পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৬৮
সিলেবাস
Exam - 37 Final Model Test-11 topic: Full syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৬৮ প্রশ্ন

.
সুকান্ত ভট্টাচার্যের জীবিতাবস্থায় প্রকাশিত একমাত্র গ্রন্থ কোনটি?
  1. অভিযান
  2. আকাল
  3. গীতিগুচ্ছ
  4. ছাড়পত্র
ব্যাখ্যা
আকাল:
- ‘আকাল' (১৯৪৩) একটি সংকলন।
- পঞ্চাশের মন্বন্তর এই সংকলনের কবিতাগুলির মূল প্রেরণা।
- বিভিন্ন পত্রিকা থেকে সংকলন ও সম্পাদনা করে এই কবিতাগুচ্ছের একটি মূল্যবান ভূমিকা লিখেছিলেন সুকান্ত ভট্টাচার্য।
- ১৯৬৬ সালে সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকাসহ এর নতুন সংস্করণ প্রকাশিত হয়।
- এটি ছিল সুকান্তের জীবিতাবস্থায় প্রকাশিত একমাত্র গ্রন্থ।
 
সুকান্ত ভট্টাচার্য:
- তিনি ছিলেন মার্কসবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি।
- ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায় মাতুলালয়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়ায়। 
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা দৈনিক স্বাধীনতা-র (১৯৪৫) ‘কিশোর সভা’ বিভাগ সম্পাদনা করতেন।
- সুকান্তের সাহিত্য-সাধনার মূল ক্ষেত্র ছিল কবিতা। সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, যন্ত্রণা ও বিক্ষোভ তাঁর কবিতার প্রধান বিষয়বস্তু।
- তাঁর রচনাকর্মে গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাণীসহ শোষণহীন এক নতুন সমাজ গড়ার অঙ্গীকার উচ্চারিত হয়েছে।
- ‘এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাবো আমি' - সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত উক্তি।
- তিনি ২৯শে বৈশাখ, ১৩৫৪; ১৩ই মে, ১৯৪৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
 
তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ:
- ছাড়পত্র,
- ঘুম নেই,
- পূর্বাভাস,
- মিঠে কড়া,
- অভিযান,
- হরতাল,
- গীতিগুচ্ছ।
 
উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
২) বাংলাপিডিয়া।
.
‘হৃৎকলমের টানে’ - কার রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ?
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. মোহিতলাল মজুমদার
  3. মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলি
  4. সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যা
• ‘হৃৎকলমের টানে’ - সৈয়দ শামসুল হক রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ।
 
সৈয়দ শামসুল হক:
- তিনি ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত।
 
তাঁর রচিত কাব্যনাট্য:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
- নুরুলদীনের সারাজীবন।
- এখানে এখন।
 
তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- তাস,
- শীত বিকেল,
- আনন্দের মৃত্যু,
- প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান,
- জলেশ্বরীর গল্পগুলো।
 
তাঁর রচিত উপন্যাস:
- এক মহিলার ছবি,
- অনুপম দিন,
- খেলারাম খেলে যা,
- নীল দংশন,
- স্তব্ধতার অনুবাদ ইত্যাদি। 
 
সৈয়দ শামসুল হকের প্রবন্ধ:
- হৃৎকলমের টানে।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'সুমাইয়া পুস্তক পাঠ করছে।' - বাক্যটিকে কর্মবাচ্যে পরিণত করলে কোনটি হবে?
  1. সুমাইয়া কর্তৃক পুস্তক পাঠ হচ্ছে।
  2. সুমাইয়া কর্তৃক পুস্তক পঠিত হচ্ছে।
  3. পুস্তক সুমাইয়া কর্তৃক পাঠ হচ্ছে।
  4. পুস্তক কর্তৃক সুমাইয়া পঠিত হচ্ছে।
ব্যাখ্যা
• কর্তৃবাচ্য থেকে কর্মবাচ্য: কর্তৃবাচ্যের বাক্যকে কর্মবাচ্যে পরিবর্তিত করতে হলে -
(১) কর্তায় তৃতীয়া,
(২) কর্মে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি এবং
(৩) ক্রিয়া কর্মের অনুসারী হয়।
- কর্তৃবাচ্যের ক্রিয়া অকর্মক হলে সেই বাক্যের কর্মবাচ্য হয় না।
- কর্তৃবাচ্যে ব্যবহৃত তৎসম মিশ্রক্রিয়াটি কর্মবাচ্যে যৌগিক ক্রিয়াজাত ক্রিয়াবিশেষণ রূপে ব্যবহৃত হয়।
 
→ কর্তৃবাচ্য → কর্মবাচ্য:
(ক) বিদ্বানকে সকলেই আদর করে। ⇒ (ক) বিদ্বান সকলের দ্বারা আদৃত হন।
(খ) খোদাতায়ালা বিশ্বজগৎ সৃষ্টি করেছেন। ⇒ (খ) বিশ্বজগৎ খোদাতায়ালা কর্তৃক সৃষ্ট হয়েছে।
(গ) সুমাইয়া পুস্তক পাঠ করছে। ⇒ (গ) সুমাইয়া কর্তৃক পুস্তক পঠিত হচ্ছে।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without-
  1. the consent of the other party.
  2. the order of the Court.
  3. the consent of the other party and the order of the Court.
  4. the consent of the other party or the order of the Court.
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act 1872 এর ১৬৪ ধারার বিধান মতে কোন পক্ষকে দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও যদি দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করে পরবর্তীতে অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন না।
অর্থাৎ অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি নিয়ে উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন।
এখানে  অপশন গ তে 'the consent of the other party and the order of the Court.' অপর পক্ষ এবং আদালত দুইজনের অনুমতি নেয়ার কথা বলা হয়নি, যে কোন একজনের অনুমতি থাকলেই হবে।
এই জন্য অপশন ঘ 'the consent of the other party or the order of the Court.' সঠিক।
----------------
The Evidence Act 1872, Section-164: Using, as evidence, of document production of which was refused on notice:
-When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without the consent of the other party or the order of the Court.

Illustration
A sues B on an agreement and gives B notice to produce it. At the trail A calls for the document and B refuses to produce it. A gives secondary evidence of its contents. B seeks to produce the document itself to contradict the secondary evidence given by A, or in order to show that the agreement is not stamped. He cannot do so.
.
"Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, _____________ , legally authorized to take evidence.
  1. except mediators
  2. except Court Martial Judges
  3. except Arbitrators
  4. except Village Court members
ব্যাখ্যা
⇒ আদালত (Court): বলতে সকল জজ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং সালিশ ব্যতীত  সাক্ষ্য গ্রহণে আইনত ক্ষমতাপ্রাপ্ত সকল ব্যক্তিকে অন্তর্ভূক্ত করবে।
⇒ Interpretation-clause:
 
⇒ Section 3. In this Act the following words and expressions are used in the following senses, unless a contrary intention appears from the context:-
⇒ "Court" includes all Judges and Magistrates and all persons, except arbitrators, legally authorized to take evidence.
 
⇒ "Fact" means and includes-
(1) anything, state of things, or relation of things capable of being perceived by the senses;
(2) any mental condition of which any person is conscious.
.
দায়রা আদালতে কয় শ্রেণির বিচারক থাকে?
  1. ২ শ্রেণির
  2. ৩ শ্রেণির
  3. ৪ শ্রেণির
  4. ৫ শ্রেণির
ব্যাখ্যা
⇒ দায়রা আদালতের শ্রেণিবিভাগ- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরনের বিচারক থাকে। যথা-
ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।
- অর্থাৎ দায়রা আদালতে তিনটি স্তরের বিচারক থাকতে পারে।
 
- ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১১৫ এবং ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
-------------------------------------------
- The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for  Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts. 
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.
.
কমিশনপ্রাপ্ত সামরিক অফিসারকে জনসমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে-
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩০ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩২ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা মতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে পরিস্থিতি সাপেক্ষে সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতার ও আটক করতে  পারেন।
 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারার বিধান জনসমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কমিশনপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার ক্ষমতা এধরণের কোন সমাবেশ কর্তৃক যেক্ষেত্রে জননিরাপত্তা দৃশ্যত বিপদগ্রস্ত হয় এবং যেক্ষেত্রে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা যায় না, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামরিক শক্তি প্রয়োগপূর্বক এ ধরনের সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং এ ধরনের ছত্রভঙ্গ করার অথবা আইন অনুসারে শাস্তি প্রদানের জন্য উক্ত সমাবেশে যোগদানকারী কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও আটক করতে পারবেন; তবে এই ধারার বিধানমতে কার্য চলাকালীন সময় তাঁর পক্ষ কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হলে তিনি যোগাযোগ স্থাপন করবেন এবং অতঃপর কার্য চালিয়ে যাওয়া বা না যাওয়ার বিষয়ে তাঁর নির্দেশ পালন করবেন।
-----------------
Section 131: Power of commissioned military officers to disperse assembly:
-When the public security is manifestly endangered by any such assembly, and when no Executive Magistrate can be communi-cated with, any commissioned officer of the Bangladesh Army may disperse such assembly by military force, and may arrest and confine any persons forming part of it, in order to disperse such assembly or that they may be punished according to law; but if, while he is acting under this section, it becomes practicable for him to communicate with an Executive Magistrate, he shall do so, and shall thenceforward obey the instructions of the Magistrate as to whether he shall or shall not continue such action.
.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে একজন দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দিতে পারে?
  1. ২০০০
  2. ৫০০০
  3. ৭০০০
  4. ১০০০০
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান:
(১) ম্যাজিষ্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথা:
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, অনধিক দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
 
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, অনধিক পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, অনধিক দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড।
 
২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যে-সব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোনো আইনসংগত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
 
- ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে ২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
.
আসামী দোষস্বীকার করলে তার শাস্তি হবে ______।
  1. সর্বোচ্চ শাস্তির অর্ধেক
  2. সর্বোচ্চ শাস্তির এক চতুর্থাংশ
  3. সর্বোচ্চ শাস্তির সমপরিমাণ
  4. আদালতের বিবেচনামতো
ব্যাখ্যা
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত লিখিত অভিযোগ গঠন করে তা আসামিকে পড়ে শুনাবেন এবং জিজ্ঞেস করবেন যে, আসামি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা দোষ স্বীকার করে কি না? আসামি দোষ স্বীকার করলে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৩ এবং ২৬৫ঙ ধারা অনুসারে আদালত অভিযোগের সত্যতা স্বীকারের ভিত্তিতে আসামিকে দণ্ড দিতে পারেন।
 
- ২৪৩ ধারা অনুসারে আসামি যদি স্বীকার করে যে, যে অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে, সে তা করেছে, তাহলে যথাসম্ভব আসামির ব্যবহৃত শব্দে তার স্বীকৃতি লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং কেন সে দণ্ডিত হবে না, সে সম্পর্কে আসামি যদি পর্যাপ্ত কারণ না দর্শায় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে দণ্ডিত করতে পারবেন।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ঙ ধারায় দায়রা আদালতে দোষ স্বীকার করায় দণ্ডাদেশ সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, আসামি যদি দোষ স্বীকার করে তবে আদালত তা লিপিবদ্ধ করবেন এবং আদালত সুবিবেচনা মতে দণ্ডাদেশ প্রদান করতে পারবেন।
 
সুতরাং, আসামি দোষ স্বীকার করলে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৩ ধারামতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং ২৬৫ঙ ধারামতে দায়রা আদালত উক্ত স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দণ্ড দিতে পারেন।
---------------
CrPC Section-243. Conviction on admission of truth of accusation:
-If the accused admits that he has committed the offence 284[with which he is charged], his admission shall be recorded as nearly as possible in the words used by him; and, if he shows no sufficient cause why he should not be convicted, the Magistrate may convict him accordingly.

CrPC Section-265E. Conviction of plea of guilty:
- If the accused pleads guilty, the Court shall record the plea and may, in its discretion, convict him thereon.
১০.
দণ্ডবিধি অনুসারে একাধারে সর্বোচ্চ কত দিন নির্জন কারাবাসে রাখা যায়?
  1. ৭ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ১ মাস
  4. ৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:-
-নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
--------------------------
⇒ Section 74: Limit of solitary confinement:
-In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.
১১.
"Joining or continuing in unlawful assembly, knowing it has been commanding to disperse" উক্ত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তির অনধিক কত দিনের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৫ ধারার বিধান: বেআইনি সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানা সত্ত্বেও উহাতে যোগদান করা অথবা উহাতে থেকে যাওয়া:- কোন বেআইনি সমাবেশকে আইন-নির্দেশিত পদ্ধতিতে ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি উক্ত বেআইনি সমাবেশে যোগদান করলে বা উক্ত বেআইনি সমাবেশে থাকলে তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
-------------------------
- Section 145. Joining or continuing in unlawful assembly, knowing it has been commanded to disperse:- Whoever joins or continues in an unlawful assembly, knowing that such unlawful assembly has been commanded in the manner prescribed by law to disperse, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১২.
'Misconduct in public by a drunken person' দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৫০১
  2. ৫১০
  3. ৫১১
  4. ৪৯৭
ব্যাখ্যা
⇒ Section of Penal Code- 510. Misconduct in public by a drunken person:
- Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
----------------
⇒ দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী, নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘণ্টা পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
১৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল বা আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে কোনো ভুল হলে আদালত তা সংশোধন করতে পারে-
  1. মোকদ্দমার শুরুতে
  2. মোকদ্দমার যে কোনো পর্যায়
  3. যে কোনো সময়
  4. জারির আগে যে কোনো সময়
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারার বিধান রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন:
- রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।
----------------
⇒ Section 152 Amendment of judgments, decrees or orders:
- Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.
১৪.
নিম্নলিখিত কোন বিষয়টি আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে আমলে নিতে পারেন না?
  1. আরজি বা লিখিত জবাব
  2. কোন পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু
  3. কোন পক্ষের মোট সাক্ষীর সংখ্যা
  4. পক্ষগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ
ব্যাখ্যা
⇒ কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪ নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
-আদেশ ১৪ বিধি ৩ মতে-আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর সকল কিংবা যে কোনটি থেকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারেন [Materials from which issues may be framed]—
ক) পক্ষগণ কর্তৃক কিংবা তাদের পক্ষে উপস্থিত কোন ব্যক্তিগণ কর্তৃক কিংবা উত্তরূপ ব্যক্তিসমূহের উকিলগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ,
[allegations made on faith by the parties, or by any persons present on their behalf, or made by the pleaders of such parties]
খ) আরজি জবাবে কিংবা মোকদ্দমায় প্রদত্ত প্রশ্নমালার উত্তরে রচিত অভিযোগসমূ্‌হ,
[allegations made in the pleadings or in answers to interrogatories delivered in the suit]
গ) কোন পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু। 
[the contents of documents produced by either party]

- সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।
 
- সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হল- 'witnesses are weighed, not numbered'.-বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদণ্ডে হওয়া উচিত নয়।
-বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।
১৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত আদেশে 'Production, Impounding and Return of Documents' সম্পর্কিত বিধি-বিধান আছে?
  1. আদেশ ১১
  2. আদেশ ১২
  3. আদেশ ১৩
  4. আদেশ ১৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৩ এ দলিল দাখিল, আটক ও ফেরত (Production, Impounding and Return of Documents) সম্পর্কিত বিধি-বিধান দেয়া আছে।
 
- বিধি ৩- দলিল প্রত্যাখ্যান: মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে আদালত যদি মনে করেন যে কোন একটি দলিল অপ্রাসঙ্গিক বা অন্যকোনভাবে অগ্রহনযোগ্য, তবে কারণ লিপিবদ্ধ করে আদালত সেই দলিল প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন।
 
- বিধি-৪ অনুসারে, দলিল দাখিলের সময় প্রমান হিসেবে গৃহিত উল্টাপৃষ্ঠে নিম্নলিখিত বিষয় গুলো পৃষ্ঠাঙ্কন করতে হবে-
১. মোকদ্দমার নম্বর ও শিরোনাম
২. দলিল দাখিলকারীর নাম
৩. দলিল দাখিলের তারিখ
৪. দলিল গৃহিত হওয়ার মর্মে একটি বিবৃতি।
 
- বিধি ৭(২)- দলিল ফেরত: যে সকল দলিল প্রমান হিসেবে গৃহিত হয় নাই সেগুলো মোকদ্দমার নথিপত্রের অংশ হিসেবে গন্য হবে না। এরূপ দলিল সমূহ দাখিলকারী ব্যক্তিগনের নিকট ফেরত দিতে হবে।
 
- বিধি ৮- দলিল আটক: আদালত যদি উপযুক্ত মনে করেন তবে এর সম্মুখে কোন মোকদ্দমায় দাখিলকৃত কোন দলিল বা বই আটক করার এবং উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে কোন নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আদালতের কোন কর্মচারীর হেফাজতে রাখার নির্দেশ দান করতে পারবেন।
১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় 'Solatium' এর বিধান আছে?
  1. ১২
  2. ২১
  3. ২২
  4. ২৯
ব্যাখ্যা
⇒ Solatium অর্থ হলো সান্ত্বনাপ্রদ ক্ষতিপূরণ। সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তি প্রমাণিত হলেও বিক্রেতার কাষ্টলাঘবের জন্য ক্রেতাকে সান্ত্বনাপ্রদ ক্ষতিপূরণ প্রদানে চুক্তি বলবৎ অগ্রাহ্য করা যায়।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুযায়ী, চুক্তি বলবৎকরণের মোকদ্দমায় যদি বিবাদী দেখাতে পারে যে, বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং  যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ বিবাদীর প্রতি কষ্ট বা কঠোরতা [hardship] সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না, সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে।
 
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ২২ ধারার অধীন ২টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে আদালত ক্ষতিপূরণ [solatium] প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে যথা:
(১) যেক্ষেত্রে বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং
(২) যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলববরণ বিবাদীর প্রতি কষ্ট সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না।
------------------------------------------
⇒ Section 22: Discretion as to decreeing specific performance:
-The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal.

⇒ The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:-
i. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.

ii. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
 
⇒The following is a case in which the Court may properly exercise a discretion to decree specific performance: –
iii. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.
১৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারায় রয়েছে-
  1. বিধিবদ্ধ প্রতিকার
  2. বাধ্যতামূলক প্রতিকার
  3. নেতিবাচক প্রতিকার
  4. নিরোধমূলক প্রতিকার
ব্যাখ্যা
⇒The Specific Relief Act, 1877 এর ৫২ ধারায় বিধান করা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা, স্থায়ী বা অস্থায়ী যারা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে নিরোধমূলক প্রতিকার মাঞ্জুর করা হয়।
--------------------------
The Specific Relief Act, 1877 Section 52: Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
১৮.
তামাদি আইনের ২৯ ধারা অনুসারে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
  1. চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
  2. বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
  3. বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
 ⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
 
⇒ বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
⇒ বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
⇒ সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভুক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
-------------
The Limitation Act, 1908 Section-29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and 
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
১৯.
'ক' নাবালক থাকাবস্থায় তার একটি দেওয়ানি মামলা করার অধিকার জন্মে, তামাদির সময় গণনা শুরু হবে যখন -
  1. 'ক' মামলা করার অধিকার অর্জন করে তখন থেকে
  2. 'ক' এর সাবালকত্বের অবসান হবে
  3. 'ক' এর নাবালকত্বের অবসান হবে
  4. 'ক' যখন মামলা করার আগ্রহী হবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬ অনুযায় কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে।
-নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে।
⇒ অর্থাৎ 'ক' এর নাবালকত্বের অবসান হওয়ার পর তামাদির সময় গণনা শুরু হবে।
 
The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
উপধারাঃ(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিংক্রী জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
 
উপধারাঃ (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেইক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
 
উপধারাঃ (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেইক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যাইতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।
 
উপধারাঃ (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেইক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
---------------------------------
⇒ Limitation Act- Section-6: Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.

Illustrations:
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
২০.
চুক্তি বলবতকরণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ-
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি বলবতকরণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ The Limitation Act, 1908 এর ১ম তফসিলের ১১৩ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, চুক্তি বলবতকরণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ ১ বৎসর।
২১.
চারজন স্ত্রী থাকা অবস্থায় কোন ব্যক্তি যদি পঞ্চম স্ত্রী গ্রহণ করে বিবাহটি-
  1. বাতিল
  2. অবৈধ
  3. অনিয়মিত
  4. বৈধ
ব্যাখ্যা

⇒ অনিয়মিত বিবাহের সংজ্ঞা (Definition of irregular marriage):
-যে বিবাহ মূলত বেআইনি নয়, কিন্তু এতে বৈধ বিবাহের কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়, তবে ঐ বিবাহকে অনিয়মিত বিবাহ বা ফাসিদ বিবাহ বলে। অর্থাৎ যে বিবাহ ত্রুটিপূর্ণ, কিন্তু বাতিল নয় এটিই অনিয়মিত বিবাহ।

- অন্যভাবে বলা যায় যে, অনিয়মিত বিবাহ অর্থ হলো যে বিবাহের কিছু আইনগত ত্রুটি থাকে এবং যেখানে সংশোধনের মাধ্যমে বিবাহের বৈধতা দেওয়া যায়। অনিয়মিত বিবাহ হলো এমন বিবাহ যেটা স্বয়ং অবৈধ না কিন্তু অন্যকোনো কারণে অবৈধ এবং যেখানে নিষিদ্ধ কারণগুলো অস্থায়ী বা যেক্ষেত্রে অবৈধতা কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট যেমন সাক্ষীর অনুপস্থিতি। যে কারণে বিবাহটি অবৈধ বা অনিয়মিত উক্ত কারণ অপসারণ করার মাধ্যমে বিবাহটি বৈধ করা যায়।

⇒ একজন মুসলিম একই সময়ে সর্বোচ্চ চারজন স্ত্রী রাখতে পারে। চারজন স্ত্রী থাকা অবস্থায় ঐ ব্যক্তি যদি পঞ্চম স্ত্রী গ্রহণ করে বিবাহটি বাতিল বা অবৈধ নয়। তা অনিয়মিত বিবাহ মাত্র।
-ইদ্দতের সময়কাল পূর্ণ হবার পূর্বে বিবাহ হলে তা অবৈধ হবে না বরং অনিয়মিত হবে।
- এছাড়াও সাক্ষী ছাড়া বিবাহ এবং স্ত্রীর বোন বিবাহ করা অনিয়মিত হবে।

২২.
মুসলিম আইনে বিবাহের পর কে দেনমোহরের পরিমাণ বাড়াতে পারে?
  1. স্ত্রী
  2. স্বামী
  3. স্ত্রীর আইনগত অভিভাবক
  4. স্বামীর আইনগত অভিভাবক
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইনে দেনমোহরের পরিমাণের সর্বোচ্চ কোনো সীমা নেই। সাধারণ দুপক্ষের ইচ্ছার উপর তা নির্ভর করে। সর্বোচ্চ সীমা না থাকলেও হানাফী ও মালিকী আইনে দেনমোহরের পরিমাণের সর্বনিম্ন সীমা দেয়া আছে।

-হানাফী আইন মতে সর্বনিম্ন দেনমোহরের পরিমাণ ১০ দিরহাম।
-মালিকী আইন মতে সর্বনিম্ন দেনমোহরের পরিমাণ ৩ দিরহাম।

-মুসলিম আইনে স্বামী ইচ্ছা করলে দেনমোহরের পরিমাণ বাড়াতে পারেন।
-মুসলিম আইনে স্ত্রী ইচ্ছা করলে দেনমোহরের পরিমাণ কমাতে পারেন।

২৩.
'নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন সরকারী চাকরি নয়' বিধানটি মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ এর কোন বিধিতে বলা আছে?
  1. ১৭
  2. ১৮
  3. ১৯
  4. ২০
ব্যাখ্যা
⇒ Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 (Act No. LII of 1974) এর Section 14 এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার ২০০৯ সালে 'মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ নামে' বিধিমালা প্রণয়ন করেন।

- মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ এর ১৯ বিধিতে 'নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন সরকারী চাকরি নহে।' এই শিরোনামে বলা হয়েছে যে 'নিকাহ রেজিস্ট্রারের লাইসেন্স প্রাপ্তি বা নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন সরকারী চাকরি হিসাবে গণ্য হইবে না।

অর্থাৎ 'নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন সরকারী চাকরি নয়' বিধানটি মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ এর ১৯ বিধিতে বলা আছে।
২৪.
মুসলিম উত্তরাধিকার সম্পর্কে নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. কোনো মুসলিম কোনো অমুসলিমের ওয়ারিশ হবে না
  2. হত্যাকারী নিহত ব্যক্তির ওয়ারিশ হবে না।
  3. জারজ সন্তান ওয়ারিশ হবে না।
  4. তালাক প্রাপ্ত স্ত্রীর সন্তান ওয়ারিশ হবে না।
ব্যাখ্যা
- মুসলিম উত্তরাধিকার অনুযায়ী 'তালাক প্রাপ্ত স্ত্রীর সন্তান ওয়ারিশ হবে না' এই কথাটি সত্য নয়।
অর্থাৎ স্ত্রীকে তালাক দিলেও ঐ স্ত্রীর সন্তানগুলো উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না।

⇒ যারা উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হবে:
(১) কোনো মুসলিম কোনো অমুসলিমের ওয়ারিশ হবে না এবং কোনো অমুসলিম কোনো মুসলিমের ওয়ারিশ হবে না।
(২) হত্যাকারী নিহত ব্যক্তির ওয়ারিশ হবে না। (এ বিধির উদ্দেশ্য হিসেবে বলা হয়, কেউ তাড়াতাড়ি উত্তরাধিকার পাওয়ার জন্য যেন কাউকে হত্যা করতে উদ্যত না হয় সেজন্যই এ বিধি প্রণীত হয়েছে।)
(৩) জারজ সন্তান ওয়ারিশ হবে না।
২৫.
'P' তার ২ পুত্র 'A' ও 'B', ২ পৌত্র 'C' ও 'D', ২ প্রপৌত্র 'E' ও 'F', ১ কন্যা 'G' এবং ১ স্ত্রী 'H' কে রেখে মারা যায়। হিন্দু উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী 'P'এর সম্পত্তির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে থেকে কে বঞ্চিত হবেন?
  1. স্ত্রী (H)
  2. কন্যা (G)
  3. পৌত্র (C & D)
  4. প্রপৌত্র (E & F)
ব্যাখ্যা

⇒ সমাধান: এখানে 'P' সম্পত্তি মোট পাঁচ অংশে বিভক্ত হবে। এই পাঁচ অংশের মধ্যে ১ অংশ পাবে পুত্র 'A', ১ অংশ পাবে পুত্র 'B', ১ অংশ পাবে ২ পৌত্র মিলে 'C' ও 'D', ১ অংশ পাবে ২ প্রপৌত্র মিলে 'E' ও 'F' এবং ১ অংশ পাবে স্ত্রী 'H'। কন্যা 'G' সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হবেন।

সম্পত্তির বণ্টন:
- পুত্র(A)পাবে ১/৫ অংশ
- পুত্র (B) পাবে ১/৫ অংশ
- পৌত্র(C&D) পাবে ১/৫ অংশ
- প্রপৌত্র (E&F) পাবে ১/৫ অংশ
- স্ত্রী (H) পাবে ১/৫ অংশ

-হিন্দু উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী 'P'এর সম্পত্তির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে থেকে কন্যা 'G'  বঞ্চিত হবেন।

অর্থাৎ কন্যা 'G' সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হবেন।
২৬.
হিন্দু আইনে নিচের কোন সম্পত্তি স্ত্রীধন হিসেবে গন্য হবে না?
  1. নারীর স্বোপার্জিত আয় বা সম্পদ
  2. উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি
  3. আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে প্রাপ্ত দান বা উপহার
  4. বিবাহের সময় পিতা কর্তৃক প্রদত্ত যৌতুক
ব্যাখ্যা
- হিন্দু প্রচলিত আইনে সম্পত্তিতে নারীর পূর্ণ অধিকার থাকবে কেবলমাত্র স্ত্রীধনের উপর।
- স্ত্রীধন হচ্ছে নারীর স্বোপার্জিত আয় বা সম্পদ, বিবাহের সময় পিতা কর্তৃক প্রদত্ত যৌতুক অথবা দান বা উপহার।
- নারীকে যে সমস্ত সম্পত্তি দান বা উপহার দেয়া হয় তা তাদের আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকেই আসে।
- এই সম্পত্তি নারী ইচ্ছামত হস্তান্তর করতে পারে এবং তার মৃত্যুর পর তার নিজস্ব উত্তরাধিকারীর উপর এই সম্পত্তির অধিকার বর্তায়।
- এই দানের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে দাতাদের ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল।

- কোন হিন্দু স্ত্রী উত্তরাধিকারসূত্রে তার স্বামীর নিকট হতে যে সম্পত্তি অর্জন করে তা বিধবার সম্পত্তি নামে পরিচিত। স্ত্রীধন এবং বিধবার সম্পত্তি এক না। স্ত্রীধনের সাথে বিধবার সম্পত্তির পার্থক্য হলো এই যে বিধবার সম্পত্তি বলতে শুধুমাত্র উত্তরাধিকারসূত্রে কোন নারী যে সম্পত্তি স্বামীর নিকট থেকে পেয়ে থাকে কিন্তু উত্তরাধিকার সম্পত্তি স্ত্রীধনের অন্তর্ভুক্ত না।
-স্ত্রীধনের উপর মহিলার একচ্ছত্র মালিকানা থাকে এবং সে যেমন প্রয়োজন তেমনভাবে হস্তান্তর করতে পারে। কিন্তু বিধবার সম্পত্তির ক্ষেত্রে নারী শুধুমাত্র সীমিত স্বার্থ অর্জন [Limited Interest] করে বা শুধুমাত্র জীবন-স্বত্ব অর্জন [Life Interest] করে।

- হিন্দু আইনে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি স্ত্রীধন হিসেবে গন্য হবে না।
২৭.
'The Hindu Inheritance (Removal of Disabilities) Act' আইনটি কত সালে প্রণয়ন করা হয়?
  1. ১৮৫৬
  2. ১৯১৬
  3. ১৯২৮
  4. ১৯৩৭
ব্যাখ্যা
⇒ বৃটিশ আমলে যেসব রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা হিন্দু আইনের বেশ কিছু প্রচলিত প্রথার সংস্কার করা হয়েছিল তার মধ্যে বর্তমান বাংলাদেশে বিদ্যমান উল্লেখযোগ্য কিছু আইনের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেয়া হল।
১। The Hindu Widow's Re-marriage Act, 1856 এই আইনের মুখবন্ধে বিধবা বিবাহ নিষিদ্ধ থাকাকে প্রচলিত প্রতিষ্ঠিত প্রথা হিসেবে স্বীকার করলেও এটিকে হিন্দু আইনের মূল ধারণার পরিপন্থি বলে বিধবা বিবাহের আইনগত বৈধতা দেয়া হয় এবং বিবাহের পর ভূমিষ্ঠ সন্তানদের স্বীকৃতি দেয়া হয়।
২। The Hindu Disposition of Property Act, 1916 এর মাধ্যমে সন্তান ভূমিষ্ঠ হবার পূর্বে তার বরাবর সম্পত্তি দান করার আইনগত বৈধতা দেয়া হয়।
 
৩। The Hindu Inheritance (Removal of Disabilities) Act, 1928 এর মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধীদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার যে প্রচলিত নিয়ম ছিল তা রদ করা হয়। তবে বাংলাদেশে শুধুমাত্র হিন্দু মিতাক্ষরা মতাবলম্বীদের ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য করা হয়।
 
8 The Hindu Law of Inheritance (Amendment) Act, 1929-এ উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে পুত্রের কন্যা, কন্যার কন্যা, বোন এবং বোনের পুত্রকে দাদার পর এবং চাচার আগে স্থান দেয়া হয়। তবে এটিও শুধুমাত্র মিতাক্ষরা মতাবলম্বীদের জন্য প্রযোজ্য।
৫। The Hindu Women's Right to Property Act, 1937 আইনের মাধ্যমে বিধবাদের জীবনস্বত্বে প্রাপ্ত সম্পত্তির পরিমান সুনির্দিষ্ট করা হয়।
৬। The Hindu Women's Rights to Property (Extension to Agricultural Land) Act, 1943 (Amendment Act)-এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্থানে কৃষিভূমিতে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হয়।
 
৭। The Hindu Married Women's Right to Separate Residence and Maintenance Act, 1946 দ্বারা বিশেষ ক্ষেত্রে নারীদের পৃথক বসবাস ও ভরণপোষণের অধিকারের আইনগত স্বীকৃতি দেয়া হয়।
৮। The Hindu Marriage Disabilities Removal Act, 1946 দ্বারা একই কাস্ট বা বর্ণের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে বিবাহের আইনগত বৈধতা দেয়া হয়।
 
উল্লেখ্য, বর্ণিত আইনগুলো শুধুমাত্র হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং এসব রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা হিন্দু সনাতন ধর্মের প্রচলিত বিভিন্ন প্রথাতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, হিন্দু নারীর অধিকারের প্রতি রাষ্ট্র সংবেদনশীল হয়েছে যার প্রতিফলন আইনগুলোর মধ্যে দেখা যায়। তাছাড়া কিছু প্রগতিশীল আইন বাংলাদেশের মিতাক্ষরা মতাবলম্বীদের মধ্যে প্রয়োগযোগ্য করা হয়েছে যা দায়ভাগ মতাবলম্বীদের সংস্কারের পক্ষে জোড়ালো যুক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
২৮.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ অনুসারে মোকদ্দমা দায়ের করার সময় আরজিতে নিম্নবর্ণিত কোন বিষয়টি উল্লেখ থাকিবে না?
  1. বাদীর প্রার্থীত প্রতিকার
  2. যে আইনের প্রতিকার দাবি করেন তার নাম, ধারা ও শাস্তি
  3. যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হইবে উহার নাম
  4. বাদী বা বিবাদী নাবালক বা অপ্রকৃতিস্থ হইলে তৎসংশ্লিষ্ট একটি বিবরণী
ব্যাখ্যা
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ অনুসারে মোকদ্দমা দায়ের করার সময় আরজিতে "যে আইনের প্রতিকার দাবি করেন তার নাম, ধারা ও শাস্তি" বিষয়টি উল্লেখ থাকিবে না

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৬ ধারার বিধান: মোকদ্দমা দায়ের:
(১) এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমা সেই পারিবারিক আদালতে আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করিতে হইবে যাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে-
(ক) মোকদ্দমার কারণ সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে উদ্ভূত হইয়াছে; অথবা
(খ) পক্ষগণ একত্রে বসবাস করেন বা সর্বশেষ বসবাস করিয়াছিলেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর বা ভরণপোষণের মোকদ্দমায় সেই আদালতেরও এখতিয়ার থাকিবে, যাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে স্ত্রী সাধারণত বসবাস করেন।
 
(২) যে-ক্ষেত্রে কোনো এখতিয়ারবিহীন আদালতে কোনো আরজি দাখিল করা হয় সেইক্ষেত্রে-
(ক) আরজিটি যে আদালতে দাখিল করা সমীচীন ছিল সেই আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেওয়া হইবে; এবং
(খ) আরজি ফেরত প্রদানকারী আদালত ইহার নিকট আরজি দাখিলের ও ফেরত প্রদানের তারিখ, দাখিলকারীর নাম ও ফেরত প্রদানের কারণসমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ আরজির উপর লিপিবদ্ধ করিবেন।
 
(৩) আরজিতে বিরোধ সম্পর্কিত সকল অত্যাবশ্যকীয় তথ্যাদির উল্লেখ থাকিবে এবং উহার একটি তপশিল থাকিবে, যাহাতে আরজির সমর্থনে উপস্থিত করিতে ইচ্ছুক সাক্ষীগণের নাম ও ঠিকানার উল্লেখ থাকিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, বাদী পরবর্তী যেকোনো সময়, যেকোনো সাক্ষীকে আদালতে হাজির করিতে পারিবেন।
 
(৪) আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহেরও উল্লেখ থাকিবে, যথা:-
(ক) যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হইবে উহার নাম;
(খ) বাদীর নাম, বর্ণনা ও বাসস্থান;
(গ) বিবাদীর নাম, বর্ণনা ও বাসস্থান;
(ঘ) বাদী বা বিবাদী নাবালক বা অপ্রকৃতিস্থ হইলে তৎসংশ্লিষ্ট একটি বিবরণী;
(ঙ) মোকদ্দমার কারণ সংক্রান্ত তথ্যাবলি এবং তাহা যেস্থানে ও তারিখে উদ্ভূত হইয়াছে;
(চ) আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত তথ্যাবলি; এবং
(ছ) বাদীর প্রার্থীত প্রতিকার।
 
(৫) যেক্ষেত্রে বাদী তাহার দাবির সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীন রহিয়াছে এইরূপ কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন, সেইক্ষেত্রে তিনি আরজি দাখিলের সময় আদালতে উহা উপস্থাপন করিবেন এবং একই সময় উক্ত দলিল বা উহার কোনো অবিকল নকল বা ছায়ালিপি বা অন্য যেকোনো কপি আরজির সহিত নথিভুক্ত করিবার জন্য দাখিল করিবেন এবং উক্তরূপ দলিল আরজির সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায়ও উহা অন্তর্ভুক্ত করিবেন।
 
(৬) যেক্ষেত্রে বাদী তাহার দাবির সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে এমন কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন, যাহা তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীনে নাই, সেইক্ষেত্রে তিনি উক্ত দলিলটি আরজির সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিয়া সংশ্লিষ্ট দলিলটি যাহার দখলে বা ক্ষমতাধীনে রহিয়াছে তাহা উল্লেখ করিবেন।
 
(৭) উপধারা (৫) ও (৬) এ বর্ণিত তপশিল ও দলিলসমূহের তালিকাসহ মোকদ্দমাটিতে যতসংখ্যক বিবাদী রহিয়াছেন তাহার দ্বিগুণসংখ্যক আরজির অবিকল নকল উক্ত বিবাদীগণের উপর জারির জন্য আরজির সহিত দাখিল করিতে হইবে।
 
(৮) নিম্নলিখিত যেকোনো কারণে আরজি খারিজ হইবে, যথা:-
(ক) উপধারা (৭) এর অধীন আবশ্যকতা অনুসারে তপশিল ও দলিলসমূহের তালিকাসহ আরজির অবিকল নকলসমূহ উহার সহিত সংযুক্ত না থাকে;
(খ) ধারা ৭ এর উপধারা (৫) অনুযায়ী সমন জারির খরচ এবং নোটিশের জন্য ডাক খরচ পরিশোধিত না হয়;
(গ) আরজি উপস্থাপনের সময় ধারা ২৫ অনুযায়ী প্রদেয় ফি পরিশোধ করা না হয়।
 
(৯) যেক্ষেত্রে আরজি দাখিল করিবার সময় বাদী কর্তৃক কোনো দলিল আদালতে দাখিল করিবার প্রয়োজন ছিল অথবা আরজির সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিবার প্রয়োজন ছিল, তবে উহা দাখিল বা অন্তর্ভুক্ত করা হয় নাই, সেইক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির সময় আদালতের অনুমতি ব্যতীত উহা তাহার পক্ষে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হইবে না:
 
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত কোনো ব্যতিক্রমী ক্ষেত্র ব্যতীত এইরূপ অনুমতি প্রদান করিবে না।
২৯.
মৃত ব্যক্তি কোন সন্তান বা পুত্র সন্তানকে না রেখে মৃত্যু বরণ করলে, মৃত ব্যক্তির একাধিক স্ত্রী মৃত স্বামীর সম্পত্তি-
  1. প্রত্যেকে ১/৪ অংশ করে পাবেন।
  2. সকলে ১/৪ অংশ সমানভাবে ভাগ করে পাবেন।
  3. প্রত্যেকে ১/৮ অংশ করে পাবেন।
  4. সকলে ১/৮ অংশ সমানভাবে ভাগ করে পাবেন।
ব্যাখ্যা

স্ত্রী(Wife): স্বামীর মতো স্ত্রীও কুরআনের প্রাথমিক উত্তরাধিকারী স্ত্রী কখনোই সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত হয়না। অনুরূপ অবস্থা তার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, যে তার স্বামী অবশ্যই মারা যাবে বৈবাহিক সম্পর্ক অব্যাহত থাকার সময় বা একটি প্রত্যাহারযোগ্য তালাকের ইদ্দত সময়কালে।ইসলামের আবির্ভাবের পূর্বে স্ত্রী মৃত স্বামীর সম্পত্তি থেকে কিছুই পেতনা।

স্ত্রীর  দুটি অবস্থা আছে:

(ক) ১/৪

(খ) ১/৮

(ক) ১/৪ : স্ত্রী শুধুমাত্র একটি শর্ত পূরণ করলে মৃত স্বামীর সম্পত্তির ১/৪ অংশের অধিকারী: মৃত ব্যক্তি কোন সন্তান বা পুত্র সন্তানকে না রেখে মৃত্যু বরণ করলে

(খ) ১/৮ : স্ত্রী শুধুমাত্র একটি শর্ত পূরণ করলে মৃত স্বামীর সম্পত্তির ১/৮ অংশের অধিকারী: মৃত ব্যক্তি কোন সন্তান বা পুত্র সন্তানকে (যত নিচের হউক) রেখে মৃত্যু বরণ করলে

দুই বা ততোধিক স্ত্রী থাকলে বণ্টনের নিয়ম:

-যদি একাধিক স্ত্রী থাকে, তবে তারা একই ভগ্নাংশের অধিকারী হবে, যা তাদের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করা হবে। তাদের সংখ্যার ভিত্তিতে ভাগ বাড়বে না
-অর্থাৎ
মৃত ব্যক্তি কোন সন্তান বা পুত্র সন্তানকে না রেখে মৃত্যু বরণ করলে, মৃত ব্যক্তির একাধিক স্ত্রী মৃত স্বামীর সম্পত্তি প্রত্যেকে ১/৪ অংশ সমানভাবে ভাগ করে পাবেন।

৩০.
কমপক্ষে কয় জন সাক্ষী দ্বারা স্থাবর সম্পত্তির দান প্রত্যায়িত হতে হবে?
  1. নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই
  2. এক জন
  3. দুই জন
  4. তিন জন
ব্যাখ্যা
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৩ ধারার বিধান: দান হস্তান্তর পদ্ধতি:
- স্থাবর সম্পত্তির দান অবশ্যই দাতা কর্তৃক বা তার পক্ষে স্বাক্ষরিত, কমপক্ষে দুই জন সাক্ষী দ্বারা প্রত্যায়িত এবং নিবন্ধন করতে হবে। মুসলিম আইনের অধীন হেবা স্থাবর সম্পত্তির দান বলে গণ্য হবে এবং নিবন্ধন করতে হবে। অস্থাবর সম্পত্তির দান নিবন্ধন অথবা শুধু দখল অর্পনের মাধ্যমে কার্যকর করা যায়।
------------------------------
TP Act, Section 123: Transfer how effected:
For the purpose of making a gift of immoveable property, the transfer must be effected by a registered instrument signed by or on behalf of the donor, and attested by at least two witnesses.
Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, a heba under Muhammadan law shall be deemed to be a gift of immoveable property for the aforesaid purpose.For the purpose of making a gift of moveable property, the transfer may be effected either by a registered instrument signed as aforesaid or by delivery. Such delivery may be made in the same way as goods sold may be delivered.
৩১.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১১৬ ধারায় কোন নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. Doctrine of Perpetuity
  2. Doctrine of Election
  3. Doctrine of Holding over
  4. Doctrine of Part Performance
ব্যাখ্যা
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১১৬ ধারার বিধান: মেয়াদ পরবর্তী দখলের প্রতিক্রিয়া:
- যদি কোন সম্পত্তির ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারগ্রহীতা ইজারার মেয়াদ পরিসমাপ্তির পরও ইজারা সম্পত্তিতে দখল বজায় রাখে এবং ইজারাদাতা বা তার আইনগত প্রতিনিধি ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারাগ্রহীতার নিকট হতে খাজনা গ্রহণ করে বা দখল বহাল রাখবার জন্য অন্য কোন ভাবে সম্মতি প্রদান করে, তাহলে ভিন্নরূপ চুক্তির অবর্তমানে যে উদ্দেশ্যে ঐ সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হয়েছে সেই উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে ১০৬ ধারা অনুযায়ী এই ইজারা বছর হতে বছরে বা মাস হতে মাসে নবায়িত হবে।
 
উদাহরণ:
-পাঁচ বছরের জন্য A, B-কে একটি বাড়ি ভাড়া দিলেন। B আবার মাসিক একশত টাকা ভাড়ায় বাড়িটি C-কে ভাড়া দিলেন। পাঁচ বছর কেটে গেল কিন্তু C বাড়িটি তার দখলে রেখে দিলেন এবং A-কে ভাড়া দিতে লাগলেন। C-এর ইজারা মাস হতে মাসে নবায়িত হলো।
-  A, C-এর জীবন কালের জন্য B-কে একটি খামার ইজারা দিলেন। C মারা গেলেন, কিন্তু B, A-এর সম্মতিতে দখল বজায় রাখলেন। B-এর ইজারা বছর হতে বছরে নবায়িত হলো। 
 
- এই ধারানুযায়ী কোন ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও যদি কোন ইজারাগ্রহীতা ইজারাদাতার সম্মতিতে ইজারা সম্পত্তির দখল বজায় রাখে তা (Holding over) বা মেয়াদ উত্তীর্ণ দখল বলে পরিগণিত হবে। একেই Doctrine of Holding over বলে।
- এই রকম দখলের অনুমতি দেওয়া হলে তা বছর হতে বছর বা মাস হতে মাস ভিত্তিতে নবায়িত হবে। এরূপ ইজারাগ্রহীতাকে Tenant at will, Tenant holding over বলে।
-----------------------------------
-TP Act, Section 116: Effect of holding over:
If a lessee or under-lessee of property remains in possession thereof after the determination of the lease granted to the lessee, and the lessor or his legal representative accepts rent from the lessee or under-lessee, or otherwise assents to his continuing in possession, the lease is, in the absence of an agreement to the contrary, renewed from year to year, or from month to month, according to the purpose for which the property is leased, as specified in section 106. 
 
Illustrations:
(a) A lets a house to B for five years. B underlets the house to C at a monthly rent of Tk. 100. The five years expire, but C continues in possession of the house and pays the rent to A. C's lease is renewed from month to month. 
(b) A lets a farm to B for the life of C. C dies, but B continues in possession with A's assent. B's lease is renewed from year to year.
৩২.
নিবন্ধন আইনের ২৩ক ধারার বিধান মতে কত দিনের মধ্যে একটি দলিল পুনঃনিবন্ধনের জন্য রেজিস্ট্রারের নিকট দাখিল করতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪ মাস
ব্যাখ্যা
⇒নিবন্ধন আইনের ২৩ক ধারার বিধান মতে: দলিল নিবন্ধন করার ক্ষমতাসম্পন্ন নয় এমন ব্যক্তি রেজিস্ট্রার বা সাব রেজিস্ট্রারের নিকট কোন দলিল দাখিল করে নিবন্ধন করলে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে।
- উক্ত দলিলের নিবন্ধন অবৈধ হয়েছে জানার দিন থেকে ৪ মাসের মধ্যে পুনরায় রেজিস্ট্রারের নিকট নিবন্ধনের জন্য দাখিল করতে হবে।

⇒ নিবন্ধন আইনের ২৩ক ধারার বিধান: কতিপয় দলিলের পুনঃনিবন্ধন (Re-registration of certain documents):
- যদি কোন ক্ষেত্রে দলিল দাখিল করার ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক নিবন্ধনযোগ্য কোন দলিল নিবন্ধনের জন্য রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রারের নিকট পেশ করে এবং উক্ত দলিল নিবন্ধিত হয়, তবে উক্ত দলিলের দাবিদার এমন কোন ব্যক্তি উক্ত দলিল নিবন্ধনের অবৈধতা সম্পর্কে সর্বপ্রথম অবগত হওয়ার পর ৪ মাসের মধ্যে জেলার যেই রেজিস্ট্রারের অফিসে দলিলটি প্রথম নিবন্ধিত হয়েছিল ঐ রেজিস্ট্রারের অফিসে পুনরায় নিবন্ধনের জন্যে দাখিল করতে বা দাখিল করাতে পারেন এবং রেজিস্ট্রার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে-
- দলিলটি দাখিল করার প্রকৃত ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির নিকট হতে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হয়েছিল, তবে তিনি দলিলটি পুনঃনিবন্ধনের বিষয়ে এরূপভাবে অগ্রসর হবেন যেন তা পূর্বে কোন সময় নিবন্ধিত হয়নি এবং যেন পুনঃনিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন প্রদত্ত সময়ের মধ্যে দলিল নিবন্ধনের জন্য দাখিল করার অনুমোদিত সময়ের মধ্যেই হয়েছে;
- দলিল নিবন্ধন বিষয়ক এই আইনের সকল শর্ত উক্ত পুনঃনিবন্ধনে প্রযোজ্য হবে;
- উক্ত দলিল যদি এই ধারার শর্তাবলি অনুযায়ী যথেষ্টরূপে পুনরায় নিবন্ধিত হয় সেক্ষেত্রে তার প্রথম নিবন্ধনের তারিখেই সঠিকরূপে নিবন্ধিত হয়েছে বলে গণ্য হবে।
----------------------
Section-23A. Re-registration of certain documents:
-Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act, if in any case a document requiring registration has been accepted for registration by a Registrar or Sub-Registrar from a person not duly empowered to present the same, and has been registered, any person claiming under such document may, within four months from this first becoming aware that the registration of such document is invalid, present such document or cause the same to be presented, in accordance with the provisions of Part VI for re-registration in the office of the Registrar of the district in which the document was originally registered; and upon the Registrar being satisfied that the document was so accepted for registration from a person not duly empowered to present the same, he shall proceed to the re-registration of the document as if it had not been previously registered, and as if such presentation for re-registration was a presentation for registration made within the time allowed therefor under Part IV, and all the provisions of this Act, as to registration of documents, shall apply to such re-registration; and such document, if duly re-registered in accordance with the provisions of this section, shall be deemed to have been duly registered for all purposes from the date of its original registration:
 
Provided that, within three months from the twelfth day of September, 1917, any person claiming under a document to which this section applies may present the same or cause the same to be presented for re-registration in accordance with this section, whatever may have been the time when he first became aware that the registration of the document was invalid.
৩৩.
চুক্তি আইনের ২০১ ধারার বিধান কী?
  1. Termination of agency
  2. Termination of sub-agent's authority
  3. Notice of revocation or renunciation
  4. When agent cannot delegate
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি আইনের ২০১ ধারার বিধান প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি (Termination of agency):
প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে-
- প্রিন্সিপাল তার ক্ষমতা প্রত্যাহার করলে; অথবা
- এজেন্ট তার এজেন্সির কাজ পরিহার করলে; অথবা
- এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে; অথবা
- প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে বা অপ্রকৃতিস্থ হলে; অথবা 
- দেনাদারদের প্রতিকারের জন্য প্রিন্সিপাল দেউলিয়া হলে।
-------------
⇒ Section 201. Termination of agency:
 An agency is terminated by the principal revoking his authority; or by the agent renouncing the business of the agency; or by the business of the agency being completed; or by either the principal or agent dying or becoming of unsound mind; or by the principal being adjudicated an insolvent under the provisions of any Act for the time being in force for the relief of insolvent debtors.
৩৪.
'A will may at any time be presented for registration or deposited in manner hereinafter provided' বিধানটি The Registration Act, 1908 এর কোন ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ২৩ক
  2. ২৪
  3. ২৬
  4. ২৭
ব্যাখ্যা
⇒ The Registration Act, 1908, Section-27. Wills may be presented or deposited at any time:
-A will may at any time be presented for registration or deposited in manner hereinafter provided.
-------------------
নিবন্ধন আইনের ২৭ ধারা মতে উইল যে কোন সময় দাখিল করা বা জমা দেওয়া যাবে: উইল- যে কোন সময় নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা যাবে, অথবা অতপর বর্ণিত পদ্ধতিতে জমা দেওয়া যাবে।
 
- উইল হল একমাত্র দলিল যার দাখিলের জন্য কোন সময়সীমা নাই।
৩৫.
'A' একটি গাভী যত্ন নেওয়ার জন্য 'B' এর হেফাজতে রাখেন। গাভীটি একটি বাছুর জন্ম দিলো। গাভীটির বাছুরটির অধিকারী হবেন-
  1. জিম্মাগ্রহীতা হিসেবে 'B'
  2. জিম্মাদার হিসেবে 'A'
  3. জিম্মাকৃত মালের লাভ হিসেবে 'A' ও 'B' দুইজনে
  4. জিম্মাদাতা হিসেবে 'A'
ব্যাখ্যা
- জিম্মাকৃত মালের বৃদ্ধি বা লাভের অধিকারী হবেন-জিম্মাদাতা। অর্থাৎ গাভীটির বাছুরটির অধিকারী হবেন- জিম্মাদাতা হিসেবে 'A'।
উল্লেখ্য এখানে 'A' জিম্মাদার হবেন না, 
'A' হচ্ছেন জিম্মাদাতা।
 
⇒ চুক্তি আইনের ১৬৩ ধারার বিধান জিম্মাকৃত পণ্যের বৃদ্ধি বা লাভের অধিকারী জিম্মাদাতা:
- জিম্মাকৃত পণ্যের কোন বৃদ্ধি বা লাভ জিম্মাদার জিম্মাদাতাকে বা জিম্মাদাতার নির্দেশ অনুসারে প্রদান করতে বাধ্য।
- উদাহরণ:
A একটি গাভী যত্ন নেওয়ার জন্য B এর হেফাজতে রাখেন। গাভীটি একটি বাছুর জন্ম দিলো। B গাভীটির সাথে বাছুরটিকেও A এর নিকট প্রদান করতে বাধ্য।
-----------------------------
-Section 163. Bailor entitled to increase or profit from goods bailed:
In the absence of any contract to the contrary, the bailee is bound to deliver to the bailor, or according to his directions, any increase or profit which may have accrued from the goods bailed.
Illustration:
A leaves a cow in the custody of B to be taken care of. The cow has a calf. B is bound to deliver the calf as well as the cow to A. 
৩৬.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ৮৩ ধারার বিধান কী?
  1. Ground for eviction of raiyats
  2. Rights of raiyat in respect of use of land
  3. Limitation of transfer of holding
  4. Devolution of holding on the death of a raiyat
ব্যাখ্যা
⇒ Section 83.Rights of raiyat in respect of use of land: A raiyat shall have the right to occupy and use the land comprised in his holding in any manner he likes.
-------
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ৮৩ ধারার বিধান রায়তের ভূমি ব্যবহার সম্পর্কিত অধিকার: কোনো রায়তের তাহার জোতের অন্তর্ভুক্ত ভূমি তাহার ইচ্ছামাফিক ভোগ-দখল করার অধিকার থাকিবে।
৩৭.
ভূমি উন্নয়ন কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী কৃষিকার্যের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তি ও পরিবারভিত্তিক কৃষি ভূমির মোট পরিমাণ ২৫ (পঁচিশ) বিঘার অধিক হলে-
  1. অতিরিক্ত কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে।
  2. শুধুমাত্র ২৫(পঁচিশ) বিঘা কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে।
  3. সম্পূর্ণ কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে।
  4. পাঁচশত টাকা উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে।
ব্যাখ্যা
⇒ ভূমি উন্নয়ন কর আইন, ২০২৩ এর ৩ ধারার বিধান: কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর:
(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, কৃষি ভূমি, চা বাগান এবং অন্যান্য ভূমির ভূমি উন্নয়ন করের হার, সীমা ও শর্ত নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) কৃষিকার্যের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তি বা পরিবারভিত্তিক কৃষি ভূমির মোট পরিমাণ ৮.২৫ (আট দশমিক দুই পাঁচ) একর বা ২৫ (পঁচিশ) বিঘা পর্যন্ত হইলে উহার ভূমি উন্নয়ন কর মওকুফ থাকিবে এবং ইক্ষু, লবণ চাষের ভূমি ও কৃষকের পুকুর (বাণিজ্যিক মৎস্যচাষ ব্যতীত) উক্ত মওকুফের অন্তর্ভুক্ত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, কৃষিকার্যের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তি ও পরিবারভিত্তিক কৃষি ভূমির মোট পরিমাণ ৮.২৫ (আট দশমিক দুই পাঁচ) একর বা ২৫ (পঁচিশ) বিঘার অধিক হইলে, সম্পূর্ণ কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করিতে হইবে।

(৩) কৃষি ভূমি পল্লি এলাকা বা পৌর এলাকার যে কোন স্থানে অবস্থিত হউক না কেন, সকল ক্ষেত্রে অভিন্ন ভূমি উন্নয়ন কর হার ও শর্ত প্রযোজ্য হইবে।
৩৮.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানকে ত্রুটিমুক্ত করার উদ্দেশ্যে কোন ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করেন?
  1. এন্ডো ফিলিপ
  2. জন ফেডরিক
  3. জন গাথরিক
  4. টমাস হেনরি
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ভাষাগত ভুল দূর করের জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান আনিসুজ্জামান (কমিটির প্রধান), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আলী আহসান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ড মাযহারুল ইসলাম-এর সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়।

- আইনি ভাষা, কারিগরি দিক পরীক্ষার জন্য সংবিধান বিষয়ের বিশেষজ্ঞ জন গাথরি'কে ঢাকায় এনে এবং সংবিধানের ভাষাগত সংস্থান ও ব্যাকরণগত ভুলত্রুটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য অধ্যাপক আনিসুজ্জমান'র নেতৃত্বে সৈয়দ আলী আহসান ও ড. মাযহারুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক- শিল্পী আব্দুর রউফ, অঙ্গসজ্জা- জয়নুল আবেদিন, হাশেম খান

- সংবিধানটি পূর্ণাঙ্গ ও উত্তম করার উদ্দেশ্যে কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন ভারত ও ইংল্যান্ড সফর করে সেখানকার পার্লামেন্টের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।
৩৯.
'রাষ্ট্র আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করিবার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।' বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. ১৫
  2. ১৭
  3. ১৯
  4. ২১
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদের বিধান: অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা: রাষ্ট্র-
(ক) একই পদ্ধতির গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য;
(খ) সমাজের প্রয়োজনের সহিত শিক্ষাকে সংগতিপূর্ণ করিবার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করিবার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
(গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করিবার জন্য
কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
৪০.
কে সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধি প্রণয়ন করেন?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. মন্ত্রিসভা
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদের বিধান: মন্ত্রিসভা
(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে।
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে।
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে।
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।
৪১.
রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন-
  1. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক ছিলেন এমন কোন ব্যক্তিকে
  2. জাতীয় সংসদ-সদস্য হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে
  3. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে
  4. প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করে কোন ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদের বিধান: অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।
৪২.
'Fiat justitia rout coelum'- এই প্রবচনটির অর্থ কী?
  1. Injustice anywhere is a threat to justice everywhere.
  2. If it were not for injustice, man would not know justice.
  3. Let justice be done, though haven fall.
  4. If you want peace, you must work for justice.
ব্যাখ্যা
⇒ Fiat justitia rout coelum- এই প্রবচনটির অর্থ হলো, 'Let justice be done, though haven fall.' আইনানুযায়ী সঠিক বিচার করাই বিচারকের মূল দায়িত্ব। পক্ষপাতিত্ব করার সুযোগ নেই। যে কোন মূল্যে সত্য উদঘাটন করাই বিচারকের অন্যতম কাজ।

গ) "Let justice be done, though haven fall."এই প্রবচনটির অর্থ হল "ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক, যদিও স্বর্গ ধ্বংস হয়ে যায়"। অর্থাৎ এটি একটি লাতিন প্রবাদবাক্য যা ন্যায়বিচারের গুরুত্ব তুলে ধরে। এর অর্থ হল যে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য যাই না হোক তা করা উচিত, এমনকি যদি তাতে স্বর্গও ধ্বংস হয়ে যায়। এটি ন্যায়বিচারের অগ্রাধিকারকে সর্বোচ্চ স্থান দেয়।
---------------------- 
ক) "Injustice anywhere is a threat to justice everywhere." অর্থ হল "যেখানেই অন্যায় হোক না কেন, সেটি সর্বত্র ন্যায়বিচারের জন্য একটি হুমকি"। এটি বলতে চায় যে অন্যায় কোথাও হলে তা সর্বত্র ন্যায়বিচারকে বিপন্ন করে। এটি একটি আন্দোলনমূলক বাক্য যা ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই করার আহবান জানায়।

খ) "If it were not for injustice, man would not know justice." অর্থ হল "যদি অন্যায় না থাকত, তবে মানুষ ন্যায়বিচারকে চিনতে পারত না"। এটি একটি দার্শনিক বিবৃতি যা বলতে চায় যে অন্যায়ের অভিজ্ঞতা থেকেই মানুষ ন্যায়বিচারের গুরুত্ব বুঝতে পারে। প্রকৃতপক্ষে, ন্যায় ও অন্যায়ের তুলনামূলক অবস্থান থেকেই এদের সঠিক বোঝা আসে।
 
ঘ) "If you want peace, you must work for justice." অর্থ হল "যদি তুমি শান্তি চাও, তবে তোমাকে ন্যায়বিচারের জন্য কাজ করতে হবে"। এটি বলতে চায় যে শান্তি ও ন্যায়বিচারের মধ্যে একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ন্যায়বিচার না থাকলে শান্তি অর্জন করা সম্ভব নয়।
৪৩.
"কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট - বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ১০৬
  2. ১০৭
  3. ১০৮
  4. ১০৯
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদের বিধান: "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট:
- সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব্ রেকর্ড" হইবেন এবং ইহার অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।
৪৪.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর কত ধারায় "উইল" (Will) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ৩(৫৫)
  2. ৩(৫৭)
  3. ৩(৫৯)
  4. ৩(৫৬)
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 Section- 3(57) "Will" shall include a codicil and every writing making a voluntary posthumous disposition of property.
-----------------------
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ৩(৫৭) উইল  ধারার বিধান:- “উইল" বলিতে শেষ ইচ্ছাপত্র এবং স্বেচ্ছায় সম্পপ্তির মরনোত্তর বন্টন সংক্রান্ত সব ধরনের লেখা অন্তর্ভূক্ত হইবে।
৪৫.
সংসদের গৃহীত হওয়ার পর 'সংবিধানের বিধান সংশোধনের বিল' রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত করার পর কত দিনের মধ্যে সম্মতিদানে অসমর্থ উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হবে?
  1. ১৫
  2. ১০
  3. ৩০
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের বিধান:  সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা: 
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
(ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে,
(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ণ শিরোনামে এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;
(খ) উপরিউক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
৪৬.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ২১ ধারার নিচের কোন নীতির সাথে সম্পর্কিত?
  1. The doctrine of ultra vires
  2. Doctrine of Locus poenitentiae
  3. Doctrine of Efficacy
  4. The doctrine of Legitimate Expectation
ব্যাখ্যা
⇒ জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ২১ ধারায় 'Doctrine of Locus poenitentiae' আলোচনা করা হয়েছে। এর অর্থ- কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা।

জেনারেল ক্লাউজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ২১ ধারাটি Doctrine of Locus poenitentiae নীতির সাথে সম্পর্কিত।
 
Locus poenitentiae একটি লাতিন শব্দ যার অর্থ হল "পাল্টানোর সুযোগ"। এই নীতি অনুযায়ী, যখন একটি চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার আগে একজন পক্ষ তা থেকে প্রত্যাহার করতে চান, তখন তিনি তা করতে পারবেন। অর্থাৎ চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার পূর্বে যে কোনো সময় একজন পক্ষ তা থেকে সরে আসতে পারবেন। 
 
জেনারেল ক্লাউজেস অ্যাক্টের ২১ ধারা এই নীতিকেই প্রতিফলিত করে। সেখানে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো নিরাপত্তা প্রদানের জন্য হিসাব বা অন্য দলিলপত্র সম্পাদিত হতে না পারে, তবে দাতা চাইলে তা প্রত্যাহার করতে পারবেন। অর্থাৎ সেক্ষেত্রে দাতাকে Locus poenitentiae বা প্রত্যাহারের সুযোগ দেওয়া হবে।
 
অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) The doctrine of ultra vires একটি কোম্পানি আইনের নীতি যা বলে যে একটি কোম্পানি তার গঠনপত্রে বর্ণিত ক্ষমতার বাইরে কোনো কাজ করতে পারবে না।
গ) Doctrine of Efficacy হল কোনো আইনের প্রভাব বা কার্যকারিতা সম্পর্কিত নীতি।
ঘ) The doctrine of Legitimate Expectation হল একটি প্রশাসনিক আইনের নীতি যা বলে যে প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষকে রাজনৈতিক বা অন্যান্য বৈষম্যমূলক মনোভাব প্রদর্শন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
--------------------
- ধারা-২১: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে:-
যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপবিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
-------------------------------
- Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws: 
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.
৪৭.
"আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনি পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা" কত সালে প্রণয়ন করা হয়?
  1. ২০০০
  2. ২০১৪
  3. ২০১৫
  4. ২০১১
ব্যাখ্যা
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ৬ নং আইন) এর ধারা ২২ক তে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার "আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিক্রোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫" প্রণয়ন করেন।

- আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিক্রোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ এর প্রথম অধ্যায়ের প্রথম বিধিতে শিরোনাম দেওয়া আছে।

-বিধি-১ শিরোনাম: -এই বিধিমালা আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিক্রোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ নামে অভিহিত হইবে।
৪৮.
বিষেশ ক্ষমতা আইনের কত ধারায় 'সান্ধ্য আইন (Curfew)' এর বিধান আছে?
  1. ১৫
  2. ২৪
  3. ২৫
  4. ২৫গ
ব্যাখ্যা
⇒বিষেশ ক্ষমতা আইনের ২৪ ধারার বিধান: সান্ধ্য আইন (Curfew):
(১) জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট সরকারের নিয়ন্ত্রন সাপেক্ষে আদেশ জারীর মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন যে, আদেশে নির্দিষ্ট ব্যতিক্রম বাদে, আদেশে নির্দিষ্ট এলাকা বা এলাকা সমূহে উপস্থিত কোন ব্যক্তিই আদেশে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তির মঞ্জুরীকৃত লিখিত অনুমতিপত্রের প্রধিকার ব্যতিত ঘরের বাহিরে আসতে পারবে না।
(২) এ ধারানুসারে দেয়া আদেশ যদি কোন ব্যক্তি লঙ্ঘন করে তবে তার ১ (এক) বৎসর পর্যন্ত কারাদন্ড বা জরিমানা বা উভয় প্রকার শাস্তি হতে পারে।
---------------------------------
Section-24: Curfew:
 (1) The District Magistrate 1[or the Police Commissioner in 2[a Metropolitan Area]] may, subject to the control of the Government, by order direct that, subject to any exemption specified in the order, no person present within any area or areas specified in the order shall, between such hours as may be specified in the order, be out of doors except under the authority of a written permit granted by a specified authority or person.

(2) If any person contravenes any order made under this section, he shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৪৯.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারায় শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে কয়টি বিবেচ্য বিষয়ের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ১০
  2. ১১
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারার বিধান: শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়:
- এই আইনের অধীন কোন আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে শিশু-আদালত নিম্নবর্ণিত বিষয় বিবেচনা করিবে, যথা :-
(ক) শিশুর বয়স ও লিঙ্গ;
(খ) শিশুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা;
(গ) শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা বা শিশু কোন শ্রেণিতে অধ্যয়নরত;
(ঘ) শিশুর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নৃতাত্ত্বিক অবস্থা;
(ঙ) শিশুর পরিবারের আর্থিক অবস্থা;
(চ) শিশুর ও তাহার পরিবারের জীবন-যাপন পদ্ধতি;
(ছ) অপরাধ সংঘটনের কারণ, দলবদ্ধতা তথ্য, সার্বিক পরিস্থিতি ও পটভূমি;
(জ) শিশুর অভিমত;
(ঝ) সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন; এবং
(ঞ) শিশুর সংশোধন ও সর্বোত্তম স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য আনুষঙ্গিক যে সকল বিষয় বিবেচনার্থে গ্রহণ করা আবশ্যক ও প্রয়োজন।

-শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারায় শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে এই ১০টি বিবেচ্য বিষয়ের কথা উল্লেখ আছে।
৫০.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিচারকার্য সম্পাদন করার বিধান আছে?
  1. ৫৪
  2. ৫৫
  3. ৫৬
  4. ৫৭
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৫৭ ধারার বিধান মোবাইল কোর্ট আইনের প্রয়োগ:
- এই আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মাদকদ্রব্য অপরাধসমূহ মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৫৯ নং আইন) এর অধীন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করিয়া বিচারকার্য সম্পাদন করা যাইবে।

অর্থাৎ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৫৭ ধারায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিচারকার্য সম্পাদন করার বিধান আছে।
৫১.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ভিক্ষাবৃত্তির উদ্দেশ্যে শিশুর অঙ্গহানী করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১২ ধারার বিধান: ভিক্ষাবৃত্তি, ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুকে অঙ্গহানি করার শাস্তি: 
 - যদি কোন ব্যক্তি ভিক্ষাবৃত্তি বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রির উদ্দেশ্যে কোন শিশুর হাত, পা, চক্ষু বা অন্য কোন অঙ্গ বিনষ্ট করেন বা অন্য কোনোভাবে বিকলাঙ্গ বা বিকৃত করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৫২.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর অধীন অপরাধসমূহ-
  1. অ-আমলযোগ্য, আপোষযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য
  2. আমলযোগ্য, অ-আপোষযোগ্য ও জামিনযোগ্য
  3. আমলযোগ্য, আপোষযোগ্য ও জামিনযোগ্য
  4. আমলযোগ্য, অ-আপোষযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য
ব্যাখ্যা
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ১১ ধারার বিধান: অপরাধের আমলযোগ্যতা, অ-আপোষযোগ্যতা ও অ-জামিনযোগ্যতা:
- এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (Cognizable) , অ-আপোষযোগ্য (Non- compoundable) এবং অ-জামিনযোগ্য (Non-bailable) হইবে।
৫৩.
কোন ব্যক্তি মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি বা মামলার সাক্ষীকে বা তার পরিবারের কোনো সদস্যকে হুমকি প্রদান, ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করলে অন্যূন কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে?
  1. ৭ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ১৪ ধারার বিধান: ভিকটিম বা মামলার সাক্ষীকে হুমকি প্রদানের দণ্ড:
-কোন ব্যক্তি মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি বা মামলার সাক্ষীকে বা তাহার পরিবারের কোনো সদস্যকে হুমকি প্রদান, ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করিয়া এই আইনের অধীন রুজুকৃত কোন মামলার তদন্ত বা বিচারকার্যে কোনরূপ গুরুতর বিঘ্ন সৃষ্টি করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৫৪.
দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার অপরাধের সাথে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর কোন ধারার অপরাধের মিল রয়েছে?
  1. ২২
  2. ২৩
  3. ২৪
  4. ২৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার অপরাধের সাথে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২৪ ধারার অপরাধের মিল রয়েছে। এই দুই জায়গাতে পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশে প্রতারণার অপরাধের বিধান রয়েছে।
- এগুলো অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণার
অপরাধ বলে বিবেচিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারায় অপরের রূপধারণ পূর্বক প্রতারণা বা ছদ্মবেশী প্রতারণার (cheating by personation) বিধান রয়েছে। প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে। যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয় সে ব্যক্তি প্রকৃত বা কল্পিত যাই হোক না কেন তা ছদ্মবেশে প্রতারণা হবে।

সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২৪ ধারার বিধান: পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণ:
 (১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার প্রোগ্রাম, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, কোনো ডিজিটাল ডিভাইস, ডিজিটাল সিস্টেম বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করিয়াে
(ক) প্রতারণা করিবার বা ঠকাবার উদ্দেশ্যে অপর কোনো ব্যক্তির পরিচয় ধারণ করেন বা অন্য কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত কোনো তথ্য নিজের বলিয়া প্রদর্শন করেন; বা
(খ) উদ্দেশ্যমূলকভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে কোনো জীবিত বা মৃত ব্যক্তির ব্যক্তিসত্তা নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যে নিজের বলিয়া ধারণ করেন,-
(অ) নিজের বা অপর কোনো ব্যক্তির সুবিধা লাভ করা বা করাইয়া দেওয়া;
(আ) কোনো সম্পত্তি বা সম্পত্তির স্বার্থ প্রাপ্তি;
(ই) কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিসত্তার ক্ষতিসাধন,
তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা: কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation):-
যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
উদাহরণসমূহ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে, খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারায় cheating by personation এর শাস্তি বর্ণিত আছে যা অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৫৫.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের বিধান মতে চেক ডিজঅনার হলে ১৩৮ ধারা অনুসারে নোটিশ দেয়ার পদ্ধতি নয় কোনটি?
  1. ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ সরবরাহ করেন
  2. ব্যক্তিগত ই-মেইলে নোটিশ দিয়ে
  3. বহুল প্রচারিত ১টি দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশ করে
  4. উক্ত ব্যক্তির বসবাস বা ব্যবসার স্থানে প্রাপ্তি স্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে
ব্যাখ্যা
⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের বিধান মতে চেক ডিজঅনার হলে ১৩৮ ধারা অনুসারে নোটিশ দেওয়ার পদ্ধতি:-
১৩৮ (১ক): ৩টি উপায়ে নোটিশ দেয়া যায়-
i) ব্যক্তিগতভাবে নোটিশ সরবরাহ করে;
ii) উক্ত ব্যক্তির বসবাস বা ব্যবসার স্থানে প্রাপ্তি স্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে;
iii) বহুল প্রচারিত ১টি দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশ করে।

 উল্লিখিত প্রশ্ন অনুসারে হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের বিধান মতে চেক ডিজঅনার হলে ১৩৮ ধারায় 'ব্যক্তিগত ই-মেইলে নোটিশ দিয়ে' নোটিশ দেওয়ার পদ্ধতি নয়।
---------------------
NI Act Section-138(1A) The notice required to be served under clasue (b) of sub-section (1) shall be served in the following manner-
(a) by delivering it to the person on whom it is to be served; or
(b) by sending it by registered post with acknowledgement due to that person at his usual or last known place of abode or business in Bangladesh; or
(c) by publication in a daily Bangla national newspaper having wide circulation.
৫৬.
In which of the following situations would you most likely use the idiom "Pay lip service to"?
  1. To provoke a fight or argument.
  2. To carelessly misuse one's wealth.
  3. To blame someone for a problem that others should deal with.
  4. To express approval of or support for something insincerely.
ব্যাখ্যা
Pay lip service to

English Meaning: express approval of or support for (something) insincerely or without taking any significant action.
Bangla Meaning: কোন কাজের ক্ষেত্রে মৌখিকভাবে একমত হওয়া, কিন্তু কোন কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়া।
 
Ex. Sentence: She's always trying to pass the buck and I'm sick of it!
Bangla Meaning: সে সময়ই অন্যায়ভাবে দোষারোপ করার চেষ্টা করে এবং আমি এটা নিয়ে বিরক্ত।
 
Other Options -
Pick a fight / quarrel / argument
English Meaning: intentionally to start a fight, quarrel, argument / provoke a fight or argument.
Bangla Meaning: কারো সাথে ঝগড়া / তর্ক করা / উস্কানি দেয়া।
 
Play duck and drakes
English Meaning: to use recklessly / to carelessly misuse one's wealth.
Bangla Meaning: অপব্যবহার করা / টাকা উড়ানো।

Pass the buck
English Meaning: to blame someone or make them responsible for a problem that others should deal with.
Bangla Meaning: অন্যায়ভাবে দোষারোপ করা / এক জনের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানো।

Source: Live MCQ Lecture.
৫৭.
Hankering after money doesn't bring peace. Here 'Hankering' is an example of -
  1. Gerund
  2. Participle
  3. Adjective
  4. Present continuous
ব্যাখ্যা
Hankering after money doesn't bring peace. Here 'Hankering' is an example of - Gerund.
 
Gerund:
- Verb এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun এর কাজ করে অর্থাৎ Verb ও noun এর কাজ করে, তাহলে তাকে Gerund বলে।
- সংক্ষেপে: Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun.
- It is a word ending in "-ing" that is made from a verb and used like a noun:
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.
- একটি বাক্যের বিভিন্ন স্থানে gerund বসতে পারে।
 
• প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যে, Hankering subject এর জায়গায় বসেছে।
- আর subject সব সময় noun/Pronoun হয়।
- Verb + ing noun এর কাজ করলে তাকে gerund বলে।
৫৮.
John had only been to Rome once before. Here 'once' is used as -
  1. Noun
  2. Adverb
  3. Adjective
  4. Conjunction
ব্যাখ্যা
John had only been to Rome once before. Here 'once' is used as - Adverb.
 
• অর্থভেদে এবং বাক্যে ব্যবহারের ভিত্তিতে once বিভিন্ন parts of speech হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
 
Once (Adverb)
• English Meaning: One single time:
• Bangla Meaning: একবারের জন্য; একবারমাত্র।
- অর্থাৎ, Once দ্বারা যদি কোনোকিছু একবার মাত্র ঘটে এমন কিছু নির্দেশ করে তবে তা adverb হিসেবে  বিবেচিত হবে।
 
- উল্লিখিত বাক্যে - জন এর আগে মাত্র একবার রোমে গিয়েছিলেন - এই অর্থে once adverb.
- এখানে, once দ্বারা সময় নির্দেশ করছে অর্থাৎ Adverb of time হয়েছে।
 
Once (Conjunction)
- If once ,as soon as, or from the moment when- ইত্যাদি অর্থে once, conjunction হবে।
- Once I've found somewhere to live I'll send you my address.(as soon as)
- Once I get the chance, I can prove myself. (If once)
 
Once (noun)
 - Preposition এর Object হিসেবে once noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: Please help me for once.
 
Source: Cambridge Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৫৯.
Neither Farhan nor his friends ________.
  1. is to be blamed
  2. are to be blamed
  3. is to be blame
  4. are to blame
ব্যাখ্যা
• Neither .... nor দ্বারা দুইটা Noun/Pronoun যুক্ত হলে শেষের noun/pronoun অনুযায়ী verb বসে।
- যেহেতু প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যের শেষে his friends – plural noun আছে, তাই এখানে ‍are হবে।
- অন্যদিকে বাক্যটি Passive sentence এর মত অর্থ প্রকাশ করছে, তাই সঠিক উত্তর হবে are to be blamed.
- Complete sentence: Neither Farhan nor his friends are to be blamed.
 
• [Either/neither] + noun + [or/nor] + singular noun + singular verb.
- Neither the salesmen nor the marketing manager is in favor of the system.
 
• [Either/neither] + noun + [or/nor] + plural noun + plural verb.
- Neither John nor his friends are going to the beach today.
৬০.
"It is our duty to live as long as we can." This is a quotation from George Bernard Shaw's which play?
  1. Man and Superman
  2. Arms and the Man
  3. Pygmalion
  4. Caeser and Cleopatra
ব্যাখ্যা
The quotation, "It is our duty to live as long as we can." is an excerpt from George Bernard Shaw's play, Arms and the Man.
 
Arms and the Man:
- It is a romantic comedy in three acts by George Bernard Shaw.
- It was produced in 1894 and published in 1898.
- The play is set in the Petkoff household in Bulgaria and satirizes romantic ideas concerning war and heroism.
 
Other Famous quotations from this play:
- "Nine Soldires out of ten are born fools."
 
Main Characters: 
- Raina,
- Bluntschli,
- Sergius,
- Catherine,
- Louka,
- Major Petkoff.
 
Source: Britannica.com 
৬১.
'The Countess Cathleen' is a ___________ written by W.B Yeats.
  1. play
  2. poem
  3. sonnet
  4. short story
ব্যাখ্যা
'The Countess Cathleen' is a play written by W.B Yeats.
 
- The Countess Cathleen, verse drama by William Butler Yeats, published in 1892 and performed in 1899.
- Like many of Yeats’s plays, The Countess Cathleen was inspired by Irish folklore.
- W.B Yeats কে Ireland এর National poet  বলা হয়ে থাকে।
- একজন কবি এবং নাট্যকার হিসাবে, তার সাহিত্যকর্ম গুলো আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্য এবং রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন
- নিজের জন্মভূমির প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ তার বিভিন্ন কবিতায় লক্ষ্য করা যায়।
 
W.B Yeats রচিত আরো কিছু play হচ্ছে -
- The Resurrection
- The Hour Glass 
-  At the Hawk’s Well,
- The Only Jealousy of Emer
- The Dreaming of the Bones
- Calvary
 
Source: Britannica.
৬২.
50 জন লোকের মধ্যে 35 জন ইংরেজি, 25 জন ইংরেজ ও বাংলা উভয়ই এবং প্রত্যেকেই দুইটি ভাষার অন্তঃত একটি ভাষায় কথা বলতে পারেন। বাংলায় কত জন কথা বলতে পারেন? 
  1. 10 জন
  2. 20 জন
  3. 30 জন
  4. 15 জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 50 জন লোকের মধ্যে 35 জন ইংরেজি, 25 জন ইংরেজ ও বাংলা উভয়ই এবং প্রত্যেকেই দুইটি ভাষার অন্তঃত একটি ভাষায় কথা বলতে পারেন। বাংলায় কত জন কথা বলতে পারেন? 

সমাধান: 
উভয় ভাষায় কথা বলতে পারেন = 25 জন 
শুধু ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন = (35 - 25) জন = 10 জন 
∴ বাংলায় কথা বলতে পারেন = {50 - (25 + 10)} জন 
= (50 - 35) জন 
= 15 জন 

∴ বাংলায় কথা বলতে পারেন =  15 জন ।
৬৩.
একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৯০০ বর্গমিটার হলে বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা কত? 
  1. ৩০ মিটার
  2. ৬০ মিটার
  3. ৯০ মিটার
  4. ১২০ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৯০০ বর্গমিটার হলে বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৯০০ বর্গমিটার 
∴ বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = √৯০০ মিটার
= ৩০ মিটার 

আমরা জানি, 
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × এক বাহুর দৈর্ঘ্য 
= (৩০ × ৪) মিটার 
= ১২০ মিটার 

∴ বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ১২০ মিটার।
৬৪.
কোনো শিবিরে ৪,০০০ লোকের ১৯০ দিনের খাদ্য মজুদ আছে। যদি ৩০দিন পর ৮০০ জন লোক চলে যায় তবে অবশিষ্ট খাদ্যে বাকি লোকের কত দিন চলবে?
  1. ২০০ দিন
  2. ৩০০ দিন
  3. ৩৫০ দিন
  4. ৪০০ দিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো শিবিরে ৪,০০০ লোকের ১৯০ দিনের খাদ্য মজুদ আছে। যদি ৩০দিন পর ৮০০ জন লোক চলে যায় তবে অবশিষ্ট খাদ্যে বাকি লোকের কত দিন চলবে?

সমাধান: 
দিন অবশিষ্ট থাকে = (১৯০ - ৩০) দিন = ১৬০ দিন 
∴ লোক অবশিষ্ট থাকে = (৪০০০ - ৮০০) জন = ৩২০০ জন 

এখন, 
৪০০০ জন লোকের খাদ্য মজুদ আছে = ১৬০ দিনের 
∴ ১ জন লোকের খাদ্য মজুদ আছে = (১৬০ × ৪০০০) দিনের 
∴ ৩২০০ জন লোকের খাদ্য মজুদ আছে = (১৬০ × ৪০০০)/৩২০০ দিনের
= ২০০ দিনের 

∴ অবশিষ্ট খাদ্যে বাকি লোকের চলবে = ২০০ দিন।
৬৫.
নিচের কোন সভ্যতাটি দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল?
  1. ইজিয়ান সভ্যতা
  2. হিব্রু সভ্যতা
  3. ইনকা সভ্যতা
  4. মেসোপটেমিয়া সভ্যতা
ব্যাখ্যা
ইনকা সভ্যতা (Inca Civilization): 

- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের একমাত্র বিখ্যাত সভ্যতা হচ্ছে ‘ইনকা সভ্যতা’।
- এটি অন্যান্য সভ্যতার তুলনায় সাম্প্রতিক সময়ের সভ্যতা।
- সভ্যতাটির উত্থান-পতনকাল হচ্ছে ১৪০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৫৭২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
- দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর দক্ষিন-পূর্বাঞ্চলে এই সভ্যতার গোড়াপত্তন ঘটে।
- পরবর্তীতে তা উত্তর ইকুয়েডর থেকে মধ্য চিলি পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়েছিল।
- ইনকা সভ্যতার সবচেয়ে বড় নিদর্শন মাচুপিচু (Machu Picchu) যা সম্ভবত ১৪৫০ সালের দিকে নির্মিত হয়েছিল।  
 
সূত্র:- ব্রিটানিকা।
৬৬.
বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে ভারত সফলভাবে চাঁদে অভিযান পরিচালনা করেছে?
  1. ৪র্থ দেশ
  2. ৫ম দেশ
  3. ৭ম দেশ
  4. ৮ম দেশ
ব্যাখ্যা
ভারতের চন্দ্রাভিযান:
- ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নাম - ইসরো।
- এই মিশনের প্রকল্প পরিচালক ছিলেন - পি ভিরামুথুভেল।
- ৪র্থ দেশ হিসেবে ভারত  চাঁদে সফলভাবে অভিযান পরিচালনা করেছে।
- চন্দ্রযান-৩  যাত্রা শুরু করে - ১৪ জুলাই, ২০২৩।
- চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে চন্দ্রযান-৩ অবতরণ করে - ২৩ আগস্ট, ২০২৩।
- বিক্রম'  হলো চন্দ্রযান-৩-এর ল্যান্ডারের নাম।
- ল্যান্ডারটি উচ্চতায় ২ মিটারের মতো, ওজন ১ হাজার ৭০০ কেজির বেশি। 
 ‘প্রজ্ঞান হলো চন্দ্রযান-৩-এর রোভারের নাম।
- ছোট রোভারের ওজন ২৬ কেজি
- চন্দ্রযান-৩-এর  অভিযান পরিচালনায় মোট ব্যয় হয়েছে- ৬১৫ কোটি রুপি।
- চন্দ্রযান-৩ উৎক্ষেপণ করা হয় - অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশকেন্দ্র থেকে।
 
উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৬৭.
ভারত-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকের নাম কী?
  1. চিরঞ্জীব মুজিব
  2. টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই
  3. মুজিব আমার পিতা
  4. মুজিব: একটি জাতির রূপকার
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত সিনেমা:
- ভারত-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে জাতির পিতার বায়োপিক ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’। 
- পরিচালনা করেছেন বলিউডের বিখ্যাত পরিচালক শ্যাম বেনেগাল।
- এ সিনেমায় বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ।
- বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত আরেক সিনেমা ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই’।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘চিরঞ্জীব মুজিব’। 
- ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে নির্মিত সিনেমাটিতে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আহমেদ রুবেল।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা বই ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ অবলম্বনে তৈরি হয়েছে পূর্ণদৈর্ঘ্য টু-ডি অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র ‘মুজিব আমার পিতা’। 
- এটি পরিচালনা করেছেন সোহেল মোহাম্মদ রানা। ২০২১ সালে সিনেমাটি মুক্তি পায়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে ‘তর্জনী’।
 
উৎস: দৈনিক যুগান্তর, ১৮ ই মার্চ ২০২৩। 
৬৮.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. FAO
  2. OIC
  3. ILO
  4. Commonwealth
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ:
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল সর্বপ্রথম কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে। 
- OIC এর সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৪ সালের ২২ - ২৪ ফেব্রুয়ারি।
- FAO এর সদস্য পদ লাভ করে ১২ নভেম্বর ১৯৭৩ সালে। 
- ILO এর সদস্য পদ লাভ করে ২২ জুন ১৯৭২।
 
উৎস: কমনওয়েলথের ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।