পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন২৬
সিলেবাস
৪৩তম বিসিএস সাবজেক্ট ফাইনাল - বাংলাদেশ বিষয়াবলী - টপিকগুলোর বিস্তারিত সিলেবাস বাটনে বা পিএসসির সিলেবাসেই পাবেন। ১) বাংলাদেশের সংবিধান ২) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও সরকার ব্যবস্থা ৩) বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। ৪) বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ, জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। [১০০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ২৬ প্রশ্ন

.
নিচের কোন জেলায় উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) মৌলভীবাজার
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
খ) মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে।
এগুলো হলো:
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, বিরিশিরি নেত্রকোনা
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, রাঙামাটি
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, খাগড়াছড়ি
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, বান্দরবান
- কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কক্সবাজার
- রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, রাজশাহী
- মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার
- রাখাইন কালচারাল ইনস্টিটিউট, রামু, কক্সবাজার।

(তথ্যসূত্র: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন, ২০১০)
.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত ইউ কে চিং কোন নৃগোষ্ঠীর?
  1. ক) খাসিয়া
  2. খ) মারমা
  3. গ) গারো
  4. ঘ) ত্র্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
খ) মারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মারমা
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মধ্য থেকে একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে ইউ কে চিং বীর বিক্রম খেতাব লাভ করেন।
- তিনি মারমা সম্প্রদায়ভুক্ত ও বান্দরবান জেলার বাসিন্দা।
- ২০১৪ সালের ২৫ জুলাই তিনি মারা যান।
(তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন)
.
বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি চালু হয় কবে থেকে?
  1. ক) ১৯৭২ সাল
  2. খ) ১৯৭৪ সাল
  3. গ) ১৯৭৯ সাল
  4. ঘ) ১৯৮২ সাল
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৯ সাল
ব্যাখ্যা
- শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার এবং শিশুর পঙ্গুত্বের হার কমানোর লক্ষ্যে ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল বাংলাদেশে সম্প্র্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) চালু হয়।
- শুরুতে ছয়টি রোগের প্রতিষেধক টিকা প্রদান করা হলেও বর্তমানে ১০টি রোগের টিকা প্রদান করা হচ্ছে।
এগুলো হলো:
- শিশুদের যক্ষ্মা
- পোলিও মাইলাইটিস
- ডিফথেরিয়া
- হুপিং কাশি
- মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার
- হেপাটাইটিস-বি
- হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি জনিত রোগসমূহ
- হাম
- রুবেলা
- নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া।
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী বর্তমানে সারা দেশে সকল প্রকার টিকা গ্রহণকারী শিশুদের হার ৮৬ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
.
BIRDEM এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) ডা. নুরুল ইসলাম
  2. খ) ডা. মোহাম্মদ জাফরুল্লাহ
  3. গ) ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ
  4. ঘ) ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম
ব্যাখ্যা
- BIRDEM (Bangladesh Institute of Research and Rehabilitation in Diabetes, Endocrine and Metabolic Disorders) এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম।
- বারডেম ১৯৮০ সালে ঢাকার শাহবাগে সরকার প্রদত্ত জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বাংলাদেশ ডায়াবেটিস সমিতির অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
(তথ্যসূত্র: বারডেম ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)
.
সংবিধান রচনা কমিটি গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ২৩ মার্চ ১৯৭২
  2. খ) ১১ এপ্রিল ১৯৭২
  3. গ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭২
  4. ঘ) ১২ অক্টোবর ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
খ) ১১ এপ্রিল ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১ এপ্রিল ১৯৭২
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ এবং ২৩শে মার্চ বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
- এর ধারাবাহিকতায় ১১ই এপ্রিল ১৯৭২ তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান রচনা কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটি ১৭ই এপ্রিল তাদের প্রথম বৈঠকে বসে এবং ১২ই অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন। তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
.
সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ক) ১৯৯০ সালে
  2. খ) ১৯৯২ সালে
  3. গ) ১৯৯৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৬ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী গৃহীত হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান সংবিধানে সন্নিবেশ করা হয়।
- পরবর্তীতে হাইকোর্ট ২০১১ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে। এর ফলে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধান থেকে বাদ দেওয়া হয়।
(তথ্যসূত্র: আইন মন্ত্রণালয় এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় স্পিকার ছিলেন কে?
  1. ক) মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ
  2. খ) শাহ আবদুল হামিদ
  3. গ) মোহাম্মদ উল্লাহ
  4. ঘ) মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ
সঠিক উত্তর:
গ) মোহাম্মদ উল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মোহাম্মদ উল্লাহ
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর দুপুর বেলায় বাংলাদেশ সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়। তখন গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ এবং ডেপুটি স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ।
- ১৪ ডিসেম্বর স্পিকার হিসেবে মোহাম্মদ উল্লাহ গৃহীত সংবিধান প্রমাণীকৃত করেন।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যগণ এতে স্বাক্ষর করেন।
- প্রথমে বঙ্গবন্ধু এবং এরপর সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষর করেন।
- উল্লেখ্য, গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের স্পীকার ছিলেন - শাহ আবদুল হামিদ।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
.
RPO এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Public Reforms Order
  2. খ) Representation of the People Order
  3. গ) Peoples Representation Order
  4. ঘ) Representation of the People Ordinance
সঠিক উত্তর:
খ) Representation of the People Order
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Representation of the People Order
ব্যাখ্যা
- RPO এর পূর্ণরূপ হলো Representation of the People Order.
- ১৯৭২ সালের ২৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সায়িদ চৌধুরী Representation of the People Order-১৯৭২ বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ জারি করেন।
- এটি নির্বাচন সংক্রান্ত দেশের প্রধান আইন। আরপিও বর্তমান পর্যন্ত ১৭ বার সংশোধিত হয়েছে।
(তথ্যসূত্র: আইন মন্ত্রণালয়)
.
১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মোট কতটি আসন লাভ করেছিলো?
  1. ক) ১৬২টি
  2. খ) ১৬৭টি
  3. গ) ১৬৯টি
  4. ঘ) ১৭০টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬৭টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে পুরো পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের মোট আসন ছিলো ৩১৩টি।
- এর মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের আসন সংখ্যা ছিলো ১৬৯টি। যার মধ্যে ৭টি ছিলো সংরক্ষিত মহিলা আসন।
- এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের ৭টি সংরক্ষিত নারী আসনসহ মোট ১৬৭টি আসন পেয়ে জয় লাভ করেছিলো।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১০.
জাতীয় সংসদের ১ নং আসন কোনটি?
  1. ক) ঠাকুরগাও-১
  2. খ) পঞ্চগড়-১
  3. গ) লালমনিরহাট-১
  4. ঘ) নীলফামারী-১
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চগড়-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চগড়-১
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি। এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- জাতীয় সংসদের ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- চট্টগ্রামে ১৬টি।
- কুমিল্লা ও ময়মনসিংহে ১১টি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট)
১১.
মন্ত্রিসভার সদস্যগণ একক ও যৌথভাবে কার নিকট দায়ী থাকেন?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) জাতীয় সংসদ
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) সুপ্রিমকোর্ট
সঠিক উত্তর:
খ) জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
- মন্ত্রিসভার সদস্যগণ একক ও যৌথভাবে জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী থাকেন।
- তবে মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাধীন থাকে। মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা নির্ধারণ, দপ্তর বন্টন, নিয়োগ ও অব্যাহতি প্রভৃতি প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা দেশের প্রকৃত শাসক। প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশে রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগদান করে থাকেন।
- মন্ত্রিসভার সদস্যগণ জাতীয় সংসদের সদস্যদের থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে মন্ত্রিসভার এক-দশমাংশ সদস্য সাংসদ নয় এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া যায়।
(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১২.
প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয় কার নেতৃত্বে?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) ক্যাবিনেট সচিব
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
গ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। এই পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতির নামে দেশের শাসন পরিচালিত হলেও প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারি প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি বাংলাদেশের সরকার প্রধান এবং প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা তার নেতৃত্বে প্রযুক্ত হয়।
- মন্ত্রিসভা তার ইচ্ছাধীন থাকে। তার নেতৃত্বেই সংসদে আইন প্রণীত হয়। জরুরি অবস্থার সময় তিনি মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত ছাড়াই যেকোন নির্দেশনা দিতে পারেন।
(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৩.
কতজন সদস্যের উপস্থিতিতে সংসদের কোরাম পূর্ণ হয়?
  1. ক) পয়তাল্লিশ জন
  2. খ) ষাট জন
  3. গ) সত্তর জন
  4. ঘ) নব্বই জন
সঠিক উত্তর:
খ) ষাট জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ষাট জন
ব্যাখ্যা
- জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার কমপক্ষে ৬০ জন সদস্য উপস্থিত থাকলে সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করা যায় বা কোরাম পূর্ণ হয়। সদস্য উপস্থিতি ৬০ জন বা তার অধিক হলে স্পিকার সংসদের বৈঠক শুরু করেন।
- ‍অধিবেশন চলাকালেও যদি সদস্য সংখ্যা ৬০ জনের কম হয় সেক্ষেত্রেও স্পিকার বৈঠক মূলতবি রেখে কোরাম পূর্ণ হওয়ার জন্যে অপেক্ষা করে থাকেন।
(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৪.
নিচের কোনটি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) আইন ও সালিশ কেন্দ্র
  2. খ) এফবিসিসিআই
  3. গ) বাংলাদেশ সশ্স্ত্র বাহিনী
  4. ঘ) জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ সশ্স্ত্র বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ সশ্স্ত্র বাহিনী
ব্যাখ্যা
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হলো এমন এক গোষ্ঠী যার সদস্যগণ সমজাতীয় মনোভাব এবং স্বার্থের দ্বারা পরস্পরের সাথে আবদ্ধ।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হলো বেসরকারি ব্যক্তিবর্গের সমষ্টি। এটি একটি নির্দলীয় বা অরাজনৈতিক সামাজিক গোষ্ঠী যাদের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য থাকে।
- তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি নীতি ও সিদ্ধান্তকে নিজেদের অনুকূলে প্রভাবিত করার মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করা।
- এদের কোন বৃহৎ বা জাতীয় লক্ষ্য থাকে না। আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা, এনজিও, সুশীল সমাজ, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন প্রভৃতি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- আইন ও সালিশ কেন্দ্র, এফবিসিসিআই ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশ সশ্বস্ত্র বাহিনী সরকার কাঠামোর অংশ। এটি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নয়।
(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : প্রথমপত্র : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি : মো. মোজাম্মেল হক)
১৫.
সংসদে বেসরকারি বিল উত্থাপন করেন কারা?
  1. ক) বিরোধী দলীয় সদস্যবৃন্দ
  2. খ) সংসদ সদস্যবৃন্দ
  3. গ) টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীবর্গ
  4. ঘ) সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যবৃন্দ
সঠিক উত্তর:
খ) সংসদ সদস্যবৃন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সংসদ সদস্যবৃন্দ
ব্যাখ্যা
- আইনের খসড়া বা আইনের পাশের জন্যে সংসদে উত্থাপিত প্রস্তাবকে বিল বলে।
- মন্ত্রীগণ উত্থাপিত বিলকে সরকারি বিল এবং মন্ত্রী ব্যতীত সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত বিলকে বেসরকারি বিল বলে। বিল পাশ হলে তা আইনে পরিণত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১৬.
দেশের প্রথম পূর্ণমেয়াদকালীন জাতীয় সংসদ কোনটি?
  1. ক) প্রথম সংসদ
  2. খ) পঞ্চম সংসদ
  3. গ) ষষ্ঠ সংসদ
  4. ঘ) সপ্তম সংসদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) সপ্তম সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সপ্তম সংসদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণমেয়াদকালীন সংসদ হলো সপ্তম জাতীয় সংসদ।
- দেশের সবচেয়ে স্বল্পকালীন সংসদ হলো ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ (মাত্র ১২ দিন)।
- প্রথম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে কোন বিরোধীদলীয় নেতা ছিলো না।
- চতুর্থ সংসদে নারীদের জন্যে সংরক্ষিত কোন আসন ছিলো না।
- বর্তমান সংসদ দেশের ১১তম সংসদ।



(তথ্যসূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট)
১৭.
নিচের কোন চলচ্চিত্রটি দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত?
  1. ক) নদীর নাম মধুমতি
  2. খ) হাঙর নদী গ্রেনেড
  3. গ) চিত্রা নদীর পাড়ে
  4. ঘ) ধীরে বহে মেঘনা
সঠিক উত্তর:
গ) চিত্রা নদীর পাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চিত্রা নদীর পাড়ে
ব্যাখ্যা
- 'চিত্রা নদীর পাড়ে' চলচ্চিত্রটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত।
- এটির পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।
- ছবিটি ১৯৯৮ সালে মুক্তি পায়।
- শ্রেষ্ঠ সিনেমা ও শ্রেষ্ঠ পরিচালকসহ মোট সাতটি ক্যাটাগরিতে এটি ১৯৯৯ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।
অন্যদিকে,
- নদীর নাম মধুমতি, হাঙর নদী গ্রেনেড এবং ধীরে বহে মেঘনা হলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন এবং চিত্রা নদীর পাড়ে চলচ্চিত্র)
১৮.
বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকী কার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছিলো?
  1. ক) আলেকজান্ডার ফর্বেস
  2. খ) জেমস অগাস্টাস হিকি
  3. গ) জন ক্লার্ক মার্শম্যান
  4. ঘ) উইলিয়াম কেরি
সঠিক উত্তর:
গ) জন ক্লার্ক মার্শম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জন ক্লার্ক মার্শম্যান
ব্যাখ্যা
- বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র হলো দিগদর্শন।
- শ্রীরামপুরের ব্যাপ্টিস্ট মিশনারিদের উদ্যোগে ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় দিগদর্শন সাময়িকপত্র প্রকাশিত হয়।
- দিগদর্শনের মোট ২৬টি সংখ্যা প্রকাশিত হয়। ১৮২১ সালের পরে এটি বন্ধ হয়ে যায়।
- দিগদর্শন প্রকাশিত হওয়ার একমাস পর (২৩ মে, ১৮১৮) জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় সমাচার দর্পণ সাময়িকী।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৯.
Let There Be Light ছবিটি পরিচালনা করেন কে?
  1. ক) তারেক মাসুদ
  2. খ) শাহরিয়ার কবির
  3. গ) জহির রায়হান
  4. ঘ) তানভীর মোকাম্মেল
সঠিক উত্তর:
গ) জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
- Let There Be Light ছবিটি পরিচালনা করেন জহির রায়হান।
জহির রায়হান পরিচালিত অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Stop Genocide
- জীবন থেকে নেওয়া
- কখনও আসেনি
- কাজল
- কাঁচের দেয়াল
- বেহুলা
- আনোয়ারা
- সঙ্গম
- বাহানা প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২০.
‘শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) দরিরামপুর
  2. খ) সোনারগাঁও
  3. গ) আড়াইহাজার
  4. ঘ) ভালুকা
সঠিক উত্তর:
খ) সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
- ‘শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর’ নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- এটি ১৯৯৬ সালের ১৯ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন।
- এই জাদুঘরে বাংলাদেশের লোক ও কারুশিল্পের ৫,৪৭৮টি নিদর্শন রযেছে।
- এছাড়া বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)
২১.
শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্যে ২০২১ সালে একুশে পদক লাভ করেন কে?
  1. ক) ড. ফারজানা ইসলাম
  2. খ) কাজী এম. নুরুজ্জামান
  3. গ) মাহফুজা খানম
  4. ঘ) ড, মিজানুর রহমান
সঠিক উত্তর:
গ) মাহফুজা খানম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাহফুজা খানম
ব্যাখ্যা
একুশে পদক-২০২১ প্রাপ্তরা (মোট ২১ জন):
ভাষা আন্দোলনে:
- মোতাহার হোসেন তালুকদার (মরণোত্তর)
- শামছুল হক (মরণোত্তর)
- আফসার উদ্দীন আহমদ (মরণোত্তর)
শিল্পকলায়:
- পাপিয়া সারোয়ার (সংগীত)
- রাইসুল ইসলাম আসাদ (অভিনয়)
- সালমা বেগম সুজাতা (অভিনয়)
- আহমেদ ইকবাল হায়দার (নাটক)
- সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী (চলচ্চিত্র)
- ড. ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় (আবৃত্তি)
- পাভেল রহমান (আলোকচিত্র)
মুক্তিযুদ্ধে:
- গোলাম হাসনায়েন
- ফজলুর রহমান খান ফারুক
- বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুমা সৈয়দা ইসাবেলা (মরণোত্তর)
সাংবাদিকতায়:
- অজয় দাশগুপ্ত
গবেষণায়:
- ড. সমীর কুমার সাহা
শিক্ষায়:
- মাহফুজা খানম
অর্থনীতিতে:
- ড. মির্জা আব্দুল জলিল
সমাজসেবায়:
- প্রফেসর কাজী কামরুজ্জামান
ভাষা ও সাহিত্যে:
- কবি কাজী রোজী
- বুলবুল চৌধুরী
- গোলাম মুরশিদ।
(তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার)
২২.
কোন প্রতিষ্ঠানটি জাতিসংঘ পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডস-২০২০ লাভ করে?
  1. ক) ডাক ও টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তর
  2. খ) ভূমি মন্ত্রণালয়
  3. গ) দুর্নীতি দমন কমিশন
  4. ঘ) প্রবাসী কল্যাণ বোর্ড
সঠিক উত্তর:
খ) ভূমি মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভূমি মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের মর্যাদাপূর্ণ ‘ইউনাইটেড নেশনস পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড-২০২০’ লাভ করেছে বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়।
- ভূমি মন্ত্রণালয় 'ই-মিউটেশন' কার্যক্রমের জন্য ‘স্বচ্ছ ও জবাবদিহি সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিকাশ’ ক্যাটাগরিতে 'ইউনাইটেড নেশনস পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড ২০২০' পেয়েছে।
- প্রতিবছর ২৩শে জুন জাতিসংঘ পাবলিক সার্ভিস দিবস উপলক্ষ্যে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
২৩.
২০২০ সালে কোন বাংলাদেশি 'ইউনেস্কো উইমেন ইন সায়েন্স অ্যাওয়ার্ড' লাভ করেন?
  1. ক) সায়মা ওয়োজেদ পুতুল
  2. খ) ড. ফেরদৌস কাদরী
  3. গ) মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা
  4. ঘ) ড. নুসরাত জাহান
সঠিক উত্তর:
খ) ড. ফেরদৌস কাদরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ড. ফেরদৌস কাদরী
ব্যাখ্যা
- ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ইউনেস্কো কর্তৃক 'ইউনেস্কো উইমেন ইন সায়েন্স অ্যাওয়ার্ড' বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। বিশ্বের ৫ টি অঞ্চল থেকে ৫ জন নারী বিজ্ঞানী কে গবেষণার জন্যে এ পদক প্রদান করা হয়।
- এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে বাংলাদেশের ড. ফেরদৌস কাদরী এ পুরস্কারের জন্যে মনোনীত হন। তিনি আইসিডিডিআর'বি তে কর্মরত আছেন। উন্নয়নশীল দেশে শিশুদের সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে অবদানের জন্যে তাকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ড. ফেরদৌস কাদেরী সম্প্রতি ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন।
(তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলো)
২৪.
“সব কটা জানালা খুলে দাও না” - গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) গোবিন্দ হালদার
  2. খ) নজরুল ইসলাম বাবু
  3. গ) গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
  4. ঘ) ফজলে এ খোদা
সঠিক উত্তর:
খ) নজরুল ইসলাম বাবু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নজরুল ইসলাম বাবু
ব্যাখ্যা
- “সব কটা জানালা খুলে দাও না” -গানটির রচয়িতা বা গীতিকার হলেন নজরুল ইসলাম বাবু।
তার রচিত অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
-‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’
- ‘আমায় গেঁথে দাও না মাগো একটা পলাশ ফুলের মালা’
- ‘ও আমার আট কোটি ফুল দেইখো গো মালি’ প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
২৫.
বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করছেন কে?
  1. ক) চঞ্চল চৌধুরী
  2. খ) আরেফিন শুভ
  3. গ) আহমেদ রুবেল
  4. ঘ) তারিক আনাম
সঠিক উত্তর:
খ) আরেফিন শুভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আরেফিন শুভ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ও ভারত সরকার যৌথ প্রযোজনায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিক উপলক্ষ্যে তার জীবনী নিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু’ নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করছে।
- গত ২১ জানুয়ারি ২০২১ ভারতের মুম্বাইয়ে চলচ্চিত্রটির শুটিং শুরু হয়।
- চলচ্চিত্রটির পরিচালক শ্যাম বেনেগাল।
- চিত্রনাট্য রচয়িতা শ্যামা জাইদি।
অভিনয় শিল্পীবৃন্দ:
- বঙ্গবন্ধু চরিত্রে : আরেফিন শুভ
- বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব চরিত্রে : তিশা (বড়বেলা) এবং দিঘি (ছোটবেলা)
- বঙ্গবন্ধুর মায়ের চরিত্রে : দিলারা জামান
- বঙ্গবন্ধুর বাবার চরিত্রে : চঞ্চল চৌধুরী
- শেখ হাসিনা চরিত্রে : নুসরাত ফারিয়া (ছোটবেলা) এবং জান্নাতুল সুমাইয়া (বড়বেলা)
- আইয়ুব খান চরিত্রে : মিশা সওদাগর।
(তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা এবং ঢাকা ট্রিবিউন)
২৬.
কাজী নজরুল ইসলাম ও মোজাফফর আহমেদ যুগ্মভাবে কোন পত্রিকার সম্পাদনা করেন?
  1. ক) দৈনিক আজাদ
  2. খ) দৈনিক নবযুগ
  3. গ) দৈনিক সংবাদ
  4. ঘ) দৈনিক গণকণ্ঠ
সঠিক উত্তর:
খ) দৈনিক নবযুগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দৈনিক নবযুগ
ব্যাখ্যা
- দৈনিক নবযুগ পত্রিকাটি ১৯২০ সালের ১২ জুলাই প্রথম প্রকাশিত হয়। এটির মালিক ও পরিচালক ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক।
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও মুজাফফর আহমদ ছিলেন যুগ্ম সম্পাদক।
- পত্রিকাটি প্রকাশের বছর খানেকের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায় এবং ১৯৪২ সালে পুনরায় চালু হয়ে দুবছর পর চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।
- দৈনিক নবযুগে কাজী নজরুল লিখিত কলামসমূহ নিয়ে নজরুলের ‍যুগবাণী প্রবন্ধগ্রন্থ প্রকাশিত হয় যা ব্রিটিশ সরকার রাজয়োপ্ত করে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)