পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন৫৩
সিলেবাস
৪৩তম বিসিএস সাবজেক্ট ফাইনাল - বাংলাদেশ বিষয়াবলী - টপিকগুলোর বিস্তারিত সিলেবাস বাটনে বা পিএসসির সিলেবাসেই পাবেন। ১) বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি ২) বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ ৩) বাংলাদেশের অর্থনীতি ৪) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য [১০০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৫৩ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের জাতীয় ফলের নাম কী?
  1. ক) আম
  2. খ) কাঁঠাল
  3. গ) লিচু
  4. ঘ) পেয়াঁরা
সঠিক উত্তর:
খ) কাঁঠাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাঁঠাল
ব্যাখ্যা
- জাতীয় ফল : কাঁঠাল
- জাতীয় পাখি : দোয়েল
- জাতীয় গাছ : আম গাছ
- জাতীয় মাছ : ইলিশ
- জাতীয় ফুল : শাপলা
- জাতীয় পশু : রয়েল বেঙ্গল টাইগার
- জাতীয় দিবস : ২৬শে মার্চ।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া)
.
শশাঙ্ক কোন শতকে উত্তর বাংলায় স্বাধীন গৌড়রাজ্য গড়ে তোলেন?
  1. ক) সপ্তম শতক
  2. খ) অষ্টম শতক
  3. গ) নবম শতক
  4. ঘ) পঞ্চম শতক
সঠিক উত্তর:
ক) সপ্তম শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সপ্তম শতক
ব্যাখ্যা
- সপ্তম শতকের প্রারম্ভে বাংলার প্রথম স্বাধীন নৃপতি শশাঙ্ক উত্তর বাংলায় একটি শক্তিশালী স্বাধীন রাজ্য গড়ে তোলেন যা ‘গৌড়রাজ্য’ নামে পরিচিত। এই রাজ্যের রাজধানী ছিলো মুর্শিদাবাদ জেলার নিকটবর্তী কর্ণসুবর্ণ।
- উত্তর বাংলা থেকে উড়িষ্যা পর্যন্ত স্বাধীন গৌড়রাজ্যের বিস্তৃতি ছিলো।
- ৫৯৪ খ্রি. থেকে ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শশাঙ্ক গৌড়রাজ্য শাসন করেন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
কার সময়ে বঙ্গভঙ্গ করা হয়?
  1. ক) লর্ড মিন্টো
  2. খ) লর্ড হার্ডিঞ্জ
  3. গ) লর্ড কার্জন
  4. ঘ) লর্ড মন্টেগু
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড কার্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর তৎকালীন বড়লাট লর্ড কার্জন বিশাল বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করেন যা ‘বঙ্গভঙ্গ’ নামে পরিচিত।
- কিন্তু কংগ্রেস ও বর্ণহিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের তীব্র বিরোধিতা করে এবং সহিংস আন্দোলন শুরু করে। ফলে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে লর্ড হার্ডিঞ্জের সময়ে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- এতে করে ১৯১২ সালের ১ এপ্রিল পুনরায় দুই বাংলা একত্রিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
কোন ঘটনার ফলে ভারতের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে?
  1. ক) নীল বিদ্রোহ
  2. খ) বঙ্গভঙ্গ
  3. গ) সিপাহি বিদ্রোহ
  4. ঘ) কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
গ) সিপাহি বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিপাহি বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
- সিপাহি বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়।
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে মঙ্গলপাণ্ডে নামে এক সিপাহী কর্তৃক গুলি বর্ষণের মাধ্যমে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে তা ভারতবর্ষের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
- তবে এ বিদ্রোহের ফলে ভারতে কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে। ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার সরাসরি তার হাতে নিয়ে নেয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
নিচের কোনটি প্রাচীন বাংলার জনপদ নয়?
  1. ক) বঙ্গ
  2. খ) হরপ্পা
  3. গ) পুণ্ড্র
  4. ঘ) রাঢ়
সঠিক উত্তর:
খ) হরপ্পা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হরপ্পা
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন যুগে বাংলা কোন একক বা অখণ্ড রাষ্ট্র ছিলো না। সমগ্র বাংলা তখন কতগুলো ছোট ছোট অংশে বিভক্ত ছিলো। এসব ছোট ছোট অংশ ‘জনপদ’ নামে পরিচিত।
- প্রাচীন শিলালিপি ও সাহিত্যগ্রন্থে প্রাচীন বাংলায় প্রায় ষোলটি জনপদের উল্লেখ পাওয়া যায়।
প্রাচীন বাংলার জনপদ সমূহ:
- পুণ্ড্র
- বঙ্গ
- বরেন্দ্র
- সমতট
- হরিকেল
- রাঢ়
- চন্দ্রদ্বীপ
- তাম্রলিপ্ত
- গঙ্গারিডাই
- গৌড় প্রভৃতি।
- হরপ্পা প্রাচীন বাংলার জনপদ নয়। এটি সিন্ধু সভ্যতার একটি বিখ্যাত নগর।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
মাৎস্যন্যায় অবস্থার অবসান ঘটান কে?
  1. ক) শশাঙ্ক
  2. খ) গণেশ
  3. গ) হেমন্ত সেন
  4. ঘ) গোপাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) গোপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গোপাল
ব্যাখ্যা
- ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে শশাঙ্কের মৃত্যুর পর যোগ্য শাসকের অভাবে বাংলায় অরাজকতা দেখা দেয়। সর্বত্র অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা, লুটতরাজ প্রভৃতিতে ছেয়ে যায়। ঐতিহাসিকরা এ অবস্থাকে ‘মাৎস্যন্যায়’ হিসেবে অভিহিত করেন।
- পুকুরে যেমন বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে, এ সময়ে বাংলার অবস্থাও তেমনটিই ছিলো। যার কারণে এ সময়কে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলা হয়।
- ৭ম শতকের মাঝামাঝি থেকে ৮ম শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রায় ১০০ বছর এ অবস্থা বিরাজমান ছিলো।
- ৭৫০ সালে গোপাল কর্তৃক পাল শাসনের সূত্রপাতের মাধ্যমে মাৎস্যন্যায় অবস্থার অবসান হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
নালন্দা মহাবিহার ভারতের কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) উড়িষ্যা
  2. খ) বিহার
  3. গ) পশ্চিমবঙ্গ
  4. ঘ) কর্ণাটক
সঠিক উত্তর:
খ) বিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিহার
ব্যাখ্যা
- ভারতের বিহারে অবস্থিত নালন্দা মহাবিহার প্রাচীন ভারতের একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র। এটিকে পৃথিবীর প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় বিবেচনা করা হয়।
- বাঙালি বৌদ্ধ পণ্ডিত শীলভদ্র ৬৩৫ সালে নালন্দা মহাবিহারের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ শীলভদ্রের নিকট শিক্ষা লাভ করেন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
.
বাংলার সর্বশেষ পাল রাজা কে?
  1. ক) মহীপাল
  2. খ) মদনপাল
  3. গ) রামপাল
  4. ঘ) কুমারপাল
সঠিক উত্তর:
খ) মদনপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মদনপাল
ব্যাখ্যা
- বাংলার পাল রাজবংশের সর্বশেষ রাজা হলেন মদনপাল। তিনি ১১৪৩ খ্রি. থেকে ১১৬১ খ্রি. পর্যন্ত শাসন করেন।
- মদনপালকে পরাজিত করে বিজয় সেন উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম বাংলায় সেন শাসনের সূচনা করেন।
- পাল বংশ প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ যারা প্রায় চারশ বছর বাংলা শাসন করে।
- ৭৫০ সালে গোপাল মাৎস্যনায় অবস্থার অবসান ঘটিয়ে পাল শাসনের সূত্রপাত করেন। গোপাল ৭৫০ খ্রি. থেকে ৭৮১ খ্রি. পর্যন্ত শাসন করেন।
- পাল বংশের শ্রেষ্ঠতম শাসক ছিলেন ধর্মপাল। তিনি প্রায় (৭৮১-৮২১ খ্রি.) ৪০ বছর বাংলা শাসন করেন। তার উপাধি ছিলো পরমেশ্বর, পরমভট্টারক, মহারাজাধিরাজ প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে উপমহাদেশে সবার শেষে আগমন করে কারা?
  1. ক) দিনেমার
  2. খ) ওলন্দাজ
  3. গ) ইংরেজ
  4. ঘ) ফরাসি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফরাসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফরাসি
ব্যাখ্যা
- ১৪৯৮ সালে পর্তুগিজ নাবিক ‘ভাস্কো দা গামা’ ইউরোপ থেকে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করার পর থেকে উপমহাদেশে ইউরোপীয় বণিকদের আগমন শুরু হয়।
- ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরা প্রথম উপমহাদেশে আগমন করে। পরবর্তীতে ইংরেজ, ওলন্দাজ বা ডাচ, দিনেমার বা ডেনিশদের আগমন ঘটে।
- সবার শেষে আগমন করেন ফরাসিরা। ১৬৬৪ সালে ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়।
- ১৬৬৮ সালে ফরাসিরা সুরাটে প্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১০.
খিলাফত আন্দোলনের যুগপৎ কোন আন্দোলনটি সংঘটিত হয়?
  1. ক) স্বদেশী আন্দোলন
  2. খ) অসহযোগ আন্দোলন
  3. গ) ভারত ছাড় আন্দোলন
  4. ঘ) আলীগড় আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
খ) অসহযোগ আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অসহযোগ আন্দোলন
ব্যাখ্যা
- ১৯২০ সালে সেভার্স চুক্তির অধীনে ব্রিটিশ সরকার মুসলমানদের খেলাফত অটোমান সাম্রাজ্যকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিলে এর বিরুদ্ধে ভারতীয়রা যে আন্দোলন গড়ে তোলে তা খেলাফত আন্দোলন নামে পরিচিত।
- মাওলানা মুহাম্মদ আলী, মাওলানা শওকত আলী, আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ খেলাফত আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।
- একই সময়ে চেমসফোর্ড-মন্টেগু সংস্কার আইন, রাওলাট আইন, জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড প্রভৃতি ইস্যুতে কংগ্রেসের নেতৃত্বে দেশব্যাপী অসহযোগ আন্দোলন পরিচালিত হয়।
- এ দুটি আন্দোলন তখন সমগ্র ভারতবর্ষে ব্যাপক সাড়া ফেলে। ১৯২৪ সালে কামাল আতাতুর্ক তুরস্কের খেলাফত বিলুপ্ত করলে খেলাফত আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১১.
সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ হয় কত সালে?
  1. ক) ১৮২৫ সালে
  2. খ) ১৮২৮ সালে
  3. গ) ১৮২৯ সালে
  4. ঘ) ১৮৩৯ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮২৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮২৯ সালে
ব্যাখ্যা
- সতীদাহ প্রথা হলো হিন্দু সমাজের একটি প্রথা যেখানে স্বামীর শবের সাথে বিধবা স্ত্রীকেও দাহ করা হতো।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৯ সালে আইনের মাধ্যমে সতীদাহ প্রথা রহিত করেন।
- তবে এ প্রথা পুরোপুরি বন্ধ হয় উনিশ শতকের শেষ দিকে। রাজা রামমোহন রায় সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১২.
কোন পত্রিকাটি তমুদ্দিন মজলিশের ‍মুখপাত্র হিসেবে প্রকাশিত হতো?
  1. ক) সংবাদ
  2. খ) মিল্লাত
  3. গ) সৈনিক
  4. ঘ) ইত্তেফাক
সঠিক উত্তর:
গ) সৈনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সৈনিক
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর তমুদ্দিন মজলিসের মুখপাত্র হিসেবে সাপ্তাহিক ‘সৈনিক’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
- শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর। ঢাকার আজিমপুর রোডের ১৯ নং বাড়ি থেকে পত্রিকাটি প্রকাশিত হতো।
- ১৯৬১ সাল পর্যন্ত পত্রিকাটি চালু ছিল।
- তমুদ্দিন মজলিশ ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৩.
কত সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়?
  1. ক) ১৯৫৩ সালে
  2. খ) ১৯৫৫ সালে
  3. গ) ১৯৫৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৫ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
এর প্রথম কমিটি:
- সভাপতি : মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
- সাধারণ সম্পাদক : শামসুল হক
- সহ সভাপতি : আতাউর রহমান খান
- সহ সভাপতি : আব্দুস সালাম খান
- যুগ্ম সম্পাদক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
- ১৯৫৩ সালের ৩-৫ জুলাই আওয়ামী মুসলিম লীগের দ্বিতীয় সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি টানা চারবার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৬৬ সালের মার্চে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৫৫ সালের আওয়ামী মুসলিম লীগের তৃতীয় সম্মেলনে দলটির নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট)
১৪.
নিচের কোনটি নৌ সেক্টর ছিলো?
  1. ক) ৮ নং সেক্টর
  2. খ) ৯ নং সেক্টর
  3. গ) ১০ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১১ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে ‍মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এর মধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর। দেশের সমুদ্র অঞ্চল ও নদীপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- এই সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১৫.
অপারেশন জ্যাকপট পরিচালিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭১ সালের ১০ জুলাই
  2. খ) ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট
  3. গ) ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট
  4. ঘ) ১৯৭১ সালের ২৫ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের ‍মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে পরিচিত।
- এইদিন নৌ-কমান্ডোরা একযোগে চট্টগ্রাম, মংলা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ বন্দরে পাকবাহিনীর উপর হামলা চালায়। এতে পাকবাহিনীর ২৬টি নৌযান ধ্বংস হয়।
- মোট ১৪৮ জন নৌ-কমান্ডোরা চারটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে এই অপারেশনে অংশ নেয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১৬.
মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্যে প্রদত্ত সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. ক) বীরউত্তম
  2. খ) বীরবিক্রম
  3. গ) বীরশ্রেষ্ঠ
  4. ঘ) বীরপ্রতীক
সঠিক উত্তর:
গ) বীরশ্রেষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বীরশ্রেষ্ঠ
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।
- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)।

অর্থ্যাৎ, স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে।
এর মধ্য,
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- বীর উত্তম: ৬৭ জন
- বীরবিক্রম : ১৭৪ জন
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো)
১৭.
২১ দফা কোন প্রেক্ষাপটে প্রণীত হয়েছিলো?
  1. ক) বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
  2. খ) চুয়ান্নর প্রাদেশিক নির্বাচন
  3. গ) বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
  4. ঘ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
খ) চুয়ান্নর প্রাদেশিক নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চুয়ান্নর প্রাদেশিক নির্বাচন
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ২১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- এর প্রথম দফা বা দাবী ছিলো বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
এছাড়া অন্যান্য দাবীর মধ্যে ছিলো:
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা
- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৮.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
  1. ক) এস এম সুলতান
  2. খ) হামিদুর রহমান
  3. গ) কামরুল হাসান
  4. ঘ) এ এন সাহা
সঠিক উত্তর:
গ) কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান। ১৯৭২ সালে কামরুল হাসান সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের জাতীয় পতাকার নকশা করেন।
- এর পূর্বে ব্যবহৃত মানচিত্র খচিত পতাকাটি সিরাজুল আলম খানের নির্দেশে ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের ১১৬ নং কক্ষে আ. স. ম. আবদুর রব, শাজাহান সিরাজ, শিবনারায়ণ দাস প্রমুখ মিলে চূড়ান্ত করেন।
- এই পতাকাটি ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ. স. ম. আবদুর রব প্রথম উত্তোলন করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের ২৩শে মার্চ বাংলাদেশের সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকা’র পরিবর্তে লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৯.
'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি' গানটির গীতিকার কে?
  1. ক) নজরুল ইসলাম বাবু
  2. খ) গোবিন্দ হালদার
  3. গ) ফজলে এ খোদা
  4. ঘ) গাজী মাজহারুল আনোয়ার
সঠিক উত্তর:
খ) গোবিন্দ হালদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গোবিন্দ হালদার
ব্যাখ্যা
- 'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি' গানটির গীতিকার গোবিন্দ হালদার।
- এটি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়। এতে কণ্ঠ দেন আপেল মাহমুদ।
গোবিন্দ হালদারের অন্যান্য জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে:
- এক সাগর রক্তের বিনিময়ে
- পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে ইত্যাদি৷
(তথ্যসূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো)
২০.
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয় কত তারিখে?
  1. ক) ০১ ডিসেম্বর
  2. খ) ১০ ডিসেম্বর
  3. গ) ১৪ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১৫ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসররা বাঙালি সাহিত্যিক, সাংবাদিক, ডাক্তার, শিক্ষক প্রমুখ পেশার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা ও গুম করে।
- এর উদ্দেশ্য ছিলো বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করা। তাই এ দিনটিকে স্বাধীন বাংলাদেশে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২১.
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের পর পশ্চিম পাকিস্তান নিয়ে যাওয়া হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ
  2. খ) ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ
  3. গ) ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ
  4. ঘ) ১৯৭১ সালের ৩১ মার্চ
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ দিবাগত রাত একটা থেকে দেড়টার মধ্যে বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে প্রথমে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যায়।
- এর তিনদিন পর ২৯শে মার্চ বঙ্গবন্ধুকে পশ্চিম পাকিস্তানে (করাচি) নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বঙ্গবন্ধুকে লায়ালপুরে (বর্তমান ফয়সালাবাদ) মিয়ানওয়ালি জেলে আটক রাখা হয়।
- ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানী কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে ১০ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বিবিসি বাংলা আর্কাইভ।)
২২.
নিচের কোন জেলায় চা বাগান রয়েছে?
  1. ক) ঠাকুরগাঁও
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) খাগড়াছড়ি
  4. ঘ) সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ক) ঠাকুরগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনে দেশে মোট ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে।
এর মধ্যে,
- মৌলভীবাজারে : ৯১টি
- হবিগঞ্জে : ২৫টি
- চট্টগ্রামে : ২১টি
- সিলেটে : ১৯টি
- পঞ্চগড়ে : ৮টি
- রাঙামাটিতে : ২টি
- ঠাকুরগাঁওয়ে : ১টি।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট)
২৩.
মোহর ও শুভ্রা কোন ফসলের জাত?
  1. ক) সরিষা
  2. খ) ভুট্টা
  3. গ) গম
  4. ঘ) আলু
সঠিক উত্তর:
খ) ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভুট্টা
ব্যাখ্যা
- মোহর ও শুভ্রা হলো ভুট্টার দুটো জাত।
- ভুট্টার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- বর্ণালি
- উত্তরণ
- খই ভুট্টা
- বারি ভুট্টা ইত্যাদি।
(তথ্যসূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস)
২৪.
নিচের কোন দুটি সরিষার জাত?
  1. ক) সোনালি ও কল্যাণীয়া
  2. খ) সোনালিকা ও আকবর
  3. গ) গ্রানোলা ও বিনেলা
  4. ঘ) অগ্রদূত ও প্রভাতী
সঠিক উত্তর:
ক) সোনালি ও কল্যাণীয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সোনালি ও কল্যাণীয়া
ব্যাখ্যা
- সোনালি ও কল্যাণীয়া হলো দুটি উন্নত জাতের সরিষার জাত।
সরিষার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- সফল
- অগ্রণী
- টরি-৭
- দৌলত
- বিনা সরিষা ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- সোনালিকা ও আকবর : গমের জাত
- অগ্রদূত ও প্রভাতী : বাঁধাকপির জাত
- গ্রানোলা ও বিনেলা : আলুর জাত।
(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট এবং কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই)
২৫.
২০২০-২০২১ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে প্রাণিজ সম্পদ খাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ক) ১.৪৪ শতাংশ
  2. খ) ১.৬৯ শতাংশ
  3. গ) ৩.৫৭ শতাংশ
  4. ঘ) ৬.৭৭ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ক) ১.৪৪ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১.৪৪ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বিবিএস প্রকাশিত তথ্যানুসারে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান:
- কৃষিখাত : ১৩.৪৭ শতাংশ
- শিল্পখাত : ৩৪.৯৯ শতাংশ
- সেবাখাত : ৫১.৫৩ শতাংশ।
কৃষিখাতের উপখাত সমূহের অবদান:
- শস্য ও উদ্যানচাষ : ৬.৭৭ শতাংশ
- প্রাণিজ সম্পদ : ১.৪৪ শতাংশ
- বনজ সম্পদ : ১.৬৯ শতাংশ
- মৎস্য সম্পদ : ৩.৫৭ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
২৬.
বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) সুনামগঞ্জ
  2. খ) বগুড়া
  3. গ) কিশোরগঞ্জ
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশে মোট ৪৭.৫৪ লক্ষ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়।
- মোট ধান উৎপাদনের পরিমাণ ২০১.৮১ লক্ষ মেট্রিক টন।
বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ তিন জেলা:
- প্রথম : ময়মনসিংহ (১০.৮৬ লক্ষ মে. টন)
- দ্বিতীয় : সুনামগঞ্চ (৮.৬৩ লক্ষ মে. টন)
- তৃতীয় : বগুড়া (৮.০২ লক্ষ মে. টন)।
(তথ্যসূত্র: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর)
২৭.
‘দোয়েল’ কোন ফসলের জাত?
  1. ক) ভুট্টা
  2. খ) গম
  3. গ) ধান
  4. ঘ) তামাক
সঠিক উত্তর:
খ) গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে চাষকৃত গমের জাতসমূহ:
- দোয়েল
- বলাকা
- কাঞ্চন
- আকবর
- সোনালিকা
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
২৮.
শীতকালে কোন বনভূমির পাতা ঝড়ে যায়?
  1. ক) সিলেট অঞ্চলের বনভূমি
  2. খ) সুন্দরবন
  3. গ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
  4. ঘ) পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
গ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
- এই বনের প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারী।
(তথ্যসূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
২৯.
কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঝিনাইদহ
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
- কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার ঢাকার সাভারে অবস্থিত একটি সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানে উন্নত জাতের ষাঁড়ের জাত উন্নয়ন এবং পশুখাদ্য বিষয়ে গবেষণা করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার ওয়েবসাইট)
৩০.
বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) চাঁদপুর
  3. গ) ফরিদপুর
  4. ঘ) সিরাজগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।
- শুরুতে এটির কার্যক্রম ঢাকাস্থ গ্রীনরোড থেকে পরিচালিত হতো।
- ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হাইড্রোলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরিকে একীভূত করে ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট যারা শুরু করে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
৩১.
সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ কোনটি?
  1. ক) গেওয়া
  2. খ) সুন্দরী
  3. গ) গোলপাতা
  4. ঘ) ধুন্দল
সঠিক উত্তর:
খ) সুন্দরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুন্দরী
ব্যাখ্যা
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- গোলপাতা ইত্যাদি।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩২.
নিচের কোনটি শীতকালীন শস্য উৎপাদন মৌসুম?
  1. ক) বৈশাখ থেকে শ্রাবণ
  2. খ) ফাল্গুন থেকে জ্যৈষ্ঠ
  3. গ) কার্তিক থেকে ফাল্গুন
  4. ঘ) আষাঢ় থেকে কার্তিক
সঠিক উত্তর:
গ) কার্তিক থেকে ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্তিক থেকে ফাল্গুন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে প্রধানত দুটো মৌসুমে ফসল উৎপাদিত হয়। একটি হলো খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন এবং অপরটি হলো রবি বা শীতকালীন।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন বা অক্টোবর থেকে মার্চ সময়েকে রবি মৌসুম ধরা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি রবি মৌসুমের প্রধান ফসল।
- এছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, লাউ, টমেটো, গাজর, আলু প্রভৃতির চাষাবাদও রবি মৌসুমে হয়ে থাকে।
(তথ্যসূত্রঃ কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই)
৩৩.
বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঈশ্বরদী, পাবনা
  2. খ) নশিপুর, দিনাজপুর
  3. গ) শিবগঞ্জ, বগুড়া
  4. ঘ) সাভার, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
খ) নশিপুর, দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নশিপুর, দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট দিনাজপুর জেলার নশিপুরে অবস্থিত। এটি ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে একটি গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে এটির অধীনে ৫টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ২টি বীজ উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
৩৪.
নিচের কোন জেলায় সরকারি সংরক্ষিত বনভূমি নেই?
  1. ক) শেরপুর
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) নোয়াখালী
  4. ঘ) হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
খ) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মোট ৩৫টি জেলায় সরকারি মোট বনভূমি রয়েছে যার পরিমাণ ২৫,৭৫১.৯৬ বর্গ কিলোমিটার (শতকরা ১৭.৪৫ ভাগ)।
- এর মধ্যে সরকারি সংরক্ষিত বনভূমির পরিমাণ ১৩,৩৯৯ বর্গকিলোমিটার (শতকরা ১২.৭৪ ভাগ)।
- শেরপুর, নোয়াখালী ও হবিগঞ্জসহ দেশের মোট ২৯টি জেলায় সংরক্ষিত বনভূমি রয়েছে।
- রাজশাহী জেলায় সরকারি কিংবা সংরক্ষিত বনভূমি নেই।
(তথ্যসূত্র: বিবিএস পকেটবুক-২০২০)
৩৫.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল নয়?
  1. ক) আখ
  2. খ) তৈলবীজ
  3. গ) তামাক
  4. ঘ) চা
সঠিক উত্তর:
খ) তৈলবীজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তৈলবীজ
ব্যাখ্যা
- যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলা হয়।
বাংলাদেশের অর্থকরী ফসলসমূহ:
- পাট
- চা
- আখ বা ইক্ষু
- তামাক
- তুলা
- রাবার
- ফুল প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- তৈলবীজ হলো খাদ্যশস্য।
(তথ্যসূত্রঃ ‍ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩৬.
বাংলাদেশে বার্ষিক গম উৎপাদনের পরিমাণ কত?
  1. ক) ১০.২৫ লক্ষ মেট্রিক টন
  2. খ) ১২.৪৬ লক্ষ মেট্রিক টন
  3. গ) ১৩.৯৮ লক্ষ মেট্রিক টন
  4. ঘ) ১৪.৩১ লক্ষ মেট্রিক টন
সঠিক উত্তর:
খ) ১২.৪৬ লক্ষ মেট্রিক টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১২.৪৬ লক্ষ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশে মোট গম উৎপাদনের পরিমাণ ১২.৪৬ লক্ষ মেট্রিক টন। গম চাষের আওতাধীন জমির পরিমাণ ৩.৪২ লক্ষ হেক্টর।
গম উৎপাদনে শীর্ষ তিন জেলা:
- প্রথম : ঠাকুরগাও (১.৮৯ লক্ষ টন)
- দ্বিতীয় : চাপাইনবাবগঞ্জ (১.০৩ লক্ষ টন)
- তৃতীয় : পাবনা (০.৯৯ লক্ষ মে. টন)।
(তথ্যসূত্র: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর)
৩৭.
বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রধান কার্প জাতীয় মাছ কোনটি?
  1. ক) কাতলা
  2. খ) রুই
  3. গ) সিলভার কার্প
  4. ঘ) মৃগেল
সঠিক উত্তর:
খ) রুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রুই
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে মোট স্বাদুপানির মাছ উৎপাদিত হয় ৩৭.২৪ লক্ষ মেট্রিক টন। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কার্প জাতীয় মাছের পরিমাণ ১৪.৬৮ লক্ষ মেট্রিক টন।
বিভিন্ন কার্প জাতীয় মাছের উৎপাদন:
- রুই : ৩.৯৩ লক্ষ টন
- সিলভার : ২.৫৩ লক্ষ টন
- মৃগেল : ২.৪২ লক্ষ টন
- কাতলা : ২.৪০ লক্ষ টন
- মিরর কার্প : ১.২৪ লক্ষ টন
- গ্রাস কার্প : ৬৯ হাজার টন।
(তথ্যসূত্র: মৎস্য পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৮-১৯)
৩৮.
চলতি বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দের পরিমাণ কত?
  1. ক) ২,০৬,৬৮১ কোটি টাকা
  2. খ) ২,১৬,৭১৫ কোটি টাকা
  3. গ) ২,২৫,৩২৪ কোটি টাকা
  4. ঘ) ২,৩২,১৪৫ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
গ) ২,২৫,৩২৪ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২,২৫,৩২৪ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেট:
- মোট বাজেট : ৬,০৩,৬৮১ কোটি টাকা
- বাজেট জিডিপির : ১৭.৫ শতাংশ
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি : ২,২৫,৩২৪ কোটি টাকা
- রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা : ৩,৮৯,০০০ কোটি টাকা
- অনুদান ব্যতীত বাজেট ঘাটতি : ২,১৪,৬৮১ কোটি টাকা
- জিডিপির অনুমিত প্রবৃদ্ধি : ৭.২ শতাংশ
- অনুমিত মূল্যস্ফিতি : ৫.৩ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
৩৯.
২০২০-২০২১ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে স্থিলমূল্যে জিডিপিতে কোন খাতে সর্বাধিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে?
  1. ক) কৃষিখাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) মৎসখাত
  4. ঘ) সেবাখাত
সঠিক উত্তর:
খ) শিল্পখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শিল্পখাত
ব্যাখ্যা
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে সাময়িক হিসাবে স্থিরমূল্যে জিডিপির বিভিন্ন খাতসূহের প্রবৃদ্ধি:
- শিল্পখাত : ৬.১২ শতাংশ
- সেবাখাত : ৫.৬১ শতাংশ
- কৃষিখাত : ৩.৪৫ শতাংশ
- মৎস্যখাত : ৫.৭৪ শতাংশ
- খনিজ ও খনন : ০.২৯ শতাংশ (সর্বনিম্ন)
- স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা : ৯.৯৪ শতাংশ (সর্বোচ্চ)।
(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৪০.
কোন করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয়?
  1. ক) সম্পূরক শুল্ক
  2. খ) ভূমি উন্নয়ন কর
  3. গ) আবগারি শুল্ক
  4. ঘ) মূসক
সঠিক উত্তর:
খ) ভূমি উন্নয়ন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভূমি উন্নয়ন কর
ব্যাখ্যা
- যে করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় সাধারণত তাকে প্রত্যক্ষ কর বলে।
যেমনঃ
- ভূমি উন্নয়ন কর
- আয়কর
- দানকর ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- সম্পূরক শুল্ক, আমদানি কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক), আবগারি শুল্ক ইত্যাদি হলো পরোক্ষ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় না৷
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি)
৪১.
দেশের সর্বাধিক দারিদ্র্যপীড়িত বিভাগ কোনটি?
  1. ক) ময়মনসিংহ বিভাগ
  2. খ) বরিশাল বিভাগ
  3. গ) রংপুর বিভাগ
  4. ঘ) রাজশাহী বিভাগ
সঠিক উত্তর:
গ) রংপুর বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রংপুর বিভাগ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে দেশে উচ্চ দারিদ্র্য হার ২০.৫ শতাংশ এবং চরম দারিদ্র্য হার ১০.৫ শতাংশ।
বিভাগ অনুসারে উচ্চ দারিদ্র্য হার:
- ঢাকা বিভাগ : ১৬.০ শতাংশ
- সিলেট বিভাগ : ১৬.২ শতাংশ
- চট্টগ্রাম বিভাগ : ১৮.৪ শতাংশ
- বরিশাল বিভাগ : ২৬.৫ শতাংশ
- খুলনা বিভাগ : ২৭.৫ শতাংশ
- রাজশাহী বিভাগ : ২৮.৯ শতাংশ
- ময়মনসিংহ বিভাগ : ৩২.৮ শতাংশ
- রংপুর বিভাগ : ৪৭.২ শতাংশ।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
৪২.
এসডিজির কোন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বাংলাদেশের অগ্রগতি সবচেয়ে ভালো?
  1. ক) ক্ষুধামুক্তি
  2. খ) দারিদ্র্য নিরসন
  3. গ) সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ
  4. ঘ) জেন্ডার সমতা
সঠিক উত্তর:
খ) দারিদ্র্য নিরসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দারিদ্র্য নিরসন
ব্যাখ্যা
- পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ প্রকাশিত ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট : বাংলাদেশের অগ্রগতি প্রতিবেদন-২০২০’ অনুসারে এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে একমাত্র ‘দারিদ্র্য নিরসনে’ বাংলাদেশ সঠিক পথে রয়েছে।
- পাঁচটি অভীষ্ট অর্জনে অবস্থা পরিমিত মাত্রায় দুর্বল তবে অগ্রসরমান।
- ছয়টি অভীষ্ট অর্জনে অবস্থান দুর্বল ও স্থবির।
- একটি অভীষ্টের (১৫-স্থল জীবন) বাস্তবায়ন খুবই খারাপ ও অবনতিশীল।
- চারটি অভীষ্টের কোন উপাত্ত পাওয়া যায়নি।
(তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর রিপোর্ট)
৪৩.
বাংলাদেশ কত সালে জাতিসংঘের LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৫ সালে
  3. গ) ১৯৭৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
- LDC (Least Developed Countries) হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন কর্তৃক ১৯৭১ সালে তৈরিকৃত বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশসমূহের একটি তালিকা।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বর্তমানে LDC তালিকায় ৪৬টি দেশ রয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৬টি দেশ LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করতে সমর্থ হয়েছে।
- বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে। অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ থাকায় ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করবে।
(তথ্যসূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৪৪.
দেশের মোট শ্রমশক্তির শতকরা কত ভাগ শিল্পখাতে নিয়োজিত?
  1. ক) ২০.৪ ভাগ
  2. খ) ২৪.২ ভাগ
  3. গ) ৩৯.১ ভাগ
  4. ঘ) ৪০.৬ ভাগ
সঠিক উত্তর:
ক) ২০.৪ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০.৪ ভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে বাংলাদেশের শ্রমশক্তি:
- মোট শ্রমশক্তি : ৬.৩৫ কোটি
- পুরুষ শ্রমশক্তি : ৪.৩৫ কোটি
- নারী শ্রমশক্তি : ২.০০ কোটি
বিভিন্ন খাতে নিয়োজিত শ্রমশক্তি:
- শিল্পখাতে : ২০.৪ ভাগ
- কৃষিখাতে : ৪০.৬ ভাগ
- সেবাখাতে : ৩৯ ভাগ।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
৪৫.
২০২১-২০২২ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফিতি নির্ধারণ করা হয়েছে কত শতাংশ?
  1. ক) ৫.২ শতাংশ
  2. খ) ৫.৩ শতাংশ
  3. গ) ৫.৪ শতাংশ
  4. ঘ) ৫.৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
খ) ৫.৩ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫.৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে অনুমিত গড় মূল্যস্ফিতি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫.৩ শতাংশ।
- জিডিপির প্রবৃদ্ধির অনুমিত লক্ষ্যমাত্রা ৭.২ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
৪৬.
চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা কত টাকা?
  1. ক) ৩ লক্ষ টাকা
  2. খ) ৩.৫ লক্ষ টাকা
  3. গ) ৪.০ লক্ষ টাকা
  4. ঘ) ৪.৫ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
- চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লক্ষ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গ, মহিলা ও ৬৫ বছর উর্ধ্ব করদাতাদের সাধারণ করমুক্ত আয় সীমা ৩.৫ লক্ষ টাকা।
- প্রতিবন্ধি করতাদাদের করমুক্ত আয়ের সীমা ৪.৫ লক্ষ টাকা।
- যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা ৪.৭৫ লক্ষ টাকা।
(তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
৪৭.
সরকারের আয়ের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ক) আয়কর
  2. খ) সম্পূরক শুল্ক
  3. গ) আমদানি শুল্ক
  4. ঘ) মূল্য সংযোজন কর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটের মোট আকার ৬,০৩,৬৮১ কোটি টাকা।
বাজেটের অর্থসংস্থান:
- এনবিআর কর রাজস্ব : ৫৪.৭ শতাংশ
- অভ্যন্তরীণ ঋণ : ১৮.৮ শতাংশ
- বৈদেশিক ঋণ : ১৬.২ শতাংশ
- কর বহির্ভূত রাজস্ব : ৭.১ শতাংশ
- এনবিআর বহির্ভূত কর রাজস্ব : ২.৬ শতাংশ
- বৈদেশিক অনুদান : ০.৬ শতাংশ।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয়ের উৎস সমূহ:
- প্রথম : মূ্ল্য সংযোজন কর (৩৮.৭ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : আয়কর (৩১.৮ শতাংশ)
- তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক (১৬.৫ শতাংশ)
- চতুর্থ : আমদানি শুল্ক (১১.৫ শতাংশ)
- অন্যান্য : ১.৫ শতাংশ।

(তথ্যসূত্রঃ অর্থবিভাগ ওয়েবসাইট)
৪৮.
কোন দেশটির সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক নেই?
  1. ক) আফগানিস্তান
  2. খ) ইসরাইল
  3. গ) তাইওয়ান
  4. ঘ) ইরান
সঠিক উত্তর:
খ) ইসরাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইসরাইল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সাথে ইসরাইলের বাণিজ্যিক কিংবা কূটনৈতিক কোন প্রকার সম্পর্ক নেই।
অন্যদিকে,
- তাইওয়ানের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই তবে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
- ইরান ও আফগানিস্তানের সাথে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো)
৪৯.
২০২০ সালে বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ক) চীন
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) নেদারল্যান্ডস
  4. ঘ) জাপান
সঠিক উত্তর:
গ) নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
- ২০২০ সালে বাংলাদেশে নিট প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ হয়েছে ২৫৬.৩৫ কোটি মার্কিন ডলার।
বিনিয়োগকারী শীর্ষ দেশসমূহ (মার্কিন ডলার):
- প্রথম : নেদারল্যান্ডস (৪০০ মি. ডলার)
- দ্বিতীয় : যুক্তরাজ্য (৩৯৬ মি. ডলার)
- তৃতীয় : যুক্তরাষ্ট্র (২৯৬ মি. ডলার)।
বিনিয়োগের শীর্ষখাতসমূহ (মার্কিন ডলার):
- প্রথম : পাওয়ার বা জ্বালানি (৫০৮ মি. ডলার)
- দ্বিতীয় : খাদ্য (৩৩২ মি. ডলার)
- তৃতীয় : ব্যাংকিং (৩০২ মি. ডলার)।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৫০.
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ২০০৯ সালে
  2. খ) ২০১২ সালে
  3. গ) ২০১৪ সালে
  4. ঘ) ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA-Bangladesh Investment Development Authority) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ২০১৬ সালে গঠিত হয়।
- এটির কাজ হলো বেসরকারি বিনিয়োগ বিশেষত বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সুবিধাদি প্রদান করা।
(তথ্যসূত্রঃ BIDA ওয়েবসাইট)
৫১.
দেশে সরকারি বীমা প্রতিষ্ঠান কয়টি?
  1. ক) একটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) চারটি
সঠিক উত্তর:
খ) দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুইটি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে সরকারি মালিকানাধীন বীমা প্রতিষ্ঠান দুইটি। এগুলো হলো:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন
- জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- দুটি প্রতিষ্ঠানই ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশে বেসরকারি পর্যায়ে ৩৩টি জীবন বীমা ও ৪৬টি সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
(তথ্যসূত্রঃ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এবং জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
৫২.
ইউরিয়া সার উৎপাদনে কাঁচামাল হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ফার্নেস অয়েল
  2. খ) চুনাপাথর
  3. গ) মিথেন গ্যাস
  4. ঘ) অপরিশোধিত তেল
সঠিক উত্তর:
গ) মিথেন গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মিথেন গ্যাস
ব্যাখ্যা
- ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হলো মিথেন গ্যাস বা প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ইউরিয়া সার জমিতে নাইট্রোজেনের অভাব পূরণ করে। বাংলাদেশে কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন সারের মধ্যে ইউরিয়া সারের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হয়।
(তথ্যসূত্রঃ ভুগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বিসিআইসি ওয়েবসাইট)
৫৩.
নিচের কোনটি সংরক্ষিত শিল্প?
  1. ক) বৈদেশিক কর্মসংস্থান
  2. খ) পারমাণবিক শক্তি
  3. গ) নবায়নযোগ্য শক্তি
  4. ঘ) জাহাজ নির্মাণ শিল্প
সঠিক উত্তর:
খ) পারমাণবিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পারমাণবিক শক্তি
ব্যাখ্যা
- জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ তে চারটি শিল্পকে সংরক্ষিত শিল্প হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এগুলো হলো:
- পারমাণবিক শক্তি
- অস্ত্রশস্ত্র ও সামরিক শিল্প
- সিকিউরিটি প্রিন্টিং ও টাকশাল
- বনায়ন ও সংরক্ষিত বনভূমিতে যান্ত্রিক আহরণ।
অন্যদিকে,
- বৈদেশিক কর্মসংস্থান, জাহাজ নির্মাণ এবং নবায়নযোগ্য শক্তি হলো অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাত।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬)