পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়26 minutes
মোট প্রশ্ন৪৮
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 13” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - সাবজেক্ট ফাইনাল ও রিভিশন [রাউন্ড ⎯ ২] বিষয়ের নাম: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পূর্ণ [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৮ প্রশ্ন

.
(4D)16 = (?)10
  1. 62
  2. 65
  3. 70
  4. 77
সঠিক উত্তর:
77
উত্তর
সঠিক উত্তর:
77
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল 4D এর সমতুল্য দশমিক মান 77 হবে।

• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর: 
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে। 
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16 এর ঘাত 0 হতে বাড়তে থাকবে। 
যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে। 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A, B, C, D, E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে। 
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে। 

এখানে, 
(4D)16
= 13 × 160 + 4 × 161
= 13 × 1 + 4 × 16
= 13 + 64
= 77
সুতরাং, (4D)16 = (77)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
IPv4-এর প্রথম কোয়াড্রেন্টের মান যদি ১৯২ থেকে ২২৩ এর মধ্যে হয়, তাহলে এটি কোন ক্লাসের IP হবে?
  1. Class A
  2. Class B
  3. Class C
  4. Class D
সঠিক উত্তর:
Class C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Class C
ব্যাখ্যা
যদি IPv4-এর প্রথম কোয়াড্রেন্টের মান ১৯২ থেকে ২২৩ এর মধ্যে হয়, তাহলে এটি Class C IP অ্যাড্রেস হবে। IPv4 অ্যাড্রেস চারটি কোয়াড্রেন্ট বা অংশে বিভক্ত থাকে, প্রতিটি ০ থেকে ২৫৫ পর্যন্ত মান ধারণ করতে পারে। IP অ্যাড্রেসগুলোকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয় - A, B, C, D এবং E। এর মধ্যে Class C সাধারণত ছোট ও মাঝারি আকারের নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়। Class C IP অ্যাড্রেসের প্রথম কোয়াড্রেন্ট বা অষ্টক (octet) ১৯২ থেকে শুরু হয়ে ২২৩ পর্যন্ত থাকে, যেমন ১৯২.১৬৮.০.১। এই ক্লাসে নেটওয়ার্ক আইডি তিনটি অংশ পর্যন্ত থাকে এবং শেষ অংশটি হোস্ট আইডি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অতএব, সঠিক উত্তর হচ্ছে: গ) Class C.

• আইপি অ্যাড্রেস (IP Address):
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রতিটি ডিভাইসকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত একটি একক শনাক্তকারী নম্বর।
- আইপি অ্যাড্রেস দুই ধরনের হয়: IPv4 (Internet Protocol version 4) এবং IPv6 (Internet Protocol version 6)।
- IPv4 আইপি অ্যাড্রেস ৩২-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত এবং এটি চারটি ৮-বিট অংশে বিভক্ত, প্রতিটি অংশের মান ০ থেকে ২৫৫ এর মধ্যে থাকে (যেমন: 192.168.1.1)

- IPv4 এর রেঞ্জ এর উপর ভিত্তি করে IP address গুলোকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Class A: প্রথম ৮ বিটের মান ০ - ১২৭ পর্যন্ত।
2. Class B: প্রথম ৮ বিটের মান ১২৮ - ১৯১ পর্যন্ত।
3. Class C: প্রথম ৮ বিটের মান ১৯২ - ২২৩ পর্যন্ত।
4. Class D: প্রথম ৮ বিটের মান ২২৪ - ২৩৯ পর্যন্ত।
5. Class E: প্রথম ৮ বিটের মান ২৪০ - ২৫৫ পর্যন্ত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মুজিবুর রহমান স্যার, ব্রিটানিকা।
.
টাকা জমা এবং উত্তোলনের কাজ একই সময়ে কোন মেশিনে করা যায়?
  1. এটিএম
  2. চেক স্ক্যানার
  3. কয়েন সর্টার
  4. সিআরএম
সঠিক উত্তর:
সিআরএম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিআরএম
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: ঘ) সিআরএম।

সিআরএম বা Cash Recycling Machine এমন একটি আধুনিক ব্যাংকিং যন্ত্র, যা একইসাথে টাকা জমা ও উত্তোলনের সুবিধা প্রদান করে। এটি মূলত এটিএম-এর উন্নত সংস্করণ, যেখানে ব্যবহারকারী টাকা জমা দিলে তা যাচাই করে গৃহীত অর্থ ভবিষ্যতে অন্য গ্রাহকদের উত্তোলনের জন্য রিসাইকেল বা পুনর্ব্যবহার করে। ফলে ব্যাংকের নগদ পরিচালনা খরচ কমে যায় এবং গ্রাহকরা ২৪ ঘণ্টা এই যন্ত্রের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন সেবা পেয়ে থাকেন। সিআরএম-এ জমাকৃত নোটগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে গণনা, যাচাই এবং সংরক্ষণ করা হয়। এটি নিরাপদ, সময় সাশ্রয়ী এবং ব্যবহারবান্ধব হওয়ায় বর্তমানে অনেক ব্যাংক সিআরএম স্থাপন করছে।

• CRM:
- CRM এর পূর্ণরূপ Cash Recycling Machines.
- CRM এর মাধ্যমে দিন ও রাত ২৪ ঘন্টা টাকা জমা ও উত্তোলন করা যায়।
- ক্যাশ রিসাইক্লিং মেশিন এমন একটি উন্নত ব্যাংকিং ডিভাইস, যা একই সাথে টাকা জমা এবং উত্তোলন করার সুবিধা দেয়।
- এটি এটিএম-এর মতো কাজ করে, তবে অতিরিক্তভাবে টাকা গ্রহণ করে এবং পুনরায় সরবরাহ করতে পারে, তাই এটিই সঠিক উত্তর।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
কোন সফটওয়্যারটি ব্রাউজিং সম্পর্কিত নয়?
  1. Mozilla Firefox
  2. Google Chrome
  3. FileZilla
  4. Safari
সঠিক উত্তর:
FileZilla
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FileZilla
ব্যাখ্যা
• উক্ত প্রশ্নে যেসব সফটওয়্যার দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে Mozilla Firefox, Google Chrome এবং Safari - এই তিনটি হলো ওয়েব ব্রাউজার, যেগুলো দিয়ে ইন্টারনেট ব্রাউজিং করা হয়। এগুলো ব্যবহার করে ওয়েবসাইট দেখা, তথ্য খোঁজা, ভিডিও দেখা, ইমেইল চেক করাসহ নানান অনলাইন কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়। অন্যদিকে, FileZilla একটি FTP (File Transfer Protocol) ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার, যা মূলত সার্ভার ও লোকাল কম্পিউটারে ফাইল আপলোড বা ডাউনলোড করার কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি ইন্টারনেট ব্যবহার করলেও এটি ব্রাউজিংয়ের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয় না। তাই সঠিক উত্তর গ) FileZilla, কারণ এটি ব্রাউজিং সম্পর্কিত নয়।

• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- যেমন - ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।

• কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম হলো -
- Google Chrome,
- Mozilla Firefox,
- Safari,
- Opera,
- Microsoft Edge,
- Maxthon,
- Brave,
- UC Browser.

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
মাইক্রোসফটের ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্মের নাম কী?
  1. মাইক্রোসফট ওয়েব সার্ভিসেস
  2. মাইক্রোসফট ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম
  3. মাইক্রোসফট অ্যাজুর
  4. মাইক্রোসফট ক্লাউড
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোসফট অ্যাজুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোসফট অ্যাজুর
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোসফটের ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্মের নাম মাইক্রোসফট অ্যাজুর (Microsoft Azure)। এটি একটি শক্তিশালী এবং বহুমাত্রিক ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন ধরণের ক্লাউড-ভিত্তিক সেবা প্রদান করে, যেমন ভার্চুয়াল মেশিন, ডেটাবেজ, অ্যাপ্লিকেশন হোস্টিং, এআই এবং মেশিন লার্নিং পরিষেবা। অ্যাজুর ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের তথ্য ও অ্যাপ্লিকেশন ক্লাউডে সংরক্ষণ করতে পারে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্কেল করতে পারে। এটি Public, Private ও Hybrid- তিন ধরনের ক্লাউড পরিবেশই সমর্থন করে। নিরাপত্তা, নির্ভরযোগ্যতা ও বিশ্বব্যাপী ডেটা সেন্টারের সুবিধার জন্য অ্যাজুর বর্তমানে অন্যতম জনপ্রিয় ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত।

• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.

- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫। 
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS.
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা (তথ্য: জুলাই, ২০২৫ পর্যন্ত)।

• কিছু বিখ্যাত ক্লাউড প্লাটফর্মের উদাহরণ:
- Amazon Web Services (AWS) – Parent Company: Amazon,
- Microsoft Azure – Parent Company: Microsoft,
- Google Cloud Platform (GCP) – Parent Company: Google,
- IBM Cloud – Parent Company: IBM,

- Oracle Cloud – Parent Company: Oracle,
- Salesforce – Parent Company: Salesforce,
- Alibaba Cloud – Parent Company: Alibaba Group,

- DigitalOcean – Parent Company: DigitalOcean,
- VMware Cloud – Parent Company: VMware,
- Huawei Cloud – Parent Company: Huawei.

উৎস: মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
EDSAC- এ কোন ধরনের মেমোরি ব্যবহার করা হত?
  1. ভ্যাকুয়াম টিউব মেমোরি
  2. ড্রাম মেমোরি
  3. ম্যাগনেটিক কোর মেমোরি
  4. মারকুরি ডিলে লাইন মেমোরি
সঠিক উত্তর:
মারকুরি ডিলে লাইন মেমোরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারকুরি ডিলে লাইন মেমোরি
ব্যাখ্যা
• EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calculator) ছিল একটি প্রাথমিক যুগের কম্পিউটার, যা ১৯৪৯ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু করা হয়। এতে মারকুরি ডিলে লাইন মেমোরি ব্যবহার করা হত। এই মেমোরি ছিল এক ধরনের সিরিয়াল অ্যাক্সেস মেমোরি, যেখানে তথ্যকে শব্দ আকারে ধ্বনিতরঙ্গের মাধ্যমে একটি তরল মাধ্যম- মারকুরি দিয়ে সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার করা হত। প্রতিটি ডিলে লাইন তথ্যকে সংরক্ষণ করে রাখত নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত, এবং সময়মতো তা পুনরায় রিফ্রেশ করত। যদিও এই পদ্ধতিটি ধীরগতির ছিল, তবে সে সময়ের জন্য এটি একটি কার্যকর সমাধান ছিল। এটি EDSAC-এর প্রধান মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হত।

• EDSAC:
- EDSAC -এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Electronic Delay Storage Automatic Calculator।
- ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক Maurice Wilkes এর নেতৃত্বে ১৯৪৭ সালে EDSAC কম্পিউটারটির নির্মাণ শুরু হয়।
- ১৯৪৯ সালে এতে প্রথম প্রোগ্রাম run করে।
- ইনপুট যন্ত্র হিসাবে punched tape ব্যবহৃত হতো।
- এই কম্পিউটারের মেমরি হিসাবে Mercury Delay Line tubes ব্যবহৃত হতো।
- EDSAC একটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
পাওয়ার অফ করলে কোন ধরনের মেমোরির ডেটা মুছে যায়?
  1. ফ্ল্যাশ মেমোরি
  2. হার্ড ড্রাইভ
  3. রম
  4. র‍্যাম
সঠিক উত্তর:
র‍্যাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যাম
ব্যাখ্যা
• পাওয়ার বন্ধ করলে র‍্যাম (RAM) এর ডেটা মুছে যায়। র‍্যাম একটি ভোলাটাইল (volatile) মেমোরি, যার মানে হলো এতে সংরক্ষিত তথ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকা অবস্থায় থাকে, কিন্তু পাওয়ার বন্ধ হলেই সমস্ত তথ্য মুছে যায়। এটি সাধারণত কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে এবং চলমান প্রোগ্রাম ও প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহার হয়। অন্যদিকে, ফ্ল্যাশ মেমোরি, হার্ড ড্রাইভ ও রম (ROM) হলো নন-ভোলাটাইল (non-volatile) মেমোরি, অর্থাৎ এদের ডেটা পাওয়ার অফ করলেও মুছে যায় না। সুতরাং সঠিক উত্তর হচ্ছে: ঘ) র‍্যাম।

• RAM: 
- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. 
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়। 
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি। 
- কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে। 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে। 
- এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়। 

• ROM: 
- এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার) এর স্টোরেজ সিস্টেম। 
- এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়। 
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি। 
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
২০১১ সালে Skype কে কোন প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণ করেছিল?
  1. Microsoft
  2. Facebook
  3. Apple
  4. Google
সঠিক উত্তর:
Microsoft
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microsoft
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: ক) Microsoft

২০১১ সালে প্রযুক্তি জগতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে, যখন Microsoft জনপ্রিয় ভিডিও ও ভয়েস কলিং সার্ভিস Skype কে অধিগ্রহণ করে। এই অধিগ্রহণের মূল্য ছিল প্রায় ৮.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ছিল সে সময়ে Microsoft-এর সবচেয়ে বড় কেনাকাটার একটি। এই চুক্তির মাধ্যমে Microsoft চেয়েছিল তাদের যোগাযোগ এবং ব্যবসায়িক সেবাগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে, বিশেষ করে Windows ও Office প্ল্যাটফর্মে Skype সংযুক্ত করে। এই পদক্ষেপটি তাদের Google ও Apple-এর মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার কৌশলের একটি অংশ ছিল। অধিগ্রহণের পর, Skype ধীরে ধীরে MSN Messenger-এর জায়গা নেয় এবং Microsoft Teams ও Outlook-এর সাথেও সংযুক্ত হয়।

• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়‍্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (জুলাই, ২০২৫ পর্যন্ত)।
- ২০০৫ সালে ইবে (eBay) স্কাইপ অধিগ্রহণ করে। এরপর ২০১১ সালে মাইক্রোসফট ৮.৫ বিলিয়ন ডলারে স্কাইপ কিনে নেয়, যা তাদের জন্য একটি বড় ধরনের বিনিয়োগ ছিল। সেই সময় স্কাইপকে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে একীভূত করা হয়।
- বর্তমানে (মে, ২০২৫ থেকে) Skype এর কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

উৎস: Microsoft এর ওয়েবসাইট।
.
CDMA কীভাবে ব্যবহারকারীদের মধ্যে ইন্টারফেরেন্স নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ট্রান্সমিশন পাওয়ার কমিয়ে
  2. ফ্রিকোয়েন্সি হপিং ব্যবহার করে
  3. ক্রস-টক কমানোর জন্য অর্থোগোনাল কোড ব্যবহার করে
  4. পৃথক চ্যানেল বরাদ্দ করে
সঠিক উত্তর:
ক্রস-টক কমানোর জন্য অর্থোগোনাল কোড ব্যবহার করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রস-টক কমানোর জন্য অর্থোগোনাল কোড ব্যবহার করে
ব্যাখ্যা
• CDMA (Code Division Multiple Access) প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের মধ্যে ইন্টারফেরেন্স নিয়ন্ত্রণ করতে অর্থোগোনাল কোড ব্যবহার করে। প্রতিটি ব্যবহারকারীর ডেটা একটি বিশেষ কোডের মাধ্যমে এনকোড করা হয়, যা অন্যদের কোড থেকে আলাদা এবং স্বতন্ত্র। এই কোডগুলো একে অপরের থেকে অর্থোগোনাল হওয়ার কারণে, একসাথে একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে ট্রান্সমিট হওয়া সত্ত্বেও সিগন্যালগুলো পারস্পরিক হস্তক্ষেপ কম হয়। ফলে, একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে একই ফ্রিকোয়েন্সিতে যোগাযোগ করতে পারে, কিন্তু তাদের ডেটা একে অপরের সাথে মিশে যায় না। এই পদ্ধতিতে ক্রস-টক বা ইন্টারফেরেন্স অনেক কমে আসে, যা CDMA প্রযুক্তিকে অধিক দক্ষ এবং নির্ভরযোগ্য করে তোলে। তাই, CDMA ব্যবহারকারীদের মধ্যে ইন্টারফেরেন্স নিয়ন্ত্রণে অর্থোগোনাল কোড ব্যবহারের উপর নির্ভরশীল।
- সঠিক উত্তর - ক্রস-টক কমানোর জন্য অর্থোগোনাল কোড ব্যবহার করে।

• CDMA:
- কোয়ালকম (Qualcom) আবিষ্কৃত সিডিএমএ (CDMA) হলো একটি এডভান্সড ডিজিটাল ওয়্যারল্যাস প্রযুক্তি।
- CDMA এর পূর্ণরূপ Code Division Multiple Access.
- ১৯৯৫ সালে এই প্রযুক্তি সারা বিশ্বে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।
- এটা ইউনিক কোডিং সিস্টেম ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান করে।
- CDMA সিস্টেমে কম পাওয়ার দরকার হওয়ায় ব্যাটারির আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে কথা বলা যায় যা পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই একে গ্রিন ফোন (Green Phone) বলা হয়।
- CDMA ডাটা আদান প্রদান করে Spread Spectrum পদ্ধতিতে।
- বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির দ্বারা বাস্তবায়িত হয়।
- এই প্রযুক্তিতে ভয়েস এবং ডেটা এ্যাপ্লিকেশনে অনেক ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।
- এতে ২জি এবং থ্রিজি উভয় প্রযুক্তিই ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
১০.
IMEI-র TAC অংশটি কোন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্ধারিত হয়?
  1. ISO
  2. IEEE
  3. ITU
  4. GSMA
সঠিক উত্তর:
GSMA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GSMA
ব্যাখ্যা
• IMEI নম্বরের TAC (Type Allocation Code) অংশটি GSMA কর্তৃক নির্ধারিত হয়। GSMA হলো একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা মোবাইল অপারেটর এবং নির্মাতাদের প্রতিনিধিত্ব করে। তারা নতুন মোবাইল ডিভাইসের জন্য ইউনিক TAC কোড বরাদ্দ করে, যা একটি ডিভাইসের মডেল ও উৎপাদনকারীর তথ্য নির্ধারণে সাহায্য করে। TAC কোড মোবাইল ডিভাইসের পরিচয় নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি IMEI নম্বরের প্রথম অংশ হিসেবে কাজ করে। ISO, IEEE, ও ITU বিভিন্ন প্রযুক্তি ও যোগাযোগ মান নির্ধারণের সঙ্গে জড়িত হলেও, IMEI-এর TAC বরাদ্দের দায়িত্ব GSMA-এর। তাই TAC বরাদ্দে GSMA-ই প্রধান কর্তৃপক্ষ।

• IMEI:
- IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো একটি অনন্য ১৫ ডিজিটের নম্বর যা মোবাইল ফোন বা অন্যান্য মোবাইল ডিভাইসের সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।
- IMEI নম্বরটি ডিভাইসের হার্ডওয়্যারের সাথে সম্পর্কিত, এবং এটি একটি নির্দিষ্ট ডিভাইসের জন্য এককভাবে নির্ধারিত থাকে।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের ট্র্যাকিং এবং চুরির পরেও ফোন শনাক্ত করা সম্ভব।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।

- IMEI নম্বরটি ফোনের সেটিংস এ অথবা ফোনের ব্যাটারি এর নিচে (কিছু ডিভাইসে) মুদ্রিত থাকে।
- IMEI নম্বরটি হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে, মোবাইল ফোনের অপারেটর বা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ফোন ব্লক করা যেতে পারে, যার ফলে ফোনটি ব্যবহারযোগ্য থাকবে না।
- IMEI নম্বর সাধারণত সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের বৈধতা যাচাই করতে ব্যবহৃত হয়।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে একটি ডিভাইসের উৎপাদন দেশ, কোম্পানি এবং মডেল সম্পর্কিত তথ্যও পাওয়া যায়।

- IMEI নম্বরটি ফোনের নিরাপত্তা এবং মালিকানার প্রমাণ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
- IMEI পরিবর্তন বা তাতে কোনো ধরনের ম্যানিপুলেশন অবৈধ এবং আইনত দণ্ডনীয়।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের চুরি ঠেকানো এবং সঠিকভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১.
স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও ল্যাপটপের মতো ডিভাইস থেকে ক্লাউড সেবা পাওয়া যায়- এটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে সম্ভব?
  1. On-Demand Self-Service
  2. Rapid Elasticity
  3. Broad Network Access
  4. Measured Service
সঠিক উত্তর:
Broad Network Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Broad Network Access
ব্যাখ্যা
• স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও ল্যাপটপের মতো বিভিন্ন ডিভাইস থেকে ক্লাউড সেবা পাওয়া যায় কারণ ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের Broad Network Access বৈশিষ্ট্যটি এটি সম্ভব করে। এই বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা যেকোনো স্থান থেকে এবং যেকোনো ধরনের ইন্টারনেট-যোগাযোগ সক্ষম ডিভাইস ব্যবহার করে ক্লাউড পরিষেবাগুলোতে প্রবেশ করতে পারে। এর ফলে ব্যবহারকারীদের স্বাধীনতা বৃদ্ধি পায় এবং তারা সহজেই তাদের ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশন যেকোনো সময় ও যেকোনো ডিভাইস থেকে ব্যবহার করতে পারে। Broad Network Access ক্লাউডের বহুমুখিতা ও সুবিধাজনক ব্যবহার নিশ্চিত করে। তাই এই বৈশিষ্ট্যের কারণে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও ল্যাপটপ থেকে ক্লাউড সেবা গ্রহণ করা সম্ভব হয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।
- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- পাবলিক ক্লাউড, প্রাইভেট ক্লাউড ও মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড
- ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের মূল বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা- Resource Scalability, On Demand ও Pay as you go.
- ক্লাউড কম্পিউটিং- এর মূল বৈশিষ্ট্য ছাড়াও আরো অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২.
২০০৬ সালে ভিডিও শেয়ারিংয়ের জন্য গুগল কোন কোম্পানিটি অধিগ্রহণ করেছিল?
  1. YouTube
  2. Vimeo
  3. Dailymotion
  4. TikTok
সঠিক উত্তর:
YouTube
উত্তর
সঠিক উত্তর:
YouTube
ব্যাখ্যা
• ২০০৬ সালে গুগল ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে YouTube কোম্পানিটি অধিগ্রহণ করে। YouTube তখনই দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করছিল, যেখানে ব্যবহারকারীরা সহজেই ভিডিও আপলোড, শেয়ার এবং দেখার সুযোগ পেত। গুগল এই অধিগ্রহণের মাধ্যমে অনলাইনে ভিডিও কন্টেন্টের বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করে। YouTube এর জনপ্রিয়তা এবং ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় এটি গুগলের অন্যতম মূল প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়। গুগলের অধিগ্রহণের ফলে YouTube আরও উন্নত প্রযুক্তি ও সার্ভিস পায়, যা বিশ্বব্যাপী ভিডিও শেয়ারিং সংস্কৃতিকে নতুন মাত্রা দেয়। তাই সঠিক উত্তর হলো: YouTube.

• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই। (তথ্য: জুলাই, ২০২৫)
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের পূর্ব নাম হল ব্যাকরাব।

উৎস:
১. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
১৩.
কোন মাধ্যমটি স্প্যামের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. টেলিভিশন বিজ্ঞাপন
  2. সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট
  3. ফোন কল
  4. ইমেইল
সঠিক উত্তর:
ইমেইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইমেইল
ব্যাখ্যা
• স্প্যামের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মাধ্যম হলো ইমেইল। কারণ ইমেইল সহজেই অনেক মানুষের কাছে দ্রুত পাঠানো যায় এবং খরচও তুলনামূলক কম। স্প্যামাররা সাধারণত ইমেইলের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন, ছদ্মবেশী প্রস্তাবনা, ফিশিং লিংক, বা ক্ষতিকর সফটওয়্যার পাঠিয়ে ব্যবহারকারীদের ধোঁকা দেয়। এছাড়া ইমেইল অ্যাকাউন্ট সহজে তৈরি করা যায়, যা স্প্যাম প্রচারে সহায়ক। অন্যদিকে, টেলিভিশন বিজ্ঞাপন এবং ফোন কলে খরচ বেশি হয় এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় স্প্যাম কম লক্ষ্য করা যায়, কারণ সেখানে নিয়মিত নজরদারি থাকে। তাই ইমেইল স্প্যাম সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

• সাইবার অপরাধ: 
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে। 
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হচ্ছে- 

• ভিশিং (Vishing): 
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। 

• স্প্যামিং (Spamming): 
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। 
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়। 

• স্পুফিং (Spoofing): 
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

• স্নিকিং (Sneaking): 
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৪.
কোন প্রযুক্তি সাধারণত হাতে লেখা সনাক্তকরণের জন্য OCR-এর সাথে ব্যবহৃত হয়?
  1. CAPTCHA
  2. QR Codes
  3. ICR
  4. RFID
সঠিক উত্তর:
ICR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ICR
ব্যাখ্যা
• হাতে লেখা সনাক্তকরণের জন্য সাধারণত OCR-এর সাথে ব্যবহার করা হয় ICR প্রযুক্তি। ICR এর পুরো নাম Intelligent Character Recognition, যা OCR-এর একটি উন্নত সংস্করণ। OCR সাধারণত মুদ্রিত বা প্রিন্ট করা অক্ষর চিনতে সক্ষম হলেও, হাতে লেখা অক্ষর সঠিকভাবে চিনতে ICR প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। ICR স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন ধরনের হাতে লেখা অক্ষর, সংখ্যা এবং চিহ্নকে শনাক্ত করে এবং ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে। এটি ব্যাংকিং, ডাক ব্যবস্থা, এবং অন্যান্য ক্ষেত্র যেখানে হাতে লেখা তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রক্রিয়াকরণ প্রয়োজন, সেখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাকী অপশন যেমন CAPTCHA, QR Codes, এবং RFID সাধারণত সনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হলেও, হাতে লেখা সনাক্তকরণের জন্য নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো - গ) ICR.

• Optical Character Recognition:
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- এটি মূলত ইনপুট ডিভাইস।
- এটি শুধু ছাপার লেখার না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR এর কার্যপ্রনালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্ট বিট্ম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেস্কটে রুপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যাকে বিশেষ ক্যারেকটার চিনতে পারে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
১৫.
HDD প্ল্যাটারের গতি মাপার সাধারণ একক কী?
  1. GHz
  2. RPM
  3. MBps
  4. Newtons
সঠিক উত্তর:
RPM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RPM
ব্যাখ্যা
• HDD প্ল্যাটারের গতি মাপার সাধারণ একক হলো RPM, অর্থাৎ Revolutions Per Minute। এটি নির্দেশ করে যে প্ল্যাটারটি এক মিনিটে কতবার ঘোরে। হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের কার্যক্ষমতা এবং ডাটা অ্যাক্সেস স্পিড নির্ভর করে প্ল্যাটারের গতি কত দ্রুত ঘোরে তার উপর। GHz (গিগাহার্জ) সাধারণত প্রসেসর বা সিপিইউর গতি মাপার একক, আর MBps (মেগাবাইট পার সেকেন্ড) ডাটা ট্রান্সফার স্পিড বা ব্যান্ডউইথ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। Newtons একটি বলের একক, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। তাই HDD প্ল্যাটারের ঘূর্ণনের গতি বুঝতে RPM সবচেয়ে সঠিক ও প্রচলিত একক।

• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়।
- যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard disk drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে।
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।
- হার্ডডিস্ক ব্যবহারের জন্যে আলাদা ড্রাইভের প্রয়োজন হয় না।
- ডিস্ক এবং ড্রাইভ একসাথেই সংযোজিত থাকে।
- অন্যান্য ডিস্কের তুলনায় হার্ডডিস্ক অনেক দ্রুতগতিতে কার্যাবলি সম্পাদন করে।

- কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ এবং
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - ২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১৬.
জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম X (Twitter) -এ কাউকে ট্যাগ করার জন্য কোন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়?
  1. @
  2. #
  3. $
  4. &
সঠিক উত্তর:
@
উত্তর
সঠিক উত্তর:
@
ব্যাখ্যা
• জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম X (যে পুরোনো Twitter নামে পরিচিত)–এ কাউকে সরাসরি উল্লেখ বা ট্যাগ করার জন্য "@" চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। যখন একজন ব্যবহারকারী অন্য কারো সাথে কথা বলতে বা তাদের নজরে আনতে চান, তখন তারা সেই ব্যক্তির ইউজারনেমের আগে "@" চিহ্ন বসান। উদাহরণস্বরূপ, যদি কারো ইউজারনেম হয় "faiaz," তাহলে তাকে ট্যাগ করতে হবে "@faiaz"। এর ফলে ওই ব্যক্তি নোটিফিকেশন পায় এবং কথোপকথনে সরাসরি যুক্ত হয়। অন্যদিকে "#" চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বিষয় বা বিষয়বস্তুকে ট্যাগ করার জন্য, যা হ্যাশট্যাগ নামে পরিচিত। তাই, কাউকে ট্যাগ করার জন্য সঠিক চিহ্ন হল "@"।

• X (Twitter):
- Twitter এর বর্তমান নাম X
- X হচ্ছে সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট।
- X-এর বর্তমান মালিক ইলন মাস্ক।
- CEO: Linda Yaccarino (জুলাই, ২০২৫)
- Founders: Jack Dorsey, Evan Williams, Biz Stone, Noah Glass
- X চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)।
- সদর দপ্তর: San Francisco, California, United States
- X-এ ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়।
- X-এ ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)।

উৎস:
১. অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
১৭.
ইন্টারনেটের জনক কে?
  1. Vint Cerf
  2. Larry Page
  3. Sergey Brin
  4. Jeff Bezos
সঠিক উত্তর:
Vint Cerf
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vint Cerf
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের জনক সাধারণত ভিন্ট সার্ফ (Vint Cerf) কে বলা হয়। তিনি “ইন্টারনেট প্রোটোকল” বা TCP/IP বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, যা ইন্টারনেটের মূল ভিত্তি। ভিন্ট সার্ফ ও তার সহযোগী বব কান (Bob Kahn) ১৯৭০-এর দশকে এই প্রোটোকল তৈরি করেন, যা বিভিন্ন কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে তথ্য আদান-প্রদান সহজতর করে। এর মাধ্যমে ইন্টারনেট আজকের মত বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ব্যবস্থায় পরিণত হয়। অন্যদিকে, ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন গুগল প্রতিষ্ঠা করেন এবং জেফ বেজোস অ্যামাজন-এর প্রতিষ্ঠাতা, তবে তারা ইন্টারনেটের জনক নয়। তাই ইন্টারনেটের জনক হিসেবে ভিন্ট সার্ফকে গণ্য করা হয়।

• ইন্টারনেট এবং ইন্টারনেটের জনক:
- ইন্টারনেটের জনক Vinton Gray Cerf.
- তিনি একজন আমেরিকান কম্পিউটার বিজ্ঞানী।
 - তিনি ইন্টারনেট এবং TCP/IP প্রোটোকল তৈরির সহ-পরিকল্পনা করেছিলেন আমেরিকান কম্পিউটার বিজ্ঞানী রবার্ট কানের সাথে।
- ইন্টারনেট হল সারা পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত, পরস্পরের সাথে সংযুক্ত অনেকগুলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমষ্টি যা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত এবং যেখানে আইপি বা ইন্টারনেট প্রটোকল নামের এক প্রামাণ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৮.
নিচের কোনটি DML কমান্ড?
  1. Create
  2. Alter
  3. Delete
  4. Next
সঠিক উত্তর:
Delete
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Delete
ব্যাখ্যা
• DML (Data Manipulation Language) কমান্ড হলো এমন কমান্ড যা ডাটাবেজের মধ্যে থাকা ডেটা পরিবর্তন, মুছে ফেলা বা যোগ করার কাজ করে। এর মধ্যে প্রধান কমান্ডগুলো হলো Insert, Update এবং Delete। প্রশ্নে দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে “Delete” হলো DML কমান্ড কারণ এটি ডাটাবেজ থেকে ডেটা মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে “Create” এবং “Alter” হলো DDL (Data Definition Language) কমান্ড, যা ডাটাবেজের কাঠামো পরিবর্তনের কাজে লাগে। “Next” কোনো SQL কমান্ড নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো “Delete”, যা ডাটাবেজের ডেটা মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত DML কমান্ড।

• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Definition Language - DDL) ও
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Manipulation Language - DML).

১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
-  এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।

- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Create statement,
• Drop statement,
• Alter statement,
• Rename statement.

২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ: 
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Insert statement,
• Delete statement,
• Update statement,
• Select statement.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
নিম্নে উল্লিখিত কোনটি গুগলের বন্ধ হয়ে যাওয়া সামাজিক নেটওয়ার্ক পরিষেবা?
  1. Facebook
  2. Google+
  3. Messenger
  4. QQ
সঠিক উত্তর:
Google+
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Google+
ব্যাখ্যা
• গুগলের বন্ধ হয়ে যাওয়া সামাজিক নেটওয়ার্ক পরিষেবা হলো Google+। Google+ ২০১১ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল, যা ফেসবুকের মতো একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তৈরি হয়েছিল যেখানে ব্যবহারকারীরা বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করতে, ছবি, ভিডিও শেয়ার করতে এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারত। তবে, গুগল প্লাস খুব জনপ্রিয় হতে পারেনি এবং ব্যবহারকারীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় এবং নিরাপত্তা সমস্যার কারণে ২০১৯ সালে গুগল এই পরিষেবাটি বন্ধ করে দেয়। অন্যদিকে, Facebook এবং Messenger এর প্যারেন্ট কোম্পানি META. QQ হচ্ছে ইন্সট্যান্ট মেসেজিং সফটওয়্যার সার্ভিস - যার প্যারেন্ট কোম্পানি চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান Tencent.

• গুগল (Google): 
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন। 
- গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)। 
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স। 
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। 
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২০.
ফ্রেড কোহেন কোন ক্ষেত্রে তার কাজের জন্য বিখ্যাত?
  1. কম্পিউটার ভাইরাস
  2. টিকা
  3. জ্যোতির্বিজ্ঞান
  4. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• ফ্রেড কোহেন মূলত কম্পিউটার ভাইরাসের ক্ষেত্রেই তার কাজের জন্য বিখ্যাত। তিনি প্রথমবার কম্পিউটার ভাইরাসের ধারণাটি প্রণয়ন করেন এবং কম্পিউটার ভাইরাস নিয়ে তার গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। তার কাজ কম্পিউটার সিকিউরিটি ও ভাইরাসের প্রভাব বোঝার ক্ষেত্রে এক বিপ্লব সৃষ্টি করে। কোহেন ভাইরাসের সংজ্ঞা প্রদান করে এবং ভাইরাস কীভাবে কম্পিউটার সিস্টেমে ছড়িয়ে পড়ে তা ব্যাখ্যা করেন। তার গবেষণার ফলে কম্পিউটার ভাইরাস সংক্রান্ত সাইবার নিরাপত্তার নীতিমালা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়া হয়। তাই ফ্রেড কোহেনকে কম্পিউটার ভাইরাস গবেষণার জনক বলা হয়।

• ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো 'Vital Information Resources Under Seize'.
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়। যেমন: বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস , মিউটেটিং ভাইরাস, স্টোন ভাইরাস, ভিয়েনা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
"Differential Analyzer" কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. ডিজিটাল কম্পিউটার
  2. হাইব্রিড কম্পিউটার
  3. অ্যানালগ কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
অ্যানালগ কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানালগ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• "Differential Analyzer" হলো একটি অ্যানালগ কম্পিউটার। এটি গাণিতিক সমীকরণ সমাধানে ব্যবহৃত যন্ত্র যা মূলত ডিফারেনশিয়াল সমীকরণের সমাধান করতে পারে। এই কম্পিউটার ডিজিটাল সংকেত নয়, বরং ধারাবাহিক পরিবর্তনশীল অ্যানালগ সিগন্যাল ব্যবহার করে কাজ করে। Differential Analyzer মূলত ম্যাকানিক্যাল যন্ত্রাংশ এবং ইলেকট্রনিক অংশের সমন্বয়ে গঠিত, যা সমীকরণের পরিবর্তনশীল মানকে ফিজিক্যালি মডেল করে সমাধান বের করে। এটি ডিজিটাল কম্পিউটার যেভাবে বাইনারি কোড ব্যবহার করে কাজ করে না, বরং ধারাবাহিক মানের উপর নির্ভরশীল। অতএব, Differential Analyzer হলো একটি অ্যানালগ কম্পিউটার।

• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer): 
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মূল লক্ষ্য কী?
  1. একটি বাস্তবসম্মত ডিজিটাল পরিবেশ তৈরি করা
  2. সিনেমা উপভোগ করা
  3. ইমেইল প্রেরণ করা
  4. ইন্টারনেটের গতি উন্নত করা
সঠিক উত্তর:
একটি বাস্তবসম্মত ডিজিটাল পরিবেশ তৈরি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি বাস্তবসম্মত ডিজিটাল পরিবেশ তৈরি করা
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মূল লক্ষ্য হলো একটি বাস্তবসম্মত ডিজিটাল পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে ব্যবহারকারী সম্পূর্ণভাবে অন্য একটি ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশ করতে পারে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারী দেখতে, শুনতে এবং স্পর্শ করার মতো অনুভূতি পায় যা প্রকৃত জীবনের মতোই বাস্তব মনে হয়। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেমন গেমিং, শিক্ষা, চিকিৎসা ও প্রশিক্ষণে ব্যবহার করা হয়। এটি মানুষকে বাস্তব থেকে আলাদা একটি পরিবেশে নিয়ে যায় যেখানে তারা সিমুলেটেড পরিস্থিতি বা অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে। তাই এর মূল উদ্দেশ্য বাস্তবসম্মত ডিজিটাল অভিজ্ঞতা সৃষ্টি করাই।

সঠিক উত্তর: ক) একটি বাস্তবসম্মত ডিজিটাল পরিবেশ তৈরি করা।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৩.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে অ্যাডারের প্রধান কাজ কী?
  1. দুইটি বাইনারি সংখ্যা বিয়োগ করা
  2. দুইটি বাইনারি সংখ্যা যোগ করা
  3. দুইটি বাইনারি সংখ্যা গুণ করা
  4. দুইটি বাইনারি সংখ্যা ভাগ করা
সঠিক উত্তর:
দুইটি বাইনারি সংখ্যা যোগ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি বাইনারি সংখ্যা যোগ করা
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে অ্যাডারের প্রধান কাজ হলো দুইটি বাইনারি সংখ্যা যোগ করা। এটি একটি মৌলিক সার্কিট যা দুটি বাইনারি সংখ্যার bit-by-bit যোগফল নির্ণয় করে। অ্যাডার সাধারণত কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়, যেখানে দ্রুত ও সঠিক গণনার জন্য এটি অপরিহার্য। অ্যাডার দুই ধরনের হয়—হাফ অ্যাডার এবং ফুল অ্যাডার। হাফ অ্যাডার দুটি বিট যোগ করতে পারে, আর ফুল অ্যাডার অতিরিক্ত ক্যারি বিটসহ কাজ করে। তাই, ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে অ্যাডারের প্রধান উদ্দেশ্য হল দুইটি বাইনারি সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করা।

সঠিক উত্তর: খ) দুইটি বাইনারি সংখ্যা যোগ করা।

• অ্যাডার:
- কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে বলে অ্যাডার।
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কাজেই যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদির কাজ করা যায়।

• ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে দুই ধরনের অ্যাডার আছে। যথা:
১. হাফ-অ্যাডার ও
২. ফুল-অ্যাডার।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডকে মানুষের বোধগম্য ফরম্যাটে রূপান্তরিত করে।

• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৪.
সিডিতে তথ্য রাইট করার কাজকে কী বলা হয়?
  1. Erasing
  2. Copying
  3. Saving
  4. Burning
সঠিক উত্তর:
Burning
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Burning
ব্যাখ্যা
• সিডিতে তথ্য রাইট করার কাজকে সাধারণত Burning বলা হয়। এটি একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সিডি বা ডিভিডিতে নতুন ডাটা স্থায়ীভাবে লেখা হয়। এই প্রক্রিয়ায় লেজার ব্যবহার করে তথ্যের প্যাটার্ন তৈরি করা হয় যা পরে ডিভাইস পড়তে পারে। Burning এর মাধ্যমে আপনি মিউজিক, ভিডিও, ডকুমেন্ট, বা অন্যান্য ফাইল সিডিতে সংরক্ষণ করতে পারেন। অন্যদিকে, Erasing মানে আগে রাইট করা তথ্য মুছে ফেলা এবং Copying মানে ডাটা অন্য কোনো স্থানে নকল করা। তবে সিডিতে ডাটা স্থায়ীভাবে লেখার জন্য Burning শব্দটি ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো "ঘ) Burning".

• Burning:
- কম্পিউটার থেকে সিডি-রমে গান, ছবি, ভিডিও ফাইল কপি করার প্রক্রিয়াটি Burning নামে পরিচিত। 
- বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম (CD-Rom - Compact Disk Read Only Memory)। 
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে। 
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়। 
- সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।
 
উৎস: মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
প্রোগ্রামিংয়ে ইন্টারপ্রেটার কী?
  1. একটি টুল যা উচ্চ স্তরের কোড সরাসরি মেশিন কোডে রূপান্তর করে
  2. একটি টুল যা কম্পাইল না করে কোড লাইন বাই লাইন চালায়
  3. একটি সফটওয়্যার যা কার্যকর করার আগে কোড কম্পাইল করে
  4. একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা প্রোগ্রাম চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়
সঠিক উত্তর:
একটি টুল যা কম্পাইল না করে কোড লাইন বাই লাইন চালায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি টুল যা কম্পাইল না করে কোড লাইন বাই লাইন চালায়
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামিংয়ে ইন্টারপ্রেটার হলো এমন একটি সফটওয়্যার টুল যা উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং কোডকে সরাসরি কম্পাইল না করে লাইন বাই লাইন পড়ে এবং তৎক্ষণাৎ চালায়। এটি কোডের প্রতিটি লাইনকে পর্যায়ক্রমে বিশ্লেষণ করে এবং মেশিন কোডে অনুবাদ করে কার্যকর করে, ফলে প্রোগ্রামটি দ্রুত পরীক্ষা ও ডিবাগ করা যায়। অন্যদিকে, কম্পাইলার সম্পূর্ণ কোডকে একবারে মেশিন কোডে রূপান্তর করে। ইন্টারপ্রেটারের সুবিধা হলো এটি দ্রুত পরিবর্তন দেখে কাজ করতে পারে এবং ছোট ছোট প্রোগ্রাম বা স্ক্রিপ্টের জন্য উপযুক্ত। তাই সঠিক উত্তর হলো - খ) একটি টুল যা কম্পাইল না করে কোড লাইন বাই লাইন চালায়।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।

• তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে:
১. কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন, প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
ফার্মিং বলতে কি বোঝায়?
  1. অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইনস্টল করা
  2. কম্পিউটার নেটওয়ার্কে অনধিকার প্রবেশ
  3. ব্যবহারকারীদের স্প্যাম ইমেইল পাঠানো
  4. ব্যবহারকারীদের ভুয়া ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে তথ্য চুরি করা
সঠিক উত্তর:
ব্যবহারকারীদের ভুয়া ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে তথ্য চুরি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যবহারকারীদের ভুয়া ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে তথ্য চুরি করা
ব্যাখ্যা
• ফার্মিং বলতে বোঝায় একটি সাইবার অপরাধ যেখানে ব্যবহারকারীদের ভুয়া ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে তাদের ব্যক্তিগত এবং গোপনীয় তথ্য চুরি করা হয়। এটি একটি ধরনের ফিশিং আক্রমণের মত হলেও ফার্মিংয়ে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা ডিএনএস সার্ভারে হ্যাকিং করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভুয়া ওয়েবসাইটে পাঠানো হয়, যেখানে তারা বুঝতে পারে না যে তারা আসল ওয়েবসাইটের পরিবর্তে ভুয়া সাইটে প্রবেশ করেছে। এই পদ্ধতিতে ব্যাংক একাউন্ট, পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বরসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নেয় হ্যাকাররা। তাই ফার্মিং একটি মারাত্মক সাইবার জালিয়াতি যা ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় সচেতনতা জরুরি করে তোলে। সঠিক উত্তর হলো ঘ) ব্যবহারকারীদের ভুয়া ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে তথ্য চুরি করা।

• ফার্মিং (Pharming):
- ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে তার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটের পরিবর্তে অন্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করানো বা নিয়ে যাওয়াকে বলা হয় ফার্মিং।
- ফার্মিং এর কারণে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন ধরনের বিরম্বনায় পড়ে এবং সময়ের অপচয় হয়।

• র‍্যানসমওয়্যার:
- ইহা হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।

• ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল:
- দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৭.
"Windows 11" কী ধরনের সফটওয়্যার?
  1. প্রোগ্রামিং সফটওয়্যার
  2. ইউটিলিটি সফটওয়্যার
  3. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  4. সিস্টেম সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
• "Windows 11" হলো একটি সিস্টেম সফটওয়্যার, যা মাইক্রোসফট কর্তৃক ডেভেলপ করা হয়েছে। এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং ব্যবহারকারীদের জন্য একটি ব্যবহারযোগ্য পরিবেশ প্রদান করে। Windows 11 অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে কাজ করে, যা কম্পিউটারের মূল ফাংশন নিয়ন্ত্রণ করে যেমন ফাইল ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস কন্ট্রোল এবং সফটওয়্যার চালনা। এটি ব্যবহারকারীর ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করে এবং অন্যান্য সফটওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশনগুলি সুষ্ঠুভাবে চালাতে সহায়তা করে। তাই, Windows 11 সিস্টেম সফটওয়্যার- এর অন্তর্ভুক্ত।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজগুলো পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে।
- হার্ডওয়্যার দিয়ে যাবতীয় কাজ করানোর দায়িত্ব ব্যবহারকারীর পরিবর্তে অপারেটিং সিস্টেম পালন করে।
- কম্পিউটারে সব ধরনের সফটওয়্যার থাকলেও অপারেটিং সিস্টেম ব্যতীত এটি কোনো কাজ করে না।
- কম্পিউটারে সম্পাদিত তথ্যাবলি সংরক্ষণ, ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি নির্ণয়, সিস্টেম বন্টন, ইনপুট ও আউটপুট অপারেশন, প্রোগাম পরিচালনা সর্বোপরি কম্পিউটারের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদনে অপারেটিং সিস্টেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
অক্টাল সংখ্যা (34)8 এর সঠিক বাইনারি রূপ কোনটি?
  1. 011101
  2. 011100
  3. 101100
  4. 010101
সঠিক উত্তর:
011100
উত্তর
সঠিক উত্তর:
011100
ব্যাখ্যা

• অক্টাল সংখ্যা (34)8 এর সঠিক বাইনারি রূপ হচ্ছে: 011100

• অক্টাল থেকে বাইনারিতে রূপান্তর:

- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংক কে তিন বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়। যেমন-
3 = 011
4 = 100

∴ (34)8 = (011100)2

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯.
একটি ডেটাবেজে, প্রাইমারি কী-এর মূল বৈশিষ্ট্য কী?
  1. এটি প্রতিটি রেকর্ডের জন্য অবশ্যই ইউনিক হতে হবে
  2. এটির ডুপ্লিকেট মান থাকতে পারে
  3. এটি সবসময় NULL হতে হবে
  4. এটি প্রায়ই পরিবর্তিত হতে পারে
সঠিক উত্তর:
এটি প্রতিটি রেকর্ডের জন্য অবশ্যই ইউনিক হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি প্রতিটি রেকর্ডের জন্য অবশ্যই ইউনিক হতে হবে
ব্যাখ্যা
• একটি ডেটাবেজে প্রাইমারি কী হল এমন একটি কলাম বা ক্ষেত্র যা প্রতিটি রেকর্ডকে এককভাবে সনাক্ত করে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি প্রতিটি রেকর্ডের জন্য অবশ্যই ইউনিক বা অনন্য মান থাকতে হবে, অর্থাৎ কোন দুইটি রেকর্ডের প্রাইমারি কী একই হতে পারে না। এছাড়া, প্রাইমারি কী কখনো NULL মান নিতে পারে না, কারণ NULL মান থাকলে রেকর্ড সনাক্তকরণে সমস্যা হয়। প্রাইমারি কী সাধারণত স্থায়ী হয়, তাই এটি প্রায়ই পরিবর্তিত হয় না। সুতরাং, প্রাইমারি কী রেকর্ড সঠিকভাবে এবং দ্রুত সনাক্ত করার জন্য অপরিহার্য একটি ইউনিক ও অবিচলিত উপাদান।

উত্তর: ক) এটি প্রতিটি রেকর্ডের জন্য অবশ্যই ইউনিক হতে হবে।

• কী ফিল্ড:
- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা:

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর,  একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০.
নিচের কোনটি মাইক্রোপ্রসেসরে অস্থায়ীভাবে ডেটা ধরে রাখে তাৎক্ষণিক প্রক্রিয়াকরণের উদ্দেশ্যে?
  1. DVD
  2. PROM
  3. Register 
  4. HDD
সঠিক উত্তর:
Register 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Register 
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসরে অস্থায়ীভাবে ডেটা ধরে রাখার জন্য ব্যবহৃত হয় Register. রেজিস্টার হলো ছোট আকারের উচ্চগতি সম্পন্ন মেমরি যা মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ। এটি তথ্য বা নির্দেশনা সংরক্ষণ করে যাতে তাৎক্ষণিক প্রক্রিয়াকরণ করা যায়। অন্যদিকে, DVD এবং HDD স্থায়ী সংরক্ষণ মাধ্যম যা বড় পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এগুলো ধীরগতির এবং মাইক্রোপ্রসেসরের সরাসরি প্রক্রিয়াকরণের জন্য উপযুক্ত নয়। PROM একটি রিড-ওনলি মেমরি যা ডেটা স্থায়ীভাবে রাখে এবং পরিবর্তন করা যায় না। তাই, দ্রুতগতিতে ডেটা ধারণ ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য রেজিস্টার সবচেয়ে উপযোগী।

• রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে। এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
67 এর বিসিডি কোড হচ্ছে:
  1. 10110111
  2. 110111
  3. 10110101
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• 67 এর বিসিডি কোড হচ্ছে: 01100111
- অপশন গুলোতে সঠিক উত্তর না থাকায়: উত্তর - অপশন (ঘ) কোনোটিই নয় হবে।


• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

6 এর বিসিডি 0110
7 এর বিসিডি 0111
∴ 67 এর বিসিডি 01100111

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
নিম্নলিখিত কোনটি IaaS-এর একটি মূল বৈশিষ্ট্য?
  1. পূর্বে ইনস্টল করা সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন
  2. শুধুমাত্র স্টোরেজ সেবা
  3. ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভার্চুয়ালাইজড কম্পিউটিং রিসোর্স
  4. ইমেইল হোস্টিং সেবা
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভার্চুয়ালাইজড কম্পিউটিং রিসোর্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভার্চুয়ালাইজড কম্পিউটিং রিসোর্স
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: গ) ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভার্চুয়ালাইজড কম্পিউটিং রিসোর্স।

IaaS (Infrastructure as a Service) হলো একটি ক্লাউড কম্পিউটিং মডেল যেখানে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভার্চুয়ালাইজড কম্পিউটিং রিসোর্স যেমন- সার্ভার, স্টোরেজ, নেটওয়ার্ক এবং অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে। এটি ব্যবহারকারীদের শারীরিক হার্ডওয়্যার কেনা বা পরিচালনার প্রয়োজন দূর করে, ফলে খরচ কমে এবং নমনীয়তা বৃদ্ধি পায়। উদাহরণস্বরূপ, Amazon Web Services (AWS) বা Microsoft Azure এমন প্ল্যাটফর্ম যারা IaaS সেবা প্রদান করে। এই মডেলে সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন আগে থেকে ইনস্টল করা থাকে না, বরং ব্যবহারকারী তার প্রয়োজন অনুযায়ী সবকিছু কনফিগার করে। ফলে এটি সবচেয়ে নমনীয় ক্লাউড পরিষেবা মডেল হিসেবে বিবেচিত।

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেলকে সেবার ধরণ অনুসারে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অবকাঠামোগত সেবা (laaS: Infrastructure as a service):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফটওয়্যার সেবা (SaaS: Software as a service):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৩.
কম্পিউটারে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহৃত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৯
  2. ১৯৭১
  3. ১৯৮১
  4. ১৯৬৭
সঠিক উত্তর:
১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহৃত হয় ১৯৭১ সালে। এটি ছিল ইন্টেলের তৈরি বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর, যার নাম ছিল Intel 4004। ইন্টেল কোম্পানির প্রকৌশলী ফেডেরিকো ফ্যাগিন ও মার্সিয়ান হফ এই প্রসেসরটি তৈরি করেন। এটি একটি ৪-বিট প্রসেসর ছিল, যা মূলত ক্যালকুলেটরের জন্য তৈরি হলেও পরবর্তীতে কম্পিউটার প্রযুক্তির বিকাশে বড় ভূমিকা রাখে। এই মাইক্রোপ্রসেসরের মাধ্যমে একটি চিপেই প্রোগ্রামিং, হিসাব ও নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়, যা আগের বড় বড় হার্ডওয়্যার ইউনিটকে একত্রিত করে ক্ষুদ্র আকারে গঠন করে। এভাবে মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কার আধুনিক কম্পিউটারের ভিত্তি গড়ে দেয়। সঠিক উত্তর: (খ) ১৯৭১।

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
কোন কম্পিউটার প্রজন্মে প্রথমবার ট্রানজিস্টর ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর প্রথমবার ব্যবহৃত হয় দ্বিতীয় প্রজন্মের (২য়) কম্পিউটারে। প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহৃত হতো, যা ছিল আকারে বড়, অনেক তাপ উৎপন্ন করত এবং অধিক বিদ্যুৎ খরচ করত। ১৯৫৬ সালে ট্রানজিস্টরের আবিষ্কারের পর দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে এটি ভ্যাকুয়াম টিউবের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে। ট্রানজিস্টর তুলনামূলক ছোট, শক্তি সাশ্রয়ী এবং নির্ভরযোগ্য ছিল, যার ফলে কম্পিউটার আরও দ্রুত ও কার্যকর হয়। এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো ছিল ছোট আকৃতির, কম তাপ উৎপাদনকারী এবং রক্ষণাবেক্ষণে সহজ। ফলে কম্পিউটার প্রযুক্তির এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য:
- ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার।
- কাজের গতি ও নির্ভরযোগ্যতার উন্নতি।
- প্রক্রিয়াকরণের গতি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের থেকে দ্রুততর।
- আকারে ছোট (৫১ বর্গফুট)
- ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইসগুলো দ্রুত ছিল৷
- টেলিফোন লাইনের মধ্যদিয়ে ডাটা প্রেরণের ব্যবস্থা।
- উদাহরণ: IBM-400, RCA-501, GE-200 ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৩৫.
কোন ACID বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করে যে লেনদেনগুলি একে অপরকে প্রভাবিত করে না এবং স্বতন্ত্রভাবে চলে?
  1. Atomicity
  2. Consistency
  3. Durability
  4. Isolation
সঠিক উত্তর:
Isolation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Isolation
ব্যাখ্যা
• ACID বৈশিষ্ট্যের মধ্যে Isolation নিশ্চিত করে যে একাধিক লেনদেন একসাথে চললেও তারা একে অপরকে প্রভাবিত করতে পারে না এবং প্রতিটি লেনদেন স্বতন্ত্রভাবে সম্পন্ন হয়। ডেটাবেজ ব্যবস্থায় যখন একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে লেনদেন করে, তখন একটি লেনদেনের অপূর্ণ বা আংশিক পরিবর্তন অন্য লেনদেন দেখতে পায় না। Isolation-এর ফলে প্রতিটি লেনদেন এমনভাবে সম্পাদিত হয় যেন এটি একা একবারেই সম্পন্ন হয়েছে, অন্য কোনো লেনদেন চলমান নেই। এটি ডেটার অখণ্ডতা রক্ষা করে এবং প্রতিযোগিতামূলক অ্যাক্সেসের সময়ও ভুল বা দ্বৈত ফলাফল এড়াতে সাহায্য করে। তাই Isolation ডেটাবেজের নির্ভরযোগ্যতা এবং সঠিকতা নিশ্চিত করে।

• ACID:
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে ACID নীতি হল কতকগুলো বৈশিষ্ট্যের একটি সেট যা database transactions- এর নির্ভরযোগ্য প্রক্রিয়াকরণের নিশ্চয়তা দেয়।

 ACID এর acronym হল:
- A = Atomicity.
- C = Consistency.
- I = Isolation.
- D = Durability.

- ACID ডেটাবেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক ধারণা।
- ডেটাবেজ লেনদেন নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল ACID। 
- উদাহরণস্বরুপ, একজন ব্যক্তি যখন ATM থেকে টাকা উত্তোলন করেন ACID transaction এর মাধ্যমে একাউন্ট ব্যালেন্স এবং ট্রান্সজেকশনের রেকর্ড আপডেট করা হয়।

সূত্র: geeksforgeeks [লিংক]
৩৬.
মাউস থেকে প্রসেসর পর্যন্ত ডেটা প্রেরণের জন্য কোন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়?
  1. Multiplex
  2. Half Duplex
  3. Simplex
  4. Full Duplex
সঠিক উত্তর:
Simplex
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Simplex
ব্যাখ্যা
• মাউস থেকে প্রসেসর পর্যন্ত ডেটা প্রেরণের জন্য Simplex পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। Simplex হলো এমন একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা যেখানে ডেটা কেবল একমুখীভাবে প্রবাহিত হয়। অর্থাৎ, প্রেরক (sender) শুধুমাত্র ডেটা পাঠাতে পারে এবং গ্রাহক (receiver) তা গ্রহণ করে, কিন্তু কোনো প্রতিক্রিয়া বা তথ্য ফেরত পাঠাতে পারে না। মাউস একটি ইনপুট ডিভাইস, যা ব্যবহারকারীর নির্দেশনা প্রসেসরের কাছে পাঠায়। প্রসেসর এই ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াজাত করে। এখানে প্রসেসর মাউসকে কোনো ডেটা পাঠায় না, বরং কেবলমাত্র মাউস থেকে ডেটা গ্রহণ করে। তাই এটি একমুখী ডেটা প্রবাহ, অর্থাৎ Simplex পদ্ধতির উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-

১. সিমপ্লেক্স (Simplex):
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন- রেডিও, টিভি, কীবোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডাটা প্রেরণ ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex):
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- নিম্নের চিত্রে হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডাটা প্রেরণ করবে B তখন ডাটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না। যেমন-ওয়াকিটকি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex):
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩৭.
ENIAC তৈরি করার প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. আবহাওয়ার পূর্বাভাস
  2. কারখানার উৎপাদন স্বয়ংক্রিয় করা
  3. সামরিক হিসাব নিকাশ সমাধান করা
  4. তথ্য এনক্রিপশন
সঠিক উত্তর:
সামরিক হিসাব নিকাশ সমাধান করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামরিক হিসাব নিকাশ সমাধান করা
ব্যাখ্যা
• ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) তৈরি করার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সামরিক হিসাব নিকাশ সমাধান করা। এটি ১৯৪০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত বিশ্বের প্রথম ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ নির্ণয়ের জন্য জটিল গাণিতিক হিসাব দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করা জরুরি হয়ে পড়ে। তখন মার্কিন সেনাবাহিনীর অনুরোধে John Presper Eckert ও John Mauchly এই কম্পিউটারটি তৈরি করেন। ENIAC প্রতি সেকেন্ডে হাজার হাজার হিসাব করতে পারত, যা আগের যান্ত্রিক ক্যালকুলেটরের তুলনায় অনেক দ্রুত ছিল। ফলে ENIAC সামরিক ক্ষেত্রে বিপুল অবদান রাখে।

• ENIAC:
 - ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Computer) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- এটিই হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- এটি ৩০ টন এবং ১৯ হাজার ইলেকট্রনিক টিউব দিয়ে নির্মিত।
- এটি চালানোর জন্য ১৩০ হতে ১৪০ কিলোওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হতো।
- প্রতি সেকেন্ডে ৫ হাজারটি যোগ এবং ৫ শতটি গুণ করতে পারত।
- দশ অংকের দুটি সংখ্যা গুণ করতে তিন মিলি সেকেন্ড সময় লাগত।
- প্রোগ্রামের জন্য এ কম্পিউটারের তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হয়েছিল।

উৎস: উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮.
ওয়েবপেজের ভিজ্যুয়াল এবং স্টাইলিংয়ের জন্য প্রধানত কোন ভাষা ব্যবহৃত হয়?
  1. SQL
  2. CSS
  3. C++
  4. PHP
সঠিক উত্তর:
CSS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CSS
ব্যাখ্যা
• ওয়েবপেজের ভিজ্যুয়াল এবং স্টাইলিংয়ের জন্য প্রধানত CSS (Cascading Style Sheets) ভাষা ব্যবহৃত হয়। এটি ওয়েবসাইটের রঙ, ফন্ট, মার্জিন, বর্ডার, লেআউট এবং অ্যানিমেশনসহ বিভিন্ন দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। HTML একটি ওয়েবপেজের মূল কাঠামো তৈরি করে, আর CSS সেই কাঠামোকে দৃষ্টিনন্দন ও ব্যবহারবান্ধব রূপে উপস্থাপন করে। CSS-এর সাহায্যে একাধিক ওয়েবপেজে একই রকম স্টাইল সহজেই প্রয়োগ করা যায়, ফলে ওয়েবসাইট ব্যবস্থাপনাও সহজ হয়। অন্যদিকে, SQL ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনায়, PHP সার্ভার-সাইড প্রোগ্রামিংয়ে এবং C++ সাধারণ প্রোগ্রামিংয়ে ব্যবহৃত হয়, তাই এরা ওয়েবস্টাইলিংয়ের জন্য উপযুক্ত নয়।

• HTML এবং CSS:
- ব্রাউজারে যেই ওয়েবসাইট কিংবা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চলে, সেখানে ব্যবহার করা হয় HTML CSS I
- HTML এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Hyper Text Markup Language।
- এটি কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, বরং একে মার্কআপ ভাষা বলা যায়।
- এর কাজ হচ্ছে কোনো তথ্য ব্রাউজারে প্রদর্শনের উপযোগী করা।
- এখানে যেসব ট্যাগ (tag) ব্যবহার করা হয়, ব্রাউজার সেগুলো বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী ওয়েবসাইটে ডেটা প্রদর্শন করে।
- শুধু এইচটিএমএল ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরি করা গেলেও, ওয়েবসাইটকে আরো আকর্ষণীয় ও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য ব্যবহার করা হয় CSS।
- যার পুর্ণরূপ হচ্ছে- Cascading Style Sheet। 
- আধুনিক সব ওয়েবসাইটেই HTML এর সঙ্গে CSS ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৩৯.
চেরনোবিল ভাইরাসে সংক্রমিত ফাইলগুলোতে সাধারণত কী ধরনের এক্সটেনশন থাকে?
  1. .mp3
  2. .jpg
  3. .txt
  4. .exe
সঠিক উত্তর:
.exe
উত্তর
সঠিক উত্তর:
.exe
ব্যাখ্যা
• চেরনোবিল ভাইরাস, যেটি CIH ভাইরাস নামেও পরিচিত। এই ভাইরাস প্রধানত .exe এক্সটেনশনযুক্ত ফাইলগুলিকে সংক্রমিত করে। .exe হচ্ছে এক্সিকিউটেবল ফাইল, যা সরাসরি অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা চালিত হয়। CIH ভাইরাস এই ধরণের ফাইলের মাধ্যমে নিজের কোড সিস্টেমে প্রবেশ করায় এবং সংক্রমণ ঘটায়। ব্যবহারকারী যখন এই সংক্রমিত .exe ফাইল চালায়, তখন ভাইরাসটি সক্রিয় হয় এবং ডেটা ধ্বংস করা, অথবা BIOS মুছে ফেলার মতো বিপজ্জনক কার্যক্রম শুরু করতে পারে। তাই, সঠিক উত্তর: ঘ) .exe

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০.
কিউয়ার্টি কীবোর্ডে 'T' বর্ণের ঠিক ডান পাশে কোন বর্ণটি আছে?
  1. Y
  2. U
  3. R
  4. S
সঠিক উত্তর:
Y
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Y
ব্যাখ্যা
• কিউয়ার্টি (QWERTY) কীবোর্ড হলো ইংরেজি টাইপিং কীবোর্ডের একটি প্রচলিত বিন্যাস, যার নামকরণ হয়েছে উপরের সারির প্রথম ছয়টি বর্ণ (Q, W, E, R, T, Y) অনুসারে। এই বিন্যাসে প্রতিটি বর্ণ একটি নির্দিষ্ট স্থানে সাজানো থাকে যেন টাইপ করার সময় আঙুলের গতি দ্রুত হয় ও হাতের অবস্থান স্বাভাবিক থাকে। এখন, প্রশ্ন অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে—'T' বর্ণের ঠিক ডান পাশে কোন বর্ণটি অবস্থান করে? যদি কীবোর্ডের উপরের সারি পর্যবেক্ষণ করি, তাহলে দেখতে পাই যে ‘T’-এর ঠিক ডান পাশে আছে 'Y' বর্ণটি। অর্থাৎ, বাম থেকে ডানে সাজানো বর্ণগুলোর ক্রম হলো: Q, W, E, R, T, Y, U, I, O, P। অতএব, সঠিক উত্তর: ক) Y.

• QWERTY:
- সবচেয়ে প্রচলিত লে-আউট।
- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, বাংলাদেশ সহ অনেক দেশে ব্যবহৃত হয়।
- নাম এসেছে প্রথম ছয়টি অক্ষর থেকে: Q-W-E-R-T-Y

• AZERTY:
- এই লেআউট টি ফ্রান্স, বেলজিয়ামে ব্যবহৃত হয়।
- এখানে A এবং Z দিয়ে শুরু হয়।

• QWERTZ:
- এই লেআউট টি জার্মানি ও মধ্য ইউরোপে ব্যবহৃত হয়।
- এখানে কীবোর্ডে  Y ও Z এর অবস্থান অদলবদল হয়।

তথ্যসূত্র: 
- KeyBoard layout, Microsoft.
- Introduction to Computers by Peter Norton.
৪১.
নিচের কোন আইপি অ্যাড্রেসটি ভুল?
  1. 8.8.8.8
  2. 172.16.0.1
  3. 192.168.256.1
  4. 127.0.0.1
সঠিক উত্তর:
192.168.256.1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
192.168.256.1
ব্যাখ্যা
• ভুল IP অ্যাড্রেসটি হলো গ) 192.168.256.1 একটি বৈধ IPv4 অ্যাড্রেসে চারটি অক্টেট থাকে এবং প্রতিটি অক্টেটের মান ০ থেকে ২৫৫-এর মধ্যে হতে পারে। এখানে "192.168.256.1" অ্যাড্রেসে তৃতীয় অক্টেটে ২৫৬ ব্যবহার করা হয়েছে, যা সীমার বাইরে এবং তাই এটি একটি অবৈধ IP অ্যাড্রেস। অন্যদিকে, "8.8.8.8" হলো গুগলের পাবলিক DNS সার্ভারের বৈধ আইপি, "172.16.0.1" হলো প্রাইভেট নেটওয়ার্ক রেঞ্জের মধ্যে একটি বৈধ অ্যাড্রেস, এবং "127.0.0.1" হলো লুপব্যাক অ্যাড্রেস, যা কম্পিউটারের নিজস্ব ঠিকানা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র গ) IP অ্যাড্রেসটি ভুল।

• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।

- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4× ৪ বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২.
ডাটাবেজের রেকর্ডগুলোকে সর্ট না করে কোন পদ্ধতিতে ক্রমানুসারে সাজানো যায়?
  1. ফিল্টারিং
  2. মার্জিং
  3. ইনডেক্সিং
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্সিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্সিং
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজের রেকর্ডগুলোকে সর্ট না করে যেভাবে ক্রমানুসারে সাজানো যায় তা হলো ইনডেক্সিং। ইনডেক্সিং পদ্ধতিতে ডাটাবেজের মূল রেকর্ডগুলোর অবস্থান অনুযায়ী একটি আলাদা ইনডেক্স টেবিল তৈরি করা হয়, যা নির্দিষ্ট একটি ফিল্ডের ভিত্তিতে (যেমন আইডি, নাম বা তারিখ) রেকর্ডগুলোকে সাজিয়ে রাখে। এতে ডাটাগুলোর ফিজিক্যাল অর্ডার পরিবর্তন না করেই ইউজার নির্ধারিত ক্রমে তথ্য অনুসন্ধান করা বা দেখানো যায়। এই পদ্ধতিতে অনুসন্ধান অনেক দ্রুত হয় এবং বড় ডাটাবেজেও কার্যকারিতা বজায় থাকে। তাই, ইনডেক্সিং হলো এমন একটি কার্যকরী পদ্ধতি যার মাধ্যমে রেকর্ডগুলোকে সর্ট না করেও কার্যকরভাবে সাজানো যায়।

• ইনডেক্সিং: 
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং। 
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো। 
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।

- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। তবে- 
• সর্ট করা ফাইলকে অন্য নামে ডাটাবেজ ফাইল হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। 
• সাধারণ কী ফিল্ডের উপর ইনডেক্স করা হয়। 
• পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে সর্ট করা ফাইলে তা আপডেট হয় না। 
- সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। 
- পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়। 
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর, সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়। 

• ইনডেক্সিং-এর সুবিধাসমূহ: 
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধাগুলো হলো- 
১। ডাটা সাজানোর জন্য সময় কম লাগে। 
২। ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর নতুন রেকর্ড যুক্ত করা হলে তা নিজে থেকেই সাজানো হয়ে যায়। 
৩। ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর একটি ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। 
8। একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি সহজ হয়। 

• ইনডেক্সিং-এর অসুবিধাসমূহ: 
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও আছে- 
১। ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ডগুলোকে সাজানো হলে মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। 
২। সর্টেড ডাটাগুলো নিয়ে ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয়। 
৩। ইনডেক্স ফাইলকে সংরক্ষণ করার জন্য কম্পিউটারের স্মৃতিতে অতিরিক্ত জায়গা লাগে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩.
কোন বৈশিষ্ট্যটি সুপারকম্পিউটারকে সাধারণ কম্পিউটার থেকে আলাদা করে?
  1. বিল্ট-ইন কীবোর্ড
  2. বেশি স্টোরেজ স্পেস
  3. উচ্চতর প্রসেসিং গতি
  4. বড় স্ক্রিন সাইজ
সঠিক উত্তর:
উচ্চতর প্রসেসিং গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চতর প্রসেসিং গতি
ব্যাখ্যা
• সুপারকম্পিউটারকে সাধারণ কম্পিউটার থেকে আলাদা করে যে বৈশিষ্ট্যটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো উচ্চতর প্রসেসিং গতি। সুপারকম্পিউটারগুলি বিপুল পরিমাণ তথ্য অত্যন্ত দ্রুত বিশ্লেষণ ও প্রক্রিয়াজাত করতে সক্ষম, যা সাধারণ কম্পিউটারের পক্ষে সম্ভব নয়। এই ধরনের কম্পিউটার একসাথে লাখো কোর ব্যবহার করে জটিল গাণিতিক হিসাব, জলবায়ু মডেলিং, পারমাণবিক গবেষণা বা মহাকাশ গবেষণার মতো কাজ সম্পাদন করে থাকে। যেখানে সাধারণ কম্পিউটার দৈনন্দিন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়, সেখানে সুপারকম্পিউটার বিশাল ডেটা সেট নিয়ে কাজ করার জন্য ডিজাইন করা। তাই, গ) উচ্চতর প্রসেসিং গতি-ই সুপারকম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও পার্থক্যসূচক বৈশিষ্ট্য।

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটারে একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এই ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ তথ্য সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমরি এবং উচ্চ ক্ষমতার প্রক্রিয়াকরণ সুবিধা থাকে।
- সুপার কম্পিউটারে একাধিক প্রসেসর একযোগভাবে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক এবং প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সুপার কম্পিউটারগুলি সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিশাল তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান এবং ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পরমাণু চুল্লির নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ হিসেবে রয়েছে ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY-XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪.
Kaspersky মূলত কী হিসেবে পরিচিত?
  1. সাইবার নিরাপত্তা এবং অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
  2. সঙ্গীত সম্প্রচার সেবা
  3. অনলাইন কেনাকাটার সেবা
  4. আর্থিক বিনিয়োগ পরামর্শ
সঠিক উত্তর:
সাইবার নিরাপত্তা এবং অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার নিরাপত্তা এবং অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
• Kaspersky মূলত একটি রাশিয়ান সাইবার নিরাপত্তা কোম্পানি হিসেবে পরিচিত, যা অ্যান্টিভাইরাস এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সফটওয়্যার তৈরিতে বিশেষজ্ঞ। এটি ১৯৯৭ সালে Eugene Kaspersky দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বর্তমানে বিশ্বব্যাপী মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারী ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এই সফটওয়্যারে নিরাপত্তা পায়। Kaspersky-এর প্রধান পণ্য হলো অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম, যা ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার, র‍্যানসমওয়্যার এবং অন্যান্য অনলাইন হুমকি থেকে ব্যবহারকারীর ডিভাইসকে রক্ষা করে। এছাড়াও এটি ইন্টারনেট সিকিউরিটি, পাসওয়ার্ড ম্যানেজার এবং শিশুদের জন্য নিরাপদ ব্রাউজিং-এর মতো সেবাও প্রদান করে। তাই, সঠিক উত্তর হলো: ক) সাইবার নিরাপত্তা এবং অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- Kaspersky,
- Norton Antivirus,
- McAfee,
- Bitdefender,

- Avast,
- AVG Antivirus,
- ESET NOD32,
- Trend Micro,

- Sophos,
- Windows Defender (Microsoft Defender),
- F-Secure,
- Panda Security,

- Comodo Antivirus,
- Malwarebytes,
- ZoneAlarm,
- Avira,

- Adaware Antivirus,
- BullGuard,
- Emsisoft Anti-Malware,
- IObit Malware Fighter, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৪৫.
EMTS ব্যবহার করার জন্য কোন ডিভাইস সাধারণত ব্যবহৃত হয়?
  1. এটিএম
  2. টেলিভিশন
  3. প্রিন্টার
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
এটিএম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটিএম
ব্যাখ্যা
• EMTS বা Electronic Money Transfer Service ব্যবহার করার জন্য সাধারণত ATM (Automated Teller Machine) ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়। ATM হল একটি ইলেকট্রনিক মেশিন যা ব্যবহারকারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে নগদ টাকা উত্তোলন, ব্যালেন্স চেক করা, এবং অন্যান্য ব্যাংকিং কার্যক্রম সহজে ও দ্রুত সম্পন্ন করতে সাহায্য করে। এটি ইলেকট্রনিক পেমেন্ট সিস্টেমের অংশ এবং টাকা স্থানান্তরের জন্য একটি নিরাপদ ও সুবিধাজনক মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। অন্যদিকে, টেলিভিশন এবং প্রিন্টার EMTS ব্যবহার করার জন্য উপযোগী নয়, কারণ এগুলো তথ্য প্রদর্শন বা মুদ্রণের কাজ করে, আর EMTS-এর জন্য অর্থ স্থানান্তর প্রয়োজন হয়, যা ATM দ্বারা সুষ্ঠুভাবে সম্পাদিত হয়। তাই EMTS ব্যবহারে ATM সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস।

• ইএমটিএস: 
- EMTS এর পূর্ণরূপ Electronic Money Transfer Service.
- ইএমটিএস বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি সেবা।
- ২৬ মার্চ ২০১০ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশব্যাপী ইলেকট্রনিক মানি ট্রন্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) এর উদ্বোধন করেন
- বর্তমানে এ সার্ভিসের মাধ্যমে খুবই স্বল্প কমিশনের (০.৫০%) বিনিময়ে লেনদেন করা যায়।
-বাংলাদেশ ডাক বিভাগে ২৮১১ টি পোস্ট অফিসে এ সার্ভিস চালু রয়েছে।
- ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) National Digital Innovation Award ২০১১ তে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইএমটিএস e-Finance ক্যাটাগরীতে Champion হয়।
- দেশের অভ্যন্তরে কম খরচে ও দ্রুত সময়ে টাকা পাঠানোর একটি মাধ্যম হলো ইএমটিএস।
- এই ই-সেবটির মাধ্যমে ১ মিনিটে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পাঠানো যায়।
- এক হাজার টাকা পাঠানোর খরচ ১০ টাকা। পরবর্তী ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতি হাজারে খরচ ৫ টাকা।

উৎস:
১. ডাক অধিদপ্তর।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬.
"Pen Drive" কোন ধরনের মেমরি?
  1. সহায়ক মেমরি
  2. প্রাইমারি মেমরি
  3. ইন্টারনাল মেমরি
  4. ক্যাশ মেমরি
সঠিক উত্তর:
সহায়ক মেমরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহায়ক মেমরি
ব্যাখ্যা
• "Pen Drive" হলো একটি বহনযোগ্য স্টোরেজ ডিভাইস, যা সাধারণত ফ্ল্যাশ মেমরি ব্যবহার করে তথ্য সংরক্ষণ করে। এটি কম্পিউটারের প্রধান বা প্রাইমারি মেমরি নয়, কারণ এটি সরাসরি প্রসেসরের সাথে কাজ করে না। এটি ইন্টারনাল মেমরির অংশও নয়, কারণ এটি কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে সংযুক্ত থাকে না। ক্যাশ মেমরির তুলনায় এটি অনেক ধীর এবং বড় আকারের ডেটা সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। তাই, Pen Drive হলো একটি সহায়ক মেমরি, যা ডেটা সংরক্ষণ এবং স্থানান্তরের কাজে ব্যবহৃত হয়, যা প্রধান মেমরি ছাড়াও কম্পিউটারের সাথে তথ্য বিনিময় সম্ভব করে।

• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়। 
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।

• সহায়ক মেমরির উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি,
- ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- জিপ ড্রাইভ,
- ম্যাগনেটিক টেপ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭.
মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টে F5 কী কাজ করে?
  1. ফাইন্ড ডায়ালগ বাক্স খোলা
  2. স্লাইডশো শুরু থেকে চালু করা
  3. প্রেজেন্টেশন সেভ করা
  4. নতুন স্লাইড যোগ করা
সঠিক উত্তর:
স্লাইডশো শুরু থেকে চালু করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্লাইডশো শুরু থেকে চালু করা
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টে F5 কীটি ব্যবহার করা হয় প্রেজেন্টেশন বা স্লাইডশো শুরু থেকে চালানোর জন্য। অর্থাৎ, যখন আপনি F5 চাপেন, তখন আপনার পুরো স্লাইডশোটি প্রথম স্লাইড থেকে পুরো পর্দায় প্রদর্শিত হয়। এটি বিশেষভাবে উপকারী যখন আপনি একটি প্রস্তুত প্রেজেন্টেশন দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করতে চান এবং স্লাইডগুলো ধারাবাহিকভাবে দেখাতে চান। F5 কী চাপলে আপনি সম্পূর্ণ স্লাইডশো মোডে চলে যান, যা প্রেজেন্টেশনের সময় মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে। তাই, F5 কী মূলত “স্লাইডশো শুরু থেকে চালু করা” কাজটি করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (খ) স্লাইডশো শুরু থেকে চালু করা।

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়। (প্রেজেন্টেশন বা স্লাইডশো শুরু)।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮.
সাধারণত SATA কেবল কোন ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগের জন্য ব্যবহার করা হয়?
  1. সিপিইউ এবং র‍্যাম
  2. মাদারবোর্ড এবং জিপিইউ
  3. হার্ড ড্রাইভ ও এসএসডি থেকে মাদারবোর্ডে
  4. পাওয়ার সাপ্লাই থেকে মাদারবোর্ডে
সঠিক উত্তর:
হার্ড ড্রাইভ ও এসএসডি থেকে মাদারবোর্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্ড ড্রাইভ ও এসএসডি থেকে মাদারবোর্ডে
ব্যাখ্যা
• সাধারণত SATA (Serial ATA) কেবল ব্যবহার করা হয় হার্ড ড্রাইভ এবং এসএসডি থেকে মাদারবোর্ডের মধ্যে ডেটা ট্রান্সফার করার জন্য। SATA কেবল একটি দ্রুত এবং দক্ষ ইন্টারফেস প্রদান করে, যা স্টোরেজ ডিভাইসগুলোর তথ্য মাদারবোর্ডে পাঠাতে সাহায্য করে, ফলে কম্পিউটারের ডেটা রিড এবং রাইট স্পিড বৃদ্ধি পায়। এটি সিপিইউ, র‍্যাম বা পাওয়ার সাপ্লাইয়ের সঙ্গে সংযোগের কাজে ব্যবহৃত হয় না। SATA কেবল মূলত স্টোরেজ ডিভাইসের জন্য বিশেষায়িত, যা কম্পিউটারের পারফরম্যান্স উন্নত করে এবং সিস্টেমের স্থিতিশীলতা বজায় রাখে। তাই সঠিক উত্তর হলো: হার্ড ড্রাইভ ও এসএসডি থেকে মাদারবোর্ডে।

• বিভিন্ন ধরনের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ:
- কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায় । এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ এবং 
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ। 

• সাটা (SATA):
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ সিরিয়াল আটা বা সাটার পুরো অর্থ হলো সিরিয়াল অ্যাডভান্স টেকনোলজি অ্যাটাচমেন্ট ড্রাইভ (SATA – Serial Advance Technology Attachment Drive)। 
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত ৭ পিনের হয়ে থাকে। এদের মধ্যে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য ৪ পিন দুইটি জোড়ায় থাকে এবং বাকি ৩ পিন গ্রাউন্ডেড অবস্থায় থাকে।
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত 300MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
- SATA হার্ডডিস্কগুলোকে সংযুক্ত করার জন্য SATA ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
- একটি সাটা ক্যাবলে শুধু একটি ড্রাইভই সংযুক্ত করা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।