পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

পরীক্ষাপ্রাইমারি ডেইলি কুইজতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪২: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: রাষ্ট্র, নাগরিকতা, সরকার ও রাজনীতি। উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্যবাতায়ন, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
রাষ্ট্রের মুখ্য কার্যাবলির অন্তর্গত-
  1. মহাসড়ক নির্মাণ
  2. আইন প্রণয়ন
  3. শিক্ষানীতি প্রণয়ন
  4. রোগ প্রতিষেধক টিকা প্রদান
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রের অপরিহার্য বা মুখ্য কার্যাবলি :
- অপরিহার্য বা মুখ্য কার্যাবলি রাষ্ট্রের অস্তিত্ব, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং রাষ্ট্রে বসবাসরত জনগণের অধিকার সংরক্ষণের জন্য রাষ্ট্র যে সমস্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেগুলোকে অপরিহার্য বা মুখ্য কাজ বলা হয়। রাষ্ট্রের অপরিহার্য
• কাজগুলো নিম্নরূপ:
- দেশ রক্ষার জন্য প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠন ও পরিচালনা ।
-  রাষ্ট্র আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ ও অন্যান্য আধা-সামরিক বাহিনী গড়ে তোলা।
- জাতীয় নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা।
- বিদেশে অবস্থানরত দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সেবা প্রদান করা ইত্যাদি হচ্ছে রাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিষয়ক অপরিহার্য কাজ।
- আইন প্রণয়ন, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা রাষ্ট্রের মৌলিক কাজ।
- অর্থ ও সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় অর্থ সংগ্রহ ও বণ্টন ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
 - রাষ্ট্র বাজেট প্রণয়ন,
- মুদ্রা প্রবর্তন ও মুদ্রা বিনিয়োগের ব্যবস্থা,
- গণনা ও পরিমাপের একক নির্ধারণ
- মুদ্রাস্ফীতি রোধ,
- নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে।

• রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কার্যাবলি :
- মহাসড়ক নির্মাণ,
- শিক্ষানীতি প্রণয়ন,
- রোগ প্রতিষেধক টিকা প্রদান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
রাষ্ট্রের মুখ্য উপাদান কোনটি?
  1. জনসমষ্টি
  2. ভূখণ্ড
  3. সার্বভৌমত্ব
  4. সরকার
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রের উপাদান :
- রাষ্ট্রের চারটি 

• জনসমষ্টি :
-রাষ্ট্রের প্রাথমিক উপাদান হচ্ছে জনসমষ্টি।
- জনসমষ্টি বলতে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত জনগণকে বোঝায়। রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসমষ্টি একান্ত অপরিহার্য। 

• নির্দিষ্ট ভূখণ্ড :
- নির্দিষ্ট ভূখণ্ড হচ্ছে রাষ্ট্রের অপরিহার্য দ্বিতীয় উপাদান।
- প্রত্যেক রাষ্ট্রই একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমারেখা দ্বারা পরিবেষ্টিত।
- ভূখন্ড বলতে স্থলভাগ, সমুদ্রসীমা, আকাশসীমাও বোঝায়।
- রাষ্ট্রের জনগণের বসবাসের জন্য নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ আবশ্যক। 

• সরকার :
- রাষ্ট্রের অপরিহার্য তৃতীয় উপাদানটি হলো সরকার।
- সরকার গঠনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ভূখন্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তিনটি বিভাগ থাকে- আইনবিভাগ, শাসনবিভাগ ও বিচারবিভাগ।
- এ তিন বিভাগের সমন্বয়ে সরকার গঠিত হয়।

• সার্বভৌমত্ব:
- রাষ্ট্র গঠনের মুখ্য উপাদান সার্বভৌমত্ব বা সার্বভৌমিকতা।
- সার্বভৌম শব্দ দ্বারা চরম ও চূড়ান্ত ক্ষমতাকে বোঝায়।
- সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাষ্ট্রের গঠন পূর্ণতা পায়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
‘Civis’ শব্দের অর্থ কী?
  1. নগররাষ্ট্র
  2. নাগরিকতা
  3. নাগরিক
  4. পৌরনীতি
ব্যাখ্যা
• পৌরনীতি ও নাগরিকতা :

- পৌরনীতির ইংরেজি শব্দ সিভিক্স (Civics)।
- Civics শব্দটি দুটি ল্যাটিন শব্দ 'সিভিস' (Civis) ও 'সিভিটাস' (Civitas) থেকে এসেছে।
- 'Civis' শব্দের অর্থ নাগরিক (Citizen) 
- ’Civitas' শব্দের অর্থ নগররাষ্ট্র (City State)।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
বাংলাদেশের মন্ত্রণালয়ের প্রধান-
  1. সিনিয়র সচিব
  2. সচিব
  3. মন্ত্রী
  4. কমিশনার
ব্যাখ্যা
• কেন্দ্রীয় প্রশাসন :
- সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত যা শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ।
- সরকারি যৌথভাবে সচিবালয় বলে।
- প্রধানমন্ত্রীর পছন্দানুযায়ী প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে একজন মন্ত্রী নিযুক্ত হন।
- মন্ত্রী হলেন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও মন্ত্রণালয়ের প্রধান।
- মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তথা প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একজন সচিব।
- সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে সেবা, যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ এবং নির্দিষ্ট পদসোপানের মধ্য দিয়ে তিনি সচিব পদে উন্নীত হন। সংস্থাসমূহ সচিবালয়ের কাছে দায়ী।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
'অবকাশ লাভের অধিকার' কী ধরনের অধিকার?
  1. সামাজিক অধিকার
  2. রাজনৈতিক অধিকার
  3. অর্থনৈতিক অধিকার
  4. নৈতিক অধিকার
ব্যাখ্যা
• সামাজিক অধিকার:
- সমাজে সুখ-শান্তিতে বসবাস করার জন্য আমরা সামাজিক অধিকার ভোগ করি।
যেমন-
- জীবন রক্ষার,
- স্বাধীনভাবে চলাফেরার ও মত প্রকাশের,
- পরিবার গঠনের,
- শিক্ষার,
- আইনের দৃষ্টিতে সমান সুযোগ লাভের,
- সম্পত্তি লাভের;
- ধর্মচর্চার অধিকার ইত্যাদি।

•. রাজনৈতিক অধিকার:
- নির্বাচনে ভোটাধিকার, নির্বাচিত হওয়া এবং সকল প্রকার অভাব-অভিযোগ আবেদনের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়াকে রাজনৈতিক অধিকার বলে।
- এসব অধিকার ভোগের বিনিময়ে নাগরিকরা রাষ্ট্র পরিচালনায় পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।

অর্থনৈতিক অধিকার:
- জীবনধারণ করা এবং জীবনকে উন্নত ও এগিয়ে নেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপ্রদত্ত অধিকারকে অর্থনৈতিক অধিকার বলে।
যেমন-
- যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করার অধিকার,
- ন্যায্য মজুরি লাভের অধিকার,
- অবকাশ লাভের অধিকার,
- শ্রমিকসংঘ গঠনের অধিকার।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
’রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য’ নাগরিকের কী ধরনের কর্তব্য?
  1. নৈতিক কর্তব্য
  2. আইনগত কর্তব্য
  3. মৌলিক কর্তব্য
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• অধিকার ভোগ করতে গিয়ে নাগরিকরা যেসব দায়িত্ব পালন করে, তাকে কর্তব্য বলে।
- নাগরিকের কর্তব্যকে দুভাগে ভাগ করা যায়।

• নৈতিক কর্তব্য:
- নৈতিক কর্তব্য মানুষের বিবেক এবং সামাজিক নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে আসে এবং সামাজিক নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে সৃষ্টি হওয়ায় এগুলোকে নৈতিক কর্তব্য বলে।
-যেমন-
- নিজে শিক্ষিত হওয়া 
- সন্তানদের শিক্ষিত করা,
-সততার সাথে ভোট দান,
- রাষ্ট্রের সেবা করা, 
- বিশ্বমানবতার সাহায্যে এগিয়ে আসা। 

• আইনগত কর্তব্য:
- রাষ্ট্রের আইন দ্বারা আরোপিত কর্তব্যকে আইনগত কর্তব্য বলে।
যেমন-
- রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য,
- আইন মানা,
- কর প্রদান করা,

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. মন্ত্রিপরিষদ সচিব
  2. রাষ্ট্রপ্রতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. এটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
• প্রধানমন্ত্রীর :
- রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন সাংসদকেই (সংসদ সদস্য) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন।
- বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারপ্রধান।
- তিনি সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও মন্ত্রিসভার প্রধান।
- তিনিই মন্ত্রিসভা গঠন করেন।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে।
- প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে দেশের সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়ে আসছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করা কোন বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত?
  1. সমাজবিজ্ঞান
  2. পৌরনীতি ও নাগরিকতা
  3. ইতিহাস
  4. সমাজকর্ম
ব্যাখ্যা
• পৌরনীতি ও নাগরিকতা বিষয়ের পরিসর বা বিষয়বস্তু :

• নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য।
• সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান 
-যেমন- পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র, নির্বাচন, রাজনৈতিক দল ইত্যাদি।
•. নাগরিকতার স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়
• নাগরিকতার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
বাংলাদেশে মোট উপজেলা সংখ্যা কত?
  1. ৪৯২ টি
  2. ৪৯৪ টি
  3. ৪৯৩ টি
  4. ৪৯৫ টি
ব্যাখ্যা
• উপজেলা পরিষদ :
- বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার এটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট উপজেলা পরিষদ।
-  উপজেলা ব্যবস্থা ১৯৮৩ সালে প্রথম প্রবর্তন করা হয়।
- মোট উপজেলা - ৪৯৫ টি।

- কিন্তু এ ব্যবস্থাটি বিভিন্ন কারণে পরবর্তীতে সময়ে স্থায়ীরূপ লাভ করেনি।
- এ সক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ পুনঃপ্রচসন এবং উক্ত আইনের অধিকতর সংশোধনকল্পে ৬ এপ্রিল ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদ আইন পাশ হয়।
- এ আইন 'উপজেলা পরিষদ (রহিত আইন পুনঃপ্রচলন ও সংশোধন) আইন ২০০৯' নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১০.
ভোট প্রদানের জন্যে সর্বনিম্ন বয়সসীমা কত?
  1. ২১ বছর
  2. ১৮ বছর
  3. ১৬ বছর
  4. ১৯ বছর
ব্যাখ্যা
• নাগরিকতা :
 - প্রাচীন গ্রিসে নাগরিক ও নগররাষ্ট্র ছিল অবিচ্ছেদ্য।
- ঐ সময় গ্রিসে ছোটো ছোটো অঞ্চল নিয়ে গড়ে উঠে নগররাষ্ট্র।
- যারা নগর রাষ্ট্রীয় কাজে সরাসরি অংশগ্রহণ করত, তাদের নাগরিক বলা হতো।
- একইসাথে আধুনিক রাষ্ট্র পুলিশ ও সেনাবাহিনী গঠন করে জনগণকে বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে সুরক্ষা প্রদান করে এবং রাষ্ট্রের আভ্যন্তরীণ শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করে। আধুনিক রাষ্ট্র নারী।
- পুরুষ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের জন্য রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় অধিকার প্রদান করে।
- আধুনিক রাষ্ট্রে সকল নাগরিক সমানভাবে সকল অধিকার ভোগ করে।
- নাগরিক অধিকার ভোগের পাশাপাশি রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে থাকে।
-  যাদের বয়স ১৮ বছরের কম, তারা ভোটদান কিংবা নির্বাচিত হওয়ার মতো রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করতে পারে না। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১১.
কোনটি সুনাগরিকের গুণাবলী?
  1. ভোট প্রদান
  2. সামাজিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ
  3. আত্মসংযম
  4. কর আদায়
ব্যাখ্যা
• সুনাগরিক :
- আমাদের মধ্যে যে বুদ্ধিমান, যে সকল সমস্যা অতি সহজে সমাধান করে, যার বিবেক আছে সে ন্যায়-অন্যায়, সৎ-অসৎ বুঝতে পারে এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকে, আর যে আত্মসংযমী সে বৃহত্তর স্বার্থে নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করতে পারে, এসব গুণসম্পন্ন নাগরিকদের বলা হয় সুনাগরিক।

• সুনাগরিকের প্রধানত তিনটি গুণ :
যথা-
- বুদ্ধি, 
- বিবেক 
- আত্মসংযম।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১২.
মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তরের প্রধান হল-
  1. জেলা প্রশাসক
  2. বিভাগীয় কমিশনার
  3. উপজেলা নির্বাহী
  4. জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• বিভাগীয় প্রশাসন :
- মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তরের - বিভাগ।
- প্রতিটি বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান হলেন একজন বিভাগীয় কমিশনার।
- বিভাগীয় কমিশনার জেলা প্রশাসকদের কাজ তদারক করেন।

• জেলা প্রশাসন :
- জেলা প্রশাসন মাঠ বা স্থানীয় প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর।
- এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন জেলা প্রশাসক।
- জেলা প্রশাসক জেলার মুখ্য বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটক।
- দেশের সব জেলায় একজন করে জেলা প্রশাসক আছেন।

• উপজেলা প্রশাসন :
- মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বনিন্ম স্তরের হল - উপজেলা প্রশাসন।
- উপজেলার প্রধান প্রশাসক হলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
- তিনি উপজেলা উন্নয়ন কমিটির প্রধান।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৩.
কোনটি নাগরিকের কর্তব্য নয়?
  1. রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য
  2. রাষ্ট্রের সেবা করা
  3. বাজেট প্রণয়ন
  4. কর প্রদান করা
ব্যাখ্যা
• অধিকার ভোগ করতে গিয়ে নাগরিকরা যেসব দায়িত্ব পালন করে, তাকে কর্তব্য বলে।
- নাগরিকের কর্তব্যকে দুভাগে ভাগ করা যায়।

• নৈতিক কর্তব্য:
- নৈতিক কর্তব্য মানুষের বিবেক এবং সামাজিক নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে আসে এবং সামাজিক নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে সৃষ্টি হওয়ায় এগুলোকে নৈতিক কর্তব্য বলে।
-যেমন-
- নিজে শিক্ষিত হওয়া 
- সন্তানদের শিক্ষিত করা,
-সততার সাথে ভোট দান,
- রাষ্ট্রের সেবা করা,
- বিশ্বমানবতার সাহায্যে এগিয়ে আসা। 

• আইনগত কর্তব্য:
- রাষ্ট্রের আইন দ্বারা আরোপিত কর্তব্যকে আইনগত কর্তব্য বলে।
যেমন-
- রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য,
- আইন মানা,
- কর প্রদান করা।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৪.
বাংলাদেশর প্রশাসন ব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র-
  1. রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
  2. কমিশনারের কার্যালয়
  3. জেলা পরিষদ
  4. সচিবালয়
ব্যাখ্যা
• কেন্দ্রীয় প্রশাসন :
- সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত যা শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ।
- সরকারি যৌথভাবে সচিবালয় বলে।
- প্রধানমন্ত্রীর পছন্দানুযায়ী প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে একজন মন্ত্রী নিযুক্ত হন।
- মন্ত্রী হলেন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও মন্ত্রণালয়ের প্রধান।
- মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তথা প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একজন সচিব।
- সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে সেবা, যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ এবং নির্দিষ্ট পদসোপানের মধ্য দিয়ে তিনি সচিব পদে উন্নীত হন। সংস্থাসমূহ সচিবালয়ের কাছে দায়ী।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৫.
রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে কে?
  1. সুপ্রীম কোর্ট
  2. জাতীয় সংসদ
  3. হাইকোর্ট
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• জাতীয় আইনসভার ক্ষমতা ও কার্যবলী :
- বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নামে একটি আইনসভা থাকবে এবং এর ওপর প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ন্যস্ত হবে।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদ যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করতে পারে।
- সংসদ আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ প্রদান, বিধি, উপবিধি ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে।
- সংসদের আস্থাভাজন ব্যক্তিই প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন এবং তিনি মন্ত্রিসভা গঠন করেন।
- প্রধানমন্ত্রী সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন হয়।
- সংবিধান লঙ্ঘন, গুরুতর অপরাধ, দৈহিক ও মানসিক অসুস্থতা ও অক্ষমতার জন্য সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন বা অপসারণ করতে পারে।
- জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, ন্যায়পাল ইত্যাদি পদের নির্বাচনি ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৬.
কোনটি রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কার্যাবলি?
  1. সেনাবাহিনী গঠন
  2. বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন
  3. বাজেট প্রণয়ন
  4. মুদ্রাস্ফীতি রোধ
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কার্যাবলি : 
 - সরকার বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন।
 - নারী শিক্ষার ওপর গুরুত্বসহ বয়স্ক শিক্ষার ব্যবস্থা করা
 - হাসপাতাল,
- দাতব্য চিকিৎসালয়,
- শিশুসদন,
- মাতৃমঙ্গল কেন্দ্র স্থাপন।
- পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র স্থাপন।
 - জনস্বাস্থ্য রক্ষায় বিশুদ্ধ পানীয়জলের সুব্যবস্থা।
- পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা,
- রোগ প্রতিরোধক ,
- প্রতিষেধক টিকা প্রদান,
 - যৌতুক ও বর্ণ বা গোত্রপ্রথা দূরীকরণ,
- বাল্যবিবাহ রোধ,
- জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ,
- কৃষিতে ভর্তুকি প্রদান,
- সার, বীজ, কীটনাশক সরবরাহ, সেচের ব্যবস্থা করা,
- খাদ্য গুদামজাতকরণ
- দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যথা: রাস্তাঘাট, সেতু, সড়ক, রেলপথ, নৌ-চলাচল, বিমান যোগাযোগ।
- গ্রামীণ উন্নয়ন, কালোবাজারি রোধ,
- খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ,
- নারী ও শিশু পাচার রোধ।

• রাষ্ট্রের অপরিহার্য বা মুখ্য কার্যাবলি :
- সেনাবাহিনী গঠন,
- বাজেট প্রণয়ন,
- মুদ্রাস্ফীতি রোধ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।