পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়35 minutes৬৩ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৬৪
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 12” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - সাবজেক্ট ফাইনাল ও রিভিশন [রাউন্ড ⎯ ১] বিষয়ের নাম: বাংলাদেশ বিষয়াবলি⎯২ [১০০ নাম্বার] (টপিকগুলোর বিস্তারিত সিলেবাস বাটনে বা পিএসসির সিলেবাসেই পাবেন।) ১) বাংলাদেশের সংবিধান। ২) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও সরকার ব্যবস্থা। ৩) বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। ৪) বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ, জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৬৪ প্রশ্ন

.
প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কার পরামর্শ গ্রহণ করেন?
  1. সংসদীয় স্থায়ী কমিটি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পীকার
  4. কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না
সঠিক উত্তর:
কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি: 
- সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান।
- প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়।
- তাঁর হাতে কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই।

প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ ও শাসনসংক্রান্ত ক্ষমতা ও কার্যাবলি: 
- সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের আস্থাভাজন নেতাকে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না।
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নিয়োগ ও তাঁদের দপ্তর বণ্টন করেন।
- তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারকবৃন্দ, রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনারদের নিয়োগ দান করেন।

প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ও বিচারসংক্রান্ত কাজ:
- রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না।
- সুপ্রিম কোর্টের অন্য বিচারপতিগণও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
.
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশে কয়টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. ৪৮টি
  2. ৫০টি
  3. ৫১টি
  4. ৫২টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২:
- সময়কাল: ১৫-২১ জুন, ২০২২ সাল।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ তে বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কথা বলা হয়েছে।
- দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮।
- পুরুষের সংখ্যা ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৫১ জন।
- জনশুমারিতে দেশের ৫০টি জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়।
- এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে মারমা ও ত্রিপুরা।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর।এই জনগোষ্ঠীর মাত্র ৯৫ জন রয়েছে বাংলাদেশে।
- এরপর গুর্খা জনগোষ্ঠী সংখ্যা ১০০ জন বাংলাদেশে বসবাস করছে।
- হো জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ২২৩ জন।
- রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- ২য় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
.
কবি কাজী নজরুল ইসলামকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
- কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কলকাতা থেকে সরকারি উদ্যোগে সপরিবারে ঢাকায় আনা হয়।
- তার বসবাসের জন্য ধানমণ্ডির ২৮ নম্বর (পুরনো) সড়কের ৩৩০-বি বাড়িটি বরাদ্দ প্রদান করা হয়।
- এরপর ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে।
- একই বছরের (১৯৭৬ সালে) ২১ ফেব্রুয়ারি তাকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।
- একুশে পদক বাংলাদেশের দ্বিতীয় বেসামরিক সম্মানসূচক পদক হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাংলা সাহিত্য এবং সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ অন্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে কাজী নজরুল ইসলামকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে (টিএসসি) এক সমাবর্তন উৎসবে এই উপাধি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
- অসুস্থতার জন্য নজরুলকে এ উৎসবে আনা সম্ভব হয়নি।
- পরবর্তীকালে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তারিখে বঙ্গভবনে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদউল্লাহ নজরুলকে ডি. লিট উপাধিতে ভূষিত করেন।
- কবি নজরুল ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ইন্তেকাল করেন।

উৎস: কালের কণ্ঠ (০২ জানুয়ারি, ২০২৫)
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
আইন প্রণয়ন এর ক্ষমতা কোন বিভাগের ওপর ন্যস্ত থাকে?
  1. বিচার বিভাগ
  2. নির্বাহী বিভাগ
  3. আইন বিভাগ
  4. শাসন বিভাগ
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
ব্যাখ্যা
আইন বিভাগ:
- বাংলাদেশ সরকারের আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধন করার অধিকার রাখে, যা সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় সংসদীয় পদ্ধতি গৃহীত হওয়ার দরুণ আইনসভাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনৈতিক দলের হাতেই নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে।
- সরকার কর্তৃক শাসনব্যবস্থা পরিচালিত করার ক্ষমতা মহান সংসদের হাতে থাকার কারণে বাংলাদেশে সংসদের সার্বভৌমত্বকে স্বীকার করে নেয়া হয়েছে।
- এর অর্থ হল-আইন ও শাসন প্রণয়নগত সকল বিষয়ে সংসদ কর্তৃক গৃহীত নীতিমালাই প্রযোজ্য হবে এবং তা শাসন বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়িত হবে।
- এর ব্যতয় হওয়া সাংবিধানিকভাবে আইন লংঘনের শামিল।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক চাকমা বসবাস করে?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙামাটি
  3. পটুয়াখালী
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
চাকমাদের আবাস ও ভাষা:
- চাকমারা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পার্বত্য চট্টগ্রাম তথা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বসবাস করে।
- সবচেয়ে বেশি সংখ্যক চাকমা বসবাস করে রাঙামাটি জেলায়।
- বাংলাদেশে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা সর্ববৃহৎ।
- ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয় যে, চাকমারা পূর্বে টিবেটো বার্মা ভাষা পরিবারভুক্ত আরাকানি ভাষায় কথা বলত।
- চাকমাদের লিপিতে আরাকানি অক্ষরের প্রাধান্যই বেশি পরিলক্ষিত হয়।
- বর্তমানে তারা ইন্দো-ইউরোপিয়ান ভাষায় কথা বলে।
- চাকমা ভাষার নিজস্ব লিখিত লিপি রয়েছে।
- সাম্প্রতিক সময়ে চাকমা ভাষায় পাঠ্যপুস্তক রচিত হয়েছে।
- এছাড়াও সংগীত ও চলচিত্রেও চাকমা ভাষার ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা কার হাতে ন্যস্ত থাকে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. আইনসভা
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে; কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদেরও প্রধান।
- মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের পরামর্শে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দায়দায়িত্ব বণ্টন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সরকার ব্যবস্থার প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তবে আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা শাসন বিভাগের এখতিয়ারে।
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ এর ব্যাপ্তি সমুন্নত রেখেছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ থেকে একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত।
- এ কারণে সরকারের এই বিভাগটির মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সকল স্তরে আইন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নৃতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের মানুষ প্রধানত কোন নরগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. অস্ট্রিক
  2. দ্রাবিড়
  3. মঙ্গোলীয়
  4. অ্যালপাইন
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
ব্যাখ্যা
- নৃতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের মানুষ প্রধানত অস্ট্রিক নরগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

বাঙালি জাতির নরগোষ্ঠীগত পরিচয়:
- বাঙালির ইতিহাস (আদিপর্ব) গ্রন্থে নীহাররঞ্জন রায় উল্লেখ করেছেন, বাঙালির নৃগোষ্ঠী গঠনে আদি অস্ট্রেলীয় ও দ্রাবিড় প্রভাবের পাশাপাশি আর্যপ্রভাবও রয়েছে।
- বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীর আগমন ঘটে যারা রংপুর, সিলেট, ময়মনসিংহ ও পার্বত্য চট্টগ্রামে বসতি স্থাপন করেছিল।
- বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় অনেক বহিরাগত রাজবংশ যেমন- সেন, বর্মণ, খড়গ ও চন্দ্র বাঙালির দৈহিক কাঠামোতে প্রভাব ফেলেছে।
- এছাড়া তুর্কি, পাঠান, মোঘল, ইরানি, আবিসিনীয় ও আরবীয় রক্তের ধারাও বাঙালির ধমনিতে প্রবহমান।
- ষোড়শ শতাব্দীতে বহিরাগত ইংরেজ, পর্তুগীজ, ডাচ, ফরাসি, দিনেমার এবং আরাকানের মগ জলদস্যুদের প্রভাবও বাঙালির রক্তে বিদ্যমান।
- এসবের দীর্ঘ ও পর্যায়ক্রমিক সংমিশ্রনে বাংলাদেশে সংকর বা মিশ্র জনগোষ্ঠী গড়ে উঠেছে।
- সংকর জাতি হওয়া সত্ত্বেও বাঙালির স্বকীয় দৈহিক বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়।
- বাঙালির লম্বা প্রকৃতির মাথা, কালো চুল, চোখের মণি বাদামি বা কালো, গায়ের রং কালো-বাদামি, মাঝারি দৈহিক উচ্চতা, মুখাকৃতি লম্বা, মধ্যমাকৃতির নাসিকা এবং মুখে দাড়ি-গোঁফের প্রাচুর্য স্বকীয় বৈশিষ্ট্যের পরিচয় বহন করে।
- নৃতাত্ত্বিকদের মতে, এ বৈশিষ্ট্য অনেকটাই অস্ট্রিক প্রভাবিত।
- বাঙালির সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও অস্ট্রিক ভাষার প্রকট প্রভাব রয়েছে।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'কবর' নাটকটি কত সালে লেখা হয়েছিল?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৫৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের নাটকের ইতিহাসে মুনীর চৌধুরীর লেখা ‘কবর’ নাটকটি স্মরণীয় নাম।
- কারাগারের ভেতরে বসে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এই নাটকটি যেভাবে লেখা এবং মঞ্চস্থ করা হয়েছিল।
- 'কবর' নাটকটি লেখা হয়েছিল ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে, কারারক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে।
- রাতে কারাগারের বাতি নিভিয়ে দেয়া হলে লণ্ঠনের আলোয় সেই নাটকের প্রথম মঞ্চায়ন হয়েছিল ঢাকা কারাগারে।
- তখন কারাগারে থাকা কমিউনিস্ট নেতা রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে ভাষা আন্দোলনে হত্যাকাণ্ড নিয়ে তিনি ‘কবর’ নাটক লেখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক কারাবন্দী অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী।
- নাটকটি মুনীর চৌধুরী লেখা শেষ করেছিলেন ১৯৫৩ সালের ১৭ জানুয়ারি আর জেলখানায় অভিনীত হয়েছিল ২১ ফেব্রুয়ারি।
- পরবর্তীতে এটি ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলাদেশে মঞ্চায়িত হওয়া অন্যতম জনপ্রিয় নাটকে পরিণত হয়েছে।

উৎস: বিবিসি বাংলা (১৭ জানুয়ারি ২০২৩)
.
সংবিধানের কত নম্বর সংশোধনীর মাধ্যমে একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালু হয়?
  1. দ্বিতীয়
  2. চতুর্থ
  3. পঞ্চম
  4. ষষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা
চতুর্থ সংশোধনী:
- চতুর্থ সংশোধনীর শিরোনাম: সংবিধান [চতুর্থ সংশোধন] আইন, ১৯৭৫।
- সংসদে পাশের তারিখ: ২৫ জানুয়ারি, ১৯৭৫ সাল।
- চতুর্থ সংশোধনীর দ্বারা সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতিশাসিত শাসন পদ্ধতি এবং বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তন করা হয়।

এছাড়া,
দ্বিতীয় সংশোধনী:
- দ্বিতীয় সংশোধনীর শিরোনাম সংবিধান [দ্বিতীয় সংশোধন] আইন, ১৯৭৩।
- সংসদে বিল পাশের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩।
- দ্বিতীয় সংশোধনীর দ্বারা জরুরি অবস্থাকালীন নাগরিকদের কতিপয় মৌলিক অধিকার স্থগিত করা হয়।

পঞ্চম সংশোধনী:
- পঞ্চম সংশোধনীর শিরোনাম সংবিধান [পঞ্চম সংশোধন] আইন, ১৯৭৯।
- বিলটি সংসদে পাশের তারিখ ৬ এপ্রিল, ১৯৭৯।
- পঞ্চম সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা থেকে শুরু করে ৫ এপ্রিল, ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত সামরিক সরকারের যাবতীয় কর্মকান্ডের বৈধতা দান।

ষষ্ঠ সংশোধনী:
- ষষ্ঠ সংশোধনীর শিরোনাম ছিল সংবিধান [ষষ্ঠ সংশোধন] আইন, ১৯৮১।
- বিলটি সংসদে পাশ হয় ৮ জুলাই, ১৯৮১।
- ষষ্ঠ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল উপ-রাষ্ট্রপতির পদে থেকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের বিধান নিশ্চিত করা।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী পার্বত্য চট্টগ্রামে বাস করে না?
  1. গারো
  2. খাসিয়া
  3. চাকমা
  4. ত্রিপুরা
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

- খাসিয়া সম্প্রদায় বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলায় বসবাস করে।
- গারো নৃগোষ্ঠী টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় বাস করে।
- খাসিয়া, গারো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী পার্বত্য চট্টগ্রামে বাস করে না। 

উল্লিখিত প্রশ্নে একাধিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে। 
======================= 

গারো:

- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- গারো নৃগোষ্ঠী পার্বত্য চট্টগ্রামে বাস করে না। 
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- তবে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী, টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলায় এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিব্বতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১১.
সংবিধানের মৌলিক অধিকার শুরু হয় কোন অনুচ্ছেদ থেকে?
  1. ২৬ অনুচ্ছেদে
  2. ২৭ অনুচ্ছেদে
  3. ২৮ অনুচ্ছেদে
  4. ২৯ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
২৭ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
মৌলিক অধিকার: 
- মৌলিক অধিকার বলতে বোঝায়, রাষ্ট্র প্রদত্ত সেসব সুযোগ-সুবিধা যা নাগরিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য অপরিহার্য।
- সংবিধানের সংশোধন কিংবা দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া মৌলিক অধিকার ক্ষুন্ন করা যায় না।
- সংবিধানে মৌলিক অধিকার লিপিবদ্ধ থাকার কারণে এগুলোর শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকৃত।
- উত্তম সংবিধানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হচ্ছে মৌলিক অধিকার সংবিধানে অন্তর্ভূক্ত করা।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বিধানসমূহ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে অন্তর্ভুক্ত। এই ভাগের সূচনা অনুচ্ছেদ ২৬ দিয়ে, যেখানে বলা হয়েছে যে, মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী কোনো আইন বৈধ নয় এবং তা বাতিল বলে গণ্য হবে। যদিও অনুচ্ছেদ ২৭ থেকে ৪৭ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ বিস্তারিতভাবে উল্লেখ আছে। সংবিধানের মৌলিক অধিকার শুরু হয় ২৭ নং অনুচ্ছেদ থেকে। 

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
ডেপুটি কমিশনার নিচের কোনটির প্রধান?
  1. উপজেলা প্রশাসন
  2. জেলা প্রশাসন
  3. বিভাগীয় প্রশাসন
  4. সচিবালয়
সঠিক উত্তর:
জেলা প্রশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা প্রশাসন
ব্যাখ্যা
জেলা প্রশাসন:
- একটি জেলার মধ্যে সকল ধরনের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা, কর আদায় এবং উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনার দায়দায়িত্ব বর্তায় জেলা প্রশাসনের হাতে।
- একজন ডেপুটি কমিশনার জেলা প্রশাসনের প্রধান।

জেলা প্রশাসনের কার্যাবলি:
- প্রশাসন সংক্রান্ত কাজ
- আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কাজ
- রাজস্ব সংক্রান্ত কাজ
- উন্নয়নমূলক কাজ
- সমন্বয় সংক্রান্ত কাজ
- স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত কাজ
- বিচারিক কাজ

উল্লেখ্য,
- কমিশনার বিভাগীয় প্রশাসনের প্রধান।
- উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) উপজেলা প্রশাসনের প্রধান।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
একুশে পদক পুরস্কার প্রথম চালু করা হয় কবে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
একুশে পদক:
- ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে প্রথম এ পুরস্কার চালু করা হয়।
জাতীয় জীবনে নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার একুশে পদক প্রদান করে থাকে।
- প্রতিটি পুরস্কারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নগদ ১৮ ক্যারেট মানের তিন ভরি ওজনের স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও নগদ অর্থ।
- শুরুতে পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ ছিল পঁচিশ হাজার টাকা।
- সরকার ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী আবুল বরকত রফিক উদ্দিন আহমদ, আবদুস সালাম ও আবদুল জববার এ চারজন শহীদকে ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বাংলাপিডিয়া।
১৪.
সংবিধানে জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের উল্লেখ রয়েছে কোন অংশে?
  1. ভূমিকা
  2. প্রস্তাবনা
  3. তফসিল
  4. তৃতীয় অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাবনা
ব্যাখ্যা
- সংবিধানে জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের উল্লেখ রয়েছে প্রস্তাবনা অংশে। 

প্রস্তাবনার অংশবিশেষ: 
 "আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া [জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের] মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি"

উল্লেখ্য,
- তৃতীয় অধ্যায়ে মৌলিক অধিকার সম্পর্কে বলা হয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫.
বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের স্তর নয় কোনটি?
  1. ইউনিয়ন পরিষদ
  2. উপজেলা পরিষদ
  3. জেলা পরিষদ
  4. বিভাগীয় পরিষদ
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভাগীয় পরিষদ
ব্যাখ্যা
- বিভাগীয় পরিষদ বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের স্তর নয়।

স্থানীয় সরকার ও স্থানীয় স্বায়ত্বশাসন:
- স্থানীয় সরকার বলতে স্থানীয় জনগণের ভোটে নির্বাচিত স্বশাসনের অধিকারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে থাকে।
- স্থানীয় সরকারের নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্য থাকার কথা বলা হয়, যার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে স্বায়ত্বশাসন।
- সুতরাং স্থানীয় সরকার বলতে মূলত স্থানীয় স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানকেই বোঝানো হয়।

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও পল্লীর জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।
- শহুরে স্থানীয় সরকার: সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা।
- পল্লী স্থানীয় সরকার: জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে কয়টি জনশুমারি পরিচালিত হয়?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৪ সালে প্রথম জনশুমারি ও গৃহগণনা হয়। 
- ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি হয়। 
- ১৯৮৬ সালে প্রথম অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালিত হয়।
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ছয়টি জনশুমারি পরিচালিত হয় যার সর্বশেষটি হয় ২০২২ সালে।
- ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মূল তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম ১৫-২১ জুন ২০২২ সময়ে সম্পন্ন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১৭.
মুশফিকুর রহিম কয়টি ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন? [মে, ২০২৫]
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
- মুশফিকুর রহিম তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি করা একমাত্র বাংলাদেশি ক্রিকেটার।
- ২০১৩ সালে গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মুশফিকুর রহিম একটি ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন, যা বাংলাদেশ দলের ৬৩৮ রানের সর্বোচ্চ ইনিংসের অংশ ছিল।
- ২০১৮ এবং ২০২০ সালে মিরপুরে তিনি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পরপর দুটি টেস্টে ১৫ মাসের ব্যবধানে ডাবল সেঞ্চুরি করেন।
- এর মধ্যে প্রথমটি তাকে প্রথম উইকেটকিপার-ব্যাটার হিসেবে দুটি টেস্ট ডাবল সেঞ্চুরি করার গৌরব এনে দেয়।
- ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২১৯ রানের ইনিংস এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের টেস্টে সর্বোচ্চ ইনিংস।

উৎস: ESPNcricinfo.
১৮.
সংবিধানে জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ৬৪ অনুচ্ছেদে
  2. ৬৫ অনুচ্ছেদে
  3. ৬৭ অনুচ্ছেদে
  4. ৬৮ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৬৫ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
- সংবিধানে জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে ৬৫ অনুচ্ছেদে।
- ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে, 
১. বাংলাদেশের সংসদের নাম হবে “জাতীয় সংসদ”। দেশের আইন তৈরি করার দায়িত্ব এই সংসদের।
২. সংসদ চাইলে কোনো ব্যক্তি বা সংস্থাকে নিয়ম-কানুন বা আইন তৈরি করার ক্ষমতা দিতে পারবে।
৩. সংসদ গঠিত হয় ৩০০ জন নির্বাচিত সদস্য নিয়ে, যারা দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ সরাসরি ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন।
৪. আরও ৫০টি আসন শুধু নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এসব আসনে নারীরা নির্বাচিত হবেন সংসদের সদস্যদের ভোটে আনুপাতিক পদ্ধতিতে।
তবে, নারীরা চাইলে সরাসরি ভোটেও (৩০০ আসনের মধ্যে) নির্বাচন করতে পারবেন।
৫. সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে সংসদে ৩০০ জন সাধারণ সদস্য + ৫০ জন নারী সদস্য, মোট ৩৫০ জন সদস্য রয়েছেন।
৬. রাজধানীতে সংসদের আসন থাকবে। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৯.
রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে কত বছর হতে হবে?
  1. কমপক্ষে ২৫ বছর
  2. কমপক্ষে ৩০ বছর
  3. কমপক্ষে ৩৫ বছর
  4. কমপক্ষে ৪০ বছর
সঠিক উত্তর:
কমপক্ষে ৩৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমপক্ষে ৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হল এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে এই জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- পূর্ণ মেয়াদে প্রতি পাঁচ বছর পর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে ৩৫ বছর হতে হবে। (৪৮ এর ৪ নং অনুচ্ছেদ)
- প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ২৫ বছর হওয়ার শর্ত দেশের সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।
- আইন প্রণয়ন ও সংবিধান সংশোধনের জন্য যথাক্রমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যের সম্মতি থাকতে হয়।

উৎস: i) পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
২০.
কোন জেলায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী:
- দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮।
- পুরুষের সংখ্যা ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৫১ জন।
- জনশুমারিতে দেশের ৫০টি জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়।
- এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে মারমা ও ত্রিপুরা।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর।এই জনগোষ্ঠীর মাত্র ৯৫ জন রয়েছে বাংলাদেশে।
- এরপর গুর্খা জনগোষ্ঠী সংখ্যা ১০০ জন বাংলাদেশে বসবাস করছে।
- হো জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ২২৩ জন।
- রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- ২য় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
২১.
সংবিধানের কোন তফসিলে ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলীর উল্লেখ রয়েছে?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলীর উল্লেখ রয়েছে। 

তফসিলসমূহ: 
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন, 
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত), 
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা, 
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী, 
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭-ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ, 
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা, 
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 
২২.
নিচের কোন জেলা পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- চট্টগ্রাম জেলা পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের অন্তর্ভুক্ত নয়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের গঠন:
- বাংলাদেশে মোট ৬৪টি জেলার মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩টি জেলার (বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি) উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের দেখভাল ও সমন্বয় সাধন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়।
- ১৯৯৮ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইনানুসারে, ১৯৯৯ সালের ২৭শে মে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলার পুরো এলাকার স্থানীয় শাসনের কাজকর্ম তদারকি করার জন্য এই বিশেষ ধরনের আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়।
- ১ জন চেয়ারম্যান, ১২ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্য, ৬ জন অ- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্য, ২ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নারী সদস্য, ১ জন অ- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নারী সদস্য এবং তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের ৩ চেয়ারম্যানসহ সর্বমোট ২৫ জন সদস্য সমন্বয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হবে।
- চেয়ারম্যান হবেন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী থেকে।
- তিন পার্বত্য জেলার চেয়ারম্যানগণ পদাধিকার বলে এর সদস্য হবেন এবং তাদের ভোটাধিকার থাকবে।
- আঞ্চলিক পরিষদে সরকারের যুগাসচিব পদমর্যাদার একজন মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা থাকবেন।
- আঞ্চলিক পরিষদের মেয়াদ হবে ৫ বছর।

উৎস: পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ওয়েবসাইট।
২৩.
সংবিধানে নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫
  2. অনুচ্ছেদ ৬
  3. অনুচ্ছেদ ৪
  4. অনুচ্ছেদ ৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬
ব্যাখ্যা
- সংবিধানে নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে ৬নং অনুচ্ছেদে। 

অনুচ্ছেদ ৬৷ নাগরিকত্ব:
৬। (১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। 
৬। (২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন।

এছাড়া,
- অনুচ্ছেদ ৪৷ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক
- অনুচ্ছেদ ৫৷ রাজধানী
- অনুচ্ছেদ ৭৷ সংবিধানের প্রাধান্য

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 
২৪.
সংবিধানের কোন অংশে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি রয়েছে?
  1. দ্বিতীয় অধ্যায়
  2. তৃতীয় অধ্যায়
  3. চতুর্থ অধ্যায়
  4. ষষ্ঠ অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় অধ্যায়
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি: 
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ২য় অধ্যায়ের ৮ম অনুচ্ছেদ থেকে ২৫তম অনুচ্ছেদ পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিগুলো বর্ণিত হয়েছে।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা এই চারটি বিষয়কে রাষ্ট্রের স্তম্ভ বা মৌলিক আদর্শ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
- এ  চারটি নীতিসহ ২য় ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলে গণ্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 
২৫.
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের প্রথম নারী বিচারপতি কে ছিলেন?
  1. নাজমুন আরা সুলতানা
  2. কাজী জিনাত হক
  3. জিনাত আরা
  4. কৃষ্ণা দেবনাথ
সঠিক উত্তর:
নাজমুন আরা সুলতানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাজমুন আরা সুলতানা
ব্যাখ্যা
নাজমুন আরা সুলতানা:
- বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের প্রথম নারী বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা।

- দেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে প্রথম নারী বিচারক হলেন নাজমুন আরা সুলতানা।
- বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৭৫ সালের ২০ ডিসেম্বর তিনি মুনসেফ (সহকারী জজ) হিসেবে বিচার বিভাগে যোগ দেন।
- দেশের প্রথম নারী জেলা জজ তিনি, হাইকোর্টেও প্রথম নারী বিচারপতি।
- আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতিও তিনি।
- ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি।
- ৪২ বছরের বিচারকজীবনের ইতি টেনে ২০১৭ সালের ৭ জুলাই অবসরে যান তিনি।
- ২০২১ সালের মে মাসে তাঁকে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক পদে নিয়োগ দেয় সরকার।
- এই পদে নিয়োগ পাওয়া প্রথম নারীও তিনি। এখনো ওই পদেই কর্মরত বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা।

জিনাত আরা:
- আপিল বিভাগে নিয়োগ পাওয়া দ্বিতীয় নারী বিচারপতি হলেন বিচারপতি জিনাত আরা।
- বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৭৮ সালের ৩ নভেম্বর মুনসেফ (সহকারী জজ) হিসেবে বিচার বিভাগে যোগদান করেন তিনি।
- একে একে সব ধাপ পেরিয়ে ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
- ৪১ বছরের বেশি সময়ের কর্মজীবনের ইতি টেনে ২০২০ সালের ১৪ মার্চ অবসরে যান তিনি।
- বর্তমানে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান পদে আছেন।

কৃষ্ণা দেবনাথ:
- আপিল বিভাগে তৃতীয় নারী বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ।
- বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ ২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান।
- এরপর ২০১২ সালের ১৫ এপ্রিল স্থায়ী হন।

উৎস: প্রথম আলো
Judicial Administration Training Institute
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)
২৬.
কোনো ব্যক্তি এটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার জন্য নিচের কোন যোগ্যতার প্রয়োজন?
  1. সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন
  2. অধস্তন আদালতের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন
  3. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন
  4. কোন যোগ্যতার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন
ব্যাখ্যা
এটর্নি জেনারেল: 
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি এটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।
- সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে এটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উত্থাপিত যেকোনো রেফারেন্সের ক্ষেত্রে তাঁর নিজস্ব মত প্রকাশ করার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৭.
স্যার হার্বার্ট রিজলে ভারত উপমহাদেশের জনসমষ্টিকে কয়টি ভাগে ভাগ করেন?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
স্যার হার্বার্ট রিজলে (Sir Herbert Risley) ভারতীয় উপমহাদেশের জনসমষ্টিকে সাতটি উপবিভাগে বিভক্ত করেন। এগুলো হচ্ছে:
১. তুর্কীয়-ইরানীয় (Turko-Iranian);
২. ভারতীয় আর্য (Indo-Aryan);
৩. শক-দ্রাবিড় (Scytho-Dravidian);
৪. আর্য-দ্রাবিড় (Aryo-Dravidian);
৫. মঙ্গোল-দ্রাবিড় (Mongolo-Dravidian);
৬. মঙ্গোলীয় (Mongoloid) এবং
৭. দ্রাবিড়ীয় (Dravidian) ।

জে. হুটন (J. Hutton) ভারতীয় উপমহাদেশের জনসমষ্টিকে মোট আটটি ভাগে বিভক্ত করেছেন। এগুলো হলো:
১. নেগ্রিটো বা নিগ্রোবটু (Negrito);
২. আদি-অস্ট্রেলীয় (Proto-Australoid);
৩. আদি-মেডিটেরিয়ান (Early Meditarrinian);
৪. সভ্য-মেডিটেরিয়ান (Civilized Meditarrinian);
৫. আর্মানীয় (Armanoid);
৬. আলপাইন (Alpine);
৭. বৈদিক-আর্য (Vedic-Aryan) এবং
৮. মঙ্গোলীয় (Mongoloid) ।

এছাড়া,
- পন্ডিত বিরজাসংকর গুহ ভারত উপমহাদেশের জনসমষ্টিকে ছয়টি নৃতাত্ত্বিক ধারায় ভাগ করেছেন।
- নৃতত্ত্ববিদ ভন আইকস্টেট্ট (Von Eickstedt) ভারতীয় উপমহাদেশের মানবগোষ্ঠীকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করেন।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
বাংলা একাডেমি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৬০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৫ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি: 
বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।
১৯৫৩ সালে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে, কিন্তু তা ব্যর্থ হয়।
দ্বিতীয়বার যুক্তফ্রন্ট ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমির উদ্বোধন করেন।
এভাবে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাস্তব রূপ লাভ করে।
একাডেমি সূচনায় ছিল একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।
১৯৫৭ সালে ‘দি বেঙ্গলী একাডেমী অ্যাক্ট’ গৃহীত হলে এটি সরকারি অর্থে পরিচালিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
২৯.
সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেন কে?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. নির্বাচন কমিশন
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি: 
- সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান।
- প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়।
- তাঁর হাতে কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই।

প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ ও শাসনসংক্রান্ত ক্ষমতা ও কার্যাবলি: 
- সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের আস্থাভাজন নেতাকে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না।
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নিয়োগ ও তাঁদের দপ্তর বণ্টন করেন।
- তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারকবৃন্দ, রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনারদের নিয়োগ দান করেন।

প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ও বিচারসংক্রান্ত কাজ:
- রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না।
- সুপ্রিম কোর্টের অন্য বিচারপতিগণও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩০.
বাংলাদেশের প্রধান নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. ত্রিপুরা
  4. বাঙালি
সঠিক উত্তর:
বাঙালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙালি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসমূহ: 
- প্রাচীন কাল থেকেই বাংলাদেশে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর বাস।
- বাংলাদেশের প্রধান নৃগোষ্ঠী হচ্ছে বাঙালি- যাদের ভাষা বাংলা এবং অধিকাংশই সমতল ভূমিতে বসবাস করে।
- এছাড়া বাংলাদেশে প্রায় ৫০টির মতো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী (Ethnic Grpoup) রয়েছে যাদের ভাষা, সংস্কৃতি, রীতিনীতি, আচার-অনুষ্ঠান বাঙালি নৃগোষ্ঠী থেকে পৃথক।
- কেবল বাঙালি নৃগোষ্ঠী নয়, প্রতিটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী অন্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী থেকেও আলাদা।
- এ অঞ্চলে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মধ্যে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, রাখাইন, সাঁওতাল, কুকি, তঞ্চঙ্গ্যা, কুমি, লুসাই, পাংখো, খুমি, খিয়াং, বনযোগী, মণিপুরী, খাসিয়া, গারো, হাজং, কোচ, ডালুই, রাজবংশী, মুন্ডা, ওঁরাও প্রভৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
সুপ্রীম কোর্ট কয়টি বিভাগ নিয়ে গঠিত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
সুপ্রীম কোর্ট:
- সুপ্রীম কোর্ট বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- সুপ্রীম কোর্ট দুটি বিভাগ নিয়ে গঠিত। যেমন:
(ক) আপীল বিভাগ ও
(খ) হাইকোর্ট বিভাগ।
- প্রধান বিচারপতি এবং উভয় বিভাগের আসন গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত সংখ্যক বিচারক সমন্বয়ে সুপ্রীম কোর্ট গঠিত।
- প্রধান বিচারপতি ও আপীল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকগণ আপীল বিভাগে আসন গ্রহণ করেন।
- অন্যান্য বিচারকগণ হাইকোর্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করেন।
- তাঁরা বিচারকার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে তত্ত্বগতভাবে স্বাধীন। রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে নিযুক্ত করেন।
- রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারকদেরও নিয়োগ করেন।
- রাজধানীতে সুপ্রীম কোর্টের স্থায়ী আসন থাকবে।
-তবে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে প্রধান বিচারপতি যে কোনো স্থানে সুপ্রীমকোর্টের অধিবেশন অনুষ্ঠান করতে পারবেন।
- প্রধান বিচারপতি এবং আপিল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকদের নিয়ে আপিল বিভাগ গঠিত হবে এবং অন্যান্য বিচারকদের নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগ এবং স্থায়ী বেঞ্চ গঠিত হবে।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতির পদ কোন কারণে শূন্য হলে আপীল বিভাগের প্রবীনতম বিচারক অস্থায়ী ভাবে প্রধান বিচারপতির কার্যভার গ্রহণ করবেন।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ ও বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে প্রথম জনশুমারি হয় কবে?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৪ সালে প্রথম জনশুমারি ও গৃহগণনা হয়। 
- ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি হয় এবং
- ১৯৮৬ সালে প্রথম অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালিত হয়।
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ছয়টি আদম শুমারি ও গৃহগণনা শুমারি পরিচালিত হয় যার সর্বশেষটি হয় ২০২২ সালে।
- ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মূল তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম ১৫-২১ জুন ২০২২ সময়ে সম্পন্ন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৩৩.
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) কোথায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. রংপুর
  3. কুমিল্লা
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড): 
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. আখতার হামিদ খানে। 
- বার্ড স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- একাডেমি কর্তৃক উদ্ভাবিত পল্লী উন্নয়নের ‘কুমিল্লা মডেল’ এর জন্য বার্ড দেশে-বিদেশে সুখ্যাতি অর্জন করে।
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) কুমিল্লায় অবস্থিত। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৩৪.
বাংলাদেশের সংবিধানকে কতটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান: 
- বাংলাদেশের সংবিধান লিখিত এবং গ্রন্থীত।
- সংবিধানের ১১টি ভাগ, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ এবং একটি প্রস্তাবনাসহ ৭টি তফসিল রয়েছে।
- সংবিধানে সরকারের তিনটি বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ পদের অধিকারী যেমন- রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, অ্যার্টনি জেনারেলসহ অন্যান্যদের ক্ষমতা, কার্যাবলি সুষ্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫.
দেশের মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্তর্গত? [মে, ২০২৫]
  1. প্রায় ১ শতাংশ
  2. প্রায় ২ শতাংশ
  3. প্রায় ৫ শতাংশ
  4. প্রায় ৮ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১ শতাংশ
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী:
- দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮।
- পুরুষের সংখ্যা ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৫১ জন।
- দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্তর্গত। 
- জনশুমারিতে দেশের ৫০টি জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়।
- এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে মারমা ও ত্রিপুরা।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর।এই জনগোষ্ঠীর মাত্র ৯৫ জন রয়েছে বাংলাদেশে।
- এরপর গুর্খা জনগোষ্ঠী সংখ্যা ১০০ জন বাংলাদেশে বসবাস করছে।
- হো জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ২২৩ জন।
- রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- ২য় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৩৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ” বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১
  2. অনুচ্ছেদ ৫
  3. অনুচ্ছেদ ৭
  4. অনুচ্ছেদ ৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭
ব্যাখ্যা
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ একটি গণপ্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- সংবিধানে জনগণকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে বলা হয় রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ।
- সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদে “রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ” বলা হয়েছে। 

অনুচ্ছেদ ৭৷ সংবিধানের প্রাধান্য:
৭৷ (১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে৷ 
 ৭৷ (২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসমঞ্জস হয়, তাহলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে৷

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সংবিধান। 
৩৭.
'জাগ্রত চৌরঙ্গী' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. গাজীপুর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
জাগ্রত চৌরঙ্গী:
- জাগ্রত চৌরঙ্গী গাজীপুর এর জয়দেবপুরে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বপ্রথম স্মারক ভাস্কর্য হলো জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে ১৯৭১ সালে ১৯ শে মার্চ গাজীপুরে সংঘটিত প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ সংগ্রামের চেতনার আলোকে ও শহীদ হুরমত আলীসহ অন্যান্য শহীদদের স্মরনে নির্মিত হয় জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- ভাস্কর্যটির উচ্চতা মাটি থেকে ১০০ (একশত) ফুট।
- দুপাশে ১৬ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ১১ নং সেক্টরের ১০৭ জন এবং ৩নং সেক্টরের ১০০ জন শহীদ সৈনিকের নাম খোদাই করা রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এ কোন পদ্ধতিতে তথ্যসংগ্রহ করা হয়?
  1. CAPI
  2. MAPI
  3. TAPI
  4. AAPI
সঠিক উত্তর:
CAPI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CAPI
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মূল তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম ১৫-২১ জুন ২০২২ সময়ে সম্পন্ন করা হয়।
- আকস্মিক বন্যাজনিত কারণে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনা জেলার তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রমের সময়সীমা ২৮ জুন ২০২২ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
- শুমারিতে জিআইএস (Geographic Information System) বেইজড ডিজিটাল ম্যাপ ব্যবহার করে CAPI (Computer Assisted Personal Interviewing) পদ্ধতিতে ট্যাবলেট এর মাধ্যমে তথ্যসংগ্রহ করা হয়।
- এ শুমারিতে প্রথমবারের মতো একটি ওয়েবভিত্তিক Integrated Census Management System (ICMS) প্রবর্তন করা হয়েছে যা ব্যবহার করে সদর দপ্তরে স্থাপিত Network Operations Centre (NOC) এর ডিজিটাল ডিসপ্লের মাধ্যমে শুমারিকালীন সকল গণনা এলাকা, গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা পর্যায়ের গণনা কার্যক্রম তদারকি সম্ভব হয়েছে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২% । 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৩৯.
মওলানা ভাসানী কত সালে ফারাক্কা অভিমুখে এক লং মার্চে নেতৃত্ব দেন?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
মওলানা ভাসানী: 
- মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী (১৮৮০-১৯৭৬) ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ।
- তিনি মওলানা ভাসানী নামে সমধিক পরিচিত ছিলেন।
- তিনি ছিলেন একজন স্ব-শিক্ষিত ব্যক্তি। 
- তাঁর নেতৃত্বের ভিত্তি ছিল কৃষক শ্রমিক জনসাধারণ, যাদের অধিকার এবং স্বার্থ রক্ষার জন্য তিনি নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম করে গেছেন।
- ভাসানী ১৮৮০ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার ধনপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- মওলানা ভাসানী ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) নামে একটি নতুন দল গঠন করেন।
- মওলানা ভাসানী ফারাক্কা চুক্তিকে বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থি বলে মনে করেন।
- তিনি ১৯৭৬ সালের ১৬ মে রাজশাহী থেকে ফারাক্কা অভিমুখে এক লং মার্চে নেতৃত্ব দেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা আছে, “সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান”?
  1. অনুচ্ছেদ ২৭
  2. অনুচ্ছেদ ২৮
  3. অনুচ্ছেদ ২৯
  4. অনুচ্ছেদ ৩২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
ব্যাখ্যা
আইনের দৃষ্টিতে সমতা:
- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয়লাভের অধিকারী। [অনুচ্ছেদ-২৭]

নানান কারণে বৈষম্য:
ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষ ভেদে বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না। রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষ সমান অধিকার লাভ করবে। কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাবে না। [অনুচ্ছেদ-২৮(১), ২৮(২), ২৮(৩)]

সরকারি নিয়োগলাভের সুযোগের সমতা:
প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদলাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকবে। ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদলাভের অযোগ্য হবে না। কিংবা সে ক্ষেত্রে তাঁর প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাবে না। [অনুচ্ছেদ- ২৯(১), ২৯ (২)]

জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার রক্ষণ:
- আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাবে না। [অনুচ্ছেদ-৩২]।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সংবিধান।
৪১.
বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের কাজ নয় কোনটি?
  1. ভোটার তালিকা প্রণয়ন
  2. নির্বাচন অনুষ্ঠান করা
  3. রাজনৈতিক দল গঠন করা
  4. নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণ
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল গঠন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল গঠন করা
ব্যাখ্যা
- রাজনৈতিক দল গঠন করা নির্বাচন কমিশনের কাজ নয়। 

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন: 

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ এর আওতায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন স্থাপিত হয়েছে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে।
- একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে কাজ করবেন।
- সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কোন নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৯ এ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব বর্ণিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হল রাষ্ট্রপতি ও সংসদে নির্বাচন পরিচালনা, নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ, নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণ, আইন কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য নির্বাচন পরিচালনা (এর মধ্যে সকল স্থানীয় সরকার পরিষদ যেমনঃ ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পার্বত্য জেলা পরিষদ অর্ন্তভুক্ত) এবং আনুষাঙ্গিক কার্যাদির সুষ্ঠু সম্পাদন।
- দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন থাকবেন এবং কেবল সংবিধান ও আইনের অধীন হবেন।
- নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
৪২.
বাংলাদেশে বসবাসরত সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. মারমা
  2. চাকমা
  3. ত্রিপুরা
  4. রাখাইন
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা
চাকমাদের আবাস ও ভাষা:
- চাকমারা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পার্বত্য চট্টগ্রাম তথা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বসবাস করে।
- সবচেয়ে বেশি সংখ্যক চাকমা বসবাস করে রাঙামাটি জেলায়।
- বাংলাদেশে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা সর্ববৃহৎ।
- ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয় যে, চাকমারা পূর্বে টিবেটো বার্মা ভাষা পরিবারভুক্ত আরাকানি ভাষায় কথা বলত।
- চাকমাদের লিপিতে আরাকানি অক্ষরের প্রাধান্যই বেশি পরিলক্ষিত হয়।
- বর্তমানে তারা ইন্দো-ইউরোপিয়ান ভাষায় কথা বলে।
- চাকমা ভাষার নিজস্ব লিখিত লিপি রয়েছে।
- সাম্প্রতিক সময়ে চাকমা ভাষায় পাঠ্যপুস্তক রচিত হয়েছে।
- এছাড়াও সংগীত ও চলচিত্রেও চাকমা ভাষার ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা কত?
  1. ৪৫ ফুট
  2. ১০০ ফুট
  3. ১৫০ ফুট
  4. ৪৫০ ফুট
সঠিক উত্তর:
১৫০ ফুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০ ফুট
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- ঢাকা থেকে প্রায় ২৫ কি. মি. দূরে সাভার থানার নবীনগরে জাতীয় স্মৃতিসৌধ অবস্থিত।
- এ স্থানটি নির্বাচনের অন্যতম কারণ ছিল দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এখানে অনেক গণকবর আবিস্কৃত হয়েছিল।
- বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধকে চিরস্মরণীয় করে রাখার জন্য এ স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
- অধিগ্রহণকৃত ৮৪ একর জমির মাঝে প্রায় ৬৪ একর জুড়ে রয়েছে সবুজ ভূমি।
- ৪০ একর জায়গা নিয়ে গড়ে উঠেছে স্মৃতিসৌধ।
- ১৯৮২ সালের আগষ্ট মাসে সৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল কাঠামোর নকশা তৈরি করেন স্থপতি মইনুল হোসেন।
- কংক্রিট নির্মিত ৭ টি ত্রিভূজাকৃতির স্তম্ভ দিয়ে মূল সৌধ গঠিত, যা ছোট হতে ধীরে ধীরে উচু হয়ে উপরে উঠে গেছে।
- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট।
- প্রথম স্তম্ভটির উচ্চতা কম হলে ও প্রস্থে সবচেয়ে বড়।
- এটিকে আন্দোলনের সূচনা অর্থাৎ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনকে বোঝানো হয়েছে।
- পরবর্তী স্তম্ভগুলো দ্বারা যথাক্রমে ১৯৫৪, ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯ এবং ১৯৭১ কে বুঝানো হয়েছে।
- সর্বোচ্চ স্তম্ভটির দ্বারা মুক্তিযুদ্ধের বিজয়কে বুঝানো হয়েছে।
- এই স্মৃতিসৌধের বৈশিষ্ট্য হলো এক এক দিক থেকে এক এক রকম আকৃতির মনে হয়।
- এটি শুধু স্মৃতিসৌধ নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ কমপ্লেক্স।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৪.
কার নেতৃত্বে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়?
  1. ড. কামাল হোসেন
  2. তাজউদ্দিন আহমদ
  3. বেগম রাজিয়া বানু
  4. মাওলানা ভাসানী
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন: 
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে আইন ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে কমিটি প্রথম বৈঠক করে। এই কমিটি সংবিধান সম্পর্কে মতামত লাভের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে অনেকগুলো বৈঠক করে।
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংবিধান সম্পর্কে বিভিন্ন মহল থেকে ৯৮টি প্রস্তাব ও সুপারিশ পায়।
- ১০ জুন, ১৯৭২ সালে কমিটির শেষ বৈঠকে সংবিধানের প্রাথমিক খসড়াটি অনুমোদন করা হয়।
- ১১ জুন, ১৯৭২ সালে কমিটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করে খসড়া সংবিধানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
- ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে কমিটি সর্বশেষ আলাপ-আলোচনা করে এবং সেদিনই সংবিধানের পূর্ণাঙ্গ খসড়া চূড়ান্তভাবে গৃহীত হয়।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৫.
বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা কয় স্তরবিশিষ্ট?
  1. ১ স্তর
  2. ২ স্তর
  3. ৩ স্তর
  4. ৪ স্তর
সঠিক উত্তর:
৩ স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ স্তর
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার ও স্থানীয় স্বায়ত্বশাসন:
- স্থানীয় সরকার বলতে স্থানীয় জনগণের ভোটে নির্বাচিত স্বশাসনের অধিকারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে থাকে।
- স্থানীয় সরকারের নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্য থাকার কথা বলা হয়, যার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে স্বায়ত্বশাসন।
- সুতরাং স্থানীয় সরকার বলতে মূলত স্থানীয় স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানকেই বোঝানো হয়।
- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও গ্রামাঞ্চলে তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।
- শহুরে স্থানীয় সরকার: সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা।
- পল্লী স্থানীয় সরকার: জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬.
কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পরিবার ব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক?
  1. মারমা
  2. গারো
  3. খাসিয়া
  4. খ ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
মারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারমা
ব্যাখ্যা
মারমাদের বিবাহ ও পরিবার ব্যবস্থা:
- মারমাদের পরিবার ব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।
- মারমা পরিবারের প্রধান পিতা হলেও পারিবারিক কাজকর্মে মাতার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে।
- পরিবারের সবচেয়ে বয়স্ক পুরুষটি মারমা পরিবারের প্রধান হিসেবে ভূমিকা পালন করে।
- মারমা পরিবার সাধারণত একক পরিবার।
- পৈতৃক সম্পত্তির উত্তরাধিকারে ছেলে ও মেয়ে উভয়েরই সমান অধিকার রয়েছে।
- সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে তারা প্রাচীন বার্মিজ প্রথা অনুসরণ করে যাকে 'থামোতাদা' (Thamohada) বলা হয়।
- পুত্র এবং কন্যা যে কেউই পৈতৃক সম্পত্তির উত্তরাধিকার হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
- সাধারণত সবচেয়ে প্রিয় সন্তানটিই গৃহের মালিকানা লাভ করে এবং পিতামাতাকে দেখাশোনা করে।
- মারমা সম্প্রদায়ে সাধারণত একবিবাহ ব্যবস্থাই প্রচলিত।
- তবে বহুবিবাহ প্রথা ও দেখা যায়। নারী এবং পুরুষ উভয়েরই বিবাহ বিচ্ছেদের অধিকার রয়েছে।
- তবে এ ব্যাপারে হেডম্যান বা কারবারির বিচারই চূড়ান্ত।
- মারমা সমাজে অন্তর্বিবাহ ও বহির্বিবাহ দুই ধরনের বিবাহ প্রথাই প্রচলিত।
- বিবাহ, বিবাহ-বিচ্ছেদ ও সম্পত্তির মালিকানা ইত্যাদি ক্ষেত্রে মারমারা নারীদেরকে স্বাধীনতা দেয়।

উল্লেখ্য, গারো ও খাসিয়াদের পরিবার ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭.
কে বর্তমানে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান পদে আছেন? [মে, ২০২৫]
  1. বিচারপতি শামীম হাসনাইন
  2. বিচারপতি জিনাত আরা
  3. বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ
  4. বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি জিনাত আরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি জিনাত আরা
ব্যাখ্যা
জিনাত আরা:
- আপিল বিভাগে নিয়োগ পাওয়া দ্বিতীয় নারী বিচারপতি হলেন বিচারপতি জিনাত আরা।
- বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৭৮ সালের ৩ নভেম্বর মুনসেফ (সহকারী জজ) হিসেবে বিচার বিভাগে যোগদান করেন তিনি।
- একে একে সব ধাপ পেরিয়ে ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
- ৪১ বছরের বেশি সময়ের কর্মজীবনের ইতি টেনে ২০২০ সালের ১৪ মার্চ অবসরে যান তিনি।
- বর্তমানে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান পদে আছেন।

উল্লেখ্য,
- আপিল বিভাগে তৃতীয় নারী বিচারক বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ।
- দেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে প্রথম নারী বিচারক হলেন নাজমুন আরা সুলতানা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
আইন কমিশন, বাংলাদেশ।
৪৮.
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বোচ্চ স্তর কোনটি?
  1. জেলা পরিষদ
  2. বিভাগীয় পরিষদ
  3. সচিবালয়
  4. উপজেলা পরিষদ
সঠিক উত্তর:
জেলা পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা পরিষদ
ব্যাখ্যা
- জেলা পরিষদ হচ্ছে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বোচ্চ স্তর।
- জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জেলার জনগণ দ্বারা সরাসরি নির্বাচনের বিধান রাখা হয়।
- জেলা পরিষদের সভাপতি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পান এবং জেলা প্রশাসককে তার অধীনে প্রধান নির্বাহী করা হয়।
- সংসদ সদস্য এই পরিষদে পরামর্শকের ভূমিকা পালন করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯.
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অবস্থান কোথায়?
  1. বনানী
  2. বিজয় সরণি
  3. আগারগাঁও
  4. সেগুনবাগিচা
সঠিক উত্তর:
সেগুনবাগিচা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেগুনবাগিচা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি:
- এটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর অধীন।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বাংলাদেশে সংস্কৃতিচর্চার একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৭৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি।
- একাডেমীর সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন ড. মুস্তাফা নূর-উল ইসলাম।
- সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বিস্তৃত করার লক্ষ্যে দেশের ৬৪টি জেলায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৫০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে চলাফেরার স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৬
  2. অনুচ্ছেদ ৩৭
  3. অনুচ্ছেদ ৩৮
  4. অনুচ্ছেদ ৩৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৬
ব্যাখ্যা
চলাফেরার স্বাধীনতা:
- জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধ চলাফেরা, যে কোন স্থানে বসবাস ও বসতিস্থান এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও বাংলাদেশে পুনঃপ্রবেশ করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে। [অনুচ্ছেদ-৩৬]

সমাবেশের স্বাধীনতা:

জনশৃঙ্খলা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তি সঙ্গত বাধা নিষেধ সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হওয়ার এবং জনসভা ও শোভাযাত্রায় যোগদান করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে। [অনুচ্ছেদ-৩৭]

সংগঠনের স্বাধীনতা:
জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে সমিতি বা সংঘ করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে। [অনুচ্ছেদ-৩৮]

চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্স্বাধীনতা:
বাংলাদেশ সংবিধানে প্রত্যেক নাগরিককে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হয়েছে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও অন্যান্য আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হয়। [অনুচ্ছেদ- ৩৯(১), ৩৯ ২ক), ৩৯ ২খ)]

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সংবিধান।
৫১.
সামগ্রিকভাবে সরকারের কয়টি বিভাগ রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
সরকার ব্যবস্থা: 
- সরকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রের যন্ত্রস্বরূপ।
- সরকারের মাধ্যমে রাষ্ট্র তার কাজ করে।
- সরকারের কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সরকারের বিভিন্ন বিভাগ বা অঙ্গ রয়েছে।
- সাধারণভাবে সরকার বসতে আমরা বুঝি আইন পরিষদ, রাজনৈতিক দল, মন্ত্রিপরিষদ, শাসনকর্তা, আদালত ও পুলিশ।
- সামগ্রিকভাবে সরকারের তিনটি বিভাগ রয়েছে, যথা: ১. নির্বাহী বা শাসনবিভাগ, ২. আইনবিভাগ ও ৩. বিচার বিভাগ। 
- প্রত্যেক রাজনৈতিক ব্যবস্থায় এ তিনটি মৌলিক বিভাগ বিদ্যমান থাকে।
- কেননা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি কাজ হচ্ছে প্রশাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।
- প্রশাসন পরিচালনা দুই ধরনের একটি কেন্দ্রীয় এবং অপরটি স্থানীয় শাসন। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৫২.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা কবে করা হয়?
  1. ১৫-২১ জুন ২০২২
  2. ১৫-২১ জুলাই ২০২১
  3. ১৫-২১ জুন ২০২৩
  4. ১৫-২১ জুলাই ২০২২
সঠিক উত্তর:
১৫-২১ জুন ২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫-২১ জুন ২০২২
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মূল তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম ১৫-২১ জুন ২০২২ সময়ে সম্পন্ন করা হয়।
- আকস্মিক বন্যাজনিত কারণে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনা জেলার তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রমের সময়সীমা ২৮ জুন ২০২২ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
- শুমারিতে জিআইএস (Geographic Information System) বেইজড ডিজিটাল ম্যাপ ব্যবহার করে CAPI (Computer Assisted Personal Interviewing) পদ্ধতিতে ট্যাবলেট এর মাধ্যমে তথ্যসংগ্রহ করা হয়।
- এ শুমারিতে প্রথমবারের মতো একটি ওয়েবভিত্তিক Integrated Census Management System (ICMS) প্রবর্তন করা হয়েছে যা ব্যবহার করে সদর দপ্তরে স্থাপিত Network Operations Centre (NOC) এর ডিজিটাল ডিসপ্লের মাধ্যমে শুমারিকালীন সকল গণনা এলাকা, গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা পর্যায়ের গণনা কার্যক্রম তদারকি সম্ভব হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৫৩.
বাংলাপিডিয়ার প্রধান সম্পাদক কে?
  1. স্যার উইলিয়াম জোন্স
  2. অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম
  3. ড. আহমদ হাসান দানী
  4. আব্দুল হামিদ
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
বাংলাপিডিয়া:
- বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ।
- এ জ্ঞানকোষে প্রায় ১৪৫০ জন পণ্ডিতের সৃজনশীল কাজের সমন্বয় ঘটেছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতমকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের বর্ণনা বাংলাপিডিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- প্রধান সম্পাদক: অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম।

- স্যার উইলিয়াম জোন্স ছিলেন এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের প্রথম সভাপতি ছিলেন আব্দুল হামিদ।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের প্রথম সম্পাদক ছিলেন ড. আহমদ হাসান দানী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
৫৪.
সরকারি কর্ম কমিশন কত অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১৭
  2. অনুচ্ছেদ ১১৮
  3. অনুচ্ছেদ ১৩৭
  4. অনুচ্ছেদ ১৩৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৩৭
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন: 
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা লাভ করে। 

- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত এবং যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি নির্বাচন করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন দেশে তার প্রতিরূপ সংস্থাসমূহের মতো প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত মানব সম্পদ পরিকল্পনায় উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি জনপ্রশাসন ব্যবস্থাপনায় নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ভূমিকা পালন করছে।
- কর্ম কমিশন দেশব্যাপি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচন করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
বাংলাদেশের সংবিধান। 
৫৫.
জাতীয় সংসদ ভবন কত সালে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ ভবন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন পৃথিবীর দৃষ্টিনন্দন আইনসভা ভবনের একটি।
- রাজধানী ঢাকার শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবন এলাকার আয়তন ২১৫ একর।
- দৃষ্টিনন্দন এ ভবনের নকশা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত স্থপতি লুই আই কান।
- সংসদ ভবন এলাকাকে প্রধান ভবন, দক্ষিণ প্লাজা ও প্রেসিডেন্সিয়াল প্লাজা এই তিনটি অংশে ভাগ করা হয়েছে।
- সংসদের পেছন দিকে ক্রিসেন্ট লেক নামে একটি নান্দনিক জলাধার রয়েছে।
- সংসদের মূল ভবনের পাশাপাশি রয়েছে উন্মুক্ত সবুজ পরিসর, মনোরম জলাধার ও সংসদ সদস্যদের কার্যালয়।
- ১৯৬১ সালে ৯ তলা জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ ভবনের উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
৫৬.
জহির রায়হান পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. কখনও আসেনি
  2. জীবন থেকে নেয়া
  3. সঙ্গম
  4. স্টপ জেনোসাইড
সঠিক উত্তর:
কখনও আসেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কখনও আসেনি
ব্যাখ্যা
জহির রায়হান:
- জহির রায়হান (১৯ আগস্ট ১৯৩৫ — ৩০ জানুয়ারি ১৯৭২) ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক এবং গল্পকার।
- তাঁর আসল নাম ছিল জহিরুল্লাহ।
- পরবর্তী সময়ে তিনি জহির রায়হান নামে পরিচিত হন।
- ১৯৫২ সালে তিনি ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি যে ১০ জন প্রথম ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করেন তিনি তাঁদের অন্যতম।
- তাঁর প্রথম গল্পসংগ্রহ সূর্যগ্রহণ প্রকাশিত হয়।
- তাঁর লিখিত অন্যান্য বইগুলি হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী এবং আর কত দিন।
- হাজার বছর ধরে উপন্যাসের জন্য তিনি আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।
- বাংলা সাহিত্যের গল্প শাখায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬১ সালে জহির রায়হান পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র কখনও আসেনি মুক্তি পায়।
- তাঁর অন্যান্য চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা।
- জীবন থেকে নেয়া ছবিতে প্রতীকী কাহিনীর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করা হয় এবং জনগণকে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়।
- তিনি লেট দেয়ার বি লাইট নামে একটি ইংরেজি ছবি নির্মাণ শুরু করেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ায় তিনি তা শেষ করতে পারেন নি।
- পাকিস্তানি সামরিক জান্তার গণহত্যার চিত্র সম্বলিত স্টপ জেনোসাইড ছবিটি পৃথিবী জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- জহির রায়হানের উর্দু ছবি সঙ্গম ছিল পাকিস্তানের প্রথম রঙ্গীন ছবি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৭.
কারা নিজেদেরকে মান্দাই/মান্দি নামে পরিচয় দিয়ে থাকে?
  1. গারো
  2. ত্রিপুরা
  3. রাখাইন
  4. পাঙন
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
গারো (মান্দি): 
- নৃগোষ্ঠী হিসাবে 'গারো'দের নামকরণ নিয়ে মতভিন্নতা রয়েছে।
- একটি মত অনুসারে, গারো পাহাড়ের নামানুসারে 'গারো' নামকরণ করা হয়।
- অন্য মতে বলা হয়েছে, গারো নৃগোষ্ঠীর নামানুসারে 'গারো পাহাড়' নামকরণ হয়েছে।
- গারোরা নিজেদেরকে মান্দাই/মান্দি নামে পরিচয় দিয়ে থাকে।
- গারো ভাষায় মান্দি অর্থ মানুষ।
- গারো এথনিক সম্প্রদায় দুই শ্রেণিভূক্ত; যথা- ক) অচ্ছিক গারো ও খ) লামদানি গারো।
- বাংলাদেশে প্রধানত লামদানি গারোরা বাস করে।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮.
পঞ্চদশ সংশোধনীতে মোট কয়টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো?
  1. ৫০টি
  2. ৫২টি
  3. ৫৪টি
  4. ৫৬টি
সঠিক উত্তর:
৫৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪টি
ব্যাখ্যা
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও গণভোট পদ্ধতি বাতিল করে সংবিধানের যে পঞ্চদশ সংশোধনী আনা হয়েছিলো সেটিকে আংশিক বাতিল করেছে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।
- কিন্তু যে অংশটি বাতিল করা হয়েছে তার ফলে দেশের সংবিধানে আবারো নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরে আসার পথ তৈরি হয়েছে এবং সংবিধানের কিছু ক্ষেত্রে সংশোধনীর জন্য গণভোটের বিধান পুনরুজ্জীবিত হয়েছে।
- আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে।
- ওই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।
- বাকীগুলো পরবর্তী সংসদের হাতে ছেড়ে দিয়েছে।
- তবে আইনজীবীরা বলছেন হাইকোর্টের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে করা বিধান বাতিল হলেও সংবিধানে এখনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরছে না।
- বরং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা যে সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত করা হয়, সেই ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে আপিল বিভাগ যে আদেশ দিয়েছিল, তার ওপর একটি রিভিউ পিটিশন আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় আছে।
- ২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ওই রায় দিয়েছিলেন।
- ২০২৪ সালের ১৮ই আগস্ট সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী চ্যালেঞ্জ করে আদালতে রিট করেন বেসরকারি সংস্থা সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন।
- উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী পাশ হয়েছিলো সংসদে।

উৎস: বিবিসি বাংলা (১৭ ডিসেম্বর ২০২৪)
৫৯.
বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে কোনটি অবস্থিত?
  1. জেলা পরিষদ
  2. বিভাগীয় প্রশাসন
  3. সেক্রেটারিয়েট
  4. উপজেলা পরিষদ
সঠিক উত্তর:
সেক্রেটারিয়েট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেক্রেটারিয়েট
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় প্রশাসন: 
- সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয় বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত যা শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ।
- সরকারি যাবতীয় সিদ্ধান্ত সর্বপ্রথম সচিবালয়ে গৃহীত হয়।
- সাধারণত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও তার বিভাগসমূহের অফিসগুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলে।
- প্রধানমন্ত্রীর পছন্দানুযায়ী প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে একজন মন্ত্রী নিযুক্ত হন।
- মন্ত্রী হলেন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও মন্ত্রণালয়ের প্রধান।
- মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তথা প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একজন সচিব।
- সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে সেবা, যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ এবং নির্দিষ্ট পদসোপানের মধ্য দিয়ে তিনি সচিব পদে উন্নীত হন।
- মন্ত্রণালয়ের যাবতীয় কাজের ভার সচিবের ওপর ন্যস্ত থাকে।
- তিনি মন্ত্রীকে যাবতীয় কাজে সহায়তা করেন।
- মন্ত্রণালয় পরিচালনার ব্যাপারে মন্ত্রী সচিবের নিকট থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পরামর্শ গ্রহণ করেন।
- সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে সচিব মন্ত্রীর সহচর হিসেবে কাজ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৬০.
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ময়মনসিংহে
  2. বগুড়ায়
  3. সোনারগাঁওয়ে
  4. পুরান ঢাকায়
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁওয়ে
ব্যাখ্যা
সোনারগাঁও:
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- অন্য ধারণামতে বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ’র স্ত্রী সোনাবিবি’র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্য়ন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- সোনারগাঁও-এর আরেকটি নাম ছিল পানাম।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সোনারগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন
ii) বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন
৬১.
বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয় কবে?
  1. ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি
  2. ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ
  3. ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ
  4. ১৯৭২ সালের ৭ মার্চ
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ
ব্যাখ্যা
গণপরিষদ আদেশ: 
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ জারি করেন।
- আদেশটি ২৬ মার্চ, ১৯৭১ সাল থেকে কার্যকর হয়।
- এই আদেশ অনুসারে ডিসেম্বর, ১৯৭০ এবং জানুয়ারি, ১৯৭১ সালে নির্বাচিত প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদের সদস্যগণ গণপরিষদের সদস্য বলে বিবেচিত হয়।
- মৃত্যু এবং আইনে অযোগ্য ঘোষিত হওয়ার ফলে উভয় পরিষদ মিলে সর্বমোট ৪৬৯ জন সদস্যের স্থলে ৪০৩ জন সদস্য নিয়ে গণপরিষদ গঠিত হয়।
- এই গণপরিষদের উপর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জন্য সংবিধান প্রণয়নের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়।
- গণপরিষদ তার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একজন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২.
বাংলাদেশের প্রশাসনের কয়টি স্তর রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রশাসনের স্তর: 
- বাংলাদেশের প্রশাসনের দুটি স্তর রয়েছে।
যথা: কেন্দ্রীয় প্রশাসন এবং মাঠ প্রশাসন।
- কেন্দ্রিয় প্রশাসনিক কাঠামোর পদসোপান অনুযায়ী সর্বনিম্ন স্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হচ্ছেন সহকারী সচিব।
- ধাপের ক্রমানুসারে কর্মকর্তাদের পদবি যথাক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব, উপসচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব, সচিব, সিনিয়র সচিব এবং সবার উপরে মন্ত্রী অবস্থান করেন।
- প্রশাসনিক কর্মকান্ড এই কাঠামো স্তরের মধ্য দিয়েই বাস্তবায়িত হয়।
- সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ উপর থেকে নিচের দিকে যায়।
- সচিবের পরামর্শ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন কোনো বিভাগীয় প্রধান, সরাসরি মন্ত্রীর কাছে কোনো প্রস্তাব বা সুপারিশ পাঠাতে পারেন না।
- একটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একাধিক সচিব, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব বা অধস্তন কর্মকর্তা থাকতে পারেন। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৬৩.
'মারাংবুরো' কী?
  1. সাঁওতালদের বিবাহপ্রথা
  2. সাঁওতালদের বর্ষবরণ
  3. সাঁওতালদের মন্দিরের নাম
  4. সাঁওতালদের প্রধান গ্রামদেবতা
সঠিক উত্তর:
সাঁওতালদের প্রধান গ্রামদেবতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁওতালদের প্রধান গ্রামদেবতা
ব্যাখ্যা
সাঁওতালদের ধর্ম: 
- সাঁওতাল সম্প্রদায়ের মানুষ প্রধানত হিন্দু ও খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী।
- সনাতন ধর্মে বিশ্বাসীরা হিন্দুধর্মের রীতিনীতি ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করে।
- অন্যরা খ্রিস্টান ধর্মের আচার-অনুষ্ঠান পালন করে থাকে।
- সাঁওতালদের প্রধান গ্রামদেবতার নাম 'মারাংবুরো'।
- এই দেবতাকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য তাঁর উদ্দেশ্যে সাদা মোরগ ও সাদা ছাগল উৎসর্গ করা হয়।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪.
ষাট গম্বুজ মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বরিশাল
  2. বাগেরহাট
  3. খুলনা
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
ব্যাখ্যা

ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- তবে মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী দেখলে এটি যে খান-ই-জাহান নির্মাণ করেছিলেন সে সম্বন্ধে কোনো সন্দেহ থাকে না।
- ধারণা করা হয় তিনি ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন। এ মসজিদটি বহু বছর ধরে ও বহু অর্থ খরচ করে নির্মাণ করা হয়েছিলো। পাথরগুলো আনা হয়েছিলো রাজমহল থেকে।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত; বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- মসজিদের ভেতরে ৬০টি স্তম্ভ বা পিলার আছে।
- এগুলো উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬ সারিতে অবস্থিত এবং প্রত্যেক সারিতে ১০টি করে স্তম্ভ আছে।
- প্রতিটি স্তম্ভই পাথর কেটে বানানো, শুধু ৫টি স্তম্ভ বাইরে থেকে ইট দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে। এই ৬০টি স্তম্ভ ও চারপাশের দেয়ালের ওপর তৈরি করা হয়েছে গম্বুজ।
- মসজিদটির নাম ষাট গম্বুজ (৬০ গম্বুজ) মসজিদ হলেও এখানে গম্বুজ মোটেও ৬০টি নয়, গম্বুজ, ১১টি সারিতে মোট ৭৭টি।
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
ii) বাগেরহাট জেলা, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।