পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়15 minutes
মোট প্রশ্ন৩৯
সিলেবাস
রিভিশন পরীক্ষা টপিক: এই বাটনে অনুষ্ঠিত বিগত ৪ টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা [ফুল মডেল টেস্ট ব্যতিত]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৯ প্রশ্ন

.
'তোমার আসন পাতিব হাটের মাঝে।' এখানে 'হাটের' কোন কারক?
  1. অপাদান কারক 
  2. অধিকরণ কারক 
  3. করণ কারক 
  4. কর্ম কারক 
ব্যাখ্যা

• 'তোমার আসন পাতিব হাটের মাঝে।' 
[বাক্যে কোথায় প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'হাটের মাঝে'। সুতরাং হাটের অধিকরণ কারক।]

--------------------
• অধিকরণ কারক:

ক্রিয়ার আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক। আধার বলতে ক্রিয়া নিষ্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল ও ভাবকে বোঝায়। অর্থাৎ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথায়, কখন ও কোনো বিষয় বোঝাতে অধিকরণ কারক হয়। অধিকরণ কারকে সপ্তমী অর্থাৎ 'এ', 'য়', 'তে' ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।
যথা:
- আধার (স্থান): আমরা রোজ স্কুলে যাই।
-  কাল (সময়): প্রভাতে সূর্য ওঠে।

অধিকরণ কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ:
• প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি: বাবা বাড়ি নেই।
• তৃতীয়া বিভক্তি: খিলিপান (এর ভিতরে) দিয়ে ওষুধ খাবে।
• পঞ্চমী বিভক্তি: বাড়ি থেকে নদী দেখা যায়।
• সপ্তমী বা তে বিভক্তি: এ বাড়িতে কেউ নেই।
• অধিকরণে অনুসর্গের ব্যবহার: ঘরের মধ্যে কে রে? তোমার আসন পাতিব হাটের মাঝে

.
অন্ত্যযতি নয় কোনটি?
  1. প্রশ্নচিহ্ন
  2. বিস্ময়চিহ্ন
  3. সেমিকোলন
  4. দাঁড়ি 
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ অনুসারে, বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত যতিচিহ্ন হলো:
অন্ত্যযতি:
১. দাঁড়ি (1),
২. প্রশ্নচিহ্ন (?),
৩. বিস্ময়চিহ্ন (!),
৪. দুই দাঁড়ি (।।)।

অভ্যন্তর যতি:
৫. কমা (,),
৬. সেমিকোলন (;),
৭. হাইফেন (-),
৮. ড্যাশ (_),
৯. কোলন (:),
১০. কোলন-ড্যাশ (:-),
১১. বিন্দু (.)।

অন্যান্য যতি:
১২. ঊর্ধ্বকমা ('),
১৩. ত্রিবিন্দু (...),
১৪. উদ্ধৃতিচিহ্ন ('.../"..."),
১৫. বন্ধনীচিহ্ন (({{-]})),
১৬. বিকল্পচিহ্ন (/)।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (দ্বিতীয় খণ্ড)।

.
অপত্নীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. শিক্ষিকা
  2. জেলেনি
  3. মাতা
  4. দাদি
ব্যাখ্যা

• স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক না বোঝালে অপত্নীবাচক হয়।
যেমন:
- খোকা - খুকি,
- ছাত্র - ছাত্রী,
- শিক্ষক - শিক্ষিকা,
- নেতা - নেত্রী,
- পাগল - পাগলি।

• স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক বোঝালে পত্নীবাচক হয়।
যেমন:
- পিতা - মাতা,
- চাচা - চাচি,
- দাদা - দাদি,
- জেলে - জেলেনি,
- গুরু - গুরুপত্নী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।

.
বহুবচনবাচক কোন শব্দটি শুদ্ধ?
  1. বালিরাজি 
  2. বালিরাশি
  3. বালিমালা
  4. বালিগুচ্ছ 
ব্যাখ্যা

• অপ্রাণিবাচক শব্দে ব্যবহৃত বহুবচনবোধক শব্দ:
আবলি,
গুচ্ছ,
দাম,
নিকর,
পুঞ্জ,
মালা,
রাজি,
রাশি।

যেমন- গ্রন্থাগারে রক্ষিত পুস্তকাবলি, কুসুমদাম, কমলনিকর, মেঘমালা, পর্বতমালা, তারকারাজি, বালিরাশি, কুসুমনিচয় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৮ সালের সংস্করণ)।

.
নিচের কোনটি ক্রিয়া-বিশেষ্যের উদাহরণ?
  1. ধৈর্য 
  2. আনন্দ
  3. দয়া
  4. ভোজন
ব্যাখ্যা

• ক্রিয়া-বিশেষ্য:
যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো ক্রিয়া বা কাজের নাম বোঝায়, তাকে ক্রিয়া-বিশেষ্য বলে।
যেমন:
পঠন, ভোজন, শয়ন, করা, করানো, পাঠানো, নেওয়া ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
-----------------
• গুণ-বিশেষ্য:
গুণগত অবস্থা ও ধারণার নামকে গুণ-বিশেষ্য বলে।
যেমন: সরলতা, দয়া, আনন্দ, গুরুত্ব, দীনতা, ধৈর্য ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

.
তারিখ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ কোনটি?
  1. অর্ধ
  2. একাদশী 
  3. চৌঠা
  4. প্রথমা
ব্যাখ্যা

• ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলোকে ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
যেমন: এক, দুই, তিন ইত্যাদি।

• পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ:
পূরণবাচক সংখ্যা দিয়ে যেকোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।
যেমন: 'এক' সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান' প্রথম', 'পহেলা', 'প্রথমা' ইত্যাদি। এগুলোকে পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।

পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ ৩ ধরনের হয়। যথা:
• সাধারণ পূরণবাচক: যেমন- প্রথমা (১মা), দ্বিতীয়া (২য়া), তৃতীয়া (৩য়া), চতুর্থী, একাদশী (১১শী), দ্বাদশী (১২শী) ত্রয়োদশী (১৩শী) ইত্যাদি।
তারিখ পূরণবাচক: যেমন- পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই। 
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক: যেমন- অর্ধ, আধ, সাড়ে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।

.
'গাড়িটা বেশ জোরে চলছে।' বাক্যে 'বেশ' কোন ধরনের বিশেষণ পদ?
  1. ভাববাচক বিশেষণ
  2. নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ
  3. গুণবাচক বিশেষণ
  4. অবস্থাবাচক বিশেষণ
ব্যাখ্যা

• ভাববাচক বিশেষণ:
যেসব বিশেষণ বাক্যের অন্তর্গত অন্য বিশেষণকে বিশেষিত করে, সেসব বিশেষণকে ভাববাচক বিশেষণ বলে।
যেমন:
- খুব ভালো খরব।
- গাড়িটা বেশ জোরে চলছে।
[এসব বাক্যে 'খুব' এবং 'বেশ' ভাববাচক বিশেষণ।]

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

.
'রফিক তাস খেলে।' বাক্যে 'তাস' কোন কারক?
  1. কর্ম কারক 
  2. অপাদান কারক 
  3. করণ কারক 
  4. সম্বন্ধ কারক 
ব্যাখ্যা

• করণ কারক:
যার দ্বারা বা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে। 'করণ' শব্দের অর্থ উপায় বা সহায়।
বাক্যের ক্রিয়াপদকে 'কার দ্বারা বা কী উপায়ে জিজ্ঞাসা করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা-ই করণ কারক।

করণ কারকে বিভক্তির ব্যবহার:
করণ কারকে সাধারণত দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক ইত্যাদি তৃতীয়া বিভক্তির (অনুসর্গের) ব্যবহার হয়। তবে অন্য বিভক্তিগুলোরও প্রয়োগ রয়েছে-
- করণ কারকে 'দ্বারা বিভক্তি (অনুসর্গ): তোমাদের দ্বারা দেশের ক্ষতি হবে।
- করণ কারকে 'দিয়া বিভক্তি (অনুসর্গ): তোমার লোক দিয়ে কাজটা করাবে।
- করণ কারকে শূন্য (০) বা অ-বিভক্তি: রফিক তাস খেলে। 
- করণ কারকে এ-বিভক্তি: গ্যাসে গাড়ি চলে।
- করণ কারকে তে-বিভক্তি: তার কথা যেন মধুতে মাখা।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
সমাসে বিভক্তির বদলে কোন যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
  1. ড্যাশ 
  2. কমা 
  3. সেমিকোলন 
  4. হাইফেন 
ব্যাখ্যা

• হাইফেন:
- বাক্যের মধ্যকার একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
- হাইফেন মূলত পদসংযোজক চিহ্ন।
- সমাসে বিভক্তির বদলেও হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের সমাসবদ্ধ পদ তৈরি করার সময়ে হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- মা-বাবার কাছে সন্তানের গৌরব সবচেয়ে বড় গৌরব।
- স্কুল-পালানো ছেলে।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে নিয়েই গড়ে উঠেছে এই ক্লাব।

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১০.
ঈ-প্রত্যয়' যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ নয় কোনটি?
  1. বেঙ্গামী
  2. শ্রীমতী
  3. কিশোরী
  4.  নারী
ব্যাখ্যা

• 'মতী প্রত্যয়' যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ::
বুদ্ধিমান-বুদ্ধিমতী,
শ্রীমান-শ্রীমতী।

• 'ঈ-প্রত্যয়' যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:
কিশোর-কিশোরী,
নর-নারী,
বেঙ্গামা-বেঙ্গামী।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৮ সালের সংস্করণ)।

১১.
শওকত আলী রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস - 
  1. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
  2. নেকড়ে অরণ্য
  3. যাত্রা
  4. ওঙ্কার
ব্যাখ্যা

• শওকত আলী রচিত — 'যাত্রা' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।

------------------

• শওকত আলী:
- শওকত আলী ১৯৩৬ সালের ১২ই জানুয়ারি, দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
- শওকত আলী রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘যাত্রা’।
- শওকত আলী রচিত ত্রয়ী উপন্যাস: দক্ষিণায়নের দিন, কুলায় কালস্রোত, পূর্বরাত্রি পূর্বদিন।
- শওকত আলী রচিত বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬৮), আলাওল সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৯), একুশে পদক (১৯৯০) লাভ করেন।

• 'যাত্রা' উপন্যাস সম্পর্কিত আলোচনা:
- শওকত আলীর রচিত 'যাত্রা' উপন্যাসটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- শওকত আলীর রচিত 'যাত্রা' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- ১৯৭১ সালের ২৫মে মার্চের ভয়াল কালরাতে পাকিস্তানি বর্বর হানাদার বাহিনীর পৈশাচিক আক্রমণ থেকে প্রাণরক্ষার জন্য ঢাকাবাসীর অনিশ্চিত গন্তেব্যের দিকে ছুটে চলার কাহিনিই ‘যাত্রা’।
- প্রাত্যহিক দিনপঞ্জি বা ডায়েরির আদলে লেখা ‘যাত্রা’ উপন্যাসের কাহিনি, মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সময়কারের ঘটনার শিল্পরূপ।
- ‘যাত্রা’ উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র: অধ্যাপক রায়হান।

অন্যদিকে,
ক) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়: এটি সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
ক) নেকড়ে অরণ্য - শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
খ) ওঙ্কার: এটি আহমেদ ছফার রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, 'যাত্রা' উপন্যাস, শওকত আলী।

১২.
'নবীতুন' চরিত্রটি শহীদুল্লা কায়সার এর কোন গ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. সারেং বৌ
  2. সংশপ্তক
  3. রাজবন্দীর রোজনামচা
  4. পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ
ব্যাখ্যা

• 'নবীতুন' — চরিত্রটি সারেং বউ উপন্যাসের অন্তর্গত। 

শহীদুল্লা কায়সার:
- শহীদুল্লা কায়সার একজন কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক, লেখক।
- তিনি ১৯২৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ফেনী জেলার মজুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু নাঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
- ১৯৪৯ সালে ঢাকার সাপ্তাহিক ইত্তেফাক পত্রিকায় শহীদুল্লার সাংবাদিক জীবন শুরু হয়।
- শহীদুল্লা কায়সার বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬২)এবং আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬২) লাভ করেন।
--------------------------------
সারেং বউ:
- শহীদুল্লা কায়সার রচিত উপন্যাস সারেং বউ।
- তাঁর 'সারেং বউ' উপন্যাসের চরিত্র কদম সারেং ও তাঁর স্ত্রী নবিতুন।
- এ উপন্যাসে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী জনপদের বিশ্বস্ত চিত্র আছে।
- এছাড়াও পুরো উপন্যাস জুড়ে রয়েছে নবিতুনের সংগ্রামী জীবন কাহিনী।
--------------------------
তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো হলো:
- সারেং বৌ,
- সংশপ্তক,
- কৃষ্ণচূড়া মেঘ,
- তিমির বলয়,
- দিগন্তে ফুলের আগুন,
- সমুদ্র ও তৃষ্ণা, 
- চন্দ্রভানের কন্যা,
- কবে পোহাবে বিভাবরী (অসমাপ্ত)। 

স্মৃতিকথা:
- রাজবন্দীর রোজনামচা। 

ভ্রমণবৃত্তান্ত:
- পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ।

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ও বাংলাপিডিয়া।

১৩.
"কালের ধুলোয় লেখা" — আত্মস্মৃতিটি কে লিখেছেন?
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. শামসুর রাহমান
  3. সৈয়দ মুজতবা আলী
  4. শওকত আলী 
ব্যাখ্যা

• 'কালের ধুলোয় লেখা’ আত্মস্মৃতি:
- 'কালের ধুলোয় লেখা' (২০০৪) শামসুর রাহমান রচিত একটি — আত্মস্মৃতি।
- 'কালের ধুলোয় লেখা' তাঁর আত্মজীবনীতে রাজনীতি, অর্থনীতি, সাহিত্য-সংস্কৃতি শুধু নয়, বৈশ্বিক পটভূমিতে কাছ থেকে দেখা বাঙালির গণ-সংস্কৃতির ইতিহাস যেমন প্রকাশিত হয়েছে তেমনি প্রতিভাত হয়েছে তার কাব্যসত্তার ভেতর- বাহির।
- এই গ্রন্থে জীবনে ঘটেছে এমন কোনো ঘটনাকে লুকোতে চান নি তিনি। মুখোমুখি হয়েছেন বারবার।
- বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী শামসুর রাহমান অনেক অজানা ইতিহাসকে খোলসা করেছেন স্পষ্টভাবে যার মধ্য দিয়ে বিশুদ্ধ সত্যাশ্রয়ী আত্মজীবনী লেখার একটি সংস্কৃতি চালু করেন।

শামসুর রাহমান:
- তিনি ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে।
- শামসুর রহমান বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি হিসেবে খ্যাত।

শামসুর রাহমান রচিত কিছু উপন্যাস:
- অক্টোপাস,
- নিয়ত মন্তাজ,
- এলো সে অবেলায়।

শামসুর রাহমান রচিত কিছু উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- 'বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে'
- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- বন্দী শিবির থেকে,
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- আমি অনাহারী,
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ,
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়,
- হরিণের হাড়,
- তুমি নিঃশ্বাস তুমি হৃদস্পন্দন ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১৪.
"এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য ক’রে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।" - এ লাইনগুলোর কোন কাব্যের?
  1. পূর্বাভাস
  2. ছাড়পত্র
  3. অভিযান
  4. গীতিগুচ্ছ
ব্যাখ্যা

• সুকান্ত ভট্টাচার্য:
- তিনি ছিলেন মার্কসবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি।
- ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায় মাতুলালয়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়ায়। 
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা দৈনিক স্বাধীনতা-র (১৯৪৫) ‘কিশোর সভা’ বিভাগ সম্পাদনা করতেন।
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের সাহিত্য-সাধনার মূল ক্ষেত্র ছিল কবিতা। সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, যন্ত্রণা ও বিক্ষোভ তাঁর কবিতার প্রধান বিষয়বস্তু।
- তাঁর রচনাকর্মে গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাণীসহ শোষণহীন এক নতুন সমাজ গড়ার অঙ্গীকার উচ্চারিত হয়েছে।
- ‘এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাবো আমি' - সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত উক্তি।
- তিনি ২৯শে বৈশাখ, ১৩৫৪; ১৩ই মে, ১৯৪৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• 'ছাড়পত্র' কাব্য:
- সুকান্ত ভট্টাচার্য মৃত্যুর তিনমাস পর প্রকাশিত হয়।
- এটি বাংলা রাজনৈতিক কবিতার ইতিহাসে একটি স্মরণীয় গ্রন্থ।
- এ গ্রন্থের অনেক কবিতা বলিষ্ঠ উচ্চারণে এবং মৌলিক চিত্রকল্প সৃষ্টিতে অসামান্য।
- এ কাব্যের 'এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাবো আমি/ নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার' - পঙক্তিগুলো কাব্যটিকে মহিমান্বিত করেছে।

• তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ:
- ছাড়পত্র,
- ঘুম নেই,
- পূর্বাভাস,
- মিঠে কড়া,
- অভিযান,
- হরতাল,
- গীতিগুচ্ছ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৫.
সৈয়দ শামসুল হক কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. গাইবান্দা
  2. বগুড়া 
  3. রংপুর
  4. কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা

• সৈয়দ শামসুল হক: 
- তিনি ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত।
- তাঁর জীবনের প্রথম মঞ্চনাটক- ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’।
- ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ তাঁর মঞ্চসফল অপর একটি নাটক।
- তাঁর রচিত ‘রক্ত গোলাপ’ উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে প্রথম জাদুবাস্তবতা নিয়ে আসে পাঠকের কাছে। 

• তাঁর রচিত কাব্যনাট্য:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
- নূরলদীনের সারাজীবন।
- এখানে এখন।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- তাস।
- শীত বিকেল।
- আনন্দের মৃত্যু।
- প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান।
- জলেশ্বরীর গল্পগুলো।

• সৈয়দ শামসুল হক রচিত কবিতা:
- একদা এক রাজ্যে।
- বৈশাখে রচিত পঙ্‌ক্তিমালা।
- পরানের গহীন ভিতর।
- বেজান শহরের জন্য কোরাস।
- কাননে কানে তোমারই সন্ধানে।
- আমি জন্মগ্রহণ করিনি ইত্যাদি।

• সৈয়দ শামসুল হকের প্রবন্ধ: 
- হৃৎকলমের টানে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৬.
"বহুদিন ধরে সাবান ছিল না বলে আবদুর রহমানের পাগড়ি ময়লা। কিন্তু আমার মনে হল চতুর্দিকের বরফের চেয়ে শুভ্রতর আবদুর রহমানের পাগড়ি, আর শুভ্রতম আবদুর রহমানের হৃদয়।" - কোন রচনার অন্তর্গত?
  1. চাচা-কাহিনী
  2. দেশে বিদেশে
  3. ভ্রমি দেশে দেশে
  4. মস্কোতে কয়েকদিন
ব্যাখ্যা

• 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণকাহিনি: 
- 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা-  সৈয়দ মুজতবা আলী।
- এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রথম গ্রন্থ। 
- ভ্রমণ কাহিনীটি আফগানিস্তানের কাবুল শহর নিয়ে লেখা।

• 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণকাহিনি অংশবিশেষ: 
তাকিয়ে দেখি দিকদিগন্ত বিস্তৃত শুভ্র বরফ। আর অ্যারফিল্ডের মাঝখানে, আবদুর রহমানই হবে, তার পাগড়ির ন্যাজ মাথার উপর তুলে দুলিয়ে দুলিয়ে আমাকে বিদায় জানাচ্ছে।

বহুদিন ধরে সাবান ছিল না বলে আবদুর রহমানের পাগড়ি ময়লা। কিন্তু আমার মনে হল চতুর্দিকের বরফের চেয়ে শুভ্রতর আবদুর রহমানের পাগড়ি, আর শুভ্রতম আবদুর রহমানের হৃদয়।

• সৈয়দ মুজতবা আলী: 
- ১৯০৪ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি  কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ- ই- ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন।  
- ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- 'দেশে বিদেশে' তাঁর রচিত বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনি।
- 'দেশে বিদেশে' সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রথম গ্রন্থ। 
- 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণ কাহিনীটি আফগানিস্তানের কাবুল শহর নিয়ে লেখা।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য।
- শবনম।

• তাঁর রচিত ছোটগল্প:
- চাচা-কাহিনী।
- টুনি মেম।

উল্লেখ্য,
• ‘ভ্রমি দেশে দেশে’ নির্মলেন্দু গুণ রচিত একটি ভ্রমণ কাহিনি।
• 'মস্কোতে কয়েকদিন' নামক ভ্রমণকাহিনীর রচয়িতা তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৭.
হাসান আজিজুল হকের ‘আগুনপাখি’ - 
  1. নাটক 
  2. উপন্যাস
  3. গল্পগ্রন্থ
  4. উপাখ্যান
ব্যাখ্যা

• ‘আগুনপাখি’ উপন্যাস:
- 'আগুনপাখি' হাসান আজিজুল হকের পৈতৃক নিবাস বর্ধমানের একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ওই এলাকার মানুষের সংগ্রামী জীবন এবং বিভেদকামী রাজনীতি ও সাম্প্রদায়িকতার যথাযথ রূপায়ণ।
- এর মধ্য দিয়েই লেখক জীবনের নেতিবাচকতা পরিহার করে ইতিবাচকতার সন্ধান করেছেন।
- উপন্যাসটিতে প্রথাগত চরিত্র-নাম নেই। তবে সব চরিত্রই বোঝা যায়।এগুলো ত্রিমাত্রিক এবং দ্বন্দ্বসংকুল।
- মেঝ বউ চরিত্রটি উপন্যাসের মূল এবং সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সুসংবদ্ধতার প্রতীকে পরিণত।

--------------------
• হাসান আজিজুল হক:
- হাসান আজিজুল হক ১৯৩৯ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি, যবগ্রাম, বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৬০ সাল থেকে লেখক হিসেবে নিজেকে তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে সক্রিয় সাহিত্যচর্চার আরম্ভ।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনশাস্ত্র বিভাগে অধ্যাপনা শেষে তিনি অবসর নিয়েছেন।
- তিনি আদমজি সাহিত্য পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, আলাওল পুরস্কার, অগ্রণী পুরস্কার, আনন্দ পুরস্কার লাভ করেন।
- তাঁর গল্প ইংরেজি, হিন্দি, উর্দু, রুশ ও চেক ভাষায় অনূদিত হয়েছে।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বৃত্তায়ন,
- শিউলি,
- আগুনপাখি,
- সাবিত্রী উপাখ্যান।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ও 'আগুনপাখি' উপন্যাস, হাসান আজিজুল হক।

১৮.
কথাসাহিত্যিক "শওকত ওসমান" এর প্রকৃত নাম কী ছিলো?
  1. শওকত আহমেদ
  2. শেখ আজিজুর রহমান
  3. শওকত রহমান
  4. শাহ আজিজুল হক
ব্যাখ্যা

• শওকত ওসমান: 
- শওকত ওসমান কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক।
- ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান; ‘শওকত ওসমান’ তাঁর সাহিত্যিক নাম।
- ‘নেকড়ে অরণ্য’ - শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত নেকড়ে অরণ্য গ্রন্থে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক বাংলার নরনারীর নির্যাতনের করুণ বিবরণ আছে।
- তাঁর জননী ও ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাস দুটি প্রশংসিত হয়েছে।
- জননীতে সামাজিক জীবন ও ক্রীতদাসের হাসিতে রাজনৈতিক জীবনের কিছু অন্ধকার দিক উন্মোচিত হয়েছে।
- 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস। 

• শওকত ওসমান রচিত কয়েকটি উপন্যাস -
- ক্রীতদাসের হাসি,
- সমাগম,
- রাজা উপাখ্যান,
- দুই সৈনিক,
- নেকড়ে অরণ্য,
- পতঙ্গ পিঞ্জর,
- রাজসাক্ষী,
- জলাঙ্গী,
- পুরাতন খঞ্জর,
- বনি আদম,
- জননী,
- চৌরসন্ধি,

• শওকত ওসমান রচিত নাটক -
- তস্কর নস্কর,
- পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা,
- আমলার মামলা।

• শওকত ওসমান রচিত গল্পগ্রন্থ -
- ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দী,
- পিঁজরাপোল,
- জন্ম যদি তব বঙ্গে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ও বাংলাপিডিয়া।

১৯.
শামসুর রাহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. অক্টোপাস
  2. অদ্ভুত আঁধার এক
  3. নিরালোকে দিব্যরথ
  4. এলো সে অবেলায়
ব্যাখ্যা

শামসুর রাহমান রচিত কিছু উপন্যাস:
- অদ্ভুত আঁধার এক,
- অক্টোপাস,
- নিয়ত মন্তাজ,
- এলো সে অবেলায়।

'অক্টোপাস' উপন্যাস:
- 'অক্টোপাস' উপন্যাসের রচয়িতা - শামসুর রাহমান। ১৯৮৩ সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- অক্টোপাস উপন্যাসজুড়ে রয়েছে দাম্পত্য সংকট, প্রেম, পরকীয়া ও ব্যক্তি অস্তিত্বের জলন্ত স্ফূরণ।

• ‘অদ্ভুত আঁধার এক’ উপন্যাস:
- ‘অদ্ভুত আঁধার এক’  শামসুর রাহমান রচিত একটি উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত হয়।

‘এলো সে অবেলায়’ উপন্যাস:
- ‘এলো সে অবেলায়’ শামসুর রাহমান রচিত একটি - উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয়।

অন্যদিকে,
• শামসুর রাহমানের রচিত 'নিরালোকে দিব্যরথ' একটি কাব্যগ্রন্থ।
- এটি ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২০.
"নূরলদীনের সারাজীবন" — কাব্যনাট্য রচনা করেন কে?
  1. শওকত আলী
  2. সৈয়দ শামসুল হক
  3. শওকত ওসমান
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

• 'নূরলদীনের সারাজীবন' কাব্যনাট্য:
- রংপুরের কৃষক বিদ্রোহের নেতা নুরলদীনের সামন্তবাদ বিরােধী সংগ্রাম অবলম্বনে রচিত নাটক- নূরলদীনের সারাজীবন (১৯৮২)।
- ব্রিটিশ বিরােধী আন্দোলনের নায়ক নূরলদীনের অবিস্মরণীয় আহবান- ‘জাগাে বাহে, কোনঠে সবাই'।
- ১৪ টি দৃশ্যে কাব্যনাটকটি রচিত।
----------------------- 

• সৈয়দ শামসুল হক: 
- তিনি ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত।

• তাঁর রচিত কাব্যনাট্য:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
- নূরলদীনের সারাজীবন।
- এখানে এখন।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- তাস।
- শীত বিকেল।
- আনন্দের মৃত্যু।
- প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান।
- জলেশ্বরীর গল্পগুলো।

• সৈয়দ শামসুল হক রচিত কবিতা:
- একদা এক রাজ্যে।
- বৈশাখে রচিত পঙ্‌ক্তিমালা।
- পরানের গহীন ভিতর।
- বেজান শহরের জন্য কোরাস।
- কাননে কানে তোমারই সন্ধানে।
- আমি জন্মগ্রহণ করিনি ইত্যাদি।

• সৈয়দ শামসুল হকের প্রবন্ধ: 
- হৃৎকলমের টানে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২১.
'Written in March' is a poem composed by- 
  1. William Wordsworth
  2. William Shakespeare
  3. Samuel Taylor Coleridge
  4. Jane Austen
ব্যাখ্যা

Correct answer: William Wordsworth.

Written in March:
• "Written in March" is a short, 26-line poem by William Wordsworth that is divided into three stanzas.
- One of the central themes of "Written In March" is the beauty and majesty of nature.
- এ কবিতায় শীতের শেষে গ্রীষ্মের আগমন এবং প্রকৃতির নবজাগরণকে উদযাপণ করা হয়েছে।

William Wordsworth (1770-1850): 
- He is one of the major poets of the Romantic Period.
- তিনি ১৮৪৩ থেকে ১৮৫০ সাল পর্যন্ত England এর 'Poet Laureate' ছিলেন।
- William Wordsworth এবং Samuel Taylor Coleridge রচিত Lyrical Ballads এর প্রকাশনার মাধ্যমে Romantic Period এর সূচনা হয়।
- Lyrical Ballads, William Wordsworth and Samuel Taylor Coleridge এর যৌথ প্রকাশনা কিন্তু এই প্রকাশনায় William Wordsworth   এর অবদান ছিল সর্বোচ্চ ছিল বলে তাকে The father od Romantic Age বলা হয়।

Famous poems of Wordsworth:
- The Solitary Reaper,
- Peter Bell,
- The Recluse,
- Tintern Abbey,
- Rainbow,
- To The Cuckoo,
- Lucy Poems,
- The Daffodils.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.

২২.
Which of the following is a literary criticism by S.T. Coleridge?
  1. Lyrical Ballads
  2. Biographia Literaria
  3. Kubla khan
  4. The Nightingale
ব্যাখ্যা

Correct answer: Biographia Literaria.

Biographia Literaria:
- Biographia Literaria is the most significant work of general literary criticism produced in the English Romantic period.
- Biographia Literaria ছিল ইংরেজি রোমান্টিক যুগের সাহিত্য সমালোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ যা দর্শন ও সাহিত্য সমালোচনাকে এক নতুন উপায়ে একত্রিত করে literary criticism এর এক নতুন ধারার জন্ম দিয়েছিল।
- Biographia Literaria, or Biographical Sketches of My Literary Life and Opinions, হলো Romantic Period এর বিখ্যাত কবি  Samuel Taylor Coleridge এর অন্যতম সৃষ্টি।
- এটি ১৮১৭ সালে প্রকাশিত হয়।

Samuel Taylor Coleridge:
- তিনি ১৭৭২ সালের ২১ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৩৪ সালের ২৫ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি একজন English lyrical poet, critic, এবং philosopher.
- তাকে Poet of Supernaturalism বলা হয়।
- William Wordsworth-এর সঙ্গে মিলে তিনি "Lyrical Ballads" (১৭৯৮) গ্রন্থটি রচনা করেন, যা ইংরেজি রোমান্টিক আন্দোলনের সূচনা করে।

Notable Works:
- Biographia Literaria;
- Christabel;
- Lyrical Ballads,
- The Rime of the Ancient Marine,
- The Nightingale,
- Dejection: An Ode,
- Kubla Khan,

1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

২৩.
Which of the following is a narrative poem by John Keats?
  1. Ode to a Nightingale
  2. To autumn 
  3. The prelude
  4. Isabella
ব্যাখ্যা

Correct answer: Isabella.

Isabella:

- Isabella হলো Romantic কবি John Keats-এর একটি narrative poem, যা ১৮১৮ সালে লেখা হয় এবং ১৮২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি Giovanni Boccaccio-র Decameron থেকে অনুপ্রাণিত।
- ইসাবেলা একজন সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে, আর লরেঞ্জো হচ্ছে তাদের পরিবারের একজন কর্মচারী। ধীরে ধীরে Isabella ও Lorenzo প্রেমে পড়ে যায়। কিন্তু Isabella-র ভাইয়েরা Lorenzo কে নিচু শ্রেণির মনে করে এবং এই সম্পর্ক মেনে নিতে চায় না।
- তারা ষড়যন্ত্র করে Lorenzo কে হত্যা করে এবং তার লাশ লুকিয়ে ফেলে।
- Isabella ধীরে ধীরে দুঃখে-যন্ত্রণায় নিঃশেষ হয়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত মারা যায়।

John Keats:
- John Keats, একজন English Romantic lyric poet, ছিলেন।
- তিনি প্রকৃতি, সৌন্দর্য, কল্পনা ও মানব জীবনের নশ্বরতা নিয়ে গভীরভাবে লিখেছেন।
- তিনি মাত্র ২৬ বছর বয়সে মারা গেলেও, তার লেখা কবিতা তাকে চিরস্মরণীয় কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
- তার সাহিত্যকর্মের মধ্যে আছে, sonnets, odes, and epics ইত্যাদি।
- তার কাব্য সৌন্দর্য, কল্পনা ও মানব অভিজ্ঞতার গভীর উপলব্ধির জন্য আজও বিশ্ব সাহিত্যে অনন্য স্থান অধিকার করে আছে।

John Keats's famous poems:
- Ode to Psyche,
- Ode on Melancholy,
- Ode to a Nightingale,
- To Autumn,
- Lamia,
- Isabella.

Other Options:
ক) Ode to a Nightingale - Written by John Keats; এটি একটি ode (lyric poem).

খ) To Autumn - Written by John Keats; এটি একটি ode (lyric poem).

গ) The Prelude - Written by William Wordsworth; এটি একটি autobiographical philosophical poem.

Source: 
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.

২৪.
Which of the following is a sonnet by P.B. Shelly?
  1. Ode to west wind
  2. Adonais
  3. To a skylark
  4. Ozymandias
ব্যাখ্যা

Correct answer: Ozymandias.

Ozymandias:
- Ozymandias” হলো Percy Bysshe Shelley রচিত একটি বিখ্যাত poem.
- Poem-টি একটি বিশাল statue-এর ধ্বংসাবশেষকে একটি বিশাল desert-এ বর্ণনা করে।
- Pedestal-এ থাকা inscription দেখায় Ozymandias-এর অহংকার এবং শক্তি।
- Poem-টি মানুষের power এবং kingdoms-এর অনিবার্য ক্ষয়কে প্রকাশ করে।
- এটি time, pride, এবং পার্থিব glory-এর অস্থায়ীত্বের উপর এক প্রতিফলন।

Percy Bysshe Shelley:
- Percy Bysshe Shelley (1792-1822) ছিলেন Romantic era-এর একজন বিখ্যাত ইংরেজ কবি।
- তিনি তার lyrical এবং visionary poems-এর জন্য পরিচিত।
- Shelley প্রায়ই তার সাহিত্যকর্মে -এ freedom, revolution, love, এবং nature-এর শক্তি নিয়ে লিখেছেন।
- তিনি Lord Byron-এর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন এবং অনেক পরবর্তী writers এবং poets-কে প্রভাবিত করেছেন।

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman

২৫.
Which of the following is a romantic novel by Jane Austen?
  1. Pride and Prejudice
  2. Ivanhoe
  3. War and Peace
  4. Colonel jack
ব্যাখ্যা

Correct answer: Pride and Prejudice.

Pride and Prejudice:
- Jane Austen লিখিত romantic novel.
- এটি একটি classic English literature.
- Jane Austen, Romantic period এর একজন author তাই এটি Romantic যুগের novel.
- Fitzwilliam Darcy, was Elizabeth's love interest in "Pride and Prejudice".
- এটি একটি Romantic novel, যেখানে Darcy এবং Elizabeth একে অপরের প্রেমে পরে তাদের মাঝে অনেক differences থাকার পরেও।

Jane Austen:
- তিনি একজন English novelist.
- She first gave the novel its distinctly modern character through her treatment of ordinary people in everyday life.
- যিনি সামাজিক আচরণ, নারীদের জীবন, এবং তাঁর চরিত্রগুলোর রোম্যান্টিক জটিলতা নিয়ে গভীর পর্যবেক্ষণের জন্য পরিচিত।
- তাঁর লেখা উপন্যাসগুলো সাধারণত ১৮শ শতকের শেষ ও ১৯শ শতকের প্রাথমিক সময়ের ব্রিটিশ জমিদার শ্রেণির সমালোচনা করে।
- She first gave the novel its distinctly modern character through her treatment of ordinary people in everyday life.

Some notable works:
- Emma,
- Lady Susan,
- Mansfield Park,
- Northanger Abbey,
- Persuasion,
- Pride and Prejudice,
- Sense and Sensibility.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.

২৬.
Which of the following is written by Thomas Hardy?
  1. Jane Eyre
  2. Silas Marner
  3. The Return of the Native
  4. A Tale of Two Cities
ব্যাখ্যা

Correct answer: The Return of the Native.

The Return of the Native.

- Victorian যুগের ঔপন্যাসিক Thomas Hardy রচিত বহুল পঠিত একটি উপন্যাস।
- কেন্দ্রীয় চরিত্র Clym Yeobright যে প্যারীসে স্বর্ণকারের পেশা ছেড়ে নিজ ভূমি Wessex এ ফিরে আসে এবং স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করে।
- তার কাজিন Thomasin ও তার স্বামীকে নিয়ে গ্রামেই বসবাস করতে চায়।
- কিন্তু Clym Yeobright এর স্ত্রী এবং Thomasin এর স্বামী শহুরে জীবনের উত্তেজনা ভোগ করতে চায়।
- অত:পর তারা দুইজনে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়।

Thomas Hardy:
- তিনি একজন English novelist and poet.
- তাকে বলা হয়, Regional Novelist and a poet বা আঞ্চলিক ঔপন্যাসিক বা কবি।
- একটি মাত্র নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই তার সকল সাহিত্যকর্ম রচিত হওয়ার কারণে তাকে এই উপাধি দেয়া হয়।
- এছাড়াও, তাকে Pessimistic Novelist হিসেবেও আখ্যায়িত করেন অনেকে।
- তার রচিত উপন্যাসগুলোর সময়কাল ভিক্টোরিয়া যুগ, কিন্তু তিনি অনেক ছোটগল্প লিখেছেন যেগুলো আধুনিক যুগে রচিত।
- এছাড়া তিনি কবিতাও লিখেছেন।

Thomas Hardy-এর লেখা কয়েকটি উপন্যাস হলো:
-Tess of the d'Urbervilles,
- Far from the Madding Crowd,
- The Return of the Native,
- The Poor Man and the Lady,
- The Mayor of Casterbridge,
- Jude the Obscure,
- A Pair of Blue Eyes.


Source: 
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman

২৭.
Which of the following is a dramatic monologue by Alfred Tennyson?
  1. Crossing The Bar
  2. In Memoriam
  3. Ulysses
  4. The Lotos-Eaters.
ব্যাখ্যা

Correct answer: Ulysses.

Ulysses
- Ulysses হলো একটি blank-verse কবিতা এবং dramatic monologue, লেখা 1833 সালে এবং প্রকাশিত 1842 সালে।
- কবিতায় বয়স্ক উলিসেস তার রাজ্য ইথাকা ছেড়ে শেষ একটি সমুদ্র অভিযান করার পরিকল্পনা করেন, পুরানো গৌরব পুনরুদ্ধারের জন্য।
- টেনিসন উলিসেসকে হোমারের Odyssey এবং ডান্তের Inferno-এর ভিত্তিতে চিত্রিত করেছেন।

Alfred, Lord Tennyson:
- টেনিসন ছিলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রধান ইংরেজ কবি।
- 1884 সালে তিনি peerage (লর্ড উপাধি) পান।
- তাঁর কবিতায় ছন্দের বৈচিত্র্য, জীবন্ত চিত্রকল্প ও সুরেলা শব্দ দেখা যায়।
- তিনি এমন এক যুগের সংশয় ও সংকটকে তুলে ধরেন, যখন খ্রিস্টীয় বিশ্বাস ও মানবজীবন সম্পর্কে প্রচলিত ধারণা বিজ্ঞান ও আধুনিক অগ্রগতির কারণে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল।

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman

২৮.
Which of the following is a four-act play by G.B. Shaw?
  1. Macbeth
  2. The Jew of Malta
  3. All for Love
  4. Doctor's Dilemma
ব্যাখ্যা

Correct answer: Doctor's Dilemma.

The Doctor's Dilemma:
- এটি George Bernard Shaw রচিত একটি drama.
- এটি একটি four-act drama.
- ১৯১১ সালে প্রথম এই play টি প্রকাশিত হয়।
- The play satirizes the medical profession and comments wryly on the general public's inability to distinguish between personal behavior and achievement.

G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- তিনি 'Modern period' এর নাট্যকার।
- George Bernard Shaw একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- তার সর্বাধিক বাণিজ্যিকভাবে সফল নাটক Pygmalion থেকে জনপ্রিয় মিউজিক্যাল My Fair Lady তৈরি হয়।

২৯.
Which of the following is a short heroic novel by Ernest Hemingway?
  1. For Whom the Bell Tolls.
  2. The Old Man and the Sea.
  3. A Farewell to Arms
  4. The Sun Also Rises
ব্যাখ্যা

Correct answer: The Old Man and the Sea.

The Old Man and the Sea
- The Old Man and the Sea হলো Ernest Hemingway রচিত একটি short heroic novel.
- এটি ১৯৫২ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হলো Santiago এবং তার শিক্ষানবিশ Manolin.
- Manolin মাত্র পাঁচ বছর বয়সে Santiago-এর সঙ্গে প্রথম নৌকায় যায়। পারিবারিক বাধা থাকা সত্ত্বেও Manolin সবসময় Santiago-এর সঙ্গে সমুদ্রে যায়।

Ernest Hemingway (1899-1961):
- Ernest Hemingway-এর পূর্ণ নাম Ernest Miller Hemingway.
- তিনি একজন বিখ্যাত আমেরিকান ঔপন্যাসিক এবং ছোটগল্পকার ছিলেন।
- ১৯৫৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তার লেখা সংক্ষিপ্ত, পরিষ্কার এবং শক্তিশালী, যা ২০শ শতাব্দীর আমেরিকান ও ব্রিটিশ সাহিত্যে গভীর প্রভাব ফেলেছে।
- নিজের সাহসী ও দুঃসাহসিক জীবনযাপনের জন্যও তিনি সুপরিচিত।
- The Old Man and the Sea এবং সমকালীন সাহিত্যশৈলীতে তার অবদানের জন্য ১৯৫৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৫২ সালে The Old Man and the Sea-এর জন্য তিনি Pulitzer Prize পান।

Source: 
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman

৩০.
What was the real name of George Orwell?
  1. Mary Ann Evans
  2. William Sydney Porter
  3. Eric Arthur Blair
  4. Samuel Langhorne Clemens
ব্যাখ্যা

• The real name of George Orwell is  Eric Arthur Blair.

Eric Arthur Blair:
- Eric Arthur Blair wrote under the pen name - George Orwell.
- অর্থাৎ George Orwell এর প্রকৃত নাম হলো Eric Arthur Blair.
- তিনি ব্রিটিশ ভারতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং Modern Period এর একজন সুপরিচিত লেখক তিনি।
- তিনি একাধারে English novelist, essayist, and critic.
- তিনি তাঁর 'Animal Farm' এবং Nineteen Eighty-four নামক novel এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

Notable Works:
Novel:
- Animal Farm (1945)
- Nineteen Eighty-Four
- Burmese Days
- Coming up for Air.

Source: 
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.

৩১.
রক্তচাপ পরিমাপের জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
  1. থার্মোমিটার
  2. হাইগ্রোমিটার
  3. স্ফিগমোম্যানোমিটার
  4. ব্যারোমিটার
ব্যাখ্যা

রক্তচাপ: 
- হৃৎপিণ্ডের সংকোচন এবং প্রসারণের ফলে হৃৎপিণ্ড থেকে রক্ত ধমনির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় ধমনিপ্রাচীরে যে পার্শ্বচাপ সৃষ্টি হয়, সেটাকে রক্তচাপ বলে। তাই রক্তচাপ বলতে সাধারণভাবে ধমনির রক্তচাপকেই বুঝায়। 
- রক্তচাপ হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা, ধমনির প্রাচীরের স্থিতিস্থাপকতা এবং রক্তের ঘনত্ব এবং পরিমাণের উপর নির্ভর করে। 
- নিলয়ের সিস্টোল অবস্থায় অর্থাৎ সংকোচনের সময় ধমনিতে যে চাপ থাকে, তাকে সিস্টোলিক রক্তচাপ এবং ডায়াস্টোল অর্থাৎ প্রসারণের সময় অবস্থায় যে চাপ থাকে, তাকে ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ বলে। 
- স্বাভাবিক এবং সুস্থ একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সিস্টোলিক রক্তচাপ পারদ স্তম্ভের ১১০-১৪০ মিলিমিটার (mm Hg) এবং ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ পারদ স্তম্ভের ৬০-৯০ মিলিমিটার (mm Hg)। 
- স্বাভাবিক রক্তচাপকে সাধারণত ১২০/৮০ (mm Hg) এভাবে প্রকাশ করা হয়। তবে বয়স ও পরিস্থিতিভেদে স্বাভাবিক রক্তচাপের মান কম-বেশি হতে পারে। 
- স্ফিগমোম্যানোমিটার নামক যন্ত্রের সাহায্যে রক্তচাপ নির্ণয় করা যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩২.
নিচের কোনটিকে দেহ সংরক্ষক খাদ্য উপাদান বলা হয়? 
  1. শর্করা
  2. স্নেহ 
  3. আমিষ 
  4. ভিটামিন
ব্যাখ্যা

খাদ্য ও পুষ্টি: 
- পুষ্টি হলো পরিবেশ থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্যবস্তু আহরণ করে তা পরিপাক ও শোষণ করা এবং আত্তীকরণ দ্বারা দেহের শক্তির চাহিদা পূরণ, রোগ প্রতিরোধ, বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ করা। পুষ্টির ইংরেজি শব্দ Nutrition.
- অপরদিকে খাদ্যের যেসব জৈব অথবা অজৈব উপাদান জীবের বেঁচে থাকার জন্য দরকারি শক্তির জোগান দেয়, তাদের একসঙ্গে পরিপোষক বা নিউট্রিয়েন্টস (Nutrients) বলে। 
যেমন- গ্লুকোজ, খনিজ লবণ, ভিটামিন ইত্যাদি হচ্ছে নিউট্রিয়েন্টস। 
- খাদ্যের কাজ প্রধানত তিনটি। 
যথা- 
১. খাদ্য দেহের গঠন, বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করে। 
২. খাদ্য দেহে তাপ উৎপাদন করে, কর্মশক্তি প্রদান করে। 
৩. খাদ্য রোগ প্রতিরোধ করে, দেহকে সুস্থ, সবল এবং কর্মক্ষম রাখে। 

খাদ্যের উপাদান: 
- খাদ্যের উপাদান ছয় (৬) টি। 
যেমন- শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ এবং পানি। 
- স্নেহ এবং শর্করাকে বলা হয় শক্তি উৎপাদক খাদ্য এবং আমিষযুক্ত খাদ্যকে বলা হয় দেহ গঠনের খাদ্য, যদিও এর বাইরেও এসব উপাদানের আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছে। 
- ভিটামিন, খনিজ লবণ, পানি ও আঁশ দেহ সংরক্ষক খাদ্য উপাদান, যেগুলো দেহের অন্যান্য কাজে লাগে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৩.
অগ্ন্যাশয় থেকে কোন উৎসেচক নিঃসৃত হয়?
  1. লাইপেজ
  2. গ্লুকাগন
  3. পেপসিন
  4. মিউকাস
ব্যাখ্যা

অগ্ন্যাশয়: 
- অগ্ন্যাশয় পাকস্থলীর পিছনে আড়াআড়িভাবে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মিশ্রগ্রন্থি। 
- এটি একাধারে পরিপাকে অংশগ্রহণকারী এনজাইম ও রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন নিঃসৃত করে। 
অর্থাৎ, অগ্ন্যাশয় বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির মতো কাজ করে। 
- অগ্ন্যাশয়রস অগ্ন্যাশয় নালির মাধ্যমে যকৃৎ-অগ্ন্যাশয়নালি দিয়ে ডিওডেনামে প্রবেশ করে। 
- অগ্ন্যাশয় থেকে অগ্ন্যাশয়রস নিঃসৃত হয়, আর এই অগ্ন্যাশয়রসে ট্রিপসিন, লাইপেজ ও অ্যামাইলেজ নামক উৎসেচক থাকে। 
- এসব এনজাইম শর্করা, আমিষ এবং স্নেহজাতীয় খাদ্যের পরিপাকে সহায়তা করে। তাছাড়াও অম্ল-ক্ষারের সাম্যতা, পানির সাম্যতা, দেহতাপ প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ করে। 
- অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে অগ্ন্যাশয়ের একটি অংশ অতি প্রয়োজনীয় কিছু হরমোন, যেমন: গ্লুকাগন ও ইনস্যুলিন নিঃসরণ করে। 
- গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ ও অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় কাজে এ হরমোন দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৪.
পেলেগ্রা রোগের প্রধান উপসর্গ কোন ভিটামিনের অভাবে হয়?
  1. B1
  2. B2
  3. B3
  4. B6
ব্যাখ্যা

ভিটামিন B কমপ্লেক্স: 
- পানিতে দ্রবণীয় ১২টি ভিটামিন B রয়েছে, ভিটামিনের এই গুচ্ছকে ভিটামিন B কমপ্লেক্স বলা হয়। 
- দেহের স্বাভাবিক সুস্থতার জন্য খাবারে ভিটামিন B কমপ্লেক্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 
- দেহের বৃদ্ধি, স্নায়ু ও মস্তিষ্কের কাজ, দেহকোষে বিপাকীয় কাজ, প্রজনন ইত্যাদি সম্পন্ন করার জন্য খাদ্যে ভিটামিন B কমপ্লেক্সের উপস্থিতি অতি আবশ্যক। 
- ভিটামিন B কমপ্লেক্সভুক্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিনগুলোর উৎস এবং অভাবজনিত রোগ নিচে দেওয়া হলো- 
১। থায়ামিন (B1): 
• উৎস: ঢেঁকিছাঁটা চাল, আটা, ডাল, তেলবীজ, বাদাম, যকৃৎ, টাটকা ফল ও সবজি। প্রাণিজ উৎসের মাঝে রয়েছে যকৃত, ডিম, দুধ, মাছ ইত্যাদি। 
• অভাবজনিত রোগ: দেহে থায়ামিনের চরম অভাবে বেরিবেরি রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। এর অভাবে স্নায়ুর দুর্বলতা, মানসিক অবসাদ, ক্লান্তি, খাওয়ায় অরুচি, ওজনহীনতা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। 

২। রাইবোফ্ল্যাভিন (B2): 
• উৎস: যকৃৎ, দুধ, ডিম, সবুজ শাকসবজি, গাছের কচি ডগা, অঙ্কুরিত বীজ। 
• অভাবজনিত রোগ: এর অভাবে ঠোঁটের দুপাশে ফাটল দেখা দেয়, মুখে ও জিভে ঘা হয়, ত্বক খসখসে হয়। 

৩। নিয়াসিন বা নিকোটিনিক এসিড (B3): 
• উৎস: মাংস, যকৃৎ, আটা, ডাল, বাদাম, তেলবীজ, ছোলা, শাকসবজি। 
• অভাবজনিত রোগ: ভিটামিন B3 এর অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়, পেলেগ্রা রোগের প্রধান উপসর্গ হলো ত্বকে প্রদাহ, ডায়রিয়া এবং স্মৃতিভ্রংশ হওয়া। 

৪। পাইরিডক্সিন (B6): 
• উৎস: চাল, আটা, মাছ, মাংস, শাকসবজি, ছোলা, ছত্রাক, বৃক্ক, ডিমের কুসুম। 
• অভাবজনিত রোগ: এর অভাবে খাওয়ায় অরুচি, বমিভাব ও অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। 

৫। কোবালামিন বা (B12) সায়ানোকোবালামিন: 
• উৎস: যকৃৎ, দুধ, মাছ, মাংস, ডিম, পনির, বৃক্ক প্রভৃতি। 
• অভাবজনিত রোগ: এর অভাবে রক্তস্বল্পতা রোগ দেখা দেয়। স্নায়ুতন্ত্রের অবক্ষয় ঘটে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৫.
থ্যালাসেমিয়া রোগে হিমোগ্লোবিন অস্বাভাবিক হওয়ার ফলে কী ঘটে?
  1. লোহিত রক্তকণিকা বৃদ্ধি পায়
  2. লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যায়
  3. রক্তে প্লেটলেট বৃদ্ধি পায়
  4.  লোহিত রক্তকণিকার আকার পরিবর্তিত হয় না
ব্যাখ্যা

থ্যালাসেমিয়া: 
- থ্যালাসেমিয়া একধরনের বংশগত রক্তের রোগ। 
- এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তস্বল্পতা সৃষ্টি হয়। 
- হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যায়, ফলে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। 
- এ রোগটি মানুষের অটোজোমে অবস্থিত প্রচ্ছন্ন জিনের দ্বারা ঘটে। 
- যখন মাতা ও পিতা উভয়ের অটোজোমে এ জিনটি প্রচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে, তখন তাদের সন্তানদের মধ্যে প্রচ্ছন্ন জিন দুটি একত্রিত হয়ে এই রোগের প্রকাশ ঘটায়। 
- সাধারণত শিশু অবস্থায় থ্যালাসেমিয়া রোগটি শনাক্ত হয়। 
- এ রোগের জন্য রোগীকে নিয়মিত রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে রক্তস্বল্পতার হার কমে যায়। এ রোগে আয়রন বা লৌহযুক্ত খাবার খেয়ে বেশি উপকার হয় না বরং রোগের জটিলতা বাড়তে পারে। 
- নিয়মিত রক্ত সঞ্চালন ও অন্যান্য চিকিৎসা করালেও অনেক রোগী অল্প বয়সে মারা যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৬.
অণুচক্রিকা (Platelet) সম্পর্কে কোনটি সঠিক? 
  1. এটি রক্ত তঞ্চনে সাহায্য করে 
  2. এতে নিউক্লিয়াস থাকে 
  3. এটি দীর্ঘায়ু কোষ যা প্রায় ৬ মাসের উপড়ে বেঁচে থাকে
  4. এটি সম্পূর্ণরূপে অস্থিমজ্জার অংশ নয়
ব্যাখ্যা

অণুচক্রিকা: 
- অণুচক্রিকা বা থ্রম্বোসাইটকে ইংরেজিতে প্লেটলেট (Platelet) বলে। অণুচক্রিকাগুলো গোলাকার, ডিম্বাকার অথবা রড আকারের হতে পারে। এদের সাইটোপ্লাজম দানাদার এবং সাইটোপ্লাজমে কোষ অঙ্গাণু- মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বস্তু থাকে; কিন্তু নিউক্লিয়াস থাকে না। 
- অনেকের মতে, অণুচক্রিকাগুলো সম্পূর্ণ কোষ নয়; এগুলো অস্থিমজ্জার বৃহদাকার কোষের ছিন্ন অংশ। 
- অণুচক্রিকাগুলোর গড় আয়ু ৫-১০ দিন। 
- পরিণত মানবদেহে প্রতি ঘনমিলিমিটার রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা প্রায় দেড় থেকে সাড়ে চার লাখ। অসুস্থ দেহে এদের সংখ্যা সাধারণত আরো বেশি বা কম হয়। 

- অণুচক্রিকার প্রধান কাজ হলো রক্ত তঞ্চন করা বা জমাট বাঁধানোতে (blood clotting) সাহায্য করা। 
- যখন কোনো রক্তবাহিকা বা কোনো টিস্যু আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে কেটে যায়, তখন সেখানকার অণুচক্রিকাগুলো সক্রিয় হয়ে উঠে অনিয়মিত আকার ধারণ করে এবং থ্রম্বোপ্লাসটিন (Thromboplastin) নামক পদার্থ তৈরি করে। এ পদার্থগুলো রক্তের প্রোটিন প্রোথ্রমবিনকে থ্রমবিনে পরিণত করে। 
- থ্রমবিন পরবর্তীকালে রক্তরসের প্রোটিন-ফাইব্রিনোজেনকে ফাইব্রিন জালকে পরিণত করে রক্তকে জমাট বাঁধায় কিংবা রক্তের তঞ্চন ঘটায়। 
- ফাইব্রিন একধরনের অদ্রবণীয় প্রোটিন, যা দ্রুত সুতার মতো জালিকা প্রস্তুত করে। এটি ক্ষতস্থানে জমাট বাঁধে এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ করে। 
- তবে রক্ত তঞ্চন প্রক্রিয়াটি আরও জটিল, এ প্রক্রিয়ার জন্য আরও বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ এবং ভিটামিন K ও ক্যালসিয়াম আয়ন জড়িত থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৭.
১ খাদ্য ক্যালরি প্রায় কত কিলোজুলের সমান?
  1. ১.৫ কিলোজুল
  2. ২.৪ কিলোজুল
  3. ৩.৪ কিলোজুল
  4. ৪.২ কিলোজুল
ব্যাখ্যা

খাদ্য শক্তি পরিমাপের একক: 
- শক্তির বিভিন্ন রূপ রয়েছে। 
- পুষ্টি উপাদান থেকে নির্গত শক্তি হচ্ছে তাপ শক্তি। 
- তাপ শক্তির একক হচ্ছে ক্যালরি। 
- পদার্থবিজ্ঞানের হিসেবে এক কিলোগ্রাম (1000 গ্রাম) পানির উষ্ণতা 1 ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড বৃদ্ধি করতে 1000 ক্যালরি বা 1 কিলোক্যালরি তাপের প্রয়োজন হয়। 
- পুষ্টিবিদেরা খাদ্যের শক্তি বোঝানোর জন্যেও "ক্যালরি” শব্দটি ব্যবহার করে থাকেন, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে খাদ্যের ক্যালরি আসলে কিলোক্যালরি। 
উল্লেখ্য, বিভ্রান্তি এড়াতে এখানে খাদ্য শক্তি বোঝানোর জন্য খাদ্য ক্যালরি অথবা কিলোক্যালরি শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। 
- আন্তর্জাতিক সংস্থার মতে, খাদ্যের শক্তিমূল্য প্রকাশের ক্ষেত্রে খাদ্য ক্যালরি কিংবা কিলোক্যালরির পরিবর্তে কিলোজুল একক ব্যবহার করা উচিত। 
এক্ষেত্রে, 1 খাদ্য ক্যালরি = 1 কিলোক্যালরি = 4.2 কিলোজুল (প্রায়)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৮.
নিচের কোন রোগ আক্রান্ত ব্যক্তির মাধ্যমে অন্য কোনো সুস্থ ব্যক্তিতে সরাসরি ছড়ায়?
  1. ডায়াবেটিস
  2. সর্দি-কাশি
  3. উচ্চ রক্তচাপ
  4. ক্যান্সার
ব্যাখ্যা

সংক্রামক রোগ:  
- যেসব রোগ আক্রান্ত ব্যক্তির দেহ হতে কোনো মাধ্যমে আশেপাশের অন্য ব্যক্তির দেহে ছড়িয়ে পড়ে তাদের সংক্রামক রোগ বলে। 
যেমন- সর্দি-কাশি, ভাইরাস জ্বর, ইনফ্লুংয়েঞ্জা, হাম, বসন্ত, জন্ডিস ইত্যাদি। 

অসংক্রামক রোগ: 
- যেসব রোগ রোগাক্রান্ত ব্যক্তির মাধ্যমে অন্য কোনো সুস্থ দেহে ছড়ায় না তাদের অসংক্রামক রোগ বলে। 
যেমন- ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ক্যান্সার, হৃদরোগ ইত্যাদি। 

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯.
পিত্তরসের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. অম্লীয়
  2. নিরপেক্ষ
  3. ক্ষারীয়
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা

যকৃৎ (Liver): 
- মধ্যচ্ছদার নিচে উদরগহ্বরের উপরে পাকস্থলীর ডান পাশে যকৃৎ অবস্থিত। 
- যকৃৎ মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি। 
- যকৃৎ-এর রং লালচে খয়েরি। 
- যকৃতের ডান খণ্ডটি বাম খণ্ড থেকে আকারে কিছুটা বড়। 
- প্রকৃতপক্ষে চারটি অসম্পূর্ণ খণ্ড নিয়ে যকৃৎ গঠিত। প্রতিটি খণ্ড ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র লোবিউল দিয়ে তৈরি। প্রত্যেকটি লোবিউলে অসংখ্য কোষ থাকে যে কোষ পিত্তরস (bile) তৈরি করে। 
- পিত্তরস ক্ষারীয় গুণ সম্পন্ন। 
- যকৃতে বিভিন্ন রকম জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে, তাই একে রসায়ন গবেষণাগার বলা হয়। 
- যকৃতের নিচের অংশ পিত্তথলি বা পিত্তাশয় সংলগ্ন থাকে যেখানে পিত্তরস জমা হয়। এই পিত্তরস গাঢ় সবুজ বর্ণের এবং তিক্ত স্বাদবিশিষ্ট। 
- পিত্তথলি পিত্তনালির সাহায্যে অগ্ন্যাশয় নালির সাথে মিলিত হয়। এটি যকৃৎ-অগ্ন্যাশয় নালির মাধ্যমে ডিওডেনামে প্রবেশ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।