পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়27 minutes৬০ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৬১
সিলেবাস
৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - সাবজেক্ট ফাইনাল ও রিভিশন [রাউন্ড ⎯ ২] বিষয়ের নাম: বাংলা ব্যাকরণ সম্পূর্ণ [৮০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৬১ প্রশ্ন

.
"তোমার তিরস্কার বা পুরস্কার কিছুই চাই না।" - নিম্নরেখ শব্দ দুটির -
  1. প্রথমটি অশুদ্ধ, দ্বিতীয়টি শুদ্ধ
  2. দুটিই অশুদ্ধ
  3. দ্বিতীয়টি অশুদ্ধ, প্রথমটি শুদ্ধ
  4. দুটোই শুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
দুটোই শুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটোই শুদ্ধ
ব্যাখ্যা
"তোমার তিরস্কার বা পুরস্কার কিছুই চাই না।" - নিম্নরেখ শব্দ দুটির - শুদ্ধরূপের নিয়ম:
র- ধ্বনির পরে যদি অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি থাকে, তবে তার পরে 'ষ' হয়।
যেমন- পরিষ্কার।

আবার,
র- ধ্বনির পরে যদি অ, আ স্বরধ্বনি থাকে তাহলে 'স' হবে।
যেমন- তিরস্কার, পুরস্কার।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
"যা পূর্বে শোনা যায় নি এমন" এর এক কথায় প্রকাশ -
  1. অবক্তব্য
  2. অনাহত
  3. অশ্রুতপূর্ব
  4. প্রত্যুৎপন্নমতি
সঠিক উত্তর:
অশ্রুতপূর্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অশ্রুতপূর্ব
ব্যাখ্যা
• ’যা পূর্বে শোনা যায় নি এমন’ এক কথায় প্রকাশ - অশ্রুতপূর্ব।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ: 
• ‘যা আহুত (ডাকা) হয় নি’ এর এক কথায় প্রকাশ - অনাহুত।
• "একই গুরুর শিষ্য" এর এক কথায় প্রকাশ– সতীর্থ।
• ‘যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে’ এক কথায বলে - প্রত্যুৎপন্নমতি ৷
• ‘যার কোন কিছু থেকেই ভয় নেই’ এক কথায বলে - অকুতোভয় ৷
• ‘কথায় প্রকাশ করার অযোগ্য’ এক কথায় প্রকাশ - অবক্তব্য।
• ‘যা আঘাত পায় নি’ এর এক কথায় প্রকাশ - অনাহত।
• ‘যা কখনো নষ্ট হয় না এমন’ এক কথায় প্রকাশ - অবিনশ্বর।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'সৃষ্টি করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ-
  1. দিদৃক্ষা
  2. দিৎসা
  3. যদৃচ্ছা
  4. সিসৃক্ষা
সঠিক উত্তর:
সিসৃক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিসৃক্ষা
ব্যাখ্যা
• 'সৃষ্টি করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- 'সিসৃক্ষা'।

অন্য অপশনে,
• 'দেখবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- 'দিদৃক্ষা'। 
• 'যে রূপ ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- 'যদৃচ্ছা'।
• 'দান করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- 'দিৎসা'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোন সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়?
  1. দ্বন্দ্ব সমাস
  2. কর্মধারয় সমাস
  3. বহুব্রীহি সমাস
  4. অব্যয়ীভাব সমাস
সঠিক উত্তর:
কর্মধারয় সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মধারয় সমাস
ব্যাখ্যা
• কর্মধারয় সমাস:
যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন,
– গােলাপ নামের ফুল = গােলাপফুল, যা কাঁচা তাই মিঠা = কাঁচা-মিঠা।

অন্যদিকে,
• দ্বন্দ্ব সমাস:
দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে।
যেমন – ‘সােনা-রুপা সমস্তপদের ব্যাসবাক্য ‘সােনা ও রুপা। 

• বহুব্রীহি সমাস:
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোন পদকে বা অর্থ বোঝায় তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন: আশীতে বিষ যার = আশীবিষ। 

• অব্যয়ীভাব সমাস:
- পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থ প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। 
- অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়।
- সামীপ্য (নৈকট্য), বিপ্‌সা (পৌনঃপুনিকতা), পর্যন্ত, অভাব, অনতিক্রম্যতা, সাদৃশ্য, যোগ্যতা প্রভৃতি নানা অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়।
যেমন -
• বিপ্‌প্সা (অনু, প্রতি):
- দিন দিন = প্রতি দিন,

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি কণ্ঠ তালব্য ধ্বনি?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• এ, ঐ - কণ্ঠ তালব্য ধ্বনি।

অন্যদিকে, 
- স্বরবর্ণের মধ্যে তালব্য বর্ণ হচ্ছে - ই, ঈ।
- ব্যঞ্জণ বর্ণে তালব্য ধ্বনি - চ, ছ, জ, ঝ, ঞ।
• উ, ঊ - ওষ্ঠ্য ধ্বনি।
• ও, ঔ - কণ্ঠৌষ্ঠ ধ্বনি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
ধ্বনি-পরিবর্তনের নিয়মে ধ্বনি-বিপর্যয়ের দৃষ্টান্ত কোনটি?
  1. ফলাহার > ফলার
  2. ধোবা > ধোপা
  3. ফাল্গুন > ফাগুন
  4. লাফ > ফাল
সঠিক উত্তর:
লাফ > ফাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাফ > ফাল
ব্যাখ্যা
• ধ্বনি বিপর্যয়:
শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। এতে দুটি বর্ণের মধ্যে জায়গা পরিবর্তন হয়।
যেমন:
- পিশাচ > পিচাশ,
- লাফ > ফাল,
- বাক্স > বাস্ক,
- রিক্সা > রিস্কা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• ধোবা > ধোপা; ব্যঞ্জন বিকৃতির উদাহরণ। 
• ফলাহার > ফলার; ফাল্গুন > ফাগুন; অন্তর্হতি ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
.
মূলত কীসের মাধ্যমে ধ্বনি উৎপন্ন হয়?
  1. শ্বাস গ্রহণ
  2. শ্বাস ত্যাগ
  3. চিৎকার করা
  4. জিভ নাড়ানোর সময়
সঠিক উত্তর:
শ্বাস ত্যাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্বাস ত্যাগ
ব্যাখ্যা
• ধ্বনি: 
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একককে ধ্বনি বলে। 
- ফুসফুসতাড়িত বাতাস গলনালি হয়ে মুখ ও নাক দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ধ্বনি উচ্চারিত হয়। 
- মূলত শ্বাস ত্যাগের মাধ্যমে ধ্বনি উৎপন্ন হয়। 

• আরো কিছু তথ্য: 
- বাংলা ভাষায় ৩৭টি মৌলিক ধ্বনি রয়েছে।
- ধ্বনির প্রতীককে বলা হয় বর্ণ। 
- এই বর্ণ কানে শােনার বিষয়কে চোখে দেখার বিষয়ে পরিণত করে।
- ভাষার সবগুলাে বর্ণকে একত্রে বলা হয় বর্ণমালা।

 উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।  
.
‘অর্ঘ্য’ কে ‘অর্ঘ’ লেখা হলে কোন ধরনের ভুল হবে?
  1. অর্থগত বিভ্রান্তি
  2. বাহুল্য দোষ
  3. বানান জনিত
  4. প্রত্যয়জনিত
সঠিক উত্তর:
অর্থগত বিভ্রান্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থগত বিভ্রান্তি
ব্যাখ্যা
• ‘অর্ঘ্য’ এবং ‘অর্ঘ’ — এ দুটি শব্দ দেখতে কাছাকাছি হলেও এদের অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন।

এখানে, 
• 'অর্ঘ্য' শব্দের অর্থ হচ্ছে পূজার উপকরণ।
অন্যদিকে, অর্ঘ অর্থ - মূল্য।

• যখন কেউ ‘অর্ঘ্য’ শব্দকে ভুল করে ‘অর্ঘ’ লিখে, তখন শুধু বানান নয়, শব্দের প্রকৃত অর্থ ও প্রয়োগই পাল্টে যায়। ফলে পাঠকের মনে অর্থগত বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।

অর্থ্যাৎ, এখানে অর্থগত বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়।

উৎস: ভাষাশিক্ষা - ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'ময়ূরের ডাক' - এর এক কথায় প্রকাশ কোনটি?
  1. হ্রেষা
  2. কাকলি
  3. কেকা
  4. নিক্বণ
সঠিক উত্তর:
কেকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেকা
ব্যাখ্যা
• 'ময়ূরের ডাক' এর এক কথায় প্রকাশ: 'কেকা'। 

অন্য অপশন,
• ‘বিহঙ্গের ধ্বনি’ এক কথায় বলে - কাকলি। 
• ‘ঘোড়ার ডাক’ এর এক কথায় প্রকাশ - হ্রেষা।
• 'নূপুরের ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ- 'নিক্বণ'। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১০.
কোন শব্দে ব-ফলার উচ্চারণ নেই?
  1. বিশ্বাস
  2. অশ্ব
  3. স্বাধীন
  4. পক্ব
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন
ব্যাখ্যা
• 'স্বাধীন' — শব্দে ব-ফলার উচ্চারণ নেই।

• ব:
 'ব' বর্ণের সাধারণ উচ্চারণ [ব]। তবে ফলা হিসেবে এই বর্ণের উচ্চারণে স্বাতন্ত্র্য আছে।

• শব্দের আদিতে ব-ফলার উচ্চারণ হয় না।
যেমন - 
- ত্বক [তক্],
- শ্বশুর [শোশুর্],
- স্বাধীন [শাধিন্]।

• শব্দের মধ্যে বা শেষে ব-ফলা যুক্ত হলে সেই ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়।
যেমন - 
- অশ্ব [অশ্শো‌],
- বিশ্বাস [বিশ্শা‌শ্],
- পক্ব [পক্‌কো]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১১.
'অছি' শব্দের অর্থ কী?
  1. অছিয়ত
  2. নিরাপত্তা
  3. অভিভাবক
  4. মনোনয়ন
সঠিক উত্তর:
অভিভাবক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিভাবক
ব্যাখ্যা
• 'অছি'- শব্দটির সঠিক সমার্থক শব্দ: 'অভিভাবক'। 
------------ 
• কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক শব্দ: 
- 'ময়ূর' শব্দের সমার্থক শব্দ - কলাপী , কেকী , শিখী , শিখণ্ডী , বর্হী , বর্হিণ।
- 'মৌমাছি' শব্দের সমার্থক শব্দ -মধুপ , আর্ঘা , পুষ্পলিহ। 
- 'সাপ' শব্দের সমার্থক শব্দ -অহি, উরগ, পন্নগ, কুণ্ডলী। 
- 'হাতি' শব্দের সমার্থক শব্দ -গজ , দ্বিপ , নাগ , পিল। 
- 'হরিণ' শব্দের সমার্থক শব্দ -মৃগ , কুরঙ্গ , সারঙ্গ, সুনয়ন। 

তথ্যসূত্র: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
১২.
'ইনকিলাব' কোন ভাষার শব্দ?
  1. তুর্কি
  2. উর্দু
  3. ফারসি
  4. আরবি
সঠিক উত্তর:
আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরবি
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'ইনকিলাব' শব্দের অর্থ বিদ্রোহ; বিপ্লব; আন্দোলন।

- 'ইনকিলাব' বিশেষ্য।
- 'ইনকিলাব' আরবি শব্দ।
- 'ইনকিলাব' এর ইংরেজি Revolution, Uprising.

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৩.
'শ্মশ্রু’ শব্দের অর্থ কী?
  1. শ্বশুর
  2. শাশুড়ি
  3. দাড়িগোঁফ
  4. শ্বশুরের পুত্র
সঠিক উত্তর:
দাড়িগোঁফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাড়িগোঁফ
ব্যাখ্যা
• ‘শ্মশ্রু’ শব্দের অর্থ - দাড়িগোঁফ, (বাংলায়) দাঁড়ি।

অন্যদিকে,
- ‘শ্বশ্রূ’ শব্দের অর্থ - শাশুড়ি, পতি বা পত্নীর মা।
- 'শ্বশুর্য' শব্দের অর্থ - শ্বশুরের পুত্র।
- 'শম' শব্দের অর্থ - শান্তি।
- 'কুঞ্জর' শব্দের অর্থ - হাতি, করী।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৪.
'পর্ণমোচী' শব্দের অর্থ কোনটি?
  1. ফলময় গাছ
  2. ছায়াদানকারী
  3. পত্রঝরা
  4. ফুল ফোটানো
সঠিক উত্তর:
পত্রঝরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পত্রঝরা
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
'পর্ণমোচী' শব্দের অর্থ - পত্রঝরা।
----------- 
• আরো কিছু শব্দার্থ : 
- চূড়া' শব্দের অর্থ : শীর্ষদেশ, শিখর। 
- পর্ণ শব্দের অর্থ - গাছের পাতা; তাম্বুল; পান; ডানা ইত্যাদি।
- 'সলিল' শব্দের অর্থ = 'জল'।
- 'খগ' শব্দের অর্থ - পাখি।
- ‘সওগাত’ শব্দের অর্থ - উপঢৌকন; উপহার।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৫.
'Fortnightly' শব্দের অর্থ-
  1. সাপ্তাহিক
  2. ত্রৈমাসিক
  3. ষাণ্মাষিক
  4. পাক্ষিক
সঠিক উত্তর:
পাক্ষিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাক্ষিক
ব্যাখ্যা
• 'Fortnightly' শব্দের পারিভাষিক অর্থ — পাক্ষিক।

• 'পাক্ষিক' শব্দের অর্থ:
- পনেরো দিন অন্তর সংঘটিত হয় এমন।

অন্যদিকে,
- Daily শব্দের পারিভাষিক অর্থ — দৈনিক।
- Weekly শব্দের পারিভাষিক অর্থ — সাপ্তাহিক।
- Quarterly শব্দের পারিভাষিক অর্থ — ত্রৈমাসিক। 
- Half yearly শব্দের পারিভাষিক অর্থ — ষাণ্মাষিক।

উৎস: বাংলা একাডেমী প্রশাসনিক পরিভাষা।
১৬.
"আজ বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়ার খেলা।" - এখানে 'বনাম' কোন ভাষার অনুসর্গ?
  1. তৎসম
  2. তদ্ভব
  3. আরবি
  4. ফারসি
সঠিক উত্তর:
ফারসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারসি
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক অনুসর্গই ফারসি, আরবি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত।
‘বনাম’ ফারসি থেকে এসেছে এবং এটি সাধারণত আইনি বা ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় দুই পক্ষ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

সঠিক উত্তর: ঘ) ফারসি।

ব্যাখ্যা:
‘বনাম’ শব্দটি ফারসি ভাষার একটি অনুসর্গ, যার অর্থ ‘বিরুদ্ধে’ বা ‘versus’।

উদাহরণ:
আজ বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়ার খেলা।
অর্থ: আজ বাংলাদেশ বিরুদ্ধ অস্ট্রেলিয়ার খেলা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৭.
নিচের কোনটি যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ?
  1. এগিয়ে চলা
  2. গরম করা
  3. গান করা
  4. ঠনঠন করা
সঠিক উত্তর:
এগিয়ে চলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগিয়ে চলা
ব্যাখ্যা
• 'এগিয়ে চলা'- যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ।  

গঠন বিবেচনায় ক্রিয়া পাঁচ প্রকার। 
- সরল ক্রিয়া 
- প্রযোজক ক্রিয়া 
- নাম ক্রিয়া
- সংযোগ ক্রিয়া
- যৌগিক ক্রিয়া

যৌগিক ক্রিয়া:
অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যখন একটি ক্রিয়া গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন: এগিয়ে চলা, মরে যাওয়া, কমে আসা, হেসে ওঠা, উঠে পড়া, পেয়ে বসা, সরে দাঁড়ানাে ইত্যাদি।

সংযোগ ক্রিয়া:
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের পরে করা, কাটা, হওয়া, দেওয়া, ধরা, পাওয়া, খাওয়া, মারা প্রভৃতি ক্রিয়া যুক্ত হয়ে সংযোগ ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন- গরম করা, গান করা, উদয় হওয়া, ঠনঠন করা ইত্যাদি। 

সরল ক্রিয়া
- একটিমাত্র পদ দিয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয় এবং কর্তা এককভাবে ক্রিয়ায়টি সম্পন্ন করে।
যেমন: সে লিখছে, ছেলেরা মাঠে খেলছে। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৮.
'কমা'র ক্ষেত্রে কতক্ষণ থামতে হয়?
  1. থামার প্রয়োজন নেই
  2. এক সেকেন্ড
  3. 'এক' বলতে যে সময় লাগে
  4. 'এক' বলার দ্বিগুণ সময়
সঠিক উত্তর:
'এক' বলতে যে সময় লাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'এক' বলতে যে সময় লাগে
ব্যাখ্যা
বাক্যে যতিচিহ্ন অনুসারে থামার পরিমাণ -

• কমা বা পাদচ্ছেদ থাকলে -
- 'এক' উচ্চারণে যত সময় লাগে সেই পরিমাণ সময় থামতে হয়।

• সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ থাকলে -
- 'এক' বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।

• হাইফেন, ইলেক বা লোপ চিহ্ন ও ব্রাকেট থাকলে-
- থামার প্রয়োজন হয় না।

• দাড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময় চিহ্ন, কোলন, কোলন ড্যাস, ড্যাস ইত্যাদি চিহ্ন থাকলে -
- এক সেকেন্ড থামতে হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ৯ম-১০ম শ্রেণি ( ২০১৯ সংস্করণ)।
১৯.
'পরিভ্রমণ' কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. কর্মধারয়
  2. বহুব্রীহি
  3. প্রাদি
  4. তৎপুরুষ
সঠিক উত্তর:
প্রাদি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাদি
ব্যাখ্যা
• প্রাদি সমাস:
- প্র, প্রতি, অনু প্রভৃতি অব্যয়ের সঙ্গে যদি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত বিশেষ্যের সমাস হয়, তবে তাকে বলে প্রাদি সমাস।
যথা:
- প্র (প্রকৃষ্ট) যে বচন = প্রবচন,
- পরি (চতুর্দিকে) যে ভ্রমণ = পরিভ্রমণ,
- অনুতে (পশ্চাতে) যে তাপ = অনুতাপ,
- প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) ভাত (আলোকিত) = প্রভাত,
- প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) গতি = প্রগতি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
২০.
কর্তা নিজেই কোন কাজ করছে, তা বোঝাতে কোন সর্বনাম হয়?
  1. ব্যক্তিবাচক
  2. সামীপ্যবাচক
  3. আত্মবাচক
  4. সাপেক্ষ সর্বনাম
সঠিক উত্তর:
আত্মবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আত্মবাচক
ব্যাখ্যা
• আত্মবাচক সর্বনাম: 
- কর্তা নিজেই কোন কাজ করছে, এ ভাবটি জোর দিয়ে বোঝাতে আত্মবাচক সর্বনাম ব্যবহার করা হয়।
যেমন: 
নিজে (সে নিজে অঙ্কটি করছে), স্বয়ং ইত্যাদি।
-------------- 
নির্দেশক সর্বনাম: 
যে সর্বনাম নৈকট্য বা দূরুত্ব নির্দেশ করে, তাকে নির্দেশক সর্বনাম বলে।
যেমন-
- নিকট নির্দেশক: এ, এই, এরা, ইনি।
- দূর নির্দেশক:  ও, ওই, ওরা, উনি।

ব্যক্তিবাচক সর্বনাম: 
ব্যক্তিবাচক সর্বনাম ব্যক্তিনামের পরিবর্তে বসে। যেমন- আমরা, তোমরা, তারা ইত্যাদি।

সাপেক্ষ সর্বনাম:
পরস্পর নির্ভরশীল দুটি সর্বনামকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে।
যেমন - যারা-তারা, যে-সে,যেমন-তেমন (যেমন কর্ম তেমন ফল) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২১.
কোনটি মহাপ্রাণ ধ্বনি?
  1. (প, ব)
  2. (ঠ, ঢ)
  3. (দ, স)
  4. (জ, শ)
সঠিক উত্তর:
(ঠ, ঢ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(ঠ, ঢ)
ব্যাখ্যা
• '(ঠ, ঢ)' - মহাপ্রাণ ধ্বনি।

• মহাপ্রাণ ধ্বনি: 
- যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস জোরে বের হয়ে যায়, বাতাসের চাপ বেশি থাকে তাকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে।
- বর্গের ২য় ও ৪র্থ ধ্বনি হচ্ছে মহাপ্রাণ ধ্বনি।
- যথা- (খ, ঘ), (ছ, ঝ), (ঠ, ঢ), (থ, ধ), (ফ, ভ) এবং 'হ' ইত্যাদি। 

• অল্পপ্রাণ ধ্বনি:
সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহের মাত্রা অপেক্ষাকৃত কম, সেগুলোকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
যেমন - প, ব, ত, দ, স, ট, ড, ড়, চ, জ, শ, ক, গ ইত্যাদি।

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০১৯ সংস্করণ)।
২২.
'গ্রামীণ' কোন ধরনের পদ?
  1. বিশেষ্য
  2. বিশেষণ
  3. অব্যয়
  4. ক্রিয়া বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
বিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষণ
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
'গ্রামীণ' - বিশেষণ পদ । 



উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৩.
অশ্ব হস্তী অপেক্ষা __________ সুশ্রী।
  1. অধিকতম
  2. গুরুতর
  3. অধিকতর
  4. অধীক
সঠিক উত্তর:
অধিকতর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকতর
ব্যাখ্যা
• তৎসম শব্দের অতিশায়নে দুইয়ের মধ্যে 'তর' এবং বহুর মধ্যে 'তম' প্রত্যয় যুক্ত হয়।

সঠিক উত্তর: গ) অধিকতর।

বাক্যটি: অশ্ব হস্তী অপেক্ষা অধিকতর সুশ্রী।
(অর্থ: ঘোড়া হাতির তুলনায় বেশি সুন্দর।)

অন্যান্য অপশন:
ক) অধিকতম - এটি বহুর মধ্যে তুলনা করে।
খ) গুরুতর - এর অর্থ "বেশি গুরুত্বপূর্ণ/মারাত্মক", এখানে প্রসঙ্গ অনুযায়ী অর্থহীন।
ঘ) অধীক - বানান ভুল।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৪.
'অহরহ' এর সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. অহ + রহ
  2. অহঃ + রহ
  3. অহঃ + অহ
  4. অহ + অহ
সঠিক উত্তর:
অহঃ + অহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অহঃ + অহ
ব্যাখ্যা
• 'অহরহ' এর সন্ধি বিচ্ছেদ - 'অহঃ + অহ'।

• 'অন্তর্গত' শব্দটির সন্ধির নিয়ম:
অ- কারের পরস্থিত র্‌-জাত বিসর্গের পর উপর্যুক্ত ধ্বনিসমূহের কোনটি থাকলে বিসর্গ স্থানে 'র' হয়।
যেমন:
- অন্তঃ + গত= অন্তর্গত,
- অহঃ + অহ= অহরহ,
- পুনঃ + উক্ত= পুনরুক্ত ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, ২০১৯ সংস্করণ।
২৫.
কোনটি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়?
  1. বাগ্‌যন্ত্র
  2. বাগধারা
  3. বাচ্য
  4. প্রতিশব্দ
সঠিক উত্তর:
বাচ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাচ্য
ব্যাখ্যা
• বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করে। বাক্যের নির্মান ও গঠন বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে,বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করে।
- বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় - বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি, কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
→ ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় - বাগ্‌যন্ত্র, বাগ্‌যন্ত্রের উচ্চারণ-প্রক্রিয়া, ধ্বনির বিন্যাস, স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনির বৈশিষ্ট্য , ধ্বনিদল প্রভৃতি।
→ অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় - শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা, বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগধারা প্রভৃতি এর আলোচ্য বিষয়।

উৎস: বাংলা ভষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২৬.
'বিহ্বল' শব্দটির সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
  1. বিওভ্‌বল
  2. বিহব্‌বল্‌
  3. বিহভ্‌ভল
  4. বিউভল্‌
সঠিক উত্তর:
বিউভল্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিউভল্‌
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'বিহ্বল' শব্দটি বিশেষণ। 
সঠিক উচ্চারণ: বিউভল্‌। 

• 'বিহ্বল' শব্দের অর্থ: 
- বিভোল; বিবশ; আত্মহারা; অভিভূত; অচেতন।
--------------------
• কিছু শব্দের প্রমিত উচ্চারণ:
- পদ্ম [পদ্‌দোঁ], 
- যুগ্ম [জুগ্‌মো],
- জন্ম [জন্‌মো], 
- গুল্ম [গুমো],
- শ্মশান [শঁশান্],
- স্মরণ [শঁরোন্]।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (২০২১ সংস্করণ)।
২৭.
কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. শাশ্বত
  2. প্রজ্বলিত
  3. জাজ্বল্যমান
  4. গমণ
সঠিক উত্তর:
গমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গমণ
ব্যাখ্যা
• 'গমণ'- বানানটি অশুদ্ধ। শব্দটির শুদ্ধরূপ: 'গমন'।
-------------------
অন্য অপশনগুলো সঠিক।
কারণ,  
• 'জাজ্জ্বল্যমান' এর শুদ্ধ বানান- জাজ্বল্যমান। 
• 'প্রোজ্বলিত' এর শুদ্ধ বানান- প্রজ্বলিত।
• 'শ্বাশত' এর শুদ্ধ বানান- শাশ্বত।

উৎস: বাংলা একাডেমি বাংলা বানান- অভিধান। 
২৮.
কোনটি দ্বন্দ্ব সমাস?
  1. চতুষ্পদ
  2. ক্ষুৎপিপাসা
  3. আলুসিদ্ধ
  4. দুধভাত
সঠিক উত্তর:
ক্ষুৎপিপাসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুৎপিপাসা
ব্যাখ্যা
•দ্বন্দ্ব সমাস:
- যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
- দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে।
যেমন:
- জায়া ও পতি = দম্পতি।
- ক্ষুধা ও পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা।

অন্যদিকে,
• চতুষ্পদ = চার পা বিশিষ্ট প্রাণী; বহুব্রীহি সমাস।
• সিদ্ধ যে আলু = আলুসিদ্ধ; সাধারণ কর্মধারয় সমাস।
• দুধ মিশ্রিত ভাত = দুধভাত; মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (২০১৯ সংস্করণ)।
২৯.
'বৃক্ষ' শব্দটির সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. তোয়দ
  2. নিবিড়
  3. পাদপ
  4. কল্লোল
সঠিক উত্তর:
পাদপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাদপ
ব্যাখ্যা
• ‘বৃক্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ - 'পাদপ'।
 
• বৃক্ষ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- গাছ, পাদপ, দ্রুম, বনানী, তরু, বিটপী, শাখী, পণী, শৃঙ্গী, শিখরী, মহীরুহ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• 'মেঘ' শব্দের সমার্থক শব্দ: 'তোয়দ'।
• 'গভীর' শব্দের সমার্থক শব্দ: 'নিবিড়'।  
• ‘কল্লোল’ শব্দের সমর্থক শব্দ: জলস্রোতের কলকল শব্দ।  

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৩০.
'বিলম্ব' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. বিরত
  2. আশু
  3. নিগ্রহ
  4. আস্থা
সঠিক উত্তর:
আশু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশু
ব্যাখ্যা
• 'আশু' এর বিপরীত শব্দ - 'বিলম্ব'। 

অন্যদিকে,
• 'বিরত' এর বিপরীত শব্দ- 'নিরত'। 
• 'অনুগ্রহ' এর বিপরীতার্থক শব্দ 'নিগ্রহ'। 
• 'অনাস্থা' এর বিপরীত শব্দ - 'আস্থা'। 

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীত শব্দ:
• 'অনুরক্ত' - বিরক্ত,
• 'নিয়ত' -  বিরত ,
• 'প্রবিষ্ট' - প্রস্থিত ,
• 'দরদি' -নির্দয় ,
• 'উদ্ধত' -বিনীত, 
• 'ঔদ্ধত্য' -বিনয় । 

উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৩১.
"মানুষ ও পশুর ধর্ম পৃথক।"- এখানে 'ধর্ম' কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. সৎকাজ
  2. সুনীতি
  3. স্বভাব
  4. উপসনাপদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
স্বভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বভাব
ব্যাখ্যা
• 'মানুষ ও পশুর ধর্ম পৃথক' - এখানে 'ধর্ম' শব্দটি 'স্বভাব' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। 

অন্যদিকে,
• 'অহিংসা পরম ধর্ম।'- এখানে 'ধর্ম' শব্দটি 'সৎকাজ' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
• এটা ধর্মসংগত কাজ - এখানে 'ধর্ম' শব্দটি 'সুনীতি' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
• 'প্রত্যেক ধর্মই মানুষের চরিত্রকে উন্নত করে' - এখানে 'ধর্ম' শব্দটি 'সম্প্রদায় বিশেষের উপসনাপদ্ধতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।  

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ সংস্করণ)। 
৩২.
"যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে।" - এটা কোন ধরনের বাক্য?
  1. সরল বাক্য
  2. জটিল বাক্য
  3. যৌগিক বাক্য
  4. আশ্রিত বাক্য
সঠিক উত্তর:
জটিল বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জটিল বাক্য
ব্যাখ্যা
• জটিল বাক্য:
যে-সে, যারা-তারা, যিনি-তিনি, যাঁরা-তাঁরা, যা-তা প্রভৃতি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যদিও-তবু, যেহেতু-সেহেতু, যত-তত, যেটুকু-সেটুকু, যেমন-তেমন, যখন-তখন প্রভৃতি সাপেক্ষ যোজক দিয়ে যখন অধীন বাক্যগুলো যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে ।
- একটি মূল বাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য বা বাক্যাংশ থাকলে জটিল বাক্য তৈরি হয়।

 যেমন-
যদি তোমার কিছু বলার থাকে, তবে এখনই বলে ফেলো।
যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে।
-------------------- 
অন্যান্য অপশন:
• যৌগিক বাক্য:
দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।

• এবং, ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু,অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কমা(, ), সেমিকোলন(ঃ), কোলন( ; ), ড্যাশ( -) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে। 
যেমন:
- তিনি ধনী, কিন্তু দাতা নন।
- তার ভাই ঋণ করেছিলো, আর সে তা পরিশোধ করেছে।
- বিপদ এবং দুঃখ একই সঙ্গে আসে। 

• সরল বাক্য:
- একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে তাকে সরল বাক্য বলে।
 যেমন-
জেসমিন সবার জন্য চা বানিয়েছে।
পাখিগুলো নীল আকাশে উড়ছে।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- নবম ও দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১)।
৩৩.
কোন সর্বনামটি নৈকট্য বা দূরুত্ব নির্দেশ করে?
  1. ব্যক্তিবাচক
  2. আত্মবাচক
  3. নির্দেশক
  4. সাপেক্ষ
সঠিক উত্তর:
নির্দেশক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দেশক
ব্যাখ্যা
• নির্দেশক সর্বনাম: 
যে সর্বনাম নৈকট্য বা দূরুত্ব নির্দেশ করে, তাকে নির্দেশক সর্বনাম বলে।
যেমন-
- নিকট নির্দেশক: এ, এই, এরা, ইনি।
- দূর নির্দেশক:  ও, ওই, ওরা, উনি।

• আত্মবাচক সর্বনাম: 
- কর্তা নিজেই কোন কাজ করছে, এ ভাবটি জোর দিয়ে বোঝাতে আত্মবাচক সর্বনাম ব্যবহার করা হয়।
যেমন: 
নিজে (সে নিজে অঙ্কটি করছে), স্বয়ং ইত্যাদি।

ব্যক্তিবাচক সর্বনাম: 
ব্যক্তিবাচক সর্বনাম ব্যক্তিনামের পরিবর্তে বসে।
যেমন- আমরা, তোমরা, তারা ইত্যাদি।

সাপেক্ষ সর্বনাম:
পরস্পর নির্ভরশীল দুটি সর্বনামকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে।
যেমন - যারা-তারা, যে-সে,যেমন-তেমন (যেমন কর্ম তেমন ফল) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৩৪.
কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
  1. ইহার আবশ্যকতা নাই।
  2. মন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে সচিব দায়িত্ব পালন করবেন।
  3. তার সৌজন্যতায় মুগ্ধ হয়েছি।
  4. সে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে।
সঠিক উত্তর:
তার সৌজন্যতায় মুগ্ধ হয়েছি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার সৌজন্যতায় মুগ্ধ হয়েছি।
ব্যাখ্যা
অশুদ্ধ বাক্য: তার সৌজন্যতায় মুগ্ধ হয়েছি।
শুদ্ধ বাক্য: তার সৌজন্যে মুগ্ধ হয়েছি।
------------------ 
অন্যদিকে, 
অশুদ্ধ বাক্য: ইহার আবশ্যক নাই।
শুদ্ধ বাক্য: ইহার আবশ্যকতা নাই।

অশুদ্ধ বাক্য: মন্ত্রীর অনুপস্থিতে সচিব দায়িত্ব পালন করবেন।
শুদ্ধ বাক্য: মন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে সচিব দায়িত্ব পালন করবেন।

অশুদ্ধ বাক্য: সে সম্ভ্রান্তশালী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে।
শুদ্ধ বাক্য: সে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৫.
অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. আমরণ
  2. নিরামিষ
  3. উপজেলা
  4. একরোখা
সঠিক উত্তর:
একরোখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একরোখা
ব্যাখ্যা
• অব্যয়ীভাব সমাস নয়- একরোখা
- একদিকে রোখ যার = একরোখা;  বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।

------------------------
• অব্যয়ীভাব সমাস:
অব্যয় পদ পূর্বে বসে যে-সমাস হয় এবং যেখানে পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পায় তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়। উপসর্গ একপ্রকার অব্যয়।  তাই উপসর্গযোগে গঠিত সব শব্দই অব্যয়ীভাব সমাস। এ সমাসের ব্যাসবাক্যে অব্যয়ের নাম বা প্রকৃতির উল্লেখ করা হয় না। কেবল অব্যয়ের অর্থ সহযোগে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়।

অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ:
- শ্রীর অভাব = বিশ্রী;
- মরণ পর্যন্ত = আমরণ;
- দানের বিপরীত = প্রতিদান;
- জেলার সদৃশ = উপজেলা;
- বিঘ্নের অভাব = নির্বিঘ্ন;
- ঈষৎ নত = আনত;
- আমিষের অভাব = নিরামিষ;
- একটি লোক = লোকটি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৩৬.
অনুকার দ্বিত্বের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. চুপচাপ
  2. দামাদামি
  3. মোটামুটি
  4. দমাদম
সঠিক উত্তর:
দমাদম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দমাদম
ব্যাখ্যা
•  অনুকার দ্বিত্বের উদাহরণ নয়- দমাদম। 
- দমাদম ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের উদাহরণ। 

• কিছু ক্ষেত্রে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের মাঝখানে স্বরধ্বনির আগমন ঘটে।
যেমন-
খপাখপ, গবাগব, ঝটাঝট, ফটাফট, দমাদম, পটাপট।

------------------
•  অনুকার দ্বিত্ব:
পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়। এই অনুকরণ প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে ট, ফ, ব, ম, শ প্রভৃতি ধ্বনি যুক্ত থাকতে দেখা যায়। তাতে শব্দকে খানিকটা অনির্দিষ্ট, সাধারণ বা গুরুত্বহীন করা হয়। প্রকাশ পায় 'এই রকম একটা' ভাব।
যেমন-
অঙ্ক-টঙ্ক, আম-টাম, কেক-টেক, ঘর-টর, গরু-টরু, ছাগল-টাগল, ঝাল-টাল, হেন-তেন, লুচিফুচি, টাটু-ফাটু, আগড়ম-বাগড়ম, চাকর-বাকর, এলোমেলো, ঝিকিমিকি, কচর-মচর, ঝিলমিল, শেষ-মেষ, অল্পসল্প, বুদ্ধিশুদ্ধি, গুটিশুটি, মোটাসোটা, নরম-সরম, ব্যাপার-স্যাপার, বুঝে-সুঝে।

• অনুকার দ্বিত্বে অনেক সময়ে স্বরের পরিবর্তন ঘটে।
যেমন-
আড়াআড়ি, খোঁজাখুঁজি, ঘোরাঘুরি, চুপচাপ, ঠেকাঠেকি, তাড়াতাড়ি, দলাদলি, দামাদামি, পাকাপাকি, বাড়াবাড়ি, মোটামুটি, টুকরো-টাকরা, ধারধোর, জোগাড়-জাগাড়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
৩৭.
'অঝোর' শব্দের 'অ' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. অভাব
  2. নিন্দিত
  3. সাদৃশ্য
  4. ক্রমাগত
সঠিক উত্তর:
ক্রমাগত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রমাগত
ব্যাখ্যা
• 'অঝোর' শব্দের 'অ' উপসর্গটি — 'ক্রমাগত' অর্থে ব্যবহৃত।

• 'অ' উপসর্গ:
- নিন্দিত অর্থে: অকেজো, অপয়া।
- অভাব অর্থে: অচিন, অজানা, অথৈ।
- ক্রমাগত অর্থে: অঝোর, অঝোরে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৩৮.
"চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম চলবেই।" - এখানে 'পর্যন্ত' অনুসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ছাড়া
  2. প্রতীক্ষা
  3. তুলনা
  4. অবধি
সঠিক উত্তর:
অবধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবধি
ব্যাখ্যা
• "চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম চলবেই।" - এখানে 'পর্যন্ত' অনুসর্গটি 'অবধি' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
---------------------
• অনুসর্গ: 
- যেসব শব্দ কোনো শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সাথে সম্পর্কীত করে, সেসব শব্দকে অনুসর্গ বলে।
যেমন-
সে কাজ ছাড়া কিছুই বোঝে না।- এই বাক্যে 'ছাড়া' একটি অনুসর্গ।

• কয়েকটি অনুসর্গের উদাহরণ:
- প্রতি, বিনা, বিহনে, সহ, ওপর, অবধি, হেতু, মধ্যে, মাঝে, পরে, ভিন্ন, বই, ব্যতীত, জন্য, পর্যন্ত ইত্যাদি।

কিছু অনুসর্গের ব্যবহার:
• সীমার মাঝে অসীম তুমি। - 'মধ্যে' অর্থে অনুসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে। 
• এ ধন-সম্পদ তোমার জন্য। - 'নিমিত্তে' অর্থে অনুসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে।
• এ দেশের মাঝে একদিন সব ছিল। - এখানে 'মাঝে' অনুসর্গটি 'একদেশিক' অর্থে' ব্যবহৃত হয়েছে।
• আছ তুমি প্রভু, জগৎ মাঝারে। - 'মাঝারে' অনুসর্গটি 'ব্যাপ্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
• সীমার মাঝে অসীম তুমি। - এখানে 'মাঝে' অনুসর্গটি 'মধ্যে' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
• নিমেষ মাঝেই সব শেষ। - 'মাঝে' অনুসর্গটি 'ক্ষণকাল' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৩৯.
'ঘোষজায়া' কোন অর্থে স্ত্রীবাচক শব্দ?
  1. কন্যা অর্থে
  2. বৃহাদার্থে
  3. পত্নী অর্থে
  4. ক্ষুদ্র অর্থে
সঠিক উত্তর:
পত্নী অর্থে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পত্নী অর্থে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) পত্নী অর্থে।

ব্যাখ্যা:
‘ঘোষজায়া’ শব্দটি ‘ঘোষ’ বংশের বা ব্যক্তির পত্নীকে নির্দেশ করে, এবং ‘জায়া’ স্পষ্টভাবে ‘পত্নী’ বা ‘স্ত্রী’ অর্থে ব্যবহৃত হয়।

• ‘জায়া’ শব্দটি সংস্কৃত ও তৎসম শব্দ হিসেবে ‘পত্নী’ বা ‘স্ত্রী’ অর্থে ব্যবহৃত হয়। ‘ঘোষজায়া’ মানে ‘ঘোষ বংশের স্ত্রী’ বা ‘ঘোষের পত্নী’।

তাই এটি পত্নী অর্থে স্ত্রীবাচক শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৪০.
কোন বাক্যে উপাদানবাচক বিশেষণ ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. পাথুরে মূর্তি
  2. চালাক ছাত্র
  3. লাল ফুল
  4. ঠাণ্ডা পানি
সঠিক উত্তর:
পাথুরে মূর্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাথুরে মূর্তি
ব্যাখ্যা
• উপাদানবাচক বিশেষণ: 
যে বিশেষণ দিয়ে উপাদান নির্দেশ করে, তাকে উপাদানবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন,
- বেলে মাটি, পাথুরে মূর্তি – এখানে ‘বেলে’ ও ‘পাথুরে’ উপাদানবাচক বিশেষণ।

• গুণবাচক বিশেষণ: 
যে বিশেষণ দিয়ে গুণ বা বৈশিষ্ট্য বােঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন – ছেলেটি চালাক/ চালাক ছেলে, ঠান্ডা পানি – এখানে ‘চালাক’ ও ঠান্ডা হলাে গুণবাচক বিশেষণ।
এভাবেই,  'নিপুণ কারিগর' এ কারিগর এর গুণ 'নিপুণ' এর মাধ্যমে গুণবাচক বিশেষণ প্রকাশ পেয়েছে। 

• ভাববাচক বিশেষণ:
যেসব বিশেষণ বাক্যের অন্তর্গত অন্য বিশেষণকে বিশেষিত করে, সেসব বিশেষণকে ভাববাচক বিশেষণ বলে।
যেমন – “খুব ভালাে খবর’ ও ‘গাড়িটা বেশ জোরে চলছে’ – এসব বাক্যে খুব এবং বেশ ভাববাচক বিশেষণ।

• অবস্থাবাচক বিশেষণ:
যে বিশেষণ দিয়ে অবস্থা বােঝায়, তাকে অবস্থাবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন – চলন্ত ট্রেন, তরল পদার্থ – এখানে চলন্ত ও তরল অবস্থাবাচক বিশেষণ।

• রূপবাচক বিশেষণ:
- যে বিশেষণ দিয়ে রং নির্দেশ করা হয়, তাকে বর্ণবাচক বিশেষণ বলে।
 যেমন- নীল আকাশ, সবুজ মাঠ, লাল ফিতা – এখানে ‘নীল’, ‘সবুজ' বা 'লাল' হলো বর্ণবাচক বিশেষণ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
৪১.
'নিয়মিত করে হাসান লেখাপড়া।' - এ বাক্যের ভুলের ধরন কোনটি?
  1. আকাঙ্ক্ষার অভাব
  2. আসত্তির অভাব
  3. যোগ্যতার অভাব
  4. আসক্তির অভাব
সঠিক উত্তর:
আসত্তির অভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসত্তির অভাব
ব্যাখ্যা
• ‘নিয়মিত করে হাসান লেখাপড়া’- বাক্যটিতে আসত্তি গুণে অভাব রয়েছে। 
---------------------------
একটি আদর্শ বাক্যের জন্যে তিনটি গুণ থাকা থাকা জরুরি।
যথা:
• আকাঙ্ক্ষা:
বাক্যের অর্থ স্পষ্টকরণে এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা বা প্রয়াস তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে।
যেমন:
- ছেলেরা খেলে।
- কাজল নিয়মিত লেখাপড়া।

উপরের দু'টি বাক্যই অসম্পূর্ন অর্থাৎ বাক্যে আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হয়নি। বাক্যগুলো এভাবে পরিপূর্ণ করা যায়-
- ছেলেরা ফুটবল খেলে।
- কাজল নিয়মিত লেখাপড়া করে।

• আসত্তি:
বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষায় সুনির্দিষ্ট পদবিন্যাসই হল-আসত্তি।
- ‘নিয়মিত করে হাসান লেখাপড়া’।

উপরের বাক্যে পদ সন্নিবেশ ঠিকঠাক না হওয়ায় শব্দগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব প্রকাশ হয়নি। বাক্যটি এভাবে পরিপূর্ণ করা যায়-
- হাসান নিয়মিত লেখাপড়া করে। এখন বাক্যটি আসত্তিসম্পন্ন।

• যোগ্যতা:
বাক্যের অন্তর্গত পদসমূহের বিশ্বাসযোগ্য ভাবসম্মিলনের নাম হল যোগ্যতা।
- ‘বর্ষার রৌদ্র প্লাবনের সৃষ্টি করে’।

উপরের বাক্যটি ভাব প্রকাশে যোগ্যতা হারিয়েছে। কেননা রোদ কখনো প্লাবন সৃষ্টি করতে পারে না। তাই যোগ্যতাসম্পন্ন বাক্যটি-
‘বর্ষার বৃষ্টি প্লাবনের সৃষ্টি করে’।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড.সৌমিত্র শেখর।
৪২.
নিচের কোন শব্দটি ষ-ত্ব বিধান অনুসারে গঠিত?
  1. আষাঢ়
  2. কোষ
  3. ভাষণ
  4. বর্ষণ
সঠিক উত্তর:
বর্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ষণ
ব্যাখ্যা
• ষ-ত্ব বিধান এর নিয়মানুসারে,
তৎসম শব্দে 'র'-এর পর 'ষ' হয়। 
যেমন: বর্ষা, ঘর্ষণ, বর্ষণ

অন্যদিকে,
কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত হয়। যেমন- ষড়ঋতু, রোষ, কোষআষাঢ়ভাষণ, ঊষা, পৌষ ইত্যাদি।

• 'ষ' ব্যবহারের নিয়ম:
১. 'ঋ' এবং 'ঋ-কার' এর পর 'ষ' হয়। যেমন- ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট ইত্যাদি।

২. ট-বর্গীয় ধ্বনির সাথে 'ষ' যুক্ত হয়। যেমন কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি।

৩. অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের 'স' 'ষ' হয়। যেমন- ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।

৪. ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে 'ষ" হয়। যেমন- অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্ত > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ > অনুষঙ্গ, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি।

৫. তৎসম শব্দে 'র'-এর পর 'ষ' হয়। যেমন: বর্ষা, ঘর্ষণ, বর্ষণ

৬. কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত হয়। যেমন- ষড়ঋতু, রোষ, কোষআষাঢ়ভাষণ, ঊষা, পৌষ ইত্যাদি।

যে সব ক্ষেত্রে ষ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
- আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে স হয় না। যেমন- জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।
- সংস্কৃত 'সাৎ' প্রত্যয়যুক্ত পদেও 'ষ' হয় না। যেমন- অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
৪৩.
'ঢাকের কাঠি' কাকে বোঝায়?
  1. অপ্রয়োজনীয় জিনিস
  2. তোষামুদে ব্যক্তি
  3. নির্বোধ মানুষ
  4. বিরক্তিকর বিষয়
সঠিক উত্তর:
তোষামুদে ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তোষামুদে ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• "ঢাকের কাঠি" বাগধারাটির অর্থ তোষামুদে বা চাটুকার ব্যক্তি।
 বাক্যের উদাহরণ: "সে একটা ঢাকের কাঠি, বসের সামনে গেলেই তোষামোদ শুরু করে।"

উল্লেখ্য, 
• 'ঢাকের বাঁয়া' অর্থ - অপ্রয়োজনীয়।
• 'নারদের ঢেঁকি' অর্থ - বিবাদের বিষয়।
• 'ঢেঁকি অবতার' অর্থ - নির্বোধ লোক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৪৪.
'অবশেষে আমি ইংরেজি পড়া শেষ করেছি।' - বাক্যটি ক্রিয়ার কোন কাল নির্দেশ করছে?
  1. সাধারণ বর্তমান
  2. ঘটমান বর্তমান
  3. পুরাঘটিত বর্তমান
  4. বর্তমান অনুজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত বর্তমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত বর্তমান
ব্যাখ্যা
• পুরাঘটিত বর্তমান:
যে ক্রিয়া কিছু আগে শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল এখনো রয়েছে, তাকে পুরাঘটিত বর্তমান কাল বলে।
যেমন:
- এখন বাবা অফিস থেকে ফিরেছেন।
- এবার মা খেতে ডেকেছেন।
- অবশেষে আমি ইংরেজি পড়া শেষ করেছি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
৪৫.
'সাদৃশ্যতা' শব্দটি কোন কারণে অশুদ্ধ?
  1. উপসর্গজনিত
  2. বানানজনিত
  3. প্রত্যয়জনিত
  4. অশুদ্ধ নয়
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়জনিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়জনিত
ব্যাখ্যা
• 'সাদৃশ্যতা'- প্রত্যয়জনিত অপপ্রয়োগের উদাহরণ।
-এর শুদ্ধ প্রয়োগ হবে: 'সাদৃশ্য'। 

 তা- প্রত্যয়ের শুদ্ধ- অশুদ্ধ প্রয়োগ: 
- তা, ত্ব প্রত্যয় বিশেষ্যবাচক প্রত্যয়। 
- এই প্রত্যয় কেবল বিশেষণকে বিশেষ্য করে 
- তাই বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে তা বা ত্ব প্রত্যয় প্রয়োগ অশুদ্ধ।
- বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে বিশেষ্যবাচক 'তা' প্রত্যয়ের ব্যবহার হলে তা অপপ্রয়োগ।

 এ ধরনের অপপ্রয়োগের উদাহরণ: 
সৌহার্দতা, সাদৃশ্যতা, সৌজন্যতা, কার্পণ্যতা, উৎকর্ষতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
৪৬.
"ঋণের বোঝা ভারী হয়ে উঠছে।" - এখানে 'উঠ্‌' ধাতু কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. অভ্যাস অর্থে
  2. ক্রমান্বয়তা বোঝাতে
  3. আকস্মিকতা অর্থে
  4. সম্ভাবনা অর্থে
সঠিক উত্তর:
ক্রমান্বয়তা বোঝাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রমান্বয়তা বোঝাতে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ক্রমান্বয়তা বোঝাতে।

• ‘উঠ্‌’ ধাতুর অর্থ:
‘উঠ্‌’ ধাতুটি এখানে ‘হয়ে উঠছে’ রূপে একটি ক্রমান্বয়ী বা ধীরে ধীরে ঘটমান প্রক্রিয়া বোঝাচ্ছে। এটি কোনো অবস্থার দিকে ধীরে ধীরে অগ্রসর হওয়া বা ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়ার অর্থ প্রকাশ করে। এই ক্ষেত্রে, ঋণের বোঝা ক্রমশ ভারী হচ্ছে, যা একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।

"উঠ্‌" ধাতুর বিভিন্ন ব্যবহার:
• অভ্যাস অর্থে - শুধু শুধু তিনি রেগে উঠেন।
• আকস্মিকতা অর্থে - সে হঠাৎ চেঁচিয়ে উঠল।
• সম্ভাবনা অর্থে - আমার আর থাকা হয়ে উঠল না।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ সংস্করণ)। 
৪৭.
'প্রধান শিক্ষক কর্তৃক জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হয়েছে' - কর্মবাচ্যের বাক্যটির কর্তাবাচ্যের রূপ কোনটি?
  1. প্রধান শিক্ষক জাতীয় পতাকা উত্তলন করেছেন।
  2. প্রধান শিক্ষক কর্তৃক জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল।
  3. প্রধান শিক্ষক জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন।
  4. প্রধান শিক্ষক দ্বারা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
সঠিক উত্তর:
প্রধান শিক্ষক জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান শিক্ষক জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন।
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত প্রশ্নের কর্মবাচ্যের বাক্যটির কর্তাবাচ্যের রূপ হচ্ছে - প্রধান শিক্ষক জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন।

• কর্মবাচ্য থেকে কর্তাবাচ্য:
- কর্মবাচ্যের বাক্যকে কর্তাবাচ্যে রূপান্তরিত করতে হলে কর্তার সঙ্গে যুক্ত দ্বারা, দিয়ে, কর্তৃক প্রভৃতি অনুসর্গ বাদ দিতে হয় এবং ক্রিয়াকে কর্তার অনুসারী করতে হয়। যেমন:
কর্মবাচ্য: প্রধান শিক্ষক কর্তৃক জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হয়েছে।
কর্তাবাচ্য: প্রধান শিক্ষক জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন।

কর্মবাচ্য: আমাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হয়।
কর্তাবাচ্য: আমরা কঠোর পরিশ্রম করি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৪৮.
নিচের কোন প্রবাদের অর্থ 'অক্ষমের অযথা উচ্চাকাঙ্ক্ষা'?
  1. ঠক বাছতে গাঁ উজাড়
  2. ধর্মের কল বাতাসে নাড়ে
  3. গরিবের ঘোড়া রোগ
  4. লঘু পাপে গুরু দণ্ড
সঠিক উত্তর:
গরিবের ঘোড়া রোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গরিবের ঘোড়া রোগ
ব্যাখ্যা
• 'গরিবের ঘোড়া রোগ' প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ = অক্ষমের অযথা উচ্চাকাঙ্ক্ষা/ অক্ষমের অতিরিক্ত প্রত্যাশা। 

• আরো গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রবাদ- প্রবচন: 
- 'ধর্মের কল বাতাসে নাড়ে’ প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ = গোপন অন্যায়ের আকস্মিক প্রকাশ। 
- 'লঘু পাপে গুরু দণ্ড' প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ = অপরাধের তুলনায় অধিক সাজা।  
- 'ঠক বাছতে গাঁ উজাড়' - প্রবাদটির অর্থ হলো- 'ভালো মানুষের অভাব'।  

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর। 
৪৯.
নিচের কোনটি 'গ্রীষ্ম' এর সঠিক উচ্চারণ?
  1. গ্রিশ্‌মো
  2. গ্রিষশোঁ
  3. গ্রিসশো
  4. গ্রিশ্‌শোঁ
সঠিক উত্তর:
গ্রিশ্‌শোঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিশ্‌শোঁ
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'গ্রীষ্ম' এর সঠিক উচ্চারণ- 'গ্রিশ্‌শোঁ'।

• 'গ্রীষ্ম' বলতে বোঝায়- ঋতুবিশেষ, গরমকাল। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
৫০.
কোনটি ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ?
  1. দ্বাদশ
  2. পহেলা
  3. তেহাই
  4. তিন
সঠিক উত্তর:
তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন
ব্যাখ্যা
• ক্রমবাচক সংখ্যা: 
একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলোকে ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
যেমন: এক(১), দুই(২), তিন(৩), ছয়(৬), সাত (৭) ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- পহেলা - তারিখ পূরণবাচক শব্দ।
- তেহাই - ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ।
- দ্বাদশ - সাধারণ পূরণবাচক শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৫১.
'শনশন' কী ধরনের দ্বিরুক্ত শব্দ?
  1. পদের দ্বিরুক্তি
  2. অনুকার দ্বিরুক্তি
  3. শব্দের দ্বিরুক্তি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দ্বিরুক্ত শব্দ:
যা দুইবার বলা হয়েছে এমন শব্দকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। ‘দ্বি+উক্ত' = দ্বিরুক্ত।

দ্বিরুক্ত শব্দ তিন প্রকার।
যথা:
- শব্দের দ্বিরুক্তি (রোজ রোজ, কেউ কেউ)।
- পদের দ্বিরুক্তি ( হেসে হেসে, চোরে চোরে)।
- ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি (শন শন, খিল খিল)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫২.
কোনটি চলিত রীতির শব্দ?
  1. নাই
  2. দিয়ে
  3. সেই
  4. তাহাকে
সঠিক উত্তর:
দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিয়ে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর- খ) দিয়ে।

ব্যাখ্যা:
চলিত রীতি হলো আধুনিক বাংলা ভাষার স্বাভাবিক কথ্য রূপ যা সাধারণত লেখায় ব্যবহৃত হয়।

"দিয়ে" - চলিত রীতির শব্দ:
- এটি আধুনিক বাংলায় স্বাভাবিকভাবে ব্যবহৃত হয়
- সাধু রীতিতে এর রূপ "দিয়া"।

অন্যান্য অপশনগুলো:
ক) নাই - এটি সাধু রীতির শব্দ।
চলিত রীতিতে: "নেই"।

গ) সেই - এটি সাধু রীতির শব্দ।
- চলিত রীতিতে: "সে"।

ঘ) তাহাকে - এটি সাধু রীতির শব্দ।
- চলিত রীতিতে: "তাকে"।

অর্থ্যাৎ,
সাধু রীতি: তাহাকে, সেই, দিয়া
চলিত রীতি: তাকে, সে, দিয়ে।

সুতরাং "দিয়ে" শব্দটি চলিত রীতির প্রমিত শব্দ।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৫৩.
কোনটি সঠিক নয়?
  1. শিক্ষকবৃন্দ
  2. সুধীবৃন্দ
  3. পর্বতকুল
  4. মনুষ্যসমূহ
সঠিক উত্তর:
পর্বতকুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্বতকুল
ব্যাখ্যা
• 'পর্বতকুল' - বচনবোধক শব্দটি সঠিক নয়। এর সঠিক রূপ- পর্বতসকল; পর্বতমালা।

• উন্নত প্রাণিবাচক মনুষ্য শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ গুলো হলো:
যেমন:
গণ - দেবগন, নরগণ, জনগণ ইত্যাদি।
বৃন্দ - সুধীবৃন্দ, ভক্তবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ ইত্যাদি।
মণ্ডলী - শিক্ষকমণ্ডলী, সম্পাদকমণ্ডলী ইত্যাদি।
বর্গ - পণ্ডিতবর্গ, মন্ত্রীবর্গ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক শব্দে বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ:
যেমন:
কুল - কবিকুল, পক্ষিকুল, মাতৃকুল, বৃক্ষকুল ইত্যাদি।
সকল - পর্বতসকল, মনুষ্যসকল ইত্যাদি।
সব - ভাইসব, পাখিসব ইত্যাদি।
সমূহ - বৃক্ষসমূহ, মনুষ্যসমূহ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।
৫৪.
কোনটি বাংলা ধাতু?
  1. খাদ্
  2. কাট্
  3. হস্
  4. পঠ্‌
সঠিক উত্তর:
কাট্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাট্
ব্যাখ্যা
• 'কাট্' - বাংলা ধাতুর উদাহরণ।

অন্যদিকে,
- খাদ্; পঠ্‌, হস্ সংস্কৃত ধাতু। 
---------------------- 
• মৌলিক ধাতু:
- যেসকল ধাতুকে বিশ্লেষণ করা যায় না, সেগুলোই মৌলিক ধাতু। এগুলোকে সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতুও বলা হয়।
যেমন- চল্‌, পড়্‌, কর্‌ ইত্যাদি।

মৌলিক ধাতু আবার ৩ প্রকার। যথা-
ক) বাংলা ধাতু,
খ) সংস্কৃত ধাতু ও
গ) বিদেশি ধাতু।

• বাংলা ধাতু:
- যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসে নি, সেগুলোকে বাংলা ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলে।
যেমন- কাদ্, কাট্, নাচ্, আক্ কহ্, কর্ ইত্যাদি।

• সংস্কৃত মূল ধাতু:
- যে সব ক্রিয়াপদের মূল সংস্কৃত ভাষা থেকে এসে বাংলাভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব ধাতুকে বলা হয় সংস্কৃত মূল ধাতু। এসব ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়া বিশেষ্য বাক্রিয়া বিশেষণ গঠিত হয়।
যেমন:
অঙ্ক, কথ্, কৃৎ, খাদ্, হস্, পঠ্‌, দৃশ্ ইত্যাদি।

• বিদেশি ধাতু:
- তৎসম ও বাংলা ধাতু ছাড়া যেসব ধাতু বিদেশি ভাষা থেকে এসে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব ধাতুকে বলা হয় বিদেশি ধাতু। 
যেমন:
আঁট, খাট্, চেঁচ্, ঝুল্ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৫৫.
নিচের কোনগুলো 'বলক' এর উদাহরণ?
  1. রা, এরা
  2. টি, টুকু
  3. গুলো, গোটা
  4. ই, ও
সঠিক উত্তর:
ই, ও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ই, ও
ব্যাখ্যা
• বলক:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালাে হয়, সেগুলােকে বলক বলে।
যেমন - 
'তখনই' বা ‘এখনও' পদের 'ই' বা ‘ও’ হলাে বলকের উদাহরণ।

অন্যদিকে,
রা, এরা  - বচন এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
টি, টুকু - পদাশ্রিত নির্দেশক এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
গুলো, গোটা - পদাশ্রিত নির্দেশক এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
৫৬.
নিচের কোনটি 'বিশেষ্য' পদ?
  1. উজ্জ্বল
  2. সুন্দর
  3. পীড়িত
  4. সুপথ
সঠিক উত্তর:
সুপথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপথ
ব্যাখ্যা
• 'সুপথ':
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
এর অর্থ:
- উত্তম পথ; সদুপায়।

অন্যদিকে,
• 'উজ্জ্বল':
- এটি বিশেষণ পদ।
এর অর্থ:
- আলোকিত, দীপ্তিমান, উদ্ভাসিত ইত্যাদি।

• 'সুন্দর':
- এটি বিশেষণ পদ।
এর অর্থ:
- সুশ্রী;, সুদর্শন।

• 'পীড়িত':
- এটি বিশেষণ পদ।
এর অর্থ:
- রোগগ্রস্থ, ,অসুস্থ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৫৭.
'যেহেতু সে নিরপরাধ, সেহেতু সে মুক্তি পাবে।'- বাক্যটির যৌগিক রূপ কোনটি?
  1. নিরপরাধ বলেই, সে মুক্তি পাবে। 
  2. সে নিরপরাধ এবং তাই মুক্তি পাবে। 
  3. সে নিরপরাধ, অতএব সে মুক্তি পাবে।
  4. সে নিরপরাধ সেহেতু সে মুক্তি পাবে।
সঠিক উত্তর:
সে নিরপরাধ, অতএব সে মুক্তি পাবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সে নিরপরাধ, অতএব সে মুক্তি পাবে।
ব্যাখ্যা
• জটিল বাক্য থেকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর:
সূত্র ক : আশ্রিত খণ্ড বাক্যগুলোকে নিরপেক্ষ খণ্ড বাক্যে পরিণত করতে হবে।
সূত্র খ: জটিল বা মিশ্র বাক্যের উপযোগী শব্দ প্রয়োগের মাধ্যমে সবকটি খণ্ডবাক্যের সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।
সূত্র গ: সাপেক্ষবাচক সর্বনাম বর্জন করে যোজক পদ ব্যবহারের মাধ্যমে স্বাধীন বাক্যগুলোকে যুক্ত করতে হবে।

যেমন:
• জটিল বাক্য: যেহেতু সে নিরপরাধ, সেহেতু সে মুক্তি পাবে। 
• যৌগিক বাক্য: সে নিরপরাধ, অতএব সে মুক্তি পাবে। 

• জটিল বাক্য: যখন বিপদ আসে, তখন দুঃখও আসে।
• যৌগিক বাক্য: বিপদ ও দুঃখ একসঙ্গে আসে ।

• জটিল: যদি পরিশ্রম কর, তাহলে ফল পাবে।
• যৌগিক: পরিশ্রম কর, তবে ফল পাবে।

• জটিল: যে রক্ষক সেই ভক্ষক।
• যৌগিক: সেই রক্ষক, অথচ সেই ভক্ষক।

• জটিল: যদি সাফল্য চাও তাহলে পরিশ্রম কর।
• যৌগিক: পরিশ্রম কর এবং সাফল্য লাভ কর।

• জটিল: যদিও তিনি দরিদ্র তথাপি সৎ।
• যৌগিক: তিনি দরিদ্র, কিন্তু সৎ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৫৮.
কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
  1. বিপদগ্রস্থকে সাহায্য কর।
  2. পরােপকার মনুষ্যত্বের পরিচায়ক।
  3. ভাত ছড়ালে কাকের অভাব হয় না।
  4. এ কথা প্রমাণিত হয়েছি।
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
'বিপদগ্রস্থকে সাহায্য কর।' বাক্যটি অশুদ্ধ। এর শুদ্ধরূপ হবে- বিপদগ্রস্তকে সাহায্য কর।
-  এখানে 'বানানজনিত ভুল' ছিলো।
এ কথা প্রমাণিত হয়েছি। - অশুদ্ধ বাক্য। এর শুদ্ধরূপ - এ কথা প্রমাণিত হয়েছে।
প্রশ্নের অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- পরােপকার মনুষ্যত্বের পরিচায়ক।
- ভাত ছড়ালে কাকের অভাব হয় না।
- এ কথা প্রমাণিত হয়েছে।
এই বাক্যগুলো শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫৯.
'গম্ভীর ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ কী?
  1. কূজন
  2. মন্দ্র
  3. ঝংকার
  4. গুঞ্জন
সঠিক উত্তর:
মন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্দ্র
ব্যাখ্যা
• 'গম্ভীর ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ - মন্দ্র।

 তাছাড়া, 
- ‘পাখির ডাক’ এক কথায় প্রকাশ - কূজন।
- 'বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি' এর এক কথায় প্রকাশ - ঝংকার।
- 'ভ্রমরের শব্দ' এর এক কথায় প্রকাশ: 'গুঞ্জন'। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৬০.
বিভক্তিযুক্ত শব্দ কোনটি?
  1. কলম
  2. দুধ
  3. আকাশ
  4. ঘরে
সঠিক উত্তর:
ঘরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘরে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর- ঘ) ঘরে।

• 'এ’ – সপ্তমী বিভক্তি।
অর্থ্যাৎ: ঘর + এ = ঘরে (বিচক্তযুক্ত শব্দ)। 

বিভক্তি
বিভক্তি হলো শব্দের সাথে যুক্ত অতিরিক্ত অংশ যা ব্যাকরণিক সম্পর্ক প্রকাশ করে।

"ঘরে" = ঘর + এ
"ঘর" = মূল শব্দ (প্রাতিপদিক);
"এ" = বিভক্তি (অধিকরণ কারকের বিভক্তি);

অন্যান্য অপশনগুলো:
ক) কলম - এটি বিভক্তিহীন শব্দ (প্রাতিপদিক)।
খ) দুধ - এটি বিভক্তিহীন শব্দ (প্রাতিপদিক)।
গ) আকাশ - এটি বিভক্তিহীন শব্দ (প্রাতিপদিক)।

বিভক্তিযুক্ত শব্দের উদাহরণ:
ঘর + এ = ঘরে;
বই + তে = বইতে;
ছেলে + র = ছেলের;
মা + কে = মাকে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং অভিগম্য অভিধান।
৬১.
'কাজ' শব্দটির তৎসম রূপ -
  1. কাজ
  2. কজ্জ
  3. কার্য
  4. কর্য
সঠিক উত্তর:
কার্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্য
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) কার্য।

ব্যাখ্যা:
‘কাজ’ শব্দটির তৎসম রূপ হলো ‘কার্য’।
‘কাজ’ হলো এই তৎসম শব্দের তদ্ভব রূপ।

অর্থ্যাৎ, 
{(তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ) কার্য> (প্রাকৃত) কজ্জ> (বাংলা) কাজ}

উৎস: অভিগম্য অভিধান, বাংলা একাডেমি।