পরীক্ষা আর্কাইভ

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন

পরীক্ষানৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
পরীক্ষা-৫ টপিক: দূর্নীতি, জাতীয় শুদ্ধাচার, গণতন্ত্র, আমলাতন্ত্র, মানব উন্নয়ন সূচক আইন, আইনের উৎস, সাম্য, স্বাধীনতা, অধিকার ও রাষ্ট্র (লাইভ ক্লাস-৯ ও ১০)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
ওপেনহাইমের মতে আইনের উৎস কয়টি?
  1. ১টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
আইন:
- আইন হচ্ছে ব্যক্তির বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত নিয়মের সমষ্টি যা সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত।
- ওপেনহাইমের মতে আইনের উৎস ৭টি।
- যথা:
১. প্ৰথা,
২. ধর্ম,
৩. বিচারকের রায়,
৪. ন্যায়বিচার,
৫. বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা,
৬. আইনসভা,
৭. জনমত।

অন্যদিকে -
- অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইনের উৎস ৬টি।
- জন অস্টিনের মতে আইনের উৎস ১টি।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
“অধিকার তখনই প্রকৃত অধিকার হতে পারে যখন রাষ্ট্র সেগুলোকে অধিকার বলে স্বীকার করে এবং সেগুলো রক্ষার জন্য সচেষ্ট হয়।” এটি কার উক্তি?
  1. অধ্যাপক গেটেল
  2. অধ্যাপক গার্নার
  3. অধ্যাপক বার্কার
  4. অধ্যাপক ডাইসি 
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক বার্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক বার্কার
ব্যাখ্যা
- অধ্যাপক আনেস্ট বার্কার যথার্থই বলেন, “অধিকার তখনই প্রকৃত অধিকার হতে পারে যখন রাষ্ট্র সেগুলোকে অধিকার বলে স্বীকার করে এবং সেগুলো রক্ষার জন্য সচেষ্ট হয়।”
- অর্থাৎ রাষ্ট্র ও সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত ও অনুমোদিত সুযোগ বা সুবিধাকে অধিকার বলা যায়। যেমন: পরিবার গঠন, শিক্ষা লাভ, নির্বাচনে ভোটদান, নির্বাচিত হওয়ার মত অধিকারের প্রতি সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বীকৃতি ও অনুমোদন রয়েছে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সব ধরনের স্বাধীনতার মূলভিত্তি -
  1. জাতীয় স্বাধীনতা
  2. সামাজিক স্বাধীনতা
  3. রাজনৈতিক স্বাধীনতা
  4. অর্থনৈতিক স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
জাতীয় স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্বাধীনতা (National liberty):
- 'বৈদেশিক শাসনের নাগপাশ থেকে মুক্তি লাভ করে যখন একটি জাতি পূর্ণ সার্বভৌমত্ব অর্জন করে তখন তাকে ‘জাতীয় স্বাধীনতা বা সার্বভৌমত্ব' বলে।
- জাতীয়তাবোধে উদ্বুদ্ধ একটি জনসমষ্টি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন ও রাষ্ট্র গড়ে তুলে জাতীয় স্বাধীনতা অর্জন করে।
- জাতীয় স্বাধীনতা ব্যতীত অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা মূল্যহীন।
- জাতীয় স্বাধীনতা সব ধরনের স্বাধীনতার মূলভিত্তি।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
'সম্পত্তির অধিকার' কোন ধরনের সাম্য?
  1. সামাজিক
  2. আইনগত
  3. রাজনৈতিক
  4. অর্থনৈতিক
সঠিক উত্তর:
সামাজিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক
ব্যাখ্যা
সাম্যের প্রকারভেদ:
- সাম্য বিভিন্ন রকমের হতে পারে।
- যথা :
(ক) সামাজিক সাম্য
(খ) রাজনৈতিক সাম্য
(গ) অর্থনৈতিক সাম্য
(ঘ) আইনগত সাম্য

সামাজিক সাম্য:
- সামাজিক সাম্য হচ্ছে এমন একটি পরিস্থিতি যখন কোন একটি সমাজে প্রত্যেক ব্যক্তি বিশেষ কতগুলো ক্ষেত্রে সমান সুযোগ ভোগ করে।
- বাক-স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার, সামাজিক নিরাপত্তা ভোগ কিংবা নাগরিক অধিকার চর্চার ক্ষেত্রে সমান সুযোগ লাভ করতে পারাটা সামাজিক সাম্যের নির্দেশক।

রাজনৈতিক সাম্য:
- প্রত্যেক নাগরিক রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত কিছু সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকে।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এইসব সুযোগ-সুবিধা লাভ করাই রাজনৈতিক সাম্য।
- সংগঠন করার স্বাধীনতা, নির্বাচনে অংশগ্রহণ এর সুবিধা, ভোটাধিকার ইত্যাদি রাজনৈতিক সাম্যের পর্যায়ে পড়ে।
- রাজনৈতিক সাম্য না থাকলে রাষ্ট্রে নেতৃত্বের সংকট তৈরি হবার সম্ভাবনা থাকে।

অর্থনৈতিক সাম্য:
- অর্থনৈতিক সাম্য বলতে সাধারণভাবে রাষ্ট্রীয় সম্পদে প্রত্যেকের সমান সুযোগ থাকা বোঝায়।
- পছন্দমত পেশা নির্বাচন, পেশা পরিবর্তন, যোগ্যতা অনুযায়ী পেশা গ্রহণের মত বিষয়গুলি অর্থনৈতিক সাম্যের নির্দেশক।
- অর্থনৈতিক সাম্যের মাত্রার উপরেই একটি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অনেকাংশে নির্ভর করে।

আইনগত সাম্য:
- ইতোপূর্বে আলোচিত সাম্যের কিছু কিছু আবার আইনের দ্বারা স্বীকৃত।
- যেমন, চাকুরিতে সমান সুযোগ লাভের অধিকার, সংগঠন ও সমাবেশ করার অধিকার।
- বাংলাদেশের মত দেশে আইনগত সাম্য সংবিধান দ্বারা সুরক্ষিত।
- সংবিধান ছাড়াও দেশের বিদ্যমান অন্যান্য আইন দ্বারাও সাম্য স্বীকৃত হতে পারে।
- আইনের শাসন নিশ্চিত করার জন্য আইনের সাম্য থাকা উচিত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
জনগণের শাসন স্বীকৃত কোথায়?
  1. গণতন্ত্রে
  2. একনায়কতন্ত্রে
  3. রাজতন্ত্রে
  4. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
গণতন্ত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণতন্ত্রে
ব্যাখ্যা
• গণতন্ত্র:
- গণতন্ত্র হল জনগণের শাসন।
-  জনগণের শাসন স্বীকৃত - গণতন্ত্রে।
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত। 
- গণতন্ত্রে একাধিক রাজনৈতিক দল থাকে।
- গণতন্ত্রে একাধিক রাজনৈতিক দল অপরিহার্য। 
 - গণতন্ত্র জনগণের সম্মতির উপর প্রতিষ্ঠিত শাসনব্যবস্থা। জনগণ ইচ্ছা করলেই সরকারের পরিবর্তন করতে পারে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি আইনের উৎস নয়?
  1. সংবাদ মাধ্যম
  2. ন্যায়বিচার
  3. ধর্ম
  4. প্ৰথা
সঠিক উত্তর:
সংবাদ মাধ্যম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবাদ মাধ্যম
ব্যাখ্যা
আইন:
- ফার্সি ভাষায় আইন শব্দের অর্থ সুনির্দিষ্ট নীতি বা নিয়ম।
- সমাজ জীবনে প্রচলিত বিধি-বিধানের নামই আইন।
- আইন হলো মানবজাতির বৃহত্তর কল্যাণে মানুষের আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র যে সকল বিধিনিষেধ প্রণয়ন করে সাধারণভাবে সেগুলোকেই আইন বলা হয়।

আইনের উৎস:
- আইন বিভিন্ন উৎস থেকে সৃষ্টি হয়েছে।
- আইনের উৎসসমূহ নিম্নরূপ:
১। প্রথা বা রীতিনীতি,
২। ধর্ম,
৩। বিচারকের রায়,
৪ । ন্যায়বিচার,
৫। বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা,
৬ । আইনসভা।

উল্লেখ্য,
- সংবাদ মাধ্যম আইনের উৎস নয়।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারের কয়টি বিভাগ রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
সরকার কাঠামো:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারের ৩টি বিভাগ রয়েছে।
- যথা:
১. আইন বিভাগ,
২. বিচার বিভাগ,
৩. শাসন বিভাগ।
- একটি বিভাগ কখনও অন্য বিভাগের কার্যে হস্তক্ষেপ করতে পারে না ।

শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে; কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদেরও প্রধান।
- মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।

আইন বিভাগ:
- বাংলাদেশ সরকারের আইন বিভাগ আইন প্ৰণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধন করার অধিকার রাখে, যা সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় সংসদীয় পদ্ধতি গৃহীত হওয়ার দরুণ আইনসভাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনৈতিক দলের হাতেই নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে।

বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের সরকার কাঠামোতে বিচার বিভাগ সরকারের সকল প্রকার বিচারিক কার্য সম্পাদন করে থাকে।
- বিচারিক কার্যের অংশ হিসেবে এই বিভাগটি মূলত সংবিধান ও আইন অনুযায়ী অপরাধীকে শাস্তি প্রদান করে থাকে ও জনগণের অধিকার রক্ষা করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে থাকে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সামাজিক অধিকার নয় কোনটি?
  1. ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার
  2. ধর্মের অধিকার
  3. সম্পত্তির অধিকার
  4. কর্মের অধিকার
সঠিক উত্তর:
কর্মের অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মের অধিকার
ব্যাখ্যা
• সামাজিক অধিকার (Civil Rights):
- যে সকল অধিকার নাগরিকের সভ্য জীবনযাপনের জন্য অপরিহার্য তাকেই সামাজিক অধিকার বলে। সভ্য জীবনযাপনের জন্য সামাজিক অধিকার অপরিহার্য। কেননা সামাজিক অধিকার সমাজজীবনকে বিকশিত করে।

সামাজিক অধিকারসমূহ নিম্নরূপ:
১. জীবনের অধিকার।
২. ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার।
৩. চিন্তা ও মত প্রকাশের অধিকার।
৪. সভা-সমিতির অধিকার।
৫. চলাফেরার অধিকার।
৬. সংবাদপত্রের স্বাধীনতা।
৭. চুক্তি সম্পাদনের অধিকার।
৮. আইনের চোখে সমানাধিকার।
৯. সম্পত্তির অধিকার।
১০. ধর্মের অধিকার।
===========
- অপরদিকে - 
- কর্মের অধিকার হচ্ছে নাগরিকের অর্থনৈতিক অধিকার।

তথ্যসুত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
.
রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন -
  1. সুপ্রিম কোর্টের রায়
  2. দেওয়ান বিধি
  3. সংবিধান
  4. প্রশাসনিক প্রবিধান
সঠিক উত্তর:
সংবিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান
ব্যাখ্যা
আইনের প্রকারভেদ:
- আইনের প্রয়োগ ও অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষের উপর ভিত্তি করে আইনকে প্রধানত তিনভাগে ভাগ করা যায়:
(১) সরকারি আইন,
(২) বেসরকারি আইন,
(৩) আন্তর্জাতিক আইন।

সরকারি আইন:
- সরকার কর্তৃক প্রণীত ও বলবৎকৃত নিয়মকানুনই হল সরকারি আইন।
- রাষ্ট্র পরিচালনা করতে নানা ধরনের আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করতে হয়।
- সরকারি আইন সাধারণত জাতীয় সংসদ বা পার্লামেন্টে প্রণীত হয়ে থাকে।
- পার্লামেন্টে আইন প্রণীত হবার কয়েকটি পর্যায় থাকে।
- সকল পর্যায়েই সাধারণত সংখ্যা গরিষ্ঠ সদস্যগণের সম্মতির প্রয়োজন পড়ে।

সরকারি আইন ২ প্রকার:
ফৌজদারি আইন:
- ব্যক্তির বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য রাষ্ট্র মূলত এ আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করে থাকে।
- সমাজে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, শান্তি বজায় রাখা এবং ব্যক্তির অধিকার নিশ্চিত করা এবং অপরাধীকে দন্ড দেয়ার জন্য ফৌজদারি আইন প্রয়োগ করা হয়।
- প্রশাসনিক আইন: রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনা এবং এসব প্রতিষ্ঠান থেকে জনগণকে সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক আইন প্রণয়ন করা হয়।
- আইনের মানের উপর নির্ভর করে প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ।

সাংবিধানিক আইন:
- রাষ্ট্রের ভিত্তি হল সংবিধান।
- এটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।
- অন্য যেকোন আইন এ আইনের সাথে সাংঘর্ষিক হলে তা বাতিল হয়ে যায়।
- এ আইন দ্বারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সীমা, বন্টন ও প্রয়োগকারী নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে কে?
  1. রাষ্ট্রপ্রধান
  2. পরিকল্পনামন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. আমলাগণ 
সঠিক উত্তর:
আমলাগণ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলাগণ 
ব্যাখ্যা
• সরকারের নীতিমালা বাস্তবায়ন:
- সরকার যে সকল নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করে থাকে আমলাতন্ত্র।
- আমলারা সরকারের আদেশ-নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করে।
- আমলাদের দ্বারা সরকারি নীতিমালার সঠিক বাস্তবায়নের উপর সরকারের সাফল্য ব্যর্থতা অনেকাংশে নির্ভর করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।