পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
Bangla - 01: ধ্বনি, শব্দ, ধ্বনি পরিবর্তন, শব্দের উচ্চারণ, লিঙ্গ, দ্বিরুক্ত শব্দ, যুক্তবর্ণ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
তালব্য ধ্বনি কোনটি?
  1. ক) ট
  2. খ) ত
  3. গ) চ
  4. ঘ) প
সঠিক উত্তর:
গ) চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চ
ব্যাখ্যা
'চ' - তালব্য ধ্বনি।

উচ্চারণ স্থান অনুসারে ব্যঞ্জনধ্বনি সাত প্রকার। যথা-

জিহ্বামূলীয় ধ্বনি: জিভের মূল বা গোড়ালি উঁচু করে কোমল তালুর সামনের বা মাঝের সঙ্গে লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারণ করা জিহ্বামূলীয় ধ্বনি বলা হয়। যেমন- ক, খ, গ, ঘ ঙ/ং।
তালব্য ধ্বনি: জিভের পাতা উঁচু করে অর্থতালুর সঙ্গে লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারণ করা হয় তাদের তালব্য ধ্বনি বলা হয়। যেমন - চ, ছ, জ, ঝ ঞ, শ।
দন্তমূলীয় মূর্ধন্য ধ্বনি: সমূলীয় মূর্ধন্য ধ্বনি উপর পাটি দাঁতের গোড়ার সঙ্গে জিভের ডগা একটু উল্টো করে লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারণ করা হ তাদের দন্তমূলায় মূর্ধন্য ধ্বনি বলা হয়। যেমন- ট ঠ ড ঢ ণ ড় ঢ়।
দন্ত ধ্বনি: উপর পাটি দাঁতের সঙ্গে জিভের ডগা লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারণ করা হয় তাদের দন্ত ধ্বনি বলে। যেমন- ত, থ, দ, ধ।
ওষ্ঠ্য ধ্বনি: উপরের ঠোঁটের সঙ্গে নিচের ঠোঁট লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারিত হয় তাদের ওষ্ঠ্য ধ্বনি বলে। যেমন— প, ফ, ব, ভ, ম।
দন্তমূলীয় ধ্বনি: উপর পাটির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে জিভের ডগা লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারিত হয় তাদের দন্তমূলীয় ধ্বনি বলে। যেমন - ন, য, র, ল, স।
কন্ঠ্য ধ্বনি: স্বরযন্ত্রের ভেতরে যে দুট স্বরতন্ত্রী আছে তাদের সংকোচনের সাহায্যে বায়ুপথ সংকীর্ণ করে, কিন্তু একেবারে বন্ধ না করে যে ধ্বনি উচ্চারণ করা হয় তাকে কন্ঠ্য ধ্বনি বলে। যেমন- হ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
পাকা পাকা আম - এখানে 'পাকা পাকা' দ্বিরুক্তি কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) সামান্য
  2. খ) আধিক্য
  3. গ) তীব্রতা
  4. ঘ) বহুত্ব
সঠিক উত্তর:
খ) আধিক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আধিক্য
ব্যাখ্যা
এখানে 'পাকা পাকা' দ্বিরুক্তি আধিক্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

বিভিন্ন অর্থে শব্দদ্বিত বা অনুকার শব্দের প্রয়োগ:
আধিক্য অর্থে: পাকা পাকা আম, লাল লাল গোলাপ, বস্তা বস্তা সার, রাশি রাশি ধান।
সামান্য অর্থে: কবি কবি ভাব, শীত শীত লাগে, কাদা কাদা মাঠ।
তীব্রতা অর্থে: হিম হিম ঠান্ডা, গরম গরম দুধ, নরম নরম বালিশ।
বহুত্ব অর্থে: কে কে যাবে।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
'ফ' বর্ণ উচ্চারিত হয়-
  1. ক) দন্ত থেকে
  2. খ) তালু থেকে
  3. গ) ওষ্ঠ্য থেকে
  4. ঘ) মূর্ধা থেকে
সঠিক উত্তর:
গ) ওষ্ঠ্য থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ওষ্ঠ্য থেকে
ব্যাখ্যা
'ফ' বর্ণ উচ্চারিত হয়- ওষ্ঠ্য থেকে।

• উচ্চারণ স্থান অনুসারে ব্যঞ্জনধ্বনি সাত প্রকার। যথা-

জিহ্বামূলীয় ধ্বনি: জিভের মূল বা গোড়ালি উঁচু করে কোমল তালুর সামনের বা মাঝের সঙ্গে লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারণ করা জিহ্বামূলীয় ধ্বনি বলা হয়। যেমন- ক, খ, গ, ঘ ঙ/ং।
তালব্য ধ্বনি: জিভের পাতা উঁচু করে অর্থতালুর সঙ্গে লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারণ করা হয় তাদের তালব্য ধ্বনি বলা হয়। যেমন - চ, ছ, জ, ঝ ঞ, শ।
দন্তমূলীয় মূর্ধন্য ধ্বনি: সমূলীয় মূর্ধন্য ধ্বনি উপর পাটি দাঁতের গোড়ার সঙ্গে জিভের ডগা একটু উল্টো করে লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারণ করা হ তাদের দন্তমূলায় মূর্ধন্য ধ্বনি বলা হয়। যেমন- ট ঠ ড ঢ ণ ড় ঢ়।
দন্ত ধ্বনি: উপর পাটি দাঁতের সঙ্গে জিভের ডগা লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারণ করা হয় তাদের দন্ত ধ্বনি বলে। যেমন- ত, থ, দ, ধ।
ওষ্ঠ্য ধ্বনি: উপরের ঠোঁটের সঙ্গে নিচের ঠোঁট লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারিত হয় তাদের ওষ্ঠ্য ধ্বনি বলে। যেমন— প, ফ, ব, ভ, ম।
দন্তমূলীয় ধ্বনি: উপর পাটির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে জিভের ডগা লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারিত হয় তাদের দন্তমূলীয় ধ্বনি বলে। যেমন - ন, য, র, ল, স।
কন্ঠ্য ধ্বনি: স্বরযন্ত্রের ভেতরে যে দুট স্বরতন্ত্রী আছে তাদের সংকোচনের সাহায্যে বায়ুপথ সংকীর্ণ করে, কিন্তু একেবারে বন্ধ না করে যে ধ্বনি উচ্চারণ করা হয় তাকে কন্ঠ্য ধ্বনি বলে। যেমন- হ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
নিচের কোন শব্দটি তার প্রকৃতি-প্রত্যয় অনুযায়ী অর্থ প্রকাশ করে?
  1. ক) সন্দেশ
  2. খ) হস্তী
  3. গ) গায়ক
  4. ঘ) বাঁশি
সঠিক উত্তর:
গ) গায়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গায়ক
ব্যাখ্যা
'গায়ক' শব্দটি প্রকৃতি-প্রত্যয় অনুযায়ী অর্থ প্রকাশ করে।
- এটি একটি যোগিক শব্দ।
- যৌগিক শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থ অনুযায়ী হয়ে থাকে।


যৌগিক শব্দ : যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ এবং ব্যাবহারিক অর্থ অভিন্ন সেসব শব্দকে যৌগিক শব্দ বলে। অথবা যেসব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থ অনুযায়ী হয়ে থাকে তাদের যৌগিক শব্দ বলে। যেমন-

পড়ুয়া = পিছ + উয়া। এখানে পত্ ধাতু এবং উয়া-প্রত্যয়ের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ যে পড়ে।
গায়ক = গৈ + অক। এখানে গৈ ধাতু এবং অব-প্রত্যয়ের ব্যুৎপত্তিগত অর্থও এক অর্থাৎ গান করেন যিনি।
চালক = চ + অক, বাবু + গিরি = বাবুগিরি।
মধুর = মধু + র, জ + যান = জলযান।

জড় বা রূঢ়ি শব্দ : যেসব শব্দ গঠনের উপাদান অর্থাৎ প্রকৃতি-প্রত্যয় অনুসারে অর্থ প্রকাশ না করে অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ করে
সেসব শব্দকে জড় বা রূঢ়ি শব্দ বলে। যেমন-

- 'সন্দেশ' শব্দটির প্রকৃতি-প্রত্যয় (সম্ + দেশ) অনুসারে অর্থ হলো সংবাদ। কিন্তু সন্দেশ বলতে আমরা বুঝি এক ধরনের মিষ্টি।
- হস্তী বলতে এক বিশেষ পশুকে বোঝায়। কিন্তু প্রকৃতি-প্রত্যয় অনুসারে অর্থাৎ এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো হাত আছে যার । .
- ‘বাঁশি' বলতে বোঝায় এক ধরনের বাদ্যযন্ত্র। কিন্তু ব্যুৎপত্তিগত অর্থ বা প্রকৃতি-প্রত্যয় অনুসারে অর্থ হলো, বাঁশ দিয়ে তৈরি বস্তু।
তেমনই – পাঞ্জাবি, প্রবীণ, তৈল, গবেষণা ইত্যাদি।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে কোনটি মধ্য স্বরাগম এর দৃষ্টান্ত?
  1. ক) আইজ
  2. খ) বেঞ্চি
  3. গ) পিচাশ
  4. ঘ) কিলিপ
সঠিক উত্তর:
ঘ) কিলিপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কিলিপ
ব্যাখ্যা
ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে মধ্য স্বরাগম  এর দৃষ্টান্ত - ক্লিপ > কিলিপ।

মধ্য স্বরাগম : 
ধ্বনি পরিবর্তনের ফলে মূল শব্দের মধ্যে শহুরে স্বরধ্বনির আগমন ঘটাকে মধ্য স্বরাগম বলে।
যেমন :
রত্ন > রতন
ধর্ম > ধরম
স্বপ্ন > স্বপন
নয়ন > নয়ান
প্রীতি > পীরিতি
ফিল্ম > ফিলিম
মুক্তা > মুকুতা
ভ্রূ > ভুরু, গ্রাম > গেরাম
শ্লোক > শোলোক
মুরগ > মুরোগ > মোরগ
ক্লিপ > কিলিপ
শুক্রবার > শুক্‌কুরবার

• বেঞ্চ > বেঞ্চি - অন্ত্য স্বরাগম।
• পিশাচ>পিচাশ এ ঘটেছে ধ্বনি বিপর্যয়।
• আজি > আইজ অপিনিহিতি।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক) ক্‌+র = ক্ত
  2. খ) ঙ+গ = ঞ্জ
  3. গ) জ্‌+ঞ = ঞ্চ
  4. ঘ) গ্‌ + উ = গু
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্‌ + উ = গু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্‌ + উ = গু
ব্যাখ্যা
সঠিক যুক্তবর্ণ হলো- গ্‌ + উ = গু।

আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ যুক্তবর্ণ:

- ঞ্চ = ঞ+ঝ
- ক্ষ = ক+ষ
- হ্ম = হ+ম
- ষ্ণ = ষ+ণ
- ঞ্চ = ঞ+চ
- ঙ্গ = ঙ+গ

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোন শব্দে 'অ' বর্ণের উচ্চারণ [ও] এর মতো হয়?
  1. ক) অনাথ
  2. খ) মন
  3. গ) অনেক
  4. ঘ) কথা
সঠিক উত্তর:
খ) মন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মন
ব্যাখ্যা
'মন' শব্দটিতে 'অ' বর্ণের উচ্চারণ [ও] এর মতো হয়।

স্বরবর্ণ অ বর্ণের উচ্চারণ দুই রকম: [অ] এবং [ও]।
- সাধারণ উচ্চারণ [অ], কিন্তু পাশের ধ্বনির প্রভাবে [অ] কখনো কখনো [ও]-এর মতো উচ্চারিত হয়।
- অ বর্ণের স্বাভাবিক উচ্চারণ: অনেক [অনেক্], কথা [কথা], অনাথ [অনাথ্]।
- অ বর্ণের [ও] উচ্চারণ: অতি [ওতি], অণু [ওনু], পক্ষ [পোখো], অদ্য [ওদো], মন [মোন্]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোনটি আদি স্বরাগম এর উদাহরণ?
  1. ক) মুরগ > মুরোগ
  2. খ) গ্রাম > গেরাম
  3. গ) স্টিমার > ইস্টিমার
  4. ঘ) সত্য > সত্যি
সঠিক উত্তর:
গ) স্টিমার > ইস্টিমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্টিমার > ইস্টিমার
ব্যাখ্যা
'স্টিমার > ইস্টিমার' আদি স্বরাগম এর উদাহরণ।

আদি স্বরাগম:
ধ্বনি পরিবর্তনের ফলে মূল শব্দের আদিতে স্বরধ্বনির আগমন ঘটাকে আদি স্বরাগম বলে। যেমন -
স্কুল > ইস্কুল
স্ত্রী > ইস্ত্রী
স্টেশন > ইস্টেশন
স্টিমার > ইস্টিমার ইত্যাদি।

- মুরগ > মুরোগ - মধ্য স্বরাগম।
- সত্য > সইত্য - অন্ত্য স্বরাগম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
সমার্থক শব্দযোগে দ্বিরুক্তি হয়েছে কোনটিতে?
  1. ক) দেনা - পাওনা
  2. খ) ধনী - গরীব
  3. গ) ভয় - ডর
  4. ঘ) লেন - দেন
সঠিক উত্তর:
গ) ভয় - ডর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভয় - ডর
ব্যাখ্যা
'ভয় - ডর'- সমার্থক শব্দযোগে দ্বিরুক্তি।

সমার্থক শব্দযোগে দ্বিরুক্তি:
চালচলন
রীতিনীতি
বনজঙ্গল
ধনদৌলত

বিপরীতার্থক দ্বিরুক্ত শব্দ:
ভাল - মন্দ
আমীর - ফকির
ধনী - গরীব
লেন - দেন
দেনা - পাওনা

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াত মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০১৯।
১০.
'কথিত' শব্দের উচ্চারণ কোনটি?
  1. ক) কথিতু
  2. খ) কথিত্তো
  3. গ) কথিতো
  4. ঘ) কোথিত
সঠিক উত্তর:
গ) কথিতো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কথিতো
ব্যাখ্যা
'কথিত' শব্দের উচ্চারণ - কথিতো।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
- এর প্রকৃতি - প্রত্যয় = √কথ্‌ +ত
- বিশেষণ অর্থ - বিবৃত, উক্ত।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১১.
নিচের কোনটি তৎসম শব্দের উদাহরণ?
  1. ক) গাত্র
  2. খ) কেষ্ট
  3. গ) কানু
  4. ঘ) গিন্নি
সঠিক উত্তর:
ক) গাত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গাত্র
ব্যাখ্যা
'গাত্র' - শব্দটি তৎসম শব্দের উদাহরণ।

তৎসম শব্দ: যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে হুবহু বাংলা ভাষায় এসেছে তাদের তৎসম শব্দ বলে। যেমন— গাত্র, গৃহিনী, কৃষ্ণ, চন্দ্র।

অর্ধ-তৎসম শব্দ:
যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে অনেকটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে তাদের অর্ধ-তৎসম শব্দ
বলে। যেমন— গতর, কেষ্ট, গিন্নি, চন্দ।

তদ্ভবশব্দ:
যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে তাদের তদ্ভব শব্দ বলে। যেমন— গা, কানু, ঘরনি, চাঁদ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
১২.
কোনটি 'চক্ষুদান' শব্দের উচ্চারণ?
  1. ক) চকখুদান্‌
  2. খ) চোক্ষুদান্‌
  3. গ) চোক্‌খুদান্‌
  4. ঘ) চোখ্‌খুদান্‌
সঠিক উত্তর:
গ) চোক্‌খুদান্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চোক্‌খুদান্‌
ব্যাখ্যা
 'চক্ষুদান' শব্দের উচ্চারণ- চোক্‌খুদান্‌।
বিশেষণ অর্থে -
- দৃষ্টিশক্তি দান
- মৃত্যুর পর অন্যের উপকারের জন্য চক্ষু দানের ঘোষনা।
- জ্ঞানহীনকে জ্ঞান দান
- প্রতিমায় প্রাণ প্রতিষ্ঠা

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১৩.
কোন শব্দে এ বর্ণের [অ্যা] উচ্চারণ ঘটেছে?
  1. ক) এলো
  2. খ) দেশ
  3. গ) বেলা
  4. ঘ) একটি
সঠিক উত্তর:
গ) বেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বেলা
ব্যাখ্যা
'বেলা'- শব্দে এ বর্ণের [অ্যা] উচ্চারণ ঘটেছে।

এ বর্ণের উচ্চারণ দুই রকম: [এ] এবং [অ্যা]। সাধারণ উচ্চারণ [এ], কিন্তু পাশের ধ্বনির প্রভাবে এ কখনো
কখনো [অ্যা] উচ্চারিত হয়।

• এ বর্ণের স্বাভাবিক উচ্চারণ: একটি [একটি], দেশ [দেশ], এলো [এলো]।
• এ বর্ণের [অ্যা] উচ্চারণ: একটা [অ্যাক্টা], বেলা [ব্যালা], খেলা [খ্যালা]৷

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
নিচেরে কোনটি রূঢ়ি শব্দ?
  1. ক) সন্দেশ
  2. খ) লাল
  3. গ) গায়ক
  4. ঘ) মহাযাত্রা
সঠিক উত্তর:
ক) সন্দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সন্দেশ
ব্যাখ্যা
'সন্দেশ'- রূঢ়ি শব্দ।

রূঢ়ি শব্দ:

যেসব শব্দ গঠনের উপাদান অর্থাৎ প্রকৃতি-প্রত্যয় অনুসারে অর্থ প্রকাশ না করে অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ করে
সেসব শব্দকে জড় বা রূঢ়ি শব্দ বলে। যেমন-
- 'সন্দেশ' শব্দটির প্রকৃতি-প্রত্যয় (সম্ + দেশ) অনুসারে অর্থ হলো সংবাদ। কিন্তু সন্দেশ বলতে আমরা বুঝি এক ধরনের মিষ্টি। প্রকৃত অর্থ না বুঝিয়ে অন্য অর্থ বোঝাচ্ছে, তাই এটি রূঢ়ি শব্দ।

- আরো কিছু রূঢ়ি শব্দ:
হস্তী, বাঁশি, তৈল, প্রবীণ, সন্দেশ

অন্যদিকে,
লাল - মৌলিক শব্দ
গায়ক - যৌগিক শব্দ
মহাযাত্রা - যোগরূঢ় শব্দ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।