পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন৪৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৯: রিভিশন পরীক্ষা - ১ Topic: The Code of Civil Procedure, 1908 (পরীক্ষা ১,৩,৫,৭) এবং বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ধারণা ও এতদসংক্রান্ত আইন General part: (পরীক্ষা ২,৪,৬,৮)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৫ প্রশ্ন

.
মোকদ্দমা খারিজের আদেশের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. সবসময় আপীলযোগ্য
  2. সকল ক্ষেত্রে আপীলঅযোগ্য
  3. আপীলযোগ্যতা বাদীর ইচ্ছার উপর নির্ভর করে
  4. আপীলযোগ্য বা আপীলঅযোগ্য উভয় হতে পারে
সঠিক উত্তর:
আপীলযোগ্য বা আপীলঅযোগ্য উভয় হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীলযোগ্য বা আপীলঅযোগ্য উভয় হতে পারে
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমা খারিজ:
মোকদ্দমা খারিজ হলো একটি আদেশ। এটা আপীলযোগ্য হতে পারে আবার নাও হতে পারে। মোকদ্দমা খারিজের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে কি যাবে না তা নির্ভর করে, নির্দিষ্ট কোন বিধিতে মোকদ্দমা খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করার বিধান করা হয়েছে কিনা।

যেমন- ৯ আদেশের অধীন মোকদ্দমা খারিজ করা হলে, তার বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না কারণ এই ক্ষেত্রে আপীলের বিধান দেওয়ানী কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়নি। কিন্তু ১১ আদেশের ২১ বিধির অধীন মোকদ্দমা খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে কারণ ৪৩ আদেশের ১(চ) বিধি অনুযায়ী, ১১ আদেশের ২১ বিধির অধীন আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।
.
কোন দেওয়ানী আদালতের আদি এখতিয়ার নেই?
  1. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  2. সহকারী জজ আদালত
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
  4. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী আদালতের আদি বা মূল এখতিয়ার [Original Jurisdiction]:
যে সকল দেওয়ানী আদালতের আদি এখতিয়ার আছে, সে সকল আদালত প্রাথমিকভাবে দেওয়ানী মামলা আমলে নিয়ে বিচার করে এবং রায় দেয়। সকল দেওয়ানী আদালতের দেওয়ানী মোকদ্দমা বিচারার্থে আমলে গ্রহণ করার আদি এখতিয়ার নেই। অর্থাৎ প্রাথমিকভাবে দেওয়ানী মোকদ্দমা বিচারের জন্য আমলে নিতে পারে না।

Civil Courts Act, 1887 এর ১৮ এবং ১৯ ধারা অনুসারে নিম্নলিখিত দেওয়ানী আদালতগুলোর আদি এখতিয়ার আছে-
১. জেলা জজ আদালত;
২. যুগ্ম জেলা জজ আদালত;
৩. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত;
৪. সহকারী জজ আদালত।

Civil Courts Act, 1887 এর ১৮ ধারা অনুসারে জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা জজ এবং ১৯ ধারা অনুসারে সিনিয়র সহকারী জজ ও সহকারী জজের এখতিয়ার মূল মামলা বিচারার্থে যেকোন দেওয়ানী মূল মোকদ্দমা আমলে নিতে পারে। কিন্তু অতিরিক্ত জেলা জজের কোন আদি এখতিয়ার নেই। বিশেষ ক্ষেত্রে এবং আইনে উল্লেখ থাকলে জেলা জজ আদি এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে এবং প্রাথমিকভাবে মোকদ্দমা বিচার করতে পারে। যেমন- ট্রেডমার্ক আইন, কপিরাইট আইন বিষয়ে জেলা জজের আদি এখতিয়ার আছে। কিন্তু অতিরিক্ত জেলা জজের কোন আদি এখতিয়ার কোন আইনে দেওয়া হয় নি। অর্থাৎ অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে মূল মামলা দায়ের করা যায় না।
.
মোকদ্দমার শুনানি মুলতুবি করে আদালত পরবর্তীতে যে দিন শুনানির জন্য নির্ধারণ করে, সেই দিন পক্ষগণ হাজির হতে ব্যর্থ হলে, আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশের বিধান অনুসরণ করবে?
  1. আদেশ ৫
  2. আদেশ ৯
  3. আদেশ ১১
  4. আদেশ ১৩
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৯
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৭ বিধি-২ অনুযায়ী,
মোকদ্দমার শুনানি মুলতুবি করে আদালত পরবর্তীতে যে দিন শুনানির জন্য নির্ধারণ করে, সেই দিন পক্ষগণ বা তাদের কোন এক পক্ষ হাজির হতে ব্যর্থ হলে, আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ আদেশ অনুযায়ী আদেশ দিতে পারে।

অর্থাৎ, যদি বাদী এবং বিবাদী উভয় হাজির না হয় বা যদি শুধুমাত্র বাদী হাজির না হয় তাহলে মোকদ্দমা খারিজ করবে এবং বিবাদী হাজির না হলে একতরফা ডিক্রি দিবে বা আদালত যেমন মনে করে তেমন আদেশ দিতে পারবে। এই ক্ষেত্রে সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ৯ আদেশে যে রকম প্রতিকার আছে তেমন প্রতিকার পাবে। অর্থাৎ বাদী হলে মোকদ্দমা খারিজ আদেশ বাতিলে আবেদন করতে পারবে বা বিবাদী হলে একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন করবে বা আপীল করতে পারবে।
.
Under Section 89A of The Code of Civil Procedure, 1908, when can the court initiate mediation?
  1. At any stage of the suit
  2. Before the filing of the written statement
  3. Only after the final judgment is passed
  4. After the filing of the written statement
সঠিক উত্তর:
After the filing of the written statement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
After the filing of the written statement
ব্যাখ্যা
Section 89A- Mediation:
(1) Except in a suit under the Artha Rin Adalat Ain, 2003 (Act No. 8 of 2003)], after filing of written statement, if all the contesting parties are in attendance in the Court in person or by their respective pleaders, 3[the Court shall], by adjourning the hearing, mediate in order to settle the dispute or disputes in the suit, or refer the dispute or disputes in the suit to the concerned Legal Aid Officer appointed under the Legal Aid Act, 2000 (Act No. 6 of 2000), or to the engaged pleaders of the parties, or to the party or parties, where no pleader or pleaders have been engaged, or to a mediator from the panel as may be prepared by the District Judge under sub-section (10), for undertaking efforts for settlement through mediation.

ধারা ৮৯ক- মধ্যস্থতা:
(১) অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ (২০০৩ সালের ৮নং আইন) এর অধীন ছাড়া লিখিত জবাব পেশের পর সমস্ত প্রতিদ্বন্দী বিবাদী নিজ দায়িত্বে বা তাদের নিজ নিজ উকিল দ্বারা উপস্থিত হলে আদালত মামলার বিরােধ বা বিরােধ গুলাে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে শুনানী বন্ধ রেখে মধ্যস্থতা করতে পারেন, বা মধ্যস্থতার দ্বারা নিষ্পত্তির লক্ষ্যে পক্ষগুলাের নিযুক্ত আইনজীবী বা আইনজীবীদের নিকট বা আইনজীবী নিযুক্তকৃত না থাকলে পক্ষ বা পক্ষগুলাের নিকট মামলার বিরােধ বা বিরােধ গুলাে নিষ্পত্তির ব্যাপারটি পাঠাতে পারেন, বা ১০নং উপ-ধারানুযায়ী জেলা জজ দ্বারা প্রণয়ণকৃত প্যানেলের কোন মধ্যস্থতাকারীর নিকট পাঠাতে পারেন।
.
যদি কোনো অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতি এক আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে সংঘটিত হয় এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারে বসবাস করে, তাহলে বাদী কোথায় ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে?
  1. যেখানে উভয় পক্ষ রাজি হয়
  2. যেখানে ক্ষতি সংঘটিত হয়েছে
  3. যেখানে বিবাদী বসবাস করে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯ ধারায় বলা হয়েছে,
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে, এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করতে পারবে।

অন্যদিকে,
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত দেওয়ানী মোকদ্দমার বিষয়ে দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পর্কে ১৬, ১৭ এবং ১৮ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। অর্থাৎ স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা দায়েরের  দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার ১৬, ১৭ এবং ১৮ ধারা অনুসারে নির্ধারণ করতে হবে ও মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
.
যেক্ষেত্রে বিরোধীয় মোকদ্দমা আপোষের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়, সেক্ষেত্রে পারিবারিক আদালত-
  1. মোকদ্দমা স্থগিত করবে
  2. পক্ষগণ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলসমূহ পরীক্ষা করবে
  3. সমস্ত পক্ষের পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণ করবে
  4. আপোষ চুক্তির ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করবে
সঠিক উত্তর:
আপোষ চুক্তির ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপোষ চুক্তির ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১১ অনুযায়ী,
আদালতে লিখিত জবাব দাখিল করা হইলে পারিবারিক আদালত মোকদ্দমার বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে। বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য ধার্যকৃত তারিখে আদালত আরজি, লিখিত জবাব এবং পক্ষগণ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলসমূহ পরীক্ষা করিবে এবং যথাযথ মনে করিলে, পক্ষগণের বক্তব্যও শ্রবণ করিবে এবং আদালত বিচার-পূর্ব শুনানিকালে পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়সমূহ ধার্য করিবে এবং সম্ভব হইলে পক্ষগণের মধ্যে একটি আপোষ বা মীমাংসার চেষ্টা করিবে।

ধারা ১৪ অনুযায়ী-
পারিবারিক আদালত, সকল পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হইবার পর পুনরায় উভয় পক্ষের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠার জন্য পুনরায় প্রচেষ্টা চালাইবে।

ধারা ১৫- আপোষ ডিক্রি:
যেক্ষেত্রে বিরোধীয় মোকদ্দমা আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়, সেই ক্ষেত্রে আদালত উক্ত আপোষ বা মীমাংসা চুক্তির ভিত্তিতে মোকদ্দমার ডিক্রি বা সিদ্ধান্ত প্রদান করিবে।
.
আদেশ ২৩ বিধি ১ অনুযায়ী, কোন মামলায় একাধিক বাদী থাকলে, আদালত অন্যান্য বাদীদের অনুমতি ছাড়া কোন একজন বাদীকে মোকদ্দমা -
  1. প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারবেন
  2. স্থগিত করার অনুমতি দিতে বাধ্য
  3. দায়েরের অনুমতি দিতে বাধ্য
  4. প্রত্যাহার করার অনুমতি দিবে না
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাহার করার অনুমতি দিবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাহার করার অনুমতি দিবে না
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমা প্রত্যাহার:

আদেশ ২৩, বিধি ১ অনুযায়ী-
১. মামলা দায়ের হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী মামলা প্রত্যাহার করতে পারে বা মোকদ্দমায় দাবীর অংশ পরিত্যাগ করতে পারে; [উপবিধি-১] অথবা
২. রীতিসিদ্ধ কোন ত্রুটির কারণে মামলাটি ব্যর্থ হওয়ার কারণ আছে বা মামলার বিষয়বস্তুর জন্য বাদীকে নতুন করে মামলা করার অনুমতি প্রদানের যথেষ্ট অজুহাত আছে বলে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হলে আদালত উক্ত মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে নতুন করে মামলা করার অনুমতিসহ মামলা প্রত্যাহারের আবেদন মঞ্জুর করতে পারে। [উপবিধি-২]

উপবিধি-১ অনুযায়ী বাদী মোকদ্দমার যে কোন সময় আদালতের অনুমতি ছাড়া এবং কোন কারণ ছাড়া তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে পারে বা মোকদ্দমার কোন দাবীর অংশ ত্যাগ করতে পারে। উপবিধি ২ এর অধীন বাদী আদালতের অনুমতি নিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করা প্রয়োজন যদি বাদী উক্ত একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে চায়। যদি বাদী নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করার অনুমতি না নিয়ে উপবিধি ২ এর অধীন মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে তাহলে সে-
১. একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না এবং
২. খরচ প্রদানের জন্য দায়ী হবে।

তাছাড়া, কোন মামলায় একাধিক বাদী থাকলে, আদালত অন্যান্য বাদীদের অনুমতি ছাড়া কোন একজন বাদীকে মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিবে না [আদেশ ২৩ বিধি ১(৪)]।
.
গ্রাম আদালত গঠন হওয়ার অনধিক কত দিনের মধ্যে পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করবে?
  1. ৫ দিনের মধ্যে
  2. ৭ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৩০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬: ধারা ৬খ- প্রাক বিচার:

(১) ধারা ৫ এর অধীন গ্রাম আদালত গঠিত হইবার অনধিক ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে গ্রাম আদালতের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হইবে এবং উক্ত অধিবেশনে গ্রাম আদালত উভয় পক্ষের শুনানী করিয়া মামলার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করিবে এবং পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করিবে।

(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা হইলে, উক্তরূপ উদ্যোগ গ্রহণের তারিখ হইতে ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি হইলে, মীমাংসার শর্তাবলী উল্লেখপূর্বক উভয়পক্ষ যৌথভাবে একটি আপোষনামা স্বাক্ষর বা বাম হস্তের বৃদ্ধাঙ্গুলির ছাপ প্রদান করিবেন এবং সাক্ষী হিসাবে উভয়পক্ষের মনোনীত সদস্যগণ আপোষনামায় স্বাক্ষর করিবেন।

(৪) উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী আপোষনামা স্বাক্ষরিত হইলে, গ্রাম আদালত নির্ধারিত ফরমে উহার আদেশ লিপিবদ্ধ করিবে এবং উক্তরূপ আদেশ গ্রাম আদালতের আদেশ বা ডিক্রী বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) এই ধারার অধীন আপোষনামার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি করা হইলে উহার বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন দায়ের করা যাইবে না।
.
আদেশ ৩৩ বিধি ৫ অনুসারে আদালত কোন কারণে নিঃস্ব ব্যক্তির আবেদনপত্র অগ্রাহ্য করতে পারে?
  1. আবেদনকারী আদালতে উপস্থিত না হলে
  2. অভিযোগের যথেষ্ট প্রমাণ না থাকলে
  3. আবেদনকারী সম্পত্তির দখলে না থাকলে
  4. আবেদনপত্র যথাযথ পদ্ধতিতে প্রণয়ন ও দাখিল করা না হলে
সঠিক উত্তর:
আবেদনপত্র যথাযথ পদ্ধতিতে প্রণয়ন ও দাখিল করা না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবেদনপত্র যথাযথ পদ্ধতিতে প্রণয়ন ও দাখিল করা না হলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-৫: আবেদনপত্র অগ্রাহ্য:

নিম্নোক্ত উপায়ে নিঃস্ব ব্যক্তির ন্যায় আদালতে অভিযুক্ত করার আবেদন আদালত অগ্রাহ্য করতে পারে-
ক) যেক্ষেত্রে ২ এবং ৩ বিধিসমূহের নির্ধারিত পদ্ধতিতে এটি প্রণয়ন ও দাখিল করা হয়নি; বা
খ) যেক্ষেত্রে আবেদনকারী নিঃস্ব নয়; বা
গ) যেক্ষেত্রে সে আবেদনপত্র উপস্থাপনের অব্যবহিত দুই মাসের মধ্যে তঞ্চকতা-মূলকভাবে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতির জন্য আবেদন করতে সমর্থ হওয়ার জন্য কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে; বা
ঘ) যেক্ষেত্রে তার অভিযোগের কোন নালিশের কারণ দেখানো হয় না; বা
ঙ) যেক্ষেত্রে যে প্রস্তাবিত মোকদ্দমার অধীনে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন চুক্তিতে পৌঁছেছে, যার ফলে উক্ত বিষয়বস্তুতে অন্য কোন ব্যক্তি স্বার্থ অর্জন করেছে সে সকল ক্ষেত্রে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা করার অনুমতি লাভের প্রার্থনা আদালত অগ্রাহ্য করবে।
১০.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪১ আদেশের ______ বিধিতে পাল্টা আপত্তি [Cross-objection] সংক্রান্ত বিধান আছে।
  1. ২১
  2. ২২
  3. ২৪
  4. ২৫
সঠিক উত্তর:
২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২
ব্যাখ্যা
পাল্টা আপীল বা পাল্টা আপত্তি [Cross-objection]:
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪১ আদেশের ২২ বিধিতে পাল্টা আপত্তি সংক্রান্ত বিধান আছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ৪১ আদেশের ২২ বিধিতে বলা হয়েছে, রেসপন্ডেট বা প্রতিবাদী ডিক্রির কোনো অংশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের না করেও ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীলে যে-আপত্তি উত্থাপন করতে পারতো, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অপর পক্ষের দায়েরকৃত আপিলের পাল্টা আপত্তি দাখিল করে তা করতে পারে। যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় আদালত সিদ্ধান্ত আংশিক বাদীর অনুকূলে এবং আংশিক বিবাদীর অনুকূলে প্রদান করে, সেই ক্ষেত্রে সংক্ষুদ্ধ পক্ষ (বাদী বা বিবাদী) আপীল দায়ের করতে পারে এবং বিরোধী পক্ষ নিম্নবর্ণিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে-

i. ডিক্রির যে অংশ তার বিরুদ্ধে সেই অংশের বিরুদ্ধে তিনি আপীল দায়ের করতে পারে। এই ক্ষেত্রে একই ডিক্রির বিরুদ্ধে ২টি আপীল হয়। একটি আপীল বাদী কর্তৃক এবং অন্যটি বিবাদী কর্তৃক। এটাই পাল্টা আপীল হিসাবে পরিচিত এবং উভয় আপীল একত্রে নিষ্পত্তি করা হবে।

ii. ডিক্রির যে অংশ তার বিরুদ্ধে সেই অংশের বিরুদ্ধে তিনি আপীল দায়ের না করে বরং তিনি উক্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপত্তি দাখিল করতে পারে। এমন আপত্তি 'পাল্টা আপত্তি' হিসাবে পরিচিত। 

iii. অথবা তার বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদানে বিচারিক আদালত যে যুক্তি দিয়েছে সেটা মেনে নিয়ে পাল্টা আপীল বা আপত্তি কোনটি দায়ের নাও করতে পারে।

প্রতিবাদী যে ক্ষেত্রে পৃথক আপীল করতে পারতো কিন্তু করেনি এবং নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে নিষ্পত্তিকৃত ডিক্রির কোন সঙ্গত কারণ সমর্থন না করলে, সেই ক্ষেত্রে তিনি পাল্টা আপত্তি দায়ের করতে পারে।
১১.
সাধারণত কে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করেন?
  1. আদালত
  2. মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর প্রকৃত মালিক
  3. মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর দাবীদার ব্যক্তিসমূহ
  4. যার নিকট হতে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু দাবি করা হচ্ছে
সঠিক উত্তর:
যার নিকট হতে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু দাবি করা হচ্ছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যার নিকট হতে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু দাবি করা হচ্ছে
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৮: ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা কখন রুজু করা যেতে পারে:
যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি, অন্য কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয়, উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি- দাওয়া না থাকে এবং যদি তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন, তবে ঐ সম্পত্তি বা অর্থ কার নিকট অর্পণ করতে হবে, সে বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য ঐরূপ দাবিদারগণের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, সকল পক্ষের অধিকার যা দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে, এমন কোন মোকদ্দমা যদি বিচারাধীন থাকে তাহলে, ঐরূপ ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।

Sec.-88: Where interpleader suit may be instituted:
Where two or more persons claim adversely to one another the same debt, sum of money or other property, movable or immovable, from another person, who claims no interest therein other than for charges or costs and who is ready to pay or deliver it to the rightful claimant, such other person may institute a suit of interpleader against all the claimants for the purpose of obtaining a decision as to the person to whom the payment or delivery shall be made and of obtaining indemnity for himself:

Provided that where any suit is pending in which the rights of all parties can properly be decided, no such suit of interpleader shall be instituted.
১২.
আদেশ ৮ বিধি ২ অনুযায়ী বিবাদী তার লিখিত জবাবে সেই বিষয়গুলো উত্থাপন করবে, যা থেকে দেখা যাবে যে-
  1. মোকদ্দমাটি রক্ষণীয়
  2. মোকদ্দমাটি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল
  3. মোকদ্দমা দায়েরের যথেষ্ট কারণ আছে
  4. মোকদ্দমাটি আইনের দৃষ্টিতে বৈধ
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৮ বিধি ২-
বিবাদী তার জবাবে ঐ সমস্ত বিষয়াবলী উত্থাপন করবে যা থেকে দেখা যাবে যে, মোকদ্দমাটি রক্ষণীয় নয় অথবা বিষয়টি আইনের দৃষ্টিতে বাতিল বা বাতিলযোগ্য এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের ঐ সমস্ত হেতু উত্থাপন করবেন, যা উত্থাপন না করলে অপর পক্ষ বিস্মিত হত কিংবা আরজিতে উল্লেখ করা হয়নি এরূপ বিষয়াবলী উপস্থাপন করবেন যথা- তক্ষকতা, তামাদি, মুক্তি, পরিশোধ, কার্য সম্পাদন কিংবা আইনবিরুদ্ধ প্রমাণকারী তথ্যসমূহ।

সহজ ভাষায় বলতে গেলে,
বিবাদী তার জবাবে এমন বিষয়গুলো উল্লেখ করবে যা দেখাবে যে, মামলা টিকসই নয় বা আইনের দৃষ্টিতে অবৈধ বা বাতিলযোগ্য। এছাড়াও, এমন কারণগুলো তুলে ধরবেন, যা আগে উল্লেখ করা হয়নি এবং না বললে অপর পক্ষ আশ্চর্য হতে পারত। যেমন: প্রতারণা, মামলা দায়েরের সময়সীমা (তামাদি) পেরিয়ে যাওয়া, ঋণ পরিশোধ, চুক্তি পালন, বা অন্য কোন আইনগত প্রতিবন্ধকতা। এগুলো মামলা খারিজ করার বা আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বিবাদীর প্রধান কারণ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।

[The defendant must raise by his pleading all matters which show the suit not to be maintainable or that transaction is either void or voidable in point of law and all such grounds of defence as if not raised, would be likely to take the opposite party by surprise or would raise issues of fact not arising out of the plaint as for instance, fraud, limitation, release, payment, performance, or facts showing illegality.]
১৩.
আরজি দাখিলের সময় বিবাদী যদি বাদীর দাবি স্বীকার করেন, তখন আদালত-
  1. সমন প্রেরণ করবে
  2. মোকদ্দমাটি খারিজ করবে
  3. সমন প্রেরণ করবে না
  4. মোকদ্দমার শুনানি স্থগিত করবে
সঠিক উত্তর:
সমন প্রেরণ করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমন প্রেরণ করবে না
ব্যাখ্যা
• আরজির মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানী মামলায় বিবাদী পক্ষকে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত যে পত্র বা নোটিশের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়, তাকে সমন বলে ।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫ বিধি ১নং অনুযায়ী-
১) মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবীর সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদীর নিকট সমন প্রেরণ করবে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমার মধ্যে সমন প্রেরণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে সে অসদাচরণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হবেন আরো শর্ত থাকে যে, যদি বিবাদী আরজি দাখিল করার সময়ে হাজির হয়ে বাদীর দাবি স্বীকার করে নেন, তাহলে এরূপ কোন সমন প্রেরণ করা যাবে না।

২) বিবাদীর উপর উপবিধি-১ মোতাবেক সমন প্রেরণ করা হলে নিম্নোক্ত যে কোন পদ্ধতিতে বিবাদী হাজিরা দিতে পারবে—
ক) ব্যক্তিগতভাবে, অথবা
খ) মক্কেলের নির্দেশ প্রাপ্ত এবং মোকদ্দমা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সকল প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সক্ষম এবং কোন কৌশুলী কর্তৃক, অথবা
গ) অনুরূপ সকল প্রশ্নের উত্তর দানে সক্ষম কোন ব্যক্তি সহযোগে কোন কৌশুলী কর্তৃক বিবাদী হাজিরা দিতে পারে।
১৪.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুযায়ী, আদালত কয়টি ক্ষেত্রে কমিশন ইস্যু করতে পারে?
  1. নির্দিষ্ট নয়
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৭৫ ধারা অনুযায়ী, আদালত নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কমিশন ইস্যু করতে পারে;
১. কোন ব্যক্তির জবানবন্দি বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে;
২. স্থানীয় বা সরেজমিনে তদন্ত অনুষ্ঠানের জন্য;
৩. হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করতে;
৪. সম্পত্তি বাটোয়ারা করার জন্য।

Section-75: Power of Court to issue commissions:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, the Court may issue a commission-
(a) to examine any person;
(b) to make a local investigation;
(c) to examine or adjust accounts;
(d) to make a partition.
১৫.
'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করেছে। মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী মোকদ্দমাটি সহকারী জজ আদালতে দায়ের করতে হবে। সিনিয়র সহকারী জজ আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত পাঠায়। এক্ষেত্রে 'ক' এর প্রতিকার কী?
  1. কোনো প্রতিকার নেই
  2. শুধুমাত্র ফেরতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারে
  3. শুধুমাত্র এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজি পুনরায় দাখিল করতে পারে
  4. সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল বা এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজি পুনরায় দাখিল করতে পারে
সঠিক উত্তর:
সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল বা এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজি পুনরায় দাখিল করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল বা এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজি পুনরায় দাখিল করতে পারে
ব্যাখ্যা
• এই ক্ষেত্রে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি পুনরায় দাখিল করতে পারেন বা আরজি ফেরতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারেন।

আরজি ফেরত:

দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ আদেশের বিধি-১০ অনুযায়ী, আরজি ফেরত অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেওয়া। যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতের উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।

আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার হলো-
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২. আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৩ আদেশের ১ (ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপীলযোগ্য আদেশ।
১৬.
সালিস আইন, ২০০১ এর অধীন সালিসী ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে প্রধান শর্ত কী?
  1. সরকারের অনুমোদন
  2. আদালতের নির্দেশ
  3. সকল পক্ষের সম্মতি
  4. লিগ্যাল এইড অফিসারের নির্দেশ
সঠিক উত্তর:
সকল পক্ষের সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল পক্ষের সম্মতি
ব্যাখ্যা
সালিস আইন, ২০০১: ধারা ২২-সালিস ব্যতীত অন্যভাবে নিষ্পত্তি:
(১) সালিসী ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক সালিস ব্যতীত অন্যভাবে বিরোধের নিষ্পত্তি উৎসাহিত করা হইলে উহা সালিস কার্যধারার সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ হইবে না এবং সালিসী ট্রাইব্যুনাল সকল পক্ষের সম্মতিক্রমে, সালিসী কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে, বিরোধীয় বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতা, আপোষ বা অন্য যে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করিতে পারিবে।
 
(২) সালিসী কার্যধারা চলাকালে পক্ষগণ বিরোধীয় বিষয়টি আপোষে নিষ্পত্তি করিলে এবং পক্ষগণ কর্তৃক অনুরুদ্ধ হইলে, সালিসী ট্রাইব্যুনাল উক্তরূপ নিষ্পত্তিকে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হিসাবে সালিসী রোয়েদাদ আকারে লিপিবদ্ধ করিবে। 

(৩) সর্বসম্মত শর্তে সালিসী রোয়েদাদ ধারা ৩৮ মোতাবেক প্রদত্ত হইবে এবং উহা যে একটি সম্মত শর্তের সালিসী রোয়েদাদ এই মর্মে উক্ত রোয়েদাদে উল্লেখ করিতে হইবে। 

(৪) সর্বসম্মত শর্তের সালিসী রোয়েদাদের মর্যাদা ও কার্যকরতা বিরোধীয় অন্য যে কোন বিষয়ে প্রদত্ত সালিসী রোয়েদাদের অনুরূপ হইবে।
১৭.
'অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ' এর ক্ষেত্রে সঠিক বিবৃতি কোনটি?
  1. শুধুমাত্র চূড়ান্ত ডিক্রির সময় এই আদেশ দেয়া হয়
  2. মোকদ্দমার চূড়ান্ত রায় হওয়ার পর এই আদেশ জারি করা হয়
  3. এই আদেশ চূড়ান্তভাবে পক্ষদ্বয়ের অধিকার নির্ধারণ করে
  4. মোকদ্দমা দায়ের এবং চূড়ান্ত রায় হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে এই আদেশ দেয়া যায়
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা দায়ের এবং চূড়ান্ত রায় হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে এই আদেশ দেয়া যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা দায়ের এবং চূড়ান্ত রায় হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে এই আদেশ দেয়া যায়
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ [Ad-inerim Orders]:
অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ হলো মোকদ্দমার কার্যক্রম চলমান থাকার সময়, আদালত কর্তৃক জারিকৃত আদেশ যে গুলো চূড়ান্তভাবে মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে পক্ষদ্বয়ের অধিকার এবং দায় নির্ধারণ করে না। মোকদ্দমা দায়ের পর এবং চূড়ান্ত রায়ের আগে, আদালত প্রয়োজনীয় অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দিতে পারে। মোকদ্দমা দায়ের এবং চূড়ান্ত রায় হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে, আদালত মোকদ্দমার পক্ষদ্বয়ের অধিকার রক্ষা করার জন্য, অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দিতে পারে।

দেওয়ানী আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশসমূহ:
- আদালতে জমাদানের আদেশ;
- ব্যয়ের জন্য জামানত প্রদানের আদেশ;
- কমিশন জারির আদেশ;
- রায়ের পূর্বে আটক আদেশ;
- রায়ের পূর্বে ক্রোক আদেশ;
- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদেশ;
- অন্তবর্তীকালীন আদেশ;
- রিসিভার নিয়োগের আদেশ।
১৮.
আদেশ ১৮ বিধি ২০ অনুযায়ী- চূড়ান্ত পর্যায়ে মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরের নিচে নামলে, শুনানির জন্য আদালত নতুন মোকদ্দমা কীভাবে নির্ধারণ করবে?
  1. প্রমাণের ভিত্তিতে
  2. আইনজীবীর পরামর্শে
  3. আবেদনকারীর পছন্দ অনুযায়ী
  4. দাখিল করা তারিখের ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
দাখিল করা তারিখের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাখিল করা তারিখের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৮ বিধি ২০:
কোন আদালত চূড়ান্ত শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় আংশিক শ্রবণীয় মোকদ্দমাসহ পাঁচটির অধিক মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশতটির অধিক মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না; এবং নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিম্নে নেমে আসলে সাধারণত দাখিল করা তারিখের উপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে তৈরীকৃত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট না হলে যথোপযুক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকবে।

Order-18 Rule-20: Fixation of suits in the daily cause list, etc:
The court shall not fix more than five suits including two part-heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing and more than one hundred suits in the peremptory stage, and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than seventy, the Court shall then bring in more suit in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits: 
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.
১৯.
If a suit is dismissed and then restored under Order 9 Rule 15, what stage will it continue from?
  1. From the final hearing
  2. From the judgment stage
  3. From the beginning of the suit
  4. From the stage it was at before the order of dismissal
সঠিক উত্তর:
From the stage it was at before the order of dismissal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
From the stage it was at before the order of dismissal
ব্যাখ্যা
Order 9 Rule 15:
Where the dismissal of a suit is set aside under rule 4 or rule 9, or a decree is set aside under rule 13, the suit shall, on restoration, proceed from the stage where it was immediately before the making of the order of dismissal or passing of the decree.

আদেশ ৯ বিধি ১৫:
যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমার খারিজ সংক্রান্ত আদেশ ৪ কিংবা ৯নং বিধির অধীনে কিংবা ৩১নং বিধির অধীনে কোন ডিক্রি রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি পুনর্বহাল করার পরিপ্রেক্ষিতে, খারিজ করার আদেশ দান কিংবা ডিক্রি দেয়ার অব্যবহিত পূর্বে যে পর্যায়ে অবস্থিত ছিল, উক্ত পর্যায় হতে মোকদ্দমাটি চালু করা হবে।

অর্থাৎ, মোকদ্দমা খারিজ আদেশ প্রত্যাহার করা হলে- মোকদ্দমাটি খারিজ আদেশ দেয়ার পূর্বে যে পর্যায়ে অবস্থিত ছিল, সেই অবস্থা থেকে চালু হবে।
২০.
আদেশ-৩৮ বিধি-৯ অনুযায়ী, কোন অবস্থায় আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করার আদেশ দিবে?
  1. বাদী আপত্তি করলে
  2. সাক্ষী হাজির না হলে
  3. মামলার শুনানি শেষ হলে
  4. বিবাদী জামানত প্রদান করলে
সঠিক উত্তর:
বিবাদী জামানত প্রদান করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী জামানত প্রদান করলে
ব্যাখ্যা
• আদালত ২টি কারণে রায় ঘোষণার পূর্বে প্রদত্ত ক্রোক আদেশ প্রত্যাহার করতে পারেন যথা-
ক) বিবাদী জামানত এবং অন্যান্য খরচ আদালতে দাখিল করলে; এবং
খ) মোকদ্দমা খারিজ হলে।

আদেশ-৩৮ বিধি-৯: জামানত প্রদান করা হলে কিংবা মোকদ্দমা খারিজ করা হলে ক্রোক অপসারণ:
যেক্ষেত্রে রায়ের পূর্বে ক্রোকের জন্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে বিবাদি ক্রোকের খরচাদির জামানতসহ আবশ্যকীয় জামানত প্রদান করে বা মোকদ্দমাটি খারিজ হলে আদালত ক্রোক প্রত্যাহার করে আদেশ দিবে।

Order-38 Rule-9: Removal of attachment when security furnished or suit dismissed:
Where an order is made for attachment before judgment, the Court shall order the attachment to be withdrawn when the defendant furnishes the security required, together with security for the costs of the attachment, or when the suit is dismissed.
২১.
বিবাদীর আবেদনক্রমে আদালত মোকদ্দমার বাদীকে দলিল প্রকাশ করতে আদেশ দিয়েছিল। কিন্তু বাদী তা প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আদালত আদেশ-১১, বিধি-২১ এর অধীন নিম্নলিখিত কোন আদেশ দিতে পারে?
  1. মোকদ্দমার খারিজ আদেশ
  2. আত্মপক্ষ সমর্থন বাতিলের আদেশ
  3. জামানত প্রদানের আদেশ
  4. নতুন মোকদ্দমা দায়েরের নির্দেশ
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার খারিজ আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার খারিজ আদেশ
ব্যাখ্যা
• আদেশ-১১, বিধি-২১ (আদেশ অমান্যকরণ)-
যেক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রশ্নমালার উত্তর দানের বা দলিলসমূহের উদ্ঘাটন বা পরিদর্শনের জন্য কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তদক্ষেত্রে সে যদি বাদী হয় তবে পরিচালনার অভাবে তার মোকদ্দমা খারিজ হওয়ার জন্য সে দায়ী হবে, এবং যদি বিবাদী হয় তবে তার যদি কোন জবাব থাকে, উহা কর্তন হওয়ার নিমিত্তে সে দায়ী হবে এবং সে যেন আত্মপক্ষ সমর্থন করেনি এরূপ পরিস্থিতিতে স্থিত হবে এবং প্রশ্নকারী পক্ষ কিংবা উদঘাটন বা পরিদর্শন প্রার্থনাকারী উক্ত মর্মে আদেশের জন্য আদালতে আবেদন করবে এবং তদনুযায়ী আদালত আদেশ প্রদান করতে পারবে।

Rule 21: Non-compliance with order for discovery-
Where any party fails to comply with any order to answer interrogatories or for discovery or inspection of documents, he shall if a plaintiff be liable to have his suit dismissed for want of prosecution and if a defendant to have his defence, if any, struck out, and to be placed in the same position as if he had not defended, and the party interrogating or seeking discovery or inspection may apply to the Court for an order to that effect, and an order may be made accordingly.

সুতরাং, প্রশ্নে আদালত মোকদ্দমার বাদীকে দলিল প্রকাশ করতে আদেশ দিয়েছিল কিন্তু বাদী তা প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আদালত বাদীর মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারে ।
২২.
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর কত ধারায় মধ্যস্থতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে?
  1. ১৯ ধারায়
  2. ২০ ধারায়
  3. ২২ ধারায়
  4. ২৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ ধারায়
ব্যাখ্যা
বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি:
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ সালের ৫ম অধ্যায়ে বৈঠক ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ-নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিবাদী উপস্থিত হলে মধ্যস্থতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এই আইনের ২২ ধারায়।

উক্ত আইনের ২২ ধারায় বলা আছে যে,
মামলায় বিবাদী পক্ষ লিখিত বক্তব্য পেশ করার পর আদালত ধারা ২৪-এর বিধানসাপেক্ষে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে, মামলাটি, নিযুক্ত আইনজীবীগণ কিংবা আইনজীবী নিযুক্ত না হয়ে থাকে তাহলে পক্ষগণের নিকট প্রেরণ করবেন।উক্ত প্রেরিত মামলায় নিযুক্ত আইনজীবীগণ মামলার পক্ষগণের সহিত পরামর্শক্রমে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে অপর একজন আইনজীবী, যিনি কোন পক্ষ কর্তৃক নিয়োজিত নয় অথবা কোন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, অথবা অন্য যে কোন উপযুক্ত ব্যক্তিকে মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে নিযুক্ত করতে পারবে; তবে শর্ত থাকে যে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে লাভজনক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি এই ধারার অধীন মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত হবার অযোগ্য হবে। মধ্যস্থতার কার্যক্রম গোপনে অনুষ্ঠিত হবে। মধ্যস্থতার পর মধ্যস্থতাকারী মধ্যস্থতার বিবরণ সম্বলিত একটি রিপোর্ট আদালতে পেশ করতে হবে।

আদালত, যে তারিখে মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলার বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আদেশ প্রদান করবে, সেই তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিবসের মধ্যে মধ্যস্থতা কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে, যদি না আদালত উভয় পক্ষ কতৃর্ক লিখিত দরখাস্ত দ্বারা অনুরুদ্ধ হয়, অথবা কারণ উল্লেখপূর্বক স্বীয় উদ্যোগে, উক্ত সময়সীমা অনধিক আরো ৩০ (ত্রিশ) দিবস বর্ধিত করবে।

এ ধরনের কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে কোনো সমঝোতা বা মধ্যস্থতা হয়ে থাকে তাহলে বিরোধ নিষ্পত্তির শর্তাবলি অন্তর্ভূক্ত করে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে এবং মধ্যস্থতাকারী ও আইনজীবীদের তা সত্যায়িত করতে হবে। ঐ সমঝোতা বা মধ্যস্থতার চুক্তির ভিত্তিতে আদালত একটি আদেশ বা ডিক্রী জারী করবেন। এই ধারার অধীন মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন মামলার নিষ্পত্তির আদেশ চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপীল বা রিভিশন দায়ের করা যাবে না। এই ধারার অধীন কোন মামলার বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়, তাহলে আদালত কালেক্টরের নিকট হতে আরজির উপর প্রদত্ত সমুদয় কোর্ট ফি ফেরত প্রদানের লক্ষ্যে বাদীর অনুকূলে একটি প্রত্যয়নপত্র প্রদান করবে এবং ইহার ভিত্তিতে বাদী প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত পাবার অধিকারী হবে।
২৩.
মোকদ্দমায় নতুন বিবাদী যুক্ত করা হলে, দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(৪) নং বিধি অনুযায়ী কী সংশোধন করতে হবে?
  1. আরজি
  2. লিখিত জবাব
  3. লিখিত জবাবের নকল
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
আরজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ১০ (২) অনুযায়ী, যদি সরল বিশ্বাসে ভুলের মাধ্যমে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা হয় বা মোকদ্দমার বিরোধের বিষয় নির্ধারণের জন্য প্রয়োজন হয়, তাহলে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত অন্যায়ভাবে যুক্ত যে কোন পক্ষের নাম কাটতে পারবে এবং অন্য যে ব্যক্তির নাম যুক্ত করা উচিত অথবা মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করার জন্য আদালতের সামনে যার উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, তাকে যুক্ত করতে আদেশ দিতে পারেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(৪) নং বিধি- বিবাদী সংযোজিত হলে আরজি সংশোধন করতে হয়:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমায় কোন নতুন বিবাদীকে যুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ প্রদান না করলে, আরজি প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করতে হবে এবং সংশোধিত সমন ও আরজির নকল নতুন বিবাদীর উপর জারি করতে হবে এবং আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে তাহলে মূল বিবাদীর উপরও জারি করতে হবে।

[Where defendant added, plaint to be amended:
Where a defendant is added, the plaint shall, unless the Court otherwise directs, be amended in such manner as may be necessary, and amended copies of the summons and of the plaint shall be served on the new defendant and, if the Court thinks fit, on the original defendant.]
২৪.
'চ' কর্তৃক দায়েরকৃত মোকদ্দমায় আদালত 'ম' এর বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে। 'ম' উক্ত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে। এক্ষেত্রে আদালত Order 39 Rule 2 এর অধীন-
  1. 'ম' এর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে
  2. 'ম' কে সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারে
  3. ক এবং খ উভয়
  4. ক বা খ কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
• মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে, সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ অনুযায়ী আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়। বিধি ১ অনুযায়ী যখন নালিশী সম্পত্তি কোন পক্ষ কর্তৃক ধ্বংস, ক্ষতিগ্রস্থ বা হস্তান্তরিত হওয়ার বা কোন ডিক্রি জারিমূলে অন্যায়ভাবে বিক্রি হতে পারে, অথবা বিবাদী যখন পাওনাদারকে বঞ্চিত, প্রতারিত করার জন্য তার সম্পত্তি হস্তান্তর করার হুমকি প্রদান করে বা ইচ্ছা পোষণ করে, তখন আদালত উক্ত নালিশী সম্পত্তি ধ্বংসকরণ, ক্ষতিগ্রস্থকরণ, হস্তান্তর, নিলাম, বিক্রয়, অপসারণ বা সমর্পণ স্থগিত করার উদ্দেশ্যে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে বা আদালত কর্তৃক যেরূপ উপযুক্ত বিবেচিত হবে সেরূপ আদেশ দিতে পারেন।

আদেশ ৩৯ বিধি ২-
১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।

অর্থাৎ আদালত নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীর সম্পত্তি ক্রোক এবং অনধিক ৬ মাস দেওয়ানী কারাবাসে আটকের আদেশ দিতে পারে।
২৫.
আদালত আরজি সংশোধনের আবেদন মঞ্জুর করার পূর্বে কি নিশ্চিত করবে?
  1. মামলা খুব জটিল কিনা
  2. আদালতের সময়সীমা
  3. পক্ষগণের মধ্যে সমস্যা আছে কিনা
  4. সংশোধনী অপরিহার্য কিনা
সঠিক উত্তর:
সংশোধনী অপরিহার্য কিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশোধনী অপরিহার্য কিনা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ আদেশের ১৭ বিধি অনুসারে,
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে প্লিডিংস সংশোধন করার আবেদন করা যায়। অর্থাৎ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে বাদী তার আরজি বা বিবাদী তার লিখিত জবাব সংশোধনের আবেদন করতে পারে। বিচার কার্য শুরুর পর আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের জন্য দাখিলকৃত কোন আবেদন আদালত অনুমোদন করবে না যদি না আদালত অভিমত পোষণ করে যে, 'যথাযথ নিষ্ঠার’ সত্ত্বেও পক্ষগণ বিচারকার্য শুরুর পূর্বে সংশোধনের আবেদন করতে পারেনি। সুতরাং, বিচার কার্য শুরুর পরও আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের আবেদন করা যায়।

আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের আবেদন মঞ্জুরের কারণ:
দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ আদেশের ১৭ বিধি অনুসারে- আদালত মোকদ্দমার উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার উদ্দেশ্যে আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের আবেদন মঞ্জুর করতে পারে। আরজি সংশোধনের আবেদন মঞ্জুর করার পূর্বে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবে যে, মোকদ্দমার পক্ষগণের মধ্যেকার বিরোধীয় প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার উদ্দেশ্যে এমন সংশোধনী অপরিহার্য।
২৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর কোথায় দেওয়ানি আদালতকে বিচার্য বিষয় সংশোধন এবং কর্তন ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. আদেশ ১৪ বিধি-৩
  2. আদেশ ১৪ বিধি-৫
  3. আদেশ ১৪ বিধি-৬
  4. আদেশ ১৪ বিধি-৭
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৪ বিধি-৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৪ বিধি-৫
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪ নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদীর আরজি এবং লিখিত বর্ণনা (যদি থাকে) পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিষয় লিপিবদ্ধ করবে। 

• আদেশ ১৪ বিধি-৫: বিচার্য বিষয় সংশোধন এবং কর্তন ক্ষমতা-
১) আদালত ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বিচার্য বিষয় সংশোধন কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় গঠন করতে পারে এবং পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়াবলী নির্ণয় করতে প্রয়োজনীয় হতে পারে এরূপ সংশোধনী কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় সেভাবে প্রণীত হবে।
২) ডিক্রি দেয়ার পূর্বে আদালত আরো তার নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে পরিদৃষ্ট হলে কোন বিচার্য বিষয় কেটে দিতে পারে।

Order 14 Rule 5: Power to attend and strike out issues-
(1) The Court may at any time before passing a decree amend the issues or frame additional issues on such terms as it thinks fit, and all such amendments or additional issues as may be necessary for determining the matters in controversy between the parties shall be so made or framed.
(2) The Court may also at any time before passing a decree, strike out any issues that appear to it to be wrongly framed or introduced.
২৭.
বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির কোন পন্থায় ৩য় পক্ষ উপস্থিত থাকে না?
  1. Mediation
  2. Arbitration
  3. Negotiation
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Negotiation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Negotiation
ব্যাখ্যা
• আদালত বা সাধারণ আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে আইনসিদ্ধ পদ্ধতি মেনে ও সহমত পোষণ করে বিকল্পভাবে পক্ষগণের বিরোধ বা সমস্যার নিষ্পত্তিকরণই বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি, যাকে ইংরেজিতে Alternative Dispute Resolution (ADR) বলা হয়।

• বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিম্ন বর্ণিত পন্থা রয়েছে-
আলাপ-আলোচনা (Negotiation);
মধ্যস্থতা (Mediation);
সালিশী (Arbitration)।

১. আলাপ-আলোচনা [Negotiation]-
এমন একটি পদ্ধতি যেখানেই কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে বিরোধের দুই পক্ষই যখন তৃতীয় পক্ষের সাহায্য ছাড়াই একটি সুবিধাজনক পরিণতির দিকে পৌঁছে বা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে সমাধান করে থাকে। আলাপ-আলোচনার [Negotiation] মাধ্যমে শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ২১০(২) ২১০(৩) উপধারায় বলা আছে।

২. মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation]-
এ পদ্ধতিতে কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে নিরপেক্ষ তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত করা হয় এবং কোন পক্ষের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে দুটি পক্ষকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করা হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯[ক] এবং অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ২২ ধারাতে মধ্যস্থতা বিষয়ে বলা হয়েছে।

৩. সালিশ প্রক্রিয়া [Arbitration]-
সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি অনেকটা মধ্যস্থতা পদ্ধতির অনুরূপ। এ কারণেই সালিশ কার্যক্রম [Arbitration] কে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উন্নত সংস্করণ বলে মনে করা হয়। কেননা মধ্যস্থতা কার্যক্রমে মধ্যস্থতাকারী বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষগণের উপর কোন পন্থা চাপিয়ে দিতে পারেন কিন্তু সালিশ কার্যক্রমের সালিশকারী (Conciliator) পক্ষগণের ওপর রায় চাপিয়ে দিতে পারে। এ ধরনের রায়কে রোয়েদাদ [Award] বলা হয়। সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি সালিশ আইন-২০০১ দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ আইনের ২১০ ধারায় বিরোধ সালিসীর (Conciliation) মাধ্যমে নিষ্পত্তি কথা বলা হয়েছে।
২৮.
আদেশ-৯ বিধি-১৩ক অনুযায়ী, একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীর পক্ষে যে দুটি শর্ত পূরণ করতে হবে, তার একটি হলো—
  1. অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করা
  2. ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করা
  3. ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করা
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করা
ব্যাখ্যা
• আদেশ-৯ বিধি-১৩ক: (সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ/বাতিল)-
বিচার ত্বরান্বিত ও বিলম্ব দূর করার জন্য দেওয়ানি কার্যবিধির ৯নং আদেশের ১৩ক বিধি অনুযায়ী বিবাদী একতরফা ডিক্রির বিরূদ্ধে সরাসরি রদের আবেদন করতে পারবে। সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদের জন্য বিবাদীকে নিম্নলিখিত ২টি শর্ত পূরণ করতে হবে-
i) ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি একতরফা ডিক্রি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং
ii) অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।

Order 9 Rule 13A: Directly setting aside ex parte decree-
(1) Notwithstanding anything contained in rule 13 or any other law, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, directly set aside the decree without requiring the defendant to adduce evidence to satisfy it about sufficient causes as required under rule 13, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand take as it may deem appropriate and determine:
that the decree under this rule shall not be set aside unless an application, supported by affidavit, praying for setting aside the decree is make the Court within thirty days of the date on which the decree is passed by the defendant who appeared and filed written statement:
Provided further that no decree shall be set aside more than once under this rule at the instance of the same defendant.

2) As soon as an order under sub-rule (1) is made setting aside an ex parte decree, the Court shall cause notice thereof to be served at the cost of the defendant upon the plaintiff.
২৯.
Which of the following statements is true regarding Order 32 Rule-1?
  1. The next friend must be a legal guardian
  2. The next friend is appointed by the court
  3. The suit must be in the name of the minor
  4. The minor must appoint the next friend personally
সঠিক উত্তর:
The suit must be in the name of the minor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The suit must be in the name of the minor
ব্যাখ্যা
• Order 32 Rule-1: Minor to sue by next friend:
Every suit by a minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor.

আদেশ ৩২, বিধি ১: আসন্ন বন্ধু দ্বারা নাবালককে মোকদ্দমা করতে হয়:
নাবালককে বাদী করে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার 'আসন্ন বন্ধু' দ্বারা দায়ের করতে হবে।
৩০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ-এর অধীনে আপিল আদালত কোন বিধান অনুসরণ করবে?
  1. প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে আদেশ ৪১-এর বিধান
  2. ফৌজদারি আদালতের আপিলের বিধান
  3. প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে ধারা ৮৯ক-এর বিধান
  4. প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে ধারা ১০৭ এর বিধান
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে ধারা ৮৯ক-এর বিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে ধারা ৮৯ক-এর বিধান
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৯গ- আপিলে মধ্যস্থতা:
(১) যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর আওতাধীন মধ্যস্থতাকরণের ক্ষেত্রে, ৮৯ক ধারার বিধান গুলােকে প্রয়ােজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।

Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.

(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
৩১.
Which kind of noun is 'myself'?
  1. Relative pronoun
  2. Demonstrative pronoun
  3. Personal pronoun
  4. Reflexive pronoun
সঠিক উত্তর:
Reflexive pronoun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Reflexive pronoun
ব্যাখ্যা
• Reflexive pronoun: 
- যে সকল pronoun, personal pronoun এর সাথে self/selves যোগে গঠিত হয় সেগুলোকে Reflexive pronoun বলে।
- কতিপয় Reflexive pronoun হচ্ছে - myself, ourselves, yourselves, himself, itself etc.

• Pronoun:
- Pronoun হলো noun এর পরিবর্তে ব্যবহৃত word.
- যেমন: he, she you etc.

• Pronoun ৮ প্রকার। যেমন: 
1. Personal pronoun: (I/me, you, they/them, he/him, she/her, it, we/us)
2. Demonstrative pronoun: (this, that)
3. Interrogative pronoun: (what, who)
4. Relative pronoun: (what, who, that)
5. Indefinite pronoun: (one, some, any, all, many)
6. Distributive pronoun: (each, every)
7. Reflexive pronoun: (myself, themself)
8. Reciprocal pronoun: (each other, one another)
৩২.
'Impassive' is a/an -
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Verb
  4. Adverb
সঠিক উত্তর:
Adjective
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adjective
ব্যাখ্যা
• Impassive (adjective)

English Meaning: Not showing or feeling any emotion.
Bangla Meaning: নির্বিকার; নিরাবেগ।

Other Forms: Impassively (adverb) নির্বিকারভাবে। Impassiveness, impassivity [ইমপ্যাসিভাটি] (noun(s)) নির্বিকারত্ব।

Example Sentence:
1. He remains utterly impassive when an entire audience is booing him behind his back.
2. She remained impassive as the officers informed her of her son's death.
৩৩.
Synonym of 'Caustic' -
  1. Mordant
  2. Sharp
  3. Moderate
  4. Both A & B
সঠিক উত্তর:
Both A & B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both A & B
ব্যাখ্যা
• Caustic (adjective)

English Meaning: Strongly critical. In Chemistry - Caustic means able to burn through things.
Bangla Meaning: 
(১) রাসায়নিক ক্রিয়ার দ্বারা পোড়াতে বা ধ্বংস করতে সক্ষম; দাহক; ক্ষারীয়।
caustic soda (noun) (Sodium Hydroxide/NaOH) সাবান তৈরিতে ব্যবহৃত ক্ষয়কর রাসায়নিক পদার্থ; ক্ষার।
(২) (লাক্ষণিক) তীব্র; তিক্ত; বিদ্রূপাত্মক: caustic remark.

Synonyms: Mordant (তীক্ষ্ণ), Burning (তীব্র), Destructive (ধ্বংসাত্মক), Sharp (ধারালো), Tart (কটু)।
Antonyms: Kind (সদয়), Mild(নরম), Nice (সুন্দর), Moderate (মাধ্যম), Soothing (প্রশান্তিদায়ক)।

Source: Live MCQ Lecture.
৩৪.
'প্রণয়ন' শব্দের প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. প্র + √ ণি + অন
  2. প্র + √ ণী + অন
  3. প্র + √ নি + অন
  4. প্র + √ নী + অন
সঠিক উত্তর:
প্র + √ নী + অন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্র + √ নী + অন
ব্যাখ্যা
• 'প্রণয়ন'
- শব্দটি বিশেষ্য।
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি-প্রত্যয় = প্র + √ নী + অন
- অর্থ: রচনা, গ্রন্থন; নির্মাণ।

কৃৎ প্রত্যয়:
ক্রিয়া প্রকুৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনি-সমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বলে কৃৎ প্রত্যয়।
- যেমন: চল (ধাতু) + অন্ত = চলন্ত, কৃ (ধাতু) + তব্য = কর্তব্য

বাংলা ভাষায় দু ধরনের কৃৎ প্রত্যয়ের ব্যবহার আছে। যথা :
১. বাংলা কৃৎ প্রত্যয় ও
২. সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।


উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান ও ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
৩৫.
'নিশ্চিহ্ন' শব্দটি কোন সমাস?
  1. নঞ্‌ বহুব্রীহি
  2. তৃতীয়া তৎপুরুষ
  3. অলুক বহুব্রীহি
  4. নঞ্‌ তৎপুরুষ
সঠিক উত্তর:
নঞ্‌ বহুব্রীহি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নঞ্‌ বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা
নঞ্‌ বহুব্রীহি:
- বিশেষ্য পূর্বপদের আগে নঞ্‌ (না অর্থবোধক) অব্যয় যোগ করে বহুব্রীহি সমাস করা হলে তাকে নঞ্‌ বহুব্রীহি বলে।
- নঞ্‌ বহুব্রীহি সমাসে সাধিত পদটি বিশেষণ হয়।
যেমন -
- ন (নাই) জ্ঞান যার = অজ্ঞান,
- বে (নাই) হেড যার = বেহেড,
- না (নাই) চারা (উপায়) যার = নাচার,
- নি (নাই) ভুল যার = নির্ভুল,
- নেই চিহ্ন যার = নিশ্চিহ্ন ইত্যাদি।

এরকম - নাহক, নিরুপায়, নির্ঝঞ্ঝাট, অবুঝ, বেপরোয়া, বেহুঁশ, অনন্ত, বেতার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৩৬.
'আত্মাকে অধিকার করে' এর এক কথায় প্রকাশ -
  1. আত্মভোলা
  2. অনাদি
  3. অধ্যাত্ম
  4. আরাধ্য
সঠিক উত্তর:
অধ্যাত্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাত্ম
ব্যাখ্যা
• 'আত্মাকে অধিকার করে' এর এক কথায় প্রকাশ - অধ্যাত্ম

অন্যদিকে,
- 'আদি নেই যার' এর এক কথায় প্রকাশ - অনাদি।
- 'আরাধনার যোগ্য যিনি' এর এক কথায় প্রকাশ - আরাধ্য।
- 'আপনাকে ভুলে থাকে যে' এর এক কথায় প্রকাশ - আত্মভোলা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
৩৭.
একটি অপ্রকৃত ভগ্নাংশের লব ও হরের পার্থক্য 1 এবং সমষ্টি 9 হলে ভগ্নাংশটি কত?
  1. 3/4
  2. 4/3
  3. 5/4
  4. 4/5
সঠিক উত্তর:
5/4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5/4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি অপ্রকৃত ভগ্নাংশের লব ও হরের পার্থক্য 1 এবং সমষ্টি 9 হলে ভগ্নাংশটি কত? 

সমাধান: 
ধরি, 
ভগ্নাংশটির হর = x
∴ ভগ্নাংশটির লব = x + 1
সুতরাং, ভগ্নাংশটি = (x + 1)/x 

প্রশ্নানুসারে, 
 x + x +1 = 9 
বা, 2x + 1 = 9 
বা, 2x = 9 - 1 
বা, 2x = 8 
∴ x = 4 

∴ ভগ্নাংশটি = (4 + 1)/4 
= 5/4
৩৮.
দুটি সংখ্যার ল.সা.গু তাদের গ.সা.গু এর ২৫ গুণ। দুটি সংখ্যার গুণফল ২০২৫ হলে তাদের  ল.সা.গু কত? 
  1. ২২৫
  2. ২৫৫
  3. ৫২২
  4. ৫২৫
সঠিক উত্তর:
২২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার ল.সা.গু তাদের গ.সা.গু এর ২৫ গুণ। দুটি সংখ্যার গুণফল ২০২৫ হলে তাদের  ল.সা.গু কত? 

সমাধান: 
ধরি,
দুটি সংখ্যার গ.সা.গু = x
দুটি সংখ্যার ল.সা.গু  = ২৫x 

আমরা জানি, 
দুটি সংখ্যার ল.সা.গু ও গ.সা.গুর গুণফল = দুটি সংখ্যার গুণফল 
∴ ২৫x × x = ২০২৫ 
⇒  ২৫x = ২০২৫ 
⇒  x = ৮১  
⇒ x = ৯ 
∴ x = ৯ 

∴ ল.সা.গু = ২৫ × ৯ 
= ২২৫ । 
৩৯.
পিতা ও তাঁর দুই সন্তানের বয়সের গড় ৩২ বছর। দুই সন্তানের বয়সের গড় ২২ বছর হলে, পিতার বয়স কত? 
  1. ৪৮ বছর
  2. ৫২ বছর
  3. ৫০ বছর
  4. ৫৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৫২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা ও তাঁর দুই সন্তানের বয়সের গড় ৩২ বছর। দুই সন্তানের বয়সের গড় ২২ বছর হলে, পিতার বয়স কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
পিতা ও তাঁর দুই সন্তানের বয়সের গড় = ৩২ বছর
∴ পিতা ও তাঁর দুই সন্তানের বয়সের সমষ্টি = (৩২ × ৩) বছর
= ৯৬ বছর 

আবার, 
দুই সন্তানের বয়সের গড় = ২২ বছর
∴ দুই সন্তানের বয়সের সমষ্টি = (২২ × ২) বছর 
= ৪৪ বছর 

∴ পিতার বয়স = (৯৬ - ৪৪) বছর 
= ৫২ বছর। 
৪০.
নিচের কোন দুইটি সংখ্যা সহমৌলিক?
  1. ১০, ৪
  2. ১৫, ২৫
  3. ১৪, ৫৬
  4. ১২, ১৭
সঠিক উত্তর:
১২, ১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২, ১৭
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন দুইটি সংখ্যা সহমৌলিক?

সমাধান:
দুইটি সংখ্যার মধ্যে ১ ব্যতীত কোন সাধারণ গুননীয়ক বা উৎপাদক না থাকলে,সংখ্যা দুইটিকে সহমৌলিক বলে।

এখানে, ১২ ও ১৭ সংখ্যা দুটির মধ্যে ১ ব্যতীত অন্য কোনো সাধারণ গুননীয়ক নেই।
∴ ১২ ও ১৭ সংখ্যা দুইটি পরস্পর সহমৌলিক।
৪১.
নিচের কোনটি মৌলিক সংখ্যা? 
  1. ৯১
  2. ৪৭
  3. ৮৭
  4. ৫৫
সঠিক উত্তর:
৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি মৌলিক সংখ্যা? 

সমাধান: 
মৌলিক সংখ্যা: 
১ এর চেয়ে বড় যে সকল সংখ্যাকে শুধু ১ এবং ঐ সংখ্যা ছাড়া আর কোনো সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা যায় না, তাদেরকে মৌলিক সংখ্যা বলে। 
অর্থাৎ, মৌলিক সংখ্যার উৎপাদক হবে দুইটি ১ এবং শুধুমাত্র সেই সংখ্যাটি। 
১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মোট মৌলিক সংখ্যা ২৫টি।
যথা- ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭, ১৯, ২৩, ২৯, ৩১, ৩৭, ৪১, ৪৩, ৪৭, ৫৩, ৫৯, ৬১, ৬৭, ৭১, ৭৩, ৭৯, ৮৩, ৮৯, ৯৭। 

৪৭ একটি মৌলিক সংখ্যা।
৪২.
ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে পূর্ব বাংলায় কোন ভাবাদর্শ ছড়িয়ে পড়ে?
  1. স্বজাত্যবোধ
  2. বাঙালি জাতীয়তাবোধ
  3. দ্বিজাতিতত্ত্ব
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বাঙালি জাতীয়তাবোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙালি জাতীয়তাবোধ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- তমদ্দুন মজলিশ ছিলো ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় নারী যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের স্থান 'গোবরা ক্যাম্প' কোথায় অবস্থিত?
  1. কলকাতা
  2. ঢাকা
  3. মেহেরপুর
  4. হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে নারী:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কলকাতার পার্ক সার্কাস ও পদ্মপুকুরের মাঝামাঝি গোবরা নামের স্থানে শুধু নারী যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি ট্রেনিং ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছিল।
- সেটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী।
- নারী যোদ্ধাদের জন্য অনুরূপ আরো তিনটি ক্যাম্প প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল আসাম, ত্রিপুরা ও মেঘালয়ে।
- গোবরা ক্যাম্পে মেয়েদের দেওয়া হতো তিন রকম ট্রেনিং: ১. সিভিল ডিফেন্স, ২. নার্সিং, ৩. অস্ত্র চালনা ও গেরিলা আক্রমণ।

এছাড়াও,
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও নানাভাবে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখেন।
- আগরতলার লেম্বুচোরা ক্যাম্পে মহিলা গেরিলা স্কোয়াড-এর আধুনিক অস্ত্রের উচ্চতর ট্রেনিং হয়।
- রণাঙ্গনের যোদ্ধা তারামন বিবি বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত হন।
- চিকিৎসার কাজে মহিলা চিকিৎসকগণের গৌরবময় দৃষ্টান্ত ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম। তিনিও বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ১৬ ডিসেম্বর ২০২১, ইত্তেফাক।
৪৪.
মুক্তিযুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন কোন সেক্টরের অধীনে নিয়োজিত ছিলেন?
  1. ৮নং সেক্টর
  2. ৯নং সেক্টর
  3. ১০নং সেক্টর
  4. ১১নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
১০নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
=১নং সেক্টর:
- চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালী জেলার সমগ্র পূর্বাঞ্চল বেলোনিয়া বুলগের মুহুরী নদীর তীরে নিয়ে গঠিত।
- বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রব।
- সদরদপ্তর: হরিণা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান, পরে মেজর রফিকুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ২নং সেক্টর:
- ঢাকা, কুমিল্লা এবং ফরিদপুর জেলা এবং নোয়াখালী জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মেলাঘর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ, পরে মেজর এটিএম হায়দারের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৩নং সেক্টর:
- উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: হেজামারা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে এম শফিউল্লাহ, পরে মেজর এএনএম নুরুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৪ নং সেক্টর:
- উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: প্রথমে করিমগঞ্জে এবং পরে আসামের মাসিমপুর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরাজন দত্ত, পরে ক্যাপ্টেন এ রবের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৫নং সেক্টর:
- সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান।
- সদরদপ্তর: বাঁশতলা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী।

= ৬নং সেক্টর:
- সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: বুড়ি মাড়ি (বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে একমাত্র সদর দপ্তর)।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খেদেমুল বাশার।

= ৭নং সেক্টর:
-রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়।
- বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর।
- সদরদপ্তর: তরঙ্গপুর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নজরুল হক, পরে সুবেদার মেজর এ রব এবং মেজর কাজী নুরুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৮নং সেক্টর:
- কুষ্টিয়া, যশোর থেকে খুলনা, সাতক্ষীরা,
- বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল,
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ।
- সদরদপ্তর: কল্যাণী।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী, পরে মেজর এম এ মঞ্জুর স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৯নং সেক্টর:
- বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: বশিরহাট।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম জলিল, পরে মেজর এম এ মঞ্জুর এবং মেজর জয়নাল আবেদীনের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ১০নং সেক্টর:
- সকল নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল,
- বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন।

= ১১নং সেক্টর:
- টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মহেন্দ্রগঞ্জ।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম আবু তাহের।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৫.
বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের কয়টি মন্ত্রণালয় ছিল?
  1. ১২টি
  2. ১৩টি
  3. ১৪টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিব নগর সরকার।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- এই সরকার প্রবাসী সরকার নামে পরিচিত ছিল।
- এই সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড।

⇒ সরকারকে নীতি নির্ধারণী পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য ৯ সদস্যের একটি উপদেষ্টা কাউন্সিল গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশের এই অস্থায়ী সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয়।
- রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন এম.এ.জি ওসমানী।
- চিফ অব স্টাফ ছিলেন কর্নেল আবদুর রব।

উল্লেখ্য,
- শুধু মন্ত্রণালয় বললে ১২টি কিন্তু বিভাগ ও মন্ত্রণালয় বললে ১৫টি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।