবুও
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর- ঘ) তবুও।

ব্যাখ্যা:
চলিত রীতি হলো আধুনিক বাংলা ভাষার স্বাভাবিক কথ্য রূপ যা সাধারণত লেখায় ব্যবহৃত হয়।

"তথাপি" - সাধু রীতির শব্দ:
- চলিত রীতিতে এর রূপ "তবুও"।

অন্যান্য অপশনগুলো:
ক) চেয়ে - এটি চলিত রীতির শব্দ।
সাধু রীতিতে: "অপেক্ষা"।

খ) গিন্নি - এটি চলিত রীতির শব্দ।
- সাধু রীতিতে: "গৃহিণী"।

গ) তাহারা - এটি সাধু রীতির শব্দ।
- চলিত রীতিতে: "তারা"।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৪.
"চ-বর্গীয়" বর্ণের উচ্চারণ স্থান কোনটি?
  1. কণ্ঠ্য
  2. তালব্য
  3. দন্ত্য
  4. মূর্ধন্য
ব্যাখ্যা

ক-ম পর্যন্ত ২৫ টি স্পর্শধ্বনি। উচ্চারণস্থান অনুযায়ী এগুলোকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়।

• উচ্চারণ স্থান- কণ্ঠ্য; ক বর্গীয় বর্ণ: ক, খ, গ, ঘ, ঙ।
• উচ্চারণ স্থান- তালব্য; চ বর্গীয় বর্ণ: চ, ছ, জ, ঝ, ঞ।
• উচ্চারণ স্থান- মূর্ধন্য; ট বর্গীয় বর্ণ: ট, ঠ, ড, ঢ, ণ।
• উচ্চারণ স্থান- দন্ত্য; ত বর্গীয় বর্ণ: ত, থ, দ, ধ, ন।
• উচ্চারণ স্থান- ওষ্ঠ্য; প বর্গীয় বর্ণ: প, ফ, ব, ভ, ম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

১৫.
'রঞ্জন' শব্দে ব্যবহৃত যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ কোনটি?
  1. ন্‌ + ঞ
  2. ণ্‌ + ঞ
  3. ঞ্‌ + জ
  4. ন্‌ + জ
ব্যাখ্যা

• ‘রঞ্জন’ শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ: 'ঞ+জ'। 
ঞ + জ = ঞ্জ,
যেমন- রঞ্জন, গঞ্জ, কুঞ্জ ইত্যাদি।
----------------------
যুক্তবর্ণ:
- একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়।
- যুক্ত হওয়া বর্ণগুলোকে দেখে কখনো সহজে চেনা যায়, আবার কখনো সহজে চেনা যায় না।
- যুক্তবর্ণ দুই রকম।
যথা- স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ।

• স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
- ক্ট, জ্জ, জ্ব, ড্ড, ণ্ট, ণ্ঠ, দ্দ, দ্ব, দ্ম, ষ্ঠ, ন্স, প্ট, প্ত, প্প, ন্স, ব্দ ইত্যাদি। 

• অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
- ক্ত (ক্+ত), ক্ম (ক্+ম), ক্র (ক্‌+র), ক্ষ (ক্+ষ), ক্ষ্ম (ক্+ষ্+ম), ক্স (ক্‌+স), গু (গ্‌+উ), ন্ধ (গ্‌+ধ), ঙ্ক (ঙ্+ক), ঙ্গ (ঙ্+গ), জ্ঞ (জ্‌+ঞ), ঞ্চ (ঞ্‌+চ), ঞ্ছ (ঞ্‌+ছ), ঞ্জ (ঞ্‌+জ), ট্ট (ট্+ট), ত্ত (ত্+ত), খ (ত্+থ), ত্র (ত্+ত্র), দ্ধ (দ্‌+ধ), ন্ধ (ন্+ধ), ব্ধ (ব্‌+ধ), ভ্র (ভ্+র), ভ্রূ (ভ্+র্+উ), রু (র্+উ), রূ (র্‌+ঊ), শু (শ্+উ), ষ্ণ (ষ্+ণ), হু (হ্+উ), হৃ (হ্+ঋ), হ্ন (হ্+ন), হ্ম (হ্+ম) ইত্যাদি।
--------------------- 
গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণ:
ক্ + র = ক্র
ক্ + ষ = ক্ষ
ক্ + স = ক্স
গ্ + উ = গু
গ্ + ধ = গ্ধ
ঙ্ + ক = ঙ্ক
ঙ্ + গ = ঙ্গ
ঞ্ + জ = ঞ্জ
ঞ্ + চ = ঞ্চ
ঞ্ + ছ = ঞ্ছ

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি; ২০২১ সংস্করণ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৬.
'ঙ'-এর ক্ষেত্রে কোন উচ্চারণটি সঠিক?
  1. উঁয়ো
  2. উয়ঁ
  3. উমা
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• ঙ [উয়োঁ, উঁয়]:
- পঞ্চম ব্যঞ্জনবর্ণ এবং ক-বর্গের পঞ্চম বর্ণ।
- ‘উয়ঁ’, ‘উঁয়ো’ বা ‘উমা’; উঁঅ রূপে উচ্চারিত হয়। 
- এর উচ্চারণ স্থান নাসিকা।
- এটি ঘোষ পশ্চাত্তালুজাত নাসিক্য ব্যঞ্জন ধ্বনি। 
- এর উচ্চারণ হুবহু ‍অনুস্বারের মতো।

উৎস: অভিগম্য অভিধান; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৭.
নিচের কোনটি নিম্ন বিবৃত স্বরধ্বনি?
  1. ই 
  2. উ 
  3. অ 
  4. আ 
ব্যাখ্যা

• 'আ'- নিম্ন বিবৃত স্বরধ্বনি।

• উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা উপরে ওঠে বা কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত:
- উচ্চ স্বরধ্বনি [ই], [উ];
- উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি [এ], [ও];
- নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি [অ্যা], [অ];
- নিম্ন স্বরধ্বনি [আ]।
উচ্চ স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ উপরে ওঠে; নিম্ন স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ নিচে নামে।

• স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কতটুকু খােলা বা বন্ধ থাকে অর্থাৎ কী পরিমাণ উন্মুক্ত হয়, তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত:
- সংবৃত [ই], [উ];
- অর্ধ-সংবৃত: [এ], [ও];
- অর্ধ-বিবৃত: [অ্যা] [অ];
- বিবৃত: [আ]।
সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কম খোলে; বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোট বেশি খােলে।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (সর্বশেষ সংস্করণ)।

১৮.
২০২৪-২৫ অর্থ-বছরে, বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. কৃষিজাত পণ্য
  2. হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ
  3. চামড়া-চামড়াজাত পণ্য
  4. নীট পোষাক
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থ-বছরে, বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য -  নীট পোষাক।

• পণ্যভিত্তিক রপ্তানি কার্যক্রম পর্যালোচনাঃ
- প্রধান প্রধান পণ্যের রপ্তানি অবস্থাঃ

• নীট পোষাক:
-  নীট পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ২১,১৫৯.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার । উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৪৩.৮২%।
 
• ওভেন পোষাক :
- ওভেন পোষাক খাতে  ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ১৮,১৮৭.৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৩৭.৬৭% ।

• হোম টেক্সটাইল 
 - হোম টেক্সটাইল খাতে  ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭১.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ১.৮১%।

• চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা:
- চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ১,১৪৫.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার । উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.৩৭%।

• হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ:
- হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ খাতে  ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৪১.৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ।উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ খাতের অবদান ০.৯১।

• কৃষিজাত পণ্য :
- কৃষিজাত পণ্য খাতে  ২০২৪-২৫  অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে  ১০০৬.৯৩ মি: মা: ড: । উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে এ খাতের আবদান ২.০৯%।

উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রপ্তানি পরিসংখ্যান।

১৯.
রাজস্ব নীতির হাতিয়ারসমূহের অন্তর্ভুক্ত নয়-
  1. কর
  2.  ব্যাংক হার 
  3. ভর্তুকি
  4. সরকারি ব্যয়
ব্যাখ্যা

- রাজস্ব নীতির হাতিয়ারসমূহের অন্তর্ভুক্ত নয়-  ”ব্যাংক হার”।
- ”ব্যাংক হার” হল আর্থিক নীতির হাতিহায় বা উপকরণ।

• ব্যাংক হারের পরিবর্তন:
- ব্যাংক হার বলতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক আরোপিত একটি সুদের বাট্টার হার বোঝায়।
- এর ভিত্তিতে বাণিজ্যিক ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিকট থেকে ঋণ নিতে পারে, 
- ব্যাংক হার বাড়লে বাণিজ্যিক ব্যাংক হারের সুদের হার বাড়ে।
- তখন বাণিজ্যিক ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত ঋণ পরিমাণ সংকুচিত হয়ে আসে। অর্থাৎ অর্থের যোগান তখন কমে আসে।
- আবার ব্যাংক হার কমিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকে ঋণ প্রসারে সুযোগ করে দেয় তখন অর্থের যোগানও বাড়ে।
- কাজেই আর্থিক নীতির একটি অন্যতম উপকরণ হিসেবে ব্যাংক হার বিবেচিত হয়।

• রাজস্ব নীতির হাতিয়ার:
- রাজস্ব নীতির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য যে সকল পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় সেগুলোকে রাজস্ব নীতির উপকরণ বা হাতিয়ার বলা হয়।

• নিম্নে রাজস্ব নীতির হাতিয়ারসমূহ:
১. সরকারি ব্যয়;
২. কর;
৩. সরকারি ঋণ;
৪. ভর্তুকি;
৫.হস্তান্তর ব্যয়;
৬. বাধ্যতামূলক সঞ্চয়;

উৎস: ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি, এমবিএ প্রোগ্রম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য মতে, ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের সময়ের পণ্য খাতের অর্জিত রপ্তানি আয়ের পরিমান কত?
  1. ৫২,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৪৯,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ৭১,২৪৪.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি কার্যক্রমঃ
- বিগত ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে আমাদের রপ্তানি আয় হয়েছিল ৪৪,৪৬৯.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- চলতি ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা  ৫০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের জুলাই-জুন সময়ের পণ্য খাতের অর্জিত রপ্তানি আয় ৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা বিগত ২০২৩ -২০২৪ অর্থ বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় ৪৪,৪৬৯.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ৮.৫৮% বেশী এবং নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৫০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ৯৬.৫৭% ।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

২১.
VGF এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Voluntary Group Fund
  2. Vulnerable Group Feeding
  3. Village Growth Forum
  4. Voluntary Grant Fund
ব্যাখ্যা

• Vulnerable Group Feeding (VGF) বা “দুর্বল গোষ্ঠী খাদ্য কর্মসূচি”
- ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের পর, বাংলাদেশ সরকার বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP)-এর সহযোগিতায় “ Vulnerable Group Feeding (VGF) চালু করে। 
- সূচনাকালে, এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবারকে দুই বছর ধরে প্রতি মাসে ৩১.২৫ কিলোগ্রাম গম সরবরাহ করা হতো।
- এখনো পর্যন্ত VGF একটি মানবিক কর্মসূচি হিসেবে চলমান আছে, 
- যা দুর্যোগকালীন সময়ে এবং প্রধান ধর্মীয় উৎসবগুলোতে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করে।

• VGF কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলো:

• দরিদ্র ও অসহায় মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
• দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ও শিশুদের রোগব্যাধি প্রতিরোধ করা;
• নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজারমূল্যের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা;
• মন্দার সময় বেকার জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা;
• দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে অস্থায়ী সহায়তার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে অবদান রাখা; এবং
• অতিদরিদ্র জনগণের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: বিশ্ব ব্যাংক।

২২.
বাংলাদেশ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি আয় করে?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. জার্মানী 
  3. ফ্রান্স 
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিভিন্ন দেশ থেকে প্রাপ্ত রপ্তানি আয়।

দেশের নাম  - রপ্তানি আয়  
১. যুক্তরাষ্ট্র= ৮৬৯২.৩৫।
২. জার্মানী = ৫২৯২.৯০।
৩. যুক্তরাজ্য= ৪৬২২.৭০।
8. স্পেন = ৩৫৫৪.৭৪।
৫. ফ্রান্স = ২৪১৬.৮৪।
৬. নেদারল্যান্ড = ২৩৫৪.২১।
৭. পোল্যান্ড = ১৮২৪.৮০।
৮. ইতালী = ১৭৬৪.২৩।
৯. ভারত = ১৬৬৪.৫১।
১০. কানাডা = ১৪৬৩.৭৪।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

২৩.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির পরিমাণ মোট জিডিপির কত শতাংশ?
  1. ২.৭%
  2. ৩.৫%
  3. ৪.৭%
  4. ৩.৭%
ব্যাখ্যা

• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ((জিডিপির ৩.৭%))।
- রাজস্ব আদায়ের  লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- উন্নয়ন ব্যয়- ২,৪৫,৬০৯ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা এবং পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- সামাজিক অবকাঠামো বরাদ্দের পরিমাণ- ২,০৭,৬২৯ কোটি টাকা।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

২৪.
ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. ময়মনসিংহ
  2. দিনাজপুর 
  3. কুষ্টিয়া
  4. ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

 • কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪:
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

২৫.
বিবিএস প্রকাশিত জিডিপির চূড়ান্ত হিসেব অনুসারে, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ২,৭৩৮ ডলার
  2. ২,৮৪০ ডলার
  3. ৩,৮২০ ডলার
  4. ২,৮২০ ডলার
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি' হিসাব অনুসারে:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩৩৯,২১১ টাকা (২,৮২০ ইউএস ডলার)। 
- পূর্ববর্তী অর্থাৎ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ৩০৪,১০২ টাকা (২,৭৩৮ ইউএস ডলার)। 
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৫,১০৯ টাকা (৮২ ইউএস ডলার)।

উৎস: বিবিএস।

২৬.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট আমদানির পরিমান কত?
  1.  ৭৯ বিলিয়ন
  2. ৬১ বিলিয়ন
  3. ৮২ বিলিয়ন
  4. ৫৬ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট ৬১ বিলিয়ন বা ৬ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে, 
- যা এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে ৭ শতাংশ কম। 
- আগের অর্থবছরে আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ৫১৪ কোটি ডলারের পণ্য।
- পরিমাণের দিক থেকে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে আমদানি বেড়েছে।
- সব মিলিয়ে সোয়া ১৪ কোটি টন পণ্য আমদানি হয়েছে, 
- যা এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ১৩ কোটি ৭৬ লাখ টনের চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি।

- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতাধীন ৫০টি শুল্ক স্টেশনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খালাস হওয়া পণ্যের তথ্য পর্যালোচনা করে আমদানির এই চিত্র পাওয়া গেছে।

উৎস: প্রথম আলো [লিংক]

২৭.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে, সার্বিকভাবে (পরিচালন ও উন্নয়ন) সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাত কোনটি?
  1. স্বাস্থ্য
  2. জনপ্রশাসন
  3. শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  4. পরিবহন ও যোগাযোগ
ব্যাখ্যা

২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- সার্বিকভাবে (পরিচালন ও উন্নয়ন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া কয়েকটি খাত:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।

• বাজেটে খাতভিত্তিক বরাদ্দের বিবেচনায় মূল খাতগুলো হলো- 
- শিক্ষা ও প্রযুক্তি, পরিবহন ও যোগাযোগ, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন, কৃষি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা, জনপ্রশাসন এবং সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ)।

• এর মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া ৩টি খাত হচ্ছে -

• ”জনপ্রশাসন” খাতে বরাদ্দের পরিমাণ- ১,৮৬,০৮৮ (২৩.৫%)।
• ”শিক্ষা ও প্রযুক্তি” খাতে বরাদ্দের পরিমাণ-১,১০,৬৫৭ (১৪%)।
• ”পরিবহন ও যোগাযোগ” খাতে বরাদ্দের পরিমাণ-৭১,৩৪৪ (৯%)।

উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয়।

২৮.
OCR-এর প্রধান কাজ কী?
  1. তথ্য সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার করা
  2. ত্রুটিপূর্ণ ডেটা চিহ্নিত করে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে ফেলা
  3. হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণ 
  4. মুদ্রিত বা লিখিত ছবিকে সম্পাদনাযোগ্য টেক্সটে রূপান্তর করা
ব্যাখ্যা

OCR-এর প্রধান কাজ মুদ্রিত বা লিখিত ছবিকে সম্পাদনাযোগ্য টেক্সটে রূপান্তর করা।

OCR (Optical Character Reader/Recognition):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা নয়, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে, ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা এবং বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

উৎস:
1. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
2. ব্রিটানিকা।

২৯.
নিচের কোনটি প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস?
  1. র‍্যাম
  2. হার্ডডিস্ক
  3. পেনড্রাইভ
  4. ফ্লপি ডিস্ক
ব্যাখ্যা

র‍্যাম (RAM) হলো প্রাইমারি স্টোরেজের প্রধান উদাহরণ।

স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের সুবিধার জন্য স্টোরেজ মিডিয়াতে ডেটা ও নির্দেশাবলি জমা রাখা যায় এবং প্রয়োজনে তা সহজে কাজে লাগানো যায়।
- স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ও
২। সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।

প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস।
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়। যেমন- র‍্যাম

প্রাইমারি স্টোরেজের বৈশিষ্ট্য:
১। এ ধরনের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে।
২। প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে।
৩। অ্যাকসেস সময় কম।
৪। ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
৫। ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি।
৬। বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি।

সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি বা সেকেন্ডারি মেমোরির উদাহরণ হলো হার্ডডিস্ক, ফ্লপি ডিস্ক, পেনড্রাইভ, সিডি, ডিভিডি, ব্লু রে ডিভিডি, মেমোরি কার্ড, স্মার্ট কার্ড ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০.
অক্টাল 245 কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হয়?
  1. 165
  2. 189
  3. 147
  4. 205
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: অক্টাল 245 কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হয়?

সমাধান:
অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
অক্টাল সংখ্যাকে (ভিত্তি 8) ডেসিমেল সংখ্যায় (ভিত্তি 10) রূপান্তর করতে হলে, অক্টাল সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে তার স্থানীয় মান এবং ভিত্তি (8) দিয়ে গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলগুলো যোগ করতে হয়।
উদাহরণ: (124)8, (731)8 ইত্যাদি।

এখানে, (245)8 কে ডেসিমেল সংখ্যা হিসেবে রূপান্তর করি:
(245)8 = 2 × 82 + 4 × 81 + 5 × 80
= 2 × 64 + 4 × 8 + 5 × 1
= 128 + 32 + 5
= 165
∴ (245)8 = 165

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩১.
নিচের কোনটি "মডিফায়ার কী"?
  1. Ctrl
  2. F10
  3. Enter
  4. Home
ব্যাখ্যা

• Ctrl (Control)- একটি Modifier Key।

কী-বোর্ড:
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।
- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও
২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।
- কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে।

ফাংশন কী:
- কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।

নেভিগেশন কী:
কী-বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arrow Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত। নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে।

মডিফায়ার কী:
- Ctrl, Alt, the Windows logo key.

নিউম্যারিক কী:
- নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), -(subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.

৩২.
CPU-কে কী বলা হয়?
  1. কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক
  2. কম্পিউটারের পাওয়ার সোর্স
  3. কম্পিউটারের মস্তিষ্ক
  4. কম্পিউটারের মেমোরি
ব্যাখ্যা

CPU-কে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক (Brain of the Computer) বলা হয়।

• সিপিইউ (CPU - Central Processing Unit):

- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) ও
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩.
নিম্নের কোন জেলাটি বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তের মধ্যে সংযোগ নেই?
  1. বাগেরহাট
  2. নেত্রকোণা 
  3. রাঙ্গামাটি
  4. হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

- বাগেরহাট জেলার সাথে বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তের মধ্যে সংযোগ নেই।

• সীমান্ত জেলা:

- বাংলাদেশে বিভাগ রয়েছে ৮টি এবং জেলা ৬৪টি।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩টি।
- রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।
- এছাড়াও, ৬টি বিভাগের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকলেও ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।

• খুলনা বিভাগের সীমান্তবর্তী জেলাগুলো হলো: সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ এবং কুষ্টিয়া।
• সিলেট বিভাগের সীমান্তবর্তী জেলাগুলো হলো: সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।
• ময়মসসিংহ বিভাগের সীমান্তবর্তী জেলাগুলো হলো: জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৪.
বাংলাদেশের কোন জেলায় কর্কটক্রান্তি রেখা ও ৯০ο দ্রাঘিমাংশের ছেদবিন্দু অবস্থিত?
  1. মাদারীপুর
  2. শরীয়তপুর 
  3. রাজবাড়ী
  4. ফরিদপুর 
ব্যাখ্যা

কর্কটক্রান্তি রেখা:
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
-- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
- ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায় কর্কটক্রান্তি রেখা ও ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা পরস্পরকে ছেদ করেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

৩৫.
পৃথিবীর ভূত্বকে সবচেয়ে বেশি প্রাপ্ত ধাতু হলো-
  1. অ্যালুমিনিয়াম
  2. পারদ
  3. তামা 
  4. সিলিকন
ব্যাখ্যা

অ্যালুমিনিয়াম: 
- অ্যালুমিনিয়াম (প্রতীক: Al) একটি হালকা, রুপালি সাদা রঙের ধাতু, যা পর্যায় সারণীর ১৩ নম্বর গ্রুপে (বোরন গ্রুপ) অন্তর্ভুক্ত।
- এটি পৃথিবীর ভূত্বকের সবচেয়ে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।
- যা ভূত্বকের ওজনের প্রায় ৮.১%- ৮.২%।
- ব্যবহৃত অ-আয়রন ধাতুর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়।
- আবিষ্কার: ১৮২৫ সালে ডেনিশ পদার্থবিদ হ্যান্স খ্রিস্টিয়ান ওর্স্টেড অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইডকে পটাশিয়াম অ্যামালগাম দিয়ে রিডিউস করে অশুদ্ধ অ্যালুমিনিয়াম আলাদা করেন।
- ১৮২৭ সালে জার্মান রসায়নবিদ ফ্রিডরিখ ওয়োলার পটাশিয়াম ব্যবহার করে অ্যালুমিনিয়াম পাউডার এবং ছোট গোলক তৈরি করেন।
- ১৮০৯ সালে ব্রিটিশ রসায়নবিদ স্যার হামফ্রি ডেভি ফিউজড অ্যালুমিনা ইলেকট্রোলাইসিস করে আয়রন-অ্যালুমিনিয়াম মিশ্রধাতু তৈরি করেন এবং এটিকে "অ্যালুমিনিয়াম" নাম দেন।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৩৬.
’স্টবাক জলপ্রপাত’ কোথায় অবস্থিত?
  1. কানাডা 
  2. অস্ট্রিয়া
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. জাম্বিয়া 
ব্যাখ্যা

স্টবাক জলপ্রপাত:
- স্টবাক জলপ্রপাত সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত।
- ইউরোপীয় মহাদেশে অবস্থিত এই জলপ্রপাতের উচ্চতা প্রায় ৩০০ ফুট।
- এটি সুইজারল্যান্ডের তৃতীয় সর্বোচ্চ জলপ্রপাত।
- গ্রীষ্মে উষ্ণ বাতাস চারদিকে জল ঘোরা করে, যাতে জলপ্রপাতগুলি সমস্ত দিকে ছড়িয়ে পড়ে।

অন্যদিকে,
- ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত জাম্বিয়া/জিম্বাবুয়ে অবস্থিত।
- 'গুয়ারিয়া' জলপ্রপাত ব্রাজিলে অবস্থিত।
- এঞ্জেল জলপ্রপাত ভেনিজুয়েলায় অবস্থিত।
- নায়াগ্রা জলপ্রপাত যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় অবস্থিত।
- স্ট্যানলি ও লিভিংস্টোন জলপ্রপাত কঙ্গোতে অবস্থিত।
- ইগুয়াজু জলপ্রপাত ব্রাজিল/আর্জেন্টিনা অবস্থিত।

উৎস: Britannica.

৩৭.
সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেস্টের চারপাশে কত কিলোমিটার এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ১৫ কিলোমিটার
  2. ১০ কিলোমিটার
  3. ১২ কিলোমিটার
  4. ৮ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন সংরক্ষিত বনের (রিজার্ভ ফরেস্ট) চারপাশে ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকার (ইসিএ)।
- কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান বা প্রকল্প নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।
- ইসিএ ঘোষণার আলোকে ওই অঞ্চলে প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিবেশগত মান উন্নয়ন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও প্রশমন এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে।
- সুন্দরবনকে কেন্দ্র করে গঠিত ইসিএ এলাকায় পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় এ সিদ্ধান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৮.
গ্রাফাইট কোন ধরনের শিলা? 
  1. পাললিক শিলা
  2. আগ্নেয় শিলা 
  3. জৈব শিলা 
  4. রূপান্তরিত শিলা
ব্যাখ্যা

 রূপান্তরিত শিলা:
- গ্রাফাইট  রূপান্তরিত শিলা।

- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।

• রূপান্তরিত শিলা: 
- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট,
- গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে,
- কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

উৎস:  ভূগোল ও পরিবেশ, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯.
সর্বপ্রথম তড়িৎ চুম্বকের ধারণা দেন কে?
  1. ওয়েবার
  2. ওয়েরস্টেড
  3. গিলবার্ট
  4. কুলম্ব
ব্যাখ্যা

তড়িৎ প্রবাহে চৌম্বক ক্রিয়া:
- আধুনিক বিজ্ঞান জগতে তড়িৎ প্রবাহে চৌম্বক ক্রিয়ার প্রভাব সবচেয়ে বেশী অবদান রেখেছে।
- ফ্যান, মোটর, ইত্যাদি ঘূর্ণায়মান সকল যন্ত্রই তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়ার প্রভাবে কাজ করে।
- তড়িৎ প্রবাহ চারিদিকে চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি করে।
- এই অতি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ঘটনার আবিষ্কারক কোপেনহেগেনের অধ্যাপক বিজ্ঞানী হেন্স ক্রিশ্চিয়ান ওয়েরস্টেড (1820)।
- ওয়েরস্টডের এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তাঁর নাম অনুসারে চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রাবল্যের একক ওয়েরস্টেড (Oersted) করা হয়েছিল।
- তড়িৎ প্রবাহ যেহেতু গতিশীল তড়িৎ আধান, অতএব তড়িৎ আধান গতিশীল হলেই চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়।
- আধান স্থির থাকলে একে ঘিরে যে তড়িৎ ক্ষেত্র বর্তমান থাকে, আধান গতিশীল হলে তা দূরীভূত হয় এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের উদ্ভব হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০.
পারস্পরিক আবেশকে ব্যবহার করা হয়-
  1. ডায়োডে
  2. ট্রানজিস্টারে
  3. অ্যামপ্লিফায়ারে
  4. ট্রান্সফরমারে
ব্যাখ্যা

ট্রান্সফরমার পারস্পরিক আবেশ নীতিতে কাজ করে। 

পারস্পারিক আবেশ:
- পাশাপাশি স্থাপিত দুটি কুণ্ডলীর মধ্যে একটিতে তড়িৎ প্রবাহ মাত্রার পরিবর্তনের ফলে অপর কুণ্ডলীতে যে তড়িৎচালক বল আবিষ্ট হয় তাকে পারস্পারিক আবেশ বলে।

• পারস্পরিক আবেশের ব্যবহার: 
• রূপান্তরক বা ট্রান্সফরমার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে পর্যাবৃত্ত বা দিক পরিবর্তী উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে এবং নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তরিত করা যায় তাকে রূপান্তরক বা ট্রান্সফরমার বলে।
- তড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়।
যথা-
১। আরোহী বা স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার:
- যে ট্রান্সফরমার অল্প বিভবের অধিক তড়িৎ প্রবাহকে অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে আরোহী বা স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে।
অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার:
- যে ট্রান্সফরমার অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহকে অল্প বিভবের অধিক তড়িৎপ্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।

৪১.
ডুবোজাহাজ হতে পানির উপর কোনো বস্তু দেখার জন্য কোন আলোক যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
  1. স্পেকট্রোস্কোপ
  2. পেরিস্কোপ
  3. ক্যালিডোস্কোপ
  4. বাইনোকুলার
ব্যাখ্যা

• পেরিস্কোপ:
- পেরিস্কোপ হলো এমন একটি আলোক যন্ত্র, যা মূলত আয়না বা প্রিজম দিয়ে তৈরি হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি হয় যেন পানির নিচে থাকা ডুবোজাহাজের ভেতর থেকে মানুষ পানির উপরিভাগে থাকা বস্তু দেখতে পারে।

অন্যদিকে,
- স্পেকট্রোস্কোপ: আলোকরশ্মিকে তার উপাদান বর্ণালীতে বিশ্লেষণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ক্যালিডোস্কোপ (Kaleidoscope): এটি এমন একটি অপটিক্যাল যন্ত্র, যা একাধিক দর্পণ ব্যবহার করে বিভিন্ন প্যাটার্ন (Pattern) তৈরি করে।
- বাইনোকুলার (Binocular): দূরবর্তী বস্তুগুলোকে দেখার জন্য চোখের জন্য ব্যবহৃত দ্বিনেত্র দূরবীক্ষণ যন্ত্র।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪২.
এক্স রে মূলত-
  1. ধনাত্মক আধান যুক্ত
  2. ঋণাত্মক আধান যুক্ত
  3. আধান নিরপেক্ষ
  4. বিদ্যুৎ ক্ষেত্রের দিকে বিচ্যুত হয়
ব্যাখ্যা

এক্স-রে:
- জার্মান বিজ্ঞানী রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এক্স-রে তথা রঞ্জন রশ্মি আবিস্কার করেন।
- এই আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রনজেন 1901 সালে নোবেল পুরষ্কার পান।
- এক্স-রে আদান নিরপেক্ষ বা তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ (যে তরঙ্গ তার চলার পথে তড়িৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত বা বিচ্যুত হয় না)।
- এটি সরলপথে আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3 × 108 ms-1 বেগে গমন করে।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10- 8 m থেকে 10- 13 m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- এক্স-রে গ্যাসীয় মাধ্যমকে আয়নিত করে।
- এক্স-রে বিকিরণ পরিমাপ করার জন্য যে একক ব্যবহার করা হয় তাকে রন্টজেন বলা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪৩.
আলোক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় কোন যন্ত্রের মাধ্যমে?
  1. ডায়নামো
  2. ট্রান্সফরমার
  3. সৌরকোষ
  4. জেনারেটর
ব্যাখ্যা

আলোক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর:
- সৌরকোষ (Solar Cell) সূর্যের আলো শোষণ করে তা তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- এটি ফটোভোলটাইক প্রক্রিয়া দ্বারা কাজ করে।
- এটি সেমিকন্ডাক্টর (Semiconductor) পদার্থ দ্বারা তৈরি এবং সরাসরি সূর্যের আলো বা অন্য কোনো আলোর ফোটন কণা শোষণ করে ইলেকট্রনকে মুক্ত করে। এই মুক্ত ইলেকট্রনগুলির প্রবাহের ফলেই তড়িৎ শক্তি উৎপন্ন হয়।

অন্যদিকে,
- ডায়নামো/জেনারেটর: এই দুটি যন্ত্রই যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- ট্রান্সফরমার (Transformer): এটি শক্তির রূপান্তর করে না। এটি কেবল পরিবর্তী বিদ্যুৎ প্রবাহের (AC) ভোল্টেজ কমায় বা বাড়ায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪৪.
শীতকালে কাপড় দ্রুত শুকায়, এর প্রধান কারণ কী? 
  1. আপেক্ষিক আর্দ্রতা কম থাকে
  2. বায়ুর তাপমাত্রা কম থাকে
  3. বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে
  4. সূর্যের আলো তীব্র থাকে
ব্যাখ্যা

শীতকালে আপেক্ষিক আর্দ্রতা কম থাকায় বাতাস দ্রুত পানি শোষণ করতে পারে, ফলে কাপড় দ্রুত শুকায়।

বাষ্পীভবন ও আর্দ্রতা:
- কাপড় শুকানো একটি বাষ্পীভবন প্রক্রিয়া।
- বাষ্পীভবনের হার নির্ভর করে বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতার উপর।
- আপেক্ষিক আর্দ্রতা কম থাকলে বাতাসে জলীয়বাষ্প ধারণের ক্ষমতা বেশি থাকে।

• শীতকাল:
- শীতকালে ঠান্ডা ও শুষ্ক প্রকৃতির কারণে বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে।
-  এই কারণে শীতকালে বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা কম থাকে।
- ফলে বাতাস দ্রুত কাপড় থেকে পানি শোষণ করতে পারে।
- এজন্য কাপড় দ্রুত শুকিয়ে যায়।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫.
যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার-
  1. প্রতিসরণ তত কম
  2. বিচ্যুতি তত কম
  3. বিক্ষেপণ তত কম
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা

তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালি:
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ।
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর 4 × 10 - 7 মিটার থেকে 7 × 10- 7 মিটার।
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়।
এদের বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়।
- এদের মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর সবচেয়ে বেশি।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- দৃশ্যমান আলোর স্পেকট্রামে লাল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
- দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কারণে লাল আলো কম বিক্ষিপ্ত হয় এবং বস্তুর পৃষ্ঠ থেকে সহজে প্রতিফলিত হয়।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি।
- আর লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬.
অবতল লেন্স ব্যবহৃত হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. চোখের দীর্ঘ দৃষ্টি ত্রুটি সংশোধনে
  2. অণুবীক্ষণ যন্ত্র
  3. সৌর প্যানেলে সূর্যের আলো কেন্দ্রীভূত করতে
  4. চোখের হ্রস্ব দৃষ্টি (Myopia) ত্রুটি সংশোধনে
ব্যাখ্যা

চোখের হ্রস্ব দৃষ্টি (Myopia) ত্রুটি সংশোধনে অবতল লেন্স ব্যবহৃত হয়।

লেন্স:
- দুটি গোলকীয় অথবা একটি গোলকীয় এবং একটি সমতল পৃষ্ঠ দ্বারা আবদ্ধ কোন স্বচ্ছ প্রতিসারক আলোক মাধ্যমকে লেন্স বলে।
- লেন্স প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
১. অভিসারী বা উত্তল লেন্স:
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে অভিসারী লেন্স বলে।

- উত্তল লেন্সের ব্যবহার:
১. উত্তল লেন্সকে আতশী কাঁচ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
২. উত্তল লেন্সের সাহায্যে আলোক রশ্মিকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
৩. ক্যামেরা, বিবর্ধক কাঁচ, অণুবীক্ষণ যন্ত্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
৪. সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টরে ব্যবহার করা হয়।
৫. চোখের দীর্ঘ দৃষ্টি ত্রুটি সংশোধনে।

২. অপসারী বা অবতল লেন্স:
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে তাকে অপসারী লেন্স বলে।
- অবতল লেন্সের ব্যবহার:
১. চোখের হ্রস্ব দৃষ্টি (Myopia) ত্রুটি সংশোধনে।
৩. গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৭.
একটি স্থানের তাপমাত্রা 77°F হলে, সেলসিয়াস স্কেলে ঐ তাপমাত্রা কত হবে?
  1. 27.5° C
  2. 20° C
  3. 29.5° C
  4. 25° C
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি স্থানের তাপমাত্রা 77°F হলে, সেলসিয়াস স্কেলে ঐ তাপমাত্রা কত হবে?

সমাধান:
ফারেনহাইট ও সেলসিয়াস স্কেলের সম্পর্ক হলো:
C/5 = (F - 32)/9

F = 77° হলে,
C/5 = (77 - 32)/9
⇒ C/5 = 45/9
⇒ C = (45 × 5)/9
⇒ C = 225/9
∴ C = 25°