পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৬৭: বাংলা পরীক্ষা - ৮ বিষয়: বাংলা টপিক: বাক্য প্রকরণ, বাক্য রূপান্তর, অনুসর্গ- উপসর্গ, বানান, বাচ্য ও বাক্য শুদ্ধি। উৎস: মাধ্যমিক ব্যাকরণ বই (উভয় সংস্করণ), বাংলা একাডেমি অভিধান, ভাষা শিক্ষা - ড. হায়াৎ মামুদ বা যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
ভাষার বিচারে বাক্যের কয়টি গুণ থাকা চাই?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• বাক্য:
- যে সুবিন্যস্ত পদসমষ্টি দ্বারা কোনো বিষয়ে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয়, তাকে বাক্য বলে।
ভাষার বিচারে বাক্যের নিম্নলিখিত তিনটি গুণ থাকা চাই। যেমন-
(১) আকাঙ্ক্ষা
(২) আসত্তি এবং
(৩) যোগ্যতা

• আকাঙ্ক্ষা:
- বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা তা-ই আকাঙ্ক্ষা।
- যেমন-  'চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে'- এটুকু বললে বাক্যটি সম্পূর্ণ মনোভাব প্রকাশ করে না, আরও কিছু ইচ্ছা থাকে।
- বাক্যটি এভাবে পূর্ণাঙ্গ করা যায়: চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে। এখানে আকাঙ্ক্ষার নিবৃত্তি হয়েছে বলে এটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য।

• আসত্তি:
- মনোভাব প্রকাশের জন্য বাক্যে শব্দগুলো এমনভাবে পর পর সাজাতে হবে যাতে মনোভাব প্রকাশ বাধাগ্রস্ত না হয়।
- বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই আসত্তি।
- যেমন- কাল বিতরণী হবে উৎসব স্কুলে আমাদের পুরস্কার অনুষ্ঠিত। লেখা হওয়াতে পদ সন্নিবেশ ঠিকভাবে না হওয়ায় শব্দগুলোর অন্তর্নিহিত ভাবটি যথাযথ প্রকাশিত হয়নি।
- তাই এটি একটি বাক্য হয়নি।
- মনোভাব পূর্ণ ভাবে প্রকাশ করার জন্য পদগুলোকে নিম্নলিখিতভাবে যথাস্থানে সন্নিবিষ্ট করতে হবে।
- যেমন- কাল আমাদের স্কুলে পুরস্কার বিতরণী উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। বাক্যটি আসত্তিসম্পন্ন।

৩. যোগ্যতা:
- বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত এবং ভাবগত মিলবন্ধনের নাম যোগ্যতা।
- যেমন- বর্ষার বৃষ্টিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়। এটি একটি যোগ্যতাসম্পন্ন বাক্য। কারণ, বাক্যটিতে পদসমূহের অর্থগত এবং ভাবগত সমন্বয় রয়েছে।
.
নিচে কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. অধ্যায়নই ছাত্রদের তপস্যা
  2. তোমাকে দেখে সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে।
  3. পূর্বদিকে সূর্য উদয় হয়।
  4. উপরোক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়।
সঠিক উত্তর:
তোমাকে দেখে সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তোমাকে দেখে সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা
শুদ্ধ বাক্য: তোমাকে দেখে সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
• অশুদ্ধ বাক্য: 'অধ্যায়নই ছাত্রদের তপস্যা'।
শুদ্ধ - 'অধ্যয়নই ছাত্রদের তপস্যা।'

অশুদ্ধ বাক্য: পূর্বদিকে সূর্য উদয় হয়।
শুদ্ধ বাক্য: পূর্বদিকে সূর্য উদিত হয়।

অশুদ্ধ বাক্য: উপরোক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়।
শুদ্ধ: উপর্যুক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'বাচ্য' হলো বাক্যের -
  1. রূপান্তর
  2. সংখ্যার ধারণা
  3. অর্থ
  4. প্রকাশভঙ্গি
সঠিক উত্তর:
প্রকাশভঙ্গি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকাশভঙ্গি
ব্যাখ্যা
• বাচ্য: 
- বাক্যের প্রকাশভঙ্গিকে বাচ্য বলে।
- বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার ভূমিকা বদলে গিয়ে একই বক্তব্যের প্রকাশভঙ্গি আলাদা হয়ে যায়।
- ক্রিয়া কখনো কর্তাকে অনুসরণ করে, ক্রিয়া কখনো কর্মকে অনুসরণ করে, আবার ক্রিয়াই কখনো বাক্যের মধ্যে মুখ্য হয়ে ওঠে।

যেমন -
- সে বাজারে যায়।
- সাহসী ছেলেটিকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।
- কোথায় যাওয়া হচ্ছে?

- উপরের প্রথম বাক্যে ‘যায়' ক্রিয়াটি ‘সে' কর্তার অনুসারী।
- দ্বিতীয় বাক্যে ‘করা হয়েছে' ক্রিয়াটি ‘সাহসী ছেলেটিকে' কর্মের অনুসারী।
- তৃতীয় বাক্যে ‘যাওয়া হচ্ছে' ক্রিয়াই মুখ্য।
- প্রকাশভঙ্গির এই ভিন্নতা অনুযায়ী বাচ্য তিন প্রকার: কর্তাবাচ্য, কর্মবাচ্য ও ভাববাচ্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ)।
.
'অনুসর্গ' সম্পর্কে শুদ্ধ নয় কোনটি?
  1. বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে
  2. কখনো স্বাধীন পদ রূপে বাক্যে ব্যবহৃত হয়
  3. ধাতুর পূর্বে বসে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে
  4. কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়
সঠিক উত্তর:
ধাতুর পূর্বে বসে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধাতুর পূর্বে বসে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে
ব্যাখ্যা
• 'অনুসর্গ' সম্পর্কে শুদ্ধ নয় - ধাতুর পূর্বে বসে নতুন নতুন শব্দ গঠন করে।

• অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয়:
- বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদ রূপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে, সেগুলোকে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলে।
- অনুসর্গগুলো কখনো প্রাতিপদিকের পরে ব্যবহৃত হয়, আবার কখনো বা 'কে' এবং 'র' বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে বসে।
যেমন -
→ বিনা: দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? (প্রাতিপদিকের পরে)
→ সনে: ময়ূরীর সনে নাচিছে ময়ূর। (ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে)
→ দিয়ে: তোমাকে দিয়ে আমার চলবে না। (দ্বিতীয়ার 'কে' বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে)
- বাংলা ভাষায় বহু অনুসর্গ আছে।
যেমন -
প্রতি, বিনা, বিহনে, সহ, ওপর, অবধি, হেতু, মধ্যে, মাঝে, পরে, ভিন্ন, বই, ব্যতীত, জন্যে, জন্য, পর্যন্ত অপেক্ষা, সহকারে, তরে, পানে, নামে, মতো, নিকট, অধিক, পক্ষে, দ্বারা, দিয়া, দিয়ে, কর্তৃক, সঙ্গে, হইতে, হতে, থেকে, চেয়ে, পাছে, ভিতর, ভেতর ইত্যাদি।
- এদের মধ্যে দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক, হইতে (হতে), চেয়ে, অপেক্ষা, মধ্যে প্রভৃতি কয়েকটি অনুসর্গ বিভক্তিরূপে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
নিচের কোনটি একটি উপসর্গ নয়?
  1. বে
  2. তরে
  3. অভি
সঠিক উত্তর:
তরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরে
ব্যাখ্যা
• ‘অ, বে, অভি’ উপসর্গের উদাহরণ।

অন্যদিকে,
তরে - অনুসর্গের উদাহরণ।
---------------------
• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যে সকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. দৈন্যতা সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়।
  2. দৈন্য সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয়।
  3. দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়।
  4. দৈন্যতা সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক হয়।
সঠিক উত্তর:
দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর:
গ) দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়।

• বিশেষ্য পদের সঙ্গে পুনরায় বিশেষ্যবাচক ‘তা’ প্রত্যয় যুক্ত করলে শব্দটি অশুদ্ধ হয়ে যায়। যেমন— সৌজন্য, দৈন্য, দারিদ্র্য, আলস্য ইত্যাদি বিশেষ্য পদ। এগুলোর সাথে পুনরায় বিশেষ্যবাচক ‘তা’ যুক্ত করে সৌজন্যতা, দৈন্যতা, দারিদ্রতা, আলস্যতা তৈরি করলে তা অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধ হবে।

অন্যদিকে,
- দৈন্যতা সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয়। - এ বাক্যে 'দৈন্য' শব্দে তা-প্রত্যয়ের অশুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে এবং মহত্ত্ব বানান অশুদ্ধ।
- দৈন্য সর্বদা মহত্বের পরিচায়ক নয়। - এ বাক্যে ‘মহত্বের’ বানানটি অশুদ্ধ। শুদ্ধ বানান হবে মহত্ত্বের।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
বাক্যের বিধেয় অংশে ক্রিয়া থাকা-না থাকার উপর ভিত্তি করে বাক্য কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
• বাক্যের বিধেয় অংশে ক্রিয়া থাকা-না থাকা বিবেচনায় বাক্যকে দুই ভাগে বিভক্ত করা যায়।
যথা - 
- সক্রিয় বাক্য। 
- অক্রিয় বাক্য। 

• সক্রিয় বাক্য:
- যে বাক্যের বিধেয় অংশে ক্রিয়া থাকে, সেগুলোকে সক্রিয় বাক্য বলে।
যেমন - আমার মা চাকরি করেন।

• অক্রিয় বাক্য:
- যেসব বাক্যের বিধেয় অংশে ক্রিয়া থাকে না, সেগুলোকে অক্রিয় বাক্য বলে।
- যেমন - তিনি বাংলাদশের নাগরিক। 
• তবে অতীত ও ভবিষ্যৎ কালের প্রয়োগে এগুলো সক্রিয় বাক্য হয়ে যায়।
যেমন -
'তিনি বাংলাদেশের নাগরিক ছিলেন' বা 'তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হবেন'।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)।
.
তার চোখে ছিল এক _______ স্বপ্নের দীপ্তি।
  1. প্রজ্জ্বলিত
  2. প্রোজ্জ্বলিত
  3. প্রজ্বলিত
  4. প্রোজ্বলিত
সঠিক উত্তর:
প্রজ্বলিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজ্বলিত
ব্যাখ্যা
• এখানে শুদ্ধ বানান হলো- 'প্রজ্বলিত'।

• 'প্রজ্বলিত' শব্দের অর্থ :
- জ্বলছে এমন।

বাক্যটি হবে:
"তার চোখে ছিল এক প্রজ্বলিত স্বপ্নের দীপ্তি।"

তবে, 'প্রোজ্জ্বল' বানানটি শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
"ভয়ে কাঁপতে লাগলাম।" - বাক্যটির যৌগিক রূপ কোনটি?
  1. আমি ভয় পেয়েছি এবং কাঁপতে লাগলাম।
  2. ভয়ের কারণে আমি কাঁপলাম।
  3. কাঁপতে কাঁপতে ভয়ে অস্থির হলাম।
  4. আমি ভয় পেয়েছিলাম; যার কারণে কাঁপছিলাম।
সঠিক উত্তর:
আমি ভয় পেয়েছি এবং কাঁপতে লাগলাম।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমি ভয় পেয়েছি এবং কাঁপতে লাগলাম।
ব্যাখ্যা
সরল বাক্য: ভয়ে কাঁপতে লাগলাম।
বাক্যটির যৌগিক রূপ - ক) আমি ভয় পেয়েছি এবং কাঁপতে লাগলাম।

ব্যাখ্যা:
যৌগিক বাক্য হল দুই বা ততোধিক সরল বাক্যের সমন্বয়ে গঠিত বাক্য, যেখানে একটি প্রধান বাক্য এবং অন্যটি অধীন বাক্য থাকে এবং তারা সম্পর্কসূচক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে।
দুটি সমান গুরুত্বের বাক্য, যুক্ত হয়েছে যোজক “এবং”-এর মাধ্যমে। এটি যৌগিক বাক্যের বৈশিষ্ট্য পূরণ করে।
এক্ষেত্রে "আমি ভয় পেয়েছিলাম" এবং "কাঁপছিলাম" - এই দুটি সরল বাক্য।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
“আলুনি” শব্দে ব্যবহৃত উপসর্গটি কোন শ্রেণির?
  1. বাংলা
  2. তৎসম
  3. বিদেশি
  4. অজ্ঞাত
সঠিক উত্তর:
বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা
ব্যাখ্যা
• “আলুনি” শব্দে ব্যবহৃত উপসর্গটি বাংলা উপসর্গ।

• 'আ' উপসর্গের ব্যবহার:

- আখাম্বা, সদৃশ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- আলুনি, অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- আগাছা, নিকৃষ্ট/বাজে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- আরক্ত, ঈষৎ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১১.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. নিষ্প্রাণ
  2. আয়ুস্কাল
  3. ঘূর্ণ্যমান
  4. দৌরাত্ম্য
সঠিক উত্তর:
আয়ুস্কাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়ুস্কাল
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- আয়ুস্কাল এর শুদ্ধ বানান হবে আয়ুষ্কাল।

অন্যদিকে,
- 'নিষ্প্রাণ' বানানটি শুদ্ধ।

• 'ঘূর্ণ্যমান' বানানটি সঠিক। 

• দৌরাত্ম্য - বানানটি সঠিক।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম। 
১২.
‘দংশনক্ষত শ্যেন বিহঙ্গ যুঝে ভুজঙ্গ সনে।’ বাক্যে ‘সনে’ অনুসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. বিরুদ্ধগামিতা
  2. সমসূত্রে
  3. তুলনায়
  4. মতো
সঠিক উত্তর:
বিরুদ্ধগামিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরুদ্ধগামিতা
ব্যাখ্যা
• সনে - বিরুদ্ধগামিতা অর্থে।
যেমন: ‘দংশনক্ষত শ্যেন বিহঙ্গ যুঝে ভুজঙ্গ সনে।’

• অনুসর্গের প্রয়োগ:
→ সহ: সহগামিতা অর্থে - তিনি পুত্রসহ উপস্থিত হলেন।
→ সহিত: সমসূত্রে অর্থে - শত্রুর সহিত সন্ধি চাই না।
→ সনে: বিরুদ্ধগামিতা অর্থে - 'দংশনক্ষত শ্যেন বিহঙ্গ যুঝে ভুজঙ্গ সনে।'
→ সঙ্গে: তুলনায় - মায়ের সঙ্গে এ মেয়ের তুলনা হয় না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৩.
কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. ঘূর্ণন
  2. বিভীষিকা
  3. মহত্ব
  4. সমীচীন
সঠিক উত্তর:
মহত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহত্ব
ব্যাখ্যা
• 'মহত্ব'- বানানটি শুদ্ধ নয়। 
এর শুদ্ধ বানান হবে- 'মহত্ত্ব'। 
 
বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান অনুসারে,
'মহত্ত্ব' এর অর্থ- উদারতা, প্রকর্ষ।

অন্যদিকে,
• শুদ্ধ বানান: ঘূর্ণন (বিশেষ্য পদ),
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
যার অর্থ: অনবরত আবর্তন, চক্রগতি।

• শুদ্ধ বানান: বিভীষিকা (বিশেষ্য),
- এটি সংস্কৃত থেকে আগত শব্দ।
অর্থ: আতঙ্ক, ভীতিকর ঘটনা।

• শুদ্ধ বানান: সমীচীন (বিশেষণ),
- এটি সংস্কৃত ভাষার শব্দ।
- এর অর্থ হচ্ছে: সংগত, উপযুক্ত, উত্তম।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৪.
কোন শব্দটিতে পর্যন্ত অর্থে ‘আ’ উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. আগাছা
  2. আরক্ত
  3. আসমুদ্র
  4. আধোয়া
সঠিক উত্তর:
আসমুদ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসমুদ্র
ব্যাখ্যা
'আ' উপসর্গের ব্যবহার:
• আধোয়া, অভাব অর্থে 'আ' উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে।
• আগাছা, নিকৃষ্ট/বাজে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
• আরক্ত, ঈষৎ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
• আসমুদ্র,পর্যন্ত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫.
কোনাে কিছু দেখে বা শুনে অবাক হয়ে যে ধরনের বাক্য তৈরি হয়, তাকে কী বলে?
  1. প্রশ্নবাচক বাক্য
  2. বিবৃতিবাচক বাক্য
  3. আবেগবাচক বাক্য
  4. অনুজ্ঞাবাচক বাক্য
সঠিক উত্তর:
আবেগবাচক বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবেগবাচক বাক্য
ব্যাখ্যা
• বাক্য প্রকরণ:
বক্তব্যের লক্ষ্য অনুযায়ী বাক্যকে বিবৃতিবাচক, নেতিবাচক, প্রশ্নবাচক, অনুজ্ঞাবাচক ও আবেগবাচক প্রভৃতি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

• বিবৃতিবাচক বাক্য:
সাধারণভাবে কোনাে বিবরণ প্রকাশ পায় যেসব বাক্যে, সেগুলােকে বিবৃতিমূলক বাক্য বলে।
বিবৃতিবাচক বাক্য ইতিবাচক বা নেতিবাচক হতে পারে।
যেমন-
• আমরা রােজ বেড়াতে যেতাম।
• তারা তােমাদের ভােলেনি।

• প্রশ্নবাচক বাক্য:
বক্তা কারও কাছ থেকে কিছু জানার জন্য যে ধরনের বাক্য বলে, সেগুলাে প্রশ্নবাচক বাক্য।
যেমন-
• তােমার নাম কী?
• সুন্দরবনকে কোন ধরনের বনাঞ্চল বলা হয়?

• অনুজ্ঞাবাচক বাক্য:
আদেশ, নিষেধ, অনুরােধ, প্রার্থনা ইত্যাদি বােঝাতে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য হয়।
যেমন-
• আমাকে একটি কলম দাও।
• তার মঙ্গল হােক।
• বিপদে ধৈর্য ধর।

• আবেগবাচক বাক্য:
কোনাে কিছু দেখে বা শুনে অবাক হয়ে যে ধরনের বাক্য তৈরি হয়, তাকে আবেগবাচক বাক্য বলে।
যেমন-
• দারুণ! আমরা জিতে গিয়েছি।
• অত উঁচু পাহাড়ে উঠে আমি তাে ভয়েই মরি!

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৬.
'একটু বাইরে বেড়িয়ে আসা যাক।' - বাক্যটি কর্তাবাচ্যে কী হবে?
  1. একটু বাইরে বেড়িয়ে আসি।
  2. একটু বেড়িয়ে আসা যাক বাইরে।
  3. বাইরে একটু বেড়ানো যায়।
  4. একটু বেড়ানো হউক।
সঠিক উত্তর:
একটু বাইরে বেড়িয়ে আসি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটু বাইরে বেড়িয়ে আসি।
ব্যাখ্যা
• ভাববাচ্য থেকে কর্তাবাচ্যে রূপান্তর:
ভাবাচ্যের বাক্যকে কর্তাবাচ্যে রূপান্তরিত করতে হলে ক্রিয়াকে কর্তার অনুসারী করতে হয়।
যেমন -
ভাববাচ্য: একটু বাইরে বেড়িয়ে আসা যাক।
কর্তাবাচ্য: একটু বাইরে বেড়িয়ে আসি।
ভাববাচ্য: এবার বাঁশিটি বাজানাে হােক।
কর্তাবাচ্য: এবার বাঁশিটি বাজাও।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
১৭.
"নাঠ্যকার নাঠকের স্ক্রিপ্ট লিখতে গিয়ে ক্রমাগত ষ্ক্রিনে চোখ রাখলেন।" - বাক্যটিতে কয়টি বানানে ভুল রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• বাক্যটি:
"নাঠ্যকার নাঠকের স্ক্রিপ্ট লিখতে গিয়ে ক্রমাগত ষ্ক্রিনে চোখ রাখলেন।"

এখানে ভুল বানানগুলো চিহ্নিত করি:
নাঠ্যকার → ভুল বানান; সঠিক: নাট্যকার।
নাঠকের → ভুল বানান; সঠিক: নাটকের।
স্ক্রিপ্ট → সঠিক বানান।
স্ক্রিনে → ষ্ক্রিনে → ভুল বানান। সঠিক বানান: স্ক্রিনে।

মোট ভুল বানান: ৩টি।

সঠিক বাক্য হবে:
"নাট্যকার নাটকের স্ক্রিপ্ট লিখতে গিয়ে ক্রমাগত স্ক্রিনে চোখ রাখলেন।"

শুদ্ধ বাক্যটি হবে- 
"নাট্যকার নাটকের স্ক্রিপ্ট লিখতে গিয়ে ক্রমাগত স্ক্রিনে চোখ রাখলেন।"

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৮.
নিচের কোন উপসর্গটি আরবি উৎস থেকে এসেছে?
  1. ফি
  2. অপ
  3. আম
  4. রাম
সঠিক উত্তর:
আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম
ব্যাখ্যা
• 'আম্‌' - আরবি উপসর্গ।

• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যে সকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: ভাষাশিক্ষা - ড. হায়াৎ মামুদ।
১৯.
'তোমার তরে এনেছি মালা গাঁথিয়া।' — এখানে ‘তরে’ অনুসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?
  1. দিক
  2. নিমিত্ত
  3. অবস্থান
  4. সময়
সঠিক উত্তর:
নিমিত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিমিত্ত
ব্যাখ্যা
• 'তোমার তরে এনেছি মালা গাঁথিয়া।' - বাক্যে 'তরে' অনুসর্গটি "নিমিত্ত" অর্থে ব্যবহৃ হয়েছে।

• আরো কয়েকটি অনুসর্গের ব্যবহার:
- কাছে : 'নিকট' অর্থে = আমার কাছে আর কে বলবে?
- মাঝে: 'মধ্যে' অর্থে = সীমার মাঝে অসীম তুমি।
- জন্য: 'নিমিত্তে' অর্থে = এ ধন-সম্পদ তোমার জন্য।
- পানে : প্রতি, দিকে অর্থে ঐ তো ঘর পানে ছুটেছেন।
- পক্ষে : সক্ষমতা অর্থে রাজার পক্ষে সব কিছুই সম্ভব।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
২০.
'যদিও ছেলেটির বয়স অল্প, তবু বেশ বুদ্ধিমান।'- বাক্যটি সরল বাক্যের রূপান্তর কী হবে?
  1. ছেলেটির বয়স অল্প ও বুদ্ধিমান
  2. ছেলেটির বয়স অল্প এবং বেশ বুদ্ধিমান। 
  3. ছেলেটির বয়স অল্প, তথাপি বেশ বুদ্ধিমান। 
  4. ছেলেটির বয়স অল্প হলেও বেশ বুদ্ধিমান।
সঠিক উত্তর:
ছেলেটির বয়স অল্প হলেও বেশ বুদ্ধিমান।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছেলেটির বয়স অল্প হলেও বেশ বুদ্ধিমান।
ব্যাখ্যা
জটিল বাক্য:
যে-সে, যারা-তারা, যিনি-তিনি, যাঁরা-তাঁরা, যা-তা প্রভৃতি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যদিও-তবু, যেহেতু-সেহেতু, যত-তত, যেটুকু-সেটুকু, যেমন-তেমন, যখন-তখন প্রভৃতি সাপেক্ষ যোজক দিয়ে যখন অধীন বাক্যগুলো যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে।

মিশ্র বা জটিল বাক্যকে সরল বাক্যে রূপান্তর:
- মিশ্র বা জটিল বাক্যকে সরল বাক্যে রূপান্তর করতে হলে মিশ্র বাক্যের অপ্রধান খন্ডবাক্যটিকে সংকুচিত করে একটি পদ বা একটি বাক্যাংশে পরিণত করতে হয়৷
যথা:
মিশ্র বাক্য: যাদের বুদ্ধি নেই, তারাই এ কথা বিশ্বাস করবে।
সরল বাক্য: নির্বোধরা/বুদ্ধিহীনরা এ কথা বিশ্বাস করবে।
 
মিশ্র বাক্য: যতদিন জীবিত থাকব, ততদিন এ ঋণ স্বীকার করব।
সরল বাক্য: আজীবন এ ঋণ স্বীকার করব।
 
মিশ্র বাক্য: যে সব পশু মাংশ খায়, তারা খুব বলবান হয়।
সরল বাক্য: সকল মাংসাশী পশুই খুব বলবান হয়।

জটিল বাক্য: যদিও ছেলেটির বয়স অল্প, তবু বেশ বুদ্ধিমান।
সরল বাক্য: ছেলেটির বয়স অল্প হলেও বেশ বুদ্ধিমান।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২১.
নিচের কোন বাক্যটি অনুজ্ঞাবাচক বাক্য?
  1. তুমি কী পড়ছো?
  2. সে ফুটবল খেলছে।
  3. আমাকে একটু জল দাও।
  4. আকাশ মেঘলা।
সঠিক উত্তর:
আমাকে একটু জল দাও।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাকে একটু জল দাও।
ব্যাখ্যা
• অনুজ্ঞাবাচক বাক্য:
আদেশ, নিষেধ, অনুরােধ, প্রার্থনা ইত্যাদি বােঝাতে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য হয়।
যেমন-
• আমাকে একটি কলম দাও।
• তার মঙ্গল হােক।
• আমাকে একটু জল দাও।
• বিপদে ধৈর্য ধর।

অন্যদিকে,
• তুমি কী পড়ছো?; সে ফুটবল খেলছে; আকাশ মেঘলা। -  বিবৃতিবাচক বাক্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
২২.
উপসর্গ সাধিত শব্দ নয় কোনটি?
  1. সলাজ
  2. অবলা
  3. দুর্নাম
  4. ত্রিভুজ
সঠিক উত্তর:
ত্রিভুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিভুজ
ব্যাখ্যা
ত্রিভুজ': এটি উপসর্গ সাধিত শব্দ নয়; কারণ এখানে 'ত্রি' কোনো ধরনের উপসর্গ নয়।

অন্যদিকে,
- 'দুর্নাম' শব্দটি তৎসম উপসর্গ ‘দুর’ যোগে গঠিত।
- সলাজ - খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'স' রয়েছে।
- অবলা - খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'অ' রয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৩.
নিচের কোন বাক্যে ক্রিয়াজাত অনুসর্গ আছে?
  1. এমন কাজ তোমার দ্বারা হবে না।
  2. মাথার উপরে নিল আকাশ।
  3. তাঁর সাথে কথা বলো না।
  4. ভালো করে খেয়ে নাও।
সঠিক উত্তর:
ভালো করে খেয়ে নাও।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভালো করে খেয়ে নাও।
ব্যাখ্যা
অনুসর্গ:
- বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদ দেয়, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশ করতে সাহায্য করে, তাকে অনুসর্গ বলে।
অনুসর্গ ২ প্রকার:
- সাধারণ অনুসর্গ
- ক্রিয়াজাত অনুসর্গ 

ক্রিয়াজাত অনুসর্গ:
- যেসব অনুসর্গ ক্রিয়াপদ থেকে তৈরি হয়েছে, সেগুলোকে ক্রিয়াজাত অনুসর্গ বলে।
যেমন:
• করে: ভালো করে খেয়ে নাও।
• ধরে: বহুদিন ধরে অপেক্ষা করে আছি।
• দিয়ে: মন দিয়ে লেখাপড়া করা দরকার।
• বলে: তুমি আসবে বলে আমি দাঁড়িয়ে আছি।

সাধারণ অনুসর্গ:
- যেসব অনুসর্গ ক্রিয়া ছাড়া অন্য শব্দ থেকে তৈরি হয়, সেগুলোকে সাধারণ অনুসর্গ বলে।
যেমন: 
• উপরে: মাথার উপরে নিল আকাশ।
• কাছে: কার কাছে গেলে জানা যাবে?
• দ্বারা: এমন কাজ তোমার দ্বারা হবে না।
• সাথে: তাঁর সাথে কথা বলয় না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৮ ও ২০২১ সংস্করণ)।